Saturday, 1 November 2025
ধাবার ছোট্ট অভিজ্ঞতা!
শনিবার বিকেল। নভেম্বারের শুরুর মনোরম আবহাওয়া উপভোগ করতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলাম চার বন্ধু। মাঝে চা ও সিগারেট খেতে থেমেছিলাম এক ধাবায়। জায়গাটা কলকাতা এয়ারপোর্টের কাছেই। রাস্তার ধারে অনেক গোল টেবিল পাতা, প্রতিটা টেবিলে ৬ টা করে চেয়ার। মাথার উপরে গোল ছাতা বসানো।
টেবিলে বসে চা খেতে খেতে সিগারেটে টান দিচ্ছিলাম আর গল্প করছিলাম বন্ধুরা। হঠাত চোখ গেল ঠিক সামনের টেবিল পরে বসা একটা মেয়ের দিকে। ফর্শার দিকে রঙ, বেশ সুন্দরী। বয়স এই ২২-২৩ হবে। উচ্চতা ৫'৪" মত, বেশ রোগাই। পরনে লাল রঙের টপ, নীল ফেডেড জিন্স। পায়ে শর্ট মোজা আর বেগুনী রঙের পুমার লোগো ওয়ালা স্নিকার। মেয়েটির সাথে বসা ছেলেটির বয়স ৩০ মত লাগছে দেখে। আমি আড়চোখে মেয়েটিকে দেখতে লাগলাম। বন্ধুদের সামনে এতে অস্বস্তির কিছু নেই!
হঠাত লক্ষ্য করলাম মেয়েটি " বাইকে বসে বসে পায়ে ক্রাম্প হচ্ছে" বলে জুতো পরা পা দুটো ছেলেটির কোলে তুলে দিল। ছেলেটি নিজের ডান হাতটা মেয়েটির জুতোর তলায় রেখে বলল "আমি স্ট্রেচ করে দিচ্ছি!" এই বলে মেয়েটির দুটো পাই এক এক করে স্ট্রেচ করে দিতে লাগল। মেয়েটি মোবাইলে অন্য কারো সাথে কথা বলতে বলতে খেতে লাগল।
ছেলেটি ডান হাত দিয়ে মেয়েটির দুটো জুতো পরা পায়ের তলায় হাত রেখে স্ট্রেচ করতে লাগল প্রথমে। সাথে বাঁ হাত দিয়ে টিপে দিতে লাগল মেয়েটির পা দুটো। কাফ থেকে জুতো অব্ধি। মেয়েটি ফোনে কথা বলতে বলতে খাবার আর চা খেতে লাগল। আর ছেলেটি ডান হাত দিয়ে মেয়েটির জুতো দুটো ঘসে পরিস্কার করে দিতে লাগল। প্রথমে জুতোর উপর দুটো, তারপরে তলা দুটো। প্রকাশ্যে খোলা রাস্তার ধারে ধাবাতেই। যদিও আর কেউ খেয়াল করছিল কিনা বুঝতে পারলাম না।
একটু পরে ওদের ঠিক ডান পাশে রাখা গাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বলতে সিগারেট খেতে লাগল ৩ জন। ওরা আড়চোখে তাকালেও কেউ এই নিয়ে কোন মন্তব্য করল না। কালচে সবুজ রঙের জামা পরা ছেলেটা তার সাদা জিন্সের পকেট থেকে একটা সাদা রুমাল বার করে তখন যত্ন করে পালিশ করে দিচ্ছে ফোনে ব্যাস্ত সুন্দরী মেয়েটির জুতো দুটো। কি অপূর্ব দৃশ্য! একবার ছেলেটির হাত থেকে রুমাল টা নিচে মাটিতে পরে গেল। হতে পারে ও ইচ্ছা করেই ফেলল। তারপরে তোলার সময়ে ও এমন ভাবে মাথা নিচু করে তুলল যে কিছুক্ষনের জন্য ওর মাথাটা মেয়েটার জুতো পরা পা দুটোর উপরে গিয়ে ঠেকল!
সাথে বন্ধুরা থাকায় আমার একটু অস্বস্তি হচ্ছিল কারণ আমার সাবমিসিভ সাইড ওদের সামনে প্রকাশ্যে আনা লজ্জার। ফলে আগ্রহ লাগলেও টানা দেখে যেতে সাহস হচ্ছিল না এই দৃশ্য। ওরা না থাকলে হয়ত আমি সাহস করে কয়েকটা ফটোও তুলে নিতে পারতাম!
যাই হোক, খাবার খেল মূলত মেয়েটি, তাও অনেককিছু। ছেলেটি খেল শুধু চা, আর পুরো সময় মেয়েটির জুতো পালিশ করে গেল। সাথে কিছুটা পা টেপা, এমনকি কায়দা করে মেয়েটির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করাও! আর খাওয়া শেষ হলে ছেলেটিই গিয়ে বিল মিটিয়ে এল। তারপর বাইকে উঠে চলে গেল বারাসাতের দিকে। বন্ধুরা না থাকলে আমি অবশ্যই ওদের পিছু নিতাম বা ছেলেটার সাথে কথা বলে ভাব জমিয়ে অন্তত কৌতুহল মেটানোর চেষ্টা করতাম। ওদের সম্পর্ক কি কিছুই পরিস্কার হল না। শুধু একটা দারুন স্মৃতি মনের গভীরে থেকে গেল।
Subscribe to:
Comments (Atom)