Wednesday, 1 July 2026

ট্রেনের ছোট্ট অভিজ্ঞতা

কাল রাতের দিকে চক্ররেলে দমদম আসছিলাম। রবিবার, ট্রেন প্রায় ফাঁকা। প্রিন্সেপ ঘাটে ট্রেন থামতে আমার ঠিক উলটো দিকের সিটে দুজন ১৮-২০ বছরের মেয়ে এসে উঠল। দুজনই সুন্দরী। একজন বাদামওয়ালার থেকে বাদাম কিনে টাকা বের করে ইচ্ছা করেই হাত থেকে পার্সটা মেঝেতে ফেলে দিলাম মেয়েদুটোর ঠিক পায়ের কাছে। যাতে ওটা তোলার অজুহাতে ওদের দুজনের বা অন্তত একজনের জুতো পরা পায়ে হাত ছুঁইয়ে প্রণাম করে আশির্বাদ নিতে পারি। মেয়েদুটোও তখন বাদাম চেয়েছে, আর বাদামওয়ালার দিকেই তাকিয়ে। আমি নীল টপ পরা মেয়েটার ডান পায়ের কালো স্নিকার্সে হালকা হাত ছুঁইয়ে, পাশের সাদা স্নিকার্স পরা মেয়েটার বাঁ পায়ের সাদা স্নিকার্সে হাত ছুঁইয়েই পার্সটা নিয়ে উঠে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু আড়চোখে দেখি মেয়েদুটো তখনো বাদাম নিতে ব্যস্ত। আমি সেই সুযোগে সাদা টপ পরা মেয়েটির হালকা কাত করে রাখা ডান স্নিকার্সের তলায় হাতের আঙুল গুলো বুলিয়ে পার্সটা নিয়ে উঠে বুঝতে পারলাম বাদামওয়ালা আমার দিকে অদ্ভুত চোখে দেখছে! মেয়ে দুটো ২০ টাকার বাদাম নিয়ে ২০০ টাকার নোট দিতে বাদামওয়ালা বলল খুচরো নেই, ফোন পে-ও নেই। আমি সেই সুযোগে ওকে আমার দেওয়া ৫০ টাকা থেকেই কেটে নিতে বললাম। দুটো কম বয়সী মেয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার বদলে তাদের সামান্য কিছু হলেও খাওয়ানোর সুযোগ পাওয়া, অভিজ্ঞতা খারাপ হল না! অবশ্য মন্দিরে দেবীকে প্রণাম করার পরে তাকে তুষ্ট করতে প্রসাদ তো দিতেই হয়, তবে না আশির্বাদ পাওয়া যায়! আমিও ২০ টাকা ব্যালেন্স পকেটে পুরে মেয়ে দুটির জুতোর তলার ময়লা লাগা হাত কপালে ঠেকালাম ওদের সামনেই!

Friday, 1 May 2026

দিশা

দিশা!! মেয়েটির নাম দিশা। সদ্য কলেজ পাশ করে আমাদের অফিসে এক বছর হল জয়েন করেছে। ফর্শা, রোগা, বেশ সুন্দরী। এই বয়সী অনেক মেয়ের মতই ওরও মোবাইল এডিকশান আছে। কাজের মাঝে হঠাত মোবাইল খুলে ঘাঁটতে শুরু করে। এই নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করলেও আমি ওর দোষকে যতটা সম্ভব ঢাকতে চেষ্টা করি সবসময়। আমাদের অফিস শুরু হয় ঠিক সকাল ৯ টায়, আর ছুটি হয় বিকাল ৫ টায়। এর মাঝে ১ টা থেকে ১.৪৫ লাঞ্চ টাইম। বসের কড়া নির্দেশ, খাবার অর্ডার করলে এই সময়ের আগে রিসিভ করা যাবে না। আর সবাইকে ক্যান্টিনে গিয়েই লাঞ্চ করতে হবে। কিন্তু দিশা শোনার পাত্রী না! কাল দুপুর ঠিক ১১ টায় কফি আনতে গিয়ে ওর সাথে দেখা। আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল, " আমার একটা ফুড অর্ডার করার ছিল। যদি ১ টার আগে আসে তুমি একটু রিসিভ করে দেবে প্লিজ?" আমি সিনিয়ার, আর কাজেও মনযোগী। আমি সিগারেট ব্রেকের নামে বেরোলে কেউ কিছু বলে না। আমি বললাম -" তুমি আমার নাম্বার কন্টাক্টে দিয়ে অর্ডার কর। আমি রিসিভ করে দেব।" দিশা একটু ভেবে বলল, " তার চেয়ে বরং আমি তোমাকে লিংক পাঠিয়ে দিচ্ছি। তুমি তোমার ফোন থেকে অর্ডার কর। ইজি হবে। অর্ডার রিসিভ করে মিটিং রুমের টেবিলে রেখে দিও। আমি ১ টায় রিসিভ করে নেব।" আমি হেসে বললাম, " মিটিং রুমে খাওয়া কিন্তু বারণ দিশা। কালকেও ওখানে খাবারের টুকরো পরে ছিল। সুইপার ম্যানেজারকে নালিশ করেছে।" দিশা সম্মোহন করা এক হাসি হেসে বলল, " মিটিং রুমের ইনচার্জ তো তুমি। তুমি চাইলেও ম্যানেজ করে নিতে পারবে!" আমি আর কিছু বললাম না ওকে। আমার ফোনে মোট ৬৮০ টাকার ফুড ওর্ডারের লিংক চলে এল একটু পরেই। ১২ টায় অর্ডার করে দিলাম। খাবার ডেলিভারি আসতে আমি দিশার "অর্ডার" মত খাবার রেখে এলাম মিটিং রুমের টেবিলে। ১ টা ২০ এর দিকে লাঞ্চ সেরে আমি মিটিং রুমে ঢুকলাম কৌতুহল বসে। দিশা টেবিল জুড়ে খাবার ছড়িয়ে মোবাইল দেখতে দেখতে খাচ্ছে। প্যাকেট গড়িয়ে গ্রেভি টেবিল নোংরা করছে। দিশার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ম্যানেজার দেখলে ওকে দিয়েই এই টেবিল মোছাত কোন সন্দেহ নেই। আমি একবার মৃদু স্বরে দিশাকে টেবিলের দশার কথা বলি। ও মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই বলে- " অনিদা! তুমি এত সিনিয়ার। আর একটা সুইপারকে অর্ডার করে কাজ করাতে এত ভয় পাও! তোমার জায়গায় আমি থাকলে ওদের কম্পলেন করা বার করে দিতাম!" আমি উল্টোদিকের চেয়ারে বসে বলি " আর ম্যানেজার এসে এখন তোমার এই কীর্তি এখন স্বচক্ষে দেখলে কি করবে বলতো?" দিশা মুচকি হেসে বলে " আমাকে কি বলবে জানি না। তবে তার আগে মিটিং রুম খুলে তোমার সামনেই এখানে বসে আমাকে খাওয়ার পারমিশান দেওয়ার জন্য তোমাকেই আগে ঝাড়বে। এমনকি, তোমাকে দিয়ে টেবিল মোছালেও আমি আশ্চর্য হব না!" কথাটা বলার জন্য ও মোবাইল pause করেছিল। আবার সেটা টাচ করতে গিয়েই বিপত্তি হল। মোবাইলটা বেশি জোরে টাচ করায় সেটা ব্যালেন্স হারিয়ে নিচে পরতে যেতে দিশা রিফ্লেক্সে সেটা ধরতে যেতেই বিপত্তি হল। চিকেন গ্রেভির ফয়েলে ওর হাত লেগে সেটা সোজা মেঝেতে পরল। মোবাইলটা ওর থাইয়ের বাইরের দিকে ধাক্কা খেয়ে সোজা নিচে পরল। ও মেঝের কি দশা করেছে সে দিকে ওর চোখও গেল না। নিজের মোবাইল তুলে কান্না ভেজা গলায় বলল - " আমার নতুন আইফোন। কতদিনের শখের। E.M.I. তে কেনা। স্ক্রাচ পরে গেল!" আমি উঠে ততক্ষনে ওর পাশে হাটুগেড়ে বসে পরেছি ওকে সান্তনা দেওয়ার জন্য। tempered glass লাগানো আছে তো দেখছি। স্ক্রাচ টা ওটার উপরে পরেছে। ফোনে না!" " আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তোমার কথা। টেম্পার্ড গ্লাসটা খুলে দেখি! আর তুমি খাওয়ার সময়ে ম্যানেজার দেখলে কি হবে এসব না বললেই পারতে। তাহলে এত বড় বিপদটা হত না।"- দিশা আমার উপরে দোশ চাপিয়ে বলল। " আমি extremely sorry দিশা। তোমার screen guard বা phone এ যা ড্যামেজ হয়েছে তা সারিয়ে দেব আমি প্রমিস। আর মেঝেও আমি ক্লিন করে দিচ্ছি। আমারই তো ভুল! সরি!" এই বলে আমি মিটিং রুমের এক কোনে রাখা ন্যাকড়া আর এটাচ টয়লেট থেকে মগে করে জল এনে আবার দিশার পায়ের সামনে হাঁটুগেড়ে বসি। গোলাপী টপ, জিন্স আর পায়ে মোজা আর কালোর উপরে গোলাপী ডিজাইন করা স্নিকার পরা দিশা তখন টেবিলের উপরে মোবাইল রেখে স্ক্রাচ পরা tempered glass খুলে মোবাইলে সত্যিই স্ক্রাচ পরেছে কিনা দেখছে! ওর পায়ের কাছে মেঝেতে উলটে পরে আছে চিকেনের ফয়েল, কয়েক ফুট মেঝে গ্রেভিতে মাখামাখি! এমনকি ওর জিন্সের নিচের দিক আর জুতোতেও গ্রেভি ছিটে লেগেছে। আমার ইচ্ছা করল আগে ওর প্যান্ট আর জুতো পরিষ্কার করে দিতে। কিন্তু বলতে সাহস হল না। আমি মন দিয়ে মেঝে মুছতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে। দিশা বসে আছে বাঁ পায়ের উপর ডান পা 4 এর শেপে তুলে। ফলে ওর জুতোর তলার খুব কাছে হাটুগেড়ে বসে আমি মেঝে মুছতে লাগলাম। ওর কোন ভ্রুক্ষেপই নেই সে দিকে। আমার কি ভাল যে লাগছিল এটা। ইচ্ছা করে ওর পায়ের ঠিক নিচটা মোছার পরে মাথা তোলার ভান করে মাথা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলাম ওর জুতো পরা পায়ে। ও দিব্বি তখনো ওর মোবাইল চেক করতে ব্যাস্ত! এবার ওর জুতোর সামনের দিকের মেঝে মোছার সময়ে ৮-১০ সেকেন্ডের জন্য আমার গালটা ওর ডান জুতোর তলায় ঠেকালাম। ও এবার আমার দিকে চোখ ঘোরাতে আমার বুকটা ধক করে উঠল! ওর জুতোর তলা ওর চেয়ে ১০ বছরের বড় অফিসের সিনিয়ার কলিগের গালে লেগে, অথচ সে সেই অবস্থায় ওর নোংরা করা মেঝে মুছে যাচ্ছে। কি রিএকশান দেবে ও? কিন্তু দিশার চোখ ওর জুতোর তলায় থাকা আমার গালের ঠিক আগে থেমে গেল। বরং এমন ভাবে ও পা টা ফ্লেক্স করল যে ওর জুতোর টো আমার ঠোঁটের ডান দিকে এসে ঠেকল। ও নিজের জুতো আর প্যান্টের নিচের দিকে তাকিয়ে বলল- " ইশ! প্যান্টের নিচেটা আর জুতোটার কি অবস্থা হয়েছে! আজ friday! অফিস শেষ হতেই আমার ডিরেক্ট পার্টি করতে যাওয়ার কথা! আমার লুকসটাই মাটি হয়ে গেল!" আমি ওর কথায় স্তম্ভিত হয়ে গেলাম! দিশা আজ প্রথমে ওর দামী ফুড আমাকে দিয়ে অর্ডার আর রিসিভ করাল, দাম দেওয়ার কথাও তুলল না। এরপরে নিজে মেঝে নোংরা করে আমাকে দিয়ে indirectly পরিষ্কার করিয়ে নিল। আর এখন অফিসের সিনিয়ার আমার গালে ওর জুতো পরা পা লেগে আছে অথচ ওর নজর সেদিকে না গিয়ে গেল শুধু ওর নোংরা জুতো আর প্যান্টের দিকে! আমি ওর কথা শুনে ওর দিকে ফিরতে যেতে ওর জুতোর তলা সোজা আমার ঠোঁটের মাঝখানে এসে ঠেকল। আমি ওর জুতোর তলায় হালকা একটা চুম্বন করে বললাম " আমি extremely sorry দিশা! আমার জন্যই তোমাকে এত সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। আমি এখুনি তোমার প্যান্ট আর জুতো পরিস্কার করে দিচ্ছি। কোন দাগ থাকবে না, প্রমিস!"- আমি কথাটা বলার জন্য আমার ঠোঁট দুটোকে দিশার জুতো থেকে কয়েক ইঞ্চি পিছিয়ে নিয়ে এলাম। " ওকে! দেখা যাক! আর আমি চেক করে দেখলাম মোবাইলে scratch পরে নি, শুধু tempered glass টাই ভেঙেছে। এখন যদি তুমি আমার প্যান্ট আর জুতোর দাগ তুলে দিতে পার আর আজ ছুটির পরেই আমার ফোনে নতুন tempered glass লাগিয়ে দাও, তাহলে তোমার অপরাধ ক্ষমা করে দেব!" " thank you দিশা।" এই বলে আমি আবার দিশার ডান জুতোর তলায় একটা চুম্বন করলাম। আমাকে ওর জুতোর তলায় কিস করতে দেখেও দিশা এমন নর্মাল রিএকশান দিল যেন সিনিয়ার কলিগ ওর মত সুন্দরী জুনিয়ার কলিগের জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইবে এটা একদম স্বাভাবিক! আমি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে সাবান ও পরিষ্কার জল নিয়ে এলাম। তারপরে আবার দিশার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে নিজের পরিষ্কার রুমাল দিয়ে প্রথমে দিশার প্যান্টের তলার দিক আর তারপরে ওর দুই জুতো একে একে পালিশ করতে লাগলাম। আমার নিজেকে দিশার চাকর বলে মনে হচ্ছিল। উফ, কি সুখ এই ভাবনাতে! সুখে ছেদ পরল ফোনের রিং টোনে। আমার ফোন বাজছে। ফোন তুলে দেখি দিশার টিমের এক মেম্বার পৌলমী ফোন করছে। আমি ফোন তুলতেই সে বলল " দিশা কোথায় any idea অনিদা? ১ টার ২ মিনিট আগে লাঞ্চের জন্য বেরিয়েছে, এখন ১ টা ৫৫! একটা important report 3 টের মধ্যে জমা করতেই হবে, অথচ ও ফোন তুলছে না!" " আমি সরি পৌলমী, আমি না জেনে ওকে অন্য একটা কাজ দিয়ে দিয়েছি। তুমি চিন্তা কোর না, আমি যাচ্ছি, ঠিক করে দেব ৩ টের আগে।" আমি ফোন রাখতেই আমার মুখের ঠিক সামনে জুতো পরা পা নাচাতে নাচাতে দিশা বলল - " পৌলমী দি? উফ, কি কঠিন একটা কাজ দিয়েছে, আমার মাথাতেই ঢুকছে না!" আমি আবার দিশার জুতোর তলায় একটা চুম্বন করে বলি " কোন ব্যাপার না দিশা, আমি কাজটা পরে তোমাকে বুঝিয়ে দেব। এখন আমি করে দিচ্ছি। অলরেডি আমার জন্য আজ তোমাকে অনেক ভুগতে হয়েছে, এটুকু তোমার প্রাপ্য। ছুটির পরে তোমার টেম্পার্ড গ্লাসও চেঞ্জ করে দেব। শুধু কাউকে কম্পলেন কোর না প্লিজ। এই বলে আমি আবার ওর জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করি।" " জুতোটা পালিশ করে কাজটা সেরে আস। আমি ভেবে দেখছি কম্পলেন করা উচিত হবে কিনা!" আমি আবার ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে বলি " প্লিজ ক্ষমা করে দাও। কম্পলেন টা করো না। প্লিজ। এখন থেকে রোজ তোমার লাঞ্চ ফ্রি, আমি পে করব। তুমি এখানে বসে খেও, পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার। রোজ তোমার জুতোও পালিশ করে দেব আমি। প্লিজ, শুধু কম্পলেন টা করো না! " দিশা মুখে হাসি হাসি দয়ার ভাব ফুটিয়ে বলল, " আমার দয়ার প্রাণ! এত করে বলছ যখন তবে ক্ষমা করে দেব যদি কথা দাও এগুলোর সাথে আমার উপর আমার টিমের চাপানো যে কোন কঠিন কাজ তুমি করে দেবে!" " অবশ্যই দিশা, এ তো আমার সৌভাগ্য!' দিশা এবার আমার মুখে হালকা একটা লাথি মেরে বলল, " নাও, তাড়াতাড়ি আমার জুতো পালিশটা সেরে গিয়ে আমার কাজটা করে দাও। সময়ে করতে না পারলে দোষ কিন্তু তোমার, মনে রেখ!" "অবশ্যই!" বলে ৫ মিনিট দিশার জুতো পালিশ করে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে আমি ছুটলাম দিশার রিপোর্ট শেষ করতে আর আমার মাথায় ঘুরতে লাগল আমার যে রিপোর্টটা ৪ টের মধ্যে জমা করার কথা সেটার কি হবে!

Sunday, 1 March 2026

রিশা

আমি একজন 29 বছর বয়সী bike-cab চালক। সাধারণত দুপুর থেকে রাত ১০-১১ টা অব্ধি bike-cab চালাই বিভিন্ন app থেকে booking নিয়ে। এই অভিজ্ঞতাটা কয়েকদিন আগের। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আমি এক কাস্টোমারের booking accept করি। 22km পথ, মূল কলকাতা থেকে শহরতলির দিকে, 200 টাকা মত ভাড়া দেখাচ্ছিল। location এ পৌঁছে খেয়াল করি customer female, ২১-২২ বছর বয়সী একটি মেয়ে। উচ্চতা ৫'২" মত, পরনে টপ-জিন্স-স্নিকার্স। এক ঝলকে মনে হল বেশ ভাল দেখতে। আমি বেশি কিছু না ভেবে তাকে হেলমেট দিয়ে রাইড শুরু করলাম। কিন্তু 7-8 km পথ যেতেই বৃষ্টি নামল আর মেয়েটি বলল " একটা shade দেখে বাইক টা সাইড করে রাখ।" আমি তার আগেই বাইক থামিয়ে বলি " এখানেই rain coat পরে নিন madam"। মেয়েটি হুকুমের সুরে বলে " আমার কাছে raincoat নেই। তোমাকে দাঁড়াতে হবে। হাতে time না থাকলে আমাকে shade এ নামিয়ে তুমি চলে যেতে পার।" তবে আমার destination এ পৌঁছে না দিলে ভাড়া পাবে না।" ছেলে হলে হয়ত আমি তর্ক করতাম। মেয়ে বলে কিছু বললাম না। হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল, বোঝা যাচ্ছিল বেশিক্ষন হবে না। আমি একটু এগিয়ে রাস্তার ধারে একটা শেডের নিচে বাইক দাঁড় করালাম। প্রায় ২০-২৫ মিনিট বৃষ্টি হল। মেয়েটি শেডের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো সময়টা ফোনে কথা বলে গেল। মেয়েটির কাছে rain coat নেই সেটা আমার দোষ না। আমার ওকে extra charge এর কথা বলাই নিয়ম। কিন্তু মেয়ে বলেই হয়ত বলতে ইচ্ছা হল না। বৃষ্টি থামলে আবার রওনা দিলাম। আরো প্রায় 12-14 km পথ যাওয়ার পরে বড় রাস্তা থেকে ম্যাপ দেখে ভিতরে ঢুকলাম। আরো প্রায় 1 km যাওয়ার পরে লোকেশানে পৌঁছে বাইক থামালাম। আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি হেলমেটটা বাইকের পিছনে রেখেই সামনে হাঁটা দিল। আমি অতি বিনয়ী স্বরে বললাম " madam, আপনার ভাড়াটা?" মেয়েটি অবাক স্বরে বলল " দিলাম তো এইমাত্র!" " আমি বাইক থেকে নেমে মেয়েটির দিকে একটু এগিয়ে গেছি ততক্ষনে। " না ম্যাম, আপনি দেন নি, ভুলে গেছেন। " মেয়েটির মনে পরল হয়ত যে আমি গলিতে ঢোকার পরেই অন্য মোবাইলে ভিডিও ক্যামেরা অন করেছিলাম। যেটা মহিলা যাত্রী হলে প্রায় সব রাইডারেরাই করে থাকে এখন। সে আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল " তুই মিথ্যা বলছিস। তবু যদি তোর কথা সত্যি ধরে নিই, আর আমি তোকে ভাড়া না দিয়ে চলে যাই তুই কি করবি? এটা আমার পাড়া। লোক জড় হলে লোকে কার কথা বিশ্বাস করবে বল তো?" আমি কিছু ভাবলাম না। কেন জানি না নিজে থেকেই হাঁটুগেড়ে মেয়েটির পায়ের কাছে হাতজোড় করে বসে বললাম " madam, আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করি নি। আমি lower-middle class family এর ছেলে, বাইক চালিয়ে সামান্য রোজগার করে নিজের আর পরিবারের পেট চালাই। আমার এই কয়েকটা টাকা মেরে আপনার কি লাভ? আমার সত্যিই কিছু করার নেই আপনি টাকা না দিলে। কিন্তু প্লিজ ম্যাডাম, দয়া করুন।" মেয়েটি মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বলল, " ধরে নে সরকারী নিয়ম সরকারী বাসের মত bike-cab ও আমাদের মত মেয়েদের জন্য free. একজন customer টাকা না দিলে তুই মরে যাবি না। যা, ফোট এবার!" আমি সব মিলিয়ে প্রায় ২৫ কিমি বাইক চালিয়েছি এই মেয়েটিকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ২৫ মিনিট বিনা কারনে অপেক্ষা করেছি বৃষ্টি কমার জন্য। আর এখন মেয়েটি কি সহজে টাকা না দিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে রাস্তার কুকুর বেড়ালের মত। আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। কিন্তু সত্যিই, আমার কিছু করার নেই। পাড়ার লোক থেকে পুলিশ, কেউই এক রোদে পোড়া গরীব ঘরের bike-cab driver এর কথা শুনবে না, কম বয়সী এই সুন্দরী মেয়েটির কথাই সবাই বিশ্বাস করবে, আমার মোবাইলে রেকর্ড থাকা স্বত্ত্বেও। আমি desperate হয়ে এবার যা করলাম তার জন্য নিজেও প্রস্তুত ছিলাম না। already আমি হাঁটুগেড়ে মেয়েটির পায়ের কাছে হাতজোড় করে বসে ছিলাম মেয়েটির থেকে ফুট দুয়েক দূরত্বে। এবার আমি নিচু হয়ে মেয়েটির পা দুটো জড়িয়ে ধরলাম। তারপর মেয়েটির স্নিকার পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথাটা রেখে বললাম "প্লিজ ম্যাডাম, আমার উপরে দয়া করুন। পুরো ভাড়া না দিন, অন্তত পেট্রোল ভাড়াটা দিন। প্লিজ!"- আমার পাশ দিয়ে এরমধ্যে সাইকেলে করে যেতে যেতে একজন লোক বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছিল যখন আমি মেয়েটির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে হাতজোর করে বসে ছিলাম। আর এখন আড়চোখে দেখলাম এক মহিলা আর এক ১১-১২ বছরের মেয়ে রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে প্রায় থেমে গিয়ে আমাদের দিকেই দেখছে। আমার মাথা মেয়েটির জুতো পরা পায়ে রেখে আমি মেয়েটির জুতোতে মুখ ঘসতে লাগলাম। প্রায় ২০-৩০ সেকেন্ড মেয়েটি কিছু বলল না বা করল না। আমার চোখ মাটির দিকে থাকায় মেয়েটির facial expression ও আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না। প্রায় আধ মিনিট পরে আমি টের পেলাম মেয়েটি ডান পা তুলে নিল। তারপরেই আমি মাথার উপরে চাপ অনুভব করলাম। মেয়েটি ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপরে তুলে দিয়ে বলল " ফালতু নাটক করে লোক জড় করিস না। ভালয় ভালয় ফোট এখান থেকে!" আমি মেয়েটির বাঁ জুতোর উপরে পরপর ৩ টে চুম্বন করে বললাম, " প্লিজ ম্যাডাম, পেট্রোল ভাড়াটা অন্তত দিয়ে দিন। প্লিজ। রাগ করবেন না ম্যাডাম। আমি তো জোর করছি না। নিজের ন্যায্য অধিকারের ব্যাপারে শুধু অনুরোধ করছি।" প্লিজ!" আমি টের পেলাম আমার মাথার উপরে মেয়েটির ডান জুতো পরা পায়ের চাপ বাড়ল। তারপর উপরে চেন খোলার শব্দ পেলাম। আমার মাথার বাঁ দিকে মেয়েটি বোধহয় একটা টাকার নোট ছুঁড়ে দিয়ে বলল, " এই নে ভিখারীর বাচ্চা! এবার ফোট!" এই বলে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পায়ে মাঝারী জোরে একটা লাথি মারল মেয়েটি। আমি বাঁ হাত দিয়ে নোটটা রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিতে নিতেই আমাকে লাথি মারা মেয়েটির ডান জুতোর উপরে পরপর ৩ টে চুম্বন করলাম। তারপর দুই জুতোর উপরে আরো একবার করে চুম্বন করে বললাম " thank you very much madam!" মেয়েটি কোন উত্তর না দিয়ে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা লাগাল। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত আমাকে অকারণে চুড়ান্ত অপমান করে যাওয়া আমার চেয়ে কয়েক বছরের ছোট মেয়েটির চলে যাওয়া দেখতে লাগলাম সে কয়েকটা বাড়ি সামনে গেট খুলে ভিতরে ঢুকে যাওয়া পর্যন্ত। তাকিয়ে দেখি সেই মহিলা ও বাচ্চা মেয়েটি তখনো দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছে। " তুমি রিশার পায়ে মাথা রেখে কাঁদছিলে কেন?" - মহিলা কৌতুহলী হয়ে প্রশ্ন করল। আমি কি বলব ভাবতে কিছুটা সময় নিয়ে বললাম - " রাস্তায় পুলিশ ফাইন করেছিল। আমার কাছে এখন petrol কেনার টাকাও ছিল না। madam app এর via pay করতে চাইছিল। কিন্তু তাহলে আমার বাড়ি ফেরার মত petrol কেনার টাকাও ছিল না। its my fault, but madam is soKind-hearted!" " আমার কথা শুনে মহিলা ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, " আমি রিশার পাশের বাড়িতে থাকি। জন্ম থেকে ওকে দেখছি। ওকে কেউ দয়ালু বলছে এই প্রথমবার শুনলাম জীবনে! তা ক টাকা extra ভিক্ষা দিল ও তোমাকে ওর পা ধরে কান্নাকাটি করার জন্য?" আমি এতক্ষনে প্রথমবার মেয়েটি, অর্থাৎ রিশার দেওয়া নোটটি খুলে দেখলাম 50 টাকার নোট। 25 km বাইকে আসার পেট্রোল খরচ টুকুই শুধু ও দিয়েছে, প্রকাশ্য রাস্তায় ওর পা ধরে 'কান্নাকাটি' করার পরে! আমি বাইক নিয়ে চলে এলাম। সেদিন রাতে whatsapp এ একটা মেসেজ পেলাম, " আমার mood-off ছিল, তাই একটু drama করে ফেলেছি। তোর বাকি ভাড়া আমি phone pay করে দিচ্ছি। video টা public করিস না, delete করে দিস।" আমি কিছু না ভেবেই reply করলাম " video গুলো just নিজের safety এর জন্য করি madam, public করার কোন প্রশ্নই নেই। আপনি এত ভাববেন না please. এখন phone pay করতে হবে না, don't worry. তবে future e ride লাগলে please আমাকে এই number এ contact করে নেবেন please. এতে app এর share টা বেঁচে যায়।"- last এর কথাটা শুধু প্রশংগ ঘোরাতে সেটা নিজেও বুঝতে পারলাম। রিশা আমার সাথে যা করেছিল সেটা কি just mood-off এর ফল? নাকি, আমি video record করছি, ওর reputation এর problem হতে পারে বলেই ওর ওই বদলে যাওয়া? সেটা আমি নিশ্চিত হতে পারলাম না।

Thursday, 1 January 2026

জুতো পালিশের অভিজ্ঞতা

২৬ শে জানুয়ারি সকাল ৮ টায় আমার বহুদিনের অব্যাবহৃত পুরনো সাইকেলে চড়ে চলে এলাম বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের শ্রেষ্ঠা গার্লস হাই স্কুলের সামনে। তারপর স্কুল গেটের সামনে আমার ব্যাগ খুলে জুতো পালিশের সরঞ্জাম সাজিয়ে বসলাম। ২৯ বছর বয়সে এসে এই পেশায় আজ আমার প্রথম দিন। অবশ্য পেটের দায়ে এই কাজে আমি আসিনি, এসেছি আমার সাবমিসিভনেসের কারণে। আজ republic day এর কারনে আমার sector 5 এর অফিস ছুটি, তবে সব স্কুলের মত এখানেও একটু পরেই পতাকা উত্তোলন হবে। স্কুলের মেয়েদের কি চকচকে জুতো ছাড়া এই অনুষ্ঠানে মানায়? আমার ডেস্কের সামনে বোর্ডে লেখা জুতো পালিশ মাত্র ২ টাকায়! তার নিচে লেখা republic day offer, free shoe shine! ৮.৩০ এর কাছাকাছি একে এক মেয়েরা স্কুলে আসতে শুরু করল। বেশিরভাগের পায়ে সাদা স্নিকার অথবা কালো মেরি জেন শু। আমার পালিশ ডেস্কের সামনের লেখাটা চোখে পরতে প্রথম যে মেয়েটি এগিয়ে এল সে সম্ভবত ক্লাস ৯-১০ এ পড়ে। পরনে স্কুলের ক্লাস ৫-১০ এর সাদা শার্ট আর সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর কালো মেরি জেন শু। ফর্শা, বেশ সুন্দরী মেয়ে। আমার শু পালিশ ডেস্কের একদম কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল " আজ শু পালিশ ফ্রি?" আমি উত্তেজনা চেপে বললাম- " হ্যাঁ ম্যাডাম। আজ রেপাবলিক ডে অফার, শু পালিশ ফ্রি আজ!" " বাহ, ভাল করে পালিশ করে দে তাহলে!" মেয়েটি তার ডবল বয়সী আমাকে তুই বলে সম্বোধন করে ওর জুতো পরা ডান পা আমার পালিশ ডেস্কের উপরে তুলে দিল। আমি কয়েকদিন নতুন জুতো নিয়ে প্রাক্টিশ করা ছাড়া কখনো জুতো পালিশ করিনি। উত্তেজনায় আমার বুক ধুকপুক করতে লাগল। আমি দুই হাত বাড়িয়ে মেয়েটির জুতো পরা পা টা ধরে জুতোর তলাটা নিজের বাঁ হাতের তালুতে রাখলাম। তারপরে প্রথমে একটা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতো করে জুতোর তলাটা মুছে নিলাম। তারপর ব্রাশ দিয়ে জুতোর উপর দিকটা ঘসতে লাগলাম। খুব যত্ন সহকারে মেয়েটির জুতো ব্রাশ দিয়ে ঘসে ঘসে পরিষ্কার করতে লাগলাম। মেয়েটি ওর পাশে দাঁড়ানো ওর দুই বান্ধবীর সাথে ক্যাজুয়ালি গল্প করতে লাগল। ভাল করে পরিষ্কার করতে পারলে ওর দুই বান্ধবীর জুতোও পালিশ করতে পারব এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে খুব যত্ন করে মেয়েটির জুতো পালিশ করতে লাগলাম। ব্রাশ দিয়ে শুকনো ধুলো পরিষ্কার করার পরে একটা ভেজা কাপড় দিয়ে জুতোটা হালকা করে মুছলাম। মোছা শেষ হতে দেখি মেয়েটির জুতোতে কয়েকটা হালকা দাগ এখনো বোঝা যাচ্ছে। আমি ডান হাত দিয়ে অলিভ অয়েলে ভেজানো দামী আরেকটা নরম কাপড় দিয়ে মেয়েটির জুতোর দাগ মুছতে লাগলাম। ওর দুই বন্ধুর কথা থেকে ততক্ষনে জেনে গেছি ওর নাম অন্মেষা। অন্মেষা বেশ ক্যাজুয়ালি আমার বাঁ হাতের উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের ভর রেখে দাঁড়িয়ে আছে। আমার আজকের পোশাক দেখে কারো সন্দেহ হওয়ার কথা নয় যে আমি একজন নিম্নবিত্ত জুতো পালিশ করে পেট চালানো লোক। তাই দিব্বি ও আমাকে তুই করে বলছে যেটা আমার ভীষণ ভাল লাগছিল। মেয়েটির জুতো অলিভ অয়েলে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছে আবার একটা নরম পরিষ্কার কাপড়ে জুতোটা মুছলাম। তারপর যত্ন করে প্রথমে ক্লিনার স্প্রে দিয়ে ভাল করে মুছলাম। এরপর আবার একটা shine spray দিয়ে মুছলাম। যখন থামলাম তখন মেয়েটির জুতো এত চকচক করছে যে প্রায় আমার মুখ দেখা যাবে! মেয়েটি আমার জুতো পালিশে বেশ খুশি হল। আমার হাতের পাতার উপরে রাখা অবস্থাতেই জুতোটা ঘুরিয়ে কয়েকবার দেখে বলল- " ফ্রি তে এত্ত ভাল জুতো পালিশ! বেশ ইম্প্রেসিভ!" আমি বললাম " thank you madam. তবে জুতোর সোল পালিশ এখনো পুরো ক্লিন হয়নি। সেটা করে আপনার বাঁ জুতোটা পালিশ করব।" এই বলে আমি আবার একটা সামান্য ভেজা কাপড় দিয়ে অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পরিষ্কার করতে লাগলাম। পাশ থেকে ওর এক বান্ধবী বলল, " এখন সবাই জিওর ট্রেন্ড ফলো করছে। প্রথমে অনেকদিন ফ্রিতে ভাল সার্ভিস দিয়ে হ্যাবিট করিয়ে দেবে। পরে আস্তে আস্তে চার্জ নেওয়া শুরু করবে আর রেগুলার সেটা বাড়াতে থাকবে।" অন্মেষা বলল, " আমার পকেট থেকে টাকা বার করা অত সোজা নয়। যতদিন ফ্রি পাচ্ছি, বা এই ২ টাকায় ততদিন আমি রাজি!" আমি অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পালিশ করা সেরে বললাম, " আপনি আমার first customer madam. আপনার জন্য আমার সার্ভিস always free!" অন্মেষা ওর ডান জুতো পরা পা নামিয়ে বাঁ জুতো পরা পা আমার ডান হাতের তালুতে তুলে দিল। আমি জুতো পালিস করতে শুরু করার আগেই শুনি ওর এক বান্ধবী বলছে " এটা কিন্তু ঠিক না। অন্মেষা ফ্রি তে সার্ভিস পেলে আমরাও সেটা ডিজার্ভ করি!" আমার বেশ ভাল লাগছিল যা হচ্ছে। আমি তো আর টাকা রোজগারের জন্য জুতো পালিশ করছি না। করছি মেয়েদের কাছে সাবমিট করার জন্য। আমি নরম গলায় বললাম " শিওর ম্যাডাম। আপনাদের ৩ জনের জন্যই আমার সার্ভিস লাইফটাইম ফ্রি!" এই বলে আরো যত্ন করে অন্মেষার বাঁ জুতো পালিশ করতে লাগলাম।