Friday, 1 May 2026

দিশা

দিশা!! মেয়েটির নাম দিশা। সদ্য কলেজ পাশ করে আমাদের অফিসে এক বছর হল জয়েন করেছে। ফর্শা, রোগা, বেশ সুন্দরী। এই বয়সী অনেক মেয়ের মতই ওরও মোবাইল এডিকশান আছে। কাজের মাঝে হঠাত মোবাইল খুলে ঘাঁটতে শুরু করে। এই নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করলেও আমি ওর দোষকে যতটা সম্ভব ঢাকতে চেষ্টা করি সবসময়। আমাদের অফিস শুরু হয় ঠিক সকাল ৯ টায়, আর ছুটি হয় বিকাল ৫ টায়। এর মাঝে ১ টা থেকে ১.৪৫ লাঞ্চ টাইম। বসের কড়া নির্দেশ, খাবার অর্ডার করলে এই সময়ের আগে রিসিভ করা যাবে না। আর সবাইকে ক্যান্টিনে গিয়েই লাঞ্চ করতে হবে। কিন্তু দিশা শোনার পাত্রী না! কাল দুপুর ঠিক ১১ টায় কফি আনতে গিয়ে ওর সাথে দেখা। আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল, " আমার একটা ফুড অর্ডার করার ছিল। যদি ১ টার আগে আসে তুমি একটু রিসিভ করে দেবে প্লিজ?" আমি সিনিয়ার, আর কাজেও মনযোগী। আমি সিগারেট ব্রেকের নামে বেরোলে কেউ কিছু বলে না। আমি বললাম -" তুমি আমার নাম্বার কন্টাক্টে দিয়ে অর্ডার কর। আমি রিসিভ করে দেব।" দিশা একটু ভেবে বলল, " তার চেয়ে বরং আমি তোমাকে লিংক পাঠিয়ে দিচ্ছি। তুমি তোমার ফোন থেকে অর্ডার কর। ইজি হবে। অর্ডার রিসিভ করে মিটিং রুমের টেবিলে রেখে দিও। আমি ১ টায় রিসিভ করে নেব।" আমি হেসে বললাম, " মিটিং রুমে খাওয়া কিন্তু বারণ দিশা। কালকেও ওখানে খাবারের টুকরো পরে ছিল। সুইপার ম্যানেজারকে নালিশ করেছে।" দিশা সম্মোহন করা এক হাসি হেসে বলল, " মিটিং রুমের ইনচার্জ তো তুমি। তুমি চাইলেও ম্যানেজ করে নিতে পারবে!" আমি আর কিছু বললাম না ওকে। আমার ফোনে মোট ৬৮০ টাকার ফুড ওর্ডারের লিংক চলে এল একটু পরেই। ১২ টায় অর্ডার করে দিলাম। খাবার ডেলিভারি আসতে আমি দিশার "অর্ডার" মত খাবার রেখে এলাম মিটিং রুমের টেবিলে। ১ টা ২০ এর দিকে লাঞ্চ সেরে আমি মিটিং রুমে ঢুকলাম কৌতুহল বসে। দিশা টেবিল জুড়ে খাবার ছড়িয়ে মোবাইল দেখতে দেখতে খাচ্ছে। প্যাকেট গড়িয়ে গ্রেভি টেবিল নোংরা করছে। দিশার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ম্যানেজার দেখলে ওকে দিয়েই এই টেবিল মোছাত কোন সন্দেহ নেই। আমি একবার মৃদু স্বরে দিশাকে টেবিলের দশার কথা বলি। ও মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই বলে- " অনিদা! তুমি এত সিনিয়ার। আর একটা সুইপারকে অর্ডার করে কাজ করাতে এত ভয় পাও! তোমার জায়গায় আমি থাকলে ওদের কম্পলেন করা বার করে দিতাম!" আমি উল্টোদিকের চেয়ারে বসে বলি " আর ম্যানেজার এসে এখন তোমার এই কীর্তি এখন স্বচক্ষে দেখলে কি করবে বলতো?" দিশা মুচকি হেসে বলে " আমাকে কি বলবে জানি না। তবে তার আগে মিটিং রুম খুলে তোমার সামনেই এখানে বসে আমাকে খাওয়ার পারমিশান দেওয়ার জন্য তোমাকেই আগে ঝাড়বে। এমনকি, তোমাকে দিয়ে টেবিল মোছালেও আমি আশ্চর্য হব না!" কথাটা বলার জন্য ও মোবাইল pause করেছিল। আবার সেটা টাচ করতে গিয়েই বিপত্তি হল। মোবাইলটা বেশি জোরে টাচ করায় সেটা ব্যালেন্স হারিয়ে নিচে পরতে যেতে দিশা রিফ্লেক্সে সেটা ধরতে যেতেই বিপত্তি হল। চিকেন গ্রেভির ফয়েলে ওর হাত লেগে সেটা সোজা মেঝেতে পরল। মোবাইলটা ওর থাইয়ের বাইরের দিকে ধাক্কা খেয়ে সোজা নিচে পরল। ও মেঝের কি দশা করেছে সে দিকে ওর চোখও গেল না। নিজের মোবাইল তুলে কান্না ভেজা গলায় বলল - " আমার নতুন আইফোন। কতদিনের শখের। E.M.I. তে কেনা। স্ক্রাচ পরে গেল!" আমি উঠে ততক্ষনে ওর পাশে হাটুগেড়ে বসে পরেছি ওকে সান্তনা দেওয়ার জন্য। tempered glass লাগানো আছে তো দেখছি। স্ক্রাচ টা ওটার উপরে পরেছে। ফোনে না!" " আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তোমার কথা। টেম্পার্ড গ্লাসটা খুলে দেখি! আর তুমি খাওয়ার সময়ে ম্যানেজার দেখলে কি হবে এসব না বললেই পারতে। তাহলে এত বড় বিপদটা হত না।"- দিশা আমার উপরে দোশ চাপিয়ে বলল। " আমি extremely sorry দিশা। তোমার screen guard বা phone এ যা ড্যামেজ হয়েছে তা সারিয়ে দেব আমি প্রমিস। আর মেঝেও আমি ক্লিন করে দিচ্ছি। আমারই তো ভুল! সরি!" এই বলে আমি মিটিং রুমের এক কোনে রাখা ন্যাকড়া আর এটাচ টয়লেট থেকে মগে করে জল এনে আবার দিশার পায়ের সামনে হাঁটুগেড়ে বসি। গোলাপী টপ, জিন্স আর পায়ে মোজা আর কালোর উপরে গোলাপী ডিজাইন করা স্নিকার পরা দিশা তখন টেবিলের উপরে মোবাইল রেখে স্ক্রাচ পরা tempered glass খুলে মোবাইলে সত্যিই স্ক্রাচ পরেছে কিনা দেখছে! ওর পায়ের কাছে মেঝেতে উলটে পরে আছে চিকেনের ফয়েল, কয়েক ফুট মেঝে গ্রেভিতে মাখামাখি! এমনকি ওর জিন্সের নিচের দিক আর জুতোতেও গ্রেভি ছিটে লেগেছে। আমার ইচ্ছা করল আগে ওর প্যান্ট আর জুতো পরিষ্কার করে দিতে। কিন্তু বলতে সাহস হল না। আমি মন দিয়ে মেঝে মুছতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে। দিশা বসে আছে বাঁ পায়ের উপর ডান পা 4 এর শেপে তুলে। ফলে ওর জুতোর তলার খুব কাছে হাটুগেড়ে বসে আমি মেঝে মুছতে লাগলাম। ওর কোন ভ্রুক্ষেপই নেই সে দিকে। আমার কি ভাল যে লাগছিল এটা। ইচ্ছা করে ওর পায়ের ঠিক নিচটা মোছার পরে মাথা তোলার ভান করে মাথা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলাম ওর জুতো পরা পায়ে। ও দিব্বি তখনো ওর মোবাইল চেক করতে ব্যাস্ত! এবার ওর জুতোর সামনের দিকের মেঝে মোছার সময়ে ৮-১০ সেকেন্ডের জন্য আমার গালটা ওর ডান জুতোর তলায় ঠেকালাম। ও এবার আমার দিকে চোখ ঘোরাতে আমার বুকটা ধক করে উঠল! ওর জুতোর তলা ওর চেয়ে ১০ বছরের বড় অফিসের সিনিয়ার কলিগের গালে লেগে, অথচ সে সেই অবস্থায় ওর নোংরা করা মেঝে মুছে যাচ্ছে। কি রিএকশান দেবে ও? কিন্তু দিশার চোখ ওর জুতোর তলায় থাকা আমার গালের ঠিক আগে থেমে গেল। বরং এমন ভাবে ও পা টা ফ্লেক্স করল যে ওর জুতোর টো আমার ঠোঁটের ডান দিকে এসে ঠেকল। ও নিজের জুতো আর প্যান্টের নিচের দিকে তাকিয়ে বলল- " ইশ! প্যান্টের নিচেটা আর জুতোটার কি অবস্থা হয়েছে! আজ friday! অফিস শেষ হতেই আমার ডিরেক্ট পার্টি করতে যাওয়ার কথা! আমার লুকসটাই মাটি হয়ে গেল!" আমি ওর কথায় স্তম্ভিত হয়ে গেলাম! দিশা আজ প্রথমে ওর দামী ফুড আমাকে দিয়ে অর্ডার আর রিসিভ করাল, দাম দেওয়ার কথাও তুলল না। এরপরে নিজে মেঝে নোংরা করে আমাকে দিয়ে indirectly পরিষ্কার করিয়ে নিল। আর এখন অফিসের সিনিয়ার আমার গালে ওর জুতো পরা পা লেগে আছে অথচ ওর নজর সেদিকে না গিয়ে গেল শুধু ওর নোংরা জুতো আর প্যান্টের দিকে! আমি ওর কথা শুনে ওর দিকে ফিরতে যেতে ওর জুতোর তলা সোজা আমার ঠোঁটের মাঝখানে এসে ঠেকল। আমি ওর জুতোর তলায় হালকা একটা চুম্বন করে বললাম " আমি extremely sorry দিশা! আমার জন্যই তোমাকে এত সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। আমি এখুনি তোমার প্যান্ট আর জুতো পরিস্কার করে দিচ্ছি। কোন দাগ থাকবে না, প্রমিস!"- আমি কথাটা বলার জন্য আমার ঠোঁট দুটোকে দিশার জুতো থেকে কয়েক ইঞ্চি পিছিয়ে নিয়ে এলাম। " ওকে! দেখা যাক! আর আমি চেক করে দেখলাম মোবাইলে scratch পরে নি, শুধু tempered glass টাই ভেঙেছে। এখন যদি তুমি আমার প্যান্ট আর জুতোর দাগ তুলে দিতে পার আর আজ ছুটির পরেই আমার ফোনে নতুন tempered glass লাগিয়ে দাও, তাহলে তোমার অপরাধ ক্ষমা করে দেব!" " thank you দিশা।" এই বলে আমি আবার দিশার ডান জুতোর তলায় একটা চুম্বন করলাম। আমাকে ওর জুতোর তলায় কিস করতে দেখেও দিশা এমন নর্মাল রিএকশান দিল যেন সিনিয়ার কলিগ ওর মত সুন্দরী জুনিয়ার কলিগের জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইবে এটা একদম স্বাভাবিক! আমি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে সাবান ও পরিষ্কার জল নিয়ে এলাম। তারপরে আবার দিশার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে নিজের পরিষ্কার রুমাল দিয়ে প্রথমে দিশার প্যান্টের তলার দিক আর তারপরে ওর দুই জুতো একে একে পালিশ করতে লাগলাম। আমার নিজেকে দিশার চাকর বলে মনে হচ্ছিল। উফ, কি সুখ এই ভাবনাতে! সুখে ছেদ পরল ফোনের রিং টোনে। আমার ফোন বাজছে। ফোন তুলে দেখি দিশার টিমের এক মেম্বার পৌলমী ফোন করছে। আমি ফোন তুলতেই সে বলল " দিশা কোথায় any idea অনিদা? ১ টার ২ মিনিট আগে লাঞ্চের জন্য বেরিয়েছে, এখন ১ টা ৫৫! একটা important report 3 টের মধ্যে জমা করতেই হবে, অথচ ও ফোন তুলছে না!" " আমি সরি পৌলমী, আমি না জেনে ওকে অন্য একটা কাজ দিয়ে দিয়েছি। তুমি চিন্তা কোর না, আমি যাচ্ছি, ঠিক করে দেব ৩ টের আগে।" আমি ফোন রাখতেই আমার মুখের ঠিক সামনে জুতো পরা পা নাচাতে নাচাতে দিশা বলল - " পৌলমী দি? উফ, কি কঠিন একটা কাজ দিয়েছে, আমার মাথাতেই ঢুকছে না!" আমি আবার দিশার জুতোর তলায় একটা চুম্বন করে বলি " কোন ব্যাপার না দিশা, আমি কাজটা পরে তোমাকে বুঝিয়ে দেব। এখন আমি করে দিচ্ছি। অলরেডি আমার জন্য আজ তোমাকে অনেক ভুগতে হয়েছে, এটুকু তোমার প্রাপ্য। ছুটির পরে তোমার টেম্পার্ড গ্লাসও চেঞ্জ করে দেব। শুধু কাউকে কম্পলেন কোর না প্লিজ। এই বলে আমি আবার ওর জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করি।" " জুতোটা পালিশ করে কাজটা সেরে আস। আমি ভেবে দেখছি কম্পলেন করা উচিত হবে কিনা!" আমি আবার ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে বলি " প্লিজ ক্ষমা করে দাও। কম্পলেন টা করো না। প্লিজ। এখন থেকে রোজ তোমার লাঞ্চ ফ্রি, আমি পে করব। তুমি এখানে বসে খেও, পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার। রোজ তোমার জুতোও পালিশ করে দেব আমি। প্লিজ, শুধু কম্পলেন টা করো না! " দিশা মুখে হাসি হাসি দয়ার ভাব ফুটিয়ে বলল, " আমার দয়ার প্রাণ! এত করে বলছ যখন তবে ক্ষমা করে দেব যদি কথা দাও এগুলোর সাথে আমার উপর আমার টিমের চাপানো যে কোন কঠিন কাজ তুমি করে দেবে!" " অবশ্যই দিশা, এ তো আমার সৌভাগ্য!' দিশা এবার আমার মুখে হালকা একটা লাথি মেরে বলল, " নাও, তাড়াতাড়ি আমার জুতো পালিশটা সেরে গিয়ে আমার কাজটা করে দাও। সময়ে করতে না পারলে দোষ কিন্তু তোমার, মনে রেখ!" "অবশ্যই!" বলে ৫ মিনিট দিশার জুতো পালিশ করে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে আমি ছুটলাম দিশার রিপোর্ট শেষ করতে আর আমার মাথায় ঘুরতে লাগল আমার যে রিপোর্টটা ৪ টের মধ্যে জমা করার কথা সেটার কি হবে!