Monday, 21 September 2026

Next Story

পরবর্তী গল্প (2026 এর) october এ আসবে। চেষ্টা করব প্রতি মাসে একটি করে গল্প পোস্ট করার। এই ব্লগের পুরনো কোন গল্প কন্টিনিউ হতে দেখতে চাইলে কমেন্ট বা মেল করে জানাতে পারেন। নিজের লেখা গল্প পোস্ট করতে চাইলে etaami11@gmail.com এ mail করবেন।

দিশা ২..

দিশা, পার্ট ২.. আমি প্রায় ছুটে ১ মিনিটের মধ্যে পৌলমীর কেবিনে পৌছালাম।পৌলমীর টিমে এখন মোট চার জন মেম্বার,পৌলমী আর দিশা ছাড়া রিপন ও মলয় নামে দুজন ছেলে আছে। পৌলমী আর দিশা একই কেবিনে বসে, এখন দিশা না থাকায় পৌলমী কেবিনে একাই ছিল। আমি রুমে নক করে " may i come in please" বলতেই পৌলমী হেসে বলল " এসো অনিদা। তুমি এমনভাবে পারমিশান চাইছ যেন আমি তোমার সিনিয়ার আর তুমি দিশার মত সদ্য জয়েন করা জুনিয়ার!" আমি বললাম " আসলে.. আমি না বুঝে দিশাকে অন্য কাজে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন ওর পেন্ডিং কাজ করতে এসেছি, ওর রিপ্লেসমেন্টে। তাই টেকনিকালি আমি সিনিয়ার ম্যাডামকেই রিপোর্ট করছি!" পৌলমী হাসি চাপা দিয়ে বলে তোমার মাথা খারাপ আছে অনিদা। সদ্য জয়েন করা দিশা একদিনও আমাকে আপনি বা ম্যডাম বলেনি, সোজা দিদি আর তুমিতে চলে গেছে। আর তুমি এত সিনিয়ার হয়ে এরকম বিহেভ করছ। যাই হোক, আমি তোমার মত না, সিনিয়ার জুনিয়ার কেউই আমাকে ম্যাডাম বললে আমার খারাপ লাগে না "(পৌলমী জয়েন করার পরে প্রথম দিকে আমাকে আপনি আর স্যার করেই বলত। আমিই ওকে রিকোয়েস্ট করে অনিদা আর তুমিতে নামিয়েছিলাম)। "কি রিপোর্ট বাকি আছে প্লিজ একটু দেখিয়ে দেবে?" পৌলমী গলায় কৌতুক ফুটিয়ে বলল " কই, তুমি না নতুন জয়েন করা ফ্রেশারের রিপ্লেসমেন্ট। আমাকে আপনি আর ম্যাডাম করে বলবে বললে যে!" পৌলমীর বয়স এই ২৪-২৫ হবে,, গায়ের রঙ মাঝারী হলেও বেশ সুন্দরী। মজা করে করলেও ওর এই ডমিনেশান আমার বেশ ভাল লাগল। আমি বললাম " সরি ম্যাডাম। কি প্রজেক্ট বাকি আছে প্লিজ যদি আমাকে একটু বলে দেন kindly তাহলে খুব ভাল হয়।" পৌলমী relaxed গলায় বলল " chill. যা কাজ বাকি আছে সেটা করতে দিশার ২ ঘন্টা লাগলেও তোমার ২০-২৫ মিনিটের বেশি লাগবে না।" - এই বলে পৌলমী desktop খুলে আমাকে ফাইল টা দেখিয়ে কি করতে হবে বলে দিল। আমি পাশের টেবিলে দিশার desktop open করতে গিয়ে দেখি password দেওয়া। দিশাকে ফোন করলাম password এর জন্য, কিন্তু সে ফোন তুলল না। whatsapp এও password চেয়ে মেসেজ করলাম, কিন্তু সেটা ও seen ও করল না, রিপ্লাই দেওয়া তো দূর। কয়েকটা কেবিন পরেই আমার রুম। আমি তাই নিজের রুমে এসে নিজের laptop টা নিয়ে পৌলমীর রুমে ফিরে এলাম। পৌলমী আমাকে laptop আনতে দেখে বলল " কি ব্যাপার, অনিদা? laptop নিয়ে এলে কেন দিশার desktop থেকে না করে?" তারপরেই কিছু একটা ভেবে ও বলে উঠল " ওহ, দিশা তো এমনভাবে নিজের office desktop এ password দিয়ে রাখে যেন এটা ওর personal belonging. আজ ও ফিরুক, আমার কাছে খুব ঝাড় খাবে।" আমি ততক্ষনে অফিসের মেঝেতেই বসে পরেছিলাম ল্যাপটপ নিয়ে, কারণ দিশার চেয়ারে ওর ব্যাগ ও বিভিন্ন জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা। আমি সেই অবস্থায় হাত বাড়িয়ে পৌলমীর জুতো পরা পা দুটোর উপরে হাত রেখে বললাম " আমার কোন অসুবিধা হয়নি পৌলমী। প্লিজ, এর জন্য ওকে বকো না। না বুঝে আর ওর pending কাজ না শুনে ওকে অন্য কাজ দেওয়াটা আমারই ভুল হয়েছে। এই নিয়ে বেশি ঝামেলা হলে আমার বিরুদ্ধেই কম্পলেন যাবে। প্লিজ, আমার অনুরোধ টা একটু রেখো। প্লিজ।" আমি আশা করেছিলাম পৌলমী পা সরিয়ে নেবে। তা না করে মুচকি হেসে বলল, " কাজ শেষ না হওয়া অবধি আমাকে ম্যাডাম করে বলবে বলেছিলে আর আমি তোমাকে জুনিয়ার ফ্রেশারের মত ট্রিট করব কথা ছিল যে?" " সরি ম্যাম" - এই বলে আমি হালকা করে ওর দুই জুতো পরা পায়ে হাত রেখে সেই হাত কপালে ছোয়ালাম। জুতো পরা পায়ে মাথা রাখার ইচ্ছা হলেও সাহস হল না। " আচ্ছা, সত্যি করে বল তো, দিশাকে তুই সত্যি কোন কাজ দিয়েছিস, নাকি ও তোকে ভুল বুঝিয়ে কোথাও বসে relax করছে? দিশার যা স্বভাব, আর তুই যেরকম push over, তাতে সেটাই হয়েছে মনে হচ্ছে।" পৌলমীকে সরাসরি মিথ্যা বলতে ইচ্ছা করল না। আমি বললাম " ম্যাম, কাজটা আগে সেরে নিয়ে কথা বলি প্লিজ! ৩ টের মধ্যে শেষ করতে হবে তো কাজটা।" " সে ৩ টের মধ্যে কাজ শেষ নাহলে তুই ঝাড় খাবি, আমার কি?" এই বলে হেসে পৌলমী বলল " কাজ শেষ হলেই তো তুই আবার ফ্রেশার থেকে আমার সিনিয়ার হয়ে যাবি। এত সিনিয়ার একজন আমাকে ম্যাডাম আর আপনি করে বলছে, পায়ের কাছে বসে কাজ করছে, পা ধরে ক্ষমা চাইছে এরকম অভিজ্ঞতা জীবনে একবারই হয়, তাও ভাগ্য ভাল হলে!" " আপনি যদি চান আমি সবসময় আপনাকে এভাবেই রেস্পেক্ট করব ম্যাডাম।" আমি বলি। পৌলমী কয়েক সেকেন্ড ভেবে বলল, " নাহ, থাক। সেটা ভাল দেখায় না। তবে আমি কথা দিলাম তোকে, তুই কাজটা ঠিক সময়ে শেষ করে দিলে দিশাকে আমি বকবো না।" " thank you madam" বলে আমি কাজে মন দিলাম। Report টা submit করে laptop e দেখি ২.৩২ বাজে। আমি আস্তে করে পৌলমীকে ডাকলাম, " ম্যাম, কাজ শেষ।" কিন্তু ও উত্তর না দিল না। আমি দুবার পরপর ডেকেও সারা না পেয়ে ওর কালো স্নিকার্সের উপর হাত দিয়ে " ম্যাডাম!" বলে ডাকতেই দেখি পৌলমী ডেস্কে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে! আমি বুঝতে পারলাম আমার সাবমিসিভ স্বভাবের জন্য ও এতই রিল্যাক্সড ফিল করেছে যে আমার সামনেই ডেস্কে মাথা রেখে শোওয়ার আগে একবারও ভাবেনি, বিশেষ করে যখন আমি সিনিয়ার হয়ে ওদের টিমের কাজ করে দিচ্ছি আর ও কিছুই করছে না। অধিকাংশ সিনিয়ারই এরকম ক্ষেত্রে খুব রেগে যেত বা কম্পলেন করে বসত। আমি এর উলটো রিএকশান দিলাম। আমি নিজের মাথাটা ওর জুতো পরা পায়ের উপরে রেখে হালকা করে ঘসতে ঘসতে বারবার ওকে " ম্যাডাম" বলে ডাকতে লাগলাম। ফোন হালকা ভাইব্রেট হতে বুঝলাম whats app e massage ঢুকেছে, কিন্তু সেই মুহুর্তে এই দারুন মুহুর্ত ছেড়ে massage check করতে ইচ্ছা করল না। এক মিনিট পরেও ওর ঘুম ভাঙল না। আমি সাহস করে ওর জুতোর উপরে হালকা হালকা চুম্বন করতে লাগলাম, তবু ও উঠল না। আমি বুঝলাম দুপুরে ভাত খেয়ে অনেকেরই ঘুম পায়, আর সেরকম কোন কাজ না থাকায় হালকা ১-২ মিনিট রেস্ট করবে ভেবে ও অজান্তেই ঘুমিয়ে পরেছে। নাহলে পৌলমী খুব কাজের না হলেও average employee এর মত responsibility ওর আছে, ও দিশার মত নয়। কিন্তু এই ঘটনা আমার ভালই লাগল। আমি ওর জুতো পরা পা দুটো হাতের তালুতে তুলে নিয়ে ওর জুতোর উপরে হাল্কা করে চুম্বন করে ওকে মৃদুস্বরে ডাকতে লাগলাম। আমি চাইছিলাম এই ঘটনা যতটা সম্ভব সময় ধরে হোক, আমার এতই ভাল লাগছিল। একেই পৌলমী নিজেই রিপোর্ট কম্পলিট না হওয়া পর্যন্ত আমার সিনিয়ার ম্যাডাম হওয়ার রোল প্লে করা শুরু করেছিল মজা করে, তার উপরে আমি যখন কাজ করছি তখন ও দিব্বি টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরেছে। তাই ওর রিএকশান যাই হোক, ও কোন কম্পলেন করবে না আমি নিশ্চিত ছিলাম! আমার দুই হাতের তালুতে পৌলমীর জুতো পরা পা দুটো রাখা। আমি ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপরে মাথা রেখে শাস্টাঙ্গে উপুড় হয়ে মেঝেতে শুয়ে ওর দুই জুতোর উপরে হালকা চুম্বন করতে করতে ওকে খুব মৃদু স্বরে " ম্যাডাম" বলে ডাকছি, কিন্তু মনে মনে চাইছি পৌলমী আরো কয়েক মিনিট ঘুমাক। আরো কয়েক মিনিট স্থায়ী হোক এই অসাধারণ মুহুর্ত। যদিও আমি জানি এই কাজে কতটা রিস্ক। পৌলমীর ঘুম ভেঙে গেলে ও অবাক হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু, ওর রিএকশানের বেশি বড় সমস্যা কিছু হবে না। কিন্তু যদি এই মুহুর্তে হঠাত রুমের দরজা দিয়ে কেউ ঢোকে? আমি যে পৌলমীর জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে শুয়ে সেটা হঠাত কেউ রুমের দরজা ঠেলে ঢোকা মাত্র তার চোখে পরবে। কিন্তু অন্যের কেবিনে নক না করে কেউ সাধারণত ঢোকে না, মেয়েদের কেবিন হলে তো একদমই না। এটাই যা ভরসা। নাহলে এই অবস্থায় আমাকে কেউ দেখলে আমার কি ভবিষ্যত ঈশ্বরই জানেন! আমি বোধহয় এইভাবে পৌলমীর জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে ওর জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে প্রায় ৩-৪ মিনিট কাটিয়ে দিয়েছিলাম। পৌলমী তখনো একইভাবে ঘুমাচ্ছে আর আমি ওর প্রতি আমার ভক্তি দেখিয়ে চলেছি ওর দুই জুতো পরা পা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে। তখন হঠাতই ঘটল সেই ঘটনা। না, রুমে কেউ নক করল না। বরং হঠাত রুমের দরজা খুলে গেল। আমি তাকিয়ে দেখি দিশা- কিছুটা অবাক চোখে আমার আর পৌলমীর দিকে তাকিয়ে গলায় কিছুটা বিষ্ময় ফুটিয়ে বলল " what the f**k! হচ্ছেটা কি এখানে?" আমি দিশাকে explain করার চেষ্টা করতে গেলাম, কিন্তু আমি এতটা ঘাবড়ে ছিলাম যে কি বলব বুঝতে পারলাম না। যদিও আমি এক ঘন্টা আগেই দিশাকে যেভাবে ট্রিট করেছি তাতে ওর অন্তত আমাকে এই পজিশানে দেখে এত অবাক হওয়ার কিছু নেই। ওদিকে দেখি পৌলমী আড়মোড়া দিয়ে ঘুম থেকে উঠে দিশা আর আমার দিকে তাকাচ্ছে। আমি তখন উঠে মেঝেতে বসেছি, আমার হাত দুটো পৌলমীর জুতোর তলা থেকে বার করলেও ওর জুতোর উপরেই হালকা করে রাখা। দিশা বলল, " অনিদা, তোমার দেওয়া কাজ শেষ করে মোবাইল খুলে দেখি তুমি আমার desktop এর password চেয়েছ, আমি immediate reply করতেও দেখি massage not seen. আমার report জমা দেওয়ার deadline 3pm, তাই আমি immediate আমার কেবিনে ফিরে এসে দেখি তুমি কাজ না করে, আমার মেসেজ সিন না করে পৌলমীদির পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছ। কেস কি?" পৌলমী তখনো বুঝতে পারছিল না ঠিক কি হয়েছে। একবার দিশার দিকে তাকিয়ে বলল, " কি হয়েছে?" - যদিও ওর বোঝার কথা ওর সিনিয়ার অনিদার ওর পায়ের কাছে ওর জুতো পরা পায়ে হাত রেখে বসে থাকা অস্বাভাবিক ( ওর জুতোয় চুমু খাওয়া অবস্থায় ও আমাকে দেখেনি, তখন ও ঘুমাচ্ছিল)। তারপরেই ও আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল " রিপোর্ট রেডি অনি?" আমি রিপ্লাই দিলাম " হ্যাঁ, পৌলমী ম্যাডাম।" দিশা ততক্ষনে ওর চেয়ারের জিনিস নিজের টেবিলে তুলে দিয়ে চেয়ারে বসে পরেছে। আমাদের দুজনের দিকেই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভুরু নাচিয়ে দিশা বলল " অনি আর পৌলমী ম্যাডাম! role reversal! Whats going on guys!" পৌলমী বলল " অনিদা তো নিজের কাজ করছিল না, তোর মানে একজন ফ্রেশার্সের রিপ্লেসমেন্টে এসেছিল। তাই আমি ওকে সেভাবেই ট্রিট করছিলাম যেভাবে একজন ফ্রেশারকে আমার মত সিমিয়ার কারো করার কথা - till that work is done। আর অনিদাও সেই জন্য আমাকে madam বলেই reply করছিল। " " I see! micro dose of power trip! Let me also check it, how does it feel!" এই বলে আমার ঠিক পিছনে নিজের revolving chair এ বসা দিশা হাসিমুখে পৌলমীর সামনেই ওর কালোর উপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার পরা পা দুটো আমার দুই কাঁধে তুলে দিয়ে বলল " যদিও আমি জানি, এটা কিছুই না in comparison of how he was treating you- kissing your shoes to get your attention while you were taking a nap!" আমি দুহাতে দিশার জুতো পরা পা দুটো ধরে ঘুরে বসে নিজেই ওর জুতো পরা পা দুটো আবার নিজের দুই কাঁধে রেখে ওর দুই জুতোর উপরে একবার করে গাঢ় চুম্বন করে বললাম " i am sorry দিশা। আসলে আমি রিপোর্ট কম্পলিট করলেও তোমার টিমের কাউকে সেটা ভেরিফাই করে final upload করতে হবে। পৌলমী একটু ন্যাপ নিচ্ছিল, তুমিও অন্য কাজে বিজি। আমি বুঝতে পারছিলাম না আর কিভাবে ওকে ডাকব। তাছাড়া আমি যেহেতু ফ্রেশার্সের রোল প্লে করছিলাম তাই এই কাজে আমার সিনিয়ার পৌলমীর পা জড়িয়ে ধরে ডাকা আমার নর্মাল মনে হয়েছিল। if any of you mind, i am really sorry, আর কখনো এরকম হবে না।" পৌলমী আমার কথার মাঝেই report verify করা শুরু করেছিল। final upload করে অদ্ভুত একটা হাসি হেসে ও বলল " কাজ ফেলে দিশা এতক্ষন ফাঁকি মেরে এল, আমিও কাজ ছেড়ে হাল্কা nap নিতে গিয়ে পুরো ঘুমিয়ে পরলাম, আর সরি বলছিস তুই! অদ্ভুত ছেলে তুই অনি! anyway, রিপোর্ট শেষ, এখন থেকে তুমি আবার অনিদা!" দিশা মুচকি হেসে বলল " দেখো পৌলমীদি, তুমি শুধু আমাকে বলো, কিন্তু তুমিও কাজে ফাঁকি দাও।" তারপর আমার মুখে জুতো পরা ডান পায়ে একটা হাল্কা লাথি মেরে বলল, " আর আমি আর তুমি ওকে অনি আর তুই করে বললেই ও বোধহয় বেশি comfortable feel করে, তাই না রে অনি?" আমি আমার মুখে লাথি মারা দিশার ডান জুতোর তলায় একটা deep kiss করে বললাম " হ্যাঁ, disha madam!"

রিপা

রিপা ( written by Guest Writer) এক উত্তাল রাতে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে ধেয়ে চলছিল এক অভিশপ্ত জাহাজ। ভালো কাজের লোভ দেখিয়ে মধ্যবয়সী সনাতনী নারী রিপা দাস এবং তাঁর সতেরো বছরের কন্যা সঞ্জিতাকে অপহরণ করে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল কুখ্যাত মানব পাচারকারী জাওয়াদ ও তার দুই সশস্ত্র সঙ্গী—কাশেম ও রতন। জাহাজের স্যাঁতসেঁতে স্টোররুমে মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিলেন মা-মেয়ে। কিন্তু রিপা দাসের চোখে ভয়ের বদলে জ্বলছিল আক্রোশের অনির্বাণ আগুন। সনাতন ধর্মে নারী কেবল সহনশীলতার রূপ নয়; অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে সাক্ষাৎ মহাকালী। স্টোররুমের জং ধরা এক শিকলে ঘষে নিজের চামড়া ছিলে রক্তের বিনিময়ে বাঁধন মুক্ত হলেন রিপা দাস, মুক্ত করলেন মেয়েকেও। আজ পালানো নয়, তাঁদের লক্ষ্য ছিল অসুর সংহার। মেয়ে সঞ্জিতাকে আড়ালে রেখে রিপা দাস জং ধরা লোহার রড হাতে দাঁড়ালেন। প্রথম পাচারকারী কাশেম ভেতরে ঢোকা মাত্রই রিপা তার গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ধরেন, আর সঞ্জিতা তার হাত থেকে খঞ্জর কেড়ে নিয়ে পেটে বসিয়ে দেয়। রক্তে ভেসে যায় মেঝের কাঠ। দ্বিতীয় পাচারকারী রতন খোঁজ নিতে এলে সঞ্জিতা লোহার রড দিয়ে তার পায়ের রগে আঘাত করে এবং রিপা দাস খঞ্জর দিয়ে তার শ্বাসনালী ছিঁড়ে ফেলেন। রতনের কঙ্কালসার বীভৎস লাশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা রক্তাক্ত সঞ্জিতাকে দেখে রিপা দাস স্তব্ধ হয়ে যান। পরম মমতায় মেয়ের হাত ধরে তিনি বলেন, "লজ্জা পাচ্ছিস কেন মা? তুই তো পাপের বুক চিরে দাঁড়িয়েছিস, এ তো তোর সাক্ষাৎ রণচণ্ডীর রূপ!" এবার মূল কালসাপ জাওয়াদকে বধ করার পালা। সঞ্জিতা লোহার রড দিয়ে জেনারেটরের প্যানেল পিটিয়ে নষ্ট করে দিলে পুরো জাহাজে জমাট অন্ধকার নেমে আসে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পিস্তল ও টর্চ নিয়ে করিডোরে বেরিয়ে আসে জাওয়াদ। কিন্তু অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পেছন থেকে সঞ্জিতা রড দিয়ে আঘাত করে তার হাতের পিস্তল ফেলে দেয়। সামনে থেকে রিপা দাস রামদার উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে জাওয়াদের দুই হাঁটু ভেঙে দেন। এরপর জাওয়াদকে দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেন মা-মেয়ে। একসময়ের প্রতাপশালী জাওয়াদ রক্তে ভেসে মা-মেয়ের পায়ে পড়ে প্রাণের আকুতি জানায়, কোটি টাকার লোভ দেখায়। সঞ্জিতা তার গালে লাথি কষে বলে, "তুই ভেবেছিলিস আমরা অবলা? আজ তোর সব পাপের হিসাব এই সমুদ্রের বুকেই হবে!" রিপা দাস জাওয়াদের চুলের মুঠি ধরে মাথা উঁচিয়ে গর্জে ওঠেন, "নারীর সম্মান বিক্রি করা টাকায় তোর জীবন বাঁচবে না জাওয়াদ! তোদের মতো নরপশুদের জন্য কোনো দয়া থাকে না—থাকে কেবল মহাকালের সংহার!" সঞ্জিতা জাওয়াদের পা শক্ত করে চেপে ধরে। রিপা দাস জাওয়াদের গলায় রামদা বসিয়ে বিকট শব্দে চিৎকার করে ওঠেন—"জয় মা কালী!" রামদার সজোড় কোপে কেটে ফাঁক হয়ে যায় জাওয়াদের গলা। কয়েক সেকেন্ড ছটফট করে রক্তগঙ্গায় নিথর হয়ে পড়ে থাকে নরপশুর দেহ। সংহার শেষে জাওয়াদের তরতাজা রক্তে আঙুল ডুবিয়ে সঞ্জিতার কপালে রক্তিম বিজয় তিলক এঁকে দেন রিপা দাস। পরম দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, "নারী যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র তোলে, সে আর কারও দয়ার পাত্রী থাকে না—সে সাক্ষাৎ মহাকালী।" রাতের অন্ধকার ভেদ করে পূর্ব আকাশে উদয় হয় এক রক্তিম দীপ্তিময় সূর্য। সমুদ্রের বুকে ফুটে ওঠে সনাতনী নারীশক্তির এক অমর ও বিজয়ী প্রতীক।

Tuesday, 1 September 2026

ধানগড়

ধানগড়!! পরপর ৩ টে গাড়ি এসে ধানগড়ে ঢোকার রাস্তার মুখে এসে দাঁড়াতে মাঝের গাড়ি থেকে জুহি যা দেখল তার জন্য সে প্রস্তুত ছিল না। জুহি একজন অভিনেত্রী। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই সে বহু সিনেমায় কাজ করে ফেলেছে। অন্য নায়িকাদের মত হিরোদের সাথে নাচা-গানা-প্রেম করার মত সিনেমা সে কমই করেছে। সে মূলত অভিনয় করেছে super-women বা কোন দেবীর চরিত্রে। অথবা দাপুটে পুলিশের ভুমিকায়। বাংলায় সে অন্যতম বিখ্যাত নায়িকা। সে আগেও শুনেছিল ধানগড়ে তার অসম্ভব জনপ্রিয়তা। তাই বলে এইভাবে হঠাত যে ধানগড় থেকে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব পাবে সে, তাও আবার rulling party এর কাছ থেকে, সেটা সে আশা করে নি। এলাকার হাল খারাপ সে আগেও শুনেছিল। আসার সময়ে দেখতে পেয়েছে কতটা খারাপ অবস্থা। ধানগড় বিধানসভা রাজধানী থেকে প্রায় ১৫০ কিমি দূরে। রাস্তার অবস্থা সব জায়গায় বেহাল হলেও ধানগড় বিধানসভায় ঢোকার পর থেকেই সে দেখতে পাচ্ছে রাস্তা প্রায় চষা মাঠ হয়ে গেছে। এলাকার সবচেয়ে বড় ও জনবহুল গ্রাম ধানগড়ে ঢোকার আগে এই এলাকার যে কটা সরকারী স্কুল-অফিস-হাসপাতাল সে দেখেছে সব গুলোরই বেহাল দশা। সে বুঝতে পারছে তার জনপ্রিয়তায় ভর করে এই ব্যার্থতা ঢেকে ভোটে জিততে চাইছে শাসক দল। ভোটে যেতার জন্য বাকি নেতারা যে অভিনয় করে সেসব তার দ্বারা হবে না সে প্রথম দিনই পরিষ্কার করে দিয়েছিল। ছোট থেকে সে বড় হয়েছে privileged & entitled ভাবে, পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশির কাছে princess treatment পেয়ে। সেই জন্যই রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হয়ে ন্যাকামো করাও তার তেমন সহ্য হয় না। সে এমন রোলই করে এসেছে যেখানে পৃথিবী তার কথায় চলে। তার P.A. ইশা খোজ নিয়ে তাকে বলেছিল এই এলাকায় তার জনপ্রিয়তা প্রায় ভগবানের মত, সে ভোটে দাড়ালেই জিতবে। অন্য নেতাদের মত নাটক করা, হাতজোড় করে "আমাকে আপনাদের সেবা করতে দিন" বলে অনুরোধ করার কোন দরকার নেই। তার সাধারণ মানুষের সাথে হাত মেলাতে ঘেন্না লাগে, তাতেও কোন সমস্যা নেই। শুধু সাধারণ মানুষ ভক্তিভরে তার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকালে সেটা স্বাভাবিক ভাবে নিলেই হল! গাড়ি ধানগড় গ্রামে ঢোকার পরে জুহি বুঝল ইশা কথাটা কেন বলেছিল! গ্রামে ঢোকার রাস্তার দুপাশে কয়েকশো লোক রাস্তার ঠিক পাশে নতজানু হয়ে মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে তাকে প্রনাম করছে! এই গ্রামে ঢুকে তার ছোট একটা সভা করার কথা। আর গ্রামের এক মন্দির দর্শন করা। সে অবশ্য আগেই বলে রেখেছিল তার মনে ভক্তি টক্তি কিছু নেই, মন্দিরে জুতো খুলে ঢুকে শাস্টাঙ্গে প্রণাম করা এসব সে করতে পারবে না। ইশা তাকে আশ্বস্ত করেছিল তাকে এখানে কোন নাটক করতে হবে না। গ্রামের রাস্তার দুদিকে অসংখ্য লোক রাস্তার দিকে নতজানু হয়ে তাকে এমন ভাবে প্রণাম করছে যেন সে ভগবান! দেখে তার অদ্ভুত এক ভাল লাগছিল। কিন্তু গ্রামে ঢোকার পরে ১ কিমি যেতে না যেতেই রাস্তার এত বেহাল দশা হল যে গাড়ি করে আর যাওয়া সম্ভব নয়। একে রাস্তা চষা মাঠ হয়ে আছে, তার উপরে রাস্তার পুরোটাই ৬ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট জলের তলায়। গাড়ি থামতে একজন লোকাল পার্টির লোক বিনীত কন্ঠে বলল " ম্যাডাম, এখান থেকে মন্দির আর সভার মাঠ ২ কিমি মত দূর হবে। আপনি চাইলে যেটুকু রাস্তা ভাল আছে তার উপর দিয়ে বাইক করে নিয়ে যাওয়া যায় আপনাদের। নাহলে পাশের গ্রামের একজনের ঘোড়া আছে। তার থেকে আপনার জন্য জোগাড় করে এনে দিতে পারি। কিন্তু অপেক্ষা করতে হবে এক ঘন্টা মত। আসলে আজ সকালে হঠাত খুব বৃষ্টি হওয়ায় জল জমে রাস্তা আরো খারাপ হয়ে গেছে। সরি ম্যাডাম।" জুহি একটু ভেবে বলল " এর কোনটাই আমার ভাল লাগছে না। আমি ফিরে যেতাম, শুধু এই এলাকার লোক রাস্তার দুপাশে শাস্টাঙ্গে শুয়ে আমাকে যেভাবে প্রণাম করছে সেই জন্যই থাকতে ইচ্ছা করছে।" ইশা পাশ থেকে বলল " জুহিদি,তুমি চাইলে এইটুকু হেঁটেও যেতে পারো। একজন তোমার মাথায় ছাতা ধরবে, একজন হাওয়া করবে পাশ থেকে। পথের দুপাশে লোকে শুয়ে তোমাকে প্রণাম করবে এভাবে। তোমার নিজেকে আগের আমলের রাণীর মত ফিল হবে। যেটা তোমার এটিচিউড আর ইমেজের পক্ষে একদম পার্ফেক্ট।" জুহি কয়েক সেকেন্ড ভেবে বলল - " সেটা তুই ঠিক বলেছিস ইশা। কিন্তু এই জমা জলে পা ডুবিয়ে আমি যেতে পারব না, সেটা আমার ইমেজের সাথেও যায় না।" পাশ থেকে পার্টির সেই লোকাল লোকটি সাথে সাথে বলল - " আপনাকে জমা জলে পা ফেলতে হবে কেন ম্যাডাম? আপনার এত অগুন্তি ভক্ত থাকতে? আমি এখুনি সব ব্যাবস্থা করে ফেলছি।! ১০ মিনিটের মধ্যে এক অদ্ভুত ব্যাবস্থা রেডি হয়ে গেল। শয়ে শয়ে লোক জমা জলে ভরা রাস্তার মধ্যে শুয়ে জুহির চলার জন্য human carpet তৈরি করে ফেলল। সে তাদের গায়ের উপর দিয়ে হাঁটবে আর পাশ থেকে জলের মধ্য দিয়ে একজন বিশাল বড় হাতপাখা নিয়ে তাকে হাওয়া করতে করতে যাবে। তার মাথার উপরে বিরাট এক ছাতা ধরবে একজন। জুহির গাড়ির দরজা একজন খুলে ধরতে জুহি সোজা তার এক ভক্তের বুকের উপরে জুতো পরা পায়ে নেমে দাঁড়াল। পাশ থেকে একজন তাকে হাওয়া করছে, আরেকজন তার মাথায় ছাতা ধরেছে। দামী ব্রান্ডের কালো আর গোলাপী মেশানো স্নিকার্স পরা পায়ে ভক্তদের বুকের উপর দিয়ে ৭-৮ পা হেঁটে যাওয়ার সময়ে তার মনে হল সে কোন পুরাণের গল্পে রাণীর চরিত্রে অভিনয় করছে! কিন্তু ইশাকে ছাড়া শুধু অচেনা লোকেদের সাথে এতটা সময় কাটাতে হবে সেটা তার ভাল লাগল না। সে পিছন ফিরে ইশাকে ডাকল। কিন্তু পুরো রাস্তা জলে ভরা। ইশা যাবে কি করে? পার্টির সেই লোকাল লোক আবার পথ দেখাল। ইশাকে বলল -" ইশা ম্যাডাম! আপনিও জুহি ম্যডামের মত human carpet use করুন। আপনি ওদের chest এর উপর দিয়ে যান। জুহি ম্যাডাম ওদের মুখের উপর দিয়ে যাক। আপনাদের ঠিক পাশ থেকে একজন ছাতা ধরবে, আরেকজন হাওয়া করবে। আপনাদের কোন অসুবিধা হবে না।" তাই হল। এতজন মানুষের বুকের উপর দিয়ে সাদা স্নিকার্স পরা পায়ে হেঁটে যেতে যেতে ইশার নিজেকে কিরকম দেবী দেবী ফিল হচ্ছিল! সে ভেবে পেল না লোকেদের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে হেঁটে ২ কিমি পথ যেতে জুহির কেমন লাগবে? আর পথ শেষে মন্দিরে গিয়ে জুহি যখন দেখবে এই গ্রামের মানুষ নায়িকা জুহিকে দেবী বানিয়ে গত কয়েক বছর ধরে তাকেই দেবী জ্ঞানে পুজো করছে তখন তার কেমন লাগবে! জুহির মনে হচ্ছিল সে বুঝি স্বপ্ন দেখছে! নায়িকা হিসাবে মানুষের অতিরিক্ত সম্মান পেতে সে অভ্যস্ত। শুটিং প্লেসে তার পা জড়িয়ে ধরেছে কোন ভক্ত এরকম অন্তত একশোবার হয়েছে তার জীবনে। তাই বলে লোকের মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে হেঁটে ভোটের প্রচার করতে যাওয়া, যেন সে রাজ্যের রাণী বা স্বয়ং স্বর্গের দেবী- এই গণতন্ত্রের যুগে? যেখানে বাকি নেতারা সারা বছর কিছু না করলেও ভোটের সময়ে হাতজোর করে প্রচার করতে বাধ্য হয়? নিজেকে সত্যিই very special মনে হচ্ছিল জুহির। সে একের পর এক পা ফেলে গ্রামের ভিতরে এগিয়ে যাচ্ছিল - তার প্রতিটা step ছাপ ফেলে দিচ্ছিল তার কোন এক অচেনা গ্রাম্য ভক্তের মুখে! পাশ থেকে একজন তার মাথায় ছাতা ধরেছিল, আরেকজন হাতপাখায় হাওয়া করে যাচ্ছিল। আর বহু লোক পাশ থেকে নতজানু হয়ে তাদের দিকে পুষ্প বৃষ্টি করতে করতে বলছিল - " হে দেবী, আমাদের আপনার সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ! আমাদের রাস্তা- স্কুল - হাসপাতাল- সরকারী সুবিধা কিচ্ছু লাগবে না। শুধু আপনার সেবক হয়ে আপনার সেবা করার সুযোগ দিন আমাদের। তাতেই আমরা খুশি!"

Saturday, 1 August 2026

জিয়া

( dramatised version of a train experience. Less femdom and more drama).. আরেকটা ট্রেনের অভিজ্ঞতা। কিছুদিন আগে আবার কোলকাতার চক্ররেলে যাচ্ছিলাম। ট্রেনে উঠে দেখি বেশ ফাঁকা ট্রেন। দুই কমবয়সী সুন্দরী মেয়ে ট্রেনের জানালার ধারের দুই সিটে মুখোমুখি বসে গল্প করছে। বয়স ১৮-১৯ এর মধ্যেই। আমি তাদের একজনের পাশের সিটে এসে বসলাম। উল্টোদিকে জানালার ধারে শুধু এক বয়স্ক লোক বসে। বাকি আর কেউ নেই। মেয়ে দুজন হকারের থেকে পাপড়ভাজা কিনে খাচ্ছিল। একটু পরে একটা মেয়ে অন্যজনকে বাই বলে ট্রেনের দরজার দিকে এগিয়ে গেল তার হাতের পাপড়ভাজার প্যাকেটের খালি প্লাস্টিকটা ট্রেনের মেঝেতে ফেলে দিয়ে। উল্টোদিকের বয়স্ক লোকটা ভুরু কুঁচকে দেখল। তারপর অধিকাংশ বয়স্কলোকের স্বভাবমত জ্ঞান দিতে এল " এভাবে ট্রেনের কামড়া নোংরা করছ কেন? সিভিক সেন্স নেই যে এভাবে ট্রেন নোংরা করতে নেই? ওটা তুলে বাইরে ফেল।" ভালভাবে বললে মেয়েটা কি করত জানি না। কিন্তু বয়স্ক লোকটা খুব rude ভাবে বলেছিল। মেয়েটা ট্রেনের গেটের সামনে থেকে বলল " ওসব জ্ঞান নিজের নাতিপুতিকে দাও দাদু। আমার লাগবে না!" দাদু রেগে রিপ্লাই দিচ্ছিল। তারমধ্যেই পরের স্টেশান চলে আসায় মেয়েটা তার বান্ধবীকে " বাই জিয়া" বলে নেমে গেল। বুড়োটা ওর বান্ধবী জিয়ার দিকে তাকিয়ে গজগজ করতে লাগল। জিয়া ওর বান্ধবীকে " বাই মৌ" বলে ইচ্ছা করেই মুখে হাসি ঝুলিয়ে নিজের সদ্য শেষ করা পাপড়ভাজার খালি প্যাকেটটাও ট্রেনের মেঝেতে ফেলল বুড়োর চোখে চোখ রেখে। আমি ততক্ষনে মেয়েটির ঠিক উল্টোদিকের জানালার ধারের সিটটায় এসে বসেছি, যেটায় একটু আগে ওর বান্ধবী বসে ছিল। মেয়েটির এই রিএকশানে বুড়ো তেলে বেগুণে জ্বলে উঠল। রাগে গজগজ করতে করতে এবার আমার দিকে তাকিয়ে বলল " এযুগের মেয়েদের হাবভাব দেখো। যেন ওদের বাপের ট্রেন! " জিয়া বুড়োকে রাগানোর জন্য বলল " ট্রেনের মেঝে পরিষ্কার করা আমাদের কাজ না দাদু। তোমার ইচ্ছা হলে তুমি প্যাকেট দুটো তুলে ফেলে দিতে পার। আমি বাধা দেব না!" বুড়ো রেগে বোম হয়ে গেল মেয়েটার কথা শুনে! " এই ছুড়ি, আমি তোর বাপের বয়সী! বয়ষ্কদের কিভাবে সম্মান দিতে হয় তোর বাপ মা শেখায় নি?" " শিং ভেঙে বাছুর হচ্ছ দাদু? তুমি আমার বাবার বয়সী কি, আমার দাদুর চেয়েও বুড়ো! এত রাগ দেখিও না, হার্ট এটাক করবে!" বুড়ো রাগে অন্ধ হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল " তোমার সামনে এই মেয়ে দুটো তখন থেকে আমাকে অপমান করে যাচ্ছে, তুমি কিছু বলছ না কেন?" আমি শান্ত গলায় বললাম " ও তো ঠিকই বলেছে জেঠু। এই বয়সে এসে কথায় কথায় এত রাগ দেখালে যেকোন দিন বিপদ হবে। ওই প্যাকেট আমি ফেলে দিচ্ছি।" এই বলে আমি নিচু হলাম। আমার উল্টোদিকের মেয়েটার পরনে জিন্স আর পায়ে সাদা ক্রক্স। বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে বসে আছে মেয়েটা। ওর বাঁ পা আর ট্রেনের দেওয়ালের মাঝে পরে একটা প্যাকেট যার সামান্য একটা অংশ ওর জুতোর তলায় চাপা পরে আছে। অন্যটা প্রায় ওর ডান জুতোর তলায়। আমি নিচু হয়ে প্রথমে দেওয়ালের ধারের প্লাস্টিকটা কুড়াতে গেলাম। প্লাস্টিকের সামান্য একটা অংশ ( প্যাকেট ছেঁড়ার ফলে যেই flap টা প্রায় আলাদা হয়ে যায়) ওর জুতোর তলায় চেপে থাকায় সামান্য টানে সেটা উঠল না। অন্য সময় হলে মেয়েটি পা সরিয়ে নিত, কিন্তু বুড়োকে দেখানোর জন্যই মেয়েটি entitled attitude দেখিয়ে পা সরালো না। আমি ট্রেনের মেঝেতে একটা হাঁটুগেড়ে বসে প্রথমেই "সরি ম্যাডাম" বলে দুই হাত দিয়ে মেয়েটির জুতো পরা পা আলতো করে ধরে সামান্য সরালাম যাতে প্লাস্টিকটা জুতোর তলায় আর চাপা না থাকে। তারপর ডান হাত দিয়ে ওর জুতো পরা পা বাঁ হাতের তালুতে তুলে ডান হাত দিয়ে প্লাস্টিকটা তুললাম যখন মেয়েটির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার বাঁ হাতের তালুর উপরে! কোড়ানো প্যাকেটটা নিজের শার্টের প্যাকেটে ঢুকিয়ে আমি এবার ডান হাত বাড়ালাম অন্য প্যাকেটটা তোলার জন্য, যেটা মেয়েটার ডান ক্রক্সের প্রায় তলায়। আমি ইচ্ছা করলেই প্যাকেটটা এবার এমনিই বার করে আনতে পারতাম। কিন্তু ইচ্ছা করেই এমন ভাব করলাম যেন এবারও প্লাস্টিকটা ওর জুতোর তলায় চেপে আছে। যদিও ওর বাঁ পায়ের উপরে তোলা ডান পায়ে পরা ক্রক্সের তলা আর প্লাস্টিকের প্যাকেটটার মধ্যে ৩-৪ ইঞ্চি দূরত্ব ছিল। আমি আবার " সরি ম্যাডাম" বলে ডান হাত দিয়ে জিয়ার ডান ক্রক্সের হিলের তলা স্পর্শ করলাম। তারপর পুরো জুতোর তলায় একবার হাত বোলালাম। একবার হাতের তালু হিল থেকে জুতোর টো অব্ধি বুলিয়ে আবার উল্টোদিকে বোলালাম। ওর জুতোর তলার পুরো ময়লা আমার হাতের তালুতে লেগে গেল। আমি আর ঝুঁকি না নিয়ে প্লাস্টিকটা কুড়িয়ে দুই হাতই মেয়েটির জুতোর নিচ থেকে বার করে এই প্যাকেটটাও নিজের জামার পকেটে ঢুকিয়ে আবার সিটে বসে বললাম " এতই সামান্য একটা ব্যাপার!" তারপর মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললাম " কোন অসুবিধা হয়নি তো আপনার ম্যাডাম?" জিয়া ছোট করে উত্তর দিল "না", তারপরে বুড়োর দিকে তাকিয়ে বলল " দেখো দাদু! এত্ত ছোট একটা কাজ নিজেই করে নিতে পারতে! তা না করে ফালতু চেঁচিয়ে সিন ক্রিয়েট করে নিজের প্রেশার টা বাড়ালে!!" আমার আচরণ দেখে বুড়ো হাঁ হয়ে গিয়েছিল। কোন রকমে বলল " তোর জেঠু কি দাদুর বয়সী আমাকে বলছিস তোর জুতোর নিচ থেকে তোর ফেলা প্লাস্টিক বার করে ফেলতে? বলতে বাধেও না হতভাগা মেয়ে?" " বাধবে কেন বলতে? এই কাকুও তো আমার চেয়ে অনেক বড় বয়সে, তাও তো দিব্বি নিজের ইচ্ছেও করল, তোমার মত ঝামেলা না বাধিয়ে।" " ও করল কারণ ওর মান-সম্মান নেই, আর মেয়ে দেখলেই এদের নোলা ঝরে তাই! আর কোন কারণ দেখছি না নিজেকে অকারণে এভাবে ছোট করার!" - বুড়ো আবার নিজের পুরনো ফর্মে ফিরেছে ততক্ষনে! "নোলা ঝরে না দাদু, মেয়েদের সম্মান করতে জানে, তাই করেছে। বুড়ো হয়ে মরতে চললে, অথচ এটুকু বেসিক ভদ্রতা সভ্যতা শিখলে না দাদু!" - জিয়া দাদুকে ট্রোল করে বলল। আমি দুজনের ঝগড়া শুনতে শুনতে মেয়েটির জুতো পরা পা দুটোর একটা ফটো তুলে নিলাম ফোনে, যাতে আরো অনেকবার অন্তত ওর ফটোকে প্রণাম করে সম্মান দেখাতে পারি! দাদু রেগে আবার উত্তর দিতে লাগল। ট্রেন ততক্ষনে দমদমে এসে ঢুকেছে। আর একসাথে অনেক লোক ট্রেনে এসে উঠল। জিয়া বেশ কিছুক্ষন বুড়োকে তাকে গাল দিতে দিল, তারপর পাশে এসে বসা একজন বছর ৩৫ এর লোককে কম্পলেন করল " দেখুন না, এই দাদু কোন কারন ছাড়া তখন থেকে আমাকে উল্টোপাল্টা বলে যাচ্ছে!" " কোন কারণ ছাড়া হতভাগী? ট্রেনের কামড়াটায় ডাস্টবিনের মত যা ইচ্ছা ফেলবি, আমি কিছু বলতে পারব না?" - দাদু আক্রোশে চিৎকার করে বলল। জিয়া সরল বাচ্চার মত মুখ করে বলল " কি সব বলছেন দাদু? আমি আবার মেঝেতে কি ফেললাম? মেঝেতে তো কিছুই পরে নেই। আপনি দেখিয়ে দিন মেঝেতে কি ফেলেছি আমি?" " দেখাব কি? পাশের ওই লোকটা তো তোর পায়ের নিচ থেকে কুড়িয়ে ফেলে দিল ওগুলো!" মেয়েটা আবার নিষ্পাপ মুখ করে বলল, " দেখুন, পাগলের মত যা ইচ্ছা বলে যাচ্ছেন উনি তখন থেকে।" তারপর আমার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল " বিশ্বাস না হয় উনাকে জিজ্ঞাসা করুন!" এবার অনেক জন লোক এক এক করে মেয়েটার পক্ষ নিতে লাগল। একজন শেষে দাদুকে বলল উঠে কামড়ার অন্য দিকে গিয়ে বসতে। দাদু গজগজ করতে করতে উঠে পরের স্টেশানে ট্রেন থেকে নেমে গেল। জিয়ার মুখের হাসি দেখে বুঝলাম পুরো ঘটনাটাকে সে বেশ entertainment হিসাবেই নিয়েছে! আমি নিজে থেকেই মেয়েটিকে বললাম " আমার আগেই উচিত ছিল দাদুকে উঠে অন্যদিকে যেতে বলা। অনেকক্ষন ধরে তোমাকে ডিস্টার্ব করছিল। আমি একা থাকায় ঠিক বলে উঠতে পারি নি, সরি!" মেয়েটি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল " it's ok!" দাদু নামার পরে দুটো স্টেশান যেতে জিয়া উঠে দাঁড়াল। বুঝলাম পরের স্টেশানে নামবে। আমার গন্তব্য আসতে তখনো কয়েকটা স্টেশান বাকি। কিন্তু আমি মেয়েটার সাথে নেমে যাওয়াই স্থির করলাম। যদি একটু কথা বলার সুযোগ পাওয়া যায়! গেটের ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে জিয়াকে কি বলা যায় ভাবছি তখন মেয়েটার ফোন বেজে উঠল। মেয়েটি কল রিসিভ করে একটু নিচু গলায় বলল " বাড়ি ঢুকে গেছিস তো?... আরে, ওই দাদু যে তখন নাটক মারছিল তুই ট্রেন থেকে নামার সময়ে.. ওকে নিয়ে হেব্বি রগড় হয়েছে রে মৌ... আমার স্টেশান এসে গেছে... আমি বাড়ি ফিরে তোকে ফোন করছি।" এই বলে ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল " আমার বন্ধু মৌ নামার পরে আমি একটু anxious ছিলাম এই ভেবে যে তুমিও দাদুর পক্ষ নেবে কাকা!" " তা কেন নেব? এসব বুড়োরা অকারনে ঝামেলা করে। ও চাইলে তো আমার মত ওই প্লাস্টিক দুটো কুড়িয়ে ফেলে দিতে পারত!" বলতে বলতেই ট্রেন স্টেশানে এসে দাঁড়াল আর আমরা পরপর ট্রেন থেকে নামলাম। জিয়া শুনে হেসে ফেলল। তারপরে বলল " সত্যি বলতে তুমি যেভাবে আমার জুতোর নিচ থেকে প্লাস্টিক দুটো ফেললে সেটা আমিও এক্সপেক্ট করিনি।"

Wednesday, 1 July 2026

দিশা

দিশা!! মেয়েটির নাম দিশা। সদ্য কলেজ পাশ করে আমাদের অফিসে এক বছর হল জয়েন করেছে। ফর্শা, রোগা, বেশ সুন্দরী। এই বয়সী অনেক মেয়ের মতই ওরও মোবাইল এডিকশান আছে। কাজের মাঝে হঠাত মোবাইল খুলে ঘাঁটতে শুরু করে। এই নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করলেও আমি ওর দোষকে যতটা সম্ভব ঢাকতে চেষ্টা করি সবসময়। আমাদের অফিস শুরু হয় ঠিক সকাল ৯ টায়, আর ছুটি হয় বিকাল ৫ টায়। এর মাঝে ১ টা থেকে ১.৪৫ লাঞ্চ টাইম। বসের কড়া নির্দেশ, খাবার অর্ডার করলে এই সময়ের আগে রিসিভ করা যাবে না। আর সবাইকে ক্যান্টিনে গিয়েই লাঞ্চ করতে হবে। কিন্তু দিশা শোনার পাত্রী না! কাল দুপুর ঠিক ১১ টায় কফি আনতে গিয়ে ওর সাথে দেখা। আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল, " আমার একটা ফুড অর্ডার করার ছিল। যদি ১ টার আগে আসে তুমি একটু রিসিভ করে দেবে প্লিজ?" আমি সিনিয়ার, আর কাজেও মনযোগী। আমি সিগারেট ব্রেকের নামে বেরোলে কেউ কিছু বলে না। আমি বললাম -" তুমি আমার নাম্বার কন্টাক্টে দিয়ে অর্ডার কর। আমি রিসিভ করে দেব।" দিশা একটু ভেবে বলল, " তার চেয়ে বরং আমি তোমাকে লিংক পাঠিয়ে দিচ্ছি। তুমি তোমার ফোন থেকে অর্ডার কর। ইজি হবে। অর্ডার রিসিভ করে মিটিং রুমের টেবিলে রেখে দিও। আমি ১ টায় রিসিভ করে নেব।" আমি হেসে বললাম, " মিটিং রুমে খাওয়া কিন্তু বারণ দিশা। কালকেও ওখানে খাবারের টুকরো পরে ছিল। সুইপার ম্যানেজারকে নালিশ করেছে।" দিশা সম্মোহন করা এক হাসি হেসে বলল, " মিটিং রুমের ইনচার্জ তো তুমি। তুমি চাইলেও ম্যানেজ করে নিতে পারবে!" আমি আর কিছু বললাম না ওকে। আমার ফোনে মোট ৬৮০ টাকার ফুড ওর্ডারের লিংক চলে এল একটু পরেই। ১২ টায় অর্ডার করে দিলাম। খাবার ডেলিভারি আসতে আমি দিশার "অর্ডার" মত খাবার রেখে এলাম মিটিং রুমের টেবিলে। ১ টা ২০ এর দিকে লাঞ্চ সেরে আমি মিটিং রুমে ঢুকলাম কৌতুহল বসে। দিশা টেবিল জুড়ে খাবার ছড়িয়ে মোবাইল দেখতে দেখতে খাচ্ছে। প্যাকেট গড়িয়ে গ্রেভি টেবিল নোংরা করছে। দিশার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ম্যানেজার দেখলে ওকে দিয়েই এই টেবিল মোছাত কোন সন্দেহ নেই। আমি একবার মৃদু স্বরে দিশাকে টেবিলের দশার কথা বলি। ও মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই বলে- " অনিদা! তুমি এত সিনিয়ার। আর একটা সুইপারকে অর্ডার করে কাজ করাতে এত ভয় পাও! তোমার জায়গায় আমি থাকলে ওদের কম্পলেন করা বার করে দিতাম!" আমি উল্টোদিকের চেয়ারে বসে বলি " আর ম্যানেজার এসে এখন তোমার এই কীর্তি এখন স্বচক্ষে দেখলে কি করবে বলতো?" দিশা মুচকি হেসে বলে " আমাকে কি বলবে জানি না। তবে তার আগে মিটিং রুম খুলে তোমার সামনেই এখানে বসে আমাকে খাওয়ার পারমিশান দেওয়ার জন্য তোমাকেই আগে ঝাড়বে। এমনকি, তোমাকে দিয়ে টেবিল মোছালেও আমি আশ্চর্য হব না!" কথাটা বলার জন্য ও মোবাইল pause করেছিল। আবার সেটা টাচ করতে গিয়েই বিপত্তি হল। মোবাইলটা বেশি জোরে টাচ করায় সেটা ব্যালেন্স হারিয়ে নিচে পরতে যেতে দিশা রিফ্লেক্সে সেটা ধরতে যেতেই বিপত্তি হল। চিকেন গ্রেভির ফয়েলে ওর হাত লেগে সেটা সোজা মেঝেতে পরল। মোবাইলটা ওর থাইয়ের বাইরের দিকে ধাক্কা খেয়ে সোজা নিচে পরল। ও মেঝের কি দশা করেছে সে দিকে ওর চোখও গেল না। নিজের মোবাইল তুলে কান্না ভেজা গলায় বলল - " আমার নতুন আইফোন। কতদিনের শখের। E.M.I. তে কেনা। স্ক্রাচ পরে গেল!" আমি উঠে ততক্ষনে ওর পাশে হাটুগেড়ে বসে পরেছি ওকে সান্তনা দেওয়ার জন্য। tempered glass লাগানো আছে তো দেখছি। স্ক্রাচ টা ওটার উপরে পরেছে। ফোনে না!" " আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তোমার কথা। টেম্পার্ড গ্লাসটা খুলে দেখি! আর তুমি খাওয়ার সময়ে ম্যানেজার দেখলে কি হবে এসব না বললেই পারতে। তাহলে এত বড় বিপদটা হত না।"- দিশা আমার উপরে দোশ চাপিয়ে বলল। " আমি extremely sorry দিশা। তোমার screen guard বা phone এ যা ড্যামেজ হয়েছে তা সারিয়ে দেব আমি প্রমিস। আর মেঝেও আমি ক্লিন করে দিচ্ছি। আমারই তো ভুল! সরি!" এই বলে আমি মিটিং রুমের এক কোনে রাখা ন্যাকড়া আর এটাচ টয়লেট থেকে মগে করে জল এনে আবার দিশার পায়ের সামনে হাঁটুগেড়ে বসি। গোলাপী টপ, জিন্স আর পায়ে মোজা আর কালোর উপরে গোলাপী ডিজাইন করা স্নিকার পরা দিশা তখন টেবিলের উপরে মোবাইল রেখে স্ক্রাচ পরা tempered glass খুলে মোবাইলে সত্যিই স্ক্রাচ পরেছে কিনা দেখছে! ওর পায়ের কাছে মেঝেতে উলটে পরে আছে চিকেনের ফয়েল, কয়েক ফুট মেঝে গ্রেভিতে মাখামাখি! এমনকি ওর জিন্সের নিচের দিক আর জুতোতেও গ্রেভি ছিটে লেগেছে। আমার ইচ্ছা করল আগে ওর প্যান্ট আর জুতো পরিষ্কার করে দিতে। কিন্তু বলতে সাহস হল না। আমি মন দিয়ে মেঝে মুছতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে। দিশা বসে আছে বাঁ পায়ের উপর ডান পা 4 এর শেপে তুলে। ফলে ওর জুতোর তলার খুব কাছে হাটুগেড়ে বসে আমি মেঝে মুছতে লাগলাম। ওর কোন ভ্রুক্ষেপই নেই সে দিকে। আমার কি ভাল যে লাগছিল এটা। ইচ্ছা করে ওর পায়ের ঠিক নিচটা মোছার পরে মাথা তোলার ভান করে মাথা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলাম ওর জুতো পরা পায়ে। ও দিব্বি তখনো ওর মোবাইল চেক করতে ব্যাস্ত! এবার ওর জুতোর সামনের দিকের মেঝে মোছার সময়ে ৮-১০ সেকেন্ডের জন্য আমার গালটা ওর ডান জুতোর তলায় ঠেকালাম। ও এবার আমার দিকে চোখ ঘোরাতে আমার বুকটা ধক করে উঠল! ওর জুতোর তলা ওর চেয়ে ১০ বছরের বড় অফিসের সিনিয়ার কলিগের গালে লেগে, অথচ সে সেই অবস্থায় ওর নোংরা করা মেঝে মুছে যাচ্ছে। কি রিএকশান দেবে ও? কিন্তু দিশার চোখ ওর জুতোর তলায় থাকা আমার গালের ঠিক আগে থেমে গেল। বরং এমন ভাবে ও পা টা ফ্লেক্স করল যে ওর জুতোর টো আমার ঠোঁটের ডান দিকে এসে ঠেকল। ও নিজের জুতো আর প্যান্টের নিচের দিকে তাকিয়ে বলল- " ইশ! প্যান্টের নিচেটা আর জুতোটার কি অবস্থা হয়েছে! আজ friday! অফিস শেষ হতেই আমার ডিরেক্ট পার্টি করতে যাওয়ার কথা! আমার লুকসটাই মাটি হয়ে গেল!" আমি ওর কথায় স্তম্ভিত হয়ে গেলাম! দিশা আজ প্রথমে ওর দামী ফুড আমাকে দিয়ে অর্ডার আর রিসিভ করাল, দাম দেওয়ার কথাও তুলল না। এরপরে নিজে মেঝে নোংরা করে আমাকে দিয়ে indirectly পরিষ্কার করিয়ে নিল। আর এখন অফিসের সিনিয়ার আমার গালে ওর জুতো পরা পা লেগে আছে অথচ ওর নজর সেদিকে না গিয়ে গেল শুধু ওর নোংরা জুতো আর প্যান্টের দিকে! আমি ওর কথা শুনে ওর দিকে ফিরতে যেতে ওর জুতোর তলা সোজা আমার ঠোঁটের মাঝখানে এসে ঠেকল। আমি ওর জুতোর তলায় হালকা একটা চুম্বন করে বললাম " আমি extremely sorry দিশা! আমার জন্যই তোমাকে এত সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। আমি এখুনি তোমার প্যান্ট আর জুতো পরিস্কার করে দিচ্ছি। কোন দাগ থাকবে না, প্রমিস!"- আমি কথাটা বলার জন্য আমার ঠোঁট দুটোকে দিশার জুতো থেকে কয়েক ইঞ্চি পিছিয়ে নিয়ে এলাম। " ওকে! দেখা যাক! আর আমি চেক করে দেখলাম মোবাইলে scratch পরে নি, শুধু tempered glass টাই ভেঙেছে। এখন যদি তুমি আমার প্যান্ট আর জুতোর দাগ তুলে দিতে পার আর আজ ছুটির পরেই আমার ফোনে নতুন tempered glass লাগিয়ে দাও, তাহলে তোমার অপরাধ ক্ষমা করে দেব!" " thank you দিশা।" এই বলে আমি আবার দিশার ডান জুতোর তলায় একটা চুম্বন করলাম। আমাকে ওর জুতোর তলায় কিস করতে দেখেও দিশা এমন নর্মাল রিএকশান দিল যেন সিনিয়ার কলিগ ওর মত সুন্দরী জুনিয়ার কলিগের জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইবে এটা একদম স্বাভাবিক! আমি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে সাবান ও পরিষ্কার জল নিয়ে এলাম। তারপরে আবার দিশার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে নিজের পরিষ্কার রুমাল দিয়ে প্রথমে দিশার প্যান্টের তলার দিক আর তারপরে ওর দুই জুতো একে একে পালিশ করতে লাগলাম। আমার নিজেকে দিশার চাকর বলে মনে হচ্ছিল। উফ, কি সুখ এই ভাবনাতে! সুখে ছেদ পরল ফোনের রিং টোনে। আমার ফোন বাজছে। ফোন তুলে দেখি দিশার টিমের এক মেম্বার পৌলমী ফোন করছে। আমি ফোন তুলতেই সে বলল " দিশা কোথায় any idea অনিদা? ১ টার ২ মিনিট আগে লাঞ্চের জন্য বেরিয়েছে, এখন ১ টা ৫৫! একটা important report 3 টের মধ্যে জমা করতেই হবে, অথচ ও ফোন তুলছে না!" " আমি সরি পৌলমী, আমি না জেনে ওকে অন্য একটা কাজ দিয়ে দিয়েছি। তুমি চিন্তা কোর না, আমি যাচ্ছি, ঠিক করে দেব ৩ টের আগে।" আমি ফোন রাখতেই আমার মুখের ঠিক সামনে জুতো পরা পা নাচাতে নাচাতে দিশা বলল - " পৌলমী দি? উফ, কি কঠিন একটা কাজ দিয়েছে, আমার মাথাতেই ঢুকছে না!" আমি আবার দিশার জুতোর তলায় একটা চুম্বন করে বলি " কোন ব্যাপার না দিশা, আমি কাজটা পরে তোমাকে বুঝিয়ে দেব। এখন আমি করে দিচ্ছি। অলরেডি আমার জন্য আজ তোমাকে অনেক ভুগতে হয়েছে, এটুকু তোমার প্রাপ্য। ছুটির পরে তোমার টেম্পার্ড গ্লাসও চেঞ্জ করে দেব। শুধু কাউকে কম্পলেন কোর না প্লিজ। এই বলে আমি আবার ওর জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করি।" " জুতোটা পালিশ করে কাজটা সেরে আস। আমি ভেবে দেখছি কম্পলেন করা উচিত হবে কিনা!" আমি আবার ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে বলি " প্লিজ ক্ষমা করে দাও। কম্পলেন টা করো না। প্লিজ। এখন থেকে রোজ তোমার লাঞ্চ ফ্রি, আমি পে করব। তুমি এখানে বসে খেও, পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার। রোজ তোমার জুতোও পালিশ করে দেব আমি। প্লিজ, শুধু কম্পলেন টা করো না! " দিশা মুখে হাসি হাসি দয়ার ভাব ফুটিয়ে বলল, " আমার দয়ার প্রাণ! এত করে বলছ যখন তবে ক্ষমা করে দেব যদি কথা দাও এগুলোর সাথে আমার উপর আমার টিমের চাপানো যে কোন কঠিন কাজ তুমি করে দেবে!" " অবশ্যই দিশা, এ তো আমার সৌভাগ্য!' দিশা এবার আমার মুখে হালকা একটা লাথি মেরে বলল, " নাও, তাড়াতাড়ি আমার জুতো পালিশটা সেরে গিয়ে আমার কাজটা করে দাও। সময়ে করতে না পারলে দোষ কিন্তু তোমার, মনে রেখ!" "অবশ্যই!" বলে ৫ মিনিট দিশার জুতো পালিশ করে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে আমি ছুটলাম দিশার রিপোর্ট শেষ করতে আর আমার মাথায় ঘুরতে লাগল আমার যে রিপোর্টটা ৪ টের মধ্যে জমা করার কথা সেটার কি হবে!

Monday, 1 June 2026

ট্রেনের ছোট্ট অভিজ্ঞতা

কাল রাতের দিকে চক্ররেলে দমদম আসছিলাম। রবিবার, ট্রেন প্রায় ফাঁকা। প্রিন্সেপ ঘাটে ট্রেন থামতে আমার ঠিক উলটো দিকের সিটে দুজন ১৮-২০ বছরের মেয়ে এসে উঠল। দুজনই সুন্দরী। একজন বাদামওয়ালার থেকে বাদাম কিনে টাকা বের করে ইচ্ছা করেই হাত থেকে পার্সটা মেঝেতে ফেলে দিলাম মেয়েদুটোর ঠিক পায়ের কাছে। যাতে ওটা তোলার অজুহাতে ওদের দুজনের বা অন্তত একজনের জুতো পরা পায়ে হাত ছুঁইয়ে প্রণাম করে আশির্বাদ নিতে পারি। মেয়েদুটোও তখন বাদাম চেয়েছে, আর বাদামওয়ালার দিকেই তাকিয়ে। আমি নীল টপ পরা মেয়েটার ডান পায়ের কালো স্নিকার্সে হালকা হাত ছুঁইয়ে, পাশের সাদা স্নিকার্স পরা মেয়েটার বাঁ পায়ের সাদা স্নিকার্সে হাত ছুঁইয়েই পার্সটা নিয়ে উঠে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু আড়চোখে দেখি মেয়েদুটো তখনো বাদাম নিতে ব্যস্ত। আমি সেই সুযোগে সাদা টপ পরা মেয়েটির হালকা কাত করে রাখা ডান স্নিকার্সের তলায় হাতের আঙুল গুলো বুলিয়ে পার্সটা নিয়ে উঠে বুঝতে পারলাম বাদামওয়ালা আমার দিকে অদ্ভুত চোখে দেখছে! মেয়ে দুটো ২০ টাকার বাদাম নিয়ে ২০০ টাকার নোট দিতে বাদামওয়ালা বলল খুচরো নেই, ফোন পে-ও নেই। আমি সেই সুযোগে ওকে আমার দেওয়া ৫০ টাকা থেকেই কেটে নিতে বললাম। দুটো কম বয়সী মেয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার বদলে তাদের সামান্য কিছু হলেও খাওয়ানোর সুযোগ পাওয়া, অভিজ্ঞতা খারাপ হল না! অবশ্য মন্দিরে দেবীকে প্রণাম করার পরে তাকে তুষ্ট করতে প্রসাদ তো দিতেই হয়, তবে না আশির্বাদ পাওয়া যায়! আমিও ২০ টাকা ব্যালেন্স পকেটে পুরে মেয়ে দুটির জুতোর তলার ময়লা লাগা হাত কপালে ঠেকালাম ওদের সামনেই!

Friday, 1 May 2026

রিশা

আমি একজন 29 বছর বয়সী bike-cab চালক। সাধারণত দুপুর থেকে রাত ১০-১১ টা অব্ধি bike-cab চালাই বিভিন্ন app থেকে booking নিয়ে। এই অভিজ্ঞতাটা কয়েকদিন আগের। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আমি এক কাস্টোমারের booking accept করি। 22km পথ, মূল কলকাতা থেকে শহরতলির দিকে, 200 টাকা মত ভাড়া দেখাচ্ছিল। location এ পৌঁছে খেয়াল করি customer female, ২১-২২ বছর বয়সী একটি মেয়ে। উচ্চতা ৫'২" মত, পরনে টপ-জিন্স-স্নিকার্স। এক ঝলকে মনে হল বেশ ভাল দেখতে। আমি বেশি কিছু না ভেবে তাকে হেলমেট দিয়ে রাইড শুরু করলাম। কিন্তু 7-8 km পথ যেতেই বৃষ্টি নামল আর মেয়েটি বলল " একটা shade দেখে বাইক টা সাইড করে রাখ।" আমি তার আগেই বাইক থামিয়ে বলি " এখানেই rain coat পরে নিন madam"। মেয়েটি হুকুমের সুরে বলে " আমার কাছে raincoat নেই। তোমাকে দাঁড়াতে হবে। হাতে time না থাকলে আমাকে shade এ নামিয়ে তুমি চলে যেতে পার।" তবে আমার destination এ পৌঁছে না দিলে ভাড়া পাবে না।" ছেলে হলে হয়ত আমি তর্ক করতাম। মেয়ে বলে কিছু বললাম না। হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল, বোঝা যাচ্ছিল বেশিক্ষন হবে না। আমি একটু এগিয়ে রাস্তার ধারে একটা শেডের নিচে বাইক দাঁড় করালাম। প্রায় ২০-২৫ মিনিট বৃষ্টি হল। মেয়েটি শেডের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো সময়টা ফোনে কথা বলে গেল। মেয়েটির কাছে rain coat নেই সেটা আমার দোষ না। আমার ওকে extra charge এর কথা বলাই নিয়ম। কিন্তু মেয়ে বলেই হয়ত বলতে ইচ্ছা হল না। বৃষ্টি থামলে আবার রওনা দিলাম। আরো প্রায় 12-14 km পথ যাওয়ার পরে বড় রাস্তা থেকে ম্যাপ দেখে ভিতরে ঢুকলাম। আরো প্রায় 1 km যাওয়ার পরে লোকেশানে পৌঁছে বাইক থামালাম। আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি হেলমেটটা বাইকের পিছনে রেখেই সামনে হাঁটা দিল। আমি অতি বিনয়ী স্বরে বললাম " madam, আপনার ভাড়াটা?" মেয়েটি অবাক স্বরে বলল " দিলাম তো এইমাত্র!" " আমি বাইক থেকে নেমে মেয়েটির দিকে একটু এগিয়ে গেছি ততক্ষনে। " না ম্যাম, আপনি দেন নি, ভুলে গেছেন। " মেয়েটির মনে পরল হয়ত যে আমি গলিতে ঢোকার পরেই অন্য মোবাইলে ভিডিও ক্যামেরা অন করেছিলাম। যেটা মহিলা যাত্রী হলে প্রায় সব রাইডারেরাই করে থাকে এখন। সে আমার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল " তুই মিথ্যা বলছিস। তবু যদি তোর কথা সত্যি ধরে নিই, আর আমি তোকে ভাড়া না দিয়ে চলে যাই তুই কি করবি? এটা আমার পাড়া। লোক জড় হলে লোকে কার কথা বিশ্বাস করবে বল তো?" আমি কিছু ভাবলাম না। কেন জানি না নিজে থেকেই হাঁটুগেড়ে মেয়েটির পায়ের কাছে হাতজোড় করে বসে বললাম " madam, আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করি নি। আমি lower-middle class family এর ছেলে, বাইক চালিয়ে সামান্য রোজগার করে নিজের আর পরিবারের পেট চালাই। আমার এই কয়েকটা টাকা মেরে আপনার কি লাভ? আমার সত্যিই কিছু করার নেই আপনি টাকা না দিলে। কিন্তু প্লিজ ম্যাডাম, দয়া করুন।" মেয়েটি মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বলল, " ধরে নে সরকারী নিয়ম সরকারী বাসের মত bike-cab ও আমাদের মত মেয়েদের জন্য free. একজন customer টাকা না দিলে তুই মরে যাবি না। যা, ফোট এবার!" আমি সব মিলিয়ে প্রায় ২৫ কিমি বাইক চালিয়েছি এই মেয়েটিকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ২৫ মিনিট বিনা কারনে অপেক্ষা করেছি বৃষ্টি কমার জন্য। আর এখন মেয়েটি কি সহজে টাকা না দিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে রাস্তার কুকুর বেড়ালের মত। আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। কিন্তু সত্যিই, আমার কিছু করার নেই। পাড়ার লোক থেকে পুলিশ, কেউই এক রোদে পোড়া গরীব ঘরের bike-cab driver এর কথা শুনবে না, কম বয়সী এই সুন্দরী মেয়েটির কথাই সবাই বিশ্বাস করবে, আমার মোবাইলে রেকর্ড থাকা স্বত্ত্বেও। আমি desperate হয়ে এবার যা করলাম তার জন্য নিজেও প্রস্তুত ছিলাম না। already আমি হাঁটুগেড়ে মেয়েটির পায়ের কাছে হাতজোড় করে বসে ছিলাম মেয়েটির থেকে ফুট দুয়েক দূরত্বে। এবার আমি নিচু হয়ে মেয়েটির পা দুটো জড়িয়ে ধরলাম। তারপর মেয়েটির স্নিকার পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথাটা রেখে বললাম "প্লিজ ম্যাডাম, আমার উপরে দয়া করুন। পুরো ভাড়া না দিন, অন্তত পেট্রোল ভাড়াটা দিন। প্লিজ!"- আমার পাশ দিয়ে এরমধ্যে সাইকেলে করে যেতে যেতে একজন লোক বারবার ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছিল যখন আমি মেয়েটির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে হাতজোর করে বসে ছিলাম। আর এখন আড়চোখে দেখলাম এক মহিলা আর এক ১১-১২ বছরের মেয়ে রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে প্রায় থেমে গিয়ে আমাদের দিকেই দেখছে। আমার মাথা মেয়েটির জুতো পরা পায়ে রেখে আমি মেয়েটির জুতোতে মুখ ঘসতে লাগলাম। প্রায় ২০-৩০ সেকেন্ড মেয়েটি কিছু বলল না বা করল না। আমার চোখ মাটির দিকে থাকায় মেয়েটির facial expression ও আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না। প্রায় আধ মিনিট পরে আমি টের পেলাম মেয়েটি ডান পা তুলে নিল। তারপরেই আমি মাথার উপরে চাপ অনুভব করলাম। মেয়েটি ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপরে তুলে দিয়ে বলল " ফালতু নাটক করে লোক জড় করিস না। ভালয় ভালয় ফোট এখান থেকে!" আমি মেয়েটির বাঁ জুতোর উপরে পরপর ৩ টে চুম্বন করে বললাম, " প্লিজ ম্যাডাম, পেট্রোল ভাড়াটা অন্তত দিয়ে দিন। প্লিজ। রাগ করবেন না ম্যাডাম। আমি তো জোর করছি না। নিজের ন্যায্য অধিকারের ব্যাপারে শুধু অনুরোধ করছি।" প্লিজ!" আমি টের পেলাম আমার মাথার উপরে মেয়েটির ডান জুতো পরা পায়ের চাপ বাড়ল। তারপর উপরে চেন খোলার শব্দ পেলাম। আমার মাথার বাঁ দিকে মেয়েটি বোধহয় একটা টাকার নোট ছুঁড়ে দিয়ে বলল, " এই নে ভিখারীর বাচ্চা! এবার ফোট!" এই বলে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পায়ে মাঝারী জোরে একটা লাথি মারল মেয়েটি। আমি বাঁ হাত দিয়ে নোটটা রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিতে নিতেই আমাকে লাথি মারা মেয়েটির ডান জুতোর উপরে পরপর ৩ টে চুম্বন করলাম। তারপর দুই জুতোর উপরে আরো একবার করে চুম্বন করে বললাম " thank you very much madam!" মেয়েটি কোন উত্তর না দিয়ে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা লাগাল। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত আমাকে অকারণে চুড়ান্ত অপমান করে যাওয়া আমার চেয়ে কয়েক বছরের ছোট মেয়েটির চলে যাওয়া দেখতে লাগলাম সে কয়েকটা বাড়ি সামনে গেট খুলে ভিতরে ঢুকে যাওয়া পর্যন্ত। তাকিয়ে দেখি সেই মহিলা ও বাচ্চা মেয়েটি তখনো দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছে। " তুমি রিশার পায়ে মাথা রেখে কাঁদছিলে কেন?" - মহিলা কৌতুহলী হয়ে প্রশ্ন করল। আমি কি বলব ভাবতে কিছুটা সময় নিয়ে বললাম - " রাস্তায় পুলিশ ফাইন করেছিল। আমার কাছে এখন petrol কেনার টাকাও ছিল না। madam app এর via pay করতে চাইছিল। কিন্তু তাহলে আমার বাড়ি ফেরার মত petrol কেনার টাকাও ছিল না। its my fault, but madam is soKind-hearted!" " আমার কথা শুনে মহিলা ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, " আমি রিশার পাশের বাড়িতে থাকি। জন্ম থেকে ওকে দেখছি। ওকে কেউ দয়ালু বলছে এই প্রথমবার শুনলাম জীবনে! তা ক টাকা extra ভিক্ষা দিল ও তোমাকে ওর পা ধরে কান্নাকাটি করার জন্য?" আমি এতক্ষনে প্রথমবার মেয়েটি, অর্থাৎ রিশার দেওয়া নোটটি খুলে দেখলাম 50 টাকার নোট। 25 km বাইকে আসার পেট্রোল খরচ টুকুই শুধু ও দিয়েছে, প্রকাশ্য রাস্তায় ওর পা ধরে 'কান্নাকাটি' করার পরে! আমি বাইক নিয়ে চলে এলাম। সেদিন রাতে whatsapp এ একটা মেসেজ পেলাম, " আমার mood-off ছিল, তাই একটু drama করে ফেলেছি। তোর বাকি ভাড়া আমি phone pay করে দিচ্ছি। video টা public করিস না, delete করে দিস।" আমি কিছু না ভেবেই reply করলাম " video গুলো just নিজের safety এর জন্য করি madam, public করার কোন প্রশ্নই নেই। আপনি এত ভাববেন না please. এখন phone pay করতে হবে না, don't worry. তবে future e ride লাগলে please আমাকে এই number এ contact করে নেবেন please. এতে app এর share টা বেঁচে যায়।"- last এর কথাটা শুধু প্রশংগ ঘোরাতে সেটা নিজেও বুঝতে পারলাম। রিশা আমার সাথে যা করেছিল সেটা কি just mood-off এর ফল? নাকি, আমি video record করছি, ওর reputation এর problem হতে পারে বলেই ওর ওই বদলে যাওয়া? সেটা আমি নিশ্চিত হতে পারলাম না।

Sunday, 1 March 2026

পুকানের CFNM অভিজ্ঞতা

( warning: CFNM story, written by guest writer). আমার নাম পুকান। আমি সেই সময় স্কুলে ক্লাস ৫ এ পড়তাম। বয়েস ওই ১০ এর আশেপাশে ছিল। তখন বয়সসন্ধি না এলেও লজ্জাবোধ এসেছিল, বাড়িতে তখন মা এর সামনেও ল্যাংটো হয়ে লজ্জা পেতাম, ১ বছর হলো দরজা বন্ধ করে বাথরুমে চান করতাম। সেই সময় আমার স্কুলের ভালো বন্ধু ছিল অমিত। ও আমার পাড়াতেই থাকত। সেই সূত্রে আমাদের দুজনের পরিবার একে অপরকে চিনত।আমার বাবা এর ডাক্তার দেখাতে ১ মাসের জন্য বাইরে বড় শহরে যেতে হয় সেই সময়, তো অমিত এর বাবা মা ও ঠিক করে ওরাও আমার বাবা মা এর সাথে যাবে চেক আপ করাতে। সেই সময় আমাদের স্কুল চলছিল বলে আমাদের নিয়ে যায় না, ২ পরিবার মিলে ঠিক করে আমরা ২ ছেলে অমিত এর ছোট অ্যান্টি এর বাড়িতে থাকবো। ওদের ছোট অ্যান্টি এর বাড়ি অন্য পাড়াতে ছিল। আমাদের লোকালয় থেকে অন্য দিকে। ঠিক হয় আমরা ছোট অ্যান্টি আংকেল এর ঘরে ১ মাস থাকবো। ওই অ্যান্টি এর নিজের ৪ বছরের একটা ছেলে ছিলো। আংকেল বেশ বড় চাকরি করতো আর অ্যান্টি দেখতে খুব সুন্দরী হাসিখুশি ছিল। কিন্তু থাকতে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম রেগে গেলে আবার খুব শাস্তি ও দিতো। তো অ্যান্টি এর বাড়িতে গিয়ে আমরা ২ বন্ধু একসাথে খুব দুরন্তপনা শুরু করলাম। স্কুল থেকে ফিরেই সারাদিন ঘরে খেলাধুলা, গল্প করে সময় কাটাতাম। পড়াশুনা একেবারে বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অ্যান্টি এর ছেলেকে ছোট পেয়ে আমরা ২ জন ওকে খুব ক্ষ্যাপাতাম। যেমন ওর প্যান্ট আন্ডারওয়ার খুলে দিতাম সবার সামনে ওকে লজ্জা দিতে। হয়তো ও ওর বয়েসি ছোট বন্ধুদের সাথে খেলছে ঘরে, আমরা ২ জন গিয়ে ওকে কোমর থেকে ল্যাংটো করে দিতাম আর ছোট নুঙ্কু ছোট নুনকু বলে ক্ষেপাতাম। অ্যান্টি আমাদের ২ জন এর অত্যাচারে বিরক্ত হতো আর ৫, ৬ দিন যেতে না যেতেই ধৈর্য এর বাঁধ ভাঙল। অ্যান্টি এর ছেলে ওই অল্প বয়স এও একটু লাজুক ছিল, তাই ওর বয়েসি বন্ধুদের সামনে একদিন প্যান্ট খুলে দেবার জন্য কান্নাকাটি করে ওর মা কে কমপ্লেইন করলো। অ্যান্টি ওই দিন খুব রেগে গেছিল আমাদের কাণ্ড কারখানাতে। অ্যান্টি “ ভাইকে ছোট পেয়ে তোরা ওকে খুব ক্ষেপাছিস। কি অসভ্যাতামি! অন্যের প্যান্ট খুলে ল্যাংটো করে দিয়ে অন্যকে লজ্জা দিয়ে নিজে মজা পাবা। দাড়া! আজ দেখি তোদের উপর ও এটা করলে কেমন লাগে? তোরা যখন এমন মজা করিস তখন আমিও দেখি আমি যদি তোদের উপর একই কাজ করি তোদের কেমন মজা লাগে!” অ্যান্টিকে এত রেগে যেতে দেখে আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। অ্যান্টি রেগে বললো “ জামা প্যান্ট আর ভিতরের সব কিছু খুলে পুরো ল্যাংটো হয়ে যা এখুনি। না হলে খুব শাস্তি পাবি। বাইরে রাস্তাতে ল্যাংটো করে বের করে দাঁড় করিয়ে রাখবো।”। আমরা ভয় এ চুপ করে দাঁড়িয়েছিলাম, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। আন্টি আমাদের দুজনকে দুগালে দুটো থাপ্পড় মারল জোরে “ আমি যদি নিজে হাতে ল্যাংটো করি তো আজ সারাদিন কিন্তু পুরো ল্যাংটো করে রাখবো।” এবার আমরা খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম, ভয়ের চোটে আন্টির সামনে আমরা দুজন আমাদের শার্ট প্যান্ট গেঞ্জি জাংগিয়া সব খুলে পুরো উদোম ন্যাংটো হয়ে গেলাম। লজ্জাতে হাত দিয়ে নুংকু ঢাকার চেষ্টা করতেই আন্টি রেগে বলল “দু হাতে কান ধর বদমাশ দুটো”। আন্টির সামনে দু হাত দিয়ে আমরা দুই কান ধরলাম ,সম্পূর্ণ উদোম ন্যাংটো আমরা তখন আন্টির সামনে দাঁড়িয়ে। আন্টি বলল “দেখ এখন কেমন লাগে নিজে ন্যাংটো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে! অন্যকে করার সময় তো খুব মজা পাস, বল এখন কেমন লাগছে? কেমন মজা লাগছে?” সুন্দরী আন্টির সামনে এভাবে সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় দাঁড়িয়ে খুব লজ্জা লাগলো। আন্টি একটা কালো শাড়ি পড়ে ছিল সাথে স্লিভলেস ব্লাউজ। আন্টি বলল” নিজেদের তো এই ছোট্ট পাখি। এখনো চুল গজায়নি। আবার ছোট ভাইকে বলে কিনা ছোট নাংকু ছোট নুন্কু!” “ আর দাড়া, ছোট ভাইকে তোরা যেমন অন্যের সামনে প্যান্ট খুলে দিয়ে খুব মজা নিস আমিও তোদের ঘরের খোলা বেলকনিতে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছি এভাবে ন্যাংটো কান ধরে। পাশের বাড়ির আন্টি এবং তোদের বয়সী আন্টির মেয়েরা দেখুক তোদের তোরা কিভাবে শাস্তি পাস”। আমরা ২ জন আন্টির কাছে ক্ষমা চাইলাম। পাশের বাড়ির মেয়েটা আমাদের ক্লাসে পড়ত, সমবয়েসী। তবে ও মেয়েদের স্কুলে পড়ত। আর আমরা ছেলেদের স্কুলে। মেয়েটার নাম ছিল টিনা। কিন্তু আন্টি ক্ষমা করলো না। এই বলে আন্টি আমাদের সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় ঘরের বাইরে খোলা ব্যালকনিতে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল পুরো এক ঘন্টা। আর সেটা দেখে পাশের বাড়ির কাকিমা এবং আমাদের বয়সী মেয়ে টিনা খুব হাসাহাসি করেছিল। টিনা ওর মা দের বলছিল “দেখো দেখো মা! পাশের বাড়ির ছেলে দুটোকে ওদের আংটি পুরো ন্যাংটো করে কান ধরে শাস্তি দিচ্ছে। কি লজ্জার ব্যাপার! মেয়েদের সামনে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে! আমরা সব কিছু দেখতে পাচ্ছি! কি দুষ্টু। তাও মনে হয় কোনো লজ্জা নেই। নিজের বয়েসি একটা মেয়ের সামনে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে” ঐদিন প্রায় 30 মিনিট আমাদের এভাবে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল আন্টি এবং তারপর ঘরে ঢুকতে দেয় আর জামা-প্যান্ট ফেরত দেয়। ওই দিনের পর থেকে যতদিন থাকতাম ততদিন আন্টি আমাদের বেশি দুষ্টুমি করলেই পুরো ন্যাংটো করিয়ে ওই ব্যালকনিতে দাঁড় করিয়ে রাখত কান ধরিয়ে। আমরা বাড়িতে বেশি দুষ্টুমি করলে বা পড়াশোনা না করলেই আন্টি আমাদের পুরো ন্যাংটো করিয়ে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিত। আমরাও আন্টিকে খুব ভয় পেতাম, যখনই বলতো “এক্ষুনি পুরো ন্যাংটো হয়ে যা সব জামাকাপড় খুলে”, আমরা সাথে সাথে ভয় এ সব জামা প্যান্ট এবং ভিতরে সবকিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে আন্টির সামনে কান ধরে দাঁড়িয়ে পড়তাম। জানতাম আন্টির কথা না শুনলে আন্টি আমাদের প্রায় সারাদিন জামা প্যান্ট ছাড়া পুরো ল্যাংটো অবস্থাতে রেখে দিবে। বা দিলেও একটা গেঞ্জি দিবে শুধু আর কোমর থেকে পুরো ল্যাংটো করে রাখবে। বা খুব রেগে গেলে হয়তো বাড়ির বাইরে গলির মধ্যে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিবে। আন্টির রাগ কমে গেলে তখন মুচকি মুচকি হাসতো আর বলতো “তোদের কোন লজ্জাই নেই, তোদের আমি এভাবে পুরো ন্যাংটো করে শাস্তি দেই তাও তোরা বদমাইশি করিস।” ২০০০ সালের দিকের সত্যি ঘটনা। তো অ্যান্টি আমাদের পড়াশুনা করতে বসাতো সন্ধে বেলা। আমার বন্ধু আমার থেকে বেশি ভালো ছিল কিন্তু আমি একটু কাঁচা ছিলাম। আর অ্যান্টি এর কাছে বেশি ল্যাংটো শাস্তি তাই পেয়েছি। আমি পড়া মুখস্ত না পারলেই আন্টি কান ধরে সামনে টেনে নিয়ে আমার শার্ট হাফ প্যান্ট গেঞ্জি জাংগিয়া নিজের হাতে এক এক করে খুলে দিয়ে কান ধরে ঘরে নীল ডাউন করিয়ে দিত বা ল্যাংটো ২০ বার কান ধরিয়ে উঠবস করিয়ে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে দিত। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আগে পড়া মুখস্ত করতাম তার পর আন্টি ফেরত দিত প্যান্ট।টিনা অনেক সময় বিকাল বেলা আন্টির বাড়ি আসত আর আমাকে পড়া না পারার জন্য দেখে ফেলত কান ধরে ল্যাংটো দাঁড়িয়ে আছি। ও দেখে খুব হাসতো, ও ফ্রক ড্রেস বা স্কার্ট টপ পরা আর আমি ওর সামনে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে। খুব লজ্জা লাগতো। ও হাসতে হাসতে আন্টি কে বলত “ আন্টি এই ছেলেটা দেখি একদম পড়া করে না। রোজ ল্যাংটো শাস্তি পায় এই ভাবে”। আন্টি হেসে বলতো “ তাও কোনো লজ্জা এই নাই। পড়াশুনাতে মন নাই।”। আন্টি আমাদের ২ জনকে নিজের পা এর কাছে ফ্লোরে পড়তে বসাতো আর নিজে সোফা তে বসত। আন্টির সাদা ফর্সা পা এর তাতে ছিল নুপুর পরা। পা এ লাল নেল পলিশ। সুন্দর শাড়ি পড়া বা সালোয়ার কামিজ। আর সেই আন্টি এই পড়া না পারলেই আমাকে কান ধরে নিজে হাতে পুরো ল্যাংটো করে শাস্তি দিত। কি যে লজ্জা লাগতো। খুব ভয় ও পেতাম । কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। শাস্তি শেষ এ ল্যাংটো অবস্থাতে আন্টির পা এ হাত দিয়ে এমন ভুল আর করবো না বলে ক্ষমা চাইতে হতো।পরে আন্টির রাগ কমে গেলে আমার অবস্থা দেখে খুব হাসতো। তখন আমি লজ্জা পেতাম, কারণ পড়া এর জন্য ল্যাংটো শাস্তি আমি একা বেশি পেতাম। টিনা যখন এমনি সময় আমাকে দেখত যখন আমি শাস্তি পাচ্ছি না, জামা প্যান্ট পড়া তখন মুচকি হেসে বলতো “ এই বাচ্চা ছেলে, আমাকে দিদি বলে ঢাকবি। আমার সামনে ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে শাস্তি পাস আন্টির কাছে টো তুই আবার আমাকে নাম ধরে ডাকিস কানো? দিদি বলবি। তোকে পুরো ল্যাংটো দেখি না আমি”। ওর কথা শুনে রেগে আমি ওর চুল টেনে দেই আর ও সাথে সাথে গিয়ে আন্টিকে বলে আমি ওর চুল টেনেছি। আন্টি রেগে আমাকে বকা দেয় আর ওকে বলে “ বল পুকানকে কি শাস্তি দিবো?”। টিনা এত প্যাজি, বলে” আন্টি তুমি ওকে পুরো ল্যাংটো করে কান ধরে ওঠবস করাও ২০ বার আমাদের সামনে আর সরি বলতে বল”। আন্টি আমাকে তাই করতে আদেশ দেয় আর আন্টির ভয়ে আমি লজ্জার মাথা খেয়ে ওর সামনে মাথা নিচু করে পুরো ল্যাংটো হয়ে কান ধরে উঠবস করি। ওর তখন কি হাসি। আমার খুব লজ্জা লাগে। ওর সামনে এই ভাবে ল্যাংটো কান ধরে উঠবস এর সময় ওকে সত্যি এই আমাদের দিদি মনে হচ্ছিলো। এর পর থেকে এই ও বলতো আমার কথা না শুনলে কিন্তু আন্টিকে বলে তোকে সব জামা প্যান্ট খুলিয়ে ল্যাংটো করিয়ে শাস্তি পাওয়াবো। আমি একটু ভয় এই পেতাম। বাবা মা ফিরে আসার পরেও আন্টি আমাদের ক্লাস ৫ ক্লাস ৬ এই ২ বছর কোচিং পড়িয়েছে। ২ বছর এই আমি শাস্তি পেয়েছি এই ভাবে। তাই এখন সব মেয়েদের খুব সম্মান করি। আন্টি দেখতে সুন্দরী হাসিখুশি হলেও রেগে গেলে খুব রেগে যেতো আর আমাদের দুই বন্ধু কেই ল্যাংটো করিয়ে শাস্তি দিত। আন্টি যখন জোরে ধমক দিয়ে বলতো “ সব জামা প্যান্ট ভেতরের সব কিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে যা বদমাশ” আমি সাথে সাথে ভয় এর চোটে সব খুলে পুরো উদোম ল্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে পড়তাম আন্টির সামনে। সেই সময় পাশে টিনা বা টিনার মা বা বাড়ির কাজের মাসি থাকলে এটা দেখে খুব হাসতো আর বলতো “ এমা লজ্জা লজ্জা! আমরা সব কিছু পুরো ন্যাংটো দেখে নিলাম। দেখো দুষ্টামি করার ফল। আন্টিকে রাগিয়ে দিয়েছো। থাকো এখন সবার সামনে পান্টু খুলে পাখি বার করে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে”। এটা আমার জীবনের ঘটনা। ১. তোমাদের সাথেও কি এমন শাস্তি হয়েছে? পেয়েছ তোমরা? ২. আমি কি আন্টি কে বেশি ভয় পেতাম? আমি কি বেশি ভীতু ছিলাম? ৩. আন্টি ল্যাংটো করেই কানো শাস্তি দিত? এমনিও টো শাস্তি দিতে পারত? ৪. আন্টি কি খুব রাগী আর বেশি শাস্তি দিত তোমাদের মতে? এখনকার দিনে তো শাস্তি দেবা খুব কমে গেছে। ৫. মা তো খুব খুশি হতো আন্টির কঠিন শাস্তিতে আর পড়া শেখাবার স্টাইল এ। তোমরা কি মনে করো? ৬. আন্টি রাগ পরে গেলে হাসতো ল্যাংটো দেখে। তখন লজ্জা পেতাম। আর নিজের বয়েসি মেয়ে দের সামনে ল্যাংটো দাঁড় করিয়ে বেশি লজ্জা দিত। কানো এমন শাস্তি দিত আন্টি? প্রশ্ন গুলো আমিও নিজেকে জিজ্ঞাসা করি। তোমরা জানিও তোমাদের কি মনে হয়।

Thursday, 1 January 2026

জুতো পালিশের অভিজ্ঞতা

২৬ শে জানুয়ারি সকাল ৮ টায় আমার বহুদিনের অব্যাবহৃত পুরনো সাইকেলে চড়ে চলে এলাম বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের শ্রেষ্ঠা গার্লস হাই স্কুলের সামনে। তারপর স্কুল গেটের সামনে আমার ব্যাগ খুলে জুতো পালিশের সরঞ্জাম সাজিয়ে বসলাম। ২৯ বছর বয়সে এসে এই পেশায় আজ আমার প্রথম দিন। অবশ্য পেটের দায়ে এই কাজে আমি আসিনি, এসেছি আমার সাবমিসিভনেসের কারণে। আজ republic day এর কারনে আমার sector 5 এর অফিস ছুটি, তবে সব স্কুলের মত এখানেও একটু পরেই পতাকা উত্তোলন হবে। স্কুলের মেয়েদের কি চকচকে জুতো ছাড়া এই অনুষ্ঠানে মানায়? আমার ডেস্কের সামনে বোর্ডে লেখা জুতো পালিশ মাত্র ২ টাকায়! তার নিচে লেখা republic day offer, free shoe shine! ৮.৩০ এর কাছাকাছি একে এক মেয়েরা স্কুলে আসতে শুরু করল। বেশিরভাগের পায়ে সাদা স্নিকার অথবা কালো মেরি জেন শু। আমার পালিশ ডেস্কের সামনের লেখাটা চোখে পরতে প্রথম যে মেয়েটি এগিয়ে এল সে সম্ভবত ক্লাস ৯-১০ এ পড়ে। পরনে স্কুলের ক্লাস ৫-১০ এর সাদা শার্ট আর সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর কালো মেরি জেন শু। ফর্শা, বেশ সুন্দরী মেয়ে। আমার শু পালিশ ডেস্কের একদম কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল " আজ শু পালিশ ফ্রি?" আমি উত্তেজনা চেপে বললাম- " হ্যাঁ ম্যাডাম। আজ রেপাবলিক ডে অফার, শু পালিশ ফ্রি আজ!" " বাহ, ভাল করে পালিশ করে দে তাহলে!" মেয়েটি তার ডবল বয়সী আমাকে তুই বলে সম্বোধন করে ওর জুতো পরা ডান পা আমার পালিশ ডেস্কের উপরে তুলে দিল। আমি কয়েকদিন নতুন জুতো নিয়ে প্রাক্টিশ করা ছাড়া কখনো জুতো পালিশ করিনি। উত্তেজনায় আমার বুক ধুকপুক করতে লাগল। আমি দুই হাত বাড়িয়ে মেয়েটির জুতো পরা পা টা ধরে জুতোর তলাটা নিজের বাঁ হাতের তালুতে রাখলাম। তারপরে প্রথমে একটা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতো করে জুতোর তলাটা মুছে নিলাম। তারপর ব্রাশ দিয়ে জুতোর উপর দিকটা ঘসতে লাগলাম। খুব যত্ন সহকারে মেয়েটির জুতো ব্রাশ দিয়ে ঘসে ঘসে পরিষ্কার করতে লাগলাম। মেয়েটি ওর পাশে দাঁড়ানো ওর দুই বান্ধবীর সাথে ক্যাজুয়ালি গল্প করতে লাগল। ভাল করে পরিষ্কার করতে পারলে ওর দুই বান্ধবীর জুতোও পালিশ করতে পারব এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে খুব যত্ন করে মেয়েটির জুতো পালিশ করতে লাগলাম। ব্রাশ দিয়ে শুকনো ধুলো পরিষ্কার করার পরে একটা ভেজা কাপড় দিয়ে জুতোটা হালকা করে মুছলাম। মোছা শেষ হতে দেখি মেয়েটির জুতোতে কয়েকটা হালকা দাগ এখনো বোঝা যাচ্ছে। আমি ডান হাত দিয়ে অলিভ অয়েলে ভেজানো দামী আরেকটা নরম কাপড় দিয়ে মেয়েটির জুতোর দাগ মুছতে লাগলাম। ওর দুই বন্ধুর কথা থেকে ততক্ষনে জেনে গেছি ওর নাম অন্মেষা। অন্মেষা বেশ ক্যাজুয়ালি আমার বাঁ হাতের উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের ভর রেখে দাঁড়িয়ে আছে। আমার আজকের পোশাক দেখে কারো সন্দেহ হওয়ার কথা নয় যে আমি একজন নিম্নবিত্ত জুতো পালিশ করে পেট চালানো লোক। তাই দিব্বি ও আমাকে তুই করে বলছে যেটা আমার ভীষণ ভাল লাগছিল। মেয়েটির জুতো অলিভ অয়েলে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছে আবার একটা নরম পরিষ্কার কাপড়ে জুতোটা মুছলাম। তারপর যত্ন করে প্রথমে ক্লিনার স্প্রে দিয়ে ভাল করে মুছলাম। এরপর আবার একটা shine spray দিয়ে মুছলাম। যখন থামলাম তখন মেয়েটির জুতো এত চকচক করছে যে প্রায় আমার মুখ দেখা যাবে! মেয়েটি আমার জুতো পালিশে বেশ খুশি হল। আমার হাতের পাতার উপরে রাখা অবস্থাতেই জুতোটা ঘুরিয়ে কয়েকবার দেখে বলল- " ফ্রি তে এত্ত ভাল জুতো পালিশ! বেশ ইম্প্রেসিভ!" আমি বললাম " thank you madam. তবে জুতোর সোল পালিশ এখনো পুরো ক্লিন হয়নি। সেটা করে আপনার বাঁ জুতোটা পালিশ করব।" এই বলে আমি আবার একটা সামান্য ভেজা কাপড় দিয়ে অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পরিষ্কার করতে লাগলাম। পাশ থেকে ওর এক বান্ধবী বলল, " এখন সবাই জিওর ট্রেন্ড ফলো করছে। প্রথমে অনেকদিন ফ্রিতে ভাল সার্ভিস দিয়ে হ্যাবিট করিয়ে দেবে। পরে আস্তে আস্তে চার্জ নেওয়া শুরু করবে আর রেগুলার সেটা বাড়াতে থাকবে।" অন্মেষা বলল, " আমার পকেট থেকে টাকা বার করা অত সোজা নয়। যতদিন ফ্রি পাচ্ছি, বা এই ২ টাকায় ততদিন আমি রাজি!" আমি অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পালিশ করা সেরে বললাম, " আপনি আমার first customer madam. আপনার জন্য আমার সার্ভিস always free!" অন্মেষা ওর ডান জুতো পরা পা নামিয়ে বাঁ জুতো পরা পা আমার ডান হাতের তালুতে তুলে দিল। আমি জুতো পালিস করতে শুরু করার আগেই শুনি ওর এক বান্ধবী বলছে " এটা কিন্তু ঠিক না। অন্মেষা ফ্রি তে সার্ভিস পেলে আমরাও সেটা ডিজার্ভ করি!" আমার বেশ ভাল লাগছিল যা হচ্ছে। আমি তো আর টাকা রোজগারের জন্য জুতো পালিশ করছি না। করছি মেয়েদের কাছে সাবমিট করার জন্য। আমি নরম গলায় বললাম " শিওর ম্যাডাম। আপনাদের ৩ জনের জন্যই আমার সার্ভিস লাইফটাইম ফ্রি!" এই বলে আরো যত্ন করে অন্মেষার বাঁ জুতো পালিশ করতে লাগলাম।