banglafemdom's blog
This is a fantasy story site which contains female domination stories .
Monday, 26 October 2026
Next Story
পরবর্তী গল্প (2026 এর) november এ আসবে। চেষ্টা করব প্রতি মাসে একটি করে গল্প পোস্ট করার।
এই ব্লগের পুরনো কোন গল্প কন্টিনিউ হতে দেখতে চাইলে কমেন্ট বা মেল করে জানাতে পারেন।
নিজের লেখা গল্প পোস্ট করতে চাইলে etaami11@gmail.com এ mail করবেন।
Sunday, 25 October 2026
ভূমিকা / Introduction
Introduction ;
( This
is a fantasy story site containing female domination stories .
THIS IS A STRICTLY ADULT BLOG ONLY FOR ADULT (18+) PEOPLE
though there is no sex related subject present in this blog . Minor male nudity
may be present in some stories with warning .
This blog is a femdom fantasy
blog for those adult people who can differentiate between fantasy and reality .
we neither encouraging nor discouraging anyone about femdom relationship
between consentual adult but strongly discouraging any type of
femdom / sexual relation with any minor .
Each and every stories and
comment of this site/ blog is a reflection of our femdom fantasy . we are not
encouraging anyone in any kind of femdom / Violent activities.
We will be not responsible for
your action. )
ভূমিকা ;
( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে
তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার
জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )
শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ +) ও প্রাপ্তমনস্ক ব্যক্তিদের জন্য , যদিও এই
ব্লগের কোন গল্পই যৌনতামূলক নয় ।
অপ্রাপ্তবয়স্ক ( ১৮ বছরের কম বয়সী ), অপ্রাপ্তমনস্ক ( যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও
ফ্যান্টাসি আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝেন না ) ও
যাদের শুধুমাত্র ফ্যান্টাসি হিসাবে লেখা ফেমডম গল্প নিয়েও সিরিয়াস সমস্যা
আছে তাদের প্রবেশ সম্পুর্ন নিষেধ ।
এই সাইটের যেকোন গল্পের উপর বা কমেন্টে তাকে আকর্ষনীয় করে তুলতে যতবার খুশী তাকে সত্যি বলে
দাবী করা হতে পারে । সেটাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই । ভূতের গল্পের শুরুতে লেখক
যেমন গল্পকে আকর্ষনীয় করে তুলতে সেটাকে সত্যি বলে দাবী করেন এখানেও ঠিক তাই করা
হয়েছে । এই ব্লগের এডমিন ও অন্যান্য নিয়মিত পাঠকেরা অনেক গল্পেই গল্প ও পরবর্তী
কমেন্ট এমনভাবে করেছে যাতে সেটা অনেকটা সত্যি মনে করানো যায় , যেটা ফ্যান্টাসির
মাত্রা বাড়াতেই শুধু করা হয়েছে ।
আপনি যদি এই সাইটের যাবতীয় গল্প
ও প্রতিটি কমেন্টকে শুধু ফ্যান্টাসি হিসাবে নিতে পারেন শুধুমাত্র তাহলেই সাইটে
প্রবেশ করবেন ।
আমরা পারস্পরিক সম্মতিতে হওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ফেমডম
সম্পর্কে উতসাহিত বা নিরুতসাহিত কোনটাই করছি না । আপনি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি
হিসাবে , আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সম্মতিতে যা করবেন নিজেদের ইচ্ছায়, নিজেদের
বুদ্ধিতে করবেন ।
বাস্তব জীবনে যে কোন অপ্রাপ্তবয়স্কর ( ১৮ বছরের কম বয়সী ) সাথে কোনরকম ফেমডম / যৌনতামুলক সম্পর্ককে আমরা
চুড়ান্ত ঘৃনা করি । কোন সুস্থ সমাজেই তা গ্রহনযোগ্য না । আমাদের সাইটে ফ্যান্টাসি
গল্প হিসাবে টিন এজ ছেলে / মেয়েদের মধ্যে ফেমডম কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে । ফ্যান্টাসি
আর বাস্তবের পার্থক্য না জানলে আপনি এই ব্লগ এখনই পরিত্যাগ করুন । আপনি কোন
অপ্রাপ্তবয়স্ক / সম্মতি না নিয়ে কোন
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সাথে বিকৃত কোন আচরন করলে আমরা কোনভাবেই দায়ী হব না ।
১। এই ব্লগে খুব
সামান্য কিছু গল্পে মেল নুডিটি / পুরুষের নগ্নতা রয়েছে ( CFNM ) , যা শুধু
ছেলেদের হিউমিলিয়েশনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে , সরাসরি যৌনতামুলক কিছুর জন্য না ।
CFNM যুক্ত গল্পের শুরুতেই ওয়ার্নিং ও দেওয়া আছে । ফিমেল নুডিটি ( নারী – নগ্নতা )কোন
গল্পেই নেই । নারীদের যৌনভাবে উপস্থাপনও
কোন গল্পেই করা হয়নি ।
২। কোন গল্পেই স্টুল ফেটিশ, ইউরিন ফেটিশ ইত্যাদি এক্সট্রিম কিছু নেই ।
৩। এই ব্লগের বেশিরভাগ গল্পের মুল চরিত্ররা বন্ধু-বান্ধবী , স্কুল কলেজের সিনিয়র
জুনিয়র অথবা এক পরিবারের সদস্য ( দিদি- ভাই , দাদা- বোন, বাবা – মেয়ে, দেওর- বৌদি ইত্যাদি ) ।
৪। বেশিরভাগ গল্পে ফিমেল ডমিনেশন হিসাবে উঠে এসেছে মেয়েটির মানসিকভাবে ছেলেটিকে
সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন, তাকে দিয়ে নিজের যাবতীয় কাজ করানো , তার টাকায় ফুর্তি করা ।
ছেলেটিকে দিয়ে দেবী হিসাবে নিজের পুজো করানো , মুখে থাপ্পর মারা , মুখে লাথি মারা , মুখের উপর পা রেখে বসে পা
টেপানো, জিভে জুতোর তলা মোছা ইত্যাদি আচরন । নায়িকার পায়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জুতো
বা চটি পরা আছে । মেয়েদের প্রায় সব জায়গায় সুন্দরী বলে বর্ননা করা হয়েছে ।
বেশিরভাগ গল্পে নায়িকা মেক আপ হীন । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা স্বেচ্ছায় মেয়েটির
কাছে নিজেকে সাবমিট করেছে ও মেয়েটিকে অনেক সুপিরিয়র ভেবে স্বেচ্ছায় তার সেবা
করেছে, তার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে ।
বাংলার সবচেয়ে বড় ফেমডম্ সাইটে আপনাকে স্বাগত । এই সাইটের গল্পগুলো সবই কাল্পনিক । পড়ুন , আর উপভোগ করুন ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।
বাস্তবে কেউ এর প্রয়োগ করতে যাবেন না ।
এই সাইটে female
superiority আর female domination নিয়ে অনেক গল্প পাবেন। ফ্যামিলি ফেমডম গল্প
ও পাবেন অনেক। কার কাছে ভাল কোন টপিক থাকলে জানাতে পারেন,আমি গল্প লিখে পোস্ট করব। আর কেউ নিজে গল্প লিখতে চাইলে আমাকে etaami11@gmail.com এ গল্প পাঠিয়ে দেবেন।
এখানকার অনেক গল্প অনেকের হাস্যকর বা কুরুচিকর মনে হতে পারে। তাদের বলব, প্লিজ আ্পনার ভাল না লাগলে পড়বেন না ।গল্পগুলো ফ্যান্টাসি ছাড়া আর কিছুই না । আমরা কেউ বাস্তব জগতে এর প্রয়োগ করতে যাচ্ছি না। কোন গল্পকে আকর্ষণীয় করতে সত্যি ঘটনা বলে দাবি করা হতে পারে, তাই ভুমিকাতেই বলে রাখি এখানে পোস্ট করা সব গল্পই ফ্যান্টাসি ।
বাংলায় দুর্দান্ত ফেমডম গল্প পড়ার অভিজ্ঞতার জন্য ভিজিট করতে থাকুন,
http://www.banglafemdom.wordpress.com ( হিন্দি, ইংরেজি গল্প সহ বাংলা ও ইংরেজি হরফে বাংলা গল্পের জন্য)
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com ( শুধু বাংলা হরফে বাংলা গল্পের জন্য । )
www.facebook.com/familyfemdom ( for family femdom stories in english )
and
http://www.banglafemdoms.blogspot.com ( শুধু বাংলা হরফে বাংলা গল্পের জন্য । )
www.facebook.com/familyfemdom ( for family femdom stories in english )
Thank you .
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৩ - ১০
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — ফেমডম পর্ব ৩
( written by - Guest Writer).
অফিসের ঘড়িতে তখন সবেমাত্র সাড়ে তিনটে বেজেছে। দিশার দেওয়া ডেডলাইনের আগে আমি কোনোমতে রিপোর্ট সাবমিট করে হাফ ছেড়ে বেঁচেছি বটে, কিন্তু আমার মনের অবস্থা তখন পুরোপুরি পরাধীন এক ভৃত্যের মতো। দিশা ও পৌলমী—দুজনেই বুঝে গেছে যে আমাকে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ কব্জা করা কতখানি সহজ।
পরের দিন সোমবার সকালে অফিসে ঢোকার আগেই আমার নিয়তি নির্ধারিত হয়ে গেল। অফিস শুরুর ঠিক দশ মিনিট আগে রিসেপশনের সামনে দিশা আর পৌলমীর সাথে দেখা। দিশার পায়ে সেই পরিচিত কালোর উপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো স্নিকার।
আমাকে দেখেই দিশা মুচকি হেসে বলল, "কী রে অনিদা, উইকএন্ড কেমন কাটল? আমাদের কথা কি একটুও মনে পড়েছিল, নাকি শুধু নিজের ফ্রিডম এনজয় করেছ?"
আমি বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে সোজা ওদের দুজনের পায়ের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম। করিডোরের অন্য কলিগরা আসার আগেই আমি নিচু গলায় বললাম, "আপনাদের দুজনকে ছাড়া আমার উইকএন্ডে কোনো শান্তি ছিল না ম্যাডামরা। আপনাদের কথাই সারাক্ষণ মাথায় ঘুরছিল।"
পৌলমী পাশ থেকে একটু খিকিয়ে হেসে বলল, "বেশ ভালো বুঝেছিস তাহলে! আজ থেকে আমাদের দুজনের অফিশিয়াল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্ট তুই। আমাদের কেবিনের যেকোনো কাজ, ফাইল প্রিপারেশন থেকে শুরু করে আমাদের জুতো পলিশ করা—সব তোর রেসপন্সিবিলিটি। বুঝলি?"
"হ্যাঁ ম্যাডাম, একদম বুঝেছি," বলতে বলতে আমি দিশার ডান পায়ের স্নিকারের টো-র নিচে নিজের গালটা ছোঁয়ালাম। দিশা তখন অফিসের বাকিদের আড়ালে নিজের পা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো হালকা করে একটু চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, "আজ লাঞ্চ টাইমে আমার আর পৌলমীর জন্য স্পেশাল কফি আর স্ন্যাকস আনতে হবে মিটিং রুমে। আর হ্যাঁ, আজ কোনো ভুল হলে কিন্তু তোর ওই সিনিয়র পজিশন বা রেপুটেশন কর্পোরেট ডাস্টিবিনে ছুড়ে ফেলে দেব, সো বেটার বি কেয়ারফুল!"
পৌলমীও তার পা আমার আরেক কাঁধে ছুঁইয়ে দিয়ে আদেশাল সুরে বলল, "আর লাঞ্চের সময় আমাদের দুজনকে জুতো খুলে পা ছড়িয়ে রিল্যাক্স করার সুযোগ করে দিবি। আমাদের দুয়ারে বসে আমাদের পা ম্যাসাজ করা তোর আজকের মূল ডিউটি।"
অফিসের সিনিয়র পদ, বয়স বা অভিজ্ঞতার সমস্ত অহংকার কোথায় যেন কর্পোরেট টয়লেটের ফ্লাশ হয়ে যাওয়া নোংরার মতো ভেসে গেছে। আমার নিজের মধ্যে তখন এক অদ্ভুত মাদকতা কাজ করছে—একজন সিনিয়র হয়ে দুজন ট্যালেন্টেড ও সুন্দরী জুনিয়র ফেমডম রানীর পায়ের নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দেওয়ার এক অসুস্থ অথচ চরম সুখের অনুভূতি!
"যেমন হুকুম আপনাদের," বলতে বলতে আমি দুহাতে ওদের জুতো পরা পা দুটো জড়িয়ে ধরে কপালে ঠেকিয়ে দিলাম।
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৪ (লাঞ্চ রুমের আজ্ঞাবহ ভৃত্য)
সোমবারে রিসেপশনের সামনে দিশা আর পৌলমীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর থেকেই আমার কর্পোরেট জীবনের ঘড়ি অন্য নিয়মে চলতে শুরু করেছিল। সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে অফিসে আমার একটা সম্মান ছিল ঠিকই, কিন্তু যখনই ঘড়ির কাঁটা দুপুর ১টার কাছাকাছি পৌঁছাত, আমার সমস্ত সিনিয়রিটি বা গাম্ভীর্য কর্পোরেট টয়লেটের ফ্লাশ হয়ে যাওয়া নোংরার মতো ভেসে যেত।
সকাল থেকেই মাথায় ঘুরছিল দিশার সেই কড়া নির্দেশ—"আজ লাঞ্চ টাইমে আমার আর পৌলমীর জন্য স্পেশাল কফি আর স্ন্যাকস আনতে হবে মিটিং রুমে। আর আমাদের পা ম্যাসাজ করার ডিউটি যেন ভুল না হয়!"
দুপুর তখন ঠিক ১টা বেজে ১০ মিনিট। অফিসের বাকি কর্মীরা সব ক্যান্টিনের দিকে ভিড় জমিয়েছে। ঠিক সেই সময়ে দিশার ফোন এল, "অনিদা, মিটিং রুমে জলদি এসো। কফি যেন বেশি ঠান্ডা না হয়, আর আসার সময় আমার জুতোর দিকে নজর রেখো, বাইরে একটু ধুলো লেগেছে।"
আমি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে ক্যাফেটেরিয়া থেকে স্পেশাল কফি এবং স্ন্যাকসের ট্রে হাতে সোজা মিটিং রুমের দিকে পা বাড়ালাম। রুমের দরজাটা ভেতর থেকে হালকা ভেজানো ছিল। আমি ট্রে-টা হাতে নিয়ে সাবধানে পা টিপে ভেতরে প্রবেশ করলাম।
মিটিং রুমের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে তখন দিশা আর পৌলমী দুজনে বেশ আরাম করে পা ছড়িয়ে বসে আছে। দিশার পায়ে সেই কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো স্নিকার।
আমি ট্রে-টা টেবিলের একপাশে রেখে সোজা ওদের দুটোর পায়ের সামনে মার্বেল ফ্লোরে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা আমার কোলের ওপর তুলে দিয়ে একটু আলস্যের সুরে বলল, "আজ কফি আনতে এত দেরি করলে কেন, অনিদা? আমাদের কি সারাদিন তোমার জন্য ওয়েট করতে হবে নাকি?"
আমি তাড়াতাড়ি হাতজোড় করে লজ্জিত গলায় বললাম, "সরি ম্যাডাম, ক্যান্টিনে ভিড় একটু বেশি ছিল তো, তাই আসতে দুই মিনিট দেরি হয়ে গেল। আর কফিটা যাতে গরম থাকে, তাই আমি নিজেই কফি মেশিন থেকে ফ্রেশ বানিয়ে নিয়ে এসেছি।"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা সোজা আমার কাঁধের ওপর তুলে দিয়ে ঠান্ডা ও শ্লেষাত্মক গলায় বলল, "কফি তো ঠিক আছে, কিন্তু তোমার আসল ডিউটি তো এখন বাকি! ভুলে গেছ, লাঞ্চের সময় আমাদের পা ম্যাসাজ করার কথা ছিল?"
"একদম ভুলিনি, ম্যাডাম," বলতে বলতে আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ না করে দিশার জুতোর ফিতে থেকে শুরু করে পায়ের পাতার নিচ পর্যন্ত আমার দুই হাত দিয়ে আলতো করে টিপতে শুরু করলাম।
পৌলমী নিজের পা টা আমার ঠিক মুখের সামনে একটু নামিয়ে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "বেশ! পা ম্যাসাজ করার ফাঁকে আমাদের কফি কাপটা খাইয়েও দাও। আর হ্যাঁ, গতকালের মতো জুতোয় যেন কোনো ধুলোর দাগ না থাকে, সেটা যেন কড়া নজরে থাকে।"
আমার দুই হাত তখন দুই রানীর পা ম্যাসাজে ব্যস্ত, আর আমার মুখ দিয়ে কফি কাপের চামচ তুলে দিচ্ছি ওদের মুখে। অফিসের কোনো সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার যে তার জুনিয়র দুই মেয়ের এমন নিখুঁত ও চরম দাসত্ব করতে পারে, তা বাইরের কেউ কল্পনাও করতে পারত না। কিন্তু আমার নিজের মধ্যে তখন এক অদ্ভুত, অসুস্থ অথচ নেশাগ্রস্ত পরাধীনতার সুখ কাজ করছিল।
দিশা কফি কাপে চুমুক দিয়ে আমার চিবুকটা নিজের জুতো পরা পায়ে হালকা করে চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, "তুমি যতই বল না কেন অনিদা, আমাদের এই পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্টের রোলটা তোমার জন্য একদম পারফেক্ট! যতদিন এই অফিসে আছ, ততদিন আমাদের পদতলেই তোমার আসল স্থানাঙ্ক, বুঝলে?"
আমি দিশা আর পৌলমীর দুই জুতোর তলায় কপাল ঠেকিয়ে ভক্তিভরে বললাম, "আপনাদের এই পদতলের ভৃত্য হয়ে থাকাই আমার জীবনের একমাত্র পরম প্রাপ্তি, ম্যাডাম!"
মিটিং রুমের সেই গোপন চার দেওয়ালের অন্দরে আমাদের সেই পরাধীনতার খেলা আরও এক ধাপ গভীরে প্রবেশ করল—যেখানে সেনগুপ্ত স্যার বা অফিসের বাকি দুনিয়া সম্পূর্ণ অন্ধ, আর আমার পৃথিবী বলতে কেবল ওই দুই রানীর জুতোর তলার জায়গাটুকু!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৫ (কফি কাপের নিচে জুতো সাফাই ও নতুন অর্ডারের চাপ)
মিটিং রুমের সেই নিভৃতে দিশা আর পৌলমীর পা ম্যাসাজ করার কাজটা তখন পুরোদমে চলছে। কফি কাপে চুমুক দিতে দিতে দুই রানি নিজেদের মধ্যে অফিসের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে, আর আমি তাদের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের জুতোর যত্ন নিচ্ছি।
হঠাৎ কফির কাপটা টেবিলে নামিয়ে রেখে পৌলমী আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে একটা আদেশ ছুড়ে দিল, "অনিদা! কফি তো খাওয়া হলো, কিন্তু কাপে একটু কফির ফোঁটা টেবিলের ওপর পড়ে গেছে তো!
টেবিলটা একটু পরিষ্কার করে দাও তো হাত দিয়ে।"
আমি বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ না করে আমার এক হাত দিয়ে টেবিলের ওপর পড়া কফির দাগটা মুছতে গেলাম। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে দিশা বাধা দিয়ে কড়া গলায় বলে উঠল, "আরে হাত দিয়ে মুছছ কেন? তোমার কি কোনো বুদ্ধি নেই নাকি? কফির দাগ পরিষ্কার করার জন্য তোমার কি জিভ বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যম নেই?"
আমার বুকটা একটা অদ্ভুত রোমাঞ্চে কেঁপে উঠল। আমি তৎক্ষণাৎ টেবিলের ওপর ঝুঁকে পড়ে আমার জিভ দিয়ে সেই কফির ফোঁটা চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম। টেবিলের ওপর লেগে থাকা কফির সুস্বাদু তিতকুটে স্বাদ আমার জিভে ছোঁয়া মাত্র দুই রানি খিলখিল করে হেসে উঠল।
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার ঠিক কাঁধের ওপর চেপে ধরে বলল, "বাহ্! ভৃত্যের কাজ এভাবেই নিখুঁত হতে হয়! আচ্ছা পৌলমী, কালকে তো আমাদের একটা বড় ক্লায়েন্ট মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ের প্রেজেন্টেশন ফাইলটা কি অনিদা রেডি করেছে?"
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা আমার কোলের ওপর আরও একটু নামিয়ে দিয়ে বলল, "ফাইলের কথা বলছিস? ওটা তো আজকেই সাবমিট করার কথা ছিল। দেখি, আমাদের এই পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্ট আমাদের ফাইলটা কতটা পারফেক্ট বানিয়েছে।"
আমি তক্ষুনি আমার পকেট থেকে ল্যাপটপটা বের করে তাদের সামনে ধরলাম। স্ক্রিনে ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের প্রেজেন্টেশন ফাইলটা ওপেন করে ভয়ে ভয়ে বললাম, "এই দেখুন ম্যাডাম, ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের সমস্ত ডাটা, গ্রাফ আর চার্ট একদম নিখুঁতভাবে রেডি করে রেখেছি। সেনগুপ্ত স্যারও এটা একবার চেক করে গেছেন।"
পৌলমী ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে এক পলক দেখে নিয়ে মুচকি হেসে বলল, "হুম, কাজ তো মোটামুটি ঠিকঠাকই করেছ দেখছি। তবে কাজের মান যতই ভালো হোক না কেন, আমাদের সাথে সাবমিট করার এই অ্যাটিটিউডটা যেন সবসময় এমন বিনীত থাকে, বুঝলে?"
"একদম ম্যাডাম!" বলতে বলতে আমি দিশা আর পৌলমীর জুতোর তলায় পরপর দুটো গাঢ় চুম্বন এঁকে দিলাম।
ঠিক সেই মুহূর্তে বাইরে করিডোরে কার যেন জুতার আওয়াজ পাওয়া গেল। মনে হলো ডিপার্টমেন্টের হেড মিস্টার সেনগুপ্ত কিংবা অন্য কেউ ওই মিটিং রুমের কাছাকাছি আসছ। দিশা আর পৌলমী সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের পা দুটো সরিয়ে নেওয়ার ভঙ্গি করল, কিন্তু আমি নিজেই অতি উৎসাহে তাদের জুতোর টো-তে আমার ঠোঁট দুটো চেপে ধরে ফিসফিস করে বললাম, "কেউ আসছে মনে হচ্ছে, আমি কি টেবিলের নিচে চলে যাব?"
দিশা ঠান্ডা ও আত্মবিশ্বাসী হাসিতে মাথা নেড়ে বলল, "যাওয়ার কোনো দরকার নেই। সেনগুপ্ত এলে দেখবে কোম্পানির সিনিয়ার ডেপুটি ম্যানেজার আমাদের সামনে বসে ফাইল চেক করাচ্ছেন। সে কি আর স্বপ্নেও ভাবতে পারবে যে সেই সিনিয়ার অফিসার আসলে আমাদের জুতোর তলার একটা পোষা গোলাম?"
বাইরে সেনগুপ্ত স্যারের গলার আওয়াজ পেলেও আমার হৃদস্পন্দন তখন অন্য কারণে দ্রুত বইছিল—সেনগুপ্ত বা বাইরের দুনিয়া আমাকে যতই সম্মান করুক না কেন, আমার আসল ঠিকানা যে এখন ওই দুই রানীর জুতোর তলাতেই বাঁধা, সে বিষয়ে আমার মনে আর কোনো সংশয় ছিল না!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৬ (করিডোরের চোখ ও কেবিনের গোপন শাস্তি)
মিটিং রুমের বাইরে সেনগুপ্ত স্যারের গলার আওয়াজটা আস্তে আস্তে দূরে মিলিয়ে গেল। তিনি হয়তো অন্য কোনো কেবিনের দিকে কাজে চলে গেছেন। আমাদের সিক্রেট কেবিন বা মিটিং রুমের ভেতরে তখন এক অদ্ভুত ও থমথমে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে।
দিশা আর পৌলমী দুজনেই নিজেদের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে আরও একটু হেলান দিয়ে বসল। দিশার পায়ে সেই কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো শু।
পৌলমী আমার দিকে তাকিয়ে একটু বাঁকা হেসে বলল, "কী রে অনিদা? সেনগুপ্ত স্যারের নাম শুনতেই তো তোমার বুকটা কেঁপে উঠেছিল! একটু আগে যে বড় বড় কথা বলছিলে, সেই সাহসটা কোথায় গেল?"
আমি মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে হাতজোড় করে লজ্জিত গলায় বললাম, "সরি ম্যাডাম, আসলে বাইরে তো একটা কর্পোরেট প্রটোকল বজায় রাখতে হয়। সেনগুপ্ত স্যার যদি কোনোভাবে আমাদের এই সম্পর্কটার বিন্দুমাএ টের পেতেন, তাহলে তো অফিসে বড় একটা কেলেঙ্কারি হয়ে যেত।"
দিশা ঠান্ডা গলায় শ্লেষের সাথে বলল, "কেলেঙ্কারি তো দূরে থাক, সেনগুপ্তের কি সেই সাধ্য আছে যে আমাদের ব্যাপারে কিছু বলে? তবে হ্যাঁ, কাজের সময় একটু সাবধানে থাকা ভালো। আজ বিকেলেই ক্লায়েন্টের সাথে আমাদের মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে তুমি আমাদের পেছনে পেছনে থাকবে, আর আমাদের যেকোনো ছোটখাটো দরকার—যেমন ফাইল এগিয়ে দেওয়া বা নোট করা—সব তোমার রেসপন্সিবিলিটি।"
"যেমন হুকুম, ম্যাডাম," আমি মাথা নিচু করে বিনীতভাবে সম্মতি দিলাম।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল চারটে নাগাদ ক্লায়েন্ট মিটিং শুরু হলো। বিশাল কনফারেন্স রুমে কোম্পানির বড় বড় ডিরেক্টর, ক্লায়েন্ট এবং আমাদের ডিপার্টমেন্টের হেড মিস্টার সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন। মিটিংয়ের টেবিলে দিশা আর পৌলমী একপাশে বসল, আর আমি কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ও সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে ঠিক তাদের পাশেই একটা চেয়ারে বসলাম।
মিটিং চলাকালীন যখনই কোনো টেকনিক্যাল ডাটা বা প্রেজেন্টেশন স্লাইড বদলানোর দরকার হচ্ছিল, দিশা বা পৌলমী জাস্ট টেবিলের নিচে নিজেদের জুতো পরা পা দিয়ে আমার পায়ে বা জুতোর ওপর একটা হালকা চাপ দিচ্ছিল। ওটাই ছিল আমার জন্য সাইলেন্ট কমান্ড!
টেবিলে সবাই যখন গম্ভীর মুখে মিটিংয়ের আলোচনা শুনছে, তখন টেবিলের নিচে আমার অবস্হা ছিল দেখার মতো। দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারের টো দিয়ে আমার জুতোর ওপর ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছিল, যার মানে হলো—"তাড়াতাড়ি ওই এক্সেল শিটটা ওপেন করো!" আর পৌলমী নিজের কালো শু দিয়ে আমার পায়ের গোড়ালিটা আলতো করে টিপে ধরে আমাকে প্যানিক করার চেষ্টা করছিল।
মিটিংয়ের মাঝে একবার দিশা একটা ফাইল আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, "অনিদা, পেছনের পেজটা একটু চেক করো তো।"
আমি ফাইলটা হাতে নিয়ে পাতার উল্টো দিকে চোখ বুলাতে গিয়ে একটু নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে সেনগুপ্ত স্যার আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলে উঠলেন, "কী ব্যাপার অনিদা? ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের মাঝে একটু অমনোযোগাযোগী মনে হচ্ছে যে তোমাকে?"
আমার বুকটা তখন ছাৎ করে উঠেছে। আমি কোনোমতে সামলে নিয়ে বললাম, "না স্যার, আসলে ক্লায়েন্টের দেওয়া নতুন ডেটা পয়েন্টগুলো একটু ক্রস-চেক করছিলাম।"
সেনগুপ্ত স্যার সন্তুষ্ট হয়ে মাথা নাড়লেন। কিন্তু টেবিলের নিচে বসা দুই রানীর মুখে তখন জয়ের এক চতুর হাসি খেলছে! তারা খুব ভালো করেই জানত যে, রুমের ওই বড় বড় ডিরেক্টর বা সেনগুপ্ত স্যারের সামনে আমি যতই কুল এবং প্রফেশনাল ম্যানেজার সেজে থাকি না কেন, আমার পুরো মন এবং শরীরটা তখন ওই দুই জুনিয়র রানীর জুতোর নিচের ইশারার ওপর পুরোপুরি বন্দি হয়ে আছে।
মিটিং শেষ হওয়ার সাথে সাথেই সমস্ত ক্লায়েন্ট ও ডিরেক্টররা রুম ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। সেনগুপ্ত স্যারও যাওয়ার সময় আমার পিঠে হাত দিয়ে বললেন, "গুড জব, অনিদা! মিটিংটা ভালো হ্যান্ডেল করেছ।"
সেনগুপ্ত স্যার বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই কনফারেন্স রুমের ভারী দরজাটা ভেতর থেকে লক হয়ে গেল। দিশা আর পৌলমী নিজেদের চেয়ার থেকে উঠে সরাসরি আমার সামনে এসে দাঁড়াল।
পৌলমী নিজের কালো শু পরা পা টা সোজা আমার কোলের ওপর তুলে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "বেশ ভালোই তো কনফারেন্স রুমে বড় বড় অফিসারদের সামনে ম্যানেজার সেজে বসেছিলে, অনিদা! কিন্তু মিটিংয়ের সময় টেবিলের নিচে যে তোমার হাত-পা কাঁপছিল, সেটা তো আমরা খুব ভালো করেই টের পেয়েছি!"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার চিবুকের নিচে আলতো করে ছুঁইয়ে ফিসফিস করে বলল, "বাইরের দুনিয়ায় তুমি যতই কোম্পানির বড় অফিসার হও না কেন, আমাদের এই সিক্রেট ফেমডম সাম্রাজ্যের নিয়ম ভাঙার সাধ্য তোমার নেই। কনফারেন্স রুমে আমাদের ইশারা বুঝতে একটু দেরি করার অপরাধে আজকের শাস্তি হলো—আমাদের এই জুতো দুটো এখনই ভালো করে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে হবে।"
আমি আর বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে কনফারেন্স রুমের সেই মার্বেল ফ্লোরে সোজা উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম। সেনগুপ্ত বা কোম্পানির বাকি দুনিয়া যতই আমাকে জেনারেল ম্যানেজার বা সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার ভাবুক না কেন, আমার আসল ও একমাত্র ঠিকানা যে ওই দুই রানীর জুতোর তলাই, তা আমার পরাধীন মন আরও একবার পরম সুখে মেনে নিল!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৭ (কনফারেন্স রুমের ফ্লোরে শেষ রাতের দাসত্ব)
কনফারেন্স রুমের ভারী দরজাটা ভেতর থেকে সিল করা। বড় বড় ডিরেক্টর আর সেনগুপ্ত স্যার অনেক আগেই যে যার বাড়ি চলে গেছেন। বিশাল ওই মিটিং হলের নিস্তব্ধতার মধ্যে তখন কেবল আমার হাঁপানোর শব্দ আর দিশা-পৌলমীর জুতোর হিল বা স্নিকারের মৃদু টকটক শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যাচ্ছিল না।
কনফারেন্স টেবিলের ঠিক কোণটায় আমি তখন মার্বেল ফ্লোরের ওপর সাষ্টাঙ্গে উপুড় হয়ে শুয়ে আছি। আমার দুই হাত সামনে ছড়ানো, আর চোখের পলক ফেলতেও বুক কাঁপছে।
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা ডান পা টা সোজা বাড়িয়ে দিয়ে আমার ঘাড়ের ঠিক ওপরে সজোরে চেপে ধরল। ও ঠান্ডা ও দাপুটে গলায় বলল, "কী হলো অনিদা? কনফারেন্স রুমে একটু নার্ভাস হয়ে যাওয়ার অপরাধে যে শাস্তি দিয়েছিলাম, সেটা কি এখনো শেষ হয়নি নাকি? জুতোর তলায় ধুলো লেগেছে অথচ তোমার জিভ এখনো ঠিকমতো কাজ করছে না কেন?"
পৌলমী নিজের স্লিক কালো শু পরা পা টা আমার কোমরের ওপর আলতো করে আলিয়ে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "ছোডো না দিশা! ওর তো আবার বড় অফিসার হওয়ার একটা বদভ্যাস আছে না? বাইরে জিএম বা ডেপুটি ম্যানেজার, আর আমাদের সামনে আসতেই একদম পোষা কুকুরের মতো অবস্থা! জুতোর তলা থেকে একটুও ময়লা যেন বাকি না থাকে, একদম কাঁচের মতো পরিষ্কার চাই।"
আমি দিশার পায়ের নিচে মাথাটা আরও একটু গুঁজে দিয়ে কাঁপাকাঁপা গলায় বললাম, "একদম পরিষ্কার করে দিচ্ছি, ম্যাডাম! আমার কোনো পরিচয় নেই, আমি কেবল আপনাদের এই জুতো চাটার জন্যই বেঁচে আছি।"
কথাটা শেষ করেই আমি আমার জিভ বের করে দিশার স্নিকারের তলাটা খুব ভালো করে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম। কনফারেন্স রুমের ঠাণ্ডা ফ্লোরে শুয়ে জুতো চাটার সেই অদ্ভুত ও চরম পরাধীনতার নেশা আমার সমস্ত রক্তে ছড়িয়ে পড়ছিল। সেনগুপ্ত বা কোম্পানির কেউ যদি কোনোভাবে এই দৃশ্য দেখতে পেত, তবে হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে বসে থাকত। কিন্তু আমার কাছে তখন ওই দুই রানীর জুতোর তলার জায়গাটুকুই ছিল পৃথিবীর একমাত্র পবিত্র স্থান।
প্রায় আধঘণ্টা ধরে কনফারেন্স রুমের ফ্লোরে দিশা আর পৌলমীর জুতো জিভ দিয়ে ঘষে ঘষে একদম আয়নার মতো চকচকে করে তোলার পর আমি যখন মাথা তুললাম, তখন আমার মুখ দিয়ে আর কথা বের হচ্ছিল না।
দিশা নিজের পা টা আমার গাল থেকে সরিয়ে নিয়ে তৃপ্তির হাসি হেসে বলল, "বেশ! আজকের মতো তোমার এই দাসত্ব পর্ব এখানেই শেষ হলো। কাল সকালে অফিসে ঢোকার আগে আমাদের কেবিনের কফি আর ফাইল যেন একদম রেডি থাকে, বুঝলে?"
"হ্যাঁ ম্যাডাম, সব ঠিক থাকবে," আমি বিনীতভাবে মাথা নিচু করে বললাম।
ওরা দুজনে নিজেদের হ্যান্ডব্যাগ গুছিয়ে রুমের দরজা খুলে বেরিয়ে গেল। কনফারেন্স রুমের সেই ফাঁকা ঘরে আমি একা একা মেঝেতে বসে নিজের কাপড়ের ধুলো ঝাড়তে লাগলাম। বাইরে ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত আটটা বেজে গেছে। অফিস প্রায় ফাঁকা।
আমি যখন নিজের কেবিন থেকে ব্যাগ নিয়ে লিফটের দিকে যাচ্ছি, তখন করিডোরের শেষ মাথায় মিস্টার সেনগুপ্তের সাথে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল। তিনি সম্ভবত কোনো ফাইল নিতে আবার কেবিনে ফিরছিলেন।
আমাকে দেখে সেনগুপ্ত স্যার একটু অবাক হয়ে বললেন, "আরে অনিদা! তুমি এখনো অফিসেই আছো? এত রাত পর্যন্ত কাজ করছ? সত্যি, তোমার এই ডেডিকেশন দেখে আমি মুগ্ধ! এই প্রজন্মের এমপ্লয়িদের তোমার থেকে শেখা উচিত।"
সেনগুপ্ত স্যারের মুখে নিজের এই ভূয়া প্রশংসাবাক্য শুনে আমার ভেতরে ভেতরে এক অদ্ভুত হাসি পেল। তিনি কিচ্ছু জানেন না যে তাঁর এই 'ডেডিকেটেড ও লয়াল অফিসার' আসলে ঠিক কিছুক্ষণ আগেই জুনিয়র দুই মেয়ের জুতোর তলায় ফ্লোরে উপুড় হয়ে শুয়ে তাদের জুতো চাটছিল!
আমি কোনোমতে একটা পেশাদার হাসি টেনে এনে বললাম, "আসলে স্যার, কালকের ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের কিছু ফলো-আপ কাজ বাকি ছিল তো, তাই একটু লেট হয়ে গেল।"
"ঠিক আছে, বেশি রাত কোরো না, সাবধানে বাড়ি যেও," সেনগুপ্ত স্যার পিঠে হাত দিয়ে বিদায় নিলেন।
অফিসের মেইন গেট দিয়ে যখন রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম, তখন ঠান্ডা বাতাসে আমার গা জুড়িয়ে গেল। পকেট থেকে ফোনটা বের করতেই দিশার একটা নতুন মেসেজ স্ক্রিনে ভেসে উঠল—"কাল সকালে আসার সময় স্টারবাক্স থেকে আমাদের জন্য দুটো কোল্ড কফি নিয়ে আসবে। ভুলে গেলে কিন্তু কলার ধরে কেবিনে ঝুলিয়ে রাখব!"
আমি মেসেজটা দেখে মুচকি হাসলাম। কর্পোরেট দুনিয়ায় আমি যতই বড় পদ বা জেনারেল ম্যানেজারের সিটে বসি না কেন, আমার জীবন যে এখন সম্পূর্ণভাবে ওই দুই রানীর জুতোর তলার ইশারায় বাঁধা, সেকথা ভেবেই আমার বুকটা এক অজানা ও চরম পরাধীনতার সুখে ভরে উঠল!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৮ (সকালের স্টারবাক্স ও কেবিনের গোলামি)
পরদিন মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই আমার মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত রোমাঞ্চ কাজ করছিল। দিশার সেই রাতের মেসেজটা আমার মাথার মধ্যে বারবার ঘুরছিল—স্টারবাক্স থেকে কোল্ড কফি না আনলে কেবিনে ঝুলিয়ে রাখা হবে! কর্পোরেট দুনিয়ায় আমি একজন সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার বা জিএম হতে পারি, কিন্তু আমার ব্যক্তিগত রুটিন যে এখন পুরোপুরি দুই রানীর মর্জিমাফিক চলে, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলাম।
অফিসে ঢোকার ঠিক আধ ঘণ্টা আগে আমি শহরের একটা নামী স্টারবাক্স আউটলেট থেকে দিশা আর পৌলমীর পছন্দের ফ্লেভারের দুটো কোল্ড কফি প্যাক করিয়ে নিলাম। সাবধানে কফি দুটো ব্যাগে ভরে যখন অফিসে এসে পৌঁছলাম, তখন ঘড়িতে সবেমাত্র সকাল পৌনে নয়টা বেজেছে।
অফিসের বাকি স্টাফ ও জুনিয়ররা তখন সবেমাত্র এসে নিজেদের ডেস্কে বসছে। করিডোর দিয়ে হাঁটার সময় অনেকেই আমাকে দেখে সম্মান জানিয়ে বলল, "গুড মর্নিং, অনিদা স্যার!"
আমিও খুব পেশাদার ও গম্ভীর মুখে তাদের প্রতি-নমস্কার জানিয়ে সোজা আমাদের ডিপার্টমেন্টের দিকে এগিয়ে গেলাম। কিন্তু সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার বুকটা একবার কেঁপে উঠল। কারণ আমি জানি, এই ভদ্রলোক আমাকে কোম্পানির সবচেয়ে সৎ ও লয়াল অফিসার ভাবেন, আর তাঁর সেই 'লয়াল অফিসার' কি না একটু পরেই দুই জুনিয়র মেয়ের সামনে কফির কাপ হাতে হাঁটু গেড়ে বসবে!
দিশা আর পৌলমীর ব্যক্তিগত কেবিনের দরজায় মৃদু নক করে আমি ভেতরে প্রবেশ করলাম।
দরজাটা ভেতর থেকে লক হওয়ার সাথে সাথেই আমার সেই জেন্টলম্যান ডেপুটি ম্যানেজারের খোলসটা নিমেষের মধ্যে ধুলোয় মিশে গেল। কেবিনের মার্বেল ফ্লোরে পা রেখেই আমি সোজা হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
দিশা আর পৌলমী দুজনেই তখন নিজেদের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে পা তুলে বেশ আরাম করে বসে আছে। দিশার পায়ে সেই চেনা কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো শু।
আমি হাত জোড় করে কফির ব্যাগটা ওদের টেবিলের ওপর রেখে বিনীত গলায় বললাম, "গুড মর্নিং, ম্যাডামরা। আপনাদের স্টারবাক্সের কোল্ড কফি নিয়ে এসেছি। একটুও গলে যায়নি, একদম পারফেক্ট আছে।"
পৌলমী কফির স্ট্র-তে একটা চুমুক দিয়ে তৃপ্তির হাসি হেসে বলল, "বাহ্! টাইমের আগেই তো কফি এসে গেছে দেখছি। আমাদের হুকুম পাল্টাতে এখন তোমার জুড়ি মেলা ভার, অনিদা!"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার ঠিক মুখের সামনে এগিয়ে দিয়ে ঠান্ডা ও দাপুটে গলায় বলল, "কফি তো ঠিক সময়ে এনেছ, কিন্তু তোমার আসল ডিউটি কি ভুলে গেছ? গতকাল রাতে ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের আগে আমাদের জুতোয় একটু ধুলো লেগেছিল, আজ সকালে কেবিনে ঢোকার আগে সেগুলো চেক করেছ তো?"
আমি বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে সোজা দিশার পায়ের কাছে আরও একটু এগিয়ে গেলাম। তারপর আমার জিভ বের করে দিশার স্নিকারের টো থেকে শুরু করে তলা পর্যন্ত ভালো করে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম।
পৌলমী নিজের কালো শু পরা পা টা আমার অন্য কাঁধের ওপর তুলে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "আজ কিন্তু আমাদের আরও একটা ইম্পর্টেন্ট কাজ আছে। দুপুরের দিকে নতুন জুনিয়র শুভশ্রী অফিসে জয়েন করবে। দিশার ছোট বোন, বুঝতেই পারছ! আমাদের এই সিক্রেট ফেমডম সাম্রাজ্যের নতুন রানি হিসেবে ওকে কীভাবে ওয়েলকাম করতে হবে, তার একটা গ্র্যান্ড প্ল্যান আমাদের করতে হবে।"
শুভশ্রীর কথা শুনে আমার জিভটা এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। দিশার ছোট বোন মানে সেও যে আমাদের এই পরাধীনতার খেলায় সামিল হবে, তা বুঝতে আমার বাকি রইল না।
আমি দিশা ও পৌলমীর দুই জুতোর তলায় পরপর দুটো গাঢ় চুম্বন এঁকে দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বললাম, "যেমন হুকুম আপনাদের! শুভশ্রী ম্যাডাম আসলেও আমার এই দাসত্ব এবং জুতো চাটার সেবা আরও দ্বিগুণ হয়ে যাবে।"
দিশা তৃপ্তির হাসি হেসে আমার চিবুকটা নিজের জুতো পরা পায়ে হালকা করে চেপে ধরে বলল, "শাবাস অনিদা! আমাদের অনুগত ভৃত্য এভাবেই নিজের রানীদের সেবা করতে ভালোবাসે। যাও, এবার তোমার নিজের ডেস্কে গিয়ে অফিশিয়াল ফাইলগুলো রেডি করো। শুভশ্রী অফিসেই পৌঁছানোর সাথে সাথেই কিন্তু আমাদের আসল খেলা শুরু হবে!"
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৯ (সংশোধিত: শুভশ্রীর জুতোর তলায় জিভের অভ্যর্থনা)
মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ আমাদের ডিপার্টমেন্টের সেই থমথমে অথচ উত্তেজনাকর পরিবেশটা আরও এক মাত্রা বেড়ে গেল। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সাড়ে বারোটা। করিডোরে জুনিয়র স্টাফদের ফিসফিসানি আর পায়ের শব্দ থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে কে যেন নতুন জয়েন করতে আসছে।
আমাদের কেবিনের দরজাটা হালকা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করল এক চঞ্চলা, ফর্সা ও দারুণ দেখতে তরুণী—দিশার নিজের ছোট বোন, শুভশ্রী।
আজকেই শুভশ্রীর কলেজে পড়া শেষ করে কর্পোরেট দুনিয়ায় প্রথম দিন। ওর পরনে একটা সুন্দর নীল রঙের ফরমাল টপ আর জিন্স, পায়ে একজোড়া চকচকে সাদা স্নিকার্স। দিশা আর পৌলমী আগেই ওদের চেয়ারে পা তুলে বসে ছিল। শুভশ্রীকে রুমে ঢুকতে দেখেই দুই রানীর মুখেই এক চতুর ও বিজয়ের হাসি ফুটে উঠল।
শুভশ্রী ঘরে ঢুকেই একটু লাজুক অথচ আত্মবিশ্বাসী গলায় বলল, "হাই দিদি! হাই পৌলমী দি! আমি তো এসে গেছি।"
দিশা নিজের এক্সিকিউটিভ চেয়ার থেকে সামান্য ঝুঁকে হাসিমুখে বলল, "আরে আয় আয় শুভশ্রী! তোকেই আমরা ওয়েলকাম করার জন্য ওয়েট করছিলাম। বোস, কেমন লাগছে তোর প্রথম অফিস?"
শুভশ্রী সোফায় নিজের হ্যান্ডব্যাগটা রেখে একটু চারপাশটা দেখে নিয়ে বলল, "বেশ ভালোই তো! আর এই যে ইনি কে? ইনিই কি সেই কোম্পানির সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার অনিদা স্যার?"
শুভশ্রী যখন ব্যঙ্গাত্মক গলায় "স্যার" কথাটা উচ্চারণ করল, তখন আমার বুকটা কেমন যেন কেঁপে উঠল। কারণ, সে তখনো পুরোপুরি জানত না যে এই কেবিনের ভেতরে সেই "স্যার" পদের আসল অবস্হা কী!
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা টেবিলের ওপর থেকে নামাতে নামাতে মুচকি হেসে বলল, "স্যার আবার কী রে শুভশ্রী! উনি হলেন আমাদের এই কেবিনের এক্সক্লুসিভ পার্সোনাল প্রিজন-স্লুভ বা কমন গোলাম। আজ থেকে তুইও তো আমাদের এই টিমের পার্ট, তাই এই গোলামের ওপর তোরও পুরো অধিকার থাকবে!"
শুভশ্রী চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হয়ে বলল, "ওমা! তাই নাকি? কোম্পানির এত বড় সিনিয়ার অফিসার আমাদের কমন গোলাম?"
আমি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে, আমার সমস্ত সিনিয়রিটি বা ডেপুটি ম্যানেজার পদের গাম্ভীর্য দরজার বাইরে ফেলে এসে সোজা সেই মার্বেল ফ্লোরে দিশা, পৌলমী আর শুভশ্রীর ঠিক মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
আমি হাত জোড় করে বিনীত গলায় বললাম, "ওয়েলকাম টু দ্য অফিস, শুভশ্রী ম্যাডাম!"
আমার কথা শেষ হতে না হতেই শুভশ্রী খিলখিল করে হেসে উঠল। তারপর একটু বাঁকা ও অহংকারী সুরে তুই-তুকারি করে বলে উঠল, "আরে! কেবল মুখে ওয়েলকাম জানিয়ে পায়ে চুমু খেলে আমার কী লাভ হলো, রে কুকুরের বাচ্চা? এতে তো আমার জুতোও পরিষ্কার হলো না, আর আমার পায়ের তলাতেও কোনো কুতকুতি বা আরাম লাগল না! তুই যদি জুতায় আর পায়ে শুধু চুমু না দিয়ে তোর জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতিস, তবেই না আমার জুতোও চকচক করত আর আমার পায়ে সুড়সুড়ি লেগে দারুণ আরামও পেতাম!"
শুভশ্রীর এই কথা শুনে দিশা আর পৌলমী দুজনেই উচ্চস্বরে হেসে উঠল। দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারটা আমার চোখের সামনে আরও একটু এগিয়ে দিয়ে বলল, "একদম ঠিক বলেছিস শুভশ্রী! নতুন রানি হয়েই তুই তো একদম আসল ফেমডম রুল ধরে ফেলেছিস! শোন অনিদা, ম্যাডামের জুতোর তলায় শুধু চুমু দিলে হবে না, জিভ দিয়ে চেটে সাফ করতে হবে!"
আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ না করে সোজা শুভশ্রীর সেই নতুন সাদা স্নিকারের সামনে উপুড় হয়ে গেলাম। আমার মুখ থেকে জিভ বের করে আমি শুভশ্রীর স্নিকারের তলাটা সজোরে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম।
শুভশ্রী আমার জিভের ছোঁয়ায় পায়ের তলায় সুড়সুড়ি পেয়ে খিলখিল করে হেসে উঠে বলল, "ইসস! বেশ কুতকুতি হচ্ছে তো! এই তো ঠিক আছে! আজ থেকে তুই হচ্ছিস আমাদের সবার কমন পোষা কুকুরের বাচ্চা—যে আমাদের জুতো চাটার মাধ্যমেই আমাদের ওয়েলকাম করবে!"
বাইরের দুনিয়ার কাছে আমি তখনো কোম্পানির এক অত্যন্ত সম্মানিত সিনিয়র অফিসার, কিন্তু সেই কেবিনের চার দেওয়ালের ভেতরে আমি হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম দিশা, পৌলমী আর নতুন রানি শুভশ্রীর পদতলে চিরকালের মতো সঁপে দেওয়া এক পরাধীন ও অনুগত পোষা গোলাম!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ১০ (শুভশ্রীর জুতোয় কুতকুতি ও নতুন রানীর প্রথম হুকুম)
শুভশ্রীর সেই তীব্র ও ডমিনেন্ট কথায় আমার কর্পোরেট ইজ্জতের শেষ বিন্দুটুকুও চিরকালের জন্য ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। "কুকুরের বাচ্চা" সম্বোধন শোনার পরও আমার মধ্যে কোনো ক্ষোভ বা প্রতিবাদ কাজ করেনি; বরং একজন সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হয়ে নতুন রানি শুভশ্রীর পায়ের তলায় জিভ দিয়ে জুতো চাটার মধ্যে আমি এক চরম ও অসুস্থ পরাধীনতার সুখ খুঁজে পাচ্ছিলাম।
শুভশ্রী নিজের সাদা স্নিকার পরা পা টা আমার মুখের সামনে আরও একটু চেপে ধরে খিলখিল করে হাসতে লাগল। আমার ভেজা জিভের ছোঁয়ায় ওর পায়ের তলায় দারুণ সুড়সুড়ি বা কুতকুতি লাগছিল, আর সেই অনুভূতিটাই ওকে আরও বেশি আনন্দ দিচ্ছিল।
শুভশ্রী নিজের পা টা সামান্য নাচিয়ে দুষ্টুমিভরা গলায় বলল, "ইসস, কুতকুতিটা বেশ লাগছে তো! এই তো একদম পারফেক্ট সার্ভিস! শোন অনিদা, তুই তো এখন থেকে আমাদের সবার কমন পোষা কুকুরের বাচ্চা। তা প্রথম দিন অফিসে জয়েন করেই আমার কিছু অফিশিয়াল কাজের দরকার আছে না?"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারের তলা থেকে আমার মাথাটা একটু তুলে ধরে বলল, "কী রে কুকুরের বাচ্চা? নতুন রানি প্রথম দিন অফিসে এসে তোকে কোনো কাজ করতে বললে তোকে তো নিমেষের মধ্যে সেটা করে দিতে হবে। বল, শুভশ্রীর কী কাজ বাকি আছে?"
শুভশ্রী নিজের ব্যাগ থেকে একটা ফাইল বের করে টেবিলের ওপর রেখে বলল, "আমার এই ফার্স্ট দিনের জয়েনিং রিপোর্ট আর ডিপার্টমেন্টাল সেটআপের ফাইলটা এখনো সেনগুপ্ত স্যারের সিগনেচারের জন্য বাকি আছে। তুই এক কাজ কর—এই ফাইলটা নিয়ে সোজা সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনে যা। আর যাওয়ার সময় আমার এই জুতো দুটো ভালো করে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে যা, যাতে স্যারের কেবিনে যাওয়ার আগে আমার জুতোর সুবাস তোর জিভে লেগে থাকে!"
পৌলমী সোফায় পা তুলে বসে হাসতে হাসতে যোগ করল, "দারুণ আইডিয়া! সেনগুপ্ত স্যারের সামনে আমাদের এই পোষা কুকুরের বাচ্চা ফাইল নিয়ে হাজির হবে, আর স্যারের কি সাধ্য আছে যে সে বুঝতে পারবে ওই অফিসারের মুখ থেকে আমাদের জুতো আর থুথুর গন্ধ বের হচ্ছে!"
আমার বুকটা ভয়ে আর উত্তেজনায় কাঁপতে লাগল। সেনগুপ্ত স্যার একটু কড়া স্বভাবের মানুষ, তিনি যদি বুঝতে পারেন যে আমি জুনিয়র মেয়েদের জুতো চেটে তাঁর সামনে দাঁড়াচ্ছি, তাহলে আস্ত কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। কিন্তু রানীদের হুকুম অমান্য করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
আমি তৎক্ষণাৎ শুভশ্রীর সেই সাদা স্নিকারের তলাটা আরও একবার আমার জিভ দিয়ে খুব ভালো করে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম। শুভশ্রী পায়ের তলায় সুড়সুড়ি পেয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল।
আমি শুভশ্রীর সেই সাইনিং ফাইলটা হাতে তুলে নিয়ে বিনীত গলায় বললাম, "আপনার ফাইল আমি এখনই সেনগুপ্ত স্যারের কাছ থেকে সই করিয়ে নিয়ে আসছি, শুভশ্রী ম্যাডাম।"
দরজা খুলে যখন আমি সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনের দিকে এগোচ্ছিলাম, তখন আমার মুখের ভেতর রানীদের জুতো চাটার সেই অদ্ভুত স্বাদ লেগে ছিল। বাইরে সবাই আমাকে কোম্পানির সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত অফিসার ভাবছিল, অথচ ভেতরে ভেতরে আমি ছিলাম সেই তিন রানীর এক অনুগত ও পদানত পোষা কুকুরের বাচ্চা!
Thursday, 1 October 2026
দিশা ২..
দিশা, পার্ট ২..
আমি প্রায় ছুটে ১ মিনিটের মধ্যে পৌলমীর কেবিনে পৌছালাম।পৌলমীর টিমে এখন মোট চার জন মেম্বার,পৌলমী আর দিশা ছাড়া রিপন ও মলয় নামে দুজন ছেলে আছে। পৌলমী আর দিশা একই কেবিনে বসে, এখন দিশা না থাকায় পৌলমী কেবিনে একাই ছিল।
আমি রুমে নক করে " may i come in please" বলতেই পৌলমী হেসে বলল " এসো অনিদা। তুমি এমনভাবে পারমিশান চাইছ যেন আমি তোমার সিনিয়ার আর তুমি দিশার মত সদ্য জয়েন করা জুনিয়ার!"
আমি বললাম " আসলে.. আমি না বুঝে দিশাকে অন্য কাজে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন ওর পেন্ডিং কাজ করতে এসেছি, ওর রিপ্লেসমেন্টে। তাই টেকনিকালি আমি সিনিয়ার ম্যাডামকেই রিপোর্ট করছি!"
পৌলমী হাসি চাপা দিয়ে বলে তোমার মাথা খারাপ আছে অনিদা। সদ্য জয়েন করা দিশা একদিনও আমাকে আপনি বা ম্যডাম বলেনি, সোজা দিদি আর তুমিতে চলে গেছে। আর তুমি এত সিনিয়ার হয়ে এরকম বিহেভ করছ। যাই হোক, আমি তোমার মত না, সিনিয়ার জুনিয়ার কেউই আমাকে ম্যাডাম বললে আমার খারাপ লাগে না "(পৌলমী জয়েন করার পরে প্রথম দিকে আমাকে আপনি আর স্যার করেই বলত। আমিই ওকে রিকোয়েস্ট করে অনিদা আর তুমিতে নামিয়েছিলাম)।
"কি রিপোর্ট বাকি আছে প্লিজ একটু দেখিয়ে দেবে?"
পৌলমী গলায় কৌতুক ফুটিয়ে বলল " কই, তুমি না নতুন জয়েন করা ফ্রেশারের রিপ্লেসমেন্ট। আমাকে আপনি আর ম্যাডাম করে বলবে বললে যে!"
পৌলমীর বয়স এই ২৪-২৫ হবে,, গায়ের রঙ মাঝারী হলেও বেশ সুন্দরী। মজা করে করলেও ওর এই ডমিনেশান আমার বেশ ভাল লাগল। আমি বললাম " সরি ম্যাডাম। কি প্রজেক্ট বাকি আছে প্লিজ যদি আমাকে একটু বলে দেন kindly তাহলে খুব ভাল হয়।"
পৌলমী relaxed গলায় বলল " chill. যা কাজ বাকি আছে সেটা করতে দিশার ২ ঘন্টা লাগলেও তোমার ২০-২৫ মিনিটের বেশি লাগবে না।" - এই বলে পৌলমী desktop খুলে আমাকে ফাইল টা দেখিয়ে কি করতে হবে বলে দিল।
আমি পাশের টেবিলে দিশার desktop open করতে গিয়ে দেখি password দেওয়া। দিশাকে ফোন করলাম password এর জন্য, কিন্তু সে ফোন তুলল না। whatsapp এও password চেয়ে মেসেজ করলাম, কিন্তু সেটা ও seen ও করল না, রিপ্লাই দেওয়া তো দূর।
কয়েকটা কেবিন পরেই আমার রুম। আমি তাই নিজের রুমে এসে নিজের laptop টা নিয়ে পৌলমীর রুমে ফিরে এলাম। পৌলমী আমাকে laptop আনতে দেখে বলল " কি ব্যাপার, অনিদা? laptop নিয়ে এলে কেন দিশার desktop থেকে না করে?"
তারপরেই কিছু একটা ভেবে ও বলে উঠল " ওহ, দিশা তো এমনভাবে নিজের office desktop এ password দিয়ে রাখে যেন এটা ওর personal belonging. আজ ও ফিরুক, আমার কাছে খুব ঝাড় খাবে।"
আমি ততক্ষনে অফিসের মেঝেতেই বসে পরেছিলাম ল্যাপটপ নিয়ে, কারণ দিশার চেয়ারে ওর ব্যাগ ও বিভিন্ন জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা। আমি সেই অবস্থায় হাত বাড়িয়ে পৌলমীর জুতো পরা পা দুটোর উপরে হাত রেখে বললাম " আমার কোন অসুবিধা হয়নি পৌলমী। প্লিজ, এর জন্য ওকে বকো না। না বুঝে আর ওর pending কাজ না শুনে ওকে অন্য কাজ দেওয়াটা আমারই ভুল হয়েছে। এই নিয়ে বেশি ঝামেলা হলে আমার বিরুদ্ধেই কম্পলেন যাবে। প্লিজ, আমার অনুরোধ টা একটু রেখো। প্লিজ।"
আমি আশা করেছিলাম পৌলমী পা সরিয়ে নেবে। তা না করে মুচকি হেসে বলল, " কাজ শেষ না হওয়া অবধি আমাকে ম্যাডাম করে বলবে বলেছিলে আর আমি তোমাকে জুনিয়ার ফ্রেশারের মত ট্রিট করব কথা ছিল যে?"
" সরি ম্যাম" - এই বলে আমি হালকা করে ওর দুই জুতো পরা পায়ে হাত রেখে সেই হাত কপালে ছোয়ালাম। জুতো পরা পায়ে মাথা রাখার ইচ্ছা হলেও সাহস হল না।
" আচ্ছা, সত্যি করে বল তো, দিশাকে তুই সত্যি কোন কাজ দিয়েছিস, নাকি ও তোকে ভুল বুঝিয়ে কোথাও বসে relax করছে? দিশার যা স্বভাব, আর তুই যেরকম push over, তাতে সেটাই হয়েছে মনে হচ্ছে।"
পৌলমীকে সরাসরি মিথ্যা বলতে ইচ্ছা করল না। আমি বললাম " ম্যাম, কাজটা আগে সেরে নিয়ে কথা বলি প্লিজ! ৩ টের মধ্যে শেষ করতে হবে তো কাজটা।"
" সে ৩ টের মধ্যে কাজ শেষ নাহলে তুই ঝাড় খাবি, আমার কি?" এই বলে হেসে পৌলমী বলল " কাজ শেষ হলেই তো তুই আবার ফ্রেশার থেকে আমার সিনিয়ার হয়ে যাবি। এত সিনিয়ার একজন আমাকে ম্যাডাম আর আপনি করে বলছে, পায়ের কাছে বসে কাজ করছে, পা ধরে ক্ষমা চাইছে এরকম অভিজ্ঞতা জীবনে একবারই হয়, তাও ভাগ্য ভাল হলে!"
" আপনি যদি চান আমি সবসময় আপনাকে এভাবেই রেস্পেক্ট করব ম্যাডাম।" আমি বলি।
পৌলমী কয়েক সেকেন্ড ভেবে বলল, " নাহ, থাক। সেটা ভাল দেখায় না। তবে আমি কথা দিলাম তোকে, তুই কাজটা ঠিক সময়ে শেষ করে দিলে দিশাকে আমি বকবো না।"
" thank you madam" বলে আমি কাজে মন দিলাম।
Report টা submit করে laptop e দেখি ২.৩২ বাজে। আমি আস্তে করে পৌলমীকে ডাকলাম, " ম্যাম, কাজ শেষ।" কিন্তু ও উত্তর না দিল না।
আমি দুবার পরপর ডেকেও সারা না পেয়ে ওর কালো স্নিকার্সের উপর হাত দিয়ে " ম্যাডাম!" বলে ডাকতেই দেখি পৌলমী ডেস্কে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে!
আমি বুঝতে পারলাম আমার সাবমিসিভ স্বভাবের জন্য ও এতই রিল্যাক্সড ফিল করেছে যে আমার সামনেই ডেস্কে মাথা রেখে শোওয়ার আগে একবারও ভাবেনি, বিশেষ করে যখন আমি সিনিয়ার হয়ে ওদের টিমের কাজ করে দিচ্ছি আর ও কিছুই করছে না। অধিকাংশ সিনিয়ারই এরকম ক্ষেত্রে খুব রেগে যেত বা কম্পলেন করে বসত। আমি এর উলটো রিএকশান দিলাম।
আমি নিজের মাথাটা ওর জুতো পরা পায়ের উপরে রেখে হালকা করে ঘসতে ঘসতে বারবার ওকে " ম্যাডাম" বলে ডাকতে লাগলাম। ফোন হালকা ভাইব্রেট হতে বুঝলাম whats app e massage ঢুকেছে, কিন্তু সেই মুহুর্তে এই দারুন মুহুর্ত ছেড়ে massage check করতে ইচ্ছা করল না।
এক মিনিট পরেও ওর ঘুম ভাঙল না। আমি সাহস করে ওর জুতোর উপরে হালকা হালকা চুম্বন করতে লাগলাম, তবু ও উঠল না। আমি বুঝলাম দুপুরে ভাত খেয়ে অনেকেরই ঘুম পায়, আর সেরকম কোন কাজ না থাকায় হালকা ১-২ মিনিট রেস্ট করবে ভেবে ও অজান্তেই ঘুমিয়ে পরেছে। নাহলে পৌলমী খুব কাজের না হলেও average employee এর মত responsibility ওর আছে, ও দিশার মত নয়।
কিন্তু এই ঘটনা আমার ভালই লাগল। আমি ওর জুতো পরা পা দুটো হাতের তালুতে তুলে নিয়ে ওর জুতোর উপরে হাল্কা করে চুম্বন করে ওকে মৃদুস্বরে ডাকতে লাগলাম। আমি চাইছিলাম এই ঘটনা যতটা সম্ভব সময় ধরে হোক, আমার এতই ভাল লাগছিল।
একেই পৌলমী নিজেই রিপোর্ট কম্পলিট না হওয়া পর্যন্ত আমার সিনিয়ার ম্যাডাম হওয়ার রোল প্লে করা শুরু করেছিল মজা করে, তার উপরে আমি যখন কাজ করছি তখন ও দিব্বি টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরেছে। তাই ওর রিএকশান যাই হোক, ও কোন কম্পলেন করবে না আমি নিশ্চিত ছিলাম!
আমার দুই হাতের তালুতে পৌলমীর জুতো পরা পা দুটো রাখা। আমি ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপরে মাথা রেখে শাস্টাঙ্গে উপুড় হয়ে মেঝেতে শুয়ে ওর দুই জুতোর উপরে হালকা চুম্বন করতে করতে ওকে খুব মৃদু স্বরে " ম্যাডাম" বলে ডাকছি, কিন্তু মনে মনে চাইছি পৌলমী আরো কয়েক মিনিট ঘুমাক। আরো কয়েক মিনিট স্থায়ী হোক এই অসাধারণ মুহুর্ত।
যদিও আমি জানি এই কাজে কতটা রিস্ক। পৌলমীর ঘুম ভেঙে গেলে ও অবাক হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু, ওর রিএকশানের বেশি বড় সমস্যা কিছু হবে না। কিন্তু যদি এই মুহুর্তে হঠাত রুমের দরজা দিয়ে কেউ ঢোকে? আমি যে পৌলমীর জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে শুয়ে সেটা হঠাত কেউ রুমের দরজা ঠেলে ঢোকা মাত্র তার চোখে পরবে। কিন্তু অন্যের কেবিনে নক না করে কেউ সাধারণত ঢোকে না, মেয়েদের কেবিন হলে তো একদমই না। এটাই যা ভরসা। নাহলে এই অবস্থায় আমাকে কেউ দেখলে আমার কি ভবিষ্যত ঈশ্বরই জানেন!
আমি বোধহয় এইভাবে পৌলমীর জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে ওর জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে প্রায় ৩-৪ মিনিট কাটিয়ে দিয়েছিলাম। পৌলমী তখনো একইভাবে ঘুমাচ্ছে আর আমি ওর প্রতি আমার ভক্তি দেখিয়ে চলেছি ওর দুই জুতো পরা পা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে।
তখন হঠাতই ঘটল সেই ঘটনা। না, রুমে কেউ নক করল না। বরং হঠাত রুমের দরজা খুলে গেল। আমি তাকিয়ে দেখি দিশা- কিছুটা অবাক চোখে আমার আর পৌলমীর দিকে তাকিয়ে গলায় কিছুটা বিষ্ময় ফুটিয়ে বলল " what the f**k! হচ্ছেটা কি এখানে?"
আমি দিশাকে explain করার চেষ্টা করতে গেলাম, কিন্তু আমি এতটা ঘাবড়ে ছিলাম যে কি বলব বুঝতে পারলাম না। যদিও আমি এক ঘন্টা আগেই দিশাকে যেভাবে ট্রিট করেছি তাতে ওর অন্তত আমাকে এই পজিশানে দেখে এত অবাক হওয়ার কিছু নেই। ওদিকে দেখি পৌলমী আড়মোড়া দিয়ে ঘুম থেকে উঠে দিশা আর আমার দিকে তাকাচ্ছে। আমি তখন উঠে মেঝেতে বসেছি, আমার হাত দুটো পৌলমীর জুতোর তলা থেকে বার করলেও ওর জুতোর উপরেই হালকা করে রাখা।
দিশা বলল, " অনিদা, তোমার দেওয়া কাজ শেষ করে মোবাইল খুলে দেখি তুমি আমার desktop এর password চেয়েছ, আমি immediate reply করতেও দেখি massage not seen. আমার report জমা দেওয়ার deadline 3pm, তাই আমি immediate আমার কেবিনে ফিরে এসে দেখি তুমি কাজ না করে, আমার মেসেজ সিন না করে পৌলমীদির পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছ। কেস কি?"
পৌলমী তখনো বুঝতে পারছিল না ঠিক কি হয়েছে। একবার দিশার দিকে তাকিয়ে বলল, " কি হয়েছে?" - যদিও ওর বোঝার কথা ওর সিনিয়ার অনিদার ওর পায়ের কাছে ওর জুতো পরা পায়ে হাত রেখে বসে থাকা অস্বাভাবিক ( ওর জুতোয় চুমু খাওয়া অবস্থায় ও আমাকে দেখেনি, তখন ও ঘুমাচ্ছিল)।
তারপরেই ও আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল " রিপোর্ট রেডি অনি?"
আমি রিপ্লাই দিলাম " হ্যাঁ, পৌলমী ম্যাডাম।"
দিশা ততক্ষনে ওর চেয়ারের জিনিস নিজের টেবিলে তুলে দিয়ে চেয়ারে বসে পরেছে। আমাদের দুজনের দিকেই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভুরু নাচিয়ে দিশা বলল " অনি আর পৌলমী ম্যাডাম! role reversal! Whats going on guys!"
পৌলমী বলল " অনিদা তো নিজের কাজ করছিল না, তোর মানে একজন ফ্রেশার্সের রিপ্লেসমেন্টে এসেছিল। তাই আমি ওকে সেভাবেই ট্রিট করছিলাম যেভাবে একজন ফ্রেশারকে আমার মত সিমিয়ার কারো করার কথা - till that work is done। আর অনিদাও সেই জন্য আমাকে madam বলেই reply করছিল। "
" I see! micro dose of power trip! Let me also check it, how does it feel!" এই বলে আমার ঠিক পিছনে নিজের revolving chair এ বসা দিশা হাসিমুখে পৌলমীর সামনেই ওর কালোর উপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার পরা পা দুটো আমার দুই কাঁধে তুলে দিয়ে বলল " যদিও আমি জানি, এটা কিছুই না in comparison of how he was treating you- kissing your shoes to get your attention while you were taking a nap!"
আমি দুহাতে দিশার জুতো পরা পা দুটো ধরে ঘুরে বসে নিজেই ওর জুতো পরা পা দুটো আবার নিজের দুই কাঁধে রেখে ওর দুই জুতোর উপরে একবার করে গাঢ় চুম্বন করে বললাম " i am sorry দিশা। আসলে আমি রিপোর্ট কম্পলিট করলেও তোমার টিমের কাউকে সেটা ভেরিফাই করে final upload করতে হবে। পৌলমী একটু ন্যাপ নিচ্ছিল, তুমিও অন্য কাজে বিজি। আমি বুঝতে পারছিলাম না আর কিভাবে ওকে ডাকব। তাছাড়া আমি যেহেতু ফ্রেশার্সের রোল প্লে করছিলাম তাই এই কাজে আমার সিনিয়ার পৌলমীর পা জড়িয়ে ধরে ডাকা আমার নর্মাল মনে হয়েছিল। if any of you mind, i am really sorry, আর কখনো এরকম হবে না।"
পৌলমী আমার কথার মাঝেই report verify করা শুরু করেছিল। final upload করে অদ্ভুত একটা হাসি হেসে ও বলল " কাজ ফেলে দিশা এতক্ষন ফাঁকি মেরে এল, আমিও কাজ ছেড়ে হাল্কা nap নিতে গিয়ে পুরো ঘুমিয়ে পরলাম, আর সরি বলছিস তুই! অদ্ভুত ছেলে তুই অনি! anyway, রিপোর্ট শেষ, এখন থেকে তুমি আবার অনিদা!"
দিশা মুচকি হেসে বলল " দেখো পৌলমীদি, তুমি শুধু আমাকে বলো, কিন্তু তুমিও কাজে ফাঁকি দাও।"
তারপর আমার মুখে জুতো পরা ডান পায়ে একটা হাল্কা লাথি মেরে বলল, " আর আমি আর তুমি ওকে অনি আর তুই করে বললেই ও বোধহয় বেশি comfortable feel করে, তাই না রে অনি?"
আমি আমার মুখে লাথি মারা দিশার ডান জুতোর তলায় একটা deep kiss করে বললাম " হ্যাঁ, disha madam!"
Monday, 21 September 2026
রিপা
রিপা ( written by Guest Writer)
এক উত্তাল রাতে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে ধেয়ে চলছিল এক অভিশপ্ত জাহাজ। ভালো কাজের লোভ দেখিয়ে মধ্যবয়সী সনাতনী নারী রিপা দাস এবং তাঁর সতেরো বছরের কন্যা সঞ্জিতাকে অপহরণ করে বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিল কুখ্যাত মানব পাচারকারী জাওয়াদ ও তার দুই সশস্ত্র সঙ্গী—কাশেম ও রতন।
জাহাজের স্যাঁতসেঁতে স্টোররুমে মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিলেন মা-মেয়ে। কিন্তু রিপা দাসের চোখে ভয়ের বদলে জ্বলছিল আক্রোশের অনির্বাণ আগুন। সনাতন ধর্মে নারী কেবল সহনশীলতার রূপ নয়; অন্যায়ের বিরুদ্ধে সে সাক্ষাৎ মহাকালী। স্টোররুমের জং ধরা এক শিকলে ঘষে নিজের চামড়া ছিলে রক্তের বিনিময়ে বাঁধন মুক্ত হলেন রিপা দাস, মুক্ত করলেন মেয়েকেও। আজ পালানো নয়, তাঁদের লক্ষ্য ছিল অসুর সংহার।
মেয়ে সঞ্জিতাকে আড়ালে রেখে রিপা দাস জং ধরা লোহার রড হাতে দাঁড়ালেন। প্রথম পাচারকারী কাশেম ভেতরে ঢোকা মাত্রই রিপা তার গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ধরেন, আর সঞ্জিতা তার হাত থেকে খঞ্জর কেড়ে নিয়ে পেটে বসিয়ে দেয়। রক্তে ভেসে যায় মেঝের কাঠ। দ্বিতীয় পাচারকারী রতন খোঁজ নিতে এলে সঞ্জিতা লোহার রড দিয়ে তার পায়ের রগে আঘাত করে এবং রিপা দাস খঞ্জর দিয়ে তার শ্বাসনালী ছিঁড়ে ফেলেন।
রতনের কঙ্কালসার বীভৎস লাশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা রক্তাক্ত সঞ্জিতাকে দেখে রিপা দাস স্তব্ধ হয়ে যান। পরম মমতায় মেয়ের হাত ধরে তিনি বলেন, "লজ্জা পাচ্ছিস কেন মা? তুই তো পাপের বুক চিরে দাঁড়িয়েছিস, এ তো তোর সাক্ষাৎ রণচণ্ডীর রূপ!"
এবার মূল কালসাপ জাওয়াদকে বধ করার পালা। সঞ্জিতা লোহার রড দিয়ে জেনারেটরের প্যানেল পিটিয়ে নষ্ট করে দিলে পুরো জাহাজে জমাট অন্ধকার নেমে আসে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পিস্তল ও টর্চ নিয়ে করিডোরে বেরিয়ে আসে জাওয়াদ। কিন্তু অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পেছন থেকে সঞ্জিতা রড দিয়ে আঘাত করে তার হাতের পিস্তল ফেলে দেয়। সামনে থেকে রিপা দাস রামদার উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে জাওয়াদের দুই হাঁটু ভেঙে দেন। এরপর জাওয়াদকে দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেন মা-মেয়ে।
একসময়ের প্রতাপশালী জাওয়াদ রক্তে ভেসে মা-মেয়ের পায়ে পড়ে প্রাণের আকুতি জানায়, কোটি টাকার লোভ দেখায়। সঞ্জিতা তার গালে লাথি কষে বলে, "তুই ভেবেছিলিস আমরা অবলা? আজ তোর সব পাপের হিসাব এই সমুদ্রের বুকেই হবে!"
রিপা দাস জাওয়াদের চুলের মুঠি ধরে মাথা উঁচিয়ে গর্জে ওঠেন, "নারীর সম্মান বিক্রি করা টাকায় তোর জীবন বাঁচবে না জাওয়াদ! তোদের মতো নরপশুদের জন্য কোনো দয়া থাকে না—থাকে কেবল মহাকালের সংহার!"
সঞ্জিতা জাওয়াদের পা শক্ত করে চেপে ধরে। রিপা দাস জাওয়াদের গলায় রামদা বসিয়ে বিকট শব্দে চিৎকার করে ওঠেন—"জয় মা কালী!" রামদার সজোড় কোপে কেটে ফাঁক হয়ে যায় জাওয়াদের গলা। কয়েক সেকেন্ড ছটফট করে রক্তগঙ্গায় নিথর হয়ে পড়ে থাকে নরপশুর দেহ।
সংহার শেষে জাওয়াদের তরতাজা রক্তে আঙুল ডুবিয়ে সঞ্জিতার কপালে রক্তিম বিজয় তিলক এঁকে দেন রিপা দাস। পরম দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, "নারী যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র তোলে, সে আর কারও দয়ার পাত্রী থাকে না—সে সাক্ষাৎ মহাকালী।"
রাতের অন্ধকার ভেদ করে পূর্ব আকাশে উদয় হয় এক রক্তিম দীপ্তিময় সূর্য। সমুদ্রের বুকে ফুটে ওঠে সনাতনী নারীশক্তির এক অমর ও বিজয়ী প্রতীক।
Tuesday, 1 September 2026
ধানগড়
ধানগড়!!
পরপর ৩ টে গাড়ি এসে ধানগড়ে ঢোকার রাস্তার মুখে এসে দাঁড়াতে মাঝের গাড়ি থেকে জুহি যা দেখল তার জন্য সে প্রস্তুত ছিল না।
জুহি একজন অভিনেত্রী। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই সে বহু সিনেমায় কাজ করে ফেলেছে। অন্য নায়িকাদের মত হিরোদের সাথে নাচা-গানা-প্রেম করার মত সিনেমা সে কমই করেছে। সে মূলত অভিনয় করেছে super-women বা কোন দেবীর চরিত্রে। অথবা দাপুটে পুলিশের ভুমিকায়। বাংলায় সে অন্যতম বিখ্যাত নায়িকা। সে আগেও শুনেছিল ধানগড়ে তার অসম্ভব জনপ্রিয়তা। তাই বলে এইভাবে হঠাত যে ধানগড় থেকে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব পাবে সে, তাও আবার rulling party এর কাছ থেকে, সেটা সে আশা করে নি।
এলাকার হাল খারাপ সে আগেও শুনেছিল। আসার সময়ে দেখতে পেয়েছে কতটা খারাপ অবস্থা। ধানগড় বিধানসভা রাজধানী থেকে প্রায় ১৫০ কিমি দূরে। রাস্তার অবস্থা সব জায়গায় বেহাল হলেও ধানগড় বিধানসভায় ঢোকার পর থেকেই সে দেখতে পাচ্ছে রাস্তা প্রায় চষা মাঠ হয়ে গেছে। এলাকার সবচেয়ে বড় ও জনবহুল গ্রাম ধানগড়ে ঢোকার আগে এই এলাকার যে কটা সরকারী স্কুল-অফিস-হাসপাতাল সে দেখেছে সব গুলোরই বেহাল দশা। সে বুঝতে পারছে তার জনপ্রিয়তায় ভর করে এই ব্যার্থতা ঢেকে ভোটে জিততে চাইছে শাসক দল।
ভোটে যেতার জন্য বাকি নেতারা যে অভিনয় করে সেসব তার দ্বারা হবে না সে প্রথম দিনই পরিষ্কার করে দিয়েছিল। ছোট থেকে সে বড় হয়েছে privileged & entitled ভাবে, পরিবার ও পাড়া প্রতিবেশির কাছে princess treatment পেয়ে। সেই জন্যই রোমান্টিক সিনেমার নায়িকা হয়ে ন্যাকামো করাও তার তেমন সহ্য হয় না। সে এমন রোলই করে এসেছে যেখানে পৃথিবী তার কথায় চলে।
তার P.A. ইশা খোজ নিয়ে তাকে বলেছিল এই এলাকায় তার জনপ্রিয়তা প্রায় ভগবানের মত, সে ভোটে দাড়ালেই জিতবে। অন্য নেতাদের মত নাটক করা, হাতজোড় করে "আমাকে আপনাদের সেবা করতে দিন" বলে অনুরোধ করার কোন দরকার নেই। তার সাধারণ মানুষের সাথে হাত মেলাতে ঘেন্না লাগে, তাতেও কোন সমস্যা নেই। শুধু সাধারণ মানুষ ভক্তিভরে তার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকালে সেটা স্বাভাবিক ভাবে নিলেই হল!
গাড়ি ধানগড় গ্রামে ঢোকার পরে জুহি বুঝল ইশা কথাটা কেন বলেছিল! গ্রামে ঢোকার রাস্তার দুপাশে কয়েকশো লোক রাস্তার ঠিক পাশে নতজানু হয়ে মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে তাকে প্রনাম করছে!
এই গ্রামে ঢুকে তার ছোট একটা সভা করার কথা। আর গ্রামের এক মন্দির দর্শন করা। সে অবশ্য আগেই বলে রেখেছিল তার মনে ভক্তি টক্তি কিছু নেই, মন্দিরে জুতো খুলে ঢুকে শাস্টাঙ্গে প্রণাম করা এসব সে করতে পারবে না। ইশা তাকে আশ্বস্ত করেছিল তাকে এখানে কোন নাটক করতে হবে না।
গ্রামের রাস্তার দুদিকে অসংখ্য লোক রাস্তার দিকে নতজানু হয়ে তাকে এমন ভাবে প্রণাম করছে যেন সে ভগবান! দেখে তার অদ্ভুত এক ভাল লাগছিল। কিন্তু গ্রামে ঢোকার পরে ১ কিমি যেতে না যেতেই রাস্তার এত বেহাল দশা হল যে গাড়ি করে আর যাওয়া সম্ভব নয়। একে রাস্তা চষা মাঠ হয়ে আছে, তার উপরে রাস্তার পুরোটাই ৬ ইঞ্চি থেকে ১ ফুট জলের তলায়।
গাড়ি থামতে একজন লোকাল পার্টির লোক বিনীত কন্ঠে বলল " ম্যাডাম, এখান থেকে মন্দির আর সভার মাঠ ২ কিমি মত দূর হবে। আপনি চাইলে যেটুকু রাস্তা ভাল আছে তার উপর দিয়ে বাইক করে নিয়ে যাওয়া যায় আপনাদের। নাহলে পাশের গ্রামের একজনের ঘোড়া আছে। তার থেকে আপনার জন্য জোগাড় করে এনে দিতে পারি। কিন্তু অপেক্ষা করতে হবে এক ঘন্টা মত। আসলে আজ সকালে হঠাত খুব বৃষ্টি হওয়ায় জল জমে রাস্তা আরো খারাপ হয়ে গেছে। সরি ম্যাডাম।"
জুহি একটু ভেবে বলল " এর কোনটাই আমার ভাল লাগছে না। আমি ফিরে যেতাম, শুধু এই এলাকার লোক রাস্তার দুপাশে শাস্টাঙ্গে শুয়ে আমাকে যেভাবে প্রণাম করছে সেই জন্যই থাকতে ইচ্ছা করছে।"
ইশা পাশ থেকে বলল " জুহিদি,তুমি চাইলে এইটুকু হেঁটেও যেতে পারো। একজন তোমার মাথায় ছাতা ধরবে, একজন হাওয়া করবে পাশ থেকে। পথের দুপাশে লোকে শুয়ে তোমাকে প্রণাম করবে এভাবে। তোমার নিজেকে আগের আমলের রাণীর মত ফিল হবে। যেটা তোমার এটিচিউড আর ইমেজের পক্ষে একদম পার্ফেক্ট।"
জুহি কয়েক সেকেন্ড ভেবে বলল - " সেটা তুই ঠিক বলেছিস ইশা। কিন্তু এই জমা জলে পা ডুবিয়ে আমি যেতে পারব না, সেটা আমার ইমেজের সাথেও যায় না।"
পাশ থেকে পার্টির সেই লোকাল লোকটি সাথে সাথে বলল - " আপনাকে জমা জলে পা ফেলতে হবে কেন ম্যাডাম? আপনার এত অগুন্তি ভক্ত থাকতে? আমি এখুনি সব ব্যাবস্থা করে ফেলছি।!
১০ মিনিটের মধ্যে এক অদ্ভুত ব্যাবস্থা রেডি হয়ে গেল। শয়ে শয়ে লোক জমা জলে ভরা রাস্তার মধ্যে শুয়ে জুহির চলার জন্য human carpet তৈরি করে ফেলল। সে তাদের গায়ের উপর দিয়ে হাঁটবে আর পাশ থেকে জলের মধ্য দিয়ে একজন বিশাল বড় হাতপাখা নিয়ে তাকে হাওয়া করতে করতে যাবে। তার মাথার উপরে বিরাট এক ছাতা ধরবে একজন।
জুহির গাড়ির দরজা একজন খুলে ধরতে জুহি সোজা তার এক ভক্তের বুকের উপরে জুতো পরা পায়ে নেমে দাঁড়াল। পাশ থেকে একজন তাকে হাওয়া করছে, আরেকজন তার মাথায় ছাতা ধরেছে। দামী ব্রান্ডের কালো আর গোলাপী মেশানো স্নিকার্স পরা পায়ে ভক্তদের বুকের উপর দিয়ে ৭-৮ পা হেঁটে যাওয়ার সময়ে তার মনে হল সে কোন পুরাণের গল্পে রাণীর চরিত্রে অভিনয় করছে!
কিন্তু ইশাকে ছাড়া শুধু অচেনা লোকেদের সাথে এতটা সময় কাটাতে হবে সেটা তার ভাল লাগল না। সে পিছন ফিরে ইশাকে ডাকল। কিন্তু পুরো রাস্তা জলে ভরা। ইশা যাবে কি করে?
পার্টির সেই লোকাল লোক আবার পথ দেখাল। ইশাকে বলল -" ইশা ম্যাডাম! আপনিও জুহি ম্যডামের মত human carpet use করুন। আপনি ওদের chest এর উপর দিয়ে যান। জুহি ম্যাডাম ওদের মুখের উপর দিয়ে যাক। আপনাদের ঠিক পাশ থেকে একজন ছাতা ধরবে, আরেকজন হাওয়া করবে। আপনাদের কোন অসুবিধা হবে না।"
তাই হল। এতজন মানুষের বুকের উপর দিয়ে সাদা স্নিকার্স পরা পায়ে হেঁটে যেতে যেতে ইশার নিজেকে কিরকম দেবী দেবী ফিল হচ্ছিল! সে ভেবে পেল না লোকেদের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে হেঁটে ২ কিমি পথ যেতে জুহির কেমন লাগবে? আর পথ শেষে মন্দিরে গিয়ে জুহি যখন দেখবে এই গ্রামের মানুষ নায়িকা জুহিকে দেবী বানিয়ে গত কয়েক বছর ধরে তাকেই দেবী জ্ঞানে পুজো করছে তখন তার কেমন লাগবে!
জুহির মনে হচ্ছিল সে বুঝি স্বপ্ন দেখছে! নায়িকা হিসাবে মানুষের অতিরিক্ত সম্মান পেতে সে অভ্যস্ত। শুটিং প্লেসে তার পা জড়িয়ে ধরেছে কোন ভক্ত এরকম অন্তত একশোবার হয়েছে তার জীবনে। তাই বলে লোকের মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে হেঁটে ভোটের প্রচার করতে যাওয়া, যেন সে রাজ্যের রাণী বা স্বয়ং স্বর্গের দেবী- এই গণতন্ত্রের যুগে? যেখানে বাকি নেতারা সারা বছর কিছু না করলেও ভোটের সময়ে হাতজোর করে প্রচার করতে বাধ্য হয়?
নিজেকে সত্যিই very special মনে হচ্ছিল জুহির। সে একের পর এক পা ফেলে গ্রামের ভিতরে এগিয়ে যাচ্ছিল - তার প্রতিটা step ছাপ ফেলে দিচ্ছিল তার কোন এক অচেনা গ্রাম্য ভক্তের মুখে! পাশ থেকে একজন তার মাথায় ছাতা ধরেছিল, আরেকজন হাতপাখায় হাওয়া করে যাচ্ছিল। আর বহু লোক পাশ থেকে নতজানু হয়ে তাদের দিকে পুষ্প বৃষ্টি করতে করতে বলছিল - " হে দেবী, আমাদের আপনার সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ! আমাদের রাস্তা- স্কুল - হাসপাতাল- সরকারী সুবিধা কিচ্ছু লাগবে না। শুধু আপনার সেবক হয়ে আপনার সেবা করার সুযোগ দিন আমাদের। তাতেই আমরা খুশি!"
Saturday, 1 August 2026
জিয়া
( dramatised version of a train experience. Less femdom and more drama)..
আরেকটা ট্রেনের অভিজ্ঞতা। কিছুদিন আগে আবার কোলকাতার চক্ররেলে যাচ্ছিলাম। ট্রেনে উঠে দেখি বেশ ফাঁকা ট্রেন। দুই কমবয়সী সুন্দরী মেয়ে ট্রেনের জানালার ধারের দুই সিটে মুখোমুখি বসে গল্প করছে। বয়স ১৮-১৯ এর মধ্যেই। আমি তাদের একজনের পাশের সিটে এসে বসলাম। উল্টোদিকে জানালার ধারে শুধু এক বয়স্ক লোক বসে। বাকি আর কেউ নেই।
মেয়ে দুজন হকারের থেকে পাপড়ভাজা কিনে খাচ্ছিল। একটু পরে একটা মেয়ে অন্যজনকে বাই বলে ট্রেনের দরজার দিকে এগিয়ে গেল তার হাতের পাপড়ভাজার প্যাকেটের খালি প্লাস্টিকটা ট্রেনের মেঝেতে ফেলে দিয়ে।
উল্টোদিকের বয়স্ক লোকটা ভুরু কুঁচকে দেখল। তারপর অধিকাংশ বয়স্কলোকের স্বভাবমত জ্ঞান দিতে এল " এভাবে ট্রেনের কামড়া নোংরা করছ কেন? সিভিক সেন্স নেই যে এভাবে ট্রেন নোংরা করতে নেই? ওটা তুলে বাইরে ফেল।"
ভালভাবে বললে মেয়েটা কি করত জানি না। কিন্তু বয়স্ক লোকটা খুব rude ভাবে বলেছিল। মেয়েটা ট্রেনের গেটের সামনে থেকে বলল " ওসব জ্ঞান নিজের নাতিপুতিকে দাও দাদু। আমার লাগবে না!"
দাদু রেগে রিপ্লাই দিচ্ছিল। তারমধ্যেই পরের স্টেশান চলে আসায় মেয়েটা তার বান্ধবীকে " বাই জিয়া" বলে নেমে গেল। বুড়োটা ওর বান্ধবী জিয়ার দিকে তাকিয়ে গজগজ করতে লাগল।
জিয়া ওর বান্ধবীকে " বাই মৌ" বলে ইচ্ছা করেই মুখে হাসি ঝুলিয়ে নিজের সদ্য শেষ করা পাপড়ভাজার খালি প্যাকেটটাও ট্রেনের মেঝেতে ফেলল বুড়োর চোখে চোখ রেখে। আমি ততক্ষনে মেয়েটির ঠিক উল্টোদিকের জানালার ধারের সিটটায় এসে বসেছি, যেটায় একটু আগে ওর বান্ধবী বসে ছিল।
মেয়েটির এই রিএকশানে বুড়ো তেলে বেগুণে জ্বলে উঠল। রাগে গজগজ করতে করতে এবার আমার দিকে তাকিয়ে বলল " এযুগের মেয়েদের হাবভাব দেখো। যেন ওদের বাপের ট্রেন! "
জিয়া বুড়োকে রাগানোর জন্য বলল " ট্রেনের মেঝে পরিষ্কার করা আমাদের কাজ না দাদু। তোমার ইচ্ছা হলে তুমি প্যাকেট দুটো তুলে ফেলে দিতে পার। আমি বাধা দেব না!"
বুড়ো রেগে বোম হয়ে গেল মেয়েটার কথা শুনে! " এই ছুড়ি, আমি তোর বাপের বয়সী! বয়ষ্কদের কিভাবে সম্মান দিতে হয় তোর বাপ মা শেখায় নি?"
" শিং ভেঙে বাছুর হচ্ছ দাদু? তুমি আমার বাবার বয়সী কি, আমার দাদুর চেয়েও বুড়ো! এত রাগ দেখিও না, হার্ট এটাক করবে!"
বুড়ো রাগে অন্ধ হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল " তোমার সামনে এই মেয়ে দুটো তখন থেকে আমাকে অপমান করে যাচ্ছে, তুমি কিছু বলছ না কেন?"
আমি শান্ত গলায় বললাম " ও তো ঠিকই বলেছে জেঠু। এই বয়সে এসে কথায় কথায় এত রাগ দেখালে যেকোন দিন বিপদ হবে। ওই প্যাকেট আমি ফেলে দিচ্ছি।"
এই বলে আমি নিচু হলাম। আমার উল্টোদিকের মেয়েটার পরনে জিন্স আর পায়ে সাদা ক্রক্স। বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে বসে আছে মেয়েটা। ওর বাঁ পা আর ট্রেনের দেওয়ালের মাঝে পরে একটা প্যাকেট যার সামান্য একটা অংশ ওর জুতোর তলায় চাপা পরে আছে। অন্যটা প্রায় ওর ডান জুতোর তলায়।
আমি নিচু হয়ে প্রথমে দেওয়ালের ধারের প্লাস্টিকটা কুড়াতে গেলাম। প্লাস্টিকের সামান্য একটা অংশ ( প্যাকেট ছেঁড়ার ফলে যেই flap টা প্রায় আলাদা হয়ে যায়) ওর জুতোর তলায় চেপে থাকায় সামান্য টানে সেটা উঠল না। অন্য সময় হলে মেয়েটি পা সরিয়ে নিত, কিন্তু বুড়োকে দেখানোর জন্যই মেয়েটি entitled attitude দেখিয়ে পা সরালো না। আমি ট্রেনের মেঝেতে একটা হাঁটুগেড়ে বসে প্রথমেই "সরি ম্যাডাম" বলে দুই হাত দিয়ে মেয়েটির জুতো পরা পা আলতো করে ধরে সামান্য সরালাম যাতে প্লাস্টিকটা জুতোর তলায় আর চাপা না থাকে। তারপর ডান হাত দিয়ে ওর জুতো পরা পা বাঁ হাতের তালুতে তুলে ডান হাত দিয়ে প্লাস্টিকটা তুললাম যখন মেয়েটির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার বাঁ হাতের তালুর উপরে!
কোড়ানো প্যাকেটটা নিজের শার্টের প্যাকেটে ঢুকিয়ে আমি এবার ডান হাত বাড়ালাম অন্য প্যাকেটটা তোলার জন্য, যেটা মেয়েটার ডান ক্রক্সের প্রায় তলায়। আমি ইচ্ছা করলেই প্যাকেটটা এবার এমনিই বার করে আনতে পারতাম। কিন্তু ইচ্ছা করেই এমন ভাব করলাম যেন এবারও প্লাস্টিকটা ওর জুতোর তলায় চেপে আছে। যদিও ওর বাঁ পায়ের উপরে তোলা ডান পায়ে পরা ক্রক্সের তলা আর প্লাস্টিকের প্যাকেটটার মধ্যে ৩-৪ ইঞ্চি দূরত্ব ছিল।
আমি আবার " সরি ম্যাডাম" বলে ডান হাত দিয়ে জিয়ার ডান ক্রক্সের হিলের তলা স্পর্শ করলাম। তারপর পুরো জুতোর তলায় একবার হাত বোলালাম। একবার হাতের তালু হিল থেকে জুতোর টো অব্ধি বুলিয়ে আবার উল্টোদিকে বোলালাম। ওর জুতোর তলার পুরো ময়লা আমার হাতের তালুতে লেগে গেল। আমি আর ঝুঁকি না নিয়ে প্লাস্টিকটা কুড়িয়ে দুই হাতই মেয়েটির জুতোর নিচ থেকে বার করে এই প্যাকেটটাও নিজের জামার পকেটে ঢুকিয়ে আবার সিটে বসে বললাম " এতই সামান্য একটা ব্যাপার!" তারপর মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললাম " কোন অসুবিধা হয়নি তো আপনার ম্যাডাম?"
জিয়া ছোট করে উত্তর দিল "না", তারপরে বুড়োর দিকে তাকিয়ে বলল " দেখো দাদু! এত্ত ছোট একটা কাজ নিজেই করে নিতে পারতে! তা না করে ফালতু চেঁচিয়ে সিন ক্রিয়েট করে নিজের প্রেশার টা বাড়ালে!!"
আমার আচরণ দেখে বুড়ো হাঁ হয়ে গিয়েছিল। কোন রকমে বলল " তোর জেঠু কি দাদুর বয়সী আমাকে বলছিস তোর জুতোর নিচ থেকে তোর ফেলা প্লাস্টিক বার করে ফেলতে? বলতে বাধেও না হতভাগা মেয়ে?"
" বাধবে কেন বলতে? এই কাকুও তো আমার চেয়ে অনেক বড় বয়সে, তাও তো দিব্বি নিজের ইচ্ছেও করল, তোমার মত ঝামেলা না বাধিয়ে।"
" ও করল কারণ ওর মান-সম্মান নেই, আর মেয়ে দেখলেই এদের নোলা ঝরে তাই! আর কোন কারণ দেখছি না নিজেকে অকারণে এভাবে ছোট করার!" - বুড়ো আবার নিজের পুরনো ফর্মে ফিরেছে ততক্ষনে!
"নোলা ঝরে না দাদু, মেয়েদের সম্মান করতে জানে, তাই করেছে। বুড়ো হয়ে মরতে চললে, অথচ এটুকু বেসিক ভদ্রতা সভ্যতা শিখলে না দাদু!" - জিয়া দাদুকে ট্রোল করে বলল। আমি দুজনের ঝগড়া শুনতে শুনতে মেয়েটির জুতো পরা পা দুটোর একটা ফটো তুলে নিলাম ফোনে, যাতে আরো অনেকবার অন্তত ওর ফটোকে প্রণাম করে সম্মান দেখাতে পারি!
দাদু রেগে আবার উত্তর দিতে লাগল। ট্রেন ততক্ষনে দমদমে এসে ঢুকেছে। আর একসাথে অনেক লোক ট্রেনে এসে উঠল।
জিয়া বেশ কিছুক্ষন বুড়োকে তাকে গাল দিতে দিল, তারপর পাশে এসে বসা একজন বছর ৩৫ এর লোককে কম্পলেন করল " দেখুন না, এই দাদু কোন কারন ছাড়া তখন থেকে আমাকে উল্টোপাল্টা বলে যাচ্ছে!"
" কোন কারণ ছাড়া হতভাগী? ট্রেনের কামড়াটায় ডাস্টবিনের মত যা ইচ্ছা ফেলবি, আমি কিছু বলতে পারব না?" - দাদু আক্রোশে চিৎকার করে বলল।
জিয়া সরল বাচ্চার মত মুখ করে বলল " কি সব বলছেন দাদু? আমি আবার মেঝেতে কি ফেললাম? মেঝেতে তো কিছুই পরে নেই। আপনি দেখিয়ে দিন মেঝেতে কি ফেলেছি আমি?"
" দেখাব কি? পাশের ওই লোকটা তো তোর পায়ের নিচ থেকে কুড়িয়ে ফেলে দিল ওগুলো!"
মেয়েটা আবার নিষ্পাপ মুখ করে বলল, " দেখুন, পাগলের মত যা ইচ্ছা বলে যাচ্ছেন উনি তখন থেকে।" তারপর আমার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল " বিশ্বাস না হয় উনাকে জিজ্ঞাসা করুন!"
এবার অনেক জন লোক এক এক করে মেয়েটার পক্ষ নিতে লাগল। একজন শেষে দাদুকে বলল উঠে কামড়ার অন্য দিকে গিয়ে বসতে। দাদু গজগজ করতে করতে উঠে পরের স্টেশানে ট্রেন থেকে নেমে গেল।
জিয়ার মুখের হাসি দেখে বুঝলাম পুরো ঘটনাটাকে সে বেশ entertainment হিসাবেই নিয়েছে!
আমি নিজে থেকেই মেয়েটিকে বললাম " আমার আগেই উচিত ছিল দাদুকে উঠে অন্যদিকে যেতে বলা। অনেকক্ষন ধরে তোমাকে ডিস্টার্ব করছিল। আমি একা থাকায় ঠিক বলে উঠতে পারি নি, সরি!"
মেয়েটি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল " it's ok!"
দাদু নামার পরে দুটো স্টেশান যেতে জিয়া উঠে দাঁড়াল। বুঝলাম পরের স্টেশানে নামবে। আমার গন্তব্য আসতে তখনো কয়েকটা স্টেশান বাকি। কিন্তু আমি মেয়েটার সাথে নেমে যাওয়াই স্থির করলাম। যদি একটু কথা বলার সুযোগ পাওয়া যায়!
গেটের ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে জিয়াকে কি বলা যায় ভাবছি তখন মেয়েটার ফোন বেজে উঠল। মেয়েটি কল রিসিভ করে একটু নিচু গলায় বলল " বাড়ি ঢুকে গেছিস তো?... আরে, ওই দাদু যে তখন নাটক মারছিল তুই ট্রেন থেকে নামার সময়ে.. ওকে নিয়ে হেব্বি রগড় হয়েছে রে মৌ... আমার স্টেশান এসে গেছে... আমি বাড়ি ফিরে তোকে ফোন করছি।" এই বলে ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল " আমার বন্ধু মৌ নামার পরে আমি একটু anxious ছিলাম এই ভেবে যে তুমিও দাদুর পক্ষ নেবে কাকা!"
" তা কেন নেব? এসব বুড়োরা অকারনে ঝামেলা করে। ও চাইলে তো আমার মত ওই প্লাস্টিক দুটো কুড়িয়ে ফেলে দিতে পারত!" বলতে বলতেই ট্রেন স্টেশানে এসে দাঁড়াল আর আমরা পরপর ট্রেন থেকে নামলাম।
জিয়া শুনে হেসে ফেলল। তারপরে বলল " সত্যি বলতে তুমি যেভাবে আমার জুতোর নিচ থেকে প্লাস্টিক দুটো ফেললে সেটা আমিও এক্সপেক্ট করিনি।"
Wednesday, 1 July 2026
দিশা
দিশা!!
মেয়েটির নাম দিশা। সদ্য কলেজ পাশ করে আমাদের অফিসে এক বছর হল জয়েন করেছে। ফর্শা, রোগা, বেশ সুন্দরী। এই বয়সী অনেক মেয়ের মতই ওরও মোবাইল এডিকশান আছে। কাজের মাঝে হঠাত মোবাইল খুলে ঘাঁটতে শুরু করে। এই নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করলেও আমি ওর দোষকে যতটা সম্ভব ঢাকতে চেষ্টা করি সবসময়।
আমাদের অফিস শুরু হয় ঠিক সকাল ৯ টায়, আর ছুটি হয় বিকাল ৫ টায়। এর মাঝে ১ টা থেকে ১.৪৫ লাঞ্চ টাইম। বসের কড়া নির্দেশ, খাবার অর্ডার করলে এই সময়ের আগে রিসিভ করা যাবে না। আর সবাইকে ক্যান্টিনে গিয়েই লাঞ্চ করতে হবে। কিন্তু দিশা শোনার পাত্রী না!
কাল দুপুর ঠিক ১১ টায় কফি আনতে গিয়ে ওর সাথে দেখা। আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল, " আমার একটা ফুড অর্ডার করার ছিল। যদি ১ টার আগে আসে তুমি একটু রিসিভ করে দেবে প্লিজ?"
আমি সিনিয়ার, আর কাজেও মনযোগী। আমি সিগারেট ব্রেকের নামে বেরোলে কেউ কিছু বলে না। আমি বললাম -" তুমি আমার নাম্বার কন্টাক্টে দিয়ে অর্ডার কর। আমি রিসিভ করে দেব।"
দিশা একটু ভেবে বলল, " তার চেয়ে বরং আমি তোমাকে লিংক পাঠিয়ে দিচ্ছি। তুমি তোমার ফোন থেকে অর্ডার কর। ইজি হবে। অর্ডার রিসিভ করে মিটিং রুমের টেবিলে রেখে দিও। আমি ১ টায় রিসিভ করে নেব।"
আমি হেসে বললাম, " মিটিং রুমে খাওয়া কিন্তু বারণ দিশা। কালকেও ওখানে খাবারের টুকরো পরে ছিল। সুইপার ম্যানেজারকে নালিশ করেছে।"
দিশা সম্মোহন করা এক হাসি হেসে বলল, " মিটিং রুমের ইনচার্জ তো তুমি। তুমি চাইলেও ম্যানেজ করে নিতে পারবে!"
আমি আর কিছু বললাম না ওকে।
আমার ফোনে মোট ৬৮০ টাকার ফুড ওর্ডারের লিংক চলে এল একটু পরেই। ১২ টায় অর্ডার করে দিলাম। খাবার ডেলিভারি আসতে আমি দিশার "অর্ডার" মত খাবার রেখে এলাম মিটিং রুমের টেবিলে।
১ টা ২০ এর দিকে লাঞ্চ সেরে আমি মিটিং রুমে ঢুকলাম কৌতুহল বসে। দিশা টেবিল জুড়ে খাবার ছড়িয়ে মোবাইল দেখতে দেখতে খাচ্ছে। প্যাকেট গড়িয়ে গ্রেভি টেবিল নোংরা করছে। দিশার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। ম্যানেজার দেখলে ওকে দিয়েই এই টেবিল মোছাত কোন সন্দেহ নেই।
আমি একবার মৃদু স্বরে দিশাকে টেবিলের দশার কথা বলি। ও মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই বলে- " অনিদা! তুমি এত সিনিয়ার। আর একটা সুইপারকে অর্ডার করে কাজ করাতে এত ভয় পাও! তোমার জায়গায় আমি থাকলে ওদের কম্পলেন করা বার করে দিতাম!"
আমি উল্টোদিকের চেয়ারে বসে বলি " আর ম্যানেজার এসে এখন তোমার এই কীর্তি এখন স্বচক্ষে দেখলে কি করবে বলতো?"
দিশা মুচকি হেসে বলে " আমাকে কি বলবে জানি না। তবে তার আগে মিটিং রুম খুলে তোমার সামনেই এখানে বসে আমাকে খাওয়ার পারমিশান দেওয়ার জন্য তোমাকেই আগে ঝাড়বে। এমনকি, তোমাকে দিয়ে টেবিল মোছালেও আমি আশ্চর্য হব না!"
কথাটা বলার জন্য ও মোবাইল pause করেছিল। আবার সেটা টাচ করতে গিয়েই বিপত্তি হল। মোবাইলটা বেশি জোরে টাচ করায় সেটা ব্যালেন্স হারিয়ে নিচে পরতে যেতে দিশা রিফ্লেক্সে সেটা ধরতে যেতেই বিপত্তি হল। চিকেন গ্রেভির ফয়েলে ওর হাত লেগে সেটা সোজা মেঝেতে পরল। মোবাইলটা ওর থাইয়ের বাইরের দিকে ধাক্কা খেয়ে সোজা নিচে পরল।
ও মেঝের কি দশা করেছে সে দিকে ওর চোখও গেল না। নিজের মোবাইল তুলে কান্না ভেজা গলায় বলল - " আমার নতুন আইফোন। কতদিনের শখের। E.M.I. তে কেনা। স্ক্রাচ পরে গেল!"
আমি উঠে ততক্ষনে ওর পাশে হাটুগেড়ে বসে পরেছি ওকে সান্তনা দেওয়ার জন্য। tempered glass লাগানো আছে তো দেখছি। স্ক্রাচ টা ওটার উপরে পরেছে। ফোনে না!"
" আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তোমার কথা। টেম্পার্ড গ্লাসটা খুলে দেখি! আর তুমি খাওয়ার সময়ে ম্যানেজার দেখলে কি হবে এসব না বললেই পারতে। তাহলে এত বড় বিপদটা হত না।"- দিশা আমার উপরে দোশ চাপিয়ে বলল।
" আমি extremely sorry দিশা। তোমার screen guard বা phone এ যা ড্যামেজ হয়েছে তা সারিয়ে দেব আমি প্রমিস। আর মেঝেও আমি ক্লিন করে দিচ্ছি। আমারই তো ভুল! সরি!"
এই বলে আমি মিটিং রুমের এক কোনে রাখা ন্যাকড়া আর এটাচ টয়লেট থেকে মগে করে জল এনে আবার দিশার পায়ের সামনে হাঁটুগেড়ে বসি। গোলাপী টপ, জিন্স আর পায়ে মোজা আর কালোর উপরে গোলাপী ডিজাইন করা স্নিকার পরা দিশা তখন টেবিলের উপরে মোবাইল রেখে স্ক্রাচ পরা tempered glass খুলে মোবাইলে সত্যিই স্ক্রাচ পরেছে কিনা দেখছে! ওর পায়ের কাছে মেঝেতে উলটে পরে আছে চিকেনের ফয়েল, কয়েক ফুট মেঝে গ্রেভিতে মাখামাখি! এমনকি ওর জিন্সের নিচের দিক আর জুতোতেও গ্রেভি ছিটে লেগেছে।
আমার ইচ্ছা করল আগে ওর প্যান্ট আর জুতো পরিষ্কার করে দিতে। কিন্তু বলতে সাহস হল না। আমি মন দিয়ে মেঝে মুছতে লাগলাম ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে। দিশা বসে আছে বাঁ পায়ের উপর ডান পা 4 এর শেপে তুলে। ফলে ওর জুতোর তলার খুব কাছে হাটুগেড়ে বসে আমি মেঝে মুছতে লাগলাম। ওর কোন ভ্রুক্ষেপই নেই সে দিকে। আমার কি ভাল যে লাগছিল এটা। ইচ্ছা করে ওর পায়ের ঠিক নিচটা মোছার পরে মাথা তোলার ভান করে মাথা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলাম ওর জুতো পরা পায়ে। ও দিব্বি তখনো ওর মোবাইল চেক করতে ব্যাস্ত! এবার ওর জুতোর সামনের দিকের মেঝে মোছার সময়ে ৮-১০ সেকেন্ডের জন্য আমার গালটা ওর ডান জুতোর তলায় ঠেকালাম। ও এবার আমার দিকে চোখ ঘোরাতে আমার বুকটা ধক করে উঠল! ওর জুতোর তলা ওর চেয়ে ১০ বছরের বড় অফিসের সিনিয়ার কলিগের গালে লেগে, অথচ সে সেই অবস্থায় ওর নোংরা করা মেঝে মুছে যাচ্ছে। কি রিএকশান দেবে ও?
কিন্তু দিশার চোখ ওর জুতোর তলায় থাকা আমার গালের ঠিক আগে থেমে গেল। বরং এমন ভাবে ও পা টা ফ্লেক্স করল যে ওর জুতোর টো আমার ঠোঁটের ডান দিকে এসে ঠেকল। ও নিজের জুতো আর প্যান্টের নিচের দিকে তাকিয়ে বলল- " ইশ! প্যান্টের নিচেটা আর জুতোটার কি অবস্থা হয়েছে! আজ friday! অফিস শেষ হতেই আমার ডিরেক্ট পার্টি করতে যাওয়ার কথা! আমার লুকসটাই মাটি হয়ে গেল!"
আমি ওর কথায় স্তম্ভিত হয়ে গেলাম! দিশা আজ প্রথমে ওর দামী ফুড আমাকে দিয়ে অর্ডার আর রিসিভ করাল, দাম দেওয়ার কথাও তুলল না। এরপরে নিজে মেঝে নোংরা করে আমাকে দিয়ে indirectly পরিষ্কার করিয়ে নিল। আর এখন অফিসের সিনিয়ার আমার গালে ওর জুতো পরা পা লেগে আছে অথচ ওর নজর সেদিকে না গিয়ে গেল শুধু ওর নোংরা জুতো আর প্যান্টের দিকে!
আমি ওর কথা শুনে ওর দিকে ফিরতে যেতে ওর জুতোর তলা সোজা আমার ঠোঁটের মাঝখানে এসে ঠেকল। আমি ওর জুতোর তলায় হালকা একটা চুম্বন করে বললাম " আমি extremely sorry দিশা! আমার জন্যই তোমাকে এত সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। আমি এখুনি তোমার প্যান্ট আর জুতো পরিস্কার করে দিচ্ছি। কোন দাগ থাকবে না, প্রমিস!"- আমি কথাটা বলার জন্য আমার ঠোঁট দুটোকে দিশার জুতো থেকে কয়েক ইঞ্চি পিছিয়ে নিয়ে এলাম।
" ওকে! দেখা যাক! আর আমি চেক করে দেখলাম মোবাইলে scratch পরে নি, শুধু tempered glass টাই ভেঙেছে। এখন যদি তুমি আমার প্যান্ট আর জুতোর দাগ তুলে দিতে পার আর আজ ছুটির পরেই আমার ফোনে নতুন tempered glass লাগিয়ে দাও, তাহলে তোমার অপরাধ ক্ষমা করে দেব!"
" thank you দিশা।" এই বলে আমি আবার দিশার ডান জুতোর তলায় একটা চুম্বন করলাম। আমাকে ওর জুতোর তলায় কিস করতে দেখেও দিশা এমন নর্মাল রিএকশান দিল যেন সিনিয়ার কলিগ ওর মত সুন্দরী জুনিয়ার কলিগের জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইবে এটা একদম স্বাভাবিক!
আমি আবার ওয়াশরুমে গিয়ে সাবান ও পরিষ্কার জল নিয়ে এলাম। তারপরে আবার দিশার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে নিজের পরিষ্কার রুমাল দিয়ে প্রথমে দিশার প্যান্টের তলার দিক আর তারপরে ওর দুই জুতো একে একে পালিশ করতে লাগলাম। আমার নিজেকে দিশার চাকর বলে মনে হচ্ছিল। উফ, কি সুখ এই ভাবনাতে!
সুখে ছেদ পরল ফোনের রিং টোনে। আমার ফোন বাজছে। ফোন তুলে দেখি দিশার টিমের এক মেম্বার পৌলমী ফোন করছে। আমি ফোন তুলতেই সে বলল " দিশা কোথায় any idea অনিদা? ১ টার ২ মিনিট আগে লাঞ্চের জন্য বেরিয়েছে, এখন ১ টা ৫৫! একটা important report 3 টের মধ্যে জমা করতেই হবে, অথচ ও ফোন তুলছে না!"
" আমি সরি পৌলমী, আমি না জেনে ওকে অন্য একটা কাজ দিয়ে দিয়েছি। তুমি চিন্তা কোর না, আমি যাচ্ছি, ঠিক করে দেব ৩ টের আগে।"
আমি ফোন রাখতেই আমার মুখের ঠিক সামনে জুতো পরা পা নাচাতে নাচাতে দিশা বলল - " পৌলমী দি? উফ, কি কঠিন একটা কাজ দিয়েছে, আমার মাথাতেই ঢুকছে না!"
আমি আবার দিশার জুতোর তলায় একটা চুম্বন করে বলি " কোন ব্যাপার না দিশা, আমি কাজটা পরে তোমাকে বুঝিয়ে দেব। এখন আমি করে দিচ্ছি। অলরেডি আমার জন্য আজ তোমাকে অনেক ভুগতে হয়েছে, এটুকু তোমার প্রাপ্য। ছুটির পরে তোমার টেম্পার্ড গ্লাসও চেঞ্জ করে দেব। শুধু কাউকে কম্পলেন কোর না প্লিজ। এই বলে আমি আবার ওর জুতোর তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করি।"
" জুতোটা পালিশ করে কাজটা সেরে আস। আমি ভেবে দেখছি কম্পলেন করা উচিত হবে কিনা!"
আমি আবার ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে বলি " প্লিজ ক্ষমা করে দাও। কম্পলেন টা করো না। প্লিজ। এখন থেকে রোজ তোমার লাঞ্চ ফ্রি, আমি পে করব। তুমি এখানে বসে খেও, পরিষ্কার করার দায়িত্ব আমার। রোজ তোমার জুতোও পালিশ করে দেব আমি। প্লিজ, শুধু কম্পলেন টা করো না! "
দিশা মুখে হাসি হাসি দয়ার ভাব ফুটিয়ে বলল, " আমার দয়ার প্রাণ! এত করে বলছ যখন তবে ক্ষমা করে দেব যদি কথা দাও এগুলোর সাথে আমার উপর আমার টিমের চাপানো যে কোন কঠিন কাজ তুমি করে দেবে!"
" অবশ্যই দিশা, এ তো আমার সৌভাগ্য!'
দিশা এবার আমার মুখে হালকা একটা লাথি মেরে বলল, " নাও, তাড়াতাড়ি আমার জুতো পালিশটা সেরে গিয়ে আমার কাজটা করে দাও। সময়ে করতে না পারলে দোষ কিন্তু তোমার, মনে রেখ!"
"অবশ্যই!" বলে ৫ মিনিট দিশার জুতো পালিশ করে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে আমি ছুটলাম দিশার রিপোর্ট শেষ করতে আর আমার মাথায় ঘুরতে লাগল আমার যে রিপোর্টটা ৪ টের মধ্যে জমা করার কথা সেটার কি হবে!
Subscribe to:
Posts (Atom)