Wednesday, 1 July 2026

ট্রেনের ছোট্ট অভিজ্ঞতা

কাল রাতের দিকে চক্ররেলে দমদম আসছিলাম। রবিবার, ট্রেন প্রায় ফাঁকা। প্রিন্সেপ ঘাটে ট্রেন থামতে আমার ঠিক উলটো দিকের সিটে দুজন ১৮-২০ বছরের মেয়ে এসে উঠল। দুজনই সুন্দরী। একজন বাদামওয়ালার থেকে বাদাম কিনে টাকা বের করে ইচ্ছা করেই হাত থেকে পার্সটা মেঝেতে ফেলে দিলাম মেয়েদুটোর ঠিক পায়ের কাছে। যাতে ওটা তোলার অজুহাতে ওদের দুজনের বা অন্তত একজনের জুতো পরা পায়ে হাত ছুঁইয়ে প্রণাম করে আশির্বাদ নিতে পারি। মেয়েদুটোও তখন বাদাম চেয়েছে, আর বাদামওয়ালার দিকেই তাকিয়ে। আমি নীল টপ পরা মেয়েটার ডান পায়ের কালো স্নিকার্সে হালকা হাত ছুঁইয়ে, পাশের সাদা স্নিকার্স পরা মেয়েটার বাঁ পায়ের সাদা স্নিকার্সে হাত ছুঁইয়েই পার্সটা নিয়ে উঠে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু আড়চোখে দেখি মেয়েদুটো তখনো বাদাম নিতে ব্যস্ত। আমি সেই সুযোগে সাদা টপ পরা মেয়েটির হালকা কাত করে রাখা ডান স্নিকার্সের তলায় হাতের আঙুল গুলো বুলিয়ে পার্সটা নিয়ে উঠে বুঝতে পারলাম বাদামওয়ালা আমার দিকে অদ্ভুত চোখে দেখছে! মেয়ে দুটো ২০ টাকার বাদাম নিয়ে ২০০ টাকার নোট দিতে বাদামওয়ালা বলল খুচরো নেই, ফোন পে-ও নেই। আমি সেই সুযোগে ওকে আমার দেওয়া ৫০ টাকা থেকেই কেটে নিতে বললাম। দুটো কম বয়সী মেয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার বদলে তাদের সামান্য কিছু হলেও খাওয়ানোর সুযোগ পাওয়া, অভিজ্ঞতা খারাপ হল না! অবশ্য মন্দিরে দেবীকে প্রণাম করার পরে তাকে তুষ্ট করতে প্রসাদ তো দিতেই হয়, তবে না আশির্বাদ পাওয়া যায়! আমিও ২০ টাকা ব্যালেন্স পকেটে পুরে মেয়ে দুটির জুতোর তলার ময়লা লাগা হাত কপালে ঠেকালাম ওদের সামনেই!