Sunday, 1 March 2026
পুকানের CFNM অভিজ্ঞতা
( warning: CFNM story, written by guest writer).
আমার নাম পুকান। আমি সেই সময় স্কুলে ক্লাস ৫ এ পড়তাম। বয়েস ওই ১০ এর আশেপাশে ছিল। তখন বয়সসন্ধি না এলেও লজ্জাবোধ এসেছিল, বাড়িতে তখন মা এর সামনেও ল্যাংটো হয়ে লজ্জা পেতাম, ১ বছর হলো দরজা বন্ধ করে বাথরুমে চান করতাম।
সেই সময় আমার স্কুলের ভালো বন্ধু ছিল অমিত। ও আমার পাড়াতেই থাকত। সেই সূত্রে আমাদের দুজনের পরিবার একে অপরকে চিনত।আমার বাবা এর ডাক্তার দেখাতে ১ মাসের জন্য বাইরে বড় শহরে যেতে হয় সেই সময়, তো অমিত এর বাবা মা ও ঠিক করে ওরাও আমার বাবা মা এর সাথে যাবে চেক আপ করাতে। সেই সময় আমাদের স্কুল চলছিল বলে আমাদের নিয়ে যায় না, ২ পরিবার মিলে ঠিক করে আমরা ২ ছেলে অমিত এর ছোট অ্যান্টি এর বাড়িতে থাকবো।
ওদের ছোট অ্যান্টি এর বাড়ি অন্য পাড়াতে ছিল। আমাদের লোকালয় থেকে অন্য দিকে। ঠিক হয় আমরা ছোট অ্যান্টি আংকেল এর ঘরে ১ মাস থাকবো। ওই অ্যান্টি এর নিজের ৪ বছরের একটা ছেলে ছিলো। আংকেল বেশ বড় চাকরি করতো আর অ্যান্টি দেখতে খুব সুন্দরী হাসিখুশি ছিল। কিন্তু থাকতে গিয়ে জানতে পেরেছিলাম রেগে গেলে আবার খুব শাস্তি ও দিতো।
তো অ্যান্টি এর বাড়িতে গিয়ে আমরা ২ বন্ধু একসাথে খুব দুরন্তপনা শুরু করলাম। স্কুল থেকে ফিরেই সারাদিন ঘরে খেলাধুলা, গল্প করে সময় কাটাতাম। পড়াশুনা একেবারে বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অ্যান্টি এর ছেলেকে ছোট পেয়ে আমরা ২ জন ওকে খুব ক্ষ্যাপাতাম। যেমন ওর প্যান্ট আন্ডারওয়ার খুলে দিতাম সবার সামনে ওকে লজ্জা দিতে। হয়তো ও ওর বয়েসি ছোট বন্ধুদের সাথে খেলছে ঘরে, আমরা ২ জন গিয়ে ওকে কোমর থেকে ল্যাংটো করে দিতাম আর ছোট নুঙ্কু ছোট নুনকু বলে ক্ষেপাতাম।
অ্যান্টি আমাদের ২ জন এর অত্যাচারে বিরক্ত হতো আর ৫, ৬ দিন যেতে না যেতেই ধৈর্য এর বাঁধ ভাঙল। অ্যান্টি এর ছেলে ওই অল্প বয়স এও একটু লাজুক ছিল, তাই ওর বয়েসি বন্ধুদের সামনে একদিন প্যান্ট খুলে দেবার জন্য কান্নাকাটি করে ওর মা কে কমপ্লেইন করলো।
অ্যান্টি ওই দিন খুব রেগে গেছিল আমাদের কাণ্ড কারখানাতে।
অ্যান্টি “ ভাইকে ছোট পেয়ে তোরা ওকে খুব ক্ষেপাছিস। কি অসভ্যাতামি! অন্যের প্যান্ট খুলে ল্যাংটো করে দিয়ে অন্যকে লজ্জা দিয়ে নিজে মজা পাবা। দাড়া! আজ দেখি তোদের উপর ও এটা করলে কেমন লাগে? তোরা যখন এমন মজা করিস তখন আমিও দেখি আমি যদি তোদের উপর একই কাজ করি তোদের কেমন মজা লাগে!”
অ্যান্টিকে এত রেগে যেতে দেখে আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। অ্যান্টি রেগে বললো “ জামা প্যান্ট আর ভিতরের সব কিছু খুলে পুরো ল্যাংটো হয়ে যা এখুনি। না হলে খুব শাস্তি পাবি। বাইরে রাস্তাতে ল্যাংটো করে বের করে দাঁড় করিয়ে রাখবো।”। আমরা ভয় এ চুপ করে দাঁড়িয়েছিলাম, কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। আন্টি আমাদের দুজনকে দুগালে দুটো থাপ্পড় মারল জোরে “ আমি যদি নিজে হাতে ল্যাংটো করি তো আজ সারাদিন কিন্তু পুরো ল্যাংটো করে রাখবো।” এবার আমরা খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম, ভয়ের চোটে আন্টির সামনে আমরা দুজন আমাদের শার্ট প্যান্ট গেঞ্জি জাংগিয়া সব খুলে পুরো উদোম ন্যাংটো হয়ে গেলাম। লজ্জাতে হাত দিয়ে নুংকু ঢাকার চেষ্টা করতেই আন্টি রেগে বলল “দু হাতে কান ধর বদমাশ দুটো”। আন্টির সামনে দু হাত দিয়ে আমরা দুই কান ধরলাম ,সম্পূর্ণ উদোম ন্যাংটো আমরা তখন আন্টির সামনে দাঁড়িয়ে। আন্টি বলল “দেখ এখন কেমন লাগে নিজে ন্যাংটো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে! অন্যকে করার সময় তো খুব মজা পাস, বল এখন কেমন লাগছে? কেমন মজা লাগছে?”
সুন্দরী আন্টির সামনে এভাবে সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় দাঁড়িয়ে খুব লজ্জা লাগলো। আন্টি একটা কালো শাড়ি পড়ে ছিল সাথে স্লিভলেস ব্লাউজ। আন্টি বলল” নিজেদের তো এই ছোট্ট পাখি। এখনো চুল গজায়নি। আবার ছোট ভাইকে বলে কিনা ছোট নাংকু ছোট নুন্কু!” “ আর দাড়া, ছোট ভাইকে তোরা যেমন অন্যের সামনে প্যান্ট খুলে দিয়ে খুব মজা নিস আমিও তোদের ঘরের খোলা বেলকনিতে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছি এভাবে ন্যাংটো কান ধরে। পাশের বাড়ির আন্টি এবং তোদের বয়সী আন্টির মেয়েরা দেখুক তোদের তোরা কিভাবে শাস্তি পাস”। আমরা ২ জন আন্টির কাছে ক্ষমা চাইলাম। পাশের বাড়ির মেয়েটা আমাদের ক্লাসে পড়ত, সমবয়েসী। তবে ও মেয়েদের স্কুলে পড়ত। আর আমরা ছেলেদের স্কুলে। মেয়েটার নাম ছিল টিনা। কিন্তু আন্টি ক্ষমা করলো না।
এই বলে আন্টি আমাদের সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় ঘরের বাইরে খোলা ব্যালকনিতে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল পুরো এক ঘন্টা। আর সেটা দেখে পাশের বাড়ির কাকিমা এবং আমাদের বয়সী মেয়ে টিনা খুব হাসাহাসি করেছিল। টিনা ওর মা দের বলছিল “দেখো দেখো মা! পাশের বাড়ির ছেলে দুটোকে ওদের আংটি পুরো ন্যাংটো করে কান ধরে শাস্তি দিচ্ছে। কি লজ্জার ব্যাপার! মেয়েদের সামনে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে! আমরা সব কিছু দেখতে পাচ্ছি! কি দুষ্টু। তাও মনে হয় কোনো লজ্জা নেই। নিজের বয়েসি একটা মেয়ের সামনে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে”
ঐদিন প্রায় 30 মিনিট আমাদের এভাবে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল আন্টি এবং তারপর ঘরে ঢুকতে দেয় আর জামা-প্যান্ট ফেরত দেয়। ওই দিনের পর থেকে যতদিন থাকতাম ততদিন আন্টি আমাদের বেশি দুষ্টুমি করলেই পুরো ন্যাংটো করিয়ে ওই ব্যালকনিতে দাঁড় করিয়ে রাখত কান ধরিয়ে। আমরা বাড়িতে বেশি দুষ্টুমি করলে বা পড়াশোনা না করলেই আন্টি আমাদের পুরো ন্যাংটো করিয়ে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিত। আমরাও আন্টিকে খুব ভয় পেতাম, যখনই বলতো “এক্ষুনি পুরো ন্যাংটো হয়ে যা সব জামাকাপড় খুলে”, আমরা সাথে সাথে ভয় এ সব জামা প্যান্ট এবং ভিতরে সবকিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে আন্টির সামনে কান ধরে দাঁড়িয়ে পড়তাম। জানতাম আন্টির কথা না শুনলে আন্টি আমাদের প্রায় সারাদিন জামা প্যান্ট ছাড়া পুরো ল্যাংটো অবস্থাতে রেখে দিবে। বা দিলেও একটা গেঞ্জি দিবে শুধু আর কোমর থেকে পুরো ল্যাংটো করে রাখবে। বা খুব রেগে গেলে হয়তো বাড়ির বাইরে গলির মধ্যে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিবে।
আন্টির রাগ কমে গেলে তখন মুচকি মুচকি হাসতো আর বলতো “তোদের কোন লজ্জাই নেই, তোদের আমি এভাবে পুরো ন্যাংটো করে শাস্তি দেই তাও তোরা বদমাইশি করিস।”
২০০০ সালের দিকের সত্যি ঘটনা।
তো অ্যান্টি আমাদের পড়াশুনা করতে বসাতো সন্ধে বেলা। আমার বন্ধু আমার থেকে বেশি ভালো ছিল কিন্তু আমি একটু কাঁচা ছিলাম। আর অ্যান্টি এর কাছে বেশি ল্যাংটো শাস্তি তাই পেয়েছি। আমি পড়া মুখস্ত না পারলেই আন্টি কান ধরে সামনে টেনে নিয়ে আমার শার্ট হাফ প্যান্ট গেঞ্জি জাংগিয়া নিজের হাতে এক এক করে খুলে দিয়ে কান ধরে ঘরে নীল ডাউন করিয়ে দিত বা ল্যাংটো ২০ বার কান ধরিয়ে উঠবস করিয়ে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে দিত। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আগে পড়া মুখস্ত করতাম তার পর আন্টি ফেরত দিত প্যান্ট।টিনা অনেক সময় বিকাল বেলা আন্টির বাড়ি আসত আর আমাকে পড়া না পারার জন্য দেখে ফেলত কান ধরে ল্যাংটো দাঁড়িয়ে আছি। ও দেখে খুব হাসতো, ও ফ্রক ড্রেস বা স্কার্ট টপ পরা আর আমি ওর সামনে পুরো ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে। খুব লজ্জা লাগতো। ও হাসতে হাসতে আন্টি কে বলত “ আন্টি এই ছেলেটা দেখি একদম পড়া করে না। রোজ ল্যাংটো শাস্তি পায় এই ভাবে”। আন্টি হেসে বলতো “ তাও কোনো লজ্জা এই নাই। পড়াশুনাতে মন নাই।”।
আন্টি আমাদের ২ জনকে নিজের পা এর কাছে ফ্লোরে পড়তে বসাতো আর নিজে সোফা তে বসত। আন্টির সাদা ফর্সা পা এর তাতে ছিল নুপুর পরা। পা এ লাল নেল পলিশ। সুন্দর শাড়ি পড়া বা সালোয়ার কামিজ। আর সেই আন্টি এই পড়া না পারলেই আমাকে কান ধরে নিজে হাতে পুরো ল্যাংটো করে শাস্তি দিত। কি যে লজ্জা লাগতো। খুব ভয় ও পেতাম । কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। শাস্তি শেষ এ ল্যাংটো অবস্থাতে আন্টির পা এ হাত দিয়ে এমন ভুল আর করবো না বলে ক্ষমা চাইতে হতো।পরে আন্টির রাগ কমে গেলে আমার অবস্থা দেখে খুব হাসতো। তখন আমি লজ্জা পেতাম, কারণ পড়া এর জন্য ল্যাংটো শাস্তি আমি একা বেশি পেতাম। টিনা যখন এমনি সময় আমাকে দেখত যখন আমি শাস্তি পাচ্ছি না, জামা প্যান্ট পড়া তখন মুচকি হেসে বলতো “ এই বাচ্চা ছেলে, আমাকে দিদি বলে ঢাকবি। আমার সামনে ল্যাংটো কান ধরে দাঁড়িয়ে শাস্তি পাস আন্টির কাছে টো তুই আবার আমাকে নাম ধরে ডাকিস কানো? দিদি বলবি। তোকে পুরো ল্যাংটো দেখি না আমি”। ওর কথা শুনে রেগে আমি ওর চুল টেনে দেই আর ও সাথে সাথে গিয়ে আন্টিকে বলে আমি ওর চুল টেনেছি। আন্টি রেগে আমাকে বকা দেয় আর ওকে বলে “ বল পুকানকে কি শাস্তি দিবো?”। টিনা এত প্যাজি, বলে” আন্টি তুমি ওকে পুরো ল্যাংটো করে কান ধরে ওঠবস করাও ২০ বার আমাদের সামনে আর সরি বলতে বল”। আন্টি আমাকে তাই করতে আদেশ দেয় আর আন্টির ভয়ে আমি লজ্জার মাথা খেয়ে ওর সামনে মাথা নিচু করে পুরো ল্যাংটো হয়ে কান ধরে উঠবস করি। ওর তখন কি হাসি। আমার খুব লজ্জা লাগে। ওর সামনে এই ভাবে ল্যাংটো কান ধরে উঠবস এর সময় ওকে সত্যি এই আমাদের দিদি মনে হচ্ছিলো। এর পর থেকে এই ও বলতো আমার কথা না শুনলে কিন্তু আন্টিকে বলে তোকে সব জামা প্যান্ট খুলিয়ে ল্যাংটো করিয়ে শাস্তি পাওয়াবো। আমি একটু ভয় এই পেতাম।
বাবা মা ফিরে আসার পরেও আন্টি আমাদের ক্লাস ৫ ক্লাস ৬ এই ২ বছর কোচিং পড়িয়েছে। ২ বছর এই আমি শাস্তি পেয়েছি এই ভাবে। তাই এখন সব মেয়েদের খুব সম্মান করি। আন্টি দেখতে সুন্দরী হাসিখুশি হলেও রেগে গেলে খুব রেগে যেতো আর আমাদের দুই বন্ধু কেই ল্যাংটো করিয়ে শাস্তি দিত। আন্টি যখন জোরে ধমক দিয়ে বলতো “ সব জামা প্যান্ট ভেতরের সব কিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে যা বদমাশ” আমি সাথে সাথে ভয় এর চোটে সব খুলে পুরো উদোম ল্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে পড়তাম আন্টির সামনে। সেই সময় পাশে টিনা বা টিনার মা বা বাড়ির কাজের মাসি থাকলে এটা দেখে খুব হাসতো আর বলতো “ এমা লজ্জা লজ্জা! আমরা সব কিছু পুরো ন্যাংটো দেখে নিলাম। দেখো দুষ্টামি করার ফল। আন্টিকে রাগিয়ে দিয়েছো। থাকো এখন সবার সামনে পান্টু খুলে পাখি বার করে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে”।
এটা আমার জীবনের ঘটনা।
১. তোমাদের সাথেও কি এমন শাস্তি হয়েছে? পেয়েছ তোমরা?
২. আমি কি আন্টি কে বেশি ভয় পেতাম? আমি কি বেশি ভীতু ছিলাম?
৩. আন্টি ল্যাংটো করেই কানো শাস্তি দিত? এমনিও টো শাস্তি দিতে পারত?
৪. আন্টি কি খুব রাগী আর বেশি শাস্তি দিত তোমাদের মতে? এখনকার দিনে তো শাস্তি দেবা খুব কমে গেছে।
৫. মা তো খুব খুশি হতো আন্টির কঠিন শাস্তিতে আর পড়া শেখাবার স্টাইল এ। তোমরা কি মনে করো?
৬. আন্টি রাগ পরে গেলে হাসতো ল্যাংটো দেখে। তখন লজ্জা পেতাম। আর নিজের বয়েসি মেয়ে দের সামনে ল্যাংটো দাঁড় করিয়ে বেশি লজ্জা দিত। কানো এমন শাস্তি দিত আন্টি?
প্রশ্ন গুলো আমিও নিজেকে জিজ্ঞাসা করি। তোমরা জানিও তোমাদের কি মনে হয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)