Thursday, 1 January 2026

জুতো পালিশের অভিজ্ঞতা

২৬ শে জানুয়ারি সকাল ৮ টায় আমার বহুদিনের অব্যাবহৃত পুরনো সাইকেলে চড়ে চলে এলাম বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের শ্রেষ্ঠা গার্লস হাই স্কুলের সামনে। তারপর স্কুল গেটের সামনে আমার ব্যাগ খুলে জুতো পালিশের সরঞ্জাম সাজিয়ে বসলাম। ২৯ বছর বয়সে এসে এই পেশায় আজ আমার প্রথম দিন। অবশ্য পেটের দায়ে এই কাজে আমি আসিনি, এসেছি আমার সাবমিসিভনেসের কারণে। আজ republic day এর কারনে আমার sector 5 এর অফিস ছুটি, তবে সব স্কুলের মত এখানেও একটু পরেই পতাকা উত্তোলন হবে। স্কুলের মেয়েদের কি চকচকে জুতো ছাড়া এই অনুষ্ঠানে মানায়? আমার ডেস্কের সামনে বোর্ডে লেখা জুতো পালিশ মাত্র ২ টাকায়! তার নিচে লেখা republic day offer, free shoe shine! ৮.৩০ এর কাছাকাছি একে এক মেয়েরা স্কুলে আসতে শুরু করল। বেশিরভাগের পায়ে সাদা স্নিকার অথবা কালো মেরি জেন শু। আমার পালিশ ডেস্কের সামনের লেখাটা চোখে পরতে প্রথম যে মেয়েটি এগিয়ে এল সে সম্ভবত ক্লাস ৯-১০ এ পড়ে। পরনে স্কুলের ক্লাস ৫-১০ এর সাদা শার্ট আর সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর কালো মেরি জেন শু। ফর্শা, বেশ সুন্দরী মেয়ে। আমার শু পালিশ ডেস্কের একদম কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল " আজ শু পালিশ ফ্রি?" আমি উত্তেজনা চেপে বললাম- " হ্যাঁ ম্যাডাম। আজ রেপাবলিক ডে অফার, শু পালিশ ফ্রি আজ!" " বাহ, ভাল করে পালিশ করে দে তাহলে!" মেয়েটি তার ডবল বয়সী আমাকে তুই বলে সম্বোধন করে ওর জুতো পরা ডান পা আমার পালিশ ডেস্কের উপরে তুলে দিল। আমি কয়েকদিন নতুন জুতো নিয়ে প্রাক্টিশ করা ছাড়া কখনো জুতো পালিশ করিনি। উত্তেজনায় আমার বুক ধুকপুক করতে লাগল। আমি দুই হাত বাড়িয়ে মেয়েটির জুতো পরা পা টা ধরে জুতোর তলাটা নিজের বাঁ হাতের তালুতে রাখলাম। তারপরে প্রথমে একটা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতো করে জুতোর তলাটা মুছে নিলাম। তারপর ব্রাশ দিয়ে জুতোর উপর দিকটা ঘসতে লাগলাম। খুব যত্ন সহকারে মেয়েটির জুতো ব্রাশ দিয়ে ঘসে ঘসে পরিষ্কার করতে লাগলাম। মেয়েটি ওর পাশে দাঁড়ানো ওর দুই বান্ধবীর সাথে ক্যাজুয়ালি গল্প করতে লাগল। ভাল করে পরিষ্কার করতে পারলে ওর দুই বান্ধবীর জুতোও পালিশ করতে পারব এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে খুব যত্ন করে মেয়েটির জুতো পালিশ করতে লাগলাম। ব্রাশ দিয়ে শুকনো ধুলো পরিষ্কার করার পরে একটা ভেজা কাপড় দিয়ে জুতোটা হালকা করে মুছলাম। মোছা শেষ হতে দেখি মেয়েটির জুতোতে কয়েকটা হালকা দাগ এখনো বোঝা যাচ্ছে। আমি ডান হাত দিয়ে অলিভ অয়েলে ভেজানো দামী আরেকটা নরম কাপড় দিয়ে মেয়েটির জুতোর দাগ মুছতে লাগলাম। ওর দুই বন্ধুর কথা থেকে ততক্ষনে জেনে গেছি ওর নাম অন্মেষা। অন্মেষা বেশ ক্যাজুয়ালি আমার বাঁ হাতের উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের ভর রেখে দাঁড়িয়ে আছে। আমার আজকের পোশাক দেখে কারো সন্দেহ হওয়ার কথা নয় যে আমি একজন নিম্নবিত্ত জুতো পালিশ করে পেট চালানো লোক। তাই দিব্বি ও আমাকে তুই করে বলছে যেটা আমার ভীষণ ভাল লাগছিল। মেয়েটির জুতো অলিভ অয়েলে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছে আবার একটা নরম পরিষ্কার কাপড়ে জুতোটা মুছলাম। তারপর যত্ন করে প্রথমে ক্লিনার স্প্রে দিয়ে ভাল করে মুছলাম। এরপর আবার একটা shine spray দিয়ে মুছলাম। যখন থামলাম তখন মেয়েটির জুতো এত চকচক করছে যে প্রায় আমার মুখ দেখা যাবে! মেয়েটি আমার জুতো পালিশে বেশ খুশি হল। আমার হাতের পাতার উপরে রাখা অবস্থাতেই জুতোটা ঘুরিয়ে কয়েকবার দেখে বলল- " ফ্রি তে এত্ত ভাল জুতো পালিশ! বেশ ইম্প্রেসিভ!" আমি বললাম " thank you madam. তবে জুতোর সোল পালিশ এখনো পুরো ক্লিন হয়নি। সেটা করে আপনার বাঁ জুতোটা পালিশ করব।" এই বলে আমি আবার একটা সামান্য ভেজা কাপড় দিয়ে অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পরিষ্কার করতে লাগলাম। পাশ থেকে ওর এক বান্ধবী বলল, " এখন সবাই জিওর ট্রেন্ড ফলো করছে। প্রথমে অনেকদিন ফ্রিতে ভাল সার্ভিস দিয়ে হ্যাবিট করিয়ে দেবে। পরে আস্তে আস্তে চার্জ নেওয়া শুরু করবে আর রেগুলার সেটা বাড়াতে থাকবে।" অন্মেষা বলল, " আমার পকেট থেকে টাকা বার করা অত সোজা নয়। যতদিন ফ্রি পাচ্ছি, বা এই ২ টাকায় ততদিন আমি রাজি!" আমি অন্মেষার ডান জুতোর তলাটা পালিশ করা সেরে বললাম, " আপনি আমার first customer madam. আপনার জন্য আমার সার্ভিস always free!" অন্মেষা ওর ডান জুতো পরা পা নামিয়ে বাঁ জুতো পরা পা আমার ডান হাতের তালুতে তুলে দিল। আমি জুতো পালিস করতে শুরু করার আগেই শুনি ওর এক বান্ধবী বলছে " এটা কিন্তু ঠিক না। অন্মেষা ফ্রি তে সার্ভিস পেলে আমরাও সেটা ডিজার্ভ করি!" আমার বেশ ভাল লাগছিল যা হচ্ছে। আমি তো আর টাকা রোজগারের জন্য জুতো পালিশ করছি না। করছি মেয়েদের কাছে সাবমিট করার জন্য। আমি নরম গলায় বললাম " শিওর ম্যাডাম। আপনাদের ৩ জনের জন্যই আমার সার্ভিস লাইফটাইম ফ্রি!" এই বলে আরো যত্ন করে অন্মেষার বাঁ জুতো পালিশ করতে লাগলাম।