Wednesday, 1 October 2014

আমার বোন স্বাগতা

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

আমার বোন স্বাগতা / দেবী স্বাগতা


কয়েক বছর আগের এক মহালয়ার সকাল । আমি তখন কলেজে প্রথম বর্ষে পড়ি । বেশ জোরে বৃষ্টি পরছিল বাইরে, আমি টিভির চ্যানেল ঘোরাতে ঘোরাতে বোর হচ্ছিলাম । হঠাত আমার ছোট বোন স্বাগতা এসে বলল, – দাদা, মহালয়া মহালয়া খেলবি ? আমি বোর হচ্ছিলাম, কিছু না করার চেয়ে বোনের সাথে খেলা ভাল । আর আমাদের সম্পর্ক ছোট থেকেই খুব ভাল । আমার ৫ বছরের ছোট ফরসা সুন্দরী বোনকে আমি খুব ভালবাসতাম ।

 আমি বোনের দিকে তাকিয়ে বললাম ,- কিরকম হবে খেলাটা । বোন আমার দিকে তাকিয়ে ওর ফরশা মুখে মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে বলল, – আমি দূর্গা হব, আর তুই অসুর । আমি তোকে যুদ্ধে হারাব, তুই হেরে গিয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইবি ।
 আমার ক্লাস ৮ এ পরা বোন স্বাগতা আমার থেকে অনেক ছোট, ৫ বছরের। আমাদের সম্পর্ক খুব ভাল, একদম বন্ধুর মত । তবে আশ্চর্যের বিষয়, ও এত ছোট হওয়া সত্বেও আমি রাখি, বিজয়া, বা ভাইফোটায় ওকে প্রণাম করি , ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে । বাবা মারা যাওয়ার পর মা আমাদের এভাবেই বড় করেছে, শিখিয়েছে, ছেলেদের উচিত সবসময় মেয়েদের সম্মান করা । আমার কখনই খারাপ লাগেনি বোনকে প্রনাম করতে , বরং ভালই লেগেছে । আজ ছোট বোন স্বাগতা দেবী দুর্গা সেজে আমাকে মারবে শুনেও আমার খুব ভালই লাগল ।

 আমি টিভি বন্ধ করে উঠে দাড়িয়ে বল্লাম, -ঠিক আছে, চল, এই খেলাই খেলি । বোন ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, – আমি দূর্গা, আর তুই অসুর । খেলার সময় আমি কিন্তু তোকে অনেক মারব, তুই আমাকে মারতে পারবি না, বাধাও দিতে পারবি না ।
 আমি বললাম ,- সে তো বটেই, দেবী দুর্গা তো অসুরকে মারবেই । বোন কোথা থেকে একটা টিনের ত্রিশুল নিয়ে এসে বল্ল,- চল দাদা, খেলা শুরু করি । মা ততক্ষনে রান্না সেরে টিভির ঘরে বসেছে টিভি চালিয়ে । বোনকে ত্রিশুল হাতে দেখে বলল,- কি খেলবি তোরা ?

বোন স্বাগতা বলল,- মহালয়া খেলা, আমি দূর্গা সাজবো, আর দাদা হবে অসুর । মা বলল, – বেশ তোরা খেল, আমি টিভি দেখি । বোন বলল ,- ঠিক আছে মা । তারপর আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল,-নে, খেলা শুরুর আগে দেবী দুর্গাকে প্রণাম কর ।
 বোনের পরনে লাল-সাদা চুরিদার, পায়ে নীল চটি । আমি বোনের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । সত্যি দেবী দুর্গাকে প্রনাম করছি ভেবে মনে ভক্তি এনে নিজের ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পরলাম । নিজের কপালটা আসতে আসতে ঘসতে লাগলাম ছোট বোনের পায়ের উপর । মা টিভি ছেড়ে আড়চোখে আমাদের দেখতে লাগল । কেন জানিনা, আমার খুব ভাল লাগছিল ছোট বোনকে দেবী হিসাবে ভাবতে, ওকে দেবী দূর্গার মত ভক্তিভরে প্রণাম করতে । প্রায় ৫ মিনিট বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইলাম আমি।

 ৫ মিনিট পর বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর রেখে বল্ল,- দেবী দূর্গার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে রইল অসুর । আমি আমার বোন স্বাগতার দুই পায়ের উপর একবার করে চুম্বন করে বল্লাম,- ধন্যবাদ দেবী । মা পাশ থেকে বলল,দাদার সাথে এরকম খেলিস মাঝে মাঝে । ও তাহলে মেয়েদের শ্রদ্ধা করতে শিখবে । বোন বলল , – হ্যা মা আমরা প্রায়ই এরকম খেলব এবার থেকে । তারপর আমাকে বলল,- চল দাদা, এবার আসল খেলা শুরু করি । আমি মাথা নিচু করে বললাম,- চলো দেবী ।
 শুরুতেই বোন আমাকে পরপর কয়েকটা চড় মারল, তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে আমাকে হাটুগেরে বসিয়ে দিল । তারপর কিছুক্ষন যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা হল, দেবীরুপী বোন আমাকে মারল, আর আমি মার খেলাম, মাঝে ২ -১ টা মার আটকালাম। অসুর হয়ে দেবীকে মারতে যাওয়ার চেষ্টাও করলামনা । এরপর বোন ওর চটি পরা ডান পাটা আমার কোলের উপর তুলে দিয়ে , ত্রিশুলটা পাশে রেখে আমার দুই গালে একের পর এক জোরে জোরে থাপ্পর মারতে লাগল । আমার দুই গাল লাল হয়ে গেল বোনের থাপ্পর খেয়ে । মা হাসিমুখে টিভি ছেড়ে ছোট বোনের হাতে আমার মার খাওয়া দেখতে লাগল ।

 এরপর বোন আমার কোলের উপর রাখা ডান পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাড়াল , চটি পরা বা পা দিয়ে ঠেলে আমাকে নিচে ফেলে দিল । তারপর চটি পরা বা পাটা আমার দেহের পাশে রাখা ডান হাতের তালুর উপর রেখে চটি পরা ডান পাটা আমার বুকের উপর তুলে দিল। ত্রিশুলটা আমার বুকে স্পর্শ করে বলল, কি রে অসুর, বুঝতে পারলি তোর স্থান কোথায় ? এই বলে বোন স্বাগতা ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে মায়ের সামনেই আমার ঠোটদুটো ওর চটি পরা পায়ের তলায় ঘসতে লাগল।
 আমি গভীর আবেগে আমার ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার চটি পরা ডান পায়ের তলায় চুমু খেলাম আমাদের মায়ের সামনেই , – হে দেবী , আমার স্থান, তোমার জুতোর তলায় । দয়া করে আমাকে প্রানে মের না , এভাবেই তোমার চটির তলায় থেকে পুজিত হতে দাও তোমার সঙ্গে । বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল ,- তোকে প্রাণে মারব না, কিন্তু তোকে তোর পাপের শাস্তি পেতেই হবে । এই বলে বোন চটি পরা ডান পাটা আমার নাকের উপর রেখে বা পাটা তুলে পুরো দেহের ভর আমার নাকের উপর রাখা চটি পরা ডান পায়ের উপর নিয়ে আসল ।

বোনের পায়ের চাপে আমার নাকটা প্রায় মুখের সাথে মিশে যাবার উপক্রম হল । প্রবল ভক্তিতে আমি বোনের উদ্দেশ্যে দেবী বন্দনার মন্ত্র পড়তে লাগলাম । ছোট বোন স্বাগতাকে সত্যি আমার স্বর্গের দেবী দূর্গা মনে হতে লাগল । প্রায় ৫ মিনিট পর বোন আবার ওর চটি পরা বা পাটা আমার ডান হাতের তালুতে নামিয়ে দিল , আর চটি পরা ডান দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমার কপাল, নাক , ঠোট সর্বত্র আছড়ে পরতে লাগল আমার দেবীসম ছোট বোনের চটি পরা ডান পা ।

 একটু পরে আমার বোন ওর নীল চটি পরা দু পা দিয়েই আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল, আমাদের মায়ের সামনেই । আমি বোন স্বাগতার উদ্দেশ্যে দেবী দুর্গা বন্দনার মন্ত্র পাঠ করে চল্লাম । প্রবল যন্ত্রনাহ আমি বারবার কুকড়ে যেতে লাগলাম । তবু বোন জোরে জোরে আমার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেল , আর মাঝে মাঝে চটি পরা পায়ে আমার মুখে উঠে দাড়াতে লাগল । বোনের প্রতি প্রবল ভক্তিতে মন ভরে গেল আমার । প্রায় ৩০ মিনিট আমার মুখের সর্বত্র লাথি মেরে বোন থামল, একটা চেয়ার টেনে ঠিক মায়ের পাশেই বসে পরল ।

 আমি ৪ হাত পায়ে বোনের কাছে এগিয়ে গেলাম । বোনের নীল চটি পরা দুই পায়ে উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, – হে দেবী দূর্গা, তোমার ভক্ত এই অসুরকে তোমার পদতলে স্থান দাও । আমি পাগলের মত চুমু খেতে লাগলাম বোনের দুই পায়ে, বোনকে সত্যি দেবী দুর্গা বলে মনে হতে লাগ্ল আমার । মা বল্ল, – ছোট বোন মানে দাদাদের কাছে দেবী দূর্গাই, এখন থেকে তুই বোনকে দেবী দুর্গার মতই ভক্তি করবি। আমি বোনের দুই পায়ে একের পর চুম্বন করতে করতে অস্ফুট স্বরে মাকে বললাম,- হ্যা মা ।

 বোন একটা পা আমার মাথার উপর বোলাতে লাগল, আমি ওর অন্য পায়ে প্রবল ভক্তিতে চুম্বন করতে লাগলাম । এক্টু পরে আমি সোজা হয়ে বোনের পায়ের তলায় শুলাম । বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার ঠোটজোড়া প্রথমে ঘস্তে লাগল ওর চটি পরা পায়ের তলায় । তারপর দেবী স্বাগতা আদেশ করল আমাকে জিভ বার করে দেওয়ার জন্য । আমি জিভ বার করে দিতে দেবী আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর নিজের চটির তলা ঘষে মুছতে লাগল । প্রথমে বা চটির তলা, তারপর ডান চটির তলা, আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে নিল স্বাগতা ।

 এরপর স্বাগতা আদেশ করল ওর জুতোগুলো নিয়ে আসতে । আমি ওর জুতো গুল মাথায় তুলে নিয়ে এলাম । বোন আদেশ দিল, ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরে জুতোগুলো একের পর এক ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলা গুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে । আমি একের পর ওর জুতোগুলো ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলাগুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে লাগলাম। আমার দেবী স্বাগতার জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম আমি, আর বোন মাঝে মাঝে আমার মুখে ওর জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল ।

 সেই থেকে আমার বোন স্বাগতা আমার দেবী দূর্গা, আমার প্রভূ। এখনও ও আমার ছোট বোন, ও অসুস্থ হলে আমি ওর মাথায় হাত বুলিয়র দিই ওর পাশে বসে । এখনও ও আমার প্রিয় বন্ধু, প্রাণের কথা আমাকে না বলে ও থাকতে পারে না । সেই সঙ্গেই ও আমার প্রভু । আমি দুবেলা ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম ওকে, ওর পা ধুয়ে জল খাই। বোন আমার গলায় পোশা কুকুরের মত কলার পরিয়ে রাখে। ও যখন টিভি দেখে , ওর চটি পরা পা দুটো রাখে আমার মুখের উপর । আমি ভক্তিভরে ওর পা টিপে দিই ঘণ্টার পর ঘণ্টা । স্বাগতার মন খারাপ হলে আমার মুখের উপর বুটজুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মেরে মন ভাল করে নেয় ও ।

 আমার মা বলে, দাদা আর বোনের সম্পর্ক এরকমই হওয়া উচিত । দাদার কাছে ছোট বোন মানে একইসঙ্গে ছোট বোন, বন্ধু, প্রভু ও দেবী দুর্গা । ছোট বোনের সেবাই দাদাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হওয়া উচিত । আমিও বোন স্বাগতাকে ঠিক এই চোখেই দেখি । ওকে আর ওর সব বান্ধবীকে দেবী বলে ভাবি । আমি জানি , স্বাগতার পায়ের তলাতেই আমার স্বর্গ, ওর জুতোর তলার ময়লাই আমার জন্য অমৃত ।


Monday, 1 September 2014

আমি আর দিদি

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

১০ বছর আগের একটা শীতের সন্ধ্যা । আমি তখন ক্লাস ৯ এ পড়ি । বাবা , মা আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া দিদি টিভি তে ইংলিশ মুভি দেখছিল।  বাবা আর মা বসে ছিল খাটে ।  দিদি একটা চেয়ারে ।  আমি দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে শুয়েছিলাম । দিদির পরনে ছিল ছাই রঙের জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট । পায়ে নীল চটি । সবাই মন দিয়ে সিনেমা দেখছিল ।
আমি ইংলিশ ভাল বুঝতাম না বলে বারবার প্রশ্ন করে ওদের বিরক্ত করছিলাম । দিদি রেগে গিয়ে শেষে বললো, পড়াশোনা না করলে ইংলিশ বুঝবি কি করে ? তোকে সিনেমা দেখতে হবে না । পড়াশোনা কর গিয়ে । আমি তখন বললাম, “ সরি দিদি , ভুল হয়ে গেছে । আর প্রশ্ন করব না 
দিদি মুচকি হেসে বলল  আবার প্রশ্ন করলে তোকে কিভাবে চুপ করাতে হবে আমার জানা আছে ।
একটু পরে পুরন কথা ভুলে আমি আবার প্রশ্ন করে ফেললাম ।  আমি উত্তরের জন্য দিদির দিকে তাকিয়েছিলাম । দিদি আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল  তোকে কিভাবে থামাতে হয় আমার জানা আছে।
এই বলে দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা বাবা মায়ের সামনেই আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে হেসে বলল, “ দেখি , এবার তুই কিভাবে কথা বলিস। “  বাবা মা দিদিকে কিছুই বলল না । মন দিয়ে এভাবে সিনেমা দেখে যেতে লাগলো যেন কিছুই হয়নি । দিদি মিনিট দুয়েক পরে চটি পরা বাঁ পা টাও আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখের ওপরে একটা আলতো লাথি মেরে বলল, “ চুপচাপ শুয়ে না থেকে বরং আমার পা দুটো একটু টিপে দে ।
বাবা মায়ের সামনেই দিদি আমার মুখের ওপর চটি পরা পা রেখে বসে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে পা টিপতে হুকুম করছে ! এতদিন এভাবে দিদির সেবা শুধু স্বপ্নেই করেছি ! কেন জানিনা , দিদির সেবা করছি এই চিন্তা আমাকে অদ্ভুত আনন্দ দেয় চিরকাল । আর আজ আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে !
আমি হাত বাড়িয়ে দিদির পা দুটো টিপতে লাগলাম । আর দিদি আমার মুখে  ওর চটির তলা দুটো আসতে আসতে ঘষতে লাগলো  আমার ঠোঁট দুটোকে ডান চটির তলায়, আর কপালটা বাঁ চটির তলায় ঘষে খেলতে লাগ্ল দিদি। আমি দিদির পা দুটো পালা করে টিপতে লাগলাম। আর মাঝে মাঝে আলতো চুম্বন করতে লাগলাম দিদির ডান চটির তলায় ।

একটু পরে অ্যাড দিল টিভি তে । মা দিদিকে বলল, “ তুই ভাইয়ের মুখে চটি পরা পা রেখে বসে ওকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিস তাও ও কিছু বলছে না ! কি আশ্চর্য !
দিদি আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল  ভাইয়ের মুখে দিদি পা রেখেছে এটা তো ভাইয়ের কাছে গর্বের ব্যাপার । দেখবে ও আমাকে কত শ্রদ্ধা করে ? এই বলে দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মুখের একটু ওপরে ধরে বলল , আমার চটির তলায় চুমু খা তো ভাই । আমি একবার বাবা মায়ের দিকে দেখলাম । ওরা আগ্রহ ভরে দেখছে আমি দিদির কথা শুনি কিনা ।  আমি তারপর দিদির মুখের দিকে তাকালাম । ফর্সা সুন্দরী দিদি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে কখন আমি ওর চটি পরা পায়ের তলায় চুমু খাব আমাদের বাবা মায়ের সামনে ।  আমি দেরি করলাম না । আমার মাথাটা তুলে ঠোঁটজোড়া ছোঁয়ালাম দিদির চটির তলায় । গাঢ় চুম্বন করলাম দিদির চটির তলায় । পরপর তিনবার । দিদি ডান পা টা আমার গলার ওপর রেখে বাঁ পাটা আমার ঠোঁটের ওপর ধরল । আমি একিরকম আবেগের সঙ্গে দিদির বাঁ চটির তলাতেও চুম্বন করলাম । পরপর ৩ বার । দিদি চটি পরা পা আমার চুলের ওপর বুলিয়ে আমাকে আদর করতে করতে বলল  এবার ভাল ভাইয়ের মত দিদির চটির তলা মোছার জন্য জিভটা বার করে দে তো । আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মত আমার প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম। দিদির চটির তলা মোছার জন্য যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভটা । আর দিদি বাবা মায়ের সামনে ওর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার জিভের ওপরে নামিয়ে দিল। আমার জিভের ওপর ঘষে পরিস্কার করতে লাগল নিজের চটির তলা । আমি নিজের বাবা মায়ের সামনে নিজের দিদির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম পরম ভক্তিতে ।    



Friday, 1 August 2014

ট্রেনে স্বপ্নের রাত

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



 আমি কলকাতা থেকে রাত এর ট্রেনে শিলিগুড়ি তে আমার বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে খেয়ে সবাই শুয়ে পরল। আমার সীট নিচে। উল্টো দিকের সীটে আমাদের কলেজের একটা জুনিয়র মেয়ের সীট পরেছিল, অর নাম অপরুপা। নামের মতই অপরুপ দেখ্তে ওকে, সারা কলেজের ড্রিম গার্ল। আমি একবার কথা বলার চেষ্টা কর্লাম, ও পাত্তা দিল না, শুয়ে পরল। আমিও শুয়ে পরেছিলাম। একটু পরে এক station থেকে  টে মেয়ে উঠলো ।দেখে মনে হয় ১৮ মত বয়েস ওদের। ৩ জনের এ পরনে টপ ,জিন্স আর টেনিস শু । ওরা আমাকে উঠিয়ে দিয়ে বল্ল ওরা বসবে ওই সীটে । আমি অবাক হয়ে বললাম , - এটা আমার সীট। আমি তোমাদের সীট ছেড়ে দিলে আমি বসব কোথায় ?
একটা মেয়ে হাসি মুখে মেঝের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, - কেন, নিচেই তো শুতে পারিস।
 আমার অপরিচিত ৩ তে মেয়ে, আমার চেয়ে ছোট, আমাকে তুই বলছে? আমার কি যে হল, আমি আমার বিছানা নিচে মেঝেতে নামিয়ে দিয়ে ওদের বল্লাম, - ঠিক আছে, তোমরা মেয়ে, তোমরা বস। আমি নিচে শুয়ে পরছি। ওরা ৩ জনেই গল্প করতে করতে বসে পরল। আমাকে এক্বার thanx ও বল্ল না। আমি ওদের ৩ জনের ঠিক পায়ের কাছে বিছানা করে শুয়ে পরলাম । মেয়ে ৩ টের পায়ের কাছে শুয়ে একটু ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙ্গল বুক আর পেটে কিছুর স্পর্শে। তাকিয়ে দেখি ওদের মধ্যে ২ জন মেয়ে আমার পেটে আর বুকে নিজেদের জুতো পরা পা দুটো তুলে বসে গল্প করছে। ওরা আমাকে তাকাতে দেখে হাসল । . যে মেয়েটা আমার বুকে পা রেখে বসেছিল  সে বল্ল  তুই যখন আমাদের পায়ের কাছেই শুয়ে আছিস তখন ভাবলাম তোকে footrest  হিসাবে ব্যবহার করি।
জানালার পাশে যে মেয়েটা বসেছিল সে পা দুটো রেখেছিল আমার মাথার পাশে। সে আমার চোখে চোখ রেখে বল্ল, – আমিও তোর মুখে পা রাখব ভাবছি। তুই তো এখন আমাদের ফুটরেস্ট।
 আমি বাধা দিতে চাইছিলাম। কিন্তু কি যে হল, মেয়েটার সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এল  নিষ্চয় প্রভু। আমার মুখে তুমি পা রাখবে এ তো আমার পরম সৌভাগ্য। আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পরল। তারপর আমার প্রভু ওর ২ টো পাই আমার মুখের অপর রেখে ওর জুতোর তলা দুটো আমার সারামুখে ঘসতে লাগল।
আশ্চর্যের ব্যাপার, খারাপ লাগার বদলে এক দারুন ভাল লাগায় মন ভরে গেল।প্রভু কিছুক্ষন পর আমার মুখে জুতোর তলা ঘসা থামিয়ে আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বল্ল, - প্রভুর জুতোর তলায় ময়্লা লাগলে পোষা কুকুর কিভাবে পরিস্কার করে জানিস ?
 আমি মুখে কিছু না বলে জিভ টা লম্বা করে বার করে দিলাম। ওপরে হাসির রোল উঠলো আর আমার প্রভু আমার জিভে জুতোর তলা ঘসে পরিস্কার কর্তে লাগল। যেটা আমার জিভ, সেটা আমার অপরিচিত এই মেয়েটির কাছে পাপোশের বেশি কিছু না। ও আমার জিভে ঘষে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ওর ডান জুতোর তলা একদম নতুনের মত  পরিস্কার করে ফেলল। তারপর অন্য ২ টো মেয়েও এক এক করে ওর সাথে জায়্গা বদল করে আমার জিভ আর মুখ কে পাপোশ হিসাবে ব্যাবহার করল। সকাল হতে ওরা মালদা তে নেমে গেল। আমাকে যাওয়ার আগে বল্ল্ল, - গুড বাই ডগি , তারপর পা দিয়ে আমার মাথা ঘষে আদর করে চলে গেল ওরা ৩ জনে।


 আমি এই ঘটনার ঘোর কাটিয়ে উঠে বসতে যাব আমার সীটে ,
দেখি ঘুম ভেঙ্গে উঠে অপরুপা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে ওর দিকে তাকাতে দেখে গম্ভীর গলায় বলল, - উঠে কোথায় যা্চ্ছিস কুত্তা, আমার ফুটরেস্ট দরকার।
 আমার কি যে হল, হামাগুড়ি দিয়ে অপরুপার কাছে গিয়ে ওর জুতোর অপর চুমু খেতে লাগলাম। ওর পরনে টপ আর জিন্স , পায়ে মিলিটারী স্টাইলের কালো বুট জুতো। আমি আমার কলেজের জুনিয়র মেয়ে অপরুপার একটা বুটের ওপর চুম্বন করতে লাগলাম, ও অন্য বুট জুতো পরা পা টা আমার মাথায় ঘষে আমায় আদর করতে লাগল।
 একটু পরে অপরুপা হুকুম করল,  সোজা হয়ে শো।

আমি সোজা হয়ে অপরুপ সুন্দরী অপরুপার পায়ের তলায় শুলাম আর জিভটা বার করে দিলাম যতটা সম্ভব। অপরুপা আমার মুখ আর জিভে বুট জুতোর তলা বুলিয়ে আদর করতে লাগল আমাকে। আমার প্রভু অপরুপার জুতোর তলা, জুতোর তলার প্রতিটা খাজ ও আমার জিভের সাহায্যে চেটে নতুনের চেয়েও বেশি পরিস্কার করে দিলাম। আমার গলায়  ট্রেনে ব্যাগ বাধার লোহার চেন টা পরিয়ে দিয়ে অপরুপা  বলল, - আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা। সবসময় আমার পায়ের কাছে থাকবি, এমনকি কলেজে ফিরেও। নিজের সৌভাগ্যকে বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। যে মেয়ের পাশে বসার সৌভা্গ্য কতো ব্রিলিয়ান্ট ছেলের ও পুরণ হয় না, আমি এখন থেকে রোজ তার পায়ের স্পর্শ পাব ? আমি আনন্দে ডাক ছাড়লাম, ভঊউ।  ট্রেন স্টেশনে এসে পৌছালে অপরুপা আমার গলার চেন ধরে টানতে টানতে নিয়ে চললো। পিছনে ওর সব মাল বইতে বইতে চললাম আমি, ওর গর্বীত ক্রীতদাস।


Tuesday, 1 July 2014

ফুটবল ম্যাচ ( দিদি ভারশন )

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



সেদিন ছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল। আমি ফুটবল দেখ্তে খুব ভালবাসতাম। সারাদিন অপেক্ষা করেছিলাম কখন খেলা শুরু হবে। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার সময় হলেও আমার ৩ বছরের বর দিদি আর মা tv তে সিনেমা দেখ্তে লাগ্লো। মা খাটে আর দিদি চেয়ারে বসে ছিল। আমি আমার ক্লাস ১১ এ পরা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোর করে বললাম দিদি, প্লিজ আজ এক্টু খেলা দেখ্তে দিবি আমাকে?” এক্জন ছোটো ভাই হিসাবে বড় দিদির কাছে অনুরোধ ছারা আর কি কর্তে পারি আমি? দিদি কিছু বল্লো না, TV দেখে যেতে লাগ্লো। আমি আমার সুন্দরী দিদির লাল চটি পরা সুন্দর পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে ঘস্তে থাকলাম, “প্লিজ দিদি, এক্টা দিন, আমার অপর এক্টু দয়া কর আজ। অনেক্ষণ ওর পায়ে মাথা ঘসার পর দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল, “ একটু পা টিপে দে আমার , তার পর দেব। আমি দিদির সুন্দর পা দুটো কোলে তুলে যত্ন করে টিপ্তে থাকলাম। ৩০ মিনিট পর দিদিকে বল্লাম,”দিদি, প্লিজ এবার এক্টু দে, ৩০ মিনিট খেলা হয়ে গেল। ছোট ভাইয়ের ওপর এক্টু দয়া কর আজ। দিদি ওর চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখে সজোরে লাথি মার্লো এক্টা।  দিদির কিভাবে সেবা কর্তে হয় জানিস না জানোয়ার ? এভাবে উদাসীন হয়ে পা টিপবি আর তার জন্য তোকে খেলা দেখ্তে দিতে হবে ? ভাল করে ভক্তি ভরে পা টেপ, এমন ভাবে যেন মনে হয় তুই তোর প্রভুর পা টিপছিস।  আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বলি, “নিস্চয় দিদি, তুই তো আমার প্রভুই। আমি দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরি, দিদি বিনা দ্বিধায় আমাদের মায়ের সাম্নেই আমার মুখের ওপর ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দেয়। মা বলে, “ ভাল ভাইয়ের মত বড় দিদির সেবা কর। আমি বলি করছি মা। দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা রাখে আমার ঠোঁটের ওপর, আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে খেলতে থাকে ওর চটির তলা দিয়ে। আর ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘস্তে থাকে আমার চোখ আর কপালের ওপর। আমি দিদির পা বেশ মন দিয়ে টিপ্তে থাকি। দিদি খেলতে থাকে আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে, ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে । ওর চটির তলাটা বেশ ময়লা আমার ঠোঁটের ফাক দিয়ে দিদির চটির তলার ময়্লা মুখে ঢুকে যেতে থাকে। আমার কেনো জানিনা অদ্ভুত ভাল লাগ্তে থাকে মায়ের সাম্নে এভাবে দিদির সেবা করতে। আমি আরো মন দিয়ে টিপ্তে থাকি দিদির পা, আর চুম্বন কর্তে থাকি দিদির ডান চটি পরা পায়ের তলায়। ঠিক সেই সময় টিভির আওয়াজ শুনে বুঝ্তে পারি দিদি খেলা দিয়েছে, কিন্তু দিদির বাঁ পা টা ঠিক আমার চোখের ওপরে থাকায় আমি কিছু দেখতে পাইনা। দিদির দয়া পাওয়ার আশায় আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে থাকি, ওর ডান চটির তলায় আর গভীর ভাবে চুম্বন কর্তে থাকি। দিদি খেলা দেখতে দেখতে আমার মুখ নিয়ে খেলতে থাকে ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে।

 হঠাৎ এভাবে দিদির সেবা কর্তে পারার জন্য কেমন এক্টা অদ্ভুত ভালোলাগা ঘিরে ধরে আমাকে। আমার সামনের টিভি তে আমার প্রিয় দল স্পেন ওয়াল্ড কাপ খেল্ছে, কিন্তু আমি দেখতে পারছি না, কারন আমার ৩ বছরের বড় দিদি ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার চোখ ঢেকে রেখেছে, আর ওর অন্য পা দিয়ে খেল্ছে আমার ঠোঁট নিয়ে । একথা ভাবতেই এক অপূর্ব আনন্দে মন ভরে যায়, পরম ভক্তিতে দিদির পা টিপ্তে থাকি আমি। দিদি ওর ডান পা দিয়ে আমার ঠোঁট টা খুব জোরে ঘস্তে থাকে। আমার দিদি ওর চটির তলা দিয়ে একবার আমার ঠোঁট একদিকে বেঁকাতে থাকে, আর তারপর অন্যদিকে। আমার এই খেলা দেখ্তে না পাওয়া আর সেই অবস্থায় এভাবে দিদির সেবা কর্তে কেন জানিনা অপুর্ব লাগতে থাকে। এই না পাওয়ার মধ্যেই কি এক অনন্ত পাওয়াকে আবিস্কার করি আমি। মা বলে দিদিকে, ” tv র চেয়ে তুই ভাইয়ের মাথাকে বল বানিয়ে তোর পা দিয়ে যেই ফুটবলটা খেলছিস, সেটা দেখতে অনেক বেশী ভালো লাগ্ছে। দিদি বলে, আমি ওদের চেয়ে অনেক ভাল ফুটবলার, দেখবে কেমন কিক মারবো এই বলটায় ? এই বলে দিদি ওর ডান পা তুলে আমার গালের ওপর সজোরে এক্টা কিক মারে, ঠিক এমন ভাবে যেন ও ফুটবলার দের মত বলে কিক কর্ছে।
মা হেসে ওঠে দিদিকে আমার মুখে কিক মার্তে দেখে। আমার দিদি আমার মুখ নিয়ে ফুটবল খেলা চালিয়ে যেতে থাকে। কানে শুনতে পাই টিভির football কমে্ট্রি, কিন্তু চোখে দেখতে পাই আমার মুখকে বল বানিয়ে দিদির ফুটবল খেলা। আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র দিদি লাথি মার্তে থাকে জোরে জোরে, আমি খেলার কমেন্ট্রির সাথে শুনতে পাই মা আর দিদির হাসি। এক্টু পরে মা বলে কিন্তু খেলোয়াড়রা তো চটি পরে খেলে না, জুতো পরে খেলে। দিদি বলে, “তাই তো। তারপর আমার মাথার ওপর লাথি মেরে বলে, “যা, আমার জুতোটা নিয়ে আয়। আমার মন তখন দিদির হাতে অপমানিত হওয়ার আনন্দে পরিপুর্ন, আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করি। তারপর ৪ হাত পায়ে গিয়ে জুতোর তাক থেকে দিদির সাদা স্নিকার টা মুখে করে নিয়ে আসি। আমাকে ৪ হাত পায়ে দিদির জুতো মুখে করে আন্তে দেখে মা আর দিদি হাসিতে ফেটে পরে।

আমি দিদির পায়ের সাম্নে হাটুগেড়ে বস্তে দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বলে আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে। আমি মাথা নিচু করে দিদির পায়ে জুতো পরিয়ে দি। আগের মত শুয়ে পর আমার পায়ের তলায়। এখন তুই ফুটবল আর আমি ফুটবলার। এখুনি world cup final শুরু হবে। এক অদ্ভুত আনন্দ আমার দেহ মন্কে ঘিরে ধরলো । আমি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম ।
দিদি আমার মুখে জুতো পরা ডান পা টা রেখে জুতোর তলাটা আমার মুখে ঘস্তে ঘস্তে বলে, “মা, তুমি কমেন্ট্রী দাও । মা কমেন্ট্রী দিতে থাকে, আপনারা দেখছেন বিশ্ব কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ, এখুনি খেলা শুরু হবে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি(আমার দিদির নাম ) তার জুতো পরা ডান পা টা বলের ওপর রেখে দাড়িয়ে আছেন আর বলের ওপর নিজের জুতোর তলাটা ঘসছেন। আমরা অনুভব কর্তে পারি বলটা নিজেকে কত ভাগ্যবান ভাব্ছে। প্রিথিবীতে বোধহয় এমন কোন ছেলে নেই যে ওই বলটার জায়্গায় থাক্লে খুশী হত না। মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে। দিদি ওর জুতোর তলা আমার মুখের সর্বত্র ঘস্তে থাকে। হঠাত দিদি পা তুলে আমার মাথার এক্পাশে লাথি মারে। শুনতে পাই মা কমেন্ট্রী কর্ছে , “দেখ্তে দেখ্তে খেলা শুরু , বলে লাথি মেরে খেলা শুরু করলেন প্রিথিবির শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলী। বলটা এক মেয়ের পা থেকে আরেক মেয়ের পায়ে ঘুর্ছে। অনবদ্য পাসিং আর কিকিং আম্রা দেখ্তে পাচ্ছি খেলার শুরু থেকেই। আজি প্রিথিবির প্রথম ম্যাচ যেখানে মেয়েরা বলের বদলে এক্টা জীবন্ত ছেলেকে ফুটবল হিসাবে ব্যাবহার কর্ছে। মান্তেই হবে এই খেলা অনেক বেশী আকর্ষনীয় ।  মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে আর দিদির স্নিকার পরা দুই পাই আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো। আমার নাক, মুখ, ঠোঁট ,গাল, কপাল, চোখ সর্বত্র লাথি মার্তে লাগ্লো আমার দিদি জোরে জোরে, ওর জুতো পরা পা দিয়ে, এমন ভাবে যেন সত্যিই ও আমাকে বল বানিয়ে football খেল্ছে। ব্যাথা লাগা সত্যেও আমি মোহিত হয়ে গেলাম এই খেলায়, বুঝলাম মেয়েরা যখন ছেলেদের মুখ্কে বল বানিয়ে ওদের পবিত্র পা দিয়ে ছেলেদের মুখে লাথি মেরে খেলে, সেটাই আসল ফুটবল খেলা।

দিদির পা আমার মুখের সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো আর এক গভীর ভাল লাগা আমাকে আচ্ছন্ন করে তুল্লো। এক্টু পরে দিদি চেয়ারে বসে পরলো, মা বল্তে লাগ্লো  এখন হাফ টাইম । সব মেয়ে খেলোয়াড়ের জুতো খেল্তে খেল্তে নোংরা হয়ে গেছে। তাই এই জিবন্ত বল এখন চেটে পরিস্কার করে দেবে মেয়েদের জুতো। দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বল্লো  জিভ বার কর কুত্তা । আমার বুঝ্তে অসুবিধা হলনা কেন দিদি আমাকে জিভ বার কর্তে বল্ছে। আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ। দিদি ওর ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল আমার সম্পুর্ন বার করে দেওয়া জিভের ওপর, জুতোর তলাতা ঘস্তে লাগ্লো আমার জিভের ওপরে। দিদি ওর ডান জুতোর তলাটা ঘষে চললো আমার জিভে, একবার দিদির জুতোর হীল আমার জিভ স্পর্শ করছিল , পরমুহুর্তেই ওর জুতোর সামনের অংশ আমার জিভ ছুচ্ছিল। এই জুতো পরে দিদি স্কুলে যায়, মাঠে খেলে। জুতোর তলাটা কাদা, আর মাটিতে ভরা। মুখ জুড়ে কাদা আর মাটির অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম আমি, কিন্তু সেটা আমার পবিত্র দেবীসম দিদির জুতোর তলা থেকে আস্ছে এই চিন্তা ওই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল আমার কাছে। দিদির জুতর তলা থেকে ওই ময়্লায় আমার মুখ ভরে যেতে লাগ্লো, আর নিজের দিদির জুতোর তলার ময়্লা পরম আনন্দে গিলে খেতে থাকলাম আমি। শুনলাম মা কমেন্ট্রী কর্ছে , আপনারা দেখ্তে পাচ্ছেন জীবন্ত এই চরম ভাগ্যবান বলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুছে পরিস্কার করছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি দেখুন কিভাবে বলের জিভ্টা লাল থেকে পুরো কালো হয়ে যাচ্ছে আর সহেলির জুতোর তলা কালো থেকে হয়ে উঠছে চকচকে সাদা। আমাদের স্বীকার করতেই হবে এই বলটা অতি সৌভাগ্যবান যে তার অতি তুচ্ছ জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছেন সহেলির মত খেলোয়ার।
মায়ের কমেন্ট্রী চলতে লাগ্লো । আর ডান জুতো পরিস্কার হয়ে গেলে দিদি ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরিস্কার কর্তে লাগ্লো। আমি চেটে খেতে লাগলাম দিদির জুতোর তলার ময়্লা, পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে। মেয়েদের হাতে অপমানিত হতে এত মজা আগে বুঝিনি কেন আমি ? আমার জিভে দিদি ওর পবিত্র জুতোর তলা ঘষে চললো আর টিভির কমেন্ট্রীতে অস্পষ্ট শুনতে পেলাম খেলার শেষ মুহুর্তে গোল করল স্পেন। কিন্তু ওই খেলায় তখন আমার আর কোন আগ্রহ নেই। আমি জেনে গেছি আসল ফুটবল খেলা সেটাই যেটা দিদি আমাকে বল বানিয়ে খেল্ছে।