Sunday, 2 February 2014

রিমা আর সিমাদি

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

( ওয়ার্নিং ; সি এফ এন এম স্টোরি, মেল নুডিটি আছে )


 কি রে , তোকে প্যান্ট খুলতে বললাম না? কথা কানে যাচ্ছে না ? প্যান্ট খুলে লেংটু হয়ে কান ধরে দাঁড়া। আমি ভয়ে ভয়ে সিমাদির দিকে তাকিয়ে বল্লাম,’ প্লিজ সিমাদি, আমি কান ধরে দারাচ্ছি, কিন্তু প্লিজ আমাকে ল্যাংটো হতে বল না। বোন এখুনি ঘরে চলে আসবে।
সিমাদি আমার গালে ডান হাত দিয়ে একটা চড় মেরে মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, ‘ আসলে ত ভালই হবে। দেখবে তার ফেল্টু দাদা পড়া না করে কিভাবে লেংটু হয়ে শাস্তি পাচ্ছে।
 আমি আমার জ্যাঠতুতো দিদি সিমার পা জড়িয়ে ধরলাম ভয়ে। দিদির চটি পরা পায়ের ওপর নিজের মাথা ঠেকিয়ে বল্লাম  প্লিজ সিমাদি, এরকম কোরনা। এখন থেকে রোজ পরা করবো। তুমি দেখে নিও ।

সিমাদি বাঁ পায়ের ওপর ডান পা রেখে চেয়ারে বসে ছিল। আমার মাথার ওপর চটি পরা ডান পা টা বলাতে বলাতে বল্ল ,’ পরা করলে শাস্তি পাবিনা। আজ পরা করিসনি ,আজ তোকে শাস্তি পেতেই হবে। শাস্তি না দিলে তুই কোনদিন পরা করবি না । আমি কাকুকে কথা দিয়েছি তোকে ভাল ছাত্র বানিয়ে ছারবো। আমি অসহায় হয়ে সিমাদির বাঁ পায়ের ওপর নিজের মাথা তা ঘসতে ঘসতে বল্লাম,’ প্লিজ সিমাদি, এরকম করনা। আর যা খুসি কর, আমাকে ল্যাংটো কর না প্লিজ। আর তখনি পিঠের ওপর অন্য কার পায়ের স্পর্শ পেলাম। তাকিয়ে দেখি আমার ছোট বোন রিমা।

আমার পিঠের ওপর চটি পরা ডান পা রেখে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছিল। আমাকে তাকাতে দেখে মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, ‘ কিরে গাধা, তোর লেংটু হতে এত লজ্জা কিসের ?’ আমি বোন এর দিকে চোখ পাকিয়ে বল্লাম, ‘ তুই আবার আমাকে গাধা বল্ছিস?’ বলে ওর পা টা পিঠ থেকে সরিয়ে দিলাম। বোন গলায় অবাক হওআর ভাব ফুটিয়ে বল্ল,’ কেন রে? তোকে গাধা বল্লে গাধা দের অপমানিত লাগবে বুঝি ?’ আমি সোজা হয়ে শুলাম বোনকে রিপ্লাই দেব বলে। সঙ্গে সঙ্গে বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার বুকের ওপর তুলে দিল। আর সিমাদি ওর চটি পরা পা দুটো আমার কপালে বুলিয়ে আমাকে আদর করতে লাগলো। আমি কি বলবো ভেবে উঠতে পারলাম না। সিমাদি আমার মাথায় পা বলাতে বলাতে বোনকে বল্ল  বিশু আজকে পরা করেনি। তাই আমি ঠিক করেছি ওকে ল্যাংটো করে শাস্তি দেব। কেমন হবে রে রিমা ? ‘
একথা শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল। অনেকক্ষন পর হাসি থামিয়ে ওর চটি পরা ডান পা টা আমার বুক থেকে তুলে আমার মুখের ওপর রাখলো । আমার ঠোঁট দুটো ওর চটি পরা পায়ের তলায় ঘসতে ঘসতে বলল  দারুন হবে। লেংটু গাধা টাকে নিয়ে আজ আমরা অনেক মজা করবো ।
 আমি বোনের চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বল্লাম  প্লিজ বোন, আমাকে ল্যাংটো করিস না। আমি তোর দাদা হই। তুই যা বলবি তাই শুনবো। শুধু আমাকে ল্যাংটো করিস না। বোন চোখ পাকিয়ে বল্ল, ‘ আমি যা বলবো তাই করবি ?’ আমি ওর চটির তলায় আবার চুমু খেয়ে বল্লাম  হা, করবো  
বোন একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পরে আমার মুখের ওপর ওর চটি পরা পা দুটো রেখে বল্ল,’ আমার দুই পায়ের তলায় চুমু খেতে খেতে ১০০ বার বলতে হবে তুই একটা গাধা আর আমি তর মালকিন  
আমি বোন এর ডান চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বল্লাম  তুমি আমার মাল্কিন, আমি তোমার পোষা গাধা  বলে ওর মুখের দিকে তাকালাম।
 বোন আমার মুখে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বল্ল , ‘এই জন্যই তোকে গাধা বলি। কোন কথা বুঝতে পারিস না। তোকে ১০০ বার চুমু খেতে বলেছি আমার চটির তলায়  

 রিমা আর সিমাদির হাতে অপমানিত হতে সবসময়ই আমার কিরকম যেন ভাল লাগে । তবে ওদের সামনে সেটা অন্য সময় বুঝতে দিইনা। আজ অতিরিক্ত অপমানে সেই নিয়ন্ত্রনটা যেন হারিয়ে ফেলেছিলাম। খুব ভাল লাগতে শুরু করেছিল ওদের হাতে এই অপমান। আমি বোন এর চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলতে লাগলাম ,’ তুমি আমার মালকিন, আমি তোমার পোষা গাধা।
 বোন জোরে জোরে গুনতে লাগল। ৫০ বার হলে ও পা বদল করে বাঁ চটি পরা পা আমার মুখের ওপর রাখলো। আমি একইরকম ভক্তিভরে বোন এর বাঁ চটির তলায় চুমু খেতে লাগলাম।
বোন এর চটির তলায় ১০০ তা চুমু খাওয়া হলে বোন আমার মুখের ওপর থেকে পা সরিয়ে আমার বুকের ওপর রাখলো। আর সিমাদি ওর চটি পরা পা দুত আমার মুখের ওপর ধরে বল্ল  এবার আমার চটির তলায় ১০০ বার চুমু খেয়ে একি কথা বল । আমি দুহাত দিয়ে সিমাদির চটি পরা পা দুটো ধরলাম। তারপর সেচ্ছায় দুটো চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলতে লাগলাম, ‘ তুমি আমার প্রভু, আমি তমার পোষা গাধা । আমি একবার সিমাদির বাঁ চটির তলায় চুমু খাচ্ছিলাম, এক্বার ডান চটির তলায়। কয়েক বার চুমু খাওআর পর বোন চেয়ার থেকে উঠে আমার পেটের কাছে দাড়ালো। আমার যৌনাঙ্গের ওপর পা রেখে চটির তলা দিয়ে আমার নুনু ঘষতে ঘষতে বলল, ‘ সিমাদি, গাধার টুনটুনি টা তো খাঁচা থেকে ছাড়া পাওআর জন্যে খুব ছটফট কঞ্ছে। এই বলে রিমা আমার নুনু তা পায়ের তলা দিয়ে ঘস্তে ঘস্তে হি হি করে হাসতে লাগ্ল।

ওদের হাতে অপমান আমার ভীশন ভাল লাগতে শুরু করেছিল। আমি সিমাদির চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করতে করতে মনে মনে বল্লাম, ‘ আমাকে যত খুশি অপমান কর বোন। আমি তোর পোষা গাধা হওআর যোগ্য ও নই। আমি তোর সম্পত্তি, তুই আমাকে নিয়ে জা খুশি কর।
 সিমাদি বল্ল, ‘ অত কষ্ট দিচ্ছিস কেন টুনটুনি টাকে ? আর কতদিন ও বন্দি হয়ে থাকবে খাচায়? ওকে একটু বাইরের হাওয়া বাতাস খেতে দে।
 বোন চটি খুলে পায়ের আঙ্গুল দিয়ে আমার প্যান্ট এর চেনটা ধরল আর আস্তে আস্তে টেনে আমার প্যান্ট এর চেন তা খুলে দিল। আমি তখন সিমাদির চটির তলায় চুম্বন করে চলেছি। আমার চোখ সিমাদির পায়ের তলায় ঢাকা। তবে বেশ বুঝতে পারলাম আমার উত্তেজিত যৌনাঙ্গ প্যান্টের চেন এর ফাক দিয়ে বেড়িয়ে এসেছে, আর আমার বোন নুনু টাকে খালি পা বুলিয়ে আদর করছে। ১০০ বার চুমুখাওয়া শেষ হতে সিমাদি ওর পা দুটো সরি্যে নিল। আমি তবু চোখ বুজে রইলাম। বোন টোন কেটে বল্ল  কি রে গাধা, প্রভুদের সামনে লেংটু হতে লজ্জা করছে নাকি তোর?’


লজ্জায় আমি চুপ করে রইলাম। কোন জবাব দিলাম না। সিমাদি রিমাকে বল্ল, ‘ টুনটুনিটা বেশ বড়ই মনে হচ্ছে , তাই না রে?’
আমার বোন রিমা হেসে বল্ল  হা দিদি। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে । চল, একটা মজা করি টুনটুনি টাকে নিয়ে।
 এই বলে বোন আমার পেটে একটা লাথি মেরে বল্ল  গাধা, যা তো , আমার ঘরের টেবিল এর ওপর থেকে আমার স্কেলটা নিয়ে আয়।
 আমি চোখ খুলে তাকিয়ে দেখি দুস্টুমিতে বোন এর চোখ দুটো চকচক করছে। ওরা কি আমাকে স্কেল দিয়ে মারবে নাকি ? ছোট বোন এর হাতে স্কেল দিয়ে মার খাব ভাবতেও আস্চর্য ভাবে ভিশন ভাল লাগ্ছিল আমার। আমি উঠে গেলাম স্কেলটা আনার জন্য। উঠতেই বোন ভিশন জোরে পর পর দুত চড় মা্রল আমার দুই গালে। গাধা রা কবে থেকে দুই পায়ে হাটছে? ভাল গাধার মত প্রভুকে পিঠে বসিয়ে ৪ পায়ে চল ।
আমি বোন এর হাতে চড় খেয়েও বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ করলাম না। আমি ওর পোষা গাধার মতই ৪ হাত পায়ে দাড়ালাম। বোন আমার পিঠের দুপাশে পা ঝুলিয়ে বসে ডান পা দিয়ে আমার পেটে খোঁচা দিয়ে বল্ল ,’চল গাধা, হ্যাট হাট। আমি পোষা গাধার মতই প্রভু রিমাকে পিঠে নিয়ে চলতে লাগলাম । প্রভু আমার মাথার চুল ২ হাতে মুঠো করে ধরে দিক নিয়ন্ত্রন করতে লাগল আমার। আর মাঝে মাঝে পা দিয়ে আমার পেটে খোচা মারতে লাগল। আমি পাশের ঘরে যেতে প্রভু রিমা ওর টেবিল থেকে স্কেলটা নিয়ে আমার মুখে গুজে দিয়ে বল্ল ,’ উলটো দিকে চল গাধা, হাট হাট।
আমি বাধ্য গাধার মত বোনকে পিঠে নিয়ে আমার পরার ঘরে ফিরে এলাম। বোন আমার পিঠ থেকে নেমে আমাকে বল্ল,’ লেংটু, আবার শুয়ে পর আমাদের পায়ের কাছে।
আমি তাই করলাম। বোন আমার মুখ থেকে স্কেলটা নিয়ে আমার টুনটুনি মাপতে লাগল। মাপা হলে দিদিকে বল্ল, ‘ দিদি, টুনটুনি টা পাক্কা ৭ ইঞ্চি লম্বা।
সিমাদি চোখ কপালে তুলে বল্ল,’ বাপ রে ! এটা, টুনটুনি না, কেউটে সাপ ! সাপ যে এত নিরীহ হতে পারে ভাবাই যায়্না !
 বোন হেসে বল্ল ,’ আসল মজা এখন বাকি আছে দিদি। তুই স্কেলটা একটু ধর। যখন বলবো আবার মাপবি সাপটাকে। এই বলে বোন আমার মুখের সামনে এসে দাড়ালো। দিদি স্কেলটা নিয়ে আমার পেটের পাশে দাড়ালো। বোন চটি পরা ডান পা তা আমার মুখের ওপর রেখে আসতে  আসতে আমার মুখে ঘসতে লাগল ওর চটির তলা। উফফফফ্, কি যে সুখ বোন এর হাতে অপমানিত হতে !

হঠাত বোন চটি পরা ডান পা টা তুলে নিল আমার মুখ থেকে, তারপরেই বুম শব্দে প্রবল জোরে সেটা আমার মুখের ওপর আঘাত করলো । পা টা প্রবল জোরে আছড়ে পরলো আমার ঠোঁটের ওপর। আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে বোন আবার ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে বেশ জোরে লাথি মারলো আমার নাকে্র ওপর।
কয়েক মুহুর্তের জন্য দু চোখে অন্ধকার দেখলাম আমি। বোন কিন্তু লাথি মারা থামাল না, একের পর এক লাথি মারা চালিয়ে গেল আমার মুখে। ব্যাথা আর অসম্ভব ভাল লাগার মিশ্র অনুভুতি তখন আমার মনে। ১০ টা লাথি মেরে বোন যখন থামলো তখন আমি গভীর আবেগে ওর চটির তলায় চুম্বন করতে করতে ওকে আমার মুখে লাথি মারার জন্য ধন্যবাদ দিতে লাগলামবোন আবার একটা লাথি মারলো আমার মুখে আর বলল, ‘ জিভটা বার কর এবার কুত্তা।  আমি সত্যি প্রভু ভক্ত কুকুরের মত জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম। বোন আমার বার করা জিভের ওপর ওর চটির তলা মুছতে শুরু করলো।

বোন আমার জিভে ওর চটির তলা মুচছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে উঠল। ওর চটির তলার সব ধুলো ময়্লা গিলে খেতে লাগলাম আমি। মনে মনে বোনকে বলতে লাগলাম, “প্রভু, এখন থেকে তুমি রোজ সবার সামনে আমার জিভে তোমার জুতোর তলা মুছে পরিস্কার কর।  বোন ডান চটির তলা মুছে পরিস্কার করে বাঁ চটির তলাও আমার জিভে মুছতে লাগল। আর তখন দেখলাম সিমাদি আমার কেউটের পাশে বসে স্কেল দিয়ে ওটাকে মাপছে।
 উত্তেজনায় ওটা তখন থরথর করে কাপছে। সিমাদি বিস্মিত গলায় বললো  কেউটে সাপ এখন পাক্কা ৯ ইঞ্চি লম্বা রে রিমা ! এত বড় ও হয় নাকি কেউটে সাপ ?” বোন আমার বার করা জিভে ওর বাঁ চটির তলা ঘসে আমাকে আদর করতে করতে বললো , ” কেউটেটা আরো ২ ইঞ্চি বাড়লো কি করে লেংটু ? আমার চটির তলার ময়্লা খেয়ে ও রাগে ফুঁসছে নাকি ?” আমি ওর চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম, ” না প্রভু। ও খুশি হলেই এরকম লম্বা হয়ে যায় আনন্দে
আমার কথা শুনে রিমা আর সিমাদি আবার হাসিতে ফেটে পড়ল ।



Monday, 1 July 2013

রনি

রনি ( লেখক : লাড্ডু)

(warning : 18+ CFNM story, mild male nudity present. )



( এই ব্লগের ভূমিকা (http://banglafemdoms.blogspot.in/2015/04/introduction.html ) না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্পকমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না ।

অতিথি লেখক লাড্ডুর লেখা এই গল্পটিতে male nudity and CFNM আছে। এটি কঠোরভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য লেখা। গল্পে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের হাতে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের হিউমিলিয়েশনের বর্ননা আছে। গল্পটি ১০০% ফ্যান্টাসি, বাস্তবে এরকম ঘটনা কখনোই ঘটেনি বা ঘটাকে লেখক সমর্থনও করে না।গল্পে সম্পুর্ন পোষাক পরা মেয়েদের সামনে উলঙ্গ পুরুষের উপস্থিতি রয়েছে, যা শুধু পুরুষটির অপমান , লজ্জা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই গল্পে এসেছে, যা বাস্তবে ঘটানো কাম্য তো নয়ই, বরং অপরাধ।

কিছু ঘটনা শুধু কাল্পনিক জগতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। এই গল্পের কাহিনীও তেমনই। ভায়োলেন্ট ভিডিও গেমের মতো যার উপস্থিতি শুধু কাল্পনিক জগতেই কাম্য। বাস্তবে কখনোই, কোন অবস্থাতেই না। 
প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাপ্তমনস্কদের জন্য লেখা এই কাল্পনিক গল্প শুধু সেই নগন্য সংখ্যক পাঠকের জন্য লেখা যারা মেয়েদের হাতে ছেলেদের অত্যাচারিত বা অপমানিত হওয়া উপভোগ করেন। বাকিরা এর থেকে দূরে থাকলেই ভাল করবেন। )




আমি মেদিনীপুরের ছেলে, নাম রনি। ২৪ বছর বয়সে আমি স্কুল শিক্ষকের চাকরি পেলাম জলপাইগুড়ি জেলায়। শহরতলির এক স্কুলের গনিত শিক্ষক হয়ে কাজে যোগ দিলাম । নতুন জায়গায় এসে আমি স্বভাবতই প্রথমে থাকার জন্য বাড়ি ভাড়া খুঁজতে লাগলাম । তিনটে বাড়ি আমার পছন্দ হল। শেষ পর্যন্ত আমি যে বাড়িটা ভাড়া নিলাম সেটা স্কুল থেকে দূরে, জায়গাটাও একটু ভিতরে, ঘরের মানও অন্য বাড়ি দুটির চেয়ে খারাপ। ভাড়াও চেয়েছে অনেক বেশি। তবু আমি রাজি হয়ে গেলাম বাড়িওয়ালার জন্য। এই বাড়ির বাড়িওয়ালা এক বিধবা মহিলা, নাম অদিতি । বয়স ৩০-৩২ হবে হয়তফর্শা, সুন্দরী বিধবা মহিলা বাড়িতে থাকেন তার দুই মেয়ে প্রিয়া ( ভাল নাম অঙ্গনা, বয়স ১৪) ও রিয়া( ভাল নাম অহনা, বয়স ১০) কে নিয়ে । দুই মেয়েও মায়ের মতই ভয়ানক ফর্শা ও সুন্দরী। এক বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর তাদের সংসার চলে জমানো টাকা আর বাড়ি ভাড়ার টাকাতেই। আমার মনে হল, এরা অনেক বেশি টাকা চাইছে এটাই স্বাভাবিক, নাহলে এরা চালাবে কি করে? আর এত সুন্দর ৩ টে মেয়ে কষ্ট করে থাকবে এটাও আমাকে পীড়া দিচ্ছিল।
অদিতি বলল, - তোমাকে এখনই রান্নার গ্যাস, বাসন এইসবের ঝামেলা করতে হবে না। আপাতত তুমি বাজার করবে, আমি রান্না করব। তুমি আমাদের সাথেই খাবে।
দুই একদিন পরেই আমি বুঝতে পারলাম, অদিতি দেবী কৌশলে বাজারের খরচটাও আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সেটাও আমি ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলার কোন ইচ্ছা প্রকাশ করলাম না। খরচ হচ্ছে, হোক না! অদিতি, প্রিয়া আর রিয়া আমার টাকায় আরামে থাকবে ভেবেও আমার মনে একটা দারুন আনন্দ হতে লাগল। আর এর মধ্যেই অদিতি ও বিশেষ করে তার দুই মেয়ে আমাকে বাড়িতে ডমিনেট করতে শুরু করেছে। আমি সেটাও ভিশন উপভোগ করছিলাম কোন এক অজানা কারনে! সুন্দরী মেয়েদের কাছে অপমানও আমার খুবই ভাল লাগতে শুরু করেছিল!!
:
:
সেটা ছিল জলপাইগুড়িতে আমার প্রথম রবিবার। স্কুল ছুটি ছিল স্বভাবতই। আমি সকাল ৭.৩০ টায় উঠে বাজারে গেলাম। নিজের টাকায় অনেক বাজার করে আনলাম। বাজার রান্নাঘরে নামিয়ে দেওয়ার পর অদিতি বৌদি মিষ্টি করে বলল- উপরের ঘর গুলো মেয়েরা খুব নোংরা করে। তুমি ওদের একটু সাহায্য কর তো আজ পরিষ্কার করার জন্য।
আমি বললাম, - নিশ্চয়ই বৌদি, ওরা তো ছোট, ওরা পারবেনা। আমিই পরিষ্কার করে দেব।
এই বলে আমি ঝাঁটা নিয়ে উপরে গেলাম। বাড়িটা দোতলা। নিচের তলায় রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর, বসার ঘর আর বৌদির ঘর। উপরে প্রিয়া আর রিয়ার ঘর আর পাশে ভাড়া দেওয়ার ঘর, যেটাতে আমি ভাড়া আছি। আমি ভাল করে প্রথমে নিজের ঘর ঝাঁট দিলাম। তারপর রিয়া আর প্রিয়ার ঘরে ঢুকলাম ঝাঁট দিতে। আসলে ওদের একটাই ঘর, আর আমি দুটো ঘর ভাড়া নিয়েছি। কিন্তু আমি একা বলে দুই বোন আমাকে বলে একটা ঘর দখল করে নিয়েছে যদিও সেটার ভাড়া আমাকে দিতেই হবে! ওরা আমার স্কুলেরই ছাত্রী। দুই ছোট সুন্দরী ছাত্রীর হাতে এই ডমিনেশন আমাকে কিরকম অবর্ননীয় সুখ দিতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই!
যেই ঘরটা আমার ছিল সেটা দখল করে রিয়া থাকছে। আমি যখন ওর ঘর ঝাঁট দিতে গেলাম তখন ও ঘরে নেই। ঝাঁট দিয়ে আমি ওর দিদির ঘরে ঢুকলাম।
ওই ঘরে ওরা দুই বোনই আছে। আমাকে ঝাঁটা হাতে ওদের ঘরে ঢুকতে দেখে প্রিয়া মুচকি হেসে বলল,- কি, মা আমাদের ঘর ঝাঁট দিতে অর্ডার করল?
আসলে ওর মা প্রায় রিকোয়েস্টই করেছিল। বাড়ির ভাড়াটেকে দিয়ে নিজেদের ঘর ঝাঁট দেওয়ানোর রিকোয়েস্টও যদিও যথেস্টই ডমিনেশন। আর ১৪ বছর বয়সী আমার ছাত্রী প্রিয়া সেটাকে অর্ডার বলে চালাচ্ছে!
আমি মাথা নিচু করে বললাম- হ্যাঁ। ঝাঁট দিয়ে দিই প্লিজ?
আসলে রিয়া, প্রিয়া আর বৌদি আমাকে ডমিনেট করুক এটা আমি গত কয়েক দিন সর্বক্ষন চাইছি। আমার কাছে নেশার মত হয়ে উঠেছে ওদের ডমিনেশন।
প্রিয়া চেয়ারে বসে পড়ছিল। ও বলল, ঠিক আছে। ঝাঁট দেওয়া হয়ে গেলে আমাকে একটু অংক দেখিয়ে দিও।
কালকে প্রিয়াকে অংক দেখানোর সময় আমি চেয়ারে বসা ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসেছিলাম। আর ও আমার কোলের উপর ওর চটি পরা পা দুটো তুলে দিয়েছিল নিজে থেকেই। আমি ওকে অংক বোঝাতে বোঝাতে ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম আর তাই দেখে ওর ছোট বোন রিয়া খুক খুক করে হাসছিল। সেই কথা মনে পড়তেই এক তীব্র আনন্দে ভরা নেশায় মন ভরে গেল। আমার মুখ থেকে আপনা থেকেই বেড়িয়ে গেল - নিশ্চয়ই ম্যাডাম।
আমি ঘর ঝাঁট দেওয়া শেষ করে হাত ধুয়ে এসে প্রিয়ার পায়ের কাছে মেঝেতে এসে বসলাম। উত্তেজনায় আমার হৃতপিন্ড তখন আমার বুকে যেন হাতুড়ি পেটাচ্ছে!!
প্রিয়ার পরনে তখন লাল সাদা চুড়িদার, পায়ে লাল চটি। প্রিয়া একবার আমার দিকে তাকালো, তারপর ওর পায়ের কাছে বসা আমার কোলের উপরে ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল - এই উপপাদ্যটা বুঝতে পারছি না।
আমি আজকেও নিজে থেকেই রিয়ার সামনেই ওর দিদির পা দুটো চাকরের মত টিপতে লাগলাম। প্রিয়াকে উপপাদ্য বোঝাতে বোঝাতে ঠিক চাকরের মত টিপতে লাগলাম ওর পা দুটো। একবার ওর বাঁ পা, তারপর ডান পা, এইভাবে ওর লাল চটি পরা দুটো পাই টিপতে লাগলাম আমি। আমার ছাত্রী ২০ মিনিট পর বলল,- ঠিক আছে, বুঝেছি। দেখি প্রয়োগ গুলো করতে পারি কিনা।
এইবলে ও পা থেকে চটিটা খুলে নিচে মেঝেতে রাখল। ওর পা দুটো আবার আমার কোলের উপর তুলে দিয়ে ও বইয়ের পাতায় চোখ রাখল। কিন্তু ও কোথায় পা রেখেছে এবার? ওর ডান পা আমার পুরুষাঙ্গের উপর এসে পরেছে সরাসরি! হয়ত ভুল করে রেখেছে, খেয়াল করেনি। তবু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট ১৪ বছর বয়সী সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের স্পর্শে আমার যৌনাঙ্গ উত্তেজনায় দৃঢ় হয়ে কাঁপতে লাগল ওর পায়ের তলায়। এক তীব্র ভাললাগা আর নেশাকর অনুভুতির সাথে লজ্জাজনক এক অনুভুতি হল আমার। প্রিয়া ভুল করে আমার নুনুর উপরে পা রেখেছে ভেবে আমি ওর ডান পা টা হাত দিয়ে সরিয়ে আমার থাইয়ের উপরে রাখলাম। কিন্তু এ কি? প্রিয়া প্রায় সাথে সাথে ওর ডান পা টা তুলে এনে আমার নুনুর উপরে রাখল আবার! কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমার চোখের দিকে চেয়ে একটা ইঙ্গিতপুর্ন হাসি দিল ও, তারপর ওর খালি ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার নুনুটা ঘসতে লাগল ও।
আমি এবার আর বাধা দিলাম না ওকে, আমার বাধা দেওয়ার মত কোন শক্তিও অবশিষ্ট ছিল না আর। প্রিয়ার পায়ের তলায় আমার নুনু তখন বিশালাকার ধারন করে উত্তেজনায় ফুঁসছে। উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছে শরীরে! রিয়া বড় বড় চোখ করে বোঝার চেষ্টা করছে কি হচ্ছে ব্যাপারটা! ওর দিদি ওটা কিসের উপরে পা রেখেছে সেটা ওর ১০ বছর বয়সী মস্তিস্কে সম্পুর্ন পরিষ্কার না হওয়ারই কথা!
প্রিয়া ততক্ষনে বইয়ের উপর থেকে চোখ সরিয়ে আমার চোখের দিকেই চেয়ে আছে হাসিমুখে। আর ওর ডান পা আমার নুনুর উপর ঘর্ষন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রবল আরামে ভেসে যাচ্ছে আমার শরীর। আমি কি করব বুঝতে না পেরে এই অবস্থাতেই হাত বাড়িয়ে প্রিয়ার দুই পা পালা করে টিপে দিতে লাগলাম। আর প্রিয়া আমার নুনুর উপরে ওর খালি ডান পা ঘসা চালিয়ে যেতে লাগল।
হঠাত আমার পিঠে কিসের স্পর্শ পেয়ে ফিরে তাকালাম। দেখি ১০ বছর বয়সী রিয়া আমার ঠিক পিছনে চেয়ারে বসে ওর লাল চটি পরা পা দুটো আমার পিঠে তুলে দিয়েছে। আমি একটুও বাধা দিলাম না। ভক্তিভরে আমার কোলে রাখা প্রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম আর রিয়া আমার পিঠে নিজের চটির তলা দুটো ঘসতেএ লাগল।
ততক্ষনে প্রবল উত্তেজনায় আমার নুনু থরথর করে কাঁপছিল প্রিয়ার পায়ের তলায়। আর সেই সাথে প্রিয়ার প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার মনে। আমি প্রিয়ার দুটো পাই পালা করে টিপে চলেছিলাম ভক্তিভরে। আর সেই সাথে প্রবল চেষ্টা করে সংযত করার চেষ্টা করছিলাম নিজের যৌন অনুভুতি। প্রিয়ার পায়ের স্পর্শে যেন আমার যৌনাঙ্গ বীর্যক্ষরন না করে সেই চেষ্টায় প্রানপনে সংযত করার চেষ্টা করে চলেছিলাম নিজেকে। কিন্তু বৃথা চেষ্টা। আমার চোখে ওর সুন্দর দুটো চোখ রেখে আমার নুনুর উপরে ওর ডান পা ঘসছে আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট ছাত্রী প্রিয়া। যত সময় যাচ্ছে তত আরো জোরে আমার নুনুর উপর নিজের পা ঘসে চলেছে প্রিয়া। আর ১০ বছর বয়সী রিয়া পিছন থেকে আমার পিঠের উপর চটি পরা পা রেখে বসে বোঝার চেষ্টা করছে ওর দিদি আমার সাথে কি করছে। ৮-১০ মিনিট পর আমি আর সহ্য করতে পারলাম না যৌন উত্তেজনা। প্রিয়ার পায়ের তলায় আমার নুনুটা থরথর করে কাঁপতে লাগল, আর সারাদেহে ছড়িয়ে পরল এক উত্তেজনাকর আনন্দ। এক অপুর্ব হালকা অনুভুতি ফুটে উঠল মস্তিস্কে, আর প্রিয়ার ডান পায়ের তলায় আমার নুনু কম্পিত অবিস্থায় বির্যপাত করে দিল। প্রিয়া কিছুই বলল না, আমার চোখে চোখ রেখে শুধু একটা অপুর্ব মিষ্টি হাসি উপহার দিল। আমার পুরুষাঙ্গ বীর্যপাত ক্রমে শান্ত ও ছোট হয়ে এল। বীর্যপাতে ক্লান্ত ছোট্ট নুনুটার উপর তখনও পা বুলিয়ে আদর করতে লাগল প্রিয়া। আর আমি আরো বেশি ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম ওর পা দুটো। প্রিয়া পড়ায় মন দিল আর মাঝে মাঝে মুখ তুলে কথা বলতে লাগল ওর বোন রিয়ার সাথে। প্রায় ৩০ মিনিট এইভাবে আমি প্রিয়ার পা টিপে দিলাম। হঠাত রিয়া বলল- দিদি তোর স্কুলের স্যার তো পুরো তোর পা টেপা চাকরই হয়ে গিয়েছে দিদি, হো হো!
প্রিয়া সেই শুনে আমার বুকে ওর পা দিয়ে একটা খোঁচা মেরে বলল, - কি গো, আমার পা টিপে সেবা করতে কেমন লাগছে তোমার?
আমি মাথা নিচু করে উত্তর দিলাম - খুব ভাল।
তারপর ইতস্তত করে বলেই দিলাম - রিয়া ঠিকই বলেছে। আমি তোমাদের পা টেপা চাকরই। প্লিজ, আমাকে তোমরা নাম ধরে তুই করে ডেকো, আর তোমাদের যখন যা দরকার নির্দ্বিধায় অর্ডার করো আমাকে।
তাই শুনে প্রিয়া হাসিমুখে বলল, - নিশ্চয়ই। তুই তো আমাদের চাকরই এখন থেকে।
রিয়া পাশ থেকে বলল, - দিদি এবার আমি একটু পা টেপাই চাকরটাকে দিয়ে?
প্রিয়া বলল, - নিশ্চয়ই বোন। ও আমাদের সবারই চাকর। এই বলে প্রিয়া উঠে রিয়ার চেয়ারের দিকে গেল। আর রিয়া সামনে এসে ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলে তুলে দিয়ে হুকুম করল, - আমার পা টেপ চাকর। আমি আমার ১০ বছর বয়সী প্রভুর দুটো পা ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম। আর প্রিয়া পিছনের চেয়ারটায় বসে ওর চটি পরা পা দুটো আমার কাঁধের উপরে তুলে দিল। আমি মাথা নিচু করে আরো মন দিয়ে রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম। আর একটু পরেই টের পেলাম আমার প্রভু প্রিয়া ওর চটি পরা ডান পা টা পিছন থেকে আমার মাথার উপরে তুলে দিয়েছে।
আমি মাথাটা অনেক নিচু করে প্রায় কোলের কাছাকাছি নামিয়ে এনেছিলাম। আমার কোলের উপরে রাখা রিয়ার চটি পরা পা দুটো আমার মাথা থেকে মাত্র ৬ ইঞ্চি দূরে ছিলআমি সেই অবস্থায় ভক্তিভরে রিয়ার পা দুটো টিপতে লাগলাম। আর প্রিয়া ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার কাঁধে আর চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপরে রেখে বসে ওর বোন কিভাবে আমাকে দিয়ে সেবা করাচ্ছে সেটা দেখতে লাগল। আমার পিছনের চেয়ারে বসে আমার মাথার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে রিয়া মাঝে মাঝেই জোরে চাপ দিচ্ছিল আর আমি নিজের মাথা আরো নিচে নামিয়ে দিচ্ছিলাম যাতে আমার প্রভু প্রিয়ার আরো সুবিধা হয় আমার মাথার উপরে পা রাখতে। প্রিয়া মাঝে মাঝে আমার মাথার উপর ওর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা ঘসছিল আর আমি সেই অবস্থায় ওর বোন রিয়ার চটি পরা পা দুটো টিপে দিচ্ছিলাম।
একটু পরে টের পেলাম রিয়া ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার নুনুর উপরে তুলে দিল। আমি এবার আর বাধা দিলাম না। ও দেখেছে প্রিয়াকে প্যান্টের উপর দিয়ে আমার নুনু নিয়ে খেলতে। ওর ১০ বছরের মনে যে কৌতুহল জেগেছে বুঝতে পারলাম। আমি ওকে কোন বাধা না দিয়ে আমার নুনু নিয়ে যা খুশি করার অধিকার দিয়ে মন দিয়ে ওর ডান পা টা টিপতে লাগলাম।
২ মিনিট আমার নুনুর উপরে ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল রিয়া। ততক্ষনে আমার নুনু প্যান্টের মধ্যে আবার শক্ত হয়ে বিরাট আকার ধারন করেছে রিয়ার চটি পরা পায়ের ঘসা খেয়ে। একটু আগেই প্রিয়ার পায়ের স্পর্শে বির্যক্ষরন করে আমার প্যান্টের সামনেটা ভিজিয়ে দিয়েছিল আমার নুনু। তার উপর দিয়েই চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নুনুটা ঘসছিল রিয়া।
কিন্তু চটি পরা পা দিয়ে আমার নুনু ঘসে ওর ঠিক কৌতুহল মিটল না। রিয়া ওর দিদির মতই পা থেকে চটি দুটো খুলে মেঝেতে রাখল। তারপর চটি পরা পা দুটো আবার আমার কোলের উপরে তুলে দিল আমার প্রভু। এবার ওর খালি ডান পা টা রাখল আমার পুরুষাঙ্গের উপরে। বেশ জোরে জোরে আমার নুনুর উপরে ওর ডান পায়ের তলা ঘসতে লাগল রিয়া। উফ কি আরাম! একটু আগেই বির্যপাত না করলে এতক্ষনে আমার আবার বির্যক্ষরন হয়ে যেত! প্রবল সুখে দুই প্রভুর উপরেই আমার ভক্তি আরো বাড়তে লাগল। আমি আরো ভক্তি সহকারে রিয়ার বাঁ পা টা টিপে দিতে লাগলাম।
২-৩ মিনিট আমার নুনুর উপরে নিজের খালি ডান পা টা ঘসল রিয়া। তারপরে কৌতুহলী হয়ে আমার নুনুর উপরে ডান পা ঘসতে ঘসতেই আমাকে জিজ্ঞাসা করল, - তোর প্যান্টের ভিতরে এটা কি রে চাকর? একটু আগেই নরম ছিল, আমার পায়ের ঘসায় শক্ত হয়ে গেল কি করে?
নুনুটা যে আসলে কি সেটা যে ১০ বছর বয়সী রিয়া ঠিক বুঝতে পারেনি সেটা বুঝতে পারলাম। কিন্তু আমি কি জবাব দেব সেটা মাথায় এল না। আমি মাথা নিচু করে রিয়ার বাঁ পা টিপে দিতে লাগলাম উত্তর না দিয়ে।
কিছুক্ষন চুপ করে থেকে রিয়া একটু নিচু হয়ে আমার বাঁ গালে ওর ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মারল।
-
কি রে চাকর, প্রভু প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে হয় এটুকুও শিখিস নি?
সাথে সাথেই পিছন থেকে আমার মাথার উপরে জুতো পরা পায়ে লাথি মারল প্রিয়া- প্রভুর সব আদেশ সাথে সাথে মানতে হয় মনে রাখিস। আর যেন ভুল না হয় কখনও।
আমাকে এইভাবে আমার দুই ছাত্রী চড় আর লাথি মারছে, নিজেদের আমার প্রভু বলে দাবী করছে বলে ভয়ানক আনন্দ হতে লাগল আমার। রিয়ার বাঁ পা টিপে দিতে দিতে জবাব দিলাম- সরি প্রভু। আর এরকম ভুল হবে না। এটা আমার নুনু। এটা শুধু ছেলেদের থাকে, এটা দিয়ে ছেলেরা পেচ্ছাপ করে। এই কথা গুলো বলতেও আমার কিরকম লজ্জা করতে লাগল।
পিছন থেকে আবার আমার মাথায় একটা লাথি মারল প্রিয়া।
-
শুধু পেচ্ছাপই করিস নাকি ওটা দিয়ে? আর কি করিস সেটাও বল ছোট প্রভুকে।
১০ বছর বয়সী রিয়াকে ওসব কি করে বলব? কি বলব ভাবতে ভাবতেই পিছন থেকে আমার মাথায় ভিশন জোরে আবার একটা লাথি মারল প্রিয়া।
আবার প্রভুদের আদেশ পালনে দেরী করছিস?
আমি প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম- সরি প্রভু। কিন্তু রিয়া তো ছোট, ওসব ওকে কি করে বোঝাব?
আমার উত্তর শুনে প্রিয়ার মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। - থাক, তোকে কিছু বোঝাতে হবে না। তুই শুধু উঠে দাঁড়া। আমিই রিয়াকে বোঝাব সব। তুই শুধু দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের আদেশ পালন করবি। আমাদের কোন কাজে বাধা দিবি না।
আমি সাথে সাথে উঠে দাঁড়ালাম প্রিয়ার আদেশে। প্রিয়া ওর চেয়ারটা টেনে ঠিক রিয়ার পাশে বসল আর আমাকে বলল ঠিক ওদের সামনে এসে দাঁড়াতে। আমি প্রভুর আদেশ মেনে তাই দাঁড়ালাম। আর প্রিয়া ওর মুখে হাসি ঝুলিয়ে একটানে আমার প্যান্টের চেনটা নামিয়ে দিল। তারপর আমাকে কিছু ভাবারও সময় না দিয়ে সাথে সাথে চেনের ভিতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে প্যান্টের ভিতর থেকে আমার নুনু টাকে বার করে আনল প্রিয়া। আমার নুনুটাকে ডান হাতের তালুতে ঘসতে ঘসতে প্রিয়া বলল,- রিয়া, এটা হচ্ছে ছেলেদের নুনু। এটা দিয়ে ছেলেরা পেচ্ছাপ করে, আর সাদা সাদা যেটা এখন নুনুর ডগায় লেগে আছে এটা হচ্ছে বির্য। বীর্য কি জিনিস জানিস তুই?
রিয়া মাথা নেড়ে বলল, - না জানি না।
প্রিয়া বলল, -বলছি, আগে তুই নিজে হাতে ধরে দেখ নুনুটা, বুঝতে সুবিধা হবে।
আমার নুনু ততক্ষনে প্রিয়া রিয়ার পায়ের ঘসা খাওয়ার পর আবার প্রিয়ার হাতের তালুর ঘসা খেয়ে আবার বিশাল আকার ধারন করে ফুঁসছে!
প্রিয়ার হাত থেকে আমার নুনুটা নিজের দুই হাতে তালুর মাঝে নিয়ে রিয়া নুনুটাকে জোরে জোরে ঘসতে লাগল অবাক চোখে। মিনিট খানেক নুনুটা ঘসে রিয়া অবাক চোখে বলল,- কি আশ্চর্য! বড় অদ্ভুত জিনিস এই নুনুটা। দিদি, এবার তুই বল পেচ্ছাপ ছাড়া এটা দিয়ে আর কি করে ছেলেরা!