Monday, 1 June 2015

দেবী ঐশী


( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )


 দেবী ঐশী (খোকা)

অজয় আর ঐশী দুই ভাই বোন । অজয়ের বয়স ২০, আর ঐশীর ১৬ । অজয় এখন কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আর ঐশী পড়ে ক্লাস ১১ এ । ওরা দুজনেই মেধাবী ছাত্র ছাত্রী , কিন্তু অজয় দেখতে সাধারন আর ঐষী দারুন সুন্দরী । ফর্শা , সুন্দরী বোনের সুন্দর চেহারার পাশে নিজের সাধারন চেহারা নিয়ে ছোট থেকেই হিনমন্যতায় ভোগে অজয় , নিজেকে বোনের থেকে অনেক ছোট মনে করে । তবে একটু বড় হওয়ার পর থেকেই এই চিন্তা অজয়কে কখনও দুঃখ দেয় না । ছোট বোনকে দেবীজ্ঞানে সেবা করে সে এক অপূর্ব সুখ পায় । দাদাকে দিয়ে নিজের সেবা করিয়ে, কারনে অকারনে দাদাকে মেরে, অপমান করে ঐশীও চিরকাল এক অনাবীল আনন্দ পায় ।  
সেটা ছিল এক শনিবারের সকাল । ওদের বাবা  রোজকার মতো সেদিনও তাড়াতাড়ি অফিস চলে যায় । সকাল ৭.৩০ টার সময় ঐশী ঢোকে দাদার ঘরে । ছোট বোনকে দেখেই অজয় তাড়াতাড়ি উঠে এসে ভক্তিভরে বোনের নীল চটি পড়া পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে । অজয় উঠলে অকারনেই ঐশী দাদার গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মারে, “ এই গাধা, আমি একটু শপিংয়ে যাচ্ছি । তুই গিয়ে আমার ব্রেকফাস্ট রেডি কর”।
“ নিশ্চয় বোন”, বলে আবার ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বোনকে ধন্যবাদ দেয় অজয়, তাকে থাপ্পর মারার জন্য । এরপর বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে সাদা-কালো টপ আর কালো স্কার্ট পরা বোনের পায়ে কালো স্নিকারটা পড়িয়ে দেয় । পরম ভক্তিতে আবার বোনের জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথা রেখে তাকে প্রনাম করে অজয় । জবাবে দাদার মুখে জুতো পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বেড়িয়ে যায় ঐশী । ওদের মা পাশে বসে দেখতে থাকেন ওদের , কিছু বলে্ন না ।কারন উনি জানেন , অজয় আর ওর বোনের সম্পর্ক দেবী আর তার ভক্তের মতো ।
ঐশী শপিং করতে বেড়িয়ে যায় । আর অজয় বোনের জন্য একের পর এক সুস্বাদু খাবার বানাতে থাকে রান্নাঘরে গিয়ে । প্রায় ১ ঘন্টা পর ঐশী ফেরেতার হাত থেকে শপিং ব্যাগ নিয়ে যত্ন করে তুলে রাখে অজয় । সোফায় বসা বোনের হাতে টিভি রিমোট আর টিফিন তুলে দেয় ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে । তারপর অজয় শুয়ে পড়ে বোনের পায়ের তলায় । ঐশী নিজের জুতো পরা পা দুটো দাদার মুখের উপর তুলে দেয় । দাদার কপালের উপর বাঁ জুতোর তলা আর ঠোঁটের উপর ডান জুতোর তলা ঘষতে ঘষতে টিফিন খেতে থাকে ।  বোন যতক্ষন খায় ততক্ষন অজয় বোনের পায়ের তলায় শুয়ে ওর জুতো পড়া পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে থাকে ।
প্রায় ৩০ মিনিট পর ঐশীর খাওয়া শেষ হলে অজয় ওর হাত থেকে প্লেটটা নিয়ে রান্নাঘরে আসে । তখন প্রায় ৯.৩০ টা বাজে ।  নিজের জন্য কয়েক পিস শুকনো পাউরুটি সেঁকে বোনের খাওয়া থালায় নিয়ে খাবে ঠিক করে । কিন্তু সে পাউরুটি সেঁকতে শুরু করার পরই দেখে বোন এসে রান্নাঘরে ঢুকল । সে সাথে সাথে পরমাসুন্দরী বোনের জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে বোনকে ভক্তিভরে প্রনাম করে আবার । অজয় উঠে দাড়াতেই ঐশীর দুই হাতের থাপ্পর পরপর তার দুইগালে আছড়ে পরে ।
“ সবসময় শুধু নিজে গেলার ধান্দা, তাই না ? আমার পা থেকে জুতো কে খুলবে ?”
অজয় সঙ্গে সঙ্গে ছোট বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে পড়ে । বোনের জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে থাকে ছোট বোনের কাছে ।
জবাবে দাদার মাথার উপর জুতো পরা পায়ে বেশ কয়েকটা লাথি মেরে ঐশী আদেশ দেয় , “ সোজা হয়ে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর”।
“ শুচ্ছি প্রভু” বলে বোনের জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শোয় অজয় । দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে ওদের মা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বোনের হাতে ওর ডমিনেটেড হওয়া দেখছে ।
ঐশী ঘরের দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় , তারপর জুতো পরা বাঁ পা টা নিজের দাদার মুখের উপর রেখে দাদার মুখের উপর উঠে দাঁড়ায় , ডান পা টা দেওয়ালে ঠেকিয়ে । বোনের দেহের সমস্ত ভর এখন অজয়ের মুখের উপর রাখা বাঁ পায়ের উপর । প্প্রবল ব্যথা সত্বেও তাদের মায়ের সামনেই তার সাথে দেবীর মতো সুন্দরী বোনের এই ডমিনেটিং আচরনে বোনের প্রতি ভক্তিতে মন ভরে ওঠে অজয়ের ।
একটু পড়ে বোন তার জুতো পরা ডান পা টা দাদার মুখের উপর নামিয়ে বাঁ পা টা দেওয়ালে ঠেকিয়ে দাঁড়ায় ।তার কিছুক্ষন পর জুতো পরা দুটো পাই দাদার মুখের উপর রেখে দাঁড়ায় । প্রায় ১০ মিনিট দাদার মুখের উপর কালো স্নিকার পরা দুই পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে ১৬ বছর বয়সী পরমা সুন্দরী ঐশী ।
এরপর ঐশী নেমে দাঁড়ায় দাদার বুকে, জুতো পরা বা পা দাদার বুকে রেখে জুতো পরা ডান পা দিয়ে দাদার মুখের উপর একের পর এক লাথি মারতে থাকে সে । দাদার মুখ, নাক্‌, গাল, ঠোঁট্‌, কপালে একের পর এক জুতো পরা ডান পায়ে লাথি মারতে থাকে সে । মাঝে মাঝে তার জুতো পরা বাঁ পাও আছড়ে পরতে থাকে দাদার মুখে । দাদার মুখে মায়ের সামনেই জুতো পরা পায়ে যত জোরে খুশি লাথি মারতে পারার প্রবল আনন্দে সে উদ্বেল হতে থাকে । পরমা সুন্দরী ছোট বোনের কাছে এভাবে অত্যাচারিত হতে পেরে অজয়ও এক অপূর্ব সুখ সাগরে ভাসতে থাকে । মাঝে মাঝেই বোনের জুতোর তলায় চুম্বন করে সে ধন্যবাদ জানাতে থাকে তার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার জন্য ।
দাদার মুখে জুতো পরা দুই পা দিয়ে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে থামে ঐশী । শেষবারের মতো দাদার নাকের উপর ডান পা দিয়ে েকটা লাথি মেরে দাদাকে হুকুম করে, “ জিভটা বার করে দে এবার । আমি জুতোর তলা মুছব”।
সুন্দরী বোনের ডমিনেটিং আচরনে অজয় তখন মন্ত্রমুগ্ধ । সে যতটা পারে লম্বা করে নিজের  জিভটা বার করে দেয়, যাতে তার উপর ঐশী নিজের জুতোর তলা মুছতে পারে ।
ঐশী প্রথমে দাদার জিভের উপর নিজের বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দেয় । নিজের নোংরা বাঁ জুতোর তলা দাদার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে থাকে । আর অজয় ভক্তিভরে ছোটবোনের জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে থাকে । বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো পরিষ্কার হয়ে গেলে ঐশী একইভাবে ডান জুতোর তলা দাদার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করতে থাকে
দুটো জুতোর তলাই দাদার জিভের উপর ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ঐশী অজয়ের বুকের উপর থেকে নেমে দাঁড়ায় । অজয় বোনের জুতো পরা পায়ের উপর আবার মাথা নামিয়ে দেয় । ছোট বোনক দেবীজ্ঞানে তার জুতো পরা দুই পায়ের উপর ভক্তিভরে বারবার চুম্বন করতে করতে বলতে থাকে, ‘হে দেবী , এইভাবে রোজ আমাকে সবার সামনে তোমার সেবা করার সুযোগ দিয়’।
জবাবে ঐশী নিজের জুতো পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর তুলে দাদার মাথার উপর জুতোর তলা বুলিয়ে দাদাকে আদর করতে থাকে । ওদের মাও এগিয়ে আসে ওদের কাছে । ঐশীর পাশে দাঁড়িয়ে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, “ তুই এভাবেই রোজ আমাদের সবার সামনে দাদাকে ডমিনেট করিস । তুই যখন ওকে ডমিনেট করিস আমার দেখতে খুব ভাল লাগে । ছেলেদের এভাবেই মেয়েদের সেবা করা উচিৎ । আজ থেকে অজয় তোর চাকর , তোর ক্রীতদাস । ওর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য এখন তোকে খুশি রাখা । সারাজীবন ওকে তুই যেভাবে খুশি ব্যবহার করিস । তোর বাবাকেও তুই চাকরের মতো ব্যবহার করতে পারিস এখন থেকে”।
মায়ের কথা শুনে প্রবল আনন্দে মন ভরে ওঠে ঐশীর । “ থ্যাঙ্ক ইউ মা” বলে মাকে জড়িয়ে ধরে সে । আর ওর দাদা অজয় খালি পেটে সুন্দরী ছোট বোনের জুতো পরা দুই পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করে যেতে থাকে ভক্তিভরে ।


Friday, 1 May 2015

আরত্রিকা / Aratrika ( by Mr. K )


( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )

Aratrika  ( by Mr. K )
( আরত্রিকা )

( গ্রামের ছেলে তপন বি কম পাশ করার পর সল্টলেকের এক MNC তে চাকরি পেল । তাদের অফিসেই কাজ করে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা । ছোট থেকেই তপন মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ । অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকাকে দেখে তাকে পুজো করার তার পায়ের তলায় নিজেকে সমর্পন করার ইচ্ছা প্রবল হয়ে উঠল তপনের । এক শনিবার অফিসের জেরক্স মেশিনের সামনে নিজের পেপার জেরক্স করতে এসে সে দেখল আরত্রিকাও পেপার জেরক্স করতে এসেছে । সে ইচ্ছা করে নিজের মোবাইলটা ফেলে দিল জেরক্স মেশিনের তলায় , তারপর ফোন তুলতে চিত হয়ে মেশিনের সামনে শুয়ে পড়ল। আরত্রিকা কাছে আসতে বলল,আমার মোবাইলটা নিচে পড়ে গেছে । আমি ওটা তুলতে তুলতে তুমি জেরক্স করে নাও ।
 আরত্রিকা ঠিক তপনের সামনে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে লাগল । কিন্তু তপন শুয়ে থাকায় ওর অসুবিধা হচ্ছিল । তপন বলল, - তোমার অসুবিধা হলে আমার গায়ের উপর পা দিতে পার, কোন সমস্যা নেই । ফর্শা, সুন্দরী আরত্রিকার পরনে ছিল সাদা টপ, জিন্স আর সাদা স্নিকার । বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আরত্রিকা উঠে দাড়াল তপনের বুকের উপর, জুতো পরা পায়ে । আরত্রিকার হাতে অন্তত ১০০ টা পেপার , ধীরে ধীরে  সে তপনের বুকের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে যেতে লাগল । আসে পাশে থাকা অফিসের কয়েক জন অবাক হয়ে ওদের দেখতে লাগল ।
আরত্রিকা জেরক্স করতে করতে স্থান পরিবর্তন করছিল । কখনও তপনের পেটে , কখনও বুকে , কখনও বা গলার উপর নিজের জুতো পরা পা রেখে দাড়াচ্ছিল আরত্রিকা । একটু পরে নিজের জুতো পরা বাঁ পা টা ঠিক তপনের ঠোঁটের উপর তুলে দিল আরত্রিকা । তার মুখের উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে খুব স্বাভাবিকভাবে জেরক্স করে চলল পরমা সুন্দরী আরত্রিকা । তপনের সারাজীবনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে গিয়েছিল । আশেপাশে অফিসের ২-৩ জন সহকর্মীর সামনে আরত্রিকা তার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে ? তপন আর পারল না । দুইহাত দিয়ে আরত্রিকার জুতো পরা বাঁ পা টা ধরে ভক্তিভরে একটা গাঢ় চুম্বন করল আরত্রিকার জুতোর তলায় । আরত্রিকা দেখে মুচকি হাসলতারপর ডান পা টাও তুলে দিল তপনের মুখের উপর । আরত্রিকার সাদা স্নিকার পরা ডান পা এখন তপনের ঠোঁটের উপর । আর স্নিকার পরা বাঁ পা তপনের কপালের উপর । অফিসের সহকর্মীদের সামনেই তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে চলল আরত্রিকা । জবাবে আরত্রিকার জুতো পরা ডান পায়ের তলায় ভক্তিভরে চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল তপন ।
প্রায় ১ ঘন্টা এইভাবে তপনের মুখের উপর জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে জেরক্স করে গেল আরত্রিকা । তারপর তপনের মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে তপনকে বলল, - শক্ত মেঝেতে দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে কষ্ট হয় আমার । এখন থেকে এভাবেই রোজ তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করব আমি, সবার সামনেই । জেরক্স করার দরকার হলেই রোজ তোকে ডেকে আনব আমি , যাতে জুতো পরা পায়ে তোর মুখের উপর দাঁড়িয়ে জেরক্স করতে পারি আমি ।
 জবাবে তপন আরত্রিকার জুতো পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করল, ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করে বলল, - নিশ্চয় দেবী ।
আরত্রিকা নিজের পেপার নিয়ে চলে গেল । তপন উঠে নিজের পেপার জেরক্স করতে লাগল । নিজের সৌভাগ্যকে তার তখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না ।  শুধু আজকেই যে সবার সামনে তার মুখের উপর জুতো পরা পরা পায়ে দাঁড়িয়ে অসাধারন সুন্দরী আরত্রিকা জেরক্স করেছে তাই না, এখন থেকে রোজ তাই করবে ! জেরক্স করতে করতে নিজের অসাধারন সৌভাগ্যের জন্য তপন উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল ।) 


My story is of tapan and aratrika (name changed). Tapan is a village boy, did his B. Com and got job in a mnc at salt lake sector 5. In the same company, aratrika was employed as a software developer. She is an IT engineer. Stunningly beautiful and attractive. Tapan never seen such a beauty before. She used to wear formal shirt, mini pencil skirt and killer heels. Tapan was mesmerised by her apparels. From childhood, he was very submissive to girls and had a immense crush on female feets. His dream is to serve a lady as goddess. Want to trampled by her brutally, want to lick her heels clean, want to kiss her feet. When he first saw aratrika at the office verandah, he was  just got blown. He just dreamt of her.
He wanted to be under her feet by any chance. Chance came. Tapan shifted his seat beside her. He used to stare at her while working. Aratrika noticed but didn't bother anything. The day was Saturday. Most ot the workers had an off-day. Few were there those who have pending work. Aratrika was there, and also, tapan. Aratrika was dressed in a white formal shirt, navy blue short skirt, showing off the butter smooth legs and decorating them with a killer strapped sandals, whose heel height is not less than 3 inches.Tapan was determined that today he should do something and was finding the right chance. He saw her going to xerox room with a bunch of paper. He followed him with some pages in hand. Tapan thought that this is the best area. Chances to get caught by anyone is very low. Aratrika saw him and said 'hi'.
 'hi Aratrika , I'm tapan" . Suddenly aratrika asked, "why do you look at me like that? " Tapan felt unready but promptly answered "coz you are so much beautiful " "really" she smiled "yes" " you do first" No, no, it's okay No, I have a lot of paper, it will take a long time. Aratrika said Then ok. Tapan started copying. He just wanted to get lied on the floor to have a better view of her feet. He got an idea. He took his phone, did something and kept that on the machine lid. When he lifted the lid, the phone slipped under the machine. "oh my god" he said and lie in front of the machine blocking the front position of it. He said her " I am getting it, you start with yours." Aratrika started copying. Clearly she was facing trouble as tapan lie there. She said "got that?" "can't reach , trying hard" "please make it fast. I can't stand here properly " Tapan then applied his plan. He said, "if you feel uncomfortable I have a way out " "what?" "if you don't mind, you can stand on me as a step ".
 "are you crazy? Why should I stand on you? "
 "for you ease".
 "could you bear my weight?" .
"you are not much heavy, it will be ok for me. Don't worry, stand up"
 "it can hurt you ".
 "I don't think so, you carry on ".
 Aratrika was going to put off her shoes. Seeing that tapan resisted "what are you doing? You do not need to put off those." Aratrika astonished "are you mad? I will probably kill you if I climb on you with those. See how sharp those heels are. " "don't think so much. I bet you can't hurt me with those. " actually tapan eagerly wanted that her goddess should trample him with heels, causing an unbearable amount of pain. "I will not do this, I am ready to get barefoot. ".
 "why should you do when you are not wanted to do so? Believe me and stand upon ".
 "you are taking too much risk ".
 "don't worry, stand up". Aratrika did so. She tenderly put her one feet on tapan's upper back and applied a little bit pressure. Then she ask "can you take it?" Tapan was in heaven. This is for the first time in his life dreams are becoming true. He is getting trampled by a goddess. He was just enjoying every single moment of being trampled. He said "it's absolutely ok. Stand on me with both of your feets."

 Aratrika put her another feet on his back and now she was completely standing on tapan, balancing herself holding the xerox machine. She bounced a little on his back and then asked "doesn't the heel hurt? ".
 Actually is was causing a good amount of pain as the narrow heels were getting dig into the flesh but tapan said with a lot of smile "they don't have the power to hurt me. But my back is getting massaged by those."
 "oh really?"
 "yes it is. But it would be better if you move your position on my back by time. "
 Aratrika did the same. While doing xerox, she was trampling all the back of his, applying pressure. She came to his upper back and put her one feet on his neck. That was clamped like a pipe by the arch or her shoe between the sole and the heel. That hurt a lot. Then tapan said, "the neck is not the right option for standing. You can step on my head instead of neck."
 Aratrika laughed a lot."on your head!" she repeated.
 "yes",tapan said. "what make you laughter? "
 "if I stand on your head, then it will going to be exploded ".
 "it won't. Our skull is enough hard to take load than neck. So you can freely stand on it".
 Tapan heard somewhere that head is the most important and holy organ of our body. For that he wanted that her goddess should trample his head to accept his slavery. "ok let's see how much can your head tolerate ". She put her right foot on his head and applied almost full body weight. The sole of the shoe was squeezing his temple and the sharp heel was getting dig into his chin. Some cracking sounds made and pain was just unbearable. As tapan was lying on his belly, so he couldn't enjoy the scene but imagined how it's looking like. Aratrika, standing with one foot on his head and another on his back, was making the xeroxes. After 5 minutes she completed and got down from tapan. He already got the mobile and stood up.

 "thanks to you for  massaging my back" Tapan said with a big smile. " you also deserve a thanks for helping me in such a way." Aratrika replied. "now get finished with yours. " Aratrika left the room. Tapan, standing alone in the room, was trying to remember the time he spent with Aratrika.

Wednesday, 1 April 2015

রিতেশ / Ritesh



( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । )



রিতেশ  / Ritesh

( ২১ বছর বয়সী রিতেশ গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করার পর চাকরি জোগাড় করার চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু এই বাজারে একজন সদ্য গ্র্যাজুয়েটের চাকরি কোথায় ?  অথচ তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল না, তার একটা চাকরির খুব দরকার . বাধ্য হয়ে তাদের উত্তরবঙ্গের ছোট্ট বাড়ি ছেড়ে সে এল কোলকাতায় , তার বড়লোক ব্যাবসায়ী পিসির বাড়িতে ।তার পিসি প্রীতি বড়লোক ও খুব প্রভাবশালী মহিলা, ইচ্ছা করলেই তার চাকরির ব্যাবস্থা করে দিতে পারেন । কিন্তু তিনি ততটা দয়ালু না । পিসির বাড়িতে কয়েকদিন থেকে রিতেশ বুঝে গেল পিসির একমাত্র দুর্বলতা তার ১৭ বছর বয়সী মেয়ে প্রিয়াঙ্কা । প্রিয়াঙ্কার কোন অনুরোধই ফেলতে পারেন না পিসি । রিতেশ ঠিক করল যেভাবে হোক পিসতুতো বোন প্রিয়াঙ্কাকে খুশি করে ওকে দিয়ে পিসিকে বলাতে হবে তার একটা চাকরির ব্যাবস্থা করে দিতে । তাহলেই তার চাকরি নিশ্চিত । কিন্তু হায় , রিতেশ জানত না, তাকে নিয়ে অন্য কিছু প্ল্যান আছে তার কাজিন প্রিয়াঙ্কার । প্রিয়াঙ্কাকে খুশি করতে রিতেশ যত ওর বোনের প্রতি সাবমিসিভ হয়ে উঠতে লাগল, তার সুবিধা নিতে লাগল প্রিয়াঙ্কা । দাদা রিতেশকে চাকরের মতো ব্যবহার করতে লাগল প্রিয়াঙ্কা । রিতেশেরও কেন যেন সুন্দরী পিসতুতো বোনের সেবা করতে ক্রমে খুব ভাল লাগতে শুরু করল । কোথায় গিয়ে থামবে তাদের এই সম্পর্ক ?…..)   

সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠেই ১৭ বছর বয়সী সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চিৎকার করল, রিতেশ, কোথায় তুই গাধা?.”
রিতেশ বাধ্য হয়ে ঘুম থেকে উঠে প্রিয়াঙ্কার সামন দাঁড়াল ।
প্রিয়াঙ্কা -  “ আমার ব্রাশ করা শেষ হওয়ার আগে আমার জন্য এক কাপ কফি করে আন ।…”
রিতেশ কি আর করবে ? কফি করে ছোট বোনের হাতে দিল । ভাবল এবার গিয়ে একটু ঘুমাতে পারবে ।
প্রিয়াঙ্কা -এই গাধা , কোথায় যাচ্ছিস ?
রিতেশ- .“.আমার ঘুম পাচ্ছে । আমি শুতে যাচ্ছি ।,

প্রিয়াঙ্কা - মাথা নিচু করে নরম গলায় জবাব দে, মালকিনের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় শিখিসনি ?”,
রিতেশ - সরি, আমার ঘুম পেয়েছে খুব, তাই ভুল হয়ে গেছে । আমাকে এবারের মতো ক্ষমা করে দাও প্লিজ ।.”
প্রিয়াঙ্কা – “কিন্তু আমি চাইনা তুই এখন শুতে যাস আর চাকরেরা তাই করে যা তাদের মালকিন বলে ।
বারবার ছোট বোন প্রিয়াঙ্কা নিজেকে রিতেশের মালকিন বলায় রিতেশ আর জবাব না দিয়ে পারল না । তুই কবে থেকে আমার মালকিন হলি ?”
প্রিয়াঙ্কা - তুই আমাদের বাড়িতে থাকছিস । আর তোর চাকরি পেতে আমার হেল্প দরকার । কিন্তু তোর নামে আমি যদি মাকে খারাপ কিছু বলি তার ফল কি হবে জানিস?”

রিতেশ - প্লিজ এরকম করিস না আমার সাথে । আমি তোর দাদা , তোর সামনে হাতজোড় করছি । প্লিজ , একটু দয়া কর আমার উপরে”।

প্রিয়াঙ্কা – “তুই আমার দাদা না , আমার পোশা গাধা আর চাকর । চাকরি পাওয়ার ইচ্ছা থাকলে আমার পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চা এক্ষুনি”।

রিতেশ বুঝতে পারল প্রিয়াঙ্কার হুকুম মানা ছাড়া তার কোন উপায় নেই । ছোট পিসতুতো বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাওয়া লজ্জাজনক হলেও তার আর কিছু করার নেই । এই বাড়িতে থেকে চাকরি যোগাড় তাকে করতেই হবে । আর তার জন্য তাকে অবশ্যই খুশি রাখতে হবে প্রিয়াঙ্কাকে । রিতেশ ছোটবোন প্রিয়াঙ্কার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল, তারপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিল ছোটবোনের চটি পড়া পায়ের উপর । সুন্দরী ছোটবোনের পায়ের উপর আসতে আসতে নিজের মাথাটা ঘষতে লাগল রিতেশ ।
রিতেশ -   “প্লিজ বোন, ক্ষমা করে দে আমাকে । এখন থেকে আমি তোর চাকর । তুই যা বলবি তাই শুনব আমি । প্লিজ ক্ষমা করে দে আমায়
প্রিয়াঙ্কা -  “আগে প্রমান কর তুই ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য । ভাল করে ছোট বোনের পায়ের তলায় শুয়ে বোনের পা টিপতে থাক
রিতেশ বিনা তর্কে ঠিক প্রিয়াঙ্কার পায়ের তলায় শুয়ে পরল । প্রিয়াঙ্কা তার নীল চটি পরা পা দুটো তুলে দিল দাদার মুখের উপর । তার চটি পরা বাঁ পা রিতেশের কপালের উপর আর চটি পরা ডান পা রিতেশের ঠোঁটের উপর রাখা ।  রিতেশের মুখের উপর চটির তলা দুটো ঘষতে লাগল প্রিয়াঙ্কা । আর রিতেশ আসতে আসতে পালা করে টিপতে লাগল সুন্দরী ছোট বোন প্রিয়াঙ্কার পা দুটো । কোন অজ্ঞাত কারনে সুন্দরী ছোট বোনের সেবা করতে আসতে আসতে ভাল লাগতে শুরু করেছিল রিতেশের । রিতেশের ঠোঁটের উপর ডান চটির তলা ঘষতে ঘষতে প্রিয় বান্ধবী শ্রীজিতাকে মেসেজ পাঠাল প্রিয়াঙ্কা ।
১০ মিনিট পর দরজার বেল বাজল ।
চটি পরা পায়ে দাদা রিতেশের মুখের উপর উঠে দাড়াল প্রিয়াঙ্কা । রিতেশের ভীষণ ব্যাথা লাগছিল । সেই সঙ্গে কেন জানিনা ভীষণ ভালও লাগছিল । তার মুখের উপর দাড়ান অবস্থাতেই প্রিয়াঙ্কা বলল,  “চুপ করে শুয়ে থাক , একদম নড়বিনা। তারপর উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিল । শ্রীজিতা এসে জড়িয়ে ধরল প্রিয়াঙ্কাকে । তারপর মেঝেতে শুয়ে থাকা রিতেশের বুকের উপর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা রেখে প্রিয়াঙ্কাকে বলল,   মেসেজটা করার জন্য থ্যাঙ্কস । আমি জানতাম তুই ঠিক তোর দাদাকে গাধা বানিয়ে ছাড়বি ।
প্রিয়াঙ্কা - চল, দুজনে মিলে গাধাটাকে নিয়ে খেলি

 জুতো পরা ডান পা টা রিতেশের বুক থেকে মুখের উপর তুলে দিয়ে শ্রীজিতা বলল,  তুই কি জানিস আমি কে?”

রিতেশ - হ্যাঁ জানি । তুমি প্রিয়াঙ্কার বন্ধু শ্রীজিতা
শ্রীজিতা- তোর কাছে আমি প্রভু আর প্রিয়াঙ্কা দেবীতোর নোংরা মুখে আমার নাম উচ্চারন করার জন্য ক্ষমা চা আমার কাছে
রিতেশের খুব ভাল লাগতে শুরু করেছিল দুটো সুন্দরী মেয়ের হাতে এই অপমান ।
রিতেশ- আমি একটা অপদার্থ গাধা । প্লিজ এবারের মতো ক্ষমা করে দাও আমায় । আর কখনও এরকম ভুল হবে না”।
শ্রীজিতা-  “ নে , এবার ভালো পোষা কুত্তার মতো প্রভুর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে ফেল । দেবীর পুজো আর সেবা করা এখনও বাকি তোর।
রিতেশ তাই করল । জিভ বার করে চাটতে লাগল ফর্শা, সুন্দরী মেয়ে শ্রীজিতার জুতোর তলা । শ্রীজিতার স্নিকারের তলা বেশ নোংরা । তবু প্রথমে ওর ডান জুতোর তলা, তারপর বাঁ জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিল রিতেশ ।
এরপর শ্রীজিতা সোফায় বসে রিতেশের বুকের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো রাখল । প্রিয়াঙ্কা বান্ধবীর পাশে বসে নিজের চটি পরা পা দুটো মামাতো দাদার মুখের উপর তুলে দিল ।
প্রিয়াঙ্কা -  “ নে কুত্তা, তোর ছোট বোন , তোর আরাধ্যা দেবীর চটির তলা চেটে পরিষ্কার করে দে । এরপর আমাকে মন্ত্র পড়ে দেবী রুপে পুজো করবি তুই”।
রিতেশ ভক্তিভরে ছোট বোন প্রিয়াঙ্কার নীল চটির তলা চাটতে লাগল । তার এক্টুও খারাপ লাগছিল না আর । প্রিয়াঙ্কার মতো সুন্দরী মেয়ে তার মতো একটা সাধারন ছেলেকে চাকরের মতো ব্যবহার করবে , তাকে দিয়ে জুতো চাটাবে এটাই রিতেশের স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল এখন্ ।  সে ভক্তিভরে প্রথমে ছোট বোনের বাঁ চটির তলা চাটতে লাগল । প্রায় ১০ মিনিট চেটে ছোট বোনের বাঁ চটির তলা নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল। তারপর একই রকম ভক্তিভরে ছোট বোনের ডান চটির তলা চাটতে লাগল । প্রিয়াঙ্কা মাঝে মাঝে চটি পরা পা তুলে লাথি মারতে লাগল রিতেশের মুখের সর্বত্র । মুখে সুন্দরী ছোট বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেতে খেতে প্রায় ১০ মিনিট চেটে বোনের ডান চটির তলাও নতুনের মতো চকচকে করে দিল রিতেশ । তারপর ভক্তিভরে একটা গাঢ় চুম্বন করল সুন্দরী ছোট বোনের ডান চটির তলায় ।



প্রিয়াঙ্কা - “ আজ থেকে আমি তোর আরাধ্যা দেবী । শ্রীজিতা সহ আমার সব বান্ধবী তোর প্রভু । আমার আর তোর বাবা- মা সহ সবার সামনে তুই আমাকে দেবীর মতো ভক্তিভরে পুজো করবি । আমাদের সেবা করবি ক্রীতদাসের মতো । সবার সামনে আমাদের জুতোর তলা চাটবি, আমরা তোর মুখে লাথি মারলে আমাদের প্রনাম করে ধন্যবাদ দিবি । বুঝেছিস কুত্তা ?”
রিতেশ ভক্তিভরে পিসতুতো বোন প্রিয়াঙ্কার ডান চটির তলায় চুম্বন করতে করতে বলল, -“ হ্যাঁ দেবী, আজ থেকে তোমার সেবা করা, তোমার পুজো করাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য । তোমাকে , তোমার সব বান্ধবীকে প্রভুজ্ঞানে সবার সামনে সেবা করব আমি, তোমরা যা বলবে তাই করব আমি । তোমাকে ধন্যবাদ প্রভু আমার মতো এক ক্ষুদ্র জীবকে তোমার পদতলে ক্রীতদাস হিসাবে স্থান দেওয়ার জন্য”।
প্রিয়াঙ্কা মুখে মুচকি হাসি ঝুলি্য়ে মামাতো দাদা রিতেশের ঠোঁটের উপর ডান চটির তলাটা ঘষতে লাগল । একটা ছেলেকে ক্রীতদাস হিসাবে ব্যবহার করার সখ তার বহুদিনের । আজ তার স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে । বাবা মার সামনেই আজ থেকে মামাতো দাদাকে ক্রীতদাস হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে সে । দাদার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা টিভি দেখতে পারবে সবার সামনে , উঠতে বসতে সপাটে দাদার মুখে লাথি মারতে পারবে জুতো পরা পায়ে । উফফ, কি আনন্দ ! সত্যিই তার সারাজীবনের স্বপ্ন সত্যি হল আজ !!


Priyanka roy is an athletic Indian bengali girl with a beautiful face and always had a bitchy smile on her face…
She is 17 and just passed 12 th grade…Her mother was a successful rich business woman preeti roy..age 40….
Her cousin ritesh was 21 and just graduated….He had come over to their house to ask preeti if she could somehow managed to arrange a job for him…. Preeti could have done it easily if she wanted but she wasn’t that kind..She told him to stay at their house till she finds a suitable job for him..
It was 6 a.m. in the morning..
–“Ritesh , where are you idiot ? priyanka shouted from her bed sleepily.
 Ritesh was sleeping too..but he woke up hearing her voice….He asked her why she had called himmake a cup of coffee before I brush my teeth.
  with that she woke up went to brush her teeth…Ritesh was left puzzled…She was treating him as if he was her servant…But he decided just to make some coffee for her and then get back to sleep again. he made her some coffee and offered her the coffee… She sat down on the sofa and started sipping her coffee…Ritesh turned around and was leaving the room….But he was stopped by priyanka….”hey fool , where are you going ?” priyanka said a bit sternly.
.“. I am feeling sleepy . I need to sleep now .”  Ritesh said in an irritated tone….although he always thought she was  sweet and beautiful , he never really liked her because of her attitude…

speek with respect you idiot, don’t forget that you are my servant”  priyanka said a bit angrily and then suddenly slapped him hard on the chick.
 Ritesh become totally speechless by the hard slap given by his little cousin sister. Then he recovered himself and replied “very very sorry . I am feeling sleepy and so make a mistake . please forgive me” .
Ritesh wanted to avoid quarreling with her. So he lowered his voice.  I don’t allow you to sleep now . I want you to serve me , and you should do what I say , because I am your mistress”.  Priyanka said with a smirk and placed her legs on the stool…

Ritesh was feeling very angry now. He wanted to avoid quarreling but he was not her servant . “You are my little cousin sister , not my mistress” Ritesh said a bit angrily…
you are dependent on us , staying on our house .  You need a job very badly . But if you don’t behave well with me , and  I complain about you to my mom , do you know what will be the result of that ?”  priyanka said confidently.
 “please don’t do that . I am your brother , and still I am praying to you . please have a little mercy on me”, ritesh requested to his cousin sister by folding his arms.
 ” Priyanka smiled, you are nothing more than a servant to me . If you want mercy , touch your forehead to my feet and beg for it.”

RITESH knew that the situation is now totally out of his hand. He may reject  his cousin sister’s request and go back to home, but his family has financial problems. And he needed the job very much.So,  Ritesh kneeled down in front of his younger sister and placed his head on her sandaled feet,  “
(please sis, have mercy on me . from now on, I am nothing but a servant to you . I will do whatever  you say, no matter what you are saying. Please, have mercy on me.”  Ritesh started to rub his face to his beautiful sister’s feet.

Priyanka placed her sandaled right foot over her brother’s head. “
You have to prove that you will obey me from now on . lay down under my feet and massage my feet like a good servant.”.
 Ritesh don’t even hesitate, he knew that he has to do that. And due to some unknown reason he started to enjoy his humiliation to his younger sister. He just laid on his back and priyanka placed her both blue sandaled feet on his face, right one over his lips and left one over his forehead. Ritesh started to massage her both feet simultaneously while  Priyanka started to play with his face by using her sandaled feet. She started to rub her right sandal sole on her brother’s lips vigorously.  Ritesh felt some strange happiness on his soul.  Priyanka had started to play games on her mobile .” ( actually she was massaging to her best friend Srijita) while her brother massaging her feet like an obedient slave.

Suddenly the doorbell rang.
You fool, don’t moov even an inch”,  Priyanka said to her brother and then stood up on his face with her sandaled feet. Wow…it was painful like hell. But still ritesh enjoyed the feeling of her lil sis standing on his face . she opened the door. Oh god ! this is her best friend Srijita.

Thanx for the massage . I knew that you will make your brother a submissive servant for us easily”  srijita said to Priyanka.

let’s use him like a slave and have some fun “, told Priyanka while closing the door. Srijita placed her right sneakered foot on ritesh’s chest, a beautiful smile appeared on her equally beautiful face.
Do you know who I am?”  Srijita asked ritesh while transferring her right sneakered foot from his chest to his face.”
yes , I know . you are Srijita , priyanka’s friend .”

Srijita kicked very hard on his face. “I am a mistress to you and Priyanka is your supreme Goddess . Beg for mercy to me for callingl us by our names “.

Ritesh is now started to enjoy his humiliation. He started to kiss Srijita’s sneaker sole, “
I am a fool, deserve nothing more than to worship beautiful girls like you like a Goddess . please have mercy on me ,. I will never disrespect any girl from now.”

Priyankla sat down on the sofa and placed her sandaled feet on her brother’s  chest. Srijita also sat down beside her friend and placed her both sneakered feet on ritesh’s worthless face and ordered, “
now lick the shoe sole of your mistress clean . Then you have to worship your goddess sister truly and sincerely with devotion” .
Ritesh do exactly the same he was asking for. He was licking Srijita’s dirty sneaker sole as if there was no tomorrow. Ritesh knew that thiswas  his new role of the life, as a shoe licker. Or this is his new job? He continued to lick srijita’s Right shoe sole while dreaming that he will become a professional female shoe licker someday. He licked and licked, the shoe sole of his superior girls, what he was worth for . He engulf all the mud and dirts from the sneaker sole of his mistress Srijita . He licked clean her right sneaker sole first , then gave the same treatment to her left sneaker sole . Then Priyanka and Srijita switched their position . Srijita sat down by placing her now clean sneakered feet on ritesh’s chest . Priyanka sat down and placed her sandaled feet on her brother’s face . Her Right sandal sole was over his lips and left sandal sole was over his forehead . She started to rub her sandal sole harshly on his brother’s forehead and lips . In response , Ritesh kissed the Right sandal sole of his little sister with devotion.
Priyanka kicked over his nose a couple of times with her sandaled right foot and ordered , “hey doggy bro, lick and clean my both sandal sole now . Then you have to worship me like a goddess”.
Ritesh did not protest at all . He started to lick clean his sister’s sandal sole just like a dog . Her sandal sole was not much dirty like Srijita;s sneaker sole . He cleaned his sister’s right sandal sole at first, then her left sandal sole , by licking . He engulfed all the dirts from his sister’s sandal sole with devotion . For him, she was not just his beautiful younger cousin sister anymore, but  a true Goddess, who should be worshipped .
Ritesh lick clean his sister’s sandal sole like a new one . He licked her right sandal sole for 10 minutes , then her left sandal sole for another 10 minutes . Then he submissively kissed the right sandal sole of his sister priyanka  for  a few times .
Priyanka smiled in reply . She always want to made her cousin brother Ritesh her personal servant , her slave . She knew that her dream will be fulfilled very soon.  She started to kick his face with her both sandaled feet . He said nothing , just let his younger sister  to kick his face like a football . It was painful, but for him Priyanka was a goddess now . She had the every right to kick his face with her sandaled feet .
From now on, I am your supreme goddess . All my girlfriends are your mistress . You will serve us in front of my parents and all others  like a mere slave . You will do whatever I say, whenever I say . understand ?” Priyanka said while kicking her brother’s face with her sandaled foot like a football.
Ritesh kissed his beautiful younger cousin sister’s right sandal sole in response with devotion .  “Thank you goddess . From today I will worship you as my supreme goddess . I will serve you and all your girlfriends like a mere slave , in freont of the whole world .”
Priyanka was smiling , so did Srijita . They knew they can use Ritesh as their loyal slave from now on. Priyanka was waiting for her mother preity to wake up . She wanted to use him in front of her mother like a slave very badly . She want to kick his face as hard as she can with her booted feet in front of her mother . Her mother loves her very much . She knew that her mom will love to watch him as her slave . Prianka continued to rub her sandal sole all over her elder brother’s face while he was still kissing her sandal sole like a loyal slave .


( first portion of the story is copied from a story from writing.com )



Wednesday, 25 March 2015

সজল

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



রিমার সাথে শুটিং  করতে এসে এরকম অভিজ্ঞতা হবে ভাবতে পারেনি সজল ।
ইংল্যান্ডে পড়তে এসে খরচ চালাতে খুব অসুবিধা হচ্ছিল সজলের । বাড়ি থেকে পাঠান টাকায় এখানে পাউন্ডে খরচ চালান খুবি মুস্কিল । অনেক কষ্টে ওয়ারক পারমিট যোগাড় করার পর রিমাই বলেছিল অর সাথে শর্ট ফিল্ম এ অভিনয় করতে নেমে পড়তে । ওদের ক্লাস্ মেট সারাও ওদের সাথে অভিনয় করবে । কিন্তু সে শর্ট ফিল্ম যে ফেমডম শর্ট ফিল্ম সেটা ও কি করে বুঝবে ?
শুটিং করতে তারা একটা পুরন বাড়িতে ঢুকল ঠিক সকাল ১০ টায় । পরিচালক তাকে গল্প বুঝিয়ে দিল , সে গল্পে রিমার দাদা আর সারা রিমার ক্লাস মেট । সে একটা খেলায় হেরে যাবে রিমার কাছে । আর খেলার শর্ত মত রিমা আর সারা তাকে যা বলবে তাই করতে হবে সারাদিন ।
রিমা হাসিমুখে ওকে বলল , - দাদা, আজ সারাদিন তুই আমার চাকর, আমি তোর মনিব । আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর । ব্যাপারটা অপমানজনক বোঝার পর ও সজল ২০০ পাউন্ডের লোভ ছাড়তে পারল না । সে রিমার কথা মত ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরল । রিমা ওর পাম্প সু পরা পা দুটো সজলের মুখের ওপর রেখে বলল , এবার ভাল দাদার মত বোনের পা টেপ । সজলের কেন যেন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সুন্দরী বান্ধবীর কাছে অপমান । সে আসতে আসতে রিমার পা টিপতে লাগল আর রিমা ওর মুখে জুতোর তলা ঘষতে লাগল । তখনি ঘরে ঢুকল সারা । সজলের মুখের ওপর নিজের সাদা জুতো পরা ডান পা রেখে দাঁড়াল । সোনালি চুলের শ্বেতাঙ্গ বান্ধবীর কাছে এই অপমান দারুন ভাল লাগতে শুরু করেছিল সজলের । সে নিজে থেকেই চুমু খেল সারার জুতোর তলায় । সারা হেসে বলল তোকে আমাদের পায়ের তলাতে থাকলেই মানায় । নিজের বাঁ পা সজলের বুকের ওপর রেখে জুতো পরা ডান পা সজলের মুখের ওপর রেখে সে মাথার সুন্দর সোনালী চুলে হাত দিয়ে ফ্যাশন শো করার কায়দায় দাঁড়াল । রিমার জুতো পরা ডান পা তখন সজলের কপালের ওপর আর বা পা ওর বুকে ।
এবার আমরা একটা খেলা খেলব । তুই চোখ বন্ধ করে জিভ বার করে শুয়ে থাকবি আর আমরা একজন তোর বের করা জিভে আমাদের এক পায়ের জুতোর তলা মুছবো । কে, কোন জুতোর তলা মুচেছে ঠিক করে বলতে পারলে তোকে সেই জুতোর তলায় চুমু খেতে দেব । আর না পারলে সেই জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে হবে মুখে । 

সজল এমন ভাবে মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল যেন এটা খুব স্বাভাবিক খেলা । সে জিভ বার করে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরল দুই বান্ধবীর পায়ের তলায় । রিমা আর সারা হাসিমুখে সজলের বের করা জিভে ওদের জুতোর তলা বলাতে লাগল । সজল আন্দাজে বলার চেস্টা করতে লাগল কার কোন পা তার জিভ স্পর্শ করেছে । বেশীরভাগ  সময়ে তার উত্তর ভুল হচ্ছিল । ফলে হাসিমুখে তার মুখে লাথি মারছিল তার দুই বান্ধবী । আর তার উত্তর ঠিক হলে সে গাঢ় চুম্বন করছিল বান্ধবীদের জুতোর তলায় । সবার সামনে এভাবে বান্ধবীদের পায়ের তলায় অপমানিত হতে খুব ভাল লাগছিল তার । এখন থেকে কলেজেও সে এভাবে সবার সামনে সারা আর রিমার সেবা করবে , ওদের লাথি মুখে খেতে খেতে এই স্বপ্নই দেখতে লাগল সজল ।


সোনালী

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

ক্লাস ১১ এর প্রথম দিন । প্রথম পিরিয়ড চলছিল । নতুন স্কুলে আমার প্রথম পিরিয়ড । আমি বসেছিলাম ফার্স্ট বেঞ্চের ঠিক নিচে মেঝেতে । হ্যাঁ , মেঝেতেই । ক্লাস শুরু হওয়ার পর ও মেয়েরা একের পর এক ঢুকছিল । ম্যাডাম কিছুই বলছিল না তাদের । অথচ ক্লাস শুরু হওয়ার মাত্র ২ মিনিট পর একটা ছেলে ঢুকেছিল , ম্যাডাম তাকে কান ধরে দাড় করিয়ে রেখেছেন ।
ক্লাস শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট পর যে মেয়েটা ঢুকল তাকে দেখে আমি চমকে গেলাম । ওর নাম সোনালী । সার্থক নাম । ওর গায়ের রঙ সত্যিই সোনালী  বেশ লম্বা , একমাথা কালো চুল , চোখের মণি নীল । আজ ৬ বছর পর ওকে দেখছি । তাও চিনতে অসুবিধা হল না । আমার খুব ইচ্ছা করতে লাগল ক্লাসের সবার সামনে ছুটে গিয়ে ওর কালো জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে ।
ও এসে ফার্স্ট বেঞ্চেই বসল , আমি এখন ঠিক ওর পায়ের কাছে বসে ।
এতক্ষন ফার্স্ট বেঞ্চ ৩ টে মেয়ে দখল করে বসেছিল । সব বেঞ্চই অবশ্য মেয়েরা এভাবে দখল করে বসেছিল । ছেলেরা সবাই তাই মেঝেতে বসতে বাধ্য হচ্ছিল । কোন মেয়ে ক্লাসে ঢুকলে অবশ্য তার বসার জায়গার অভাব হচ্ছিল না ।
আমরা অবশ্য মানসিক ভাবে এর জন্য প্রস্তুত হয়েই এসেছিলাম । এটা আগে একটা গার্লস স্কুল ছিল , ক্লাস ১০ পর্যন্ত । ৩ বছর আগে এখানে উচ্চ মাধ্যমিক চালু হয় । তখন থেকে  ১১ আর ১২ এ ১০ % সীটে ছেলেদের নেওয়া হয় । ১১ আর ১২ মিলিয়ে সায়েন্স ও আর্টস এ মোট ৩৪ টা ছেলে । আর স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা ১২০০ এর বেশী ।
ভর্তির দিন আমাদের ভর্তি করার আগে হেডমিস্ট্রেস আমাদের ডেকে বলেছিলেন , দ্যাখো , এই স্কুলে মেয়েদের সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় ওরা তোমাদের ছেলেদের অল্প র‍্যাগিং করতে পারে । খুব বেশী কিছু হলে আমাদের অবশ্যই বলতে পার । কিন্তু একটু আধটু র‍্যাগিং সহ্য করতে হবে এটা মেনে নিয়েই ভর্তি হতে হবে এখানে । বাইরের পৃথিবীতে তো মেয়েরা সবসময়ই র‍্যাগিং সহ্য করছে  এখানে তাই উল্টো নিয়ম । সহ্য করতে পারবে না মনে হলে এখানে ভর্তি হবে না । তবে তোমরাও যদি মেয়েদের মত এই র‍্যাগিং এঞ্জয় করার চেষ্টা কর , দেখবে ছেলে হয়ে মেয়েদের হাতে র‍্যাগড হওয়ার মজাই আলাদা ।
আমি তো শুধু মেয়েদের হাতে র‍্যাগড হওয়ার জন্যেই অন্য ভাল স্কুল ছেড়ে এখানে পড়তে এসেছি । আমার এসব শুনে খুব ভাল লেগেছিল । অন্য ছেলেরাও কেউ এসব শুনে স্কুল ছাড়ল না । প্রায় সবাই ভর্তি হয়ে গিয়েছিল ।
আমি পিঠে হঠাত কিসের যেন স্পর্শ পেলাম । তাকিয়ে দেখি সোনালী ওর জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে গোটা স্কুলের সামনে । ও কি আমাকে চিনতে পেরেছে । স্কুলের সাদা শার্ট , নীল স্কার্ট , সাদা মোজা আর কালো জুতো তেও ওকে অপরূপ সুন্দরী লাগছে । ও আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে খুব স্বাভাবিক ভাবে ক্লাস করতে লাগল । ম্যাডাম পড়াতে পড়াতে মাঝে মাঝে সোনালীর দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগল । সোনালী মাঝে মাঝে ওর জুতোর তলা দুটো আমার গালে ঘষছিল । উফ , আমার স্বপ্নের দেবী সোনালী এতদিন পর আবার গোটা স্কুলের সামনে আমার কাঁধে জুতো পরা পা রেখে বসে ! এক অদম্য আনন্দে আমার মন ভরে উঠল , আমি গোটা ক্লাসের সামনেই মাঝে মাঝে সোনালীর জুতো পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে লাগলাম । তাকিয়ে দেখলাম সোনালীর দেখাদেখি ফার্স্ট বেঞ্চের অন্য মেয়েরাও তাদের পায়ের কাছে বসা ছেলেদের কাঁধে জুতো পরা পা তুলে দিয়েছে । ক্লাসে আমরা ৬ জন ছেলে এমন ভাবে মেয়েদের পায়ের তলায় এমন ভাবে বসে আছি যেন এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ।
আমার মন স্মৃতির সিঁড়ি বেয়ে চলে গেল পুরন দিনে । সেই প্রাইমারী স্কুল জীবনে , যখন প্রথম আমার দেবী সোনালীর সেবা করার সুযোগ হয় আমার

তখন আমাদের ক্লাস ৪ ।  আমাদের প্রাইমারী স্কুলটা ছিল একটা গার্লস হাই স্কুলের লাগোয়া , ওখানেও তাই গার্লস স্টুডেন্ট অনেক বেশী ছিল । আমাদের ক্লাসে আমরা মোট ৮ জন ছেলে আর ৩৩ জন মেয়ে ছিলাম ।  ক্লাস ৪ এ কয়েক মাস পর থেকে খুব কম স্টুডেন্ট ক্লাসে যেত , বাড়িতে থেকে ক্লাস ৫ এর অ্যাডমিশন টেস্টের প্রস্তুতি নিত সবাই । রোজ ২-৩ জন ছেলে আর ১৪-১৫ জন মেয়ে আসত ।
সোনালী ছিল স্কুলের সেকেন্ড গার্ল , আমি ফার্স্ট হতাম বরাবর । সোনালী আমাকে এজন্য হিংসা করত বুঝতে পারতাম । তবে আমার কখন ওকে হারাতে ভাল লাগত না । মনে মনে রোজ হাজার বার ক্ষমা চাইতাম ওর কাছে ।
সেদিন স্কুলে ছেলেদের মধ্যে আমি ছাড়া কেউ যায়নি । মেয়ে এসেছে ৮ জন । টিফিন টাইমে ছেলে আর মেয়েরা আলাদা খেলতাম । ফলে মেয়েরা সেদিন খেলছিল । আমি একা একা মনমরা হয়ে বসেছিলাম ।
হঠাত সায়নী নামে একটা মেয়ে আমাকে ডাকল
-   এই রাজু , আমাদের সাথে খেলবি ?
-   আমি ঘাড় নাড়লাম, হ্যাঁ ।
-   আয় তাহলে ।
-   আমি গেলাম ওর সাথে । সোনালী বলল , আমরা রানি রানি খেলছি । আমি রানি হয়েছি । ওরা কেউ মন্ত্রি , কেউ সেনাপতি , কেউ রাজকন্যা । কিন্তু রানির চাকর সাজার কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না । তুই চাকর সাজ ।
-    এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে উঠল । নিজেকে সোনালীর চাকর ভেবে এক অদ্ভুত আনন্দ পেলাম আমি ।
-   আমি ঘাড় নেড়ে বললাম , ঠিক আছে , তুমি রানি , আমি তোমার চাকর ।
এই বলে আমি ঠিক ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লাম ।
আমার পা টিপে দে । সোনালী হুকুম করল । আমি ওর জুতো পরা পা দুটো নিজের কোলের উপর তুলে টিপতে লাগলাম । আমার নীল প্যান্ট ওর জুতোর ধুলোয় প্রায় সাদা হয়ে গেল । সোনালী একটা পা আমার কাঁধে রাখল । আমি ওর অন্য পা টা টিপতে লাগলাম ।
একটু পরে সোনালী গম্ভীর মুখে হুকুম করল , -এবার আমি রাজসভায় যাব , আমার জুতো পরিষ্কার করে দে ।
আমি পকেট থেকে আমার সাদা রুমাল টা বার করে সোনালীর জুতো পরিষ্কার করতে লাগলাম । আমার ইচ্ছা করছিল জিভ দিয়ে চেটে সবার সামনে আমার প্রভুর জুতো পরিষ্কার করে দিই । কিন্তু সাহস হল না ।
রাজসভায় পৌঁছে সোনালী বলল , রাজসভায় রানি সিঙ্ঘাসনে বসেছে , কিন্তু রানির পায়ের কাছে পাদানি নেই কেন ? রানি কি মেঝেতে পা রাখবে না কি ?
-না প্রভু , এই যে আপনার পাদানি । এই বলে আমি সবার সামনে সোনালীর জুতো পরা পায়ের তলায় নিজের বুক পেতে শুয়ে পড়লাম ।
সোনালী আমার বুকের উপর নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল , -আমি যতক্ষন রাজসভায় আছি , আমার পা টিপতে থাক ।
সোনালী আমার বুকের উপর বাঁ পায়ের উপর ডান পা রেখে বসে আছে । ওর ডান পা টা আমার মুখের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপরে । আমি প্রবল ভক্তিভরে সোনালীর পা দুটো টিপছি । আর ক্লাসের সব মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে ।
সোনালী ওর জুতো পরা ডান পা টা আসতে আসতে আমার ঠোঁটের দিকে নামাচ্ছিল । একটু পরেই ওর জুতোর তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করল । সবার সামনেই আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে জুতোর তলা দিয়ে খেলতে লাগল সোনালী । আমি সম্মোহিতের  মতো আমার জিভটা বার করে দিলাম । আমার বার কা জিভে সবার সামনে জুতোর তলা মুছতে লাগল আমার প্রভু সোনালী । ওর জুতোর তলার  ময়লা প্রবল ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম আমি ।

( চলবে... )