Wednesday, 1 January 2025

বোকা খোকার জীবন..

বোকা খোকার সাবমিসিভ জীবন.. আমি খোকা, ছোট থেকে আমার দিদি বা বন্ধুরা আমাকে বোকা খোকা বলে ডাকে। এটা আমার জীবনের অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতা গল্পের মত হয় না, তাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু সুখকর স্মৃতির সাথে অনেক দু:খ-যন্ত্রনা-একঘেয়েমি-দুশ্চিন্তা ইত্যাদি নানা জিনিস মিশে থাকে। আমার জীবনের অভিজ্ঞতাও তেমনই। আমার জন্ম কলকাতার খুব কাছেই এক ছোট শহরে। যৌথ পরিবার। আমার জন্মের সময়ে পরিবারে ছিল ঠাকুরদা-ঠাকুমা-বাবা আর তার দুই ছোট ভাই, সাথে আমার মা আর দিদি। দিদি আমার চেয়ে বয়সে প্রায় ৩ বছরের বড়। আমি যখন খুব ছোট তখন ঠাকুরদা মারা যায়, মেজ কাকু বাড়ি ছেড়ে বাইরে চলে যায় কাজের সুত্রে। পরে থাকি আমি-দিদি-বাবা-মা আর ঠাকুমা ও ছোট কাকু। আমার যখন বছর ১১-১২ বয়স তখন এই কাকুর বিয়ে হয় ও কাকিমা আমাদের বাড়িতে আসে। তখন আমাদের ছোট দোতলা বাড়ি ছিল। বাড়ির একতলায় আমি-দিদি- বাবা- মা থাকতাম। দোতলায় ঠাকুমা আর কাকু থাকত। আমাদের পরিবার অনেক দিক থেকেই খুব অদ্ভুত ছিল। বেশ ধার্মিক গোঁড়া হিন্দু পরিবার। ঠাকুমা দোতলাতেই পুজা আচ্চা নিয়ে থাকত সারাদিন। আমার বাবাও খুব ধার্মিক ছিল, মাও। কিন্তু তারপরেও আমার জন্মের পর থেকেই আমার বাবা বা ঠাকুমার সাথে মায়ের সম্পর্ক খুব খারাপ হয়ে আসে। এর একটা কারন ছিল মায়ের পরিবার যেই গুরুর ভক্ত ছিল তাকে আমার ঠাকুমা পছন্দ করত না, উলটে ঠগ বলত। তাকে বাড়িতে আনা বা পরামর্শ মানা তো দূর। আরো অন্য অনেক সমস্যার কারন থাকতে পারে, আমি তা জানি না। তবে জন্মের পর থেকেই দেখতাম মায়ের সাথে বাকিদের কথা কাটাকাটি। মা এর পরে কখনো আমাকে নিয়ে আর বেশিরভাগ সময়েই না নিয়ে লম্বা সময়ের জন্য মামাবাড়ি চলে যেত। নিজের ইমোশনাল যন্ত্রনা ঢাকার জন্য হয়ত কিছু না বুঝেই বলত, " তুই অপয়া। তোর জন্যই এত সমস্যা।" আমার অপরিনত শিশু মস্তিস্ক হয়ত সেই কথাটাই সত্যি বলে ধরে নিয়েছিল। আমি অপয়া, আমার মধ্যে ভয়ানক খারাপ কিছু আছে। কেউ আমাকে চায় না। আমাকে পরিবার বা সমাজ হয়ত ছুঁড়ে ফেলে দেবে। সেটা যদি আমি না চাই তাহলে আমাকে extreme sacrifice করে অন্যদের মন জয় করে তাদের approval আদায় করতে হবে। আমার এই চিন্তার প্রথম ফায়দা তোলে আমার দিদি। আমার যখন থেকে স্মৃতি আছে, ওই ৪-৫ বছর বয়স থেকে, তখন থেকেই দিদি আমাকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেয়। আমার যখন বছর ৫ বয়স তখনকার একটা স্মৃতি আমার মনে আছে। কাজের দিন, বাবা-কাকা অফিসে গেছে। ঠাকুমা যথারীতি পুজো-আচ্চা নিয়ে ব্যাস্ত। মা রাগ করে মামাবাড়ি চলে গেছে। আমার ভয়ানক খারাপ ফিল হচ্ছে। আমি তখনো স্কুলে ভর্তি হইনি। কিন্তু দিদি স্কুলে পরে। দিদি রেডি হয়ে সোফায় বসে আমাকে বলল, " আমার স্কুল জুতোটা নিয়ে আয় তো।" আমি শুধু চাইছিলাম দিদি বাড়িতে থাকুক, নাহলে অত বাচ্চা বয়সে বাড়িতে একা থাকতে আমার খুব আন্সেফ ফিল হত। অবচেতন মন হয়ত ভাবত মা চলে গেছে, আর আসবে না। দিদিও চলে যাবে। হয়ত বাবা কাকুরাও আমাকে ফেলে চলে যাবে। আমি অপয়া-দূর্ভাগা। আমাকে কেউ চায় না। এই চিন্তা থেকেই যে খারাপ আর নিজের সম্পর্কে খুব নিচু অনুভব হত তাই থেকেই হয়ত মাথা চাইত এক্সট্রিম কিছু করে অন্তত কারো কাছে নিজেকে ইউজফুল প্রমান করতে। সেই থেকেই হয়ত দিদি স্কুলে যাক না চাইতেও আমি দিদির সাদা জুতো জোড়া মাথায় রেখে দুই হাতে ধরে দিদির কাছে এলাম। ( হয়ত কয়েকদিন আগে ধার্মিক ঠাকুমার কাছে ভগবান রামের পায়ের খড়ম তার ছোট ভাই ভরত মাথায় করে নিয়ে অযোধ্যায় ফেরার গল্প শুনেছিলাম বলে এটা আরো স্বাভাবিক লেগেছিল আমার)। আমাকে এইভাবে জুতো মাথায় করে আনতে দেখে দিদির মুখে দারুন একটা হাসি ফুটে উঠল। এই সম্মান সে এঞ্জয় করছে ও আমার দিদির প্রতি এই সাবমিসিভনেসকে সে ইউজ করতে চায় এরকম একটা ভাব ছিল সেই হাসিতে। আমি জুতো এনে পায়ের কাছে বসতে দিদি বলল " বেশ বড় হয়েছিস তুই এখন। আমার পায়ে জুতো মোজা পরিয়ে দিতে পারবি?" আমি হ্যাঁ বলে মাথা নেড়ে দিদির পায়ে মোজা পরাতে পরাতেই বললাম "আজ স্কুলে যেওনা দিদি প্লিজ।" শেষ পর্যন্ত আমি দিদির পায়ে মোজা- জুতো পরিয়ে দিলাম। তারপরে দিদি উঠতে গেলে দিদির পা দুটো দুই হাতে জড়িয়ে ধরে কাতর অনুরোধ করতে লাগলাম। দিদি বলল " আমার পায়ের উপরে মাথা রেখে বল। তাহলে ভেবে দেখব।" আমি তাই করলাম। মিনিট খানেক দিদির জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে পা জড়িয়ে কেঁদে অনেক অনুরোধ করলাম। তারপরে দিদি জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার মাথাটা সরিয়ে দিয়ে বলল, " স্কুলে অনেক মজা হয়। বাড়িতে থেকে বোর হব নাকি? সর!" আমি " প্লিজ দিদি" বলে আরও ২-৩ বার দিদির পা জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলাম পিছন থেকে। দিদি আবার জুতো পরা পা দিয়ে আমার মাথায় হালকা লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে ক্যাজুয়ালি হেঁটে বেরিয়ে গিয়েছিল। আমার খারাপ লেগেছিল খুব। দিদির আচরনে নয়, নিজেকে অপয়া ও unwanted ভেবে। দিদি ফিরে আসার পরে অবশ্য কিছুটা সেফ লেগেছিল। দিদির পা থেকে জুতো খুলে দেওয়ার আগে আমি দিদির জুতোর উপরে চুম্বন করেছিলাম নিজে থেকেই। আর এরপর থেকে এটা রোজ দিদির স্কুলে যাওয়ার সময়ের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর আমার এই এক্সট্রিম সাবমিসিভনেস ইউজ করে অনেক কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব সেটা দিদি ওই বয়সেই বুঝে গিয়েছিল। আমাকে দিদি চাকরের চোখে দেখতে শুরু করেছিল ওই বয়স থেকেই। দেখতে খারাপ, low confident, socially awkward আমাকে নিজের ভাই বলে কারো কাছে পরিচয় দিত না দিদি। নিজের অনেক বন্ধুর কাছেই আমাকে বাড়ির চাকর বলে পরিচয় দিয়েছিল দিদি। যা উলটে দিদির প্রতি আমার সাবমিসিভনেস বাড়িয়ে তুলেছিল। দিদি নিজের প্রায় সব কাজই আমাকে দিয়ে করাত এরপর থেকে। ঘর পরিস্কার থেকে বিছানা করা-তোলা, হোমওয়ার্ক কপি করা, পা টেপানো সব। দিদি আমাকে দিয়ে বেশি কাজ করালে একমাত্র মা বাড়িতে থাকলে আপত্তি করত। বাবা কিছুই বলত না, বরং দিদিকে সাপোর্ট করত। দিদি কিছু চাইলে বা করে দিতে বললে বাবা সাথে সাথে দিত। বাবা-কাকা-ঠাকুমাকে দিদি এইজন্যই হয়ত মায়ের চেয়ে বেশি ইউজফুল ভাবত নিজের জন্য। আর এই কারনেই হয়ত মায়ের সাথে দিদির একটু মানসিক দূরত্বও তৈরি হয়। দিদি আমাকে দিয়ে প্রথম পা টেপায় যখন তখন আমার বয়স ৭-৮ হবে। এরপরে এটাও ক্রমে রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। দিদি খাটে শুয়ে থাকলে আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পা টিপে দিতাম। আর দিদি চেয়ারে বা সোফায় বসলে আমি দিদির চটি পরা পা দুটো বুকের উপরে রেখে ওর পায়ের নিচে শুয়ে পা টিপে দিতাম। একদিন এইভাবে দিদির পা দুটো বুকে নিয়ে দিদির পা টিপে দিচ্ছি সন্ধ্যাবেলা । মা দেখে বলল, " তোর লজ্জা করে না? ছোট ভাইকে ঠান্ডা মেঝেতে পায়ের নিচে শুইয়ে ওর বুকে পা তুলে ওকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিস?" দিদি ক্যাজুয়ালি টিভি দেখতে দেখতে উত্তর দিল, " এতে লজ্জার কি আছে? মা কালীও তো শিবের বুকে পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে। দেবী দূর্গাও তো অসুরকে পায়ের নিচে রাখে। আর লোকে সেই রূপে কালী আর দূর্গার পুজো করে। তাহলে আমি ভাইয়ের বুকে পা রাখলেই বা সমস্যা কি?" " তুই কি নিজেকে দেবী ভাবছিস যে দেবীদের সাথে নিজের তুলনা করছিস?"- মায়ের কথায় দিদি চটি পরা পা দুটো বুক থেকে তুলে আমার মুখের উপরে রাখল। তারপরে নিজের চটির তলা দুটো আমার সারামুখে ঘসতে ঘসতে বলল, " বুকে পা রাখলে তোমার অত সমস্যা যখন তখন আমি ভাইয়ের বুকে পা না রেখে এখন থেকে মুখের উপরে রাখব। আপত্তি নেই তো?" দিদিকে আমার মুখে পা রাখতে দেখেই মা " ছি: পা নামা এক্ষুনি!" বলে এমন চিৎকার জুড়ল যে পাশের রুম থেকে তখনই বাবা এসে বলল, " কি হয়েছে? চিৎকার করছ কেন?" বলে অবশ্য নিজের চোখেই ব্যাপারটা দেখল। ১১ বছর বয়সী দিদি নিজের চটি পরা পা দুটো ছোট ভাইয়ের মুখের উপরে রেখে চটির তলা ভাইয়ের সারামুখে ঘসছে আর ভাই এই অবস্থায় তার পা দুটো ভক্তিভরে টিপে যাচ্ছে বিনা প্রতিবাদে। বাবা কি হয়েছে সেটা পাশের ঘর থেকে আধা শুনেছিল। আবার পুরোটা শুনে বলল, " আমার তো মনে হয় মা কালী বা দেবী দূর্গার কোন অংশ দিশার ( দিদি) মধ্যে আছে। অপু( আমি) বাচ্চা বলে ওর পরিস্কার আত্মা সেই সত্যিটা ধরতে পেরেছে। দিশা সাধারন কোন মেয়ে হলে অপু কেন ওকে এইভাবে নিজের মুখে পা রাখতে দেবে, তাও চটি পরা পা? আবার সেই অবস্থায় ভক্তিভরে ও দিশার পাও টিপে দিচ্ছে। আর তুমি কিছু না বুঝে চেচাচ্ছ?" এরপরে আরো এক প্রস্থ ঝগড়া। মা বাবাকে পাগল আখ্যা দিল। আর বাবা যথারীতি মার গুরুকে ভন্ড বলে তার প্রতি ভক্তিকে মুর্খামি বলল। বাবা পরে নিজের মেয়ের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল আর মা কাকু ঠাকুমাকে বলে এই পাগলামি বন্ধের চেষ্টা করল। কিন্তু লাভ হল না। সেই থেকে আমার মুখের উপরে পা রেখে বসে পা টেপানো দিদির কাছে খুব স্বাভাবিক হয়ে গেল। ঘরের চটি পরা পা তো বটেই, বাইরের জুতো পরা পাও দিদি স্বচ্ছন্দে আমার মুখের উপরে তুলে দিত। আমি এই অবস্থায় আমার মুখের উপরে রাখা দিদির জুতো পরা পা টিপে দিতাম। জুতোর তলা জিভ দিয়ে চাটতাম। দিদি যখন ইচ্ছা লাথি মারত আমার মুখে-বুকে। শুধু আমি নই, বাবাও দিদিকে ভক্তি দেখাত যথেষ্ট। দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে রোজ প্রনাম করত। দিদির পাও টিপে দিত রোজ। দিদি বাবার বুকে মুখে পা রেখে পা টেপানো তো বটেই মেঝেতে শোওয়া বাবার বুক মুখ জুতোর তলায় মাড়িয়ে ক্যাজুয়ালি হেঁটে যেত বাড়ির সবার সামনে। কাকু নিজের দাদার আচরনকে পাগলামি বলা তো দূর, নিজেও ভাইঝির প্রতি অনেকটাই সাবমিসিভ ছিল। মা পরিবারের সবার পাগলামি দেখেও একা হয়ে গিয়ে শেষে হাল ছেড়ে দিল। বাবা-কাকার এই অদ্ভুত আচরন শুধুই ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে নাকি সাবমিসিভনেস থেকে নাকি এই দুটোর মিশ্রন সেটা আমি এখনো নিশ্চিত না। ফলে এই বয়স থেকে দিদির জীবন হয়ে উঠল যেকোন বাচ্চার কাছে স্বপ্নের মত। সে বাড়ির " Head of the House", বাড়ির রাজকন্যা! তার কথাই বাড়িতে শেষ কথা। তার করা অর্ডার তার মুখ থেকে বেরনোর আগেই কেউ না কেউ পালন করে দেয়। তার পা টিপে সেবা করাকে তার ভাই-বাবা-কাকা পরম সৌভাগ্য মনে করে। সে কারো কাজে অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে জুতো পরা পায়ে লাথি মারলে সে উলটে তার জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে ক্ষমা চায়। সস্তা বা দামী যাই হোক, যেকোন জিনিস সে চাওয়া মাত্র হাতে পেয়ে যায়। ১১ বছর বয়স থেকে এরকম জীবন কোন বাচ্চার পছন্দ হবে না? তবে আমাদের কাছে দিদির সেবা করা ছিল যেমন জীবনের উদ্দেশ্যের মত বড়, দিদির কাছে এটা অত বড় বিষয়ও ছিল না। ব্যাপারটা ছিল খুব মজার আর ইউজফুল। সে সাধারন বাচ্চার মত বন্ধুদের সাথে মেশা, খেলা এঞ্জয় করত। খেলে ফেরার পরে জুতো পরা পা ভাই বা বাবার মুখের উপরে রেখে পা টেপাতে টেপাতে টিভি দেখত। তারপরে রিল্যাক্সড হয়ে পড়তে বসত। তখনো হয়ত তার পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপে দিতাম আমি। তারপরে পছন্দের খাবার খেয়ে আমাদের করা নরম বিছানায় আরামের ঘুম দিত দিদি। দিদি পড়াশোনাতেও চিরকাল সিরিয়াস ছিল। western country তে settle হওয়ার চিন্তাটা ১৪-১৫ বছর বয়সেই দিদির মাথায় গেঁথে যায়। তাই HS এর পরে দিদি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে বেছে নেয়। কিন্তু দিদি যেই কলেজে পছন্দের বিষয়ে চান্স পেল সেটা বাড়ি থেকে ৫০০ কিমিরও বেশি দূরে। ফলে বছরে ২-৩ বারের বেশি দিদির পক্ষে আর বাড়ি আসা সম্ভব হত না। অবশ্য যে দিদি আর ৪-৫ বছরের মধ্যে বিদেশে চলে যেতে চায় তার কাছে এটা বড় ব্যাপার না। যেখানে বাবা এখনো তাকে ভাড়া করা বিরাট ফ্লাটে আরামে থাকার জন্য যথেষ্ট টাকা দিচ্ছে। বাবার কাছে দিদির চলে যাওয়া কতটা কষ্টের জানি না। কিন্তু আমার অবস্থা হল ওই চিরকাল বাড়িতে পোষা কুকুর কে রাস্তায় ছেড়ে দিলে প্রভুহীন কুকুরের যে দশা হয় তার চেয়েও খারাপ। আমার প্রভু দিদির সেবা করাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ৫ থেকে ১৫ বছর বয়স অবধি। এখন আমি কি করব? কিভাবে জীবন কাটাব, এই জীবনের উদ্দেশ্য কি কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভয়ানক কান্না পেতে লাগল আমার। মা এই সুযোগে আমাকে আরেকবার নিজের নিয়ন্ত্রনে নিতে ও নিজের জীবন দর্শন চাপাতে চেষ্টা করল। সেটা আমার আরো খারাপ লাগতে লাগল। ততদিনে আমার ঠাকুমা মারা গেছে। কাকুর বিয়ে হয়েছে তার বছর ৩-৪ আগে। আমাদের ঠিক পাশের জমিতে আলাদা বাড়ি করে থাকছে কাকু-কাকিমা। ওদের একটা বাচ্চাও হয়েছে তখন সদ্য, আমার বড় কাজিন বোন। আমার দিদির থেকে কাকিমা বছর ৫ এর বড় ছিল। দিদির সাথে খুব ভাব ছিল তার। আমার দিদিকে ওইভাবে সেবা করা সে খুব ক্যাজুয়ালি মজা হিসাবেই নিত। দিদি আমাকে দিয়ে কাকিমার পাও টিপিয়েছিল। আমার খুব ইচ্ছা করত তখন গিয়ে কাকিমার সেবা করি। কিন্তু দিদির অনুপস্থিতিকে মায়ের উপরে জোর খাটিয়ে কাকিমার কাছে গিয়ে তার দাস হয়ে পরে থাকা আমার পক্ষে বেশ কঠিন মনে হচ্ছিল। তার উপরে কাকিমা ১ বছরের মেয়েকে নিয়ে অনেকটাই ব্যাস্ত থাকত। জীবনের উদ্দেশ্য হারিয়ে আমার অবস্থা তখন পাগলের মত। কারো জুতোর নিচে নিজের মাথা সঁপে দেওয়া ছাড়া বাঁচার অন্য কোন উপায় আমার জানা ছিল না। আমার অদ্ভুত স্বভাবের জন্য স্কুলে বা পাড়ায় অনেকেই আমার পিছনে লাগত। স্কুলেও কয়েকজন আগেও পিছনে লেগেছিল, ডমিনেট করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু দিদি দেবীর অবতার, তাই তার সেবা করি, বা মেয়েরা সুপিরিওর, তাই তাদের পুজো করা উচিত এই দুই ব্যাখ্যা মাথায় ঢোকায় ক্লাসের ওই ছেলেদের তুলনায় নিজেকে ছোট মনে হলেও তাদের কাছে কখনো আত্মসমর্পন করিনি আগে। কিন্তু দিদি চলে যাওয়ার পরে আমার মানসিক কষ্ট থেকে আচার আচরন যত আরো হাস্যকর হতে লাগল তত ওদের আমার পিছনে লাগা আর ইউজ করতে চাওয়া বাড়তে লাগল। আমাদের স্কুল ছিল ক্লাস 5-10 boys, 11-12 co-ed. তখন আমার ক্লাস ১০ চলছিল। আমি বাইরে প্রাইভেট না পড়ায় অন্য কোন মেয়ের সাথে মেলামেশার সুযোগও ছিল না। শুধু অগোছাল হয়ে স্কুলে গিয়ে পিছনের বেঞ্চে একা চুপচাপ বসে থাকা আর মাঝে মাঝেই বিড়বিড় করে ফেলা আমার পিছনে লাগা ও কাজ আদায় করিয়ে নেওয়ার জন্য আদর্শ বলে ভেবে ক্লাসের ২-৩ জন ছেলে আমাকে উলটো পালটা নানা কথা শোনাত। তবে কাউকে সেবা করার সুযোগ হয়নি প্রায় ১ বছর। এই ১ বছর আমার জীবন ছিল প্রভুহীন উদ্দেশ্যহীন নরক যন্ত্রনার সময়। তখন সবাইকে ক্লাস ১১ এ সপ্তাহে ৩ দিন কিছু কাজ করতে হত স্কুল বিল্ডিং পরিস্কার রাখার জন্য। এটা ছিল সবার জন্য। ক্লাসের মনিটরদের দায়িত্ব ছিল সবাইকে কাজ ভাগ করে দেওয়া আর নজর রেখে স্কুল পরিস্কার করা। নিজেদের ক্লাসরুম ছাড়াও স্কুলের পিছনের জমি বা সামনের মাঠ পরিস্কার করাও ছাত্রদের দায়িত্বের মধ্যে পোর্ট। কিন্তু এই কাজ কেউ করতে চাইত না, তাই ঝামেলা হত। মনিটরদের কাজ আদায় করার জন্য দরকার ছিল আমার মত সাবমিসিভ পুশ-ওভার কেউ। সেদিন স্কুলে চতুর্থ পিরিয়ড হবে না ঘোষনা হতেই সবাই হই হই করে বাইতে বেরিয়ে গেল। আমিও যাচ্ছিলাম, তখন মনিটর শতানিক আমাকে ধমকে বলল, " আজ তোর কাজ পিছনের জমির জঙ্গল পরিস্কার। যা কোদাল নিয়ে নেমে পর।" আমি একবার বলতে গেলাম সবারই তো দায়িত্ব, আমি একা করব কেন? শতানিক সুযোগ দিল না বলার। আর ততক্ষনে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে মেয়ে মনিটর সৌমিকা। সে নিজের মুখে আঙুল দিয়ে আমাকে চুপ হওয়ার ইশারা করে বলল, " টিচারদের কাছে রিপোর্ট খেতে না চাইলে যা বলছি কর।" আমি আর আপত্তি করলাম না। বহুদিন পরে কেউ আমাকে চাকরের মত হুকুম করায় আমার কিরকম ভাল লাগছিল যেন। আমি আপত্তি না করে কোদাল দিয়ে জমি পরিস্কার করতে লাগলাম। প্রায় ঘন্টা তিনেক কাজ করে শতানিক আর সৌমিকাকে ডাকলাম দেখতে। ততক্ষনে স্কুল সবে ছুটি হয়েছে। ওরা দুজন হাত ধরে বসে গল্প করছিল। আমার ডাকে এসে দেখে শতানিক বলল, " মোটামুটি করেছিস, ভাল হয়নি। এই যে, এখানে ঘাস রয়ে গেছে অনেক।" এই বলে ও ওর জুতো পরা পা দিয়ে মাঠের একটা জায়গা দেখাল। " এরকম অনেক জায়গায় রয়ে গেছে। কোদাল দিয়ে না পারলে এগুলো হাত দিয়ে উপড়ে ফেল।" আমি "আচ্ছা" বলে ওদে দুজনের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসলাম। তারপর ঠিক ওদের পায়ের কাছ থেকে ঘাস তুলতে লাগলাম হাত দিয়ে। ওরা জুতো পরা পা দিয়ে দেখাতে লাগল " এই যে এখানে আছে" বলে। অনেকবার ইচ্ছা করেই দেখানোর অজুহাতে ঘাস তুলতে থাকা আমার হাত জুতো পরা পায়ের নিচে মাড়িয়ে দিল ওরা। কাজটা শুরু করেছিল শতানিক। কিন্তু সৌমিকা এতে বেশি মজা পেল। অন্তত বার দশেক আমার হাত জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়াল সৌমিকা। পুরো কাজ হতে সৌমিকা বলল, " এবার ঠিক আছে। এরপর থেকে প্রতি সোম আর শুক্রবারে তুই এইভাবে আমাদের ক্লাস রুম পরিস্কার করবি। আর বুধবার করে মাঠ আর পিছনের এই জমিটা। আজ তোকে ঘাস দেখাতে গিয়ে আমার জুতো ভালই নোংরা হল। এটা তোকেই পালিশ করে দিতে হবে।" আমি " ঠিক আছে" বলে আগে গিয়ে কোদাল রেখে হাত মুখ ধুয়ে এলাম। তারপরে ক্লাস রুমে গিয়ে বসলাম। তখন ছুটি হয়ে গেছে বলে ক্লাসে অল্প কয়েকজনই আছে। তাদের সামনেই হাই বেঞ্চে পাশাপাশি ঘনিষ্ঠ হয়ে বসল শতানিক আর সৌমিকা। আমি ওদের পায়ের কাছে বসতেই শতানিক ওর জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিল। আমি প্রথমে ওর বাঁ জুতো পরা পা নামিয়ে আমার রুমালটা জলে ভিজিয়ে তাই দিয়ে ঘসে ওর জুতোর উপর দিকটা পরিস্কার করে দিলাম। তারপরে জুতো পরা বাঁ পা টা নিজের কাঁধে তুলে ডান পা টা নামিয়ে সেটাও একইভাবে পালিশ করে দিলাম। " তলাটা কে পালিশ করবে?" বলে শতানিক এবারে ওর জুতোর তলা দুটো আমার কাঁধের কাছে জামার উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি সরি বললাম। তারপরে কিছুক্ষন ওকে আমার কাঁধে জুতোর তলা মুছতে দিয়ে আমি আমার হাতের রুমাল দিয়ে ওর জুতোর তলা দুটোও পালিশ করে দিলাম। দেখলাম কৌতুকের দৃষ্টিতে ক্লাসে উপস্থিত ৬-৭ জন ছেলে আমাকে দেখছে। আমার লজ্জা লাগছিল খুব। কিন্তু বহুদিন পরে কাউকে এভাবে সেবা করতে পেরে যে খুব ভাল লাগছিল সেটাও অস্বীকার করতে পারব না। দিদি দেবী বা মেয়েরা সুপিরিওর এই দুই থিওরির কোনটাই এখানে খাটে না। তবু শতানিকের মত অত সুন্দর ফর্শা ছেলে যে আমার চেয়ে অনেক সুপিরিওর এটা কে যেন আমার বুকের মাঝে ঢাক পিটিয়ে বলতে লাগল। নতুন অন্য কোন থিওরি নিশ্চয়ই আছে যার মাধ্যমে দিদি বা সৌমিকার পাশাপাশি শতানিকের সেবা করা উচিত তাও ব্যাখ্যা করতে পারব। শতানিকের জুতো পালিশ করতে করতে আমি ভাবতে লাগলাম। শতানিকের জুতোর তলা রুমাল দিয়ে পালিশ করে দিতে এবার সৌমিকা ওর জুতো পরা বাঁ পা তুলে আমার মাথায় হালকা একটা লাথি মেরে বলল, " যা। রুমালটা ধুয়ে পরিস্কার করে নিয়ে এসে আমার জুতো পালিশ করে দে।" আমি ক্লাসমেট সৌমিকাকে " যাচ্ছি ম্যাডাম" বলে রুমাল ধুতে দৌড় দিলাম। শতানিকের জুতোর তলার ময়লায় রুমালটা নোংরা হয়ে গেছে। আমি খুব ভাল করে সেটা ধুয়ে চিপে যতটা সম্ভব শুকিয়ে ফিরে এলাম। ফিরে এসে দেখি ক্লাসে যারা ছিল সবাই চলে গেছে শতানিক আর সৌমিকা ছাড়া। সৌমিকা এখন সোজা শতানিকের কোলে গিয়ে বসেছে। আমি ওদের পায়ের কাছে বসতে সৌমিকা ওর জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধে রেখে বলল, " ভাল করে পালিশ করবি কিন্তু। নাহলে তোর কপালে দু:খ আছে।" " নিশ্চয়ই ম্যাডাম বলে আমি খুব মন দিয়ে সৌমিকার বাঁ জুতোটা পালিশ করতে লাগলাম। বহুদিন পরে আবার এইভাবে ডমিনেটেড হওয়ায় আমার কি যে ভাল লাগছিল বলে বোঝানো সম্ভব না। বাঁ জুতোর উপরটা প্রায় ২ মিনিট ধরে পালিশ করে সযত্নে জুতো পরা পা টা নিজের কাঁধে রেখে একইরকম ভক্তি নিয়ে সৌমিকার ডান জুতোটাও পালিশ করে দিলাম আমি। সেটাও নিজের কাঁধে রেখে উপরে তাকিয়ে দেখি শতানিক আর সৌমিকা লিপ কিস করছে! আমাকে তাকাতে দেখে সৌমিকা ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল, " জুতোর তলাটা কে পালিশ করবে?" আমি সাথে সাথে আমাকে লাথি মারা সৌমিকার জুতো পরা ডান পায়ের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম। শতানিক তখন চুম্বন করছে সৌমিকার ঠোঁটে আর আমি সৌমিকার জুতোর তলায়! চুম্বন সেরেই " সরি ম্যাডাম, এক্ষুনি করছি" বলে আমি আমার খাবার জলের বোতল থেকে জল ঢেলে রুমালটা একবার ধুয়ে ভাল করে ভিজিয়ে সৌমিকার দুই জুতোর তলাও পরিস্কার করে দিলাম যেভাবে একটু আগে ওকে চুম্বনরত শতানিকের জুতোর তলা পরিস্কার করেছিলাম। কিন্তু সৌমিকা এত সহজে সন্তুষ্ট হওয়ার নয়। আমি এভাবে ওর জুতোর তলা পরিস্কার করে ওর পা দুটো আমার কাঁধে রাখতেই ও জুতো পরা পা তুলে আমার মুখে পরপর ৬-৭ টা লাথি মারল। কিন্তু ও কি চাইছে সেটা তখনই বলল না। বলবেই বা কি করে? ওর ঠোঁট তখনো শতানিকের ঠোঁটের সাথে লিপ-লক করে আছে! সৌমিকা কি চায় সেটা প্রায় ৩০-৪০ সেকেন্ড পরে জানতে পারলাম। "জুতোর তলাটা ভিজিয়ে দিচ্ছিস। মেঝেতে ছাপ পরবে আর আমার জুতোর তলায় আরো ধুলো আটকে কাদা হয়ে যাবে রে গাধা।" বলে সৌমিকা এবারে ওর জুতো পরা দুই পা একসাথে আমার মাথার উপরে তুলে দিল। আমার মাথার চুলের উপরে ঘসতে ঘসতে বলল, " তোর চুল শুকনো আছে। চুলের উপরে ঘসলে শুকিয়ে যাবে।" এই বলে ৪০-৫০ সেকেন্ড টানা আমার মাথার চুলের উপরে নিজের জুতোর তলা ঘসল ও। তারপরে মাথার ঠিক মাঝখান থেকে একসাথে দুই জুতো পরা পা ঘসতে ঘসতে কপালের কাছে নিয়ে এল। আমি কোন বাধা দেব না নিশ্চিত হয়ে সাদা স্নিকার পর দুই পা আমার মুখের দুই পাশে ঘসে নামাতে লাগল আসতে আসতে। ওর দুই জুতোর তলা আমার চুল, কপাল, চোখ, গাল হয়ে নেমে আমার কাঁধে নেমে এল আবার। বহুদিন পরে কেউ আমাকে এইভাবে ডমিনেট করায় আমি যেন জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেলাম আবার। " সরি, আমি শুকিয়ে দিচ্ছি।" এই বলে আমি সৌমিকার জুতো পরা পা দুটো দুই হাতে ধরে সোজা নিজের মুখের উপরে তুলে নিলাম। তারপরে সৌমিকার জুতোর তলায় পাগলের মত নিজের মুখ ঘসতে লাগলাম। ওর দুই জুতোর নিচে এঁকে দিতে লাগলাম একের পর এক চুম্বন। প্রায় মিনিট দুই এই কাজ করার পরে ও হাসিমুখে আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " ঠিক আছে। এখন থেকে রোজ এইভাবে আমার জুতো পালিশ করবি তুই।" আমার মুখ থেকে আপনা হতেই " sure mam, thank you" বেরিয়ে গেল! ক্লাস 11-12 এর বাকি সময়ে ক্লাস মনিটর সৌমিকা, রিশা, শতানিকরা আমার দূর্বলতার কিভাবে সুযোগ নিল, ১১-১২ এর কো-এড সিস্টেমে আমার সাবমিসিভনেস কোন পর্যায়ে পৌঁছাল আর আমার এই দূর্বলতার সুযোগ আমার নিজের কাকিমা, তার দুই মেয়ে ( আমার দুই কাজিন বোন) আর কাকিমার দাদার ছেলে বিভু কিভাবে নিল সেটা পরের পর্বে থাকবে।

Sunday, 8 December 2024

পার্থর সিএফ এনএম অভিজ্ঞতা:

পার্থর cfnm অভিজ্ঞতা: আমার নাম পার্থ। আমি আমার বাবা মার একমাত্র সন্তান ছিলাম, আর আমরা তিনজন পশ্চিমবাংলার একটা ছোট শহরে থাকতাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে আমি, বাবা ছোটখাটো একটা চাকরি করতো আর মা ছিল হাউস ওয়াইফ। একটা সরকারি স্কুলে বাংলা মিডিয়ামে পড়তাম আর পড়াশোনায় খুবই সাধারণ মানের ছিলাম। এই ঘটনাটা তখনকার যখন আমি ক্লাস ফাইভ থেকে ফাইনাল পরীক্ষা পাশ করে ক্লাস সিক্সে উঠি। তোমার বাবা ছিল সমস্ত ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, এবং পরে বিয়ে করেছিল তাই আমার সমস্ত কাজিন ভাই বোনদের বিয়ের বয়স হয়ে গেলেও আমি অনেক ছোট ছিলাম। ওরা সবাই ২২ থেকে ২৫ বছর বয়েসি আর আমি ক্লাস ৬ এ পড়া ১১ বছরের এক বালক। আসল কথায় ফিরে আসি, আমি ক্লাস সিক্সের উঠতেই বাবার বড় কিডনির অসুখ ধরা পড়ে। তখন কিডনির চিকিৎসা করা ছিল খুবই ব্যয়বহুল এবং আমাদের অবস্থাও খুব ভালো ছিল না। বাবাকে ডাক্তার বলে এই ছোট শহরে এ সব বড় রোগের চিকিৎসা হয় না, আপনার কলকাতায় চলে যান। এত বড় অসুখ ধরা পড়তেই আমাদের অবস্থা মধ্যবিত্ত থেকে একেবারে গরিব হয়ে যায়। বাবা কলকাতা শহরে নিজের চাকরি ট্রান্সফার নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হয় আর মাকে বাবার সাথে যেতে হয় বাবার সেবাযত্ন করার জন্য। তখন বড় শহরের রেখে একটা ছেলেকে মানুষ করবার খরচ অনেক। তাই আমাকে নিয়ে কি করবে সেই চিন্তাভাবনা চলতে থাকে। এই সময় বাবার বড় ভাই বাবাকে বলে যে আমার মেয়ে বম্বেতে থাকে, আমাকে ওর কাছে পাঠিয়ে দে। বম্বেতে আমার জেঠু এর বড় মেয়ে টিনা দিদি থাকতো। টিনা দিদি এর ৬ মাস হলো বোম্বে তে বিয়ে হয়েছে, ওরা বেশ বড়লোক ছিল। টিনা দিদি আর হাসবেন্ড বোম্বেতে বড় ইঞ্জিনিয়ার ছিল। টিনা দিদি দেখতে খুব সুন্দরী ছিল আর মুম্বাইতে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর হোস্ট হিসাবে কাজ করত। দিদির বয়স তখন ১৪ এর মত হবে। তাই জেঠু বলে ওখানে আমার মেয়ে একা একা থাকে বরের সাথে, টাকা পয়সার অভাব ও নেই। তাই আমাকে ওরাই দেখুক। আমার বাবা মা রাজি হয়ে যায়। ঠিক হয় টিনা দিদি এর বাড়ি থেকে আমি ক্লাস ৬,৭,৮ এর পড়াশুনা করবো। জেঠু আমাকে বাবা মা এর কাছ থেকে নিজের মেয়ের শশুর বাড়ি বম্বেতে দিয়ে আসে। টিনা দিদি ওর বর আকাশ দাদা এর সাথে এক অভিজাত আবাসন ফ্ল্যাট এ থাকতো। ২ জন এই থাকতো, আমি আসতে ৩ জন হয়েছিল। টিনা দিদি দেখতেও যেমন মিষ্টি সুন্দরী তেমনি খুব হাসি খুশি স্বভাবের, এভাবেই এতদিন চিনতাম। তুই এবার থাকতে গিয়ে জানতে পারি যে টিনা দিদি এমনিতে হাসি খুশি হলেও রেগে গেলে খুব রেগে যায় তখন খুব কঠিন শাস্তি দেয়। আবার রাগ পড়ে গেলে আবার হাসিখুশি স্বভাব ফিরে আসে এবং হেসে হেসে সবার সাথে কথা বলে। প্রথম দিন ওদের ফ্ল্যাটে যেতেই দেখলাম ওদের সুবিশাল ফ্ল্যাট। আমাদের ছোট বাড়ি ছোট শহরের তুলনায় ওদের বোম্বের বিশাল অভিজাত ফ্ল্যাট দেখে নিজেকে খুবই ছোট মনে হলো। মনে হল যেন আমি টিনা দিদি আর আকাশ দাদার চাকর হিসেবে ওদের বাড়িতে এসেছি। ওরা আমার মালিক মালকিন আর আমি ওদের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছোট শহর থেকে আসা এক চাকর। টিনা দিদি বাড়িতে খুব সুন্দর জামা কাপড় পড়তো, বাড়িতে টিনা দিদি জিন্স এর ছোট hot প্যান্ট, কখনো স্কিন টাইপ জিন্স কিংবা হাউস কোট নাইটি অথবা হাঁটু অব্দি লম্বা ফ্রক ড্রেস পরে থাকত। আমাদের ছোট শহরে তখন বিবাহিত মহিলারা বাড়িতে শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ ছাড়া অন্য কিছু পরতো না। তাই দিদিকে শহরের খুব আধুনিক মহিলা দেখাতো। আর ওদের বাড়িতে মা আমাকে মাত্র দু সেট জামা কাপড় দিয়ে পাঠিয়েছিল। একটা ভালো জামা বাইরে পড়ার জন্য আরেকটা ঘরে পরার জন্য। প্রথম দিন ওদের বাড়ি এলে টিনা দিদি আমাকে থাকার জন্য একটা পার্সোনাল ঘর দেখিয়ে দিল। ঘরে নিয়ে এসে আমাকে সব জিনিস দেখিয়ে দিতে দিতে দিদি বলল “ তোর মা আমাকে ফোন করে বলে দিয়েছে খেয়াল রাখতে যাতে পড়াশুনা করিস আর বেশি দুষ্টামি না করিস। আমার কথা মতো চলবি, আমার কথার অবাধ্য হলে কিন্তু শাস্তি পাবি।” আমি চুপচাপ মাথা নাড়ি। কয়েক দিন এর মধ্যে আকাশ দাদা আমাকে একটা বেসরকারি স্কুলে ক্লাস সিক্সে ভর্তি করিয়ে দেয়, কিন্তু এটা ছিল ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল। আমি বাংলা মিডিয়াম থেকে ইংরেজি মিডিয়ামে হঠাৎ করে আসার জন্য খুব অসুবিধা হতে থাকে, তার মধ্যে আমার ইংরেজি একদম ভালো ছিল না। দাদা সারাদিন অফিসে ব্যস্ত থাকতো তাই পড়াশোনাতে সাহায্য করতে পারতো না। টিনা দিদি যখন কোন ইভেন্ট থাকতো তখন সেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর কাজে যেত, সব সময় অফিসে যেতে হতো না, তাই টিনা দিদির হাতে আমার পড়াশোনার দায়িত্ব পড়ে। টিনা দিদি ইংরেজি মিডিয়াম এর ছাত্রী ছিল তাই ইংরেজি পড়াতে কোন অসুবিধা হতো না। টিনা দিদি পড়াশোনা করানোর সময় খুব সিরিয়াস থাকতো। আগের দিন কি পড়িয়েছে সেটা মুখস্থ ধরতো তারপরের দিন আর প্রতি সপ্তাহে একবার করে পরীক্ষা নিত গোটা সপ্তাহের পড়ার। আমি তখন পড়াশোনাতে একদম মন বসত না তখন।সারাদিন বাইরে ঘোরা করতে এবং টিভি দেখতে খুব ভালো লাগতো। তার উপরে ইংরেজিতে আমি খুব কাঁচা ছিলাম আর ইংরেজি মিডিয়াম হওয়ার জন্য আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। টিনা দিদি আমাকে খুব বকা দিত এটা বলে যে “ ক্লাস সিক্সে উঠে এখন ইংরেজি টেন্স শিখিস নি কেন? আগের ক্লাস গুলোতে কিভাবে পাশ করলি!”। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন সপ্তাহের পরীক্ষায় টিনা দিদির কাছে খুব খারাপ নম্বর পাই। টিনা দিদির পরীক্ষায় পারলে ফেল করেছি বলা চলে। টিনা দিদি: কিরে তোকে এক মাস ধরে আমি কি শিখালাম? কিছুই তো পড়াশোনা করিস না তুই? হাতের লেখায় জঘন্য। ইংরেজি কিছুই লিখতে পারিস না। অংকে শূন্য। সারাদিন শুধু টিভি দেখা আর স্কুলে গিয়ে খেলাধুলা করা। এদিকে আয় কান ধরে উঠবস কর আমার সামনে ২০ বার। টিনা দিদি আমাকে এই প্রথমবার শাস্তি দিল। কান ধরে টিনা দিদির সামনে কুড়ি বার উঠবস করলাম আমি। তারপর টিনা দিতে হবে আমাকে কান ধরে ত্রিশ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখলো। বাড়িতে আমাকে মা পড়াশোনা করার সময় কান ধরে উঠবস, কান ধরে নীল ডাউন, স্কেলের বাড়ি আর কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা এসব শাস্তি দিয়েছে। কিন্তু অল্প বয়সী টিনা দিদির কাছে শাস্তি পেয়ে প্রচন্ড লজ্জা লাগলো আমার। কিন্তু ভয়ের চোটে টিনা দিদির কথা মতো চুপচাপ কান ধরে দাড় হয়ে থাকলাম ৩০ মিনিট. টিনা দিদি ও দিন খুব রেগে গিয়েছিল টিনা দিদি সুন্দরী মুখ রাগের চোটে লাল হয়ে গেছিল, চোখ দুটো আগুনের মতো জ্বলছিল। একদিন বুঝতে পারি যে সুন্দরী হাসি খুশি টিনা দিদি রেগে গেলে খুব রেগে যায় এবং সিরিয়াস হয়ে শাস্তি দেয়। শাস্তি শেষ হলে টিনা দিদির ধমকে আমাকে বলে, টিনা দিদি: এর পরের সপ্তাহে যদি দেখি ভালো নম্বর পাসনি আমার কাছে, তোর কি হয় দেখিস! তোর মতো অবাধ্য ছেলেকে কিভাবে শাস্তি দিতে হয় আমি জানি। তোর জামা কাপড় সব খুলে পুরো ন্যাংটো করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখবো। নেংটা পাছাতে যখন স্কেলের বাড়ি পড়বে তখন টের পাবি কেমন লাগে” টিনা দিদির কথা শুনে আমার প্রচন্ড লজ্জা লাগে, বাড়িতে কোনদিনও এরকম ল্যাংটো শাস্তি পাই নি। এক বছর হল আমার লজ্জাবোধ এসেছিল, আমি কারো সামনে ন্যাংটো হতাম না তখন। ক্লাস ফোর পর্যন্ত আমি বাড়িতে হবার সামনে ন্যাংটো হতাম মার সামনে বাবার সামনে। কিন্তু ক্লাস ফোরের পরে যখন আমি প্রাইমারি স্কুল থেকে হাইস্কুলে উঠলাম তখন মা বলেছিল, তুই এখন হাইস্কুলের ছাত্র হয়েছিস তুই এখন থেকে সবার সামনে ন্যাংটো হবি না। তাই যৌনতা নিয়ে কোন বোধ না থাকলেও ন্যাংটো আর হওয়া উচিত না বড় হয়ে গেছি এটা ভেবে আমি এক বছর ধরে কারো সামনে ন্যাংটো হতাম না এবং ন্যাংটো হতে লজ্জা পেতাম। তাই কিনা দিদির কাছে ন্যাংটো শাস্তির কথা শুনে খুব লজ্জা লাগলো। তারপর পরে ভাবলাম যে টিনা দিদি আমাকে এমনি ভয় দেখানোর জন্য এ কথাটা বলেছে, সত্যি সত্যি এমন কোন শাস্তি দেবে না। তাই পরের সপ্তাহেও আমি অতটা জোর লাগিয়ে পড়াশোনা করিনি। ফলে যা হবার তাই হল, আমার নম্বর খুব খারাপ আসে। নম্বর দেখে টিনা দিদির মুখ রাগে লাল হয়ে যায়, আমাকে জোরে একটা চাটি মারে গালে। টিনা দিদি: শয়তান বাঁদর ছেলে। কিছু পড়াশোনা করিস নি! আগেরবার যে এত করে বললাম তাও কথা এক কান দিয়ে ঢুকেয়ে আরেক কান দিয়ে বার করে দিয়েছিস। তোকে বড় শাস্তি না দিলে তোর মত অবাধ্য ছেলের শিক্ষা হবে না কোনদিন। এদিকে আয়” আমি ভয়ে ক্ষমা চাইবার চেষ্টা করি টিনা দিদির কাছে, কিন্তু কোন লাভ হয় না। টিনা দিদি কান ধরে আমাকে কাছে টেনে নিয়ে দাড় করিয়ে দেয় এবং নিজের হাতে আমার সমস্ত জামার বোতাম খুলে জামাটা খুলে নেয়। তারপর বলে “ হাত উঁচু করে দাড়া”। আমি লজ্জায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করি আর বলি, “দিদি এবারের মত ক্ষমা করে দাও আর করবো না। মন দিয়ে ভালোভাবে পড়াশোনা করব।” টিনা দিদি রাগে ধমকে উঠলো “ একদম মুখের উপর কথা বলবি না। না হলে দাদা আসলে অফিস থেকে তোকে রাস্তায় পুরো ন্যাংটো করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখব সবার সামনে। রাস্তায় সবার সামনে পেটাবো ন্যাংটো করে। বল, সেটা ভালো হবে কি? চুপচাপ বাধ্য ছেলের মত যা করতে বলছি কর। আর হ্যাঁ আজ থেকে পড়তে বসার সময় আমাকে দিদি বলবি না, তবে ম্যানার শেখাতে হবে। পড়তে যখন বুঝবি তখন আমাকে ম্যাডাম বলে ডাকবি” টিনা দিদির রাগী রূপ দেখে আমি ভয় কাঁদতে কাঁদতে বললাম “ঠিক আছে দিদি”। টিনা দিদি চোখ পাকালো, “কি বললি?” আমি ভয় পেয়ে কাঁপতে কাঁপতে আবার বললাম “সরি ম্যাডাম, ভুল হয়ে গেছে আর বলবো না।” টিনা দিদি আমার দুহাত তুলিয়ে আমার স্যান্ডো গেঞ্জিটা খুলে দিল। তারপর হাত দিল আমার হাফ প্যান্টে এবং একটানে আমার হাফ প্যান্ট পায়ের নিচে নামিয়ে দিল। নিজের কাজিন বিবাহিত দিদির সামনে ক্লাস সিক্সে পড়া আমি শুধুমাত্র একটা ছোট জাঙ্গিয়া পড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, প্রচন্ড লজ্জা লাগে আমার। টিনা দিদি: দেখ পড়াশোনা না করার আর আমার কথা না শোনার ফল। যারা বড়দের কথা শুনে না তারা নির্লজ্জ হয় আর নির্লজ্জদের বিনা কাপড়ে নেংটা হয়ে থাকতে আবার লজ্জা কিসের! তোর মত খুব বাজে ছেলে যারা বড়দের কথা শোনে না তাদের এভাবেই পুরো ন্যাংটো করে শাস্তি দিতে হয়, ন্যাংটো করে লজ্জা না দিলে ওদের বোধ আসে না” আমি শেষবারের মতো ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু টিনা দিদির মুখের প্রচন্ড রাগ দেখে আর মুখের উপর কথা বলার সাহস হয় না। দিদি দু হাত দিয়ে আমার শরীরের শেষ বস্ত্র ধরে বলে “ এবার তোমার কি হবে সোনা মনা? তোমার দিদি বা টিচার ম্যাডাম পড়াশোনা না করবার জন্য তোমাকে পুরো ন্যাংটো করে দিচ্ছে। আর কিছু লুকানোর থাকবে না তোর” এই বলে ধীরে ধীরে টিনা দিদি আমার জাঙ্গিয়া একটু একটু করে নিচে নামাতে থাকে। কাজটা ধীরে ধীরে করে আমাকে আরো লজ্জা দিতে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে নামাতে নামাতে এক সময় আমার বিনা চুলের নির্লোম ছোট নুনুটি বেরিয়ে পড়ে ভেতর থেকে এবং সাথে সাথেই তখন টিনা দিদি একটানে পায়ের নিচে নামিয়ে দেয় আন্ডারওয়্যার। টিনা দিদির সামনে তখন আমি সম্পূর্ণ ন্যাংটো, গায়ে একটা সুতো পর্যন্ত নেই। ওদিকে খুব সুন্দরী টিনা দিদি একটি সুন্দর দামি ফ্রক ড্রেস পড়ে আছে হাঁটু পর্যন্ত লম্বা, ফর্সা সুগঠিত পা দুটো দেখা যাচ্ছে। প্রচন্ড লজ্জায় সাথে সাথে আমি দুহাত দিয়ে আমার নুনু ঢাকা দেই। টিনা দিদি নুনুকে পাখি বলত। টিনা দিদি: এই কে তোকে পাখিতে হাত দিতে বলেছে? কে তোকে পাখি আড়াল করতে বলেছে? শিগগির হাত সরিয়ে দুহাত দিয়ে দুই কান ধরে আমার সামনে দাঁড়া। আমি ভয়ে তাই করলাম। তখন আমি টিনা দিদির সামনে সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় সবকিছু দেখিয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এই অবস্থার জন্য টিনা দিদিকে সত্যি তখন আর নিজের জেঠু এর মেয়ে, আমার দিদি বলে মনে হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল যেন সত্যিই এক খুবই রাগী ইংলিশ মিডিয়াম এর ম্যাডাম, এবং পড়া না করার জন্য আমি তার একটি অবাধ্য স্টুডেন্ট যে ম্যাডামের সামনে সম্পূর্ণ ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বা টিনা দিদি আমার দিদি নয় খুব সম্মানীয় একজন গুরুজন আমার প্রাপ্তবয়স্ক গার্জিয়ান যার অধিকার রয়েছে সমস্ত কিছুতে আমার হয়ে ডিসিশন নেওয়ার আর আমি তার একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছোট্ট আত্মীয়র মতো, যে কিনা পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে তার গুরুজনের কাছে শাস্তি পেতে। গুরুজনের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে তাকে কখন কাপড় দিতে হবে এবং তাকে কখনো ন্যাংটো করে রাখতে হবে তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার। নিজের কোন অধিকার নেই সিদ্ধান্ত নেবার। অথবা টিনা দিদি খুব বড়লোক ঘরের একজন অভিজাত সুন্দরী মালকিন আর আমি তার একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক বাড়ির চাকর কাজের লোক। কাজের ভুলের জন্য এবং মালকিন এর কথা না শোনার জন্য মালকিন রাগ করে তার চাকরকে পুরো ন্যাংটো করে নিজের সামনে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছে।। মালকিনের শরীরে দামি বিদেশি ফ্রক ড্রেস, শরীরে সোনার গয়না এবং তার বাড়ির চাকরের শরীরে এক ফোঁটা সুতো পর্যন্ত নেই। সম্পূর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় সে কান ধরে তার মালকিনের কাছে শাস্তি পাচ্ছে। টিনা দিদি : ছি ছি কি লজ্জা কি লজ্জা। পাখি পাছা সব বের করে পুরো কান ধরে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছিস তাও বোধহয় কোন লজ্জাই নেই এতটা নির্লজ্জ তুই। বলে বইয়ের পাশে রাখা স্কেলটা হাতে তুলে নেয় টিনা দিদি আর আমাকে কান ধরে নিজের কোলে ন্যাংটো অবস্থায় উল্টো করে শুইয়ে দেয়। উল্টো করে শোয়ানোতে কোলের মধ্যে টিনা দিদির খোলা থাইতে আমার ছোট নুনুটা ঘষা লাগতে থাকে এবং আমার প্রচন্ড লজ্জা লাগে এতে। তারপর কুড়ি ঘা কাঠের স্কেলের বাড়ি পরে আমার ন্যাংটো পাছাতে। পাছাটা পুরো লাল হয়ে যায় আমার স্কেলের আঘাতে। দিদি পাছাতে স্কেলে মারা শেষ হলে আমাকে যখন দাঁড় করিয়ে দেয় তখন আমি দুহাতে পাছাটা ধরে প্রচন্ড জ্বালাতে ঘষতে থাকি আর লাফাতে থাকি আর লাফানোর সাথে সাথে আমার নুনুটা ও টিনা দিদি চোখের সামনে লাফাতে থাকে। আমার নুনুর নাচ দেখে টিনা দিদি আর নিজের হাসি চেপে রাখতে পারে না, রাগ যায় পড়ে। টিনা দিদির রাগে লাল মুখ এবং রক্তবর্ণ গোল গোল চোখ আর তখন নেই। তখন টিনা দিদি মুখে হাত দিয়ে খিল খিল করে হাসছে আনন্দে। টিনা দিদি: তোর পাখির নাচ থামা বাঁদর কোথাকার! একদম বাঁদরের মতো লাল পাছা নিয়ে নেচে যাচ্ছিস।” কিন্তু পাছার জালায় তখন সমস্ত লজ্জা ভুলে তখন আমি দিদির সামনে পাছা ডলতে ডলতে লাফাচ্ছি । কিছুক্ষণ আমার নাচ চলার পর যখন শান্ত হলাম তখন টিনা দিদি বলল “ চুপচাপ এখন এই ঘরের মাঝে এভাবে ন্যাংটো অবস্থায় কান ধরে নীল ডাউন হয়ে থাক আমি যতক্ষণ না বলবো ততক্ষণ। তোর এখন জামা প্যান্ট পড়বার অধিকার নেই, চল এভাবে ন্যাংটো হয়ে কান ধরে নিল ডাউন হ”। আমি টিনা দিদির বাধ্য ছাত্রের মত ঘরের মাঝখানে হাঁটু গেড়ে ন্যাংটো অবস্থায় কান ধরে নীল ডাউন হয়ে হলাম। সন্ধ্যা হয়ে গেছিল টিনা দিদি রান্না ঘরে চলে যায় চা করতে। টিনা দিদিদের বাড়িতে দুজন কাজের বউ কাজ করতো, একজন রান্নার লোক এবং আরেকজন ঘরের কাজের লোক- দুজনেই মহিলা, বয়স আন্দাজ ৩০- ৩৫ এর মত হবে। আমি ন্যাংটো কান ধরে ঘরের মাঝখানে নীলডাউন হয়ে আছি সেই সময় বাইরে কলিং বেল বাজে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে ঘরে চলে আসে রান্নার মাসি-অঞ্জলি মাসি। অঞ্জলি মাসি এভাবে আমাকে নেংটা শাস্তি পেতে দেখে মুচকি হাসে কিন্তু একটু অবাক হয়ে যায় না। আমি বুঝতে পারি যে অঞ্জলি মাসি এরকম শাস্তি দেখে বা অন্যকে দিয়ে অভ্যাস আছে। অঞ্জলি মাসি টিনা দিদিকে বলে, আপনি ঠিক করেছেন মালকিন আমিও তো আমার ছেলেগুলোকে ন্যাংটা করে শাস্তি দেই। পাজি ছেলেগুলোকে নেংটা করে মেয়েদের সামনে শাস্তি না দিলে অবাধ্য ছেলেগুলো কথাই শুনেনা। মাসীর মুখে এ কথাগুলো শুনে আমার লজ্জা বেশ বাড়ে। মাসির একটা কথা শুনে আমার খুব ভয় লাগে যখন মাসি বলে, আমি আমার ছেলেকে ওর ছোট বোনের সামনেও ন্যাংটো করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখি। তখন আমার খুব ভয় এবং লজ্জা লাগে এটা শুনে যে নিজের থেকে বয়সে ছোট একটা মেয়ে বোনের সামনে ন্যাংটো হয়ে ছেলে হিসেবে শাস্তি পেতে খুবই লজ্জার ব্যাপার। টিনা দিদি এ কথা শুনে হাসতে থাকে খিল খিল করে। প্রায় ৩০ মিনিট হয়ে গেছিল আমার ওভাবে নীল ডাউন থেকে তখনই দাদা অফিস থেকে ফিরে আসে। দাদাও আমাকে এভাবে ন্যাংটো শাস্তি পেতে দেখে একটু অবাক হয় না নিজের বউকে জিজ্ঞাসা করে কি শয়তানি করেছে যে ন্যাংটো করে শাস্তি দিয়েছো। টিনা দিদি আমার সমস্ত কথা বলে দেয় এবং এটা শুনে দাদা বেশ রাগ করে আমার সামনে এসে বলে এরপর কিন্তু দিদির কথা মত না চললে এবং পড়াশোনা না করলে আমি রাস্তাতে সবার সামনে ন্যাংটো করে দাঁড় করিয়ে রাখবো। সমস্ত রাস্তার লোকে দেখবে তোকে ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছে তোকে। বল এরপর থেকে পড়াশোনা ভালোভাবে করবি তো? প্রচন্ড ভয় আমি বলি এরপর থেকে ভালোভাবে পড়াশোনা করব, সবার কথা মতো চলব। এভাবে ৪৫ মিনিট হয়ে যায় তখন টিনা দিদি হাসতে হাসতে এসে বলে, ঠিক আছে আজকের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। যা জামা প্যান্ট পড়ে নে, আজ তোর শাস্তি শেষ হলো।” আমি তাড়াতাড়ি মাটিতে পড়ে থাকা আমার জামা কাপড় গুলো তাড়াতাড়ি পরে বই খাতা নিয়ে নিজের ঘরে দৌড়ে চলে যাই। সেই প্রথমবার নেংটা শাস্তি পাওয়ার পর থেকে পড়াশোনা আছে কোন গাফিলতি দেখলেই টিনা দিদি সব সময় ন্যাংটো করেই শাস্তি দিত। যেমন প্রতিদিন পড়া ধরবার সময় যদি বেশি প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না বলতে পারতাম তো টিনা দিদি পুরো ন্যাংটো করিয়ে কান ধরিয়ে আগে বিশ বার উঠবস করাতো তারপর আবার প্যান্ট পরতে দিত। কিন্তু যদি পরীক্ষার সময় খুব খারাপ নম্বর পেতাম বা ফেল করতাম তাহলে আরও বেশি শাস্তি জুটত। টিনা দিদি আমাকে পুরো ন্যাংটো করে পুরো এক ঘন্টা কান ধরিয়ে পড়ার ঘরের মাঝখানে নিউডাউন করিয়ে রাখত। এ ভাবে পড়ার জন্য প্রায় তিন-চার দিন পরপরই টিনা দিদির হাতে আমার একবার করে পুরো ন্যাংটো শাস্তি কপালে জুটত। টিনা দিদি পরের দিকে ন্যাংটা শাস্তি দেওয়ার সময় হাসতো আর বলতো “কিরে কোন লজ্জা নেই নাকি,কয়েকদিন বাদে বাদে পড়া না করার জন্য এভাবে পুরো ন্যাংটো শাস্তি পাস। তোর ম্যাডাম দিদি তোকে পুরো ন্যাংটো করে দেয় তাও দেখি কোন লজ্জা নেই ।এরপর থেকে পড়তে আসার সময় কি একেবারেই নেংটা হয়ে পড়তে বসবো নাকি তাই ভাবছি।” যখন নিজের হাতে টিনা দিদি আমার জামা প্যান্ট সবকিছু খুলে নিতো তখন বলতো “এই দেখো এই শার্টের বোতাম গুলো খুলে ফেললাম. এবার প্যান্টটাও খুলে ফেললাম। এই দেখো এবার গেঞ্জিটাও খুলে ফেললাম। এবার শুধু জাংগিয়া পড়ে ।এবার দেখো এটাও খুলে ফেলব পুরো ন্যাংটো হয়ে যাবে। পাখি পাছা সবকিছু দেখা যাবে। তাও লজ্জা নাই। কবে যে পড়াশোনা করবি!” । মাঝে মাঝে টিনা দিদি আমাকে নিজের হাতে নেংটা করত না, আদেশ দিত মালতী মাসিকে যে সবসময় কাজ করতো আর না হলে অঞ্জলি মাসিকে। দুই মাসি অনেক শক্তিশালী ছিল এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আমাকে পুরো ন্যাংটো করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিত তাদের মালকিনের সামনে। আবার কখনো কখনো এমনও হতো যে টিনা দিদি আমাকে ডেকে বলত যা শিগগির ন্যাংটো হয়ে নিজের ঘরে গিয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাক। আমি আসছি। আমি তখন টিনা দিদিকে খুব ভয় পেতাম এবং সাথে সাথে ঘরে গিয়ে সবকিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে দাঁড়িয়ে থাকতাম। কিছুক্ষণ বাদে টিনা দিদি এসে কাঠের স্কেল দিয়ে আমার পাছায় মেরে পুরো পাছা লাল করে দিত এবং তারপর ঘরের মাঝখানে কান ধরে এক ঘন্টার জন্য নীল ডাউন করিয়া রাখত। প্রথম নেংটা শাস্তি পাওয়ার পর থেকেই টিনা দিদিকে আর নিজের দিদি বলে নয় নিজের গুরুজন, টিচার ম্যাডাম বলে মনে হতো এবং যা হুকুম করতো সাথে সাথেই তামিল করবার চেষ্টা করতাম। টিনা দিদি এর পড়ানো এবং প্রচন্ড শাস্তি দেওয়াতে আমার কিন্তু পড়াশোনা অনেকটা ভালো হয়ে যায় এবং স্কুলেও নাম্বার ভালো আসতে থাকে আগের থেকে। প্রথম ছয় মাস আমাকে টিনা দিদি একাই পড়াতো। তাই টিনা দিদির কাছে নেংটা শাস্তি পেলে টিনা দিদি অঞ্জলি মাসি মালতি মাসি আর দাদা ছাড়া আর কেউ ন্যাংটো দেখত না। কিন্তু তারপর আমাদের ফ্ল্যাটের আমারই মতো ক্লাস সিক্সে পড়া একটা মেয়ে পড়তে আসে টিনা দিদির কাছে। মেয়েটার নাম ছিল তিথি, আমারই বয়স এর। একই ফ্ল্যাটে থাকার সূত্রে টিনা দিদিদের সাথে ওদের পারিবারিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাই টিনা দিদি ওকে অনেক সময় পড়া দেখিয়ে দিত, আর আমিও যেহেতু একই ক্লাসে পড়তাম সেজন্য অনেক সময় আমাদের একসাথে পড়তে বসাতো। তিথি আমার স্কুলে পড়তো না, ও অন্য স্কুলে পড়তো। শুনেছিলাম তিথি পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিল, ও ক্লাসে ফার্স্ট গার্ল। আবার দেখতেও বেশ সুন্দরী ছিল ওই বয়স হিসেবে। তাই বেশ গর্ব ছিল ওর মধ্যে একটা। ওপর থেকে আসতে দেখেই আমার খুব লজ্জা পেতে লাগলো, কারণ ওর সামনে যদি আমি ন্যাংটো শাস্তি পাই খুব লজ্জার ব্যাপার হবে। নিজের বয়সী একটা মেয়ে যে ক্লাসে ফার্স্ট হয় তার সামনে ন্যাংটা শাস্তি পেতে আমার খুবই লজ্জা করবে। টিনা দিদি কি ইচ্ছে করেই ওকে ডেকে এনেছিল আমাকে আর ও লজ্জা দিতে কি না জানি না। তাই তাই প্রথম কয়েকদিন খুব মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলাম, খুব ভয়ে ভয়ে ছিলাম যাতে ভালো নম্বর পাই এবং তিথির সামনে যাতে ন্যাংটো শাস্তি পেতে না হয়। কিন্তু আমি ইংরেজি এবং অংকেতে খুবই কাঁচা ছিলাম আমি। ফলে দু সপ্তাহ বাদেই একটা সাপ্তাহিক পরীক্ষাতে প্রচন্ড খারাপ নম্বর আসে আমার- আবার ফেল করি। যথারীতি টিনা দিদি প্রচন্ড রেগে যায় এবং আমাকে ন্যাংটো করবার জন্য সমস্ত জামা কাপড় খুলে ফেলতে থাকে। আর এটা দেখে তিথি হাসিতে কুটিপাটি। তিথি: টিনা ম্যাডাম আপনি কি ওকে পুরো ন্যাংটো করে শাস্তি দেন? ছি ছি, ন্যাংটো শাস্তি পায়” টিনা দিদি: কতবার.. প্রতিদিন এই প্রায়। একদম পড়াশোনা তে মন নেই। জোর করে পড়তে বসাতে হয়। আমি ক্ষমা চাইবার চেষ্টা করি টিনা দিদির কাছে যাতে আমাকে নিজের সমবয়সী একটা মেয়ের সামনে পুরো ন্যাংটো না করে দেয়। কিন্তু কোন লাভ হয় না। তখন আমি শুধু একটা আন্ডারওয়ার পড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম দুজনের সামনে। টিনা দিদি এক টানে সেটা খুলে দিয়ে পুরো ন্যাংটো করে দিয়ে বলল “ তিথি পরীক্ষায় ৮০% এর উপর নম্বর পেয়েছে। স্কুলে ফার্স্ট গার্ল ও। তুই করেছিস পরীক্ষায় ফেল। জানিনা তুই ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস সেভেনে উঠতে পারবি না ফেল করবি। তো তুই ন্যাংটো হয়ে থাকবি না তো কে ন্যাংটো হয়ে থাকবে! ফেল করতে লজ্জা নেই একটা মেয়ের সামনে আবার ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে লজ্জা কি!” এই কথা বলে টিনা দিদি আমাকে পুরো ন্যাংটো করে একেবারে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে দিল ঘরের মাঝখানে। তিথি আমার অবস্থা দেখে হাসিতে গড়াগড়ি দিতে লাগল এবং জোরে জোরে হাসতে লাগে। টিনা দিদির মুখে ও তখন মুচকি হাসি। তিথি হাসতে হাসতে: এমা। নিজের বয়সী একটা মেয়ের সামনে পুরো ন্যাংটো হয়ে নুনু পাছা সব বের করে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে। তাও কোন লজ্জা নেই। কাল স্কুলে আমি আমার সব বন্ধুদের বলবো তোর কথা। ভাগ্য ভালো ও অন্য স্কুলে পড়তো, না হলে আমার স্কুলেও নাক কাটা যেত। তারপর দিদি পড়াতে থাকে তিথিকে আর আমি ঘরের মাঝখানে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকি। মাঝে মাঝে তিথি আমাকে দেখছিল আর মুচকি মুচকি হাসছিল। কিন্তু টিনা দিদি আমাকে ক্ষমা করে না পুরো এক ঘন্টা ওর সামনে ন্যাংটো কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখে। তারপর ওর সামনে ২০ বার কান ধরে ন্যাংটো উঠবস করি তারপর দিদি আমাকে প্যান্ট পড়ার অনুমতি দেয়। তিথির মা ফ্ল্যাটে আসতো মেয়ের পড়া শেষ হয়ে গেলে তিথির মা প্রথমবার আমাকে এভাবে নেংটো শাস্তি পেতে দেখে খুব হেসেছিল আর বলেছিল বেশ হয়েছে যেমন পড়াশোনা করিস না।উচিৎ শাস্তি। তারপর থেকে অনেকবার তিথির সামনে এভাবে নেংটা শাস্তি পেয়েছি। ও প্রতিদিন পড়ানোর সময় আসতো না, মাঝে মাঝে আসতো। একদিন তিথি ইচ্ছে করে আমাকে নেংটা শাস্তি পাইয়েছিল, আমাদের দুজনকে পরীক্ষা দিতে বসিয়ে টিনা দিদি পাশের ঘরে গেছিল টিভি দেখতে। টিনা দিদি ফিরে আসতেই তিথি ইচ্ছা করে মিথ্যা কথা বলে যে আমি বই খুলে উত্তর দেখে নিয়েছি এবং সেই উত্তর দেখে দেখে বই খুলে পরীক্ষার খাতায় লিখেছি। টিনা দিদি কিছুতেই আমার কথা বিশ্বাস করে না এবং তিথি এর কথাই সত্যি বলে মেনে নেয় আর আমাকে ওর সামনে পুরো নেংটু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে দেয়। তিথি তখন খুব হাসছিল আর আমার খুব লজ্জা লাগে কারণ ও মিথ্যা কথা বলে আমাকে ন্যাংটো করে দিয়েছে।মোটামুটি মাসে দু-তিন দিন এমন হতো যে ওর সামনে ন্যাংটো শাস্তি পেয়েছি। তিথির মা যখন পড়ার থেকে নিতে আসতো তখন যদি আমাকে দেখতো আমি ঐদিন শাস্তি পায় নি নেংটো নেই তাহলে তামাশা করে বলতো” কি বাপু, আজ আবার প্যান্ট পরে কেন? মাঝে মাঝেই তো দেখি ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড় হয়ে থাকতে। এখন তোমাকে শাস্তি পেতে না দেখলেই অবাক লাগে”। বলে হাসতো। পড়াশোনার জন্য এরকম নেংটু শাস্তি পেতাম যেহেতু তিন বছর ছিলাম টিনা দিদির বাড়িতে তাই তিন বছরই পড়াশোনার জন্য এভাবে শাস্তি পেয়েছে ন্যাংটো হয়ে। এবার পড়াশোনার বাদে অন্যান্য শাস্তি গুলোর কথায় আসি যে শাস্তি গুলো আমি দুষ্টুমি এবং টিনা দিদির কথা না শোনার জন্য অবাধ্য হওয়ার জন্য পেয়েছি। টিনা দিদির ফ্ল্যাট ছিল অভিজাত আর বিশাল বড়। সুন্দর ভাবে সাজানো, ইন্টেরিয়র করা। ঘর পরিষ্কার ও সাজিয়ে রাখার শখ ছিল দিদির। আমি ছিলাম অলস আর অগোছালো। ওদের বাড়ি আসার প্রথম দিন থেকে এই বকা খেতাম ঘরদোর নোংরা করার জন্য আর জায়গা এর জিনিস জায়গা তে না রাখার জন্য। ওদের চোখে আমি ছিলাম গ্রামের দেহাতি আর ওরা বড় শহরের রুচিশীল অভিজাত ব্যক্তি। পড়াশোনা বাদে টিনা দিদির কাছে কথা না শোনার জন্য প্রথম ন্যাংটো শাস্তি পাই নিজের ঘর পরিষ্কার করে না রাখার জন্য। ঘটনাটা ঘটেছিল পড়াশোনার জন্য প্রথম ন্যাংটো শাস্তি পাওয়ার দুদিন বাদে। টিনা দিদি অনেকদিন ধরেই বলতো তুই কিন্তু তোর ঘর পরিষ্কার করে রাখছিস না, সমস্ত জামাকাপড় এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখছিস, বিছানার চাদর ভালোভাবে পরিপাটি করে রাখছিস না, এদিককার জিনিস ওখানে আর অধিককার জিনিস এদিকে করে সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখছিস। তো এক রোববার আমার ঘর তো নোংরা করবার জন্য টিনা দিদি প্রচন্ড রেগে যায় এবং আমার ঘরে এসে জোরে থাপ্পড় মারে একটা আমাকে। টিনা দিদি: কিরে পাজি ছেলে, আমার কথা শুনিস না কেন! তোকে বলেছি না ঘরদোর সুন্দর করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখবি। এত নোংরা কেন তুই! দাঁড়া, আজ আমার কথা অবাধ্য হওয়ার জন্য তোকে পুরো ন্যাংটো করে শাস্তি দেবো। মুহূর্তের মধ্যে টিনা যদি আমার সমস্ত জামা কাপড় আন্ডারওয়ারের সব খুলে পুরো ন্যাংটো করে দেয় আর নিজের কোলে আমাকে উল্টো শুইয়ে আমার পাছাতে থাপ্পড় মেরে একদম লাল করে দেয়। আমার ঘরে কান ধরে নেংটো দাঁড় করিয়ে রাখে পুরো 30 মিনিট। ত্রিশ মিনিট বাদে আমি ভাবলাম যাক আমার শাস্তি শেষ হলো এবার আমি প্যান্ট পড়তে পারব। কিন্তু না টিনা দিদি এলো এবং বলল “ কোন প্রশ্নই নেই কাপড় পরার। শরীরে একটাও সুতোও থাকবে না, আগে ঘর পরিষ্কার হবে, তারপর আমি অন্য কথা শুনবো। পুরো ন্যাংটো হয়ে ঘরদোর পরিষ্কার কর। পরিষ্কার শেষ হলে আমাকে ডাকবি, আমি এসে আগে দেখব ঠিকঠাক কাজ করেছিস নাকি। তারপর ঠিক করব তুই প্যান্ট পরবি কি পরবি না।” খুব লজ্জা লাগলো আমার টিনা দিদির কথা শুনে, আমাকে পুরো ন্যাংটো হয়ে ঘর পরিষ্কার করতে হবে। টিনা দিদি নয় তখন মনে হচ্ছিল টিনা মালকিনের আমি নেংটো চাকর এবং ন্যাংটো হয়ে ঘর পরিষ্কার করতে হবে আমাকে। মালকিনের আদেশ। প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টা আমার সময় লাগলো নিজের ঘর ভালোভাবে পরিষ্কার করতে। নেংটো হয়ে কাজ করতে খুব লজ্জা লাগছিল কারণ ওই দিন রবিবার ছিল এবং বাড়িতে দুই কাজের মাসি ছাড়াও দাদাও ছিল।। দুই কাজের মাসি আমাকে শাস্তি পেয়ে নিজের ঘর ন্যাংটো অবস্থায় পরিষ্কার করতে দেখে খুব হাসাহাসি করছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর টিনা দিদি ঘরে এসে আগে সব দেখে যে আমি ভালোভাবে পরিষ্কার করেছি নাকি তারপর আমাকে বলে এরপর থেকে যেন এমন ভুল আর না হয়। টিনা দিদি একটা সুন্দর জিন্সের প্যান্ট এবং টপ পড়েছিল আর আমি কিনা দিদির সামনে পুরো ন্যাংটো! তারপর কুড়ি বার ন্যাংটো কান ধরে উঠবস করায় আর প্রতিবার উঠবস করবার সময় বলায় “এমন ভুল আর করব না”। তারপর আমাকে প্যান্ট পরার অনুমতি দেয়। এরপর টিনা দিদির কথার অবাধ্য হওয়ার দ্বিতীয় শাস্তি পেয়েছিলাম স্নান করতে গিয়ে। তখন শীতকাল পড়েছিল এবং শীতকালে আমি প্রতিদিন স্নান করতে চাইতাম না। কিন্তু টিনা দিদির হুকুম ছিল যে বাড়ির প্রত্যেকের মত আমাকেও প্রতিদিন চান করতে হবে। তো আমি শয়তানি করে বাথরুমের ভেতর ঢুকে নিজের গায়ে জল ঢালা ঢেলে জল দেওয়ার মিথ্যে শব্দ করে একটু চুলে জলের ছিটে দিয়ে ফিরে আসতাম। এভাবে তিন চার দিন করবার পরই আমাকে ধরে ফেলে মালতি মাসি। বুঝতে পারে যে আমি স্নান করছি না কারণ আমার গা দিয়ে গন্ধ বেরোচ্ছে চান না করার আর চামড়া হয়ে গেছে শুষ্ক। মালতি মাসি ব্যাপারটা জানিয়ে দেয় টিনা দিদিকে এবং টিনা দিদি এ কথাটা শুনে রাগে আগুন হয়ে ওঠে। নিজের ভুল ধরা পড়ে যাওয়ায় এবং টিনা দিদির রাগ দেখে আমি ভয়ে কাপতে থাকি। টিনা দিদির রাগের চোটে চিৎকার করে বলে এখনই পুরো ন্যাংটো হয়ে যা আমার সামনে হতভাগা। আমি প্রচন্ড ভয়ে টিনা দিদির সামনে এক মুহূর্তে সবকিছু খুলে পুরো ন্যাংটো হয়ে যাই। ওই দিন প্রথমবার টিনা দিদি আমাকে পুরো ন্যাংটো করে ঘরের ভেতর না, ফ্ল্যাটের খোলা কাচ দেবা ব্যালকনিতে লাংটা কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল ১ ঘণ্টা। আমাদের ঐ কাচের ব্যালকনি স্পষ্ট দেখা যেত পাশের বাড়িটা থেকে, ঐ বাড়িতে চারজন আঙ্কেল আন্টি থাকতো, তাদের একজনের ৮..৯ বছরের একটা ছোট মেয়ে ও ছিল। টিনা দিদি ইচ্ছে করে আমাকে লজ্জা দেবার জন্য ওখানে ন্যাংটো করে কান ধরে শাস্তি দিত। পাশের বাড়ির দুইজন কাকিমা যখন দেখে আমি বারান্দায় কান ধরে নেন একটু দাঁড়িয়ে আছি তখন জানলা দিয়ে জিজ্ঞাসা করে টিনা দিদিকে কিরে ওকে শাস্তি দিয়েছিস নাকি? ও কি দুষ্টুমি করেছে? টিনা দিদি সাথে সাথে আমার সমস্ত ঘটনা ওদের বলে এবং আমি যে নেংটু শাস্তি পাই সেটাও বলে ওদের। দুজন কাকি ভাই সেটা শুনে এবং আমাকে এভাবে দেখে পুরো হাসাহাসি করে। ওই বাড়ির ছোট মেয়েটা ওর মাকে জিজ্ঞাসা করে, মা এই ছেলেটা এরকম ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে কেন?। ওর মা যখন ওকে বলে এই ছেলেটা খুব পাজি তাই ওকে ন্যাংটো শাস্তি দিয়েছে সেটা শুনে ও খুব হাসতে থাকে এবং বলে ছি ছি সবকিছু দেখা যাচ্ছে ছি ছি কি লজ্জা কি লজ্জা! প্রায় এক ঘন্টা আমাকে খোলা ব্যালকনিতে কান ধরে নেংটো দাঁড় করিয়ে রাখার পর টিনা দিদি আমাকে ডেকে বলল তুই যখন আমাদের মিথ্যা কথা বলিস, চান করতে ঢুকে চান না করে বেরিয়ে আসিস তখন আজ থেকে তুই আর বাথরুমের দরজা বন্ধ করতে পারবি না। প্রতিদিন দরজা খুলে রেখে সম্পূর্ণ ন্যাংটো হয়ে সবার সামনে চান করবি। কথাটা শুনে খুব লজ্জা লাগে আমার কিন্তু প্রচণ্ড ভয় দরজা খোলা রেখেই সবার সামনে ন্যাংটো হয়ে চান করি। টিনা দিদি দরজার বাইরে থেকে লক্ষ্য রাখে আমি ভালোভাবে চান করছি নাকি। এভাবে প্রায় ১৫ দিন চলে। 15 দিন আমাকে টিনা দিদি পুরো দরজা খোলা রাখিয়ে চান করাতো সবার সামনে। যখন টিনা দিদি একটু ব্যস্ত থাকতো, নিজে লক্ষ্য রাখতে পারত না তখন চান সেরে আমি পুরো ন্যাংটো অবস্থায় টিনা দিদির সামনে গিয়ে বলতাম দিদি আমি ভালোভাবে চান করেছি। দিদি আমাকে ন্যাংটো দেখতো যে আমি চান করেছি কিনা ঠিকমতো তারপর বলতো ঠিক আছে। ওই সময় একদম বাচ্চাদের মত মালতি মাসি চান করার আগে আমাকে তেল মাখিয়ে দিত সেই খোলা বেলকনিতে পুরো ন্যাংটো অবস্থায়। পাশের বাড়ি থেকে ওই দুই কাকিমা আর ওই মেয়েটা আমার এই অবস্থা দেখে খুব হাসতো। টিনা দিদি বলতো যেমন একা একা স্নান করিস নি, এতদিন মিথ্যা কথা বলেছিস তেমনি শাস্তি এটাই তোর। তোকে নেংটো করে মালতি মাসি তেল মাখিয়ে দেবে খোলা বেলকনিতে পাশের বাড়ির লোকের সামনে তারপর তুই সবার সামনে খোলা বাথরুমে চান করবি। আর তারপর নেংটা অবস্থায় আমার সামনে এসে দাঁড়াবি যাতে আমি ভালোভাবে দেখতে পারি তুই ঠিকঠাক চান করেছিস কিনা। এভাবে ভাই ১৫ দিন চলে। ভাগ্য ভালো তারপর ১৫ দিন বাদে টিনা দিদি আমাকে ক্ষমা করে দেয় এবং এরকম ভুল যেন আর না করি বলে দরজা বন্ধ করার এবং নিজে নিজে স্নান করার অনুমতি দেয়। এই স্নান করার শাস্তি পাওয়ার পর থেকেই টিনা দিদি কথা না শোনার জন্য আর ঘরের মধ্যে ন্যাংটো করে শাস্তি দিত না, বাইরে খোলা বারান্দায় যেখানে পাশাপাশি বাড়িগুলো দেখা যায় ওখানে নেংটু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখত যাতে বাইরের লোকেও দেখতে পারে আমি ল্যাংটো শাস্তি পাচ্ছি দুষ্টামি করার জন্য। আরে বকা দিয়ে বলতো এরপর কথা না শুনলে কিন্তু আমি রাস্তাতে নিয়ে যাব ন্যাংটো করে। এটা শুনে আমি আরো প্রচন্ড ভয় পেয়ে যেতাম এবং টিনা দিদির প্রত্যেকটা কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতাম। এর পর টিনা দিদির কাছে ন্যাংটা শাস্তি পেয়েছিলাম জামাকাপড় নোংরা করবার জন্য। শীতকালে জামা কাপড় কম শোকাতো এবং আমি তাড়াতাড়ি সব জামাকাপড় নোংরা করে ফেলতাম এর ফলে অনেক দিন এমন হতো যে কাঁচা জামা কাপড় না শুকানোর জন্য আমাকে বাসি জামা কাপড়ই পড়ে থাকতে হতো। কয়েকবার এ কথা বলে টিনা দিদি শেষে বিরক্ত হয়ে একদিন রাতের বেলায় এসে আমাকে পুরো ন্যাংটো শাস্তি দেয়। বলে জামা কাপড় না শুকালে আর এভাবে তুই কাপড় নোংরা করলে এরপর থেকে কিন্তু তোকে বাড়িতে সারাদিন ন্যাংটো করে রেখে দেবো। যখন প্রয়োজন পড়বে তখন প্যান্ট পাবি, এখন বাইরে যাবি তখন প্যান্ট পাবি, তা না হলে যখন দরকার নেই ঘরের ভেতর থাকবে তখন সারাদিন কিন্তু পুরো ন্যাংটো করে রেখে দেবো। এসি লাগানো ঘরে ঠান্ডায় ন্যাংটো থাকতে কোন অসুবিধা হবে না। কথাটা শুনে খুব লজ্জা লাগে আমার, কিন্তু টিনা দিদি আমাকে এরকম শাস্তি দেবে বলে সাবধান করে দেয় কিন্তু পুরো ন্যাংটো করে সারাদিন রাখে না। তার বদলে টিনা দিদির আদেশে আমাকে প্রতিদিন রাতের বেলায় ঘরের মধ্যে নেংটো হয়ে ঘুমাতে হতো। প্রায় ১ মাস টিনা দিদি আমাকে রাতে ল্যাংটো করে শুতে পাঠাতো। রাতের বেলায় ঘরে এসে আমার সমস্ত জামা কাপড় খুলিয়ে পুরো ন্যাংটো করে বিছানায় শুয়ে দিয়ে চাদর গায়ে দিয়ে টিনা দিদি চলে যেত। চাদরের নিচে আমি পুরো ন্যাংটো থাকতাম। পরদিন সকালবেলা যখন ঘুম ভাঙতো আমার তখন আমি নেংটো অবস্থায় টিনা দিদির ঘরে গিয়ে গুড মর্নিং বলতাম আর টিনা দিদি আমাকে ফ্রেশ কাপড় দিত। প্রতিদিন রাতে এভাবে ল্যাংটো ঘুমাতে হতো। এভাবে প্রায় ১ মাস চলে যতদিন খুব শীতকাল ছিল। খুব লজ্জা লাগত সারারাত পুরো লাংটা হয়ে ঘুমাতে। একদিন তাড়াতাড়ি আমি শুয়ে পড়ব বলে টিনা দিদি আমার ঘরে এসে পুরো ল্যাংটো করে দিয়ে আমার কাপড় নিয়ে চলে যায়, আমিও তাড়াতাড়ি বেড এর চাদর এর তোলে ঢুকে পড়ি। কিন্তু সাড়ে ৯ টা এর দিকে টিনা দিদি রুমে এসে আমাকে বলে ওরা দুজন দাদা দিদি হ্যারি পটার এর সিনেমা দেখছে টিভি তে। আমি দেখতে চাইলে আসতে পারি। ওরা লিভিং রুমে দেখছিল সিনেমা। আমি বললাম ঠিক আছে আমার প্যান্ট দাও। একটা শুনে টিনা দিদি খিল খিল করে হেসে বলে “ দূর বোকা। তোর বেশি জামা প্যান্ট আমি সার্ফ এ ভিজিয়ে দিয়েছি। এখন আর কিছু নেই পড়ার তোর। ল্যাংটো হয়ে থাকতে হবে তোকে সকাল পর্যন্ত, আর এত লজ্জা কি তোর? বাড়ির সবাই তোকে দুষ্টামি করার জন্য পুরো নেংটু দেখছে, পাখি পাছা সব দেখছে। আর কি আছে লুকাবার?”। বলে জোরে জোরে হাসতে থাকে। আমার খুব লজ্জা লাগে শুনে, লাল হয়ে যায় মুখ আমার। টিনা দিদি বলে, না আসতে চাইলে ঘুমিয়ে পর।”। কিন্তু সিনেমা দেখার লোভ এ আমি লজ্জার মাথা খেয়ে টিনা দিদির সাথে চলে আসি লিভিং রুমে। দাদা দেখে নিজের বউকে হেসে বলে, “ তোমার হাতে শাস্তি পেয়ে খুব বাধ্য ছেলে হয়েছে দেখছি। তোমার কথা তে ওঠে বসে। তোমার ইচ্ছা অনুযায়ী ও তোমার পেছন পেছন লাংটা হয়ে ঘুরে”। টিনা দিদি শুনে হাসে। কিছুক্ষণ আমি সোফা তে ওদের সাথে বসে টিভি দেখার পর দিদি বলে, আমার পা ব্যথা করছে। তুই একটু টিপে দে তো। আমি টিনা দিদির পা এর কাছে ফ্লোরে বসে দিদির পা টিপতে থাকি। দিদির দুধ সাদা সুন্দরী পা। দিদি পরে ছিল একটা মেয়েদের জিন্স এর হাফ প্যান্ট আর টপ। আর আমি দিদি এর পা এর কাছে বসে পুরো ল্যাংটো পা টিপছি। দিদিকে তখন পুরো গুরুজন মনে হচ্ছিল যার কথা শোনা আমার কর্তব্য। সিনেমা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি দিদি এর পা এর কাছে এই ল্যাংটো বসে থাকি। দিদি পা আমার কোলে তুলে দেয়। মাঝে মাঝে দিদির নরম পা এর পাতা আমি নুনু তে ঘষা খাচ্ছিল। আমার নুনু তে দিদির পা এর পাতা লাগাতে আমার খুব লজ্জা লাগে। সিনেমা শেষ হলে আমি যখন উঠে দাঁড়াই তখন দিদি আঙ্গুল দিদি আমার নুনু তে একটা টান মেরে হেসে বলে” যা ল্যাংটো ছেলে অনেক রাত হয়ে গেছে। শুয়ে পর”। ১ মাস দিদি আমাকে এভাবে রাতে ল্যাংটো করে রাখত। টিনা দিদি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করতো। ওই কাজে সুন্দরী মহিলাদের লাগত ক্যামেরা এর সামনে যাবার জন্য আর ইংলিশে ভালো। তো দিদি আর কাজের ৪ বান্ধবী ঠিক করে গোয়া যাবে। ৫ জন মহিলা, আর আমাকে বাচ্চা হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমরা যখন গাড়ি করে গোয়াতে যাচ্ছি তখন সবার সামনেই টিনা দিদি বলে দেয় যে আমি এখনো সবার সামনে নেংটু হই ক্লাস সিক্সে পড়া সত্বেও। আমি এমনিতেই ছোটখাটো চেহারার ছিলাম তাই সবাই আমাকে একেবারে ছোট বাচ্চা হিসেবে ধরে আর বলে আরে হ্যাঁ ও তো এখনো বাচ্চাই তেমন বড় হয়নি অত নেংটো হবেই। কিন্তু টিনা দিদি যখন বলে আমি পড়াশোনা না করার জন্য, দুষ্টুমি করবার জন্য ন্যাংটো শাস্তি পাই, ন্যাংটো কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখে তখন সবাই খুব হাসাহাসি করতে থাকে। টিনা দিদির বন্ধু চারটে দিদি খুব দুষ্টু এবং পাজি ছিল, এবং তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাজি ছিল নিশা দিদি। নিশা দিদি খুব pranks তামাশা করত। গাড়িতে আমি হাফ প্যান্ট পরে ছিলাম, প্যান্ট এর উপর দিয়েই আমার নুনু ধরে এক টান দিল নিশা দিদি আর টা দেখে সবাই হেসে ওঠে। গোয়া তে আমরা সবাই একটা বড় রেজাল্ট টাইপের হোটেলে উঠলাম। সবাই এক রুমে ছিলাম। নিশা দিদি প্রথম থেকেই আমাকে prank করা শুরু করে, যেমন আমি ২ জন দিদির সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছি তখন নিশা দিদি পিছন থেকে চুপি চুপি এসে পিছন থেকে এক টানে আমার হাফপ্যান্ট আন্ডারওয়ার পায়ের নিচে নামিয়ে দিত। আমার গেঞ্জি ছিল কোমরের উপর পর্যন্ত নামিয়ে দিতেই পুরো নুনু সমস্ত দিদির চোখের সামনে লাফিয়ে ওঠে পাছা সমেত। সবাই আমাকে কোমর থেকে ন্যাংটো দেখে খিল খিল করে হাসতে থাকে। এরপর রাতের বেলায় সব দিদি মিলে আমাকে আবার prank করে। আমি প্রথমে ঘুমিয়ে পড়তাম, তো ঘুমের মধ্যে চুপিচুপি সব দিদি দিয়ে এসে আমার সমস্ত জামা প্যান্ট আন্ডারওয়্যার সব খুলে পুরো ন্যাংটো করে দিত। সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে দেখতাম আমি পুরো ন্যাংটো হয়ে ঘুমিয়ে আছি। নিশা দিদি খুব পাজি ছিল, আমার প্রচুর নেংটা ছবি নিজের মোবাইলে তুলে রেখেছিল। আমি যখন স্নান করতে যেতাম তখন দরজা বন্ধ করতে দিত না টিনা দিদি, বলতে বাচ্চা ছেলের আবার কি দরজা বন্ধ করে চান করবে। বাথরুমে বড় সুইমিংপুল ছিল বাথটাব ছিল, আমি সাঁতার কাটতে জানতাম না তাই কোন এক্সিডেন্ট যাতে না হয়ে যায় সেজন্য টিনা দিদি আমাকে নজরে নজরে রাখতো চান করার সময়। আর নিশা দিদি তখন আমার চান করার প্রচুর ন্যাংটো ছবি তুলে রাখত একদম নুনু পাছা সমেত। খুব লজ্জা লাগত। চান হয়ে গেলে প্রতিটা দিদি জিজ্ঞাসা করত তুই ভালোভাবে চান করেছিস, তোর পাখিটাকে ভালোভাবে চান করিয়েছিস? একবার একা একা সমুদ্রে চলে গেছিলাম। আমি সাঁতার জানতাম না জন্য সবাই খুব চিন্তা করেছিল। ফিরে আসার পর সবাই আমাকে খুব বকা দেয় এবং ওই দিন টিনা দিদি আমাকে দু'ঘণ্টা কান ধরে পুরো ন্যাংটো করে চারজন দিদির সামনে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। অ দিন সবাই আমার নেংটা শাস্তি প্রথম দেখেছিল। ন্যাংটো করে নিশা দিদি মুর্গ হতে বলে। ল্যাংটো মুর্গ পানিশমেন্ট প্রথম পাই সেদিন। এই ঘটনাগুলো বাদে আমরা সবাই খুব আনন্দ করেছিলাম ঘুরতে গিয়ে। ফিরে আসার পর যখনই ওই দিদিরা আমাদের বাড়িতে আসতো সাথে সাথে আমাকে বলতো আরে দেখি দেখি তোর পাখিটা কত বড় হয়ে গেছে পাখিটাকে চান করাস তো?। দেখি দেখি এক মাস বাদে দেখা। এই মাসে তোর নুনুটা কতটা বড় হলো। এ বলে ক্ষ্যাপাতো আর মুহুর্তে প্যান্ট জামা সব খুলিয়ে পুরো ন্যাংটো করে দিয়ে নুনু ধরে টান মারতো। মোবাইল এ ল্যাংটো ছবি তুলে নিতো। এ ভাবে আমি টিনা দিদি দের বাড়ি ৩ বছর ছিলাম। টিনা দিদিকে আমি খুব ভয় পেতাম, যখনই রেগে গিয়ে বলতো এখনই ন্যাংটো হয়ে যা তখনই ভয় কাঁদতে কাঁদতে পুরো ন্যাংটো হয়ে কান ধরে দাঁড়িয়ে পড়তাম। এমনও কয়েকদিন হয়েছে নিজে ভুল করার জন্য নিজেই আগে ন্যাংটো হয়ে টিনা দিদির কাছে গিয়ে আমি ভুল করেছি বলে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি। টিনা দিদিদের শাসনের ফলে আমার পড়াশোনা ভালো হয়ে যায় এবং আদব কায়দা অনেক পরিবর্তন হয়, শহুরে ভাব আসে। মেয়েদের সম্মান করতে শিখি।

Sunday, 1 December 2024

অনিল আর সুতপা

অনিল আর সুতপা... মাস তিনেক আগে অফিস মিটিং এ সুতপা আমাকে ডমিনেট করার পরে সেই অভিজ্ঞতা লিখে পোস্ট করেছিলাম। যেহেতু সুতপা আর আমি এক অফিসে কাজ করলেও আলাদা ডিপার্টমেন্ট তাই একমাত্র অফিসের জেনারেল মিটিং বা ক্যান্টিন ছাড়া ওর আর আমার দেখা হওয়ার সম্ভাবনাও খুব কম। তাই সেই অভিজ্ঞতার সাথে কল্পনা জুড়ে ইতিমধ্যেই আমি সুতপা ২ থেকে ৬ পর্ব প্রকাশ করেছি। কিন্তু আজ অফিস মিটিং এ আবার সুতপার হাতে ডমিনেটেড হওয়ার অভিজ্ঞতা হল। কাল্পনিক সুতপা সিরিজের থেকে আলাদা ভাবেই তাই আজকের অভিজ্ঞতা লিখে প্রকাশ করছি। এরপরে যদি সুতপার হাতে ডমিনেটেড হওয়ার আর সৌভাগ্য ঘটে তবে সেটাও লিখে প্রকাশ করব। আজ অফিসে আমাদের ব্রাঞ্চের হেড নিহাল সিং এর শেষ দিন। প্রমোশান হয়ে সে কম্পানির হেড অফিসে আরো ভাল পোস্টিং পাচ্ছে। আমাদের অফিস গত ২-২.৫ বছর খুব ভাল পারফর্ম করায় এটা তার পুরস্কার। আর সে অফিসের সবার ভাল পারফরমেন্সের পুরস্কার স্বরুপ আজ তার এই অফিসের শেষ দিনে সেকেন্ড হাফে অফিসে পার্টি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তার তরফ থেকে দুপুরে সবার জন্য ফ্রি লাঞ্চ। আনলিমিটেড চা-কফি। আর সামান্য এক সংবর্ধনার পরে অফিসের সব স্টাফ মিলে মিটিং রুমে সিনেমা দেখে এই সাফল্য উতযাপন করা এই ছিল পরিকল্পনা। দুপুরে ক্যান্টিনে ঢুকে দেখি সুতপা ওর অধীনে কাজ করা বিমল আর সুজিতের সাথে বসে লাঞ্চ করছে। আমি সুতপার কাছাকাছি হওয়ার জন্যই তুচ্ছ অজুহাতে ওদের টেবিলের দিকে গেলাম। তারপরে একটা তুচ্ছ কাজের কথা বলতে লাগলাম বিমলের সাথে যেটা তখন না বললেও চলত। আড়চোখে তাকিয়ে দেখি সুতপা ওর সাদা স্নিকার পরা একটা পা ওর ঠিক উলটো দিকের চেয়ারে বসা সুজিত আর বিমলের চেয়ারের উপরে রেখেছে। মানে বিমল আর সুজিত পাশাপাশি লাগানো দুটো চেয়ারে বসে খাচ্ছে আর ওদের দুজনের চেয়ারের উপরে সুতপার জুতো পরা পা টা ক্যাজুয়ালি রাখা! সুতপা মেয়েটা দেখতে এবাভ এভারেজ। গায়ের রঙ মাঝারী থেকে একটু ফর্শার দিকে। বয়স সাড়ে ২৩। স্বভাবে বেশ ম্যানিপুলেটিং আর কিছুটা ডমিনেটিং। মানে ও সবার সাইকোলজি কিছুটা বুঝতে পারে আর সেটাকে ইউজ করে ও কি করে নিজের কাজ হাসিল করতে হবে সেটা দারুন বোঝে। ওর অধীনে কাজ করা বিমল আর সুজিতকে ও নিজের জুতোর তলায় না রাখুক, অন্তত হাতের মুঠোয় রাখে এটা নিশ্চিত। আমি টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতে থাকায় আমাকে ওই টেবিলেই খাবার দিয়ে গেল। আমি জানি সুতপার পাশে বসে খাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। কিন্তু ওর আশে পাশে থাকার নেশাতেই আমি ওর পাশে বসে খেতে লাগলাম। খাওয়ার শেষের দিকে সুতপা বিমলকে বলল, " তুই ফোনে ক্লায়েন্ট ডিল করিস। তাই সবাই ফুর্তি করলেও তোকে তোর কাজের জায়গাতেই বসতে হবে।" বিমল ঘাড় নেড়ে " ইয়েস ম্যাম" বলল ওর চেয়ে বয়সে বছর ৫ এর ছোট ম্যামকে। তারপরে সুতপা সুজিতকে বলল, " তুই চাইলে মিটিং রুমে আসতে পারিস। কিন্তু প্রোজেক্টের কাজ অনেক বাকি। তুই আজ কাজ না করলে কাল শনিবার তোকে অফিসে এসে full day কাজ করতে হবে। সুজিতও বিমলের মতই " yes mam" গোছের রিপ্লাই দিয়ে কাজ করতে যেতে রাজি হয়ে গেল। সুজিত আর বিমল কি শুধু চাকরি বাঁচাতেই এরকম সুতপার কথায় ওঠে বসে? নাকি বয়সে ছোট সুতপার ওদের উপরে ডমিনেশান ওরাও এনজয় করে? জানি না! জানার কোন উপায়ও নেই, যদি না ওদের সাথে এই বিষয়ে কথা বলার কোন সুযোগ হয়ে যায়। সুতপারা আমি খেতে বসার অনেক আগে খাওয়া শুরু করেছিল। তাই ওদের সবার খাওয়া হয়ে গেল আমার আগেই। সুতপা ওঠার আগে আমাকে বলে গেল, " ওরা তো কাজে ফিরছে। তোর কোন কাজ না থাকলে আমার জন্য এক কাপ কফি নিয়ে আসিস মিটিং রুমে। সুজিত আর বিমল বয়সে সুতপার থেকে বড় হলেও অফিসে সুতপা ওদের বস। তাই ওদের সুতপা তুই করে বলে তবু মানা যায়। কিন্তু আমি সুতপার থেকে বয়সে প্রায় ১০ বছরের বড়। ও আমাকে তুই করে বলে এভাবে অর্ডার করছে আমার যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না। আমি এই অফিসে ওর পরে জয়েন করেছি, আমাকে দেখতেও অনেক কম বয়সী লাগে এটা ঠিক। এই কারনে আমাকে ওর জুনিয়ার ভেবে ও তুই করে বলছে? নাকি সব জেনেও আমার সাবমিসিভ মেন্টালিটি বুঝে আর তিন মাস আগে আমার ওর জুতোর তলা হাত দিয়ে ঘসে পরিস্কার করা দেখে ও আমাকে ইউজ করতে চাইছে সেটা নিশ্চিত হয়ে বুঝতে পারলাম না। তবু আমার মুখ থেকে বিমল আর সুজিতের মতই " yes mam" বেরিয়ে গেল আর আমার বুক উত্তেজনায় ধুকপুক করতে লাগল। খাওয়া তাড়াতাড়ি সেরে হাতে কফির কাপ নিয়ে আমি মিটিং রুমে গিয়ে দেখি একদম পিছনের রোয়ের এক সাইডে বসে আছে সুতপা। আমি তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে ওর হাতে কফির কাপ দিলাম। thank you বলার কোন বালাই নেই সুতপা ম্যাডামের । দিব্বি কাপে চুমুক দিয়ে বলল "আমার নিচের রোতে বোস তুই। সিনেমা চলার সময়ে আরো ২-৩ কাপ কফি খাব। তোকে অর্ডার করতে সুবিধা হবে তুই জাস্ট নিচে বসলে।" আমি " ok mam" বলে বসে পরলাম। আগেই বলেছিলাম যে আমাদের এই মিটিং রুম টা ওই লেকচার ক্লাসের মত। নিচ থেকে উপরের দিকে ধাপে ধাপে উঠে যায়। উপরের রোতে বসা কারো পা আর নিচের রোতে বসা লোকের নিতম্ব একই উচ্চতায় থাকে। একদম নিচের দিকের রো গুলোর হাইটের পার্থক্য কম। কিন্তু উপরের দিকের রো গুলোতে হাইটের পার্থক্য অনেকটাই। মানে উপরের রো তে বসা সুতপার হাঁটু আর আমার মাথা প্রায় একই হাইটে আছে এরকম। লাস্টের রোয়ের বসার জায়গাটা গদি মোড়া, পিছনের ব্যাকরেস্টও গদি দেওয়া। বাকি রো গুলোতে ব্যাকরেস্ট নেই, বসার জায়গা টাইলসের। সুতপা বসেছে ওই গদি মোড়া রোয়ের এক সাইডে। আর আমি তার ঠিক নিচের রো তে। সিনেমা শুরু হতে লাইট অফ হয়ে গেল। আর খেয়াল করলাম সুতপা পায়ের উপরে পা তুলে দিয়েছে। ফলে ওর জুতো পরা ডান পা আমার গলার হাইটে, আমার দেহ থেকে ৬ ইঞ্চি মত দূরে। সিনেমা দেখা কম্পালসারি নয় বলে অন্য অনেকেই বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছে। হলে ওই জনা ১৪-১৫ জন আছে মোট। সিনেমা শুরুর মিনিট ৫ পরেই সুতপা ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে আমার কাঁধে হালকা ঠ্যালা দিয়ে বলল, " আরেক কাপ কফি নিয়ে আয় যা, জলদি।" উফ, কি যে ভাল লাগছিল তখন বলার মত না। আমি এক্ষুনি আনছি ম্যাডাম বলে প্রায় ছুট লাগালাম। মিনিট খানেকের মধ্যেই বাইরে থেকে কফি এনে সুতপার হাতে দিয়ে আবার ওর পায়ের কাছে বসলাম। কেউ কি দেখেছে সুতপা ওর জুতো পরা পা দিয়ে আমার কাঁধে ঠ্যালা দিয়ে আমাকে অর্ডার করেছে? দেখলে দেখুক। সুতপা আমাকে অর্ডার করবে এটাই স্বাভাবিক। সুতপার জুতো পরা ডান পায়ের তলা টা আমার মুখ থেকে ৩-৪ ইঞ্চি দূরে। আমি সিনেমার দিকে মনযোগ দিতে পারছিলাম না। আমার বুক উত্তেজনায় ধুকপুক করছিল। আগের দিন সুতপা আমার পিছনে-পিঠে-হাতে জুতো পরা পা রাখার সময়ে কোন কথা বলেনি। কিন্তু আজ ও দিব্বি আমাকে অর্ডার করছে এটা আরও বেশি সাবমিসিভ করে তুলছিল আমাকে। সুতপা কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে আবার আমাকে জুতো পরা পায়ে ঠ্যালা দিল। এবার ওর জুতোর তলা স্পর্শ করল আমার গলার ডান দিক আর ডান চিবুক। " তোর নাম কি যেন?" সুতপা জুতো পরা পা দিয়ে আমার মুখে ঠ্যালা দিয়ে প্রশ্ন করল। "অনিল ম্যাম" আমি উত্তর দিলাম। "কোন ডিপার্টমেন্টের তুই?" - এবারে জুতো পরা পায়ের ঠ্যালাটা আরেকটু উপরে পেলাম, আমার ঠোঁটের জাস্ট ডানদিকে। এবারে ও আর পা সরাল না। আমার মুখে ওর জুতোর তলা স্পর্শ করিয়ে হালকা চাপ দিতে লাগল। " একাউন্টস ম্যাম", আমি উত্তর দিলাম। "কবে জয়েন করেছিস এই কম্পানিতে?"- আমার ঠোঁটের জাস্ট ডানদিকে আমি তখন সুতপার জুতোর তলার চাপ দিব্বি অনুভব করতে পারছি। " জুন ২০২৩", আমি উত্তর দিলাম। "মানে আমার থেকে এক বছরের জুনিয়ার তুই। ফ্রেশার্স তো?" আমি এবার উত্তর দেওয়ার জন্য সুতপার দিকে তাকাতে গেলাম, ফলে আমার মাথাটা হালকা ডানদিকে ঘোরাতে হল। আর সাথে সাথে আমি নিজের ঠোঁটে স্পর্শ পেলাম আমার প্রভু সুতপার জুতোর তলার স্পর্শ। উফ, স্বর্গসুখ! আমি হালকা করে চুম্বন করলাম সুতপার ডান জুতোর তলায়। ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে বেশ কিছুটা ময়লা সুতপার জুতোর তলা থেকে আমার মুখের ভিতরে ঢুকে গেল অনুভব করলাম। " না ম্যাম, আগে maxtal company তে প্রায় ৮ বছর ছিলাম। একাউন্টস ম্যানেজমেন্ট মিলিয়ে।" আমি উত্তর দিলাম। "বলিস কি? তোকে দেখে তো বোঝাই যায় না, একদম বাচ্চা লাগে। তুই তাহলে আমার চেয়ে অনেক সিনিয়ার। আমার তুই করে বলা উচিত না তাহলে।" সুতপা কথাটা বলার সাথে সাথে ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখ থেকে কয়েক ইঞ্চি দূরে সরিয়ে নিল। " না না ম্যাম, আপনি আমাকে তুই করে বললেই ভাল লাগে। প্লিজ আমাকে তুই করেই বলুন। " কথাটা বলেই আমি নিজের মুখটা আবার সুতপার জুতো পরা পায়ের দিকে এগিয়ে দিলাম। আমার ঠোঁট আবার সুতপার জুতোর তলা স্পর্শ করল। সাথে ডান হাত বাড়িয়ে আমি হালকা করে সুতপার জুতোর উপর দিকটা ধরলাম। ডান হাত দিয়ে ওর জুতোর তলা নিজের মুখের সাথে চেপে ধরে ওর জুতোর তলায় হালকা চুম্বন করলাম ৩-৪ বার। " তুই নিজেই যদি কিছু মনে না করিস তাহলে ঠিক আছে, বলাই যায়। আর আমি সবাইকে তুই করে বলায় আর অর্ডার করাতেই বেশি কম্পফর্টেবল। তবে তুইও আমাকে তুমি করে বলতে পারিস এটলিস্ট।" আমি ডান হাত সরাতে আমার ঠোঁটের উপরে হালকা করে জুতোর তলা দিয়ে কয়েকবার ট্যাপ করে বলল সুতপা। " ওকে সুতপাদি। তুমি করেই বলব। তোমার সাথে আলাপ করার খুব ইচ্ছা ছিল অনেকদিন। আজ সেটা হল। খুব ভাল লাগছে তাই।" " সুতপা আবার জুতোর তলা দিয়ে আমার মুখে কয়েকবার ট্যাপ করে হেসে বলল, " তুমি বলার অনুমতি দিতেই ম্যাম থেকে দিদি হয়ে গেলাম? তোর যা এক্সপেরিয়েন্স তাতে আমার থেকে বছর ১০ এর বড় হবিই তুই। এত বড় কারো কাছে দিদি ডাক শোনাও অবশ্য বেশ মজার।" আমি একবার চারিদিকে তাকিয়ে দেখলাম। প্রায় সবাই পর্দার দিকে তাকিয়ে সিনেমা দেখছেই মনে হল। আমাদের আশে পাশে দুজন ইন্টার্ন আর একজন সিকিউরিটি গার্ড বসে। এই গার্ড লোকটার বয়স ৫০-৫৫ হবে, আমাদের একাউন্টস ডিপার্টমেন্টেরই গার্ড। এই ব্যাটাই শুধু মনে হল আড়চোখে আমাদের দেখছে। পরে গল্প করে বেড়াবে না তো সবাইকে? ভাবতেই এক ভয় আর উত্তেজনার মিশ্রন ছড়িয়ে পরল মনে। " কেউ দেখলে দেখুক, পাত্তা দিস না।" আমার মুখের ডানদিকে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল সুতপা। "আগস্টের সেই মিটিং এ তোর গায়ে পা লেগে গিয়েছিল। দেখলাম তুই সরে বসার বদলে হাত দিয়ে ঘসে আমার জুতোর তলা পরিস্কার করে দিলি। ব্যাপার কি বলত?" " আমি নিজেও জানি না সুতপাদি। তবে তোমাকে কিরকম সুপিরিওর মনে হয়। তোমার আন্ডারে থাকার মধ্যে এক অদ্ভুত শান্তি আছে। সুজিত আর বিমল সত্যিই ভাগ্যবান।" " ভাগ্যবান না ছাই। আজকেও তুই খাওয়ার টেবিলে আসার আগে ওরা দুজনে মিলে আমাকে অয়েলিং করছিল। ওদের যদি একটু ভাল রেটিং দিই। ওদের স্যালারি বাড়াতে সুপারিশ করি। ১৫-১৬ হাজারে নাকি ওদের চলে না, বিয়ে করতে পারছে না এইসব। আমি বলেছি আমি যা বলি সব করে গেলে এবার year end এ ভাল রেটিং দেব। তবে স্যালারি বাড়ানোর সুপারিশ করতে পারব না। সেটা রেটিং দেখে কম্পানি করলে করবে। তবে তোর তো আমার থেকে রেটিং সুপারিশ কিছুই নেওয়ার নেই। তুই কোন ডিপার্টমেন্ট বা তুই যে আসলে আমার সিনিয়ার সেটাও আজকের আগে জানতাম না। আগের মিটিং এ তোর আচরন দেখে ভেবেছিলাম সুজিত আর বিমলের মত তুইও আমাকে অয়েলিং করে কিছু বাগানোর ধান্দায় আছিস।" " ওদের কথা জানি না সুতপাদি । তবে আমার কিচ্ছু বাগানোর ধান্দা নেই। বিশ্বাস করো।" এই বলে আমি আবার ৪-৫ টা হালকা চুম্বন করি সুতপার ডান জুতোর তলায়। আগের দিন সুতপা একটা কথাও বলেনি আমাকে ডমিনেট করার সময়ে। আজ দেখি ওর মুখে কিছুই আটকায় না। আমার মুখে জুতোর তলা দিয়ে পরপর ৩ বার ট্যাপ করে বলল, " আমার জুতোর তলায় কিস করছিলি নাকি তুই?" " হ্যাঁ"- বলে আমি আবার একবার ওর জুতোর তলায় চুমু খাই। ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে বুঝেও নিজের উপরে নিয়ন্ত্রন আনতে পারি না। " আচ্ছা, তোর তো ম্যানেজমেন্ট সামলানোর ভালই অভিজ্ঞতা আছে আগের কম্পানিতে। তাহলে এখানেও তোর এবার ম্যানেজমেন্টে প্রমোশান হওয়ার চান্স আছে, তাই তো? " " হ্যাঁ, সুতপাদি। হতেও পারে।" " আর হলে তো একাউন্টসে পোস্ট ফাঁকা হবে। তুই রেকমেন্ড করলে আমারও ওখানে প্রমোশান হতে পারে, তাই তো?" আমার ইচ্ছা করছিল সুতপার জুতোর তলায় চুম্বন করে " হ্যাঁ প্রভু" বলতে। কিন্তু সুতপার আগের উত্তর নকল করে বললাম, " আমি ইয়ার এন্ডে ভাল রেটিং দিতে পারি। কিন্তু সুপারিশ সম্ভব নয়।" সুতপা এবার ওর ডান জুতোর তলা দিয়ে পরপর ৫-৬ বার আমার মুখে ট্যাপ করে বলল, " তুই আমার জুতোর নিচে বসে এভাবে আমাকে তোর মুখে লাথি মারতে না দিলে তোর এই উত্তরটা হয়ত আমি সিরিয়াসলি নিতাম।" - সত্যি ওর শেষ ২-৩ টে ট্যাপে এতটা জোর ছিল যে ওগুলোকে লাথিই বলা উচিত। " সরি সুতপাদি, একটু ইয়ার্কি করছিলাম মাত্র। তোমাকে প্রমোশান করে দিতে পারলে আমার যতটা খুশি লাগবে আমি নিজে প্রমোশান পেলেও তার অর্ধেক খুশি হব না। তোমার জন্য আমার পক্ষে যা করা সম্ভব করব। শুধু একটাই অনুরোধ তোমার কাছে। বিমল আর সুজিতের মত আমাকেও তুমি সবার সামনেই সাব-অর্ডিনেটের মতই ট্রিট করো।" " তোর আচরন আমার খুব অদ্ভুত লাগছে অনিল। সুজিত আর বিমল কেন এরকম করে আমি বুঝি। ওদের আমার কাছে কিছু পাওয়ার আছে। কিন্তু তোর ব্যাপারটা মাথায় ঢুকছে না পুরো। যাই হোক, যা! আবার এক কাপ কফি নিয়ে আয়।" - আমার মুখে জুতোর তলা দিয়ে আরেকবার ট্যাপ করে বলল সুতপা। আমি সাথে সাথে বাধ্য দাসের মত প্রভুর হুকুম তামিল করতে ছুটলাম।

Thursday, 21 November 2024

সুতপা ৬...

সুতপা ৬... আমার ৫ বছরের ছোট বোন নেহার কালো স্নিকার পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে রাখা। ডান পা টা রাখা আমার ঠোঁটের উপরে আর বাঁ পা টা রাখা আমার কপালে। আমি দুই হাত দিয়ে ভক্তিভরে ওর পা দুটো টিপে দিচ্ছি মাঝে মাঝেই ওর জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করতে করতে। বোনও মাঝে মাঝেই ক্যাজুয়ালি ওর ডান স্নিকারের তলাটা আমার ঠোঁটের উপরে ঘসে খেলছে আমার টাকায় অনলাইনে শপিং করতে করতে। আর আমার ১০ বছর বয়সী ভাগ্নী নিশা আমার বুকের উপরে গোলাপি স্নিকার পরা দুই পা রেখে বসে ওর মায়ের প্রতি আমার ভক্তি দেখে মুখ টিপে খুক খুক করে হেসে যাচ্ছে। ২-৩ মিনিট পরে নিরবতা ভাঙল মা। আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল -" কাল তোর মুখে জামায় যেই ধুলো ময়লা গুলো লেগে ছিল সেগুলো কি ছিল সত্যি করে বলতো এবার?" আমি আর সত্যিটাকে অস্বীকার করার কোন প্রয়োজন দেখছিলাম না। তাই সরাসরি বলে দিলাম - " ওগুলো জুতোর তলার ময়লা ছিল। আমাদের অফিসের সুতপা আর প্রিয়ার জুতোর তলার ময়লা। এখন যেভাবে বোন আর নিশা আমাকে ইউজ করছে কাল আর আজ অফিসে ওরা দুজনেও ঠিক এইভাবেই ইউজ করেছিল আমাকে।" "কিভাবে হল সেটা? তোকে কি ব্ল্যাকমেল করেছিল ওরা কিছু নিয়ে? নাকি তুই নিজের ইচ্ছাতেই মেনে নিয়েছিলি ব্যাপারটা এখনকার মত?" - এবারে প্রশ্নটা করল নেহা। আমি খুব সংক্ষেপে ব্যাপারটা কিভাবে হল সেটা ব্যাখ্যা করলাম। বোন সব শুনে বলল, " মেয়েরা তোকে এভাবে ট্রিট করলে তোর ভাল লাগে তাহলে?" আমি বোনের জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে উত্তর দিই " হ্যাঁ। অধিকাংশ মেয়ের প্রতিই আমি কম বেশি সাবমিসিভ ফিল করি। তোমার প্রতিও করি ছোট থেকেই। তবে নিজে থেকে সেটা খুব বেশি দেখানোর সাহস হয়নি তুমি বা মা কি ভাববে তাই ভেবে।" " সেই জন্যই তোকে আমি যা ইচ্ছা হয় বলতাম, রাগ হলে গায়ে হাত তুলতাম, তাও তুই কখনো প্রতিবাদ করিস নি। আমার জুতো পালিশ, পায়ে জুতো পরানো খোলা, পা টিপে দেওয়া থেকে অন্য অনেক কাজ তোকে দিয়ে করিয়ে নিতাম। তুই তাতেও বাধা দিস নি কখনো। আমার প্রতি সাবমিসিভনেস থেকে,তাই তো?" " হ্যাঁ বোন, কিন্তু সেটা স্বীকার করার সাহস হত না। তুমি আমাকে কিছু করতে অর্ডার করলে সেটা করার পরে তোমাকে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছা করত আমাকে চাকরের মত ইউজ করার জন্য। কিন্তু কখনো বলতে পারিনি।"- আমি ভক্তিভরে বোনের পা টিপতে টিপতে বলি। এবারে মা জিজ্ঞাসা করে, " বাড়িতে এর আগে তোর সারামুখে ময়লা লাগা অবস্থায় তোকে আমি ৩-৪ বার দেখেছি। সেগুলো কি ছিল?" আমি সাহস করে বলি, " বোন, ওর বান্ধবী বা নিশার জুতোর তলার ময়লা মা। আমি লুকিয়ে ওদের জুতোয় চুমু খেতাম মনে মনে ওদের নিজের প্রভু ভেবে। ওদের জুতোর তলার ময়লা নিজের সারামুখে ঘসতাম। খুব বেশি সাবমিসিভ ফিল করলে ওদের জুতোর উপর তলা সব জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করতাম। ভাল লাগত খুব। আবার মনে হত এইভাবে আমার ওদের পায়ে পরা জুতো চেটে পালিশ করে দেওয়া উচিত। তবেই ওদের যথেষ্ট শ্রদ্ধা দেখানো হবে।" এবারে আমার কথা শুনে খিল খিল করে হাসতে হাসতে আমার বুকে লাথি মেরে আমার ভাগ্নী নিশা বলল, " চিন্তা নেই মামা। এবার থেকে তুই আমাদের পায়ে পরা জুতো জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করিস। আমি আর মা এতে খুশিই হব।" - আমার ছোট্ট ভাগ্নী নিশা আমাকে তুই করে বলছে আর এভাবে ডমিনেট করছে বলে খুব ভাল লাগল আমার। " হ্যাঁ, নে আমার জুতো চেটে পরিস্কার কর আগে। তারপরে তোর ছোট্ট ভাগ্নীর পায়ে পরা জুতোও একইভাবে চেটে পরিস্কার করিস।" - আমার মুখে লাথি মেরে আমার প্রভু বোন নেহা অর্ডার করল। আমি প্রবল ভক্তি নিয়ে নেহার জুতোর তলা চাটতে লাগলাম। আর ও বলে চলল, " তোর আমাদের প্রতি যা ভক্তি দেখছি তাতে তোর কাছে আর কোন সত্যি আড়াল করার কোন দরকার দেখছি না। তোকে অপরাধী ফিল করিয়ে ইউজ করার জন্যই তোকে আমি চিরকাল বলে এসেছি যে বাবা আমাকে অনেক কম বয়সে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বয়সে বড় লোকের সাথে বিয়ে দিয়েছে আর তুই বাধা দিস নি। আসলে আমি নিজেই অনেক হিসাব করে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। যদু আমার চেয়ে অনেক বড় হলেও মোটামুটি বড়লোক আর স্বভাবেও খুব সফট। আমি যেমন ওর টাকা উড়িয়েছি ইচ্ছামত শপিং আর পার্টি করে তেমনই ও আমার ফুর্তি করে বেড়ানো খুব খোলা মনে মেনে নিয়েছে কখনো কোন আপত্তি ছাড়া। তার উপরে ও কাকোল্ড, যেটা একদম সোনায় সোহাগা। তাই আমার রাজ আর অভির সাথে ফিজিকাল হওয়া ও শুধু মেনে নিয়েছে তাই নয়, এনকারেজও করেছে। ওর ফ্লাটেই আমি ওদের সাথে ফিজিকাল হয়েছি ওর চোখের সামনে। আর সব হয়ে যাওয়ার পরে যদু আমার পা টিপে ক্লান্তি দূর করেছে। এ এক অন্য আনন্দ! সব এরকম হতে যাচ্ছে বুঝেই আমি বিয়েতে রাজি হয়েছিলাম, বুঝলি?" আমার মুখে একটা লাথি মেরে কথা শেষ করল নেহা। আমি ততক্ষনে ওর ডান জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করে বাঁ জুতোর তলা চাটা শুরু করেছি। " তুই কখনো সরাসরি বলিস নি নেহা। তবু আমি সবই জানি, আন্দাজ করে নিয়েছিলাম। কিন্তু আমার কি মত হওয়া উচিত শিওর ছিলাম না। কখনো প্রচলিত প্রথার চাপে মনে হত এগুলো করা ঠিক না। আবার মনে হত প্রচলিত পথে সব মেনেই তো আমি সারাজীবন কাটালাম। কি পেলাম এই বোরিং লাইফে? আমার মেয়েটা যদি একটু আনন্দ ফুর্তি করে ক্ষতি কি? সেটা সেক্সুয়াল হলেই বা কি আসে যায়? বিশেষ করে তার বরই যখন সব জেনে বুঝেও এটাই চাইছে? আমি এই দুই মতের মাঝে পরে এত কনফিউজ ছিলাম যে জিনিসটা মাথাতেই আসতে দিতাম না। এরকম কিছু ঘটছে সেটাই অস্বীকার করার চেষ্টা করতাম। আবার নয়নের সাবমিসিভ স্বভাবও বুঝেও না বোঝার ভান করতাম। নাহলে তুই ওর ছোট বোন হলেও ও যে চিরকাল ভিতরে ভিতরে তোকে মনিবের মত রেস্পেক্ট করে সেটা স্পষ্ট বোঝা যেত। ও এটা ঢাকতে পারত না। কিন্তু আমিই না বোঝার ভান করতাম। ওকে রিতার সাথে বিয়ে দিয়ে নর্মাল সংসারী করেই ফেলছিলাম। কিন্তু সেটা বোধহয় হওয়ার ছিল না। বাড়িতে তোর পায়ে মাথা রাখতে না পারলেও অফিসে ওকে নিজের জুতোর নিচে এনে ফেলল ওই সুতপা আর প্রিয়া। এটা বোধহয় হওয়ারই ছিল। অফিসের বস এত সাবমিসিভ হলে কোন মেয়ে সেটার ফায়দা তুলবে না?" " যা হয়েছে ভালই হয়েছে মা। সুতপার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ও দাদাকে নিজের জুতোর নিচে এনে না ফেললে দাদা এত সহজে আমার আর নিশার জুতোর নিচেও ধরা দিত না। আর শেষে হয়ত ওই হতচ্ছাড়ি রিতার সাথে বিয়ে করে ও ফেঁসে যেত।" আমি ততক্ষনে নেহার দুটো স্নিকারের তলাই জিভ দিয়ে চেটে নতুনের মত পরিস্কার করে দিয়েছি। নেহা আর নিশা নিজেদের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন করে নেওয়ার ফলে এখন নেহার পা আমার বুকে আর নিশার পা আমার মুখে। নিশা আমার মুখে জুতো পরা পা রেখে বসে আমার মুখে একটা লাথি মারার সাথে সাথে আমি আমার ১০ বছর বয়সী সুন্দরী ভাগ্নীর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম।" " মা, বাবা কাকুল না কি বলছিলে, সেটা কি?"- আমার মা আর বোনের কথার মাঝে আগে একবার প্রশ্নটা করার চেষ্টা করেও করতে পারে নি নিশা। এবারে ওর প্রশ্ন শুনে নেহা হাসতে হাসতে আমার বুকে লাথি মেরে বলল, " নে, তোর ভাগ্নীর প্রশ্নের উত্তর দে।" আমি নিশার জুতোর তলা চাটতে চাটতে ওর দুই জুতোর তলায় একবার করে গাঢ় চুম্বন করে বললাম, " ও এত ছোট যে ওকে বোঝানো খুব মুশকিল।" আমার উত্তরে নিশা সন্তুষ্ট না হয়ে আমার মুখে বেশ জোরে জোরে ৩-৪ টে লাথি মেরে বলল, " আমি অত জানি না। তুই বুঝিয়ে বলবি। বোঝাতে না পারলে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একটা করে লাথি পরবে তোর মুখে।" ভাগ্নীর ডমিনেটিং আচরনে বোন মজা পেয়ে খুব হাসতে লাগল। আমি কি বলব বুঝতে না পেরে আবার ভাগ্মীর জুতোর তলা চাটায় মন দিলাম। ফলে পরের ২ মিনিটে ওর জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করলেও মুখে আরো ১০-১২ টা লাথি খেলাম। এবারে বোন ওর মেয়ের কপালে একটা চুমু খেয়ে বলল " তোকে আমি পরে বুঝিয়ে বলব নিশা। তোর মামা নিজেই বোঝে না এসব ভাল করে, তোকে কি বোঝাবে?" " এটুকু বলো, ওটা কি খারাপ কিছু?" - নিশার কথার উত্তরে নেহা হাসতে হাসতে বলল, " না রে, বরং খুব ভাল। তোর বাবা কাকোল্ড মানে আমাকে অন্য অনেকে অনেক আদর করে আর তোর বাবা তাতে একটুও রাগ না করে খুব খুশি হয়। তুই-ও বড় হয়ে আমার মত কাকোল্ড বিয়ে করিস, অনেক আনন্দ পাবি জীবনে!" " তোকে কি বলব আমিই কনফিউজ নেহা। একবার মনে হচ্ছে যা হচ্ছে এখুনি থামানো উচিত। আবার মনে হচ্ছে এসব চিন্তা ফালতু কুসংস্কার। আচ্ছা, একটা কথা বলতো? আমি যতদূর জানি, যদু ব্যাবসা থেকে মাসে নয়নের চেয়ে বেশি ছাড়া কম কিছু রোজগার করে না। তাহলে তোর চাকরি করার এত দরকারটা কি?" - মা জিজ্ঞাসা করে নেহাকে। নেহা বলে, " টাকার জন্য নয় মা। আসলে এত ফুর্তি পরকীয়া এসবের পরেও আমি লাইফে কিছুটা বোর ফিল করছি। সেই জন্যই কাজ খোঁজা। আর দাদা নামের চাকরটা যদি অফিসে আমার বস হয় তাহলে তো কথাই নেই। অফিসটাও ফানের জায়গা হবে আর ইনকামও আসবে। যতদিন ইচ্ছা হয় করব, তারপরে ছেড়ে দেব। তবে নয়নকে আমি নিজের দাদা বলে পরিচয় দিয়ে অফিসে নিজের নাক কাটাব না। পাশের বাড়ির ছেলে বলা যেতে পারে বড়জোর।" আমি নেহার কথা শুনে চমকে উঠি। যে দাদার সাবমিসিভনেসকে ইউজ করে ও বিনা যোগ্যতায় ভাল চাকরি বাগাতে চাইছে সেই দাদাকে নিজের দাদা বলে পরিচয় দিতে ওর লজ্জা হবে! তবে ওর এই সেলফিশনেস আমার একটুও খারাপ লাগল না। বরং এটা ওর প্রতি সাবমিসিভনেস আরো বাড়িয়ে তুলল আমার। আমি নিশার জুতোর তলা চাটতে চাটতে ওর পা টিপে দিতে লাগলাম, আর আমার মাথা ভাবতে লাগল - সোমবার সুতপার অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার ইন্টারভিউ নিয়ে বুধবারই আমি বোনকে আমার PA পোস্টে জয়েন করিয়ে দিয়ে অফিসে সবার সামনে ওর PA এর মত আচরন করতে পারি। অবশ্য অফিসে কেউ জানবেও না ও আমার বোন, কারন অফিসে আমি ম্যানেজার হলেও ক্রমে সুতপা, প্রিয়া আর নেহার চাকর হতে যাচ্ছি সেই নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই আর। আমি ফেসবুক খোলার সময় পেলাম আবার সেই রাতে। সারা সন্ধ্যা বোন আর ভাগ্নীর পা টেপা আর জুতো চাটার পরে আমি মা বোন আর ভাগ্নীকে রাতের খাবার সার্ভ করলাম। তারপরে বোন আর ভাগ্নীর বিছানা রেডি করে নিজের ঘরে শুতে এসে মোবাইলে ফেসবুক খুললাম। নিহাল সিং এর ফটোতে আমার সুতপাকে প্রনাম করার ফটোটা নিয়ে কেউ আলাদা কোন কমেন্ট করেনি। ৩০ টার উপরে ফটোর মাঝে ওই ২ টো ফটো কারো চোখ আলাদা করে টানেনি হয়ত। কিন্তু সুতপার পোস্টে এসে দেখি অনেকেই আমার সুতপার জুতোর নিচে নিজেকে সঁপে দেওয়া নিয়ে নানারকম মজা শুরু করেছে। তারা অনেকেই সুতপার বন্ধু, যাদের আমি চিনি না। অফিসের লোকজনের মধ্যে সুতপার আন্ডারে থাকা সুজয় কমেন্ট করেছে " it proves that you are the real boss from now on. Congrats sutapa di." সুতপার অধীনে থাকা বিমল কমেন্ট না করলেও পোস্ট আর সুজয়ের এই কমেন্ট দুটোতেই লাভ রিয়েক্ট দিয়েছে। অফিসের এক ক্লার্ক বিষ্ময় রিয়েক্ট দিয়ে কমেন্ট করেছে " I cant believe this! is this real or photoshop?" " I will do this exact same action with this same guy, infront of you On monday. 1000 rs bet?" - বোঝাই যাচ্ছে পার্টিতে নেশা করে একটু বেশিই এগ্রেসিভ হয়ে আছে সুতপা। প্রিয়ার নেশা বোধহয় আরো একটু বেশি হয়েছে আজ। সে কমেন্ট করেছে " my sweet didi and her doggy boss!". সুতপা এটায় লাভ রিয়েক্ট দিয়েই আপাতত থেমেছে! বোন কি এই পোস্টগুলো দেখেছে? দেখে থাকলে হয়ত আমাকে আর পাড়ার ছেলে বলেও পরিচয় দিতে চাইবে না। হয়ত ওদের পারিবারিক চাকরের ছেলে টাইপের কিছু পরিচয় পাব আমি। আমার অল্প টেনশান হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা উপভোগ্য টেনশান। আমার মত সাবমিসিভ একজন ছেলের সাথে যা হচ্ছে গত কয়েকদিন সেটা যেকোন সাবমিসিভ ছেলের কাছেই স্বর্গ! তখনই ঘরের বেল বাজল। আমি বেল খুলে দেখি রাজ! এটা আমাদের বাড়িতে নতুন কিছু ব্যাপার নয়। ও জুতো খুলে ওর জন্য রাখা চপ্পল পরে সোজা নেহার ঘরের দিকে চলে গেল। আমি ওর জুতো শু র‍্যাকে তুলে বাইরের দরজা বন্ধ করে কৌতুহল বশত নেহার ঘরের দিকে গিয়ে চমকে গেলাম! আজ অন্য দিনের মত দরজা লক করেনি ওরা, দরজা হাল্কা করে ভেজানো। নেহা যে এত ফুর্তির পরেও সত্যিই লাইফে বোরড, আর ওর নতুন নতুন থ্রিল আর চমক দরকার সেই বোরডম কাটানোর জন্য আর সেই জন্যই দরজা খুলে রাখা সেটা ভালই বুঝতে পারলাম। আমি এক ঝলক ভিতরে তাকিয়ে দেখি আমার বোন নেহা ওর প্রাক্তন ক্লাসমেট বন্ধু রাজের কোলে ক্লোজ হয়ে বসে লিপ কিস করছে আর রাজের হাত ক্যাজুয়ালি ওর বুকের কাছে ঘোরাফেরা করছে। আমি আরও একটু তাকিয়ে দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না। রাজের হাত নেহার জামার ভিতরে ঢুকে গেছে, নেহার ব্রেস্ট কচলাতে কচলাতে গাঢ় লিপ কিস করে চলেছে রাজ। নেহা ততক্ষনে রাজের পুরুষাঙ্গ প্যান্ট থেকে বার করে ডান হাত দিয়ে নাড়তে শুরু করেছে। আমার সাথে চোখাচুখি হতে নেহা একটা অদ্ভুত হাসি ভরা ইশারা করে দেখে যেতে বলল যা হচ্ছে। আমি জানি ওরা এবার ক্রমে সেক্স করা শুরু করবে। এই কাজ রাজ আর অভির সাথে বয়সন্ধির শুরু থেকেই করে যাচ্ছে নেহা। আর আমি ওর দাদা হয়ে এই ৩৩ এ এসেও ভার্জিন, হয়ত এভাবেই ভার্জিন হয়েই মরব। আমার ভাবতে খারাপ লাগল না। বরং এই তীব্র সুখ রাজের মত সুপুরুষের কাছ থেকে নেহা পাবে আর আমি ওকে শুধুই চাকরের মত সেবা করে যাব ভাবতেই বুকে তীব্র সুখের ঢেউ উঠল। তবে বেশিক্ষন দেখার সাহস হল না আমার, হয়ত নেহা নিজের বোন বলেই। আমি ঘর থেকে কয়েক পা এগোতেই দেখি নিশা ওর মায়ের ঘরের দিকে যাচ্ছে। আমার বুকটা কিরকম করে উঠল অজানা উত্তেজনায়। নিশা বলল, " তখন কে এল মামা? রাজ আংকল?" আমার মুখ থেকে কোন স্বর বেরোল না। আজ নেহার ঘর খোলা। নিশা ওদিকে গেলেই ওর চোখে সব ধরা পরবে। আমি ঘাড় নেড়ে হ্যাঁ বলেই বললাম " তোকে দিদা ডাকছিল, আয় একবার।" আমি নিশাকে নিয়ে আমার মায়ের ঘরে যেতেই মা জিজ্ঞাসা করল " কে বেল বাজাল তখন? " আমি বললাম " রাজ, মা।" মা বলল, " ওহ! ও নেহার ঘরে গেল? আজ রাতে থাকবে তো?" মা এমন স্বাভাবিক স্বরে কথাগুলো বলল যেন রাজ নেহার শুধু বন্ধু নয়, যেন বিয়ে করা বর! " দিদা, আমাকে ডেকেছিলে তুমি? আমি একটু রাজ আংকল আর মায়ের সাথে কথা বলতে যেতাম।" ১০ মিনিট পরে যাস। তোর সাথে একটু কথা আছে নিশা। নয়ন, তুই নিজের ঘরে যা।" আমি " আচ্ছা মা" বলে নিজের ঘরে চলে এলাম। আমার কান মাথা সব ভোঁ ভোঁ করছিল যা হচ্ছে ও হতে চলেছে সব বুঝে। মাথাকে ডাইভার্ট করতে ফেসবুক খুললাম আবার। দেখি সুতপা ওই পোস্টে আমাকে ট্যাগ করে কমেন্ট করেছে " I am the real boss at office from monday. You are like my servant boy. I will use you like my personal doormat at office from now on. Nothing to hide from any one. Keep that in mind!" আমার মাথা কাজ করছিল না উত্তেজনায়। এসব হচ্ছে কি? আমি "Sure, thank you mam" লিখে পোস্ট করে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম মোবাইল রেখে। কিন্তু বৃথা চেষ্টা। মাথা এত উত্তেজিত আজ যে ঘুম আসা খুব কঠিন। আবার ফেসবুক খুলে দেখি সুতপা নতুন একটা পোস্ট করেছে। ৪ টে ফটো, তাতে দেখা যাচ্ছে সুতপা আর প্রিয়া দুজনে দুই হ্যান্ডসাম ছেলের কোলে বসে ড্রিংক করছে, দুটো ফটোয় সুতপা এর কোলে আর প্রিয়া ওর কোলে, অন্য দুটোয় ওরা কোল বদলেছে। ফটোর ক্যাপশান " drinking whisky now. Guess what we will eat and drink and do after midnight?" নেশার জন্যই হয়ত সুতপা আজ সবকিছু এত পাব্লিকলি করছে। কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে পারলাম যে স্বভাবের দিক থেকে আমার বোনের সাথে সুতপা আর প্রিয়ার অনেক মিল। আমার অফিসে বোন কাজে ঢুকলে সুতপা আর প্রিয়ার সাথে ওর ভালই ভাব হতে চলেছে। আর অফিসের অফিসিয়াল হায়েস্ট অথরিটি আমার ভাগ্যে কি লেখা আছে? সেটা জানতে গেলে অন্তত কয়েকটা দিন অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।

Monday, 11 November 2024

ইন্টার্ন অনন্যা...

ইন্টার্ন অনন্যা... অনন্যা নামের মেয়েটি আমাদের অফিসে ইন্টার্নশিপ করছে। বয়স সদ্য কুড়ির ঘরে পরেছে। ফর্শা, অসাধারন সুন্দরী মেয়ে। তবে কাজে মনযোগ একদম কম, আর কথা বলে বড্ড বেশি। আমাদের টিমের যার আন্ডারে ও ইন্টার্নশিপ করছে সে কয়েকবার অভিযোগ করেছে- " একদম পাকা মেয়ে, কোন কথা মন দিয়ে শোনে না। সারাক্ষন শুধু ফালতু বকে চলেছে। এরকম করলে একে এক্সপেরিএন্স সার্টিফিকেট দেওয়া উচিত না।" কাল দুপুরের দিকে মেয়েটি এসে আমাকে অভিযোগ করল, " অনন্যার মত ইন্টার্ন আমার দরকার নেই, ওকে দিয়ে কাজ করানো অসম্ভব। তার চেয়ে নিজে করে নেওয়া সহজ।" শুনলাম অতি সহজ এক কাজে বড় ব্লান্ডার মিস্টেক করেছে আজ ও, সেই অমনযোগী হয়ে কথা বলতে বলতে। আমি ওকে বলে দিলাম অনন্যাকে আমার ঘরে পাঠাতে। মিনিট দশেক পরে অনন্যা ঢুকল, চুইংগাম চিবাতে চিবাতে। এই ক্যাজুয়াল চাপলেস এটিচিউডই ওর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দেয়। ওর পরনে কালো আর কমলা রঙ মেশানো টপ, ফেডেড জিন্স, পায়ে কালোর উপরে কমলা কাজ করা স্নিকার্স। জুতোর তলাটা পুরো কমলা। ( মেয়েটির কমলা আর কালো শিওর ফেভারিট রঙ, আগেরদিনও পায়ে ছিল কমলা আর কালো মেশানো পুমার একটা কিটো জুতো)। মেয়েটি ঢুকেই বলল, " হাই সুমনদা, আমাকে ডেকেছ?" এত ছোট হওয়ার পরেও ওর আমাকে স্যার বা আপনি না বলে দাদা আর তুমি করে ডাকাও আমার ভাল লাগে কোন সন্দেহ নেই। আমিও দিব্বি উঠে দাঁড়িয়ে ওকে সম্মান দিয়ে ওরদিকে ভাল চেয়ারটা এগিয়ে দিয়ে নিজে খারাপটায় বসলাম। আমার মত ভয়ানক সাবমিসিভ কেউ সুন্দরী মেয়ে দেখলে যেটা খুব স্বাভাবিক আর কি! আমি ওকে ভুল গুলো একটু বোঝানোর চেষ্টা করলাম, বা বলা ভাল বাধ্য হলাম। কিন্তু ও অর্ধেক কথা শোনে আর একটু পরপরই এই ওই কথা তুলে প্রশংগ বদলাতে চেষ্টা করে। অফিসের কাজের বোরিং খুটিনাটিতে ওর মন বসার অভ্যাস এখনো হয়নি। আমি আবার পয়েন্টে ফিরলেই ও চুইংগাম চিবাতে চিবাতে হাতের পেনটাকে আনমনে ঘোরাতে থাকে। এভাবে পেন ঘোরাতে ঘোরাতেই সেটাকে ও টেবিলের নিচে ফেলল। আর আমার সৌভাগ্য হল ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে পেন তোলার। " তুমি বসো, আমি তুলছি" বলে আমি সাথে সাথে সুযোগের সদব্যাবহার করলাম। অনন্যা বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে বসে আছে। পেনটা পরেছে ওর ডান পায়ের ঠিক সামনে। আমি পেনটা হাতে নিয়ে তুলতে গিয়েও থমকে গেলাম। ও ততক্ষনে আবার অন্য এক বিষয়ে কথা বলা শুরু করেছে। বাঁ পায়ের উপরে রাখা ডান পা টা তখন আমার থেকে ৬ ইঞ্চি মত দূরে। ওর পা টেবিলের তলায় থাকায় ওর চোখে পরছে না। আমি সাহস করে ওর দুই জুতোর উপরে দিকে হালকা করে হাত বুলিয়ে মাথায় আর কপালে ওর জুতোর ময়লা ঠেকালাম, অনেকটা প্রনামের মত করে। তারপরে আরো সাহস করে পুরো ডান হাতের তালুটা ওর ডান জুতোর তলায় বুলিয়ে ওর জুতোর তলার পুরো ময়লাটা হাতে করে মুছে আনলাম। একবার সামনে থেকে পিছনে, তারপরে পিছন থেকে সামনে। উত্তেজনায় আমার বুক ধুকপুক করছিল তখন! "পেনটা পাওনি সুমনদা?" ভাগ্যিস অনন্যা প্রশ্নটা করে তবে নিচে উঁকি দিল! নাহলে দেখতে পেত ও ফাঁকি দেওয়ার শাস্তিস্বরুপ ওর বস নিজের হাত দিয়ে ঘসে ওর জুতো পালিশ করছে! " এই পেলাম" বলে আমি উঠে এলাম আর রিস্ক না নিয়ে।" " আচ্ছা সুমনদা, রিতাদি কি এসে আমার নামে কম্পলেন করে গেছে?" আমি হেসে বলি " কম্পলেন ঠিক না। তুমি মন দিয়ে কাজ কর না বলে ভুল কর অনেক, সেটা বলে গেছে। তাই আমি তোমাকে ডাকলাম একটু বোঝাতে।" অনন্যা হেসে বলে, " আমি সব বুঝি সুমনদা। রিতা খুব বোরিং আর খিটখিটে। ওর সাথে সারাদিন কাজ করা একদম ইম্পসিবল। আর ও বেতন পায় তাই মন দিয়ে কাজ করে। আমি তো করছি ফ্রি ইন্টার্নশিপ, শুধু একটা সার্টিফিকেটের জন্য । আমার এত মন বসবে কেন তুমিই বলো সুমনদা?" "আমি হেসে বলি স্টাইপেন্ড পেলে কাজে মন বসত? ঠিক আছে, তোমাকে আমি স্পেশাল স্টাইপেন্ড দেওয়ার ব্যাবস্থা করছি। কাল একবার এসে কনফার্ম হয়ে যেও।" স্টাইপেন্ডের লোভে অনন্যা খুশি হয়ে আমার অফিস ছাড়ল। পরদিন একই সময়ে ও আমার রুমে এসে হাজির। কোন ফর্মালিটির বালাই নেই, সোজা ঘরে ঢুকে বসে পরল ভাল চেয়ারটায়। আমি তখন একটু রুমের বাইরে বেরিয়েছিলাম, ফিরে দেখি পায়ের উপর পা তুলে বসে দিব্বি মোবাইল ঘাঁটছে ও! আমি দরজা খুলে ওকে দেখেই ইয়ার্কির সুরে বললাম " মে আই কাম ইন ম্যাম?" যদিও এটা সিরিয়াস সুরে বলতে পারলেই আমার বেশি ভাল লাগত। ও কিন্তু দিব্বি উত্তর দিল " আসো সুমনদা, তোমার খোঁজেই এসেছিলাম। আমার স্টাইপেন্ডের খবর নিতে।" " ও হ্যাঁ, ওটার পারমিশান আমি করিয়ে নেব। তোমাকে মাসে ১২ হাজার করে দেওয়া হবে।" আমি ভেবেছিলাম ও খুব খুশি হবে। হওয়ারই কথা। ও যা কাজ করছে তাতে আমার মত সাবমিসিভ বস নাহলে এই মার্কেটে সার্টিফিকেটই দিত না, টাকা তো দূর! কিন্তু অনন্যা অন্য ধাতুতে গড়া! তাই মুখ বেজার করে বলল, " only 12,000? আমি ভেবেছিলাম হাজার ১৮-২০ দেবে, তাহলে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপের টাকা জমিয়ে আমি একটা Iphone কিনতাম!" " আচ্ছা, আমি দেখছি। জানি এটা অনেক কম টাকা,,কিন্তু বাকি ২ ইন্টার্ন কিন্তু পুরো ৬ মাস কিছু এলাউন্স ছাড়া ফ্রি তেই কাজ করছে। তবু, আমি দেখছি। তুমি একটু মন দিয়ে কাজ কর, যাতে আমি তোমার সুনাম করে স্টাইপেন্ড বাড়ানোর চেষ্টা করলে কেউ প্রতিবাদ করে না বসে!" অনন্যা হাই তুলে বলল, " এই অফিসের কাজ এত বোরিং। হয় মাথা নিজে থেকে অন্য ইন্টারেস্টিং টপিকে চলে যায়, নাহলে এরকম ঘুম পায়। আমার কি দোষ বলো?" আমি কালকের অনন্যার মত হাতে পেন নিয়ে ঘোরাতে ঘোরাতে বললাম " না, তোমার কোন দোষ নেই। কিন্তু সব অফিসই এরকম বোরিং কাজ কর্মই করে unfortunately!" এই বলে আমি পেনটা ইচ্ছা করে হাত থেকে টেবিলের নিচে ফেলে " উফস" বলে পেনটা তুলতে অনন্যার পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসলাম। আজ ওর পায়ে adidas এর আরেক জোড়া কমলা কালো মেশানো জুতো, আজকেরটায় কমলার ভাগ আরেকটু বেশি। আমি পেনটা কুড়িয়ে তাড়াতাড়ি ওর দুই জুতোয় হাত ছুঁইয়ে মাথা আর কপালে হাত ছোঁয়ালাম, তারপরে আরো সাহস করে নিজের কপালটা,সোজা ওর দুই জুতো পরা পায়ের উপরে নামিয়ে দিলাম! ৩-৪ সেকেন্ডের বেশি যদিও সাহস হল না এইভাবে প্রভু অনন্যাকে ভক্তিভরে জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করার। আমি মাথা তুলতেই দেখি অনন্যা মাথা নামাচ্ছে! আমি সাহস করে অনন্যার জুতোর উপরে হাত দিলাম। অনন্যাকে মাথা নিচু করতে দেখে ওর জুতোয় হালকা হাত বুলিয়ে বললাম " তোমার জুতোর কালার আর শেপটা দারুন। আর জুতোটাও খুব সফট সুন্দর। তোমাকে দারুন মানাচ্ছে অনন্যা। অনন্যা আমার কান্ড দেখে মুচকি হেসে বলল, " তুমি বস হয়ে আমার জুতো পরা পায়ে হাত দিচ্ছ সুমনদা?" আমি উঠে আবার চেয়ারে বসে বলি, " আসলে কি জান অনন্যা? আমি লেখাপড়া শিখে আজ ১০ বছর এই অফিসে ভাল চাকরি করলেও আমাদের পারিবারিক জুতোর দোকানের ব্যাবসা। আমার ঠাকুরদা, বাবা-কাকা সবাই এই করেই পেট চালিয়েছে। এখনো বাবা-দাদা এই করেই সংসার চালাচ্ছে। আমিও অনেকদিন দোকানে বসেছি। আর কথায় বলে ঢেকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙে! নাপিতের চোখ যেমন না চাইতেও সবার চুলের ছাঁট লক্ষ্য করে বেরায় তেমনই আমাদের জুতো ব্যাবসায়ী পরিবারের লোকের চোখ যায় লোকের জুতোর দিকে। আর তোমার মত কম বয়সী মেয়ের পায়ে এত সুন্দর জুতো থাকলে চোখ তো আটকাবেই, আর জুতোর অত কাছ থেকে চোখ গেলে তো কথাই নেই!" অনন্যার চোখ খুশিতে চিকচিক করে উঠল আমার কথা শুনে। ও বলল, " এটা এডিডাসের জুতো। ৩০০০ টাকা দিয়ে কিনেছি, ভাল তো হবেই। কিন্তু এখন আর বাবা এত টাকা দিতে চায় না, বলে আমি নাকি দু হাতে ওড়াই। সেই জন্যই আমার ভাল স্টাইপেন্ড খুব দরকার সুমনদা। আর তুমিই বলো, আমার মত মেয়েকে এরকম দামী ব্র‍্যান্ডের জামা জুতো ছাড়া মানায়?" " না, একদমই মানায় না অনন্যা। আচ্ছা, আমার মাথায় একটা প্লান এসেছে,যদি তুমি শুনতে চাও তো বলি।" " বলো, শুনি কি প্লান।" অনন্যা বলে। আমাদের জুতোর দোকানের জন্য প্রতিবছর মডেল দিয়ে এড করানো হয়। যদি তুমি রাজি থাক তো এবছর তোমাকে মডেল রাখা যায়। বিভিন্ন পোজে তোমার আর তোমার পায়ে পরা জুতোর ফটো তোলা হবে, বদলে তুমি পাবে চুক্তি মত টাকা আর আমাদের দোকানের তরফ থেকে কয়েকটা ব্রান্ডেড জুতো। রাজি?" কথাটা শুনে অনন্যার মুখে চওড়া হাসি ফুটল, " অফিসের বোরিং কাজের তুলনায় এটা অনেক ইন্টারেস্টিং অফার!" ইন্টার্ন অনন্যা ২... " তার মানে তুমি রাজি, তাই তো?"- আমি অনন্যাকে জিজ্ঞাসা করি। এত ভাল অফারে ঘটে সামান্য বুদ্ধি আছে এমন কেউ কখনো না করবে না। শুধু অফারের ডিটেলসটা শুনতে চাই কনফার্ম করার আগে।"- অনন্যা মিষ্টি হেসে বলল। আমি উত্তর দেওয়ার আগে অনন্যার দিকে তাকালাম একবার। কাল ওর cv খুলে দেখেছি এখন ওর বয়স মাত্র ২০। ফর্শা, মিষ্টি চেহারা, উচ্চতা ৫'২"-৫'৩" মত হবে। বেশ রোগা, ওজন ওই ৪৮ কেজির কাছাকাছি। আজ ওর পরনে কমলা ঢোলা একটা টি শার্ট, কালো ফেডেড জিন্স আর কমলা শর্ট মোজার উপরে কমলা কালো মেশান এডিডাসের স্নিকার যার উপরে মাথা রেখে একটু আগেই আমি ওকে প্রনাম করেছি ওর অজান্তে। আমি একটু ভেবে বললাম " মাসে ১২ হাজার টাকা স্টাইপেন্ডে তুমি খুশি নও। ১৮-২০ হাজার টাকা চাও। তাই তো? আর যদি বিজ্ঞাপনের শুটিং করতে ৩ দিন ২ ঘন্টা করে সময় দিতে হয় তাহলে কত টাকা এক্সপেক্ট করো তুমি?" অনন্যা একটু ভেবে বলল, " স্টাইপেন্ড টা ২০ হাজার হলে ভাল হয়। তবে ১৫ হাজার হলেও চলে যাবে। আমার ৬ মাসের ইন্টার্নশিপের মধ্যে আড়াই মাস হয়ে গেছে। যদি এই আড়াই মাসের জন্যেও স্টাইপেন্ড টা দিয়ে দেয় তাহলে ওই ১২ হাজার দিলেও আমি মাইন্ড করব না। আর এডের জন্য কিরকম ফি দেওয়া হয় I have no idea! তবে টোটাল ৬ ঘন্টা শুটিং এর জন্য হাজার ৬ টাকা আর ৩-৪ টে ব্রান্ডেড শু পেলে খারাপ হয় না!" " তুমি অনেক কমই চাইছ অনন্যা। মডেলদের পারিশ্রমিক অনেক বেশি হয়। ৩ দিনের জন্য তোমাকে ১৫ হাজার টাকা আর ৫ জোড়া ব্রান্ডেড শু দিলে খুশি তো?" অনন্যার চোখ জোড়া খুশিতে চিকচিক করে উঠল। " তুমি খুব ভাল সুমনদা। কিন্তু আমার মডেলিং এর কোন এক্সপেরিএন্স নেই। কি করতে হবে আমাকে ভাল করে বুঝিয়ে দিও কিন্তু। আর স্টাইপেন্ডের ব্যাপারটাও ফাইনাল করে জানিও।" " হুঁ, জানাব। তুমি ধরে নিতে পার ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড কনফার্ম তোমার। পুরো ৬ মাসের জন্য। আর সাথে আমি খুব চেষ্টা করব এই ৬ মাসের পরে তোমাকে এই অফিসে পার্মানেন্ট পোস্টে চাকরিতে ঢুকিয়ে নেওয়ার।" অনন্যার চোখ বড় বড় হয়ে গেল বিষ্ময়ে। তারপরে ও হেসে ফেলে বলল, " আমি কাজে খুব ফাঁকি দিই এই অভিযোগ করে রিতাদি আমাকে তোমার কাছে পাঠাল আমার ফ্রি ইন্টার্নশিপ ক্যান্সেল করে দেওয়ার জন্য। আর তুমি সব শুনে আমার স্টাইপেন্ডের ব্যাবস্থা তো করেই দিলে, এখন আবার বলছ আমাকে পার্মানেন্ট পোস্টে চাকরিতে নিয়ে নেবে! রিতাদি শুনলে তো ওর হার্ট এটাক করবে!" "তোমার স্টাইপেন্ডের এমাউন্ট শুনলে করতেই পারে। ও ৫ বছর চাকরির পরেও এখন ১৫ হাজার টাকা হাতে পায় মাত্র।" " আমাকে এত টাকা আর চাকরি অফার করছ কেন তুমি সুমনদা? যেখানে আমি সত্যিই এত্ত ফাঁকিবাজ! আমি এড করতে রাজি হলাম বলে? কিন্তু সেটাতেও তো আমারই লাভ বেশি। I am highly curious সুমনদা। তুমি না হয় অন্য কেউ হলে আমি এতক্ষনে ভেবে বসতাম তার অন্য কোন ধান্দা আছে।" আমি মনে মনে বললাম - ধান্দা তো আছেই। তোমাকে প্রভু হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে দাসজ্ঞানে তোমার সেবা করার ধান্দা! মুখে বললাম, " তোমার মধ্যে আমি অন্য এক বড় গুন দেখতে পাচ্ছি, যেই রোলে তুমি দারুন পারফর্ম করতে পারবে। সেটাই মূল কারন। সাথে তোমার মত একটা মেয়েকে মডেল হিসাবে পাওয়ার কৃতজ্ঞতাও আছে। এর আগের বছর অবধি এডের কন্সেপ্ট স্ক্রিপ্ট শুটিং সব এড এজেন্সিকে দিয়ে করানো হত। কিন্তু তাতে অনেক খরচ আর ফলও তেমন ভাল পাই না। তাই এবারে ইচ্ছা আছে নিজেই পুরোটা করব আমি। আর লোকে ফটোতে তোমাকে দেখেই জুতো কিনবে যখন তখন ওই টাকাটা এড এজেন্সিকে না দিয়ে তোমাকে দেওয়াই কি উচিত না? শুধু একটাই সমস্যা আছে এখন।" আমার বানানো গল্পে মুগ্ধ হয়ে অনন্যা জিজ্ঞাসা করল, " সেটাই ভাল সুমনদা। যদিও স্ক্রিপ্ট ফটো শুট এইসব নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই তবু দরকার মত আমি যত সম্ভব হেল্প করব। তাতে আমার তোমার দুজনেরই লাভ। আর আমার মনে হয় এই শুটিং এর ব্যাপারটা অফিসের কাজের মত এত বোরিং হবে না।" "আমারও তাই মনে হয়। সমস্যা হল এখনো আমার মাথায় কোন ভাল কন্সেপ্ট নেই এমন ফটো আর ভিডিও করার যা দেখে লোকে আকৃষ্ট হবে। তোমাকে একটা রিকোয়েস্ট করব অনন্যা? তোমার পায়ে পরা জুতোই তো পুরো শুটিং এর মেইন ফোকাস। তাই আমি কি একটু ক্লোসলি তোমার জুতো পরা পা দুটো দেখতে আর জুতোতে টাচ করতে পারি? নাহলে স্ক্রিপ্ট কিছু মাথায় আসছে না। প্লিজ!" অনন্যা হাসিমুখে বলল, " সত্যি সুমনদা! তুমি পারও বটে। বস হয়ে তোমার ইন্টার্নকে রিকোয়েস্ট করছ তার পায়ে পরা জুতোয় হাত দেওয়ার জন্য! রিতাদি দেখলে ১০০% হার্ট এটাক করবে। আমি damn sure!" এই বলে ও বেশ হাসিমুখে ওর জুতো পরা পা দুটো টেবিলের উপরে তুলে দিল গদি মোড়া চেয়ারে হেলান দিয়ে। এখন ওর জুতো পরা পা দুটো টেবিলে ওর উলটো দিকে বসা আমার থেকে ১ ফুট মত দূরে। আমার সব দিবাস্বপ্ন সত্যি হচ্ছে যেন! আমি সামনে ঝুঁকে ওর জুতো পরা পা দুটো দুই হাতে ধরলাম। ওর জুতোর উপর দিক, সাইড, তলা সব জায়গায় হাত বোলাতে লাগলাম আসতে আসতে। সাথে আমার মাথা ওর জুতোর খুব কাছে নিয়ে গিয়ে ক্লোজলি ওর জুতোর তলা দুটোর দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার খুব ইচ্ছা করছিল ওর জুতোর তলায় মুখ ঘসতে। কিন্তু ঠিক কি অজুহাত দিয়ে সেটা করা যায় সেটা ঠিক মাথায় আসছিল না। ঠিক তখন দরজায় নকের শব্দ শুনলাম। " মে আই কাম ইন স্যার?" - গলা শুনে বুঝলাম এটা রিতা। " ইয়েস প্লিজ" বলে আমি অনন্যার জুতো থেকে হাত সরিয়ে দরজার দিকে সামান্য মুখ ঘুরিয়ে বসলাম। কিন্তু অনন্যা টেবিলের উপর থেকে জুতো পরা পা সরানোর কোন লক্ষন দেখাল না। অফিসের বস আমার মুখের সামনে জুতো শুদ্ধু পা তুলে ও বসে আছে এটা দেখে রিতার কি রিএকশান হয় সেই মজা দেখার জন্যই সম্ভবত ও মুখে হালকা হাসি ঝুলিয়ে ওইভাবেই বসে রইল। রিতা দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকে কি একটা বলার জন্য মুখ খুলল, কিন্তু ওর মুখ থেকে কোন শব্দ বেরোল না। ওর চোখ একবার আমার মুখের দিকে আর একবার আমার ঠিক সামনে টেবিলের উপরে রাখা অনন্যার জুতো পরা পায়ের দিকে ঘুরতে লাগল। বিষ্ময়ে ও মুখের হাঁ বন্ধ করতেও ভুলে গেল। আমি ঘাবড়ালাম না। শান্ত গলায় বললাম "কিছু বলবে রিতা?" আমার শান্ত গলার স্বরে রিতা আরো ঘাবড়ে গেল। অনেক কষ্টে " না, মানে স্যার, অনন্যা এইভাবে স্যার... না স্যার.. আমি স্যার বলতে এসেছিলাম ওই ওর মিস্টেকের জন্য... না মানে স্যার... যেই প্রব্লেম টা হয়েছে স্যার..." ও এত অবাক হয়েছে যে কি বলবে সেটা ও গুছিয়ে কিছুতেই বলে উঠতে পারছিল না। ওর অদ্ভুত আচরন দেখে অনন্যা দুহাতে মুখ ঢেকে হাসি চাপার ব্যর্থ চেষ্টা করতে লাগল। আমি বললাম " তুমি বোধহয় কোন কারনে একটু ঘাবড়ে আছ রিতা। একটু টাইম নাও। ৩০ মিনিট বাইরে ঘুরে একটু মাথাটা হালকা করে এসে বলো তুমি কি বলতে চাও, কেমন?" " ওকে স্যার" এই বলে ২৮-২৯ বছর বয়সী এভারেজ লুকিং রিতা আরেকবার করে আমার মুখ আর তার সামনেই টেবিলে রাখা অনন্যার জুতো পরা পায়ের দিকে তাকাল। তারপরে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। ও বেরোতেই অনন্যা মুখ থেকে হাত সরিয়ে হাসিতে ফেটে পরল। " উফ, সুমনদা! বোরিং অফিসে এখন অনেক ইন্টারেস্টিং জিনিস হচ্ছে! রিতাদির মুখটা যা হয়েছিল না! ও যদি দেখত তুমি আমার জুতোর তলায় হাত বোলাচ্ছ তাহলে যে কি হত! আর আমার চাকরির অফার আর স্যালারির অংকটা ওর কানে গেলে এক্ষুনি আমাদের এম্বুলেন্স ডাকতে হত!" আমি হাসতে হাসতে বললাম, " ঠিক বলেছ অনন্যা। আমি ভাবছিলাম এইভাবে ওর চোখের সামনে তোমার জুতো পরা পায়ের উপরে নিজের মাথাটা নামিয়ে দিই। তাহলে ওর রিএকশানটা দেখার মত হত!" এই বলে আমি সুযোগের সদব্যাবহার করে মজার এক্টিং করে অনন্যার কালো কমলা মেশানো স্মিকারের উপরে নিজের মাথা টা নামিয়ে দিলাম।আমার মাথার চুল টাচ করল ওর জুতোর তলায়। বস ওর জুতো পরা পায়ে মাথা রেখেছে! তবু অনন্যা তেমন কোন রিএকশান দেখাল না। বরং হাসতে হাসতে বলল, " ৩০ মিনিট পরে রিতাদি আবার আসবে তো। তখন এটাই করো। দারুন মজা হবে সুমনদা!" আমি ওর কথা শুনে ওর মুখের দিকে তাকানোর জন্য মুখ তুললাম। ফলে ওর জুতোর তলা এবার আমার চুলের বদলে সরাসরি আমার মুখ স্পর্শ করল। পাশাপাশি রাখা ওর দুই জুতোর তলা আমার মুখের দুই পাশ টাচ করে আছে। আমি আর পারলাম না। অনন্যার চোখে চোখ রেখে হালকা করে একবার করে ওর দুই জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করলাম। তারপর গলায় মজা এনে বললাম আর যদি ওর সামনে এইভাবে তোমার জুতোর তলায় কিস করি?" অনন্যা এই বোরিং অফিসে বেশ মজা পাচ্ছিল বুঝতে পারলাম। আমাকে ওর জুতোর তলায় কিস করতে দেখে ও এবারে টেবিলের উপরে বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে বসল। তারপরে ডান জুতোর তলা দিয়ে আমার মুখে পরপর দুবার ট্যাপ করে বলল " দারুন হবে সুমনদা!" তারপরে মুখে একটু কনসার্ন ভাব এনে বলল, " কিন্তু আমার বাইরে পরার জুতো এটা। তলাটা তো খুবই নোংরা হবে। তুমি এটার তলায় কিস করলে, তোমার খারাপ লাগল না?" আমি এবারে ওর দুই জুতোর তলায় আরো দুবার ডিপ কিস করে বললাম, " তোমার মত মেয়ের জুতোর তলায় কিস করতে পারাও ভাগ্যের ব্যাপার অনন্যা!" অনন্যা আমার ওর প্রতি ভক্তি আর ওর প্রশংসা শুনে খুশি মনে বলল, " আমার বাবা থেকে অফিসের এই রিতা সবার মুখে চিরকাল শুনে এলাম আমি কোন কম্মের না! আর তুমি বস হয়ে যেভাবে আমাকে ট্রিট করছ তাতে নিজেকে কিরকম গড গড ফিল হচ্ছে সুমনদা!" আমি আবার ওর দুই জুতোর তলায় একবার করে ডিপ কিস করে বললাম " এর মধ্যে কোনটা তোমার ভাল লাগে?" অবশ্যই তুমি যেভাবে ট্রিট করছ সেটা সুমনদা।" অনন্যা কথাটা বলে আমার মুখে ডান জুতোর তলা দিয়ে হালকা ট্যাপ করল ৩-৪ বার। " থ্যাংক ইউ অনন্যা। সত্যি বলতে তোমার মধ্যে আমি কিরকম একটা গড গড ভাইব পাই অনন্যা। কিরকম একটা সুপিরিওর টাইপ ফিল আসে তোমার প্রতি যেটা আগে আর কখনো কারো প্রতি আসেনি।" এই বলে আমি অনন্যার জুতো পরা পা দুটো দুই হাতে ধরে তার তলায় নিজের মুখটা ঘসতে থাকি। " তুমি পাগল হয়ে যাচ্ছ মনে হয় সুমনদা, তাই আমার মধ্যে ভগবান দেখ। তবে তাতে আমার তো ভালই। রিতাদি এলে এইভাবেই আমার জুতোর তলায় কিস করো আর মুখ ঘসো, কেমন? দারুন মজা হবে!"

Friday, 1 November 2024

কলেজ র‍্যাগিং...

কলেজ র‍্যাগিং... সেটা ২০১৫ সাল। HS দেওয়ার পরের বছর wbjee দিয়ে আমি একটা নতুন প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে B.Tech. করতে ঢুকলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ফ্রেশার হয়ে ঢোকা মানেই ragging! সেই ভয়ে প্রথম দিন ধুকপুক বুক নিয়ে কলেজে গেলাম। যা ভাবা তাই হল। কলেজে ক্লাস কম, র‍্যাগিং বেশি হয়। কলেজটা তার আগের বছরেই শুরু হয়েছে। তাই আমাদের মাত্র একটাই সিনিয়ার ব্যাচ ছিল। তারা কলেজের প্রথম ব্যাচ হওয়ায় তাদের কেউ ragging না করলেও তারা আমাদের মোটেও ছাড় দিচ্ছিল না। কেউ উলটো করে সিগারেট ধরিয়ে ফিল্টারটা টেনে খেতে বলে, কেউ মুখে কাপড় গুঁজে তাই দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ড পরিষ্কার করায় তো কেউ চোখ বন্ধ করে নাচতে বলে। উলটে পরে গিয়ে চোট পেলেও তাদের সে কি হাসি! এক বছরের সিনিয়ার বলে কথা। এসব আনন্দ তাদের প্রাপ্যই বটে! কলেজ শুরুর সপ্তাহ খানেক পরে কলেজ ছুটির একটু আগে ৫ জন সিনিয়ার মিলে আমাদের ৬ জন জুনিয়রকে ডেকে নিয়ে গেল। তাদের মধ্যে ৩ জন ছেলে, ২ জন মেয়ে। মেয়ে দুজনের একজনের নাম রিশা, অন্যজনের নাম সায়নী। রিশা মারাত্মক সুন্দরী, সায়নী মোটামুটি ভাল দেখতে। সায়নী আবার আসলে আমার ব্যাচমেট। আমাদের পাশের স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত ক্লাস ৫ থেকে ১০ এ । আমরা কয়েক বছর প্রাইভেট ব্যাচে একই সাথে পড়েছি। যদিও তখন সরাসরি বেশি কথা বলার সাহস হয়নি। পরে ক্লাস ১১-১২ এ আমরা একই স্কুলে ভর্তি হই। তখন ক্লাসমেট হিসাবে অল্প পরিচয় হয় ওর সাথে, যদিও বন্ধু বলার মত নয়। ৬ জনের মধ্যে প্রথমে অন্য ৩ জনকে নিয়ে ওরা ঘরে ঢুকল। আমরা বাইরে অপেক্ষা করতে লাগলাম দুরুদুরু বুকে। প্রায় ২৫-৩০ মিনিট পরে ওরা বেরিয়ে মাথা নিচু করে চলে গেল। এবার ভিতরে ডাক পরল আমাদের। আমরা ঢুকতে প্রথমে শুরু হল ভার্বাল ragging। বিভিন্ন উল্টো পালটা প্রশ্ন, আর তার জবাবে ওদের খ্যাক খ্যাক হাসি। এই পর্ব শেষ হতে শুরু হল ragging এর শেষ পর্ব। প্রত্যেককে কয়েকটা করে অপশান দেওয়া হল। যে কোন একটা বেছে নিয়ে সবাইকে করতে হবে। সিনিয়ারের সবাই একটা করে অপশান দিতে লাগল। ছেলেদের ৩ জন দিল টানা ৫ টা সিগারেট খাওয়া, সবার সামনে এক অন্যের নুনু বার করে টানা ৫ মিনিট নাড়িয়ে দেওয়া, বা সিনিয়ার দিদিদের ( মানে রিশা বা সায়নীকে) মোট ৫ বার লিপ কিস করা! একজন সিনিয়ার ছেলে লাস্টের অপশান টা দেওয়ার পরেই বলল অবশ্য প্রথম বার লিপ কিস করতে যাওয়ার পরে রিশা বা সায়নী যে রিএকশান দেখাবে তার দায় আমাদের না। এই বলে হো হো করে হাসতে শুরু করল ৩ টে ছেলে। সায়নী আর রিশাও মুখ টিপে হাসতে শুরু করল। রিশা বলল আমাদের লিপে কিস না করে আমাদের শু তে করার চেষ্টা করতে পারিস তোরা। তাতে খুব খারাপ কোন রিএকশান দেখাব না আমরা। প্রমিস! সায়নী বলল তবে শু কিস বাছলে টানা ৫ মিনিট ধরে শু কিস করতে হবে। থামলে কিন্তু শরীরের যেকোন অংশে যত খুশি চড় লাথি পরবে। আমাদের হিউমিলিয়েট করার আনন্দে আমার সমবয়সী সিনিয়ারেরা আবার দাঁত বার করে হাসতে লাগল। ওদের হাসি থামলে রিশা বলল, " বল, তোরা কে কোনটা বাছবি?" প্রতুল ছেলেটা ভয়ানক নেশাখোর। তাই ওর কাছে চয়েশ টা সহজ ছিল। নিজের ব্যাগ থেকে সিগারেটের প্যাক বার করে পরপর ৫ টা সিগারেট একটানা ফুঁকে দিল। ওর ফোঁকা শেষ হতেই মলয় নিজের জামা প্যান্ট খোলা শুরু করে দিল। তারপরে শুধু জাঙিয়া পরে মোট ৫ টা ছেলে আর ২ টো মেয়ের সামনে সে কি নাচ! সিনিয়ার ছেলেগুলো তো বটেই, রিশা আর সায়নীও তাই দেখে হেসে পুরো অস্থির! এর পরে আমার পালা। সায়নী আমার দিকে চোখ পাকিয়ে বলল " কি রে অলোক? তুই কোনটা বাছলি?" আমি আমার প্রাক্তন ক্লাসমেট, বর্তমান সিনিয়ারের প্রশ্নর কি জবাব দেব বুঝতে পারলাম না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলাম। ও এসে আমার কানের পাতায় দুটো টোকা দিয়ে বলল, " কলেজ ছুটির সময় হয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি বাছ।" ইমন নামে সিনিয়ার ছেলেটা মেয়েদের সামনে হিরো সেজে বলল, " ঠিক ১ মিনিট সময় দিলাম তোকে। কিছু না বললে তোর মোবাইলটা নিয়ে ঘরের দরজা লক করে চলে যাব। কাল পরশু শনি- রবিবার, ছুটি। তাই ভেবে দেখ কি করবি!" ভয়ে আমার বুক ধক করে উঠল। প্রায় ৩ দিন খাবার- জল ছাড়া ঘরে বন্দি থাকলে বেঁচে থাকব কিনা সন্দেহ। অথচ যা সব জিনিস করতে বলছে কোনটাই করা সম্ভব নয়। আমি চিরকাল খুব ইন্ট্রোভার্ট পড়ুয়া ভাল ছেলে গোছের মানুষ। তাই ৫ মিনিট শুধু বারমুডা পরে মেয়েদের সামনে নাচাও অসম্ভব আমার পক্ষে, কারো নুনু বার করে ৫ মিনিট নাড়িয়ে দেওয়া তো অসম্ভবেরও উপরে। জীবনে কখনো সিগারেট খাইনি, একটানা ৫ টা সিগারেট কি করে খাব? সিনিয়ার মেয়েদের লিপ কিস করতে গেলে ভাগ্যে কি আছে বলাই বাহুল্য! তবে আরেকটা যেটা অপশান আছে সেটা অপমান জনক হলেও করা সম্ভব! ইমন গোনা শুরু করেছে, ৫..৪..৩..২...১...০! তোর সুযোগ শেষ। এবার এখানেই সারারাত কাটা তুই! ইমন কথাটা শেষ করতেই সায়নী নিজের কালো চামড়ার বুট পরা পা টা বাড়িয়ে দিয়ে বলল, " তোকে শেষ ৩০ সেকেন্ড দিলাম। এসে আমার বুটে কিস করতে শুরু করলে তোর প্রানটা এ যাত্রায় বেঁচে যাবে। অবশ্য অন্য অপশানের যেকোন একটাই নিতে পারিস। কিন্তু সময় এইটুকুই।" আমাকে আর কিছু বলতে হল না। আমি সোজা কলের পুতুলের মত এগিয়ে এসে সায়নীর সামনে হাঁটুগেড়ে বসলাম। তারপরে নিজের ঠোঁট জোড়া নামিয়ে দিলাম ওর বুটের উপরে। ওর মুখের দিকে তাকানোর সাহস হল না। শুধু ওর বুট জোড়া চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম আরো ৬ জন দর্শকের সামনে। সায়নী বলল, " তোর জন্য ম্যাথের ব্যাচে একবারও হায়েস্ট পাওয়া হয়নি আমার। সব সময় তোকে math exam পারফেক্ট দিতেই হত, তাই না? এবারে আরো পারফেক্টলি আমার বুটে কিস করতে থাক। এটাই মানায় তোকে!" আমি বুঝলাম এই জন্য হয়ত ওর আমার উপরে বেশ রাগ! আমরা দুজনেই সব সাব্জেক্টের মধ্যে শুধু ম্যাথেই বেশি ভাল ছিলাম। আর সেই সাব্জেক্টের কম্পিটিশানে ব্যাচে তো বটেই, ১১-১২ এ একই কোয়েড স্কুলে পড়ায় স্কুলেও ও সবসময় আমার কাছে হেরেছে। আর আজ ভাগ্যের জোরে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ও আমার এক বছরের সিনিয়ার, ও আমাকে তুই বলে ডেকে হেও করে, আর আমাকে ওকে আপনি আর ম্যাডাম বলে ডেকে সম্মান দিতে হয়। অন্য সিনিয়রেরা তুমিতে সন্তুষ্ট হলেও আমার ক্লাসমেট সায়নী তার উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম! আমি আমার প্রাক্তন ক্লাসমেট বর্তমান সিনিয়ার সায়নীর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পায়ে পরা বুট জুতো দুটো চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম। আমি বুঝতে পারলাম এই কাজটা করতে আমার যতটা লজ্জা লাগছে তার চেয়ে ভাললাগা বহুগুন বেশি কাজ করছে। আমার পুরো পরিস্থিতিটাকে ragging বলে মনে হচ্ছে না, মনে হচ্ছে যেন এটাই স্বাভাবিক! আমার চোখে বরং এর আগে স্কুলে আমার ওকে তুই করে ডাকা বা সমান নজরে দেখার চেষ্টাটাকেই অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। আমি ওর মত মেয়েকে আপনি আর ম্যাডাম করে ডেকে সবার সামনে ওর বুটে কিস করব এটাই তো স্বাভাবিক! আমি টানা মিনিট ২ ওর দুই বুটে একটানা পাগলের মত কিস করে যেতে লাগলাম। কে কি ভাবছে, এরপরে কলেজে সবাই এই নিয়ে হাসাহাসি করবে কিনা এসব কিছুই আমার মাথায় চলছিল না। শুধু ভাবছিলাম, সায়নী আমার থেকে এরকম রেস্পেটই ডিজার্ভ করে। ২ মিনিট পরে রিশাও এবার ওর সাদা স্নিকার্স পরা ডান পা টা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, " নে, আবার জুতোকেও একটু ভালবাস এবার!" আমি একই রকম ভক্তির সাথে রিশাদির দুই জুতোর উপরেও চুম্বন করতে লাগলাম। রিশাও অবশ্য আমার আর সায়নীরই ব্যাচমেট, মানে আমার সমবয়সী সিনিয়ার। আমি তার পায়ে পরা জুতো জোড়াকেও একই রকম ভক্তিভরে চুম্বন করে তার প্রতি আমার ভক্তি দেখাতে লাগলাম। মিনিট খানেক পরে রিশা ওর ডান জুতো পরা পা টা আমার মাথার উপরে তুলে দিয়ে বলল, " বাহ, তুই তো দেখছি খুউউব ভাল ছেলে! সবচেয়ে ভাল অপশানটা তুইই বেছেছিস। তুই তোর ব্যাচের এইসব খারাপ ছেলের সাথে মিশবি না। আমাদের পিছু পিছু ঘুরবি আর আমরা যা বলব তাই করবি। আমাদের জুতোয় যখন এইভাবে কিস করছিস, তখন তোকে দিয়ে অনেক কিছুই করিয়ে নেওয়া যাবে। আমাদের কাজেও লাগবি, আবার ফুর্তিও হবে।" " ঠিক আছে রিশাদি, তোমরা যা বলবে তাই করব।" এই বলে আমি রিশার বাঁ জুতোটা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম। সায়নী ততক্ষনে আমার ডান দিকের বেঞ্চটায় বসে পরে ওর বুট পরা পা দুটো আমার পিঠের উপরে তুলে দিয়েছে। সায়নীর কালো বুট পরা পা দুটো আমার পিঠের উপরে, আর রিশার সাদা স্নিকার্স পরা ডান পা আমার মাথার উপরে। আর সেই অবস্থায় আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মত রিশার বাঁ স্নিকারের উপরে চুমুর পর চুমু খেয়ে চলেছি। সায়নী বুট পরা ডান পায়ে আমার পিঠে একটা লাথি মেরে বলল, "এবারে আমার বুটের তলায় চুমু খা দেখি।" আমি সাথে সাথে ওর দিকে ঘুরে বসে ওর জুতো পরা পা দুটো মুখের উপরে তুলে নিলাম। তারপরে জুতোর তলা দুটো ১৫-২০ সেকেন্ড নিজের মুখে ঘসে ওর জুতোর তলায় একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম। বিমল নামে এক সিনিয়ার বলল, " তুই মানুষ না সায়নীর পোষা কুকুর বোঝা যাচ্ছে না!" আমি রাগার বদলে এই কথা শুনে মনে মনে খুশি হয়ে আরো ভক্তিভরে সায়নীর জুতোর তলায় চুম্বন করতে লাগলাম।" শিলাজিত বলে আরেক সিনিয়ার বলল, " আমাদের জুতোই বা বাকি থাকে কেন? এগুলোর উপরেও কুকুরের মত চুমু খেয়ে দেখা!" সায়নী বলল, " তোরা যখন অপশান দিয়েছিলি তখন তো জুতোর কথা মাথায় আসে নি, ঠোঁটের কথাই এসেছিল। তখন অপশান দিয়েছিলি শুধু মেয়েদের ঠোঁট! জুতোর অপশানটা রিশার মাথায় এলেও তাই সেটা শুধু মেয়েদের জুতোই হওয়া উচিত না?" আমি সায়নীর দুই বুটের তলায় চুমুর পর চুমু খেতে খেতে শুনি, ইমন বলল " সব মজা শুধু তোরাই নিবি তাহলে?" রিশা তাই শুনে বলল, " তা কেন? তোরা যদি চাস অলোক আমাদের শু কিস করার পরে তোদের লিপে টানা ৫ বার কিস করবে, তাতে আমাদের কোন সমস্যা নেই!" সায়নী বলল, " আর তুই চাইলে তুই সরাসরিও আমাদের জুতোয় চুমু খেয়ে মজা নিতে পারিস!" আমি বুঝলাম ক্লাসমেট ছেলেদের ডমিনেট করে মজা নেওয়াটা সায়নীর রক্তে আছে, যা আমার ওর প্রতি ভক্তি আরো বাড়িয়ে দিল। ইমন নিজের ক্লাসমেট মেয়েদের হাতেই মিনি র‍্যাগড হয়ে শেষে বলল, " ওকে,থাক! আর টাইম শেষ।" আমি নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই উঠে দাঁড়াতে বাধ্য হলাম। রিশার জুতোর তলায় আর চুমু খাওয়া হল না সময়ের অভাবে।

Tuesday, 1 October 2024

মানসী

মানসী... আবার ইনবক্সে শেয়ার করা একজন পাঠকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা গল্প শেয়ার করছি । আমি অরুন। বয়স ৩১। পেশায় একজন ফিজিওথেরাপিস্ট। কলকাতা শহরতলীতে নিজের প্রাইভেট চেম্বারে বসে ফিজিওথেরাপি করি + কিছু নার্সিং হোমে গিয়েও করি। খুব সাদামাটা কেরিয়ার বা রোজগার। আমি সোম থেকে শনি সকালে ২.৫ ঘন্টা আর বিকালে ২.৫ ঘন্টা চেম্বারে বসি। বিকালের সময় ৫.৩০ টা থেকে ৮ টা। আজ থেকে মাস ৬-৭ আগে সন্ধ্যাবেলা ৭.৩০ টা নাগাদ একজন কম বয়সী মেয়ে চেম্বারে আসে। নাম মানসী , বয়স ১৯। তখন আমার চেম্বারে অন্য কোন পেশেন্ট নেই। ও বলে ও কলেজ স্টুডেন্ট + ড্যান্সার। একটা ড্যান্স পারফর্ম করতে গিয়ে ব্যালেন্স হারিয়ে পরে গিয়ে ওর পায়ে লেগেছে। ডান্সের স্টান্টে ছিল ও একটা ছেলের পিঠ থেকে লাফিয়ে আরেকজনের কাঁধে উঠবে। তারপরে ফ্লিপ জাম্প করে নিচে লাফিয়ে নেমে ডান্স পারফর্ম শেষ করবে। এই লাফিয়ে নামার সময়ে স্লিপ করে গিয়ে ও নামাটা ঠিক করতে পারে নি। চোট লেগেছে ওর বাঁ হাঁটুতে + বাঁ গোড়ালিতে। ও হাড়ের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল। সে X-ray করে দেখেছে কোথাও ভাঙেনি। এখন তাকে MRI করতে বলেছে লিগামেন্টে কোন চোট আছে কিনা দেখতে। কিন্তু মেয়েটির কাছে অত টাকা নেই। তাই সে দেখতে চায় ফিজিওথেরাপি করে কমে কিনা। আমি মেয়েটিকে বেডে শুতে বলি। মেয়েটি শোয়। ওর পরনে ছিল টপ-জিন্স আর পায়ে মোজা ও স্নিকার্স। মেয়েটি একবারও জিজ্ঞাসা না করে জুতো পরেই শুয়ে পরে সেটা আমার ভীষণ ভাল লাগে। আমি পরীক্ষা করে দেখি। মানসী একটু খুঁড়িয়ে হাটছিল। আমি পরীক্ষা করে দেখি ওর হাঁটু পুরো ভাঁজ হচ্ছে না। আমার মনে হয় ওর একমাস মত টানা ফিজিওথেরাপি দরকার। আর চোট সম্পুর্ন সেরে পুরো ঠিক হতে ( আবার ডান্স করার মত) ৩ থেকে ৬ মাস লাগতে পারে। আমি মেয়েটির পায়ের কাফ ধরে কিছু passive exercise করাই। রে দিই। এরপরে আসি তার গোড়ালির চিকিতসায়। তার জন্য স্বভাবতই আমি ওর পায়ের কাছে গিয়ে চেয়ারে বসি। তারপরে ডান হাত দিয়ে ওর জুতোর তলাটা স্পর্শ করি। বাঁ হাত রাখি ওর জুতোর উপরে। দুই হাত দিয়ে আমার চেয়ে প্রায় বছর ১২ এর ছোট এই সুন্দরী মেয়েটির জুতো পরা পা ধরতে কি অদ্ভুত ভাল ফিল হতে থাকে আমার, সে যতই ওর চিকিতসার জন্য ধরি না কেন। আমি প্রয়োজনের চেয়ে অনেকটা বেশি সময় ধরে ওর জুতো পরা পা দুই হাতে ধরে ওর গোড়ালির ব্যায়াম করাই। তারপরে বলি, " গোড়ালির এক্সারসাইজ শুধু একপায়ে করলে সমস্যা হতে পারে। অন্য পায়ে করিয়ে দিই?" " ও হাসিমুখে বলে "শিওর।" আমি দুইহাত দিয়ে মানসীর জুতো পরা ডান পা টা ধরি এবার। এক হাত ওর জুতোর তলায়, আরেক হাত জুতোর উপরে। সময় নিয়ে অনেকক্ষন ধরে এই পায়েরও ব্যায়াম করিয়ে দিই। যদিও এই পায়ে সেটা অপ্রয়োজনীয় জানি, তবু ক্ষতি তো কিছু নেই। ব্যায়াম করাতে করাতে এভাবে ওর জুতোর তলায় হাত বোলাতে থাকি যাতে জুতোর তলায় একটুও ময়লা না থাকে। ব্যায়াম করানো শেষ হতে ও আমার চার্জ জিজ্ঞাসা করে। আমি " কিছু দিতে হবে না" বলতে চাইলেও একটা অপরিচিত মেয়েকে সেটা বলা যায় না ভেবে অনেক কমিয়ে বলি। তারপরে বলি তোমার পায়ের যা অবস্থা তাতে কিন্তু টানা একমাস তোমার এই রুটিন দরকার। আর ড্যান্স শুরু করতে মিনিমাম তিনমাস। মানসী বলে "একমাস ফি দেওয়ার মত টাকা আমার কাছে নেই। আমার বাড়ির লোকেরা চায় না যে আমি western dance করি। তাই চোট লেগেছে জেনেও বাবা পুরো চিকিতসার টাকা দিতে চাইছে না। আমি আর ২ দিন আসব। তারমধ্যে তুমি আমাকে exercise গুলো শিখিয়ে দিও কেমন?" কি সাবলীল ভাবে আমাকে তুমি করে বলল এই ছোট মেয়েটা! আমি বলি " সে তো দিতেই পারি। কিন্তু তোমার হাঁটুতে মিনিমাম ২ সপ্তাহ রে দিয়ে ট্রিটমেন্ট খুবই দরকার। মানসী কয়েক সেকেন্ড মাথা নিচু করে কি যেন ভাবে। তারপরে দু:খ ভরা মুখে বলে, " sorry! আমি afford করতে পারব না।" আমি বলি " নো টেনশান। দিতে না পারলে ফিজ নেব না। কিন্তু তাই বলে তুমি আরো অনেকদিন খুঁড়িয়ে হাঁটবে বা চাইলেও কোনদিন ড্যান্স করতে পারবে না এটা হতে পারে না।" মানসী মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলে " thank you দাদা", এই বলে নিজের পার্স থেকে বার করা ফিজের টাকাটা আমার দিকে বাড়িয়েও আবার কি ভেবে যেন ফেরত নিয়ে বলে " থাক তাহলে। আজ যাই। কাল কখন আসব? এই সময়েই?" আমি বলি " হ্যাঁ। ৭.৩০ টার দিকে এসো।" " ওক্কে। আর এখন ফিজ না দিলেও পরে যখন ইনকাম করব তখন পুরো টাকা পে করে যাব। সো, নো টেনশান! বাই।" আমি অবাক চোখে দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া মানসীর দিকে তাকিয়ে থাকি। হয়ত ডান্স করা এ যুগের ওভার স্মার্ট টিনেজাররা এরকমই ওভার ফ্রেন্ডলি হয়! সেই জন্যই প্রফেশনাল জায়গাতে এসেও ওর বিহেভ এরকমই। জিনিসটা অদ্ভুত, কিন্তু আমার যে খুব ভাল লেগেছে সন্দেহ নেই। ও চলে যেতে আমি নিজের হাতের তালুর দিকে তাকাই। দুই হাতের তালুই ওর জুতোর তলার ময়লা লেগে ভর্তি হয়ে আছে। আমি পাগলের মত তার উপরে চুম্বন করতে থাকি। তারপরে বাঁ হাতের ময়লাটা মুখে ঘসতে ঘসতে ডান হাতের ময়লাটা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে থাকি। মেয়েটির পুরো নাম আর বয়স ওর প্রেস্ক্রিপশানে দেখেছিলাম। একটু ঘেঁটে you tube e ওর dance channel এর খোঁজ পেয়ে গেলাম। এখনো খুব ফেমাস হয়নি, ১৫ হাজার মত সাবস্ক্রাইবার। কিন্তু ও যে dance academy তে পারফর্ম করে তাদের ৩ লাখের উপর সাবস্ক্রাইবার আছে। ওদের পারফরমেন্স ভাল। মেয়েটারও। এরকম একটা মেয়েকে ফ্রি তে হেল্প করতে পারব ভেবে কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগতে লাগল আমার। আমি মেয়েটির ডান্স দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই ভিডিও pause করে ওর জুতোর উপরে একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম ওকে প্রভু বলে সম্বোধন করতে করতে। পরের ২-৩ দিনে মেয়েটির সাথে আমি আরো বেশি স্বচ্ছন্দ হয়ে গেলাম আমি। মানসী আসত সন্ধায় ৭.৩০ টার দিকে। আমি প্রথমে ওর হাঁটুর ব্যায়াম করিয়ে রে দিতাম। তারপরে ওর দুই পায়ের গোড়ালির ব্যায়াম। দুই হাত দিয়ে ওর জুতো পরা পা ধরে আস্তে আস্তে ব্যায়াম করাতাম। সাথে মাঝে মাঝেই ওর জুতোর তলায় হাত বোলাতাম। ও মাঝে মাঝে আমার ব্যায়াম করানো দেখত। কখনো বা মোবাইল খুলে কিছু দেখত বা কারো সাথে কথা বলত বা গান শুনত। আমি আমার এই টিন এজ পেশেন্টকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই সময় দিতাম। গড়ে রোজ অন্তত ৪৫ মিনিট। তার মধ্যে অন্তত ২০ মিনিট ওর জুতো পরা পা দুই হাতে ধরে ব্যায়াম করানো আর জুতোর তলায় হাত বোলানো! উফ, আমার কাছে যেন স্বর্গ সুখ মনে হত পুরো সময়টা। রবিবার আমার চেম্বার বন্ধ থাকে। কিন্তু ওর আসার ৫ দিনের মাথায় প্রথম রবিবার সন্ধ্যা ৭ টার পরে এসে চেম্বার খুললাম শুধু ওকে দেখতে পারব, ওকে সাহায্য করতে পারব, ওর জুতো পরা পা দুই হাতে ধরতে পারব বলে। এদিন আরো সাহস করে আমি ওর গোড়ালির ব্যায়াম করানোর সময়ে ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পরলাম। বেডের হাইট এমন যে আমি ঝুঁকে বসলে ওর পা বেড থেকে বেরিয়ে ঠিক আমার কাঁধের হাইটে পরবে। ও যেভাবে শুয়েছিল তাতে ওর পা বেড থেকে ৬ ইঞ্চি মত বেরিয়ে। আমি দুই হাতে ওর জুতো পরা পা ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্যায়াম করাতে লাগলাম। আমাকে মেঝেতে বসতে দেখেও মানসী কোন মন্তব্য করল না। আমি এভাবে ১০ মিনিট ব্যায়াম করিয়ে বললাম " মেঝেতে বসলেই ব্যায়াম করাতে সুবিধা হচ্ছে। পারফেক্ট হাইট। পারফেক্ট পজিশান। " আমাকে অবাক করে মানসী হাসি মুখে জিজ্ঞাসা করল গোড়ালির ব্যায়াম করাতে হলে সব পেশেন্ট এর জন্যই তুমি এভাবে তাদের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে ব্যায়াম করাও নাকি?" " না। আর কাউকে জুতো পরা পায়ে এক্সারসাইজ নিতে বেডে বসতেও এলাউ করি না। ফ্রি তেও এক্সারসাইজ করাই না। " " তাহলে আমি স্পেশাল?" " অবশ্যই। তোমার কেসটা আলাদা। আমি শুধু চাই তুমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাও। তার জন্য যা করতে হয় করব। আর তুমি আমার থেকে অনেক ছোট। তোমার পায়ের কাছে বসতে লজ্জা নেই। বরং তুমি যদি পা টা আমার কাঁধে টাচ করিয়ে রাখ তাহলে এক্সারসাইজ করাতে সুবিধা হয়।" " শিওর, নো প্রব্লেম!" এই বলে মানসী ওর জুতো পরা দুটো পাই আমার কাঁধের উপরে তুলে দিল। আমি আমার কাঁধে রাখা দুটো পা পালা করে দুই হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্যায়াম করাতে লাগলাম। মানসী বলল, " আমি জানি এভাবে কারো কাঁধে পা রাখতে বেশিরভাগ মেয়েরই অস্বস্তি হবে। আমার হয় না। হয়ত এগুলো সবই ড্যান্সের কমোন স্টেপ বলে। যেদিন পায়ে চোট লাগল সেদিনও তো একটা ছেলের পিঠে লাফিয়ে উঠে সেখান থেকে আরেকজনের কাঁধে লাফিয়ে উঠলাম। আমার জুতো পরা দুই পাই ওর কাঁধে। শুধু ছেলেটা বোধহয় একটু নড়ে গিয়েছিল বলে আমি ভল্ট খেয়ে নামার সময় ব্যালেন্স হারিয়ে আজ এই অবস্থা। কিন্তু কাঁধে পা রাখা আমার কাছে তাই কোন ব্যাপার না। এমনকি জুতো পরা পায়ে মাথায় উঠেও এক পায়ে দাঁড়িয়ে পোজ দিয়ে ডান্স শেষ করেছি আগে।" আমি বললাম "ভাবলে এগুলো বড় ব্যাপার। না ভাবলে কিছুই না। তবে এটা ঠিক জুতো পরা পায়ে অন্যের মাথায় উঠে দাঁড়িয়ে থাকা সবাইকে মানায় না। তোমাকে মানায়।" মানসী মুচকি হেসে বলল, " আমি তো ফ্রি তে ট্রিটমেন্ট নিচ্ছি। এক পয়সাও ঠেকাচ্ছি না। তাও এত তেল দিচ্ছ যে আমায়? ব্যাপার কি?" আমি মানসীর জুতো পরা পা দুটো কাঁধ থেকে নিয়ে কয়েক ইঞ্চি পিছনে গিয়ে বসি। এখন ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের ঠিক সামনে। একসাথে দুই পা দুই হাতে ধরে পায়ের টো য়ের দিক আমি সামনে পিছনে করতে করতে বলি " অনেকে হয়ত এটাকে তেল দেওয়া ভাবতে পারে। কিন্তু তা নয়। আমি সত্যি যা তাই বলছি। কারও মাথায় জুতো পরা পা রেখে দাঁড়ানোর মত পজিশানে তোমাকে সত্যিই মানায়।" আমি কথাটা বলতে বলতে মানসীর জুতো পরা পায়ের টো দুটো ধরে পা flexon আর extension করতে থাকি। টো ফ্লেক্স করলে ওর জুতোর তলার টোয়ের দিকটা আমার মাথার চুল আর কপালের সন্ধিস্থল স্পর্শ করতে থাকে।" মানসী হাসিমুখে বলে " বলতে থাক। আরেকটু নিজের প্রশংসা শুনি।" আমি বলি " প্রশংসা কিনা জানি না, তবে এটাই সত্যি। তোমাকে এই পজিশানে সত্যিই মানায়। এই দেখ।" এই বলে দুই হাতে মানসীর জুতো পরা পা দুটো সামান্য তুলে নিজের মাথার উপরে রাখি। আমার কপালটা তখন আলতো করে বেডের সাইডে টাচ করে রাখা। আর মানসীর সাদা স্নিকার পরা পায়ের সোল দুটো রাখা আমার মাথার ঠিক মাঝ খানে। এরকম পজিশানে ২০ সেকেন্ড মত থাকার পরে আমি আস্তে আস্তে মাথা উঁচু করে মানসীর দিকে তাকাতে যাই। ফলে ওর জুতোর সোল দুটো আমার মাথার মাঝখান থেকে ধীরে ধীরে কপালের দিকে আসতে থাকে। ওর জুতোর সোল দুটো আমার কপাল আর চুলের সংযোগস্থলে আসার পরে আমি আস্তে আস্তে ঝুঁকে বসা থেকে সোজা হই। আমার মাথার হাইট বাড়ার ফলে মানসী কমফর্টের জন্য হয়ত নিজের পা টা একটু নিচু করার চেষ্টা করে। ফলে ওর জুতোর তলা দুটো আমার মাথা থেকে কপাল হয়ে সারা মুখে ঘসা খেয়ে একটু নেমে আসে। তারপরে যেখানে এসে ওর পা দুটো থামে তাতে ওর দুই পায়ের টো দুটো ঠিক আমার কপালে লেগে। আর পায়ের হিল দুটো আমার চিবুকের দুই পাশে। আমার ঠোঁট, নাক, কপাল সব ওর জুতোর তলা স্পর্শ করে আছে। মানসী এতে একটুও ঘাবড়ায় না। বরং আলতো করে আমার মুখে দুবার জুতোর সোল দিয়ে ট্যাপ করে বলে " শুধু মাথার উপরে জুতো পরা পা রাখলে মানায়? নাকি এভাবে মুখের উপরে রাখলেও মানায়?" আমি ততক্ষনে সম্পুর্ন অভিভুত, নিজেকে সম্পূর্নভাবে সঁপে দিয়েছি এই ১২ বছরের ছোট ফর্শা সুন্দরী মেয়েটির জুতোর তলায়। আমি দুই হাতে মানসীর জুতো পরা পা দুটো নিজের মুখের সাথে চেপে ধরে দুই জুতোর তলায় পরপর দুটো গাঢ় চুম্বন করে বলি " এই পজিশানেও তোমাকে খুব মানায় মানসী। সত্যি বলছি। তবে তোমার জুতোর নিচে এভাবে স্থান পাওয়ার যোগ্যতা সবার থাকেনা। আমার আছে কিনা তাও জানি না।" মানসী হেসে আরো দুইবার আমার মুখে জুতোর সোল দিয়ে ট্যাপ করে বলে " আমি এটুকু জানি যে আমি রোজগার করলেও তোর ফিজ আর দিচ্ছি না। আমি টের পাচ্ছি এভাবে আমার সাথে সময় কাটানো তুই ভীষণ এঞ্জয় করিস। এটাই তোর ফি।" " আমি মানসীর দুই জুতোর তলায় পরপর বেশ কয়েকটা চুম্বন করে বলি " thank you madam".