Monday, 1 September 2025
ইমন
ইমন....
মেয়েটির নাম ইপ্সিতা, বয়স ২৫। bestfriend এর সাথে তার casual physical relation ছিল। আর ৩১ বছরের ইমনের ছিল ফেমডমে আসক্তি। কোন মেয়ে ডমিনেটিং হলে বা কোন মেয়ের জুতোর নিচে নিজেকে সঁপে দেওয়ার সুযোগ হলে কোন আত্মনিয়ন্ত্রন কাজ করত না তার।
দুজনের বাড়ির লোকের ইচ্ছায় arrange marriage হয়ে গেল তাদের। কেউই অপরকে তাদের এই গোপন ইচ্ছা ও সম্পর্কের কথা জানাল না।
বিয়ের রিসেপশানের পরদিনই দুজনে হানিমুনের উদ্দেশ্যে কোলকাতা থেকে দার্জিলিং এর উদ্দেশ্যে রওনা দিল via শিলিগুড়ি। রাতে স্লিপার বাসে লোয়ার বার্থে পাশাপাশি সিট পেল নববিবাহিত স্বামী স্ত্রী। কি কথা বলবে,,কিভাবে বউকে ছোঁবে এই নিয়ে একরাশ চিন্তা ইমনের মাথায় ঘুরছিল। ইপ্সিতাও তার কাছে সহজ হতে পারছিল না, তার মাথায় ঘুরছিল bestfriend শতানিকের আদর!
বাস কলকাতা এয়ারপোর্ট ছাড়িয়ে মধ্যমগ্রামে এসে পৌছালে এক মহিলা তার দুই মেয়েকে নিয়ে উঠল। দুই মেয়ের সিট পরেছে ইমনদের ঠিক উপরে, ডান দিকের আপার বার্থে। আর মহিলার সিট তার দুই মেয়ের বাঁ দিকে, অর্থাৎ বাঁ দিকের আপার বার্থে।
মহিলার বয়স দেখে ৩৫ এর কমই মনে হয়, অথচ তার দুই মেয়ের বয়স ১৪-১৫ আর ১১-১২ মত!
ইমন বউকে এড়িয়ে আড়চোখে ওদের দিকে তাকাল। সময়টা শীতকাল, তার উপরে এরাও হয়ত তাদের মতই দার্জিলিং যাচ্ছে। ফলে ৩ জনেরই পরনে জ্যাকেট, জিন্স, মাথায় টুপি। তিনজনের পায়েই স্নিকার্স পরা।
সিটের পর্দা প্রায় পুরোটাই সরিয়ে ওদের উঠতে দেখছিল ইমন। সেটা বুঝেও মহিলা নরম হেসে "হাই" বলল ওকে। ইমন ওর জন্য প্রস্তুত ছিল না। নার্ভাস হেসে " হাই" বলল কোন রকমে।
" আমার দুই মেয়ের সিট তোমাদের ঠিক উপরের বার্থে। ছোট মেয়ের হয়ত উঠতে নামতে একটু সমস্যা হতে পারে, if you don't mind, একটু হেল্প করবে ওকে?" মিষ্টি হেসে মহিলা বলল।
এই মহিলা আর তার দুই মেয়েই ফর্শা, বেশ সুন্দরী। আর তার ঠিক উপরের বার্থ, উঠতে নামতে সমস্যা মানে ওদের নিজের কাঁধ অফার করা যায় পা রাখার জন্য! ইমনের বুক উত্তেজনায় ধুকপুক করে উঠল!
" শিওর ম্যাডাম। ওরা ছোট। ওদের হেল্প করা তো আমার কর্তব্য! নার্ভাস হলেও কথার ছলে ইমন ১৪-১৫ বছরের মেয়েটিকেও বাচ্চার কাতারেই ফেলে দিল। ওর এখন ৩১ চলছে, সেই হিসাবে ওরা দুই বোন বাচ্চাই বটে!
মহিলা আবার মিষ্টি হেসে বলল, " thank you, আমি সুমনা। ওরা আমার দুই মেয়ে, বড় রিশা, আর ছোট দিশা। তোমার নাম?"
" আমি ইমন, আমার স্ত্রী ইপ্সিতাকে নিয়ে দার্জিলিং যাচ্ছি।"
" ওয়াহ গ্রেট! আমরাও দার্জিলিং যাচ্ছি।" এই বলে ইমনের পাশে জানালা ঘেসে শোওয়া ইপ্সিতার দিকে তাকিয়ে বলল " তোমার স্ত্রী বোধহয় ঘুমিয়ে পরেছে।"
" ইমন স্ত্রীয়ের দিকে একবার তাকিয়ে ওর চোখ বন্ধ দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে বলল, " তাই মনে হচ্ছে। আসলে কালই আমাদের বিয়ের রিসেপশান ছিল। হয়ত খুব ক্লান্ত বোধ করছে, তাই।"
" no problem, let her sleep!" এই বলে সুমনা নিজের দিকের সিঁড়ি বেয়ে নিজের বার্থে উঠতে উঠতে ছোট মেয়েকে বলল, " এই দেখ, এই ভাবে উপরে উঠবি।"
ইমন এই সহজ সুযোগ ছাড়ল না। দিশাকে বলল, " তুমি সিঁড়িটা ধরে নিচের সিঁড়িটায় একটা পা রাখ। তারপরে আমার কাঁধে পা রেখে উপরে উঠে যাও। দেখবে এক দুবার উঠলেই ভয় চলে যাবে।"
দিশা খুব সহজ ভাবে ওর মায়ের মতই স্নিকার পরা পায়ে সিঁড়িতে বাঁ পা রাখল। তারপরে জুতো পরা ডান পা তুলে দিল সিঁড়ির ঠিক পাশে বসা ইমনের বাঁ কাঁধে। তারপর জুতো পরা বাঁ পা টা ইমনের ডান কাঁধে।
বউয়ের ঠিক পাশে বসে থাকায় ইমনের বুক উত্তেজনায় ধুকপুক করতে লাগল।
তবু সে যতটা সম্ভব সহজ করে দিশাকে বলল " ভয় নেই দিশা। সিঁড়ি থেকে প্রথমে ডান হাতে তোমাদের সিটের উপরে রাখ, তারপরে বাঁ হাত। তারপরে হাতে একটু ভর দিয়ে উপরে উঠে যাও। একবারে বেশি উঁচু উঠতে হচ্ছে মনে হলে একটা পা আমার মাথার উপরেও রাখতে পার। কিচ্ছু হবে না।"
এরকম অদ্ভুত প্রস্তাবে সুমনা বা তার দুই মেয়ে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখাল না। বরং দিশা তার কথা মত দুই হাত সিটের উপরে রাখল। তারপরে নিজের ডান পা টা জুতো শুদ্ধুই তুলে দিল ইমনের মাথার উপরে। তার মাথার উপরে জুতো পরা পা দিয়ে চাপ দিয়ে সে উঠে গেল নিজের সিটে। তারপর নিজের সিটে পা ঝুলিয়ে বসে বলল, " তুইও এভাবে উঠে পর দিদি।"
রিশাও তাই করল। একদম দিশার কায়দায় জুতো পরা বাঁ পা সিঁড়িতে, জুতো পরা ডান পা ইমনের বাঁ কাঁধে, তারপরে বাঁ পা ইমনের ডান কাঁধে রেখে দুই হাত সিটে রাখল। তারপর ইমনের মাথায় আলতো করে ডান পা রেখে দুই হাত সিটের উপরে রাখল। তারপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে ইমনের মাথায় চাপ বাড়িয়ে সেও নিজের সিটে উঠে গিয়ে " thank you iman uncle" বলল।
" এটা তো আমার ডিউটি। এতে thanks জানানোর কিছু নেই। তোমাদের জুতো খুলে দিই?"
" তুমি নিজে থেকে অফার করছ যখন তখন দাও।" রিশা হেসে বলল।
রিশা সিটে বসে পা দোলাচ্ছে। ইমন ইচ্ছা করে এমন ভাবে নিজের সিটের পাশের বাসের ফ্লোরে হাটুগেড়ে বসল যাতে রিশার দুলতে থাকা পা হঠাত এসে তার মুখে লাগে। তার ইচ্ছা করছিল রিশা আর দিশার জুতোর তলা নিজের মুখে চেপে ধরতে। কিন্তু সাহস হল না। রিশার দুলতে থাকা দুই পা তার দুই গালে হালকা আঘাত লাগতে রিশা হেসে " উফস, সরি!" বলে তার দুই কাঁধে জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল। ইমন যত্ন করে সময় নিয়ে রিশার জুতোর ফিতে খুলতে খুলতে জিজ্ঞাসা করল " তুমি কোন ক্লাসে পর রিশা?"
" class 10, কালকেই আমার মাধ্যমিক শেষ হল। তাই মা প্রমিস মত আমাদের দার্জিলিং নিয়ে যাচ্ছে। আর রিশার এখন class 8 ।"
রিশার জুতো খুলতে খুলতে ইমন ভাবল সে যা ভেবেছিল ওরা দুই বোন তার চেয়ে সামান্য বড় হবে।
রিশার জুতো খোলা হলে সে একইভাবে দিশার জুতোও খুলে দিল ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে। তারপর যত্ন করে দুই বোনের জুতো সিটের পাশে রেখে দিল। দুই বোন তার মধ্যেই উপরে নিজের সিটের ভিতরে ঢুকে গেছে।
সে উলটো দিকে তাকিয়ে দেখে সুমনা তখনো জুতো পরা পা সিঁড়ির উপরে রেখে বসে একদৃষ্টে ওর দিলে দেখছে। ওর চোখে চোখ পরতে হেসে বলল, " অচেনা কেউ এত হেল্প করছে আজকের দিনে ভাবা যায় না। thank you very much! রাতে ওদের নামার সময়েও একটু হেল্প করো প্লিজ। আর শিলিগুড়িতে পৌঁছে আমাদের লাগেজ হান্ডেল করতে একটু হেল্প করো পারলে। আসলে ওদের বাবা আসতে পারল না অফিসের কাজের চাপে। আমি একা ঠিক এতকিছু করতে অভ্যস্ত নই আর কি!"
ইমন হাঁটু গেড়ে বসে থাকা অবস্থাতেই সুমনার দিকে ঘুরে বলল "তাতে কি হয়েছে? তুমি আমার দিদির মত। আর দিদি আর ভাগ্নীদের এটুকু হেল্প তো করতেই হয়। যখন যা প্রয়োজন হয় বলবে। এখন তোমার জুতোটাও খুলে দিই দিদি প্লিজ?"
সুমনা হেসে বলল, " আমাকে দিদি পাতালিই যখন তখন তোকে তুই করেই বলি। আর ছোট ভাই হয়েছিস যখন তখন তোকে দিয়ে জুতো খোলাতেও সমস্যা নেই।"
ইমন দুই হাত দিয়ে সুমনার জুতো পরা পা দুটো ধরল। তারপর সাহস করে বলল, " সবে বিয়ে করেছি দিদি। আশির্বাদ করো আমার বিবাহিত জীবন যেন সুখের হয়।" এই বলে সাহস করে সে প্রকাশ্য বাসে সুমনার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল ৪-৫ সেকেন্ডের জন্য। যদিও সে বুঝতে পারছিল বিবাহিত জীবন সুখী করার জন্য বোধহয় বউকে পাশে নিয়ে সদ্য পাতানো দিদির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করা আদর্শ আচরন হিসাবে গন্য হয় না !
সুমনা হেসে নিচু হয়ে ইমনের মাথায় ডান হাত রেখে বলল, " সুখী হ ভাই!"
ইমন যত্ন করে সুমনার দুই পা থেকে জুতো খুলে ওর সিটের নিচে রেখে দিল। তারপর অনেক হয়েছে আপাতত, এই ভেবে নিজের সিটে উঠে দেখল বউ এখনো চোখ বুজে শুয়ে আছে, সম্ভবত ঘুমাচ্ছে। চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে সে দেখল বাস মধ্যমগ্রাম সোদপুর রোড দিয়ে কল্যানি এক্সপ্রেসওয়েতে উঠছে। অর্থাত সে অন্তত ১৫ মিনিট সুমনা ও তার দুই মেয়ের সাথে সাবমিসিভ পজিশানে কাটিয়েছে নিজের সদ্য বিবাহিত বউকে পাশে রেখে!
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment