Friday, 1 August 2014

ট্রেনে স্বপ্নের রাত

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



 আমি কলকাতা থেকে রাত এর ট্রেনে শিলিগুড়ি তে আমার বাড়ি ফিরছিলাম। রাতে খেয়ে সবাই শুয়ে পরল। আমার সীট নিচে। উল্টো দিকের সীটে আমাদের কলেজের একটা জুনিয়র মেয়ের সীট পরেছিল, অর নাম অপরুপা। নামের মতই অপরুপ দেখ্তে ওকে, সারা কলেজের ড্রিম গার্ল। আমি একবার কথা বলার চেষ্টা কর্লাম, ও পাত্তা দিল না, শুয়ে পরল। আমিও শুয়ে পরেছিলাম। একটু পরে এক station থেকে  টে মেয়ে উঠলো ।দেখে মনে হয় ১৮ মত বয়েস ওদের। ৩ জনের এ পরনে টপ ,জিন্স আর টেনিস শু । ওরা আমাকে উঠিয়ে দিয়ে বল্ল ওরা বসবে ওই সীটে । আমি অবাক হয়ে বললাম , - এটা আমার সীট। আমি তোমাদের সীট ছেড়ে দিলে আমি বসব কোথায় ?
একটা মেয়ে হাসি মুখে মেঝের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল, - কেন, নিচেই তো শুতে পারিস।
 আমার অপরিচিত ৩ তে মেয়ে, আমার চেয়ে ছোট, আমাকে তুই বলছে? আমার কি যে হল, আমি আমার বিছানা নিচে মেঝেতে নামিয়ে দিয়ে ওদের বল্লাম, - ঠিক আছে, তোমরা মেয়ে, তোমরা বস। আমি নিচে শুয়ে পরছি। ওরা ৩ জনেই গল্প করতে করতে বসে পরল। আমাকে এক্বার thanx ও বল্ল না। আমি ওদের ৩ জনের ঠিক পায়ের কাছে বিছানা করে শুয়ে পরলাম । মেয়ে ৩ টের পায়ের কাছে শুয়ে একটু ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম ভাঙ্গল বুক আর পেটে কিছুর স্পর্শে। তাকিয়ে দেখি ওদের মধ্যে ২ জন মেয়ে আমার পেটে আর বুকে নিজেদের জুতো পরা পা দুটো তুলে বসে গল্প করছে। ওরা আমাকে তাকাতে দেখে হাসল । . যে মেয়েটা আমার বুকে পা রেখে বসেছিল  সে বল্ল  তুই যখন আমাদের পায়ের কাছেই শুয়ে আছিস তখন ভাবলাম তোকে footrest  হিসাবে ব্যবহার করি।
জানালার পাশে যে মেয়েটা বসেছিল সে পা দুটো রেখেছিল আমার মাথার পাশে। সে আমার চোখে চোখ রেখে বল্ল, – আমিও তোর মুখে পা রাখব ভাবছি। তুই তো এখন আমাদের ফুটরেস্ট।
 আমি বাধা দিতে চাইছিলাম। কিন্তু কি যে হল, মেয়েটার সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এল  নিষ্চয় প্রভু। আমার মুখে তুমি পা রাখবে এ তো আমার পরম সৌভাগ্য। আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পরল। তারপর আমার প্রভু ওর ২ টো পাই আমার মুখের অপর রেখে ওর জুতোর তলা দুটো আমার সারামুখে ঘসতে লাগল।
আশ্চর্যের ব্যাপার, খারাপ লাগার বদলে এক দারুন ভাল লাগায় মন ভরে গেল।প্রভু কিছুক্ষন পর আমার মুখে জুতোর তলা ঘসা থামিয়ে আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বল্ল, - প্রভুর জুতোর তলায় ময়্লা লাগলে পোষা কুকুর কিভাবে পরিস্কার করে জানিস ?
 আমি মুখে কিছু না বলে জিভ টা লম্বা করে বার করে দিলাম। ওপরে হাসির রোল উঠলো আর আমার প্রভু আমার জিভে জুতোর তলা ঘসে পরিস্কার কর্তে লাগল। যেটা আমার জিভ, সেটা আমার অপরিচিত এই মেয়েটির কাছে পাপোশের বেশি কিছু না। ও আমার জিভে ঘষে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ওর ডান জুতোর তলা একদম নতুনের মত  পরিস্কার করে ফেলল। তারপর অন্য ২ টো মেয়েও এক এক করে ওর সাথে জায়্গা বদল করে আমার জিভ আর মুখ কে পাপোশ হিসাবে ব্যাবহার করল। সকাল হতে ওরা মালদা তে নেমে গেল। আমাকে যাওয়ার আগে বল্ল্ল, - গুড বাই ডগি , তারপর পা দিয়ে আমার মাথা ঘষে আদর করে চলে গেল ওরা ৩ জনে।


 আমি এই ঘটনার ঘোর কাটিয়ে উঠে বসতে যাব আমার সীটে ,
দেখি ঘুম ভেঙ্গে উঠে অপরুপা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমাকে ওর দিকে তাকাতে দেখে গম্ভীর গলায় বলল, - উঠে কোথায় যা্চ্ছিস কুত্তা, আমার ফুটরেস্ট দরকার।
 আমার কি যে হল, হামাগুড়ি দিয়ে অপরুপার কাছে গিয়ে ওর জুতোর অপর চুমু খেতে লাগলাম। ওর পরনে টপ আর জিন্স , পায়ে মিলিটারী স্টাইলের কালো বুট জুতো। আমি আমার কলেজের জুনিয়র মেয়ে অপরুপার একটা বুটের ওপর চুম্বন করতে লাগলাম, ও অন্য বুট জুতো পরা পা টা আমার মাথায় ঘষে আমায় আদর করতে লাগল।
 একটু পরে অপরুপা হুকুম করল,  সোজা হয়ে শো।

আমি সোজা হয়ে অপরুপ সুন্দরী অপরুপার পায়ের তলায় শুলাম আর জিভটা বার করে দিলাম যতটা সম্ভব। অপরুপা আমার মুখ আর জিভে বুট জুতোর তলা বুলিয়ে আদর করতে লাগল আমাকে। আমার প্রভু অপরুপার জুতোর তলা, জুতোর তলার প্রতিটা খাজ ও আমার জিভের সাহায্যে চেটে নতুনের চেয়েও বেশি পরিস্কার করে দিলাম। আমার গলায়  ট্রেনে ব্যাগ বাধার লোহার চেন টা পরিয়ে দিয়ে অপরুপা  বলল, - আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা। সবসময় আমার পায়ের কাছে থাকবি, এমনকি কলেজে ফিরেও। নিজের সৌভাগ্যকে বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার। যে মেয়ের পাশে বসার সৌভা্গ্য কতো ব্রিলিয়ান্ট ছেলের ও পুরণ হয় না, আমি এখন থেকে রোজ তার পায়ের স্পর্শ পাব ? আমি আনন্দে ডাক ছাড়লাম, ভঊউ।  ট্রেন স্টেশনে এসে পৌছালে অপরুপা আমার গলার চেন ধরে টানতে টানতে নিয়ে চললো। পিছনে ওর সব মাল বইতে বইতে চললাম আমি, ওর গর্বীত ক্রীতদাস।


Tuesday, 1 July 2014

ফুটবল ম্যাচ ( দিদি ভারশন )

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



সেদিন ছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল। আমি ফুটবল দেখ্তে খুব ভালবাসতাম। সারাদিন অপেক্ষা করেছিলাম কখন খেলা শুরু হবে। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার সময় হলেও আমার ৩ বছরের বর দিদি আর মা tv তে সিনেমা দেখ্তে লাগ্লো। মা খাটে আর দিদি চেয়ারে বসে ছিল। আমি আমার ক্লাস ১১ এ পরা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোর করে বললাম দিদি, প্লিজ আজ এক্টু খেলা দেখ্তে দিবি আমাকে?” এক্জন ছোটো ভাই হিসাবে বড় দিদির কাছে অনুরোধ ছারা আর কি কর্তে পারি আমি? দিদি কিছু বল্লো না, TV দেখে যেতে লাগ্লো। আমি আমার সুন্দরী দিদির লাল চটি পরা সুন্দর পায়ের ওপর মাথা নামিয়ে ঘস্তে থাকলাম, “প্লিজ দিদি, এক্টা দিন, আমার অপর এক্টু দয়া কর আজ। অনেক্ষণ ওর পায়ে মাথা ঘসার পর দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বল্ল, “ একটু পা টিপে দে আমার , তার পর দেব। আমি দিদির সুন্দর পা দুটো কোলে তুলে যত্ন করে টিপ্তে থাকলাম। ৩০ মিনিট পর দিদিকে বল্লাম,”দিদি, প্লিজ এবার এক্টু দে, ৩০ মিনিট খেলা হয়ে গেল। ছোট ভাইয়ের ওপর এক্টু দয়া কর আজ। দিদি ওর চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখে সজোরে লাথি মার্লো এক্টা।  দিদির কিভাবে সেবা কর্তে হয় জানিস না জানোয়ার ? এভাবে উদাসীন হয়ে পা টিপবি আর তার জন্য তোকে খেলা দেখ্তে দিতে হবে ? ভাল করে ভক্তি ভরে পা টেপ, এমন ভাবে যেন মনে হয় তুই তোর প্রভুর পা টিপছিস।  আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বলি, “নিস্চয় দিদি, তুই তো আমার প্রভুই। আমি দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরি, দিদি বিনা দ্বিধায় আমাদের মায়ের সাম্নেই আমার মুখের ওপর ওর লাল চটি পরা পা দুটো তুলে দেয়। মা বলে, “ ভাল ভাইয়ের মত বড় দিদির সেবা কর। আমি বলি করছি মা। দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা রাখে আমার ঠোঁটের ওপর, আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে খেলতে থাকে ওর চটির তলা দিয়ে। আর ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘস্তে থাকে আমার চোখ আর কপালের ওপর। আমি দিদির পা বেশ মন দিয়ে টিপ্তে থাকি। দিদি খেলতে থাকে আমার ঠোঁটজোড়া নিয়ে, ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে । ওর চটির তলাটা বেশ ময়লা আমার ঠোঁটের ফাক দিয়ে দিদির চটির তলার ময়্লা মুখে ঢুকে যেতে থাকে। আমার কেনো জানিনা অদ্ভুত ভাল লাগ্তে থাকে মায়ের সাম্নে এভাবে দিদির সেবা করতে। আমি আরো মন দিয়ে টিপ্তে থাকি দিদির পা, আর চুম্বন কর্তে থাকি দিদির ডান চটি পরা পায়ের তলায়। ঠিক সেই সময় টিভির আওয়াজ শুনে বুঝ্তে পারি দিদি খেলা দিয়েছে, কিন্তু দিদির বাঁ পা টা ঠিক আমার চোখের ওপরে থাকায় আমি কিছু দেখতে পাইনা। দিদির দয়া পাওয়ার আশায় আরো মন দিয়ে ওর পা টিপতে থাকি, ওর ডান চটির তলায় আর গভীর ভাবে চুম্বন কর্তে থাকি। দিদি খেলা দেখতে দেখতে আমার মুখ নিয়ে খেলতে থাকে ওর চটি পরা পায়ের তলা দিয়ে।

 হঠাৎ এভাবে দিদির সেবা কর্তে পারার জন্য কেমন এক্টা অদ্ভুত ভালোলাগা ঘিরে ধরে আমাকে। আমার সামনের টিভি তে আমার প্রিয় দল স্পেন ওয়াল্ড কাপ খেল্ছে, কিন্তু আমি দেখতে পারছি না, কারন আমার ৩ বছরের বড় দিদি ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার চোখ ঢেকে রেখেছে, আর ওর অন্য পা দিয়ে খেল্ছে আমার ঠোঁট নিয়ে । একথা ভাবতেই এক অপূর্ব আনন্দে মন ভরে যায়, পরম ভক্তিতে দিদির পা টিপ্তে থাকি আমি। দিদি ওর ডান পা দিয়ে আমার ঠোঁট টা খুব জোরে ঘস্তে থাকে। আমার দিদি ওর চটির তলা দিয়ে একবার আমার ঠোঁট একদিকে বেঁকাতে থাকে, আর তারপর অন্যদিকে। আমার এই খেলা দেখ্তে না পাওয়া আর সেই অবস্থায় এভাবে দিদির সেবা কর্তে কেন জানিনা অপুর্ব লাগতে থাকে। এই না পাওয়ার মধ্যেই কি এক অনন্ত পাওয়াকে আবিস্কার করি আমি। মা বলে দিদিকে, ” tv র চেয়ে তুই ভাইয়ের মাথাকে বল বানিয়ে তোর পা দিয়ে যেই ফুটবলটা খেলছিস, সেটা দেখতে অনেক বেশী ভালো লাগ্ছে। দিদি বলে, আমি ওদের চেয়ে অনেক ভাল ফুটবলার, দেখবে কেমন কিক মারবো এই বলটায় ? এই বলে দিদি ওর ডান পা তুলে আমার গালের ওপর সজোরে এক্টা কিক মারে, ঠিক এমন ভাবে যেন ও ফুটবলার দের মত বলে কিক কর্ছে।
মা হেসে ওঠে দিদিকে আমার মুখে কিক মার্তে দেখে। আমার দিদি আমার মুখ নিয়ে ফুটবল খেলা চালিয়ে যেতে থাকে। কানে শুনতে পাই টিভির football কমে্ট্রি, কিন্তু চোখে দেখতে পাই আমার মুখকে বল বানিয়ে দিদির ফুটবল খেলা। আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র দিদি লাথি মার্তে থাকে জোরে জোরে, আমি খেলার কমেন্ট্রির সাথে শুনতে পাই মা আর দিদির হাসি। এক্টু পরে মা বলে কিন্তু খেলোয়াড়রা তো চটি পরে খেলে না, জুতো পরে খেলে। দিদি বলে, “তাই তো। তারপর আমার মাথার ওপর লাথি মেরে বলে, “যা, আমার জুতোটা নিয়ে আয়। আমার মন তখন দিদির হাতে অপমানিত হওয়ার আনন্দে পরিপুর্ন, আমি দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করি। তারপর ৪ হাত পায়ে গিয়ে জুতোর তাক থেকে দিদির সাদা স্নিকার টা মুখে করে নিয়ে আসি। আমাকে ৪ হাত পায়ে দিদির জুতো মুখে করে আন্তে দেখে মা আর দিদি হাসিতে ফেটে পরে।

আমি দিদির পায়ের সাম্নে হাটুগেড়ে বস্তে দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বলে আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে। আমি মাথা নিচু করে দিদির পায়ে জুতো পরিয়ে দি। আগের মত শুয়ে পর আমার পায়ের তলায়। এখন তুই ফুটবল আর আমি ফুটবলার। এখুনি world cup final শুরু হবে। এক অদ্ভুত আনন্দ আমার দেহ মন্কে ঘিরে ধরলো । আমি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম ।
দিদি আমার মুখে জুতো পরা ডান পা টা রেখে জুতোর তলাটা আমার মুখে ঘস্তে ঘস্তে বলে, “মা, তুমি কমেন্ট্রী দাও । মা কমেন্ট্রী দিতে থাকে, আপনারা দেখছেন বিশ্ব কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ, এখুনি খেলা শুরু হবে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি(আমার দিদির নাম ) তার জুতো পরা ডান পা টা বলের ওপর রেখে দাড়িয়ে আছেন আর বলের ওপর নিজের জুতোর তলাটা ঘসছেন। আমরা অনুভব কর্তে পারি বলটা নিজেকে কত ভাগ্যবান ভাব্ছে। প্রিথিবীতে বোধহয় এমন কোন ছেলে নেই যে ওই বলটার জায়্গায় থাক্লে খুশী হত না। মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে। দিদি ওর জুতোর তলা আমার মুখের সর্বত্র ঘস্তে থাকে। হঠাত দিদি পা তুলে আমার মাথার এক্পাশে লাথি মারে। শুনতে পাই মা কমেন্ট্রী কর্ছে , “দেখ্তে দেখ্তে খেলা শুরু , বলে লাথি মেরে খেলা শুরু করলেন প্রিথিবির শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলী। বলটা এক মেয়ের পা থেকে আরেক মেয়ের পায়ে ঘুর্ছে। অনবদ্য পাসিং আর কিকিং আম্রা দেখ্তে পাচ্ছি খেলার শুরু থেকেই। আজি প্রিথিবির প্রথম ম্যাচ যেখানে মেয়েরা বলের বদলে এক্টা জীবন্ত ছেলেকে ফুটবল হিসাবে ব্যাবহার কর্ছে। মান্তেই হবে এই খেলা অনেক বেশী আকর্ষনীয় ।  মায়ের কমেন্ট্রী চলতে থাকে আর দিদির স্নিকার পরা দুই পাই আমার মুখ আর মাথার সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো। আমার নাক, মুখ, ঠোঁট ,গাল, কপাল, চোখ সর্বত্র লাথি মার্তে লাগ্লো আমার দিদি জোরে জোরে, ওর জুতো পরা পা দিয়ে, এমন ভাবে যেন সত্যিই ও আমাকে বল বানিয়ে football খেল্ছে। ব্যাথা লাগা সত্যেও আমি মোহিত হয়ে গেলাম এই খেলায়, বুঝলাম মেয়েরা যখন ছেলেদের মুখ্কে বল বানিয়ে ওদের পবিত্র পা দিয়ে ছেলেদের মুখে লাথি মেরে খেলে, সেটাই আসল ফুটবল খেলা।

দিদির পা আমার মুখের সর্বত্র আছ্ড়ে পর্তে লাগ্লো আর এক গভীর ভাল লাগা আমাকে আচ্ছন্ন করে তুল্লো। এক্টু পরে দিদি চেয়ারে বসে পরলো, মা বল্তে লাগ্লো  এখন হাফ টাইম । সব মেয়ে খেলোয়াড়ের জুতো খেল্তে খেল্তে নোংরা হয়ে গেছে। তাই এই জিবন্ত বল এখন চেটে পরিস্কার করে দেবে মেয়েদের জুতো। দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বল্লো  জিভ বার কর কুত্তা । আমার বুঝ্তে অসুবিধা হলনা কেন দিদি আমাকে জিভ বার কর্তে বল্ছে। আমি যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভ। দিদি ওর ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল আমার সম্পুর্ন বার করে দেওয়া জিভের ওপর, জুতোর তলাতা ঘস্তে লাগ্লো আমার জিভের ওপরে। দিদি ওর ডান জুতোর তলাটা ঘষে চললো আমার জিভে, একবার দিদির জুতোর হীল আমার জিভ স্পর্শ করছিল , পরমুহুর্তেই ওর জুতোর সামনের অংশ আমার জিভ ছুচ্ছিল। এই জুতো পরে দিদি স্কুলে যায়, মাঠে খেলে। জুতোর তলাটা কাদা, আর মাটিতে ভরা। মুখ জুড়ে কাদা আর মাটির অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম আমি, কিন্তু সেটা আমার পবিত্র দেবীসম দিদির জুতোর তলা থেকে আস্ছে এই চিন্তা ওই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল আমার কাছে। দিদির জুতর তলা থেকে ওই ময়্লায় আমার মুখ ভরে যেতে লাগ্লো, আর নিজের দিদির জুতোর তলার ময়্লা পরম আনন্দে গিলে খেতে থাকলাম আমি। শুনলাম মা কমেন্ট্রী কর্ছে , আপনারা দেখ্তে পাচ্ছেন জীবন্ত এই চরম ভাগ্যবান বলের জিভে নিজের জুতোর তলা মুছে পরিস্কার করছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার সহেলি দেখুন কিভাবে বলের জিভ্টা লাল থেকে পুরো কালো হয়ে যাচ্ছে আর সহেলির জুতোর তলা কালো থেকে হয়ে উঠছে চকচকে সাদা। আমাদের স্বীকার করতেই হবে এই বলটা অতি সৌভাগ্যবান যে তার অতি তুচ্ছ জিভে নিজের জুতোর তলা মুচ্ছেন সহেলির মত খেলোয়ার।
মায়ের কমেন্ট্রী চলতে লাগ্লো । আর ডান জুতো পরিস্কার হয়ে গেলে দিদি ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরিস্কার কর্তে লাগ্লো। আমি চেটে খেতে লাগলাম দিদির জুতোর তলার ময়্লা, পুজোর প্রসাদের মত ভক্তি করে। মেয়েদের হাতে অপমানিত হতে এত মজা আগে বুঝিনি কেন আমি ? আমার জিভে দিদি ওর পবিত্র জুতোর তলা ঘষে চললো আর টিভির কমেন্ট্রীতে অস্পষ্ট শুনতে পেলাম খেলার শেষ মুহুর্তে গোল করল স্পেন। কিন্তু ওই খেলায় তখন আমার আর কোন আগ্রহ নেই। আমি জেনে গেছি আসল ফুটবল খেলা সেটাই যেটা দিদি আমাকে বল বানিয়ে খেল্ছে।



Sunday, 1 June 2014

জেলখানার অত্যাচার

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 


আমার হাত দুটো পিছমোড়া করে বাঁধা । আমাকে মেঝেতে ঠেলে ফেলে দিয়ে আমার সামনে দাঁড়ানো মহিলা পুলিস অফিসার টি বলল , - শেষবারের মতো ভাল করে জিজ্ঞাসা করছি , উত্তর দে । মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে কোথায় রেখেছিস ?
কি যে ঘটে চলেছে আজ সকাল থেকে আমি বুঝে উঠতে পারছি না । কলেজ পড়ুয়া একটি মেয়ে কিডন্যাপ হয়েছে , নাম সুনন্দা । আর কেউ রিপোর্ট করেছে যে গাড়িতে কিডন্যাপ করা হয়েছে সেই গাড়ির নাম্বারটা । সে হয়তো নম্বর দেখতে ভুল করেছিল , তাই আমার গাড়ির নম্বরটি সে থানায় জানিয়েছে । সাধারন থানা না , স্পেসাল ফিমেল ফোরসে , যাদের লক্ষ্য নারীদের প্রতি অপরাধ কমান । এই বিভাগের সবাই মহিলা ।
মহিলা অফিসারটি আমার বুকের উপর একটা লাথি মারল , - বল কোথায় রেখেছিস ওকে কিডন্যাপ করে ? লাথি মেরে অফিসার আমার বুকের উপর জুতো পরা ডান পাটা রেখে দাঁড়াল ।
অফিসারটির বয়েস ২৩-২৪ এর বেশি হবে না । ফরসা সুন্দর মুখ , রোগা কিন্তু স্বাস্থ্যবান চেহারা , উচ্চতা প্রায় সাড়ে ৫ ফুট । এই অবস্থাতেও আমার মনে হল এত সুন্দরী একজন মেয়ের পায়ের তলায় স্থান পাওয়াও কম ভাগ্যের কথা না ।
-   আমি জানি না , বিশ্বাস করুন । আমি সাধাসিধে একজন ব্যবসায়ী মানুষ , কারো সাতে পাচেও থাকি না । আমি কাউকে কিডন্যাপ করাইনি । প্লিজ বিশ্বাস করুন ।
অফিসার উত্তর টা মুখের বদলে বুট জুতো পরা পা দিয়ে দেয় । ওর ডান জুতোর তলা আমার বুক থেকে উঠে এসে সজরে পরপর আঘাত করে চলে আমার মুখে । কখনো নাকে, কখনো ঠোঁটে , কখন কপালে আঘাত করতে থাকে অফিসারের জুতো পরা ডান পা । অসহ্য যন্ত্রনায় গঙ্গিয়ে উঠি আমি ।
আমার মুখে পরপর ১০ -১২ টা লাথি মেরে অফিসার থামে ।  তখন অসহ্য যন্ত্রনায় চোখে প্রায় অন্ধকার দেখছি আমি ।  আমার নাকটা সম্ভবত ভেঙ্গে গেছে । মুখ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে বুঝতে পারছি ।
কি রে কুত্তা , উত্তর দে । এটা স্পেসাল সেল , তোকে পিটিয়ে মেরে ফেললেও কেউ কিছু বলবে না  উত্তর দে । আমার মাথার পাশে সজরে আরেকটা লাথি মেরে বলে লেডি অফিসার ।
আমি পাশ ফিরে লেডি অফিসার বুটজুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঘষতে থাকি জবাবে । জুতোর উপর চুম্বন করে বলি , -আমি কিছু জানি না , প্লিজ বিশ্বাস করুন ম্যাডাম ।
অফিসার আমার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসল একবার , - দেখি কতক্ষন তুই সত্যি না বলে থাকতে পারিস ।
এই বলে অফিসার জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে আমার মুখে প্রবল জোরে আবার একটা লাথি মারল । ভয়ানক ব্যাথায় ককিয়ে উঠলাম আমি । অফিসার নিজের চামড়ার বেল্টটা খুলে নিল । তারপর আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পাটা তুলে দিয়ে আমার বুকে একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগল । উফফ , কি অসহ্য সে যন্ত্রনা ! আমি বলার চেষ্টা করতে লাগলাম, - আমি নির্দোষ , আমাকে ছেড়ে দিন প্লিজ । কিন্তু লেডি অফিসারের বুট জুতো পরা ডান পাটা ঠিক আমার ঠোঁটের উপর চেপে ধরা , ফলে আমার কাতর অনুরোধ অস্পষ্ট অর্থহীন শব্দ সৃষ্টি করতে লাগল শুধু । আর সেই শব্দ কে ছাপিয়ে যেতে লাগল আমার সাড়া দেহে অফিসারের বেল্টের আঘাতের ফলে উৎপন্ন শব্দ, সপাৎ ,সপাৎ ।
আমি মারের চোটে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম । জ্ঞান ফিরল মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপ্টায় । আমার মুখে জলের ঝাপটা দিচ্ছে অন্য এক লেডি অফিসার । ওর বয়েস আমার কাছাকাছি হবে , ৩০ এর আশেপাশে , গায়ের রঙ মাঝারি , কিন্তু খুব সুন্দর চেহারা ।
আমি চোখ মেলে তাকাতে এই অফিসার বলল, - স্বাগতা ম্যাডাম খুবই রাগী , ভালয় ভালয় এখনই সব বলে দে, নাহলে তোর এমন অবস্থা করবে , জীবনে আর নিজের পায়ে দাড়াতে পারবি না ।

আমার হাত দুটো খুলে দিয়েছে দেখলাম । আমি অসহায় ভাবে এই অফিসারের পা দুটো দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে বললাম , - প্লিজ ম্যাডাম , আমি কিছু জানিনা , বিশ্বাস করুন ।
জবাবে ম্যাডাম আমার মুখে বুটজুতো পরা পা দিয়ে একটা লাথি মারল, - স্পেসাল ফোরস কাউকে এমনি এমনি তুলে আনে না । ফালতু সময় নষ্ট না করে বলে দে মেয়েটাকে কোথায় রেখেছিস ?
এই সময় পাশের ঘর থেকে আবার স্বাগতা ম্যাডাম ঢুকল । ম্যাডামের হাতে এখন একটা জ্বলন্ত সিগারেট ।
স্বাগতা ম্যাডাম অন্য অফিসার কে জিজ্ঞাসা করল , - ও কিছু বলল অঙ্গনাদি ?
অঙ্গনা ম্যাডাম মাথা নেড়ে বলল- না ।
স্বাগতা ম্যাডাম বলল, - বুঝতে পারছি , মৃত্যুই লেখা আছে এর ভাগ্যে ।
তারপর চুলের মুঠি ধরে টেনে তুলল আমাকে । ম্যাডাম নিজে চেয়ারে বসা , আমাকে হাটুগারা অবস্থায় রেখে সিগারেটটা ঠোটে ঝুলিয়ে আমার দুইগালে একের পর এক থাপ্পর মারতে লাগল । আমার মনে হচ্ছিল আমি আবার বুঝি চেতনা হারাব । উফফ , কি যন্ত্রনা !!
প্রায় ৫ মিনিট পর ম্যাডাম চড় বৃষ্টি থামাল । আমার গাল দুটো ডান হাতের পাতায় চেপে বলল,
-   এবার কি বলবি সত্যিটা ?
-   আমি কাতর গলায় বললাম , - আমি কিছু জানি না ম্যাডা...
-   আমার কথা শেষ করতেও দিল না স্বাগতা ম্যাডাম । আমার কপালের উপর জ্বলন্ত সিগারেট টা চেপে ধরল । আর পিছন থেকে আমার পিঠের উপর একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগল অঙ্গনা ম্যাডাম । স্বাগতা ম্যাডাম দাঁতে দাঁত চেপে বলল , না বললে তোর রেহাই নেই রে জানোয়ার । যন্ত্রনায় আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম প্রায় । একটু একটু করে আমার চেতনা লোপ পেতে লাগল , একসময় জ্ঞান হারিয়ে আবার মেঝেতে লুটিয়ে পড়লাম আমি ।
-   জ্ঞান ফিরল মুখের উপর সক্ত কোনকিছুর স্পর্শে । আসতে আসতে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখলাম আমার মুখের উপর বুট জুতো পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসছে স্বাগতা ম্যাডাম । তার পাশেই চেয়ার নিয়ে বসে অঙ্গনা ম্যাডাম , ওর জুতো পরা পা দুটো আমার বুকের উপর রাখা ।
-   আমার গলাটা শুকিয়ে যেন কাঠ হয়ে গেছে । ঢোঁক পর্যন্ত গিলতে পারছিলাম না । অস্ফুট স্বরে বললাম ,- জল, একটু জল দিন প্লিজ ।
-   টেবিলের উপর থেকে বোতল এনে আমার মুখে ঠিক এক ছিপি জল ঢেলে দিল অঙ্গনা ম্যাম ।
-   প্লিজ ম্যাম , আরেকটু জল দিন , প্লিজ । আমি কাতর স্বরে বললাম ।
-   জবাবে আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পাটা তুলে আমার ঠোঁট দুটো জুতোর তলা দিয়ে ঘষতে লাগল অঙ্গনা ম্যাম ।
-   মেয়েদের তোরা কি ভাবিস বলতো ? যখন খুশী খারাপ কথা বলিস , মারিস , কিডন্যাপ করিস । সত্যি টা কি জানিস ? তোদের ছেলেদের জায়গা মেয়েদের পায়ের তলায় । ঠিক এখন যেমন তুই আছিস, ঠিক তেমন ।
-   আমি অঙ্গনা ম্যাম এর জুতোর তলায় প্রানভয়ে চুম্বন করে বললাম , - ঠিক প্রভু ।
-   তোর জল চাই , তাই তো ?
-   হ্যাঁ প্রভু । আমি বলি ।
-   মেয়েদের স্থান তোদের কতটা উপরে আগে ঠিক করে বুঝে নে , তারপর জল পাবি । আগে জিভটা বার কর ।
আমি বাধ্য দাসের মতো হুকুম তামিল করি । আমার জিভটা বার করে দি যতটা সম্ভব । অবাক হয়ে দেখি , আমার বার করা জিভে নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে মুছতে শুরু করেছে অঙ্গনা ম্যাম । আমার শুকনো জিভ জুড়ে অঙ্গনা ম্যামের কাদাভরা শক্ত জুতোর তলার স্পর্শ পাচ্ছি আমি । ম্যামের জুতোর তলার ময়লায় আমার মুখ ভরে যেতে থাকে । আমি বাধ্য দাসের মতো প্রভুর জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে থাকি । জেলে বন্দি অবস্থায় এর চেয়ে বেশী কি করতে পারি আমি ?
ডান জুতোর তলা পরিষ্কার হয়ে গেলে অঙ্গনা ম্যাম বাঁ জুতোর তলাও আমার জিভে ঘষে পরষ্কার করে নেয় ।  তারপর স্বাগতা ম্যাম ওর জায়গা নেয় । দয়া করে প্রথমে আমার জিভে এক ছিপি জল ঢালে স্বাগতা ম্যাডাম । তারপর আমার জিভের উপর নামিয়ে দেয় নিজের বুট জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা । বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার হয়ে গেলে ডান জুতোর তলাও একইভাবে আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে নেয় ম্যাডাম । তারপর দয়া করে অনেকটা জল ঢেলে দেয় আমার মুখে । দুই ম্যাডামের জুতোর তলার ময়লা সেই জলের সঙ্গে আমার পেটে চলে যায় ।