Friday, 1 July 2022

আহেলীর জুতো ও আমার টুপি...

আমার এক বন্ধুর শেয়ার করা বাস্তব জীবনের ছোট এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি ;- তখন আমার ক্লাস ১১, বয়স ১৬। ছোট থেকেই আমি খুব চুপচাপ, শান্ত ও সাবমিসিভ। আমি স্কুলে যেতাম ট্রেনে করে। বাড়ি থেকে অনেকটা হেঁটে স্টেশান। শেখান থেকে ৫-৬ টা স্টেশান ট্রেনে করে গিয়ে স্কুল। গরম কালে অনেকটা হেঁটে স্টেশানে যেতে হত বলে আমি মাথায় টুপি পরে যেতাম। একদিন বাড়ি ফেরার পথে স্টেশানে একটা ভিশন সুন্দরী মেয়েকে দেখলাম। দেখে মনে হল আমার চেয়ে ২-৩ বছরের ছোট। স্কুলের ড্রেস দেখে বুঝলাম আমাদের পাশের কো-য়েড স্কুলে পরে। আরো ৫-৬ জন ওর ক্লাসমেট ছেলে মেয়ের সাথে গল্প করছে। মেয়েটির আচরনে কিরকম এক অদ্ভুত ডমিনেটিং ভাব লক্ষ করলাম। একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকায় বুঝতে পারয়াম না ও কি বলছে। কিন্তু মনে হল আমার চেহারা বা মাথা নিচু করে চলা নিয়ে ব্যাঙ্গ করছে। আমার ঠিক কি হল জানি না। যা শুনে সবার খারাপ লাগার কথা, আমার সেটা শুনতে এক কিরকম অদ্ভুত ভাল লাগছিল। মেয়েটি ট্রেনে যেই কামড়ায় উঠলো আমিও সেই কামড়ায় গিয়ে উঠলাম। মেয়েটির দুটো সিট দূরে বসলাম। মেয়েটির বন্ধুদের সাথে কথা শুনে বুঝলাম ও ক্লাস ৯ এ পড়ে, আর ওর নাম আহেলী। ৩-৪ টে স্টেশানের মধ্যে ওর বাকি বন্ধুরা সবাই নেমে গেল। শুধু সেই মেয়েটি আর তার এক বান্ধবী বাদে। আমি যে স্টেশানে নামব তার আগের স্টেশানে নামার জন্য উঠে দাঁড়াল মেয়েটি। বেরনোর যথেস্ট জায়গা ছিল, তারপরেও আমাকে অকারনে একটা ধাক্কা দিয়ে বলল, " এই ছেলে , সরে বোস। আমাদের বেরোতে দে!" আমি আরো গুটিয়ে সিটের সাথে লেগে বসতে গেলাম। আর আমার কোল থেকে আমার টুপিটা ট্রেনের মেঝেতে পরে গেল। মেয়েটি আমার মাথার টুপিটাকে ওর দুটো জুতোর তলাতেই মাড়িয়ে চলে গেল। মেয়েটির পিছনে পিছনে উঠল ওর বান্ধবী। তার একটা জুতোর তলা পরল আমার টুপির সাইডে। আমার মাথায় পরার টুপিটা নিজের জুতোর তলায় মাড়িয়ে গিয়ে কয়েক হাত দূরে গিয়ে মেয়েটি পিছন ফিরে তাকাল। মুখে কিরকম এক অবজ্ঞার হাসি! যেন নির্বাক হয়েই বলছে "তুই একটা লুজার!" আমার সামান্য একটু লজ্জা করলেও কিরকম একটা অদ্ভুত ভাল লাগা কাজ করছিল বলে বোঝাতে পারব না। আহেলী আর তার বান্ধবী আমার দিকে তাকিয়ে অবজ্ঞার হাসি হাসতে হাসতে নিজেদের মধ্যে নিচু স্বরে কি যেন কথা বলছিল ট্রেনের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। ট্রেন থামতে ওরা নেমে গেল। আমি সম্বিত ফিরে পেলাম যেন। টুপিটা মেঝে থেকে তুলে হাতে নিলাম। সেদিন দুপুরে বৃষ্টি হয়েছিল। আহেলীর জুতোর তলায় প্রচুর কাদা লেগে ছিল। আমার সাদা টুপির উপরে স্নিকার পরা পায়ের দুটো কালো ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে! সাথে টুপির ডান দিক ঘেঁসে আরেকটা জুতোর ছাপের অর্ধেক,আহেলীর বান্ধবীর! আমি ট্রেন ভর্তি লোকের সামনে আহেলীর জুতোর ছাপ পরা টুপিটা মাথায় পরে নিলাম। আমার উলটো দিকে বসে থাকা লোকটা তার ফলে এমন ভাবে আমার দিকে তাকাল যেন আমার মাথায় সমস্যা আছে! আমার কিরকম অস্বস্তি হল। পরের স্টেশানেই আমার নামার কথা। আমি উঠে দরজার কাছে চলে গেলাম। আর স্টেশানে নেমে প্রায় ২৫-৩০ মিনিট আহেলীর জুতোর ছাপ পরা টুপি মাথায় দিয়ে হেঁটে আমি বাড়ি ফিরলাম। বাড়ি ফিরতে মা আমার টুপিটা দেখে অবাক হয়ে বলল, " কি অবস্থা করেছিস টুপিটার? দে, ধুয়ে দি।" আমি বললাম " থাক, আমি ধুয়ে নেব।" আমার প্রভু আহেলীর জুতোর ছাপ পরা টুপি কি আমি ধুতে পারি কখনো? জুতোর ছাপ দুটোর উপরে দুবার ভক্তি ভরে চুম্বন করলাম আমি। যদিও কি করছি, কেন করছি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না তখন। শুধু এটুকু বুঝতে পারছিলাম আহেলীকে নিজের প্রভু বলে ভাবতে ভিশন ভাল লাগছিল আমার। পরের দিনও ফেরার সময়ে আহেলীদের একই কামড়ায় উঠলাম আমি। ওদের পাশের কোন সিট না পাওয়ায় উলটো দিকের একটা সিটে বসলাম আমি। আজকেও আহেলীর সব বন্ধু ৩ টে স্টেশান পেরোতেই নেমে গেল আহেলী ও তার ওই বান্ধবী জিয়া ছাড়া। আমি আহেলীর মুখের দিকে তাকানোর সাহস পাচ্ছিলাম না। মাঝে মাঝে আড়চোখে আহেলীর সাদা স্নিকার পরা ফর্শা পা দুটোর দিকে তাকাচ্ছিলাম শুধু। আহেলী ওর বান্ধবীকে কানে কানে কি একটা বলল। সেটা শুনে আহেলীর বান্ধবী একটু জোরেই বলল, " তোর দিকে তাকানোর চেষ্টা করছে মালটা। কিন্তু মুখের দিকে তাকানোর সাহস পাচ্ছে না। বারবার জুতোর দিকে তাকাচ্ছে আর চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।" " মাল না। ওটা একটা লুজার। ওর দৌড় ওই পর্যন্তই।"- আহেলী বলল। ওদের কথা শুনে বুঝতে পারছিলাম ওরা খুব মজা পাচ্ছে আমার পিছনে লেগে,, ট্রেন ভর্তি লোকের সামনে আমাকে অপমান করতে পেরে। " এই লুজার, কোন ক্লাসে পড়িস রে তুই?" - আহেলী এবার আমাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করল। আমার খুব ভাল লাগছিল সত্যিই। কিন্তু ট্রেন ভর্তি লোকের সামনে কি করে উত্তর দেব বুঝে উঠতে পারলাম না। থত মত খেয়ে বললাম " আ-আ- আমাকে জিজ্ঞাসা করছ?" " হ্যাঁ রে, তুই ছাড়া আর কোন লুজার আছে ট্রেনে?" - আহেলী বলল। " আ-আ-আমি ক্লাস ১১ এ প-পড়ি।" কোমরকমে তুঁতলে বললাম আমি। " বাপ রে, তাহলে তো তোকে শুধু লুজার বলা যাবে না। লুজার-দা বলতে হবে।"- এই বলে আহেলী মুখ চেপে হাসতে লাগল। "এবার ওঠ আহেলী, স্টেশান এসে যাবে।" এই বলে আহেলীকে খুঁচিয়ে আহেলীর বান্ধবী জিয়া আমাকে বলল, " আজ আর তোর মাথার টুপি আমাদের জুতোর নিচে ফেলবি না?" - এই বলে ও আর আহেলী দুজনেই উঠে পরল। আমার কি যে হল, আমার কোল থেকে আবার টুপিটা নিচে মেঝেতে খসে পরল। ( আগের দিনের টুপিটা,সযত্নে লুকিয়ে রেখে সেদিন আমি নতুন একটা টুপি পরে গিয়েছিলাম। আজ জিয়া আগে ছিল। সে ইচ্ছা করলে টুপিটা এড়িয়েই চলে যেতে পারত। কারন আমি উলটো দিকের প্রথম সিটে বসেছিলাম। কিন্তু আমাকে অবাক করে জিয়া নিজের দুই জুতোর তলাতেই একবার করে আমার টুপিটা মাড়াল। ও নামতেই আহেলী নিজের জুতো পরা দুই পা আমার টুপির উপরে তুলে দিল। তারপরে যেভাবে পাপোষে পা মোছে সেভাবে আমার টুপির উপরে নিজের দুই জুতোর তলা মুছতে লাগল। আমার উলটো দিকে বসা একটা বয়স্ক টাক মাথা লোক এবারে প্রতিবাদ করল, " এই তোমরা কি করছ ওর সাথে? একে তো যা তা বলছিলে শুনলাম, তারপর এখন মাথার টুপিতে জুতো মুছছ? তোমাদের বাড়িতে আর স্কুলে এই শিক্ষা দেয় নাকি?" " না দাদু, আমাদের বাড়ি আর স্কুলে টেকো লোকেদের টাকে জুতো মোছার শিক্ষা দেয়।" টেকো লোকটা আরো কিছু বলতে যাচ্ছিল রেগে গিয়ে। কিন্তু আমি তার আগে মুখ খুললাম, " আ-আ-আপনাকে তো কিছু বলছিল না। যা বলছিল বা করছিল তা আ-আমার সাথে। আ-আপনি কেন.." আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই আহেলী আমার টুপির উপরে দাঁড়িয়েই হাত বাড়িয়ে আমার গাল দুটো টিপে দিয়ে বলল, " বাহ, তুই তো দেখি খুব মিষ্টি লুজার-দা।" ও আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু ট্রেন স্টেশানে থেমে যাওয়ায় ও আর ওর বান্ধবী তাড়াতাড়ি নেমে গেল। আর আমি মেঝে থেকে আহেলী আর তার বান্ধবীর জুতো মোছা টুপিটা তুলে কালকের মতই মাথায় পরে নিলাম ট্রেন ভর্তি লোকের চোখের সামনেই । সেই টেকো লোকটা মাঝ খানে থতমত খেয়ে একটু চুপ করেছিল। এবার আমার দিকে তাকিয়ে বলল, " তোমার মাথার সব স্ক্রু কি ঢিলা? কে তোমাকে অপমান করতে যাচ্ছিল আর কে সাপোর্ট করছে সেটাও কি বোঝ না? তোমার চেয়ে ছোট দুটো মেয়ে তোমার মাথার টুপিতে নিজেদের জুতো মুছল। আর সেই টুপি তুমি মাথায় পরছ? তুমি কি পুরো পাগল নাকি কোন আত্মসম্মান বোধই নেই তোমার?" আমি আর কোন উত্তর দিলাম না। আমার মনে হল এবার ট্রেন শুদ্ধু লোক হয়ত আমার পিছনে লাগবে। ট্রেন তখনো আগের স্টেশান থেকে ছাড়েনি। আমি কোন কথা না বলে তাড়াতাড়ি ওই কামড়া থেকে নেমে পাশের কামড়ায় গিয়ে উঠলাম। আহেলীর পিছনে লাগা আমার যতই ভাল লাগুক অন্য লোকে কথা শোনালে কি করে ম্যানেজ করব সেটা সেদিন বুঝতে পারিনি। আর সেই ভয়েই হয়ত পরের কয়েক মাস আহেলীর সাথে এক কামড়ায় ওঠার সাহস পাইনি। আর তারপরে ওকে আর খুঁজেও পাইনি। হয় ও আগে বা পরের ট্রেনে যেত। হয়ত বা বাস বা অন্য কিছুতে। পরের বছর আমি ওর স্কুলের সামনে গিয়েও ওকে খোজার চেষ্টা করেছিলাম। যেকোন কারনেই হোক, আর দেখতে পাইনি। এখন ভাবলে খারাপ লাগে যে লোক লজ্জার কারনে দুই দিনের পরে আমি ওকে এড়িয়ে অন্য ট্রেনের কামড়ায় উঠতাম। ওর মত সুন্দরী ডমিনেটিং মেয়ের জুতোর তলায় নিজেকে সঁপে দিতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যেত। কিন্তু, বাস্তব সব সময় গল্পের মত সুন্দর হয় না। আর আমাকে নিয়ে মজা করতে গিয়ে যদি আহেলী ওই টেকো দাদুর মত একাধিক লোকের রোষের মুখে পরত সেটা সবচেয়ে খারাপ হত। হয়ত সেই ভয়েই আমি আর আহেলীর সাথে এক কামড়ায় ওঠার সাহস পেতাম না তখন। আমার স্মৃতি বলতে শুধু আহেলীর জুতোর তলায় মাড়ানো আমার টুপি দুটো। সেই দুটো এখনো সযত্নে সাজিয়ে রেখেছি আমি।

Sunday, 1 May 2022

প্রভু আলিয়া, শ্রদ্ধা ও অনুষ্কা ( second version).

আলিয়াকে নিয়ে লেখা আমার তিন প্রভু গল্পটা প্রায় আমার জীবনের গল্পই বলা যায়। আমার জীবনের শৈশবে আমি দুই জন মানুষের কাছ থেকে অকারন ঘৃণা পেয়েছি। তার একজন এই আলিয়া, আর তার দেখা দেখি বাকি দুই মনিটর শ্রদ্ধা আর অনুষ্কাও একই ভাবে ট্রিট করত আমাকে । অন্যজন আমার সৎ মা। আমার মায়ের মৃত্যুর পর সে যখন আমাদের বাড়িতে আসে তখন আমার বয়স ২ বছর। আমি তাকেই নিজের মা ভাবতাম। কিন্তু সে আমাকে শুধু ঘৃণা করত। আমি তার সৎ সন্তান বলে। হয়ত আমার গায়ের রঙ খুব কালো ও দেখতে কুশ্রী বলেও। সে নিজে ছিল ফর্শা, সুন্দর চেহারার। আমার বাবার থেকে অনেকটা ছোটও। আমার বাবা বংশ পরম্পরার অনেক সম্পত্তির মালিক। সাথে এমন সরকারী চাকরি করত যাতে প্রচুর ঘুষ খেতে হয়। ফলে প্রচুর সম্পত্তির লোভেই সে বিয়ে করেছিল। আর তখন থেকেই হয়ত চাইত এসবের একমাত্র মালিক তার নিজের সন্তানেরা হবে। সতীনের কুশ্রী চেহারার সন্তান আমাকে সে ঘৃণা করত। কিন্তু আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার না করে সে খুবই ভাল ব্যাবহার করত। কিন্তু কৌশলে আমি কত ক্ষুদ্র, কুশ্রী, আমার স্থান কত নিচে এইসব চিন্তা আমার মাথায় ঢুকিয়ে দিত। আগের জন্মের পাপের ফলে মানুষ কুশ্রী চেহারা নিয়ে জন্মায় এটা তার থেকেই শিখেছিলাম প্রাইমারি স্কুলে পড়ার বয়সে। সুন্দর চেহারার ছেলে মেয়েরা আমার পিছনে লাগলে আমি বাধা দিতাম না। ভাবতাম আমি আগের জন্মে পাপ করে কুশ্রী হয়ে জন্মেছি। ওরা আগের জন্মে পুন্য করে সুন্দর চেহারা পেয়েছে। এ জন্মে ওরা তো আমাকে এবিউজ করতেই পারে! তবে আসলে এবিউজ প্রথম হতে শুরু করি হাই স্কুলে ওঠার পরে। আমি কোয়েড স্কুলে পড়তাম। সুন্দরী আলিয়া যে কেন বিনা কারনে আমাকে এত এবিউজ করত আমি জানি না। কিছু ছেলে- মেয়ে থাকে যারা লোককে এবিউজ করলে তাদের কোন রিএকশান না পেলে আর মজা পায় না। তখন থেমে যায়। আর কিছু জন থাকে যারা এতে উতফুল্ল হয়ে ভাবে, এ যখন বাধা দিচ্ছে না তার মানে আমি এর সাথে যা খুশি করতে পারি! আলিয়া এই দলেই পরত! আমার নাম ও দিয়েছিল আলকাতরা,,আমার কুচকুচে কালো গায়ের রঙ এর জন্য। ক্লাস মনিটর হওয়ায় আরো সহজে আমার মত ইন্ট্রোভার্ট কুশ্রী ছেলের পিছনে লাগতে পারত ও। চেহারা নিয়ে মজা করা, বর্ন বিদ্বেষী মন্তব্য করা, কান ধরে টেনে গালে থাপ্পর মারা সবই চলত ক্লাস ৫ থেকেই। সত্যি বলতে, আমার ভিশন ভাল লাগত! ক্লাস ৭ এ পড়তে একদিন টিফিনের সময়ে আলিয়ার ব্যাগে রাখা ঘড়ি নাকি চুরি হয়ে যায়। যেহেতু আমার বন্ধু ছিল না কেউ, তাই আমি টিফিনে ক্লাসেই বসে থাকতাম। তাই আলিয়া ধরেই নিল, এটা আমার কাজ। বিনা প্রমানে আমার কান ধরে টেনে এনে দুই থাপ্পর মারল দুই গালে। তারপর এক ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দিয়ে আমার মুখের উপরে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে দাঁড়াল। আমার মুখের উপরে অন্তত ৭-৮ টা লাথি মারল আগে কোন কথা না বলে। তারপর জুতোর তলা দিয়ে আমার ঠোঁট ঘসতে ঘসতে আমাকে "কেলোচোর" বলে ঘড়ি ফেরত দিতে বলল। আমি ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে বললাম আমি নিইনি। জবাবে আলিয়া আবার পরপর মুখে লাথি মারতে লাগল আর ঘড়ি ফেরত চাইল। আমি সারা ক্লাসের সামনে ওর জুতোয় চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বিনা কারনে। সাথে এত জোরে লাথি আর অপমান সইতে না পেরে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলাম প্রভুর জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে। সেটা ছিল টিফিনের পরের পিরিয়ড, মানে 5th period. আমাদের ক্লাসে স্যার আসেনি কেউ। কিন্তু এত হট্টগোলে পাশের সেকশান থেকে স্যার দেখতে এল কি হচ্ছে? এসে দেখল অনেক ছেলে আমাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে। আর আলিয়া আমাকে মেঝেতে ফেলে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে আমার মুখে লাথি মারছে আর আমাকে হুমকি দিচ্ছে। আর আমি ওর জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাইছি! স্যার জানতে চাইল এসব কি হচ্ছে? আলিয়া একটুও না ঘাবড়িয়ে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়েই স্যারকে বলল যে, " স্যার, ও আমার ঘড়ি চুরি করেছে।" ক্লাসের অন্য একটা ছেলে পাশ থেকে চেঁচিয়ে বলল, " স্যার, ওদের বংশটাই চোরের। ওর বাবা সরকারী অফিসে বসে ঘুষ খায় নাকি! সেটাও তো চুরি। বাপের থেকেই শিখেছে ছেলে। আলিয়া শিক্ষা দিচ্ছে, ভাল করছে স্যার। নাহলে আমাদের সবার জিনিস চুরি করবে এই বজ্জাতটা।" ক্লাসে হাসির রোল উঠল। জানি না ও কোথা থেকে জেনেছিল, কিন্তু লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল যেন। আমি লজ্জা কাটাতে স্যারের সামনেই কালো, অতি কুশ্রী আমি, ফর্শা অতি সুন্দরী আলিয়ার জুতো পরা ডান পা টা মুখের সাথে আরও গভীর ভাবে চেপে ধরে আলিয়ার জুতোর তলায় একের পর এক চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে যেতে লাগলাম। স্যার আলিয়াকে কোন বকা দিলেন না। জিজ্ঞাসা করলেন আমার ব্যাগ আর পকেট সার্চ করেছে কিনা ওরা। স্যারের সামনেই ওরা চেক করল। পেল না, কারন আমি তো নিই নি! স্যার আমাকে বলল ভাল চাইলে চুরির জিনিস ফেরত দিতে, নাহলে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেবে । আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম আমি নিই নি স্যার। তখন স্যার আমার গার্জিয়ান কল করে পাশের রুমে ফেরত চলে গেল। স্যার চলে যেতে আলিয়া, শ্রদ্ধা আর অনুস্কা তিন জনে মিলে আমাকে লাথি ঘুষি চড় যা খুশি মারতে লাগল ১০ মিনিট ধরে। এরপরে ওরা ক্লান্ত হয়ে গেলে আমাকে আবার মেঝেতে ফেলে আমার মুখের আর বুকের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে পরল ওরা আর আমাকে বলল ওদের পা টিপে দিতে। আমি তাই করলাম। ওদের জুতোর তলায় চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে চাইতে ওদের পা টিপে দিতে লাগলাম। পরের পিরিয়ডে সেই আগের স্যারই ক্লাস নিতে এল, যে আবার আমাদের ক্লাস টিচার ছিল। তার সামনেই আলিয়া আর তার দুই মনিটার বন্ধু আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে ক্লাস করতে লাগল। হয়ত চোর বলেই আমাকে এই ভাবে ট্রিট করতে দেখেও কিছু বলল না স্যার। যাওয়ার আগে স্যার বলে গেল কালকে মাকে নিয়ে স্কুলে আসবি। যার জিনিস চুরি করেছিস তাকে ফেরত দিয়ে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে না নিলে কালকেই স্কুলে তোর শেষ দিন। স্যার চলে যেতে আমি আলিয়ার পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম। ও পাত্তা না দিয়ে আমার মুখে জোরে এক লাথি মেরে বলল, " ঘড়ি ফেরত দিতে না পারলে কাল ৫ হাজার টাকা এনে আমাকে দিয়ে আমার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইবি। নাহলে তোর লেখাপড়ার এখানেই ইতি।" বাড়ি এসে আমি মাকে সব বললাম। মাকে একটুও বিষন্ন লাগল না। বলল, " এসব তোর পূর্ব জন্মের পাপের শাস্তি পাচ্ছিস। আলিয়া যা করছে করুক, একটুও বাধা দিবি না। আমি কাল ওকে টাকা দিয়ে দেব। আমিও যাব।" মা পরের দিন স্কুলে গেল আমার সাথে। সারা ক্লাসের সামনে স্বীকার করল যে আমার অকারনে চুরি করার অভ্যাস আছে। সাথে স্যারকে অনুরোধ করল আমাকে স্কুলে রেখে দিতে এবারের মত। যদি আর কখনো চুরি করি তবে তখন তাড়িয়ে দেবে। আর আলিয়া কাল যেভাবে আমাকে শাস্তি দিয়েছে তার প্রশংসা করে বলল সবার সামনে এই রকম করা শাস্তি আর অপমানই দরকার আমার চুরির ভূত মাথা থেকে নামাতে। ওকে অনুরোধ করল আমাকে এইভাবে ট্রিট করে যাওয়ার জন্য। আমার মা যাওয়ার আগে স্কুলকে অনেক টাকা ডোনেশান দিয়ে গেল। ফলে স্যারেরাও খুশি। আবার আলিয়ার হাতে আমি ১০ হাজার টাকা ধরাতে সেও খুব খুশি হল। সাথে অন্য দুই মনিটারকেও টাকা দিলাম মার কথা মত। সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় হল, ওই গল্পের মত সত্যিই আসলে কোন ঘড়ি চুরিই যায়নি সেদিন। টিফিনের আগে সেটা অনুস্কা হাতে পরেছিল। খেলতে যাওয়ার আগে খুলে নিজের ব্যাগে রেখে পরে পুরোই ভুলে যায়! অনুস্কা সেটা শুনেও বন্ধুকে ক্যাজুয়ালি বলে it's ok!! আর আমার সাথে এই কারনে যা হল সেটা?? আমি অবশ্য সত্যিই চরম কৃতজ্ঞ থাকব আমার সাথে যা হয়েছিল তার জন্য। ক্লাস ৭ থেকে ১২ অবধি পুরো স্কুল লাইফই আমার এরপরে কেটেছিল আলিয়া , শ্রদ্ধা আর অনুস্কার জুতোর তলায়। ওদের লাথি খেয়ে, ওদের জুতো চেটে, পা টিপে। নানাভাবে ওদের হাতে অত্যাচারিত আর অপমানিত হয়ে। বদলে ওদের হাতে তুলে দিতাম টাকার নোটের তাড়া। আমার মায়ের এই নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না। সতীনের সন্তানকে অত্যাচারিত হতে দেখার মজাই আলাদা! তার জন্য এইটুকু অর্থ অপচয় হলে কি যায় আসে? স্কুলে ক্লাসের সবার সামনে এইভাবে এবিউজ হওয়া যে একই সাথে কি অপমানের আর একই সাথে কি প্রচন্ড আনন্দের তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। আমি সত্যিই মনে করি, সব বিষয়ে সমানাধিকার ঠিক না। আলিয়ার মত ফর্শা সুন্দর চেহারার প্রভুদের অবশ্যই অধিকার থাকা উচিত আমার মত কালো কুশ্রীদের যেমন খুশি অত্যাচার করার।

Tuesday, 1 March 2022

আমার প্রভু বোন রিয়া

আমার প্রভু বোন রিয়া ; ১... আমাদের বাড়ি উত্তর কলকাতায়৷ বাড়িতে থাকি আমি, মা আর আমার দুই বছরের ছোট বোন রিয়া। বাবা বাইরে চাকরি করে। মাসে গড়ে একবার আসে। ছোট থেকেই দেখছি এরকম চলছে। আমি এখন কলেজে ফার্স্ট ইয়ার আর রিয়া ক্লাস ১১ এ পড়ে। আমার গায়ের রঙ মাঝারী, চেহারা সাধারন। আর বোন ফর্শা, দেখতে খুব সুন্দরী। ছোট থেকেই আত্মীয় প্রতিবেশীরা ওকে এই নিয়ে প্রশংসা করত। চেহারার জন্যেই আত্মীয়রা ছোট থেকেই ওকে একটু বেশি আদর করত আমার চেয়ে, আমার মা বাবাও। আমার কোনদিনই এটা খারাপ লাগে নি। ছোট থেকেই বরং আমি বোনের প্রতি সাবমিসিভ ফিল করতাম। শুধু নিজের বোনের প্রতিই, অন্য কোন মেয়ের প্রতি এরকম ফিলিং আসতো না। বাবা বাইরে থাকত, ফলে সংসার মাই চালাতো। আমি ছোট থেকেই মায়ের বাধ্য ছেলে ছিলাম। আমাদের বাড়ির অবস্থা সাধারন, বাড়িতে কাজের লোক না থাকায় আর বাবা বাইরে থাকায় ঘরে বাইরের সব কাজ মাকেই করতে হত। আমি একটু বড় হতেই আসতে আসতে অনেক কাজ করে দিতে শুরু করি। মা আমাকে এই জন্য বেশ ভালবাসত। ঘর ঝাঁট দেওয়া থেকে বাসন মাজা, বাজার করা থেকে লন্ড্রি সবই আমি সময় পেলেই করে দিতাম। এরকম ছেলে কোন মা না চাইবে? কথায় বলে অতিরিক্ত আদরে বাচ্চারা বাঁদর হয়। আমার বোন ছোট থেকে অতিরিক্ত আদর পেত বাড়ির ছোট মেয়ে আর সুন্দর চেহারার জন্য, ফলে ও ওরকমই হয়ে উঠেছিল। বাড়ির কাজ তো দূর, নিজের কাজও করতে চাইত না কিছু। ১০ বছর বয়সে পরেও ও নিজের জামা কাচা বা জুতো খোলা তো দূর, জামা যেখানে খুশি ছুড়ে ফেলত। কেউ খুলে না দিলে জুতো পরে ঘরে ঢোকা তো বটেই, জুতো পরে খাটেও শুয়ে পরতো। এই বয়সে মা একটু রাগ দেখাতে শুরু করে এই নিয়ে। কিন্তু আমি বলি " কি হয়েছে মা, বোন ছোট, ও পারে না, আমি করে দেব।" মা যদিও মনে করিয়ে দিত ওই বয়সে আমি কত কিছু করতাম, তবু শেষে কিছু বলত না। ফলে বোনের ঘরে ছুড়ে ফেলা জামা গুছিয়ে কাচার দায়িত্ব আমর হল, ওর পা থেকে জুতো খুলে দেওয়া, পালিশ করে দেওয়ার দায়িত্ব আমার হল। বোন তখনো নিজের হাতে খেত না, মা খাইয়ে দিত। ১২ বছরে পৌঁছে ও নিজে হাতে খাওয়া শুরু করে। কিন্তু খাওয়ার প্লেট ও টেবিলে রেখেই উঠে যেত। আর আমি রিয়ার চেয়ে মাত্র দুই বছরের বড় হয়ে টেবিল মুছে প্লেট তুলে বাসন মাজতাম রেগুলার। মা ছোট বয়সে বোনের অনেক প্রশংসা করলেও এই বয়সে এসে আমাকে বলতো বোনকে এত মাথায় না তুলে ওকেও কিছু কাজ করতে বল। কিন্তু আমি বলতাম প্লিজ মা, আমি তো করছি কাজ। বোন আরাম করুক। আসলে বোনের প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভনেস দেখাতে আমার দারুন লাগত। আমাদের ঘরে দুটো বেডরুম ছিল, তাই আমাকে আর বোনকে এক ঘরে শুতে হত। আমি আর বোন আমার ১২ বছর বয়স অব্দি এক খাটে শুতাম। তারপরে আলাদা হলেও ঘরে আর খাট রাখার জায়গা না থাকায় বোন খাটে শুত আর আমি মেঝেতে। রোজ রাতে দুটো বিছানাই আমি করতাম, আর বোন শুধু এসে রাজকন্যার মত ঘুমিয়ে যেত। এছাড়া আমার সাবমিসিভনেসের সুযোগ ও প্রায়ই নিত। আমার হাত খরচের টাকা ও বেশি খরচ করত আমার থেকে। এইভাবেই আমাদের বড় হওয়ার মধ্যেও আমার বোনের প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভনেস ফুটে উঠেছিল অল্প। সরাসরি বোনের সেবা তখন প্রায় কিছুই করিনি। শুধু ওর পা থেকে জুতো মোজা খুলে দেওয়া ছাড়া। কখনো ওর পা টেপার সুযোগ ও হয়নি এই বয়সে। শুধু আমি মেঝেতে শুলে বোন মাঝে মাঝে মজা করে আমার বুকে চটি পরা পা তুলে কথা বলত আমার সাথে। আমার দারুন লাগত। কিন্তু আমার ১৫ বছর বয়স অব্দি এর বেশি কিছু হয়নি। আসলে সরাসরি সেবা করার ফ্যান্টাসি গুলোও তখনো আমার ক্লিয়ার হয়নি। বোন আমার প্রভু, ও আমার সুযোগ নিচ্ছে এতেই আমি আনন্দ পেতাম। কিন্তু খোকাদার ব্লগ যখন প্রথম পড়লাম ক্লাস ১০ এ উঠে, বিশেষ করে ছোট বোনের সেবা করার গল্প গুলো, তখন আমারও ইচ্ছা হল যদি সরাসরি বোনের সেবা করার সুযোগ পেতাম কি ভালি না হত! আমি নিজেই সাহস করে এগোলাম। মাধ্যমিকের টেস্ট এর অংক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার দিন সকালে হঠাত বোনকে সরাসরি বললাম, " আমি একটা দুঃস্বপ্ন দেখেছি। শুনলে তুই হাসবি হয়ত। কিন্তু আমার বিশ্বাস এটা সত্যি। তাই ভিশন নার্ভাস লাগছে।" বোন জিজ্ঞাসা করল কি স্বপ্ন? আমি বললাম " তোর পা ধুয়ে জল খেয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষা ভাল হবে। নাহলে আমি ফেল করব এটাই স্বপ্নে দেখলাম।" শুনে বোন হাসতে হাসতে বলল, " তাহলে এটা খারাপ স্বপ্ন হয় কি করে? তোর এক্সাম তো ভাল হবে তাহলে আজ।" আমি ভিশন এক্সাইটেড হয়েছিলাম বোনের উত্তর শুনে। মা ঘরেই ছিল, শুনে বলল তুই পুরো পাগল হয়ে যাচ্ছিস দিপ। কিন্তু বাধা দিল না। আসলে আমি অংক পরীক্ষা নিয়ে চিরদিন খুব টেনশান করতাম। তাই পাগলামী করেও আমার টেনশান কমলেও মা তাতে বাধা দেবে না জানতাম। আমি মায়ের সামনেই বোনের পা ধুয়ে জল খেলাম ভক্তিভরে। তারপরে বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে পরীক্ষা দিতে গেলাম। জীবনে প্রথম বোনের ভালভাবে সেবা করা সেটা। আসলে আমি অনেক প্ল্যান করেই এটা করেছিলাম আগে আমি অন্য সাব্জেক্টে ভাল ফল করলেও অংকে খারাপ করতাম। আর বোন ছিল উল্টো। আমি সেবার অনেক বেশি ভাল করে অংকের প্রিপারেশন নিয়েছিলাম। যাতে অংকের রেজাল্ট ভাল হলে সেটা বোনের পা ধোয়া জল খাওয়ার ফল বলে চালিয়ে আবার এটা করতে পারি। হয়েছিল ও তাই। টেস্টের অংকে খুব ভাল নম্বর পেতে আমি বাড়ি ফিরে বলেছিলাম এটা স্বপ্নাদেশ মানার ফল। আমার বিশ্বাস এটাই আমার অংকে ভাল করার উপায়। রোজ এইভাবে বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়া। মা আমাকে পাগল বললেও বোন বেশ খুশি হয়েও মেনে নিয়েছিল। আর আমি টেস্ট এর রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ২ মাস রোজ বোনের পা ধুয়ে জল খেতাম আর বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতাম ভক্তিভরে। কিছুদিন পর থেকে বোন ওর চটি পরা একটা পা আমার মাথার উপরে রেখে আশির্বাদ করাও শুরু করে। মা সব দেখত, আর ভাবত আমি একটা গাধা আর বোন তার সুযোগ নিয়ে এসব করাচ্ছে! আমি, মা আর বোন ছাড়া শুধু বোনের এক বান্ধবী টিয়া জানত যে বোন আমাকে দিয়ে ঘরের কাজ করায় আর আমি উদ্ভট স্বপ্ন দেখে বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে পরীক্ষা দিতে যাই। এটুকুই ওকে বলেছিল বোন। কিন্তু পা ধুয়ে জল খাওয়ার কথা বলেনি, বোধহয় নিজের দাদার অসম্মান করতে চায়নি বেশি বন্ধুদের কাছে। এই সময় বোন আসতে আসতে আমাকে ডমিনেট করতে আরও বেশি করে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। আমাকে দিয়ে মাঝে মাঝে পা টেপাতে শুরু করে নিজে থেকেই। আর আমি মেঝেতে শুলে আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়েও যেতে থাকে মাঝে মাঝে। এমনকি আমার বুকের সাথে মুখের উপরেও চটি পরা পা রেখে আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে চলে যেতে শুরু করে বোন এই সময়ে। আমার তখন ১৫ আর বোনের ১৩ বছর বয়স। মা দেখলে রেগে যেত অবশ্যই, কিন্তু আমরা পাত্তা দিতাম না। বোন বরং মা কে রাগানোর জন্য মাঝে মাঝে ইচ্ছা করেই এরকম করত। তবে বাবা বাড়ি এলে আমরা ভুলেও এসব করতাম না। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার কোন কারন ছিল না। কিন্তু তাও আমি সেটা বন্ধ করলাম না। মা বলতে বললাম রেজাল্ট বেরানোর আগে বোনের আশির্বাদ নেওয়া বন্ধ করলে যদি রেজাল্ট খারাপ হয়ে যায়? মা আমার পাগলামীর সাথে আর পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা না করে বলল, " ঠিক আছে, তুই হলি পাগল আর তোর বোন পাগলের দেবী সরস্বতী। তোর যত খুশি দেবীর চরনামৃত পান কর, আমি আর কিছু বলব না।" এই সময়ে বোনের রেগুলার পা টেপা শুরু হয়েছিল বোনের ইচ্ছাতেই। বোন রোজই এক বা দুই বেলা প্রায় ৩০ মিনিট ধরে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে শুরু করে। টুকটাক আসতে চড় লাথিও মারত মজা করে। তবে আস্তেই। এরপরের দুই বছর আমার বোনের সেবা করা মোটামুটি এরকমই ছিল। এতেও আমি খুব খুশি ছিলাম। আর মায়ের বা বাড়ির কাজ করে দেওয়াটাও অবশ্যই চালু ছিল। এই বছর মে মাসে একটা এক্সিডেন্টাল ঘটনার পরে বোনের আরো বেশি সেবা করার সুযোগ হয় আমার। ২... এবছর মে মাসের একটা ঘটনা আমার বোনের সেবা করা বাড়িয়ে দেয়, আর মা মাঝে মাঝে যে রাগ দেখাত এ নিয়ে সেটাও এ সময়ের পরে বন্ধ হয়ে যায়। তবে সেই টার্নিং পয়েন্টের আগে এর উপযুক্ত পরিস্থিতি বহুদিন ধরে আসতে আসতে তৈরি হচ্ছিল৷ মা রোজই দেখত আমি দুইবেলা প্রায় ঘন্টাখানেক বা তারও বেশি সময় ধরে বোনের পায়ের কাছে বসে বোনের পা টিপে দিই৷ মাঝে মাঝে চেয়ারে বসা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে পরি আমি৷ বোন ওর চটি পরা পা আমার বুকে তো বটেই, এমনকি নির্দিধায় আমার মুখের উপরেও রাখতে থাকে। যতদিন যেতে থাকে তত ওর পা টেপার সময়ে ওর পা আমার কোল, বুক হয়ে মুখের উপরে বেশি সময় থাকতে শুরু করে। মা প্রথম দিকে বেশ আপত্তি করলেও পরে আমাদের এই ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে দেখে কিছুই বলত না প্রায়। বোন পা টেপানোর সময়ে ওর চটির তলা দিয়ে আমার ঠোঁট, গাল, কপাল ঘসে খেলত। মা দেখেক কিছু বলত না পরে আর। আমি ভাবতাম হাল ছেড়ে দিয়েছে মা। তবে মা কখনো বাবাকে কেন বলে দেয় না ভেবে অবাক লাগত। ভাবতাম, হয়ত এই পাগলামির বাইরে আমার ভাল স্বভাবের জন্যই আমাকে বকা খাওয়াতে চায় না। মায়ের এক রকম মেনে নেওয়া আর আমার ওর প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভনেসের ফলে বোন কিন্তু ক্রমে বেশ ডমিনেটিং হয়ে উঠছিল। প্রথম দিকে যেমন আমিই ওকে ডমিনেট করতে দেওয়ার সুযোগ দিয়েছিলাম, সেরকম না। ও নিজে থেকেই আমাকে ওর পায়ের তলায় শুতে বলত পা টেপার সময়ে। ওর ঘরে পরার চটি পরা পা তো বটেই, নির্দিধায় মায়ের সামনেও ওর বাইরে পরার জুতো শুদ্ধু পা আমার মুখের উপরে তুলে দিয়ে আমাকে পা টিপে দিতে অর্ডার করত আমার দুই বছরের ছোট সুন্দরী বোন রিয়া। আমার মুখের উপরে ওর জুতোর তলার ময়লা ঘসত পাপোষের মত। মা দেখত, প্রথম দিকে আপত্তিও করত। কিন্তু আমরা কেউ না শোনায় পরে আর কিছুই বলত না। বোন শুধু বসা অবস্থায় আমার মুখে বুকে পা দিত তা নয়। আমি মেঝেতে শুয়ে থাকলে জুতো বা চটি পরা পায়ে আমার বুকের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে পরত বোন। আমার মুখের উপরে জুতো পরা দুই পায়ে বেশ অনেকক্ষন টানা দাঁড়িয়ে থাকত প্রায়ই৷ কখনো বা ওর একটা পা আমার গলার উপরে আর আরেকটা পা নাকের উপরে রেখে দাঁড়াতো বোন। আমি নিশ্বাস নিতে পারতাম না ভাল করে, তবু সব কষ্ট উপেক্ষা করে বোনের জুতো বা চটি পরা পা দুটো টিপে দিতাম চাকরের মত। ওর প্রতি আমার সাবমিসিভনেস দেখে বোনের মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠত। ইচ্ছা করে আমার নাকটা জুতোর তলায় চেপে ধরত বোন, ওর প্রতি আমার ভক্তি পরীক্ষার জন্য হয়ত। আমি জবাবে ওর পা টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলায় আলতো চুম্বন করতে করতে মনে মনে ওকে ধন্যবাদ দিতাম। আমি সারাদিন চাকরের মত বোনের সেবা করতাম৷ ওর প্রতিটা কাজ করে দিতাম নিজে খেয়াল রেখে। ও কিছু আদেশ করলে সাথে সাথে সব কাজ ফেলে তা করতে ছুটতাম। রোজ সকাল আর বিকাল দুইবেলা ওর পা ধুয়ে জল খাওয়া শুরু করেছিলাম ক্রমে। প্রভু বোনের পা ধুয়ে জল খাওয়ার পরে আমি ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতাম আর বোন আমার মাথার উপরে এক্সটি পরা পা রেখে আশির্বাদ করত মায়ের সামনেই। মা দেখত, কিন্তু আর কিছু বলত না পরে। আমি ঘর মোছার সময়ে বোন মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে নোংরা জুতো পরা পায়ে মেঝে মাড়িয়ে নোংরা করত। আমি খুশি মনে আবার বোনের জুতোর দাগ মুছতাম। বোন তখন প্রায়ই উলটে জুতো পরা পায়ে আমার মুখে বেশ জোরে লাথি মারত, শুধু৷ মজার জন্য। এটা বোন শুরু করেছিল যখন ওর বয়স ১৪ আর আমার ১৬। ক্রমে এটা বাড়তে থাকে প্রায় রোজই বোন এই কাজ করতে থাকে আমার সাথে। আমি খুবই খুশি হতাম বোনের এই আচরনে। মা প্রথমে রাগ করলেও আশ্চর্য জনক ভাবে ৩-৪ মাস পরে এইভাবে বোনকে অকারণে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে দেখেও আর কিছু বলত না। আমি বোনকে মাঝে মাঝে পড়াতে বসতাম বা পড়া দেখাতাম। তখন বোন চেয়ারে বসত আর আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে। আর আমি পড়া বোঝাতে পারিনি অজুহাত দিয়ে বোন মাঝে মাঝেই আমার গালে চড় বা চটি পরা পায়ে আমার মুখে লাথি মারত। এগুলো মা কিভাবে মেনে নিয়ে আমাদের সাথে স্বাভাবিক আচরন করছে ভেবে অবাক হতাম আমি। অবশ্য এগুলো একদিনে হয়নি। দুই বছরের বেশি সময় ধরে আসতে আসতে বাড়ছিল। আর এর বাইরে আমি এতই ভাল ছেলে ছিলাম আর বোনকে আমার উপর প্রভুত্ব করা চালিয়ে যেতে দেওয়ার জন্য যেভাবে মায়ের পা ধরে রিকোয়েস্ট করতাম সেটা মা ফেলতে পারেনি। বোনের এই আচরন আমাকে ক্রমে ওর প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভ করে তুলেছিল৷ আগের বছর ( ২০১৮) মে মাসে HS এর পরে একদিন সকালে আমি বোনের জুতো পালিশ করছিলাম৷ বেশ অনেক জোড়া জুতো, ৩ টে স্নিকার ২ টো কিটো আর ২ টো ঘরে পরার চটি। এক এক করে পরিস্কার করতে গিয়ে দেখি বোনের একটা স্নিকারের তলায় একটা চুইং গাম লেগে আটকে আছে। সেদিন সকালে আমার ঘর মোছার সময়ে বোন জুতো পরা পায়ে অকারনে মায়ের সামনে খুব জোরে আমার মুখে প্রায় ৭-৮ টা লাথি মেরে শপিং করতে বেরিয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনা আমাকে বোনের প্রতি আরো সাবমিসিভ করে তুলেছিল। ফলে বোনের জুতোর তলায় ওইভাবে চুইং গাম আটকে থাকতে দেখে আমি সেটা নিজের দাঁত দিয়ে ঘসে তোলার চেষ্টা করছিলাম। চুইং গাম টা শক্ত হয়ে আটকে থাকায় আমার বেশ সময় লাগছিল। হঠাত দেখি দরজার সামনে বোন, এইভাবে আমাকে ওর জুতোর তলা থেকে দাঁত দিয়ে চুইং গাম পরিস্কার করতে দেখে হাসছে। ওর হাতের শপিং ব্যাগটা টেবিলের উপরে রেখে বলল, " কি করছিস দাদা?" আমি দূর থেকেই ওর দিকে ফিরে মেঝেতে মাথা ঠেকিয়ে দূর থেকে ওকে প্রনাম করে বললাম, " তোমার জুতোর তলায় একটা চুইং গাম আটকে ছিল উঠছিল না। তাই আমি দাঁত দিয়ে সেটা তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি প্রভু।" আমার কথা শুনে বোন হাসিমুখে বলল " বাহ, দারুন তো, একেই বলে ছোট বোনের প্রতি ভক্তি।" তারপরে গলা বাড়িয়ে ডাক ছাড়লো, " মা দেখে যাও। আমার প্রতি দাদার ভক্তির নিদর্শন।" বোনের ডাক শুনে মা পাশের ঘর থেকে এ ঘরে এল, তারপরে সোফায় বসে একদৃষ্টে আমার পাগলামি দেখতে লাগল৷ বোনও তখন মায়ের পাশে সোফায় বসে পকেট থেকে একটা চুইং গাম বার করে চেবাতে চেবাতে ওর প্রতি আমার ভক্তির নিদর্শন দেখছে। আমি মায়ের সামনেই বোনের সাদা বাঁ স্নিকারের তলায় লেগে থাকা চুইং গামটা দাঁত দিয়ে ঘসে ছাড়াতে লাগলাম। মায়ের সামনে এইভাবে বোনের প্রতি সাবমিসিভনেস দেখাতে পেরে আমি খুবই আনন্দ পাচ্ছিলাম। যদিও মনে হচ্ছিল মা এক্ষুনি আমাকে পাগলামি বন্ধ করতে বলবে। বোনের জুতোর তলা আমাকে দাঁত দিয়ে ঘসে পরিস্কার করতে দেখেও মা কেন আপত্তি করছে না এখনো ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম আমি। ৫ মিনিট পরে দেখি বোন ওর চুইং গামটা মুখ থেকে মেঝেতে ফেলল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে পরল সেটার উপরে। প্রায় দুই মিনিট সেটার উপরে জুতো পরা ডান পা রেখে দাঁড়িয়ে রইল আমার প্রভু বোন। তারপরে বেশ কয়েকবার মেঝেতে লাথি মারল জুতো পরা পায়ে, যাতে চুইং গামটা জুতোর তলায় আরো শক্ত হয়ে লেগে যায়। তারপরে সোফায় আবার বসে পরে মুখে দুষ্টু হাসি ঝুলিয়ে বলল, " গাধা, এই জুতোর তলাতেও চুইং গাম লেগে গেছে। এটাও একইভাবে দাঁত দিয়ে ঘসে তুলে দে আগে।" বোন মায়ের সামনে এইভাবে আমাকে ডমিনেট করছে আর মা কিছু বলছে না তখনো যেন আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। আমি চার হাত পায়ে এগিয়ে বোনের দিকে এগোলাম। বোন বাঁ পায়ের উপরে ডান পা রেখে বসে আছে দেখে আমি ওর জুতোর পাশে মাথা রেখে চিত হয়ে শুলাম। তারপরে দাঁত দিয়ে ঘসে বোনের পায়ে পরা কালো স্নিকার থেকে দাঁত দিয়ে ঘসে চুইং গাম টা তুলতে লাগলাম। বোন এক মিনিট পরে আমার মুখে একটা লাথি মারল ডান পায়ে, " শুধু দাঁত দিয়ে ঘসলে পুরোটা উঠবে না, উলটে দাগ পরে যাবে। তারচেয়ে আগে জিভ দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে দাঁত দিয়ে ঘস। পরে আবার জিভ দে, তাহলে পুরো পরিস্কার হবে।" মায়ের সামনে বোন আমাকে দিয়ে ওর পায়ে পরা নোংরা জুতোর তলা চাটাচ্ছে আর মা সেটা বিনা প্রতিবাদে মেনে নিচ্ছে আমার সেটা যেন তখনো বিশ্বাস হচ্ছিল না। আমি জিভ দিয়ে বোনের জুতোর তলায় লেগে থাকা চুইং গাম টা চেটে ভেজাতে লাগলাম, সেই সাথে পাশের আরো অনেকটা জায়গা জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম বোনের জুতোর তলার ময়লা সরাসরি আমার জিভ থেকে মুখে ঢুকতে লাগল। তারপরে চুইং গামটার উপরে আবার দাঁত দিয়ে ঘসতে লাগলা। একটু পরে বোন পা তুলে জুতোর তলাটা দেখে বলল, " গ্রেট জব। এবার বাকি জুতোর তলাটা একইরকম যত্ন করে জিভ দিয়ে পরিস্কার করে ফেল।" আমি মায়ের সামনেই বোনের জুতোর তলা জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম। বোন রোজকার মতই আমার মুখের উপরে ওর জুতো পরা পা দুটো রেখে বসেছিল। আমি ওর পা দুটো টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করে দিচ্ছিলাম মায়ের সামনেই। ডান জুতোর তলা ৫ মিনিট চেটে পরিস্কার করে দেওয়ার পরে বোন পা বদলালে আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার ১৫ বছর বয়সী প্রভু বোনের জুতোর তলা চাটতে লাগলাম। বোন মাকে এতক্ষন বিনা প্রতিবাদে সব দেখতে দেখে একটু অবাক হয়েই জিজ্ঞাসা করল, " এইভাবে দাদাকে আমার সেবা করতে দেখে কেমন লাগছে মা?" মা আমাকে অবাক করে বলল " যেদিন প্রথম তোর দাদাকে তোর সেবা করা নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখলাম সেদিন খুব অবাক আর খারাপ লেগেছিল। কিন্তু আমি তোদের এইভাবে প্রায় দুই বছর দেখছি। ও এমনিতেই খুব ভাল ছেলে আর তোর যত সেবা করছে ও তত ও অন্য সব দিক থেকে আরো ভাল হচ্ছে। তোর ও এতে ভালই হয়েছে। আর এইভাবে জীবন কাটাতে পেরে তোরা দুজনেই কতটা সুখে আছিস সেটা তো বুঝতেই পারছি আমি মা হয়ে। আর মা তার সন্তানদের সুখের চেয়ে বেশি আর কি চাইতে পারে জীবনে? জানি না ভগবান কেন তোদের সম্পর্ক এরকম গুরু আর ভক্তের মত করলেন। কিছু উদ্দেশ্য তার আছে যা আমাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব না। কিংবা হয়ত তোর মধ্য দিয়েই তিনি স্বয়ং পুজো নিতে চান দিপের থেকে। আমার এখন মনে হয় যা হচ্ছে তার ইচ্ছাতেই হচ্ছে, আর সেজন্যই এর ফলে বাকি সব দিকে তোরা এত উন্নতি করছিস। তাই আমি আর এতে বাধা দেব না তোদের, বরং উতসাহ দেব। তুই তোর যত ইচ্ছা হয় তত ইউজ কর, মার তোর দাদাকে রিয়া। যত খুশি তত চাকরের মত ইউজ কর ওকে। আর দিপ তুইও যত খুশি তত সেবা কর রিয়ার, আরো বড় ভক্ত হয়ে ওঠ বোনের। ভগবান চান তোদের সম্পর্ক গুরু আর ভক্তের মত হোক। তাই তুই সারজীবন এইভাবে তোর বোনের দাস হয়েই থাক আর ওর সেবা করে যা।" এরপরে মা আর কখনো আমাদের বাধা তো দেয়নিই, উলটে উতসাহ দিত। বোন তাতে আরো বেশি উতসাহ পেয়ে আরো বেশি অত্যাচার করত আমার উপরে, এখনো করে। আর আমিও আগের মতই ভক্তিভরে সেবা করি বোনের। অবশ্য বাবা দুই সপ্তাহ আগে পার্মানেন্টলি বাড়ি ফিরে আসায় কিছু অসুবিধা হচ্ছিল। বাবার সামনে বোনের সেবা করতে সাহস হচ্ছিল না। শেষে বোন নিজে থেকে হুকুম করা শুরু করে। আর মাও নানাভাবে ব্যাখ্যা করে ব্যাপারটা সহজ করে তোলার চেষ্টা করে বাবার কাছে। এখন যদিও বাবার সামনে বেশি সেবা করা শুরু করি নি তবু চাকরের মত বোনের পায়ের তলায় শুয়ে ওর পা টেপা বা সারাদিন চাকরের মত ওর কাজ করা করছি। বোন বাবার সামনে অলরেডি আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে পা টিপিয়েছে আমাকে দিয়ে। আর মা বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করেছে আমাদের যাতে আমরা বাবার সামনেও এই সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারি।

Saturday, 1 January 2022

অরুপ ও অনুষ্কা...

"গাধা, এই গাধা! এ দিকে তাকা।" শুক্রবার রাত ১০ টা। সারাদিন অফিস করে ডিনার সেরে খাটে শুয়ে ফেসবুক করছিলাম। হঠাত ডান কানে প্রচন্ড জোরে মোচড় খেয়ে আমি সে দিকে ফিরে তাকালাম। আমার ১৫ বছর বয়সী আদরের সুন্দরী ছোট বোন অনু খাটের পাশে বসে কথা গুলো বলার পরেও ওর ডান হাত দিয়ে আমার ডান কান মোলা চালিয়ে গেল। ওর মুখে মুচকি হাসি। "বলুন মহারানি, কি হয়েছে?" আমার ৭ বছরের ছোট বোনকে মহারানি বলা আর ওর আমাকে দাদার বদলে গাধা বলে ডাকা শুনলে মজা করে বলা বলেই মনে হবে। এটা আংশিক সত্যি, আমাকে অল্প এবিউজ করে ও যেমন মজা পায়, আমারও একটু ভাল লাগে ছোট বোনকে মজার ছলে এক্সট্রিম রেস্পেক্ট দেখাতে। বোন ওর হাতের আইপ্যাড প্রো-টা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল - " এই খবর ট দেখ।" ইউ টিউবের একটা ছোট্ট ভিডিও। আমেরিকা নিবাসি মনিশ শেঠি নামের এক ইঞ্জিনিয়ারের নাকি ফেসবুক এডিকশানের জন্য কাজে মন বসে না। তাই সে টাকা দিয়ে এক কম বয়সী মেয়েকে নিয়োগ করেছে। সে কাজের সময়ে ফেসবুক খুললেই মেয়েটি তার গালে জোরে থাপ্পর কশাবে যাতে সে ফেসবুক ছেড়ে কাজে মন দিতে পারে। আর তার এই প্ল্যান নাকি সাকসেসফুল। মেয়েটির হাতে রোজ কয়েক ডজন থাপ্পর খেয়ে তার নাকি ফেসবুক এডিকশান কমেছে। কাজে মন বসছে! আর মেয়েটিও স্রেফ একজনকে থাপ্পর মেরে মাস গেলে মোটা টাকা রোজগার করছে! " কি বুঝলি?" - আমার গালে হালকা একটা থাপ্পর মেরে অনু জিজ্ঞাসা করল। " থাপ্পর খেলে ফেসবুক এডিকশান কমে। গ্রেট আইডিয়া! তোর ফেসবুক এডিকশান এভাবে কমাতে হলে মায়ের সাহায্য নিতে পারিস!" - আমি বললাম। বোন এবার মাঝারি জোরে পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে মুখে রাগ ফুটিয়ে বলল " এডিকশান আমার নেই, তোর আছে। আর সেটা কমাতে পারলে তোরও কাজে কম্মে মন বসবে। অফিসে প্রমোশান পাবি। তাই এই লোকটার মত তুইও এই পথ নে। আমাকে নিয়োগ কর। বেশি না, মাসে মাত্র ২০ হাজার টাকা মাইনে দিলেই হবে। যখনি তুই ফেসবুক খুলবি, আমি এসে তোর গালে জোর থাপ্পর মারব আর জোরে কান মুলে দেব। তাতেও কাজ না হলে লাঠি আর লাথি দুটোই পরবে। দেখ, এই মনিশ শেঠির মত তোরও অনেক উন্নতি হবে এতে!" বোনের মুখের হাসি দেখে আমি বুঝতে পারছিলাম না ও,ইয়ার্কি মারছে নাকি সত্যিই এরকম অদ্ভুত জিনিস ইম্পলিমেন্ট করতে চাইছে। আমার নাম অরুপ , বয়স এখন ২২। আমার ভাগ্য ভাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেই একটা বড় মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানিতে মাসে ৬৫ হাজার টাকা বেতনে জয়েন করার সুযোগ পেয়েছি ৩ মাস আগে। কোভিড পরিস্থিতিতে বাবার ব্যাবসার অবস্থা বেশ খারাপ, আমাদের পরিবার এক রকম বেঁচে গেছে আমি ভাল চাকরি পাওয়ায়। চাকরি পেয়ে এই ৩ মাসে আমি নিজের জন্য কিছুই কিনি নি। বাবা মাকে উপহার দিয়েছি। আর বোনেরটা ও আমার কান মুলে আদায় করে নিয়েছে। অনেক টাকার শপিং। একটা ২৫ হাজার টাকার ফোন। তারপর ইন্সটলমেন্টে ৭৫ হাজার টাকার আই প্যাড প্রো-ও কিনে ছেড়েছে। আমি সেখানে এখনো ৭ হাজার টাকার পুরনো ফোনই ইউজ করে যাচ্ছি। আর এখন ওর প্রস্তাব হল আমাকে থাপ্পর মারার জন্য ওকে মাসে ২০ হাজার টাকা করে দিতে হবে! সোসাল মিডিয়ার নেশা আমার নেই। সপ্তাহের শেষে বড়জোর ৩০ মিনিট ব্যয় করি আমি এর পিছনে। আর বোন বোধহয় রোজ কয়েক ঘন্টা সোসাল মিডিয়ায় কাটায়। একে আমি ইন্ট্রোভার্ট, তার উপর অফিসের ডিউটি। আর আমার বোন অনুষ্কা সেখানে এক্সট্রোভার্ট, ডমিনেটিং আর সেই সাথে ডানা কাটা পরীর মত দেখতে। ফলে এই অসামঞ্জস্য স্বাভাবিক। আমি কি উত্তর দেব ভেবে পাচ্ছিলাম না, যদিও এই প্লান বোন সত্যিই ইম্পলিমেন্ট করতে চাইছে ভেবে এক্সাইটেড লাগছিল খুব! নিজের চেয়ে ৭ বছরের ছোট, ১৫ বছর বয়সী বোন অনুকে আমি প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে দেব আমাকে চড় মারার জন্য, যাতে আমি সপ্তাহে ৩০ মিনিট করে সময় নষ্ট না করি ফেসবুক করে! বাহ, কি দারুন পরিকল্পনা বোনের! আমার থেকে কোন উত্তর না পেয়ে বোন আবার আমার গালে মাঝারি জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল "এই গাধা, উত্তর দিস না কেন?" এই প্লান বাস্তবায়িত হলে আমার খুবই ভাল লাগবে আমি জানি। তবু, সরাসরি বলে উঠতে পারলাম না বোনকে সেটা। বরং বললাম- " আমি যদি সপ্তাহে ৭ দিনে ৩০ মিনিট সোসাল মিডিয়া করি, তুই প্রতিদিন তার ৭ গুন সময় দিস এতে। তাই থাপ্পর থেরাপি কারো সত্যিই দরকার হলে সেটা তোর , আমার না!" এ কথা শুনে বোনের মুখ গম্ভীর হয়ে গেল। পরক্ষনেই আমার দুই গালে বেশ জোরে দুটো থাপ্পর আছড়ে পরল। তারপর আমার গলাটা আলতো করে টিপে ধরে বোন বলল, " এই গাধা, ভাল চাস তো ক্ষমা চা আমার পায়ে ধরে। নাহলে সারা জীবনের জন্য তোর সাথে কোন সম্পর্ক রাখব না আমি বলে দিলাম। " কি আর করি, বোন অনু গলা ছাড়লে আমি খাট থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। বোনের পরনে একটা লাল টি শার্ট,,ছাই রঙের ট্রাউজার,,পায়ে লাল চটি। ফর্শা সুন্দরী বোনকে দারুন দেখাচ্ছে এই পোশাকে। আমি সোজা নিজের মাথা বোনের পায়ের উপরে নামিয়ে দিলাম। "সরি বোন, আমি ইয়ার্কি মেরে বলে ফেলেছি। তোকে আমি কখনো মারতে পারি? মারবি তো তুই আমাকে,তোর যত ইচ্ছা তত। প্লিজ ক্ষমা করে দে। তুই সম্পর্ক না রাখলে আমার তো আপন কেউ থাকবে না। প্লিজ দয়া কর।" এই বলতে বলতে আমি বোনের পায়ে আসতে আসতে মাথা ঘসতে লাগলাম। "ক্ষমা করতে পারি, যদি তুই আমার প্রস্তাবে রাজি হোস।" আমার মাথার উপরে চটি পরা ডান পা তুলে দিয়ে মাথার উপরে চটির তলা ঘসতে ঘসতে বলল বোন। " রাজি তো বটেই। তোর সাথে একটু ইয়ার্কি মারছিলাম শুধু। তোর হাতে থাপ্পর খাব এ তো আমার সৌভাগ্য।" - আমি বললাম। ঠিক আছে যা, ক্ষমা করে দিলাম। বোন ওর ডান চটি পরা পা আমার মাথার উপরে চেপে ধরে বলল। তারপর পা সরাতে আমি মাথা তুলে তাকালাম বোনের দিকে। বোন ওর চটি পরা ডান পা তুলে একটা লাথি মারল আমার মুখে। " এটা ইয়ার্কি করে আমাকে থাপ্পর মারার কথা বলার জন্য। আমি বয়সে তোর চেয়ে ছোট হলেও তোর গুরুজন হই। সব সময়ে সম্মান দিবি আমাকে। বুঝলি?" মুখে ছোট বোনের লাথি খেয়ে আমি আবার ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বললাম " সরি ম্যাডাম"। " তোর একটা এটিএম কার্ড দে তো। আমার কিছু শপিং করার আছে।" আমি উঠে একটা এটিএম কার্ড এনে বোনের হাতে দিলাম। বোন চটি পরা পায়েই আমার খাটে শুয়ে পরে বলল, " যতক্ষন আমার শপিং শেষ না হয় ততক্ষন আমার পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপতে থাক।" আমি বোনের পায়ের তলায় শুয়ে ওর চটি পরা পা দুটো নিজের বুকের উপরে তুলে পা টিপতে টিপতে বললাম, " তুই আমাকে হুকুম করলে, আমাকে মারলে সত্যিই আমার খুব ভাল লাগে রে বোন। তবে মাঝে মাঝে ইয়ার্কি মেরে অন্য রকম রিপ্লাই দিই। তুই না চাইলে আর বলব না এরকম।" " তোর ভাল লাগে আমি জানি। নাহলে তুচ্ছ কারনে কোন দাদা ৭ বছরের ছোট বোনের থাপ্পর খেয়ে উলটে তার পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চায় না। আর ওই মনিশ শেটিরও ভাল লাগে মেয়েদের হাতে থাপ্পর খেতে। নাহলে কেউ নিজেকে থাপ্পর মারার জন্য কোন মেয়েকে টাকা দিয়ে নিয়োগ করে না। " এই বলতে বলতে বোন ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নাকে একটা লাথি মেরে বলল, - " নে, অনেক কথা বলেছিস। এবার মন দিয়ে আমার পা টিপতে থাক আর আমাকে শপিং করতে দে মন দিয়ে। আর আমার একাউন্টে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে ভুলিস না। এর বদলে প্রতি সপ্তাহে ৩০ মিনিট আমার থাপ্পর আর লাথি খেতে পাবি তুই। প্রমিস।" বোন ওর চটি পরা বাঁ পা টা রেখেছিল আমার কপালে। আর ওর চটি পরা ডান পা টা আমার বুকে রাখা ছিল। আমি সেটা দুই হাতে তুলে ভক্তি ভরে তার তলায় একটা চুম্বন করে বললাম - "থ্যাংক ইউ ম্যাডাম।" বোন খুশি হয়ে ওর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরেই রেখে দিয়ে বলল, " নে, এবার আর কথা না বলে মন দিয়ে আমার পা টিপে দিতে থাক।" আমি মন দিয়ে আমার মুখের উপরে রাখা বোনের চটি পরা পা দুটো টিপে চললাম। আর বোন আমার টাকায় ইচ্ছমত শপিং করতে লাগল। সারা সপ্তাহের অফিস করার ক্লান্তিতে এই অবস্থাতেই কখন যেন ঘুমিয়ে পরেছি বুঝতে পারিনি। ঘুম ভাংল ভোর বেলায়, মুখের উপরে ঘুমন্ত বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে । বোন ঘুমের ঘোরে পা সরাতে গিয়ে লাথি মেরেছে আমার মুখে। জানালা দিয়ে শীতের শুরুর নরম রোদ ঘুমন্ত বোনের মুখে পরে ওকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে। আমি এখনো ওর পায়ের তলায় শুয়ে। গভীর আবেগ আর শ্রদ্ধায় ওর চটি পরা দুটো পায়ের তলায় আমি একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম। নিজের মুখ ঘসতে লাগলাম বোনের লাল চটির তলায়। তারপর সযত্নে আসতে আসতে বোনের পা দুটো পালা করে টিপে দিতে দিতে মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিলাম আমাকে এত সুন্দর একটা বোন দেওয়ার জন্য, এভাবে তার সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।

Wednesday, 1 December 2021

নারীবাদের যুগে.....

( 1st part is edited version of a story written by RAHAT). আমরা তিন ভাই বোন। আমার এক দিদি তারপর আমি, তারপর আমার ছোট বোন। আমাদের পরিবার গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবার | বড়ো দিদি আমার চেয়ে 18 মাসের বড়ো , দিদির নাম আলিয়া, দেখতে খুব সুন্দরী | বড়ো মেয়ে হওয়ার জন্য বাবা মা দিদিকে খুব ভালোবেসে রানীর মতো মানুষ করে তারপর 18 বছর বয়সে এক চাকুরীজীবির সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। জামাই বাবু খুব ভালো। দিদিকে খুব ভালোবাসে, দিদির কথাতেই উঠবস করে, দিদি জীবনে খুব সুখী | মায়ের মুখে শুনেছি বাড়িতে দুটো মাত্র ঘর থাকলেও দিদির জন্য একটা বরাদ্দ ছিল আর সেই ঘরে কারো ঢোকার অনুমতি ছিলনা, মা দিদিকে কোনোদিন কোন কাজ করতে দিতোনা এমনকি নিজের হাতে এক গ্লাস জল ও খেতনা, বাবা দিদিকে এমন জামা, জুতো কিনে দিত যেন সেটা গ্রামের সবার চেয়ে ভালো হয় | দিদির কথা ছাড়া বাড়িতে একটা সুচ ও কেনা হতোনা, দিদি ঠিক করে দিত কাকে কত টাকার জামা, জুতো কিনে দেওয়া হবে, আমার ভাগ্যে দিদি বা বোনের অর্ধেকও জুটতোনা, আমি দিদি বা বোনের সিকি ভাগও পায়নি তাই দিদির এইসব কথা শুনে দিদি আর বোনের সুখ নিয়ে আমার খুব হিংসে হয় | বাবা মার দিদিকে নিয়ে একটা অহংকার ছিল |দিদি খুব রাগী ছিল, আমাকে খুব শাসন করতো, ছোট থেকেই আমি দিদিকে খুব ভয় করতাম। এরকমও অনেকবার হয়েছে দিদির এক বকুনিতে আমি প্যান্টে পেচ্ছাব ও করে দিয়েছি | দিদি যখনই বাড়ি আসতো মাকে উপদেশ দিত ছেলে মানুষ বেশি আদর দিওনা বিগড়ে যাবে সবসময় শাসন করবে আর ছেলের জন্য এতো চিন্তা করবেনা আগে নিজে ভালো করে খাবে আগে নিজের শরীর ঠিক রাখো কিন্তু দেখতাম দিদি নিজের বরকে নিয়ে এসে প্রায়ই ভালো ভালো খাবার গুলো খেয়ে যেত তখন দিদির মায়ের প্রতি উপদেশ গুলো আর দিতোনা | তাছাড়া দিদির যখন বিয়ে হয় তখন আমার বয়স ১৬, অথচ তখনো দিদি এসে আমাকে বাচ্চা ছেলের মত শাসন করত, চড়-লাথি মারত। কিন্তু আমাদের ছোট বোন অনন্যার বয়স তখন মাত্র ১১, ওকে শাসন না করে শুধু আদর করত। আর মাকে বলত তোমার ছেলেটা খুব বাঁদর, কিন্তু ছোট মেয়েটা আমার চেয়েও ভাল। আমি তো আর নেই,,তাই বোনকেই দায়িত্ব দিও ওর দাদাকে শাসন করতে। এইসব কথা শুনে মা গলে যেত আর মা দিদির কথাকে বাণী হিসেবে মানত, মায়ের ভাবনা ছিল বড়ো মেয়ে কোনদিন কোন ভুল কাজ করবেনা, আর করতে বলবেও না। আর দিদিকে বলতো ঠিক আছে অনন্যাও ওর দাদাকে যেরকম ইচ্ছা শাসন করবে। তবে ও তো ছোট। তাই তোকেও মাঝে মাঝে এসে ভাইকে শাসন করতে হবে। এইসব দেখে দিদি আর বোনের প্রতি আমার হিংসেও হতো, আবার আমি হীনমন্যতায়ও ভুগি | মা বাবা দিদি আর বোনকে সমাজের বিরুদ্ধে গিয়েও সমর্থন করতো। দিদি ছোট থেকেই মেয়েদের স্বাধীনতাতে কোন বাধা পছন্দ করতোনা, এর বিরুদ্ধে কোন বাধা এলে লড়াই করত। মানুষ যাইই বলুক দিদি নিজের সুবিধা মতই কাপড় পরে, ইচ্ছা মত পার্ট করে, ইচ্ছা মত সময়ে বাড়ি ফেরে রাতে | বোন অনন্যাও দিদি আলিয়ার দেখাদেখি একই রকম স্বাধীনচেতা ও ডমিনেটিং হয়ে ওঠে। দিদি সবসময় আমাকে শাসন করত আর শিক্ষা দিত যে মেয়েদের কিভাবে সম্মান করতে হয়, আমাকে ছোট থেকেই শিক্ষা দিত মেয়েদের স্থান ছেলেদের উপরে | একই কথা বোনকেও বলত। স্কুলে রেজাল্টের দিন দিদি বাড়িতে এসে আগেই বসে থাকতো, আমার রেজাল্ট দেখে প্রতিবারই আমাকে পিটিয়েছে,কিন্তু আমার রেজাল্ট মোটামুটি হতো আর দিদি তিন বারে মাধ্যমিক পাস করেছিল, আমি অবাক হতাম কিন্তু ভয়ে কিছু বলতে পারতামনা | আমার ভাবতেও অবাক লাগে মাঝে মাঝে বাবা মা কি করে এগুলো মেনে নিত এত স্বাভাবিকভাবে। দিদি স্কুলে আমার চেয়ে এক ক্লাস উঁচুতে পড়ত। আমার আগের বছর দিদি মাধ্যমিক দিয়ে ব্যাক পায়। পরের বছর আমি আর দিদি আলিয়া একসাথে মাধ্যমিক দিই। আমি সর্বমোট প্রায় ৯০% নম্বর পাই, অংকে পাই ৯৯। দিদি বাকি সব বিষয়ে কোন রকমে পাস করলেও অংকে ফেল করে সেবারও । অথচ খারাপ রেজাল্ট করার জন্য সেই দিদির হাতেই আমাকে সেদিন ভিশন মার খেতে হয়। দিদি মায়ের সামনেই আমাকে একের পর এক চড়, আর চটির বারি মারতে থাকে আমার দুই গালে। আমার একই সাথে রাগ, হিংসা আবার দিদির প্রতি ভক্তি জন্ম নিতে থাকে এর ফলে। মা কে আমি উলটে বলি যে দিদি তো নিজে ফেল করেছে, সে কি করে ৯০% নম্বর পাওয়া আমার গায়ে হাত তোলে? মা বলে মেয়েদের দেখতে সুন্দর হলে আর কিছু দরকার হয় না। আর দিদির আমাকে মারার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলায় দিদি স্কুল জুতো পরা পায়ে আমার মুখে পরপর লাথি মারতে থাকে,,ছোট বোনকেও লাথি মারতে বলে আমার মুখে। বোন অনন্যার তখন ক্লাস ৬ সবে। সেই বাচ্চা বোনও মহানন্দে বিনা কারনে আমার মুখে স্কুল জুতো পরা পায়ে লাথি মারে। বোন আর দিদি দুজনেই আমার মুখে ১০ টার বেশি লাথি মারে সেইদিন। আমি বোন, দিদি, মা সবার পাই জড়িয়ে ধরছিলাম একের পর এক। পায়ে মাথা ঘসে ক্ষমা চাইছিলাম। যেরকম নম্বর পেলে বাকি বাড়িতে ছেলেদের মাথায় তুলে নাচে সেরকম নম্বর পেয়ে আমি পরীক্ষায় ফেল করা দিদির লাথি খাচ্ছি আর মা-দিদি-বোন সবার পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছি! একই সাথে রাগ- দুঃখ - হিনম্মন্যতা আর সুন্দরী,মেয়েদের প্রতি ভক্তি জেগে ওঠে আমার সেই দিন। এই ঘটনাটা অবশ্য বাবা জানতে পারে নি। কিন্তু আমার মধ্যে চুড়ান্ত হিনম্মন্যতার বীজ সেদিনের এই ঘটনাই পুঁতে দিয়েছিল। সেদিন রাতে সবাই ঘুমিয়ে পরলে আমি চুপি চুপি উঠে দিদি আলিয়া আর বোন অনন্যার স্কুলের সাদা স্নিকার দুটো খুজে তার তলায় মুখ ঘসতে ঘসতে দিদি আর বোনের কাছে ক্ষমা চাইছিলাম মনে মনে। সেই দুই জোড়া সাদা স্নিকার যা পরে দিদি আর বোন বিনা দোষে সেদিন আমার মুখে লাথি মেরেছিল। সেটাই ছিল আমার জীবনে প্রথম মুখে লাথি খাওয়া, আর প্রথম এভাবে লুকিয়ে জুতো চেটে ক্ষমা চাওয়া। কিরকম এক অদ্ভুত ভক্তির জন্ম দিচ্ছিল আমার মনে। প্রথমে শুধু মুখের উপরে জুতোর তলার ময়লা ঘসলেও পরে দিদি আর বোনের জুতোর উপর ও তলা সবই আমি জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করি। কি এক অদ্ভুত মানসিক তৃপ্তি পাই সেই কাজের ফলে। কি করছি কেন করছি কিছুই বুঝিনি তখন। শুধু নিজেকে দিদি আর বোনের তুলনায় তুচ্ছ ভেবে এক অসীম সুখ পাচ্ছিলাম শুধু। পরদিন সকালে উঠে দিদি আর বোনের চটি পরা পায়ে মাথা রেখে আমি ক্ষমা চাই আগের দিনের আচরনের জন্য। নারীবাদের যুগে ( পার্ট ২)... মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পরের দিন সকালে উঠেই আমি দিদি আর বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করি। দিদি আর বোন দুজনেই আমার মাথার উপরে চটি পরা পা রেখে আশির্বাদ করে সেদিন। একদিকে ক্লাস ৬ এ পড়া আমারছোট বোন অনন্যা আমার মাথার উপরে চটি পরা পা রেখে আশির্বাদ করতে করতে খুক খুক করে হাসছিল। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল ৫ বছরের বড় দাদা মা-বাবা- দিদি সবার সামনে তার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করছে এটা সে খুবই এঞ্জয় করছে। অন্যদিকে আমার মাধ্যমিকে ব্যাক পাওয়া দিদি আলিয়া একই পরীক্ষায় ৯০% পাওয়া আমার মাথার উপরে পা রেখে এমন স্বাভাবিকভাবে আশির্বাদ করল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক! এটাই শেষ নয় সেদিনের ঘটনার। সকাল বেলায় দিদি আর বোনকে নিয়ে শপিং এ বেরোলাম আমি। ওরা অনেক কেনাকাটা করল। আমার কাজ হল ওদের পিছন পিছন হেঁটে ব্যাগ ক্যারি করা আর রাস্তায় ওদের মাথার উপরে ছাতা ধরা। অত ব্যাগ সামলে আমি ঠিক করে দিদি আর বোনের মাথার উপরে ছাতা ধরতে পারছিলাম না। কিন্তু ওদের গায়ে সামান্য রোদ লাগলেও দিদি বকা দিচ্ছিল, সেই দেখে বোনও তাই করছিল। ফেরার সময়ে পাড়ার রাস্তা দিয়ে যখন আসছি তখন বোন অনন্যা ইচ্ছা করে অনেক জোরে হেঁটে প্রথমে দিদির থেকে অনেকটা এগিয়ে গেল। আমি একা, তার উপরে হাত ভর্তি অনেক শপিং এর ব্যাগ ধরা। সেই অবস্থায় কি করে ৮-১০ ফুট দূরে হাঁটা দিদি আর বোন দুজনের মাথায় ছাতা ধরব? ফলে বোন অনন্যার গায়ে রোদ লাগতে লাগল। ৩০ সেকেন্ড পরেই বোন পিছন ফিরে এগিয়ে এল আমার দিকে। তারপর ওর দুই হাত দিয়ে আমার দুই গালে থাপ্পর মেরে বলল, " ছাতাটা কে ধরবে আমার মাথায়?" তাও বোন ইচ্ছা করে এটা করল পাড়ার পুকুর পাড়ে। গরমের দুপুরে সেখানে পাড়ার অনেকেই স্নান করছিল। আমার কয়েক জন বন্ধুও ছিল সেখানে। তারাও দেখল ক্লাস ৬ এ পড়া বাচ্চা সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি কিভাবে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে সরি বলি! বাড়িতে ঢোকার গেটের মুখে আমাদের দেখে পাশের বাড়ির জেঠি এগিয়ে এল। মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পরে প্রতিবেশি কাকি জেঠিরা একটাই প্রশ্ন করতে পারে ছেলে - মেয়েদের। সেটাই করল। "এই আলিয়া, এই রোহন, তোদের রেজাল্ট কি হল?" বোন বেশ গর্বের সাথে বলল " দাদা ৯০% পেয়েছে।" " বাহ,,চমৎকার। ও তো এ পাড়ার গর্ব। আর আলিয়ার রেজাল্ট কি হল?" জেঠিমা জিজ্ঞাসা করল আবার। " দিদির রেজাল্ট তেমন ভাল হয়নি।" - বোনই বলল আবার। " মানে ও আবার ফেল করেছে? ইশ, ভাইয়ের থেকে শেখ কিছু আলিয়া।" - জেঠিমা ব্যাঙ্গের সুরে বলল। " দিদি যেন কিছু শুনতেই পায়নি সেরকম অবজ্ঞার ভান করে ঘরে ঢুকে গেল। কিন্তু আমি দিদির মুখ দেখে বুঝতে পারছিলাম আমার কপালে দুঃখ আছে। জেঠিমা দিদিকে আমার সাথে তুলনা করে অবজ্ঞা করেছে। এর চেয়ে যদি আমাকে অবজ্ঞা করে দুটো কথা শুনিয়ে শেষে দুটো থাপ্পর দিত তাও আমার পক্ষে ভাল ছিল। এবারে আমাকে এর ফল ভুগতে হবে। অবশ্য কাল থেকে আমার সাথে যা হচ্ছে তাতে আমি অলরেডি দিদি আর বোনের কাছে ভিশন সাবমিসিভ ফিল করছিলাম। ওরা বিনা কারনে আমাকে মেরে জেঠিমার করা অপমানের শোধ নিতে পারে ভেবেও একরকম অদ্ভুত ভাল লাগছিল! আলিয়া আর অনন্যা, আমার দিদি আর বোন আমার কাছে ভগবান। ওরা যা খুশি করতে পারে আমার সাথে! হলও তাই। দিদি ব্যাগ রেখে আমাকে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসতে বলল। আমি বসতেই ভিশন জোরে সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে একটা লাথি মারল আমার মুখে। " ৯০% পেয়ে তুই কি আমাদের উদ্ধার করে দিয়েছিস? ছেলেদের দৌড় জানা আছে। ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে phd করলেও শেষে মেয়েদের স্কুলের সামনে বসে বাচ্চা মেয়েদের জুতো পালিশ করে পেট চালাতে হবে তোদের।" আমি অকারনে মুখে দিদির লাথি খেয়ে দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপরে মাথা রেখে ক্ষমা চাইতে গেলাম। কিন্তু দিদি পা সরিয়ে আমার মাথার পিছন দিকে এতজোরে একটা লাথি মারল যে আমার কপালটা ভিশন জোরে মেঝেতে ঠুকে গেল। অথচ তীব্র শারীরিক যন্ত্রনা সত্ত্বেও আমার কেন জানি না ভিশন ভাল লাগছিল দিদির কাছে এই অত্যাচার। বাবা কাজে চলে গিয়েছিল তখন। আমরা ফেরার আগে ঘরে ছিল শুধু মা। দিদির চিৎকার শুনে মা ততক্ষনে এই ঘরে এসে একটু দূরে চেয়ারে বসে আমাদের দেখছে। আর বোন ওর পিংক স্নিকার পরা ডান পা আমার পিঠের উপরে তুলে মজা নিচ্ছে আমার হিউমিলিয়েশানের। " জেঠিমাকে তুই কিছু বলতে পারলি না জানোয়ার?" আমার মাথার পিছনে আবার একটা লাথি মেরে দিদি বলল। " আমি দিদির দুই জুতোর উপরে একটা করে চুম্বন করে ভয়ে ভয়ে বললাম " সরি দিদি।" " সরি বলে লাভ নেই। বাইরের লোকের সামনে নিজের দিদির অপমান হতে দিয়েছিস তুই। এই অপরাধের কোন ক্ষমা নেই। আজ তোকে আমি মারতে মারতে মেরে ফেললেও কেউ কোন দোষ দিতে পারবে না আমাকে। " এই বলে দিদি সোফা থেকে উঠে দাঁড়াল। তারপরে কোমর থেকে চামড়ার বেল্টটা খুলে নিজের স্নিকার পরা ডান পা টা উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা আমার গালের উপরে রেখে আমার পিঠের উপরে একের পর এক বেল্টের বারি মারতে লাগল। সপাত সপাত সপাত! প্রতিটা আঘাতের সাথে সাথে আমার দেহের প্রতিটা কোষে ছড়িয়ে পরছিল এক প্রবল যন্ত্রনা। মনে হচ্ছিল আমার পিঠের চামড়া খুলে দিদির বেল্টের গায়ে লেগে যাবে! আর এর জবাবে আমি আমার গালের উপরে রাখা দিদির জুতো পরা ডান পা আমার মুখের সাথে আরো চেপে ধরে দিদির জুতোর তলায় চুম্বন করে দিদির কাছে ক্ষমা চেয়ে চলেছিলাম! অন্তত ৫০ ঘা বেল্টের বারি পরার পরে দিদি বেল্টটা ছুড়ে ফেলে দিল। আমি দিদির দুই জুতো পরা পায়ের উপরে একের পর এক চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে যেতে লাগলাম। দিদি এবার আর কিছু বলল না। আবার সোফায় বসে আমাকে ওর জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে যেতে দিল। কিন্তু এতে আমার বোন রেগে গেল! বা বলা যায় রাগের ভান করল। আমার পিঠের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে ওর পিংকস্নিকার পরা ডান পায়ে আমার মাথার উপরে একটা লাথি মেরে বলল, " শুধু দিদির কাছে ক্ষমা চাইলেই হবে? ছোট বোনের কাছে বুঝি ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই?" আমি বুঝলাম না ঠিক কি কারনে বোনের কাছে ক্ষমা চাইব। কিন্তু নারীবাদের যুগে এটাই বুঝি জগতের নিয়ম। মেয়েরা চাইলেই ছেলেদের ওদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কোন কারন থাকার দরকার নেই। " সরি বোন" - আমি মুখে বললেও বোনের জুতোয় চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে পারলাম না। ও আমার পিঠের উপরে দাঁড়িয়ে থাকলে সেটা করবই বা কি করে? বোন আমার মাথার উপরে ওর বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মারল এর জবাবে। তারপরে আমার পিঠ থেকে নেমে আমার মুখের বাঁ সাইডে পরপর ৫ টা লাথি মেরে বলল, " এই গাধা, আমার পায়ে কিস করে ক্ষমা চা।" আমি একটু মাথাটা সরিয়ে ওর জুতোর উপরে এনে রাখলাম। তারপরে ৫ বছরের ছোট বোনের পিংক স্নিকার পরা দুই পায়ে একের পরে এক চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে যেতে লাগলাম। কেন ক্ষমা চাইছি আমি নিজেই জানি না। হয়ত বা ছেলে হয়ে জন্মেছি বলে। সত্যি! ছেলে হয়ে জন্মানো এত ঘৃণ্য এক অপরাধ যার কোন ক্ষমা হয় না!! দিদির মত বোনও প্রায় এক মিনিট আমাকে ওর দুই জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে দিল। তারপরে আমার মুখে আরেকটা লাথি মেরে বলল এবার আমার আর দিদির জুতো ভাল করে সাফ করে দে। খারাপ হলে আবার মুখে লাথি খাবি।" কিভাবে ওদের জুতো পরিস্কার করতে হবে সে বিষয়ে ওরা কিছু না বললেও আমার উঠে কাপড় আর জল আনার সাহস হল না। আমি বোন আর দিদির জুতো একে একে চাটতে শুরু করলাম। প্রথমে শুধু জুতোর উপর দিক গুলো চাটলাম। প্রথমে বোন অনন্যার বাঁ পিংক স্নিকার, তারপরে ডান। এরপরে দিদি আলিয়ার ডান সাদা স্নিকার, তারপরে বাঁ। কিন্তু শেষ হতেই দিদি আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " জুতোর তলা গুলো কে চাটবে কুত্তা?" এরপরে একে একে দুজনের জুতোর তলাও আমি জিভ দিয়ে চেটে সাফ করে দিলাম। আমি জানি আমি যেভাবে আমার দুই প্রভু দিদি আর বোনের জুতোর তলা চেটেছি তাতে ওদের কারো কোন জুতোর তলাতে একটা ধুলিকনাও অবশিষ্ট থাকা সম্ভব না। তবু জুতো চাটা শেষ হতেই বোন আমাকে লাথি মেরে সোফা থেকে একটু দূরে সরিয়ে আমার মুখের উপরে আবার একের পরে এক লাথি মারতে লাগল। দিদিও যোগ দিয়ে আমার বুকে লাথি মারা শুরু করল। একটু পরে বোন দিদির হাত ধরে আমার মুখের উপরে উঠে দাঁড়াল ওর পিংক স্নিকার পরা দুই পায়ে। তারপর লাফাতে লাগল আমার মুখের উপরে। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না।সকাল থেকে খাবার তো দূর, একটু জলও জোটেনি আমার। সেই নিয়ে রোদে রোদে ঘুরেছি দুই বোনের পিছনে, ওদের চাকরের মত। সেই ক্লান্ত অবসন্ন দেহে এত অত্যচার আমার আর সহ্য হল না। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। আমার ১১ বছর বয়সী সুন্দরী বোন অনন্যা তখনো দিদির হাত ধরে ওর পিংক স্নিকার পরা পায়ে আমার মুখের উপরে লাফিয়ে যাচ্ছে! সেদিন আমার জ্ঞান এসেছিল বিকাল ৫ টার পরে। আমি বোন বা দিদির জুতো খোলার আগেই জ্ঞান হারিয়েছি। তাই ওরা জুতো পরেই সারা ঘরে ঘুরছিল। আমি আমার দুই প্রভুর পা থেকে জুতো খুলে পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে প্রনাম করলাম শ্রদ্ধাভরে। তারপরে দিদির আদেশে ঘর মুছতে লাগলাম। ঘর মোছা শেষ হলে দিদি আর বোনের পা ধুইয়ে দিয়ে সেই জলটাই খেয়ে নিলাম। সারা দিনের ক্লান্ত তৃষ্ণার্ত শরীরে সেই জল যেন অমৃত মনে হল। এরপরে আমি আমার বোন আর দিদিকে ভগবানের মত ভক্তি শ্রদ্ধা করা শুরু করলাম। আমার বোন আর দিদি আমাকে ওদের পোষা কুকুর, গাধা,,চাকর,,ক্রীতদাসের মত ইউজ করবে এটাই আমার স্বাভাবিক মনে হত। কিন্তু প্রতিদিনের দৈনন্দিন জীবনে ওরা সবসময় আমাকে এইভাবে ইউজ করত না। সেটা আমাকে খুব কষ্ট দিত। আবার মাঝে মাঝে খুব অভিমানও হত। শুধু ছেলে হয়ে জন্মেছি বলে কেন এত অবহেলা আর অত্যাচারের স্বীকার হব আমি এই ভেবে। তবে বেশিরভাগ সময়ে আমি বাড়িতে আমার নিজের জায়গা খুঁজে পেতাম দিদি আর বোনের পায়ের নিচে এবং সেই চিন্তা বেশি করে মাধ্যমিকের পরে ওই অভিজ্ঞতার পর থেকে আসতে শুরু করে | বাড়িতে দিদি আর বোনকে মনে হতো মহারানী আর নিজেকে তার গোলাম | দিনের পর দিন নিজেকে ছোট মনে হতে থাকে | দিদি বা বোন গায়ে হাত তুললে একটু খারাপ লাগত হয়ত, কিন্তু বেশি দিন মার না খেলে অদ্ভুত একটা কষ্ট পেতাম। অনেক সময় এমন অনেক কাজ করে ফেলতাম যাতে দিদি রেগে গিয়ে আমাকে মারে বা বোনকে বলে মারতে। মা ঠিকই বলেছিল, পরের বছর দিদি মাধ্যমিক পাশ করতেই ১৮ বছর বয়সে দিদির বিয়ে হয়ে যায়। জামাই বাবু দিদির চেয়ে ১০ বছরের বড়, বিশাল বড় ব্যাবসায়ী। সেই বাড়িতে রাজ-রানির মত দিন কাটতে থাকে দিদির। আমার বোনও দিদির মতই সুন্দরী। ফলে ওর যখন ইচ্ছা হবে তখন ওরও বিয়ে হয়ে যাবে কোন বড়লোক ছেলের সাথে। সারা জীবন পায়ের উপরে পা তুলে ওর দিন কাটবে দিদির মত। ইচ্ছা হলে ওই বাড়ির কোন চাকরকে দিয়ে পা টেপাবে। ইচ্ছা হলে বাড়ি এসে আমাকে শাসন করবে,, লাথি মারবে দিদির মত। কিন্তু আমার কি হবে? সত্যিই তো, ৮৫-৯০% মার্কস ও ছেলেদের জন্য আজকের যুগে যথেস্ট না। টপ ০.১% ছেলেরও চাকরির কোন নিশ্চয়তা নেই আজকের যুগে। যার বাবার টাকা নেই সেই ছেলেকে ৯৯% নম্বর পেয়েও চায়ের দোকাম দিতে হয়। মেয়েদের জন্য সরকারের হাজারটা প্রকল্প। স্কুল জীবনের শুরু থেকে বিয়ে অব্ধি সব মেয়ে অন্তত লাখ টাকা পায়, বিয়ে হলে কিছু না করেই প্রতি মাসে পায় হাজার খানেক টাকা। আর আমরা ছেলেরা? ৯৯% পেয়েও চায়ের দোকান চালাই। বাবা মায়েরা সারা জীবনের সঞ্চয়ও আমাদের না দিয়ে মেয়েদের বিয়ের সময়ে গয়না গড়িয়ে দেয়। এসব ভাবলে সত্যিই মাঝে মাঝে রাগ হয় খুব। নারীবাদী নীতির উপরে, আমার মা-বাবার উপরে। আরও বেশি করে আমার দিদি আলিয়া আর বোন অনন্যার উপরে। কিন্তু সেই রাগ বেশিক্ষন থাকে না। এক অদ্ভুত সাবমিসিভ ফিলিং আসে মনে। উঠে গিয়ে দেবজ্ঞানে ভক্তিভরে দিদি বা বোনের জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাই তখন। এখন আমার বয়স ২৩ , ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছি আগের বছর। কিন্তু কোভিড মহামারির মধ্যে চাকরি কোথায়? বাধ্য হয়ে কিছুদিন টিউশানি শুরু করেছি। সামান্য পয়সা যা পাই, তাই জমিয়ে রাখি। আর কিছু জমলে কিছুদিন পরে একটা চায়ের দোকান খুলব। ইঞ্জিনিয়ার'স টি স্টোর নাম দিয়ে। দিদি বা বোনকে এই টাকা থেকেই মাঝে মাঝে গিফট কিনে দিই। নাহলে হয়ত এত দিনে আমার দোকান চালু হয়ে যেত। বাবা চাইলে আমাকে অনেক টাকা দিয়ে ব্যাবসায় সাহায্য করতে পারত। কিন্তু মায়ের কথায় তা করবে না। নিজের জমানো সঞ্চয়ের অর্ধেক দিয়ে বিয়ের আগে দিদিকে গয়না কিনে দিয়েছিল। বাকি অর্ধেক দিয়ে বোনের বিয়ের সময়ে ওকে গয়না কিনে দেবে। তাছাড়া সরকারের অজস্র প্রকল্পের টাকা ওর একাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। কোনটা দিয়ে ও দামী ফোন কেনে তো কোন প্রকল্পের টাকায় জামা জুতো কেনে। কিন্তু আমাদের বেকার যুবকদের চাকরি দেওয়ার যেমন কেউ নেই, তেমনই ব্যাবসা খোলার টাকাও সরকার দেয় না। অথচ সরকারী টাকায় বোন আর দিদি শপিং করে বেড়ায়! খুব রাগ হয় সত্যি মাঝে মাঝে। আবার শপিং সেরে এসে বোন অনন্যা যখন ওর জুতো পরা পা আমার কাঁধের উপরে তুলে পা টেপায় তখন কিরকম অদ্ভুত এক ভাল লাগা কাজ করে! সত্যিই আমি এরই যোগ্য! আগের মাসের এক সন্ধ্যায় বোন আর দিদি একসাথে শপিং সেরে মায়ের সামনেই আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে পা টেপাল প্রায় ঘন্টা খানেক। দুজনেই আমার মুখের উপরে ঘসে নিজের জুতোর তলার ময়লা পরিস্কার করল। প্রথমে বোন অনন্যা, তারপর দিদি আলিয়া। তুচ্ছ অজুহাত দিয়ে পা টেপানোর সময়ে আমার দিদি আর বোন দুজনেই লাথি মারল আমার মুখে আর বুকে। আসলে দিদি প্রেগ্নেন্ট ছিল আর একটু টেন্সডও। কারন ও চাইছিল যেন ওর মেয়েই হয়। দিদির সেই আশা ভগবান পুরন করেছেন। ৭ দিন আগে দিদির এক ফুটফুটে মেয়ে হয়েছে। দিদি বলে রেখেছিল সবাইকে গিফট দেবে যদি মেয়ে হয় ওর। আমাকেও জিজ্ঞাসা করেছে কি নেব? আমার ইচ্ছা করছিল বলি, - "প্লিজ দিদি, তুমি আর বোন মিলে সারা জীবন আমাকে চাকর করে রাখ। বাড়িতে যেভাবে চাকর করে রাখ ঠিক সেভাবেই শ্বশুর বাড়িতেও সবার সামনে ইউজ করো আমাকে। তোমাদের যা ইচ্ছা কর আমার সাথে। ইচ্ছা করলে কুকুরের মত ট্রীট করো, স্লেভের মত খাটিও। ইচ্ছা করলে লাথি মারতে মারতে মেরে ফেল। এই জীবনের চাপ আর সহ্য হয় না দিদি। তুমি আর বোন আমার কাছে ভগবান। প্লিজ একটু দয়া কর আমার প্রতি। যেভাবে লোকে বাড়িতে বেড়াল- কুকুর পোষে সেভাবে আমাকেও পুষে রেখ। নাহলে পাপোষের মত তোমাদের ঘরের দরজার বাইরে রেখ। ঘরে ঢোকার আগে জুতোর তলা আমার মুখে আর জিভে ঘসে পরিস্কার করে নিও। নাহলে বোর ফিল করলে বা কোন কারনে রাগ হলে আমার গালে যত ইচ্ছা চড় মের, পিঠে যত ইচ্ছা চাবুকের বারি দিও, মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে যত ইচ্ছা লাথি মের দিদি আর বোন। যেমনটা মেরেছিলে আমার মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর দিনে। আমার ভাগ্নী একটু বড় হলে ওকেও উতসাহ দিও এইভাবে আমাকে ইউজ করতে। প্লিজ দিদি। প্লিজ বোন। আমার উপরে এটুকু দয়া করো প্লিজ।" আমার খুব ইচ্ছা করছে এরকম বলতে। জানি না পারব কিনা। তবে এখন শুধু মাত্র এই ভবিষ্যত টার কথা ভাবলেই ভাল লাগে। বাকি চারিদিকে শুধু অন্ধকার। তবে আমি নিজে থেকে এরকম কথা বলা বা বেশি সাবমিট করা কখনো করি নি। চাই না তা নয়। বোন আর দিদিকে দেখলেই এখন শুধু ভক্তিই আসে আমার। তবু কোথায় যেন আটকে যায়। হয়ত এভাবে বললে আমার দিকে তাকিয়ে দুই বোন অট্টহাস্য করবে। তারপর আমাকে পাগল বা পারভার্ট বলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে। হয়ত বা সত্যিই আমার উপরে দয়া করে আমাকে নিজেদের স্লেভ করে রেখে দেবে দুই বোন। বলতে লজ্জা লাগে খুব। তবু বলতেই হবে। দিদি আর বোনের পা জড়িয়ে ধরে অনুরোধ করব আমাকে সারাজীবনের জন্য ওদের স্লেভ করে রাখতে। এটাই আমার জীবনের শেষ আশা।

Friday, 1 October 2021

আতঙ্ক নগরী

ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন ; রাতের কলকাতা ক্রমশ আতঙ্ক নগরী হয়ে উঠছে, বিশেষত পুরুষদের কাছে । কাল রাতে আরও এক পুরুষের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করল হাওড়া জেলা পুলিশ, হাওড়া স্টেশন থেকে সামান্য দূরত্বে অবস্থিত এক গলির ভিতর থেকে । এই নিয়ে গত দুই মাসে মোট ১০ জন পুরুষের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল । অন্যান্য নিহত ব্যক্তিদের মতই এরও মুখের সর্বত্র ছিল আততায়ীর ভারি বুট জুতো পড়া পায়ে লাথি মারার চিহ্ন , জামার উপর ভারি বুটের ছাপ ও জিভের উপর কাদার আস্তরন সহ বুট জুতোর তলা মোছার চিহ্ন । কাল রাতে নিহত ব্যক্তির নাম সুরেশ মাহাতো, বয়স ৩৬ । তাকে আজ ভোরে মৃত অবস্থায় আবিষ্কার করে এলাকাবাসী । ওদিকে পরশু রাতে একইভাবে ভয়ানক আহত অবস্থায় নিউটাউন থেকে উদ্ধার হওয়া পেশায় ট্যাক্সিচালক ইদ্রিশ আলি (৪৬) আজ ভোরে মারা যায় । তবে এই সিরিয়াল খুনে নিহত প্রথম ব্যক্তি হিসাবে সে মৃত্যু পুর্ব জবানবন্দি দিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে পুলিশকে । তার সাক্ষ্যমতে আততায়ী এক ১৮- ১৯ বছরের অতি সুন্দরী তরুনী । ঘটনার দিন রাতে উল্টোদাঙ্গার কাছ থেকে একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর সঙ্গে নিয়ে সে ইদ্রিশের ট্যাক্সিতে ওঠে । নিউটাউনের কাছে এক নির্জন রাস্তায় পৌছাতে হঠাত তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ট্যাক্সি থামাতে বলে তরুণী । সে ট্যাক্সি থামিয়ে তরুনির কথা মতো বাইরে বেরলে প্রথমে তার গালে থাপ্পর মারে তরুণী, তারপর তাকে ধাক্কা মেরে নিচে ফেলে দেয় । এরপর সে রাস্তায় পরে গেলে তরুনী শক্ত কালো বুট জুতো পরা পা দিয়ে তার গলা চেপে ধরে । তার দম বন্ধ হয়ে আসে, দম নেওয়ার জন্য সে জিভ বার করলে তরুণী তার বার করা জিভের উপর নিজের জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করতে থাকে । সে বাধা দিতে গেলে তার মুখে লাথি মেরে তাকে বাধ্য করে তরুণী তার জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে । তরুণী নিজের দুই জুতোর তলাই সম্পুর্ন পরিষ্কার করে ফেলার পর ইদ্রিশের মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে থাকে বুট জুতো পড়া দুই পা দিয়ে । পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভয়ঙ্কর জার্মান কুকুরের জন্য সে ভয়ানক ব্যাথা সত্বেও বাধা দিতে পারে না । তার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মেরে যেতে থাকে তরুণী । তার বাঁ চোখ ঝাপসা হয়ে যায়, নাক ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়, দাঁত ভেঙ্গে ছিটকে পরে মুখের বাইরে । তবু তার মেয়ের বয়সী ওই পরমা সুন্দরী তরুনী তার মুখের সর্বত্র লাথি মারা চালিয়ে যেতে থাকে বুট জুতো পরা পা দিয়ে । যদিও ১৫-২০ মিনিট পর সেদিকে একটা গাড়ি এগিয়ে আসায় তার ট্যাক্সিতে চড়ে তাকে ওই অবস্থায় ফেলে নিজের কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে চলে যায় সেই অজ্ঞাত পরিচয় তরুণী । কে এই তরুনী ? কেন সে এরকম ভাবে একের পর এক পুরুষের মুখে লাথি মারতে মারতে তাদের হত্যা করছে সে ? সে কি কিছুর প্রতিশোধ নিচ্ছে ? নাকি শুধুই পুরুষ জাতির উপর অত্যাচার করার আনন্দে সে এসব করছে ? উত্তর মেলেনি এখনও । আর কত পুরুষকে তার এই নৃশংশতার বলি হতে হবে সেই প্রশ্নের উত্তরও অজানা । ফলে, রাত হলেই সারা বাঙলার সমগ্র পুরুষ জাতির মনে জেগে উঠছে আদিম আতঙ্ক । এই আতঙ্কের স্থায়ীত্ব আরও কতদিন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন । ( উপর ও নিচের দুটি সংবাদই ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)। প্রভু প্রীতি.... ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন ; IPL নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত খবরের মধ্যে বেড়িয়ে এল আরও অদ্ভুত এক খবর । বিশেষ সুত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী , দুর্নীতি বিষয়ক তদন্ত করতে গিয়ে পঞ্জাব টিমের গোপন একটি খবর প্রকাশ পেয়ে গেছে । তদন্ত করতে গিয়ে এই টিমের ভিতরে দুর্নীতি নয়, ফেমডম সম্পর্কের সন্ধান পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা । গত কয়েক বছর ধরে পঞ্জাব টিমের প্রত্যেক ক্রিকেটারই নাকি টিম মালকিন প্রীতি জিন্টাকে মালকিন সম্বধন করে আসছেন । প্রতি ম্যাচের আগে সকল ক্রিকেটারই প্রীতি জিন্টার জুতো পড়া পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করত বলে জানা গেছে ড্রেসিংরুম ক্যামেরার ফুটেজের ভিত্তিতে । শুধু ৩৬ বছর বয়সী প্রীতি জিন্টাকেই না, তার ১৪ বছর বয়সী কিশোরী কন্যা স্তুতিকেও সব ক্রিকেটার মাঠে নামার আগে জুতো পড়া পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করত বলে জানা গেছে । এছাড়াও জানা গেছে ম্যাচ জয়ের পর পার্টিতে নাচ গান শ্যাম্পেন না, ক্রিকেটাররা উপহার হিসাবে প্রীতি আর স্তুতির কাছে চড় থাপ্পর লাথি খেত । ক্রিকেটারেরা ড্রেসিংরুমে পরপর দল বেধে শুয়ে পরত এবং টিম মালকিন প্রীতি ও স্তুতি তাদের মুখের উপর জুতো পড়া পা রেখে হেঁটে ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করত । এরপর কয়েক ঘন্টার পার্টিতে দুই মালকিন একের পর এক জুতো পড়া পায়ে লাথি মারত ক্রিকেটারদের মুখে, তাদের জিভে জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করত । মালকিনদের বাড়ি গিয়ে প্রত্যেক ক্রিকেটার চাকরের মত সেবা করত বলেও বিশেষ সুত্রে জানা গেছে । শুধু, দুই সুন্দরী মালকিনের সেবা করতে পারার কৃতজ্ঞতাতেই সব ক্রিকেটারই প্রায় বিনা পয়সায় গত কয়েক মরসুমে পঞ্জাব দলের হয়ে খেলে গেছে । মালকিনদের সেবা করতে পারার সুখই মাঠে পঞ্জাব দলের ক্রিকেটারদের পারফরমেন্সে প্রকাশ পেয়েছে, যার ফল পঞ্জাবের গত কয়েক বছরের চোখ ধাঁধানো সাফল্য, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা ।

Wednesday, 1 September 2021

রিনা ও তার ভাই

রিনা ও তার ভাই Writer-Sundori Pori অনেক দিন আগে কালিগঞ্জ গ্রামে মদন নামে এক কৃষক বাস করতেন। ছেলে মেয়ে ও তার স্ত্রী মিলে তাদের ছিলো ছোটো সংসার। চাষবাস করেই তাদের দিন কাটত। তার বড়ো মেয়ে রিনা আর তার ছেলে রিন্টু দুজনেই স্কুলে পরে, রিনা ক্লাস 12 এ আর তার ছেলে 10 এ পরে। দুজনেই এ বছর পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছে। আগের বছর মাধ্যমিক ফেল করে ছিলো রিন্টু, তাই মদন রিন্টুর থেকে রিনা কেই বেশি ভালোবাসে।রিনা বেশ বুদ্ধিমতি দেখতেও সুন্দরী। রিন্টুর মা ও রিন্টুকে খুব একটা ভালোবাসে না। রিন্টু বাড়ির কোনো কাজও করে না কারো কোনো কথা শোনে না খালি বাবুন ডুলের মতো এমাতা ওমাতা খুরে বেড়ায়। আর ফোন নিয়ে সদাই শুয়ে পড়ে থাকে। ওকে নিয়ে চিন্তায় থাকে ওর মা বোন, মদনের ওসব কিছু যায় আসে না। একদিন রিন্টু প্রতিদিনের মত বিছানায় শুয়ে ফোন খাটছিলো রিনা তার ভাই রিন্টুকে বললো ওই গাধা যা মা বাবা কে খাবার টা দিয়ে আয় তো। জবাব এলো তুই যা। যা না সারা দিনতো কোনো কাজ করিস না শুয়ে বসে থাকিস, দুই ভাই বোনের মধ্যে 36কা আকরা। রিনা আবার বললো যা না ভাই আমি তো রান্না করছি। কোনো সাড়া এলো না রিনা রেগে ফাইর। রিনা মনে মনে ভাবলো ও রোজ রোজ ফোন নিয়ে কি অত দেখে ফোন কেনা থেকে আমায় তো একবারও হাত ও দিতে দেইনি কি আছে ব্যাপারটা দেখতে হবে। একটা বুদ্ধি এটে রিনা বললো গেলে 20 টাকা পেতিস। অমনি সাড়া এলো কই দে যাচ্ছি আগে যা তারপর দেবো। না বাবা তা বললে হবে কিছু টাকা দে কাজ হলে বাকি টাকা দিবি।রিনা তাই রিন্টুকে 10টাকা দিল। রিন্টু বললো কই দে দিয়ে আসি। ও আজ সারাদিন যে কি হবে, কেনো দিদি। কারেন থাকবে না দিনটাই লস বকতে বকতে রিনা টিফিনের ব্যাগটা দিল। রিনটু কথাটা শুনে বললো তুই কিকরে জানলি, আজ তো ওদের কি কাজ হবে তাই সারাদিন থাকবেনা কারেন আরে সেদিন হেকে গেলো না। রিন্টু ঘরে ঢুকে গেলো। কিরে আবার ঘরে ঢুকছিস কেনো। এয় এ যাচ্ছি। ফোনটা লুকিয়ে চার্জ এ দিয়ে গেলো রিন্টু। রিনা বলল যাক গাধাটা তাহলে টপ গিলেছে। রিন্টু চলে যেতেই রিনা ফোনটা চার্জ থেকে খুলে গ্যালারি খুলে চমকে গেলো একি পায়ের ছবি এক দেড়শো উপরে মেয়েদের পায়ের ছবি, আরে আরে এটা তো আমার পা আমার পায়ের ছবি ও কখন তুললো। শুধু পা কেনো, আবার ভিডিও আছে রিনা বসে বসে বেশ কয়েকটা ভিডিও দেখে ফেললো, আর ওর মনে নানান প্রশ্ন জাগলো কিন্তু কিছুই বুঝে উঠতে পারলো না সে।ফেসবুক অ্যাপ খুলে ওর ভায়ের লেখা কমেন্ট আর গল্প পরে ও পুরো ব্যাপারটা হালকা হালকা বুঝতে পারলো।ও তাহলে এই ব্যাপার আসুক ও ঘরে গাধাটাকে আজ জব্দ করবো। রিনা আবার ফোনটা চার্জে দিয়ে রান্না সেরে সানে বসে যায়। তার কিছুক্ষন পরেই রিন্টু চলে এলো ওই দিয়ে চলে এসছি। টাকা দে। রিনা স্বাভাবিক ভাবেই বললো আমি সানে এসেছি তুই যা দিচ্ছি।রিনা সান সেরে জমা কাপড় পরে ঘরে ঢোকে। দেখে তার ভাই ফোন নিয়ে শুয়ে পড়ে আছে। দারা দেখাচ্ছি মজা বলে রিনা বিছানার উপর উঠে পড়ে। অমনি রিন্টু ফোন লুকিয়ে নিলো। রিনা মনে মনে বললো ঠিক আছে ঠিক আছে। রিন্টু ঠিক যেখানে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে ঠিক সেখানেই এক দু ইঞ্চির দুরতে রিনা তার ডান পাটা রাখলো আর খাটের উপর থাকা জামা কাপড় সরাতে লাগলো। রিন্টু একভাবে রিনার পায়ের দিকে তাকিয়ে রইলো পাগলের মতো।রিনা সেটা লক্ষ করলো। দিদি আজ তুই নুপুর পরেছিস, কেনো পড়তে পারিনা বুছি। রিনা আজ ইচ্ছা করেই নুপুর পড়েছে।তা নয় নুপুর পড়তে তোর পা খুব সুন্দর লাগছে। কেনো রে আগে লাগতোনা বুঝি। রিন্টু এর আগেও রিনার পা দেখেছে কিন্তূ আজ একটু ওর বেশি ভালো লাগছে। আজ সূর্য কোন দিকে উঠেছে তুই আমায় দিদি বললি, আবার সুন্দরী বলছিস।পা তুলতে গিয়ে রিনা তার পা দিয়ে রিন্টুর মুখে একটা আলতু লাথি মেরে বললো যা গাঁধা টাকে লাথি লাগলো। রিন্টু বললো ও কিছু না আমিই উটতে গিয়ে তোর পায়ে পড়ে গেছি আমারই ক্ষমা চায়া উচিত। বলে রিন্টু রিনার পায়ে গর করার চুছনাতাই রিনার দুপায়ে চুম খেতে লাগলো। রিন্টুর তখন আর কোনো হুস নেই সে সব ভুলে পা চাটার জন্য জিব বের করে, চাটতে যাবে যাবে রিনা রিন্টুর ঠোঁটে পায়ের আঙ্গুল দিয়ে ওর মুখ দূরে সরিয়ে দিয়ে বললো থাম থাম কি করছিস কি চাটবি নাকি এবার। রিন্টু কথাটা শুনে পাগলের মত বললো তুই চাটতে দিবি দিদি। তুই পাগল নাকি পা আবার চাটার জিনিস নাকি। হা দিদি পা চাটা যায়।অকেন দিন ধরে তোকে একটা কথা বলবো বলবো বলে বলা হয়নি। কি কথা রিনা বললো। আপনি আগে বলুন কাউকে বলবেন না। আপনি ? এই মানে sorry দিদি মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে। তুই আগে কাউকে বলবিনা। আচ্ছা বলবো না বল। আমার তোর পা খুব ভালো লাগে দিদি তোর পা না পেলে আমি মরে যাবো। কেনো কেনো পা কেনো রিনা বললো । জানি না দিদি কিন্তু কোনো মেয়ের পা দেখলে আমি থাকতে পারি না চাটতে ইছা করে তার পায়ে সব সময় পরে থাকতে ইচ্ছা করে তার গোলাম হয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। দিতে পারি কিন্তু একটা শর্তে। কি কি বল দিদি আমি সব শুনতে রাজি। আমার সব কথা তোকে শুনতে হবে আজ থেকে আমি যা বলব কোনো রকম প্রশ্ন ছাড়া সব করবি তুই। রাজি আমি রাজি আমি সাড়া জীবন তোর দাস হয়ে থাকবো যা বলবি তাই করব রিন্টু বললো। দে তোর পা চাটতে দে এবার। আরে দারা দারা চাটবি চাটবি অত তারা কিসের। রিনা তাড়াতাড়ি করে তার চটি পড়ে বিছানা থেকে নিচে পা ঝুলিয়ে বসে বললো পা চাটার আগে আমার জুতো চাট, চেটে পরিস্কার করেদে।রিন্টু রিনার পায়ে জুতোর দিকে তাকিয়ে বলল আবার জুতো কেনো দিদি। কেনো কথা নয় যা বলছি তাই কর না হলে পা চাটতে দেবনা। না দিদি চাটছি চাটছি, রিন্টু এবার বাধ্য হয়ে রিনার জুতো চাটতে লাগলো। রিনার জুতোয় থাকা নোংরা রিন্টুর মুখে জিবে লেগে গেলো। রিনা দুটো হাত গালে দিয়ে মুখ কুজকে ঘেন্নার চোখে দেখতে লাগলো।কিছু ক্ষণের মধ্যেই রিনার জুতো পরিস্কার করে দিল রিন্টু। তারপর রিন্টু জুতো খুলে রিনার পায়ে জিব বললো লাগলো।রিনা একটু কেপে উঠলো। তারপর চাটতে শুরু করলো এমন ভাবে চাটতে লাগলো যেনো তার কাজ থেকে ওটা কেরে নেয়া হবে, দশ বারো দিন যেনো কোনো কুকুর খেতে না পেলে যেমন ভাবে খায় ঠিক তেমন ভাবে রিন্টু চেটে চলেছে রিনার পা। রিনা এদিকে হাঃ আঃ হাঃ হাঃ হি হি করতে করতে বলল থাম থাম সুর সুরি লাগছে। দিদি কেনো? রিন্টু বললো। তুই থাম তোমার তো বেশ মজা হচ্ছে আমুল্ল্য রত্ন যে পেয়ে গেছো। কিছু হবে না দিদি আস্তে আস্তে ও সব অভ্যেস হয়ে যাবে তখন আর সুড়সুড়ি লাগবে না। হ্যা সে না হয় হয়ে যাবে তবে তুই আস্তে আস্তে চাট পায়ের আঙ্গুল গুলো চোস। রিন্টু রিনার পায়ের কাছে শুয়ে পড়ে ডান পায়ের তিন চারটি আঙ্গুল মুখে ঢুকিয়ে নিয়ে চুষতে লাগলো।রিনা সুড়সুড়ি লাগায় চোখ বন্ধ করে নিলো।আর আঃ হ্ন শব্দ করে অনুভব করতে লাগলো।প্রায় দশ কুড়ি মিনিট চেটে রিন্টু রিনার পা পুরো ভিজিয়ে দিল। রিনা বেশ আনন্দ হচ্ছে এত আনন্দ সে কোনো দিনও পাইনি। রিন্টু ও এ প্রতম কারো পা চাটছে ও সপ্নেও ভাবেনি ওর স্বপ্ন কোনো দিন এইভাবে পূরণ হবে বলে। দেখতে দেখতে আরো ১০ মিনিট কেটে গেলো রিনা খড়ির দিকে তাকিয়ে বলল থাম আমার খুব খিদে পেয়েছে যা তুই সান করে আয় খেতে বসবো। দিদি আর একটু আর একটু। রিন্টু তখন পায়ের আঙ্গুল গুলো চুষ ছিলো। না না আর না বলে রিনা তার পা রিন্টুর মুখ থেকে বের করে নিল, তোর তো পেট ভরে গেছে পৌনে দুটো বাজে আমার খিদে পেয়েছে তুই যা সান করে আয়। রিন্টু আর কথা না বাড়িয়ে সান করতে যায়। এদিকে রিনা তার পা দেখতে দেখতে বলল বাঃ বেশ পরিস্কার করেছে জল দিয়ে ধুলেও এত পরিস্কার হতনা। কুতার মত চেটে গেলো , গাধা টাকে এবার পুরুপুরিই বশে করা গেলো। খায়া দয়া সেরে রিন্টু সব বাসন কোসন ধুয়ে অনবি আজ থেকে তুই এসব কাজ করবি রিনা মুচকি হেসে বলে চলে গেলো।রিন্টু আগে কোনো দিন এসব কাজ করেনি ওর দিদিই সব করতো। কিন্তুু রিন্টু সব করে ফেললো। তারপর দুজনেই শুয়ে পরলো। রিন্টু তুই আগে কোনো দিন কারো পা চেটেছিস। না দিদি। আচ্ছা,আমার পা টা একটু মাসিশ করে দেতো। খুব ব্যাথা করছে। আচ্ছা দিদি বলে রিন্টু রিনার পায়ের কাছে বসে পা দুটো কোলে তুলে নিলো আর আস্তে আস্তে মাশিস করতে লাগলো। দিদি ।"বল‌‌", তোর পা খুব নরম মলায়ম আজ আমার সব থেকে আনন্দের দিন আমি খুব ভাগ্যবান যে আমি তোর মত একটা দিদি পেয়েছি আমার বহু দিনের স্বপ্ন আজ সত্যি হলো। রিন্টু লক্ষ্য করলো দিদি তার কোনো কথাই শুনছে না খূমিয়ে পড়েছে তাই রিন্টুও দিদির পায়ের কাছে শুয়ে পরলো আর রিনার পায়ের আঙ্গুল গুলোয় চুম্বন করতে লাগলো তারপর গোড়ালি টা আস্তে আস্তে মুখের মধ্যে পুরে নিয়ে চুষতে শুরু করলো। রিনার পা বেশ বড় না মিডিয়াম যেমন হওয়ার দরকার ঠিক তেমনি।রিনার দুটো পা এক সঙ্গে রিন্টুর মুখে চার ইঞ্চি ভিতর পযন্ত ঢুকে যাবে। তাই রিনার গোড়ালি মুখে নিয়ে চুষতে রিন্টুর কোনো অসুবিধাই হলো না। এদিকে রিন্টুও কখন ঘুমিয়ে পড়েছে খেয়াল নেই। এই রিনা এই রিন্টু ওট আর কত খুমাবি। ওদের মায়ের ডাকায় ঘুম ভাঙ্গলো। কি রকম শুয়ে আছে এ ওর পায়ের এদিকে মাথা দিয়ে আর ও এর পায়ের দিকে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে।পরের দিন সকালে খুব রিনা ঘুম থেকে উঠে দেখলো মা বাসি ঘরের কাজ শুরু করে দিয়েছে। রিনা হাই তুলে বললো মা তুমি রাখো আমি সব করে নেবো তুমি আর বাব বরণ রহনা দাও। বেলায় আমি তোমাদের টিফিনের ব্যাবস্থা করে দিয়ে আসবো। রিনার মা বললো না আমি করে দিচ্ছি। রিনা এ সমস্ত কাজ রিন্টুকে দিয়ে করবে বলে বললো না গো মা আমি করে নেবো তোমরা যাও বেলা হয়ে হচ্ছে বলে রিনা ওর বাবামাকে জর করে পাঠিয়ে দিল।রিনার বাবামা চাষী তাই সকাল বেলায় ওদের মাঠে কাজ শুরু করতে হয় বেলা বাড়লে রোদে ভালো কাজ হয় না তাই সকাল সকাল কাজ এগিয়ে রাখতে হয়।এদিকে রিন্টু এখনও ঘুমাচ্ছে।ওই গাধা ওট ওট তাড়াতাড়ি ওট।কি হলো ও দিদি আমি একটু পরে উঠবো তুই যা। না আমি যাবো না তুই উট অনেক কাজ আছে তাড়াতাড়ি সব শেষ কর যা। রিন্টু উঠে পরলো চোখে হাত বোলাতে বোলাতে বললো কি কাজ দিদি। ঘর দোর ঝাট দে বাসন কসন গুলো মেজে আন। আ্য, রিন্টু চমকে উটলো। আ্য নয় হা। মা করে দিয়ে যাইনি, না আমি মাকে করতে দিইনি। কেনো দিদি? তোকে দিয়ে করবো বলে নে নে বেশি কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি কর দেখিনি। রিন্টু দোরঘর ঝাট দিয়ে পরিস্কার করে বাসন কোসন মাজদে বসে পরলো। ওর মুখে যেনো কোনো সুখ নেই না করতে চাইলে যেমন ভঙ্গি করে তেমন করে আছে। রিনা দাঁত মাজতে মাজতে হাঃ হাঃ করে হেসে বলল বেটা এবার জব্দ হয়েছে তাড়াতাড়ি শিখে নে এবার থেকে তোকেই তো রোজ করতে হবে। না দিদি প্লিজ। রিনা রান্না বান্না সেরে বাবা মায়ের টিফিন পেক করে নিলো।কিরে গাধা চো এবার যেতে হবে তো রিনা রিন্টুকে ডাকদিল। আমার চটি না নিয়ে আয়। রিন্টু রিনার পায়ের কাছে হাঁটু গেড়ে বসে চটি রাখলো।পরিয়ে দে , তুই যাবি দিদি , হা ঠিক আছে তুই দিয়ে আয়। অ্যা আমি একা না তুই ও জাবি। আবার আমি কেনো যাবো দিদি রিন্টু বললো। বা রে আমি কি হেঁটে যাবো নাকি, তবে ?।তোর পিঠে চড়ে যাবো সব মালকিন যেভাবে যায় আমিও তো তোর মালকিন আমি কেনো হেঁটে যাবো। কিন্তুু দিদি, কেউ যদি দেখে ফেলে তাহলে কি বলবি সে আমি বুজে নেবো। না দিদি প্লিজ বাইরে কাউকে জানতে দিসনা তাহলে আমার পেস্টিস পুরো পামচার হয়ে যাবে সবাই আমায় ঘৃনা করবে। আরে কিছু হবে না তুই ভয় পাসনা আমি ওরকম কিছুই হতে দেবো না। নে আর টাইম নেই ওদিকে মাবাবা অপেক্ষা করছে চো। বলে রিনা রিন্টুর কাধে বসে পরলো। রিন্টু রিনাকে কাধে নিয়ে ঘরে চাবি তালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে পরলো। হাই কিরে জুতো পরালিনা। এই রে দিদি ভুল হয়ে গেছে। আচ্ছা বাদদে আমি তো তোর কাধ থেকে আর নামবো না জুতো পড়ার দরকার নেই। আমার পা দুটো ধর তোর হাত গুলো সামনে এগিয়ে রাখ আমি পা রাখবে। বলে রিনা রিন্টুর হতে পা তুলে দিলো। আর রিন্টুর কান দুটো ধরে বললো চো এবার গাধা চো। রিন্টু হাটতে লাগলো। দিদি তুই খুব হালকা আমার কিছু মনেই হচ্ছে না আমি তোকে নিয়ে এভাবে অনেক দূর যেতে পারবো। রিনা মজায় হাসতে লাগলো আর গুন গুন করতে লাগলো। রিনা রিন্টুর থেকে ১ বছরের বড়ো কিন্তুু দুজনকে দেখে মনে হবে না রিন্টু রিনার থেকে লম্মা আর বেশ ফিটফাট। রাস্তা শেষ করে মাঠে নামতেই রানী দিদা দেখতে পেলো। হেলা কিরে একে বারে ভায়ের কাধে বসে যাসিস যে বরণ রানী দিদা বললো। হা আমি আস্তে চাইনি ওই জোরকরে নিয়ে এলো আমার পায়ে ব্যাথা বলে কাধে বসিয়ে নিল। আসলে ভাইটা কার দেখতে হবে তো আমার সোনা ভাই ও আমার। চো ভাই চো বলে রিন্টু আবার হাটতে শুরু করলো। এই ভাবে হাঁটলে অনেক দেরি হয়ে যাবো দৌর লাগা। তবে রে বলে রিন্টু ছুটতে লাগলো।দৌরো দৌড় আরো জোড়ে আরে জোরে দৌড় বলে রিনা জোরে জোরে হাসতে লাগলো। রিনার হাসি রিন্টুর খুব মিষ্টি লাগছে অত সুন্দর লাগছে যে বলার মত নয়। দৌড়ে দৌড়ে রিন্টু চেলে এলো বাবামার কাছে। ওদের বাবামা ছাড়াও আরো দু তিন জন আছে ওখানে। রিনরা মা দেখে বললো কিরে ভায়ের কাধে বসে এলি অত দূর। নাম । না গো মা দিদিই কে আমিও বাধ্য করেছি আমার কাধে উঠার জন্য ওকে হাটতে দেবনা বলে ওকে জুতোও পড়তে দেইনি রিন্টু বললো। রিনা খাবার বেগ দিয়ে বলল আসছি মা তোমরা খেয়ে নাও। আমরা আসছি।চো রে ভাই হাঁটা দে। হাঁটবো কিরে দিদি বল দৌড়। বলে রিন্টু দৌড়তে লাগলো কিছুক্ষন দৌড়ে রিন্টু দাড়িয়ে পরলো আর হাঁপাতে হাঁপাতে বললো দিদি আর পাচ্ছিনা খুব কষ্ট হচ্ছে না দৌড়লে ভালোই হতো। হ্ন বললে তো কথা শুনবিনা নে এবার বোজ। আর হবে না ভুল হয়ে গেছে। তা বললে তো হবেনা আমি নামবো না আমি কি হেঁটে বাড়ী যাবো নাকি। চো হাটতে থাক। রিন্টু আবার হাটতে লাগলো হাঁপাতে হাঁপাতে বাড়ি চলে এলো। রিনা ঠিক যেখান থেকে রিন্টুর কাধে বসে ছিল ঠিক সেখানে এসে রিনা নেমে পরলো। রিন্টু ওখানেই শুয়ে পড়ে হাঁপাতে লাগলো। রিনা লক্ষ্য করলো তার জুতো জোড়া এখানেই পরে আছে যেটা তার ভাই তাকে পরিয়ে দিতে ভুলে গিয়েছিল। রিনা জুতো জোড়া পায়ে গলিয়ে নিলো আর রিন্টুর বুকের উপর বাম পা তুলে দিয়ে বললো তোর খুব তেষ্টা পেয়েছে না নে এবার পা চেটে তেষ্টা মেটা। বলে রিনা রিন্টুর বুকের উপর দাড়িয়ে পরলো। রিন্টুর হাত সঙ্গে সঙ্গে রিনা পা জড়িয়ে ধরলো আর শাস তিব্য হয়ে উটলো। রিনা এদিকে টলমল করছে ব্যালেন্স রাখতে পাচ্ছে না ওর ওদিকে রিন্টুর ততই কষ্ট তিব্ব হচ্ছে কিন্তুু সব কষ্ট সহ্য করে হাত দুটো দিয়ে দিদির হাত ধরলো। রিনা এবার একটু ব্যালেন্স পেলো। প্রায় ৫ মিনিট হলো রিনা দাড়িয়ে। তারপর একবার ডান পা একবার বাম পা ইচ্ছা মতন রিন্টুর জিবে খসে নিলো। রিন্টুর অবস্থা কি আর বললো বেশ কষ্ট পেলো। যত দিন কাটতে লাগলো রিনার ব্যাবহার পাল্টাতে লাগলো আরো নানা ভাবে নিজের আনন্দের জন্য রিন্টু কে কষ্ট দিতে লাগলো। এইভাবেই রিনার দিন কাটতে লাগলো।

Sunday, 1 August 2021

অতি নারীবাদীদের জয়...

অতি-নারীবাদীদের দাবী মেনে নিল রাজ্য সরকার ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন ; অতি নারীবাদিদের আন্দোলনের চাপে পরে অবশেষে পিছু হটল রাজ্য সরকার । প্রতিটি মেয়েদের স্কুল ও কলেজে ( গার্ল স্কুল ও কলেজ ) মেয়েদের সুবিধার্থে ফিমেল সুপিরিওরিটি মানার শর্তে দারোয়ান, জুতো পালিশ কর্মী, সাধারন সেবক ও পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার । নিজেদের কাজের পাশাপাশি প্রত্যেককে স্কুল বা কলেজের যেকোন মেয়ের যেকোন আদেশ মানতে বাধ্য থাকতে হবে চাকরির শর্ত অনুযায়ী । যেকোন ভাবে মেয়েদের সেবা করে খুশি করতে বাধ্য থাকবে তারা । প্রতিটি স্কুল ও কলেজে নিম্নোক্ত সংখ্যায় নারীসেবার শর্তে বিভিন্ন পুরুষ সেবা কর্মী নিয়োগ করা হবে । প্রত্যেক কর্মীই স্কুল বাশ কলেজের সব ছাত্রীকে প্রভু বা দেবী বলে সম্বোধন করতে বাধ্য থাকবে । এমনকি শিক্ষকদেরও তাদের ছাত্রীদের প্রভু বলে সম্বোধন করতে হবে । দারোয়ান ; প্রতিটি গার্লস স্কুলও কলেজ পিছু ৩ জন করে দারোয়ান নিয়োগ করা হবে । এদের দুজনের ডিউটি হবে স্কুলের গেটের সামনে মাটিতে শুয়ে থাকা, যাতে স্কুল ও কলেজের মেয়েরা তাদের পায়ের তলায় মাড়িয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে পারে । মেয়েরা ইচ্ছা হলে তাদের জামায় , মুখে বা এমনকি জিভের উপর ইচ্ছেমত জুতোর তলা মুছে যাতে জুতো পরিষ্কার করে নিতে পারে স্কুলে ঢোকার আগে, এমনকি ইচ্ছে হলে দারোয়ানদের মুখে লাথি মারতে পারে ইচ্ছেমত, তাই এই বিশেষ অতিরিক্ত দারোয়ান পদের সৃষ্টি করা হবে । মেয়েরা যে শ্রেষ্ঠ লিঙ্গ বা সুপিরিওর সেক্স, সেটা প্রত্যেক মেয়েই এর ফলে নিশ্চিতভাবে বুঝতে পার্বে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত । অপর দারোয়ানকে স্কুল গেট পাহারা দিতে হবে। প্রত্যেক মেয়ে স্কুলে ঢোকার সময় সে তার সামনে হাটু গেড়ে বসে তাকে স্যালুট করে তার জুতোয় একবার করে চুম্বন করতে বাধ্য থাকবে। জুতো পালিশ কর্মী ; প্রতি গার্লস স্কুল ও কলেজে প্রতি ৪০ জন ছাত্রী পিছু একজন করে, অর্থাৎ ১০০০ জন ছাত্রী যুক্ত স্কুল বা কলেজে ২৫ জন করে জুতো পালিশ কর্মী নিয়োগ করা হবে । মেয়েদের ইচ্ছানুযায়ী তারা মেয়েদের জুতো ব্রাশ দিয়ে বা মেয়েরা চাইলে তাদের জুতোর উপর ও তলা উভয়ই জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতে বাধ্য থাকবে । মেয়েরা যেকোন ভাবে তাদের আঘাত বা অপমান করার অধিকার পাবে । মেয়েদের যেকোন আদেশ পালনে বিন্দুমাত্র আপত্তি করলে সঙ্গে সঙ্গে চাকরি চলে যাবে । সাধারন সেবক ; প্রতি ২০ জন ছাত্রী পিছু একজন করে, অর্থাৎ ১০০০ জন ছাত্রী পিছু ৫০ জন করে সাধারন সেবক নিয়োগ করা হবে । ছাত্রীদের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনভাবে তাদের সেবা করতে বাধ্য থাকবে এরা । ছাত্রীদের ব্যাগ বহন করা, তাদের ফাই ফরমাস খাটা, তাদের হাতে অপমানিত হয়ে ছাত্রীদের মানসিক আনন্দ দেওয়া সহ যেকোন অপমানজনক কাজ করতে এরা বাধ্য থাকবে । ক্লাস চলাকালীন মেয়েরা ইচ্ছামত এদের মুখের উপর জুতো পড়া পা রেখে এদের জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করতে করতে ও এদের দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে ক্লাস করতে পারবে । পুরুষ শিক্ষক ; প্রতি ১০০০ জন ছাত্রী পিছু স্কুল ও কলেজ গুলোতে অতিরিক্ত ১০ জন করে পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ করা হবে । এরা প্রতিষ্ঠানের সব ছাত্রীকে প্রভু বলতে বাধ্য থাকবে । ছাত্রীদের দেখলে সম্মান প্রদর্শনের জন্য উঠে দাঁড়ানো, ক্লাস শুরুর আগে প্রত্যেক ছাত্রীর জুতো পড়া পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করা সহ ছাত্রীদের যেকোন আদেশ মানতে এই পুরুষ শিক্ষকেরা বাধ্য থাকবে । ছাত্রীরা নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনভাবে এই শিক্ষকদের দিয়ে চাকরের মতো নিজেদের সেবা করিয়ে নিতে পারবে । এছারাও নতুন আইনের ফলে ছেলেদের স্কুল ও কলেজের ছেলেরা প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবার নিকটবর্তী মেয়েদের স্কুলে গিয়ে সম্পুর্ন স্কুল চলার সময় ধরে চাকরের মতো মেয়েদের সেবা করতে বাধ্য থাকবে । অতি নারীবাদীদের মতো সমাজ বিশেষজ্ঞরাও এই নতুন আইন সহ সরকারের সিদ্ধান্তকে সাদর আমন্ত্রন জানাচ্ছেন। তাদের মতে এর ফলে সমাজে মেয়েদের সম্মান আরও বাড়বে ও কালক্রমে নারীজাতিকে দেবীরুপে স্থান দিতে সাহায্য করবে । ( ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)।

Thursday, 1 July 2021

অশরীরি

( কাল্পনিক ফেমডম সিনেমার রিভিউ) বাংলা ফেমডম নিউজ ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন: সুপারহিট "মায়াবী"র পর পরিচালক অর্নবের দ্বিতীয় সিনেমা "অশরীরী" মুক্তি পেয়েছে গত সপ্তাহে। প্রথম ছবির মত এই ছবিটিও দর্শকদের মুগ্ধ করে দুই বাংলার বক্স অফিসে ঝড় তুলতে শুরু করেছে। মায়াবীর মত "অশরীরী"ও অতিপ্রাকৃত ঘটনা অবলম্বনে তৈরি সুপারন্যাচারাল ফেমডম থ্রিলার। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাভেদ হাসান জয়, রিত্বিকা, সাবাইনা আখতার সিমি, জ্বলন্ত খলিল, ও কৌস্তভ। সিনেমার শুরু হয় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার জয় ও কর্ম জগতের বাইরে তার একাকিত্ব নিয়ে। কাজের বাইরে তার দিন কাটে নির্বান্ধব একাকিত্বে। সে বিয়েও করবে না, কারন সে ভোগে এক্সট্রিম রিজেকশন ফোবিয়ায়। বউ তাকে ভালবাসবে না, তাকে তাচ্ছিল্য করবে, তার মধ্যে এমন কিছু নেই যাতে কেউ তাকে ভালবাসবে এইরকম নেগেটিভ চিন্তা তাকে পিষে মারতে থাকে, তাই সে কাল্পনিক ফেমডম জগতে সময় কাটায়। ক্রমে একদিন অনলাইনে একটি বিজ্ঞাপন চোখে পরে তার। ৯৯% মানুষের মত গঠনের সেক্স বা লাভ পার্টনার ডলের বিজ্ঞাপন। এই পুতুলের চামড়া পুরোপুরি মানুষের মত, নারী পুতুল হলে তার দেহ স্পর্ষ করে কেউ নাকি বুঝতে পারবে না সে জীবিত না পুতুল। কিছু বিশেষ রেকর্ডেড বাক্য সে সময় উপযোগী স্থানে ব্যবহার করতে পারবে মানুষের মত। এর সাথে অত্যধুনিক মাত্রায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স থাকবে তার। দেখতে হবে হুবহু মানুষের মত। কেউ বেশি অর্থ খরচে রাজি থাকলে তার চাহিদা মত গড়নে পুতুল বানিয়ে চীন থেকে যেকোন দেশে সাপ্লাই করা হবে। এই অবস্থায় দেখা যায় জয় মধ্য তিরিশের জয় তার শৈশবের পরিচিত সিমির গড়নে পুতুল বানানোর অর্ডার দেয়। যার মুখ, চেহারা হবে অবিকল সিমির মত। সেক্স ডল না, ডমিনেটিং ডল। যে পুতুল তাকে ডমিনেট করতে বা মারতে পারবে। অন্যরকম চাহিদা ও বিশেষ চেহারা বানানোর জন্য প্রচুর খরচ হওয়া সত্বেও তাতে রাজি হবে জয়। এর মাঝে মাঝে ফ্লাশব্যাকে জয়ের ছোটবেলার ঘটনা দেখানো হবে। জয়ের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছে কৌস্তভ। জয় চিরদিনই মুখচোরা ছেলে, তার বন্ধু কম, বেশি কথা বলতে পারে না। তার বন্ধুও চিরদিন কম ছিল, গার্লফ্রেন্ডের তো প্রশ্নই নেই। সিমি তার চেয়ে প্রায় ৭ বছরের ছোট ছিল। তাদের পাশের বাড়িতে থাকত। সিমি ছিল সুন্দরী, আউটগোয়িং, টমবয় টাইপের মেয়ে। ছোটবেলায় নিজে থেকে সে জয়কে মারত। সিমির হাতে এই মার খাওয়া ভিশন উপভোগ করত জয়। সিমির বয়স যখন ৮-৯ থেকে ১১ পর্যন্ত, আর জয়ের ১৫-১৬ থেকে ১৮, ততদিন পর্যন্ত রেগুলার সিমি জয়কে ডেকে চড়, লাথি মারত। ছোট্ট সিমির হাতে জয়ের অত্যাচারের অনেক দৃশ্য দেখানো হবে প্রায় ২৫ মিনিট ধরে। জয়ের গালে থাপ্পর মারা, মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার দৃশ্য থেকে জয়ের জিভে সিমির জুতোর তলা মোছার দৃশ্যও বাদ যাবে না ছবিতে। এরপর জয় ১৮ বছর বয়সে স্কুল পাশ করে ইঞ্জিনিয়ারিং এ চান্স পেয়ে বাইরে পড়তে চলে যাবে। প্রথম এক বছর পড়াশোনার চাপে বেশি বাড়ি আসতে পারত না সে অত দূর থেকে। ১ বছর পর যখন সে ভিশন মিস করবে সিমিকে, তার হাতে অত্যাচারিত হওয়াকে, তখন বাড়ি ফিরে সে দেখবে সিমিরা বাড়ি বিক্রী করে চলে গেছে। এরপর তার সিমির সাথে আর দেখা হবে না প্রায়। কয়েক বছর পর সে শুনবে সিমি কমিটেড হয়ে গেছে, নিজের লাইফ নিয়ে বিজি আছে। সিমির কাছে অত্যাচারিত হওয়ার আনন্দ সে খুব মিস করলেও আর তাকে সে বিরক্ত করবে না ঠিক করবে। জয় পুতুল পেতে প্রথম এক সপ্তাহ সে পুতুলটাকে খুব ভালবেসে ফেলবে। দেখতে হুবহু সেই সিমির মত, স্পর্শ করে বোঝাই যায় না এ রক্ত মাংসের মানুষ না! প্রোগ্রামিং মত সে জয়কে চড় লাথিও মারবে। কিন্তু ক্রমে জয়ের মনে হবে এ শুধু পুতুল না। পুতুল হলে ব্যাটারি রিমুভ করার পরেও সে হাত নাড়ছে কি করে? ক্রমে আতংক বাড়তে থাকবে জয়ের মনে। সে ব্যাটারি খুলে রাখবে পুতুলের। আর আতংকের সাথে দেখবে, সে শুধু হাতই নাড়ছে না, হাটছে, তাকে মারছে, হুকুম করছে অল্প! যেই কথা প্রোগ্রামিংয়ে ঢোকানো নেই সেই কথাও বলতে শুরু করেছে পুতুল! আত্মায় আগে বিশ্বাস না করলেও ক্রমে তার মনে হবে এর উপরে সত্যিই কোন অশরীরী ভর করেছে। এর হাত থেকে তার বাঁচার একমাত্র উপায় একে অনেক দূরে ফেলে আসা। কিন্তু যেই পুতুলকে দেখতে সম্পুর্ন সিমির মত তাকে সে ফেলবে কি করে? ক্রমে সে ঠিক করবে যা আছে তার কপালে তাই হবে। এই হুবহু সিমির মত দেখতে পুতুল তার প্রান নিলেও সে খুশি! সিনেমার এই গা ছমছমে ভয়ের অংশটি দারুন উপভোগ্য। পুতুল ক্রমে তার উপর সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন দেবে। একদিন তাকে দিয়ে জোর করে ড্রাইভ করিয়ে উত্তর ইউরোপের দেশ স্টেপ্টোনিয়ার ভিসা করিয়ে নিয়ে আসবে। তারপর তাকে একরকম বাধ্য করে স্টেপ্টোনিয়ার এক কম্পানিতে চাকরি নিয়ে সেই দেশে যেতে বাধ্য করবে। এতদিনে পুতুল ক্রমে অনেক কথাও বলতে শুরু করবে। ক্রমে সব রহস্য প্রকাশ হবে জয়ের কাছে। পুতুলের উপরে যার আত্মা ভর করেছে সে আর কেউ না, মৃত সিমির আত্মা! ক্রমে সিমির সেই আত্মা তাকে পুরো ঘটনা খুলে বলবে। ১৩ বছর বয়সে সে কমিটেড হয়েছিল ক্লাসমেট রাজার সাথে। কিন্তু ১৬ বছর বয়সে তার বাবা হঠাত মারা যায়, ফলে তার বয়স ১৮ এ পরতেই তার জেঠু জোর করেই তার বিয়ে দিয়ে দেয় স্বপন নামে ২৮ বছরের এক লোকের সাথে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বপন তার উপরে অত্যাচার শুরু করে। সেই অত্যাচার অনেক বাড়ে তাদের মেয়ে রিমির জন্মের পরে। কালো স্বপনের সাথে ফর্শা রিমির গায়ের রঙ বা চেহারায় মিল না থাকায় স্বপনের সন্দেহ হয়েছিল সে তার সন্তান নয় হয়ত। চুড়ান্ত অবিশ্বাসী স্বপন একদিন হত্যা করে সিমিকে। এখন সে থাকে স্টেপ্টোনিয়ায়, নতুন বউ নিয়ে। রিমিও তাদের সাথে থাকে। স্বপন রিমির উপরে এখনও ভয়ানক অত্যাচার করে। সিমি চায় এর বদলা নিতে। সে এতদিন কোন উপায় পাচ্ছিল না। কিন্তু তার মত দেখতে এই পুতুল আসার পর তার উপরে ভর করে ক্রমে পুতুল দেহ নিয়ে কথা বলা, চলাফেরা সে রপ্ত করে। তাছাড়া এত বছর পরে যেখানে তার লাভার রাজাও তাকে ভুলে সংসার করছে, সেখানে তার প্রতি জয়ের এই টান তাকে বিশ্বাস যুগিয়েছে, রিমিকে পরে কার হাতে মানুষ করার দায়িত্ব দিয়ে সে শান্তি পাবে সে সেটাও খুজে পেয়েছে। এরপর সিমির অশরীরী আত্মার সাথে মিলে কিভাবে জয় হত্যা করবে স্বপনকে সেটা নিয়েই এগোয় পরবর্তী গল্প। টানটান থ্রিলারের শেষে স্বপনের মৃত্যু হয়। অত্যাচারিত রিমিকে শেষে স্টেপ্টোনিয়ার আইন মেনে দত্তক নেয় জয়। সিমি শেষে বলে, " ভেবেছিলাম এই কাজ সেরে আমি মুক্তি পাব। কিন্তু ইচ্ছা করছে না। যতদিন তোরা আছিস , এই পুতুলের মধ্যেই থাকব আমি। রিমি আর তোর সাথে সুখের সংসারের সাধ নেব। আর যে আমার স্পর্শ আর আমার হাতে অত্যাচার তুই মিস করেছিস আমি ১১ বছরে পরার পর থেকে, সেটাই রিমির মাধ্যমে পুরন করাব আমি। রিমিকে দেখতে হুবহু সেই বয়সী আমার মত, আর ওর বয়সও ১১ হবে কিছুদিন পরেই। এখন তুই ওর বাবা, আর সেই সাথে ওর চাকর আর দাসও। তুই ওর যত্ন নিবি ওর বাবার মত, সেই সাথে মারও খাবি ওর হাতে, যেইভাবে ২০ বছর আগে খেতিস আমার হাতে!" সিনেমার শেষ হবে রিমির হাতে জয়ের অত্যাচারিত হওয়ার দৃশ্য দিয়ে। রিমির চরিত্রেও অভিনয় করেছে সাবাইনা আখতার সিমি, আর সিমির বড়বেলার অশরীরী চরিত্রে রিত্বিকা। দুজনেই অপুর্ব অভিনয় করে মন ভরিয়ে দিয়েছেন দর্শকদের। বিশেষ করে জয় বা কৌস্তভের উপরে অকথ্য অত্যাচারের দৃশ্যে। পরিচালক ২ ঘন্টা ২০ মিনিটের সিনেমায় প্রায় ৫০ মিনিট ধরে পর্দায় শুধু সিমি আর রিত্বিকার হাতে জয় ও কৌস্তভের মার খাওয়ার দৃশ্য দেখিয়েছেন, সেখানে সিমি বা রিমির ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বপনের অত্যাচারের একটি দৃশ্যও সরাসরি না দেখিয়ে শুধু সিমির মুখ দিয়ে বলিয়েছেন। গোটা সিনেমাটিই অনবদ্য, অভিনয় থেকে মিউজিক, সিনেমাটোগ্রাফি থেকে গল্প সবই অসাধারন। তবে অবশ্যই সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্শন ওই ৫০ মিনিট, যেখানে সিমি ও রিত্বিকার হাতে পুরুষদের অকথ্যভাবে অত্যচারিত হতে দেখা যাবে। গলা টেপা, চড়, ঘুষি, লাথি, চাবুক, ফেমডমের কোন উপকরনই সিনেমায় বাদ দেন নি পরিচালক। আর দর্শকদের তা কত ভাল লেগেছে তার প্রমান দিচ্ছে বক্স অফিস। দুই বাংলা মিলে এক সপ্তাহতেই ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে এই অতিপ্রাকৃত ফেমডম থ্রিলারটি। ( এই পেজের সমস্ত পোস্টই এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% ফেক/মিথ্যা। এটিও অন্য পোস্টের মতই ১০০% মিথ্যা সংবাদ, শুধু ফেমডম পছন্দ করা পাঠকদের উপভোগের জন্য লিখিত)।

Tuesday, 1 June 2021

ফেমডম পঞ্চায়েত

ফেমডম পঞ্চায়েত ঘোষিত হল। ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন; নিজেদের দেশের প্রথম ফেমডম পঞ্চায়েত বলে ঘোষনা করল মেদিনিপুর জেলার খাপরা পঞ্চায়েত। এই পঞ্চায়েত এলাকায় যে কোন মেয়ে দেবী ও ছেলেরা ক্রীতদাস হিসাবে গন্য হবে এখন থেকে। ছেলেদের ভোটাধিকার সহ সমস্ত মানবাধিকারই আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান সায়নী বসু। গোটা দেশেই অতি নারীবাদীদের দাবীতে ক্রমশ ফেমডম মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। তবে দেশের কোন অঞ্চলে সম্পুর্ন ফেমডম আইন বলবত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। এলাকার সব বয়েজ স্কুল তুলে দেওয়া হচ্ছে আজ থেকেই। স্কুলের ছেলেদের এখন থেকে দায়িত্ব হবে মেয়েদের স্কুলে গিয়ে মেয়েদের যেভাবে হোক সেবা করা তাদের চাহিদা অনুযায়ি। সব মেয়েদের জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করা এখন থেকে ছেলেদের দায়িত্ব বলে গন্য হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে উপযুক্ত শাস্তি হবে। মেয়েরা ইচ্ছামত যেকোন ছলেকে চড় , থাপ্পর বা জুতো পড়া পায়ে মুখে লাথি মারতে পারবে যতখুশি, জানান পঞ্চায়েত প্রধান সায়নী বসু। প্রত্যেক বাড়িতেও এখন থেকে ফেমডম আইন বলবত হবে বলে তিনি জানান। বাড়ির মেয়েরা দেবী ও ছেলেরা ক্রীতদাস বলে পরিগনিত হবে। প্রত্যেক ভাইয়ের দায়িত্ব হবে প্রভুজ্ঞানে বোনেদের সেবা করা, বাবারাও মেয়েদের সেবা করতে বাধ্য থাকবে বলে তিনি জানান। প্রসঙ্গত, সাক্ষাতকার দেওয়ার সম্পুর্ন সময় ২২ বছর বয়সী সুন্দরী পঞ্চায়েত প্রধান সায়নী বসু তার জুতো পড়া পা দুটি একটি ছেলের মুখের উপর রেখে সাক্ষাতকার দিয়েছেন। এই পুরো ২ ঘন্টা সময় ধরে ছেলেটি ভক্তিভরে সায়নীর পা টিপেছে, আর সায়নী তার বার করা জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করেছে। বহুবার সায়নী লাথিও মেরেছে ছেলেটির মুখে। সাক্ষাতকার শেষে এই বিষয়ে প্রশ্ন করায় সায়নী মুচকি হেসে জানান, ছেলেটি তার নিজের ৫ বছরের বড় দাদা, যাকে তিনি ছোট থেকেই সবার সামনে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করে আসছেন। ( ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)।