Tuesday, 24 March 2015

আমার বোন রিয়া

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 


তখন আমি ক্লাস ১০ এ পড়ি । এক শীতের সকালে আমি আর আমার ছোট বোন রিয়া ছাদে ব্যাডমিন্টন খেলছিলাম । আমার বোন রিয়া তখন ক্লাস ৮ এ পড়ে । ফরশা , হাসিখুশি , মিষ্টি একটা মেয়ে । সেদিন ওর পরনে ছিল লাল রঙের টপ , সাদা প্যান্ট আর পায়ে লাল চটি । খেলতে খেলতে ছাদের সানসেডে ককটা উঠে গেল হঠাত । সান্সেডটা অনেক উচু , আমরা কেউ হাত পাব না । আশে পাশে এমন কিছু দেখলাম না যার উপর উঠে ওটা পাড়া যায় ।
 রিয়া বলল , – তুই নিচু হয়ে বস , আমি তোর কাঁধে উঠে ককটা পেড়ে আনছি ।
 আমার মনে হল এটাই বেস্ট হবে । আমি সান্সেডটার সামনে হাটুগেরে বসলাম । আমি হাতদুটো সামনে বাড়িয়ে দিলাম । রিয়া আমার হাতের উপর চটি পরা ডান পা টা রাখল । তারপর আমার কাঁধে চটি পরা বাঁ পাটা রেখে একটু উচু হল , হাত উচু করে সানসেডটা ধরে ব্যালেন্স করল । তারপর ডান পাটাও আমার কাধের উপর তুলে দিল । আমার দুই কাধের উপর দুই পা রেখে আমার ফর্সা সুন্দরী ছোট বোন রিয়ে দাঁড়িয়ে তখন । আমি দুহাত বাড়িয়ে আলতো করে বোনের পা দুটো ধরলাম যাতে ও পড়ে না যায় । আমার হাটুদুটো ছাদের শক্ত মেঝেতে ঘষা খাচ্ছিল , কাধেও চাপ লাগছিল বেশ । বোন হাত উচু করে র্যা কেট দিয়ে ককটা পাড়ার চেষ্টা করল একটু , তারপর হতাশার সুরে বলল , – হচ্ছে না রে দাদা ।
 আমার হাটু দুটোয় বেশ জ্বালা করছিল । আমি বললাম , – তাহলে নেমে আয় । অন্য কোন উপায় দেখি ।
 রিয়া বলল , – না দাদা , তুই বরং মাথাটা একটু শক্ত রাখ । তোর মাথার উপর পা রাখলে পেয়ে যাব ককটা ।
 আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে রিয়া ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মাথার উপর রাখল আলতো করে । খোলা ছাদে আমার সুন্দরী ছোট বোন আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে তখন ।
 আমি ডান হাত বাড়িয়ে বোনের ডান পাটা ধরলাম যাতে ও পড়ে না যায় ।
 রিয়া বলল , – ভাল করে ধরিস দাদা । আমি পড়ে যাই না যেন ।
 এই বলে ও হাতের র‍্যাকেট বাড়িয়ে আবার চেষ্টা করতে লাগল ।
 আমি বোনের চটি পড়া ডান পাটা মাথায় চেপে ধরে বললাম , একটু তাড়াতাড়ি কর বোন , আমার হাটুতে লাগছে ।
 বোন জবাবে ওর ডান চটির তলা আমার মাথার উপর একটু ঘষে বলল , -একটু দাড়া না । দেখতে পাচ্ছি না ভাল করে । একটু সময় লাগবে তো।

 আশে পাশের বাড়ির ছাদে অনেকেই রয়েছে । আমাদের দেখতে পাচ্ছে । সবার সামনে আমার ছোট বোন রিয়া আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে কক পাড়ার চেষ্টা করছে ! কেন জানিনা খারাপ লাগার বদলে আমার বেশ ভাল লাগতে লাগল অনুভুতিটা । আমি রিয়ার পাটা মাথার সাথে চেপে ধরে বললাম , – ঠিক আছে রিয়া । তুই ধীরে সুস্থে পাড় ককটা ।
 বোন বোধহয় খুব এঞ্জয় করছিল ঘটনাটা । ও কোন তাগিদ দেখাচ্ছিল না তাড়াতাড়ি ককটা পাড়ার । আসতে আসতে আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাচ্ছিল ও । আমিও কেন জানিনা হাটুর ব্যাথা ভুলে এনজয় করতে শুরু করেছিলাম ঘটনাটা । প্রায় ৫ মিনিট আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার পর বোন ককটা পাড়ল , তারপর প্রথমে ডান পা টা আমার কাঁধে নামাল । আমি আবার হাত দুটো জোড়া করে ধরলাম । ও আমার হাতের উপর চটি পড়া বাঁ পাটা রাখল । তারপর লাফ দিয়ে নিচে নেমে গেল ।
 আমার কেন জানিনা খুব ভাল লাগল এই মুহূর্ত টা । খেলতে খেলতে বারবার মনে পরছিল অই মুহূর্ত টার কথা । মন চাইছিল আবার যেন ককটা সান্সেডে উঠে যায় । একটু পরেই রিয়া আবার ককটা সানসেডে তুলল । এবার যেন ইচ্ছা করেই । আমি নিজে থেকেই হাটুগেরে বসে পড়লাম সানসেডটার তলায় । রিয়া আবার আমার হাতে ভর দিয়ে কাঁধে উঠল । তারপর নিজে থেকেই চটি পরা ডান পাটা আমার মাথার উপর তুলে দিল । সানসেড ধরে দাঁড়িয়ে আমার মাথার উপর আসতে আসতে চটি পরা ডান পায়ের তলা বোলাতে লাগল , যেন আমার মাথায় চটি পরা পা বুলিয়ে আদর করছে আমার ছোট বোন ।
 কি এক অজানা আনন্দে আমার হৃদয় ভরে গিয়েছিল । আমি চোখ বন্ধ করে বোনের পায়ের আদর খেতে লাগলাম আমার মাথায় ।
 এবার প্রায় ১০ মিনিট পর বোন ককটা পেড়ে নেমে দাঁড়াল । নেমেই বোন আমার দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিল ।

 এরপর আমি আর বোন দুজনেই বারবার ইচ্ছা করে ককটা সানসেডে তুলছিলাম । আর প্রত্যেক বারই বোন ককটা পাড়ার অজুহাতে আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আমার মাথায় চটির তলা ঘষে আমায় আদর করছিল । আমি আর রিয়া দুজনেই খুব উপভোগ করছিলাম এটা ।
 সেদিন দুপুরে রিয়া বলল , – দাদা আয় , আমি আর তুই মিলে বুক শেলফটা গুছিয়ে রাখি ।
 আমি বললাম , -চল ।

 আমাদের দোতলার একটা ঘরে একটা দেওয়াল জুড়ে বুক সেলফ । নিচের তাকে বই নেই, অন্য জিনিস রাখা । উপরের তাক গুলোয় বই ঠাসা । উপরের দুটো তাকেন আমি বা বোন চেয়ারে না উঠলে হাত পাই না ।
 রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হেসে বলল , তুই এবার চার হাত পায়ে দাড়াবি , আমি তোর পিঠে উঠে বই গুছাব ।
 এই ঘরে চেয়ার আছে । আমার পিঠে ওঠার কোন দরকার নেই বোনের । কিন্তু বোনের মতো আমিও চাইছিলাম ও আমার পিঠে উঠে দাঁড়াক । আমি চার হাত পায়ে জন্তুর মতো সেলফটার সামনে দাড়ালাম । বোন চটি পরা পায়ে আমার পিঠে উঠে দাঁড়াল । ও আসতে আসতে বই সাজিয়ে রাখছিল , আর মাঝে মাঝে পা বাড়িয়ে আমার মাথায় চটি পরা পা বুলিয়ে আদর করছিল । কখনো বাঁ আমার মাথায় চটি পরা পা বাড়িয়ে ভর দিয়ে দাড়াচ্ছিল । মাথায় ভর দিলে আমার লাগছিল খুব , কিন্তু তবু দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছিলাম । মনে মনে বোনকে বলছিলাম ,- তুমি আমার প্রভু , আমার মালকিন । আমার স্থান তোমার পায়ের তলায় । আমাকে নিয়ে যা খুশি কর তুমি ।
 প্রায় ৪০ মিনিট পর বোন আমার পিঠ থেকে নেমে দাঁড়িয়ে বলল , – এবার নিচের তাকটা গোছাব । তুই সেলফের সামনে চিত হয়ে শুয়ে পর এবার ।
 আমি তাই করলাম । রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসল আবার , তারপর আমার বুকে প্রথমে ওর লাল চটি পরা বাঁ পাটা রাখল , তারপর ডান পা টাও আমার বুকের উপর তুলে দিল । আমার বুকের উপর চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে আমার ২ বছরের ছোট সুন্দরী বোন রিয়া বই গোছাতে লাগল । আমার বুকের উপর চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট বোনকে আমার প্রভু বলে ডাকতে ইচ্ছা করতে লাগল ।
 আমি মনে মনে বললাম , হে প্রভু , আজ থেকে আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য তোমার সেবা করা ।

 একটু পরে বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার গলার উপর রাখল । আমার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল খুব , তবু আমার ছোট বোনের কাছ থেকে কষ্ট পাচ্ছি ভেবে কেন জানিনা খুব ভাল লাগছিল । বোন একটু পরেই ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর চটি পরা বাঁ পাটা তখন আমার বুকে , আর চটি পরা ডান পাটা আমার ঠোঁটের উপর । আমি দু হাত বাড়িয়ে বোনে চটি পরা ডান পা টা মুখের সাথে চেপে ধরলাম । আসতে আসতে চুমু খেতে লাগলাম বোনের লাল চটি পরা ডান পায়ের তলায় ।
 বোনের বই গোছান শেষ করতে লাগল আরও ১৫ মিনিট । এই ১৫ মিনিট আমি একটানা বোনের পায়ের তলায় শুয়ে ওর চটির তলায় চুম্বন করলাম ।
 রিয়া এরপর নেমে দাঁড়িয়ে আমাকে বলল এর নিচের তাকটা গোছাতে । একটা তাকই বাকি ছিল । আমার গোছাতে ৩০ মিনিট লাগল প্রায় । শেষ করে তাকিয়ে দেখি বোন ওর গদি মোড়া নরম চেয়ারটায় বসে একটা গল্পের বই পড়ছে । আমি ওর পায়ের সামনে হাটুগেরে বসলাম , তারপর ওর পায়ে মাথা রেখে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করলাম ওকে ।
 রিয়া আমার দিকে তাকিয়ে আবার মিষ্টি হাসল , তারপর বলল অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বই গুছিয়ে পায়ে বুয়াথা করছে দাদা । একটু পা টিপে দে তো চিত হয়ে শুয়ে । আমি ওর পায়ের কাছে চিত হয়ে শুতেই বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর চটির তলা দুটো আসতে আসতে আমার সারামুখে ঘষতে লাগল আমার বোন রিয়া । আমি ভক্তিভরে বোনে পা দুটো টিপতে লাগলাম আর চুম্বন করতে লাগলাম ওর লাল চটির তলায় । একটু পরে জিভ বার করে চাটতে লাগলাম বোনের চটির তলা । বোন আমাকে ওর চটির তলা চাটতে দেখে হেসে বলল , এখন থেকে আমার সব জুতো তুই চেটে পরিষ্কার করবি দাদা । আর সবার সামনেও সবসময় সেবা করবি আমার ।
 আমি বোনের চটির তলা পাগলের মতো চাটতে চাটতে বললাম ,- নিশ্চয় প্রভু ।
 সেই থেকে আমার বোন রিয়া আমার প্রভু ।আমার বোন রিয়া আমার গলায় একটা বেল্ট বেধে দিয়েছে এখন , ও আমাকে কুত্তা বলে ডাকে । ও যখনই চেয়ারে বসে আমি ওর পায়ের তলায় শুয়ে পড়ি, যাতে ও আমার মুখে ওর পা রাখতে পারে । আমার বের করে দেওয়া জিভে জুতোর তলা ঘষতে ও খুব ভালবাসে । ওর সব জুতো আমি জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিই । আমার মুখে লাথি মারতেও খুব ভালবাসে রিয়া । মাঝে মাঝে ওর বান্ধবী চৈতালি আর পৃথাও আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে দিয়ে সেবা করিয়ে যায় । আমাকে লাথি মারে , আমাকে দিয়ে জুতোর তলা চাটায় , কুত্তা বলে ডাকে । আর এসবই বোন বাবা মায়ের সামনেই করে , বাবা মা কখনই আপত্তি করেনি এতে । বরং আমার বাবাও মাঝে মাঝে রিয়ার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করে, রিয়ার পা টিপে দেয় । বাবা মা বলে , অনেক ভাগ্য করলে রিয়ার মতো একটা মেয়ে পাওয়া যায় । আর আমি বলি , অনেক ভাগ্য থাকলে তবে রিয়ার মতো একটা প্রভু পাওয়া যায় । সত্যি , বাবা মায়ের সামনে ছোট বোনকে প্রভুর মতো সেবা করার সুযোগ কটা ছেলেরই বা হয় ?


Monday, 2 March 2015

রাই আর সঞ্চারী


( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 


সঞ্চারী আর আমি ক্লাসমেট ছিলাম ক্লাস ৫ থেকে । সঞ্চারী ছিল ভীষণ সুন্দরী, সঙ্গে ক্লাসের ফার্স্ট গার্লও । আমি ছিলাম বেশ কাল , অতি সাধারন চেহারার এক লাজুক ছেলে । সঞ্চারীর সাথে কথা বলার সাহসও হয় নি কখনও । দূর থেকেই ওকে দেখতাম , সেই বয়সেই ওকে ভয়ানক ভাল লাগত । বুকের ভিতর কিরকম যেন এক অজানা কষ্ট জেগে উঠত ওকে দেখে । ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্যতা আমার নেই সেটা বড় হতে হতে যত আমি বুঝতে লাগলাম, ওর প্রতি আকর্শনটা ক্রমে ভক্তিতে রুপান্তরিত হতে লাগল । ওকে দেবী হিসাবে পুজো করার ইচ্ছা ক্রমে জেগে উঠতে শুরু করল আমার মনে ।

সেই সঞ্চারী যে আমার সঙ্গে সত্যিই বন্ধুত্ব করবে আমি কখনও ভাবতেও পারিনি । ক্লাস ১১ এ একসাথে একটা প্রোজেক্ট করতে গিয়ে প্রথম ওর সাথে কথা হয় আমার । ও এমন স্বাভাবিক ভাবে আমার সাথে মিশত যেন আমি আর ও একইমানের, আমি ওর বন্ধু হওয়ার যোগ্য । কিন্তু আমি কিছুতেই পারতাম না । আমি যে বহুদিন আগেই ওকে আমার আরাধ্যা দেবীর আসনে বসিয়েছি !
আমি ওর বাড়িতে মাঝে মাঝে যেতাম । ওর বাড়িতে ওর বাবা ,মা আর ওর ৪ বছরের ছোট বোন রাই থাকত । রাই তখন ক্লাস ৭ এ পড়ে । সঞ্চারীর বাবা মা আমাকে খুব একটা অপছন্দ করত না । তবে কোন এক অজানা কারনে রাই আমাকে অপমান করতে পছন্দ করত সবার সামনেই । আমাকে কেলেভূত , বাঁদরমুখো, গাধা যা খুশি তাই বলে ডাকত । ছোটখাটো হুকুমও করত আমাকে । ওর মা বলত -  আমাদের আদরের ছোট মেয়ে ও, প্লিজ ওর কথায় তুই কিছু মনে করিস না ।
মনে করা তো দুরের কথা , আমি চেষ্টা করতাম আমার ভয়ানক ভাল লাগাটা আড়াল করতে । রাইকে দেখতে একদম সঞ্চারীরই মত , একই রকম ফর্শা মিষ্টি চেহারা । আমার খুব ইচ্ছাহত সঞ্চারী আর রাই সারা পৃথিবীর সামনে আমাকে যতখুশি অপমান করুক, ধরে থাপ্পর আর লাথি মারুক ।


রাই আমাকে খেলাচ্ছলে ২-১ দিন মেরেছিল । একদিন আমি সঞ্চারী আর রাইয়ের সাথে স্কুলের পর ওদের বাড়ি গেলাম । ওদের দুজনের মনই কোন এক কারনে খারাপ ছিল , কি কারন আমাকে তখনও বলেনি । আমি ওদের সাথে বাড়িতে ঢুকতে রাই আমাকে অবাক করে দিয়ে আদেশ করল ওর জুতো খুলে দিতে । আমি একটু অবাক হলাম । তবু সঙ্গে সঙ্গে রাইয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম ওর চাকরের মত । ওর পা থেকে জুতো খুলতে যাওয়ার আগেই রাই জুতো পরা ডান পায়ে পরপর দুটো লাথি মারল আমার মুখে । আমি অবাক হয়ে তাকালাম রাইয়ের মুখের দিকে ।
রাই কিছু বলল না । পিছন থেকে ওর মা বলল, - ওদের বাবার বাইরে ট্রান্সফার হয়ে যাচ্ছে । আমরা পরশু চলে যাচ্ছি ৩ জন । শুধু সঞ্চারী স্কুল চেঞ্জ করবে না বলে এখানে থেকে যাচ্ছে । তাই রাইয়ের মন খারাপ খুব । ওর মারার জন্য কিছু মনে করিস না ।
রাই আবার আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল, - ওকে যখন খুশি আমি লাথি মারব । কেলেভূত একটা, ও আবার কি মনে করবে ?
রাইয়ের জুতো পরা পায়ের লাথি , সঙ্গে এই অপমান আমার ভীষণ ভাল লাগছিল । আমি সঞ্চারী আর ওর মায়ের সামনেই এই অপমানের জবাবে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম একবার । তারপর রাইয়ের জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।
- কালু , তুই কিন্তু আজ র কাল আমাদের সব জিনিস একা গুছিয়ে দিবি । রাই এবার আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মেরে বলল ।

নিশ্চয়ই রাই , আমি তো আছি তোমাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য আমি বললাম রাইয়ের জুতো খুলতে খুলতে ।
রাইয়ের জুতো মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার চটিটা পরিয়ে দিতে রাই ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার মাথাটা সঞ্চারীর দিকে ঠেলে দিয়ে বলল , - তাহলে  দিদির জুতোও খুলে দে কালু ।
আমার নাম রমেশ , ডাক নাম রনি । তাও আমার গায়ের রঙ কালো বলে আমাকে কালু বলে ডাকছে রাই ।আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট ফরশা , সুন্দরী এই মেয়েটার হাতে অপমানিত হতে দারুন ভাল লাগছিল আমার । আমি মাথায় রাইয়ের চটি পরা পায়েরঠেলা খেয়ে সঞ্চারীর পায়ের সামনে হাটুগেড়ে  বসলাম । সঞ্চারী বাঁ পায়ের উপর ডান পা তুলে বসে ছিল । আমি সঞ্চারীর চাকরের মত ওর পা থেকে জুতো খুলতে লাগলাম ।
-   আমি কিন্তু ঘরের কোন কাজ জানি না কালু   আমার ঘর পরিষ্কার , রান্না করা , সব তোকে করতে হবে   

সঞ্চারীও আমাকে কালু বলে ডাকছে ? আমাকে দিয়ে এখন থেকে বিনা পয়সার চাকরের মত ও সব কাজ করাতে চায় ? প্রবল আনন্দে আমি সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে । ওর দুই জুতোর ওপরে একবার করে চুম্বন করে বললাম , - নিশ্চয় সঞ্চারী । তারপর আবার ওর জুতো খুলে দিতে লাগলাম ।
দুইদিন ধরে ওদের যাবতীয় জিনিস আমি একা হাতে গোছালাম চাকরের মত । রাই আর সঞ্চারী গোছানোর তদারকি করছিল । কোন কিছু বিন্দুমাত্র অপছন্দ হলেই রাই এগিয়ে এসে আমার গালে সপাটে থাপ্পর মারছিল । আমি বসে গোছানোর সময় ভুল হলে ওর নীল চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারছিল । জবাবে আমি ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিলাম । সঞ্চারী আর ওর মা দেখে শুধু হাসছিল । কেউ ওকে বাধা দিচ্ছিল না । আমারও ভীষণ ভাল লাগছিল রাইয়ের কাছে থাপ্পর আর লাথি খেতে ।


২ দিন পর রাই ওর বাবা মার সঙ্গে ওদের নতুন ঠিকানায় চলে গেল । আমি খুব দুঃখ পেলাম মনে । ওরা যাওয়ার ঠিক আগে স্টেশনে সবার সামনে রাইয়ের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম আমি । জবাবে রাই সবার সামনেই আমার মাথার উপর পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল । একজন অবাক হয়ে রাইকে জিজ্ঞাসা করল , - এই ছেলেটা তোমাকে প্রনাম করছে কেন ?
জবাবে রাই মুচকি হেসে বলল , - আমাদের চাকর হয়, তাই । তারপর ট্রেনে উঠে গেল । ট্রেন ছেড়ে দিল একটু পরে । আমি আর সঞ্চারী ওদের বাড়িতে ফিরে এলাম তারপর ।
 ওদের বাড়িতে ফিরে এসে আমি সঞ্চারীর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বললাম , - আমি তোর চাকরের মত সব কাজ করে দেব এখন থেকে । তুই কিছু চিন্তা করিস না ।
জবাবে মুখে মুছকি হাসি ফুটিয়ে আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মারল সঞ্চারী । - তুই আমার চাকরের মত না , চাকরই এখন থেকে কালু । আর চাকরেরা কি মালকিনকে তুই বলে ডাকে ?
আমি সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চারীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, - প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও মালকিন ।
জবাবে আমার মাথায় জুতো পরা ডান পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করল সঞ্চারী, - ঠিক আছে , এবারের মত তোকে ক্ষমা করে দিলাম কালু ।নে, আমার জুতো খুলে দে এবার । তারপর ঘর ঝাট দিয়ে রান্না বসা ।


সেই থেকে আমি সঞ্চারীর বিনা পয়সার চাকর হয়ে কাটাচ্ছি । আমি সঞ্চারীর দোকান, বাজার , রান্না , ঘর পরিষ্কার সব করি । সঞ্চারীর জামা কাচা , জুতো পরিষ্কার , পা টিপে দেওয়া এসবও করি রোজ । সঞ্চারীকে আমি সবার সামনেই মালকিন বলে ডাকি আর ও আমাকে ডাকে কালু বলে । প্রায়ই আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে দেবীর মত ভক্তি করে প্রনাম করি । আমার আশৈশব আরাধ্যা দেবীকে এভাবে সেবা করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করি । সঞ্চারীর পা টেপার সময় সঞ্চারী কখনও পা রাহেয়ামাএ কোলে, কখনও বা চটি বা জুতো পরা পা আমার বুকে বা মুখের উপর তুলে দেয় । সঞ্চারী যখন পড়ে তখন ওর পায়ের তলায় শুয়ে ওর চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা টিপে দিই আমি । সঞ্চারী আমার ঠোঁট আর কপাল ওর চটির তলা দিয়ে ঘসে । আমি জিভ বার করে মাঝে মাঝে চেটে দিই আমার সুন্দরী আরাধ্যা দেবীর চটির তলা ।

জবাবে আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি হাসে সঞ্চারী , প্রান জুড়িয়ে দেওয়া হাসি । তবে ও রাইয়ের মত অত মারতে ভালবাসে না । কখনও মারলেও খুব আসতে মারে । আর কালু বলে ডাকা ছাড়া আর কোনভাবে অপমানও করে না । এমনকি সবার সামনে আমার সাথে মোটামুটি বন্ধুর মতই ব্যবহার করে । যদিও আমার ইচ্ছা করে সবার সামনে সঞ্চারীর সেবা করতে, তবু সঞ্চারীকে নিজে থেকে সেটা বলার সাহস হয়না কখনও । এভাবেই আমার আরাধ্যা দেবী সঞ্চারীর সেবা করতে করতে কেটে যায় দুটো বছর । আমরা উচ্চমাধ্যমিক দিই একসাথে । তারপর হঠাতই একদিন সেই সুখবর শুনতে পাই সঞ্চারীর মুখে । ওর বাবার বদলি হয়ে আবার এখানে ফিরে আসছে সপরিবারে ।
আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠি প্রায় । তার মানে আবার সবার সামনে সঞ্চারীর সাথে রাইয়েরও সেবা করতে পাব ?

নির্দিস্ট দিনে রাই আর ওর বাবা মার জন্য সঞ্চারীর সাথে স্টেশনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকি আমি । ট্রেন এসে পৌছালে রাই এসে নামে ওর বাবা মায়ের সঙ্গে । এই দুবছরে রাই যেন আরও সুন্দরী হয়েছে । স্বর্গ থেকে কোন দেবী সামনে নেমে এলে কোন ভক্তের যেরকম অবস্থা হবে রাইকে দেখে আমার সেরকমই অবস্থা হয় । আমি রাইকে দেখে প্রবল ভক্তিভরে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি প্ল্যাটফর্মের অত লোকের সামনেই ।

-   গ্রিট মি প্রপারলি স্লেভ। রাই ভুরু কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলে । রাইয়ের মুখে প্রথমবার স্লেভ ডাক শুনে প্রবল আনন্দ হয়  আমার । সত্যিই আমি এই জীবনে শুধু রাই আর সঞ্চারীর ক্রীতদাসই হতে চাই , আর কিছু না। আমি প্ল্যাটফর্মে সবার সামনে রাইয়ের সাদা স্নিকার পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম করি । জবাবে আমার মাথার উপর জুতো পরা বাঁ পা রেখে উঠে দাঁড়ায় রাই, তারপর জুতো পরা ডান পা টা রাখে আমার পিঠের উপর । উপুড় হয়ে ওকে প্রনাম করতে থাকা আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওর দিদিকে জড়িয়ে ধরে রাই । - আই লাভ ইউ দি , কেমন আছিস ?
-    ছোট্ট বোনটাকে ছেড়ে কি ভাল থাকা যায় ? তুই কেমন আছিস ?
-   ঠিক বলেছিস দি, তোকে ছাড়া আমারও একদম ভাল লাগছিল না । আচ্ছা , কালু কুত্তাটা তোর সব কাজ ঠিক ঠাক করত তো ? না ঝামেলা করত ?
-   না রে , কালু খুব বাধ্য চাকর  , আমার সব কথা শুনত ও । আমার মাথায় ওর ব্রাউন পাম্প শু পরা ডান পা বুলিয়ে বলে সঞ্চারী ।
-   এখন আমি এসে গেছি । ঝামেলা করলে লাথি মেরে ওর সব দাঁত ফেলে দেব আমি । দেখ , কুত্তাটার জন্য ডগ কলার নিয়ে এসেছি আমি । এই কালু কুত্তা, এদিকে আয় ।
-   আমি রাইয়ের ডাক শুনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসি । স্টেশন ভর্তি লোকের সামনে আমার গলায় ডগ কলারটা পরিয়ে দেয় রাই । তারপর আমার মুখের উপর একদলা থুতু ছিটিয়ে দেয় । পরক্ষনেই প্ল্যাটফর্মের উপর আরেকদলা থুতু ছেটায় রাই ।
-    চাট কালু কুত্তা । তোর প্রভুর থুতু চাট । হাসিমুখে পাশ থেকে বলে সঞ্চারী । আমি রাইয়ের থুতুটা মাথা নিচু করে চাটতে গেলে আমার মাথাটা পাম্প শু পরা বাঁ পা দিয়ে থুতুর উপরে চেপে ধরে সঞ্চারী । আমি আমার দুই প্রভুর কাছে অপমানিত হওয়ার আনন্দে তখন আত্মহারা । স্টেশন ভর্তি লোক আমার দুই প্রভুর কাছে আমার অপমান দেখতে থাকে আমাদের ঘিরে ধরে । আর আমি রাইয়ের থুতু চাটতে থাকি প্ল্যাটফর্ম থেকে , আর সঞ্চারী ওর জুতো পা দিয়ে আমার মাথা চেপে ধরে থাকে থুতুর উপর ।
-   রাইয়ের পুরো থুতুটা চেটে খেয়ে নিলে রাই আদেশ করে , - কালু কুত্তা , এবার আমাদের সব ব্যাগ গুলো তোল , ঘরে ফিরতে হবে ।

-   আমি উঠতে যাই , আর তখনই রাইয়ের স্নিকার পরা ডান পা সজোরে আমার ঠোঁটের উপর আঘাত করে । আমি উলটে পরে যাই । তারপর আবার উঠতে যাই আমার আরাধ্যা দেবীর আদেশ পালনে । এবার পাম্প শু পরা ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর সপাটে লাথি মারে সঞ্চারী । আমি উলটে পরে যাই আবার । নাকজুড়ে অসহ্য যন্ত্রনা বোধহয় , চোখে অস্পষ্ট লাগে দৃষ্টি । তাকিয়ে দেখি রাই সঞ্চারীকে জড়িয়ে ধরে হো হো করে হাসছে । আমি কি করব বুঝতে পারিনা । অসহায় দৃষ্টিতে আমার দুই প্রভুর দিকে তাকিয়ে শুয়ে থাকি । রাই ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখের উপর তুলে দেয়  । আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে থাকে ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলায় , ওর বাবা মা সহ প্ল্যাটফর্ম ভর্তি লোকের সামনেই । আমি জবাবে দুহাত দিয়ে রাইয়ের জুতো পরা পা টা আমার মুখের সাথে চেপে ধরি , ভক্তিভরে গাঢ় চুম্বন করি আমার প্রভুর জুতোর তলায় ।
-   জিভটা বার কর কালু কুত্তা । রাই গম্ভীর গলায় আদেশ দেয় ।
-   আমি যতটা সম্ভব বার করে দিই আমার জিভটা । আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট আমার আরাধ্যা দেবী রাই আমার জিভের উপর ওর সাদা স্নিকার পরা পায়ের তলাটা নামিয়ে দেয় । ওর ধুলো ময়লা ভর্তি জুতোর তলাটা আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করতে থাকে অসংখ্য লোকের সামনে । অনেকেই কয়ামেরা বার করে এই ঘটনার ভিডিও তুলতে থাকে । আর আমি আমার আরাধ্যা দেবীর জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিভরে গিলে খেতে থাকি ।


-   ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেললে ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মারে রাই । তারপর একই রকম ভাবে আমার জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা ঘসতে থাকে । ওর বাঁ জুতোর তলাও নতুনের মত পরিষ্কার হয়ে গেলে আবার একটা লাথি মারে আমার ঠোঁটের উপর । এরপর এগিয়ে আসে সঞ্চারী । আমার জিভের উপর ঘসে প্রথমে ওর বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা পরিষ্কার করে নেয় । এরপর উৎসাহ পেয়ে আমাদের ঘিরে মজা দেখতে থাকা আরও ৩ জন ফর্শা সুন্দরী মেয়ে এগিয়ে আসে । ওদের একজনের বয়স ১৪-১৫, একজনের ১৮-১৯, আরেকজনের ২২-২৩ । ৩ জন মেয়েই আমার জিভের উপর ঘষে ওদের পবিত্র জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলে । তারপর ওরা রাই আর সঞ্চারীকে ধন্যবাদ দিয়ে আমার মুখে লাথি মেরে চলে যায় । রাই এগিয়ে এসে আমার গলায় বাঁধা ডগ কলারটা হাতে ধরে । সঞ্চারী বলে , - নে কালু কুত্তা , আমাদের জিনিসগুলো সব মাথায় আর পিঠে তুলে নিয়ে বাড়ির দিকে চল । স্টেশনের নিচেই ওদের গাড়ি দাঁড়িয়ে । ওরা চারজন গাড়িতে উঠে যায় মালপত্র আমাকে ধরিয়ে দিয়ে । ঠান্ডা এসি গাড়িতে চড়ে ওরা বাড়ির দিকে এগিয়ে যায় । রাই আর সঞ্চারীর জুতোর তলার ময়লা সারা মুখে মেখে আমি প্রবল রোদের মধ্যে সব মালপত্র মাথায় পিঠে তুলে হাটাপথে দেড়ঘন্টা দূরত্বের ওদের বাড়ির দিকে রওনা হই  আর মনে মনে ভগবানকে ধন্যবাদ দিই আমাকে এত সুন্দরী দুই প্রভুর ক্রীতদাস বানানোর জন্য । 


রাখি


( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 


আমি তখন  1st  ইয়ারে  পড়ি   আমাদের পাশের বাড়িতে একটা মেয়ে থাকত ।  মেয়েটার নাম রাখি । ক্লাস ৯ এ পড়ত , খুব সুন্দরী দেখতে । কিন্তু পড়াশোনায় ভাল না । ওর মা বলল আমি যেন ওকে একটু পড়িয়ে দি ।
আমি রাজি হয়ে গেলাম । সুন্দরী মেয়েকে পড়ানোর সুযোগ কেই বা হাতছাড়া করে ?
তা ও পড়তে এলে ওকে চেয়ারে বসিয়ে আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়াতে লাগলাম। আমার পড়ার ঘরে আর কেউ ঢোকে না, তাই সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত । অ একটু অবাক হলেও আমাকে কিছু বলল না।  প্রথম কয়েকদিন আমি বিশেষ কিছু করলাম না। শুধু মাঝে মাঝে ওর পায়ের উপর আলতো করে হাত বলানো ছাড়া ।
একমাস পর ও আমার ওর পায়ের কাছে বসাতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেল । আমি ঠিক করলাম এবার একটু এগোতে হবে । ও পড়তে এলে ওকে একটু পরালাম । তারপর ওকে বললাম , - আমার ডান হাতটায় জিম করে খুব ব্যাথা হয়েছে । তুই তোর পা দুটো আমার হাতের ওপর একটু রাখবি প্লিজ ? চাপ লাগলে একটু আরাম পাবো । এই বলে আমি ওর পায়ের কাছে ডান হাতটা রেখে শুয়ে পরলাম।
রাখি একবার আমার চোখের দিকে তাকাল, তারপর নিজে থেকেই ওর পা দুটো তুলে আমার ডান হাতের বাইসেপ এর উপরে রাখল ।
 পা দিয়ে আমার হাতটা একটু ঘষে দিবি প্লিজ ? রাখিকে অনুরোধ করলাম আমি।
ও আমার হাতের বাইসেপটা ওর দুপায়ের তলায় আসতে আসতে ঘষতে লাগল । ওর মুখে হালকা হাসি ফুটে উঠেছে দেখলাম ।
১০- ১৫ মিনিট পর ওর পাদুটো টেনে আমার হাত আর বুকের সংযোগস্থলে রাখলাম।
-এবার এখানে একটু চাপ দে প্লিজ ।
ওর মুখের হাসি যেন আরেকটু চওড়া হল । মুখে হাসি ঝুলিয়ে আমার কাঁধ আর বুকের সংযোগস্থলে চাপ দিতে লাগল ।

আমি ওর বাঁ পাটা ধরে বললাম - এই পা টা দিয়ে একটু জোরে চাপ দে প্লিজ ।
এই বলে আমি ওর ডান পাটা সরিয়ে ঠিক আমার বুকের মাঝখানে রাখলাম । রাখি বাঁ পা দিয়ে আমার কাধে চাপ দিতে লাগল । আর আমি আমার সুন্দরী ছাত্রীর পায়ের তলায় শুয়ে ওর ডান পাটা দুহাত দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলাম ।
রাখি কিছু বলল না , মুখে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে বাঁ পা দিয়ে আমার হাতটায় চাপ দিতে থাকল । আমি ওর ডান পাটা আমার বুকের মাঝখানে জড়িয়ে ধরলাম । ওর ফর্শা খালি ডান পা টাকে আসতে আসতে টেনে নিজের গলার উপর নিয়ে এলাম ।
রাখি তখন ওর বাঁ পা দিয়ে আমার হাতে চাপ দেওয়া ছেড়ে হঠাত ওর বাঁ পাটা ডান পায়ের উপর তুলে বসল । ফলে ওর খালি বাঁ পাটা আমার মুখের একটু ওপরে দুলতে লাগল । ওর মুখে মুচকি হাসি লেগে । আমি আর পারলাম না । আমার সুন্দরী ছাত্রীর প্রতি ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । আমি মাথা তুলে ওর বাঁ পায়ের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম ।
রাখি মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল - আবার ।
তার মানে আমার সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমাকে ডমিনেট করা এঞ্জয় করছে ?
উফফ, প্রবল আনন্দে আমি রাখির বাঁ পায়ের তলায় একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম । একটু পরে রাখি ওর দুটো খালি পাই আমার মুখের উপর নামিয়ে দিল । আমার ঠোঁট আর কপালের উপর ওর ফর্শা নরম পায়ের তলা ঘষতে লাগল। আমি বারবার গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ওর পায়ের তলায় । আর হাত বাড়িয়ে ওর পা দুটো এমনভাবে টিপতে লাগলাম যেন আমি ওর চাকর আর ও আমার প্রভু ।
হঠাত রাখি ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা লাথি মারল । আমি আর পারলাম না । ওর ডান পায়ের তলায় গভীর আবেগে একটা চুম্বন করে বললাম , - প্রভু, আমাকে তুমি যতখুশি লাথি মারতে পার , আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই করতে পার তুমি । আমি তোমার ক্রীতদাস প্রভু ।
আমার কথা শুনে রাখির মুখের হাসি চওড়া হল । রাখি ওর ফর্শা নরম খালি পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল । জবাবে আমি ওর পায়ের তলায় চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।
একটু পরে রাখি আমার নাকের উপর বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল , - তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে ।
 আমি তাই করলাম । রাখি ওর পরিষ্কার ফর্শা দুটো পায়ের তলা পালা করে আমার জিভে ঘষতে লাগল ।
প্রায় ৩০ মিনিট আমার জিভের উপর খালি পা ঘষার পর রাখি আবার আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল যা, আমার চটি দুটো নিয়ে আয় । তোকে দিয়ে এবার আমার চটির তলা চাটাব । জবাবে আমি রাখির পায়ে আবার চুম্বন করে বললাম, - এক্ষুনি আনছি প্রভু ।
আমি রাখির নীল চটি দুটো মাথায় করে নিয়ে এসে মুখ দিয়ে আমার প্রভু রাখির পায়ে পড়িয়ে দিলাম । রাখি সঙ্গে সঙ্গে বেশ জোরে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল, - আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাক । আমি তোর মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারব এখন ।
আমি প্রবল ভক্তিভরে হাটুগেড়ে আমার প্রভুর পায়ের কাছে বসে রইলাম । আর আমার ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী ছাত্রী রাখি আমার মুখে একের পর এক লাথি মারতে লাগল ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে। আমার প্রবল ব্যাথা লাগছিল , তা সত্বেও এক প্রচন্ড আনন্দ অনুভব করছিলাম আমার হৃদয়ে  ।
আমাকে প্রায় ১০০ টা লাথি মেরে থামল আমার প্রভু রাখি । তারপর আমাকে আদেশ করল , - আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর ।

আমি তখনই প্রভুর আদেশ পালন করলাম ।
-   আবার তোর জিভটা লম্বা করে বার করে দে কুত্তা । আমি এবার আমার চটির তলা মুছব তোর জিভে ।
আমি সঙ্গে সঙ্গে লম্বা করে বার করে দিলাম আমার জিভ । আর আমার প্রভু রাখি আমার বার করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । রাখির চটির তলা বেশ ময়লা। আমি প্রবল ভক্তিভরে রাখির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । রাখি প্রথমে ডান চটির তলা তারপর বাঁ চটির তলাও আমার জিভের উপর ঘষে নতুনের মত চকচকে করে ফেলল । আমি তারপর উঠে বসে প্রবল ভক্তিভরে রাখির পায়ের উপর মাথা রেখে ওকে প্রনাম করলাম ।
রাখি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে আশীর্বাদ করল আমাকে । তারপর বলল , - আজ থেকে আমি তোর প্রভু , তুই আমার ক্রীতদাস । কাল থেকে আমি আমার বান্ধবীদেরও নিয়ে আসব । তুই আমাদের সবার সেবা করবি এভাবে ।
একথা শুনে আমার আরও আনন্দ হল । আমি রাখির চটি পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম ।


Sunday, 1 February 2015

আমার দিদি

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 



আমরা যখন ছোট , তখন থেকেই আমার দিদি আমার মুখটাকে ওর পা রাখার জন্যে ব্যাবহার করে  আমার দিদি আমার থেকে ২ বছরের বড় , আর খুব সুন্দরী । যেহেতু খুব ছোট থেকেই দিদি আমার মুখে পা রাখে , বাড়ির কেউ এতে কিছু মনে করে না । দিদি সবসময় আমার মুখের উপর পা রাখতে পছন্দ করে । দিদির পায়ে জুতো বা চটি পরা থাক , মোজা পরা থাক বা খালি পা থাক , দিদি সবসময় ওর পা রাখে আমার মুখের ঊপর , সবার সামনেই ।
দিদি বাইরে থেকে ফিরলে চেয়ারে বসে আমাকে
ডাকে , আমি দিদিকে এক গ্লাস জুস দিই , টিভি খুলে রিমোট টা দিদির হাতে দিই । তারপর নিজের মাথা দিদির জুতো পরা পায়ে ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করি । দিদি তখন সবার সামনে আমার মাথার উপর জুতো পরা পা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করে । এটা আমার খুব ভাল লাগে । আমি দিদির জুতোর উপর চুম্বন করে দিদিকে ধন্যবাদ দিই , তারপর শুয়ে পরি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় । দিদি ওর জুতো পরা পা দুটো রাখে ঠিক আমার মুখের উপর । আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে থাকে । আমি দিদির জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে দিদির পা দুটো টিপতে থাকি । শুধু সবার সামনে কোনদিন দিদির  জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করিনি । ওটা করি যখন শুধু আমরা দুজন থাকি । তবে আমার ইচ্ছা করে খুব সবার সামনে দিদির জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিতে । আমার কেন যে দিদির সেবা করতে এত ভাল লাগে আমি জানিনা । আমার বয়েস এখন ১৫ , দিদির ১৭ । গত ১০ বছর ধরে আমি এভাবেই দিদির সেবা করে আসছি ।

 সকাল হলেই আমি দিদির জন্যে টিফিন বানিয়ে দিদির পায়ে চুমু খেয়ে দিদির ঘুম ভাঙ্গাই । তারপর দিদি ফ্রেশ হয়ে এসে আমার মুখে চটি পরা পা দুটো রেখে তিফিন খায় আর আমি ওর পা টিপতে থাকি । এরপর আমি দিদির জামা কাচি , জুতো পরিষ্কার করি । ঘর ঝাঁট দিয়ে দিই । তারপর বই খাতা নিয়ে দিদির পায়ে কাছে পড়তে বসি । দিদি চেয়ারে বসে পড়ে । আমি ওর পায়ের কাছে বসে পড়তে পড়তে ওর পা টিপে দিই । আমার নিজেকে দিদির চাকর ভাবতে খুব ভাল লাগে । আশা করি , সারাজীবন এভাবেই দিদির সেবা করতে পারব আমি ।



( My elder sister used to treat my face as her footstool since we were child . she is 2 year elder than me and very good looking . she do it in front of everyone and as she do it since childhood it seems like normal to everyone in our house. she used to place her feet always in my face . she may wear boot, shoe , sandal, sneaker, socks or her feet may be bare. it doesn't a matter . she placed them on my face infront of everyone. when she come back from outside she call me and sat down on a chair . i gave her a drink , open the tv for her then touch my forehead to her shoed feet .
 she usually bless me by placing her shoed feet on my head . then i laid under her shoed feet and she placed her both shoe sole on my face. i started to massage her feet while she was kept rubbing her shoe sole all over my face . i kissed her shoe sole while massage her feet . i don't know why i enjoyed to worship her like a goddess since my childhood. I loved to serve her always like a good servant . I liked to clean her cloths , clean her shoes, clean her room . I liked to prepare breakfast for her and let her use my face as her footstool while she ate.
She was my princess .  Though by birth  I am her brother , I always loved to think myself as her servant . my family never mind in our relationship . the only thing we do in private is licking her shoes clean , which is my favourite way to serve her . )