Friday, 1 May 2020

* আমার প্রভু বোন রিমা* ( দিপ)...

* আমার প্রভু বোন রিমা* ( দিপ)...
আমার বয়স তখন ১৩ আর আমার ছোট বোন রিমার বয়স ১১। অন্য সব ভাই বোনেদের মতই আমাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। রিমা যতদিন যাচ্ছিল ক্রমে আরো সুন্দরী হয়ে উঠছিল, আর আমি অন্য দাদাদের মত ছোট বোনের সাথে ঝগড়া করলেও ওর প্রতি ক্রমে সাবমিসিভ ফিল করতে শুরু করেছিলাম। বোন ছোট থেকেই কিছুটা ডমিন্যান্ট ছিল, যেটা আমার খুব ভাল লাগত। কিন্তু ওকে আমি সেটা বুঝতে দিতাম না।
সেটা ছিল সেপ্টেম্বার মাসের এক বিকাল। বাবা মা অফিসে গিয়েছিল আর বোন স্কুলে। আমি স্কুলে যাইনি সেদিন, বাড়িতে একা ছিলাম। বিকাল ৩.৩০ এ বোন স্কুল থেকে ফিরল। আমি বসার ঘরের মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। আসলে কিছুদিন ধরে আমি ইচ্ছা করেই মেঝেতে শুচ্ছিলাম প্রায়ই এই আশায় যে আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা এই সুযোগে আমার গায়ে পা তুলে ডমিন্যাট করবে। এর আগে ২ দিন বোন সেটা করেছে। দুই দিনই সন্ধ্যা বেলায়, যখন মা পাশেই ছিল। একদিন ওর চটি পরা বাঁ পা আমার বুকে তুলে দাঁড়িয়েছিল বোন। আরেকদিন ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলায় আমার পেট আর ডান পায়ের তলায় আমার বুক মাড়িয়ে চলে গিয়েছিল বোন মায়ের সামনেই। আমার খুব ভাল লেগেছিল। আমি কোন কম্পলেন না করায় মা একটু অবাক হয়েছিল। মা নিজে থেকেই বোনকে বকা দিতে গেলে বোন বলেছিল " দাদা মেঝেতে শুয়েছে কেন? মেঝে কি শোয়ার যায়গা?" বোনের মুখের হাসি দেখে বুঝেছিলাম বোনও খুব এঞ্জয় করেছিল সেই ঘটনা।
বোন ঘরে ঢুকেই স্কুল ব্যাগটা সোফাতে রাখল। আমি সোফার ঠিক পাশেই মেঝেতে শুয়েছিলাম। বোন ব্যাগটা রেখেই আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আমার মুখের দিকে তাকালো একবার। তারপর ওর সুন্দর মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার বুকের উপরে তুলে দাঁড়ালো। বোনের হাত দুটো কোমরে রাখা। ও একদৃষ্টে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমার খুবই ভাল লাগছিল আমার উপরে আমার ছোট বোনের এই ডমিনেশন। কিন্তু ওকে সেটা সরাসরি বলার সাহস ছিল না আমার। আমি কোন প্রতিক্রিয়া ছাড়াই বোনকে এইভাবে প্রায় ১ মিনিট আমার বুকের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দিলাম কি করা উচিত বুঝতে না পেরে। আমার মন চাইছিল বোন ওর স্নিকার পরা বাঁ পা টাও আমার বুকে, গলায়, বা মুখের উপরে তুলে দিক। কিন্তু আশংকা হচ্ছিল বোন সেটা না করে হয়ত বোর হয়ে নিজের ঘরে চলে গেল।
কিন্তু এক মিনিট পরেও বোন এর কোনটাই করল না। ওর মুখে হাসি ফুটিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমি তখন রিমাকে বললাম, " আমার গায়ের উপর থেকে পা সরা বোন।"
রিমা হাসিমুখে বলল "সরাব না। কি করবি?"
আমি তখন দুই হাতে বোনের জুতো পরা ডান পা টা বুকের উপরে চেপে বললাম, " তাহলে দেখি কতক্ষন তুই এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারিস। তোর পা আর ছাড়ছি না তুই আর কখনো আমার গায়ে পা দিবি না কথা না দিলে।"
বোনের মুখের হাসি আরো চওড়া হল আমার কথা শুনে। তারপর ওর জুতো পরা বাঁ পাটাও আমার গলার উপরে রেখে ও সোফায় বসে পরে বলল " ঠিক আছে,দেখা যাক কে আগে ক্লান্ত হয়। যে আগে উঠবে সে হারবে। আর তুই পাপোষের মত মেঝেতে পরে থাকলে লোকে তো তোকে পাপোষের মত ইউজ করবেই। আমিও তাই করছি। এতে আমার কোন দোষ নেই।" এই বলে বোন ওর জুতো পরা পা দুটোর তলা আমার শার্টটার উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি দুই হাতে বোনের পা টা বুকে চেপে ধরে ছিলাম। এবার ইচ্ছা করেই গ্রিপ আলতো করে দিলাম যাতে বোন ভাল করে আমার শার্টে ওর স্কুল জুতোর তলা মুছতে পারে।
বোন আমার বুকে ওর জুতোর তলা বেশ ভাল করে মুছে বলল, " এমনিতে তো তুই কোন কাজে লাগিস না। বরং এইভাবে রোজ মেঝেতে শুয়ে থাকিস। আমি তোকে রোজ পাপোষ হিসাবে ইউজ করলেও তুই জগতের কোন কাজে অন্তত লাগবি।" এই বলে বোন আবার ভিশন হাসতে লাগল। আমার ভিশন ভাল লাগছিল, কিন্তু বোনের কথার সরাসরি সমর্থন দেওয়ার সাহস হচ্ছিল না।
এরপর বোন আমার বুকে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " আমার তো কিছুই করার নেই। দে, টিভির রিমোটটা আমাকে দে।"
আমি বললাম, " সে তো আমারও কিছু করার নেই। টিভি দেখব বলেই তো এখানে মেঝেয় শুয়ে আছি। তোকে রিমোট দিয়ে দিলে আমিই বা কি করব?"
বোন এবার ওর সাদা স্নিকার পরা বাঁ পায়ে আমার ঠোঁটের উপরে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " তুই আমার পায়ের তলাতেই যখন শুয়ে আছিস তখন মন দিয়ে আমার পা টেপ। আর আমাকে টিভি দেখতে দে। এই বলে বোন ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে ওর বাঁ পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরেই রেখে দিল।
আমাকে এই অদ্ভুত পজিশনে ফেলে বোন আমাকে কোনদিন ডমিনেট করবে সেটা আমি আগে শুধু স্বপ্নে ভেবেছি! আমি বাধা দেওয়ার সামান্য চিন্তাও না করে বোনের হাতে রিমোট দুটো তুলে দিয়ে আমার বুক আর মুখের উপরে রাখা বোনের জুতো পরা পা দুটো যত্ন করে টিপে দিতে লাগলাম।
২-৩ মিনিট পরেই বোন আবার ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল, " একটু উপরে উঠে শো, যাতে আমি আমার দুটো পাই তোর মুখের উপরে রাখতে পারি৷ "
বোনের এই অদ্ভুত কথায় বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আমি বোনের আদেশ পালন করলাম৷ বোন ওর জুতো পরা বাঁ পা টা আমার কপালের উপরে রেখে ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল৷ আমার নাকের উপরে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে একটা লাথি মেরে বোন বলল, " নে, আবার ভাল চাকরের মত আমার পা টিপে দে৷ "
বোন আমাকে যত অপমান করছিল তত ভিশন আনন্দে আমার বুক ভরে উঠছিল৷ আমি তো অনেক ছোট থেকেই রোজ স্বপ্ন দেখতাম বোন আমাকে এইভাবে ওর চাকরের মত ট্রিট করছে৷ কিন্তু সেটা যে কোনদিন সত্যি হবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি৷
আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপতে লাগলাম৷ আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা আমার মুখের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা দুটো রেখে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে এমনভাবে টিভি দেখতে লাগল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক!
আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ আর বোন আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে আমার মুখের উপরে ওর জুতোর তলার ময়লা ঘসে পরিস্কার করতে লাগল. যদিও আগেই ও আমার শার্টে জুতোর তলা মোছায় ওর জুতোর তলায় বেশি ময়লা ছিল না৷ তবু ওর জুতোর তলার কিছু ধুলো ময়লা আমার সারা মুখে লেগে যেতে লাগল আমাকে ভিশন খুশি করে৷
এইভাবে প্রায় ৩০ মিনিট আমি আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ এরপর বোন আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " যা, আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়৷ "
আমি চ্যালেঞ্জ ভুলে বোনের আদেশ পালন করার জন্য ওর পায়ের তলা থেকে উঠে ওর চটি আনার জন্য যেতে গেলাম৷ কিন্তু যেই আমি উঠতে গেলাম সাথে সাথে বোন ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের উপরে৷
" আমি তোর প্রভু হই৷ আমার আদেশ পালন করতে যাওয়ার আগে সবসময় আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিয়ে যাবি৷ "
বোন আমার সাথে যত নিষ্ঠুর ব্যবহার করছিল আমি তত বেশি খুশি হচ্ছিলাম৷ আমি বোনের জুতো পরা পায়ের উপরে নিচের মাথা ঠেকিয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে বললাম, " আমাকে দিয়ে চাকরের মত কাজ করানোর জন্য ধন্যবাদ প্রভু৷ আজ থেকে আমি তোমার চাকর আর তুমি আমার প্রভু৷ আজ থেকে তুমি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার কর সবার সামনে৷ আমাকে এইভাবে তোমার সেবা করতে দিও৷ আমি এরই যোগ্য৷ আর এতদিন তোমার সাথে বড় দাদার মত আচরন করায় আমাকে ক্ষমা করে দিও প্রভু৷ "
আমার কহা শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল৷ তারপর ওর জুতো পরা ডান পা আমার মাথার উপরে তুলে ওর জুতোর তলা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, " ঠিক আছে যা চাকর৷ তোকে এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম৷ কিন্তু মা বাবার সামনেও এইভাবে তোকে আমার সেবা করতে হবে কিন্তু৷ "
আমি বললাম, " সে তো আমার সৌভাগ্য প্রভু৷ "
এরপর বোন আমার মাথার উপর থেকে ওর জুতো পরা ডান পা সরাতে আমি উঠে বোনের চটি আনতে গেলাম৷ বোন বাবা মায়ের আদরের একমাত্র মেয়ে, ওর ঘরে পরার ৫-৬ জোড়া চটি আছে৷ আমি ওর লাল চটি জোড়া বুকের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে এলাম৷ তারপর প্রভু বোনের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার লাল চটিটা পরিয়ে দিলাম৷ বোন আমার মুখে চটি পরা বাঁ পায়ে লাথি মেরে বলল, " যা চাকর, আমার জন্য খাবার রেডি করে আন৷ আর গামলায় করে আমার পা ধোয়ার জল নিয়ে আয়৷ এই বলে বোন ড্রেস চেঞ্জ করতে চলে গেল৷
আমি উঠে ফ্রিজ থেকে বোনের টিফিন বার করে গরম করলাম, তারপর গামলায় জল আর গামছা নিয়ে এলাম৷
বোন লাল টপ আর সাদা লেগিন্স পরে ফিরে এসে সোফায় বসল ৫ মিনিট পরে৷ ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী রিমাকে রাজকন্যার মত লাগছিল৷ এত সুন্দর বোনের চাকর হতে পেরে গর্বে আমার বুক ভরে উঠতে লাগল৷
আমি বোনের হাতে টিফিন দিয়ে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে চটি খুলে ওর পা গামলায় ডুবিয়ে ভাল করে ধুয়ে দিলাম৷ তারপর গামছা দিয়ে যত্ন করে ওর পা মুছে পায়ে চটি পরিয়ে ওর পা দুটো দুই হাতের তালুতে রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম৷ তারপর ভক্তিভরে বোনের পা ধোয়া জলটা এক চুমুকে খেয়ে গামছা আর গামলা রেখে এসে আবার বোনের পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম যাতে আমার পরম আরাধ্যা প্রভু বোন আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা রেখে বসতে পারে৷ বোন আমার মুখে ওর লাল চটি পরা পা দুটো রেখে টিভি দেখতে দেখতে বলল, " আবার ভাল চাকরের মত মন দিয়ে প্রভুর পা টিপতে থাক৷ যতক্ষন বাবা মা এসে তোকে এইভাবে আমার সেবা করতে না দেখছে ততক্ষন আমার পা টিপবি এইভাবে৷"
এখন ৪.৩০ বাজে৷ বাবা মায়ের আসতে এখনো এক দেড় ঘন্টা দেরী আছে৷ বাবা মা এইভাবে আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে অবাক হবে, রেগে যাবে হয়ত৷ কিন্তু আমার আর বোন দুজনের কাছেই এটাই ঠিক৷ আমি চাকর আর বোন প্রভু, আমরা সবার সামনেই এইভাবে থাকতে চাই৷ আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা ১১ বছর বয়সী আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু বোন রিমার লাল চটি পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ভাবতে লাগলাম এইভাবে চাকরের মত আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে মা বাবার কি রিএকশন হতে পারে৷

Sunday, 1 March 2020

ফেমডম স্কুল শিক্ষা

ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন; সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রকে সহপাঠী ছাত্রীর পা ধোয়া জল খাওয়ালেন শিক্ষিকা! ঘটনাটি ঘটেছে জলগুড়ির মিঠাগুড়ি শহরের মিঠাগুড়ি জুনিয়ার হাই স্কুলে। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে ৭ম শ্রেণীর ছাত্র অমিত চিরকালই গনিতে কাঁচা। ফলে পঞ্চম শ্রেণী থেকেই শিক্ষিকা তিয়াশা গাঙ্গুলি তাকে তিরষ্কার করতেন। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেনীতে ওঠার পরীক্ষায় সে ফেল করায় তিয়াশা দেবী তাকে ওই ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল অন্মেষার পায়ের কাছে নিল ডাউন করিয়ে রাখতেন রোজ। এমনকি মেঝেতে মাথা রেখে নিল ডাউন হওয়া অমিতের মাথার উপর ক্লাসের মধ্যেই অন্মেষা প্রায়ই নিজের জুতো পরা পা তুলে দিলে তিনি বাধা না দিয়ে অন্মেষাকে উতসাহ দিতেন বলে জানা গেছে। বছরের প্রথম ক্লাস টেস্টে অমিত আগের থেকে উন্নতি করলেও যথেষ্ট ভাল ফল না করায় তিয়াষা দেবী তাকে নির্দেশ দেন ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল অন্মেষার পা ধুয়ে রোজ জল খেতে। জানা গেছে অমিত এরপর রোজ অন্মেষার পা ধুয়ে জল খেত। ষষ্ঠ শ্রেনীর বার্ষিক পরিক্ষায় সে অনেক উন্নতি করে গনিতে ৭০% পায়। এরপর তিয়াষা দেবী তার এই সাফল্যের কারন হিসাবে অন্মেষার চরনামৃত পানকে চিহ্নিত করে অমিতকে রোজ অন্মেষার জুতো চেটে জুতোর তলার ময়লা খাওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানা যায়। এবং অমিত এরপর সেই নির্দেশ পালন করতে শুরু করলে সেই খবর বাইরে ছড়িয়ে পরে ও কিছু অভিভাবক স্কুলে বিক্ষোভ দেখান বলে জানা যায়। এই প্রসঙ্গে তিয়াষা দেবীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন তিনি যা করেছেন অমিতের ভালর জন্যই করেছেন। অন্মেষার চরনামৃত পানে অমিতের উন্নতি হয়েছে এটা ওর রেজাল্টের উন্নতিতেই প্রমানিত। খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পা ধোয়া জল বা মেয়েদের জুতোর তলার ময়লা চেটে খেলে, ও মেয়েদের ভক্তি ভরে সেবা করলে ছেলেদের উন্নতি হয় বলে মত দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। ক্লাসের অন্য ছেলে মেয়েরা জানায় অমিত স্বেচ্ছাতেই অন্মেষার সেবা করেছে চিরকাল। অন্মেষার পা ধোয়া জল বা জুতোর তলার ময়লা সে স্বেচ্ছাতেই চেটে খেত। এবং এর ফলে তার উন্নতি হয়েছে বলেই ক্লাসের অন্য ছেলে মেয়েরা মত দেয়। তিয়াসা দেবী ক্লাসের প্রতিটি ছেলেকেই মেয়েদের সেবা করতে উতসাহ দিত বলে তারা জানায়। অমিতের উন্নতিতে ক্লাসের অন্য ছেলেরাও আসতে আসতে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে মেয়েদের সেবা করা ছেলেদের উন্নতির জন্য জরুরি ও তারা ক্লাসের মেয়েদের ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভাবে সেবা করতে শুরু করেছে বলে জানা যায়। অমিতের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে অন্মেষাকে নিজের প্রভু, পুজোনীয় দেবী বলে চিহ্নিত করে বলে এটা তার সৌভাগ্য যে প্রভু অন্মেষা তাকে সুযোগ দিয়েছে সবার সামনে সেবা করার, প্রভুর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করার। অন্মেষার সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে ছেলেদের জায়গা মেয়েদের পায়ের তলায় অমিতের তার সেবা করার মাধ্যমে উন্নতি এটাই প্রমান করে। অমিতের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে সে খুবই ভালবাসে বলে জানায়। সে জানায়, যারা এর বিরোধীতা করে বিক্ষোভ করছে তারা নারীবিরোধী, তারা ভয় পেয়েছে পুরুষের প্রকৃত স্থান নারীর পদতলে প্রমান হয়ে যাওয়ায়। কিন্তু তাদের ক্লাসের প্রতিটি ছেলে মেয়ে সহ ওই স্কুলের প্রতিটি মেয়ে ও ছেলে এতে উতসাহিত হয়েছে। অমিত যেভাবে তার সেবা করে সেইভাবেই স্কুলের প্রতিটি ছেলে স্কুলের মেয়েদের সেবা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে সে জানায়। ( নারীদিবস উপলক্ষে ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)।

Wednesday, 1 January 2020

আমার বোন সিমি ( লেখক : দিপ)

আমার বোন সিমি...
পার্ট ১....
তখন আমার ক্লাস ৮ আর আমার ছোট বোন সিমি ক্লাস ৬ এ পড়ে। তখন স্কুলে গরমের ছুটি চলছিল। একদিন সকালে বোন আর ওর বান্ধবী মিশা ঘরে খেলতে খেলতে আলমারির কাঁচ আর কয়েকটা কাঁচের দামী জিনিস ভেঙে ফেলল। আমাদের মা খুব রাগী ছিল। তাই মা অফিস থেকে ফিরে খুব রেগে যাবে আমরা জানতাম। তাই দুপুরে বোন আমাকে বলল,- দাদা, তুই মাকে বলবি যে ওগুলো তুই ভেঙেছিস।
আমি বললাম, - তুই ভেঙেছিস, আমি নিজে স্বীকার করে কেন মার খাব?
বোন তখন ওর সুন্দর মুখে মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে বলল, - তুই কি চাস যে তোর ছোট বোনটা বকা খাবে?
আমি জানতাম বোন ভেঙেছে জানলে মা ওকে শুধু বকবে আর আমি দোষ নিজের ঘাড়ে নিলে আমার কপালে প্রচন্ড মার আছে। কিন্তুকেন জানি না আমি যত বড় হচ্ছিলাম ততই আরো বেশি সাবমিসিভ হয়ে উঠছিলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন সিমির প্রতি। বোনের করা অপরাধে আমি মার খাব জেনেও আমার কিরকম ভাল লাগতে লাগল। আমি বললাম - ঠিক আছে বোন। তোকে বকা খেতে দেখার চেয়ে আমার নিজের মার খাওয়াও ভাল।
আমার কথা শুনে বোনের মুখে একটা মিস্টি হাসি ফুটে উঠল।
মা অফিস থেকে বাড়ি ফেরে বিকাল সাড়ে পাঁচটায়। তার ৩০ মিনিট আগে হঠাত একটা প্ল্যান এল আমার মাথায়। আমি বোনের ঘরে গিয়ে বললাম, - আমার দোষ স্বীকার করতে একটু ভয় লাগছে বোন। মা খুব কঠিন শাস্তি দেবে।
- তবু তোকে স্বীকার করতেই হবে দাদা। তুই কি চাস তোর ছোট্ট বোনটা মার কাছে বকা খাক? তুই না বড় দাদা, ছোট্ট বোনকে বকার হাত থেকে বাঁচাতে তুই একটু কষ্ট করবি পারবি না? বোন ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল। হাসলে সিমির সুন্দর ফর্শা গালে টোল পরে ওকে আরো সুন্দরী দেখায়। তখন মনে হয় ওর মুখে এরকম হাসি ফোটানোর জন্য শুধু মার খাওয়া কেন, মরেও যেতে রাজি আমি।
আমি বললাম, - না রে বোন, আমি তা বলিনি। দাদা থাকতে ছোট বোন কেন বকা খাবে? আমি শুধু বলছিলাম তুই চাইলে মার কাছে বেশি মার খাওয়া থেকে বাঁচাতে পারিস আমাকে।
- কিভাবে? ভুরু কুঁচকে প্রশ্ন করল আমার ছোট বোন সিমি।
- দেখ, এর আগের কয়েক বছরেও তোর করা অনেক অপরাধ আমি এভাবে ঘাড় পেতে নিয়েছি। মা এমনিতেই তোকে একটু বেশি ভালবাসে। আর গত কয়েক বছরে দুজনের করা সব দুষ্টুমির দায় আমি নিজে স্বীকার করায় মা জানে তার ছেলে বাঁদর, কিন্তু মেয়ে বেশ ভাল। মা যেহেতু সত্যিটা জানে না, মার চোখে তুই খুব ভাল, আমি বাঁদর টাইপের। মা এই ভেবেই প্রতিবার শাস্তি দেয় আমাকে যে শাস্তি পেয়ে আমি শান্ত হয়ে যাব তোর মত। ফলে মা যখন আমাদের রেখে অফিসে বা বাইরে যাবে তখন যেন তোর মতই শান্ত থাকি। যেহেতু তখন আমাদের দেখার কেউ থাকে না বাড়িতে তাই মা খুব চিন্তায় থাকে। মা যদি এসে আজ দেখে আমার করা অপরাধের ফলে তুই আমাকে শাস্তি দিতে শুরু করেছিস আর আমি সেটা মেনে নিয়েছি তাহলে কিন্তু মার মনে হবে সে যখন ঘরে থাকে না তখনও তার বাঁদর ছেলেকে কন্ট্রোল করা বা প্রয়োজনে শাস্তি দেওয়ার মত কেউ আছে বাড়িতে।
আমার প্রস্তাব দারুন পছন্দ হল বোনের। বোনের করা অপরাধের শাস্তি আমি বোনের কাছ থেকেই নিতে চাইছি এটা বুঝে ওর মুখে আবার সেই সুন্দর হাসিটা ফুটে উঠল। বোন বলল,- ঠিক বলেছিস দাদা, তোর বুদ্ধি আছে। এক্ষুনি মা এসে পরবে, তুই তাড়াতাড়ি বসার ঘরে কান ধরে নিল ডাউন হ।
আমি তাই করলাম। আমার সুন্দরী বোন তার নিজের করা অপরাধের শাস্তি আমাকে দিচ্ছে ভাবতেই কিরকম এক অদ্ভুত আনন্দ হতে লাগল আমার। আমি বাইরের বসার ঘরে কান ধরে নিল ডাউন হলাম। আর বোন ঠিক আমার সামনে বসার ঘরের নরম সোফায় গা এলিয়ে মোবাইলে গেম খেলতে লাগল।
আমার ১১ বছর বয়সী সুন্দরী ছোট বোন সিমির পরনে ছিল একটা গোলাপী টপ আর কালো লেগিন্স। পায়ে ওর ঘরে পরার লাল চটি। ও নরম সোফায় গা এলিয়ে মনের আনন্দে গেম খেলছে আর তার ঠিক পায়ের কাছে কান ধরে নিল ডাউন হয়ে তারই করা অপরাধের শাস্তি নিচ্ছি আমি। শক্ত সিমেন্টের মেঝেয় ঘসা খেয়ে আমার হাঁটুতে ইতিমধ্যে ব্যথা করতে শুরু করেছে। কিন্তু বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর কাছ থেকে ওর করা অপরাধের শাস্তি নিতে যে আনন্দ পাচ্ছিলাম তার কাছে সেই ব্যথা কিছুই না।
- বোন, তোর কি মনে হয় মা যদি এসে দেখে আমার অপরাধের শাস্তি তুই অলরেডি দিতে শুরু করেছিস, আর আমি বিনা প্রতিবাদে সেই শাস্তি মেনে নিয়েছি তাহলে মা আর নিজে বেশি শাস্তি দেবে? নাকি ভাববে তার মেয়েই যখন ছেলেকে শাস্তি দিচ্ছে আর ছেলে বড় হয়েও সেটা মেনে নিচ্ছে তখন সেটাই ভাল? এতে মা যখন ঘরে থাকবে না তখনো মা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে আমাকে তোর ভরসায় ছেড়ে দিয়ে?
- তুই দারুন প্ল্যান করেছিস দাদা। মা নিজে দেখবি বেশি শাস্তি দেবে না তোকে আজ। দিতে গেলে আমিই মা কে বলব, তুমি তো বেশিরভাগ সময়েই ঘরে থাক না। তাই আমাকে শাসন করতে দাও। দাদা আমার শাসনে থাকলে তুমি বাইরে গিয়েও নিশ্চিন্তে থাকতে পারবে।
- কিন্তু কান ধরে নিল ডাউন টা কি মা যথেস্ট শাস্তি বলে ভাববে?
- আমার ক্লু টা ঠিক ধরে নিল বোন। হাসিমুখে বলল, - ঠিক বলেছিস। আরেকটু বেশি শাস্তি পেয়েছিস বুঝলে মা আরো আশ্বস্ত হবে। মাথাটা উঁচু কর।
আমি কান ধরে মাথা নিচু করে নিল ডাউন হয়ে ছিলাম। আমার চোখ ছিল আমাকে শাস্তি দিতে থাকা বোনের লাল চটি পরা পায়ের দিকে। বোনের আদেশে আমি মাথা তুললাম।
বোন সাথে সাথে আমার বাঁ গালে ওর ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর বসিয়ে দিল তারপরেই ওর ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ গালে একটা। দুই গালে পরপর তিনটে করে থাপ্পর মেরে বোন একবার থেমে আমার গাল দুটো দেখল।
- না, এখনো গাল দুটো যথেস্ট লাল হয়নি। মার দেখেই বোঝা দরকার তুই নিল ডাউন হওয়ার আগে মারও খেয়েছিস। আর শাস্তি হিসাবে ছোট বোনের হাতে মার খাওয়া তুই বিনা প্রতিবাদে মেনে নিয়েছিস বুঝতে পারলে মা আর তোকে ততটা বাঁদর ভাববে না। বুঝবে তোর শোধরানোর ইচ্ছা আছে।
এই বলে বোন আবার আমার দুই গালে থাপ্পর মারা শুরু করল। ওর মুখে আবার ফুটে উঠল সেই অসাধারন মিষ্টি হাসিটা। ওর করা অপরাধের শাস্তি স্বেচ্ছায় আমি ওর কাছ থেকেই নিচ্ছি এই চিন্তা সম্ভবত আমার মতই আনন্দ দিচ্ছিল আমার সুন্দরী বোন সিমিকে।
আমার দুই গালে বেশ জোরে জোরে অন্তত ৭-৮ টা করে থাপ্পর মেরে থামল আমার বোন সিমি। আবার ভাল করে তাকিয়ে দেখল আমার গাল দুটো।
- হুম, এবার বেশ লাল হয়েছে তোর গাল দুটো। একটু দূর থেকেও মা বুঝতে পারবে আমার কাছে অনেকগুলো থাপ্পর খেয়েছিস তুই অলরেডি।
বোন প্রথমে নিজের পুরনো অভ্যাস মত ওর করা অপরাধের শাস্তি আমাকে ঘাড় পেতে নিতে বলল। তারপর সেই অপরাধের শাস্তি হিসাবে ওই আমার দুই গালে এতগুলো থাপ্পর মারল জোরে জোরে! এটা সত্যি আমি ওর প্রতি ভিশন সাবমিসিভ, আমিই ওকে ক্লু দিয়েছিলাম মারার। কিন্তু তাই বলে ও যে এইভাবে এত জোরে জোরে আমার গালে থাপ্পর মারবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। আমি যতটা সাবমিসিভ ওর প্রতি, ও যে প্রায় ততটাই ডমিন্যান্ট, সেটা আমি পরিস্কার বুঝতে পারছিলাম আর এক দারুন আনন্দ আর সুন্দরী বোনের প্রতি ভয়ানক সাবমিসিভনেসে মন ভরে উঠছিল আমার।
বোনের হাতে ১৫-১৬ টা থাপ্পর খেয়ে আমি বোনের প্রতি আমার এক্সট্রিম সাবমিসিভনেস আর কন্ট্রোল করতে পারলাম না। আমার চেয়ে দুই বছরের ছোট সুন্দরী বোনের লাল চটি পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম আমি। বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে বললাম - থ্যাংক ইউ বোন। মা বুঝতে পারবে তুই আমাকে অলরেডি অনেক শাস্তি দিয়েছিস। নিজে আর বেশি শাস্তি দেবে না তাহলে মা।
মা কে যদিও আমি একটু ভয় পেতাম তবু আসলে আমি মায়ের মারের হাত থেকে বাঁচতে বোনের হাতে মার খেতে চাইছিলাম এমন না। আমার কেন জানি না ভিশন ইচ্ছা করত নিজের যাবতীয় অস্তিত্ব আমার ১১ বছর বয়সী বোনের পায়ের তলায় সমর্পন করতে, ওর হাতে অত্যাচারিত হতে।
পার্ট ২....
বোনের পায়ের উপরে মাথা রেখে প্রায় ২ মিনিট পরে রইলাম আমি। আমি বোনের পায়ের পাতায় নিজের মাথাটা আসতে আসতে ঘসছিলাম আর উপর থেকে খুকখুক করে হাসির আওয়াজ শুনে বুঝতে পারছিলাম ওর অপরাধের শাস্তি হিসাবে ওর কাছেই থাপ্পর খেয়ে ওকেই আমার এইভাবে পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করাটা বোন খুব এঞ্জয় করছে। ২ মিনিট পর বোন ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে রেখে যেন আমাকে আশির্বাদ করে বলল, " এবার উঠে নিল ডাউন হ দাদা, মা এসেই যেন তোর লাল হওয়া গাল দেখতে পায়।"
আমি বোনের আদেশ মেনে আবার উঠে বোনের পায়ের কাছে নিল ডাউন হলাম।
তার ৫ মিনিটের মধ্যেই মা এসে ঘরে ঢুকল। আমাকে এইভাবে বোনের পায়ের কাছে নিল ডাউন হয়ে থাকতে দেখে মা ভুরু কুঁচকে বোনকে জিজ্ঞাসা করল, " তোর দাদা কান ধরে নিল ডাউন হয়ে আছে কেন এইভাবে?"
বোন বলল, " দাদা আলমারির কাঁচ ভেঙ্গে ফেলেছে। তাই আমি ওকে শাস্তি দিয়েছি।"
মা কাছে এসেই বুঝতে পারল আমার গাল লাল হয়ে আছে মার খাওয়ার ফলে।
" তুই কি দাদার গালে চড়ও মেরেছিস নাকি?" মা জিজ্ঞাসা করল বোনকে।
" হ্যাঁ, মেরেছি। বাঁদরামো করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। তুমি তো সারা সকাল বাড়ি থাক না। তাই দাদা সকালে বাঁদরামি করলে এবার থেকে আমিই এইভাবে শাস্তি দেব ওকে।"
" তাই দিস। ও তোর কন্ট্রোলে আছে জানলে আমি অফিসে গিয়ে শান্তিতে কাজ করতে পারব।" মা বোনের কথা শুনে বেশ খুশি হল মনে হল।
এই বলে মা ড্রেস চেঞ্জ করে ফ্রেশ হয়ে আসার জন্য ভিতরের ঘরে চলে গেল।
১০ মিনিট পর মা ফিরে এসে বলল " দিপ তো দেখছি আলমারির কাঁচ, শোকেসের কাঁচের জিনিস সব ভেঙ্গে ফেলেছে। বাঁদর ছেলেটার এইটুকু শাস্তিতে হবে না, ওর আরো মার দরকার।"
মা কথা শেষ করতে না করতেই আমার ১১ বছর বয়সী সুন্দরী ছোট বোন সিমি আমার দুই গালে পরপর দুটো ভিশন জোরে থাপ্পর মারল।
" আমি জানি বাঁদর দাদাটাকে মানুষ করতে হলে ওকে অনেক শাস্তি দিতে হবে। আজ আমি শাস্তি দেব, তুমি শুধু বসে দেখ মা- কি করে আমি বাঁদরটাকে মানুষ বানাই। এই বলে বোন আবার একইরকম জোরে আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, " এই বাঁদর, ক্ষমা চা আমার কাছে কাঁচ ভাঙ্গার জন্য।"
মায়ের সামনে বোন এইভাবে এত জোরে জোরে আমার গালে থাপ্পর মেরে শাস্তি দিচ্ছে আর মা খুশি মনে সেটা দেখছে ভাবতেই এক দারুন খুশি আর ছোট বোনের প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভনেসে মন ভরে উঠতে লাগল আমার। আমি মা ফেরার আগে বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে যেভাবে ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম, ঠিক একইভাবে আবার ওর পায়ে মাথা নামিয়ে দিলাম মায়ের সামনেই। বোনের লাল চটি পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথা ঠেকিয়ে আমি বললাম, " আমি খুব ভুল করে ফেলেছি কাঁচ ভেঙ্গে। আর জীবনে কখনো কিছু ভাঙ্গব না বা বাঁদরামী করব না আমি। প্লিজ বোন, এবারের মত ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ।" মায়ের সামনে আমার দুই বছরের ছোট বোনের চটি পরা পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইতে পেরে ভিশন আনন্দ হতে লাগল আমার।
বোন এক মিনিট পর ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার মাথার উপরে রেখে বলল, " আজকের অপরাধ ক্ষমা করে দিলাম যা। কিন্তু তুই এর আগে অন্তত ১০ বার বাড়ির জিনিস ভেঙ্গেছিস। সেই অপরাধের শাস্তি পেতে এখন টানা ১০ দিন ধরে তোকে শাস্তি দিয়ে যাব আমি।"
আমার মাথাটা তখন বোনের মেঝেতে রাখা চটি পরা ডান পায়ের উপরে রাখা। আর বোন ওর চটি পরা বাঁ পা টা মায়ের সামনেই আমার মাথার উপরে রেখে বলছে টানা ১০ দিন ধরে ও আমাকে শাস্তি দিয়ে যাবে! ভয়ানক খুশিতে উত্তেজিত হয়ে আমার হৃতপিন্ড যেন বুকের মধ্যে লাফাতে লাগল।
আমি বললাম, " নিশ্চয়ই সিমি। আমার তো শাস্তিই প্রাপ্য। আমাকে যা শাস্তি দেওয়া ঠিক মনে হয় তোর, তাই দিস তুই।"
মা পাশ থেকে আশ্চর্য হয়ে বোনকে বলল, " আমি বাঁদরটাকে শাস্তি দেওয়ার সময় ও স্বীকারই করতে চায় না ও দোষ করেছে। আর তোর কাছে প্রথম দিন শাস্তি নিতে গিয়েই ও এইভাবে তোর পায়ে মাথা রেখে স্বীকার করে নিচ্ছে যে ও দোষী, ওর শাস্তি প্রাপ্য, সেটা যেন বিশ্বাসই হতে চাইছে না আমার। সত্যি রে সিমি, দিপকে কেউ ঠিক করতে পারলে তুইই পারবি। এখন থেকে ওকে শাস্তি দিয়ে মানুষ করার দায়িত্ব আমি তোর উপরে তুলে দিলাম।"
বোন আমার মাথার উপর থেকে চটি পরা বাঁ পা তুলে নিতে আমি আবার বোনের পায়ের কাছে কান ধরে নিল ডাউন হয়ে বসেছিলাম তখন।
বোন হাসিমুখে মা কে জবাব দিল, " হ্যাঁ মা, দাদাকে মানুষ করেই ছাড়ব আমি। কিন্তু তার জন্য এখন রোজ ওকে অনেক মার আর অপমান সহ্য করতে হবে আমার কাছে।'
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বোন জিজ্ঞাসা করল, " কি রে গাধা, ছোট বোন তোকে অপমান করলে তুই মেনে নিবি তো?"
আমি মাথা তুলে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে জবাব দিলাম, " নিশ্চয়ই বোন। আমার ভালর জন্যই তো করবি তুই।"
" আর তোকে এইভাবে থাপ্পর মারলে?"- এইবলে আমার দুই গালে আবার দুটো থাপ্পর মারল বোন।
" তোর যত খুশি তত আমাকে থাপ্পর মারিস বোন। তোর কাছে যত মার খাব তত আমার ভাল হয়ে ওঠার ইচ্ছা বাড়বে।"
" দিপের উপরে কি যাদু করেছিস তুই বলত সিমি? নিজে থেকে ও তোর কাছে মার খেতে চাইছে! আমি তো দেখছি আর অবাক হচ্ছি!!"- মা বলল।
মায়ের কথা শুনে বোন একটু হাসল। তারপর আবার আমার দিকে ফিরে চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার বুকে একটা লাথি মেরে বলল, " এইভাবে যদি তোর বুকে লাথি মারি?"
" তোর যত ইচ্ছা তত আমাকে লাথি মারিস বোন।" - বুকে বোনের লাথি খেয়ে ভিশন খুশি হয়ে বললাম আমি।
আমার কথা শুনে ১১ বছর বয়সী আমার ফর্শা, সুন্দরী ছোট বোন সিমির মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটে উঠল। তারপরই ও ওর লাল চটি পরা ডান পা তুলে একটা লাথি মারল আমার মুখে, ঠিক আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে।
"আর যদি এইভাবে তোর মুখের উপরে চটি পরা পায়ে লাথি মারি?"
বোন মায়ের সামনেই ওর চটি পরা পায়ে আমার মুখে লাথি মেরেছে তখনো যেন বিশ্বাস হতে চাইছিল না আমার। প্রবল ভক্তিতে মুখে বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে ওর চটি পরা পা দুটোর উপরে মাথা রেখে আবার ওকে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম আমি।
" প্লিজ বোন, এইভাবে রোজ চটি পরা পায়ে আমার মুখে যত খুশি তত লাথি মারিস বোন। মুখে তোর লাথি খেলে আর কখনো আমার মনে বাঁদরামী করার ইচ্ছা আসবে না।"
বোন আমার মাথার উপরে চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে বলল, " দেখ মা, একদিনেই কত ভাল করে দিয়েছি বাঁদর দাদাটাকে।
মা খুশি গলায় পাশ থেকে বলল, " সে তো দেখতেই পাচ্ছি রে।"
তাহলে তোমারও কোন আপত্তি নেই তো মা আমি যদি এইভাবে এখন থেকে রোজ দাদাকে থাপ্পর আর লাথি মারি?"
" না রে, আপত্তি কেন থাকবে? চোখের সামনে দেখতেই তো পাচ্ছি তোর থাপ্পর আর লাথি খেয়ে তোর দাদা এরমধ্যেই বদলে কত ভাল হয়ে গেছে।"
" ঠিক আছে মা। এখন থেকে রোজ দুইবেলা গাধাটাকে মারব আর ওকে দিয়ে আমার সেবা করাব। কয়েক মাসের মধ্যেই তাহলে ও গাধা থেকে ভাল দাদা হয়ে যাবে।" - বোন এই কথা বলতে বলতে ওর চটি পরা বাঁ পা টাও আমার মাথার উপরে তুলে দিল। আমি এখন মেঝেতে নিল ফাউন হয়ে মাথাটাও নামিয়ে সোফায় বসা বোনের পায়েরর কাছে মেঝেতে রেখেছি। আর সেই অবস্থায় বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মাথার উপরে রেখে বসে আছে মায়ের সামনে। মায়ের তো বিন্দুমাত্রও ধারনা নেই যে আসলে বোনের করা অপরাধের শাস্তিই আমি বোনের কাছ থেকে নিচ্ছি!
আমি ভেবেছিলাম বোন একটু পরে আমার মাথা থেকে ওর পা তুলে নিয়ে আবার আমাকে কান ধরে নিল ডাউন করাবে। কিন্তু না, বোন তা করল না। ১০ মিনিট কাটল, ২০ মিনিট কাটল। বোন একইভাবে আমার মাথার উপরে ওর চটি পরা পা দুটো রেখে বসে ওর মোবাইলে গেম খেলতে লাগল। মা মাঝে এসে ওর হাতে টিফিন দিয়ে গেল। বোন আমার মাথার উপরে চটি পরা পা রেখে বসেই টিফিন খেল, একবারের জন্যও আমার মাথা থেকে পা সরাল না।
এতক্ষন ধরে শক্ত সিমেন্টের মেঝেতে নিল ডাউন হয়ে থাকার ফলে আমার হাঁটুতে ভিশন ব্যথা করছিল। বোন আমার মাথার উপর থেকে ওর পা সরাচ্ছে না দেখে আমি তাই আসতে আসতে উপুড় হয়ে শুয়ে পরলাম মেঝেতে, আমার মাথার উপরে রাখা বোনের পা যাতে নড়ে না যায় সেই দিকে খেয়াল রেখে। উপুড় হয়ে শুয়ে আমি মাথাটা ডান দিকে ঘোরালাম। ফলে বোনের বাঁ চটির তলা আমার ডান গালের উপরে চলে এল। আমার মাথা আর মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে বোন গেম খেলে যেতে লাগল মায়ের সামনেই।
বোনের প্রতি তীব্র ভক্তিটা প্রতি মুহুর্তে আরো বাড়তে লাগল আমার। একটু পরে আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। ছোট বোনের প্রতি তীব্র ভক্তি থেকে ওর বাঁ পা টা আমার গাল আর ঠোঁটের সাথে চেপে ধরলাম দুই হাতে। তারপর বোনেত চটির তলায় ভক্তিভরে পরপর ৫-৬ বার চুম্বন করলাম।
বোন সেটা লক্ষ্য করে আলতো করে আমার মুখে একটা লাথি মারল চটি পরা বাঁ পা দিয়ে। তারপর আমাকে অর্ডার করল, " সোজা হয়ে শো দাদা।"
" আমি উপুড় থেকে সোজা হয়ে শুলাম। বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিল। ওর চটির টো দুটো আমার ঠোঁটের উপরে আর হিল দুটো আমার কপালে রেখেছিল বোন।
কিন্তু এইভাবে বসতে বোন বোধহয় কম্ফর্ট ফিল করল না খুব একটা। দুই মিনিট পরেই চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপরে বেশ জোরেইএকটা লাথি মেরে সিমি বলল, " দাদা, ৯০ ডিগ্রি ঘুরে শো। যাতে আমি একটা পা তোর ঠোঁটের উপরে আর আরেকটা কপালে রাখতে পারি।"
মায়ের সামনেই বোন আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে অর্ডার করছে ভাবতেই দারুন আনন্দ হতে লাগল আমার। আমি ৯০ ডিগ্রি ঘুরে শুতে বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে আর বাঁ পা টা আমার কপালে রাখল। তারপর আমার নাকের উপরে চটি পরা বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল, " এবার ভক্তিভরে আমার পা দুটো টিপে দে দাদা।"
বোনের প্রতি প্রবল ভক্তি থেকে আমার মুখের উপরে রাখা ছোট বোনের চটি পরা পা দুটো পালা করে টিপতে লাগলাম আমি। আর বোন ওর লাল চটির তলা দুটো আমার সারা মুখে ঘসে যেতে লাগল। মা ঘরের অপর পাশে বসে খুশি মনেই দেখতে লাগল আমার ভক্তিভরে ছোট বোনের সেবা করা।
আমি পালা করে বোনের পা দুটো ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম। আর বোন ওর বাঁ চটির তলা আমার কপালে আর ডান চটির তলা আমার ঠোঁটের উপরে ঘসে খেলতে লাগল। আমি মাঝে মাঝেই আমার ঠোঁটের উপরে রাখা আমার ছোট বোন সিমির ডান চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করে ওর প্রতি আমার প্রবল ভক্তির প্রকাশ করতে লাগলাম মায়ের সামনেই।
পার্ট ৩......
৩০ মিনিট এইভাবে আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে পা টেপাতে টেপাতে মোবাইলে গেম খেলতে লাগল আমার ২ বছরের ছোট বোন। সন্ধ্যা ৭ টা বাজতে আমার নাকের উপরে আবার চটি পরা ডান পায়ে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে আমার প্রভু বোন আমাকে অর্ডার করল, " এই গাধা, আমার ঘরে চল। আমি পড়তে বসব, আর তুই আমার পায়ের তলায় শুয়ে আমার পা টিপে দিবি।"
আমি মুখে বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে খুশি মনে উঠে ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করলাম। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বোনের পিছু পিছু ওরর ঘরে চলে এলাম। বোন চেয়ারে বসে টেবিলে বই রেখে পড়তে লাগল। আর আমি টেবিলের তলায় ঢুকে বোনের পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম যাতে বোন আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা দুটো রাখতে পারে।
বোন ঠিক আগের মতই আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা দুটো রেখে বসল। ও নিজের বাঁ পা টা রেখেছিল আমার কপালে আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে। ঠিক আগের মতই আমার কপাল আর ঠোঁটের উপরে নিজের চটির তলা ঘসে খেলতে লাগল বোন। আর আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার প্রভু ছোট বোন সিমির পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।
শক্ত মেঝেতে মাথা রেখে শুয়ে থাকায়, আর সেই সাথে মুখে বোনের চটি পরা পায়ের চাপে একটু পরেই আমার মাথায় ভিশন ব্যাথা করতে লাগল। কিন্তু যত ব্যাথা বাড়তে লাগল ছোট বোনের প্রতি আমার ভক্তিও যেন ততই পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগল। আমি আরো বেশি মন দিয়ে, আরো বেশি ভক্তিভরে ওর পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।
আমি টেবিলের তলায় শুয়ে থাকায় বোন কি করছে দেখতে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু উপর থেকে মোবাইলের আওয়াজ ভেসে আসায় বুঝতে পারছিলাম বোন পড়ছে কম, মোবাইলে গেম খেলছে বেশি। আমার সুন্দরী ছোট বোন সিমি আলমারির কাঁচ আর শোকেসের কাঁচের জিনিস ভেঙ্গে তার দায় আমার উপরে চাপিয়ে সেই অপরাধে এইভাবে আমাকে শাস্তি দিচ্ছে ভাবতেই দারুন আনন্দ পাচ্ছিলাম আমি।
কতক্ষন ধরে এইভাবে বোনের সেবা করছি সেটাও বুঝতে পারছিলাম না আমি টেবিলের তলা থেকে। মাথা আর মুখে প্রবল যন্ত্রনা সত্ত্বেও আমি প্রবল ভক্তি নিয়ে আমার মুখের উপরে রাখা বোনের চটি পরা পা দুটো টিপে যাচ্ছিলাম। মাঝে মাঝে বোন অকারনেই চটি পরা একটা পা তুলে আমার মুখের উপরে লাথি মারছিল, তারপর আবার গেম খেলতে লাগছিল আগের মত। মুখে বোনের লাথি খেয়ে আমি আগের চেয়েও বেশি ভক্তি নিয়ে বোনের পা টিপে দিচ্ছিলাম।
বোন মাঝে মাঝে আমার মুখে চটির তলা ঘসা বন্ধ করে দিচ্ছিল, তারপর একটু পরে আবার আমার কপাল আর ঠোঁট ওর চটির তলা দিয়ে ঘসে খেলছিল। আমি মাঝে মাঝেই ইচ্ছা করে আমার জিভটা মুখের বাইরে লম্বা করে বার করে দিচ্ছিলাম যাতে বোন আমার ঠোঁটের উপরে ওর ডান চটির তলা ঘসার সময়ে ওর চটির তলায় আমার জিভটা পাপোষের মত ব্যবহৃত হয়।
মা মাঝে একবার এসে দেখে গেল আমাদের। বোনকে টেবিল চেয়ারে বই খুলে বসে মোবাইলে গেম খেলতে দেখে মা বলল, " তুই পড়ছিস না গেম খেলছিস?"
"পড়ছি তো মা। পড়তে পড়তে টায়ার্ড হয়ে গেলে একটু গেম খেলে ফ্রেশ হয়ে নিচ্ছি।"
" সে ঠিক আছে। তোর ফাঁকিবাজ দাদাটা কোথায়?"
মায়ের কথায় বুঝতে পারলাম টেবিলের তলায় বোনের পায়ের নিচে শুয়ে থাকা আমাকে দেখতে পায়নি মা।
" এই তো, গাধাটা আমার পায়ের তলায় শুয়ে আমার পা টিপে দিচ্ছে।"
"ঠিক আছে।নিজে তো পড়ে না গাধাটা, অন্তত ছোট বোনের পড়ার সময়ে তার সেবা করুক। পরীক্ষায় তো নিজে গোল্লা পেয়ে প্রতিবার আমাদের মান সম্মান ডোবায় ও, আর তুই আমাদের মান বাচাস। বাঁদরটা অন্তত তোকে সেই কাজে সাহায্য করুক।" - মা বলল।
আসলে আমি এলাকার শ্রেষ্ঠ স্কুলে পড়ি, আর বোন পড়ে মাঝারাই মানের একটা স্কুলে। তাই ও স্কুলে আমার চেয়ে একটু বেশি নাম্বার পেলেও আমি বোনের চেয়ে অনেকটাই ভাল স্টুডেন্ট। তবু বাবা মা বোনকেই বেশি স্নেহ করে, ভালবাসে। তার আসল কারন পড়াশোনা নয়, বোন ছোট, মেয়ে আর দেখতে অসাধারন সুন্দরী বলে। আমার গায়ের রঙ মাঝারী, তবু ফর্শা সুন্দরী বোনের পাশে আমাকে কালো কাকের মত লাগে। আর এই নিয়ে কেউ তুলনা করে বোনের তুলনায় আমাকে হেয় করলে বোন সেটা যতটা এঞ্জয় করে, আমি বোধহয় তার চেয়েও বেশি এঞ্জয় করি।
" তুমি চিন্তা কর না মা। রোজ সকালে গাধাটাকে আমার পা ধোয়া জল খাওয়ালে আসতে আসতে ও পড়াশোনাতেও উন্নতি করবে।" - বোন মাকে বলল।
" সেটাই করিস, আমি জানি তুইই ওকে মানুষ করতে পারবি।" - মা বলল।
মা নিজের ঘরে চলে গেল এরপর। আমি আবার আগের মত বোনের সেবায় মন দিলাম।
বোনের চটি পরা পা দুটো ক্রমে ভিশন ভারী হয়ে উঠতে লাগল আমার মুখের উপরে। তবু সেই অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করে আমি আমার প্রভু ছোট বোনের পা দুটো ভক্তিভরে টেপা চালিয়ে গেলাম। বোন নরম চেয়ারে বসে আরাম করে মোবাইলে গেম খেলতে লাগল আর আমি ওর পায়ের তলায় শুয়ে আমার মুখের উপরে রাখা ওর চটি পরা পা দুটো পরম ভক্তিতে টিপে দিতে লাগলাম।
কতক্ষন এইভাবে কাটল খেয়াল নেই। হঠাত আবার মায়ের গলা শুনলাম। " সিমি, সাড়ে নটা বাজে। খেতে আয় এবার। কাল সকালে তো তোর আবার ফুটবল প্রাক্টিশ আছে।"
" হ্যাঁ মা, চল যাচ্ছি।"- এই বলে বোন ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নাকের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, " এই গাধা, চল খেতে যাব।"
মুখে বোনের চট পরা পায়ের লাথি খেয়ে আমি পরম ভক্তিতে বোনের দুই চটির তলায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, " চলো প্রভু।"
আমার মুখে ওর প্রতি " প্রভু" সম্বোধন শুনে বোন খুক খুক করে হাসতে লাগল। তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে এবার আমার ঠোঁটের উপরে আবার একটা লাথি মেরে বলল, " কি বলে ডাকলি আমাকে গাধা? আবার ডাক।"
আমি আবার আমার প্রভু ছোট বোন সিমির দুই চটির তলায় একবার করে ভক্তিভরে গাঢ় চুম্বন করে বললাম " প্রভু বলে ডেকেছি। তুমি তো আমার প্রভুই হও।"
" বোন হাসতে হাসতে আবার আমার নাকের উপরে একটা লাথি মারল ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে। " মা, দেখ, একদিনেই দাদা কত ভদ্র আর ভাল হয়ে গিয়েছে। নিজের ছোট বোনকে প্রভু বলে ডাকছে।"
" ভালই তো। এইভাবে ও তোর কন্ট্রোলে থাকলে ওর স্বভাব ভাল হবে, পড়াশোনা করবে। মেয়েদের রেস্পেক্টও করতে শিখবে। আর তোর বাবার মত সিগারেটের নেশার পাল্লায়ও পরবে না কোনদিন।"
" হ্যাঁ মা, ও একদম ভদ্র, বোনের বাধ্য ছেলে হবে। ওর একমাত্র নেশা হবে ছোট বোনের সেবা করা। কি রে গাধা, ঠিক তো?"
আমি হ্যাঁ বলতে চাইছিলাম অবশ্যই, কিন্তু বলব কি করে? আমার জিভটা তখন লম্বা করে মুখের বাইরে বার করা, আর আমার ছোট বোন সিমি তার উপরে নিজের ডান চটির তলাটা ঘসছে। আমি তবুও চেষ্টা করলাম এই অবস্থাতেও হ্যাঁ বলে বোনের প্রশ্নের উত্তর দিতে, কিন্তু আমার উত্তরটা ঠিক স্পষ্ট হল না।
" কি রে বাঁদর আমার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিস না কেন?" বলে বোন বাঁ পা দিয়ে বেশ জোরে পরপর দুটো লাথি মারল আমার কপালে।
আমাকে তারপরেও উত্তর দিতে না দেখে মা টেবিলের তলায় উঁকি দিয়ে দেখতে গেল আমি কেন উত্তর দিচ্ছি না। আর দেখেই মা হাসিতে ফেটে পরল।
" ও উত্তর দেবে কি করে? তোর দাদাতো জিভটা মুখের বাইরে বার করে শুয়ে আছে আর তুই দাদার জিভের উপরে নিজের চটির তলা ঘসছিস। জিভ মুখের বাইরে রেখে কেউ কথা বলতে পারে নাকি?"
বোন আমার বার করা জিভের উপরে নিজের চটির তলা ঘসছে আর মা তাই দেখে মজা পেয়ে হাসছে দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। আমি ভেবেছিলাম বোন আমাকে আমার করা অপরাধের শাস্তি দেওয়া শুরু করেছে, আর আমি সেটা বাধ্য ছেলের মত মেনে নিচ্ছি দেখলে মা খুশি হবে। কিন্তু মা যে এতটা খুশি হয়ে বোন আমার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারলে বা আমার জিভে চটির তলা ঘসলেও সেটা হাসতে হাসতে এঞ্জয় করবে সেটা ভাবতেও পারিনি।
বোন মায়ের কথা শুনে টেবিলের তলায় উঁকি দিয়ে একবার দেখল। তারপর মাথা তুলে মায়ের মতই হাসতে লাগল।
" মা, তুমি আর বাবা এই বলে দুঃখ করতে তো যে তোমাদের ছেলের বিদ্যার দেবীর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা নেই, ওর পড়াশোনা কি করে হবে। অথচ আমার প্রতি ওর ভক্তিটা শুধু দেখ।"
" আজ থেকে আর সেই দুঃখ থাকবে না রে সিমি। তুই পড়ছিস, আর সেই অবস্থায় তোকেই বিদ্যার দেবী ভেবে তোর বাঁদর দাদাটা তোর সেবা করেছে। মূর্তির প্রতি ভক্তির যা দাম তার চেয়ে পড়াশোনায় মগ্ন ছোট বোনের প্রতি ভক্তির দাম তার চেয়েও বেশি। আমার ধারনা তোর দাদা এইভাবে তোর সেবা করে গেলে আর কোনদিন বিগড়াবে না।"
" ঠিক বলেছ মা।"- সিমি বলল।
" তোর দাদা খারাপ হয়ে যাচ্ছে ভেবে আগে আমার অনেক দুঃখ ছিল। আজ থেকে সেই দুঃখ আর পেতে হবে না আমাকে। শুধু একটাই দুঃখ রয়ে গেল মনে। তোর বাবা যদি সিগারেটের মারন নেশাটা ছেড়ে দিত আর কিছু চাইতাম না।"
" তুমি ভেব না মা। বাবা বাড়ি ফিরলেই এবার বাবাকে ভিশন বকা দেব আমি।"
" শুধু বকায় হবে না। দাদাকে যেভাবে মেরে ঠিক করেছিস, দরকার ওইভাবে তোর বাবাকেও মেরে ঠিক করিস তুই।"
মায়ের কথায় আমি ভিশনই অবাক হয়ে গেলাম। ক্লাস ৬ এ পড়া আমার ছোট বোন সিমি তার নিজের বাবাকে মেরে সিগারেটের নেশা ছাড়াবে? এসব কি বলছে মা? বোন বাবার গালে থাপ্পর মেরে শাস্তি দিচ্ছে ভাবতেই দারুন আনন্দ জেগে উঠল আমার প্রানে। আমি বোনের চটি পরা ডান পায়ের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম ওর পা টিপতে টিপতে।
" ঠিক বলেছ মা। দরকার হলে বাবাকেও মারব দাদার মত।"
এইবলে বোন ওর চটি পরা বাঁ পায়ে লাথি মারল আমার কপালে, " চল গাধা, খেতে যাব এবার"।
আমি বোনের পায়ের তলা থেকে উঠে টেবিলের বাইরে বের হলাম। আমার মাথায় প্রচন্ড যন্ত্রনা হচ্ছিল এতক্ষন বোনের চটি পরা পা আর মেঝের মাঝে ঘসা খেয়ে। তবু বোন চেয়ার ঘোরাতেই প্রবল ভক্তিতে ওর চটি পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে আবার বোনকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম। বোন হাসিমুখে আমার মাথার উপরে ওর চটি পরা ডান পা রেখে আমাকে আশির্বাদ করে বলল, " এখন থেকে আমিই তোর প্রভু, তোর দেবী। এইভাবে সারাজীবন আমার প্রতি ভক্তি দেখাবি তুই।"
" নিশ্চয়ই প্রভু। তোমার সেবা করাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য এখন।" - বোন চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতে আমিও এই বলে উঠে বোন আর মায়ের পিছু পিছু খাওয়ার ঘরে এলাম।
বোন মা কে বলল, " আজ থেকে গাধাটাই খাবার সার্ভ করবে মা। তুমি আরাম করে চেয়ারে বস।"
এই বলে বোন আমার দুই গালে পরপর দুটো থাপ্পর মেরে অর্ডার করল, " এই গাধা, যা রান্না ঘর থেকে খাবার নিয়ে এসে আমাদের আগে সার্ভ কর। আমাদের খাওয়া হলে তারপর তুই খাবি।"
আমি গালে বোনের থাপ্পর খেয়ে আবার প্রবল ভক্তিভরে বোনের লাল চটি পরা দুই পায়ের উপরে মাথা রেখে ওকে প্রনাম করে খাবার রেডি করে বোন আর মাকে সার্ভ করতে লাগলাম।
পার্ট ৪....
আমি বোন আর মাকে খাবার সার্ভ করলাম আর ওরা খাবার খেতে খেতে আরাম করে টিভি দেখতে লাগল। ওদের খাওয়া শেষ হতে বোনের অর্ডার মত আমি ওর খাওয়া এঁটো থালায় খাবার নিয়ে নিজে খেলাম। তারপর টেবিল মুছে বাসন গুছিয়ে রেখে বোনের ঘরে গিয়ে চেয়ারে বসে মোবাইল ঘাঁটতে থাকা আমার প্রভু বোনের চটি পরা দুই পায়ের উপরে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওকে।
মাথা তুলতেই বোন ওর চটি পরা ডান পা তুলে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখে।
" যা, মা আর আমার বিছানা রেডি কর এবার গিয়ে।"
আমি প্রভুর অর্ডার মত প্রথমে মায়ের আর তারপর প্রভু বোনের বিছানা রেডি করলাম। তারপর আবার বোনের পায়ে মাথা রেখে ওকে প্রনাম করতে বোন প্রথমে আমার মাথার উপরে চটি পরা ডান পা রেখে আশির্বাদ করল। তারপর আমি মাথা তুলতে এবার আমার মুখে চটি পরা পা রেখে লাথি মেরে আমাকে ওর পায়ের তলায় শুতে আদেশ করল।
আমি শুতে সন্ধ্যার মতই আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসলো আমার প্রভু বোন আর আমি ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম।
১০ মিনিট পরে বোন আমার নাকের উপরে চটি পরা ডান পায়ে একটা লাথি মেরে আমাকে জিভ বার করতে অর্ডার করল। আমি জিভ বার করতেই বোন আমার বার করা জিভের উপরে ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপরে ঘসে নিজের ঘরে পরার লাল চটির তলা পরিস্কার করতে লাগল আমার প্রভু ছোট বোন সিমি।
৫ মিনিট পরে বোন ওর বাঁ পা আমার গলার উপরে রেখে ওর চটি পরা ডান পা আমার জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল।
কয়েক মিনিট পরে মা এসে এই ঘরে ঢুকল। বোনকে এইভাবে আমার বার করা জিভের উপরে চটির তলা ঘসে পরিস্কার করতে দেখে মা বেশ কিছুক্ষন হাসল। তারপর বলল, " আজ তো অনেকই সেবা করালি দাদাকে দিয়ে। এবার শুয়ে পর। কাল আবার তোর ফুটবল প্রাক্টিশ আছে তো সকালে। কাল নাহয় প্রাক্টিশে যাওয়ার আগে তোর ফুটবল বুটের তলাও এইভাবে দাদার জিভের উপরে ঘসে পরিস্লার করে নিস।"
আমি ভাবতেই পারছিলাম না মা এইভাবে বোনকে সাজেশন দিচ্ছে আমার জিভের উপরে ঘসে ওর ফুটবল বুটের তলা পরিস্কার করে নিতে। এই লাল চটিটা তবু বোন ঘরে পরে, এর তলায় তেমন ময়লা নেই। তাই বলে ফুটবল বুটের তলাও বোন আমার জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করবে? তার তলার সব মাটি, কাদা আমাকে গিলে খেতে হবে? ভাবতেই ভিশন আনন্দে আমার হৃদয় ভরে উঠল।
বোন মাকে বলল, " নিশ্চয়ই মা, এখন থেকে আমার সব জুতোর তলাই আমি দাদাকে দিয়ে চাটিয়েই পরিস্কার করাব।"
মা বলল, " তাই করিস। এখন থেকে তো তোর দাদা তোর ক্রীতদাসই। ওকে দিয়ে যা খুশি করাস তুই।"
বোন আরো দুই মিনিট আমার জিভের উপরে ওর ডান লাল চটির তলা ঘসল। তারপর আমার কপালে একটা লাথি মেরে অর্ডার করল, " আজ থেকে রাতে তুই এইভাবে আমার ঘরের মেঝেতেই শুবি। যাতে আমার কিছু দরকার পরলে তোকে অর্ডার করতে পারি।"
আমি বোনের দুই চটির তলায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, " যথা আজ্ঞা প্রভু"।
বোন আর মা দুজনেই উঠে শুতে চলে গেল। বোন এই ঘরেই শুলো আর আমি বোনের খাটের নিচে শক্ত মেঝেতে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পরলাম।
বেশ ভোরেই আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমি উঠে বোনের লাল চটি দুটোর তলায় গাঢ় চুম্বন করলাম একবার করে। তারপর ফ্রেশ হয়ে উঠে বোনের জন্য টিফিন রেডি করতে লাগলাম। সকাল ৬.৩০ বাজলে আমি বোনের খাটের সামনে হাটুগেড়ে বসে বোনের পা দুটো দুহাতে নিয়ে বোনের নরম পায়ের তলায় ভক্তিভরে চুম্বন করতে করতে ওকে ডাকতে লাগলাম, " প্রভু, তোমার ফুটবল প্রাক্টিশে যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। প্লিজ ওঠো।"
বোন ওর খালি ডান পা দিয়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে ঘুম জড়ানো গলায় বলল, " কি হল? ডাকছিস কেন?"
আমি আবার আগের কথা রিপিট করলাম। "প্রভু, তোমার ফুটবল প্রাক্টিশে যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। প্লিজ ওঠো।"
বোন তাই শুনে ঘুম ভেঙ্গে উঠে ফ্রেশ হতে চলে গেল। আমি উঠে বোনের টিফিন রেডি করে নিয়ে এলাম। বোন এসে ওর ঘরে চেয়ারে বসল একটু পরে। ওর পরনে ফুটবল খেলার লাল জার্সি আর সাদা শর্টস, পায়ে লাল চটি।
ও বসতেই আমি ওর হাতে টিফিন তুলে দিয়ে ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম নিজে থেকেই যাতে বোন আমার মুখের উপরে পা রেখে বসে পা টেপাতে টেপাতে টিফিন করতে পারে।
বোন ব্রেকফাস্ট সেরে ওর চটি পরা বাঁ পায়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল, " যা এবার মোজা আর বুট এনে আমার পায়ে পরিয়ে দে।"
আমি বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে প্রনাম করে ওর জুতো আনতে ছুটলাম। তারপর ফিরে এসে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে লাল মোজা আর কালো ফুটবল বুট পরিয়ে দিলাম ওর চাকরের মত।
জুতো পরানো শেষ হতেই বোন ওর ফুটবল বুট পরা ডান পা দিয়ে ভিশন জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের উপরে।
ফুটবল জুতোর তলা এমনিতেই ভিশন শক্ত হয়, তারপরে জুতোর তলায় স্টাড থাকায় আমার নাকে ভিশন লাগল। কিন্তু বোন এইভাবে আমার মুখে লাথি মারছে ভেবে যে আনন্দ পেলাম তার কাছে কষ্টটা কিছুই না।
" বোনেরা ফুটবল খেলতে যাওয়ার আগে দাদাদের কিভাবে বোনের জুতো পালিশ করে দেওয়া উচিত বলতো?"
বোন এবার আমার মুখে বাঁ বুট পরা পায়ে জোরালো লাথি মেরে বলল।
বোনকে আর কিছু বলতে হল না। আমি নিজে থেকেই ওর পায়ের উপরে মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে প্রথমে বুটের উপর দিক দুটো জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দিলাম। তারপর আমি বোনের পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শুতে বোন আমার মুখের উপরে ওর ফুটবল বুট পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বেশ জোরে জোরে ৭-১০ টা লাথি মারল প্রথমে। তারপর ও লাথি মারা থামাতেই আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা মুখের বাইরে বার করে দিলাম যতটা সম্ভব।
বোন আমার বার করা জিভের উপরে নিজের নোংরা ফুটবল বুটের তলা নামিয়ে দিল। বুটের তলায় স্টাড থাকায় আরো বেশি কাদা মাটি আটকে থাকে ফুটবল বুটের তলায়। আমি বোনের ডান বুটের তলা থেকে যাবতীয় ধুলো, কাদা, মাটি প্রবল ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম।
ঠিক তখনই বেল বাজলো। বোনের বান্ধবী মিশা ওকে ডাকতে এসেছে। মা ওকে নিয়েই এই ঘরে ঢুকল।
আমাকে এইভাবে বোনের বুট পরা পায়ের তলায় শুয়ে বোনের বুটের তলার ময়লা গিলে খেতে দেখে মিশা যেন আকাশ থেকে ফিরল। " কি করছিস তুই সিমি?", অবাক গলায় প্রশ্ন করল ও বোনকে।
" দিপ কাল অনেক কাঁচের জিনিস ভেঙ্গে ফেলেছে। তাই সিমি ওকে শাস্তি দিচ্ছে কাল থেকে।" মা বোনের হয়ে উত্তর দিয়ে দিল।
"এ মা, কাঁচের জিনিস তো সিমি ভেঙ্গেছিল!", ভুল করে অবাক গলায় সত্যিটা বলে দিল মিশা।
" সত্যি তুই কাল কাঁচ ভেঙ্গেছিলি সিমি?", মা বোনকে প্রশ্ন করল।
" হ্যাঁ মা।" বোন আমার জিভের উপরে বুটের তলা মুছতে মুছতে জবাব দিল।
" বেশ করেছিলি। কাঁচ তুই ভাংলেও দিপের দোষ, দিপ ভাংলেও ওর দোষ। যেই ভাঙুক শাস্তি দিপই পাবে তোর কাছ থেকে।" মা বোনের পাশে এগিয়ে গিয়ে বোনকে জড়িয়ে ওর মাথার উপরে একটা চুমু খেয়ে বলল।
মায়ের কথা শুনে মিশার চোখ বড় বড় হয়ে গেল বিস্ময়ে। আর বোন আমার জিভের উপরে ওর ফুটবল বুটের তলা মুছতে মুছতে বলল, " থ্যাংক ইউ মা ।"
বোন ওর ডান বুটের তলা পরিস্কার করা হয়ে গেলে একইভাবে ওর বাঁ বুটের তলাও পরিস্কার করে নিল আমার জিভে ঘসে। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বুট পরা ডান পা টা আমার মুখের উপরে রেখে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ালো। তারপর বুট পরা ডান পা দিয়ে খুব জোরে জোরে আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল আমার প্রভু ছোট বোন।
আমার মুখের সর্বত্র প্রায় ২০ টা লাথি মারল বোন ফুটবল বুট পরা পায়ে। তারপর ও থেমে আমার মুখ থেকে পা সরাতেই আমি প্রবল ভক্তিতে আমার প্রভু বোনের বুট পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম এইভাবে আমাকে দিয়ে বুটের তলা চাটানো আর আমার মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মারার জন্য।
২ মিনিট পরে বোন ওর বুট পরা বাঁ পা আমার মাথার উপরে রেখে আমাকে আশির্বাদ করল। তারপর ও মিশাকে বলল, " মিশা, তুইও তোর বুট গাধাটাকে দিয়ে চাটিয়ে পরিস্কার করে নে।"
মিশা একটুও আপত্তি না করে চেয়ারে বসে পরল। আমি একইরকম ভক্তি নিয়ে ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী মিশার বুটের উপর আর তলা জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দিলাম।
জবাবে মিশা ওর ফুটবল বুট পরা দুই পায়ে এমনভাবে আমার মুখে ৫-৬ বার লাথি মারল যেন ও ফুটবলে লাথি মারছে।
বোন তাতে উতসাহ পেয়ে বলল, " দারুন আইডিয়া দিয়েছিস মিশা। আমরা ফিরে এসে দাদার মুখটাকে বল বানিয়ে ফুটবল খেলব।"
আজ বোন আর মিশার সাথে আমাকেও ফুটবল কোচিং সেন্টারের মাঠে যেতে হল। ওদের দুজনের খেলার চেয়ে স্টাইলেই মন বেশি। ওরা যতক্ষন প্রাক্টিশ করছিল ততক্ষন ধরে সবার সামনেই আমাকে চাকরের মত কিছু না কিছু হুকুম করছিল। একবার জল দিতে, একবার তোয়ালে দিতে, তারপরই হয়ত বা জুতোর ফিতে বেঁধে দিতে।আমি চাকরের মত বোন আর মিশার হুকুম পালন করছিলাম।
প্রাক্টিশ শেষ করে বাড়ি ফিরতে আমি ফ্রেশ হয়ে প্রথমে মিশা আর বোনকে টিফিন এনে দিলাম। ওরা দুজনেই টিফিন পুরোটা খেল না। ওদের বাটিতে যা পরে ছিল সেটাই আমি খেয়ে নিয়ে টিফিন সারলাম বোনের অর্ডার মত।
টিফিন শেষ করতেই বোন অর্ডার করল, " আয় দাদা, এবার তোকে বল বানিয়ে ফুটবল খেলব আমি আর মিশা।"
বোনের অর্ডার মেনে আমি মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম ওদের পায়ের কাছে। মাও এই ঘরে এসে সোফায় হেলান দিয়ে বসে বলল, " আমি আজ আর অফিস যাব না। তোদের এই চমৎকার ফুটবল খেলা দেখব ঘরে বসে।"
বোন ছুটে এসে ওর বুট পরা বাঁ পা দিয়ে খুব জোরে একটা লাথি মারল আমার গালে আর চিৎকার করে উঠল " গোওওল" বলে।
তারপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে একইভাবে একটা লাথি মারল বোন আমার নাকের উপরে। আমি ব্যাথায় অন্ধকার দেখতে লাগলাম চোখে।
আমাকে সামলে নেওয়ার সুযোগ না দিয়েই মিশা একই কায়দায় ছুটে এসে ওর বুট পরা ডান পায়ে আমার কপালে লাথি মারল, আর বোনও ঠিক তার পরেই আবার একটা লাথি মারল আমার চিবুকে ওর বুট পরা ডান পায়ে।
ক্রমে ওদের লাথির বেগ বাড়তে লাগল আর আমি চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলাম। তবে যত ওদের লাথির জোর বাড়ছিল ততই আমার দুই প্রভুর প্রতি ভক্তিও বেড়ে উঠছিল।
১০ মিনিট পরে বোনের ডান পায়ের একটা লাথি এত জোরে আমার নাকের উপরে আছড়ে পরল যে আমার চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে এল, আমি উলটে পরে গেলাম মেঝেতে। বোন আর মিশা আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ না দিয়ে মেঝেতে চিত হয়ে পরে থাকা আমার মুখের উপরে জোরে জোরে ওদের ফুটবল বুট পরা পায়ে লাথি মেরে যেতে লাগল। কখনো ছুটে এসে ভিশন জোরে দুই প্রভু আমার মাথার পাশের দিকে, কানে বা গালে বুট পরা পায়ে ফুটবলের মত লাথি মেরে চিৎকার করে উঠতে লাগল " গোল" বলে। কখনো আবার আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে বুট পরা পায়ের তলা দিয়ে সোজা আমার মুখের উপরে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলো আমার দুই প্রভু।
আরো প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে আমার মাথাটা নিয়ে ফুটবল খেলার পরে মিশা ওর বুট পরা ডান পা টা আমার বুকে রেখে দাঁড়ালো আর বোন ওর হাত ধরে আমার মুখের উপরে উঠে দাঁড়ালো। তারপর মিশার হাত ধরে ব্যালেন্স করে বুট পরা পায়ে আমার মুখের উপরে লাফাতে শুরু করল আমার প্রভু বোন সিমি। ও প্রায় ১ ফুট উঁচুতে লাফাচ্ছিল তারপর বুট পরা দুই পায়ে লাফিয়ে নামছিল আমার মুখে। ওর ফুটবল বুটের স্টাডগুলো আমার মুখের চামড়ায় বসে যাচ্ছিল যেন। মা আমার যন্ত্রনা হাসিমুখে উপভোগ করছিল সোফায় বসে।
বোন আর মিশা মিলে এইভাবে প্রায় ১৫ মিনিট আমার মুখের উপরে বুট পরা পায়ে লাফালো। তারপরে ওরা দুজন খাটে পাশাপাশি বসলো। বোন আমার মুখে লাথি মেরে অর্ডার করল ওদের বুট জিভ দিয়ে পালিশ করে দিতে। আমি প্রথমে বোন আর মিশার বুটের উপর দিক গুলো চেটে পালিশ করে দিলাম। তারপর ওদের পায়ের তলায় চিত হয়ে শুয়ে জিভটা বার করে দিতে বোন আর মিশা ওদের কাদা মাটি মাখা বুটের তলা আমার জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল।
মিশা বোনকে বলল, " কাকিমা নাহয় মেয়ে বলে তোর দাদাকে দাসের মত ব্যবহার করায় উতসাহ দিচ্ছে। কিন্তু কাকু এসে যদি এটা দেখে কি হবে বলতো?"
তাই শুনে বোন ওর বুট পরা ডান পায়ে আমার নাকের উপরে ভিশন জোরে একটা লাথি মেরে বলল, " কি বলবে বাবা? কিছু বলতে এলে বাবাকেও আমি দাদার মত এইভাবে মারব। আর এমনিতেই সিগারেটের নেশা ছাড়ানোর জন্য বাবাকে মারতেই হবে আমাকে।"
মা পাশ থেকে খুশি গলায় বলল, " ঠিক বলেছিস সিমি। বাবাকেও তুই দাদার মত এইভাবে মেরে সিগারেটের নেশা ছাড়াস। সিগারেট খাওয়ার চেয়ে মুখে নিজের মেয়ের জুতো পরা পায়ের লাথি খাওয়া অনেক ভাল।"
বোন আমার মুখে ওর বুট পরা দুই পায়ে পরপর অনেক গুলো লাথি মেরে বলল, " ঠিক বলেছ মা।"

Tuesday, 1 October 2019

হনু ও দুই রাজকন্যা



( Warning : mild CFNM). 

 আমার স্কুল জীবনে একবার একটা লেংটু অভিজ্ঞতা হয়েছিল পাবলিকলি। তখন আমি ক্লাস সিক্স, গ্রামের একটি কো এড স্কুলে পড়ি। সেদিন লাস্ট পিরিয়ডের স্যার আসেনি, ফলে ছেলে মেয়ে সবাই মাঠে বেরিয়ে খেলছি। আমি তখন একটা গাছের ডাল ধরে দোল খাচ্ছিলাম। তখন পিছন থেকে এসে আমার ক্লাসমেট কাজিন বোন এসে এক টানে আমার হাফ প্যান্ট টেনে খুলে দে ছুট! আমার সে যে কি লজ্জা! আমি এক লাফে নেমে প্রথমে ভাবলাম বোনকে ধরতে ছুটি, তারপরে আগে লম্বা শার্টটা দিয়ে লজ্জা ঢাকবো স্থির করলাম। কিন্তু শার্ট লম্বা হলেও তলার বোতাম ছেঁড়া, তাই পিছন দিক ঢাকা গেলেও নুংকু ঠিক বেরিয়ে যাচ্ছিল। তখন আমার দুই বন্ধু এসে পথ বাতলাল, " তুই গিয়ে বাথরুমে লুকিয়ে থাক, আমরা গিয়ে তোর প্যান্ট উদ্ধার করে আনছি। " আমি আশায় আশায় বাথরুমে গিয়ে ঢুকলাম।

কিন্তু হায়, বিধি বাম। এক স্যার এসে একটু পরেই বলে গেল "তোদের আজ ছুটি, বাঁদরামো না করে বাড়ি যা সব।" ব্যাস, অন্য ছেলে মেয়েদের সাথে আমার কাজিন বোন রিয়াও আমার প্যান্টের কথা ভুলে নাচতে নাচতে বাড়ি চলে গেল! একটু পরে আমার বন্ধু মোটু তার মোটা মাথা দোলাতে দোলাতে এসে বাথরুমের দরজায় টোকা দিয়ে বলল " তোর বোন বাড়ি চলে গেছে। "

আমার তখন কি অবস্থা বুঝতেই পারছ। ইচ্ছা করছিল মোটুর মাথায় এক ঘা দিয়ে ওকে অজ্ঞান করে ওর প্যান্ট পরে বাড়ি যাই। কিন্তু ওর কোমর আমার তিন গুন, তাই এই প্ল্যান ক্যান্সেল করতেই হল। কোনরকমে গায়ের শার্ট খুলে কোমরে পেঁচিয়ে লজ্জা নিবারন করে বাড়ি ফিরলাম। 

বাড়ি ফিরে দেখি রিয়া আমার চেয়ে দুই বছরের ছোট ক্লাস ফোরে পড়া ছোট বোন রিমার সাথে বাড়ির উঠোনে স্কুল ড্রেস পরে বসেই কাঁচা আম খাচ্ছে। আমাকে এই অবস্থায় দেখে ওর বোধহয় এতক্ষনে মনে পরল ও কি কান্ড করেছে! আর আমাকে এই অবস্থায় দেখে আমার ছোট্ট বোন রিমা কেন জানি না হো হো করে হাসতে শুরু করেছে!

রিয়া ওর ব্যাগ খুলে আমার প্যান্টটা বার করে আমার দিকে ছুঁড়ে বলল "এই নে লেংটু হনু, তোর প্যান্ট!" কিন্তু প্যান্টটা আমার একটু সামনে গিয়ে কাদার মধ্যে পরল। আর আমি সেটা ধরতে লাফাতে গেলাম যেই অমনি আমার কোমরে জড়ানো শার্ট খুলে সোজা নিচে! দুই বোনের সামনে এবার আমি পুরো লেংটু!

কি আর করি? কাদা থেকে প্যান্ট তুলে কোমরে পরতে পরতে প্রায় এক মিনিট লেগে গেল। আর এই পুরো সময় আমি আমার দুই বোনের সামনে পুরো লেংটু, আমার নুনু পুরো ওদের চোখের সামনে!!

ঘরে যেতেই মা কান ধরে এক থাপ্পর লাগাল। এই হনুমান, এত কাদা মেখে ঘরে ঢুকছিস কেন?"

আমি উত্তর দিতে যাওয়ার আগেই শুনি, " যা, গাছে গাছে লাফিয়ে বেরা বরং, ওটাই তোকে মানায়।", তাকিয়ে দেখি আমার ক্লাস ফোরে পড়া বোন রিমা। রিমা আর রিয়াও ততক্ষনে মজা দেখতে ঘরে ঢুকে এসেছে।

আমি জানি রিয়ার আমার প্যান্ট খুলে নেওয়া আর সেটা নিয়ে আমাকে স্কুলে লেংটু করে বাড়ি চলে আসার ঘটনা মাকে বলে দিলে মা ওকেই বকবে। কিন্তু রিমা আর রিয়া ভালই জানে ওদের সাথে ছোটখাট ঝগড়া করলেও ওদের কখনো বকা বা মার আমি খাওয়াতেই পারি না। সেরকম হলে ওদের দোষ আমি নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিজে মার খাই, আর ওরা মজা দেখে। 

" তোরাই বল, হনুমানটাকে কি শাস্তি দেওয়া যায়। আমি আর পারি না এটাকে নিয়ে। মা হতাশ গলায় দুই বোনকে বলল।"

" এই হনু, যা কান ধরে উঠোনটা দশ চক্কর দে।" রিমা গম্ভীর গলায় আদেশ করল।

আমার বেশ ভাল লাগছিল বোনের শাসন। আমি বাধ্য ছেলের মত দুই কান ধরে উঠোন চক্কর দিতে লাগলাম ছুটে।

হঠাত কি যেন একটা অনুভব করলাম হাটুর কাছে। ভাল করে বোঝার আগেই দুম করে উল্টে পরলাম। আমার প্যান্টটা কোনভাবে খুলে পরেছে, আর তার ফলে প্যান্ট পায়ে বেধে উল্টে পরেছি আমি। 

কি করে প্যান্ট খুলল? আমি ভাল করে তাকিয়ে দেখি প্যান্টের বেল্ট টা নেই। আর আমার প্যান্টটা লুজ, তাই খুলে পরে গেছে। কিন্তু সকালে তো প্যান্টে বেল্ট ছিল। তাহলে রিয়াই ওটা খুলে কোথাও ফেলেছে!

ততক্ষনে আমি রিয়া আর রিমার হো হো হাসি দিব্বি শুনতে পাচ্ছি পাশ থেকে। আমি একে লেংটু তখন, তার উপর কান ধরা। আর দৌড়ানো অবস্থায় উল্টে পরায় আমার বেশ লেগেছেও! কিন্তু দাদার দুর অবস্থা দেখে দুই বোনের শুধু হাসিই পাচ্ছে! তার চেয়েও আশ্চর্য, দুই বোনের কাছে এই অপমান আমার এত ভাল লাগছে কেন?

রিয়া আর রিমা দুজনেই এবার আমার একদম কাছে এগিয়ে এল। রিয়া আমার কান ধরে টেনে তুলল আমাকে। নে, আবার চক্কর দে উঠোনে। এখনো ছয় বার। 

আর রিমা আমার প্যান্টের দিকে তাকিয়ে বলল " তোর বেল্ট কোথায় গেল হনু?"

আমি মাথা নিচু করে বললাম "রিয়া জানে।"

তাই শুনে রিয়া সাথে সাথে আমার দুই গালে পর পর দুটো থাপ্পর মেরে বলল, " তোর প্যান্টের বেল্ট, কোথায় আছে আমি কি করে জানব? "

আর রিমা মায়ের দিকে চেয়ে চেঁচিয়ে বলল, " মা, আজ দাদা প্যান্টের বেল্ট হারিয়ে এসেছে।"

মা ঘর থেকে চেঁচিয়ে বলল " উফ, এই হনুমানটাকে নিয়ে আর পারি না। এবার বেল্ট কিনে সেটা দিয়ে আগে ওর পিঠে কটা ঘা দিতে হবে। এখন তোরা ওর কান ধরে গালে কয়েকটা দে।" 

সেই শুনে রিয়া খুশি হয়ে আমার দুই গালে আরো দুটো থাপ্পর দিল। তারপর রিমাকে বলল, " নে, তুইও চড় মার হনুকে।"

রিমাও দিব্বি খুশি মনে আমার দুই গালে পর পর চারটে থাপ্পর মারল কান ধরে। আনার তখনো প্যান্ট পুরো খোলা।

এবার আমি প্যান্ট তুলতে নিচু হলাম। অমনি রিয়া আমার বুকে জুতো পরা পায়ে একটা লাথি মেরে বলল " প্যান্ট খুলে গেছে যখন তখন খুলেই দৌড়া। "

আমার দুই বোনের এই ব্যাবহার খুব ভাল লাগছিল। কিন্তু খোলা উঠোনে লেংটু হয়ে এতক্ষন দৌড়ালে বাইরের কেউ ঠিক দেখে নেবে। তাই বোনের আদেশ মানাটা ঠিক সহজ মনে হল না। আমি আমাকে লাথি মারা রিয়ার জুতো পরা পা দুটোর উপরে হাত রেখে রিকোয়েস্ট করলাম, " প্লিজ বোন, প্যান্ট পরে দোড়াতে দে প্লিজ।!" 

সাথে সাথে রিয়া আবার একটা লাথি মারল, এবার ওর জুতো পরা ডান পায়ে আমার মুখে। সাথে সাথে ওর দেখা দেখি রিমাও আমার মুখে ওর সাদা স্নিকার পরা দুই পা দিয়েই একটা করে লাথি মেরে বলল " তুই তো হনুমান। প্যান্ট খুলেই দৌড়া ওদের মত।" এই বলেই বোন হাসিতে ফেটে পরল।

আমি অগত্যা প্যান্ট খুলেই দৌড়াতে বাধ্য হলাম। কিন্তু বুদ্ধি করে দৌড়াতে দৌড়াতেই শার্টটা খুলে কোমরে বেঁধে নিলাম আগের মত। কিন্তু এই সময় কান ছাড়তে বাধ্য হওয়ায় তার শাস্তি হিসাবে দশ পাক কম্পলিট করে দুই বোনের কাছে আসতেই ওরা মায়ের সামনেই দুই গালে একটা করে থাপ্পর মারল দুজনেই। 

আমি প্যান্ট পরে ঘরের দরজার কাছে আসতে মা বলল " তুই কি দুই বোনকে দেখে একটুও ভদ্রতা সভ্যতা শিখতে পারিস না? তোর স্বভাব দেখে তুই মানুষের বাচ্চা না বাঁদরের বাচ্চা বোঝা যায় না। আর তোর দুই বোনকে দেখ, সবাই ওদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নে, এবার তোর শার্ট প্যান্ট সাবান জলে ভিজিয়ে গামছা পরে নোংরা করা সামনের ঘরটা মোছ।" 

আমি মায়ের সব আদেশ পালন করলাম। যদিও সামনের ঘরটা দুই বোনই জুতো পরা পায়ে মাড়িয়ে নোংরা করেছে, আমি না।

এই কাজ টুকু সারতেই আমার বোন রিমা ভিতর থেকে ডাকল, " এই হনু, ভিতরে আয়"।

আমি যেতে দেখি দুই বোন বই খুলে পড়ার নাটক মারছে, যদিও সামনে টিভি খোলা।

রিমা গম্ভীর মুখে বলল, " আমরা পড়ায় ব্যাস্ত, তুই আমাদের জুতো খুলে পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দে। আর আমাদের স্কুল ড্রেস বাথরুমে একটা বালতিতে চোবানো আছে। তুই কেচে মেলে দিবি।"

দুই বোনের পায়ে জুতো পরানো বা খোলা নতুন কিছু না। ওরা প্রায়ই কিছু অজুহাত দিয়ে আমাকে দিয়ে এটা করায়। আমার আসলে ভালই লাগে বোনেরা আমার সাথে একটু প্রভুর মত চরন করলে। অবশ্য আজ আমি ওদের প্রতি বড্ড বেশিই সাবমিসিভ হয়ে পরেছিলাম। আমি ওদের জুতো খোলার সময়ে দুই বোনের জুতো পরা পায়েই মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। অবাক হয়ে দেখলাম দুই বোনই ওদের জুতো পরা পা আমার মাথার উপর রেখে আমাকে আশির্বাদ করল।

আমি ওদের এই আচরনে আরো বেশি সাবমিসিভ হয়ে পরলাম দুই বোনের প্রতি। যেই দুই বোন আমাকে ওকারনে অপমান করে সবার সামনে। 

আমি ওদের দুজনের জুতোর উপরই ভক্তিভরে চুম্বন করলাম। নাক ঘসলাম ওদের জুতোর উপর। তারপর ভাল করে ওদের জুতো পালিশ করে চকচকে করে তুলে রাখলাম। ওদের পায়ে ঘরে পরার চটিটা পরিয়ে দিতে রিয়া হেসে বলল তোর বেল্টটা আমার ব্যাগেই রাখা আছে। কিন্তু এখন পাবি না। কয়দিন বেল্ট ছাড়াই এই লুজ প্যান্ট পরে স্কুল কর। অনেক মজা হবে।" এই বলে আমার দিকে ফিরে চোখ মারল। আর তাই দেখে রিমাও হো হো করে হাসতে লাগল।

বলে কি রিয়া? এই প্যান্ট তো খুবই লুজ। স্কুলে সবার সামনে এমনিই খুলে গেলে তো মান সম্মান কিছুই আর থাকবে না!! আমি সেই কথা বলে রিমার দুই পা জড়িয়ে ধরে ওর পায়ে মাথা রেখে কাঁদতে লাগলাম। আমার চোখেও এক্কটু জল চলে এল যেন।

কিন্তু রিয়া আর রিমা দুজনেই নিরুত্তাপ! আমার মাথায় চটি পরা পায়ে লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে রিমা বলল, " হনুমানের আবার মান সম্মান!! যা ভাগ!! আর মনে রাখিস, আমাদের জামা ভাল করে কাচবি, যেন একটুও ময়লা না থাকে। আর স্নান সেরে ঘরব এসে আমাদের দুজনের হোম ওয়ার্ক ঠিক ঠাক করবি। একটা কাজেও একটুও গাফিলতি হলে তোর ওই বেল্ট দিয়ে তোরই পিঠের অবস্থা খারাপ করব আমরা!" এই বলে রিমাকে জড়িয়ে হো হো করে হাসতে লাগল রিয়া,, যেন খুব মজার কোন কথা বলেছে।

দুই বোনের কাছে এই অপমান আমার যে কি ভাল লাগছিল বলে বোঝাতে পারব না। রিয়া আর রিমা, দুই বোনকেই শাস্টাঙ্গে প্রনাম করে আমি স্নান ঘরে ঢুকলাম। ওদের জামা কাচতে হবে আগে।


দুই বোনের স্কুল ড্রেস ভাল করে কাচলাম প্রথমে। এরপর নিজের ড্রেস কেচে স্নান সেরে বেরোলাম। জামা শুকোতে দিয়ে ঘরে ঢুকে দেখি তখনো দুই বোন টিভি খুলে পড়ার নাটক করছে। আমি ঘরে ঢুকতে রিয়া আমার মুখে একটা খাতা ছুড়ে মেরে বলল , " নে, আমাদের হোম ওয়ার্ক করা শুরু কর। যদি একটাও ভুল হয় তাহলে তোর কান টেনে ছিঁড়ে নেব হনুমান, মনে থাকে যেন!"

দুই বোন আমার সাথে এই স্টাইলেই কথা বলতে অভ্যস্ত, আমারও খুব ভাল লাগে ওদের এই ব্যবহার। আমি খাতাটা তুলে মেঝেতে বসে পরলাম, সোফায় বসা দুই বোনের ঠিক পায়ের কাছে। রিয়ার হোম টাস্ক সেরে যখন রিমার হোম টাস্ক সারলাম তখন দেখি মা টিফিন হাতে ঘরে ঢুকল।

আমাকে রিমার বই খাতা খুলে অংক কষতে দেখে মা ভুরু কুচকে জিজ্ঞাসা করল, " তুই ক্লাস ৪ এর বই খুলে কি করছিস?"

রিয়া তাই শুনে মা কে বলল, " জেঠি, হনুর যা লেভেল ওকে ক্লাস ১ থেকে আবার পড়াতে পারলে ভাল হয়। দেখবে ওর অবস্থা?"

এই বলে রিয়া আমার দিকে চেয়ে বলল " এই হনু, বল তো ১০ আর ১০ যোগ করলে কত হয়?"

আমি জানতাম রিয়া আমাকে নিয়ে মজা করছে। ও চায় আমি ভূল উত্তর দিই। তাই আমি মাথা চুলকে হাতের কড়া গুনে উত্তর দিলাম ১৮।

রিয়া তাই শুনে আমার গালে আলতো একটা থাপ্পর মেরে বলল " দেখ জেঠি, হনুর অবস্থা। ও তো এল্ফাবেট ও সব ভুলে গেছে। আজ স্কুলে abcd ও ঠিক করে বলতে পারে নি। " ওকে তাই আবার ক্লাস ফোর থেকে পড়াতে হবে বাড়িতে।"

মা তাই শুনে চিন্তিত গলায় বলল, " হনুর তো খুব খারাপ অবস্থা দেখছি। তুলিকে ( রিয়ার মায়ের নাম) বলতে হবে দেখছি।"

রিয়া বেশ ভারী গলায় বলল "তার দরকার নেই জেঠি। আমিই দেখিয়ে দেব ওকে পড়া। তবে পড়া না করে হনুগিরি করে বেড়ালে ও কিন্তু আমার কাছে মার খাবে। রিমার কাছেও খাবে। তুমি সেটা মেনে নিলে দেখবে দিব্বি ওকে মেরে ঠিক রাস্তায় নিয়ে আসব আমি।"

" মা বলল যত খুশি মারিস ওকে প্রয়োজন হলে। আমি তোকে কখনো বাধা দিয়েছি? আমি তো বরং তোকে বলি ওকে শাস্তি দিতে ও ভুল কিছু করলে। ও একটা আস্ত হনুমান, মার না খেলে মানুষ হবে না আমি জানি। "

মায়ের কথায় আমার একটুও খারাপ লাগল না। মা লুচি প্লেটে করে এনে দুই বোনকে দিল। রিমা বলল, " হনু কিন্তু লুচি খাবে না মা। ওকে কলা, আম, কাঁঠাল এইসব দাও। ও লেজ দুলিয়ে ফল খাক!" 

আমি জানি আমাকে হনুমানের মত ট্রিট করে দুই বোন মজা পায়। শুধু ওদের মজা দেওয়ার জন্যই আমি লুচি ছেড়ে শুধু ফল খেতে রাজি হয়ে গেলাম। আমার লুচি খেতে ভাল লাগে ঠিকই,,কিন্তু আমাকে নিয়ে মস্করা করতে পেরে দুই বোনের মুখে যে চওড়া হাসি ফুটে ওঠে, সেটা দেখার মত ভাল আর কিছুতেই লাগে না!

কাকিমা বাড়ি ফিরল তার একটু পরেই। তখন রিমা আমার দিকে তাকিয়ে মুখে অদ্ভুত একটা হাসি ফুটিয়ে সুরেলা গলায় বলছে, " আয় হনুমান, কলা খা!" আর দুই বোন একে অপরকে জড়িয়ে হো হো করে হাসছে। 

আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি আমার বাবা শহরের এক প্রাইমারি স্কুলের টিচার। কাকু আর কাকিমা পাশের গ্রামের হাই স্কুলের টিচার। মা গৃহবধু, বাড়িতে থেকে আমাদের তিন ভাই বোনকে সামলায়। মা আর কাকিমা আবার আপন বোন। তবু আমি কাকিমাকে মাসি না বলে কাকিমাই বলি।

কাকিমা রিমার দিকে তাকিয়ে চোখ পাকিয়ে বলল, " তুই আবার দাদার পিছনে লাগছিস? আর হিমু তুই রিমার বই খুলে বসে কেন? ও তোকে দিয়ে হোমওয়ার্ক করিয়ে নিচ্ছে নাকি?

মা কাকিমাকে বলল, " না রে তুলি। হনুটা ক্লাস ফোরের অংকও ভুল গেছে, সহজ যোগ ও পারে না। তাই ওকে শেখাতে বসেছে রিয়া।"

রিয়াও পাশ থেকে বলল " হ্যাঁ মা"। আমিও ঘাড় নেড়ে সম্মতি দিলাম। 

কাকিমা মায়ের মত সহজে এই কথায় বিশ্বাস করল না। দুই বোন যে আমাকে বুদ্ধু বানিয়ে খাটায় আর আমি যে সেটা খুব সহজে মেনে নিই ওদের কথা মত, এটা কাকিমা একটু একটু বুঝতে শুরু করেছে ইদানিং।

কাকিমা বলল, " দেখি হিমু কতটা ভুলে গেছে পড়া। তোকে পরপর তিনটে কোশ্চেন করব। ১স্ট কোশ্চেনের যদি উত্তর দিতে পারিস তাহলে তোকে একটা সাইকেল কিনে দেব। বল, ৫ আর ৫ যোগ করলে কত হয়?"

আমি জানতাম আমাকে ভুল উত্তর দিতে হবে। আমি মাথা চুলকে অনেক নাটক করে বললাম "১৫?"।

কাকিমা হাসিমুখে বলল " হয়নি। কিচ্ছু পাবি না। এর পরের দুটো কোশ্চেনের উত্তর দিতে পারলে রিমা আর রিয়াকে দুটো ভাল সাইকেল কিনে দেব।"

এইবলে কাকিমা আমাকে ক্লাস ৬ এর পক্ষে বেশ কঠিন দুটো অংক দিল। আমি বুঝতে পারলাম কাকিমা,আমাকে ইচ্ছা করে ফাঁদে ফেলেছে।

কিন্তু রিয়া আর রিমাকে নতুন সাইকেল পেতে সাহায্য করতে ইচ্ছা করল। আমার কাজের ফলে ওরা ওদের পছন্দের জিনিস পাবে ভেবে আনন্দ হতে লাগল খুব আমার। আমি অংক দুটো করে কাকিমাকে দিলাম। কাকিমা দেখে বলল, " এই তো ঠিক করেছিস।"

তারপর মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল " হিমুর আসল সমস্যা পড়ায় ফাঁকি দেওয়াও না, হনুগিরি করাও না। ওটা তোকে দুই মেয়ে ভুল বুঝিয়েছে। তবে ওর একটা বড় সমস্যা আছে। নাহলে নিজে সাইকেল পাওয়ার সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দিল আর দুই বোনকে পাইয়ে দেওয়ার জন্য মাথা খাটিয়ে আরো কঠিন অংক করল কেন? ওর কিছু বড় সমস্যা আছে, নাহলে নিজে সব সুখ ছেড়ে দুই বোনকে সব দিতে চায় কেন আর ওদের কথায় ওঠে বসে কেন বুঝিনা। নাহলে এমনিতে ও খুবই ভাল ছেলে।"

পরদিন স্কুলে টিফিনের পিরিয়ডে আমার ক্লাস মনিটর বোন রিয়া আমাকে নিল ডাউন করে রাখল। আমি নাকি টিফিন খেতে গিয়ে নিচে ফেলে মেঝে নোংরা করেছি। আসলে সেই খাবার গুলো সব রিয়ারই ফেলা। তবু আমি খুশি মনে মেঝে পরিস্কার করে নিল ডাউন হলাম। ছেলেরা তখন সবাই বাইরে খেলছে আর মেয়েরা অনেকেই ঘরে বসে রিয়ার আমাকে নিয়ে মজা করা দেখছে।

১০ মিনিট পর রিয়া গম্ভির গলায় আদেশ করল " এবার কান ধরে উঠে দাঁড়িয়ে হনুমানের মত লাফ দিতে থাক হনু।" 

আমি রিয়ার আদেশে ক্লাসের প্রায় ১৫ টা মেয়ের সামনে তাই করতে লাগলাম। ৫-৬ টা লাফ দেওয়ার পরেই রিয়ার কোঁচকানো ভুরু দেখে বুঝলাম ও আশা করেছিল ও আমার বেল্ট খুলে রেখে দেওয়ায় আমি লাফ দিতে থাকলে আমার লুজ প্যান্ট খুলে মেঝেতে পরবে আর আমি এতগুলো মেয়ের সামনে লেংটু হয়ে যাব। আমি প্রায় ১০০ টা লাফ দিলাম, কিন্তু প্যান্ট খুলল না। আসলে আমি মোটা দড়ি দিয়ে প্যান্টটা কোমরে বেধে গিট দিয়ে প্যান্টের উপরটা ফোল্ড করে দড়িটা ঢেকে রেখেছিলাম। তাই প্যান্ট খোলে নি। কিন্তু রিয়ার মুখ দেখে বুঝলাম ও খুশি না! ও ভেবেছিল এতজন মেয়ের সামনে আমার প্যান্ট খুলে পরবে আর ওরা তাই নিয়ে বেশ হাসি মস্করা করবে!

ছুটির পরে আমি আর রিয়া একসাথে বেরোলাম স্কুল থেকে। রিমাও আমাদের স্কুলের গেটে এসে দাড়িয়েছিল। একসাথে বাড়ির পথ ধরলাম আমরা।

রিয়া হঠাত আমার কান ধরে বলল তুই কি অন্য কারো থেকে বেল্ট নিয়ে পরেছিস? এত লাফালি, তবু ঢোলা প্যান্ট খুলল না কেন তোর? এই বলে ও হাত দিয়ে আমার প্যান্টের বেল্ট বাঁধার অংশটা দেখল, আর দড়িটা ওর চোখে পরল। 

"তোর সাহস তো কম না হনু, তুই আমার অনুমতি ছাড়া কোমরে দড়ি বেঁধেছিস? খুব খারাপ কাজ করেছিস, ক্ষমা চা আমাদের কাছে।" এই বলে আমার গালে একটা থাপ্পর মারল রিয়া।

গ্রামের খোলা রাস্তায় আমার সাথে রিয়া এরকম ব্যাবহার করায় আমার খুবই ভাল লাগছিল। আমি রাস্তার মাঝেই ওদের পায়ের লাছে হাটুগেড়ে বসে দুই বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। রিয়া এবার আমার কোমরে দুই ফোল্ড করে বাধা দড়ির একটা ফোল্ড খুলে দড়িটা হাতে ধরল। যেন আমি আসামী আর ও পুলিশ, আসামীকে কোমরে দড়ি পরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

বাড়ির সামনে আসতে রিমা বলল, " এই হনু, গাছে উঠে আমাদের জন্য কাঁচা পাকা দুরকম আম, জামরুল, কাঁঠাল পেরে আন।.. দিদি, ওর কোমরের দড়িটা পিছনে লম্বা করে ছেড়ে দে। লেজের মত লাগবে, আর ওকেও পাক্কা হনুমান মনে হবে।" এই বলে হাসতে হাসতে দুই বোন ঘরে ঢুকল।

মা ওদের দেখে বলল, " তোরা দুজন ফিরছিস, হনুটা কই?"

রিমা বলল, " হনুমান যেখানে থাকে। এসেই গাছে উঠে পরেছে। তুমি ওর জন্য ফালতু কষ্ট কর মা, ওটা সত্যিই হনুমান, কোনদিন মানুষ হবে না।"

মা বাইরে এসে বলল, " উফ, এই হনুকে নিয়ে আর পারি না। স্কুল থেকে ফিরেই গাছে উঠে গেল। নেমে আয় বলছি।"

রিয়া পাশ থেকে বলল " ওর স্কুল থেকে ফিরেই গাছে ওঠা বন্ধ করার একটা উপায় আছে জেঠি। স্কুল থেকে ফেরার পর আমাদের ব্যাগ গুছিয়ে তুলে রাখা থেকে জুতো খুলে দেওয়া সব ওর ডেইলি কাজের অংশ করে দেওয়া। ও যদি সেটা না করে গাছে গিয়ে ওঠে তাহলে আমরা ঘরে সেই সময় স্কুল জুতো পরেই ঘুরব। আর ও যখন গাছ থেকে নেমে ঘরে ঢুকবে তখন ও আমাদের জুতো খোলার সাথে সাথে ওর জন্য নোংরা হওয়া ঘরের মেঝেও মুছবে। সাথে আমাদের চড় লাথিও খাবে বেশি হনুগিরি করার জন্য।"

মা যেন একটু ভেবে বলল, " ভাল প্ল্যান করেছিস। নাহলে ও শুনবে না।"

এবার রিমা বলল, " এই হনু, মায়ের কথা শুনেছিস? এক্ষুনি নিচে নেমে আয়। নাহলে আমরা জুতো পরে ঘরের মেঝেয় ঘুরে বেরাবো আর তুই সেটা মুছতে বাধ্য হবি।"

আমি জানি বোন মুখে বললেও আসলে চায় না আমি এখনি নিচে নামি। ওরা দুই বোনই চায় আমাকে দিয়ে ওদের জুতোর ছাপ পরা ঘরের মেঝে মোছাতে। আর তারপর শাস্তি হিসাবে আমাকে চড় আর লাথি মারতে। তাছাড়া, আসলে আমি তো আর নিজের ইচ্ছায় গাছে উঠিনি। বোনেরা খাবে বলেই আম পাড়তে উঠেছি। এখন আমি বোনের খাওয়ার জন্য গাছ থেকে আম পাড়বো আর বোনেরস খাবে, আর তার শাস্তি হিসাবে বোনেদের হাতে মার খাব আমি! ভাবতেই ভিশন খুশি হয়ে উঠল আমার মন!

আমি রিমার আদেশ মত আম, জামরুল আর কাঁঠাল পারলাম। ঘরে ঢুকে ওদের কাছে শুনে আম কেটে দিলাম ওদের খাওয়ার জন্য। ততক্ষনে ওরা দুটো ঘরের মেঝে কাদায় ভরা জুতো পরা পায়ে মাড়িয়ে কাদায় ভরিয়ে ফেলছে। এমনকি মেঝেতে পাতা আমার বিছানা বালিশ পর্যন্ত ওদের জুতোর তলায় মাড়িয়েছে রিয়া আর রিমা। 

আমি পাশের ঘর থেকে ঘর মোছার বালতি আর ন্যাকড়া এনে ঘর মুছতে যাব, রিয়া আদেশ করল আগে ওদের জুতো খুলে দিতে। 

আজ দুই বোনের পায়েই সাদা স্নিকার পরা। আমি সোফায় বসা দুই বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। প্রথমে রিমা আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল " এটা কিসের শাস্তি বলত?"

আমি বললাম " স্কুল থেকে ফিরে কাজ না করে গাছে ওঠার জন্য।"

এবার রিয়া আমাকে থাপ্পর মেরে বলল " আর তুই গাছে উঠেছিলি কেন?"

" রিমার আদেশে ফল পারতে", আমি বললাম।

" হু, তুই আদেশ মানলেও শাস্তি পাবি, না মানলেও পাবি। কারন তুই একটা হনুমান। আর রোজ দুই বেলা মার না খেলে হনুমানদের ল্যাজ খসে না।" এই বলে হো হো করে হাসতে লাগল রিয়া।

হাসি থামিয়ে রিয়া আমার মুখে দুই পায়ে দুটো লাথি মারল। ওর দেখা দেখি রিমাও একইভাবে দুটো লাথি মারল, কিন্তু তার একটা আমার নাকে সরাসরি লাগায় বেশ লাগল।

এরপরে আমি ওদের দুই বোনের জুতো একে একে খুলে দিলাম। প্রথমে রিমার জুতো আর মোজা খুলে পা ধুয়ে পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম। এরপরে রিয়ার জুতো মোজা খুলে পা ধুয়ে একইভাবে চটি পরিয়ে দিলাম। ওরা টিভি দেখতে দেখতে আমার পাড়া আম খেতে লাগল। আর আমি ওদের আম পেড়ে দেওয়ার অপরাধে ওদের জুতোর ছাপ পরা মেঝে মুছতে লাগলাম।

ঠিক তখনই কাকিমা ঘরে ঢুকল। আর আমাদের এই অবস্থায় দেখে বুঝতে বাকি রইল না যে দুই বোন ইচ্ছা করে ঘরের মেঝেয় জুতো পরে ঘুরে এখন আমাকে দিয়ে মেঝে মোছাচ্ছে!

কাকিমা বলল, " ওরে হিমু, তোকে হনু না বলে গাধা বলা উচিত। দুই বোন তোকে বোকা বানিয়ে যা খুশি কাজ করায় আর তুই খুশি মনে করিস।"

মা তখন ঘরে এসে বলল যে আমি স্কুল থেকে ফিরেই গাছে উঠেছিলাম, এটা তার শাস্তি।

কাকিমা বোনেদের দিকে তাকিয়ে বলল, " ওরা যে আম খাচ্ছে সেটা কে পারল তবে? ঘরে তো আর আম ছিল না।" 

রিমা বলল " দাদাই পেরেছে আজ। আমিই পারতে বলেছিলাম।"

" বাহ, হিমু তোদের জন্য স্কুল থেকে ফিরেই আম পাড়তে উঠবে। আর তার শাস্তি তোরাই উল্টে ওকে দিবি। কি বিচার! আর দিদি, তোকে যে এই দুই বিচ্ছু বোন যা খুশি বোঝায় তুই বুঝতে পারিস না?"

মা বলল, " হিমুই যদি কিছু না বলে সব মেনে নেয় তো কি করে বুঝব? ও তো বলতেই পারত ওকে বোন আম পাড়তে বলেছে। তাহলে তো আমি শাস্তি ওকে না দিয়ে রিমিকে দিতাম।"

এটা শুনে আমার খুব খারাপ লাগল। আমার অত্ত সুন্দর মিষ্টি বোন রিমিকে মা শাস্তি দেবে শুনলে তো কষ্ট হবারই কথা! আমি মা কে বললাম রিমি আম খেতে চেয়েছে একটু, তাতে ওকে শাস্তি দেবে কেন মা? আর ঘর আমি মুছে দিচ্ছি এমনিই, স্নান করার আগে এটা কোন সমস্যাই না।"

কাকিমার চোখ এবার গেল আমার পিছন থেকে লেজের মত বেড়িয়ে থাকা দড়িটায়। "এইটা কি?" কাকিমা দড়িটার দিকে আঙুল তুলে বলল।

"ওটা হনুর লেজ", রিয়া পাশ থেকে ফোরন কাটল। 

" তুই চুপ কর। হিমু বল।"

আমি বললাম " আমার বেল্টটা হারিয়ে ফেলেছি। তাই দড়ি বেধেছি বেল্টের জায়গায়।"

মা তখন নিজে থেকেই কাল আমি স্কুলে কিভাবে বেল্ট হারিয়ে এসেছি বলল।

কাকিমা অবিশ্বাসের সুরে বলল, " বেল্ট তো কোমর থেকে খুলে পরে যায় না, গেল কোথায়।?" 

তারপর একটু ভেবে বলল, " আমার কিরকম সন্দেহ হচ্ছে।" এইবলে সোজা রিয়ার ব্যাগ খুলে ওর ব্যাগ থেকে আমার বেল্টটা বার করে আনল। 

" আমি জানতাম এটা তুইই লুকিয়েছিস। হিমু বেচারাকে ভাল ছেলে পেয়ে তোরা দুই বোন বড্ড অত্যাচার করছিস ওর উপরে।" 

রিয়া আম খেতে খেতে উত্তর দিল, " যার উপর করছি সে যদি খুশি মনে সেটা মেনে নেয় সেটাকে অত্যাচার বলে না।"

কাকিমা একটু রাগ দেখিয়ে বলল, " তুই বেশি কথা শিখে গিয়েছিস রিয়া।"

তখন মা বলল, " আরে, এত রাগ করছিস কেন তুলি? দুই বোন নাহয় দাদার সাথে একটু মজাই করে, তাতে কি হয়েছে? আমরাও ছোটবেলায় এভাবে আমাদের জেঠার ছেলেকে নিয়ে মজা করতাম ভুলে গিয়েছিস তুই? মেয়েরা বাচ্চা বয়সে বড় দাদাদের সাথে এরকম একটু আধটু করে। তাতে ছেলেরা তেমন কিছু মনে করে না।" 

" না রে দিদি, হিমুর উপরে ওরা তেমন অল্প সল্প না, অনেক বেশিই অত্যাচার করে। কিন্তু হিমু তাও কিছু বলে না কেন সেটাই আশ্চর্যের। এই রিয়া, হিমুর বেল্ট তোর ব্যাগে গেল কি করে বল তো?"

এবার রিয়া ইতস্তত করতে লাগল। স্কুলে সবার সামনে ও আমার বেল্ট সহ প্যান্ট খুলে সেটা নিয়ে বাড়ি চলে এসেছে আমাকে স্কুলে লেংটু করে রেখে, এটা বললে যে ও ভিশন বকা খাবে সেটা নিশ্চিত।

রিয়ার কাছে উত্তর না পেয়ে কাকিমা আমাকে জিজ্ঞাস করল। আমি বললাম, "আমি জানি না, আজ সকালে উঠে বেল্ট টা পেলাম না।"

মা তখন বলল, " কই, কাল স্কুল থেকে ফেরার পরেই তো রিমি বলল, " তুই বেল্ট হারিয়ে এসেছিস।"

এবার কি বলব আমার মাথায় আসল না আর। তখন কাকিমা আমার মুখের দিকে চেয়ে বলল, " আর তোর মুখে এত কাদা লাগা কেন?" 

" হনুমানের মুখে কাদা লেগে থাকবে না তো কি মেক-আপ লেগে থাকবে? তুমিও না মা, উল্টো পাল্টা কোশ্চেন কর শুধু।" রিয়া ওর মাকে থামাতে চেষ্টা করল।

"তুই চুপ কর রিয়া, দেখে তো মনে হচ্ছে জুতোর ছাপ। তোরা লাথি মেরেছিস নাকি ওর মুখে?"

" না কাকিমা, পা পিছলে ঘরের মেঝেয় পরে গিয়েছিলাম। গালটা মেঝেতে লেগেছিল, আর মেঝেতে বোনেদের জুতোর ছাপ পরেছিল, তাই লেগে গিয়েছে হয়ত মুখে।"আমি পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করি।

" ঠিক আছে, তুই যা করছিস কর এখন। তবে হিমু, তুই মনে রাখিস তোর সাথে দুই বোন কখনো খারাপ ব্যাবহার করছে মনে করলে আমাকে বলবি। বিশেষ করে এই রিয়াটা। ওটাকে কি করে সোজা করতে হয় আমি দেখব তারপর।"

আমি এবার কাকিমার পায়ের হাটুর একটু নিচে হাত রেখে পা জড়িয়ে ধরে বললাম, " প্লিজ কাকিমা, এরকম বলো না। রিয়া আর রিমা দুজনেই খুব ভাল মেয়ে। আমার সাথে মাঝে সাঝে সামান্য মজা করা হয়ত, এর বেশি কিছু না। প্লিজ তুমি এভাবে বলো না।" আসলে কাকিমা রিয়াকে শাস্তি দিতে পারে ভেবে আমি খুব ভয় পেয়ে গুয়েছিলাম।

আমার কাতর অনুরোধে কাকিমা প্রায় পুরো ঠান্ডা হয়ে গেল। বলল, " আচ্ছা বাবা। তোর খারাপ লাগে না যখন তখন আমি আর কিছু বলব না। তোরা তিন ভাই বোনে যা খুশি কর। আমি আর মাথা ঘামাব না। শুধু তোর কখনো খারাপ লাগলে বলিস। নে, আমায় ছাড় এবার।" 

আমি ছেড়ে দিতে কাকিমা নিজের ঘরে চলে গেল। আর আমি আবার ঘর মুছতে লাগলাম। রিমা রিয়াকে একবার খোঁচা দিল, তারপর দুজনে একটু ফিস ফিস করে কি কথা বলল। তারপর আমার দিকে হাসি মুখে চেয়ে রিয়া চোখ মারল। আমি বুঝতে পারলাম আমার কথা- ব্যাবহারে ও খুব খুশি।

আমার ঘর মোছা হতে রিমা বলল " এই হনু, এবার চল আমরা ঘোড়া ঘোড়া খেলি।"

এটা নতুন কিছু না। আমি ঘোড়া সাজলাম আর রিমা মালিক সেজে আমার পিঠে চড়ল। কিন্তু পিঠে উঠেই ও আমার চোখ বেঁধে দিল একটা গামছা দিয়ে। 

" নে, চল ঘোড়া, সামনের ঘর হয়ে বারান্দা দিয়ে উঠোনে চল।"

আমি স্বাভাবিক গতিতে এগনোর চেষ্টা করলাম চোখ বাধা অবস্থাতেই। আর কয়েক পা এগোতেই আমার মাথা দেওয়ালে খুব জোর ঠুকে গেল। বেশ লেগেছে কপালে! আর আমার দুর্গতি দেখে দুই বোন এক সাথে হো হো করে হাসতে লাগল। বোন ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার ডান গালে একটা আলতো করে লাথি মেরে বলল, " তুই হনু থেকে ঘোড়া হয়েছিস, অন্ধ না। দেখে চল।" ওদিকে আমার চোখ বাঁধা গামছার অপর প্রান্ত তখন বোনের হাতে ধরা!!

Monday, 1 July 2019

অঙ্কিতা...

অঙ্কিতা...

ছোট থেকে অয়নের স্বপ্ন ছিল সে চ্যাম্পিয়ান রানার হবে, দেশের হয়ে পদক জিতবে। সে আন্ডার ১৬ তে ন্যাশনাল ইভেন্টে গোল্ড পায়। কিন্তু পরে চোট পেয়ে তার স্বপ্ন সফল করতে পারে না। পরে সে ফিজিক্যাল এজুকেশানের টিচার হয়ে একটা কোয়েড স্কুলে চাকরি পায়। তার স্বপ্ন হয় নিজে না পারা স্বপ্ন কোন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে দিয়ে পুরন করবে।
তিন বছর চাকরী করার পর সে খুঁজে পায় তাকে যার মধ্যে সে সেই সম্ভাবনা দেখতে পায়। ক্লাস ৫ এ পড়া বাচ্চা মেয়ে অঙ্কিতা। গরীব ঘরের রোগা, অপুষ্টিতে ভোগা মাঝারী বর্নের মেয়েটাকে দৌড়াতে দেখেই সে বোঝে তার চেয়ে প্রায় ১৮ বছরের ছোট এই মেয়েই পারে তার স্বপ্ন সফল করতে।
মেয়েটি মা মরা, বাবা মাতাল, সৎ মা তাকে সহ্য করতে পারে না। ক্রমে তার একের পর এক সব দায়িত্ব অয়ন নিজের কাঁধে তুলে নিতে থাকে। তার খাওয়া, তার পোষাক। তার দৌড়ানোর দামী জুতো, পোষাক, দামী সাপ্লিমেন্ট সব নিজের মাইনের টাকায় সে কিনে দিতে থাকে। প্রাক্টিশের পর রোজই অঙ্কিতা ক্লান্ত হয়ে পরত। তখন মাঠের উঁচু পাঁচিলে তাকে বসিয়ে তার রানিং শু পরা পা দুটো নিজের কাঁধে রেখে সবার সামনেই অন্তত ৩০ মিনিট ধরে টিপে দিত অয়ন।
এরপর একসাথে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রথমে তার জন্য টিফিন রেডি করত। তারপর তাকে খেতে দিয়ে তার জুতো মোজা খুলে তার পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিত। তারপর আবার অঙ্কিতার চটি পরা পা দুটো কোলে তুলে নিয়ে সে আরো ঘন্টা খানেক তার পা টিপে যেত যাতে তার পায়ের ক্লান্তি কেটে যায়। ক্লাস ৬ এ পড়ার সময় থেকেই এইভাবে স্যারের সেবা নিতে অভ্যস্ত হয়ে পরেছিল অঙ্কিতা।
এতে আর সে অস্বস্তি বোধ করত না। স্যারের বাড়িতেই বেশিরভাগ রাতও কাটাত সে। সে চাইলেও স্যার তাকে কোন কাজ করতে দিত না। প্রাক্টিশের বাইরে অঙ্কিতার যাতে কোন পরিশ্রম না হয় সেদিকে অয়নের কড়া নজর থাকত।
অঙ্কিতা এতে খুবই অভ্যস্ত হয়ে পরেছিল আস্তে আস্তে। এতটাই যে এতে তার অস্বস্তি হওয়া তো দূর, সে বেশ হাসিমুখেই দরকার মত স্যারকে দিয়ে কাজ করাত হুকুম করে। এক বোতল জল দরকার হলেও সে নিজে না নিয়ে তার আশ্রয়দাতা স্যারকেই হুকুম করত জল দিতে। নিজের জামা কাচা, জুতো পরিস্কার, পা থেকে জুতো খোলা সবই সে স্যারের উপর চাপিয়ে দিয়েছিল। এমনকি সে যখন পড়ার টেবিলে বসে পড়ত, তখন স্যারকে নিজের পায়ের তলায় শুইয়ে পাও টিপিয়ে নিত অঙ্কিতা। স্যার মেঝেতে শুত টেবিলের নিচে আর সে নিজের চটি পরা পা দুটো স্যারের বুকে বা মুখে তুলে দিত। স্যার তার পা টিপে দিত আর সে টেবিলে বসে পড়ত।
এইভাবে স্যারের মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে স্যারকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে পড়া খুবই উপভোগ করত অংকিতা। পড়তে পড়তে সে নিজের চটির তলা স্যারের সারা মুখে ঘসত। স্যারের নাক, গাল, কপাল, ঠোঁট সব নিজের চটি পরা দুই পায়ের তলা দিয়ে ঘসে খেলত অংকিতা। স্যার তাতে আরো খুশি হয়ে আরো ভক্তিভরে তার দুই পা টিপে দিত। স্যারের ভাব দেখে অংকিতার মনে হত যেন স্যার তার চাকর আর সেই স্যারের মনিব, প্রভু। তার দয়ার উপর নির্ভর করে স্যার বেঁচে আছে।
সে শুধু ঘরের চটি পরা পাই স্যারের মুখে রাখত তাই না। ক্লাস ৭ এ ওঠার পর একদিন প্রাক্টিশ থেকে বাড়ি ফেরার পরে স্যার তার স্নিকার পরা পা দুটো কোলে তুলে টিপে দিচ্ছিল। হঠাত অংকিতা নিজেই স্যারকে হুকুম করল তার পায়ের তলায় শুয়ে পরতে। তার স্যার অয়ন তার আদেশে সাথে সাথে তার পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরল। অংকিতা হাসিমুখে নিজের সাদা স্নিকার পরা পা দুটো স্যারের মুখের উপরে তুলে দিয়ে স্যারের মুখের উপরে নিজের জুতোর তলার ময়লা ঘসে মুছতে লাগল। স্যার বিনা আপত্তিতে তার ছাত্রীকে নিজের মুখটা পাপোষের মত ব্যাবহার করতে দিল। অংকিতার ভিশন ভাল লাগছিল এইভাবে স্যারকে ডমিনেট করতে। সে একটু পরে জুতো পরা ডান পায়ে স্যারের নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল,  " আমার পা টিপে দে এবার।" তার ছাত্রী এইভাবে তাকে ডমিনেট করায়,  তাকে তুই বলে সম্বোধন করায় অয়ন খুবই খুশি হয়েছিল। সে ভিশন ভক্তিভরে ওর মুখের উপরে রাখা  নিজের ছাত্রীর পা দুটো টিপে দিতে লাগল।
৩০ মিনিট এইভাবে স্যারকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে স্যারের মুখটাকে পাপোষের মত ইউজ করল অংকিতা। জুতো পরা দুই পায়ে প্রায় ২০ টা লাথি মারল স্যারের মুখে। এরপর জুতো পরা পায়ে স্যারের মুখের উপরে উঠে প্রায় ১ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল।  তারপর স্যারের মুখটা জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে পাশের ঘরে চলে গেল।
এরপর থেকে রোজই এইভাবে স্যারকে ডমিনেট করা শুরু করল অংকিতা। এতে সে যেমন মজা পেত, স্যারও যে এতে খুব খুশি হয় সেটাও বুঝত অংকিতা। শুধু চটি বা স্নিকার পরা পায়ে না, মেটাল স্পাইক পরা রানিং শু পরা পা স্যারের মুখে রেখে স্যারকে দিয়ে পা টেপাত সে মাঝে মাঝেই। সেই রানিং শু পরা পায়ে স্যারের মুখে লাথিও মারত অংকিতা, উঠে দাঁড়িয়ে পরত স্যারের মুখে। নেমে দাঁড়িয়ে সে অবাক হয়ে দেখত স্যারের মুখে মেটাল স্পাইক বসে গিয়ে দাগ তৈরি হয়েছে। স্যার এই তীব্র ব্যাথা হাসিমুখে সহ্য করত তো বটেই উলটে অংকিতার রানিং শু পরা পায়ে চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিত ওর উপরে অত্যাচার করার জন্য। এমনকি তার স্নিকার, রানিং শু, কিটো, চটি সবই স্যার ক্রমে জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দেওয়া শুরু করল, এমনকি কাদায় ভরা জুতোর তলাও স্যার জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দিত। তার প্রতি স্যারের এই প্রবল ভক্তি অংকিতাকে খুব খুশি করত। সে যত জোরে জোরে স্যারের মুখে লাথি মারত স্যার তত আরো বেশি তার সেবায় সঁপে দিত নিজেকে।
 এমনকি স্কুল মাঠে দৌড় প্রাক্টিশ শেষে যখন স্যার যখন পাঁচিলে বসা অংকিতার রানিং শু পরা পা দুটো কাঁধে নিয়ে টিপে দিত তখন প্রায় রোজই অংকিতা একটা জুতো পরা পা তুলে দিত স্যারের মাথার উপরে, সেই ক্লাস ৭ এ পড়ার সময় থেকেই। এ নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করত বটে, কিন্তু কখনো কোন সমস্যা হয়নি ওদের কারো। আসলে স্যার যে শুধু তাকে একজন সফল ক্রীড়াবিদ হিসাবে দেখতে চায়, আর তার জন্যই তার এত সেবা করে এটা সবাই জানত। আর এটাও সবাই জানত তার মধ্যে দেশকে আন্তর্জাতিক পদক এনে দেওয়ার সম্ভবনা আছে। আর কে না চায় তার স্কুলের একটা মেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় পদক পেয়ে দেশ ও স্কুলের নাম উজ্জ্বল করুক? সেই সুযোগে সে ক্রমে মাঠে পা টেপানোর সময়ে বিভন্ন অজুহাতে স্যারের বুকে বা মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারাও শুরু করল। স্যার এতে তার মতই খুশি হত সবার সামনে তার কাছে অপমানিত হতে পেরে।
তবে আসল লক্ষ্য থেকে তার মন সরে নি। সেও স্কুলে পড়ার সময়ে ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ান হল বিভিন্ন এজের ক্যাটেগরিতে। ছোট খাট চোট পেলেও স্যার সবসময় তাকে বেস্ট জায়গায় নিয়ে গিয়ে অনেক খরচ করে ট্রিটমেন্ট করাত। যেদিন অঙ্কিতা এশিয়ান গেমসে ২০০ মিটারে গোল্ড জিতল সেদিন আনন্দের চোটে সে জীবনে প্রথমবার স্যারকে জড়িয়ে ধরতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই কয়েকশো টিভি ক্যামেরার সামনে সবাইকে অবাক করে দিয়ে তার রানিং শু পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল তার স্যার অয়ন। এই কাজ স্যার এর আগে বিভিন্ন ইভেন্টে বহুবার করেছে সবার সামনেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক ইভেন্টে সে এটা আশা করেনি। তবে স্যারের তার প্রতি এই ভক্তি তাকে খুব খুশি করেছিল। সেও জবাবে অন্য ইভেন্টের মতই স্যারের মাথায় নিজের রানিং শু পরা ডান পা রেখে স্যারকে আশির্বাদ করল মিডিয়ার ক্যামেরার সামনেই।
স্যারের এই অদ্ভুত আচরনের কারন মিডিয়া তার কাছে জানতে চাইলে অঙ্কিতা বলল, " আপনারা ন্যাশনাল লেভেলের এথলেটিক্সের খোঁজ রাখলে আজ আর অবাক হতেন না। স্যার সেই স্কুলে আমি ক্লাস ৫ এ পড়ার সময় থেকেই আমি কোন ইভেন্টে গোল্ড পেলে এইভাবেই আমার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে আমাকে কৃতজ্ঞতা জানায়। স্যারের অপুর্ন স্বপ্ন সফল করার জন্য।"

সাবমিসিভনেস বা ফুট ফেটিশের কারন!

সাবমিসিভনেস বা ফেটিশিজম সম্পর্কে বর্তমান বিজ্ঞান ও সাইকোলজিস্টদের প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গী ( DSM-5) নিয়ে আগে একবার ছোট একটি পোস্ট করেছিলাম। আজ পোস্ট করছি এই সম্পর্কে আমার মত নিয়ে। সাবমিসিভনেস বা ফেটিসিজমকে একটু গভীরে গিয়ে বুঝতে হলে আমাদের বোঝা দরকার basic human need গুলো ঠিক কি কি? একদম শৈশবে খাদ্য ও নিরাপত্তার পাশাপাশি দরকার হয় প্রাপ্তবয়স্কদের যত্ন বা কেয়ার। এরপরে কৈশোর বা যৌবনে গিয়ে বংশবৃদ্ধির প্রয়োজনে আসে যৌনতা। সাথে দরকার হয় অন্যান্য মানুষের সাথে সম্পর্ক বা কানেকশান। মানুষ শারীরিক ভাবে খুবই দূর্বল প্রাণী। একার জোরে সে প্রকৃতিতে অন্যান্য শক্তিশালী প্রাণীদের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারত না। প্রজাতিগত ভাবে তাদের দরকার ছিল দলবদ্ধভাবে এক হয়ে থাকা ও নিজের সবচেয়ে বড় অস্ত্র মস্তিস্কের ব্যাবহার করা, আর এক প্রজন্মে সঞ্চিত জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চালন করা। কিন্তু এর জন্য দরকার ছিল ভাষা। যা আজ থেকে ১.৫ থেকে ২ লক্ষ বছর আগে আধুনিক মানুষের উতপত্তির সাথে সাথেই ক্রমে বিকশিত হতে থাকে। এর আগে আদিম মানব অন্যান্য পশুদের ডাকের মতই কিছু শব্দ করে মনের ভাব প্রকাশ করত। আর সেই সাথে ছিল স্পর্শ বা টাচ। সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীরাই স্পর্শের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করে থাকে। স্পর্শের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ ও অন্য প্রাণীদের সাথে কানেক্ট করার ব্যাপারটা আমাদের পূর্বপুরুষেরা কয়েক লক্ষ বছর ধরে করে আসছে। আজ আমরা কাউকে স্পর্শ করা মানেই যৌন আচরন ধরে নিই। আদপে ব্যাপারটা তা নয়। স্পর্শ করার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ, emotional connection ইত্যাদি আমাদের DNA তে বহু লক্ষ বছর ধরে বিবর্তিত হয়ে আসছে। যা evolutionary ভাবে যত প্রাচীন, তার গভীরতাও তত বেশি। তাই আমাদের touch craving ও যৌনতার মত অতি আদিম এক প্রয়োজনীয়তা। এই স্পর্শ যৌনতার অংশ হতেও পারে, আবার নাও পারে। টাচ করে আমাদের ইমোশনাল ফিল গুড হয়। সেই জন্যই লোকে বিড়াল, কুকুর ইত্যাদি পুষলে তাদের ফিজিকালি টাচ করে, আর এতে পোষ্যের প্রতি তাদের গভীর ইমোশনাল কানেকশান ও ভালবাসা তৈরি হয়। এটা সমাজে খুব গ্রহণযোগ্য। কিন্তু মানুষ ও মানুষের টাচের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তা নয়। বিশেষ করে পুরুষ মানুষের টাচের ক্ষেত্রে। মেয়েদের অন্য মেয়েকে জড়িয়ে ধরা কিছুটা গ্রহণযোগ্য। মেয়েরা দূর্বল, ইমোশনাল প্রাণী! তাই এই অবলারা এসব করতে পারে। তাই বলে পুরুষ হয়ে অন্য পুরুষকে টাচ করা? মানে ব্যাটা gay, বা ব্যাটার মধ্যে অন্য ঘোরতর সমস্যা আছে। পুরুষের স্পর্শ মানেই যৌনতা! সে পুরুষকেই করুক আর নারীকে! পুরুষ হয়ে পুরুষকে টাচ করা সম্পর্কেই যেখানে এরকম মত সেখানে নারীকে টাচ করার কথা নাই বলা ভাল। যৌনতার সম্পর্কে বউ বা সেরকম কাউকে যৌন প্রয়োজন ব্যাতীত টাচ করা একদমই নিষিদ্ধ ব্যাপার! মেয়েরা যেখানে অন্য মেয়েদের সহজেই জড়িয়ে ধরতে পারে। একজন মা প্রকাশ্যে তার ১০ বছরের বাচ্চা ছেলেকে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু খেতে পারে। কিন্তু একজন ছেলে এইভাবে তার বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলে বা বাবা তার মেয়েকে প্রকাশ্যে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরে গালে চুম্বন করলে সমাজ কি চোখে দেখবে তা সহজেই অনুমেয়। এই ব্যাপারে শুধু আমাদের মত ৩য় বিশ্বের দেশ শুধু না, পশ্চিমারাও একই রকম গোড়া! তারা যৌনতা জিনিসটা ভালই বোঝে, প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই বোঝে সম্ভবত। কিন্তু টাচের মত বেসিক ক্রেভিং তাদের সমাজেও নিষিদ্ধ। পুরুষের এই বেসিক নেসেসিটি মেটানোর একমাত্র জায়গা হল যৌন সম্পর্ক আর পোষ্য কুকুর! এখনও অব্ধি মানুষের দুই অতি প্রয়োজনীয় জিনিসের উল্লেখ করলাম, যৌনতা ও স্পর্শ। এগুলো দেশ- কাল- সামাজিক গঠন নির্বিশেষে মানুষের দরকার। সেরকম আরো এক আদিম প্রবৃত্তি হচ্ছে সাবমিশান ও ডমিনেশান। যদিও এটি দেশ কাল সমাজ নির্বিশেষে আবশ্যিক নয়। সমাজের গঠনে যত ভেদাভেদ থাকবে, তত এর প্রভাব বাড়বে। আবার যদি সমাজে খাদ্য - নিরাপত্তা সহ সকল বেসিক নেসেসিটি যথেষ্ট বেশি থাকে ও সমাজে ভেদাভেদ অতি কম থাকে তাহলে এর গুরুত্বও নগন্য হওয়ার কথা। প্রাচীন যুগের দুটি আলাদা সমাজের উল্লেখ করে বোঝা যাক। ধরব যাক আজ থেকে ৫ হাজার বছর আগের এক মানব সমাজ। সেখানে এক গোষ্ঠীতে ২০ জন নারী ও ২০ জন পুরুষ আছে। তাদের অধীনের জমিতে যা ফসল হয় তা তাদের প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। এই পরিবেশে যদি সবাই সেফ ও well connected feel করে হতেই পারে সেই সমাজে সবার অধিকার কাছাকাছি ছিল, কেউ কাউকে ডমিনেট করত না। সেখানে সমাজে কারো জীবনে সাবমিসিভনেসের গুরুত্ব কম। আবার ধরা যাক এমন এক প্রাচীন গোষ্ঠী যেখানে ২০ জন নারী ও ২০ জন পুরুষ আছে। এদের মধ্যে ১০ জন নারী ও পুরুষ reproductive age এর আশেপাশের। আবার এই সমাজে অনেক সময় খাদ্য ইত্যাদির অভাব হয়। স্বাভাবিকভাবেই এখানে গোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিযোগিতা দেখা দেবে খাদ্যের জন্য। খাদ্যের পাশাপাশি যৌনতার জন্য প্রতিযোগিতাও স্বাভাবিক, বিশেষত পুরুষদের মধ্যে। এই ১০ জন পুরুষের মধ্যে এক জনই এই ১০ নারীকে গর্ভবতী করার জন্য যথেষ্ট। আবার মেয়েদের মধ্যেও প্রাকৃতিক কারনে সবচেয়ে আকর্ষক বা ফিট পুরুষটির সাথে যৌনতা করার ইচ্ছা প্রকাশ পায়, যাতে তার সন্তানেরা সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ জিন পায় ও ফিট হয়ে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারে। এর ফলে ওই ১০ জন মেয়ের সবারই ১-২ বা ৩ জন পুরুষের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষন হওয়ার কথা। আবার এই পুরুষরাই সম্ভবত সবচেয়ে ফিট। তাই মেয়েদের সমর্থনে তাদের বাকি পুরুষদের ডমিনেট করা খুবই স্বাভাবিক। ফলে ৪০ জনের গ্রুপে এই ১০ জন মেয়ে ও ২ জন ছেলে সবচেয়ে ভাল খাদ্য সবার আগে খাবে। মেয়েদের সাথে যৌনতা শুধু এই ২ জনই করবে। বাকি পুরুষরা এর বিরোধীতা করলে এদের সাথে লড়তে হবে, যা রিস্কি! জিতলে সে আলফা মেলের জায়গা পেতে পারে বটে, তবে তার চান্স খুবই কম। আর সে এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে বিনা যৌনতায় ও সবচেয়ে খারাপ মানের ও কম পরিমানের খাদ্য খেয়ে গোষ্ঠীর জন্য মন প্রান দিয়ে খাটতে রাজি হলে আলফারা নিজেদের স্বার্থেই এদের আক্রমন করবে না বা গ্রুপ থেকে তাড়িয়ে দেবে না। এখানে আলফার স্বার্থ পরিষ্কার। আর বিটা মেলের স্বার্থ হল স্রেফ বেঁচে থাকা! এই হল সাবমিসিভনেসের মূল কথা। যেখানে কম ফিট প্রাণী মূলত টিকে থাকার স্বার্থে ডমিনেটিং কারো কাছে সাবমিট করে। আর ডমিনেটিং আল্ফা ডমিনেট করে তার নিজের স্বার্থে, ভাল খাদ্য বিনা বা কম পরিশ্রমে পাওয়ার জন্য ও অবাধ যৌনতা লাভের জন্য। ক্রমে সমাজে এই ১-২ জন আলফা মেল বিটাদের পরিশ্রমে উতপন্ন খাদ্য খায় ও প্রানভরে মেয়েদের দেহ ভোগ করে। তারা হয়ে ওঠে ডমিনেটিং আলফা। আর যারা শুধু বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সাবমিট করে টিকে থাকে আলফাদের হাতে শ্রেষ্ঠ খাদ্য তুলে দিয়ে আর আলফাদের যৌনতা ভোগ করতে দেখে তার হয় সাবমিসিভ বিটা। এইভাবে উতপত্তি হয় সাবমিসিভ- ডমিনেন্ট স্কেলের। তিনটে আলাদা অতি প্রয়োজনীয় জৈবিক চাহিদার কথা বললাম এখনো, যৌনতা, স্পর্শ ও সাবমিশান-ডমিনেশান। এগুলো প্রতিটা আলাদা ও পরস্পর ভিন্ন। তিনটে আলাদা মাত্রার মত। অনেকটা ত্রিমাত্রিক স্থানে x-y-z axis দিয়ে আঁকা মানচিত্রের মত। কারো গতি ত্রিমাত্রিক স্থানে যেমন শুধু এক অক্ষ বরাবর, দুই অক্ষ বরাবর, বা তিন অক্ষ বরাবরই হতে পারে। তেমনই মানুষের কোন আচরন এই তিন আদিম চাহিদার একটি, দুটি বা তিনটির যেকোন ১,২ বা ৩ টিরই ফল হতে পারে। যেমন ধরা যাক যৌনতা। এখানে শুধু যোনিতে পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে বীর্যস্খলনই যথেস্ট। তবুও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরুষ নারীকে বহু সময় ধরে সারা দেহে হাত ও মুখ দিয়ে স্পর্শ করে নানাভাবে "ভোগ" করে। অর্থাৎ সে এক আদিম প্রবৃত্তি যৌনতার সাথে সাথেই আরেক চাহিদা স্পর্শকেও যতটা সম্ভব পুরন করে নেয়। তেমনই স্পর্শের প্রয়োজনে বহু সময় ধরে একজন পুরুষ একজন নারীর দেহ ইচ্ছামত স্পর্শ করতে থাকলে তার আরেক আদিম প্রবৃত্তি যৌনতা সহজেই জেগে উঠতে পারে। বিভিন্ন জটিল কারনে যৌনতা ট্যাবু হয়ে যাওয়ার পরে এই কারনেই সমাজ এক সময়ে পুরুষকে স্পর্শের প্রয়োজনে সামান্যও নারী দেহ স্পর্শ করার অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে সম্ভবত। এবারে আসা যাক সাবমিশান অক্ষে। কারো সাবমিসিভ আচরন শুধুই সাবমিশান হতে পারে। সে ফসল ফলাচ্ছে, ডমিনেটিং আলফাকে সব দিয়ে দিচ্ছে। তার চোখের সামনে আলফা সেক্স করছে। এতে মুশকিল হল বিটার বেঁচে থাকতে এতে সমস্যা নাহলেও তার দুই আদি প্রবৃত্তি যৌনতা ও স্পর্শের একটিও এর মাধ্যমে পুর্নতা পাচ্ছে না। ফলে বিটার পক্ষে এই জিনিস সহ্য করে টিকে থাকতে গেলে তার জীবনে খুব স্ট্রেসের সৃষ্টি হবে। এই সাবমিশান সেক্সের সাথে যুক্ত হতে পারে। এর আদর্শ উদাহরন কয়েকশো বছর আগের আদর্শ গৃহবধুর কন্সেপ্ট। মেয়েটি স্বামীর কথায় উঠবে বসবে। স্বামী গায়ে হাত তুললেও তা নিয়ে সে প্রশ্ন তুলবে না। স্বামী তাকে পেটালেও সে মাথা নিচু করে সব সহ্য করে স্বামীকে প্রনাম করে ভাত বেড়ে দেবে। আর খাওয়ার পরে স্বামীকে নিজের দেহ ভোগ করতে দেবে ইচ্ছামত। এখানে সাবমিট করার ফলে গৃহবধুর বেঁচে থাকা সহজ হচ্ছে। সাথে তার যৌন প্রয়োজনীয়তা মিটছে। আবার যৌনতার সময়ে টাচও সে পাচ্ছে স্বামীর থেকেই। ফলে তার জীবনে সাবমিশান- সেক্সের পাশাপাশি কিছুটা টাচ এবং স্বামীর পরিবারের অংশ হওয়ার সুবাদে এক বড় গোষ্ঠীর অংশ হওয়ার আদিম মানসিক শান্তি সে সবই পাচ্ছে। এই সাবমিশান সেক্সের পরিবর্তে মূলত টাচের সাথেও যুক্ত হতে পারে। একজন বিটা পুরুষ, যার যৌনতা করার সুযোগ খুব কম সেটা সে কম বয়সেই নিজের সামাজিক অবস্থান থেকে বুঝে গেছে তার ইচ্ছা পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে। যেখানে তার সামনে আলফা মেল মেয়েদের ভোগ করলেও তার রাগ হয় না। সে আলফা মেল ও তার একাধিক যৌন সংগী নারী সবার পায়ে বা পায়ে পরা জুতোয় চুম্বন করে। আলফা মুখ ঘসে মেয়েটির স্তন আর খোলা বুকে। আর বিটা মুখ ঘসে মেয়েটির পায়ের তলায়। এতে তার স্পর্শের আদিম চাহিদা মেটে। মেটে সাবমিশানের চাহিদাও। এখন এই সাবমিশানের দিকে মূল ফোকাস করলে এটা সাবমিসিভনেস। আর পায়ে মুখ ঘসার দিকে ফোকাস করলে ফুট ফেটিশ। তবে সাবমিসিভের আকর্ষন মেয়েটির পায়ের দিকে হওয়ার একমাত্র কারন হল পা মেয়েটির দেহের সর্বনিম্ন অংগ। আর এখানে মুখ ঘসা মানে যে সে নিজের পরাজয় স্বীকার করছে সেটা মানুষ নয়, পশুও বোঝে। যে কারনে কুকুর তার মনিবের পা চাটে আর পায়ে মাথা ঘসে। বিটা মেল নিজের স্পর্শের সুখ আর সাবমিশান প্রকাশ দুই একসাথে করার জন্যই পায়ে মাথা ঘসে বা জুতো চাটে। পায়ের বদলে জুতো চাটলে স্পর্শের সুখ সামান্য কমলেও সাবমিশান বা হিউমিলিয়েশানের সুখ এতে বাড়ে। এই কাজ সে আলফা মেলের সাথেও করতে পারে বা তার যৌন সংগী মেয়ের সাথে। মেয়েটির সাথে করলে তার স্পর্শ সুখ সামান্য বেশি হবে। যৌনতার সুখও সে সামান্য পেতে পারে এর ফলে, কারন তার sexually hungry body একটা মেয়ের দেহের নিম্নতম অংশকে হলেও সামান্য স্পর্শ করতে পারছে ( যেমন কয়েকদিন না খাওয়া লোকের কাছে বাসী সস্তা খাদ্যও অমৃত মনে হয়!)। আবার যৌনতা রত আলফা মেলের জুতোর তলায় চুম্বনে সে পেতে পারে সাবমিশান, হিউমিলিয়েটিং টাচের মিশ্রণে এক অভুতপূর্ব স্বর্গ সুখ! ডমিনেটিং মেলের কাছে পুরোটাই একদম সোনায় সোহাগা! সে একাধিক নারীর সাথে যেমন খুশি যখন খুশি যৌনতার অধিকার পাওয়ায় তার যৌনতার প্রবৃত্তি সম্পুর্ন মিটছে। আর এরকম যৌনতা মানেই তো নারীর দেহকে যেভাবে খুশি স্পর্শ করারও অধিকার। সেটাও তার পুরন হচ্ছেই। আর একাধিক পুরুষ ও নারী তার কাছে সাবমিট করছে, তার পায়ে পরা জুতোর তলা জিভ দিয়ে চাটছে, তার মুখ দিয়ে অর্ডার বেরনোর আগেই তারা পালন করছে মানে সে তাদের চোখে ভগবানের মত! অর্থাৎ যে কোন প্রয়োজনে তাকে এরা জীবন দিয়ে রক্ষা করবে। আর সে একাধিক নারীদেহ যত খুশি ভোগ করে বহু বাচ্চার জন্ম দেবে! সাবমিসিভ কারা বেশি হয়? নারী না পুরুষ? অবশ্যই নারী। তবে এক্সট্রিম সাবমিসিভ ধরলে বা সাবমিশানের সাথে টাচকে ফেটিশের পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাওয়া বা সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি যোগ করার কথা ধরলে এর উত্তর হবে পুরুষ। মেয়েরা সাবমিসিভ হলে তাকে সে খুব সহজে সামাজিক উপায়ে প্রকাশ করতে পারে। সে নিজের বাবা দাদা স্বামী ছেলের প্রতি সাবমিসিভ হলে তাকে এখনো আদর্শ নারী বলেই ধরা হয়। আর তার স্পর্শ ও যৌনতার চাহিদাও স্বামীর থেকে ( স্পর্শের ক্ষেত্রে অন্যান্য নারী এবং শিশু সন্তানের থেকেও) খুব সহজেই পুরন হয়। তাই সাবমিসিভ নারীকে খুব out of the box কিছু করতে হয় না এই সমাজে। সমাজ প্রতিটা পুরুষের থেকে আশা করে সে আজকের এই অকারনে highly competitive সমাজে সফল ভাবে compete করে top 5-10% স্থান দখল করবে। সেটা যারা পারে না তাদের জীবন সব দিক থেকেই খুব কঠিন। তাদের submissiveness, touch crave, sexual need, কোনকিছুই সহজে প্রকাশ করা বা পুরন করার কোন উপায় সমাজে নেই। সে হয়ত নিম্ন শ্রেণীর একটা চাকরি জোটাল, " yes boss" করে চাকরিতে টিকেও গেল। কিন্তু তার টাচ ক্রেভ আর যৌনতা এভাবে পুরন হয়না। বিয়ে করলেও নয়। কারন তার লো ফিল, সাবমিশিভনেস আর বউয়ের সাথে তার সেক্স ও টাচ দুটো আলাদা জগত যা তার মনে কনফিউশান ক্রিয়েট করে। সে না সুখ পায় বউয়ের সাথে টাচ ও সেক্সে। না সুখ পায় বসের কথায় উঠে বসে। এখানেই সম্ভবত সুচনা হয় কাকোল্ড ও ফেটিশ নামের দুই তথাকথিত ফেটিশের। যখন এই বসের ইচ্ছায় বাস্তবে, বা কল্পনায় সে নিজের বউকে তুলে দেয় বসের হাতে ভোগের জন্য তখন তার এই দুই জগত এক হয়ে যায়। বস সারা সপ্তাহ তার চোখের সামনে অফিসে তার বউকে ভোগ করবে আর সে বসের অনুমতি পেলে মাঝে মধ্যে বউয়ের সাথে করতে পারবে এই অদ্ভুত অবস্থায় তার সাবমিসিভ ফিলিং ও বউয়ের সাথে তার সামান্য টাচ ও সেক্স দুই আলাদা জগত থেকে একই জগতে এসে উপস্থিত হয়। আর ফেটিশ? most common fetish হল female foot fetish! যেখানে বিটা মেল কোন এক নারীর পায়ে নিজের মুখ ঘসে, পা টিপে দেয়। নিজেকে সে মেয়েটির সেবক রূপে কল্পনা করে। তার টাচ ফিলিং পুরন হয় মেয়েটির পায়ের টাচে। মেয়েটির পায়ের সাথে তার মুখের স্পর্শর এই সিম্বল পুরন করে তার সাবমিসিভ চাহিদা। মেয়েটির স্পর্শে তার যৌন চাহিদা সামান্য মেটে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তার নারী দেহের প্রতি আকর্ষন, টাচ ক্রেভিং, আর হেরে যাওয়ার যন্ত্রনা- কোনভাবে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা থেকে সাবমিসিভ ফিলিং, সবগুলো বেসিক নিডই একটাই কাজের ফলে অল্প বা বেশি পুরন হয়- মেয়েটির পায়ে মুখ ঘসা! যাকে চলতি কথায় বলে ফুট ফেটিশ, তার পিছনে এই বেসিক নিডগুলোই কাজ করে। এই ৩ আদিম চাহিদা বিভিন্ন মাত্রায় কাজ করে আমাদের মস্তিস্কে। আমরা যা করি তা এদেরই মিলিত resultant force! আর সেটাকেই আমরা সহজ ভাষায় ফেটিশ বলি !

Monday, 1 April 2019

হ্যালুশিনেশন...

হ্যালুশিনেশন (লেখক: খোকা)।
শ্রাবন মাসের এক শনিবার রাত। বাইরে অবিরাম বৃষ্টি হয়ে চলেছে ভিশন জোরে। আমি ঘরের মেঝেতে হেলান দিয়ে বসে সুখে গাঁজায় টান দিচ্ছি। আজ পরিমানটা অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে বুঝতে পেরেও থামতে ইচ্ছা করছে না। সকাল থেকেই লোডশেডিং। ইনভার্টারে এই ঘরে শুধু একটা ০.৫ ওয়াটের বালব সামান্য আলো ছড়াচ্ছে। আমার নেশায় ঢুলে পরা চোখে দেখছি একবার আলোটা অতি উজ্জ্বল আর আকারে বড় হয়ে উঠে ক্রমে নিভে যাচ্ছে ছোট হয়ে।একটু পরে আবার জ্বলে উঠছে। হ্যালুশিনেশন? অতিরিক্ত গাঁজা খাওয়ার ফলে আমার কি হ্যালুশিনেশন হচ্ছে? নাকি ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েট করছে বলে এরকম হচ্ছে সত্যিই?
ঠক, ঠক ঠক! কেউ কি দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে? নাকি আবার হ্যালুশিনেশন হচ্ছে আমার?
না! ওই তো!! আবার সেই আওয়াজ।
ঠক, ঠক ঠক!
সাথে এবার এক মহিলার মিষ্টি গলাও ভেসে এল। "কেউ আছেন? একটু হেল্প চাই। প্লিজ দরজা খুলুন।"
আমি উঠতে গেলাম। কিন্তু পারলাম না। গাঁজাটা আজ অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে গেছে। আমি উঠে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলাম না। ওদিকে দরজার ঠক ঠক আওয়াজ এতক্ষনে জোর ধাক্কায় পরিনত হয়েছে।
সেই সাথে মহিলার মিষ্টি গলার আওয়াজ আমাকে যেন চুম্বকের মত আকর্ষন করছিল। আমি দুই পায়ে দাঁড়াতে না পেরে চার হাত পায়ে কুকুরের মত সামনের দরজার দিকে এগিয়ে গেলাম। দরজা ধরে কোন রকমে উঠে দাঁড়িয়ে আমি দরজার ছিটকিনি খুললাম।
সামনে এক মহিলা দাঁড়িয়ে। অন্ধকারে আমি তার বয়স ঠিক অনুমান করতে পারলাম না তখন।
" হঠাত গাড়িটার টায়ার পাংচার হয়ে গেল এখানে এসে। দুই ছোট মেয়েকে নিয়ে খুব বিপদে পরেছি। টায়ার পাল্টাতে একটু হেল্প করুন প্লিজ।" - মহিলা অনুরোধের সুরে বলল।
আমার তখন উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই। কিন্তু এই মহিলাকে কি করে বলি আমি নেশাগ্রস্ত আছি?
" আ আমি টায়ার পাল্টাতে জানি না। প্লিজ আপনি অন্য কাউকে ডাকুন।" আমি আমতা আমতা করে বললাম।
" এখানে আশে পাশে আর কোন বাড়িতেই কেউ নেই তুমি ভালই জান। এক মহিলা তার দুই ছোট মেয়েকে নিয়ে অজানা জায়গায় বিপদে পরেছে জেনেও সাহায্য করতে চাইছ না। লজ্জা করে না?"
মহিলা ঠিকই বলেছে। এটি এখন একটা পরিত্যক্ত নগরী। আগে এটি ছিল এক শিল্প নগরী। অনেকটা এলাকা জুড়ে তৈরী হয়েছিল বিভিন্ন সরকারী শিল্প কারখানা। শ্রমিক থেকে ম্যানেজার বিভিন্ন পোস্টের হাজার হাজার লোকে এখানে কোয়ার্টার বা বাড়ি বানিয়ে থাকত ৩০-৪০ বছর আগে। তারপর দেশে ক্রমে 'গনতন্ত্র' মজবুত হল। জন্ম নিতে লাগল একের পর এক নেতা। লাল-নীল- হলুদ- সবুজ-সাদা-কালো - গেরুয়া কত রঙের 'আদর্শ' নামক মুখোশ তাদের। কিন্তু 'আদর্শ' আলাদা হলেও সবার উদ্দেশ্য সেই একটাই, সাধারন মানুষের পেটে লাথি মেরে নিজের আখের গোছানো।
তারা বিভিন্ন অজুহাতে কারখানা বন্ধ করে দিয়ে আখের গোছাতে লাগল। কেউ কারখানার যন্ত্রপাতি থেকে জানলা দরজা সব বেচে দিল। কেউ বেচে দিল আস্ত কারখানা। ক্রমে একে একে বন্ধ হতে লাগল সব কারখানা। এলাকা থেকে লোকে অন্যত্র চলে যেতে লাগল রুজি রুটির আশায়। আমার বাবাও গিয়েছিল। কিন্তু আর ফিরে আসেনি। মাও ক্রমে সেই শোকে মারা যায়। আমি তখন ফিজিক্সে এমএসসি পাস করে বেকার বসে আছি। আমার চারদিকে এককালীন জীবন্ত নগর এখন মৃত নগরীর মত পরে আছে। আমার বাইরে কোথাও গিয়ে থাকার টাকা ছিল না। আমার বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যে তখন আর কেউ থাকে না। সন্ধ্যা হলেই এক অদ্ভুত আতংক আমাকে ঘিরে ধরত যেন। আতংক কাটাতেই প্রথমে সিগারেট আর তার পরে গাঁজার নেশায় ডুবে গিয়েছিলাম। এক মৃত নগরীতে এক কাল্পনিক জগতে দিন কাটাতে কাটাতে আমার মাথায় অবাস্তব চিন্তা ভর করত। ক্রমে সেই চিন্তা থেকে হরর ও হরর-ফেমডম লেখা শুরু করি ইংরেজিতে। পেটের দায়ে কয়েকটা হরর-ইরোটিকাও লিখেছিলাম। বিভিন্ন সাইটে সেরকম গল্প বিক্রী করে আমার দিব্যি কেটে যেতে লাগে। এক মৃত নগরীতে হ্যালুশিনেটিং ড্রাগ আর সুপারন্যাচারাল হরর গল্পের চিন্তায় সেই থেকে প্রায় ১০ বছর এইভাবেই কাটিয়ে দিয়েছি আমি।
আমার নেশাগ্রস্ত মাথা যেন পুরনো চিন্তায় হারিয়ে গিয়েছিল। সম্বিত ফিরতে তাকিয়ে দেখি মহিলা গাড়ির কাছে ফিরে গিয়ে তার দুই মেয়েকে বাইরে বের হতে বলছে। তারা বেরোতে মহিলা বলল আমি সাহায্য করতে চাই না। তাদেরই টায়ার চেঞ্জ করতে হবে।
গাড়ি থেকে টায়ার ও কিছু টুলস বার করে তারা তিনজনেই পিছনের টায়ারের কাছে পৌঁছালো। হঠাত আকাশে প্রচন্ড জোরে বিদ্যুৎ চমকালো। আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম ওদের তিনজনের মুখ। মহিলার বয়স আমারই মত, ৩৫ এর কাছাকাছি। তার বড় মেয়ের বয়স ১৪-১৫ আর ছোট মেয়ের ১১-১২।
তিনজনই রোগা ফর্শা অপরুপ সুন্দরী। এত সুন্দরী তিনজন মেয়ে এই বৃষ্টির মধ্যে নিজেরা টায়ার ঠিক করবে আর আমি সাহায্য করব না তা হতেই পারে না। মেয়েদের প্রতি চিরকাল সাবমিসিভ আমার মন আমাকে বোঝাল যেভাবেই হোক ওদের সাহায্য করতে হবে।
" সরি ম্যাডাম, আমি যাচ্ছি হেল্প করতে। আপনারা চিন্তা করবেন না।" এই বলে আমি দরজা ছেড়ে সামনের রাস্তার দিকে এগোতে গেলাম। কিন্তু অতিরিক্ত নেশার ফলে টাল সামলাতে না পেরে পরে গেলাম। প্রবল বর্ষনে আমি তখন ভিজতে শুরু করেছি। সেই অবস্থায় হামাগুড়ি দিয়েই আমি ওদের গাড়ির দিকে এগোতে লাগলাম। ছোট মেয়েটির হাতে একটা টর্চ ধরা। সে সেটা আমার দিকে ফোকাস করে ধরল। আর এই অবস্থায় আমাকে চার হাত পায়ে ওদের গাড়ির দিকে এগোতে দেখে ওরা তিনজনেই কিছুটা শব্দ করে হাসতে লাগল। আমি যে নেশাগ্রস্ত, আমার পক্ষে যে দুই পায়ে হাঁটা সম্ভব না এখন, সেটা ওদের জানা না থাকায় আমার আচরন ওদের অতি অদ্ভুত ও হাস্যকর লাগছে বলেই বোধ হল।
"আমি এক্সট্রিমলি সরি ম্যাডাম। একজন পুরুষ থাকতে আপনারা কেন বৃষ্টিতে ভিজে টায়ার ঠিক করবেন? কিভাবে টায়ার চেঞ্জ করে আমাকে বলে দিন। আমি করে দিচ্ছি। আপনারা গাড়িতে উঠে বসুন। এভাবে ভিজলে আপনার আর আপনার বাচ্চাদের শরীর খারাপ হবে।"
মহিলা আবার হাসল। তারপর বলল " বৃষ্টিতে ভিজলে আমাদের কিছু হয়না। তুই এই টুলস গুলো পাশে নিয়ে পিছনের টায়ারের পাশে মাথা রেখে চিত হয়ে শো আগে।"
আমি মহিলার অর্ডার পালন করলাম সাথে সাথে। আমি শুতে মহিলা বলল " মিলি তুই ওকে বুঝিয়ে দে কিভাবে টায়ার চেঞ্জ করে। আর জুলি তুই টর্চ মেরে দেখ ও ঠিক করতে পারছে কিনা।" কথা শেষ হওয়ার সাথে সাথে বড় মেয়ে মিলি আমাকে বোঝাতে লাগল কিভাবে পুরনো টায়ার বের করে নতুন টায়ার লাগাবো। আমি ওর কথা শুনতে শুনতে বুকের উপরে কিসের যেন স্পর্শ পেলাম। বুট। ১৪-১৫ বছর বয়সী মিলি ওর চেয়ে ২০ বছরের বড় আমার বুকের উপরে লেদার বুট পরা ডান পা টা তুলে দিয়েছে। ঠিক তখনই একটা অদ্ভুত জিনিস দেখে হতভম্ব হয়ে গেলাম। মহিলাটি প্যাকেট থেকে সিগারেট বার করে লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরালো। এই প্রবল বৃষ্টির মধ্যে! কিভাবে সম্ভব! সত্যিই কি এই প্রবল বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে ও? নাকি আমার হ্যলুশিনেশনের ফলে ভূল দেখছি আমি? শুধু সিগারেট ধরানোটাই হ্যালুশিনেশন? নাকি এই মহিলা ও তার দুই মেয়েকে নিয়ে যা দেখছি তার পুরোটাই হ্যালুশিনেশন? আসলে কিছুই নেই। গাঁজার নেশায় হয়ত পুরোটাই ভুল দেখছি আমি!
ঘোর ভাংলো কপালের উপরে আলতো আঘাতে। জুলি ওর লেদার বুট পরা ডান পা দিয়ে আলতো করে লাথি মেরেছে আমার কপালে।
" কি রে, দিদি বুঝিয়ে বলল তো। এবার কাজ শুরু কর।"
১১-১২ বছর বয়সী অচেনা মেয়ে জুলি তার তিন গুন বয়সী আমার কপালে বুট পরা পায়ে লাথি মেরে তুই সম্বোধন করে আমাকে প্রায় হুকুম করছে ফ্রিতে ওদের গাড়ি সারানোর জন্য!
মিলি আর জুলি ওদের বুট পরা পা আমার বুক আর কপালে তুলে দাঁড়ানোয় আমার একটুও খারাপ লাগেনি। কিন্তু জুলি ওর টর্চের আলো যেভাবে আমার মুখের উপরে ফেলেছিল তার জন্য আমার অস্বস্তি হচ্ছিল। আমি " জ্বি ম্যাডাম, করছি" বলতে জুলি টর্চের আলো আমার মুখের উপর থেকে সরিয়ে টায়ারের উপরে ফেলল। কিন্তু ওর জুতো পরা ডান পা আলতো করে আমার কপালের উপর রেখেই দাঁড়িয়ে থাকল। আমি সেই অবস্থাতেই চুড়ান্ত নেশাগ্রস্ত মস্তিস্ক নিয়ে চেষ্টা করতে লাগলাম টায়ার বদলানোর।
আমি প্রথমে টায়ারের নাট লুজ করতে লাগলাম মিলির কথা মত। মহিলাটি সিগারেট টানতে টানতে দুই মেয়ের উদ্দেশ্যে বলল, " ও নেশা করে রয়েছে বুঝতে পারছিস নিশ্চয়ই। খেয়াল রাখিস নাট বেশি ঘুরিয়ে না ফেলে।"
ওদের মায়ের কথা শুনে মিলি ওর বুট পরা ডান পায়ে আমার বুকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল, " সাবধানে কর। জ্যাক লাগানোর আগে টায়ার পুরো খুলে ফেললে তোর নাট বল্টু সব খুলে দেব আমরা।"
ওর দিদির কথায় মজা পেয়ে জুলিও ওর বুট পরা ডান পা দিয়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল " মনে রাখিস কথাটা।"
আমার মাথা ঘুরছিল নেশায়। তার উপর ভয়ানক বৃষ্টিতে আরো কঠিন হয়ে উঠেছিল কাজটা। তবু আমি আসতে আসতে টায়ারের নাট ঘোরাতে লাগলাম। একটু পরে মিলি বলল, " হয়েছে। এবার জ্যাকটা লাগা।"
আমি পাশ ফিরে শুয়ে জ্যাকটা লাগানোর চেষ্টা করতে লাগলাম। কিন্তু পারলাম না। তখন বুট পরা পায়ে মিলি আমার পিঠে একটা লাথি মেরে বলল, " সব কাজ শুয়ে শুয়ে হয় না রে মাতাল। উঠে চেষ্টা কর। "
আমি কোন রকমে উঠে বসতেই আমার বাঁ কাধে মিলি আর ডান কাঁধে জুলি ওদের বুট পরা একটা পা রেখে দাঁড়ালো। আমি সেই অবস্থায় মিলির কথা মত জ্যাকটা সেট করে পুরনো টায়ার খুলে নতুন টায়ারটা কোন রকমে বসালাম। তারপরে আবার শুয়ে পরে পাশ ফিরে টায়ারের নাট টাইট করতে লাগলাম। মিলি আর জুলি এবার ওদের বুট পরা বাঁ পা আমার পিঠ আর মাথার উপরে তুলে দাঁড়ালো। আমি টাইট দেওয়া শেষ করে সোজা হয়ে শুয়ে হাঁপাতে লাগলাম। আমার মাথা তখন প্রবলভাবে ঘুরছিল।
আমি সোজা হয়ে শুতে মিলি ওর বুট পরা ডান পা আমার বুকে আর জুলি ওর বুট পরা ডান পা আমার ঠোঁটের উপরে রেখে দাঁড়ালো। দুজনেই বুটের তলা দিয়ে আমার বুক আর ঠোঁট ঘসতে লাগল।
মহিলা ততক্ষনে সিগারেট শেষ করে ফেলেছে। সেও মিলির পাশে দাঁড়িয়ে ওর বুট পরা ডান পা আমার বুকের নিচের দিকে রেখে বলল, " ভাল করে টায়ারটা লাগিয়েছে কিনা একটু দেখে নে মিলি। মাতাল তো, বিশ্বাস করা যায় না।"
মায়ের কথায় মিলি ওর লেদার বুট পরা দুই পায়ে আমার বুকের উপরে উঠে দাঁড়ালো। ওর বাঁ পা আমার বুকে আর ডান পা আমার ঠিক গলার উপরে রেখে দাঁড়িয়ে ও একটু নিচু হয়ে টায়ারে হাত দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে লাগল লাগানো ঠিক হয়েছে কিনা। আর দিদিকে এইভাবে আমার বুকের উপরে উঠে দাঁড়াতে দেখে জুলিও মজা পেয়ে একইভাবে বুট পরা পায়ে উঠে দাঁড়ালো আমার মুখে। ওর বুট পরা বাঁ পা টা জুলি রাখল আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে আর ডান পা টা কপালে। আমার বুক আর মুখের উপরে বুট পরা পায়ে দেহের সম্পুর্ন ভর রেখে দাঁড়িয়ে রইল মিলি আর জুলি। মিলি আমার গলায় আর জুলি আমার নাকের উপরে বুট পরা একটা করে পা রাখায় আমার নিশ্বাস নিতে ভিশন কষ্ট হতে লাগল। কিন্তু সেই কষ্টও কেন যেন না ভিশন ভাল লাগতে লাগল আমার। এই ভাল লাগা কি মিলি আর জুলির মত দুটো বাচ্চা সুন্দরী মেয়ের কাছে অপমানিত হওয়ার জন্য? নাকি দেহে অক্সিজেন সঞ্চালন কমে যাওয়াটাও একইসাথে ভিশন ভাল লাগছে আমার? আমি বুঝতে পারছি গলায় মিলির বুট পরা পায়ের চাপের জন্য আমার ক্যারোটিড আর্টারি আর মাথায় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সাপ্লাই করতে পারছে না। যত সময় যাচ্ছে আমার মস্তিস্কে অক্সিজেন সাপ্লাই কমছে, বাড়ছে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান। একটা হালকা মাথা ধরা, আরো বেশি মাথা ঘোরা আর এক অদ্ভুত বর্ননাতীত নেশার জগতে যেন তলিয়ে যাচ্ছিলাম আমি। এই অনুভুতি গাঁজার নেশার সাথে যুক্ত হয়ে কেমন এক বর্ণনাতীত অসাধারন সুখবোধ ছড়িয়ে দিচ্ছিল মস্তিস্কের প্রতিটা কোষে । প্রতিটা সেকেন্ড কাটছিল আর মিলি আর জুলির প্রতি আমার ভক্তি যেন সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল । যারা সম্পুর্ন অপরিচিত নিজের আড়াই তিন গুন বয়সী একজন হেল্প করতে আসা লোককে মায়ের সামনে এইভাবে ডমিনেট করতে পারে, এইভাবে তার মস্তিস্কে ছড়িয়ে দিতে পারে এক না পাওয়া নেশার সুখ, তাদের প্রতি ভক্তি ছাড়া আর কি অনুভুতি আসতে পারে? আমি সেই অবস্থাতেই হাত বাড়িয়ে মিলি আর জুলির পা দুটো পালা করে টেপার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমার ঠোঁটের উপরে চেপে থাকা ১১-১২ বছর বয়সী জুলির বাঁ বুটের তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করার চেষ্টা করতে লাগলাম সেই সাথে। আর প্রতিটা মুহুর্তে ডুবে যেতে লাগলাম এক আগে কখনো না পাওয়া নেশার জগতে। সেই নেশার যতটা গাঁজা আর হাইপক্সিয়ার ফলে তার থেকেও বেশি হয়ত মিলি আর জুলির মত এত ছোট দুই সুন্দরী মেয়ের কাছে এইভাবে ডমিনেটেড হতে পেরে।
২-৩ মিনিট পরে মিলি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল, " হ্যাঁ মা, মাতালটা ঠিক করেই টায়ার লাগিয়েছে।"
ওদের মা আমার বুকের উপর থেকে পা সরিয়ে বলল, " ঠিক আছে গাড়িতে উঠে পর তাহলে।"
মহিলা গিয়ে গাড়ির সামনের ড্রাইভারের সিটে বসল। মিলিও গিয়ে পিছনের সিটে বসল। তারপর গাড়ির ভিতর থেকে বোনের দিকে কি একটা ছুঁড়ে দিয়ে বলল, " এই নে বোন।"
অন্ধকারের মধ্যে সেটা কি আমি ভাল বুঝতে পারলাম না। অথচ ওই অন্ধকারের মধ্যেই জুলি দিব্যি জিনিসটা ক্যাচ ধরে নিল। তারপর নিচু হয়ে ওর বুট পরা বাঁ পা রাস্তায় আর ডান পা আমারঠোঁটের উপরে রেখে দাঁড়িয়ে আমার দুই হাত সম্ভবত একটা দঁড়ি দিয়ে বাঁধতে লাগল। এরপর গাড়ির পিছনে গিয়ে ও দঁড়ির অপর প্রান্ত গাড়ির সাথে বেঁধে দিয়ে গাড়ির পিছনের সিটে উঠে পরল। কি হতে চলেছে সেটা আমার নেশাগ্রস্ত মস্তিস্ক বুঝতে পারল মহিলা গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার পর। গাড়ির স্টার্টের আওয়াজের সাথে একসাথে আমার কানে ভেসে এল মিলি আর জুলির হাসির শব্দ। আর সাথে সাথেই আমার হাতে প্রবল টান পরল। গাড়ির সাথে জুলি আমার হাত বেঁধে দেওয়ায় চলন্ত গাড়ির পিছনে রাস্তায় ঘসটাতে ঘসটাতে আমি পিচের রাস্তা দিয়ে চলতে লাগলাম। গাড়ির টানে আমি উপুড় হয়ে গিয়েছিলাম। আমার হাত দুটো চিলে গিয়েছিল দেহের সামনে আর আমার বুক, পেট রাস্তার সাথে ঘসা খেতে খেতে যাচ্ছিল, মনে হচ্ছিল চামড়া খুলে যাবে ঘর্ষনের ফলে। অফ, সে কি যন্ত্রনা। নেশা কেটে কয়েক মুহুর্তের মধ্যে মাথায় যন্ত্রনার অনুভুতি ছাড়া আর কিছু থাকল না আমার।কিন্তু মিলি আর জুলি আমার সাথে কেন এরকম করল? শুধু কম বয়সী সুন্দরী মেয়ে হয়ে অনেক বড় এক পুরুষকে অকারনে নরক যন্ত্রনা দেওয়ার আনন্দের জন্য? তাও এমন একজনকে যে নির্জন রাস্তায় তাদের গাড়ির টায়ার বদল করতে সাহায্য করেছে? কি করে এত নিষ্ঠুর হতে পারে এ যুগের কম বয়সী সুন্দরী মেয়েরা?
ক্রমে এই ভয়ানক নরক যন্ত্রনা এক অন্যরকম নেশায় আচ্ছন্ন করে তুলল আমাকে। প্রবল যন্ত্রনার অনুভুতি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আমার মস্তিস্ক এন্ডর্ফিন ক্ষরন করছিল উচ্চমাত্রায়। আর সেই এন্ডর্ফিন আমার মস্তিস্কে ইউফোরিয়ার অনুভুতি জাগিয়ে তুলছিল। ব্যাথার অনুভুতি ক্রমে কমে আসছিল আর দেহ তলিয়ে যাচ্ছিল নেশার এক অনাবিল সুখের জগতে। আর আমাকে এই প্রবল যন্ত্রনা মিলি ও জুলির মত দুই সুন্দরী মেয়ে সম্পুর্ন অকারনে দিচ্ছে সেই চিন্তা আমার নেশাকে যেন বহুগুনে বাড়িয়ে দিচ্ছিল।
ঝিম ধরা নেশাগ্রস্ত মস্তিস্কে আমি দেখছিলাম প্রবল বর্ষনের মধ্যে গাড়ির পিছনে বাঁধা অবস্থায় আমি রাস্তায় ঘসটাতে ঘসটাতে সামনে এগিয়ে চলেছি। রাস্তার দুইদিকে মৃত নগরী তার অলৌকিক অস্তিত্ব নিয়ে এই অদ্ভুত ঘটনা সবিষ্ময়ে প্রত্যক্ষ্য করে চলেছে। আমি রাস্তায় ঘসা খেতে খেতে পেরিয়ে চলেছি একের পর এক আধভাঙ্গা বাড়ি-ঘর-কলকারখানা।
কতক্ষন এভাবে চললাম জানা নেই। যখন গাড়ি থামল তখনো অবিরাম বৃষ্টি হয়ে চলেছে। তাকিয়ে দেখি রাস্তার ডানদিক ফাঁকা মাঠ রাস্তার বাঁদিকে এক ভগ্নপ্রায় কারখানা।
মহিলা আর তার দুই মেয়ে একসাথে গাড়ি থেকে নামল। মহিলা আবার ওই প্রবল বর্ষার মধ্যেই লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরালো। জুলি নেমে গাড়িতে বাঁধা দঁড়িটা গাড়ি থেকে খুলে দিল। আমার হার তখনো একসাথে ওই দঁড়ির অপর প্রান্ত দিয়ে বাঁধা। আমি আশা করেছিলাম এটাও ওরা খুলে দেবে। কিন্তু মিলি আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বুট পরা ডান পায়ে প্রবল জোরে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল, "ওঠ কুত্তা। আমাদের সাথে চল।"
আমি মন্ত্র মুগ্ধ পুতুলের মত উঠে দাঁড়ালাম মুখে মিলির বুট পরা পায়ের লাথি খেয়ে। মহিলা সিগারেট টানতে টানতে ভাঙা কারখানার গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকল। মিলি আর জুলিও ওদের মায়ের পিছন পিছন হাঁটতে লাগল, জুলির হাতে আমার হাতবাঁধা দড়িটার অপর প্রান্ত ধরা। আমিও আমার "তিন প্রভুকে অনুসরন করে ওদের পিছনে হাঁটতে লাগলাম।
কারখানার ভিতরে ঢুকে আমি অবাক হয়ে গেলাম। ভগ্নপ্রায় এই কারখানায় কোন মানুষ থাকবে আমি আশা করিনি। কিন্তু তিন প্রভুর পিছন পিছন ঢুকে দেখি একতলায় অসংখ্য লোক। কারখানার মেশিন চলার শব্দ ভেসে আসছে আর শ্রমিকেরা সবাই কাজে ব্যস্ত৷
উপরে ওঠার সিঁড়ির মুখে পৌঁছাতে জুলি আমার হাত বাঁধা দড়ির অন্য প্রান্ত মায়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে আমাকে এক ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিল। তারপর এক লাফে আমার পিঠের উপরে উঠে পরল। মিলিও ছোট বোনের দেখাদেখি আমার পিঠের উপরে উঠে দাঁড়াল জুতো পরা পায়ে। মিলি দাঁড়িয়ে ছিল আমার পিঠের উপরে আর ওর ছোট বোন জুলির বাঁ পা ছিল আমার কাঁধের কাছে আর ডান পা আমার মাথার পিছন দিকে। আমি মাথাটা ডান দিকে ঘোরাতে জুলির ডান বুটের তলা আমার ডান গালে লাগল।
আমি অবাক হয়ে দেখলাম এই অবস্থায় অবলীলায় মহিলা আমাকে সিঁড়ি দিয়ে টেনে উপরে নিয়ে যেতে শুরু করল, ওর দুই মেয়ে আমার পিঠে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়!
আমি যা দেখছি তা কি বাস্তব? নাকি নেশার ঘোরে অবাস্তব অভিজ্ঞতা অনুভব করে চিলেছি আমি, যার অস্তিত্ব নেই? নাকি সত্যিই কোন অলৌকিক জগতে প্রবেশ করেছি আমি?
আমাকে সিঁড়ি দিয়ে অবলীলায় উপরে টেনে নিয়ে গেল মহিলা। তারপর ওই অবস্থাতেই টানতে টানতে কারখানার অপর প্রান্তের সিঁড়ির দিকে টেনে নিয়ে গেল। ওর দুই মেয়ে তখনো বুট পরা পায়ে আমার পিঠে দাঁড়ানো এখানেও দেখলাম শ্রমিকেরা কাজ করে চলেছে, মেশিনের টানা যান্ত্রিক শব্দ একইভাবে হতে শুনলাম।
কারখানাটা যে এত উঁচু আর এত তলা তা আগে বাইরে থেকে খেয়াল করি নি আমি। মহিলা আমাকে একইভাবে টেনে উপরের তলাতে নিয়ে চলল। প্রতি তলায় মহিলা অকারনে আমাকে এক পাশের সিঁড়ি থেকে অন্য পাশে নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝে একবার মিলি আর জুলি আমার পিঠের উপর থেকে নেমে একসাথে দুজনে মিলে লাথি মেরে আমাকে চিত হয়ে শুতে বলল। তারপর জুলি আমার বুকে আর মিলি আমার মুখে উঠে দাঁড়ালো জুতো পরা পায়ে। আরো কয়েক তলা উঠে মিলি আর জুলি স্থান বদলালো। এবার মিলি আমার বুকে আর জুলি আমার মুখে উঠে দাঁড়ালো বুট পরা পায়ে। আর ওদের মা আমাকে দঁড়ি ধরে টেনে ক্রমে আরো উপরের তলায় নিয়ে যেতে লাগল।
.
.
এরপর যত উপরে উঠব তত কারখানায় আমি বিভিন্ন সময়ের ঘটনা দেখব। এক তলায় ৫০-৬০ বছর আগের ঘটনা। যত উপরে যাব তত সময় এগোবে। ২০ তলার কাছে গিয়ে আমি ১০ বছর আগের ঘটনা দেখব। যখন কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। মহিলা আমাকে নিয়ে একটা ঘরে ঢুকবে যেখানে আমি দেখব এক শ্রমিক নেতাকে ঘুস দেওয়ার চেষ্টা হবে। সে নিতে রাজি না হওয়ায় তাকে গুলি করে মারবে।
এরপর মহিলা আমাকে ছাদে নিয়ে যাবে ও সে ও তার দুই মেয়ে অত্যাচার করে অত উচু কারখানার ছাদ থেকে ফেলে দেবে আমাকে।
ছাদে নিয়ে গিয়ে মহিলা আর তার দুই মেয়েই আমাকে চামড়ার বেল্ট খুলে মারবে, বুট পরা পায়ে সারা গায়ে লাথি মারবে। সবচেয়ে বেশি লাথি আছড়ে পরবে আমার মুখে, মিলি আর জুলির লেদার বুট পরা পায়ের! বিন্দুমাত্র দয়া না করে দুই বোনই আমার মুখের সর্বত্র গায়ের জোরে লাথি মেরে চলবে বুট পরা পায়ে।
প্রতিটা লাথি আমাকে ছাদের মাঝখান থেকে ঠেলে দিতে থাকবে ছাদের কিনারার দিকে। আতংক ক্রমে গ্রাস করতে থাকবে আমাকে। কিন্তু আমি ছাদের কিনারায় চলে এলেও থামবে না দুই বোন। মিলির এক লাথিতে আমি ছিটকে পরব ছাদের অন্তিম সীমানায়, পরক্ষনেই তার আরেকটা লাথি আছড়ে পরবে আমার মুখে। আমি ছাদ থেকে ছিটকে পরতে গিয়ে কোনক্রমে আকড়ে ধরব ছাদের একফুট উঁচু পাচিল। আমার সারা দেহ তখন ২০ তলা কারখানার ছাদ থেকে নিচে ঝুলছে, শুধু দুই হাতে পাঁচিল আঁকড়ে ধরে আমি আমার প্রভু মিলি আর জুলিকে বলার চেষ্টা করব, " প্লিজ ছেড়ে দাও আমাকে। প্লি..."
আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই ১১-১২ বছর বয়সী জুলির বুট পরা ডান পা শেষবারের মত সজোরে আঘাত করবে আমার ঠোঁটের উপরে। আমি আর টাল সামলাতে পারব না, আমার হাত ফসকে যাবে। আমি আতংকিত অবস্থায় দেখব আমার দেহটা ২০ তলা কারখানার ছাদ থেকে নিচের দিকে ভয়ানক জোরে ছুটে চলেছে। ভারহীন বস্তুর মত অনুভব হচ্ছে আমার নিজের দেহটাকে। আমি শেষবারের মত চোখ বন্ধ করলাম। এই২৫০- ৩০০ ফুট উঁচু কারখানা থেকে নিচে পরলে প্রানে বেঁচে যাওয়ার চান্স ০.১% ও থাকার কথা না।
কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার! পরদিন সকালে ঘুম ভেঙে আমি দেখব আমি কারখানার নিচে পরে আছি । গায়ে একটু ব্যথা হলেও কোন বড় আঘাত নেই। কালকের ঘটনা আমর মনে পরে যাবে। আর তখনই আমার মনে পরবে ওই মহিলাকে আমার কাকিমার মত দেখতে, আর মিলি ও জুলি নামে তার দুই মেয়ে ছিল। আর যার হত্যার দৃশ্য আমি কাল দেখলাম সে তো আমার একমাত্র কাকা। যার মৃত্যুর পরে অন্যান্য শ্রমিক নেতারা টাকা খেয়ে কোটিপতি হয়েছিল। আর কারখানা বেচে দেওয়ায় লাখ লাখ শ্রমিক বন্যার জলের মত ভেসে গিয়েছিল। কাল গাঁজার নেশার ঘোরে আমি ওদের কাউকেই চিনতে পারিনি।
কিন্তু অনটনে পরে ও বাবা মায়ের মৃত্যুর ঘটনার শোকে আমিও কাকুর পরিবারের খোঁজ নিইনি আর। তবে কি তারা মারা গিয়েছিল? তাদের অশরীরি আত্মা কাল অত্যাচার করেছে আমার উপরে? আমি কোন সাহায্য করিনি ওদের দুর্দশার সময়ে, ওদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছি অবহেলা করে সেই রাগে?
তখনই আমার কাকুর মৃত্যু দৃশ্যটা মনে পরবে। একটা ক্ষীন আশায় আমি উপরে সেই ঘরে গিয়ে দেখব কাকুকে যে সোনার বান্ডিল ঘুস দিতে চেয়েছিল সেই লোক, সেটা তখনো সেই টেবিলের ড্রয়ারে পরে, যার মুল্য কোটির কাছে! লক্ষ কোটির কারখানা বন্ধের ব্যবসার মাঝে মাত্র এক কোটির সোনার কথা ভুলেই গিয়েছিল ওরা!
আমি সেটা নিয়ে ফিরে আসব। তবে কি কাকিমা আসলে আমার উপরে অত্যাচার করতে চায়নি? শুধু আমাকে সোনার বান্ডিলের খোজ দিতে চেয়েছিল? যাতে আর্থিকভাবে ভাল যায়গায় পৌঁছে আমি বিয়ে করে পরিবারের বংশপ্রদিপ রক্ষা করি ? নাকি পুরোটাই কাকতালীয়? কাল কিছুই ঘটেনি, পুরোটাই আমার নেশাগ্রস্ত মস্তিস্কের কল্পনা? আর সোনার খোজ পাওয়া নেহাত কাকতালীয়? নাহলে আমি ২০ তলা থেকে সত্যিই পরে গেলে বেঁচে গেলাম কি করে? তাও কোন আঘাত ছাড়াই?
তিন দিন পরে সোনা বেচে ভাল টাকা পেয়ে আমি স্থির করব এবার বিয়ে করে সংসার করলে মন্দ হয় না। খুশি মনে আবার গাঁজায় টান দেব তিন দিন গ্যাপের পর। আর তখনই আবার সেই আগের বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া অমাবস্যার রাতের মত একই ছন্দে আমি দরজায় সেই আওয়াজ শুনব। ঠক, ঠক-ঠক!