Saturday, 1 November 2014

মহাপ্রভু সীমা


( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না



মহাপ্রভু সীমা   ( খোকা )

আমার নাম সীমা, আমি ক্লাস পড়ি এখন ছোট থেকেই আমার দাদাকে একটু অদ্ভুত লাগে সারাদিনে ওর একমাত্র চিন্তা যেন কিভাবে আমাকে খুশি করবে দাদা আমার চেয়ে মাত্র বছরের বড়, তবু অন্য পিঠোপিঠি ভাই বোনদের মত আমাদের মধ্যে কখনও ঝগড়া হত না দাদা নিজে থেকেই ওর পছন্দের সব জিনিস আমাকে দিয়ে দিত আমি চিরোদিনই একটু সেলফিশ , বাবা মাও ছোট মেয়ে বলে আমাকে একটু বেশিই ভালবাসত তাই নিয়েও দাদার কোন আপত্তি ছিল না পুজোর সময় আমার ১০ টা জামা হলে দাদার টা হত , বাবা রোজ আমাকে ৫০ টাকা হাত খরচ দিলে দাদাকে দিত টাকা আমি সেটাও বেশিরভাগ দিন দাদার কাছ থেকে চেয়ে নিতাম , দাদা হাসিমুখে দিয়ে দিত আমাকে। আমার ঘর গোছান, হোমটাস্ক , জামা কাচা , জুতো পরিষ্কার সহ বেশিরভাগ কাজ দাদা স্বেচ্ছায় করে দিত আর রোজ রাতে নিয়ম করে আমার পা টিপে দিত দাদা , একদম ছোটবেলা থেকেই আমি মাঝে মাঝে রেগে গেলে ওকে থাপ্পর মারতাম , মাঝে মাঝে লাথিও মারতাম দাদা উলটে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিত বাবা মাও এতে কোন আপত্তি করত না , বাবা বলত আমি এই বাড়ির রাজকন্যা

আমাদের খেলার সময় দাদা এমন খেলা খেলতে চাইত যাতে আমার সেবা করতে পারে বা আমার হাতে মার খেতে পারে যেমন , আমি রাজকন্যা আর চাকর , বা আমি পুলিশ চোর
আজ থেকে একমাস আগের এক রাত ছিল সেটা রাতে খাওয়ার পর আমি বাবা মার সাথে বসে টিভি দেখছিলাম আমি লাল সাদা রঙের একটা চুড়িদার আর পায়ে লাল চটি পরে একটা চেয়ারে বসেছিলাম দাদা বসেছিল আমার পায়ের কাছে , আমার চটি পরা পা দুটো কোলে নিয়ে মন দিয়ে আমার পা টিপে দিচ্ছিল এমনভাবে আমার পা টেপে যেন চাকর আর আমি ওর মনিব আমি পা তুলে ওর বুকের উপর একটা লাথি মারলাম আমার চটি পরা ডান পা দিয়ে দাদা একবার আমার মুখের দিকে তাকাল , তারপর আবার পা টেপায় মন দিল এবার আমি পরপর দুটো লাথি মারলাম দাদার বুকে আমি হঠাত অনুভব করলাম কিরকম একটা অদ্ভুত ভাল লাগছে দাদাকে লাথি মারতে। কি সত্যিই ভালবাসে আমার হাতে মার খেতে ? আমি যতই মারি কি কখনই আমাকে বাধা দেবে না ? আমার ভীষন জানতে ইচ্ছা করতে লাগল , কতটা মার সহ্য করতে পারে , সেই সঙ্গে ভয়ানক ইচ্ছা করতে লাগল আরো বেশি বেশি করে দাদাকে মারতে
আমি মুখে মিষ্টি হাসি ঝুলিয়ে দাদাকে বললাম , ‘ চল, আমরা চোর পুলিশ খেলি তুই একটা গয়না চুরি করবি আমি তোকে মারতে থাকব ধরে এনে যতক্ষন তুই গয়না কোথায় লুকিয়ে রেখেছিস না বলিস

দাদার মুখেও যেন অল্প হাসি ফুটে উঠল , “ আমার পা টিপতে টিপতে বলল , ‘ চল বোন
আমি মুখে আবার হাসি ফুটিয়ে ওর মুখের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে বললাম , “ আজ কিন্তু তোকে ভীষন জোরে জোরে মারব জবাবে দাদা আমার ডান পায়ের পাতায় একটা চুম্বন করে বলল , “ পুলিশ তো চোরকে মারবেই
যা , একটা সিটি গোল্ডের হার নিয়ে আয় আমার ঘর থেকে , যেটা তুই চুরি করে লুকাবি আর চামড়ার মোটা বেল্টটা নিয়ে আয় , যেটা দিয়ে তোকে মারব আমি দাদাকে বললাম
এখুনি নিয়ে আসছি বলে দাদা আমার চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে পাশের ঘরে চলে গেল দাদা ছোট থেকেই রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে আমার পা টেপার পর আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে

একটু পরে দাদা একটা হার আর চামড়ার বেল্টটা এনে আমার পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে বলল , “ কোথায় খেলবে সীমা?” দাদা আমাকে মাঝে মাঝে তুমি বলে , আমি দাদাকে সবসময়ই তুই বলি আমি বাবা মার সামনেই দাদাকে মারতে চাইছিলাম দাদার হাত থেকে বেল্টটা নিয়ে আমি অকারনেই ওর বাঁ গালে বেস জোরে একটা থাপ্পর মেরে বললাম , ‘ এই ঘরেই খেলব আমি চোখ বন্ধ করছি , তুই গয়নাটা চুরি করে লুকিয়ে রাখ

জ্বী , রাখছি বলে দাদা অকারনেই আবার আমার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল আমি চোখ বন্ধ করার ভান করে দেখলাম দাদা উঠে গিয়ে গয়নাটা বাবা মা যেই খাটে বসে আছে তার গদির তলায় ঢুকিয়ে রাখল তারপর নিচু গলায় বলল , “ রেখে দিয়েছি
আমি  উঠে দাড়ালাম বাবা মা খাটে বসে টিভি দেখছিল , এখন টিভি ছেড়ে আমাদের দিকেই দেখছে খাটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দাদার পাশে গিয়ে দাদার চুলের মুঠি ধরলাম
তুই নাকি কাল রাতে কালী মন্দির থেকে দেবির গলার সোনার হার চুরি করেছিস ?’
বলেই যত জোরে সম্ভব একটা থাপ্পর মারলাম দাদার বাঁ গালে দাদা উল্টে পরে যাছিল প্রায়, খাটটা ধরে কোনক্রমে সামলাল আমি তৎক্ষণাৎ ওর ডান গালে একই রকম জোরে আরেকটা থাপ্পর মারলাম  বাবা মার সামনে এইভাবে আমার বছরের বড় দাদাকে এইভাবে মারতে কেন জানিনা ভীষন ভাল লাগছিল আজ

দাদা মাথা নিচু করে বলল , “ না ম্যাডাম ,আমি চোর না আমি কোন হার চুরি করিনি বিশ্বাস করুন
আমি দাদার গালের উপর আরেকটা থাপ্পর মারলাম তারপর ওর চুলের মুঠি ধরে টেনে ওর মাথাটা কাছে এনে ওর মুখের উপর একদলা থুতু ছেটালাম,
অফিসার সীমাকে ভুল বোঝানর ক্ষমতা কারো নেই সত্যি কথা না বললে আজ তোকে মারতে মারতে মেরেই ফেলব আমি আড়চোখে তাকিয়ে বাবা মার দিকে দেখলাম ওরা এমনভাবে আমাদের দেখছে যেন আমরা কোন স্বাভাবিক খেলা খেলছি আমি জানতাম ,আমি দাদাকে মারতে মারতে মেরে ফেললেও বাবা মা বাধা দেবে না

থুতুটা দাদার কপালে পরে ওর নাকের দুপাশ দিয়ে নেমে এসে ওর ঠোঁটের সামনে আসতে দাদা জিভ বার করে আমার থুতুটা চাটতে লাগল আমি ডান হাত দিয়ে দাদার বাঁ গালে আরেকটা জোরে থাপ্পর মেরে ওর চুলের মুঠিটা ছেড়ে দিলাম
বল। গয়না কোথায় রেখেছিস?’
দাদা সঙ্গে সঙ্গে আমার পায়ের উপর ঝাপিয়ে পরল আমার পায়ের উপর মাথা ঘষতে ঘষতে আমার চটি পরা পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলল , “ বিশ্বাস করুন ম্যাডাম , আমি কোন গয়না চুরি করিনি উফফ, বাবা মার সামনে আমার বছরের বড় দাদা আমার পায়ের উপর চুম্বন করছে ! আমার দারুন লাগছিল আমি চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর রেখে দাদার মাথার উপর পা দিয়ে চাপ দিয়ে বললাম , “ সত্যি না বললে আজ তোকে পিটিয়ে মেরেই ফেলব কুত্তা
প্লিজ ম্যাডাম, আমি সত্যি বলছি, বিশ্বাস করুন দাদা আমার চটি পরা বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলল

আমি দাদার মাথার উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম দাদা আমার বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে বলতে লাগল , ‘ প্লিজ ম্যাডাম, আমি চুরি করিনি, বিশ্বাস করুন
একটু পরে আমি লাথি মেরে দাদাকে সোজা করে শুইয়ে দিলাম তারপর দাদার ঠোঁটের উপর চটি পরা বাঁ পা টা তুলে চটির তলাটা দাদার ঠোটের উপর ঘষতে লাগলাম দাদা দুহাত বাড়িয়ে আমার চটি পরা বাঁ পা টা ঠোঁটের উপর চেপে ধরে বাবা মার সামনেই আমার চটির তলায় চুমু খেতে খেতে ক্ষমা চাইতে লাগল
আমি পা টা দাদার হাত থেকে ছাড়িয়ে নিলাম একটু পরে , তারপর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে প্রবল  জোরে একটা লাথি মারলাম দাদার নাকের উপ উফফ, দাদা কি কখনই আমাকে বাধা দেবে না ? বাবা মার সামনে আমি কি এভাবেই রোজ দাদাকে যতখুশি লাথি মারতে পারব ? এক অদ্ভুত আনন্দে আমার মন ভরে গেল আমি চটি পরা দুই পা দিয়ে দাদার নাক, কপাল, গাল, ঠোঁট সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগল দাদা যন্ত্রনায় মাঝে মাঝে গোঙ্গাতে লাগল উফফ, কি রাশ অফ পাওয়ার ! এক অদ্ভুত আনন্দে আমি দুই পা দিয়ে দাদার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম আর দাদা আমার কাছে ক্ষমা চাইতে লাগল

এই সময় প্রথম বাধাটা এল না দাদার কাছ থেকে না , বাবার কাছ থেকে বাবা নিচু গলায় আমাকে রিকোয়েস্ট করলপ্লিজ , ওকে একটু আসতে মার সীমা , ওর লেগে যাবে
রাশ অফ পাওয়ারের আনন্দে আমি তখন মত্ত এই বাধা আমার মোটেই ভাল লাগল না দাদার মুখের উপর থেকে পা তুলে আমি এগিয়ে গেলাম বাবার দিকে তারপর মায়ের সামনেই খাটে বসা বাবার দুইগালে সজোরে দুটো থাপ্পর মারলাম
পুলিশকে তদন্তে বাধা দিতে এসেছিস ? এর ফল কি হবে টের পাবি এখুনি
মায়ের মুখে হাসি দেখে বুঝলাম মা এঞ্জয় করছে আমার হাতে বাবার মার খাওয়া মা চিরদিন আমাদের দুই ভাই বোনকে বুঝিয়ে এসেছে ছেলেদের স্থান মেয়েদের অনেক নিচে আজ মেয়ের হাতে তার বাবার মার খাওয়া দেখেও মার হাসিতে বুঝলাম মা কথাটা সত্যি বিশ্বাস করে
আমার হাতে থাপ্পর খেয়ে বাবা থতমত খেয়ে গেল হাতজোর করে আমাকে বলল , “সরি
আমি বাবার কান ধরে জোরে টান দিলাম নেমে আয় জানোয়ার , পুলিশের তদন্তে বাধা দেওয়ার ফল কি আজ টের পাবি তুই

আমি কান ধরে টেনে বাবাকে নিচে নামালাম তারপর বাবার পেটে খুব জোরে মারলাম আমার ডান পায়ের হাটু দিয়ে মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট শব্দ করে বাবা উলটে পরে গেল ঠিক দাদার পাশেই
আমি চটি পরা বাঁ পা দাদার মুখে আর চটি পরা ডান পা বাবার মুখে রেখে উঠে দাড়ালাম উফফ, কি যে আনন্দ লাগছে আমার আমি চটি পরা দুটো পা বাবা আর দাদার মুখের উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছি ভাবতেই এক অপুর্ব আনন্দে মন ভরে উঠছিল   আর তাতে আমার মায়ের সমর্থন আছে এটা সেই আননদকে আরও বহুগুন বাড়িয়ে দিচ্ছিল আমি মনে মনে ঠিক করে নিলাম বাবা আর দাদাকে আজ থেকে আমার ক্রীতদাস করে রাখব
দাদার মুখের উপর রাখা পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আমি চটি প্রা ডান পা দিয়ে বাবার মুখের উপর একের পর এক জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম, আমি বাবার নাক ,গাল, কপাল , ঠোঁট, যেখানে খুশি আঘাত করতে লাগল আমার চটিপরা পা মা পাশ থেকে হাসিমুখে বলল , “ ঠিক হচ্ছে , পুলিশকে বাধা দেওয়ার এটাই শাস্তি

একটু পরে আমি ওদের মুখ থেকে নেমে দাড়ালাম পাশে রাখা চেয়ারটায় বসে পড়ে বাবার মুখের উপর চটি পরা পা দুটো রেখে বেল্ট দিয়ে দাদাকে সজোরে একবার মেরে বললাম , “ তুইও ঠিক এই জানোয়ারটার মাথায় মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পর
দাদা তাই করল আমি চটি পরা দুটো পা দাদা আর বাবার মুখের উপর রেখে বললাম, “ কুত্তা আর জানোয়ার, তোদের জিভ বার কর বাবা আর দাদা বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে ওদের জিভ মুখের বাইরে যতটা সম্ভব বার করে দিল আমি আমার বাঁ চটির তলা বাবার জিভের উপর আর ডান চটির তলা দাদার জিভের উপর নামিয়ে দিলাম এমনভাবে বাবা আর দাদার জিভের উপর আমার চটির তলা মুছতে লাগলাম যেন আমি কোন পাপোশে পা মুছছি

বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আমার চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগল আমার বাবা আর দাদা পাওয়ারের এক অদ্ভুত আনন্দ আমার কোশে কোশে ঢেউ তুলতে লাগল সেই সাথেই আমি দাদার বুকে একের পর এক বেল্ট দিয়ে মারতে লাগলাম , “ বল কোথায় রেখেছিস গয়না

প্রায় ৩০ মিনিট আমি আমার জুতোর তলা ঘষলাম বাবা আর দার জিভে যখন আমি থামলাম তখন আমার জুতোর তলা নতুনের মত চকচক করছিল আমি পা দুটো ওদের কপালের উপর রাখলাম আমি তখনও দাদার বুকে বেল্ট দিয়ে জোরে জোরে মেরে চলেছি দাদার বুক দিয়ে একটু একটু রক্ত বেরচ্ছিল, দাদা আমার চটি পরা ডান পা টা ঠোটের উপর টেনে এনে চটির তলায় বারবার চুম্বন করে বলছিল , “ আমি চুরি করিনি প্রভু, বিশ্বাস করুন আমি তবু চাবুক মারা চালিয়ে গেলাম মাঝে মাঝে চটি পরা পা দিয়ে দাদার মুখে লাথি মারতে লাগলাম
১০ মিনিট পর আমি উঠে দাড়ালাম চাবুক রেখে একের পর এক লাথি মারতে লাগলাম দাদার মুখের সর্বত্র দাদার উপর এক্টুও দয়া করছিলাম না , যত জোরে খুশি লাথি মারছিলাম দাদার মুখে দাদা কাতরাচ্ছিল ব্যাথায় , আমার চটির তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইছিল তবু আমি দাদার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারার আনন্দে একের পর এক লাথি মারছিলাম দাদার মুখে
বুম !
বুম !
বুম !
বুম !!

আমি লাথি মারা চালিয়ে যেতে লাগলাম আমার মনে হচ্ছিল আমরা বুঝি ২০০ বছর আগের আমেরিকায় ফিরে গেছি আমি শ্বেতাঙ্গ প্রভু , আর দাদা আমার কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাস আমি জুতো পরা পায়ে দাদার মুখে লাথি মারতে মারতে ওকে মেরে ফেললেও ওর বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই উফফ, এই ভাবনাতেই কি আনন্দ ! আমি আরও জোরে দাদার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেলাম আমি বুঝতে পারছিলাম , আমি সেই যুগের শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের মত হতে চাই আমার বাবা আর দাদাকে আমার ক্রীতদাস করে অত্যাচার করতে চাই সারাজীবন
আরও ৩০ মিনিট পর দাদা আমার চটির তলায় চুমু খেতে খেতে বলল, ‘ আমি অপরাধ স্বীকার করছি প্রভু গয়না ফিরিয়ে দিচ্ছি প্লিজ আর মারবেন না আমাকে
আমি দাদার নাকের উপর সজোরে একটা লাথি মেরে বললাম, “ যেখানে গয়না লুকিয়ে রেখেছিস সেখানে আমাকে পিঠে করে নিয়ে চল কুত্তা

দাদা   পায়ে কুত্তার মত দাড়ালে আমি ওর পিঠে উঠে বসলাম ওর গলায় বেল্টটা বেধে দিলাম, যেভাবে কুত্তাদের গলায় বেল্ট বাধে তারপর ওর হাতে লাথি মেরে বললাম , “চল কুত্তা
দাদা আমাকে পিঠে করে খাটের সামনে এনে বলল, “ এই গদির তলায় লুকিয়ে রেখেছি প্রভু আমি হাত ঢুকিয়ে গয়না বের করে আনলাম
তারপর দাদার পিঠ থেকে নেমে দাড়ালাম
দাদা বোধহয় আর সহ্য করতে পারছিল না মাথা নিচু করে বলল , “ খেলা শেষ তো সীমা?”
আমি উত্তর দেওয়ার আগেই পাশ থেকে মা হাসিমুখে উত্তর দিল , “ হ্যাঁ , খেলা শেষ তবে আজ থেকে তুই আর তোর বাবা খেলার বাইরেও সীমার চাকর আর পোশা কুত্তা , সীমা শুধু তোদের প্রভু না , মহাপ্রভু আজ থেকে সীমা তোদের মালকীন সীমার যখন ইচ্ছা হবে তোদের এভাবে মারবে তোদের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে সীমাকে খুশি রাখা
এই কথা শুনে আনন্দে আমার চোখ দিয়ে জল বেড়িয়ে এল আমি মাকে জড়িয়ে ধরে বললাম , আই লাভ ইউ মম
আর বাবা আর দাদা জবাবে আমার দুটো পা জড়িয়ে ধরে আমার পায়ে মাথা ঘষতে লাগল


Wednesday, 1 October 2014

আমার বোন স্বাগতা

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

আমার বোন স্বাগতা / দেবী স্বাগতা


কয়েক বছর আগের এক মহালয়ার সকাল । আমি তখন কলেজে প্রথম বর্ষে পড়ি । বেশ জোরে বৃষ্টি পরছিল বাইরে, আমি টিভির চ্যানেল ঘোরাতে ঘোরাতে বোর হচ্ছিলাম । হঠাত আমার ছোট বোন স্বাগতা এসে বলল, – দাদা, মহালয়া মহালয়া খেলবি ? আমি বোর হচ্ছিলাম, কিছু না করার চেয়ে বোনের সাথে খেলা ভাল । আর আমাদের সম্পর্ক ছোট থেকেই খুব ভাল । আমার ৫ বছরের ছোট ফরসা সুন্দরী বোনকে আমি খুব ভালবাসতাম ।

 আমি বোনের দিকে তাকিয়ে বললাম ,- কিরকম হবে খেলাটা । বোন আমার দিকে তাকিয়ে ওর ফরশা মুখে মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে বলল, – আমি দূর্গা হব, আর তুই অসুর । আমি তোকে যুদ্ধে হারাব, তুই হেরে গিয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইবি ।
 আমার ক্লাস ৮ এ পরা বোন স্বাগতা আমার থেকে অনেক ছোট, ৫ বছরের। আমাদের সম্পর্ক খুব ভাল, একদম বন্ধুর মত । তবে আশ্চর্যের বিষয়, ও এত ছোট হওয়া সত্বেও আমি রাখি, বিজয়া, বা ভাইফোটায় ওকে প্রণাম করি , ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে । বাবা মারা যাওয়ার পর মা আমাদের এভাবেই বড় করেছে, শিখিয়েছে, ছেলেদের উচিত সবসময় মেয়েদের সম্মান করা । আমার কখনই খারাপ লাগেনি বোনকে প্রনাম করতে , বরং ভালই লেগেছে । আজ ছোট বোন স্বাগতা দেবী দুর্গা সেজে আমাকে মারবে শুনেও আমার খুব ভালই লাগল ।

 আমি টিভি বন্ধ করে উঠে দাড়িয়ে বল্লাম, -ঠিক আছে, চল, এই খেলাই খেলি । বোন ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল, – আমি দূর্গা, আর তুই অসুর । খেলার সময় আমি কিন্তু তোকে অনেক মারব, তুই আমাকে মারতে পারবি না, বাধাও দিতে পারবি না ।
 আমি বললাম ,- সে তো বটেই, দেবী দুর্গা তো অসুরকে মারবেই । বোন কোথা থেকে একটা টিনের ত্রিশুল নিয়ে এসে বল্ল,- চল দাদা, খেলা শুরু করি । মা ততক্ষনে রান্না সেরে টিভির ঘরে বসেছে টিভি চালিয়ে । বোনকে ত্রিশুল হাতে দেখে বলল,- কি খেলবি তোরা ?

বোন স্বাগতা বলল,- মহালয়া খেলা, আমি দূর্গা সাজবো, আর দাদা হবে অসুর । মা বলল, – বেশ তোরা খেল, আমি টিভি দেখি । বোন বলল ,- ঠিক আছে মা । তারপর আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল,-নে, খেলা শুরুর আগে দেবী দুর্গাকে প্রণাম কর ।
 বোনের পরনে লাল-সাদা চুরিদার, পায়ে নীল চটি । আমি বোনের পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । সত্যি দেবী দুর্গাকে প্রনাম করছি ভেবে মনে ভক্তি এনে নিজের ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে পরলাম । নিজের কপালটা আসতে আসতে ঘসতে লাগলাম ছোট বোনের পায়ের উপর । মা টিভি ছেড়ে আড়চোখে আমাদের দেখতে লাগল । কেন জানিনা, আমার খুব ভাল লাগছিল ছোট বোনকে দেবী হিসাবে ভাবতে, ওকে দেবী দূর্গার মত ভক্তিভরে প্রণাম করতে । প্রায় ৫ মিনিট বোনের পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইলাম আমি।

 ৫ মিনিট পর বোন ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর রেখে বল্ল,- দেবী দূর্গার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে রইল অসুর । আমি আমার বোন স্বাগতার দুই পায়ের উপর একবার করে চুম্বন করে বল্লাম,- ধন্যবাদ দেবী । মা পাশ থেকে বলল,দাদার সাথে এরকম খেলিস মাঝে মাঝে । ও তাহলে মেয়েদের শ্রদ্ধা করতে শিখবে । বোন বলল , – হ্যা মা আমরা প্রায়ই এরকম খেলব এবার থেকে । তারপর আমাকে বলল,- চল দাদা, এবার আসল খেলা শুরু করি । আমি মাথা নিচু করে বললাম,- চলো দেবী ।
 শুরুতেই বোন আমাকে পরপর কয়েকটা চড় মারল, তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে আমাকে হাটুগেরে বসিয়ে দিল । তারপর কিছুক্ষন যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা হল, দেবীরুপী বোন আমাকে মারল, আর আমি মার খেলাম, মাঝে ২ -১ টা মার আটকালাম। অসুর হয়ে দেবীকে মারতে যাওয়ার চেষ্টাও করলামনা । এরপর বোন ওর চটি পরা ডান পাটা আমার কোলের উপর তুলে দিয়ে , ত্রিশুলটা পাশে রেখে আমার দুই গালে একের পর এক জোরে জোরে থাপ্পর মারতে লাগল । আমার দুই গাল লাল হয়ে গেল বোনের থাপ্পর খেয়ে । মা হাসিমুখে টিভি ছেড়ে ছোট বোনের হাতে আমার মার খাওয়া দেখতে লাগল ।

 এরপর বোন আমার কোলের উপর রাখা ডান পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাড়াল , চটি পরা বা পা দিয়ে ঠেলে আমাকে নিচে ফেলে দিল । তারপর চটি পরা বা পাটা আমার দেহের পাশে রাখা ডান হাতের তালুর উপর রেখে চটি পরা ডান পাটা আমার বুকের উপর তুলে দিল। ত্রিশুলটা আমার বুকে স্পর্শ করে বলল, কি রে অসুর, বুঝতে পারলি তোর স্থান কোথায় ? এই বলে বোন স্বাগতা ওর চটি পরা ডান পাটা আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে মায়ের সামনেই আমার ঠোটদুটো ওর চটি পরা পায়ের তলায় ঘসতে লাগল।
 আমি গভীর আবেগে আমার ৫ বছরের ছোট বোন স্বাগতার চটি পরা ডান পায়ের তলায় চুমু খেলাম আমাদের মায়ের সামনেই , – হে দেবী , আমার স্থান, তোমার জুতোর তলায় । দয়া করে আমাকে প্রানে মের না , এভাবেই তোমার চটির তলায় থেকে পুজিত হতে দাও তোমার সঙ্গে । বোন মুখে হাসি ফুটিয়ে বল্ল ,- তোকে প্রাণে মারব না, কিন্তু তোকে তোর পাপের শাস্তি পেতেই হবে । এই বলে বোন চটি পরা ডান পাটা আমার নাকের উপর রেখে বা পাটা তুলে পুরো দেহের ভর আমার নাকের উপর রাখা চটি পরা ডান পায়ের উপর নিয়ে আসল ।

বোনের পায়ের চাপে আমার নাকটা প্রায় মুখের সাথে মিশে যাবার উপক্রম হল । প্রবল ভক্তিতে আমি বোনের উদ্দেশ্যে দেবী বন্দনার মন্ত্র পড়তে লাগলাম । ছোট বোন স্বাগতাকে সত্যি আমার স্বর্গের দেবী দূর্গা মনে হতে লাগল । প্রায় ৫ মিনিট পর বোন আবার ওর চটি পরা বা পাটা আমার ডান হাতের তালুতে নামিয়ে দিল , আর চটি পরা ডান দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে লাগল । আমার কপাল, নাক , ঠোট সর্বত্র আছড়ে পরতে লাগল আমার দেবীসম ছোট বোনের চটি পরা ডান পা ।

 একটু পরে আমার বোন ওর নীল চটি পরা দু পা দিয়েই আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল, আমাদের মায়ের সামনেই । আমি বোন স্বাগতার উদ্দেশ্যে দেবী দুর্গা বন্দনার মন্ত্র পাঠ করে চল্লাম । প্রবল যন্ত্রনাহ আমি বারবার কুকড়ে যেতে লাগলাম । তবু বোন জোরে জোরে আমার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেল , আর মাঝে মাঝে চটি পরা পায়ে আমার মুখে উঠে দাড়াতে লাগল । বোনের প্রতি প্রবল ভক্তিতে মন ভরে গেল আমার । প্রায় ৩০ মিনিট আমার মুখের সর্বত্র লাথি মেরে বোন থামল, একটা চেয়ার টেনে ঠিক মায়ের পাশেই বসে পরল ।

 আমি ৪ হাত পায়ে বোনের কাছে এগিয়ে গেলাম । বোনের নীল চটি পরা দুই পায়ে উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, – হে দেবী দূর্গা, তোমার ভক্ত এই অসুরকে তোমার পদতলে স্থান দাও । আমি পাগলের মত চুমু খেতে লাগলাম বোনের দুই পায়ে, বোনকে সত্যি দেবী দুর্গা বলে মনে হতে লাগ্ল আমার । মা বল্ল, – ছোট বোন মানে দাদাদের কাছে দেবী দূর্গাই, এখন থেকে তুই বোনকে দেবী দুর্গার মতই ভক্তি করবি। আমি বোনের দুই পায়ে একের পর চুম্বন করতে করতে অস্ফুট স্বরে মাকে বললাম,- হ্যা মা ।

 বোন একটা পা আমার মাথার উপর বোলাতে লাগল, আমি ওর অন্য পায়ে প্রবল ভক্তিতে চুম্বন করতে লাগলাম । এক্টু পরে আমি সোজা হয়ে বোনের পায়ের তলায় শুলাম । বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার ঠোটজোড়া প্রথমে ঘস্তে লাগল ওর চটি পরা পায়ের তলায় । তারপর দেবী স্বাগতা আদেশ করল আমাকে জিভ বার করে দেওয়ার জন্য । আমি জিভ বার করে দিতে দেবী আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর নিজের চটির তলা ঘষে মুছতে লাগল । প্রথমে বা চটির তলা, তারপর ডান চটির তলা, আমাদের মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘসে পরিষ্কার করে নিল স্বাগতা ।

 এরপর স্বাগতা আদেশ করল ওর জুতোগুলো নিয়ে আসতে । আমি ওর জুতো গুল মাথায় তুলে নিয়ে এলাম । বোন আদেশ দিল, ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরে জুতোগুলো একের পর এক ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলা গুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে । আমি একের পর ওর জুতোগুলো ওর পায়ে পরিয়ে জুতোর তলাগুলো চেটে পরিষ্কার করে দিতে লাগলাম। আমার দেবী স্বাগতার জুতোর তলার ময়লা পরম ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম আমি, আর বোন মাঝে মাঝে আমার মুখে ওর জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল ।

 সেই থেকে আমার বোন স্বাগতা আমার দেবী দূর্গা, আমার প্রভূ। এখনও ও আমার ছোট বোন, ও অসুস্থ হলে আমি ওর মাথায় হাত বুলিয়র দিই ওর পাশে বসে । এখনও ও আমার প্রিয় বন্ধু, প্রাণের কথা আমাকে না বলে ও থাকতে পারে না । সেই সঙ্গেই ও আমার প্রভু । আমি দুবেলা ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম ওকে, ওর পা ধুয়ে জল খাই। বোন আমার গলায় পোশা কুকুরের মত কলার পরিয়ে রাখে। ও যখন টিভি দেখে , ওর চটি পরা পা দুটো রাখে আমার মুখের উপর । আমি ভক্তিভরে ওর পা টিপে দিই ঘণ্টার পর ঘণ্টা । স্বাগতার মন খারাপ হলে আমার মুখের উপর বুটজুতো পরা পা দিয়ে একের পর এক লাথি মেরে মন ভাল করে নেয় ও ।

 আমার মা বলে, দাদা আর বোনের সম্পর্ক এরকমই হওয়া উচিত । দাদার কাছে ছোট বোন মানে একইসঙ্গে ছোট বোন, বন্ধু, প্রভু ও দেবী দুর্গা । ছোট বোনের সেবাই দাদাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হওয়া উচিত । আমিও বোন স্বাগতাকে ঠিক এই চোখেই দেখি । ওকে আর ওর সব বান্ধবীকে দেবী বলে ভাবি । আমি জানি , স্বাগতার পায়ের তলাতেই আমার স্বর্গ, ওর জুতোর তলার ময়লাই আমার জন্য অমৃত ।


Monday, 1 September 2014

আমি আর দিদি

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

১০ বছর আগের একটা শীতের সন্ধ্যা । আমি তখন ক্লাস ৯ এ পড়ি । বাবা , মা আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া দিদি টিভি তে ইংলিশ মুভি দেখছিল।  বাবা আর মা বসে ছিল খাটে ।  দিদি একটা চেয়ারে ।  আমি দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে শুয়েছিলাম । দিদির পরনে ছিল ছাই রঙের জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট । পায়ে নীল চটি । সবাই মন দিয়ে সিনেমা দেখছিল ।
আমি ইংলিশ ভাল বুঝতাম না বলে বারবার প্রশ্ন করে ওদের বিরক্ত করছিলাম । দিদি রেগে গিয়ে শেষে বললো, পড়াশোনা না করলে ইংলিশ বুঝবি কি করে ? তোকে সিনেমা দেখতে হবে না । পড়াশোনা কর গিয়ে । আমি তখন বললাম, “ সরি দিদি , ভুল হয়ে গেছে । আর প্রশ্ন করব না 
দিদি মুচকি হেসে বলল  আবার প্রশ্ন করলে তোকে কিভাবে চুপ করাতে হবে আমার জানা আছে ।
একটু পরে পুরন কথা ভুলে আমি আবার প্রশ্ন করে ফেললাম ।  আমি উত্তরের জন্য দিদির দিকে তাকিয়েছিলাম । দিদি আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল  তোকে কিভাবে থামাতে হয় আমার জানা আছে।
এই বলে দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা বাবা মায়ের সামনেই আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে হেসে বলল, “ দেখি , এবার তুই কিভাবে কথা বলিস। “  বাবা মা দিদিকে কিছুই বলল না । মন দিয়ে এভাবে সিনেমা দেখে যেতে লাগলো যেন কিছুই হয়নি । দিদি মিনিট দুয়েক পরে চটি পরা বাঁ পা টাও আমার মুখের ওপর তুলে দিয়ে চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখের ওপরে একটা আলতো লাথি মেরে বলল, “ চুপচাপ শুয়ে না থেকে বরং আমার পা দুটো একটু টিপে দে ।
বাবা মায়ের সামনেই দিদি আমার মুখের ওপর চটি পরা পা রেখে বসে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে পা টিপতে হুকুম করছে ! এতদিন এভাবে দিদির সেবা শুধু স্বপ্নেই করেছি ! কেন জানিনা , দিদির সেবা করছি এই চিন্তা আমাকে অদ্ভুত আনন্দ দেয় চিরকাল । আর আজ আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে !
আমি হাত বাড়িয়ে দিদির পা দুটো টিপতে লাগলাম । আর দিদি আমার মুখে  ওর চটির তলা দুটো আসতে আসতে ঘষতে লাগলো  আমার ঠোঁট দুটোকে ডান চটির তলায়, আর কপালটা বাঁ চটির তলায় ঘষে খেলতে লাগ্ল দিদি। আমি দিদির পা দুটো পালা করে টিপতে লাগলাম। আর মাঝে মাঝে আলতো চুম্বন করতে লাগলাম দিদির ডান চটির তলায় ।

একটু পরে অ্যাড দিল টিভি তে । মা দিদিকে বলল, “ তুই ভাইয়ের মুখে চটি পরা পা রেখে বসে ওকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিস তাও ও কিছু বলছে না ! কি আশ্চর্য !
দিদি আমার মুখে ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল  ভাইয়ের মুখে দিদি পা রেখেছে এটা তো ভাইয়ের কাছে গর্বের ব্যাপার । দেখবে ও আমাকে কত শ্রদ্ধা করে ? এই বলে দিদি ওর চটি পরা ডান পা টা আমার মুখের একটু ওপরে ধরে বলল , আমার চটির তলায় চুমু খা তো ভাই । আমি একবার বাবা মায়ের দিকে দেখলাম । ওরা আগ্রহ ভরে দেখছে আমি দিদির কথা শুনি কিনা ।  আমি তারপর দিদির মুখের দিকে তাকালাম । ফর্সা সুন্দরী দিদি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে কখন আমি ওর চটি পরা পায়ের তলায় চুমু খাব আমাদের বাবা মায়ের সামনে ।  আমি দেরি করলাম না । আমার মাথাটা তুলে ঠোঁটজোড়া ছোঁয়ালাম দিদির চটির তলায় । গাঢ় চুম্বন করলাম দিদির চটির তলায় । পরপর তিনবার । দিদি ডান পা টা আমার গলার ওপর রেখে বাঁ পাটা আমার ঠোঁটের ওপর ধরল । আমি একিরকম আবেগের সঙ্গে দিদির বাঁ চটির তলাতেও চুম্বন করলাম । পরপর ৩ বার । দিদি চটি পরা পা আমার চুলের ওপর বুলিয়ে আমাকে আদর করতে করতে বলল  এবার ভাল ভাইয়ের মত দিদির চটির তলা মোছার জন্য জিভটা বার করে দে তো । আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মত আমার প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম। দিদির চটির তলা মোছার জন্য যতটা সম্ভব বার করে দিলাম আমার জিভটা । আর দিদি বাবা মায়ের সামনে ওর চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার জিভের ওপরে নামিয়ে দিল। আমার জিভের ওপর ঘষে পরিস্কার করতে লাগল নিজের চটির তলা । আমি নিজের বাবা মায়ের সামনে নিজের দিদির চটির তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম পরম ভক্তিতে ।