Sunday, 1 November 2015

আমার দিদি সায়নী

আমার দিদি সায়নী ( Original story sent by Sayan. Edited and extended version written by Khoka.)  
আমার নাম সায়ন আমার বয়স এখন ১৯, কলেজে পড়ি আমার দিদির নাম সায়নী, বয়স ২১ দিদি দেখতে অসাধারন সুন্দরী, লম্বা ফর্শা সেই সাথে ছোট থেকেই দিদি খুব ডমিনেটিং আমাকে মারতে আর হুকুম করতে ছোট থেকেই দিদি খুব পছন্দ করে
আমার বাবা বেশ বদরাগী মেজাজি, তবে চাকরির সুত্রে বাইরে থাকত মাসে একবারের বেশি বাড়ি আসত না মাই আমাদের দুই ভাই বোনকে বড় করেছিল ছোটবেলায়, আমার যখন বছর বয়স, তখন খেলার সময় দিদি একবার আমাকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়, ফলে আমার দুধের দাঁত পরে যায় পরে যখন দাঁত উঠল, তখন ওইখানে বড় বড় দাঁত উঠল দিদি ক্ষেপিয়ে বলত , “ ইশ ভাই, তোর দাতের যা অবস্থা, তোর আর কোনদিন বিয়ে হবে না
আমি মুখ কাচুমাচু করে দিদিকে বলতাম, ‘তুমি লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিলে বলেই তো এরকম হল আমার
দিদি জবাবে আমাকে চড় বাঁ লাথি মেরে বলত, “ বেশ করেছিলামআমি তোর দিদি, তোকে যখন খুশি মারব আমি
আমার খারাপ চেহারা নিয়ে আমি খুব দুশ্চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম আমার এক দাতের ডাক্তার দূর সম্পর্কের মামা একদিন আমাকে দেখে বলল, “ ওর দাঁতে ক্লিপ পরালে দাঁত সোজা হয়ে যাবে
কিন্তু বাবা বাড়ি ফিরে আমার কথা শুনেই উড়িয়ে দিল, পোলাগো চেহারা দিয়া কি হইব পোলারা শুধু ট্যাকা কামাইতে ফারলেই হল, ওগো চেহারা দিয়া কিছু যায় আসে না
বাবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তো ক্লিপ লাগাতে পারব না ১০ বছর বয়সী আমি খারাপ চেহারার দুঃখে মুখ শুকনো করে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম তাই দেখে দিদি ইচ্ছা করে আমাকে ক্ষেপিয়ে আরও দুঃখ বাড়িয়ে দিতে লাগল আমার
সেই মামা যখন শুনল বাবা ক্লিপ পরাতে দেবে না, তখন বলল, “ কি আর করবি তুই বরং আঙ্গুল দিয়ে জোরে চেপে দাঁত মাজবি আসতে আসতে দাঁত একটু নিচু হয়ে যাবে 
তাই শুনে দিদি বলল, “ কতক্ষন ধরেই বা রোজ দাঁত মাজবে? তাছাড়া ওর আঙ্গুলে জোর নেই আমার মাথায় একটা ভাল বুদ্ধি আছে
কি বুদ্ধি?” মামা জিজ্ঞাসা করল
দিদি চেয়ারে বসে টিভি দেখছিল দিদির পরনে ছিল নীল টপ, সাদা প্যান্ট, পায়ে নীল চটি আমার ১২ বছর বয়সী সুন্দরী দিদিকে ঘরের পোশাকেও দারুন সুন্দরী লাগছিল
দিদি বলল,” বলছি তার আগে ভাই , তুই এসে আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পর তো
দিদি কেন আমাকে ওর পায়ের কাছে মাথা রেখে শুতে বলছে বুঝতে পারলাম না তবে আমি ছিলাম দিদির বাধ্য ভাই, আমার সুন্দরী দিদি যা করতে বলত, ছোট থেকেই বিনা প্রশ্নে তা পালন করতাম আমি তাই আমি প্রশ্ন না করে দিদির চটি পরা পায়ের ঠিক পাশে নিজের মাথা রেখে শুয়ে পরলাম
দেখ ভাই, মামা তোকে জোরে চাপ দিয়ে দাঁত মাজতে বলছে যাতে হাতের চাপে তোর দাঁত মুখেরভিতর ঢুকে যায় আসতে আসতে কিন্তু তোর হাতে কতটুকু জোর আছে? তার চেয়ে আমি যখন টিভি দেখব বাঁ পড়ব, তুই এসে আমার পায়ের কাছে শুবি
এই বলে দিদি মামার চোখের সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিল
এইভাবে আমি তোর মুখের উপর চটি বাঁ জুতো পড়া পা রেখে বসে থাকলে আমার পায়ের চাপে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ভিতরে ঢুকে নর্মাল হয়ে যাবে
দিদি আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলাটা ঘষতে লাগল
এভাবে তোর ঠোঁটের উপর চটির তলা ঘষলে আরও বেশি চাপ পরবে তাতে তোর দাঁত আরও তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে তারপর দিদি চটি পড়া ডান পা দিয়ে পরপর -১০ টা লাথি মারল আমার ঠোঁটের উপর , বেশ জোরে
এইভাবে তোর ঠোঁটের উপর জোরে জোরে রোজ লাথি মারলে আরও চাপ পরবে তোর দাতের উপর তাতে তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে
দিদি এরপর ওর চটি পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর রাখল তারপর চেয়ার ধরে উঠে দাঁড়াল আমার মুখের উপর মিনিট ধরে আমার মুখের উপর মামার সামনেই চটি পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থেকে দিদি বলল, “ এভাবে রোজ তোর মুখের উপর চটি বা জুতো পড়া পায়ে দাঁড়িয়ে থাকব তাতে আরও তাড়াতাড়ি তোর দাঁত সমান হয়ে যাবে
দিদি ওর চটি পরা পায়ে আরও প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল আমার মুখে তারপর আবার চেয়ারে বসে আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল, “ তোর জন্য অনেক খাটতে হচ্ছে আমাকে তুইও খাট আমার জন্য চুপচাপ শুয়ে না থেকে পা টিপে দে আমার দিদির মুখের মিষ্টি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল দিদি খুব এঞ্জয় করছে এই ঘটনা
মামা আমার সঙ্গে দিদির ব্যবহারকে বাচ্চাদের খেলা ভেবে হাসি মুখে দেখছিল আমাদের ততক্ষনে মাও এই ঘরে চলে এসেছে মামা মাকে বুঝিয়ে বলল আমরা কি করছি শুনে মাও হাসি মুখে আমাদের দেখতে লাগল কিন্তু মা আর মামার সামনে দিদির সেবা করছি ভাবতেই একটা অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম আমার হৃদয়ে আমি দুই হাত দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম চাকরের মতো আর দিদি মা আর আমার সামনেই আমার ঠোঁটের উপর ওর ডান চটির তলা ঘষতে লাগল আমি প্রবল ভক্তিভরে মা আর মামার সামনে আমার পুজনীয় সুন্দরী দিদির পা টিপে সেবা করতে লাগলাম
আচ্ছা, এভাবে কি সত্যি ওর দাঁত ঠিক হয়ে যাবে? মা মামাকে সিরিয়াস গলায় জিজ্ঞাসা করল
হ্যা, রোজ যদি কয়েক ঘন্টা করে এভাবে দিদির চটি পড়া পায়ের তলায় শুয়ে থাকে তাহলে ওর দিদির পায়ের চাপে ওর দাঁত আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে ক্লিপ লাগালেও তো দাঁত এইভাবে চাপে পরেই সমান হয় ওর বাবা যখন ক্লিপ লাগাতে ইচ্ছে না তখন এভাবেও দাঁত সমান হবে তবে ওকে রোজ অন্তত - ঘন্টা এভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে থাকতে হবে রোজ তাহলে - বছরে দাঁত প্রায় সমান হয়ে যাবে সাথে ওর দিদি ওর মুখে জুতো পড়া পায়ে রোজ কিছুক্ষন উঠে দাঁড়িয়ে থাকলে বা জুতো পড়া পায়ে ওর মুখে লাথি মারলে আরও ভাল হবে
এই শুনে মা বলল, “ তাহলে তো ভালই। রোজ বিকেলে খোকা এইভাবে ওর দিদির টিভি দেখার সময় দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপে দেবে, মুখে দিদির লাথি খাবে । ও বাইরে না বেরলে আমিও একটু নিশ্চিন্ত থাকি” ।
 আমি মন দিয়ে দিদির বাঁ পা টা টিপছিলাম তখনও, আর দিদি ওর  চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোটের উপর ঘসছিল, মাঝে মাঝে লাথিও মারছিল। আশ্চর্যজনক ভাবে, দিদি মাঝে মাঝেই আমার ঠোঁট ছাড়া  নাক, কপাল সহ মুখের অন্যান্য জায়গাতেও লাথি মারছিল। তাতেও মা বাঁ মামা কিছু বলছিল না। হাসিমুখে আমাদের দেখছিল। আমিও ভক্তিভরে আমার পুজনীয় দেবী, আমার প্রভুর দুটো পা পালা করে টিপে দিচ্ছিলাম।
একটু পরে মামা চলে গেল। দিদি বলল, “ আজ থেকে বিকেলে আর বাইরে খেলতে যাবি না । আমার পায়ের তলায় শুয়ে থাকবি আমার চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে । আমার পা টিপতে টিপতে মুখে আমার লাথি খাবি । তাতে তোর দাঁত পায়ের চাপে আসতে আসতে সমান হয়ে যাবে । সারাদিনে যখনই সময় পাবি এসে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরবি । কি মা, আমি ঠিক বলছি না?” মায়ের দিকে তাকিয়ে হেসে জিজ্ঞাসা করে দিদি।
“একদম ঠিক”, মাও হেসে জবাব দেয় দিদিকে।
সেই দিন থেকে রোজ সবার সামনে যখনই সময় পাই, আমি এসে দিদির চটি বাঁ জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরি। দিদি আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে আমার মুখের সর্বত্র চটির তলা ঘষতে ঘষতে টিভি দেখতে থাকে । আর আমি ভক্তিভরে আআর প্রভু দিদির দুই পা টিপতে থাকি পালা করে ।  মা আমাদের এই অবস্থায় দেখে খুব খুশি হয় ।  বলে এরফলে দাঁত সোজা হওয়ার সাথে সাথে মেয়েদের সেবা করায় আমি মেয়েদের সম্মান করতেও শিখব।
দিদি ওর জুতো পড়া পায়ে মা বা অনেক আত্মীয় বন্ধুর সামনেই আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথিও মারে রোজ। দিদি যেমন আমার মুখে জোরে জোরে লাথি মারতে ভালবাসে, আমারও দারুন ভাল লাগে মুখের সর্বত্র দিদির জুতো পড়া পায়ের লাথি খেতে। লাথি খাওয়ার দৈহিক যন্ত্রনা ছাপিয়ে হৃদয়ে ফুটে ওঠে প্রভু দিদিকে সেবা করতে পারার এক অসাধারন আনন্দ।
সেই সাথে রোজ দিদি মায়ের সামনেই আমার জিভের উপর ঘষে নিজের সব জুতোর তলা পরিষ্কার করে । এর সঙ্গে আমার দাঁত সমান হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই, তবুও। মা বলে এরফলে আমি মেয়েদের সম্মান করতে শিখব। দিদি রোজ স্কুল থেকে ফিরে স্কুলে পরার সাদা স্নিকারের উপর আর তলা দুটোই আমাকে দিয়ে  চাটিয়ে পরিষ্কার করে । দিদি স্কুল থেকে ফিরে এসে টিভি রুমে চেয়ারে বসে। আমি দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে জিভ দিয়ে চেটে দিদির জুতোর উপরটা পরিষ্কার করে দিই। তারপর দিদির পায়ের তলায় চিত হয়ে শুয়ে পরি আমি। দিদি আমার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে চেয়ারটা ধরে ব্যালেন্স করে উঠে দাঁড়ায়। আমার মুখের উপর জুতো পড়া পা রেখে মায়ের সামনেই ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে দিদি। এরপর দিদি নেমে চেয়ারে বসলে আমি দিদির জুত্লেপরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিই। তারপর দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে হাতজোর করে বসি । দিদি তখন জুতো পরা দুই পায়ে আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক লাথি মারতে থাকে। আমার মুখে অন্তত ১০০ টা লাথি মেরে থামে দিদি। এরপর আমি আবার চিত হয়ে শুই দিদির পায়ের কাছে মাথা রেখে । দিদি ওর জুতো পড়া পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে আমাকে জিভ বার করতে আদেশ দেয় । আমি জিভ বার করলে দিদি স্কুলে পরার জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘষে পরিষ্কার করে নেয় মায়ের সামনেই । আমি আমার প্রভু দিদির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেয়ে নিই।
এরপর আমি দিদির পা থেকে জুতো খুলে দিদির পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। দিদি ওর চটি পরা পা দুটো আমার মুখের উপর রেখে চটির তলা দুটো আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে থাকে , মাঝে মাঝে লাথি মারতে থাকে আমার মুখে। আমিও দিদির চটির তলা চাটতে চাটতে ভক্তিভরে প্রভু দিদির পা টিপতে থাকি। পরের ৩-৪ ঘন্টা আমি এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে দিদির পা টিপি। আর সারাদিনে যখনই সময় পাই এইভাবে দিদির পায়ের তলায় শুয়ে পরে দিদির পা মুখে নিয়ে পা টিপে দিই।
এইভাবে দিদির সাহায্য পেয়ে মাত্র ৩ বছর পরেই আমার সামনে দাঁত সমান হয়ে যায় । কিন্তু মা বলে, একইভাবে দিদির সেবা করা চালিয়ে যেতে , যাতে আমি মেয়েদের সম্মান করা শিখি।
শুধু আমার স্কুলে পরার সময় বাবা এসবের কিছু জানত না । বাবা বাড়ি থাকলে আমরা উপর তলায় আমাদের ঘরে চলে যেতাম আর আমি দিদির সেবা করতাম। কিন্তু আমি কলেজে উঠতে মা বলল এবার বাবার সামনেও দিদির সেবা করবি ওইভাবে”।
প্রথমদিন আমাকে ওইভাবে দিদির সেবা করতে দেখে বাবা আতকে উঠে বলেছিল, “ ওই পুলা, এইডা কি করস তুই? পাগল হইছস নাকি?”
কিন্তু মা সামলে নিয়েছিল ব্যাপারটা। বাবাকে ধমকে বলেছিল,” যা করে বেশ করেআমাদের ৩ জনের সম্মতি আছে এতে । তোমার ভাল না লাগলে এই বাড়িতে আর আসতে হবে না”। বাবা শুনে চুপ করে গিয়েছিল। আর আপত্তি করে নি । সেই থেকে বাবা মা সহ সবার সামনেই আমি ক্রীতদাসের মতো আমার প্রভু দিদির সেবা করি। বাকি জীবনটাও তাই করে যাব।



Thursday, 1 October 2015

বৌদি আর শ্রীতমা ( খোকা )


বৌদি আর শ্রীতমা ( খোকা )

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না )

সেদিন রোজকার মতো বৌদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বৌদির পা দুটো পালা করে টিপে দিচ্ছিলাম আমি । বৌদির নাম সীমা, আমাদের ঠিক পাশের বাড়িতে থাকে । বৌদির  বয়স এখন প্রায় ৩৪-৩৫ হবে, আমার থেকে প্রায় ১০ বছরের বড় । দাদা চাকরি সূত্রে দীর্ঘদিন বাইরে থাকে, বছরে ২-৩ বার আসে । সীমা বৌদি বিয়ের পর এইবাড়িতে আসার পরই আমার সাথে বৌদির খুব ভাব হয়ে যায় । আমি তখন ৯-১০ বছরের বাচ্চা । বৌদি আমাকে খুব ভালবাসত, এটা ওটা খাওয়াত , আবার বাড়ির কাজও করাত । আমার কেন জানিনা খুব ভাল লাগত বৌদির কাজ করে দিতে , সেই ছোটবেলা থেকেই । যেভাবে হোক বৌদিকে খুশি করতে চাইতাম । বৌদির ফর্শা , অসাধারন সুন্দর মুখে আমি হাসি ফুটিয়ে তুলতে চাইতাম সবসময় ।
বৌদিদের তুলনায় আমাদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভাল ছিল । তবু অসাধারন সুন্দরী বউদিকে দেখলেই আমার যেভাবে হোক বৌদির সেবা করতে ইচ্ছা করত । বউদিদের ঘর ঝাট দেওয়া, ঘর মোছা , বাসন মাজা , কাপড় কাচা, ইত্যাদি সব কাজই ক্রমে বৌদি আমাকে দিয়ে করাতে লাগল। একদিন বৌদি শপিং করতে বাইরে বেরবে, তাই জুতো পরতে যাচ্ছিল। আমি দেখতে পেয়েই ছুটে এসে বৌদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসেছিলাম । আমি থাকতে তুমি নিজে হাতে জুতো পরবে কেন ? শুনে বৌদি মুচকি হেসে বলেছিল, “ঠিক আছে । আমি বাড়ি ফিরলে আমার জুতো পরিষ্কারও তোকে দিয়ে করাব”।
আমি বৌদির পায়ে জুতো পরাতে পরাতে বলেছিলাম, “ নিশ্চয় বৌদি। এখন থেকে তোমার সব জুতো আমি পরিষ্কার করে দেব” । বৌদি শপিং থেকে ফিরতে সেদিন আমি বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা থেকে জুতো খুলে দিতে বৌদি বলেছিল, “ জুতো একটু পড়ে পরিষ্কার করবি । হেঁটে হেঁটে পায়ে ব্যাথা হয়ে গেছে, একটু পা টিপে দে এখন” ।
আমি ঠিক চাকরের মতো সোফায় বসা বৌদির পা টিপে দিয়েছিলাম। প্রায় ১ ঘন্টা ধরে । তারপর বৌদির জুতো পরিষ্কার করেছিলাম । সেই থেকে এগুলোও আমার রোজকার রুটিন হয়ে গিয়েছিল । বাড়িতে থাকলেও বৌদি আমাকে দিয়ে রোজ পা টেপাত ।
বৌদির একটাই মেয়ে , শ্রীতমা । ওর বয়স এখন ১৪ । ও ছোট থেকেই দেখেছে ওর মা আমাকে চাকরের মতো খাটায় ।  ফলে আগে ও আমাকে কাকু বলে ডাকলেও ( এখন নাম ধরে, তুই করে ডাকে ) ও চিরদিন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করে যেন আমি ওর চাকর । কথায় কথায় আমার সঙ্গে অকারনে দুর্ব্যবহার করে শ্রীতমা । শ্রীতমাকে দেখতে একদম বৌদির মতো, একইরকম ফর্শা আর সুন্দরী । কেন জানিনা, এত ছোট একটা মেয়ের হাতেও আমার অপমান্ত হতে খারাপ লাগে না, বরং ভীষণ ভাল লাগে । আমার মন চায় বৌদির সামনেই শ্রীতমা আমাকে যেভাবে খুশি অপমান করুক ।
আমি সেদিন বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা টিপে দিচ্ছিলাম । বৌদির নীলচটি পরা পা দুটো কোলের উপর নিয়ে আমি যত্ন করে টিপে দিচ্ছিলাম । বৌদি একটা বই পড়তে পড়তে আমার সেবা নিচ্ছিল। হঠাত কলিং বেল বেজে উঠল , পরপর ৩ বার । শ্রীতমা স্কুল থেকে ফিরল ।
আমি ছুটে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম । ঘরে ঢুকেই সম্পুর্ন অকারনে শ্রীতমা পরপর আমার দুইগালে দুটো থাপ্পর বসিয়ে দিল। “ দরজা খুলতে তোর কত সময় লাগে?”
আমি ভেবাচেকা খেয়ে গালে হাত বোলাতে লাগলাম । ও বেল বাজানোর ২০-৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই আমি দরজা খুলে দিয়েছি । আর কত তাড়াতাড়ি দরজা খুলব? তবে শ্রীতমার সাথে তর্ক করার সাহস হল না আমার । আমি গালে হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, “ সরি ম্যাডাম , ভূল হয়ে গেছে”।
আবার আমার বাঁ গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মারল শ্রীতমা, “ গাল থেকে হাত সরা”। আমি হতভম্ব হয়ে আমার ডান গাল থেকে হাত সরালাম।
ঠাস !
ঠাস !!
ঠাস !!!
ডান গাল, বাঁ গাল, ডান গালে পরপর ৩ টে সজোরে থাপ্পর মারল শ্রীতমা।
“কি করিস তুই? দুপুরবেলা নাক ডাকিয়ে ঘুমানোর জন্য তোকে এই বাড়িতে রাখা হয়েছে ? রোজ দরজা খুলতে এত টাইম লাগাস কেন?”
  বৌদিও এইঘরে এসে মুখে মুচকি হাসি ঝুলিয়ে তার মেয়ের হাতে আমার অপমান দেখছে । এই ছোট্ট মেয়েটার হাতে অপমানিত হতে চিরদিনই খুব ভাল লাগে আমার । আজও এই কমবয়সী সুন্দরী মেয়েটির হাতে অপমানিত হওয়ায় এক অসাধারন সুখে মন ভরে উঠেছিল আমার । শ্রীতমা এমনভাবে কথা বলছে যেন আমি ওদের মাইনে দিয়ে রাখা চাকর । আমার গালে অকারনে পরপর ৬ টা থাপ্পর মেরেছে ! তার জবাবে ওর প্রতি ভক্তিতে মন ভরে উঠল আমার । বৌদির সামনেই তার মেয়ের পায়ের উপর মাথা রেখে ওর জুতোর উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। “ আমার ভূল হয়ে গিয়েছে ম্যাডাম । আর কোনদিন এরকম ভূল হবে না । প্লিজ, এবারের মতো ক্ষমা করে দাও আমাকে”।
 জবাবে আমার মাথার উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে জুতোর তলাটা আমার মাথার উপর কিছুক্ষন বোলাল শ্রীতমা । তারপর, আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার মাথার উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে পর পর দুটো লাথি মারল।
“ কিসের ক্ষমা? ভূলের কোন ক্ষমা নেই আমার কাছে । তোর জন্য কঠর শাস্তি অপেক্ষা করে আছে । ঘরে আয়’।
শ্রীতমা ওর স্কুলব্যাগটা নামিয়ে দিয়ে ভিতরের ঘরে চলে গেল। আমি ওর ব্যাগটা ওর টেবিলে রেখে ফ্রিজ থেকে একগ্লাস জল এনে শোফায় বৌদির ঠিক পাশে বসা শ্রীতমার হাতে দিলাম । তারপর শ্রীতমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম । সঙ্গে সঙ্গেই ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা তুলে আমার মুখের উপর সজোরে একটা লাথি মারল শ্রীতমা ।
আমি টাল সামলাতে না পেরে উলটে পড়ে গেলাম । বৌদি একটুও আপত্তি করল না ওর মেয়েকে এইভাবে আমাক্র মুখে লাথি মারতে দেখে । উল্টে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, ‘আরও মার, এরকম অপদার্থ চাকরেরা মনিবের মার না খেলে ঠিক হয় না”।
আমি উঠে আবার শ্রীতমার পায়ের কাছে হাটুগেরে বসলাম । শ্রীতমা এবার আমার মুখের উপর জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মারল। আমি আবার উলটে পড়ে গেলাম নিচে।
আমার একটুও খারাপ লাগছিল না শ্রীতমার কাছে আমার এই অপমান ।শ্রীতমা আমার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের  ছোট তাতে কি হয়েছে ? শ্রীতমার মতো সুন্দরী মেয়ে আমার মতো সাধারন চেহারার ছেলের মুখে লাথি মারবে এটাই তো স্বাভাবিক ।  

 আমার পায়ের তলায় শুয়ে পর কুত্তা  অপরুপা সুন্দরী শ্রীতমা হুকুম করল আমাকে ।
আমার আর একটুও খারাপ লাগছিল না । শ্রীতমার হাতে মার খাওয়ার আনন্দ মনকে এক অদম্য সুখ দিচ্ছিল । বৌদির সামনে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার জন্য শ্রীতমাকে আমি মনে মনে ধন্যবাদ দিলাম । শ্রীতমার আদেশ মেনে শুয়ে পরলাম ঠিক শ্রীতমার পায়ের কাছে মাথা রেখে ।
আমার সুন্দরী প্রভু শ্রীতমা ওর সাদা স্নিকার পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । শ্রীতমার ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর , আর বাঁ পা টা আমার কপালের উপর রাখা । নিজের জুতো পরা পায়ের তলা আমার মুখের উপর ঘষতে ঘষতে শ্রীতমা বৌদিকে বলল, ‘ মা, তুমিও ওর বুকের উপর পা তুলে দাও । ও তো আমাদের চাকর , আমাদের ক্রীতদাস । ওর জায়গা আমাদের পায়ের তলাতেই  

বৌদি একবার আপত্তিও করল না ! শ্রীতমার কথায় ওর নীল চটি পরা পা দুটো তুলে দিল আমার বুকের উপর । শ্রীতমা আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা ঘষতে লাগল । জুতো পরা ডান পায়ের তলা দিয়ে আমার ঠোঁট একবার বাঁ দিকে , একবার ডান দিকে বেকিয়ে খেলতে লাগল আমার আরাধ্যা দেবী , আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু শ্রীতমা  । যাবতীয় খারাপ লাগা ছাপিয়ে এক অপরুপ আনন্দে ভরে উঠল আমার মন ।
শ্রীতমা একটু পরে জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে আমার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মেরে বলল, ‘ এই কুত্তা , আমার পা টিপে দে
প্রবল আনন্দে আমি দুই হাত দিয়ে শ্রীতমার বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম যত্ন করে । আর শ্রীতমা ওর ডান জুতোর তলাটা আমার ঠোটে ঘষে খেলতে লাগল ।
একটু পরে শ্রীতমা ডান পা দিয়ে লাথি মারল আমার নাকের উপর । জিভ বার কর, তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে 

আমার জিভের উপর শ্রীতমা নিজের জুতোর তলা মুছবে ? আমার জিভ কি শ্রীতমার কাছে একটা পাপোশ ? যে জুতো পড়ে এক্ষুনি বাইরে থেকে এল শ্রীতমা , যার তলাটা ধুলো ময়লায় কালচে হয়ে আছে , সেই জুতোর তলা শ্রীতমা আমার জিভের উপর মুছবে ? প্রবল আনন্দে আমি নিজের জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম । আমার মুখের বাইরে বার করা জিভের উপর শ্রীতমা নিজের ডান জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল । আসতে আসতে আমার জিভে ঘষতে লাগল নিজের ডান জুতোর তলা । আমি সারা মুখ জুড়ে ধুলো কাদার অস্বস্তিকর স্বাদ পাচ্ছিলাম । কিন্তু এই ধুলোর উৎস আমার প্রভু , আমার আরাধ্যা দেবী শ্রীতমার জুতোর তলা থেকে আসছে, এই চিন্তা সেই স্বাদকেই অমৃত করে তুলেছিল । আমি গিলে খাচ্ছিলাম শ্রীতমার জুতোর তলার ময়লা , আর মাঝে মাঝে জিভটা মুখে ঢুকিয়ে জিভটা ভিজিয়ে নিয়ে আবার পরিষ্কার জিভটা বার করে দিচ্ছিলাম শ্রীতমার জুতোর তলা মোছার জন্য । বৌদি আমার বুকের উপর ওর চটি পরা দুই পা রেখে বসে নিজের মেয়ের কান্ড দেখছিল । শ্রীতমা আমার জিভের উপর ওর ডান জুতোর তলা ঘষছিল , আর আমি পরম ভক্তিতে আমার কপালের উপর রাখা শ্রীতমার জুতো পরা বাঁ পা টা টিপে দিচ্ছিলাম । শ্রীতমা প্রায় ১৫-২০ মিনিট আমার জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা  ঘষল ।  ততক্ষনে শ্রীতমার ডান জুতোর তলা আয়নার মত চকচক করছে শ্রীতমার জুতোর তলায় আমি আমার মুখের অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব দেখতে পাচ্ছি ।
এরপর শ্রীতমা ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার গলার উপর রাখল । আমি জিভটা মুখের ভিতর ঢুকিয়ে শ্রীতমার ডান জুতোর তলার পুরো ময়লাটা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে আবার জিভটা যতদূর সম্ভব বার করে দিলাম শ্রীতমা এবার আমার জিভের উপর নিজের জুতো পরা বাঁ পায়ের তলাটা নামিয়ে দিল । আমার জিভের উপর নিজের নোংরা সাদা স্নিকারের তলাটা ঘষতে লাগল শ্রীতমা । আমি মাঝে মাঝে জিভটা মুখে ঢুকিয়ে প্রবল ভক্তিভরে আমার দেবী শ্রীতমার বাঁ জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম । তারপর আবার পরিষ্কার জিভটা বার করে দিতে লাগলাম যাতে আমার সুন্দরী ১০ বছরের ছোট প্রভু শ্রীতমা তার উপর নিজের জুতোর তলা মুছে পরিষ্কার করতে পারে । সেই সাথে আমি ভক্তিভরে শ্রীতমার জুতো পরা ডান পা টা টিপতে লাগলাম ।
প্রায় ১৫ মিনিট পর বাঁ জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে শ্রীতমা নিজের বাঁ পা আবার আমার কপালের উপর রাখল । আমি শ্রীতমার জুতোর তলার প্রতিটা ময়লার দানাও ভক্তিভরে গিলে খেয়ে নিলাম।
ওয়াও ! ও শুধু আর আমাদের চাকর নেই , পুরো স্লেভ হয়ে গেছে । তুই ওর মুখে জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মারলি, ওর জিভের উপর জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করলি , ও একটুও আপত্তিও করল না । আমি তো ১০ বছর ধরে ওকে চাকর বানিয়ে রেখেছি । তবু এতটা আমিও বিশ্বাস করতে পারছি না” । বিস্ময় চেপে রাখতে না পেরে বৌদি বলল ।
শ্রীতমা হেসে বলল, ‘এখন থেকে তো ও আমার স্লেভই । এইভাবেই রোজ ও আমার সেবা করাবে । তুমিও এখন থেকে এভাবেই ওকে দিয়ে সেবা করিও মা, দারুন মজা পাবে
শ্রীতমার কথা শুনে মুখে হাসি ঝুলিয়ে বৌদি উঠে দাড়াল । শ্রীতমা একটু সরে বসে আমার বুকের উপর ওর জুতো পরা পা দুটো রাখল । বৌদি আমার মুখের সামনে এসে কোমরে হাত দিয়ে দাড়াল , তারপর আমার মুখের উপর ওর নীল চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে চটির তলা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ঘষতে লাগল ।গত ১০ বছর ধরে আমাকে দিয়ে পা টেপানোর বেশি কিছু বৌদি কখনও করেনি । একটা চড়ও আমাকে মারেনি আজ পর্যন্ত ! আর এখন , সেই বৌদিই  আমার মুখের উপর নিজের চটির তলা ঘষছে ! আমার খারাপ লাগাকে অনেক গুনে ছাড়িয়ে গেল এক তীব্র ভাল লাগা । দুই হাতে বৌদির চটি পরা ডান পা টা ধরে ওর চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম আমি ।
জবাবে হাসিমুখে আমার মুখে আলতো একটা লাথি মারল বৌদি । আমি নিজে থেকেই দুই হাতে ওর চটি পরা ডান পা টা ধরে ওর চটির তলাটা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিতে লাগলাম । বৌদি হাসিমুখে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আমাকে দিয়ে ওর চটির তলা চাটাতে লাগল । ৫ মিনিট পর ডান পা নামিয়ে আমার ঠোঁটের উপর চটি পরা বাঁ পা রেখে এবার বৌদি নিজেই বলল, ‘ নে রনি, কুত্তার মতো তোর প্রভু বৌদির চটির তলা  চাট   

এই বলে বৌদি হাসতে লাগল । আমি কুত্তার মতই জিভ বার করে বৌদির বাঁ চটির তলা চেটে নতুনের মত চকচকে করে দিলাম । ৫ মিনিট পর আমার মুখে চটি পরা বাঁ পায়ে একটা লাথি মেরে বৌদি শ্রীতমাকে বলল, ‘ এখন আমি রান্নাঘরে যাই, তোর টিফিন বানাতে হবে । পড়ে আবার তোর এই কুত্তাটাকে নিয়ে অনেক মজা করা যাবে । এই বলে বৌদি হাসতে হাসতে রান্নাঘরে ঘরে চলে গেল ।

 শ্রীতমা আবার ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘষল কিছুক্ষন , তারপর আমার মুখের সর্বত্র একের পর এক জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল জুতো পরা পা দিয়ে । আমার নাক, ঠোঁট, কপাল , গাল , সর্বত্র আছড়ে পড়তে লাগল আমার সুন্দরী প্রভু  শ্রীতমার পা । আমার ব্যথা লাগা সত্বেও এক প্রবল ভাল লাগায় আমার মন আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল ।  শ্রীতমা আমার প্রভু , আমার আরাধ্যা দেবী। আমাকে যখন খুশি, যত খুশি লাথি মারবে আমার প্রভু, আমার মালকিন শ্রীতমা । ইচ্ছা হলে আমার মুখে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেরেও ফেলতে পারে শ্রীতমা । আমার বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই ।

একটু পড়ে লাথি মারা থামিয়ে শ্রীতমা বলল, ‘ আমার জুতো খুলে দে এবার । তারপর পা ধুয়ে পা ধোয়া জল খা । তারপর রান্নাঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে টিফিন বানানো শেখ। এরপর থেকে আমাদের বাড়ির রান্নাও তোকে করতে হবে ।
 যথা আজ্ঞা প্রভু’, বলে আমার মুখের উপর রাখা শ্রীতমার জুতো পরা পা থেকে জুতো খুলে দিতে লাগলাম আমি ।



 .................

Tuesday, 1 September 2015

প্রভু রিয়া ( খোকা )

প্রভু রিয়া ( খোকা )

আমি বৌদির পায়ের কাছে বসে বৌদির পা টিপে দিচ্ছিলাম । হঠাত বৌদির মেয়ে রিয়া ঘরে ঢুকল । বৌদি ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখের উপর একটা লাথি মেরে বলল, ‘ যা গিয়ে রিয়ার সেবা কর’।
আমি বৌদির সবুজ চটি পরা পায়ের উপর নিজের মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বললাম, ‘ যথা আজ্ঞা প্রভু’।
তারপর ৪ হাত পায়ে হেঁটে পাশের চেয়ারে বসা ক্লাস ৯ এ পড়া রিয়ার পায়ের কাছে গিয়ে হাটুগেড়ে বসলাম । রিয়া তখনই স্কুল থেকে ফিরল । ওর পরনে স্কুলের শার্ট- স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা কালো জুতো । আমি রিয়ার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতেই রিয়া জুতো পরা বাঁ পায়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখে ।
“ এই কুত্তা , এটুকু আসতে কত সময় লাগে তোর ? তোকে দিয়ে সেবা করানোর জন্য তোর মালকিনকে অপেক্ষা করতে হবে নাকি ?” এই বলে রিয়া আবার আমার মুখে জুতো প্রা পায়ে জোরে লাথি মারল, এবার আমার নাকের উপর ।  
আমি সঙ্গে সঙ্গে রিয়ার পায়ে পরে গেলাম । রিয়ার কালো জুতো পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের পাতার উপর তুলে নিয়ে ওর দুই জুতোর উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম । “ প্লিজ প্রভু, আমার ভুল হয়ে গেছে, এবারের মত প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও”। রিয়ার জুতো দুটোই বর্ষার কাদা লেগে নোংরা হয়ে আছে । সেই নোংরা জুতোর উপর আমি একের পর এক চুম্বন করে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম ।
রিয়া একটু পরে ওর জুতো পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে রাখল । আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলা বোলাতে বোলাতে বলল, ‘ ঠিক আছে কুত্তা । এবারের মতো তোকে কশমা করে দিলাম । এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ফাটিয়ে দেব আমি ।“
 আমি রিয়ার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, “ ধন্যবাদ প্রভু । আর কখন এরকম ভুল করব না আমি” ।
 রিয়া তখনও আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাচ্ছিল ।  হঠাত আমার মাথার উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে আমার ভাইঝি রিয়া বলল, “ নে কুত্তা, এবার তোর প্রভুর পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পরে প্রভুর পা টিপে দে, সারাদিন স্কুল করে তোর প্রভু ক্লান্ত হয়ে গেছে”।
আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী ভাইঝি রিয়ার জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করে বললাম “ নিশ্চয় প্রভু”। তারপর বউদির সামনেই সোজা হয়ে রিয়ার পায়ের সামনে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম । রিয়া একবার ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে হাসল, তারপর ওর জুতো পড়া পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল । ওর জুতো পড়া ডান পা টা রাখল আমার ঠোঁটের উপর , আর বাঁ পা টা আমার কপালে । আমি আসতে আসতে আমার সুন্দরী ভাইঝি রিয়ার পা দুটো মন দিয়ে টিপতে লাগলাম আর রিয়া ওর জুতোর তলা দুতো আমার সারামুখে ঘসতে লাগল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা আমার ঠোটের উপর ঘসে খেলতে লাগল আমার ভাইঝি রিয়া । আমি ভক্তিভরে রিয়ার পা টিপতে টিপতে ওর জুতর তলায় গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম । রিয়া আমার সেবা নিতে নিতে ওর মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল, আর মাঝে মাঝে ওর জুতো পড়া একটা পা তুলে আমার মুখের সর্বত্র লাথি মারতে লাগল । ওর জুতো পড়া বাঁ আর ডান পা পালাক্রমে আমার ঠোঁট , নাক, গাল, কপালে আঘাত করতে লাগল । আর আমি আরও বেশি ভক্তিভরে আমার ভাইঝি রিয়ার সেবা করতে লাগলাম ।
একটু পরে রিয়া আদেশ করল, “ এই কুত্তা, এবার তোর জিভটা বার করে দে তো । তোর প্রভু জুতোর তলা মুছবে”।
আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম যাতে আমার অর্ধেকেরও কম বয়সী ভাইঝি আমার বার করা জিভের উপর ঘসে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে পারে । রিয়া একটুও দেরী করল না । আমি জিভ বার করতেই আমার বার করা জিভের উপর নিজের জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল । আমার জিভের উপর ঘষে নিজের জুতোর তলা পরিষ্কার করতে লাগল আমার ১৪ বছর বয়সী সুন্দরী ভাইঝি রিয়া । আর আমি প্রবল ভক্তিভরে রিয়ার জুতোর তলা থেকে গিলে খেতে লাগলাম পুরু কাদার স্তর ।
প্রায় ১৫ মিনিট আমার জিভের উপর ঘসে নিজের কাদাভর্তি জুতোর তলা নতুনের মত পরিষ্কার করে ফেলল রিয়া । আমি ভক্তিভরে গিলে খেয়ে নিলাম ওর জুতোর তলার সব ময়লা । তারপর আমার নাকের উপর একটা লাথি মেরে আমার বার করা জিভের উপর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল রিয়া । আমি একই রকম ভক্তিভরে রিয়ার বাঁ জুতোর তলার কাদা গিলে খেতে লাগলাম ।