Friday, 1 July 2016

আমার চার প্রভু

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

সেটা ছিল একটা শীতের সন্ধ্যা । আমার আদরের বোন অনন্যা ঘরে বসে টিভি দেখছিল । ওর পরনে ছাই রং এর জ্যাকেট আর কালো প্যান্ট, পায়ে নীল চটি । একটু আগে আমার করা টিফিন শেষ করে ও এখন পায়ের ওপর পা তুলে চেয়ার এ বসে টিভি দেখছে। আমি ওর স্কুলের জুতো পরিস্কার করে এখন ওর স্কুল ড্রেস আয়রন করছিলাম। হঠাৎ বোন ডাকলো , “দাদা, শোন। আমি ওর কাছে গিয়ে বল্লাম, “বলো এমন না যে সবসময় আমি ওকে তুমি  বলে সম্বোধন করি। তবে ও আমার ৪ বছরের ছোট আদরের বোন, ভালবেসে ওর সব কাজ করে দিই আমি। ওর জন্য টিফিন করি, ওর জামা কাচি,আয়রন করি,ঘর ঝাট দিই,জুতো পরিস্কার করে দিই । অতিরিক্ত ভালবাসাতেই ওকে বেসিরভাগ সময়ে তুমি বলে ডেকে ফেলি। বোন কিন্তু সব সময়ে আমাকে তুই বলেই ডাকে।
দাদা,পায়ে খুব ব্যাথা করছে, একটু টিপে দে না রে । মুখে হাসি ঝুলিয়ে বললো বোন। বোন যখন হাসে ওর গালে টোল পরে, ফলে ওর সুন্দর ফরসা মুখটা আরো সুন্দর দেখায়। আমি ওর পায়ের কাছে বসে পরলাম। বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলে তুলে দিলে আমি যত্ন করে আমার আদরের বোনের পা দুটৌ টিপতে লাগ্লাম। এমন না যে আজি প্রথম বোনের পা টিপছি আমি। বোন এই অনুরোধ টা প্রায় রোজই করে, আর আমি ভাল দাদার মত ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপে দি। বন পা থেকে চটি খোলেনি, চটির ওপর দিয়েই ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম। চটি পরা পায়ের পাতা থেকে ওর প্যান্টের ওপর দিয়ে ওর কাফ পর্যন্ত টিপছিলাম,আবার নেমে আসছিলাম ওর চটি পরা পায়ের পাতায় । মাঝে মাঝে ওর চটির ফাক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ওর খালি পায়ের পাতা টিপছিলাম । ছোট বোনের সেবা করতে কেন জানিনা ভীষন ভাল লাগে আমার। ওকে ভাল টিফিন করে খাওয়ানোই হোক,ওর জামা জুতো পরিস্কার করাই হোক, বা ওর পায়ের কাছে বসে মন দিয়ে ওর পা টেপাই হোক, আমাকে এক অদ্ভুত আনন্দ দেয়।
দাদা,তোকে একটা কথা বলবো ? রাগ করবি না তো ?” আমি ওর ডান পা টা তুলে ওর পায়ের পাতায় চুমু খেয়ে বল্লাম, আমি কখনো তোমার ওপরে রাগ করেছি?” বোন মুখটা বিসন্ন করে বল্ল, “না দাদা,বন্ধুদের সাথে মজা করতে গিয়ে আমি একটা ভুল করে ফেলেছি। বোনের মুখে বিশাদের ছায়া দেখে আমার মনট খারাপ হয়ে গেল। আমি ওর বাঁ পা তুলে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম, “কি ভুল বোন?”  তোর আর আমার ব্যাপারে বারিয়ে বলে ফেলেছিলাম বন্ধুদের। তুই আমার কতটা সেবা করিস সেটা অনেক বারিয়ে বলে ফেলেছি। এখন ওরা বাজি ধরেছে আমার সাথে। আমি যা বলেছি সেতা সত্যি না দেখাতে পারলে ওদের কাছে আমি ছোট হয়ে যাব। আমি বোনের পা টিপতে টিপতে বল্লাম,” তাতে কি হয়েছে বোন? তোমার বন্ধুদের সাম্নে আমি সেভাবেই তোমার সেবা করবো ,জেভাবে সেবা করার কথা তোমার বন্ধুদের বলেছ তুমি।” “না রে দাদা,আমি ত মজা করে খুব বারিয়ে বলেছিলাম। ওভাবে আমার সেবা কর্লে তোর সম্মান থাকবে না।”,বোন করুন মুখ করে বল্ল।

আমি বোনের ডান চটির তলায় চুম্বন করে বল্লাম,”বোনের সেবা করাতেই তো দাদার সম্মান। বোনের সেবা করলে দাদার আসম্মান হয় নাকি কখন? আমি ঠিক সেভাবেই তোমার সেবা করবো বোন যেভাবে তুমি বন্ধুদের বলেছ। ঠিক কি বলেছ তুমি ওদের?”
বলছি, তার আগে কথা দে ঠিক ওভাবেই আমার বান্ধবীদের সামনে আমার সেবা করে আমার সম্মান রাখবি?” “হ্যাঁ বোন, আমি কথা দিচ্ছি। তুমি বল। বোনের পা টিপতে টিপ্তে বলি আমি। আমার ৩ বান্ধবি, রাই,সুচেতনা আর লিপি কে আমি বলেছি আমি স্কুল থেকে ফেরার আগে তুই আমার জন্নে টিফিন করে রাখিস। আমি বাড়ি ফিরলে তুই দরজার সামনে আমার পায়ের কাছে শুয়ে পরিস।আমি তোর বুকে উঠে দাড়িয়ে তোর শার্ট এ আমার জুতোর তলা মুছতে ঘরে ঢুকি। ঘরে ঢুকে আমি সোফায় বসি,আর তুই দরজা লক করে আমার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে আমাকে প্রনাম করিস। তারপর তুই শুয়ে পরিস আমার পায়ের তলায়।আমি তোর বুকের ওপর পা তুলে, পায়ের ওপর পা রেখে বসি। ওপরে থাকা পা টা তোর মুখের মাত্র ২ ইন্চি অপরে দোলাতে থাকি,আর তুই আমার অন্য পা টিপতেথাকিস। আমার দোলাতে থাকা পা তা মাঝে মাঝে তোর মুখে ,থতে লাগে,তুই কিছু বলিসনা তবু।আমার পা থেকে জুতো মোজা খুলে তুই এর্পর আমার পায়ে চটি পরিয়ে দিস। আমাকে সুস্সাদু টিফিন খেতে দিস এর্পর আর আমি টিভি দেখতে দেখতে টিফিন খাই। তুই গামলায় করে জল এনে আমার পা ধুয়ে দিস,আমার পা মুছে দিস। আমার জুতো পরিস্কার করে জত্ন করে তুলে রাখিস তুই, তারপরআমার পায়ের কাছে বসে আমার পা টিপিস। পা টেপা বা টিফিন ভাল নাহলে আমি তোকে থাপ্পর আর লাথি মারি। তুই কিছু বলিস্না, বরং আমার পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চেয়ে আর ভাল ভাবে পা টিপতে থাকিস। ঐ গল্প শুনে ওরা বিস্সাস করতে চায়নি। আমি ভুল করে শেষে চ্যালেন্জ করে ফেলি।ওরা ৩ জন কাল স্কুলের পর আমাদের বারি আসবে বলেছে। এখন তুই যদি এভাবে সেবা করতে না চাস ওরা আমাকে মিথ্যুক বলবে,আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে। বলতে বলতে বোনের মুখ আর করুণ হয়ে গেল,অর চোখ দিয়ে জল পরতে লাগলো। আমি বোনের চটি পরা পা দুটো ২ হাতে ধরে তার ওপর নিজের মাথা টা নামিয়ে দিলাম। আমার দেবীর মত সুন্দরী বোনের পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতেবল্লাম, “এভাবে বোনের সেবা করা ত যেকোন দাদার স্বপ্ন। বোনের সেবা করার জন্নেই তো দাদারা বেঁচে থাকে। তুমি কেঁদনা প্লিজ বোন। ঐভাবে তোমার সেবা করতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে। বোন হাতের তালু দিয়ে চোখের জল মুছে বল্ল, “সত্তি বল্ছিস দাদা তুই রাজি? আমার বান্ধবিদের সামনে জদি তোর জামায় জুতোর ময়্লা মুছি বা তোর মুখে লাথি মারি তাও কিছু বলবি না তুই?” “না বোন, যতবার আমার মুখে লাথি মারবে তুমি ততবার তোমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে তোমাকে ধন্যবাদ জানাব।
আমার বান্ধবীরা কিন্তু বলেছে ওরাও তোর সাথে আমার মত আচরন কর্বে। ওরা লাথি মারলেও তুই কিছু মনে করবি না?” লিপি,রাই আর সুচেতনা কে চিনি আমি। ৩ জনই আমার বোনের মতই সুন্দরী। এত সুন্দর ৪ জন মেয়ের সেবা করা তো ভাগ্যের ব্যাপার। না প্রভু, মেয়েদের লাথি খাওয়া তো ছেলেদের কাছে চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। আমি অনন্যার পায়ে মাথা ঘষতে ঘষতে বল্লাম।

 বোনের মুখে আবার হাসি ফিরে এল,আমার মাথায় আলতো করে একটা লাথি মেরে বল্ল, “কি বলে ডাকলি আমাকে?” “প্রভু বলে,তুমি তো আমার প্রভূই, আমার মালকিন,আমার আরাধ্য দেবী । তোমার সেবা করার চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে আমার জীবনে?”
শুয়ে পর দাদা, তোর বুকে পা রেখে বসে একটু টিভি দেখি। আমি আমার প্রভুর পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম। বোন ওর চটি পরা বাঁ পা টা রাখ্ল আমার গলার কাছে, আর বাঁ পায়ের ওপরে রাখা ওর ডানপা টা আমার মুখের ১ ইঞ্চি ওপরে দোলাতে লাগলো। আমি ভাল দাদার মত যত্ন করে বোনের বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। আর বোন ওর ডানপা দোলাতে লাগলো আমার মুখের ওপর, ওর চটির তলা বারবার আমার ঠোঁট স্পর্শ করতে লাগলো। আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কখন এভাবে আমার বোনের সেবা করতে পারবো । যতবার ওর চটির তলা আমার ঠোঁট স্পর্শ করছিল ততবার আমি ওর চটির তলায় একে দিচ্ছিলাম গাঢ় চুম্বন। একটু পরে বোন ওর ডানপা টা আমার মুখের ওপর নামিয়ে দিল। আমার মুখ নিয়ে খেলতে লাগলো চটির তলা দিয়ে। আর আমি বাধ্য চাকরের মত ওর বাঁ পা টিপে চল্লাম। একটু পরে বোন ওর দুটো পাই আমার মুখে নামিয়ে দিল। আস্তে আস্তে ঘষতে লাগলো আমার মুখ, ওর চটির তলা দিয়ে। আর আমি ওর পা দুটো মন দিয়ে টিপে চললাম……………………………

পরদিন বিকেল ৪ টে ।আমি কলেজে যাইনি আজ। সারা দুপুর বোন আর তার বান্ধবীদের জন্য অনেক ভাল আইটেম রান্না করেছি, ঘর সাজিয়ে রেখেছি। আর এখন দরজার সামনে হাঁটুগেরে বসে আমার প্রভুদের জন্য অপেক্ষা করছি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হল। ওরা ৪ বান্ধবী ঘরে ঢুকলো। ঘরে ঢুকেই বোন দরজা লক করে দিল। ওরা ৪ জন ক্লাস ৯ এ পরে। ওদের পরনে স্কুলের সাদা শার্ট, সবুজ স্কার্ট, পায়ে মোজা আর জুতো। আমার বোন আর লিপির পায়ে সাদা স্নিকার আর রাই আর সুচেতনার পায়ে কালো মেরি জেন সু । আমি ওদের সবার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম। ওরা ৪ জন ই এত সুন্দর দেখতে যে ওদের দেখলেই আপনা আপনি মনে ভক্তি জেগে ওঠে ।
তারপর বোনের পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম। বোন আমার বুকে উঠে দাঁড়াল। আমি আশা করেছিলাম আমার জামার ওপর বোন ওর জুতোর তলা মুছবে, কিন্তু ও আমার মুখের ওপর ওর জুতো পরা ডান পা টা রাখলো ।তারপরআস্তে আস্তে আমার মুখের ওপর ঘষতে লাগলো ওর ডান জুতোর তলা। এই জুতো পরেই বোন রাস্তা দিয়ে হেটে স্কুলে গেছে, স্কুল থেকে ফিরেছে। আর এখন রাস্তার ধুলো ময়্লা লাগা সেই জুতোর তলা বোন আমার সারা মুখে আমন ভাবে ঘসছে যেন এটা ওর দাদার মুখ না, কোন পাপোশ ! আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতে লাগ্লাম আমার সুন্দরী বোন অনন্যা আমার বুকে জুতো পড়া পায়ে দাড়িয়ে,ওর বা পা আমার বুকে রাখা,আর ডানপা তুলে জুতোর তলার ময়্লা ওর নিজের দাদার মুখে ঘশে পরিস্কার করছে !!
আমার কপাল,নাক গাল,ঠোঁট, সর্বত্র ঘশে চলেছে ওর জুতোর তলা। ডান জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে ডানপা টা আমার বুকে নামিয়ে রাখ্ল অনন্যা ,আর আমার মুখে বাঁ পা রেখে বাঁ পায়ের জুতোর তলা আমার মুখে ঘশে পরিস্কার করতে লাগলো। বোনের জুতোর তলার ময়্লা লেগে জেতে লাগ্ল আমার মুখের সর্বত্র। ঐকটু পরে আমার কপালের ওপর ওর বাঁ পা রেখে আমার চোখে চোখ রাখলো বোন, “সবার সামনে বের করতে লজ্জা পাচ্ছিস?”
কি বার করবো প্রভু?”,আমি বল্লাম। যেটা রোজ বার করিস”, বলে বোন মুখে হাসি ঝুলিয়ে জিভ বার করে দেখাল। আমি বুঝতে পারছিলাম না বোন কি চাইছে। আমি আমার জিভটা যতটা সম্ভব বার করে দিলাম, আর অবাক হয়ে দেখলাম বোন আমার জিভে ওর জুতোর তলা মুছতে শুরু করেছে !!! ও আমার জিভের ওপর এমন ভাবে ওর বা জুতোর তলা ঘসছে যেন এটা ভীষন নর্মাল ব্যাপার। ওর বন্ধুরা অবাক হয়ে দেখছে আমাদের। বাঁ জুতোর তলা আমার জিভে ঘশে নতুনের মত চকচকে করে ফেললো আমার বোন। জিভ শুকিয়ে গেলে আমি জিভটা মুখে ঢুকিয়ে ভিজিয়ে নিচ্ছিলাম আর বোনের জুতোর তলার পবিত্র ময়্লা গিলে খেয়ে নিচ্ছিলাম। তারপরবোনের জুতোর তলা মোছার জন্য আবার বার করে দিছ্ছিলাম আমার জিভ। বাঁ জুতোর তলা পরিস্কার হয়ে গেলে বোন ওর ডানজুতোর তলাও আমার জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো।
এরপর বোন নেমে দাড়াল আমার বুক থেকে আর রাই উঠে দারাল আমার বুকে।মুহুর্তের মধ্যে ওর ব্ল্যাক স্কুল জুতোর তলা আমার মুখ স্পর্শ করলো।আমার মুখের সর্বত্র ঘষতে লাগলো ওর জুতোর তলা। হঠাৎ আমার নাকের ওপর প্রবল জোরে লাথি মারলো প্রভু রাই, আমার চোখ ঝাপশা হয়ে গেল, কানে অস্পষ্ট শুনলাম জিভ বার কর কুত্তা আমি পোষা কুকুরের মতই জিভ বার করে দিলাম, আর আমার ৪ বছরের ছোট বোনের বান্ধবী আমার জিভে ওর জুতোর তলার ময়লা মুছতে লাগলো। আমার কিনতু একটুও অপমানিত লাগছিল না, ওদের মত সুন্দরী মেয়ের সেবা করতে পেরে নিজের জীবন ধন্য মনে হচ্ছিল আমার।

সুচেতনা এরপর ওর বাঁ জুতোর তলাও আমার মুখে আর জিভে ঘশে পরিস্কার করে ফেললো ।তারপরআমার মুখের ওপর থুতু ফেলে ও নেমে দারালে সুচেতনা আমার বুকে উঠে দাড়াল। আমার মুখ আর জিভ কে এক ই ভাবে পাপোশের মত ইউস করে ও যখন নেমে দাড়াল তখন ওর কাল জুতো নতুনের মত চকচক করছে । এরপর লিপিও ওর সাদা স্নিকার এক ই ভাবে পরিস্কার করে নিল। পরিস্কার করা হয়ে গেলেও ও নেমে দাড়াল না, ওর বাঁ পা টা আমার নাকের ওপর রেখে চাপ দিল আর একই সাথে ওর ডানপা আমার গলার ওপরে রাখলো। আমার নিস্সাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল, বুকটা হাপরের মত ওঠা নামা করতে লাগলো। আর আমার প্রভু লিপি আমাকে ওর্ডার দিল পা টেপ ণিজের সব কষ্ট উপেক্ষা করে আমি লিপির বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম। লিপি ওর বাঁ পা এমন ভাবে আমার নাকের ওপর চেপে ধরে আছে যাতে আমি নিষ্সাস না নিতে পারি, আর সেই অবস্থায় বাধ্য চাকরের মত আমি লিপির বাঁ পা টা টিপে চলেছি। আক্সিজেন এর অভাবে আমার জ্ঞান হারাবার উপক্রম হল, তবু আমি মনের সব জোর একত্রিত করে প্রভু লিপির পা টিপে চল্লাম।কতক্ষন টিপলাম মনে নেই,আস্তে আস্তে হাত অবশ হয়ে এল,আমি জ্ঞান হারিয় ফেল্লাম।
যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখলাম আমি বাইরের ঘর থেকে টিভি রুম এ চলে এসেছি। আমার গলায় একটা ডগ কলার বাঁধা। ষেটা বোনের একহাতে ধরা, আর বোন ওর জুতো পরা পা ২ টো আমার মুখে রেখে টিভি দেখছে। লিপি,রাই আর সুচেতনা আমার বুকে আর পেটে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে। ওরা ৪ জন নিজেদের মধ্যে গল্প করতে করতে টিভি দেখছে।

আমার জ্ঞান এসেছে বুঝতে পেরে বোন ওর জুতো পরা ডানপা দিয়ে সজরে আমার নাকের ওপর একটা লাথি মেরে বললো,”কি রে কুত্তা,প্রভুদের সেবা করতে কেমন লাগছে?” বোন এতজোরে লাথিটা মেরেছিল যে আমার আবার জ্ঞান হারানোর উপক্রম হল। তবু আমি বোনের ডানজুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম খুব ভাল লাগছে প্রভু,এভাবে তোমাদের সেবা করতে দেবার জন্য ধন্যবাদ। বোন এবার বাঁ পা দিয়ে আমার কপালে লাথি মেরে বললো, ”যা ,এবার আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আয়।আমি ৪ প্রভুর পায়ে চুম্বন করে বল্লাম,”যথা আজ্ঞা প্রভু আমি উঠে গিয়ে ওদের জন্য খাবার এনে পরিবেশন করলাম ওদের। ওরা যখন খেতে লাগলো আমি ওদের পায়ে পরপর চুমু খেয়ে চললাম।ওরা ৪ জন পরপর বসে খাচ্ছিল আর আমি ওদের প্রত্যেকের প্রতি জুতো পরা পায়ের ওপর ৩ বার করে চুম্বন করছিলাম।সবার পায়ে চুম্বন করা শেষ হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করছিলাম। প্রভুদের খাওয়া হয়ে গেলে ওরা ওদের প্লেট নামিয়ে রাখলো মেঝেতে। নে কুত্তা,যা পরে আছে খেয়ে নে”,সুচেতনা বললো । ওরা সবাই প্লেটে থুতু ফেললো,তারপর জুতো পরা পা থালার ওপর তুলে দিল।
আমি হাত দিয়ে খেতে গেলে রাই আমার গালে থাপ্পর মেরে বল্ল, ”কুত্তা রা হাত দিয়ে খায়্না,মুখ দিয়ে খা। আমি ভোউ ভোউ বলে জবাব দিলাম আর কুকুরের মত প্রভুদের পা রাখা থালা থেকে ওদের আধ খাওয়া খাবার খেতে লাগলাম। আমার গলার ডগ কলার ধরে লিপি মাঝে মাঝে টান্তে লাগ্ল। খাওয়া হয়ে গেলে আমি প্লেট তুলে ধুয়ে রাখলাম। প্লেট ধোয়া হলে ওদের পায়ের কাছে হাঁটু গেরে বসে বল্লাম এবার কি করবো প্রভু?” বোন গালে চড় মেরে বললো সোফার তলায় শুয়ে পর। আমি শুয়ে পরলাম। আমি ভেবেছিলাম প্রভুরা আমার মুখে বুকে পা রেখে টিভি দেখবে ।কিন্তু বোন সোফার ওপরে উঠে দাড়াল,আর তারপর…… আমার মুখের ওপর…… লাফিএ পরলো সোফা থেকে !!! ওর বাঁ জুতোর তলাটা পরলো আমার কপাল আর চোখের ওপর আর ডান জুতোর তলাটা আমার নাক আর মুখের ওপর। আমার মনে হল আমার নাকটা বুঝি ভেঙ্গে গেছে।কিছু বোঝার আগেই রাই আমার নাকের ওপর পা রেখে সোফায় উঠে দাড়াল, আর লাফ দিয়ে নামলো আমার মুখে। ততক্ষনে সুচেতনা,লিপি আর বোন ও আমার বুকে পা দিয়ে সোফায় উঠে দাড়িয়েছে। আমাকে সামলে নেওয়ার বিন্দুমাত্র সময় না দিয়ে সুচেতনা,লিপি আর বোন আমার মুখের ওপর জুতো পরা পা দিয়ে লাফিয়ে নামলো। ওদের এই লাফ দেওয়া চক্রাকারে চলতেই থাকলো। আমাকে পায়ের তলায় মারিয়ে ওরা উঠে যাচ্ছিল সোফায় আর আমার বুকে,মুখে গলায় নির্বিচারে লাফিয়ে নামছিল। আমার কষ্ট হচ্ছিল ভীষন কিনতু জে প্রবল আনন্দ পাচ্ছিলাম তার কাছে কষ্টটা কিছুই না।

১ ঘন্টা ধরে ওদের এই খেলা চল্লো । তারপর ওরা হাফিয়ে গেলে আমি উঠে সোফাটা মুছে পরিস্কার করে দিলাম। আমার ৪ প্রভু বসলে ওদের ৪ জনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম,ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিলাম আমার মত এক ক্ষুদ্র জীব কে ওদের পবিত্র পায়ের তলায় স্থান দেওয়ার জন্য। এরপর আমি হাতজোর করে ওদের পায়ের সামনে হাঁটু গেরে বসলাম আর ওরা আমার মুখে লাথি মারতে লাগলো । ৮ টা বাজলে রাই,সুচেতনা আর লিপি উঠে পরলো বাড়ি যাওয়ার জন্য । আমার বাবা মা র অফিস থেকে ফিরতে তখন ১ ঘনটা দেরি। আমি ওদের জুতো পরা পায়ে চুম্বন করে বিদায় জানালাম।ওরা বললো এখন থেকে রোজ বিকেলে ওরা আসবে আমাকে নিয়ে খেলতে। শুনে আনন্দে আমার ২ চোখ জলে ভিজে গেল। ওরা চলে যেতে বোন দরজা লক করে আমার কলার ধরে টানতে টানতে আমাকে ভিতরের ঘরে নিয়ে এল। আমি ৪ হাত পায়ে বোনের জুতোয় চুম্বন করতে করতে টিভি রুমে ফিরে এলাম বন সোফায় বসে টিভি চালাল আর আমি ওর পায়ের ওপর উপুড় হয়ে ওর জুতোর ওপর চুম্বন করতে লাগলাম। বোন আমার মাথায় জুতো পরা পা বোলাতে বোলাতে বললো , “কাল তোকে যা বলেছিলাম সব বানানো গল্প রে কুত্তা। আমরা ৪ বন্ধু মিলে তোকে আমাদের কুকুর বানানোর প্ল্যান করেছিলাম আমি জানতাম তুই আমাকে কতটা ভালবাসিস, আমার কোন অনুরোধ তুই ফেরাতে পারবি না। তাই এই প্লান করেছিলাম। আমি বোনের জুতোয় চুমু খেতে খেতে বল্লাম ঠিক করেছ প্রভু। আমার জায়গা তোমাদের জুতোর তলাতেই ।


Thursday, 2 June 2016

রিয়া

রিয়া......

এক...

রিয়ার মনটা খুব ভাল এখন। নিজের ভাগ্যকে সে কিছুদিন থেকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। ছোট থেকেই সে দেখে এসেছে বাবা মা তার চেয়ে দাদাকেই বেশি ভালবাসে। অবশ্য তার দাদা পড়াশোনায় এত ভাল যে সেটা অস্বাভাবিক কিছু না। রিয়ার চেহারা খুবই মিষ্টি, সুন্দরী, কিন্তু পড়াশোনায় সে চিরদিনই ফাঁকিবাজ। সে কারণে বাবা মা তার চেয়ে তার চার বছরের বড় দাদাকে একটু বেশিই ভালবাসে।
অবশ্য ওর দাদা রাজা যে এই অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়েছে কখনও এমন না। নিজের ছোট বোন রিয়াকে সে চিরদিনই খুব ভালবাসে। হয়ত নিজের থেকেও একটু বেশি। বাবা মা চিরদিন রাজাকে রিয়ার চেয়ে বেশি হাতখরচ দিত, রিয়া চাইলেই তা থেকে ভাগ দিত রাজা। কেউ কোন উপহার দিলেও ছোট বোনের সংগে ভাগ করে নিত। এমনকি বোন কোন কিছু চাইলে যেভাবেই হোক সেটা পূর্ন করত রাজা।
তবু, বাবা মায়ের দাদার প্রতি পক্ষপাতিত্বপূর্ন আচরন এর পরও খুব ব্যথা দিত রিয়াকে। ক্রমশ রিয়া যখন বুঝল, দাদা তাকে খুব ভালবাসে, এবং সে যা চাইবে তাই তাকে দেবে দাদা, সে তখন এর প্রতিশোধ নিতে শুরু করল দাদার উপর। বাবা মার সামনে সে আসতে আসতে দাদার উপর ছোটখাট হুকুম করতে শুরু করল। রাজা হাসিমুখে চার বছরের ছোট সুন্দরী মিষ্টি বোন রিয়ার সব হুকুম পালন করত। রিয়া তখন ক্লাস ৭ এ উঠেছে সবে। "দাদা, টিভির রিমোট এনে দে, দাদা জল নিয়ে আয়, দাদা স্কুল থেকে ফেরার সময় আমার জন্য চকোলেট আনবি, নাহলে মার খাবি", এইভাবেই দাদার উপর হুকুম করত রিয়া। তার বাধ্য দাদা বিনা প্রশ্নে হাসিমুখে তার সব আদেশ পালন করত। আর বাবা মা কে দেখিয়ে তাদের সামনে দাদাকে হুকুম করতে দারুন লাগত রিয়ার। বাবা মা যে দাদাকে বেশি ভালবাসে, তাকে কম, এর দারুন প্রতিশোধ সে নিচ্ছে এই ভেবে দারুন খুশি হত তার মন।
তবে তার বাবা মা স্বাভাবিকভাবেই দাদার সাথে তার এই আচরন পছন্দ করত না। তাকে বকতো দাদার সাথে এই আচরনের জন্য। অথচ, দাদাই বলত কি হয়েছে মা এতে, দাদা কি বোনের জন্য এটুকু করতে পারে না?
তার দাদা তখন সদ্য মাধ্যমিক পাশ করে ১১ এ উঠেছে। বাবা মার বাধ্য ভাল ছেলে রাজা দারুন রেজাল্ট করেছিল, রাজ্যের মধ্যে প্রথম ২০ র মধ্যে স্থান পেয়েছিল সে। তার বাবা মা ভয়ানক খুশি হয়েছিল রেজাল্ট বেরনোর দিন। বাবা মার সব মনযোগ দাদার দিকে যাওয়া রিয়ার মনে হিংসার উদ্রেক করছিল। সে মনমরা হয়ে বসেছিল পাশের ঘরে। দাদা রেজাল্ট নিয়ে সবে ঘরে ফিরেছে। বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে বলল," আমি আজ দারুন খুশি রে রাজা। আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছিস তুই। কি চাস বল তুই।"
রাজা বলল, " প্রমিস কর আমি যা চাই তাই দেবে। না করবে না।"
ওদের বাবা খুশি গলায় বলল, " নিশ্চয়ই দেব। প্রমিস।"
রাজা দু:খ মিশ্রিত স্বরে বলল, " আমি পড়াশোনায় ভাল আর রিয়া একটু খারাপ বলে তোমরা রিয়াকে অবহেলা কর এটা কি ঠিক? তোমরা আমাকে নিয়ে আনন্দ করছ আর আমার বোনটা পাশের ঘরে মন খারাপ করে বসে আছে। তোমাদের কি একটুও খারাপ লাগে না। আমার আর কিছু চাই না। শুধু কথা দাও ওকে তোমরা আর বকবে না। ওর দায়িত্ব আমার, ওর খারাপ কিছু হলে আমাকে বল। আর ও আমাকে হুকুম করুক, যা খুশি বলুক, তোমরা বাধা দেবে না। আর আমাকে তোমরা এখন থেকে যা উপহার বা হাতখরচ দেবে, রিয়াকে অন্তত তার দ্বিগুণ দেবে। প্রমিস করেছিলে কিন্তু আমি যা চাইব দেবে বাবা।"
দাদার কথা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিল রিয়া। এ কি চাইছে তার দাদা? এরকম কেউ চাইতে পারে? পাশের ঘরের পর্দার ফাঁক দিয়ে সে উঁকি মেরে তাকিয়েছিল বাবা আর দাদার দিকে। বাবার চোখের চাউনি অদ্ভুত হয়ে গিয়েছিল ওর দাদার কথায়। " এটা আবার কি অদ্ভুত কথা। কোথায় নিজের জন্য ভাল কিছু চাইবি, একটা ল্যাপটপ, বাইক বা অন্তত ভাল মোবাইল। তার বদলে তুই নিজের চেয়ে বোনকে বেশি জিনিস দেওয়ার জন্য রিকোয়েস্ট করছিস? পাগলামি ছাড়, ওকেও নাহয় তোর সমান হাতখরচ দেব। এখন তুই কি নিবি বল।"
রাজার গলার স্বর শক্ত হল" তুমি প্রমিস করেছিলে বাবা, আমি যা চাই তাই দেবে। আর আমি রিয়াকে কতটা ভালবাসি, তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না। আমার গালে একটা থাপ্পর মারার পর যদি রিয়ার মুখে হাসি ফুটে ওঠে, তাহলে সেই হাসির দাম আমার কাছে কোটি টাকার চেয়েও বেশি।"
"
ঠিক আছে, তাই হবে যা তুই চাইছিস। এখন থেকে তোকে ১০ টাকা দিলে রিয়াকে ২০ টাকা দেব। ওর ভবিষ্যতের চিন্তাও তোর উপর ছেড়ে দিলাম।" ওদের বাবার গলার স্বর একটু ভারি শোনাল।
" আরও একটা কথা দেওয়া বাকি রইল কিন্তু। ও যদি আমাকে হুকুম করে কখনও, বা তোমাদের মনে হয় ও আমার সংগে খারাপ ব্যবহার করছে, তাও তোমরা কিছু বলবে না। ওকে তোমরা আর কখনও শাসন করবে না। ওর ভবিষ্যত খারাপ হবে না কথা দিলাম।"
"
ঠিক আছে, কথা দিলাম। তুই যা চাস তাই হবে। আর তুই দায়িত্ব নিয়ে বলছিস যখন তখন তুই দেখলে   রিয়ার ভবিষ্যত খারাপ হবে না সেই বিশ্বাস তোর উপর আছে আমার। কিন্তু ছোট বোন হয়ে ও কিছুদিন হল মাঝে মাঝেই বড় দাদার উপর হুকুম করছে দেখছি। এটা কি ঠিক? তুইই বল।"
"
বাবা, সবচেয়ে বড় বেঠিক হল তোমরা ওর সাথে যা করেছ। একটা ছোট মেয়েকে পটাশোনার কারনে বাধ্য করেছ বড় দাদাকে হিংসা করতে। ওর মনের উপর কত বড় আঘাত তুমি দিয়েছ তোমার কোন ধারনা নেই। ও আমাকে হুকুম করে তাতে খারাপ কি আছে? ও খুশি হয় এতে। আর আমিও খুশি হই তাতে। ও আমার ছোট বোন, ওকে আমি নিজের চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসি। আর যেই আচরনে কারও কোন ক্ষতি হয় না, বরং সবাই খুশি হয় তা কখনই খারাপ না। বরং সেটাই হওয়া উচিত।"

"
ঠিক আছে, তুই যা বলছিস তাই হবে। আমরা আর কিছু বলব না তোদের। তোর উপর আমার ভরসা আছে।"
রিয়ার অবাক লাগছিল ভিশন। বাবা মা কেউই যেখানে তাকে ভালবাসে না, সেখানে দাদা এত ভাল হয় কি করে? এত এত বেশি ভাল? কি করে নিজের চেয়েও এত বেশি ভালবাসে তাকে যে সে হুকুম করলেও হাসিমুখে সহ্য করে? তার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজের গাল পেতে দিতে পারে থাপ্পর খাওয়ার জন্য? এক অদ্ভুত আনন্দে রিয়ার ভিতরটা গুমড়ে উঠছিল। সে আর পারল না। দরজার পর্দাটা আঁকড়ে তার মধ্যে মুখটা অর্ধেক গুঁজে ফুঁপিয়ে কাদতে লাগল আনন্দে। ঠিক সেই সময় ওর দাদা রাজা ওর পাশে এসে দাঁড়াল্ল। তারপর ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওরদিকে হাতজোড় করে বলল, " জানি রে রিয়া, আমার জন্য অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই জীবনে। বিশ্বাস কর, আমি জীবনে কখনও চাইনি বাবা মা আমাকে বেশি ভালবাসুক। কখনও চাইনি তোর চেয়ে আমাকে বেশি গিফট দিক। তোকে খুব ভালবাসি রে বোন, আমি শুধু চেয়েছি তুই খুশি থাক। তোর মুখে হাসি দেখলে আমার যত ভাল লাগে, ততটা আর কিছুতেই লাগে না। তবু, আমাকে বেশি ভালবেসে আর তোকে উপেক্ষা করে বাবা মা তোকে যে কষ্ট দিয়েছে তার জন্য আমিও দায়ী। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে রিয়া, দেখ আর কোনদিন কেউ তোর সঙ্গে কেউ এরকম করবে না। আর আমি এখন থেকে তাই করব, যা আমার ছোট্ট বোনটা হুকুম করবে।"

এই বলে রাজা যা করল রিয়া তার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসা দাদা রাজা তার নীল চটি পরা পা দুটোর উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিল। ছোট্ট বোনের পায়ের উপর নিজের মাথাটা রেখে রাজা বলল," প্লিজ বোন। আজ পর্যন্ত আমার ভুলে অনেক কষ্ট পেয়েছিস তুই। আজও পেয়েছিস। আর কখনও এরকম হবে না। প্লিজ, এবারের মত ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ।"

বাবা আর মা অবাক চোখে দেখছে তাকে আর দাদাকে। আর তার দাদা তার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে তার কাছে ক্ষমা চাইছে! এক অদ্ভুত আনন্দ রিয়ার দেহে ঝড় তুলল যেন। সে নিজে যা করল এরপর তার জন্য যেন সে নিজেও প্রস্তুত ছিল না। চটি পরা ডান পা টা তুলে সে দাদার মাথার উপর রাখল। চটির তলাটা কয়েক সেকেন্ড ঘসল নিজের দাদার মাথার উপর। তারপর চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর স্থির করে রেখে সে বলল," ঠিক আছে দাদা। তোকে ক্ষমা করে দিলাম যা। তবে এখন থেকে আমার সব কথা শুনে চলবি কিন্তু।"
রাজা রিয়ার বাঁ পায়ের পাতায় আলতো একটা চুম্বন করে বলল, " নিশ্চয়ই বোন। এখন থেকে তোর প্রত্যেকটা হুকুম মানবো আমি।"

রিয়া তাকিয়ে দেখল বাবা মা হতবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে দেখছে। আর সে চটি পরা ডান পা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে আছে বাবা মার সামনে। রিয়ার মন এক অদ্ভুত খুশিতে ভরে উঠেছিল। সে সংগে সংগে দাদার মাথার উপর থেকে পা সরাল না, চটি পরা ডান পা টা দাদার মাথার উপর রেখে দাঁড়িয়ে রইল। দাদা মাথার দুই পাশে হাত ছড়িয়ে তার চটি পরা বাঁ পায়ের উপর মাথা রেখে যেন নিজের ছোট বোনকে ভক্তিভরে শাষ্টাংগে প্রনাম করছিল বাবা মায়ের সামনেই। রিয়া প্রায় ২ মিনিট দাদার মাথার উপর চটি পরা ডান পা রেখে দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দাদার মাথার উপর থেকে পা নামিয়ে বলল," দাদা আমার ঘরে আয়। তোর সাথে কথা আছে।" এইবলে রিয়া একবার বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখে নিজের ঘরে চলে এল। রাজাও বোনের পায়ের তলা থেকে উঠে বোনের আদেশ মত বোনের পিছু পিছু বোনের ঘরে ঢুকল।


দুই......


নিজের ঘরে ঢুকে রিয়া নিজের খাটে পা ঝুলিয়ে বসল। আর রাজা আবার বোনের ঠিক পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল। হাতজোড় করে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল রাজা।
রিয়া রাজার দিকে চেয়ে মুচকি হাসল, তারপর দাদার দুই গালে হঠাতই পরপর দুটো থাপ্পর মারল বেশ জোরে । রাজা অবাক হয়ে তাকাল নিজের বোনের দিকে, কিন্তু একবারও বাধা দিল না। বোন দুটো থাপ্পর মেরে থামতেই রাজা ওর চার বছরের ছোট বোন রিয়ার নীল চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে বোনকে প্রনাম করল একবার, তারপর আবার বোনের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে বোনের সুন্দর মুখের দিকে তাকাল।
রিয়া কয়েক সেকেন্ডের জন্য গম্ভীর ভাব আনার চেষ্টা করল মুখে, তারপর হাসিতে ফেটে পরল। প্রায় এক মিনিট পর হাসি থামিয়ে রিয়া দাদার দিকে তাকিয়ে বলল, “ তুই এরকম কেন রে দাদা। আমাকে ভালবাসিস বলে আমি তোর গালে জোরে থাপ্পর মারলেও বাধা দিবি না আমাকে? উল্টে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করবি? তুই কি পাগল রে দাদা?”
জবাবে মাথা নিচু করে ফেলল রাজা। প্রায় বোনের পায়ের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল, “ তোকে আমি খুব ভালবাসি রে রিয়া। বাবা মা যখন তোর থেকে আমাকে বেশি ভালবাসা দেয় তখন আমার খারাপ লাগে খুব, চিরদিনই। আমি চাই সব আদর, ভালবাসা, উপহার তুই পাস। আমি তোকে খুশি দেখে আর তোর সেবা করেই খুশি থাকব রে বোন”।
রিয়া অবাক অয়ে দাদার দিকে তাকাল। ডান হাতের পাতা দিয়ে দাদার মুখটা তুলে দাদার চোখের দিকে চাইল। “ আমি তোর চেয়ে ছোট। আমি তোকে হুকুম করলে , মারলে, তোর কি একটুও খারাপ লাগে না? তুই বড় হয়ে আমার পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করলি, তাতেও খারাপ লাগল না তোর?”
“ না রে বোন। আমি তোকে শুধু ভালই বাসি না, তোকে ভক্তিও করি। তোকে দেখলেই কেন জানি না দেবী বা আমার প্রভু বলে ভাবতে ইচ্ছা করে। তোর পায়ের উপর মাথা রাখলে মনে হয় স্বয়ং ঈশ্বরের চরনে নিজেকে সমর্পন করেছি। তুই হুকুম করলে বা আমাকে মারলে কি যে আনন্দ পাই তোকে আমি বলে বোঝাতে পারব না রে বোন। আমি এরকমই রে বোন , প্লিজ আমার উপর রাগ করিস না, প্লিজ”। এই বলে রাজা আবার নিজের মাথাটা বোনের চটি পড়া পায়ের উপর নামিয়ে দিল। চার বছরের ছোট সুন্দরী বোন রিয়ার নীল চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনামরত অবস্থায় শুয়ে রইল রাজা।
প্রায় ২ মিনিট রিয়ার পায়ের উপর মাথা রেখে পরে রইল রাজা। তার পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকা দাদার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রয়েছিল রিয়া। তার খারাপ তো লাগছিলই না, এক অদ্ভুত শান্তিতে মন ভরে গিয়েছিল। এত ভাল একটা দাদা পাওয়ার জন্য নিজেকে তার সত্যিই ভাগ্যবান বলে মনে হচ্ছিল।
প্রায় দুই মিনিট পর রিয়া নিচু হয়ে ঝুকে দাদার কাঁধ দুটো ধরে দাদাকে উঠিয়ে বসাল, তারপর মাথাটা নামিয়ে দাদার কপালে একটা চুমু একে দিল। “ তোকেও আমি খুব ভালবাসি রে দাদা, এবার খাটে উঠে বস তুই”।
রাজা হাতজোড় করে বোনের দিকে চেয়ে বলল “ প্লিজ বোন, আমাকে তোর পায়ের কাছে বসতে দে”।
হাসিমুখে দাদার গালে ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মারল রিয়া, “ আমার আদেশ অমান্য করছিস তুই?”
“ না প্রভু, আমি সরি। তোমার কোন আদেশ আমি কখনও অমান্য করব না”। এই বলে আবার রিয়ার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম করল রাজা, তারপর খাটে উঠে বোনের পাশে বসল।
রাজার ডান হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় টেনে নিল রিইয়া, “ দাদা , আমি সরি। তুই এত্ত ভাল রেজাল্ট করলি আর আমি তোর খুশিতে খুশি না হয়ে হিংশুটে বোনের মতো মনে হিংসা নিয়ে পাশের ঘরে বসে ছিলাম। আর কনগ্র্যাটস এত্ত ভাল রেজাল্ট করার জন্য। আশির্বাদ কর আমিও যেন তোর মতো ভাল রেজাল্ট করতে পারি”।
“ না রে বোন, তোত কোন দোষ নেই। দোষ আমার আর বাবা মার, তোর মতো এত্ত ভাল একটা মেয়েকে ছোট থেকে এত্ত দুঃখ দেওয়ার জন্য। তবে প্রমিস করছি, আর কখনও আমি তোকে হিংসা করার সুযোগই দেব না। আর আশির্বাদ তো তুই আমাকে করবি এখন থেকে রোজ, আমার মাথার উপর পা রেখে”।
রিয়ার মুখ হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল দাদার কথায়। “ একদম, লাভ ইউ দাদা”, বলে দাদার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় চেপে ধরল রিয়া । আর রাজা বোনের দিকে ঝুকে বোনের কপালে একটা চুম্বন করল।
“ চল দাদা, দুজনে মিলে কম্পিউটারে গেম খেলি”, রিয়া বলল খাট থেকে নিচে নামতে নামতে।
“চল”, রাজাও খাট থেকে নেমে বলল, তারপর দুজনে পাশের ঘরে গিয়ে কম্পিউটার খুলে গ্রেম খেলতে লাগল।

ওদের বাড়িতে সবাই খুশি আজ। পাড়ার অনেক লোকেই এসে অভিনন্দন জানিয়ে গেছে রাজাকে। ওদের বাবা মা  ভিশন খুশি রাজার রেজাল্টে। রাজাও খুশি ভাল রেজাল্ট করতে পেরে, আর তার চেয়েও অনেক বেশি খুশি বোনের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে, আর বোনকে তার উপর যা খুশি হুকুম করার অধিকার দিতে পেরে। আর রিয়াও খুব খুশি বহুদিন পর, তার সুন্দর মুখ খুশিতে ঝলমল করছে আজ। সত্যি, রাজার মতো ভাল দাদা যেই বোনের থাকে সে কি খুশি না থেকে পারে?
ঘড়ির কাটা ১০ টা ছুলে ওদের মা খেত্যে ডাকল ওদের। রাজার দুর্দান্ত রেজাল্টের খুশিতে ওর মা আজ মটন বিরিয়ানি আর চিলি চিকেন বানিয়েছেন, সঙ্গে মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংক্স আর আইস ক্রিম তো আছেই। ৪ জনে ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে থাকল। রান্নাটা সত্যিই ভাল করে ওদের মা তনয়া। ওরা সবাই তৃপ্তি করে বিরিয়ানি খাচ্ছিল। ওদের বাবা তরুনবাবু রাজাকে ওর ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞেস করছিল। রিয়া দাদার কথাকে ভেঙ্গিয়ে ছোট বোন সুলভ ব্যাঙ্গ করছিল মাঝে মাঝে। তরুনবাবু খুব সিরিয়াস মানুষ, আর ক্লাস ৭ এ পরা রিয়া একটু ফাজিল। রিয়ার এত ফাজলামি করার প্রবনতা কোনদিনই সহ্য করতে পারে না ওদের বাবা। আশ্চর্য হয়ে রিয়া লক্ষ্য করছিল ওর বাবা আজ মোটেই রেগে যাচ্ছে না ।
পেটভরে ডিনার শেষ করে একসাথেই উঠল দুই ভাই বোন। রিয়া লক্ষ্য করল দাদার খাওয়া আগে শেষ হয়ে গেলেও তার আগে দাদা উঠল না। ও খাওয়া সেরে উঠলে তবেই দাদা চেয়ার ছেড়ে উঠল।
হাত ধুয়ে রিয়া চেয়ারটা ঘরের মাঝখানে টেনে বসল। একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে চেয়ে দেখল, তার চোখে মুখে এখন দুষ্টুমি ভরা হাসি।
“ দাদা, টিভিটা অন করে রিমোট টা আমায় দে তো”, বাবা মায়ের সামনেই দাদাকে দিয়ে আবার কাজ করান শুরু করল রিয়া।
“ এক্ষুনি দিচ্ছি বোন”, বলে রাজা সঙ্গে সঙ্গে টিভি অন করে রিমোট বোনের হাতে তুলে দিল।
“ এবার আমার জন্য এক গ্লাস থামস আপ নিয়ে আয়”, দাদাকে আবার হুকুম করল রিয়া।
“দিচ্ছি বোন”, বলে সুন্দর কাঁচের গ্লাসে এক গ্লাস থামস আপ এনে বোনের হাতে দিল রাজা।
“ আর কিছু করতে হবে রে বোন?”
দাদার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে হাসিমুখে একবার বাবা মায়ের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে নিল রিয়া। তারপর বলল, “হবেই তো। চুপচাপ আমার পায়ের কাছে বস আগে”।
“ নিশ্চয়ই বোন”, এই বলে রাজা ঠিক রিয়ার পায়ের কাছে বসে পরল।
দাদার কোলের উপর নীল চটি পড়া পা দুটো তুলে দিল রিয়া। “ আমার পা দুটো খুব ব্যাথা করছে। এবার ভাল দাদার মতো ছোট বোনের পা টিপতে থাক।
“ অবশ্যই বোন। যখনই তোর পায়ে ব্যাথা করবে আমাকে বলিস, আমি তোর পা টিপে দেব”, রিয়ার পা টিপতে টিপতে উত্তর দিল রাজা।
রিয়া অবাক হয়ে দেখল ওদের বাবা মা কেউই ওকে বারন করল না আজ। বোধহয় দাদাকে বাবা কথা দিয়েছে বলেই কিভহু বলল না। এর মানে এখন থেকে সে সত্যিই বাবা মার সামনেই দাদাকে যা খুশি হুকুম করতে পারবে! ভাবতেই দারুন আনন্দে ভেসে যেতে লাগল রিয়া।
রিয়ার পরনে ছিল একটা কাল টপ আর ধুসর লেগিন্স, পায়ে নীল চটি। ওর নীল চটি পরা পা দুটো রাখা ওর দাদা রাজার কোলে। আর দাদা যত্ন করে ওর পা দুটো পালা করে টিপে দিচ্ছিল। একবার বাঁ পায়ের পাতা থেকে শুরু করে পায়ের কাফ অবধি টিপছিল, তারপর আবার নেমে আসছিল পায়ের পাতায়। তারপর পা বদলে একইভাবে ছোট বোন রিয়ার ডান পা টা টিপছিল রাজা। তারপর আবার অন্য পা টিপছিল। এইভাবে বাবা মার সামনে ভক্তিভরে ছোট বোন রিয়ার পা টিপে যাচ্ছিল রাজা। আর সিনেমা দেখতে দেখতে দাদাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিল রিয়া আর কোল্ড ড্রিংক্সের গ্লাসে ছোট ছোট চুমুক দিচ্ছিল । পা টেপানোয় সত্যিই আরাম বোধ করছিল সে, তবে তার চেয়েও ভাল লাগছিল বাবা মায়ের সামনে এইভাবে দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর ক্ষমতা পেয়ে। ওর বাবা মা চিরদিন দাদাকে তার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসা দিয়ে এসেছে, দাদা পড়াশোনায় বেশি ভাল বলে। আর সেই দাদা যেদিন মাধ্যমিকে এত ভাল রেজাল্ট করল সেইদিনই সে বাবা মায়ের সামনে সেই দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পারছে! এটা ঠিক এই ক্ষমতা সে দাদার জন্যই পেয়েছে, তবু এইভাবে বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাতে পেরে এক অদ্ভুত আনন্দ পাচ্ছিল রিয়া। সে মনে মনে ভাবল, সিনেমাটা শেষ হতে আরও প্রায় দুই ঘন্টা বাকি। এই পুরো সময় সে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে। আর এরপর থেকে রোজই রাতে খাওয়ার পর এভাবেই বাবা মার সামনে দাদাকে দিয়ে পা টেপাবে সে। বাবা মা দাদাকে মাথায় তুলে তাকে অবহেলা করতে চেয়েছিল, এখন দেখুক সেই দাদা তার পায়ের কাছে বসে চাকরের মতো তার পা টিপে দেয় রোজ। রিয়া আড়চোখে দেখল বাবা মা খাওয়া শেষ করে ঘরের কোনে পাতা সোফায় বসে এক দৃষ্টে ওদের দেখছে। কিন্তু দাদাকে কথা দেওয়ায় ওকে আর বাধা দিতে পারছে না।