Saturday, 1 October 2016

দিদি থেকে দেবী…

দিদি থেকে দেবী ( খোকা )



রবিবার দুপুরে বাবা আর মা বেড়িয়ে পরল হরিদ্বারে গুরুর আশ্রমের উদ্দেশ্যে, ফিরবে সেই শুক্রবার সকালে  গুরু, ভক্তি এইসব আমার একদম ভাল না লাগলেও আমার যাওয়ার ইচ্ছা ছিল বাইরে ঘোরা, নতুন জায়গা দেখা এইসব আমার বয়সে সবারই ভাল লাগে তাই যেতে না পারায় মন খারাপ হয়ে গেল এই কয়েকটা দিন বাড়িতে আমার দুই বছরের বড় ক্লাস ১১ এ পড়া দিদির সাথে বাড়িতেই কাটাতে হবে, আর বাবা মা বাইরে ঘুরে আসবে
যাওয়ার আগে মা বলে গেল আমাকে , “ বাবু, দিদি যা বলে শুনবি এই কয়দিন, কোন ঝামেলা করবি না দিদি যদি ফোন করে কোন কমপ্লেন করে আমি কার দোষ শুনব না, এসে প্রথমেই তোকে শাস্তি দেব মনে থাকে যেন
তারপর দিদিকে বলল, “ তিথি, যা যা লাগার এমনিতে সবই ঘরে আছে প্রায় এক সপ্তাহের বাজারও করা আছে তবে কোন কারনে টাকা লাগলে আলমারির লকারে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা আছে তোকে আমার বিশ্বাস আছে, কোন প্রয়োজন হলে খরচ করিস আমরা আসি তাহলে
এই বলে মা আর বাবা বেড়িয়ে গেল দিদি বাবা আর মা কে এগিয়ে দিতে গেল আমি বসার ঘরে দুঃখী মনে বসে রইলাম দোষটা আসলে দিদির কাল অব্দি ঠিক ছিল আমরাও যাচ্ছি দিদি আজ সকালে মা কে ডেকে বলল ওর অনেক পড়া আছে, ও যেতে পারবে না একটা মেয়ে একা থেকে যাবে এটা হতে পারে না, মা তাই আমাকেও যেতে দিল না লাভের মধ্যে , আমরা থাকছি না বলে যে কাজের মাসি ঘর ঝাঁট দেয় আর বাসন মাজে তাকে এই কয়দিন আসতে বারন করেছে ফলে এই কয়দিন এই সব কাজই আমাকেই করতে হবে দিদি এমনিতেই কিছু কাজ করে না ঘরের, তার উপর এই কয়দিন মা ওকে ক্ষমতা দিয়ে গেছে আমার কপাল খারাপ বুঝতে পারছিলাম
দিদি মিনিট কুড়ির মধ্যেই ফিরে এল নিজের স্বভাব মতো পায়ে জুতো পরেই বসার ঘরে ঢুকে আমার পাশে সোফায় বসে পরল তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে ঝাকিয়ে বলল, “ বসে আছিস কেন? সোমা মাসি বাসন মাজতে আসবে না এই কয়দিন জানিস তো যা গিয়ে বাসন মেজে ফেল তারপর উপর নিচের সব ঘর ভাল করে ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল কয়েক মাস আগে মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকে দিদির হম্বিতম্বি আর আমাকে শাসন করা অনেক বেড়েছে, যদিও চিরদিনই অল্প সল্প করতে ভালবাসত আসলে দিদি মাধ্যমিকে অসাধারন রেজাল্ট করেছে, আমাদের শহরে হায়েস্ট পেয়েছে আমাদের পরিবার ব্যাবসায়ী পরিবার, কয়েক পুরুষ ধরে আমাদের কাপড়ের ব্যবসা, পরিবারে কেউ কখনও ভাল রেজাল্ট করেনি একেই আমার দিদিকে দেখতে ভিশন সুন্দরী, সেই নিয়ে দিদির মতো বাবা মায়েরও গর্ব আছে তার উপর পরিবারে প্রথম কারও এত ভাল রেজাল্ট বাবা মা দিদিকে প্রায় মাথায় করে রেখেছে এরপর থেকে ওদিকে আমি চিরদিনই খারাপ পড়াশোনায় , ক্লাস নাইনে ওঠার পর আরও হাল খারাপ হয়েছে দিদি সেই সুযোগে আরও শাসন বাড়িয়েছে আমার উপরে নিজের অনেক কাজ আমার উপরে চাপিয়ে দেয় এতদিন আমাদের উপর বাবা মায়ের হুকুম ছিল যাতে আমরা নিজেদের জামা কাচা, ইস্ত্রি করা , নিজেদের ঘর পরিষ্কার সহ নিজেদের যাবতীয় কাজ নিজেদের হাতে করি এই আদেশের উদ্দেশ্য ছিল যাতে আমরা নিজেদের কাজ নিজে হাতে করতে শিখি দিদি চিরদিনই নিজের কাজ আমার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করত মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা মায়ের অতিরিক্ত ভালবাসার সুযোগ নিয়ে দিদি এর পুরোটাই আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে  আমি প্রতিবাদ করলেও লাভ হয়নি বাবা মা দিদির পাশেই থেকেছে
আমি দিদির দিকে তাকিয়ে বললাম, “ আমি একা সব কাজ করব, আর তুই কি বসে আনন্দ করবি? সব একা আমি করতে পারব না
দিদি আমার পেটে কনুই দিয়ে একটা খোঁচা দিয়ে বলল, “ আমি যে বাবা মা কে ছেড়ে এলাম স্টেশানে, তুই গিয়েছিলি?মা যাওয়ার সময় কি বলে গিয়েছিল মনে নেই? আবার অবাধ্য হলে মা কে ফোন করে বলব কিন্তু যা গিয়ে কাজ কর
আমি কি আর করি, উঠে ডাঁই করে রাখা বাসনের স্তুপ মাজতে লাগলাম এক এক করে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট পরে বাসন মাজা শেষ করে বসার ঘরে গিয়ে চমকে উঠলাম দেখি দিদি আমার স্কুলে যাওয়ার ব্যাগ খুলে আমার পরীক্ষার খাতাগুলো এক এক করে দেখছে আমাকে দেখে দিদি হাসিমুখে জোরে জোরে নাম্বার গুলো পড়তে লাগল, “ বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪ ! বাহ, দারুন রেজাল্ট!! আমাদের বলিস নি কেন?”
আমি সোফায় বসা দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে হাতজোড় করে বললাম, “ প্লিজ দিদি, বাবা মা কে বল না এখন এক সপ্তাহ পরেই তো স্কুলে পুজোর ছুটি পরে যাচ্ছে, আমি ছুটি শেষ হলে বলব নাহলে পূজোর সময়ে বাবা মা আমাকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেবে না প্লিজ দিদি
দিদির মুখে হাসিটা চওড়া হল এই কয়দিন সব কাজ তুই একা করবি, আমি যা বলব মেনে চলবি নাহলে সাথে সাথে মা কে ফোন করে তার গুনধর ছেলের রেজাল্ট জানিয়ে দেব
 আমি সত্যি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম আমি আলতো কর নিজের হাতের পাতা দুটো দিদির সাদা স্নিকার পরা পায়ের উপরে রেখে বললাম, “ তোমার সব কথা শুনব দিদি, প্লিজ বল না
আমাকে এভাবে পায়ের কাছে বসে ওকে তুমি সম্বোধন করে অনুরোধ করতে দেখে দিদি বলল, “ ঠিক আছে তুই আমাকে মেনে চললে আমিও বলব না নে, আমার পা থেকে জুতোটা খুলে দিয়ে রেখে আয় আর আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয় তারপর উপর নিচের সব ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে ফেল
আমি কি আর করি, দিদির পায়ের কাছে বসে থাকা অবস্থায় ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে জুতোর র্যাকে রেখে এলাম তারপর দিদির ঘরে পরার চটিটা এনে আবার দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে  বসে দিদির পায়ে নীল চটিটা পরিয়ে দিলাম
 টিভির রিমোটটা এনে আমার হাতে দে তারপর কাজে লেগে পর বসে না থেকে”, দিদি হুকুম করল আমাকে আমি টিভির রিমোট এনে দিদির হাতে দিয়ে ঝাঁটা হাতে উপর তলায় চলে এলাম এই কটা দিন যে আমার কপালে শনি নাচছে ভাল করেই বুঝতে পারলাম
উপর তলায় এখন টয়লেট ছাড়া মোট তিনটে ঘর একটা আমাদের দুজনের স্টাডি রুম, অনেক বড় হলঘর এটা দিদি ভাল রেজাল্ট করার পর বাবা কম্পিউটার বসিয়ে দিয়েছে ঘরটা এসি পাশের দিদির ঘরটাও অনেক বড়  এই রুমে দিদির নিজের টিভি, ল্যাপটপ সবই আছে নিজের দামী মোবাইল ও আছে দিদির এই ঘরটাতে দামী খাট, চেয়ারও আছে, এই ঘরটাও এসি এর পাশে নিচের গ্যারেজের উপরের ছোট্টো ঘরটা আমার  মেঝে থেকে আমার ঘরের ছাদের উচ্চতা  মাত্র ৭ ফুট, ঘরটাও মাত্র ১০ ফুট বাই ৮ ফুট, দিদির ঘরের মাত্র ৩ ভাগের একভাগ আয়তনে এসি তো দূর ঘরে একটা চেয়ারও নেই ছাদ নিচু হওয়ায় সিলিং ফ্যানও নেই মেঝেতে বিছানা করে টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুতে হয় এই গুমোট ঘরে দিদি আরামার সৌভাগ্যের এত পার্থক্যের কারন সেই পড়াশোনা বাবা বলে তুইও ভাল রেজাল্ট কর, তোকেও দিদির মতো সব দেব না করলে এরকম কষ্টেই থাকতে হবে তোকে
এমনিতেও উপরে সোমা মাসি ঝাঁট দিতে আসে না দায়িত্বটা আমার আর দিদির ভাগ করার কথা ছিল কিন্তু ভাল ছাত্রী হওয়াতে দিদি নিজের ঘাড় থেকে দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পেরেছে আর এই কয়দিন তো ঘরের সব কাজের দায়িত্বই আমার আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিয়ে নিচে এলাম নিচে এসে দেখি দিদি তখনও মন দিয়ে টিভি দেখছে আমাকে কাজ করতে দেখে আমার দিকে তাকিয়ে দিদি মিটিমিট হাসতে লাগল
দুতলা অসম্পুর্ন হওয়ায় ঘর কম, একতলায় মোট ৫ টা ঘর, সাথে রান্নাঘর ও টয়লেট তো আছেই আমি এক এক করে সব ঘরে ঝাঁট দিতে লাগলাম ঝাঁট দেওয়া শেষ করে দিদিকে জিজ্ঞাসা করলাম , “ রোজ সব ঘর না মুছলে হয়না দিদি? অনেক কাজ তো করলাম আজ
 দিদি মুখে হাসি ঝুলিয়ে বলল, “ ঠিক আছে মুছিস না আমি বরং মা কে একটা ফোন করি
দিদি আমাকে ডমিনেট করে আনন্দ পাচ্ছে বুঝতে পারছিলাম আমি সাথে সাথে বললাম, “ সরি দিদি, আমি এখুনি মুছছি
উপর নিচের সব ঘর মোছা শেষ করে আমি নিচে এসে দেখি দিদি টিভি দেখতে দেখতে কার সাথে ফোনে গল্প করছে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি বিকেল চারটে বাজে আমি গত দুই ঘন্টা ধরে খাটছি আর দিদি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে আরামজ করছে ভাবতে দিদিকে একটু ঈর্শা হতে লাগল আমি দিদির দিকে তাকালাম দিদি নিজের দামী আইফোনটা কানে ধরে কোন বন্ধুর সাথে গল্প করছে দিদির পরনে নীল-সবুজ চুড়িদার, পায়ে নীল চটি আমার ফর্শা দিদি তিথিকে সব সময়ের মতই অপরুপা সুন্দরী লাগছে তার উপর দিদি পড়াশোনাতেও এত ভাল! দিদির উপর সত্যিই কি হিংসা করা উচিত আমার? দিদি সব দিক থেকেই আমার চেয়ে অনেক উপরে এইটুকু আরাম করার অধিকার তো থাকতেই পারে দিদির!
কিরকম ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম আমি একটু পরেই ঘোর কাটতে নিজেই অবাক হয়ে গেলাম আমি দিদি নিজের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আমাকে খাটাচ্ছে সে এক ব্যাপার কিন্তু আমি সেটাকে স্বাভাবিক বলে ব্যাখ্যা করতে চাইছি কেন? হল কি আমার?
ওই ছেলে, চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে? উপরে গিওয়ে আমার রুম আর স্টাডি রুমটা ভাল করে গুছিয়ে ফেল তারপর বিকালের টিফিন বানিয়ে পরতে বস সময় মতো উঠে রাতের রান্না করে নিস তোর জন্য আমি বাইরে খাবার অর্ডার দেব নিজের
আমি আর তর্ক করলাম না দিদির রুমে উঠে দিদির অগোছাল রুম গোছাতে শুরু করলাম তারপর স্টাডি রুম গোছাতে গোছাতে প্রায় সাড়ে পাঁচটা বাজল আমি নিচে গিয়ে টিফিন বানিয়ে নিজে খেলাম, দিদিকেও দিলাম দিদি তারপর নিজের রুমে বসে ল্যাপটপ খুলে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে লাগল আর আমি স্টাডি রুমে বসে পড়তে লাগলাম পড়াশোনা না করার জন্যই আজ বাবা মা দিদিকে আমার থেকে এত বেশি অধিকার দিয়েছে আর দিদি আমাকে ইচ্ছামত খাটাতে পারছে ঠিক করলাম এবার থেকে ভাল করে পড়তে হবে রাত সাড়ে নটায় উঠে নিজের জন্য সিদ্ধ ভাত বসালাম একটু পরে দিদির জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেট করা খাবার দিয়ে গেল আমি যখন রাতে সিদ্ধ ভাত নিয়ে বসলাম, দিদি আমার উল্টোদিকে বসে আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে ফ্রায়েড রাইস আর চিলি চিকেন খেতে লাগল খাওয়া শেষ করে আমি আবার সব বাসন মেজে রাখলাম তারপর নিজের ঘরে গিয়ে গুমোট ছোট্টো নিচু ঘরে গিয়ে মেঝেতে পাতা বিছানায় টেবিল ফ্যান চালিয়ে শুয়ে পড়লাম দিদি তখন নিজের ঘরে এসি চালিয়ে আরাম করে শুয়ে বক্সে হাই ভলিউমে গান শুনছে
পরের তিনদিন আমার ভয়ানক কষ্টে কাটল সারাদিনে এক মিনিটও ফ্রি টাইম পেতাম না সকালে উঠে ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা, বাসন মাজা, রান্না করা সামলে স্কুলে যেতে হত বিকালে স্কুল থেকে ফেরার পর দিদি কিছু না কিছু কাজ বার করে আমাকে ধরিয়ে দিত দিদি মা কে আমার রেজাল্টের কথা বলে দেবে বলার পর আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাকে আর ভয়ও দেখাতে হত না দিদিকে আমি স্বেচ্ছায় সব কাজ করে দিতাম প্রায় ঘর গোছানো থেকে জামা কাচা সবই দিদি আমাকে দিয়ে করাত।
দিদি ক্রমে নিজের সব কাজই আমার ঘাড়ে চাপাতে লাগল। প্র্যাকটিক্যল খাতা কপি করানো থেকে দিদিকে খাবার সার্ভ করা সবই আমি বিনা প্রতিবাদে করতে লাগলাম। এমনকি দিদি বাইরে যাওয়ার সময় দিদির পায়ে মোজা জুতো পরিয়ে দেওয়া আর বাইরে থেকে ফিরলে পা থেকে মোজা জুতো খুলে দেওয়ার দায়িত্বও আমার উপরে পরল। এমনকি দিদির প্রতিটা জুতো পালিশ করে চকচকে করে রাখার দায়িত্বও দিদি স্বচ্ছন্দে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি কিরকম অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম নিজেকে দেখেই, সব কাজ এমনভাবে করছিলাম যেন আমি দিদির চাকর।


বৃহস্পতিবার সকালে উঠেই দিদি আমাকে বলল ,” আজ স্কুল যেতে হবে না, আমি বাড়িতে পার্টি দিয়েছি। পৃথা, সোহিনী আর সুনন্দা আসবে। তুই বাড়িতে থেকে আমাদের সার্ভ করবি সারাদিন।
দিদি আমাকে চাকরের মতো ব্যবহার করছে বুঝেও আমার ভিতর থেকে কোন প্রতিবাদ এল না। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম, “ ঠিক আছে দিদি। তুমি যা বলবে তাই করব। দিদির মুখের মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ভাইয়ের এই চাকরের মতো আচরন ও খুব এঞ্জয় করছে
সারাদিন তুমুল পার্টি চালাল ওরা। বক্স থাকা সত্বেও আরও ভাল সাউন্ড বক্স ভাড়া করল। রেস্টুরেন্ট থেকে ভাল খাবার এল। ওরা সবাই জুতো পরা পায়েই তুমুল হুল্লোর করল স্টাডি রুম ফাকা করে। আমি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম পুরো সময়। মাঝে মাঝেই ওরা কেউ স্ন্যাক বা কোল্ড ড্রিংক্স চাইছিল। আমি ঠিক চাকরের মতো ছুটে গিয়ে সেটা এনে ওদের হাতে দিচ্ছিলাম। দুপুরে ওদের জন্য রেস্টুরেন্টের দামী খাবার সার্ভ করলাম। অথচ আমাকে তা থেকে একটুও ভাগ দিল না। আমাকে সেই তাড়াতাড়ি সেদ্ধভাত করে খেতে হল। সন্ধ্যায় ওদের অর্ডার মতো এক প্যাকেট সিগারেট আর কয়েকটা বিয়ারের বোতলও আনতে হল। সারা সন্ধ্যা ওদের ফাই ফরমাশ মত এটা ওটা এনে দিতে হচ্ছিল। সন্ধ্যার পর ওদের সবার পা থেকে জুতো খুলে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম ওদের পায়ে। রাত একটা অব্দি ওদের পার্টি চলল। ততক্ষন চাকরের মতো ওদের ফাই ফরমাশ খাটার পর নিচে গিয়ে সকালের করা সিদ্ধভাত খেয়ে নিজের ছোট্ট গুমোট ঘরে ঢুকে মনে পরল আমার টেবিল ফ্যানটাও দিদির আদেশে স্টাডি রুমে দিয়ে এসেছিলাম।  নিচে গিয়ে শুতে সাহস হল না। কি জানি, রাতে যদি দিদিদের কিছু প্রয়োজন হয়! আমি গুমোট গরমে নিজের মেঝেতে পাতা বিছানায় এসে শুলাম। দিদি আর তার বান্ধবীরা তখন সারাদিন পার্টিতে হৈ হুল্লোর করে পাশের দুটো ঘরে এসি চালিয়ে নরম গদিতে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। আর আমি? গুমোট গরম ঘরে একটা ফ্যানও জোটেনি আমার !! গুমোট গরমে রাতে আমার ঘুম বারবার ভেঙ্গে যাচ্ছিল। আধো ঘুমের মধ্যে বারবার সারাদিন দিদিদের চাকরের মতো খাটার কথা মনে পরে যাচ্ছিল। যত ভাবছিলাম দিদির আমাকে চাকরের মতো ব্যবহারের কথা, দিদির আরামে থাকা আর আমার ভয়ানক কষ্টে থাকা, কিরকম এক নেশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ছিলাম আমি। মনকে বারবার যেন বোঝাতে চাইছিলাম আমাকে এইভাবে ব্যবহার করার সম্পুর্ন অধিকার দিদির আছে। আমি কি সত্যিই দিদির হাতে এইভাবে ব্যবহৃত হওয়া এঞ্জয় করতে শুরু করেছি?
সকালের দিকে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম। দিদি বসার ঘরের মেঝেতে ফেলে আমার মুখের উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট। পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার। মা বলছে, লাথি মার ভাইকে, মেরে মেরে ওর মুখ ভেঙ্গে দে। দিদিও তাই শুনে আমার মুখের উপর জুতো পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগল। আমার মুখে অবশ্য যন্ত্রনা হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাকটা ভেঙ্গে যাবে দিদির লাথি খেয়ে। আমি দিদির জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। কিন্তু দিদি বা মা কেউই আমাকে ক্ষমা করছে না, দিদি একের পর এক লাথি মেরেই যাচ্ছে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দিয়ে।
এই ছেলে, ওঠ । আরাম করে ঘুমাচ্ছিস নিজে, আমাদের টিফিন বানাতে হবে খেয়াল নেই?” দিদির গলার আওয়াজ শুনে স্বপ্ন ভেঙ্গে চোখ মেললাম। তাকিয়ে দেখি দিদি আমার মাথার কাছে এসে দাড়িয়েছে। মেঝেতে শোয়া আমার গালটার উপরে চটি পরা ডান পা দিয়ে টোকা দিয়ে আমাকে ডাকছে দিদি।
সরি দিদি, আমি এখুনি গিয়ে টিফিন বানিয়ে দিচ্ছি তোমাদের। আমি দিদি ডান পা টা দুই হাত দিয়ে ধরে বললাম, তারপর উঠে বসলাম।
দিদি কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “ তাড়াতাড়ি। তোর জন্য আমরা খালি পেটে বসে থাকতে পারব না। দিদি এমনভাবে বলছিল যেন আমি সত্যিই ওর ভাই না, চাকর। দিদির মুখের হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে চাকরের মতো ব্যবহার করা ও কতটা এঞ্জয় করছে।
আমি বোধহয় তারচেয়েও বেশি এঞ্জয় করছি দিদির হাতে এই ডমিনেশন। কেন আমি নিজেও জানিনা। আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যেন আমার সুন্দরী মেধাবী দিদিকে বাবা মায়ের সামনে চাকরের মতো সেবা করতে পারলে আমি আর কিছু চাই না। আর যে স্বপ্নটা দেখলাম সেটা যদি সত্যি হয়? মায়ের সামনে যদি কোনদিন  দিদি ওইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারে আমার মুখে? কি যে হয়েছে আমার নিজেও জানি না। দিদির সেবা করার চিন্তা, দিদির হাতে অত্যাচারিত হওয়ার চিন্তা এত আনন্দ দিচ্ছে কেন আমাকে?
আর দিদি তো সত্যিই আজ চটি পরা পা দিয়ে মেঝেতে শোয়া আমার গালে টোকা দিচ্ছিল। ভাবতেই যেন নিজের দেহের কোষে কোষে কি এক অনাবিল সুখের স্রোত টের পাচ্ছিলাম যেন।
আমি বেসিনের আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালাম মুখ ধোওয়ার জন্য। কিন্তু একি দেখছি আমি? নিজের চোখকেও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার আমার ঠোঁট, নাক আর কপালের উপর দিদির চটির তলার ছাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে! দিদি কি তাহলে আমার গালে শুধু চটি পরা পা দিয়ে টোকাই মারে নি, ভোররাতের পর গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়া আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে মুখের উপর এত জোরে নিজের চটির তলা ঘসেছে যে আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার ছাপ পরে গেছে? নাকি দেয়াল ধরে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাড়িয়েই পড়েছিল দিদি? সেরকমই তো মনে হচ্ছে দুটো আলাদা চটির তলা দাগ  স্পস্টই দেখা যাচ্ছে আমার মুখের উপরে, একটা নাক আর ঠোঁটের উপরে, অন্যটা কপালের উপরে। দিদি তাহলে সত্যিই গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে। আর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থায় মুখের উপর সেই ব্যথার অনুভুতিকে স্বপ্ন অন্যভাবে ব্যখ্যা করিয়ে আমাকে দেখাচ্ছিল দিদি মায়ের সামনেই আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে। উফ, দিদি আমার মুখের উপর চটির তলা ঘসছিল, আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপর উঠে দাঁড়িয়েছিলো  ভাবতেই আমার কোষে কোষে আনন্দের ঢেউ উঠতে লাগল যেন ঠিকই তো করেছিল দিদি। আমার জায়গা তো আমার দিদির জুতোর তলাতেই! কিন্তু আমার ঘুম ভাংতেই দিদি আমার মুখ থেকে নেমে দাড়াল কেন? জেগে থাকা অবস্থায় সবার সামনেই আমার সাথে এরকম করতে পারে তো দিদি। দিদি কি ভাবে আমি বাধা দেব? ছি, দিদি আমার প্রভু হয়, আমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে দিদি। আমার মনে আর কোন দ্বন্দও কাজ করছিল না যেন। আমি যেন শুধু দিদির চাকর না, মনে মনে দিদির দাস হয়ে গিয়েছিলাম। আমি মনে মনে শুধু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যাতে ঘুমের মধ্যে দিদি যেভাবে আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো, সেরকম যেন সবার সামনেই করে আমার জেগে থাকা অবস্থাতেই।
আমি দিদিদের জন্য টিফিন প্রস্তুত করে স্টাডি রুমে গিয়ে ওদের হাতে টিফিন তুলে দিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে রান্না বসালাম। দিদির বান্ধবীরা টিফিন করে বাড়ি চলে গেল। দিদি খেয়ে নিয়ে স্কুলে চলে গেল। আমিই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দিদির পায়ে জুতো মোজা পরিয়ে দিলাম। দিদি বেরিয়ে যাওয়ার পরই ল্যান্ডলাইনে ফোন এল। মা ,বাবা গুরুকে নিয়ে আধ ঘন্টার মধ্যে স্টেশনে পৌছাবে। আমি যেন আনতে যাই। আমার খেয়াল হল স্টাডি রুমের অবস্থা দিদিরা ভিশন খারাপ করে রেখেছে। কিন্তু তখন আর গোছানোর সময় নেই। আমি শুধু বিয়ারের বোতল তিনটে ফেলে দিয়ে রেডি হয়ে স্টেশনের দিকে চললাম মা বাবা আর গুরুকে নিয়ে আসতে।


 স্টেশান থেকে যখন বাবা মা আর গুরুকে নিয়ে ফিরলাম তখন বেলা প্রায় ১২ টা। এতদিন যে বয়স্ক গুরুকে বাড়িতে আসতে দেখেছি তিনি নাকি বয়সজনিত কারনে খুব অসুস্থ। যিনি এসেছেন তিনি তার ছেলে, দেখে মনে হয় বছর ৩৫ বয়স। পারিবারিক ঐতিহ্যে ইনিই এখন আমাদের বাড়ির গুরু হবেন, পরামর্শ দেবেন বাবাকে। ইনাকে আমার আগের গুরুর মতো খারাপ লাগল না। ইনি অনেক হাসিখুশি স্বাভাবিক মানুষ।
বাড়ি পৌছেই মা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পরল, বাবা একটু বেরলো ব্যবসার কাজে। দুপুরে মা গুরুর কাছে অভিযোগ করল, “ আমার ছেলেটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে গুরুদেব। আমার মেয়েটা এত ভাল, অথচ ছেলেটা ওর দিদিকে দেখে কিছুই শিখল না। পড়াশোনা করে না, বদ্মাইশি করে বেড়ায়। দেব-দেবীতে ভক্তি নেই। সরস্বতী পুজোর সময় বলে দেবীর মুর্তি দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে না। আপনি এঁকে মানুষ করার উপায় বলুন গুরুদেব, বড় চিন্তায় আছি
গুরু হেসে বলল, “ চিন্তা কোর না। আমি আছি, ঠিক একটা ব্যবস্থা করব। এই বয়সে এরকম হয়। আর মুর্তি দেখেই ভক্তি জাগতে হবে এরকম কোন নিয়ম নেই। দেবীর উপস্থিতি উপলব্ধি করার জন্যই তো দেবী মুর্তির কল্পনা। দেখতে হবে  কি বা কাকে দেখে ওর প্রানে ভক্তি জাগে। তারপর সেটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করলেই ও দেবী সরস্বতীর মাহাত্ম অনুভব করতে পারবে, পড়াশোনায় মন বসবে, স্বভাবও শান্ত হবে। আমি তো আছি, ওর সাথে ভাল করে পরে কথা বলে দেখব ওর সমস্যা কি
গুরুর কথা শুনেই আমার দেহের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। সত্যি, দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখে আমার প্রানে ভক্তি জাগে না, কিন্তু আমার সুন্দরী দিদিকে দেখে জাগে। দিদিকে কোন দেবী আর নিজেকে দিদির ভক্ত মনে হয়। মনে হয় সবার সামনে দিদির পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে থাকি, দিদির নরম পায়ের পাতায় চুম্বন করে আশির্বাদ প্রার্থনা করি
বাকি দিনটা স্বাভাবিক নিয়মেই কাটল। দিদি বিকালে স্কুল থেকে ফিরল, তারপর আবার আগের মতো টিফিন করেই পড়তে বসে গেল। আমিও একটু পড়ার চেষ্টা করলাম। রাতে গুরু কিসের একটা যজ্ঞ করবে, তার প্রস্তুতিতে মা কে সাহায্য করলাম।
ঝামেলা বাধল রাত ৯ টার দিকে। কি একটা আনার জন্য টাকা বের করতে গিয়ে মা দেখল লকারে মাত্র ৩০০ টাকা পরে আছে। রবিবার আমাদের দুজনকে রেখে বেড়াতে যাওয়ার আগে লকারে মা ২০০০০ টাকা রেখে গিয়েছিল। মা আকাশ থেকে পরল তাই দেখে। আমাকে আগে সামনে পেয়ে  জিজ্ঞাসা করল,” ৫ দিনে তোরা ২০০০০ টাকা খরচ করলি কি করে? কি করেছিস টাকা দিয়ে?”
আমি দিদিকে দোষ দিতে চাইনি, কিন্তু নর্মাল রিফ্লেক্সে আমার মুখ দিয়ে বেড়িয়ে গেল, “ আমি তো এক টাকাও ধরিনি মা। আলমারির চাবি কোথায় রেখেছিলে তুমি তাই জানি না আমি
মা ভুরু কুঁচকে বলল, “ চল উপরে তোর দিদিকে জিজ্ঞাসা করি
ভয়ে আমার বুক ধুকধুক করছিল। দিদির এই কয়দিন রোজ রেস্টুরেন্টে দামীদামী খাওয়া, পার্টি করার টাকা কোথা থেকে এসেছে আমি বুঝতে পারছিলাম। বুধবার দিন দিদি তো অনেক কিছু শপিং ও করে এনেছিল।
মা দিদিকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই দিদি ঠোঁট উলটে এমন ভাব করল যেন মা কি বলছে কিছুই বুঝতে পারছে না। তারপর দিদি বলল, “ ঘরে তো সব বাজারই করা ছিল। আমি একবারও আলমারি খুলিনি। তবে ভাইকে রোজই দেখেছি ঘরের খাবার না খেয়ে বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার আনিয়ে খেতে। ভাই তো কাল অনেক বন্ধু এনে ঘরে পার্টিও দিয়েছিল। ওই বলতে পারবে, কত টাকা সরিয়েছে আলমারি থেকে
দিদির এই কথায় আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম। দিদিকে আমি মনে প্রানে দেবীর মতো শ্রদ্ধা করি এখন, দিদি আমার উপর নিজের অপরাধের দায় নিশ্চয়ই চাপাতে পারে, সেই অধিকার দিদির আছে। কিন্তু মায়ের প্রশ্নের জবাবে কি বলব, কিভাবে পরিস্থিতে সামলাব বুঝতে পারছিলাম না। মা- বাবা- দিদি এরপর একসাথে যখন আক্রমন করবে তখন কি করব বুঝতে না পেরে বলে ফেললাম, “ না মা, আমি এসব কিছু করিনি
দিদি খাট থেকে নেমে মায়ের সামনেই আমার বাঁ গালে ডাব হাত দিয়ে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ কি , আমি মিথ্যা বলছি? ঠিক আছে মা, তাহলে তোমার গুনধর ছেলের কির্তী নিজেই দেখে যাওএই বলে মাকে নিয়ে স্টাডি রুমে আসল। আমিও মা আর দিদির পিছু পিছু এলাম।
এই দেখ মা, কাল এই ঘরে ভাই পার্টি করেছিল। এখনও মেঝেতে খাবারের টুকর পরে আছে দেখ। এই দেখ, সিগারেটের ছাই আর ফিল্টারও আছে। আর এই গ্লাস গুলো দেখ, শুঁকলেই বুঝতে পারবে এতে করে কি খেয়েছে। তোমার গুনধর ছেলে এই বয়সেই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করছে, মদ সিগারেট খাচ্ছে। এবার ওর ঘরে আস, আরেকটা জিনিস দেখাই
এই বলে দিদি মা কে নিয়ে আমার ঘরে এল। আমার স্কুল ব্যাগ খুলে পরীক্ষার খাতাগুলো বের করে মা কে বলল,” ওর যে রেজাল্ট বেড়িয়েছে স্কুলে সেটা কাউকে বলেনি। স্বভাব তো গেছেই, এবার কিরকম নাম্বার পেয়েছে দেখ। বাংলায় ১০০ তে ৩৫, ইংরেজিতে ০৯, ইতিহাসে ১২, ভূগোলে ১৫, জীবন বিজ্ঞানে ২১, ভৌতবিজ্ঞানে ১০, অংকে ০৪  এবার টাকা কে কেন সরিয়েছে বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। এই বয়সেই যত অধঃপতনে যাওয়া সম্ভব ও চলে গিয়েছে। কি করে সামলাবে ওকে এখনই ভাব মা। আমাকে দায়িত্ব দিলে চাবকে সোজা করে দেব ভাইকে
 দিদির কথায় আমি চমকে উঠছিলাম। পরীক্ষার নম্বর এখন মা বাবাকে বলবে না সেই শর্তে এই কয়দিন সম্পুর্ন চাকরের মতো আমি দিদির সেবা করলাম। আর তার পরও সেটা মা কে বলে দিল দিদি! এমনকি , নিজে আলমারি থেকে টাকা সরিয়ে যা যা করেছে সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক শাস্তির খাড়া নেমে আসতে চলেছে আমার উপরে। কিন্তু আমার উপরে আমার সুন্দরী ২ বছরের বড় দিদির নিষ্ঠুরতা কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভয়ানক ভাল লাগছিল আমার। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম প্রথমে দোষ অস্বীকার করায়। ঠিক করলাম আমার যাই শাস্তি হোক, সব শাস্তি আমি মাথা পেতে নেব। দিদির করা অপরাধের শাস্তি আমি পাব ভাবতেও কেন যেন অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছিল।
মার মুখ থমথমে হয়ে গিয়েছিল রাগে, বুঝতে পারছিলাম ভয়ানক কিছু আসতে চলেছে প্রতিক্রিয়ায়। তখনই বাবা নিচ থেকে ডাক দিল। যজ্ঞের সময় হয়ে এসেছে প্রায়। আয়োজন সম্পুর্ন করতে হবে।
মা আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ তোর শাস্তি পরে হবে। এখন চল, যজ্ঞের কাজ সাহায্য করবি
যজ্ঞ শেষ হতে রাত প্রায় দেড়টা বাজল। ফলে তখন আর আমার শাস্তি নিয়ে আলোচনা হল না বেশি, শুধু বাবা মাকে বলল কাল সকালে গুরুর সাথে কথা বলতে কি করে আমাকে ঠিক পথে আনা যায় আমি ভয়ে ভয়ে উপরে এসে আমার ঘরে শুয়ে পরলাম। আজও টেবিল ফ্যানটা আনা হয়নি পাশের ঘর থেকে। আমি সেই ভ্যাবসা গরমেই মনে ভয়ানক ভয় নিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলাম। আর আমার সুন্দরী দিদি নিজের সব অপরাধের দায় আমার উপরে চাপিয়ে এসি ঘরে তার অনেক আগে থেকেই আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।
ভোররাতে স্বপ্নে দেখলাম গুরু আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন , “ সরস্বতী্ মূর্তি দেখলে তোমার মনে ভক্তি জাগে না?”
না”, আমি বললাম।
কি দেখলে ভক্তি জাগে তাহলে
আমি বললাম, “ আমার দিদি তিথিকে । দিদিকে দেখলেই মনে হয় স্বয়ং দেবী সরস্বতী। তাই দিদির এত রুপ, এত ভাল পড়াশোনায়। দিদিকে দেখলেই ভক্তিতে দিদির পায়ের উপর মাথা নামিয়ে দিতে ইচ্ছা করে
তাহলে তোমার দিদিকেই দেবী রুপে ভক্তিভরে পুজা কর এখন থেকে, এতেই তোমার উন্নতি হবে
তারপর দেখলাম দিদি শাড়ি পরে খালি পায়ে একটা চেয়ারে বসে আছে দেবী সরস্বতী রুপে। আমি মন্ত্র পরে দিদিকে পুজা করছি দেবী সরস্বতী রুপে মা বাবার সামনেই। তারপর দিদির পা দুটো হাতের পাতায় রেখে তার উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম আমি। সুন্দরী দিদির নরম ফর্শা পায়ের পাতায় কপালটা ঘসতে লাগলাম , বারবার দিদির পায়ের পাতায় চুম্বন করতে লাগলাম ভক্তিভরে। জবাবে দিদি নিজের পা দুটো আমার মাথার উপরে রেখে আমাকে আশির্বাদ করল দেবীর মতো।
উফ, কি অদ্ভুত নেশা এই স্বপ্নে। আমি আরও গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম স্বন দেখতে দেখতে।
ঘুমা ভাঙল মুখের উপর শক্ত কোন কিছুর স্পর্শে । চোখ খুলে দেখি কালকের মতো দিদি আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। দিদির পরনে কাল টি শার্ট আর ধুসর বারমুডা, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর ঘসছিল বেশ জোরে। আমি জাগার পরেও কয়েক সেকেন্ড আমার মুখের উপর চটির তলাটা ঘসা চালিয়ে গেল দিদি। তারপর, আমি জেগে চোখ খুলেছি বুঝতে পেরে আমার মুখের উপর থেকে চটি পরা ডান পা টা সরিয়ে দিদি বলল, “ কাল তুই মাকে বললি কেন টাকা তুই নিসনি? এখন থেকে আমার সব অপরাধের দায় নিজে থেকে মাথা পেতে নিবি তুই আর কাল আমি যা বলেছি মা কে তুইও সেটাই বলবি। সত্যিটা মা জানতে পারলে তোর বিপদ আছে কিন্তু। মনে রাখিস, মা বাবা তোর মতো অপদার্থ ছেলের কথা বিশ্বাস করবে না, আমি যেটা বলব সেটাই মেনে নেবে। তারপর তোকে আমি দেখে নেব। দিদি চটি পরা পা দিয়ে আমার গালে টোকা দিয়ে বলল।
দিদির উপর একটুও রাগ হচ্ছিল না আমার, সত্যিই তো আমি অপদার্থ ছেলে, স্বপ্নের মতো দিদিকে সবার সামনে পুজো করতে পারলে আমার জীবনটা ধন্য হয়ে যেত। কিন্তু আমাকে জাগতে দেখে দিদি আমার মুখের উপর থেকে নিজের চটি পরা পা টা সরিয়ে নিল কেন? আমার জায়গা তো ওখানেই, দিদির চটির তলায়। দিদির প্রতি প্রবল ভক্তি উথলে উঠল আমার মনে। নিজে থেকে দুই হাতে দিদির চটি পরা ডান পা টা টেনে এনে আমার ঠোঁটের উপরে রাখলাম। দিদির চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বলল, “ সরি দিদি। কাল ভুল করে মা কে বলে ফেলেছি ওই কথা। এখন থেকে তুমি যা বলবে আমি তাই করব, তুমি তোমার যত অপরাধের দায় আমার উপরে চাপাবে সব আমি মাথা পেতে নেব। আমার জায়গা এখন থেকে তোমার এই চটির তলায়
এই বলে আমি একের পর চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম দিদির চটির তলা। দিদি একটু অবাক চোখে দেখছিল আমার দিকে। দিদির প্রতি আমার এই অসহায় আত্মসম্পর্পনের কারনটা বুঝতে পারছিল না বোধহয়। আমি দিদি চটির তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন চালিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাত দিদি চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মুখের উপর বেশ জোরেই একটা লাথি মারল। আমার সাথে চালাকি করার চেষ্টা করবি না কিন্তু, ফল ভাল হবে না। মা , বাবা আর ওই গুরু আজ তোর বিচারে বসবে, তুই তাই বলবি যা আমি বলতে বললাম। নাহলে আর এত আসতে লাথি মারব না, জুতো পরা পায়ে সপাতে তোর মুখে লাথি মারতে মারতে তোর নাক মুখ দাঁত সব ভেঙ্গে দেব আমি। দিদি আমার মুখের উপর আরও কয়েকটা লাথি মারতে মারতে বলল।
আমি দিদির লাথি খেতে খেতেই দিদির চটির তলায় আরেকটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম, “ আমাকে তুমি ইচ্ছা করলেই যত খুশি লাথি মারতে পার দিদি, সেই অধিকার তোমার আছে। তুমি এত মেধাবী, এত সুন্দরী দিদি আর আমি তোমার অপদার্থ ভাই একটা। মুখে তোমার লাথি খেলেও আমার উন্নতি হবে দিদি।
দিদি বোধহয় ওর প্রতি আমার ভক্তিটা বুঝতে পারছিল না, ভাবছিল আমি কোন চালাকি করার চেষ্টায় আছি। দিদি আমার মুখের উপর রাখা চটি পরা ডান পাটায় ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল, দিদির চটি পরা পায়ের তলার চাপে আমার নাকটা ফ্ল্যাট হয়ে মুখের সাথে লেগে গেল। দিদি ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠিক গলার উপর রেখে দাঁড়াল। দিদির চটি পরা বাঁ পা টা আমার গলার উপরে রাখা, আর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে। আমি নিশ্বাস নিতে পারছিলাম না, একটু বাতাসের জন্য বুকটা পাগলের মতো ওঠা নামা করছিল। ভিশন কষ্ট হচ্ছিল আমার। কিন্তু এই কষ্ট আমার সুন্দরী দিদি দিচ্ছে এই চিন্তা সেই প্রবল কষ্টকেও উপভোগ্য করে তুলেছিল। আমি সেই অবস্থাতেই দুই হাত বাড়িয়ে ক্রীতদাসের মতো দিদির পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম।
দিদি একটু পরে বাঁ পা টা বাড়িয়ে আমার কপালের উপরে রাখল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে পায়ে প্রায় ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল দিদি, দেয়ালটা ধরে রইল ব্যালেন্সের জন্য। আমি এই পুরো সময়টা প্রভুজ্ঞানে ভক্তিভরে দিদির পা দুটো পালা করে টিপে চললাম। দিদি নিজে থেকে এইভাবে আমার উপর অত্যাচার করছে ভাবতেই প্রবল আনন্দে আচ্ছন্ন হয়ে পরছিলাম আমি।
প্রায় ১০ মিনিট পর দিদি আমার মুখের উপর থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল, “ যা বললাম সেটা মনে থাকে যেন। তারপর আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই মুখ ঘুরিয়ে ঘর থেকে বেরনোর জন্য পা বাড়াল।
আমি উঠে মেঝেতে বসে পরেছিলাম ততক্ষনে, দিদির কথার উত্তরে স্বতস্ফুর্তভাবে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে গেল, “ নিশ্চয়ই প্রভু, তুমি যা বলবে আমি তাই করব এখন থেকে। এখন থেকে তুমি আমার আরাধ্যা দেবী, তোমার জুতোর তলায় আমার স্থান
দিদি ঘুরে দাঁড়াল হঠাত, তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে প্রবল জোরে একটা লাথি মারল আমার চোয়ালের উপরে। আমি সহ্য করতে পারলাম না, দিদির লাথি খেয়ে উল্টে পরলাম, আমার মাথাটা দেয়ালে ঠুকে গেল ভিশন জোরে।
তোর কি মনে হচ্ছে আমি ইয়ার্কির মুডে আছি? আমার সাথে তুই ইয়ার্কি মারার চেষ্টা করছিস? আমার কথা না শুনলে ফল ভাল হবে না, শেষবার বলে দিলাম তোকে।
দিদির লাথি খেয়ে আমি উল্টে পরেছিলাম কিছুটা, আমার পিঠ আর মুখ দেয়ালে লেগেছিল ধাক্কা খাওয়ার পর। সেই অবস্থায় আমার মুখের উপর দুই চটি পরা পা দিয়েই একের পর এক লাথি মারতে লাগল দিদি। দিদির প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে দিদি ইয়ার্কি বলে ভেবে ভিশন রেগে গেছে বুঝতে পারছিলাম। আমি হাতজোড় করে বসে মুখে দিদির লাথি খেতে লাগলাম, কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। দিদি ওর চটি পরা দুই পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারা চালিয়ে গেল। আমার মুখের উপর চটি পরা পায়ে অন্তত ৩০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘসতে ঘসতে বলল, “ কথাটা মনে থাকে যেন। তারপর আগের মতো আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে মুখ ঘুরিয়ে চলে গেল। এবার আর আমি কিছু বলার চেষ্টা করলাম না আমার দিদিকে।
দিদি ওর প্রতি আমার স্বাভাবিক অতি ভক্তিকে ইয়ার্কি করছি ভাবায় আমার খারপ লেগেছিল। সেই সাথে আমারে প্রতি দিদির এই ভয়ানক নিষ্ঠুরতা ভিশন খুশি করে দিয়েছিল আমার মনকে। দিদি এইভাবে এত জোরে জোরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে কোনদিন লাথি মারবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি কোনদিন। এক অদ্ভুত খুশিতে মন আচ্ছন্ন হয়ে পরেছিল আমার । আমি চভাইছিলাম এখন থেকে দিদি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার করুক। আমাকে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করুক আমার সুন্দরী দিদি, সবার সামনে জুতো পরা পায়ে আমার মুখের উপর যত জোরে খুশি লাথি মারুক।
আমি বিছানা ছেড়ে উঠে মুখ ধোব বলে বেসিনের সামনে এলাম, আয়নায় মুখ দেখলাম। আমার মুখের উপর দিদির চটির তলার দাগ আজও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। খেয়াল করিনি, দিদির লাথি খেয়ে আমার নাক দিয়ে অল্প অল্প রক্ত পরছে। আমার ফর্শা মুখটা লাল হয়ে গেছে দিদির অত্যাচারে, দিদির দুই পায়ের এত গুলো লাথি খেয়ে। আমার মনটা আনন্দে ভরে গেল এই দেখে। আমি আয়নার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, দিদি , আমি যেভাবেই হোক আজকে তোমাকে বিশ্বাস করাবোই আমি এখন তোমাকে সত্যিই দেবী সরস্বতীর মতো শ্রদ্ধা করি, দেবী সরস্বতীর মুর্তীর বদলে তোমাকেই পুজো করতে চাই দেবীজ্ঞানে। সারাদিন তোমার সেবা করতে চাই প্রভুজ্ঞানে , সব্র সামনে। এটাই আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য দিদি, তোমার সেবা করা, তোমার ভক্ত ক্রীতদাস হওয়া
মুখ ধুয়ে নিচে যেতেই মা একগাদা কাজ ধরিয়ে দিল। সব শেষ করতে সাড়ে দশটা বেজে গেল। তারপরই দিদি হাঁক দিল সামনের ঘর থেকে, “ ভাই, এদিকে আয়
আমি গিয়ে দেখি দিদি স্কুল ইউনিফর্ম পরে সামনের ঘরের সোফায় বসে বই খুলে পড়ছিল। আমাকে দেখে দিদি বলল, “ নে, আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দে।  
মা, বাবা, গুরু প্রায়ই আশে পাশে ঘুরছে। আমি দিদির মোজা জুতো নিয়ে এসে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। দিদির পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরিয়ে দিলাম চাকরের মতো। তারপর দিদির আদেশের অপেক্ষায় না থেকেই দিদির পায়ে পরা জুতো দুটো পালিশ করে দিতে লাগলাম, মাও তখন কি একটা দরকারে এই ঘরে এসেছে লক্ষ্য করলাম। আমার এই অতি সেবা আবার দিদি সন্দেহের চোখে দেখল। আমার মুখের উপর জুতো পরা ডান পা দিয়ে মায়ের সামনেই একটা লাথি মেরে দিদি বলল, “ স্কুল থেকে এসে যেন শুনি তুই সব অপরাধ স্বীকার করেছিস। নাহলে তোর কপালে দুঃখ আছে মনে  রাখিস। এই বলে দিদি বেরিয়ে চলে গেল স্কুলের উদ্দেশ্যে। মা দিদিকে আমার মুখের উপর জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে দেখেও কিছু বলল না। অবশ্য আমি যা অপরাধ করেছি বলে মায়ের ধারনা, এই শাস্তি সেই তুলনায় কিছুই না। 
মায়ের সারা সকাল রান্নাবান্না, পুজোর যোগাড় সহ নানা ব্যস্ততায় কাটল, বাবাও বেড়িয়ে গিয়েছিল ব্যবসার কাজে। নিচের বিশাল হলঘরটায় গুরুজির থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। দুপুরে খাওয়ার পর সেই ঘরে আমাকে নিয়ে ঢুকল মা- বাবা। গুরুকে মা বলল, “ গুরুদেব, এই ছেলেকে নিয়ে আমি আর পারছি না। এই বলে দিদির মুখে আমার অপরাধের যেই গল্প মা শুনেছিল তা গুরুদেবের কাছে হতাশ গলায় উগড়ে দিল। তার মধ্যে আমার অতি খারাপ রেজাল্টের সত্যি ঘটনাও অবশ্য ছিল।
সব শুনেও গুরুর মুখের হাসি মুছল না। মা কে বলল, “ তোমরা এত চিন্তা কর না। সব ঠিক হয়ে যাবে, আমি আছি তো। তোমরা দুজন একটু বাইরে যাও, আমি আগে খোকার সাথে একটু কথা বলি একা
গুরুর কথায় মা আর বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে চলে গেল। বিশাল হলঘরের মেঝেতে বসে গুরুর মুখের দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাম আমি


গুরুদেবের ঘর থেকে হতাশ হয়ে বেড়িয়ে এলাম আধঘন্টা পরে। নিজের উপর কিরকম একটা রাগ হচ্ছিল আমার। এত করে ভেবে রেখেছিলাম যে গুরু্র কাছে অসহায়ের মতো নিজের সব অপরাধ স্বীকার করে নেব। সেই সাথে বলব আমি খুব খারাপ, খারাপ কাজ করতে ইচ্ছা হয় আমার প্রায়ই, পড়াশোনা করতে ভাল লাগে না, দেবী সরস্বতীর মূর্তি দেখলেও প্রানে ভক্তি জাগে না। কিন্তু আমার মেধাবী সুন্দরী দিদিকে দেখলে সেই খারাপ আমার প্রানেও ভক্তি জাগে, কেন জানি না মনে হয় দিদিই দেবী সরস্বতী। আমার মনে হয় যদি আমি দিদিকে দেবী সরস্বতী রুপে পুজো করতে পারতাম, দিদি যদি আমার মাথার উপর চটি পরা পা রেখে আশীর্বাদ করে দিত , তাহলে আমারও পড়ায় মন বসত, স্বভাবও ভাল হয়ে যেত ধীরে ধীরে।
কিন্তু আফশোষ, এত করে গুছিয়ে রাখা কথা গুলো কি করে যেন মুখ থেকে বেরলই না গুরুর সামনে। কিরকম এক লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে গেলাম কথাগুলো বলার আগেই। নিজের দোষ স্বীকার করলাম, কিন্তু তার প্রতিকার যে দিদির পুজো করলে হতে পারে, সেইদিকে কথা ঘোরানোর সাহস হল না। গুরু সব শুনে বলল, “অশুভ চিন্তা তোকে ভর করেছে, তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। কি করে তোকে করা যায় ঠিক করার আগে এই নিয়ে তোর বাবা, মা আর দিদির সাথে কথা বলা দরকার

আমি গুরুর ঘর থেকে বেরনোর মাত্র ১৫-২০ মিনিট পরেই আমার দিদি তিথি ( ভাল নাম অন্মেষা ) স্কুল থেকে বাড়ি ঢুকল। বসার ঘরে ঢুকেই দিদি  ডাক দিল আমাকে, “ এই রনি, এদিকে আয়
দিদি বসার ঘরের সোফায় স্কুলের পোশাক পরে বসে আছে, দিদির পরনে স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা, সাদা স্নিকার। আমি ঠিক দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম।
দিদি কঠিন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল। সবার সামনে নিজের দোষ স্বীকার করেছিস তুই?”
আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ হ্যাঁ দিদি, গুরুর সামনে স্বীকার করেছি
দিদির মুখে একটা মুচকি হাসি ফুটে উঠল আমার কথা শুনে। আমার বাঁ গালে ডান হাত দিয়ে সজোরে একটা থাপ্পর মারল আমার দুই বছরের বড় দিদি তিথি, তারপরেই আমার ডান গালে বাঁ হাত দিয়ে আরেকটা।
শুনে গুরু কি বলল?”
বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় ভর করেছে। আমার প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি দরকার। সেটা কি করে হবে গুরু সেটা তোমাদের সাথে কথা বলে ঠিক করবে

আমি আড়চোখে দেখলাম মা ততক্ষনে আবার এই ঘরের দরজার সামনে এসে দাড়িয়েছে, সম্ভবত পাশের ঘর থেকে আমাকে দিদির থাপ্পর মারার আওয়াজ শুনে।
দিদির মুখে আবার একটা চওড়া হাসি ফুটে উঠল। কি করলে তোর প্রায়শ্চিত্ত আর চিত্তশুদ্ধি সবচেয়ে ভাল হবে জানিস?”
আমি মাথা নেড়ে বললাম, “ না দিদি, জানি না
তোকে শোধরানোর দায়িত্ব আমার উপর ছেড়ে দিলে। আর আমি সেই সুযোগ পেলে তোকে কি করে শোধরাবো জানিস?”
জানি না দিদি”, আমি বললাম।
দিদি প্রথমে আমার দুই গালে তিনটে করে পরপর থাপ্পর মারল জোরে জোরে। তারপর আমাকে সামলানোর সুযোগ না দিয়েই জুতো পরা ডান পা দিয়ে সকালের মতই বেশ জোরে আমার মুখের উপর একটা লাথি মারল। আমি সামলাতে না পেরে উল্টে পরে গেলাম। তারপর আবার হাটুগেড়ে দিদির পায়ের কাছে বসতেই দিদি মুখে হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞাসা করল, “ এবার বুঝতে পারলি কিভাবে শোধরাবো তোকে?”
জবাবে আমি দিদির জুতো পরা দুই পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রথমে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম একবার। তারপর জবাব দিলাম,” হ্যাঁ দিদি, আমাকে মেরে মেরে ঠিক করবে তুমি। শুধু তুমিই চেষ্টা করলে আমাকে শোধরাতে পারবে। প্লিজ দিদি, আমাকে যতখুশি মার, এইভাবে আমার মুখে চড় , লাথি মেরে আমাকে ভাল হওয়ার সুযোগ করে দাও প্লিজ
আড়চোখে দেখলাম মা পাশের ঘরের দরজার পাশ থেকে অবিশ্বাসে ভরা চোখ নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে তার খারাপ ছেলের ভাল হতে চাওয়ার আকুতি শুনছে।
দিদি একবার চোখ তুলে মায়ের দিকে তাকাল। মায়ের সামনে আমার স্বীকারোক্তি , আর দিদির কাছে আত্মসমর্পনের অসহায় ইচ্ছা যে দিদি খুব উপভোগ করছিল সেটা দিদির ভাবভঙ্গীতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। দিদি হয়ত এবার বিশ্বাস করতে শুরু করেছে দিদির প্রতি আমার ভক্তি আমার অন্তরের ভাবের প্রকাশ, এরমধ্যে কোন চালাকি লুকিয়ে নেই।
মায়ের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে দিদি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “ চুপ করে বসে থাক তুই, আমি তোর মুখে জুতো পরা পায়ে পরপর লাথি মারব এখন। এটা তোর প্রায়শ্চিত্তের প্রথম ধাপ
দিদির কথা সেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার নাকের উপর সজোরে আছড়ে পরল, আর তার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা ডান পায়ের তলা আঘাত করল আমার কপালের উপর। আমি উল্টে পরে গেলাম আবার। উঠে বসতে বসতে তাকিয়ে দেখলাম মা অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
আমি উঠে বসার সঙ্গে সঙ্গেই দিদির জুতো পরা বাঁ পায়ের তলা আমার ডান গালে আর তারপরই জুতো পরা ডান পায়ের তলা আমার ঠোঁট ও নাকের উপর আছড়ে পরল। দিদির জুতো পরা দুই পায়ের তলাই একের পর এক তীব্র জোরে আঘাত হানতে লাগল আমার মুখের সর্বত্র। আমি ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মায়ের সামনেই মুখের সর্বত্র আমার সুন্দরী দুই বছরের বড় দিদি তিথির জুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগলাম। মা তখনও অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে আমাদের দেখতে লাগল, একবারের জন্যও দিদিকে বারন করল না আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে!!

৫...

ঘড়িতে বিকেল পাঁচটা। বাইরের ঘরের পাশের বিশাল হল ঘরটায় বাড়ির সবাই জড় হয়েছি। উদ্দেশ্য, আমার বিচার। বাবা, মা লম্বা সোফাটায় পাশাপাশি বসে, তার পাশেই একটা চেয়ারে গুরু। দিদি আরেকটা চেয়ারে ঠিক উল্টোদিকে বসে আছে বাব-মায়ের দিকে ফিরে। দিদির পরনে এখন একটা গোলাপী-সাদা চুড়িদার , পায়ে গোলাপী চটি, যেটা কয়েক ঘন্টা আগে মুখে দিদির ৩০-৪০ টা লাথি খেয়ে দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে দেওয়ার পর নিজে হাতে পরিয়ে দিয়েছি আমি। আমি আজ আসামী, তাই আমি ঘরের ঠিক মাঝখানে মেঝেতে বসে আছি। স্বাভাবিকভাবেই গুরু কথা শুরু করল দুপুরে আমার স্বীকারক্তির কথা সবাইকে বলে। তারপর গুরু বলল আমাকে অশুভ চিন্তায় আচ্ছন্ন করেছে। আমার কঠিন প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমে চিত্তশুদ্ধি দরকার। তারপর বাবা , মা আর দিদির কাছে জানতে চাইল ওদের মতে কিভাবে আমার চিত্তশুদ্ধি সম্ভব
প্রথমে বাবা বলল, “ আপনি থাকতে আমি আর কি বলব গুরুদেব।  আপনিই ভাল বুঝবেন কি করে ওর মঙ্গল হয়। আমার তো মনে হয় এসব অসভ্য বাঁদর ছেলেকে মেরে সোজা করা ছাড়া রাস্তা নেই। তবে আমরা আর কি বুঝি? আপনি যা ভাল বুঝবেন সেটাই হবে। তাতেই ওর ভাল হবে
দিদি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “ ঠিক বলেছ বাবা। এসব ছেলেকে পিটিয়েই সোজা করতে হয়। ওকে ঠিক করার দায়িত্ব আমার উপর দিয়ে দেখ, পিঠিয়ে দশ দিনে ভাল বানিয়ে দেব। কথা না শুনলে লাথি মেরে ওর দাঁত মুখ ভেঙ্গে দেব আমি
গুরু এরপর মায়ের মত জানতে চাইল।
মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল, “আপনি গুরুদেবআপনিই ভাল বুঝবেন কিসে ওর ভাল হবে। কিন্তু আজ আমার মনে হচ্ছে রনিকে যেরকম খারাপ ভাবতাম ও ঠিক সেরকম খারাপ না। ওর মধ্যে শোধরানোর ইচ্ছা আছে।  কিন্তু এমন কিছু আশ্চর্য ব্যাপার ওর মধ্যে আছে যা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না
এই বলে মা সকালে দিদির আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার ঘটনা থেকে শুরু করে বিকালের আমাকে থাপ্পর আর লাথি মারার ঘটনা আর তার জবাবে আমার দিদির পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করে  মেরে মেরে আমাকে ভাল করার আকুতির কথা সম্পুর্ন বলল। তারপর মা বলল, “ ও এরকম ব্যবহার করতে পারে আমি কখন ভাবিইনি। ওর দেবী সরস্বতীর প্রতি ভক্তি আসেনা, পড়াশোনা করেনা, খারাপ ছেলেদের সাথে মেশে ভেবে ওকে খারাপ ভাবতাম। অথচ আজ মুখে দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে উল্টে নিজের দিদিকে ও যেরকম ভক্তিভরে প্রনাম করল সেরকম ভক্তি আমরাও জীবনে কোন দেব-দেবীকে দেখাতে পারিনি। ওর মধ্যে ঠিক কি চলছে, কিসে ওর ভাল হবে এবার আপনিই ঠিক করুন গুরুদেব
গুরু এতক্ষন অবাক হয়ে মায়ের কথা শুনছিল। মায়ের কথা শেষ হলে গুরু বলল, “ তিথির প্রতি ওর ভক্তি আমি নিজে চোখে দেখতে চাই। রনি, দিদির পায়ের কাছে গিয়ে দুপুরের মতো হাটুগেড়ে বস
সবার সামনে আমার সুন্দরী দিদির পদতলে আত্মসমর্পন করতে পারব ভেবে এক তীব্র উত্তেজনা আমার দেহের কোষ থেকে কোষে ছড়িয়ে পরতে শুরু করেছিল ততক্ষনে। আমি বাবা, মা আর গুরুর সামনেই দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। কাউকে কিছু বলতে হল না, সাথে সাথেই দিদির গোলাপী চটি পরা দুই পা আমার মুখের উপর পরপর দুইবার সজোরে আছড়ে পরল সবার চোখের সামনে। আমার মুখের উপর পরপর দুটো লাথি মেরে দিদি বলল, “ এইভাবে এসব ছেলেকে লাথি মেরে মেরে সোজা করতে হয়
সবার সামনে মুখের উপর সুন্দরী দিদির চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে দিদির প্রতি ভক্তি যেন উথলে উঠছিল আমার। আমি সবার সামনেই দিদির চটি পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে সুন্দরী দুই বছরে বড় দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ নিশ্চয়ই দিদি। আমাকে যতখুশি তত মার তুমি। তোমার কাছে মার না খেলে , তোমার দয়া না পেলে আমি যে কোনদিন ভাল হতে পারব না দিদি। প্লিজ দিদি, আমাকে এখন থেকে রোজ এইভাবে যতখুশি লাথি মের তুমি
এইবলে বাবা-মা আর গুরুর সামনেই আমি দিদির চটি পরা দুই পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। আর আমার ক্লাস ১১ এ পড়া সুন্দরী দিদি তিথি আমার মাথার উপর চটি পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে আমার মাথার উপর চটির তলা ঘসতে ঘসতে আমাকে আদর করতে লাগল।
প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে দিদির প্রতি আমার ভক্তি অবাক চোখে দেখতে লাগল বাবা মা আর গুরু। যে ছেলের দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও প্রানে ভক্তি জাগে না, নিজের মাত্র দুই বছরের বড় দিদির প্রতি তার এই ভক্তি বোধুহয় কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না ওদের।
পাঁচ মিনিট পর গুরু জিজ্ঞাসা করল, “ তিথিকে দেখে ঠিক কি মনে হয় তোর রনি?”
আমি মেঝেতে বসে আছি মেঝের উপর রাখা দিদির চটি পরা বাঁ পায়ের উপর  মাথা ঠেকিয়ে। আমার মাথার উপর দিদি তখনও নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা বুলিয়ে চলেছে। আমি সেই অবস্থাতেই উত্তর দিলাম, “ আমি খারাপ ছেলে হয়ত খুব। এমনকি দেবী সরস্বতীর মুর্তি দেখেও আমার মনে ভক্তি জাগেনি কোনদিন। কিন্তু আমার সুন্দরী, মেধাবী দিদিকে দেখলেই চিরদিন আমার মনে প্রবল ভক্তি জেগে ওঠে, মনে হয় দিদি আসলে দেবী। মনে হয় দিদিকে প্রভু বলে, দেবী বলে ডেকে এইভাবে দিদির পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করি, দিদির সেবা করি যেভাবে দিদি চায়। কিন্তু এরকম তো কেউ করে না। তাই আমি উদ্ভট চিন্তা করছি ভেবে যত এইচিন্তা দমিয়ে রাখতে চাই তত অশুভ খারাপ চিন্তা মনকে আচ্ছন্ন করতে থাকে। এই কয়দিনে কত খারাপ চিন্তা এসেছে মনে। অথচ আজ দিদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারার পর থেকে একবারও আর এরকম হয়নি। এখন আমি যে দিদির পায়ে মাথা রেখে শুয়ে আছি, তাতে আমার মনে হচ্ছে আমি সাধু, আমার আত্মা অতি পবিত্র। জানি না, এই চিন্তা ঠিক কিনা, তবে আমার মনে হয় দিদিকে যদি এইভাবে দেবীর মতো ভক্তি দেখাতে পারি, আমি তাহলে সৎ পথে চলতে পারব, পড়াশোনাতেও ভাল হতে পারব। আর নাহলে ভয় হয়, আগের চেয়েও খারাপ হয়ে যাব হয়ত
দিদি আমার মাথার উপর থেকে চটি পরা ডান পা সরাতে আমি দিদির বাঁ পায়ের উপর থেকে মাথা তুলে গুরুর দিকে তাকালাম।
গুরু বলল, “ এরকম কোন কথা নেই ভক্তি সরস্বতী মুর্তিকেই করতে হবে। দেবী তো সর্বত্র বিরাজমান ,আমাদের সুবিধা হবে বলে আমরা মুর্তির মধ্যে তার উপস্থিতি ধরে নিই মাত্র। তোমার যদি দিদির প্রতি সেই স্বাভাবিক ভক্তি আসে তাহলে তুমি দিদিকেই মুর্তির বদলে একইরকম ভক্তিভরে পুজো করলেও েকই ফল হওয়ার কথা। আপাতত তুমি এক সপ্তাহের জন্য দিদিকে দেবী হিসাবে গ্রহন কর। এই এক সপ্তাহের জন্য দিদি তোমার প্রভু, ভগবান, দেবী সরস্বতী। এই এক সপ্তাহে দিদি তোমাকে যা খুশি হুকুম করতে পারে, তোমাকে যত খুশি মারতে পারে, তোমাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে। বদলে তুমি দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করবে ভক্তিভরে। এর ফলে তোমার চরিত্রের কি পরিবর্তন হয় দেখা যাক আগে। দরকার হলে আরও কয়েক সপ্তাহ এরকম চলুক । এরফলে যদি তোমার চরিত্রের উন্নতি ঘটের, পড়ায় মনযোগ আসে তাহলে তো হয়েই গেল। এক বিশেষ যজ্ঞের মাধ্যমে তিথিকে পুজো করে তোমার দেবী রুপে সারাজীবনের জন্য প্রতিষ্ঠা করে দেব তাহলে, সারজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করবে তুমি। আর নাহলে তখন অন্যপথ ভাবতে হবে। আপাতত এক সপ্তাহের জন্য তিথি তোমার প্রভু, দেবী। তুমি ওর ভক্ত, ক্রীতদাস। এখন আবার তিথির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম কর তুমি
নিজের সৌভাগ্যকে নিজেরই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! সবার সামনে এখন থেকে সত্যিই আমার সুন্দরী দিদি তিথিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করতে পারব!! প্রবল ভক্তিভরে দিদির গোলাপী চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের তালুতে তুলে নিলাম আমি। তারপর দিদির পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। দিদির চটি পরা পায়ের উপর ভক্তিভরে নিজের মাথাটা আসতে আসতে ঘসতে ঘসতে বললাম, “ আমাকে ক্রীতদাস হিসাবে গ্রহন কর প্রভু। কিভাবে তোমার সেবা করতে পারি আদেশ কর
দিদি এবার আমার মাথার উপর কিছুক্ষণ নিজের চটি পরা বাঁ পায়ের তলাটা ঘসল। তারপর আদেশ করল, “ আমার পায়ের কাছে মাথা রেখে সোজা হয়ে শুয়ে পর
আমি দিদির দুই পায়ের পাতায় একবার করে চুম্বন করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু। তারপর দিদির ঠিক পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম প্রভু দিদির আদেশ মতো।
 দিদি একবার বাবা-মা আর গুরুর দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর হাসিমুখে ওদের সবার সামনেই আমার মুখের উপর নিজের চটি পরা পা দুটো তুলে দিল। আমার কপালের উপর বাঁ চটির তলা আর ঠোঁটের উপর ডান চটির তলা ঘসল কিছুক্ষণ দিদি। তারপর আমার নাকের উপর চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে আদেশ দিল, “ জিভটা বার করে দে। তোর পুজনীয় দেবী তোর জিভে চটির তলা মুছবে
আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার জিভটা বার করে দিলাম। আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি বাবা মা আর গুরুর সামনেই আমার বার  করা জিভের উপর নিজের চটি পরা ডান পায়ের তলা ঘষে চটির তলা পরিষ্কার করতে লাগল।







৬......


দিদি আমার বার করা জিভের উপরে নিজের ডান চটির তলা মুছে যাওয়া চালিয়ে যেতে লাগল। আমি দিদির চটির তলার ময়লা প্রবল ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম। আমি আড়চোখে একবার দিদির মুখের দিকে আর আরেকবার ঘরের অন্যপ্রান্তে বসা বাবা মা আর আমাদের গুরুর মুখের দিকে তাকাতে লাগলাম। দিদির মুখজোড়া হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল ছোট ভাইকে এইভাবে বাবা মায়ের সামনে ডমিনেট করাটা সে কত এঞ্জয় করছে।
মা, বাবা অবাক চোখে দেখছিল আমাদের। তাদের অবাধ্য , দেব- দেবীর মূর্তিকেও ভক্তি না করা ছেলে যে এইভাবে নিজের দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদিকে দেবীজ্ঞানে পুজো করতে পারে সেটা বোধহয় তাদের বিশ্বাস হচ্ছিল না এখনো।
রনির তিথির প্রতি ভক্তি কিন্তু একটা জিনিস প্রমান করে দেয়, তিথি আর পাঁচটা মেয়ের মতো সাধারন মেয়ে নয়। ওর মধ্যে দেবীর অংশ মিশে আছে। মানে তিথির মধ্যের একটা অংশ স্বয়ং দেবী। দেবী হয়ত চান এইভাবে তার অংশ তিথির মাধ্যমে সরাসরি রনি তাকে পুজা নিবেদন করুক”, গুরু বাবা মা কে বলল। দিদি তখনো আমার বার করা জিভের উপরে নিজের গোলাপি চটির তলা ঘষে চলেছে। 
কিন্তু তিথি দেবীর অংশ হলে তো আমাদের সবারই উচিত ওকে ভক্তি দেখানো। ও আমাদের মেয়ে হয়ে জন্মালেও যদি ওর মধ্যে স্বয়ং দেবীর একটা অংশ থাকে, তাহলে আমাদেরও কি উচিত না রনির মতো ওকে ভক্তিভরে পুজো করা?”
গুরুকে করা বাবার প্রশ্ন শুনে দিদির মুখে হাসি চওড়া হল। দিদি আমার জিভের উপরে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলা ওর ডান চটির তলা আমার গলার উপরে রেখে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের বাঁ চটির তলা নামিয়ে দিল।
বাবার প্রশ্ন শুনে গুরু একটু ভেবে জবাব দিল, “ ঠিকই বলেছ। তিথি যা আদেশ করবে আমাদের সবারই তা পালন করা উচিত। তার আগে শুধু এক সপ্তাহ দেখে নেওয়া যাক তিথির সেবা করে রনির পড়াশোনায় ও চরিত্রে কি উন্নতি ঘটে। উন্নতি ঘটলে ওকে পুজার মাধ্যমে দেবীর অংশ হিসাবে বরন করে নেব। তারপর আমরা সবাই তাই করব যা ও আদেশ করবে। আমার সব ভক্তও আমার কথায় তিথিকে দেবী সরস্বতী হিসাবে বরন করে নেবে
বাবা আর গুরুর এই কথপকথন আমার ভয়ানক ভাল লাগছিল। আমার সুন্দরী দিদি তিথি আমার বার করা জিভে নিজের বাঁ চটির তলা ঘষে চলেছিল ওর সুন্দর মুখে হাসি ফুটিয়ে। মাত্র এক সপ্তাহ পরে এই গুরু, আমার বাবা সহ গুরুর অজস্র শিষ্য আমার মতই ভক্তিভরে দিদির পুজো করবে ভাবতেও প্রবল আনন্দে হৃদয় ভরে উঠছিল আমার।
আমার জিভের উপরে ঘষে দিদি নিজের বাঁ চটির তলাও নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল। তারপর আমার মুখের সর্বত্র চটি পরা দুই পা দিয়ে একের পর এক্লাথি মারতে লাগল আমার পরম শ্রদ্ধেয় সুন্দরী দিদি। বাবা , মা আর গুরু অবাক চোখে দেখে চলল আমার উপর দেবী দিদির অত্যাচার।
আমার মুখে চটি পরা দুই পা দিয়ে অন্তত ৫০ টা লাথি মেরে থামল দিদি। তারপর আমার মুখে একটা সেষ লাথি মেরে বলল, “ বসার ঘরের সোফার সামনে হাটুগেড়ে বসে থাক। আমি রেডি হয়ে বেরবো। আমি ড্রেস পরে এলে তুই আমার পায়ে জুতো পরিয়ে দিবি
আমি ভক্তিভরে দিদির চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে প্রনাম করে বললাম, “ যথা আজ্ঞা প্রভু
তারপর উঠে গিয়ে বসার ঘরের সোফার সামনে হাটুগেড়ে বসলাম আমার প্রভু দিদির অপেক্ষায়। যেতে যেতে শুনলাম মা বলছে, “ আমার বিশ্বাস তিথির মধ্যে অল্প হলেও দেবীত্ব আছে। নাহলে তিথির কাছে ওইভাবে মার খেয়েও রনি কখনোই ওর প্রতি এত ভক্তি দেখাতে পারত না। একজন মানুষ যতই মহান হোক তার প্রতি কেউ এত ভক্তি দেখাতে পারে না সে দেবী নাহলে
দিদি প্রায় ১০ মিনিট পর রেডি হয়ে ফিরে এল। এখন দিদির পরনে সাদা টপ, কালো স্কার্ট, পায়ে নীল চটি। দিদি চটি পরা পায়ে আবার আমার মুখের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, “ যা, জুতোর র্যাচক থেকে আমার কালো স্নিকার আর মোজা নিয়ে আয়
আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। এভাবে বাবা মায়ের সামনে আমার দুই বছরের বড় সুন্দরী দিদি তিথি আমার সাথে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করছে সেটা যেন তখনো বিশ্বাস হচ্ছিল না আমার! আমি আবার ভক্তিভরে দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে ৪ হাত পায়ে কুকুরের মতো গিয়ে দিদির মোজা আর জুতো মুখে করে নিয়ে আসার সময় দেখলাম এই ঘরের একপাশে মা, বাবা আর গুরু পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আমার দেবী দিদিকে সেবা করা দেখছে! তারপর দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দ্দির পায়ে প্রথমে কালো মোজা আর তারপর কালো স্নিকার পরিয়ে দিয়ে দিদির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আবার ভক্তিভরে প্রনাম করলাম আমার প্রভু দিদিকে। 
জবাবে দিদি জুতো পরা ডান পা দিয়ে ভিশন জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখের উপরে। আমার জুতোয় ময়লা লেগে আছে কেন? ক্রীতদাস হয়ে প্রভুর জুতো পরিষ্কার করার কথা তোর মনে থাকে না জানোয়ার?”]
আমার বিশ্বাসই হছিল না আমার দিদি সত্যিই এইভাবে আমার সাথে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করছে।আমি সাথে সাথে দিদির পায়ে পরে দিদির জুতোর উপর বারবার চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে লাগলাম দিদির কাছে। তারপর দিদির পায়ের উপরে মাথা রেখে উপুড় হয়ে শুয়ে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে লাগলাম দিদির জুতোর উপরটা। 
দিদির জুতোর উপরটা জিভ দিয়ে পালিশ করে নতুনের মতো চকচকে করে দিয়ে আমি দিদির মুখের দিকে তাকালাম। জবাবে দিদি জুতো পয়া বাঁ পা দিয়ে সজোরে একটা লাথি মারল আমার মাথায় । আমার কপালটা ভিশন জোরে ঠুকে গেল মেঝেতে।
জুতোর তলাটা কে পরিষ্কার করবে কুত্তা”?
আমি সাথে সাথে দিদির জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাইলাম। তারপর আবার দিদির জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরলাম। দিদি নিজে থেকেই ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল আমার মুখের উপরে। এটা দিদির বাইরে পরার জুতো, ফলে জুতোর তলাটা ধুলো কাদায় ভর্তি। দিদি ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার কপালের উপরে আর বাঁ পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রেখে আমার মুখের উপরে নিজের জুতোর তলা দুটো একটু ঘসল। তারপর আমি নিজে থেকেই আমার জিভটা লম্বা করে বার করে দিলাম যাতে আমার প্রভু দিদি আমার বার করা জিভের উপরে ঘষে নিজের নোংরা স্নিকারের তলা পরিষ্কার করতে পারে।
দিদি হাসিমুখে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের নোংরা বাঁ জুতোর তলাটা নামিয়ে দিল। একবার আমার মুখের দিকে, একবার বাবা মা আর গুরুর মুখের দিকে তাকাতে তাকাতে আমার বার করা জিভের উপরে নিজের বা জুতোর তলাটা ঘষে পরিষ্কার করতে লাগল আমার পরম আরাধ্যা দেবী দিদি।
আমি প্রবল ভক্তিভরে দিদির জুতোর তলার সব ময়লা গিলে খেতে লাগলাম। দিদি প্রথমে বাঁ জুতোর তলা, তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভের উপরে ঘষে মুছে নতুনের মতো চকচকে করে ফেলল। তারপর আমার মুখে জুতো পরা দুই পা দিয়ে একটা করে লাথি মেরে বলল, “ যা, এবার ভাল ছেলের মতো পড়তে বস। আমি না বলা পর্যন্ত উঠবি না। এই দেবীর আশির্বাদ তোর সাথে আছে। আজ যা পড়বি তা আর কোনদিন ভুলবি না তুই। এইবলে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা রেখে আমাকে আশীর্বাদ করে বেরিয়ে গেল আমার প্রভু দিদি।
আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না নিজের ভাগ্যকে । আমার ইচ্ছা করছিল চুপ করে শুয়ে এতক্ষনের সুখের স্মৃতিগুলো রোমন্থন করতে। কিন্তু আমি জানতাম বাবা মাকে বিশ্বাস করাতে হবে যে দিদির সেবা করে আমার দারুন উন্নতি হচ্ছে। তাহলেই আমি সুযোগ পাব সারাজীবন দিদিকে দেবীজ্ঞানে সেবা করার। হয়ত দিদিকে দেবী ভাবে বাবাও নিজের মাথা নামিয়ে দিতে পারে নিজের মেয়ের পায়ের তলায়! ভাবতেই প্রবল আনন্দে ভাসতে লাগলাম আমি। 
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি আমার মুখ দিদির জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, আমার জিভটা দিদির জুতোর তলার ময়লায় কুচকুচে কালো হয়ে আছে। আমি মুখ ধুলাম না, আমার প্রভুর জুতোর তলার ময়লা আমার সারা মুখে লেগে আছে এর চেয়ে বেশি গর্বের আর কি হতে পারে আমার কাছে? আমি মুখে জল নিয়ে আমার জিভে লেগে থাকা দিদির জুতোর তলার পবিত্র ময়লা গিলে খেয়ে ফেললাম। তারপর তাড়াতাড়ি সামান্য টিফিন খেয়ে পড়তে বসলাম। ঘড়িতে তখন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা।
আমি ঠিক ৪ ঘন্টা পড়ে সাড়ে ১০টায় উঠলাম। বাকিদের তখন রাতের খাওয়া হয়ে গেছে। দিদি তখন চেয়ারে বসে টিভি দেখছিল খাওয়ার ঘরে। আমি খাওয়ার থালা নিয়ে দিদির পায়ের কাছে বসলাম। দিদি ওর নীল চটি পরা পা আমার খাওয়ার থালার উপরে রাখল আর আমি দিদির চটির তলায় মাড়ানো খাবার বাবা মায়ের সামনেই ভক্তিভরে খেতে লাগলাম।
রাতের খাওয়া হলে আমি এসে দিদির চটি পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম। প্রথমে খাবার লেগে থাকা দিদির চটির তলা দুটো জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম ভক্তিভরে। তারপর দিদি আমার মুখের উপরে চটড়ি পরা পা রেখে বসে টিভি দেখতে লাগল আর আমি ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু সুন্দরী দিদির চটি পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম। দিদি মাঝে মাঝেই চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখের সর্বত্র জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল। আর আমি আমার সুন্দরী দিদির লাথি খেতে খেতে ভক্তিভরে তার পা টিপে দিতে লাগলাম বাবা মায়ের সামনেই। 
প্রায় এক ঘন্টা পরে দিদি আমার মুখে লাথি মেরে আদেশ করল টিভিটা অফ করে একটা দড়ি এনে ওর ঘরে যেতে। আমি টিভি অফ করে একটা লম্বা দড়ি নিয়ে দিদির ঘরে যেতে দেখি দিদি নিজের ঘরে এসি চালিয়ে হাতে একটা চামড়ার বেল্ট নিয়ে বসে আছে। আমি যেতেই দিদি আমাকে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতে বলল। আমি বসতে দিদি আমার মুখে চটি পরা পায়ে দুটো লাথি মারল প্রথমে। তারপর ব্রল্টটা আমার গলায় ডগ কলারের মতো পরিয়ে দিয়ে বলল, “ আজ থেকে তুই আমার পোষা কুত্তা
আমার প্রভু দিদি আমাকে নিজের পোষা কুত্তা বলে ঘোষনা করায় গর্বে আমার বুক ভরে উঠল। আমি দিদির চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে দিদিকে ভক্তিভরে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিলাম।
এরপর দিদি আদেশ করল , ‘ দড়িটা দিয়ে এবার নিজের পা দুটো শক্ত করে বেধে ফেল
আমি বিনা প্রশ্নে আমার সুন্দরী প্রভু দিদির আদেশ পালন করলাম। 
পা বাধা হয়ে গেলে দিদি দঁড়ির অন্য প্রান্ত দিয়ে আমার হাতদুটোও শক্ত করে বেঁধে দিল। বাঁধন এত শক্ত হয়েছিল যে আমি এক ইঞ্চিও হাত পা নাড়াতে পারছিলাম না আর। 
বাধা শেষ হলে দিদি একবার কয়েক সেকেন্ডের জন্য চটি পরা পায়ে আমার মুখের উপরে উঠে দাঁড়াল আমার গলায় বাধা ডগ কলারটা ধরে। গুড নাইট কুত্তাবলে দিদি নেমে দাঁড়াল তারপর, আর আমার মুখের ভিতরে নিজের স্কুলে পরার একজোড়া সাদা মোজা গুঁজে দিল। তারপরে আমার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে আর আমার গলার ডগ কলারটা ধরে টানতে টানতে দিদি আমাকে ঠিক ওর ঘরের দরজার বাইরে ফেলে দিল।
আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পা টা রেখে একবার হাসিমুখে আমার দিকে তাকালো আমার প্রভু দিদি, তারপর আবার গুড নাইট কুত্তা বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে লাইট অফ করে এসি ঘরে আরাম করে শুয়ে পরল দিদি।
আর আমি তখন দিদির এসি ঘরের ঠিক দরজার বাইরে অসম্ভব গরমে হাত পা বাঁধা অবস্থায় শুয়ে। সেই বাঁধন এত শক্ত যে এক ইঞ্চিও নাড়াতে পারছি না হাত পায়ের বাঁধন। গায়ের ঘামে ভিজে সপ্সপে হয়ে উঠছে শরীর, হাত তুলে ঘাম মুছব তার উপায় নেই। হাত যে বাঁধা। প্রবল গরমে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যেতে লাগল। জলের অভাবে আমি আমার মুখে গোঁজা দিদির মোজা জোড়া চুষতে লাগলাম অন্তত একফোঁটা দিদির পায়ের ঘামের আশায়! পিছমোড়া করে হাত বাধা থাকায় ভয়ানক কষ্ট হচ্ছিল আমার। গরমে ও জলের অভাবে কিরকম হ্যালুসিনেশন হতে লাগল আমার। তবু সেই অবস্থাতেও মনে ভাসতে লাগল সারাদিনের অবিস্মরণীয় ঘটনাগুলো। এখন থেকে দিদি সবার সামনেই আমাকে এইভাবে যত খুশি অত্যাচার করবে ক্রীতদাসের মতো, একথা ভাবতেই মন প্রান ভরে উঠছিল প্রবল উত্তেজনাতে। সত্যি, কষ্ট হতে পারে, তবু সুন্দরী দিদির হাতে এইভাবে অত্যাচারিত হওয়ার মতো সুখ আর কিছুতে নেই। আমার দিদি এখন থেকে আমার আরাধ্যা দেবীই। আমি নিজের জীবন উতসর্গ করেছি দিদির পায়ের তলায় । দিদির জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে মারা গেলে তার মতো সৌভাগ্য আর কিছু হতে পারে না আমার কাছে!


Friday, 2 September 2016

রিত্বিকা…

রিত্বিকা…

চটি পরা ডান পায়ে রিত্বিকা আমার মুখে লাথি মারতেই আমি ওর পায়ে পরে গেলাম । ওর দুই পায়ের পাতার উপর মাথা ঘসতে ঘসতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি। একটু দূরে মা মুখে হাসি নিয়ে দেখতে লাগল আমাদের।
আমি আমার মাসতুতো বোন রিত্বিকার চটি পড়া দুই পায়ের উপর মাথা ঘষে ক্ষমা চাইতে লাগলাম বারবার। আর রিত্বিকা টিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝেই চটি পড়া পায়ে লাথি মারতে লাগ্অল আমার মাথার উপরে। প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে মাথার উপর রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে গেলাম। তারপর রিত্বিকা ওর চটি পড়া দুটো পাই তুলে আমার মাথার উপরে রেখে বলল, ‘ ঠিক আছে। এবারের মতো তোকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর এরকম ভুল করলে লাথি মেরে তোর নাক ভেঙ্গে দেব আমি’।
আমি রিত্বিকার চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে হাটুগেড়ে শুয়ে রইলাম। আমার মাথা মেঝের উপর রাখা আর আমার মাথার উপর চটি পড়া পা দুটো রেখে বসে আছে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্লাস ৯ এ পড়া সুন্দরী মাসতুতো বোন রিত্বিকা। আমার হাত দুটো মাথার দুপাশে মেঝেতে রাখা। যেন রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের তলায় মাথা রেখে ওকে ভক্তিভরে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছি আমি।
ছেলে হিসাবে জন্মানোয় সেই ছোট থেকেই একটা হিনম্মন্যতায় ভুগি আমি। মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান আমি। কিন্তু আমার মা কখনোই পুত্র সন্তান চাননি, চেয়েছিলেন কন্যা সন্তান। আমার পরে যখন আর কোন কন্যা সন্তান হল না, তখন মায়ের রাগ মাঝে মাঝেই আমার উপর এসে পরত। ছোটবেলায় কারনে অকারনে মা আমাকে মারত। আর বারবার মায়ের মুখে শুনতে হত ‘ ইশ, কেন যে আমার ছেলে না হয়ে একটা মেয়ে হল না’। মায়ের বিভিন্ন কথায় সেই ছোটবেলাতেই আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল ছেলেদের থেকে মেয়েদের দাম অনেক বেশি। আর বাবা বাইরে চাকরি করায় আমি মায়ের কাছেই কোলকাতাতে বড় হয়েছিলাম। ফলে মায়ের এই চিন্তার প্রভাব আমার উপর পড়েছিল মারাত্বক রকম।
পড়াশোনাতে আমি চিরকালই ভালছিলাম। ছেলেদের স্কুলে পড়ায় আমার কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি কোনদিনই। তবে মনে মনে মেয়েদের ভিশন শ্রদ্ধা করতাম । কোন মেয়েকে দেখলেই মনে মনে তাকে দেবীর আসনে বসিয়ে কেন জানি অদ্ভুত এক সুখ পেতাম।
রিত্বিকা ওর মা বাবার সঙ্গে থাকত হুগলী জেলার এক ছোট শহরে। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ও দুই ভাইয়ের মাঝখানে। ওর বাবা সামান্য এক দোকান চালায়। অভাবের সংসারে ৩ ছেলে মেয়ের লেখাপড়া চালাতে কষ্ট হত। আর ওর বাবা বেশিরভাগ সাধারন লোকের মতই ছেলেদের শিক্ষাকে মেয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত। এই কথা জানতে পেরে মা মাসিকে বলে রিত্বিকাকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে । মা ওকে নিজের মেয়ের মতো রাখবে। কোলকাতায় স্কুলে পড়াবে। মাসি তার দিদির কথায় খুব খুশি হয়ে আগের বছর ওকে কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। রিত্বিকা কোলকাতায় একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি হয়।
রিত্বিকাকে আমি তার আগে শেষবার দেখেছি তার ৩ বছর আগে। ও তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে। আমি তখন যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি,  দ্বিতীয় বর্ষে। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকা মায়ের সাথে প্রথমবার আমাদের বাড়ি এসেছিল। অপরুপা সুন্দরী রিত্বিকাকে দেখে মেয়েরা যে দেবী সেই চিন্তা আবার আমার মাথায় এসে জড় হয়ে আমাকে এক অদ্ভুত অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন করতে থাকে। মা আমাকে সম্পুর্ন অগ্রাহ্য করে ভয়ানক ভালবাসা দিতে থাকে রিত্বিকাকে। বারবার রিত্বিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বলতে থাকে, ‘ ইশ, তুই যদি আমার মেয়ে হতিস আমি আর কিচ্ছু চাইতাম না জীবনে’।  আমাকে দিয়ে রিত্বিকার টুকটাক ফাইফরমাশ খাটাত মা। যা, বোনের জামা কেচে আন। বোনের জুতো পালিশ করে দে। একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় ওর জন্যে চকলেট আনতে ভুলে যাওয়ায় মা আমাকে মাসির সামনেই রিত্বিকার চটি পড়া পায়ের উপর মাথা রেখে ক্ষমা চাইয়েছিল। আমার কিরকম এক অদ্ভুত ভাল লাগায় মন ভরে গিয়েছিল। মা তখন রিত্বিকার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিল “ তুই আমাদের এখানে থেকে যা । আমার মেয়ের মতো থাকবি তুই। আর তোর দাদা তোর চাকরের মতো তোর সেবা করবে”।
রিত্বিকা মা কে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “ সত্যি মাসি, আমি এখানে থেকে যেতে পারলে দারুন খুশি হতাম। তুমি খুব ভাল। আমাকে নিজের ছেলের চেয়েও বেশি ভালবাস। আর বাড়িতে বাবা মা ভাই আর দাদাকে আমার চেয়ে বেশি ভালবাসে”। মা আর রিত্বিকার এই কথা বলার পুরো সময় জুড়ে আমি ক্লাস ৫ এ পড়া বোন রিত্বিকার চটি পরা পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছিলাম।
তার ৩ বছর পর রিত্বিকা সত্যিই আমাদের বাড়িতে থাকতে চলে এল। মা ভয়ানক খুশি হল। মায়ের সারাজীবনের একটা মেয়ের সখ মিটল যেন সেদিন। আমি তখন সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে সেক্টর ৫ এ একটা বহুজাতিক কম্পানিতে চাকরি নিয়েছি। রিত্বিকাকে মা একটা ভাল স্কুলে ক্লাস ৮ এ ভর্তি করে দিল। আর রিত্বিকাকে ৩ বছর আগে দেওয়া কথা মা প্রথম দিন থেকেই রাখা শুরু করল।
রিত্বিকাকে নিয়ে প্রথমদিন ঘরে ঢুকেই মা আমাকে বলেছিল, ‘ আজ থেকে ও আমার মেয়ে। তুই ওর দাদা হলেও আজ থেকে ওর চাকর। তোর জীবনের মুল উদ্দেশ্য এখন থেকে তোর ছোট বোনকে খুশি রাখা। ও যা আদেশ করবে সঙ্গে সঙ্গে বিনা প্রশ্নে পালন করবি তুই। ওকে প্রভু জ্ঞানে শ্রদ্ধা করবি। নে, এখন ওর পায়ে মাথা রেখে প্রনাম কর ওকে’।
মায়ের কথা শুনে আমার একটুও খারাপ লাগল না। বড় হওয়ার সময় আমার বহুবার মনে হয়েছিল , ইশ, আমার যদি একটা ছোট বোন থাকত তাহলে রোজ দেবী জ্ঞানে তার সেবা করতে পারতাম আমি! আর আজ আমার এতদিনের সেই স্বপ্ন যেন পূর্ন হতে চলেছে!!
রিত্বিকা মায়ের পাশে বসার ঘরের সোফায় বসেছিল। ওর পরনে ছিল সাদা টপ, গাঢ় নীল জিন্স , পায়ে সাদা মোজা , সাদা স্নিকার। মা রিত্বিকার মাথায় স্নেহভরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল , ‘ আজ থেকে তোর দাদা তোর চাকর। তোর যা খুশি অর্ডার করবি ওকে। ইচ্ছা হলে যখন খুশি মারবি”।
মায়ের কথা শুনে রিত্বিকার মিষ্টি মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। আমি ততক্ষনে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পড়েছি। ছোট বোনের প্রতি শ্রদ্ধায় আমি হাতজোড় করে বসে আছি ওর পায়ের কাছে । রিত্বিকা হাসিমুখে আমার দিকে তাকাল, তারপর পরপর আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মেরে বলল, ‘ আমার পায়ের উপর মাথা রেখে প্রনাম কর আমাকে’।
আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোনের হাতে থাপ্পর খেয়ে আমি ওর জুতো পরা পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ছোট বোনের সাদা স্নিকারের উপর নিজের কপালটা ঘসতে লাগলাম ভক্তিভরে। একটু পরে বোন ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর তুলে দিল। আমার মাথার উপর ওর জুতোর তলাটা আসতে আসতে ঘসতে লাগল বোন । আর আমি ওর বাঁ জুতোর উপর আমার কপাল ঘষা চালিয়ে গেলাম।
১০ মিনিট পর বোন ওর জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আমার মাথার উপর একটা লাথি মেরে বলল, “ এবার ওঠ দাদা”।
আমি উঠে আবার হাটুগেড়ে বসলাম আমার সুন্দরী ছোট বোন রিত্বিকার পায়ের কাছে।
“ মাসি, আমি কি রনিদার সাথে যা খুশি করতে পারি?” রিত্বিকা মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল।
জবাবে মা রিত্বিকার দিকে ঝুকে ওর কপালে চুম্বন করে বলল, “ হ্যাঁ রে মা, নিশ্চয়ই পারিস। ও তোর দাদা হলে?ও তোর চাকর, তোর দাস। তুই যা খুশি করতে পারিস ওর সাথে। যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস ওকে”।
“ বাড়িতে এতদিন দাদা আর ভাইকে বেশি ভালবাসা পেতে দেখে আমার খুব হিংসা আর রাগ হত ছেলেদের উপর। এখন থেকে রনিদার উপর রোজ আমি তার প্রতিশোধ নেব”। এই বলে রিত্বিকা জুতো পড়া ডান পা তুলে আমার মুখের উপর খুব জোরে একটা লাথি মারল। ওর জুতো পড়া ডান পায়ের তলাটা আঘাত করল ঠিক আমার নাকের উপর। আমার নাক থেকে কয়েক ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ল আমার ঠোঁটের উপর দিয়ে। ভয়ানক যন্ত্রনায় ককিয়ে উঠলাম আমি, কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখলাম। উল্টে পরে যাচ্ছিলাম প্রায় , কোনরকমে সামলে নিলাম নিজেকে।
‘ চুপ করে বসে থাক দাদা, আমি তোর মুখে লাথি মারব এখন। চুপচাপ বসে আমার লাথি খা এখন। এখন থেকে রোজ তুই মুখে এইভাবে আমার লাথি খাবি’।
রিত্বিকার কথা শেষ হওয়ার আগেই এবার ওর জুতো পরা বাঁ পা আমার নাকের উপর আছড়ে পড়ল।
ছোট বোনের ডমিন্যান্ট আচরনে আমি ততক্ষনে মুগ্ধ হয়ে গেছি । ওর জুতো পড়া দুই পা একের পর এক আঘাত করে চলেছে আমার মুখের সর্বত্র। আর আমি ভক্তিভরে মুখের সর্বত্র আমার প্রভু মাসতুতো বোন রিত্বিকার লাথি খেতে খেতে গুনে চলেছি লাথির সংখ্যা।
আমার মুখের উপর ঠিক মোট ৫৬ টা লাথি মেরে থামল রিত্বিকা। ও থামতেই আমি মন্ত্রমুগ্ধ পুতুলের মতো ওর জুতো পরা দুই পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমার মুখে লাথি মারার জন্য। তারপর রিত্বিকা আমার মাথার উপর আবার লাথি মেরে আমাকে আদেশ করল ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে।
আমি আমার প্রভুর আদেশ পালন করতেই প্রভু ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার মুখের উপর ওর জুতোর তলা দুটো ঘসল কিছুক্ষন। তারপর আমার নাকের উপর লাথি মেরে আদেশ করল আমার জিভটা বার করে দিতে। আমি ততক্ষনাত আমার প্রভু রিত্বিকার আদেশ পালন করলাম। আমার ৯ বছরের ছোট সুন্দরী বোন আমার বার করা জিভের উপর ওর বাঁ জুতোর তলা নামিয়ে দিল। আমার জিভের উপর ঘসতে লাগল ওর ধুলো কাদা লাগা বাঁ জুতোর তলা। প্রায় ১০ মিনিট আমার জিভের উপর ঘষে নিজের বাঁ জুতোর তলা নতুনের মতো চকচকে করে নিল বোন। তারপর মায়ের সামনেই একইভাবে আমার জিভের উপর জুতো পড়া ডান পায়ের তলা নামিয়ে দিল। আমি বোনের বাঁ জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে খেয়ে একইরকম ভক্তিভরে ওর ডান জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম।
আরও ১০ মিনিট ধরে আমার বার করা জিভের উপর নিজের ডান জুতোর তলা ঘষে নতুনের মতো পরিষ্কার করে ফেলল বোন। তারপর পরিষ্কার ডান জুতো পরা পা দিয়ে আমার নাকের উপর একটা জোরে লাথি মেরে বলল, ‘ এখন থেকে আমি এই বাড়ির মেয়ে। আর তুই আমার দাস। এখন থেকে আমি যা আদেশ করব তুই তাই করবি। প্রত্যেক মাসে মাইনে পেয়ে পুরো টাকা তুলে দিবি আমার হাতে। আরোজ এইভাবে আমি তোর মুখে যতখুশি লাথি মারব, তোর জিভের উপর ঘষে আমার জুতোর তলা পরিষ্কার করব। আর তুই তার জবাবে আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে আমাকে ধন্যবাদ দিবি। নে, এখন ভক্তিভরে আমার পা টিপতে থাক। এই বলে বোন ওর জুতো পড়া বাঁ পা টা আমার কপালের উপর আর ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপর রেখে মায়ের সাথে গল্প করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার চেয়ে ৯ বছরের ছোট আমার মাসতুতো বোন, আমার প্রভুর পা দুটো পালা করে টিপতে থাকলাম।
সেই থেকে রোজই আমি একইরকম ভক্তিভরে আমার বোন, আমার প্রভু রিত্বিকার সেবা করি।

Monday, 1 August 2016

দিদির সাথে ফেমডম

দিদির সাথে ফেমডম
- SLAVE


দিদির সাথে আমার ফেমডম জীবনের সুচনা সেই কৈশোরে পা রাখার পর থেকেই।দিদি আমার ৫
বছরের বড়।যে ঘটনা গুলো এখন
বলবো তা কোন বানানো ঘটনা নয়,আমার জীবনের সত্য ঘটনা
হটাত করেই আমি আবিস্কার করি যে আমি
দিদির সুন্দর পা জোড়ার প্রতি আকর্ষণ ফিল করছি। ইচ্ছা করতো দিদির পা দুটোর নিচে
আমার নাক মুখ ঘষি,কিবা একটা চুমু
দেই। কিন্তু কিভাবে কি করবো বুজছিলাম না। জিনিষটা দিদির কাছে বিব্রতকর হতে
পারে,তাই আর আগ বাড়িনি সে পথে
একদিন হটাত করেই সব কিছু বদলে গেলো। দিদি ওর বিছানায় আধ শোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ছিলো। পা দুটি ভাজ করে রাখা।
আমি ঠিক দিদির পা দুটোর সামনে মাথা রেখে আড়াআড়ি ভাবে শুয়ে পড়লাম মোবাইল টিপতে
টিপতে
দিদির পায়ের বুড়ো আঙুল আমার গালে ঘষা খাচ্ছিলো। দিদি একমনে গল্পের বই পড়ছে।
এদিকে ওর খেয়ালই নেই। হটাত খেয়াল
করলাম দিদি তাঁর ২ পায়ের বুড়ো আঙুল দুটো আমার গালে ঘসছে। আমার বুকের ধুকপুকানি
বেড়ে গেলো। স্বর্গ সুখে পাগল হয়ে
গেলাম। আস্তে আস্তে দিদি তাঁর পায়ের অন্যান্য আঙুলগুলোও আমার গালে তুলে দিয়ে
ঘসতে লাগলো।আমার হার্ট মনে হলো ফেটে
বাইরে বেড়িয়ে আসবে।
একটু পর দিদি মুখের সামনে থেকে বই সরিয়ে আমাকে বললো 'অন্তু,আমি পা সটান করে
বসবো,তুই তোর বিছানায় যা'
- না যাবোনা
- যা বলছি
- প্লিজ দিদি একটু থাকি
- যা,নাহলে মুখের উপর পা তুলে দিবো
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মুখের উপর দিদি তাঁর ডান পা তুলে দিলো!দিদির ফর্সা
নরম পায়ের তলা আমার পুরা মুখ ঢেকে
ফেললো। খিলখিলিয়ে হাসতে লাগলো দিদি। আমার মনে হলো স্বর্গে আছি। সে এক অনন্য
অনুভুতি। কোন কিছুর সাথেই তাঁর
তুলনা চলেনা। একটু পরে দিদি আমার মুখের উপর ২-৩ বার তাঁর পায়ের তলা ঘষে পা
সরিয়ে নিয়ে আবার বই পড়তে লাগলো।
আমি সরলাম না। খুব আশা করছিলাম দিদি আবার আমার মুখে পা তুলে রাখবে। কিন্তু আর
রাখলোনা
সেদিনই বুঝতে পারলাম,ফেমডম শুধু আমার রক্তে না,দিদির রক্তেও আছে। নাহলে দিদি
এমন করতোনা আজ।তারপর থেকেই সুযোগ
খুজতে লাগলাম কিভাবে দিদির পায়ের কাছে কাছে থাকা যায়। সেদিন রাতে দিদি সোফায়
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে টিভি
দেখতে লাগলো। আমিও দিদির পায়ের কাছে এসে বসলাম। দিদি কিছুই বললোনা। আমি মনে
প্রানে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন
দিদি পা দিয়ে কিছু একটা করে আমার সাথে।
ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনলেন। দিদি হটাত করেই তাঁর ডান পা আমার মুখের একদম
সামনে নিয়ে এসে আঙুল গুলো নাড়াতে
লাগলো। আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। দিদির পাটা হাত দিয়ে ধরে আমার গাল
পায়ের নিচে লাগিয়ে ঘষে দিলাম।
এই জিনিসের জন্যে সম্ভবত দিদিও প্রস্তুত ছিলোনা। সে পা সরিয়ে নিলো। আমিও লজ্জা
পেয়ে গেলাম
তারপর এক মাস আমি দিদির পায়ের কাছে বসিনি লজ্জায়। মনে মনে নিজেকে দুষতে
লাগলাম। আগ বাড়িয়ে পায়ে নাক মুখ
ঘসতে না গেলে হয়তো এখনো দিদি তাঁর পবিত্র পা দুটো দিয়ে আমার সাথে খেলা করতো
প্রতিনিয়ত। খুব আফসোস করতে
লাগলাম আমি। আর প্রতিদিন প্রার্থনা করতাম যেন আবার দিদি তাঁর পায়ের নিচে আমাকে
স্থান দেয়
ঈশ্বর আবারো আমার কথা শুনলেন। শীতকাল এসে গেছে তখন। একদিন সন্ধ্যা বেলা
কারেন্ট নাই। দিদির ঘরে মোমবাতি জ্বালানো।
একইভাবে আধ শোয়া হয়ে বসে আছে দিদি। দিদির পরনে নিল সোয়েটার,হাতে কালো
হাতমোজা,পায়ে কালো প্যান্ট,আর সাদা
একজোড়া মোজা। দিদির পেট থেকে পা পর্যন্ত কম্বল দিয়ে ঢাকা ছিলো। আমি দিদির ঘরে
আসতেই দিদি বললো 'অন্তু এখানে আয়।
গল্প করি'।
আমি বিছানায় উঠতেই দিদি কম্বলের ভিতর থেকে তাঁর সাদা মোজা পরা একটি পা বের করে
ঠিক আমার মুখের সামনে এনে
বললো 'এই দেখ ভুত'। আমার হার্টবিট বেড়ে গেলো। কিন্তু একইসাথে নিজেকে কন্ট্রোলে
রাখলাম। নিজেকে বুঝালাম যে দিদি
যেভাবে আমার সাথে খেলা করছে,আমাকেও সেভাবে খেলতে হবে,সিরিয়াস ফেমডমে চলে গেলে
এখানে হবেনা। তাই আমি ভুত
দেখার ভান করে হেসে বলে উঠলাম 'ওরে বাবা!'
দিদি খিলখিলিয়ে হেসে উঠে মোজা পরা পায়ের তলা আমার মুখে ভালোভাবে ঘষে দিলো। আমি
বললাম 'প্লিজ ভুত আমাকে মেরোনা।'
দিদি আবারো হেসে উঠে মোজা পরা পা দিয়ে আমার মুখে আস্তে আস্তে লাথি মারতে
লাগ্লো।আমি দিদির দুই মোজা পরা পা হাত দিয়ে
ধরে আমার মাথা নামিয়ে দিলাম,বললাম 'প্লিজ ভুত,ক্ষমা চাচ্ছি তোমার কাছে,এইবারের
মত মাফ করে দাও',বলে আমার কপাল
নিয়ে লাগালাম দিদির পায়ের উপর
দিদি মুচকি হেসে তাঁর মোজা পরা ডান পা টা আমার মাথার উপর নিয়ে রাখলো। ঘষতে
ঘসতে বললো 'ঠিকাছে যা,এবারের মত
মাফ করে দিলাম'। আমি 'ধন্যবাদ ভুত' বলে দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে লাগলাম।
হটাত কারেন্ট চলে আসলো। কাজেই
আমি উঠে পড়তে চলে গেলাম।
পরের দিন সকালে দেখলাম দিদি তাঁর পায়ে আকাশী নীল রঙের এক জোড়া মোজা পরে আছে।
আমি বারবার দিদির রুমে যেতে
লাগলাম এই আশায় যে হয়তো কালকের মত আমাকে ডেকে বসতে বলে পা দিয়ে খেলা করবে।
কিন্তু দিদি একবারো ডাকলোনা
আমাকে। মন খারাপ হয়ে গেলো আমার।
সন্ধার পরই আমার ভাগ্য খুলে গেলো। আমার রুমে আমি ফ্লোরিং করে শুতাম।এভাবে
ঘুমাতেই আমার ভালো লাগ্লতো।সন্ধার পর
আমি আমার রুমে বিছানায় শুয়ে মোবাইল টিপছিলাম। হটাত কারেন্ট চলে গেলো। আমি
উঠলাম না। শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপতে
লাগলাম। হটাত দিদির গলার আওয়াজ পেলাম। দিদি তাঁর রুম থেকে আমাকে বললো
'অন্তু,কি করছিস রে?'
- কিছুনা দিদি,শুয়ে আছি। দরকার কিছু?
- না,কাজ না থাকলে আয় গল্প করি
- এখনি আসছি দিদি
- না তুই থাক,আমি আসি। একটু সরে বস। নাহলে অন্ধকারের মধ্যে আবার তোর মুখের উপর
পারা দিয়ে দিবো আমি
আনন্দের জোয়ারে আমার মন ভেসে গেলো। বুঝলাম দিদি এখন ফেমডম মুডে আছে।আমি চুপচাপ
শুয়ে থাকলাম। দিদি আমার
রুমে এসে ঢুকলো। এমন না যে রুম ঘুটঘুটে অন্ধকার। সামান্য দেখা যাচ্ছে সবই। সেই
আলোয় আমি দেখলাম দিদি আকাশী
নীল মোজা পরে আছে। দিদি কিন্তু আবছা ভাবে দেখছে আমি কোথায় শুয়ে আছি।কিন্তু এমন
ভান করতে লাগলো যেনো কিছুই
দেখছেনা। ঠিক আমার মাথার সামনে এসে দুই পা আমার মাথার দুই পাশে রেখে দাড়ালো
দিদি।
- অন্তু, কোথায় গেলি? কিছুই দেখছিনা তো। দেখিস আবার পারা দিয়ে দেই নাকি তোর উপর
এটা বলেই দিদি তাঁর নীল মোজা পরা বাম পাটা আমার ঠিক মুখের উপর তুলে দিলো। আমি
স্বর্গে চলে গেলাম। দিদির মোজা
পরা পা আমার পুরো মুখ ঢেকে ফেললো। প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে এই মোজা জোড়া পরে আছে
দিদি। তাই মোজায় গন্ধ হয়ে গেছে।
আনন্দে আমি তখন পাগল প্রায়
-কি হলো? কথা বলছিস না কেনো? কোথায় তুই?... আরে,আমার পায়ের নিচে এটা কি রে?
দেখিতো
মুচকি হাসতে হাসতে দিদি তাঁর নীল মোজা পরা পা আমার মুখের উপর ঘসতে লাগলো।
(পার্ট ২)
-
আমার মুখের উপর নীল মোজা পরা ডান পা রেখে দাড়িয়ে আছে আমার সুন্দরী দিদি। পায়ের
গোড়ালিটা আমার ঠোটের উপর রেখে ঘষতে ঘসতে আমার কপাল পর্যন্ত
নিয়ে আসছে। দিদির আঙুলের অংশটা এসে স্থির হচ্ছে আমার নাকের উপর। দিদির মোজার
মোহনীয় গন্ধ প্রান ভরে শুকছি আমি,আর ভাবছি আমার মত ভাগ্যবান
ভাই পৃথিবীতে কয়জন আছে যে নিজের দিদির মোজা পরা পায়ের আদর খেতে পারছে!
কিছুক্ষণ ঘসার পর দিদি তার মোজা পরা ২পা আমার মাথার ২ পাশে রেখে দাড়িয়ে নিচের
দিকে তাকালো। 'আরে,এটা তোর মাথা ছিলো? একদমই খেয়াল করিনি রে।
ব্যাথা পেয়েছিস?'। ঠোটের কোনে মুচকি হাসি রেখে জিগ্যেস করলো আমাকে দিদি। আমি
বললাম 'কি যে বলো। ব্যাথা কেনো পাবো হু? তুমি মাত্র ৪৫ কেজি। তুমি
আমার মুখের উপর উঠে দাড়িয়ে গেলেও আমার কিছু হবেনা'। দিদি খিলখিলিয়ে হেসে বললো
'আচ্ছা তাই বুঝি? এতো শক্তি হয়েছে তোর? দাড়াবো তোর মুখের
উপর?'। আমার মনে হলো আমার হার্ট বাইরে বেড়িয়ে আসবে। উত্তেজনায় কান দিয়ে গরম
ধোয়া বেরোতে লাগলো। বললাম 'হ্যা হয়েছেই তো। দাড়াও। কিছুই
হবেনা আমার'। বলতেই দিদি আমার মুখের উপর তার নীল মোজা পরা ডান পাটা রেখে
শরীরের সমস্ত ভর দিয়ে দাড়িয়ে গেলো। আমার মনে হলো আমার
নাক ভেঙ্গে যাবে,কিন্তু এই ব্যাথার মধ্যেও এক অদ্ভুত সুখ পেতে লাগলাম। মনে হলো
আমার দিদির পায়ের নিচে আমার জীবন চলে গেলেও আমার কিছু
যায় আসেনা। আমি শক্ত হয়ে শুয়ে রইলাম। দিদি মুখ থেকে এবার আমার বুকের উপর এসে
দাড়ালো। উপর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে বললো 'কি রে? কেমন
লাগলো?'। আমি বললাম 'খুব আরাম লেগেছে। কি নরম তোমার পা'। দিদি হাহাহা করে
হাসতে লাগলো। মোজা পরা বাম পা টা আমার মুখের উপর রেখে
দুই তিনবার ঘষে বললো 'এবার লাগছে আরাম? হা?' তারপর হাসতে হাসতে আমার উপর থেকে
নেমে গেলো। বললো 'আমার বিছানায় আয়। গল্প করবো'।
আমি আর দিদি ওর বিছানায় গিয়ে বসলাম।
বিছানায় সেই একই ভাবে দিদি আধশোয়া হয়ে হাটু ভাজ করে বসলো। আমি বসলাম দিদির
পায়ের কাছে। দিদি মোজা পরা ডান পাটা আমার কাধের উপর রেখে
আমার কাধ ঝাকাতে লাগলো। বুঝলাম দিদি আজ ১০০% ফেমডম মুডে আছে। এই সুযোগ মিস করা
যাবেনা। আমি দিদির বাম পাটা আমার কোলের উপর নিয়ে
টিপে দিতে লাগলাম। দিদি ভ্রু কুচকে বললো 'কি হলো?'। বললাম 'দিদির সেবা করছি।
শুনেছি দিদির সেবা করলে স্বর্গে যাওয়া যায়'। দিদি মুচকি হেসে তার নীল
মোজা পরা ডান পা আমার গালে লাগিয়ে আস্তে করে একটা ধাক্কা দিয়ে বললো 'খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস না? কবে তুই আমার সেবা করলি বলতো?'। আমি দিদির বাম
পা আমার বুকের উপর চেপে ধরে টিপে দিতে দিতে বললাম 'বাহ,আগেতো ছোট ছিলাম। অনেক
কিছু বুঝতাম না। এখন বড় হয়েছি। এখন বুঝি যে দিদি আর
মায়ের সেবা করলে আমি স্বর্গে যেতে পারবো। আর তাদের কস্ট দিলে নরকে যেতে হবে।
তাই এখন থেকে শুধু দিদি আর মায়ের সেবা করতে থাকবো'। দিদি
মিস্টি হেসে ওর মোজা পরা ডান পায়ের তলা আমার মুখে একটু ঘষে দিয়ে বললো 'খুব
লক্ষ্মী হয়েছিস তুই।'।
ঐদিন থেকে দিদি আর ইতস্ততবোধ করতোনা। আমি দিদির পায়ের কাছে বসলেই কথাচ্ছলে
আমার মুখে কাধে পা লাগাতো। আমিও দিদির পা টিপে দিতাম
ইচ্ছামতো। কোন অনুমতি লাগতোনা। দিদি স্কুল থেকে আসার পর ওর জুতা মোজা খুলে
বাথরুমে গোসলে ঢুকতো আর আমি চুপি চুপি ওর রুমে এসে
ওর নোংরা মোজা আমার নাকে চেপে ধরে গন্ধ শুকতাম। ওর জুতোজোড়ায় চুমু দিতাম। আমার
গালে ঘষতাম। দিদি বিছানায় আধশোয়া হয়ে গল্পের বই
পড়ার সময় আমি দিদির পা টিপে দিতে দিতে মাঝে মধ্যে আমার গালে এনে লাগাতাম।
বলতাম 'কি নরম। একটু গালে ঘষি দিদি?'। দিদি মুচকি হেসে গালে আস্তে
করে একটা লাথি মেরে গল্পের বইয়ে মনোনিবেশ করতো। আমি দিদির পায়ের নিচে নাক মুখ
পাগলের মত ঘষতে থাকতাম। দিদি বাধা দিতোনা।
কয়েক বছর হলো দিদির বিয়ে হয়েছে। শ্বশুরবাড়ি আমাদের শহরেই। দিদি আর আমার ফেমডম
লাইফ বন্ধ বললেই চলে। শ্বশুরবাড়িতে সবার সামনে
এসব করা সম্ভব না। খুব মিস করি দিদির পায়ের স্পর্শ,দিদির মোজার ঘ্রান। তবু
সবসময় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই আমাকে আমার সুন্দরী দিদির
সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যে।

Friday, 1 July 2016

রনির স্বপ্নপূরন:

রনির স্বপ্নপূরন: 

( গল্পে মেয়েদের প্রতি অন্তরের ভক্তি তুলে আনতে এমন কিছু দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে যা অনেকের anti religious মনে হতে পারে, অনেকের ধর্মানুভুতিতেও আঘাত করতে পারে যা কোনভাবেই লেখকের উদ্দেশ্য নয়। তাই অনিচ্ছুক বা যাদের ধর্মানুভুতি প্রবল তাদের এই গল্প থেকে দূরে থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
সম্পুর্ন কাল্পনিক গল্প। শুধু সাবমিসিভ পুরুষদের উপভোগ করার উদ্দেশ্যে লেখা।)

আমার বয়স তখন ৪০। বিয়ে করিনি, বড় বাড়িতে একাই থাকি। ব্যবসায়ী, আর্থিক অবস্থা বেশ ভাল হলেও বিয়ে করিনি আমার মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভনেস আর অন্তর্মুখী স্বভাব বউ মেনে নেবে না ভেবে। হঠাত একদিন এক মহিলা এসে হাজির ঘর ভাড়া নেবে বলে। ডিভোর্সী,  আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ। সে তার দুই মেয়েকে নিয়ে কম ভাড়ায় পাওয়া যায় এমন বাসা খুঁজছে।
মহিলার নাম রিমি, বয়স প্রায় ৩৫। দেখতে খুবই সুন্দরী। এত সুন্দরী এক মহিলা ও তার দুই মেয়েকে ঘর ভাড়া দিয়ে সাহায্য করার জন্য আমার সাবমিসিভ মন আকুল হয়ে উঠল। সে এক রুমের ঘর চাইলেও আমি বড় শহরের রাস্তার পাশের বাড়ি, এটাচ বাথ সহ  দুটো ঘর, বারান্দা, খাওয়ার ঘর মিলে মাত্র ১০০০ টাকায় ভাড়া দিয়ে দিলাম। বলে দিলাম ভাড়া যখন পারবেন দেবেন, কয়েক মাস পরে দিলেও কোন অসুবিধা নেই।
মহিলা কিছু দিন পর দুই মেয়েকে নিয়ে শুধু ছোট কয়েকটা ব্যাগ নিয়ে বাসায় উঠল। আমি পরে জানতে পেরেছিলাম তার স্বামী অন্য সম্পর্ক করে তাকে ঠকিয়েছে। রিমা বৌদি এই নিয়ে এতই ক্রুদ্ধ যে তার কোন সাহায্যও না নিয়ে সামান্য সঞ্চয় নিয়ে খালি হাতে দুই মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে পরার সাহস দেখিয়েছে, যদিও সে কোন চাকরিও করে না। তার ধারনা টিউশানি ও টুকটাক কাজ করে সে যেভাবে হোক চালিয়ে নেবে। সে এমন এক বাসা খুজছিল যেখানে মালিক তাকে মাস ছয়েক সময় দেবে বাসা ভাড়া দেওয়া শুরু করার জন্য।
বৌদির বড় মেয়ের নাম মানি, বয়স ১৪।  আর ছোট মেয়ের নাম তানি, বয়স ১০। দুই মেয়েই বৌদির মতই ফর্শা, অপরুপা সুন্দরী। এত সুন্দর ৩ টে মেয়েকে কষ্ট পেতে দেখে আমার মনে ভিশন দুঃখ হল। আমি বৌদিকে বললাম বাসা ভাড়া নিয়ে তুমি কিছু ভেব না বৌদি। তুমি কয়েক বছর পরে দিলেও আমার কোন সমস্যা নেই, দিতে না পারলেও আমার দিক থেকে কোন অসুবিধা নেই। আমি একা মানুষ, টাকারও অভাব নেই। তোমাদের দেখে কষ্ট লাগল,  সাহায্য করার জন্যই বাসা ভাড়া দিলাম। নাহলে আমি বাসা ভাড়া দিই না। তোমরা এখানে নিজের বাড়ির মতই থাক।
বৌদি প্রায় খালি হাতে এসে উঠেছিল, খাট আলমারি কিছুই ছিল না। আমি অনেক কাতর অনুরোধ করে বৌদিকে আমার আসবাব ব্যবহার করতে বললাম। আমার নিচ তলায় মোট ৪ টে ঘর ছিল। তার পুরোটাই আমি বৌদিকে ছেড়ে দিলাম। বৌদিকে আগে দেওয়া দুটো ঘর ছাড়া বাকি দুটোতে মোট ৩ টে খাট,  আলমারি সহ অন্যান্য আসবাব তো ছিলই,  টিভি,  ফ্রিজ, এসি, কম্পিউটার সহ যাবতীয় দামী জিনিসও ছিল। বৌদি প্রথমে রাজি হচ্ছিল না, আমি ক্রমে তার দুই মেয়েকে দিয়ে বলিয়ে রাজি করালাম। সম্পুর্ন বিনা খরচে আমার বাড়িতে এরকম রাজকীয় ভাবে বৌদি আর তার ছোট দুই মেয়েকে থাকতে দিতে পেরেছি ভেবে মন খুশিতে ভরে উঠল আমার।
ক্রমে বৌদি আর তার দুই মেয়ে আমার সাবমিসিভ স্বভাবে অভ্যস্ত হয়ে উঠল। তাদের প্রয়োজনের জন্যই হয়ত বৌদি আরো সহজে মেনে নিল আমার সাবমিসিভনেস। আমি শুধু এতেই খুশি হলাম না। ক্রমে বৌদিকে বোঝালাম আমার একা নিজে রান্না করে খেতে কষ্ট হয়, তোমাদেরও এখন আর্থিক সমস্যা আছে। তাই আমি বাজার করে জিনিস কিনে আনার দায়িত্ব আর তুমি রান্নার দায়িত্ব নিলে তোমাদের সুবিধা হয়, আমারও তার চেয়ে ঢের বেশি উপকার হয়। আমার সাবমিসিভনেস আর ওদের সুবিধা দেওয়ার অভ্যাসে বউদি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল। এবার সহজেই রাজি হয়ে গেল। আমি নিজের টাকায় বাজার করে আনতাম। বউদি শুধু রান্না করত। ঘর মোছা, বাসন মাজার লোক ছিল। সে না এলে সেই সব দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে নিয়ে নিতাম। বউদি বা তার মেয়েরা আর এ নিয়ে আপত্তি করত না।
আমি শুধু এতেই থেমে থাকলাম না। বিভিন্ন বাহানায় প্রথমে বউদির দুই মেয়েকে নিয়ে শপিংয়ে যেতাম। বিভিন্ন দামি জামা, জুতো, খাবার, সহ বিভিন্ন জিনিস কিনে দিতাম। ক্রমে বউদিকেও নিয়ে যেতে লাগলাম শপিংএ, তার জন্যেও জিনিস কেনা শুরু করলাম।
আমি জীবনে কখনোই কোন মেয়ের ক্লোজ হওয়ার সৌভাগ্য পাই নি। এত সুন্দরী তিন জন মেয়ের এত কাছে এসে, এইভাবে তাদের সেবা করতে পেরে নিজের জীবন ধন্য মনে হতে লাগল আমার।
বৌদির ১০ বছর বয়সী ছোট মেয়ে প্রায় রোজই আমাকে ঘোড়া বানিয়ে আমার পিঠে চেপে ঘর ঘুড়ে বেরাত। বাচ্চারা এটা করে যদিও, তবু ১০ বছর বয়সী সুন্দরী তানি আমাকে ওর পোষা জন্তু বানিয়ে আমার পিঠে চাপছে ভাবতে দারুন ভাল লাগত আমার। শুধু ওদের একতলা বা আমার দোতলায় না, মাঝে মাঝেই ও আমার পিঠে বসে অর্ডার করত ওকে পিঠে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার বা নিচে নামার। সিঁড়ি সিয়ে এইভাবে উপরে ওঠতে বা নিচে নামতে খুবই কষ্ট হত। আর ১০ বছর বয়সী সুন্দরী বাচ্চা মেয়ে তানির কাছে কষ্ট পাচ্ছি ভাবতেই ভিশন আনন্দে মন ভরে উঠত। এইভাবে একটা মেয়ের কাছে শারীরিক কষ্ট পাওয়ার ইচ্ছা সেই ছোট থেকেই আমার মনে ছিল। আর আজ প্রায় ৪০ বছর বয়সে এসে আমার সেই স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে!
তানি আমার পিঠে উঠে আমার চুলের মুঠি ধরে "এই ঘোড়া হ্যাট" বলে আমার দিক নিয়ন্ত্রন করত। আমার ইচ্ছা করত ও আমাকে আরাও বেশি করে ডমিনেট করুক। আমিই ওকে শেখালাম "মালিকের ঘোড়ার পিঠে চড়ার আগে তাদের পোষা ঘোড়ার গলায় কলার পরায় তাকে কন্ট্রোল করতে সুবিধা হবে বলে। তুইও সেটাই কর তানি।"
তানি শুনে খুব মজা পেল। আর ওর মোটা চামড়ার বেল্টটা আমার গলায় কলারের মত পরিয়ে দিল। এইভাবে ও দিদি আর মায়ের সামনেই আমার গলায় কলার পরিয়ে পোষা জন্তর মত ট্রিট করতে লাগল আমাকে। এর ফলে ওর প্রতি আমার সাবমিসিভনেস আর সাহস দুটোই আরো বেড়ে গেল।  আমি মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ও যেদিকে যেতে চাইছিল তার উলটো দিকে যেতে লাগলাম। ও তখন দেখি নিজে থেকেই ওর লাল চটি পরা দুই পা দিয়ে আমার সামনের পা,  মানে হাতে লাথি মেরে আমার দিক নিয়ন্ত্রন করতে লাগল। সেই দেখে ওর মা আর দিদি ওকে কিছু না বলে হাসতে লাগল।
প্রথম দুই মাসে এর সাথে সাথে আমি ওদের জামা কাচা, জুতো পালিশ করার দায়িত্বও নিয়ে নিলাম। জামা কাচার যুক্তি ছিল আমার উপরে ওয়াশিং মেশিন আছে, তাতে কেচে দেব। ফলে রিমা বৌদি কোন আপত্তি করল না। জুতো পালিশের ব্যাপারে রিমা বৌদি প্রথমে আপত্তি করলেও পরে রাজি হয়ে গেল। আমি ধীরে ধীরে তিন প্রভুর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, খুলে দেওয়ার কাজও করতে লাগলাম জুতো পালিশের সাথে সাথে।
মাস তিনেক পর এইভাবে রোজ তিন প্রভুর সেবা করে ওদের প্রতি সাবমিসিভনেস আরো বেড়ে গেল আমার। আমি ওদের তিন জনকেই সত্যিই আমার প্রভু,  আরাধ্যা দেবীর নজরে দেখতে শুরু করেছিলাম। আমার ইচ্ছা করছিল নিজেকে আরো বেশি অপমানিত হতে দেখতে প্রভুদের কাছে, নিজেকে আক্ষরিক অর্থেই ক্রীতদাসের মত প্রভুদের পায়ের তলায় সঁপে দিতে।
এরকম একদিন বিকালে ওর মা আর দিদির সাথে তানি সব স্কুল থেকে ফিরেই আমার পিঠে চড়তে চাইল আমাকে ঘোড়া বানিয়ে। ওর মা বলল আগে জামা জুতো ছাড়, হাত পা ধুয়ে খেয়ে নে, তারপরে চড়িস। কিন্তু ও তখনই চড়বে।

তানি জামা জুতো কিছুই খুলল না। স্কুলের সাদা স্নিকার পরা পায়েই বেসিনে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে সোফায় এসে বসল। ওর দিদিও স্কুল থেকে ফিরেছে। আমি মানির পা থেকে সাদা মোজা আর কালো মেরি জেন জুতো খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার হলুদ চটিটা পরিয়ে দিলাম প্রথমে। তারপর রিমা বৌদির পায়ের কাছে বসে রিমা বৌদির পা থেকে ছাই রঙের কিটোটা খুলে দিয়ে বৌদির পায়ে হালকা সবুজ চটি পরিয়ে দিলাম। তারপর আমি বেসিনে হাত ধুয়ে রান্না ঘরে গেলাম আমার তিন প্রভুর টিফিন আনতে। বৌদি দুইবেলার রান্না করলেও সকাল আর বিকালের টিফিন আমিই বানাই। আমি আমার বানানো টিফিন তিনটে প্লেটে নিয়ে আমার তিন সুন্দরী প্রভুকে সার্ভ করলাম খাবার ঘরে গিয়ে।
তানির আর তর সইছিল না। ও আমাকে ঘোড়া হতে বলে আমার গলায় বেল্টটা বেধে দিল কলারের মত। তারপর সোজা আমার পিঠের দুইদিকে ঘোড়া চড়ার মত করে বসে আমার বানানো টিফিন খেতে লাগল আর টিফিন খেতে খেতে আমার দুই হাতে ওর সাদা স্কুল জুতো পরা দুই পায়ে আসতে আসতে লাথি মারতে লাগল।
টিফিন খাওয়া হলে তানি পাশে রাখা ডাইনিং টেবিলে প্লেটটা রেখে আমার গলায় বাধা কলারটা ধরে টান দিল।
 " এই ঘোড়া, হ্যাট!!"
তানির বাঁ হাতে আমার গলায় বাধা কলারটা ধরা, আর ডান হাতে ও আমার চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে আছে। চুলের মুঠি ধরে আর দুই জুতো পরা পায়ে আমার দুই হাতে লাথি মেরে তানি ওর "পোষা ঘোড়া" আমার দিক নিয়ন্ত্রন করতে লাগল। আর আমি আমার প্রভু তানির ইচ্ছামত ও যেদিকে যেতে চাইছে সেইদিকে যেতে লাগলাম।
তানি আমাকে সোজা সিঁড়ির দিকে নিয়ে গেল। আমি সিঁড়ি দিয়ে দোতলায়  আমার ঘরের দিকে যেতে লাগলাম।
যেতে যেতে লক্ষ্য করলাম তানি বেল্ট ছেড়ে  আমার পিছনের পকেটে ওর বাঁ হাতটা ঢুকিয়ে আমার পকেট থেকে মানিব্যাগটা বার করল। তারপর ওর ইচ্ছ মত টাকা বের করে নিয়ে মানিব্যাগটা দোতলার বারান্দায় ছুঁড়ে মারল। এমন না তানি এই কাজটা প্রথম করল। সাড়ে ১০ বছর বয়সী তানি গত ১ মাস ধরে প্রায়ই এটা করছে।
দোতলায় উঠে তানি আমার ঘরের দিকে যায় রোজ, আজও আমি সেই ভেবে সেদিকেই যাওয়ার চেষ্টা করলাম। পকেট থেকে মানিব্যাগ বার করার সময়ে তানি পিছিয়ে গিয়ে আমার পিঠ থেকে কোমরের কাছে চলে গিয়েছিল। সেই অবস্থায় জুতো পরা ডান পা তুলে জুতোর টো  দিয়ে  আমার গালে একটা খোঁচা মারল আমার প্রভু তানি, " তোর ঘরে না, ছাদে চল।"
জীবনে প্রথম আমার প্রভুদের কারো পা আমার মুখের কোথাও স্পর্শ করল!  তানি জুতো পরা পায়ে আমার গালে খোঁচা মারায় আমি কতটা খুশি হয়েছিলাম বলে বোঝাতে পারব না। ওর প্রতি একটা ভক্তিবোধ জেগে উঠতে লাগল আমার মনে। আমি " জ্বী ম্যাডাম" বলে আমার পিঠে বসা আমার চার ভাগের এক ভাগ বয়সী ফর্শা অতি সুন্দরী তানিকে নিয়ে ঘোড়ার মত সিঁড়ি দিয়ে ছাদের দিকে উঠতে লাগলাম। হাঁটুতে প্রবল যন্ত্রনা সত্ত্বেও দারুন আনন্দ আমার মনকে গ্রাস করেছিল। আজ শুধু তিন প্রভু না, আসে পাশের বাড়ির অনেকেই ছাদ থেকে দেখবে কিভাবে আমার প্রভু তানি আমাকে ঘোড়া বানিয়ে আমার পিঠে চড়ে।


তানিকে পিঠে নিয়ে আমি ছাদে উঠলাম।  ছাদের বাঁদিকে আমাদের ঠাকুরঘর, আর বাকি পুরোটাই ছাদ। আমি তানিকে পিঠে নিয়ে সোজা ছাদে উঠলাম।
আসে পাশে যত লোক আশা করেছিলাম তত নেই। তবে দুটো বাড়ি পরের ফ্ল্যাটের ছাদে কয়েকজন ছেলেকে খেলতে দেখলাম। আর আমাদের পাশের বাড়ির বৃদ্ধা অবশ্যই রোজকার মত  ছাদে দাঁড়িয়ে ছিল আজও। তানি তার সামনেই আমাকে ঘোড়া বানিয়ে আমার পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়াতে লাগল সারা ছাদ। আমার চুলের মুঠি আর গলার বেল্ট ধরে আর সেই সাথে আমার হাতে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে তানি আমার দিক নিয়ন্ত্রন করতে লাগল।
প্রায় ১০ মিনিট এইভাবে আমার পিঠে চড়ে ঘুরলো তানি। তারপর আমার চুলের মুঠি ধরে আর হাতে লাথি মারতে মারতে সিঁড়ির কাছে এসেও থেমে গেল। তারপর চুলের মুঠি ধরে আমার মাথা ডানদিকে ঘুরিয়ে বলল, " একবার তোদের মন্দিরে ঢুকে দেখি। খোল দরজাটা।"
ওর মা পুরোই নাস্তিক।  মায়ের মত দুই মেয়েও একইরকম হয়েছে। ফলে ওদের কারও মন্দিরে ঢোকার ইচ্ছা হতে পারে আমি কখনো ভাবিনি। ভয়ে আর উত্তেজনায় আমার বুক শুকিয়ে গেল। ভিতরে আমার পাগলামির নিদর্শন দেখে ও কি প্রতিক্রিয়া দেখাবে ভেবে উত্তেজনায় হৃতপিন্ড প্রবল বেগে ছুটতে লাগল আমার।
মন্দিরটা বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো থাকে।
 আমি তানিকে পিঠে বসিয়েই হাত বাড়িয়ে দরজার ছিটকিনি খুলে দরজা খুললাম। কিন্তু শেষ বিকালের আলোয় ভেতরটা পরিস্কার দেখা যাচ্ছে না।
" লাইট জ্বালা", এই বলে আমাকে হুকুম করে তানি স্কুল জুতো পরা পায়েই মন্দিরের মেঝেতে লাফিয়ে নামল। আমি উঠে দরজার পাশে থাকা সুইচ টিপে আলো জ্বাললাম। আমার পিতৃপুরুষ শীবভক্ত,  এই ঠাকুরঘরে একসময় শীবমূর্তি বসানো ছিল। আমার বাবা বেঁচে থাকতে রোজ সকালে উঠেই মন্দিরে ঢুকে শক্তির আরাধনা করত। বাবা মায়ের মৃত্যুর পরে মন্দিরটা বহুদিন অব্যবহৃত পরে ছিল। এমন না যে আমি রিমা বৌদির মত নাস্তিক। কিন্তু সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও শীব বা কোন নির্দিস্ট দেবতার প্রতি আমার আলাদা তেমন ভক্তি ছিল না যার ফলে আমি মন্দিরে এসে পুজো দেব। ফলে শিবমুর্তি অযত্নে ধুলোয় ভরে যাচ্ছিল বলে এক বছর আগে আমি সেটা তুলে ট্রাংকে ভরে রাখি। তারপর থেকে এই রুম বন্ধই পরে ছিল বৌদিরা আসার আগে।
মন্দিরটা বেশ বড়,  প্রায় ১০ বাই ১২ ফুট। পুরোটাই সাদা মার্বেলে বাঁধানো। আর দরজার ঠিক সামনে ঠাকুরের বেদী। সেখানে এক বছর আগে পর্যন্ত শীবমুর্তি ছিল। তিন মাস আগে থেকে  অবশ্য সেখানে অন্য কিছু ঠাঁই পেয়েছে।
তানি প্রথমে অন্যদিকে তাকিয়ে দেখছিল। কয়েক সেকেন্ড পরেই অবশ্য ওর চোখ গেল মন্দিরের বেদীর দিকে।
প্রথমে ওর চোখ গোল হয়ে গেল বিষ্ময়ে। পরক্ষনেই ও হাসিতে ফেটে পরল। আমার পেটে আলতো একটা ঘুসি মেরে জিজ্ঞাসা করল,  " এসব কি?"
আমি ভক্তি আর লজ্জা মিশ্রিত কন্ঠে মাথা নিচু করে বললাম মন্দিরে আমার আরাধ্যা দেবীর ছবি।"
তানি এবার হাঁটু দিয়ে একটা গুঁতো মারল আমার পেটে। তারপর হাসতে হাসতেই বলল, " আমাকে আবার পিঠে নিয়ে নিচে চল রনিকাকা । মা আর দিদিকে ডেকে এনে দেখাই তুই কত বড় পাগল।"
জীবনে প্রথমবার আমার মেয়ের বয়সী তানি সরাসরি আমাকে তুই করে বলায় ভয়ানক আনন্দ পেলাম আমি। আবার ৪ হাত পায়ে ঘোড়ার মত দাঁড়ালাম যাতে তানি আবার আমার পিঠে উঠতে পারে। এবার তানি ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে ইচ্ছা করেই আমার মেঝেতে পাতা বাঁ হাতের পাতার উপরে ভর দিয়ে দাঁড়ালো প্রথমে। প্রায় ৩০ সেকেন্ড এইভাবে আমার হাতের পাতার উপরে জুতো পরা পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল ও।   তারপর আমার পিঠে উঠে বসে এবার বেশ জোরেই পা তুলে জুতো পরা ডান পায়ে ঠিক আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে তানি অর্ডার করল, " চল ঘোড়া, নিচে চল।"
আমি তানিকে পিঠে নিয়ে নিচে নামতে লাগলাম সিঁড়ি দিয়ে। আমি ভাবিনি বৌদি বা ওর দুই মেয়ের কেউ কোনদিন মন্দিরে ঢুকে আমার এই কীর্তি দেখবে। কি ভাববে বৌদি বা মানি আমার এই অদ্ভুত পাগলামি দেখে? এই ভাবতে ভাবতে তানিকে পিঠে নিয়ে আমি নিচে নামতে লাগলাম।
নিচের ডাইনিং রুমে তখন আমার  কিনে দেওয়া ৫৫ ইঞ্চি বিশাল টিভিতে রিমা বৌদি আর মানি সিনেমা দেখছিল। তানি গিয়ে সোজা ওর দিদির পাশে লাফিয়ে নামল আমার পিঠ থেকে। তারপর দিদিকে ঠ্যালা দিয়ে বলল, " এই দিদি,  একটু উপরে আয়। এমন জিনিস দেখবি যে হাসতে হাসতে তোর পেটে খিল ধরে যাবে।" তানি তখনো হাসছিল কথা বলতে বলতে।
তানির কথায় ওর দিদি মানি ভুরু কুঁচকে তাকালো বোনের দিকে। " কি  এমন মজার জিনিস দেখলি তুই ?"
" আয় না তুই, এলেই বুঝতে পারবি। মা তুমিও চলো।  তোমরা কল্পনাও করতে পারবে না এরকম কেউ করতে পারে।"
" কোথায়? দোতলায় রনিকাকার ঘরে?" মানি জিজ্ঞাসা করল তানিকে।
" না, তিনতলায়, ঠাকুরঘরে।"
" ঠাকুরঘরে আবার মজার কি থাকবে ঠাকুর ছাড়া?" এবার রিমা বৌদি জিজ্ঞাসা করল ছোট মেয়েকে।
"চলোই না মা,  গেলেই দেখতে পাবে।" তানি এবার ওর মায়ের হাত ধরে টান দিল। আর আমি লজ্জা আর উত্তেজনায় তখনো চার হাত পায়ে দাঁড়িয়েই কাঁপতে লাগলাম।
" যেতে পারি, কিন্তু আমি নাস্তিক, জীবনে কখনো চটি খুলে  মন্দিরে ঢুকিনি। বাড়ির ঠাকুরঘরে ছোটবেলায় চটি পরেই ঢুকে যেতাম আর মা আমাকে লক্ষীছাড়া নাস্তিক বলে গালি দিত। এখনো কিন্তু জুতো খুলে ঢুকতে পারব না। এতে রনি রাজি হলে যাচ্ছি।"
 বৌদি মুখে হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞাসা করল আমাকে, " কি রে রনি, রাজি তো?"
আমাকে কিছু বলতে হল না, পাশ থেকে তানি হাত বাড়িয়ে আমার ডান কানটা জোরে মুলে দিয়ে বলল, " রনি কাকা আবার কি বলবে? এতক্ষন তো ওর সামনেই আমি জুতো পরা পায়ে মন্দিরের মেঝেতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমি যদি বাইরের জুতো পরে দাঁড়াতে পারি,  তুমি আর দিদি ঘরে পরার চটি পরে কেন পারবে না? "
" চলো মা, বোন যখন এত করে বলছে, দেখেই আসি মন্দিরে কি দেখে ওর হঠাত এত হাসি পেল।" - এবার মানি ওর মাকে বলল।
মানির কথায় ওর মা সোফা থেকে উঠে দাঁড়াল। তারপর মানির সাথে পাশাপাশি উঠতে লাগলো উপরে ওঠার সিঁড়ি দিয়ে।
তানির অবশ্য পোষা ঘোড়া আছে, সে কষ্ট করে সিঁড়ি বেয়ে নিজে উঠতে যাবে কেন? সে  ততক্ষনে আবার আমার পিঠে লাফ দিয়ে উঠে সাদা স্নিকার পরা বাঁ পা দিয়ে আমার হাতে খোঁচা মেরে বলল " চল ঘোড়া, উপরে চল।"
আমি অলরেডি একবার তানিকে পিঠে নিয়ে তিনতলায় উঠেছি সিঁড়ি দিয়ে, তারপর আবার ওকে পিঠে নিয়ে নেমেছি। ফলে আমার হাঁটুতে বেশ ভালই ব্যথা করছিল শক্ত মেঝেতে ঘসা খেয়ে। কিন্তু আসন্ন প্রবল উত্তেজনার গন্ধে আর তিন প্রভুর প্রতি প্রবল ভক্তিতে সেই ব্যথা যেন অনুভবই হচ্ছিল না আমার। তানিকে নিয়ে তিনতলায় উঠে দেখি বৌদি আর মানি দরজার পাশেই দাঁড়িয়ে।
তানিও ওদের পাশে এসে আমার পিঠ থেকে লাফ দিয়ে নেমে পরল। আমি উঠে মাথা নিচু করে দাঁড়ালাম লজ্জায়। আসন্ন উত্তেজনায় আর এরকম অদ্ভুত জিনিস দেখে আমার প্রভুরা কি প্রতিক্রিয়া দেবে সেই চিন্তায় আমি তখন সম্পুর্ন ডুবে গিয়েছিলাম।  হুঁশ ফিরল আমার দুই গালে পরপর তানির দুটো থাপ্পর খেয়ে।
" কি রে, রনি কাকা, ভিতরে চল। মা আর দিদিকে দেখা মন্দিরে তুই কোন দেবীদের পুজো করিস।"
আমি মানি আর বৌদির হাসির খোরাক হব নাকি ওরা রেগে যাবে সেই নিয়ে আমি একটু ধ্বন্দে ছিলাম। আমি মাথা নিচু করে বলল " জ্বী ম্যাডাম।" আর তার পরেই খেয়াল হল বৌদি আর মানির সামনেই সাড়ে ১০ বছর বয়সী তানিকে আমি ম্যাডাম বলে ডেকে ফেলেছি নিজে থেকেই!
আমি মাথা নিচু করে  মন্দিরে ঢুকলাম। আমার পিছনে " এস মা, দিদি আয়" বলে খুক খুক করে হাসতে হাসতে তানি ওর মা আর দিদিকে নিয়ে ঢুকল।
মন্দিরে ঢুকে লজ্জায় আমি মাথা  নিচু করে দাঁড়িয়ে আড়চোখে মানি আর রিমা বৌদির প্রতিক্রিয়া দেখার চেষ্টা করতে লাগলাম।
তানি দিদির ঠিক পাশে মন্দিরে ঢুকে দিদির ডান হাতটা ধরে সামনের বেদীর দিকে তুলে বললো, " ওই দেখ দিদি, রনিকাকা দেবী হিসাবে কাদের পুজো করে।"- এই বলে তানি এবার আবার ভয়ানক হাসিতে ফেটে পরল।
বেদীর উপরে একটা উঁচু টেবিলের উপরে একটা রুপোয় বাঁধানো ফটোফ্রেমে আমার আরাধ্যা তিন দেবীর ছবি রাখা।  একইসাথে তিন দেবীর ছবি। ছবির মাঝখানে লাল-কালো চুড়িদার পরা রিমা বৌদি, তার বাঁ পাশে তার ক্লাস ৯ এ পড়া বড় মেয়ে মানি আর ডান পাশে ক্লাস ৫ এ পড়া ছোট মেয়ে তানি। মানি আর তানি দুজনের পরনেই স্কুল ড্রেস, সাদা টপ আর সবুজ স্কার্ট। দুজনের পায়েই স্কুলে পরার সাদা মোজা আর স্নিকার। আর রিমা বউদির পায়ে গোলাপি-কালো কিটো।
বড় টেবিলটার তলায় একটা ছোট টুল রাখা, বড় টেবিলটার মতই সেটাও দামী পরিস্কার  সাদা  কাপড়ে মোড়া। তার উপরে আমার তিন আরাধ্যা দেবীর ফটোর ঠিক নিচে তাদের এক জোড়া করে জুতো রাখা। ছবির মতই রিমা বৌদির ফটোর নিচে তার সেই কিটোটা, আর মানি ও তানির ছবির নিচে তাদের একজোড়া করে সাদা স্নিকার রাখা। আসলে আমিই ওদের বলেছিলাম এই জুতো জোড়া গুলো পুরনো হয়ে গেছে, এগুলো ফেলে ওদের নতুন জুতো পরা উচিত। তারপর ওদের প্রত্যেককে একাধিক নতুন জুতো কিনে দিয়ে এগুলো আমি সযত্নে তুলে নিয়ে এসেছিলাম মন্দিরে দেবীর আসনে বসিয়ে পুজো করব বলে।
জুতো গুলোর ঠিক সামনে ধুপ ধানীতে ধুপ কাঠি রাখা, পাশে কয়েকটা ফুল। শীবভক্ত আমার বাবা যতটা ভক্তি নিয়ে শীবপুজো করত এই মন্দিরে, তার চেয়ে শতগুন বেশি ভক্তি নিয়ে আমি এই মন্দিরেই আমার তিন আরাধ্যা দেবীর পুজো করে আসছি গত তিন মাস ধরে। আমার তিন প্রভুর ওই ছবি, তার নিচে রাখা ওদের জুতো দেখলেই আমার মনে প্রবল ভক্তি জেগে ওঠে, যার ১% ও  কোনদিন  দেবমুর্তি দেখে আমার মনে জাগেনি।
তানির মত মানি আর রিমা বৌদিও আমার মন্দিরের আরাধ্যা দেবীর ছবি দেখে হতভম্ব হয়ে গেল।  তারপর তানির সাথে ওরা দুজনেও ভয়ানক হাসিতে ফেটে পরল।
প্রায় ৩০ সেকেন্ড অট্টহাসি হেসে হাসির বেগ একটু কমতে বৌদি আমাকে জিজ্ঞাসা করল, " এসব কি রনি?"
আমি উত্তর দেওয়ার আগেই দেখি দেওয়ালের এক ধার দিয়ে রাখা ৪ টে চেয়ারের তিনটে দখল করে আমার তিন আরাধ্যা দেবীই বসে পরেছে। আমি মন্দিরে দেবীদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। একবার ঠিক ওদের পায়ের কাছে মেঝেতে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, " আমাকে ভুল বুঝবেন না দেবী। আমার কাছে আপনার তিনজনই হলেন পরম আরাধ্যা দেবী।"
বৌদি আমার উত্তর শুনে আবার হাসতে লাগল। তারপর বলল, " আমি ছোট থেকেই নাস্তিক। আস্তিকদের বেশিরভাগের কাজ কারবারই আমার পাগলামি বলে মনে হত চিরদিন। কিন্তু তারা কেউ পাগলামিতে তোর ধারে কাছে আসতে পারবে না। আমি এই বাড়িতে সম্পুর্ন অসহায় অবস্থায় দুই মেয়েকে নিয়ে এসে উঠেছিলাম। থাকা থেকে খাওয়া সবেতেই গত তিন মাস সম্পুর্নভাবে  আমরা তোর উপরে নির্ভরশীল। আর সেই তোর চোখে আমরা কিনা দেবী হয়ে গেলাম? কি করে? এরকম অদ্ভুত পাগলামির কারন কি তোর?
রিমা বৌদি মাঝের চেয়ারে বসেছিল। তানি ওর ডান দিকে আর মানি বসেছিল বাঁ দিকে। আমি বৌদির ঠিক পায়ের কাছে মেঝেতে হাঁটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে বললাম,  " প্রভু, আমি আস্তিক। চিরকাল সৃস্টিকর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করি। আমার বাবা মা ঘোর শীব ভক্ত ছিল, কিন্তু আমার কোন নির্দিষ্ট দেবমুর্তিতেই আলাদা বিশ্বাস ছিল না। আমাদের ধর্মের একটাই বানী সেই ছোটবেলাতেই আমার মনে গেঁথে গিয়েছিল। সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। বেশিরভাগ মানুষই নিরাকার বস্তুর মধ্যে তাকে কল্পনা করতে পারে না বলে কোন সাকার বস্তুর মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার ভক্তি নিবেদন করে। এই সাকার বস্তুটি যা খুশি হতে পারে, যাতে মানুষের ভক্তি আসে স্বাভাবিকভাবে তার প্রতি ভক্তি দেখিয়েই সে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি প্রকাশ করতে পারে। সেটা কোন মুর্তি হতে পারে, বা জীবন্ত মানুষ। মানুষে যেমন নিস্প্রান মুর্তিকে সৃষ্টিকর্তা ভেবে পুজো করে তেমনই কুমারী মেয়েদেরও সৃষ্টিকর্তা ভেবে পুজোর প্রচলন রয়েছে। আমি ছোট থেকেই কোন মুর্তি বা অন্য কোন জিনিসের প্রতি এই ভক্তি আনতে পারতাম না। কিন্তু সুন্দরী মেয়েদের দেখলে মনে ভক্তি জেগে উঠত স্বাভাবিকভাবে। আর যেদিন প্রথম তোমাকে আর তোমার দুই মেয়েকে দেখলাম,  সেদিন আমার মনে হয়েছিল আমার বাড়িতে কোন মানুষ নয়, সাক্ষাত সৃষ্টিকর্তা তিনভাগে ভাগ হয়ে উপস্থিত হয়েছে। সেই প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমার সেই অনুভুত একটুও বদলায়নি প্রভু। এখন এটা যদি আমার অপরাধ হয়, এইভাবে তোমাদের পুজো করার জন্য আমি যদি অপরাধী হই, তোমরা যা শাস্তি দেবে আমি মাথা পেতে নেব।"
আমার কথা শুনে রিমা বৌদি তার দুই মেয়ের মত আবার হাসতে শুরু করল। তারপর অনেক কষ্টে হাসি চেপে বলল, " আমার ধার্মিক মা ছোটবেলায় আমাকে বলত নাস্তিক হয়ে মন্দিরে জুতো পরা পায়ে ঢোকার অপরাধে আমার নরকবাস নিশ্চিত। মা যদি আজ দেখত যে আমি এক ব্রাহ্মনবাড়ির মন্দিরে ঢুকে জুতো পায়ে দুই মেয়েকে নিয়ে বসে আছি, আর ব্রাহ্মনবাড়ির পুরোহিত বলছে এই নাস্তিক  আমার মাঝেই সে সৃষ্টিকর্তাকে দেখতে পায় তাহলে আমাকে অভিশাপ দেওয়ার আগেই মা হার্টফেল করত। উফ, কত রকম পাগল যে হয় এই দুনিয়ায়।"
আমি আবার তিন দেবীর প্রতি প্রবল ভক্তি থেকে মেঝেতে বৌদির পায়ের কাছে মাথা রাখলাম। আমাকে অবাক করে বৌদি নিজে থেকে আমার মাথার উপরে নিজের চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে নিজের চটির তলাটা ঘসল একটু। তারপর পা টা তুলে নিতে আমিও মাথা তুলে আবার তিন প্রভুর দিকে হাতজোড় করে বসে রইলাম।
" জানিস, প্রথম যখন তুই আমাদের ফ্রিতে এত আরামে থাকতে দিলি,  এত এত গিফট দিচ্ছিলি, আমি ভেবেছিলাম তোর কোন খারাপ উদ্দেশ্য আছে।  কিন্তু কিছুদিন পরেই বুঝলাম সেটা ঠিক না। তোকে দেখে মনে হত যেন তুই আমাদের চাকর, আমাদের দয়ায় বেঁচে আছিস, যদিও আসলে ব্যাপারটা উল্টোই প্রায়। এখন বুঝতে পারছি তার কারন। তোর চোখে আমরা সৃষ্টিকর্তা আর তুই তাদের তুচ্ছ সৃষ্টি। আমাদের চাকরের মত হাবভাব তো তুই করবিই, আমাদের জুতো পালিশ করে দেওয়া বা তানির ঘোড়া হয়ে উপর নিচ করা তাও খুব ছোট ব্যাপার তোর কাছে। উফ, কিছু আস্তিক আর তাদের ধারনা যে এত ফানি হতে পারে আমার ধারনা ছিল না।" - এই বলে বৌদি আবার হাসতে লাগল।
কিছুক্ষন পর হাসি থামিয়ে বৌদি বলল, " আমার খুব দেখতে  ইচ্ছা করছে আমাদের প্রতি ঠিক কতটা ভক্তি তোর। আমরা যখন তোর চোখে সৃষ্টিকর্তা আর তুই তাদের অতি নগন্য সৃষ্টি তখন আসা করি তোকে একটু পরীক্ষা করে দেখলে তুই কিছু মনে করবি না।" - এই বলে আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই বৌদি নিজের চটি পরা ডান পা তুলে মোটামুটি জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখে। লাথিটা পরল ঠিক আমার নাকের উপরে।
বৌদি দুই মেয়ের সামনে আমার মুখের উপরে চটি পরা পায়ে লাথি মারল সত্যিই? আমার চেয়ে ৫ বছরের ছোট রিমা বৌদির প্রতি প্রবল ভক্তিতে মন উথলে উঠল আমার। সাথে সাথে আমি রিমা বৌদির চটি পরা দুই পায়ের উপরে নিজের মাথা রেখে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম বউদিকে।
তারপর উঠতেই সাথে সাথে আমার মুখের উপর চটি পরা ডান পায়ে লাথি মারল মানি। বউদির মত মাঝারী জোরে নয় ভিশন জোরে। আর আমি পুরো ওঠার আগেই ও এত জোরে লাথি মারায় আমি সামলাতে না পেরে মন্দিরের মেঝেতে চিত হয়ে পরে গেলাম। চেয়ারটা টেনে ঠিক আমার মাথার পাশে এনে বসে মানি আমার মুখের উপরে ওর হলুদ চটি পরা দুই পায়ে বেশ জোরে জোরে একের পর এক লাথি মেরে যেতে লাগল। ওর মা আর বোন কোন বাধা  না দিয়ে হাসিমুখে আমার মুখে মানির চটি পরা পায়ে লাথি মারা দেখতে লাগল।
আমার মুখে প্রায় ৩০ টা লাথি মেরে মানি থামতে আমি আবার হাটুগেড়ে উঠে বসলাম, এবার ঠিক বউদি আর তানির পায়ের মাঝে।
তানি সাথে সাথে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে একটা লাথি মারল আমার গালে,  তারপরেই একই রকম জোরে জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে। ও ভিশন জোরে লাথি মারা সত্ত্বেও ও বয়সে ছোট হওয়ায় কোন রকমে ব্যালেন্স রক্ষা করে হাতজোড় করে বসে রইলাম আমি। আমার তিন আরাধ্যা নাস্তিক  দেবী মন্দিরে বসে এইভাবে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারবে আমার মুখে তা কোনদিন কল্পনাও করতে পারি নি আমি।
তানি ওর জুতো পরা দুই পায়ে একের পর এক লাথি মেরে যাচ্ছিল আমার মুখে আর ভক্তিতে ওর প্রতি আমার মুখ দিয়ে " প্রভু, দেবী, পরম   সৃষ্টিকর্তা, ভগবান" ইত্যাদি শব্দ বেড়িয়ে আসছিল। মানির মত তানিও আমার মুখে ৩০-৩৫ টা লাথি মেরে থামল। এরপর রিমা বউদিও আমার মুখে ওর সবুজ চটি পরা দুই পায়ে ১০-১২ টা লাথি মেরে বলল, " উফ, দারুন মজা পেলাম রনি। তোর জন্য আমাদের ভাগ্যও পুরো বদলে গেল আজ থেকে। কারন ভক্তের সম্পত্তি মানেই তো ভগবানের সম্পত্তি। কি, ঠিক বললাম তো আমি রনি?" - এই বলে বউদি আমার মুখে আবার একটা লাথি মারল চটি পরা বাঁ পায়ে।
 " নিশ্চয়ই প্রভু।" মুখে বউদির লাথি খেয়ে আমি প্রবল ভক্তিভরে উত্তর দিলাম।
"  জমি শুদ্ধু তোর এই বাড়িটার দাম তো দুই কোটি হবেই, তাই তো?" এই বলে বউদি আমার মুখে আবার একটা লাথি মারল, এবার চটি পরা ডান পায়ে।
" হ্যাঁ প্রভু, তার বেশিই হবে।" - আমি উত্তর দিলাম ভক্তিতে হাতজোড় করে।
"তোর ব্যবসাও তো বেশ বড়। ব্যাংক ও অন্যান্য সঞ্চয় মিলিয়ে  কত টাকা আছে তোর মোট?"- এবার আমার মুখে হলুদ চটি পরা ডান পায়ে  লাথি মেরে জিজ্ঞাসা করল মানি।
"আরো ৪-৫ কোটি তো হবেই দেবী"। আমি প্রভু মানির পায়ে ভক্তিভরে মাথা  ঠেকিয়ে উত্তর দিলাম।
" আর তোর মাসে রোজগার কিরকম হয় এখন ব্যবসা থেকে?" আমার মাথার উপরে চটি পরা বাঁ পা টা তুলে দিয়ে মাথার উপরে চটির তলা বোলাতে বোলাতে জিজ্ঞাসা করল মানি।
" ১০-১৫ লাখ হয়ে যায়।" আমি আমার আরাধ্যা দেবীর দুই পায়ের মাঝে মাথা রাখা অবস্থায়  উত্তর দিলাম।
" মা, বুঝতে পারছ আমরা ঠিক কতটা ভাগ্য নিয়ে এখানে এসেছিলাম। আমাদের ভবিষ্যত কি হতে যাচ্ছে কল্পনা কর শুধু।"- মানি আমার মাথার উপরে তখনো চটির তলা বোলাতে বোলাতে বলল।
বউদি  বলল, " এইভাবে আমাদের না জানিয়ে আমাদের দেবী জ্ঞানে পুজো করে যে পাপ করেছিস তুই তা আমরা শুধু একটা শর্তেই ক্ষমা করতে পারি। তোর সব সম্পত্তি আমাদের নামে করে তোকে আমাদের ভক্ত,  আমাদের দাস হয়ে এই বাড়িতে থেকে আমাদের সেবা করতে হবে দাসের মতই। তুই রাজি?"
" নিশ্চয়ই প্রভু",  আমি মানির নরম ডান পায়ের পাতায় পরপর কয়েকটা চুম্বন করে বললাম।
" কাল থেকেই কাজ শুরু করে দে। এক সপ্তাহের মধ্যে যেন তোর সব সম্পত্তি তোর আরাধ্যা দেবীদের নামে হয়ে যায়।"- আমার মাথার উপরে চটি পরা বাঁ পা বোলাতে বোলাতে মানি বলল।
" নিশ্চয়ই প্রভু, নিশ্চিত থাকুন হয়ে যাবে। আমি আমার যাবতীয় অস্তিত্ত্ব আপিনাদেফ শ্রীচরন তলে করে দিতে পারলে আমার জন্ম ধন্য হবে প্রভু।" আমি মানির নরম ডান পায়ের তলায় চুম্বন করা চালিয়ে যেতে যেতে বললাম। আমার তখনো যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না যা ঘটছে তা স্বপ্ন না, সত্যি!
পাশ থেকে বউদি চটি পরা পায়ে আমার মাথায় খোঁচা মেরে বলল ,  " চল, এবার নিচে যাই। আমাদের দেবীজ্ঞানে পুজো করার সুযোগ পেয়ে রনির জীবন ধন্য হয়ে গেছে। এই আনন্দে রনি আজ বড় রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে খাওয়াবে আমাদের।" - এই বলে বউদি উঠে পরল। পাশ থেকে তানিও উঠে বলল, " এই ঘোড়া ওঠ। তোর মনিবকে পিঠে বসিয়ে নিচে নিয়ে চল।"
" তুই একা না, আমিও ঘোড়ার মনিব হই। ঘোড়া তাই আমাদের দুজনকেই পিঠে করে নিয়ে যাবে নিচে।" এই বলে মানিও উঠে দাঁড়াল। আমি উঠে ৪ হাত পায়ে দাঁড়াতে তানি আর মানি দুজনেই আমার পিঠে পাশাপাশি বসল, তানি কাঁধের দিকে, আর মানি কোমরের দিকে। আমি অনেক কষ্টে দুই দেবীকে পিঠে বসিয়ে তিনতলা থেকে একতলায় নিয়ে এলাম সিঁড়ি দিয়ে।
নিচে এসে ডাইনিং রুমে পৌছাতে তানি বলল, " আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে। যা তো রনিকাকা, এক প্যাকেট বিস্কুট নিয়ে আয়।"
আমি ফ্রিজ থেকে এক প্যাকেট বিস্কুট এনে তানির হাতে দিলাম।

তানি বিস্কুটের প্যাকেটটা হাতে নিয়ে আমাকে প্রথমে অর্ডার করল ওর জুতো খুলে দেওয়ার জন্য। আমি জুতো খুলতে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা কোলে তুলতে যেতেই সাড়ে দশ বছর বয়সী তানি ৪০ বছর বয়সী আমার মুখে জুতো পরা ডান পায়ে খুব জোরে একটা লাথি মেরে বলল, " প্রভুদের জুতো খোলার আগে জুতো পালিশ করে দিতে হয় সেটাও শিখিয়ে দিতে হবে জানোয়ার?"
প্রভুর আদেশে ভয়ানক খুশি হয়ে আমি জুতো পালিশ করার সরঞ্জাম আনতে উঠতে যেতেই এবার তানির জুতো পরা বাঁ পা আমার মুখের উপরে একই রকম জোরে আছড়ে পরল। " তোর আরাধ্যা দেবীর জুতো পালিশ করতে যদি ব্রাশ লাগে তাহলে তোর জিভটা কেন আছে কুত্তা?"
সাড়ে ১০ বছর বয়সী পরমা সুন্দরী তানি  ওর মা আর দিদির সামনেই আমার মুখে লাথি মেরে ওর জুতো জিভ দিয়ে পালিশ করতে বলছে বলে ভিশন আনন্দ হল আমার। আমি আমার দুই হাতের তালুতে তানির জুতো পরা পা দুটো তুলে নিলাম প্রথমে।
তারপর ভক্তিভরে চাটা শুরু করলাম ওর জুতোর উপরে দিক দুটো। ওর সাদা স্নিকারের উপর দুটো নিজের জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতে লাগলাম পরম ভক্তিভরে। এই সাদা স্নিকার পরা পা দুটো দিয়ে সাড়ে দশ বছর বয়সী অতি সুন্দরী বাচ্চা মেয়ে তানি তার প্রায় ৪ গুন বয়সী আমার মুখের উপরে গত ১ ঘন্টায় অন্তত ৪০ টা লাথি মেরেছে! ভাবতেই ওর প্রতি ভক্তি উথলে উঠছিল আমার। আরো বেশি ভক্তিভরে চাটছিলাম আমার প্রভু তানির জুতোর উপর আর পাশ গুলো। ৫ মিনিটের মধ্যে আমি তানির জুতো দুটোর উপর দিকটা জিভ দিয়ে পালিশ করে নতুনের মত চকচকে করে দিলাম।
এরপর ওর ঠিক পায়ের কাছে মাথা রেখে চিত হয়ে শুয়ে পরলাম আমি। তানি আমার মুখের উপরে ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল। ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা রাখল আমার ঠোঁটের উপরে। আর বাঁ পা টা আমার কপালে।
আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে তানি আমার মুখের উপরে ওর জুতোর তলা দুটো জোরে জোরে ঘসতে লাগল প্রথমে। ফলে ওর জুতোর তলা থেকে আমার সারা মুখে কাদা লেগে যেতে লাগল। ও এত জোরে আমার সারামুখে নিজের জুতোর তলা ঘসছিল যে আমার ভিশন ব্যথা লাগছিল। কিন্তু যে ব্যথা আমার প্রভু তানি আমাকে দিচ্ছে তার চেয়ে আনন্দজনক আর কি হতে পারে আমার কাছে? আমি সেই অবস্থাতেই হাত বাড়িয়ে পালা করে তানির জুতো পরা পা দুটো টিপতে লাগলাম। তারপর প্রভু তানি আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে জিভ বার করতে আদেশ করল। আমি জিভটা মুখের বাইরে লম্বা করে বার করে দিতে আমার প্রভু তানি আমার বার করা জিভের উপরে নিজের ডান জুতোর তলা নামিয়ে দিল। এমনভাবে আমার জিভের উপরে ও জুতোর তলা ঘসতে লাগল যেন আমার জিভটা ওর কাছে পাপোস। অবশ্য প্রভু তানি আমার জিভে ঘসে নিজের স্কুল জুতোর তলা পরিস্কার করছে এর চেয়ে বেশি গর্ব আমার কাছে আর কি হতে পারে? তানি প্রথমে ওর ডান জুতোর তলা আর তারপরে ওর বাঁ জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিস্কার করে ফেলল।
এরপরে আমি ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা থেকে সাদা স্নিকার খুলে ঘরের পরার লাল চটিটা পরিয়ে দিলাম।


 তানি এবার বিস্কুটের প্যাকেটটা  ছিঁড়ে একটা বিস্কুট মেঝেতে ছুঁড়ে বলল, " তোকে অনেকদিন শুধু ঘোড়াই বানিয়েছি। আজ তোকে অন্য জন্তু বানাবো রনিকাকা। এতক্ষন তো তুই পোশা কুত্তার মতই আমার জুতো চাটছিলি।তাই  তুই আমাদের পোষা কুত্তা এখন। নে কুত্তা, আ আ তু তু,  বিস্কুট খা।"
আমার সাড়ে ১০ বছর বয়সী সুন্দরী প্রভু তানি আমাকে কুত্তার মত ট্রিট করছে বলে ভয়ানক আনন্দ হল আমার। আমি আবার কুত্তার মত ৪ হাত পায়ে বিস্কুটটা মুখে করে খেতে গেলাম। কিন্তু তার আগেই মানি গিয়ে ওর হলুদ চটি পরা ডান পায়ের তলায় বিস্কুটটা মাড়িয়ে বিস্কুটটা উপরে দাঁড়িয়ে রইল। আমি প্রভু তানির আদেশ পালন করতে না পেরে প্রভু মানির পায়ের পাতায় নিজের নাক ঘসে অনুরোধ করতে লাগলাম আমাকে প্রভু তানির আদেশ পালনের সুযোগ করে দিতে।
তানি ততক্ষনে আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আমার বাঁ  কানের পাশে লাথি মেরে বলল, " এই রনি কুত্তা, তোকে আমি একটা অর্ডার দিলাম,  পালন করছিস না কেন? কুত্তা হয়ে প্রভুর আদেশ পালন করতে ভুলে যাচ্ছিস তুই?" - এই বলে তানি দুই পায়ে আমার মাথার পাশে লাথি মারতে লাগল ওর লাল চটি পরা দুই পায়ে।
তাই দেখে হাসতে হাসতে মানি বলল,  " আহা রে, কুত্তা টার কত কষ্ট।" এই বলে ও চটি পরা ডান পা টা বিস্কুটের উপর থেকে সরিয়ে বলল, " নে কুত্তা,  প্রভুর পায়ে মাড়ানো বিস্কুট খা।"
বিস্কুটটা প্রভু মানির পায়ের তলার চাপে গুঁড়ো হয়ে গিয়েছিল। আমি শুধু একটা ছোট টুকরো তুলে মুখে গুঁজতে গেলাম। আর সাথে সাথে সামনে থেকে মানি ভিশন জোরে ওর হলুদ চটি পরা ডান পায়ে আমার ঠোঁটের উপরে একটা লাথি মারল। বিস্কুটের ছোট টুকরোটা আমার মুখ থেকে পরে গেল, আর অত জোরে লাথি খেয়ে আমার ঠোঁট থেকে রক্ত পরতে লাগল।
তাই দেখে মজা পেয়ে মানি ঠিক একই রকম জোরে আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে লাথি মারতে লাগল সামনে থেকে, ওর হলুদ চটি পরা দুই পায়ে। তানিও আমার মাথার বাঁ পাশে ওর লাল চটি পরা দুই পায়ে লাথি মারতে লাগল জোরে জোরে। রিমা বউদি এতক্ষন সোফায় বসে মজা দেখছিল। এবার উঠে এসে আমার মাথার ডান দিকে দাঁড়িয়ে আমার ডান কান আর তার পাশে গায়ের জোরে লাথি মারতে লাগল তার সবুজ চটি পরা দুই পায়ে।
প্রায় ৫ মিনিট এইভাবে আমার মুখে লাথি মারা চালিয়ে গেল আমার ৩ প্রভু, আমার ৩ আরাধ্যা দেবী। তারপরে তিন প্রভু একসাথে লাথি মারা থামাতে মানি ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মাথাটা ওই গুঁড়ো বিস্কুটের উপরে চেপে ধরে বলল, " নে কুত্তা, এবার প্রভুর চটির তলায় মাড়ানো বিস্কুট মেঝে থেকে চেটে খা।"
আমি পরম ভক্তিতে রক্ত ঝরতে থাকা নাক আর ঠোঁট নিয়ে কুত্তার মত প্রভু মানির চটির তলায় মাড়ানো বিস্কুট মেঝে থেকে চেটে খেতে লাগলাম।
রাত ৯ টা বাজার একটু আগে আমার তিন প্রভু রেস্টুরেন্টে ডিনার সারার জন্য রেডি হল
 আমি ওদের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওদের পায়ে জুতো পরিয়ে দিলাম। আমার তিন প্রভুই টপ আর জিন্স পরেছে। আমি রিমা বউদির পায়ে সাদা মোজা আর স্নিকার পরিয়ে দিলাম প্রথমে। তারপরে মানি আর তানি দুজনের পায়েই আমারই কিনে দেওয়া কালো মোজা আর কালো দামী চামড়ার বুট পরিয়ে দিলাম।
রেস্টুরেন্টে পৌছে ওরা একটা আলাদা কেবিনে বসল। অনেক খাবার অর্ডার দিল প্রথমে। তারপর খাবার আসার আগেই মানি আমাকে বলল, "ভাবিস না কুত্তা তুই আমাদের সাথে বসে খাবি। তোর কাজ মেঝেয় শুয়ে আমাদের জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করা।"
 প্রভু মানির আদেশ আমি সাথে সাথে পালন করলাম। আমি টেবিলের তলায় শুতে মানি সাথে সাথে ওর কালো  চামড়ার বুট জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিল। মানির পাশের চেয়ারে বসা তানি ওর বুট পরা পা দুটো আমার পেট আর বুকের নিচের দিকে রাখল। আর টেবিলের উলটো দিকের চেয়ারে বসা রিমা বউদি ওর সাদা স্নিকার পরা পা দুটো আমার বুক আর গলার উপরে রাখল।
আমি পরম ভক্তিতে প্রভু  মানির বুট জুতো পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা দুটো পালা করে জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করতে লাগলাম। ওর জুতোর তলার কাদা মাটি সব পরম ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম আমি। আর আমার তিন প্রভু নরম চেয়ারে বসে  আমার টাকায় কেনা দামী সুস্বাদু খাবার খেতে লাগল পরম তৃপ্তিতে।