Saturday, 1 May 2021

তনুশ্রী আর দাদা

আগের সপ্তাহে আমি ক্লাস টেস্টে কম পেয়েছিলাম বলে মন খারাপ ছিল । আমি বাড়ি ফিরতে দাদা আমার পায়ের কাছে বসল জুতো খুলতে । আমি ওর মুখে লাথি মারলাম সপাটে, আর বল্লাম, - তুই ভাল করে পরাসনি বলে টেস্টে কম পেয়েছি । আজ তোর কপালে দুঃখ আছে । দাদা সঙ্গে সঙ্গে আমার পায়ে পরে আমার জুতোর উপর চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইতে লাগল । আমি দাদার মাথার উপর জুতো পরা ডান পা টা তুলে স্কার্টে লাগানো বেল্টটা খুললাম । তারপর খুব জোরে জোরে বেল্ট দিয়ে মারতে লাগলাম দাদার পিঠে । দাদার চিতকারে মা এ ঘরে চলে এল । মায়ের সামনেই আমি দাদার পিঠে বেল্ট দিয়ে মারতে লাগলাম আর ওর মাথায় লাথি মারতে মারতে ওকে সোজা করে শোয়ালাম । তারপর ও যাতে আর চিতকার করতে না পারে তাই আমার সাদা স্কুল জুতো পরা ডান পা ওর ঠোটের উপর রেখে মায়ের সামনেই ওর বুকে বেল্ট মারতে লাগলাম । আর ওর মুখ, নাক, ঠোট, কপাল সবজায়গায় জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগলাম জোরে জোরে । দাদা ভয়ে আমার জুতোর তলায় চুমু খেতে খেতে আমার কাছে বিনা কারনে ক্ষমা চাইতে লাগল । কাল সকালে উঠেই দাদা আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল । তারপর আমি ফ্রেশ হয়ে আসার পর আমাকে টিফিন করে এনে দিল । আমি টিফিন খেতে লাগলাম, আর দাদা একটা গামলা আর জল এনে আমার পা ধুয়ে জল খেল । তারপর আমাকে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে দাদা আমার চটি পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরল , আমি আমার চটি পরা পা দুটো আমার ৩ বছরের বড় দাদার মুখের উপর রাখলাম । আমার পা টিপতে টিপতে দাদা আমার চটির তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে দিল । দুপুরে আমি স্কুল থেকে ফিরলাম আমার এক বান্ধবীকে নিয়ে । আমার দাদা আমাদের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল । আমি দাদার মাথায় লাথি মেরে ওকে আমার পায়ের তলায় শুয়ে পরতে বললাম । দাদা তাই করল । আমি চেয়ারে বসে আমার দাদার মুখের উপর আমার স্নিকার পরা পা দুটো তুলে দিলাম । আমার জুতোর তলা দাদার মুখের উপর ঘষতে লাগলাম । আমার বান্ধবী চৈতালী আমার দাদার বুকে জুতো পরা পা রেখে বসল । দাদা পালা করে আমাদের দুজনের পা টিপে দিতে লাগল । একটু পরে আমি দাদার নাকের উপর জোরে একটা লাথি মেরে দাদাকে বললাম ওর জিভটা বার করে দিতে । দাদা তাই করল । আমি দাদার জিভে আমার জুতোর তলার ময়লা মুছতে লাগলাম । দাদা আমার জুতোর তলার ময়লা পুরো গিলে খেয়ে নিল । প্রথমে ডান জুতোর তলা ,তারপর বা জুতোর তলা দাদার জিভে ঘষে পুরো পরিষ্কার করে ফেললাম । এরপর চৈতালী আমার জায়গায় বসে দাদার জিভে ঘষে ওর জুতোর তলা পরিষ্কার করে নিল । এরপর দাদার গলায় একটা বেল্ট পরিয়ে আমরা ওর পিঠে চড়ে ছাদে গেলাম । ছাদে গিয়ে আমরা মেঝেতে একটা একটা বিস্কুট ছুড়ে জুতোর তলায় মাড়িয়ে গুড়ো করে সেটা দাদাকে দিয়ে চাটাতে লাগলাম । দাদা জিভ বার করে আমাদের পায়ে মাড়ান বিস্কুট চেটে খাওয়ার চেষ্টা করতে লাগল, আর আমরা জুতো পরা পায়ে দাদার মুখে, মাথায় জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম, যাতে দাদা সহজে চেটে বিস্কুট খেতে না পারে । এরপর আমরা ছাদে চেয়ারে বসলাম আর দাদা আমাদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল । পাশের বাড়ির লোকেদের চোখের সামনেই আমরা দুই বান্ধবী আমাদের দাদার মুখে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগলাম।

Thursday, 1 April 2021

মহাপ্রভু কলেজ

মহাপ্রভু কলেজে মহাপ্রভু রুপে ছেলেদের দ্বারা পুজিত হল মেয়েরা: ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন; উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার মহাপ্রভু কলেজে ক্রীসমাস উপলক্ষে কাল বিকেলে এক অনুষ্ঠানের আয়জন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী ও রিত্বিকা। কলেজের ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে এই উপলক্ষে কলেজের ছাত্ররা ঠিক করেন বিশেষ রুপে সংবর্ধনা দিয়ে সম্মান জানানো হবে এই দুই সুন্দরী অভিনেত্রীকে। বিকেল ৪ টেয় রিত্বিকা ও শুভশ্রীর আসার সময় হতে কলেজের গেট থেকে মুল অনুষ্ঠান মঞ্চ অবদি লাইন দিয়ে পরপর মাটিতে শুয়ে পরে কলেজের ছেলেরা। দুই অভিনেত্রী উপস্থিত হতে তাদের গাড়ি ঠিক সেই লাইনের সামনে থামানো হয়। দুই অভিনেত্রীকে অনুরোধ করে বলা হয় তাদের সম্মানে এই মানব রেড কার্পেট পাতা হয়েছে। তারা যেন দয়া করে এই সম্মান গ্রহন করেন ও শুধু মাটিতে শুয়ে থাকা ছেলেদের মুখের উপর পা রেখে গাড়ি থেকে মঞ্চে ওঠেন। দুই অভিনেত্রী আনন্দের সাথে এই প্রস্তাব গ্রহন করেন। তাদের গাড়ি ও মঞ্চের দুরত্ব ছিল প্রায় ৫০০ ফুট। আর এই দুরত্ব জুড়ে মাটিতে পিঠ রেখে শুয়ে ছিল কলেজের অন্তত ৪০০ ছাত্র। প্রথমে গাড়ি থেকে নেমে প্রথম ছেলেটির মুখের উপর দাড়ান শুভশ্রী। এরপর তিনি পরের ছেলেটির মুখের উপর পা দিয়ে এগিয়ে গেলে রিত্বিকাও গাড়ি থেকে নেমে প্রথম ছেলেটির মুখের উপর দাড়ান। শুভশ্রীর পরনে ছিল কালো টিশার্ট, সাদা ট্রাউজার ও পায়ে কালো বুট জুতো। আর রিত্বিকার পরনে ছিল লাল- সাদা টপ, ফেডেড জিন্স ও পিংক- সাদা স্নিকার। জুতো পরা পায়ে দুই সুন্দরী অভিনেত্রী একের পর এক মাটিতে শুয়ে থাকা ছেলের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে এগিয়ে যেতে থাকেন মঞ্চের দিকে। মাঝে মাঝেই জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে থাকেন পায়ের তলায় শুয়ে থাকা ছেলেদের মুখে। ছেলেদের জিভের উপর ঘসে দুজনেই নিজেদের জুতোর তলাও পরিস্কার করে নেন। মঞ্চে উঠে শুভশ্রী ও রিত্বিকা দেখেন তাদের সম্মানে রেড কার্পেট হিসাবে মঞ্চের উপর পিঠ রেখে কলেজের ছাত্রদের বদলে শুয়ে আছে কলেজের অধ্যাপকেরা, যাতে তারা অধ্যাপকেদের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে এগিয়ে গিয়ে তাদের আসনে বসতে পারেন। শুভশ্রী ও রিত্বিকা তাই দেখে খুশি মনে অধ্যাপকেদের প্রত্যেকের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে এগিয়ে যান তাদের বসার আসনের দিকে। অধ্যাপকেদের প্রত্যেকের মুখে লাথিও মারেন এই দুই সুন্দরী অভিনেত্রী। নরম গদিতে মোড়া আসনে শুভশ্রী বসেন কলেজের ভাইস প্রিন্সিপালের মুখের উপর বুট জুতো পরা পা রেখে। অন্যদিকে তার পাশেই রিত্বিকা বসেন কলেজের প্রিন্সিপালের মুখের উপর স্নিকার পরা পা রেখে। দুই সুন্দরী অভিনেত্রীর সম্মানে নিজেদের জিভ পাপোষের মত বাইরে বার করে দেন কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল। তাদের বার করে দেওয়া জিভের উপর নিজেদের জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে শুভশ্রী ও রিত্বিকা বলেন, - এই কলেজের নাম মহাপ্রভু কলেজ। তবে দু:খের ব্যাপার হল, কলেজের এই নামকরনের কারন আজ বেশিরভাগেরাই ভুলে গেছে। এই নামকরনের মাধ্যমে এটাই প্রকাশিত হচ্ছে একসময় এই দেশে প্রত্যেক মেয়েই ছেলেদের কাছে মহাপ্রভু রুপে পুজিত হত। এখন আমরা যেভাবে এই কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে বসে ওদের জিভের উপর জুতোর তলা ঘসছি, একসময় এই দেশে যেকোন মেয়ে যেকোন ছেলের সাথে এরকম করতে পারত। শুভশ্রী ও রিত্বিকা আরও বলেন, শুধু আমাদের মত অভিনেত্রীদের সেবা করেই এই কলেজের ছেলেদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। দেশে নারীপুজার সেই পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার মহান দায়িত্ব এদেরই কাঁধে নিতে হবে। কলেজের প্রতিটি মেয়ে সহ নিজেদের বাড়ির ও পাড়ার প্রতিটি মেয়েকে দেবীজ্ঞানে মহাপ্রভুরুপে ছেলেরা পুজো করলে তবেই এই কলেজের নামকরন সার্থকতা পাবে। এই উপলক্ষ্যে তারা কলেজের প্রতিটি মেয়েকে আহ্বান জানান যাতে তারাও উনাদের মত কলেজের ছেলেদের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে হেঁটে মঞ্চে উঠে আসেন ও কলেজের পুরুষ অধ্যাপকেদের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে ও তাদের জিভের উপর জুতোর তলা মুছে পরিস্কার করে কলেজের নামকরনের সার্থকতা প্রমান করে গোটা দেশের কাছে নারীজাতিকে দেবীরুপে তুলে ধরেন। ঘোষনার পরই কলেজের মেয়েরা একের পর এক কলেজের ছেলেদের মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে হেঁটে এসে মঞ্চে ওঠেন। মঞ্চে ওঠার আগে তারা ইচ্ছা মত লাথি মারেন কলেজের ছেলেদের মুখে। মঞ্চে উঠে সাংবাদিকদের সামনেই তারা জুতো পরা পায়ে অধ্যাপকেদের মুখের উপর লাফাতে লাফাতে বিজয় উল্লাস করতে থাকেন। তারা নিজেদের কলেজের অধ্যাপকেদের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে থাকেন ও তাদের জিভের উপর ঘসে নিজেদের জুতোর তলা পরিস্কার করে নেন। কলেজ থেকে কোলকাতায় ফেরার আগে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে শুভশ্রী ও রিত্বিকা বলেন আজ এই কলেজের নামকরন সার্থক হল। আজ থেকে এই কলেজের প্রতিটা ছাত্র ও পুরুষ অধ্যাপক, ছাত্রী ও অধ্যাপিকাদের দেবী বা মহাপ্রভুর মত সম্মান করবে, তাই এর নাম মহাপ্রভু কলেজ। আর আজ সারাদেশ সহ গোটা পৃথিবীর ইতিহাসের এক গুরুত্বপুর্ন দিন। মেয়েদের ভবিষ্যত পৃথিবীতে কিভাবে সম্মান করা হবে তা আজ এই কলেজের অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রথমবারের মত দেখল সারা বিশ্ব। ( Fantasy femdom news/ ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)।

Monday, 1 March 2021

মিস্ট্রেস মারজানা ও গোলাম হাসিব

মিস্ট্রেস মারজানা ও গোলাম হাসিব part 1 লেখক - Hasib Ahmed হাসিব সারাদিন অফিস করলেও বাসায় যাওয়া হয়না। কারণ সারাদিন যতই কাজই করুক তার কোন মূল্য নেই।কারণ বেঁচে থাকার জন্য তার চাকুরী করাই লাগবে। কিন্তু চাকুরীর চেয়েও বড় দায়িত্ব তার কাছে রাতের চাকরি। মানে মিস্ট্রেস মারজানার সেবা করা। মিস্ট্রেস মারজানা কিছুদিন আগেও হাসিবের বন্ধু ছিলো। কিন্তু হাসিবের বন্ধুত্ব মারজানা ম্যামের পায়ের সৌন্দর্যের কাছে হার মানে। দীর্ঘদিন ধরেই হাসিব মারজানার পায়ের ভক্ত। তার স্বপ্ন যেকোনোভাবেই হোক মারজানার সেবা করা। কিন্তু হাসিব তা কখনোই মারজানাকে বলার সুযোগ পায়নি। কিছুদিন আগে হাসিব গোপনে মারজানা ম্যামের পায়ের ছবি তুলছিল যা ম্যাম দেখে ফেলে। ম্যাম জানতে চাইলে হাসিব মারজানা ম্যামের পায়ের প্রতি দীর্ঘদিনের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে।মারজানা ম্যাম অবাক হয়ে যায় বন্ধুর এমন আচরণে। পরদিন ম্যাম পায়ের প্রতি মানুষের কেন আকর্ষণ হয় তা গুগল করলেন। তিনি জানতে পারলেন যারা মেয়েদের পা লাইক করে তারা ফুট ফেটিসিজম পছন্দ করে।যার একটা ধাপ হলো ওই নারীর পা পছন্দ করা না শুধু। তার সেবা করে তাকে খুসি রাখাও। মানে ফেমডম। কিন্তু যারা পা পছন্দ করে সবাই তো ফেমডম পছন্দ নাও করতে পারে। তাই মারজানা ম্যাম চিন্তা করল তিনি হাসিব ফেমডম পছন্দ করে কিনা তা যাচাই করবেন। মানে তিনি হাসিবকে তার সেবক বানাবেন যদি হাসিব ফেমডম পছন্দ করে। কয়েকদিন পর হাসিব আবার মারজানার সাথে দেখা করার জন্য তার বাসায় যায়।গিয়ে দেখে বাসায় কেউ নেই। মারজানা মেম তার বিচানায় শুয়ে আছেন। হাসিব রুমে ডুকে মেমের সাথে দেখা করার পর একটু লজ্জা পাচ্ছিলেন কথা বলতে।লজ্জা ম্যামও পাচ্ছিলেন কিছুটা। কিন্তু মেম চিন্তা করলেন হাসিবকে তার পায়ের গোলাম বানাবেন।তাকে আর বন্ধু রাখবেন না।কারণ একটা বন্ধুর চেয়ে একটা গোলাম লাইফে অনেক মূল্যবান। মেম বললেন তুই আমার পা কতটা পছন্দ করিস। হাসিব বলে অনেক অনেক। তাহলে আমার পা টা একটু ব্যাথা করছে। ম্যাসেজ করে দিবি? হাসিব অনেক খুসি হয়ে গেলো। এটা যেন স্বপ্ন পূরণের থেকেও বেশি কিছু। হাসিব মেম এর পায়ের তলায় বসে পড়লো। তখন বাজে রাত নয়টা। ম্যাসেজ করতে করতে হাসিব ভুলেই গেলো তার বাসায় যাওয়ার কথা।রাত বেজে গেলো ১২ টা।যেহেতু বাসায় কেউ নেই তাই বাসায় কোন শব্দও নেই। মারজানা মেম তার বিচানায় আরামে ঘুমাচ্ছে।হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে থেকে হাসিব এখনো যত্নসহকারে পা ম্যাসেজ করে যাচ্ছে। মেম এর বাসায় রাতের খাবার ছিলো শুধুমাত্র একজনের। মেম তা নিজে খেয়ে নিলেন।হাসিবকে বলল তোর জন্য আজ কোন কিছু নেই খাবার মত। তুই আমার পা ধুয়ে পানি খা। যদিও মেম মজা করে বলছেন। কিন্তু হাসিব সেটাই করলেন। যত্নসহকারে পা ধুয়ে ঢকঢক করে পানিটা খেয়ে ফেললো। মেম অবাক হলেন। কিন্তু অবিশ্বাস্য মনে হলোনা।যেহেতু ফেমডমে মিস্ট্রেস এর পায়ের পানি খাওয়ার বিষয়টি খুবি স্বাভাবিক। খাওয়া শেষ করে মেম আবার ঘুমাতে গেলেন।হাসিব কোথায় ঘুমাবে জিজ্ঞেস করলে মেম বলে তুই ঘুমালে আমার পা ম্যাসেজ করবে কে শুনি। এইকথা বলেই বিচানায় শুয়ে গেলো।হাসিব আস্তে আস্তে মারজানা ম্যামের পায়ের তলায় গিয়ে পা টিপতে লাগলো। পা টিপতে টিপতে পায়ের তলায় ঘুমিয়ে পড়লো। পরদিন মেম বললেন তুই আমার পা ম্যাসেজ করে দিলে আমার ঘুম ভালো হয়।কাল থেকে প্রতিদিন রাতে আমার পা ম্যাসেজ করবি। হাসিব শোনা মাত্রই রাজি হয়ে গেলো। পরদিন হাসিব অফিস শেষ করে মারজানা ম্যামের বাসায় গেলো। মেম হাসিবকে দেরি কেন হলো জিজ্ঞেস করাতে হাসিব পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইলো।আর দেরি হবেনা বলে পা ম্যাসেজ শুরু করলো। কিন্তু মারজানা মেম বললো ক্ষমা হবেনা।অনেকটা মজার ছলেই বললেন যে এটার শাস্তি পেতেই হবে। বন্ধুর মুখে শাস্তির কথা শুনে হাসিব কিছুটা অবাক হলো। কিন্তু সে বলে ফেললো কি শাস্তি।মেম বললো ২০ বার কান ধরে ওঠবস করা লাগবে।হাসিব কোন তর্ক না করে সাথে সাথে ২০ বার কান ধরে ওঠবস করলো। তারপর পা ম্যাসেজ শুরু করলো। পা ম্যাসেজ করে পায়ের তলায় ঘুমিয়ে পড়লো। এভাবেই প্রতিদিন চলতে থাকে। একদিন মেম হাসিবকে বলে তুই যেহেতু আমার সেবা করিস আজ থেকে তুই আমাকে মেম বলে ডাকবি। হাসিব রাজি হয়ে গেলো।এভাবেই বন্ধু থেকে গোলাম হয়ে গেলো হাসিব। আর মারজানা হয়ে গেলো মিস্ট্রেস মারজানা। মিস্ট্রেস মারজানা ও গোলাম হাসিব ( নিয়ম কানুন)part 2 লেখক - Hasib Ahmed প্রতিদিন রাতজেগে গভীর রাত পর্যন্ত মিস্ট্রেস মারজানার সেবা করাটা নিয়মে পরিণত হল গোলাম হাসিবের জন্য। মেম এইরকম বোরিং গোলামী খুব একটা পছন্দ করছেন না ইদানীং। তাই মেম হাসিবকে আরো ভালো গোলাম ও আরো অনুগত করতে কিছু নিয়ম কানুন রেডি করলেন। তিনি ঠিক করলেন হাসিব আজকে আসা মাত্রই তাকে নিয়মকানুন বলে দিবেন। মেম অপেক্ষা করছেন হাসিবের জন্য। হাসিব একজোড়া পায়েল ও মেমের জন্য কিছু পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে আসলো। যার জন্য আজকেও আসতে লেট হয়ে গেলো। রুমে এসেই বরাবরের মত মেম এর পায়ের কাছে বসে পায়েল জোড়া ও খাবার গুলো দিলো। মেম দেরি কেন হলো এটা জিজ্ঞেস করাতে হাসিব তার কেনাকাটার কারণ দেখালো।মেম খুব বিরক্ত হলো। মুখে থুতু মারলো ও জোরে চড় দিলো।হাসিব অবাক হয়ে গেলো। সে কিছুই বললনা।কিন্তু মেম তার এই আচরণেও খুসি না। কেন জানি মনের মত হচ্ছেনা। মেম হাসিবকে আবার চড় মারলেন। কিন্তু আজকে হাসিব কিছুই বুঝতে পারছেনা।মেম এর পায়ে হাত দিতে গেলে মেম তার পা দুটো সরিয়ে নেয়। হাসিব অবাক হয়ে যায়। হাসিব বুঝতে পারছে সে ভুল করছে।তাই সে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইলো মেম এর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে। মেম মাথার উপর পা রাখলেন। এরপর হাসিবকে উঠতে বললেন। হাসিব কিছুটা স্বস্তি পেলো। মেম এর মাথা এইবার কিছুটা ঠান্ডা হলো।তাই মেম তার স্লেভকে কিছু নিয়ম কানুন দিয়ে দিলেন। ১) প্রতিদিন মেম বাহির থেকে আসে সন্ধ্যা ৭ টায়। তার আগেই স্লেভ হাসিবকে তার কক্ষে দেখতে চান।কারণ মেম আসা মাত্রই স্লেভকে দিয়ে জুতা খোলাতে চান। স্লেভ হাসিব আগেই এসে মেম এর বেড এর নিচে বসে থাকবে। মেম এসে হাত ক্লেপ করার সাথে সাথে স্লেভ বের হয়ে মেম এর জুতা খুলে তা পরিষ্কার করে রেখে দিবে এবং মেম এর পায়ে চুমু খাবে। তাই হাসিবকে যেকোনো মূল্যে তার অফিসের কাজ দ্রুত শেষ করে মেম এর সেবার জন্য রেডি থাকতে হবে।। ২) হাসিব যতই ক্লান্ত থাকুক অথবা ঘুম চোখে থাকুক প্রতিদিন সকালে মেম ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথেই পায়ে চুমু দিয়ে পা ম্যাসেজ করে দিতে হবে এবং রাতেও পা ম্যাসেজ করে দিতে হবে গভীর রাত পর্যন্ত। রাতে ঘুম ভেঙে গেলেও হাসিব যেন পা ম্যাসেজ করা অবস্থায় থাকে। নাহলে শাস্তি পেতে হবে। ৩) হাসিব যখনই রুম এ ঢুকবে ও বের হবে মেম এর পায়ে কিস করে বের হতে হবে। আর বাহিরে যাওয়া ও আসা হবে সম্পূর্ণ মেমের ইচ্ছায়। ৪) মেমকে সবসময় মেম বলে ডাকতে হবে। আর স্লেভকে মেম ফুটবয় / গোলাম/ স্লেভ/ ডগি এইসব নামে ডাকবে। মেম স্লেভের সেবায় খুসি হয়ে গুড মাই ফুটবয়,মাইস্লেভ বলার সাথে সাথে পায়ে চুমু খেয়ে থ্যানক্স মেম বলতেই হবে। ৫) মেমের পা অথবা জুতা পরিষ্কার করতে বললে তা জিহবা ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে করা যাবেনা। পায়ে বা জুতায় যতই ময়লা থাকুক তা জিহবা দিয়েই ক্লিন করা লাগবে। ৬) সেবা চলাকালীন অবস্থায় মেম স্টপ বলার সাথে সাথেই থামা লাগবে। এইসময় মেম কোন কারণ ছাড়াই যেকোনো শাস্তি অথবা অপমান করতে পারবে। ৭) মেমের পায়ের প্রতি দুর্বলতা দেখাতে হবে সবসময়। সেবা করার সময় এটাই লাইফের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে করতে হবে। ৮) যা বলবে তাই করা লাগবে। কোন কাজে না অথবা বিরক্তি প্রকাশ করা যাবেনা। ৯) সবসময় মেমকে সুন্দরী মানতে হবে এবং নিজেকে মেমের গোলাম হিসেবে ভাগ্যবান বলে মেমের সামনে প্রকাশ করতে হবে। ১০) মেম এর সামনে কথা বলা যাবেনা খুব বেশি এবং মাথা নিচু রাখতে হবে। ১১) মেম এর সামনে মেনলি অথবা ফরমাল পোশাক পরে থাকা যাবেনা। মেম যেভাবে বলবে ওইভাবেই পোশাক পরতে হবে। ১২) মেমের লাইফের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ১৩) মেমের অনুমতি ছাড়া কারো সাথে মেমের বিষয়ে কথা বলা যাবেনা। ১৪) যেকোনো সময় যেকোন শাস্তি মেনে নিতে হবে। ১৫) কোন কাজ না করতে পারলে অজুহাত দাড় করানো যাবেনা। এটা করা অসম্ভব হলেও না পারলে মেম শাস্তি দিতে পারবেন। মিস্ট্রেস মারজানা ও গোলাম হাসিব ( পার্ট ৩) লেখক - Hasib Ahmed বন্ধু থেকে হাসিব এখন পুরোপুরি ফিটস্লেভ হয়ে সেবা চালিয়ে যাচ্ছের মিস্ট্রেস মারজানার। গোলামকে রাতে পায়ের তলায় না পেলে মেমের রাতের ঘুম হয়না। হাসিব ও যেন পায়ের তলার সাধারণ কোন জিনিস ছাড়া আর কিছু নয়। বেশিরভাগ সময় রাতের খাবার খাওয়া হয়না হাসিবের।কারণ মেম খাওয়ার সময় দেয়না। মেমের কথা হচ্ছে পা চাটলেই এনার্জি চলে আসবে। হাসিবও তাই মনে করে। মাঝে মাঝে যেটুকু খাবার পায় তাও মেমের খাওয়ার পর অবশিষ্টাংশ। আর রাতে যে পানি দিয়ে মেমের পা ধুয়ে দেয় ওটাই হাসিবের খাওয়া লাগে। কারণ হাসিবের কাছে মেমের পায়ে যাই লাগবে তাই পবিত্র। ময়লা সাধারণত থাকেনা মেমের পায়ে। তাও যেটুকু থাকে ওটাকে পবিত্র মনে করে খেয়ে নিতে হয়। এখন শীতের রাত। মেম রাতে দামি কম্বলের নিছে ঘুমায়। হাসিবের খুব কমই সৌভাগ্য হয় কম্বলের নিচে যাওয়ার।হাসিব তখনই কম্বল পায় যখন মেম বলে বুকে পা রেখে ঘুমাবে। এইছাড়াও পোশাকেরও তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি হাসিবের। মানে শীতের রাতেও হাসিবকে খালি গায়ে এবং শর্ট প্যান্ট পরে থাকতে হবে। কিন্তু হাসিবের কাছে মেমের সিদ্ধান্তই বেশি মূল্যবান। কারণ এই কষ্টের থেকেও বেশি আনন্দ মেমের সেবা করতে পারা। মেম রাতে উঠে দেখে তার গোলাম পায়ের নিচে বসে পা ম্যাসেজ করছে কম্বলের উপর দিয়ে। মেম মুচকি হাসি দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। হাসিব চাইলে মেম যখন গভীর ঘুমে থাকে তখন মেম এর কম্বলের নিচের দিকে ঢুকে গা গরম করে নিতে পারে।কিন্তু সে মেমের প্রতিটি হুকুম মেনে চলে। তাই এটা করার সাহস সে করতে পারেনা। মেম শুরুতে কিছুটা ইতস্তত বোধ করলেও এখন তিনি হাসিবকে পুরোপুরি কন্ট্রোল করছেন। নতুন নতুন শাস্তিও দিচ্ছেন।এইসব শাস্তি মাঝে মাঝে হাসিবের ছোট ভুলের জন্য দিলেও বেশীরভাগ সময় দেয় মেমের ডোমিনেশন বজায় রাখার জন্য। শাস্তিগুলো খুব কঠিন না।কিন্তু শাস্তি হিসেবে বেশ উপভোগ্য মেমের কাছে। তবে মাঝে মাঝে মেমের মেজাজ খারাপ থাকলে হাসিবের বড় ধরনের শাস্তিও পেতে হয়। যা হাসিব ভয় পেলেও কিছু করার থাকেনা। হাসিবের শাস্তির ধরনগুলো নিয়ে পরের পার্ট লিখা হবে।

Monday, 1 February 2021

মায়াবী...

ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন ; বাংলা ছায়াছবির ইতিহাসে ইতিহাস সৃষ্টি করল “মায়াবী” । দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় তৈরি এই সিনেমা শুধু প্রথম সপ্তাহেই প্রায় ৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে, বাংলা সিনেমায় যার ধারে কাছেও কোনদিন কেউ পৌঁছাতে পারে নি । এই সুপার ন্যাচারাল ফেমডম থ্রিলারে অভিনয় করেছেন কোয়েল মল্লিক, জয়, শবনম আখতার মিম, রাজা, জ্বলন্ত খলিল প্রমুখ । গল্পের মূল আকর্ষন টানটান সুপার ন্যাচারাল থ্রিলারের সঙ্গে চুড়ান্ত ফেমডমের দুর্দান্ত মিশ্রন । আর এই ছবির সাফল্যই প্রমান করে ফেমডমের প্রতি বেশিরভাগ মানুষের চুড়ান্ত আকর্ষন । গল্পের নায়ক জয় একজন লেখক, ভৌতিক উপন্যাস লেখার জন্য বিখ্যাত সে । বান্ধবী কোয়েলের সাথে বিয়ের পর সে পাহাড়ি নির্জন এলাকায় এক বাংলো কিনে বাস করতে থাকে নির্জনে গল্প লেখার সুবিধার্থে । কিন্তু প্রথম থেকেই সেখানে কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনা দেখতে থাকে সে । তার স্ত্রীও ক্রমে ভিষণ ডমিন্যান্ট হয়ে উঠতে থাকে তার প্রতি । এই সময়েই সেই বাড়িতে ছুটি কাটাতে আসে জয়ের টিন এজার খুড়তুতো ভাই বোন, রাজা আর মিম । ক্রমে মিম আর কোয়েল ভয়ানক ডমিন্যান্ট হয়ে ওঠে জয় আর রাজার উপর । বিশেষ করে রাতে অকথ্য অত্যাচার করতে থাকে তারা রাজা আর জয়ের প্রতি । কথায় কথায় চড়, থাপ্পর , লাথি, চাকরের মত কাজ করান সবই করতে বাধ্য হয় জয় ও রাজা । জয় ও রাজার মুখের উপর ঘন্টার পর ঘন্টা জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারতে থাকে কোয়েল ও মিম, তাদের জিভে ঘষে জুতোর তলা মুছতে থাকে, চাবুক মেরে তাদের পিঠ করে দিতে থাকে রক্তাক্ত । স্বামী ও দেওরের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাতে থাকে কোয়েল । আর ১৪ বছরের সুন্দরী কিশোরী মিম যেন তাকেও ছাড়িয়ে গিয়ে অত্যাচার করতে থাকে দুই দাদার উপর । অবশেষে জয় বুঝতে পারে এসব কোনটাই স্বাভাবিক না । ক্রমে সে জানতে পারে এই বাড়ির পূর্ব বাসিন্দা টিয়ার স্বামীর অত্যাচারে অসহায় হয়ে আত্মহত্যার কথা । তার আত্মাই যে কোয়েল ও মিমকে এরকম পুরুষবিদ্বেষী ও অত্যাচারী করে তুলেছে সেটা বুঝতে পেরে সে যোগাযোগ করে অতিপ্রাকৃত ঘটনা বিশেষজ্ঞ খলিলের সাথে । কিভাবে ক্রমে অতিপ্রাকৃত ঘটনার হাত থেকে মুক্তি পেল তা নিয়েই পরবর্তী গল্প । আড়াই ঘন্টার সিনেমার প্রায় এক ঘন্টা জুড়ে পর্দায় দেখা যায় শুধু জয় আর রাজার উপর কোয়েল আর মিমের অত্যাচার । আর গল্পের শেষেও পরিচালক পুরুষ চরিত্রদের স্থান দেন মেয়েদের পদতলেই । এই ছবির দুর্দান্ত সাফল্য প্রমান করছে সাধারন মানুষের ফেমডমের প্রতি আকর্ষন । আর সেই সাথেই পরিচালকেরাও একের পর এক আরও ভায়োলেন্ট ফেমডম থিম নিয়ে সিনেমা পরিচালনার কথা ঘোষনা করে চলেছেন । প্রায় সব প্রথম শ্রেণীর নায়ীকাই একাধিক ফেমডম ছবিতে কাজ করতে রাজি হয়ে গেছেন । এর মধ্যে আছেন মিমি, শুভশ্রী, পায়েল, বর্ষা, মাহিয়া প্রমুখ । এখন দেখার, এই ছবিগুলোও বক্স অফিস কাঁপাতে পারে নাকি “মায়াবী”র মতো ।

Friday, 1 January 2021

দিদির অত্যাচার

( Elder Sister Domination original version - Writer/Credit-Ratan Rahat warning : 18+ content) আমার তিন দিদি আর আমি, আমাদের পরিবার গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবার | বড়ো দিদি আমার চেয়ে 18 বছরের বড়ো , দিদি দেখতে খুব সুন্দরী | বড়ো মেয়ে হওয়ার জন্য বাবা মা দিদিকে খুব ভালোবেসে রানীর মতো মানুষ করে তারপর 18 বছর বয়সে এক চাকুরীজীবির সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়, জামাই বাবু খুব ভালো দিদিকে খুব ভালোবাসে, দিদির কথাতেই উঠবস করে, দিদি জীবনে খুব সুখী | অন্য দিদিদের মুখে শুনেছি বাড়িতে দুটো মাত্র ঘর থাকলেও বড়ো দিদির জন্য একটা বরাদ্দ ছিল আর সেই ঘরে কারো ঢোকার অনুমতি ছিলনা, মা দিদিকে কোনোদিন কোন কাজ করতে দিতোনা এমনকি নিজের হাতে এক গ্লাস জল ও খেতনা, বাবা দিদিকে এমন জামা, জুতো কিনে দিত যেন সেটা গ্রামের সবার চেয়ে ভালো হয় | দিদির কথা ছাড়া বাড়িতে একটা সুচ ও কেনা হতোনা, দিদি ঠিক করে দিত কাকে কত টাকার জামা, জুতো কিনে দেওয়া হবে, আমার ভাগ্যে দিদিদের অর্ধেকও জুটতোনা, আমি দিদির সিকি ভাগও পায়নি তাই দিদির এইসব কথা শুনে দিদির সুখ নিয়ে আমার খুব হিংসে হয় | বাবা মার দিদিকে নিয়ে একটা অহংকার ছিল |দিদি খুব রাগী ছিল, আমাকে খুব শাসন করতো, ছোট থেকেই আমি দিদিকে খুব ভয় করতাম এরকমও অনেকবার হয়েছে দিদির এক বকুনিতে আমি প্যান্টে পেচ্ছাব ও করে দিয়েছি | দিদি যখনই বাড়ি আসতো মাকে উপদেশ দিত ছেলে মানুষ বেশি আদর দিওনা বিগড়ে যাবে সবসময় শাসন করবে আর ছেলের জন্য এতো চিন্তা করবেনা আগে নিজে ভালো করে খাবে আগে নিজের শরীর ঠিক রাখো কিন্তু দেখতাম দিদি নিজের বরকে নিয়ে এসে প্রায়ই ভালো ভালো খাবার গুলো খেয়ে যেত তখন দিদির মায়ের প্রতি উপদেশ গুলো আর দিতোনা | এইসব কথা শুনে মা গলে যেত আর মা দিদির কথাকে বাণী হিসেবে মানত, মায়ের ভাবনা ছিল বড়ো মেয়ে কোনদিন কোন ভুল কাজ করবেনা, আর দিদিকে বলতো যে মা তোকেই মাঝে মাঝে এসে ভাইকে শাসন করতে হবে, এইসব দেখেও দিদির প্রতি আমার হিংসে হতো, আমি হীনমন্যতাই ভুগি | মা বাবা দিদিকে সমাজের বিরুদ্ধে গিয়েও সমর্থন করতো, দিদি ছোট থেকেই মেয়েদের পর্দা নিয়ে বাড়াবাড়ি পছন্দ করতোনা, এর বিরুদ্ধে লড়াই করে, মানুষ যাইই বলুক দিদি নিজের সুবিধা মতই কাপড় পড়ে | দিদি সবসময় আমাকে শাসন করত আর শিক্ষা দিত যে মেয়েদের কিভাবে সম্মান করতে হয়, আমাকে ছোট থেকেই শিক্ষা দিত মেয়েদের স্থান ছেলেদের উপরে |স্কুলে রেজাল্টের দিন দিদি বাড়িতে এসে আগেই বসে থাকতো, আমার রেজাল্ট দেখে প্রতিবারই আমাকে পিটিয়েছে,কিন্তু আমার রেজাল্ট মোটামুটি হতো আর দিদি তিন বারে মাধ্যমিক পাস করেছিল, আমি অবাক হতাম কিন্তু ভয়ে কিছু বলতে পারতামনা | এইসব দেখে বাড়িতে আমার নিজের জায়গা খুঁজে পেতাম দিদির পায়ের নিচে এবং সেই চিন্তা ছোট থেকেই আসতে শুরু করে | বাড়িতে দিদিকে মনে হতো মহারানী আর নিজেকে তার গোলাম | দিনের পর দিন নিজেকে ছোট মনে হতে থাকে | দিদি সবসময় সবজায়গায় বলতো ছেলেদের বিয়ের সঠিক সময় 32 বছরের পর তার আগে বিয়ে দেওয়া উচিৎ না, জানিনা কেন | দিদি কিন্তু তার ছোট দুই বোনের মানে আমার অন্য দুই দিদির বিয়ে 21 -22 বছরের মধ্যেই নিজে উদ্যোগ নিয়ে দিয়েছে | আমি ভেবেছিলাম 24 বছরে আমার ও দিয়ে দেবে, আমি বিয়ের কথা বলাতেই আমার উপর রেগে যায় আর দুই তিন থাপ্পড় ও মারে আর বলে 32 বছর বয়সের আগে এই কথা মুখে আনবিনা আর | অন্য কোন ছেলের বিয়ে 20-22 বছর বয়সে হয়েছে এটা শুনলেও দিদি খুব রাগ করতো আর উল্টোপাল্টা বকত| আমি দিদির উপর মনে মনে খুব রাগতাম দিদির সুখ নিয়ে হিংসে করতাম, কিন্তু কেন জানিনা দিদি আমার সামনে আসলেই সব রাগ ভেঙ্গে যেত আর দিদির প্রতি শুধু শ্রদ্ধা জন্মাত আর মনে হত এই দিদির তো শুধুই সুখ পাওয়ার যোগ্য, তখন দিদির সুখে আমিও সুখ পেতাম | আমি এটাও হিংসে করতাম যে দিদি 18 বছর বয়স থেকেই স্বামীর সুখ পাচ্ছে, শরীরের সব চাহিদা মিটাচ্ছে আর আমার বিয়ের বেলা 42 বছরের আগে দেবেনা | আর দিদি কোন কাজ না করেও রানীর মতো বসে বসে লাখ লাখ টাকা গুনছে আর নিজের মতো খরচাও করছে আর আমি অনেক খেটেও খুব অল্প টাকা ইনকাম করি, এই কারণেই দিদিকে নিয়ে হিংসে করি আবার ওই একই কারণে দিদিকে মনে হয় মহারানী আর মনে হয় দিদির পায়ের তলায় থাকারও আমার যোগ্যতা নেয় আমি অধম | দিদি এতো কম বয়স থেকে এতো কিছু পাচ্ছে এটা দিদিরই যোগ্যতায়, আসলে আমার যোগ্যতা হচ্ছে দিদির পায়ের তলায়, এইসব ভেবে আমি লুকিয়ে লুকিয়ে দিদির জুতোও জিভ দিয়ে চাটতাম | আমার যখন 22-24 বয়স দিদির শরীরের প্রতি আমার আকর্ষণ জন্মে যায়, কিন্তু নিজেকে দিদির পায়ের তলায় নিজেকে মনে হতো, নিজেকে দিদির গোলাম হিসেব দেখতে চাইতাম কিন্তু বলার সাহস হতোনা | এবার মনে হত দিদি আমার ভালোর জন্যই আমাকে শাসন করে, আমার একমাত্র ইচ্ছে জন্মে যায় দিদির চাকর হওয়ার, দিদি 2 বছর থেকে আমাকে মারেনি এবার সেই মার, থাপ্পড় না খাওয়াটা আমাকে কষ্ট দিত, দিদিকে নিয়ে আমার হিংসে হয় আবার সঙ্গে সঙ্গেই মনে হয় দিদি যদি নিজের সুখের জন্য নিজের হাতে খাসির মতো কুরবানীও দেয় সেটা আমার সৌভাগ্য হওয়া উচিৎ| আমি সবসময় দিদির পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকি আর দিদিকে না দেখতে পেলে খুব কষ্ট হয় | কিছুদিন পর দিদি মায়ের কাছে বায়না ধরে যে মা বাবা বিয়েতে তাকে কিছু দেয়নি,মা বলে হাঁ মা তোকে সেরকম কিছুই দিতে পারিনি যদিও শুনেছি দিদির বিয়েতে প্রচুর জিনিস্ দিয়েছিল এবং এখনও দেয় | সেই সুযোগে আমি সাহস করে গিয়ে তখন মাকে বলি ঠিকই তো মেয়েকে সুখে রাখার দায়িত্ব তো আমাদের মা, আমি মাকে হাতজোড় করে বলি মা তুমি আমাকে দিদির হাতে তুলে দাও আমি দিদির চাকর, দাস হয়ে থাকবো, শুনে মা অবাক হয়ে হাসতে শুরু করে | তারপর দিদির পায়ের কাছে নিজের মাথা রাখি, দিদি আমার মাথা তুলে জিজ্ঞেস করে যে তু্ই কি করবি, আমি কাঁদতে কাঁদতে দিদির পা ধরে বলি যে দিদি আমি একটা অমানুষ, জানোয়ার আমার তোমার জুতোর সমান ও যোগ্যতা নেয়, দিদি আমি এখন বড়ো তুমি ইচ্ছেমতো আমাকে চাবুক নিয়ে মেরো, আমি চাবুক কিনে দেবো তোমাকে, তুমি আমাকে যতক্ষণ খাটতে বলবে আমি দাসের মতো খাটবো আর সব টাকা তোমার হাতে এনে দেব, তুমি যদি আমাকে নিজের হাতে খাসির মতো কুরবানী দিয়ে দাও আমি সেটাকে সৌভাগ্য মনে করবো | মা সব কথা শুনে দিদিকে বলে তোর যদি ওকে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে থাকে আমার আপত্তি নেয় | দিদি প্রথমে ছি ছি বলে হাসতে হাসতে চলে যায়, তারপর আমি মায়ের পা ধরে বলি দিদির কাছে না থাকলে আমি বাঁচবোনা তখন মা গিয়ে দিদিকে কিছু বুঝিয়ে বলে তারপর দিদি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যায় আর রেগে বলে ছেলেরা তো খাটতেই জন্মেছে, তখন আমি দিদিকে বলি তুমি আমার মহারানী | সত্যি বলতে দিদির শরীরের প্রতি মাঝে মাঝে আকর্ষণ জন্মায় কিন্তু দিদি সামনে এলেই মনে হয় দিদির স্থান অনেক উপরে আর আমার তার পায়ের তলায়| দিদির মন খারাপ থাকলেই এখনও আমাকে মারে | আমি ইচ্ছে করে ভুল করি যেন দিদি আমাকে মারে, ইচ্ছে করে লাথি মারতে বলি দিদিকে আমার যৌনাঙ্গের কাছে, এটা সত্য যে চরম কষ্ট হয় কিন্তু দিদিকে আমার মালকিন ভেবে খুব আনন্দ হয় | আমার বয়স আজ 30, দিদির থুতু, কাঁশ, আমি চেটে খেয়ে নি এখন এটা আমার কাছে এখন অমৃত হয়ে গিয়েছে, দিদিও আজকাল এইসব উপভোগ করে | আমি নিজেকে দিদির জুতোর চেয়ে বেশি কিছু ভাবতে পারছিনা আবার দিদির সুখ নিয়ে হিংসেও করি |কিন্তু সবশেষে দিদির সুখটায় আমার কাছে সব, তার জন্য এখন আমি সব করতে পারি, আমার জীবনের এখন একটাই উদ্দেশ্য দিদির সুখ |

Sunday, 1 November 2020

ফেমডম স্কুল প্রকল্প

ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন; ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন রুখতে 'ফেমডম স্কুলিং' প্রকল্প চালু রাজ্য সরকারের: দিন দিন নারী নির্যাতন বাড়ছে দেশে। বর্তমানযুগে পুরুষ ও নারী সমান একথা প্রচারিত হওয়ার পরেও পুরুষের মধ্যে প্রবনতা দেখা যাচ্ছে আগ্রাসী ও যৌন নির্যাতনমূলক মনোভাবের মাধ্যমে নারীর উপরে নিজের অধিকার ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের চেষ্টা চালাতে। বিশেষজ্ঞেরা অনেকেই মনে করেন, এই সমস্যার সমাধান পুরুষ ও নারীর সমানাধিকারের প্রচারে নেই, নারী শ্রেষ্ঠ এই প্রচারই এই সমস্যা চিরদিনের জন্য দূর করতে পারে। বিশেষজ্ঞ টি ইভান্স জানান, ছোট থেকে ছেলেরা যদি মেয়েরা শ্রেষ্ঠ ওই তত্ত্ব শিখে বড় হয়, এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে অবধি যদি তাদের সমবয়সী মেয়েদের অধীনে রাখা হয়, প্রয়োজনে মেয়েরা ছেলেদের যা খুশি শাস্তি দিতে পারবে এই অধিকার দিয়ে, তাহলে ছেলেদের মধ্যে নারীকে দমিয়ে রাখার পরিবর্তে অতিরিক্ত সম্মান দেওয়ার প্রবনতা দেখা যায়। পুরুষ কতৃক এই অতিরিক্ত সম্মান মেয়েরাও উপভোগ করে, আবার ছেলেরাও স্বেচ্ছায় এটি করতে অভ্যস্ত হয়। এরফলে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয় যা নারী পুরুষ উভয়ের পক্ষেই উপভোগ্য। টি ইভান্সের এই বৈজ্ঞানিক থিওরি এর আগে ক্ষুদ্র গোষ্ঠির উপরে প্রয়োগ করে দেখা গেছে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া গেছে। এবার তাই রাজ্য সরকার রাজ্যে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বতপ্রনোদিত হয়ে টি ইভান্সের থিওরির প্রয়োগ করার জন্য রাজ্যের সমস্ত সরকারী স্কুলকে ফেমডম স্কুল ঘোষনার নির্দেশ দিয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর সকল সরকারী স্কুল কোয়েড করে দেওয়া হবে। ছেলেরা বাধ্য থাকবে বড় ছোট যেকোন মেয়ের সকল আদেশ পালন করতে। শিক্ষকেরাও ছাত্রীদের আদেশ বিনা প্রতিবাদে পালন করতে বাধ্য থাকবে। বাকি বিষয়ের সাথে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত প্রত্যেককে ' ফিমেল সুপিরিওরিটি' নামক একটি নতুন বিষয় পড়তে হবে যেখানে ছাত্রদের মনে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে মেয়েদের অধিকার অনেক বেশি এবং পুরুষ জাতির জন্মই হয়েছে নারী জাতির সেবা করার জন্য। শিক্ষামন্ত্রী জানান ক্লাসের ছাত্রীদের উতসাহ দেওয়া হবে ছাত্রদের চাকরের মত ব্যবহার করার জন্য এবং যখন খুশি তাদের চড়, লাথি মারার জন্য। তিনি জানান, তিনি আশাবাদী এই সিস্টেমের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া পরবর্তী প্রজন্মে নারী নির্যাতন বলে কোন শব্দ থাকবে না। এরপর উপস্থিত স্কুল ছাত্রী ও নারী সাংবাদিকদের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে শিক্ষামন্ত্রী 'ফেমডম স্কুলিং' প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের উদ্বোধনে বিভিন্ন স্কুল থেকে ২০ জন ছাত্র ও ২০ জন ছাত্রীকে আনা হয়। এরপর ছাত্রীরা ছাত্রদের তাদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসতে আদেশ করে প্রথমে ছেলেদের গালে চড় মারতে থাকে। তারপর ছাত্রীরা স্কুল জুতো পরা পায়ে ছাত্রদের মুখে অন্তত ১০০ টা করে লাথি মারে। এরপর ছাত্রীরা ছাত্রদের আদেশ দেয় তাদের পায়ের তলায় শুয়ে পরতে। টিভি ক্যামেরার সামনেই এরপর স্কুল ছাত্রীরা ছাত্রদের মুখের উপরে জুতো পরা পা তুলে দিয়ে তাদের আদেশ করে পা টিপে দিতে। বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলে রাজ্যবাসী লাইভ দেখতে থাকে দেশের ভবিষ্যত। তারা বুঝতে পারে, এখন যেভাবে এই ছাত্রীরা ছাত্রদের মুখের উপর নিজেদের জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে তাদের দিয়ে পা টেপাচ্ছে, এইভাবেই ভবিষ্যতে পুরুষ জাতি নারীজাতির সেবা করবে। এরপর ছাত্রীরা ছাত্রদের জিভের উপরে ঘসে নিজেদের স্কুল শুয়ের তলা পরিস্কার করে নেয়। এই অনুষ্ঠান লাইভ দেখে জনতার মনে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য কিছু মানুষ এর বিরোধীতা করলেও বেশিরভাগই এর সমর্থনে মুখ খুলেছেন। তাদের বক্তব্য, দেশে নারী নির্যাতন কমাতে এটাই সঠিক ও কাঙ্ক্ষিত প্রকল্প। এদের একটি বড় অংশ ফেমডম স্কুলিং প্রকল্পের আদলে তাদের ফ্যামিলিকেও ফেমডম ফ্যামিলিতে রুপান্তরিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ( এই পেজের সমস্ত পোস্টই এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% ফেক/মিথ্যা। এটিও অন্য পোস্টের মতই ১০০% মিথ্যা সংবাদ, শুধু ফেমডম পছন্দ করা পাঠকদের উপভোগের জন্য)।

Tuesday, 1 September 2020

আদৃতা

 ১...

আজ এক দূর্দান্ত অভিজ্ঞতা হল। দুপুরে স্কুটি নিয়ে এক পাড়ার ফাঁকা গলি দিয়ে যাচ্ছিলাম।  পাশের এক সরু গলি থেকে এক কিশোরী মেয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল, হঠাত নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সোজা আমাকে ধাক্কা মেরে উল্টে পরল, সম্ভবত বৃষ্টি ভেজা কংকৃটের গলিতে স্লিপ করে।  তার সাইকেল গিয়ে পরল পাশের নর্দমায়, আর সে কোন রকমে ব্যালেন্স রক্ষা করতে পারলেও তার সাদা স্নিকার পরা দুই পা গিয়ে পরল রাস্তার ধারের কাদা ভর্তি জলে ।  তার জিন্স প্যান্টও কাদায় মাখামাখি হল। 


মেয়েটি মুখে মাস্ক পরেছিল।  ফর্শা, রোগা সুন্দর চেহারা, বয়স ১৫-১৬ হবে। সে নিজের দোষে উল্টে পরল, আমিও তার ধাক্কায় কোন রকমে স্কুটি সামলে দাড়িয়েছিলাম। অথচ আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি  "দেখে চালাতে পারিস না?" বলে আমার দুই গালে পরপর দুটো সজোরে থাপ্পর মারল সম্পুর্ন অকারনে।


মাস ছয়েক আগে এরকম ভাবে এক ১৮-১৯ এর মেয়েকে অকারনে এক অটো চালকের গালে থাপ্পর মারতে দেখেছিলাম। কিন্তু রাস্তার মাঝে অচেনা,কোন মেয়ের হাতে এইভাবে থাপ্পর খাওয়া এই প্রথম। স্বভাবতই কোন দোষ না থাকলেও আমি মাথা নিচু করে মেয়েটিকে সরি বলে ক্ষমা চাইলাম। তারপরে স্কুটি থেকে নেমে তার সাইকেলটা নর্দমা থেকে তুলে দিতে এগোলাম।

আমার চেয়ে এত ছোট একটা অচেনা সুন্দরী মেয়ের হাতে খোলা রাস্তায় এইভাবে থাপ্পর খেয়ে আমার হৃতপিন্ড প্রবল উত্তেজনায় দ্বিগুণ বেগে ছুটছিল। খারাপ লাগা তো দূর,,কি করে ওর প্রতি আরো বেশি সাবমিসিভনেস দেখাতে পারি তাই ভেবে চলেছিলাম। সাইকেল তুলে আমার  স্কুটি মোছার কাপড় দিয়ে মুছে দেব, মেয়েটির কাদা লাগা জুতোও মুছে দেব এইসব ভেবে সাইকেল তুলে দেখি সেটার সামনের চাকা বেঁকে গেছে ওইভাবে বেকায়দায় নর্দমায় পরার ফলে। 

"আমি এক্সট্রিমলি সরি, পাশের সাইকেলের দোকান থেকে সারিয়ে দিচ্ছি এক্ষুনি ম্যাম" এইবলে মেয়েটির দিকে হাতজোড় করলাম। স্কুটিতে চাবি দিয়ে রাস্তার ধারে রেখে পাশের সাইকেলের দোকান অব্ধি আমিই হাঁটিয়ে নিয়ে গেলাম মেয়েটির সাইকেলটা। মেয়েটি আমার পাশেই হেটে এল কিছু না বলে। 

কিন্তু হায়! দোকানের সামনে এসে দেখি দোকান বন্ধ। আমার তখন খেয়াল হল আজ বৃহস্পতিবার। এই রাস্তার আশে পাশে যতগুলো সাইকেলের দোকান আছে সবকটা বৃহস্পতিবার বিকালে বন্ধ থাকে। 




২.... 


( এর আগের অংশটা সত্যি ছিল। পরের অংশটা কিছু সত্যি, অনেকটাই কল্পনা)। 



আমি কি করব ভাবার সময় পেলাম না, তার আগেই মেয়েটি আবার আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মারল। মেয়েটির মুখে বেশ একটা রাগের ভাব ফুটে উঠেছে মনে হল ওর চোখ দুটো দেখে।

এর আগে মেয়েটি যেখানে আমাকে থাপ্পর মেরেছিল সেখানে রাস্থায় আর কেউ ছিল না। কিন্তু এখানে একটু দূরে ২-৩ জন লোক দেখতে পেলাম। তাদের একজন চলা থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল তামাশা দেখার জন্য।

" তুই আমার সাইকেলের এই দশা করেছিস,,এখন আমি বাড়ি ফিরব কি করে??"

আমি ভয়ে ভয়ে আবার সরি বলে জিজ্ঞাসা করলাম,  " তোমার বাড়ি কি অনেকটা দূরে? দরকার হলে আমি স্কুটিতে করে বাড়ি পৌঁছে দিতে পারি তোমাকে।"

মেয়েটি কিছুক্ষন কি যেন ভাবল। তারপরে এবার ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মেরে বলল,  " আমার সাইকেলটা কি হবে তাহলে?"

আমি বললাম, " ম্যাম, আমার বাড়ি একদম কাছেই। এই সাইকেল নিয়ে আপনি বাড়ি ফিরতে পারবেন না।  আমি এখন আমার বাড়িতে রেখে দিই। পরে সারিয়ে আমি আপনার বাড়িতে দিয়ে,আসব কালকেই, কোন,চিন্তা করবেন না প্লিজ। আমি তো এখন আপনাকে আপনার বাড়িতে দিয়ে আসতে গেলে বাড়ি চেনা হয়েই যাবে।" মেয়েটিকে কখনো কখনো তুমি বলছিলাম,,আবার কখনো অজান্তেই আপনি আর ম্যাম সম্বোধন বেরিয়ে আসছিল। আর আমার অর্ধেক বয়সী মেয়েটি শুরু থেকে আমাকে তুই করে বলে চলেছিল! 

মেয়েটি আবার আমার গালে একটা থাপ্পর কষিয়ে বলল,  " তোকে চিনি না, জানি না। তুই তোর কাছে আমার সাইকেল রেখে দিবি, তারপরে ফেরত দিবি কি গ্যারান্টি আছে তার? তুই যে একটা ছোটলোক সেটা তোর স্কুটি চালানোর স্টাইল আর একটা মেয়েকে ধাক্কা মারা থেকেই বোঝা যায়।" এই বলে মেয়েটি আমার দুই গালে আরো দুটো থাপ্পর মারল পরপর। আর সেই দূরে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখতে থাকা আধ বুড়ো লোকটা তখনো দাঁড়িয়ে দেখছে দেখলাম।


মেয়েটি আমাকে ছোটলোক বললেও সেটা আমাকে অপমান করে মজা নেওয়ার জন্যে বলছে মনে হল। নাহলে ছোটলোকের স্কুটিতে চড়ে বাড়ি ফিরতে রাজি হত না নিশ্চয়ই। আর ছোটলোকেরা কেউ অর্ধেক বয়সী মেয়ের হাতে অকারনে বারবার থাপ্পর খেয়ে তাদের ম্যাম সম্বোধন করে ক্ষমা চায় না নিশ্চয়ই!

আমি বললাম, " ম্যাম, আপনি তো এখন আমার বাড়ি চিনেই যাবেন। আর কোন সন্দেহ থাকলে আমি এখন সাইকেলের পুরো দাম আপনাকে দিয়ে রাখছি। যদি কোন কারনে সাইকেল ফেরত নাও পান, সেই টাকা দিয়ে আবার সাইকেল কিনে নিতে পারবেন। আর কাল আমি সত্যিই সাইকেল ফেরত দিতে গেলে তখন ইচ্ছা হলে টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন।" মেয়েটির হাতে অত্যধিক অপমানিত হওয়ার ফলে সে সাইকেল ফেরত পেলেও টাকা ফেরত দেবে কিনা সেটা তার হাতেই ছেড়ে দিতে চাইলাম!


 মেয়েটি আমার প্রস্তাবে খুশি হয়ে হাসল। তারপরে বলল, "ঠিক আছে, এটাই ভাল। "

আমি মেয়েটিকে নিয়ে আমার ফ্ল্যাটে পৌছালাম। সিঁড়ি দিয়ে ফ্ল্যাটের দোতলায় আমি সাইকেলটা টেনে তুললাম, মেয়েটাও সাথে এল। এরপরে সাইকেলটা ঘরে ঢুকিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম " কত টাকা দাম সাইকেলের প্লিজ একটু বলবে?"

মেয়েটি মাস্ক নামিয়ে দাঁড়িয়েছিল, দেখলাম মেয়েটির সম্পুর্ন মুখটা অসম্ভব সুন্দর। এত সুন্দরী আমার চেয়ে এত ছোট একটা মেয়ে এতক্ষন এইভাবে আমাকে মেরে আর অপমান করে চলেছে ভাবতেই কি এক তীব্র সুখবোধ ঘীরে ধরল আমাকে।


" ১০ হাজার টাকা",  মেয়েটি সংক্ষেপে উত্তর দিল। মেয়েটির সাইকেলটা খুব নতুন না, এরকম নতুন সাইকেলের দামও ৫-৬ হাজারের বেশি হয়না।" কিন্তু অর্ধেক বয়সী এই মেয়েটি আমাকে ঠকাচ্ছে এই চিন্তা আমাকে খুব খুশি করল উল্টে। আমি " এক্ষুনি টাকা নিয়ে আসছি ম্যাম" বলে ঘরে ঢুকে গেলাম। তারপরে টাকা নিয়ে এসে মেয়েটির হাতে দিলাম।

কড়কড়ে ২০ টা ৫০০ টাকার নোট গুনে নিয়ে মেয়েটি জিন্সের পকেটে পুরল। তার চোখ মুখ দেখে স্পষ্টতই মনে হচ্ছিল সে বিশ্বাস করতে পারছে না যে এত সহজে আমি ওকে অকারনে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দিলাম। 

আমি এবারে হাতজোড় করে বললাম,  " ম্যাম, আপনার জুতোয় আমার দোষে অনেক কাদা লেগে গেছে। প্লিজ আমাকে একটু পরিস্কার করে দেওয়ার সুযোগ দেবেন?" 

মেয়েটি মুচকি হেসে বলল, " হ্যাঁ, করে দে। আর একটা চেয়ার নিয়ে আয় বারান্দায়, আমি বসব। " 




৩.... 


আমি ঘরের সবচেয়ে ভাল চেয়ারটা এনে দিলাম মেয়েটিকে বসার জন্য। তারপরে আমার নতুন কেনা একটা গেঞ্জি আর পরিস্কার জল নিয়ে এসে বারান্দায় মেয়েটির পায়ের কাছে হাটু গেড়ে বসলাম।  বারান্দাটা খোলা হওয়ায় আসে পাশের কারো চোখে পরতেই পারে এই ঘটনা। কিন্তু অচেনা মেয়েটিকে ফাঁকা  ঘরে ঢুকতে বলার সাহস হল না। বরং কেউ দেখলে দেখুক, ক্ষতি কি? আমার অর্ধেক বয়সী এত সুন্দরী একটা মেয়ের চাকর হতে পারা আমার কাছে শুধুই গর্বের বিষয়!

আমি মেয়েটির জুতোর উপর দিক দুটো ধীরে ধীরে পালিশ করে দিতে লাগলাম। মেয়েটি চেয়ারে বসে মোবাইল খুলে ঘাঁটতে লাগল। আমি সময় নিয়ে আসতে আসতে পালিশ করে দিতে লাগলাম আমার অর্ধেক বয়সী,সুন্দরী,এই মেয়েটির জুতো,যার নামও,আমি জানি না!

প্রথমে বাঁ জুতো,,তারপরে ডান জুতোর উপর দিক দুটো পালিশ করে চকচকে করতে অন্তত ১০ মিনিট সময় নিলাম আমি। আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ১০ মিনিট। তারপরে মেয়েটিকে বললাম,  " ম্যাম, যদি একটু পা তোলেন, জুতোর তলাটা আমি পালিশ করে দিতাম তাহলে।"


মেয়েটি কি যেন ভাবল, " তারপরে বলল, না থাক। অত সময় নেই আমার।" 

শুনে আমার একটু খারাপ লাগল। 

মেয়েটি আরো ১৫-২০ সেকেন্ড ফোন  ঘেটে ফোনটা,পকেটে পুরে উঠে বলল, " তুই শুয়ে পর বরং। তোর পরনের শার্টে জুতোর তলাটা মুছে নিই, তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।"

আমি উঠে দাঁড়ানো মেয়েটির পায়ের কাছে তখনো হাটুগেড়ে বসে। ওঠার আগে আমি মেয়েটির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম,  " ম্যাম, প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেবেন ধাক্কা মারার জন্য।"

মেয়েটি আমাকে প্রায় ৩০ সেকেন্ড ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাইতে দিল, তারপরে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা রেখে বলল, " আচ্ছা যা, ক্ষমা করে দিলাম তোকে।" 


মেয়েটি পা সরাতে আমি উঠে একটু দূরে মেঝেতে শুলাম।

 মেয়েটি স্নিকার পরা পায়ে সোজা আমার বুকে উঠে দাঁড়াল। তারপরে হাসি মুখে আমার বুকের সাদা জামার উপরে ঘসে নিজের জুতোর তলা পরিস্কার করতে লাগল। মিনিট দুই পরে সে নিজের ডান জুতোর তলা আমার মুখের উপরে রাখল একবার। আমি কিছু বলব না নিশ্চিত হয়ে মনের সুখে এইবার দুই জুতোর তলাই পালা করে আমার মুখে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি একবার আলতো করে আমার জিভটা বার কিরে দিলাম মেয়েটির প্রতি প্রবল ভক্তি থেকে। সে সেটা বুঝতে পারল কিনা জানি না। কিন্তু না থেমে আমার জিভ আর মুখে জুতোর তলা মোছা চালিয়ে গেল সে। 


প্রায় ১০ মিনিট সে আমার বুক আর মুখে এইভাবে জুতোর তলা মুছল, আমার মুখে জুতো পরা পায়ে দাড়িয়ে রইল জুতো পরা পায়ে। তারপরে আমার বুকে দাড়িয়ে জুতো পরা দুই পায়ে পরপর ১০-১২ টা লাথি মারল আমার মুখে।  " এটা না দেখে স্কুটি চালিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সাইকেল ভাঙার শাস্তি" বলে লাথি মারা চালিয়ে গেল সে।




৪....



এরপরে সে নামতে আমি উঠে একবার ঘরে গেলাম চেয়ারটা ঢোকাতে। আয়নায় তাকিয়ে দেখি আমার সারা মুখ মেয়েটির জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, সাদা জামার উপরেও মেয়েটির স্নিকারের তলার ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে! ঘড়িতে দেখি  বিকাল ৪.৩০ বাজে। আমি সেই অবস্থাতেই মুখ না ধুয়ে জামা না পাল্টে বেড়িয়ে এলাম। মেয়েটিকে স্কুটিতে তুলে ওর বাড়ি পৌছাতে ৫ মিনিটও লাগল না। মেয়েটির বাড়ি বেশ সুন্দর একতলা, গেটের গায়ে নেমপ্লেটে ৩ জনের নাম লেখা - আদিত্য চ্যাটার্জি, পিয়ালী বসু চ্যাটার্জি, আদৃতা চ্যাটার্জি। আন্দাজ করে নিলাম যে মেয়েটির নাম আদৃতা।

মেয়েটি বেল বাজাতে সম্ভবত ওর মা দরজা খুলে দিল। মেয়েটি ওর এক্সিডেন্টের কথা , সাইকেল ভাঙার কথা পুরোটা আমার ঘাড়ে সম্পুর্ন দোষ চাপিয়ে বলে গেল। আমিও আদৃতার কথায় একমত হয়ে ওর মায়ের সামনে আবার সরি বললাম। ওর মা একবার আমার দিকে ভাল করে তাকিয়ে মেয়েকে বলল, " তুই কি ওকে মেরেছিস নাকি?"

" হ্যাঁ মা, এরকম অপরাধ করলে মারব না?"

এতদিন অনেককে চড় মেরে ঝামেলা বাধিয়েছিস বহুবার। এখন কি লাথিও মারতে শুরু করলি তুই?"

" ওর কোন দোষ নেই, আমারই ভূল। আমার মার খাওয়ারই কথা।" এই বলে আমি তাড়াতাড়ি সামলালাম। তারপরে আমার কার্ড মেয়েটির মায়ের হাতে দিয়ে বললাম, " ওর সাইকেল তো এখন আমাদ কাছে আছে, সারিয়ে দিয়ে যাব। এতে আমার ফোন নাম্বার আছে। কোন দরকার হলে ফোন করবেন। আসছি।" এই বলে আমি চলে এলাম। আর ফেরার পর থেকেই মনে শুধু একটাই চিন্তা ঘুরতে লাগল, কোনভাবে কি প্রভু আদৃতার পার্মানেন্ট চাকর হয়ে ওঠা সম্ভব হবে আমার পক্ষে?





Wednesday, 1 July 2020

ছোট বোনের সেবক

 নভেম্বারের এক সন্ধ্যা সেটা, টিভি রুমের ঘড়ির কাটা সন্ধ্যা ৬ টা ছুঁইছুঁই প্রায়। বাতাসে শীতের ছোয়া লেগেছে অল্প অল্প। তখন আমার ক্লাস ১১। বাবা মার অফিস থেকে ফিরতে তখনও ঘন্টা দুয়েক দেরী। বাড়িতে শুধু আমি আর আমার ক্লাস ৮ এ পড়া বোন স্বাগতা। আমার সুন্দরী ছোট বোন পায়ের উপর উপর পা তুলে চেয়ারে বসে টিভি দেখছে। স্কুল থেকে প্রায় দুই ঘন্টা আগে ফিরেছে ও, অথচ ওর পরনে এখনও স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা ও জুতো। সকালে ওর কথা মতো পিজ্জা এনে ওকে টিফিনে দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, তাই রাগ করে আমার সঙ্গে বোন কথা বলছে না বাড়ি ফেরার পর থেকে। একটু পরে বাবা মা বাড়ি ফিরে যদি দেখে বোন আমার সঙ্গে ঝগড়া করে রাগ করে এখনও স্কুলের জামা- জুতো পরে বসে আছে, তাহলে আমি খুব বকা খাব। কারন বোনের পা থেকে জুতো খুলে দেওয়াটা সেই ছোটো থেকেই আমার ডিউটির মধ্যে পরে!

হ্যাঁ, ছোট থেকেই আমার আর বোনের সম্পর্ক এরকম । রোজ ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, পা থেকে জুতো খুলিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফেরার পর নিয়ম করে ওর পা টিপে দেওয়া, ওর জামা কাচা, ঘর ঝাট দেওয়া। ওর জন্য টিফিন বানানো, ওর জুতো পরিষ্কার সহ ওর হাজারটা কাজ রোজ আমাকে করতে হয়। আমি বোনের চেয়ে ৩ বছরের বড় হওয়া সত্বেও আমার সুন্দরী ছোট বোন ওর যা খুশি অর্ডার করে আমাকে। বাবা, মা চিরদিনই ওকে আমার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসে, বাবা মাও তাই বোনকে আমাকে অর্ডার করতে দেখে খুশি হয়, ওকে উতসাহিত করে আরও এই ব্যাপারে। আমারও কেন জানি চিরদিনই খারাপ তো লাগেই না, বরং কেমন যেন ভাল লাগে ছোট বোনের এই শাসন । আসলে ছোট্ট বোনটাকে আমি চিরদিনই বড্ড বেশি ভালবাসি।
সেই ছোট্ট থেকেই রোজ বিকালে বোন স্কুল থেকে ফিরলে আমি প্রথমে ওর জন্য বানানো টিফিন প্লেটে করে ওর হাতে দিই। তারপর ও টিভি দেখতে দেখতে বা কম্পিউটারে গেম খেলতে খেলতে টিফিন খায়। আর আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে প্রথমে যত্ন করে আমার সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার পা থেকে জুতো মোজা খুলে দিয়ে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। তারপর সারা বিকেল বোনের পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মতো বসে ওর পা টিপে দিই। বোন প্রায় রোজ রাতেই একইভাবে বাবা মার সামনে আমাকে দিয়ে পা টেপায়। বাবা মা ওদের আদরের মেয়েকে আমাদের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রন করতে দেখে খুশি হয়।
অথচ আজ ও স্কুল থেকে ফেরার পর এতক্ষন হয়ে গেছে, এখনও ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি। নিজে জুতো পড়া পায়ে রান্না ঘরে গিয়ে আমার বানানো টিফিন প্লেটে নিয়ে টিফিন করেছে অবশ্য। কিন্তু আমার সাথে কথা বলেনি একবারও, আমাকে ওর জুতো খুলতেও দেয়নি। একবার আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওকে বলেছিলাম, “ আমার ভুল হয়ে গেছে বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে। এবার তোর জুতো খুলতে দে প্লিজ”।
জবাবে বোন মুখে কিছু বলেনি, তবে আমার মুখে জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে আবার টিভি দেখতে শুরু করেছিল।
আমার তখন আর কিছু বলার সাহস হয়নি। অথচ, বোনের রাগ আমাকে ভাঙ্গাতেই হবে। ওর জন্য পছন্দের টিফিন দিতে ভুলে গেছি, আমারই তো দোষ। তাছাড়া, বাবা মা ফিরে যদি বোনকে তখনও স্কুলের জামা-জুতো পড়া অবস্থায় দেখে, আর বোন আমার নামে অভিযোগ করে তাহলে আমি ভয়ানক বকা খাব।
আমি বুঝতে পারছিলাম যেভাবেই হোক আমাকে সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে । আমি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গিয়ে বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম। হাত জোড় করে বললাম, “ আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল বোন। এরকম আর কোনোদিনও হবে না। তোর যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস আমাকে। শুধু প্লিজ, ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ”।
আমি কাতর কন্ঠে বোনের কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম হাতজোড় করে। অথচ বোন আমার অনুরোধে পাত্তাও দিচ্ছে না এবার, ও আগের মতো টিভি দেখে যেতে লাগল মন দিয়ে। আমার খুব অসহায় লাগছিল, বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমার সুন্দরী ছোটবোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইলে ও আমাকে ক্ষমা করে দেবে। আমি অসহায় হয়ে অবশেষে বোনের সাদা স্নিকার পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম । বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষতে ঘষতে কাতর কন্ঠে ওকে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। প্লিজ বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ বোন,প্লিজ”।
আমি অসহায় হয়ে বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষে যেতে লাগলাম। বোন মুখে কিছুই বলল না, আমাকে বাধাও দিল না। আগের মতো ট্রিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে আড়চোখে দেখতে লাগল কিভাবে ওর ৩ বছরের বড় দাদা অসহায় ভাবে ওর জুতো পড়া পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষতে ক্ষমা চাইছে ওর কাছে।
প্রায় ১০-১৫ মিনিট আমি এইভাবে বোনের জুতো পড়া পায়ের উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। তারপর হঠাত বোন ওর জুতো পড়া ডান পা টা তুলে নিল, তারপর জুতো পড়া পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করব। বোনের জুতো পড়া ডান পা টা এখন রাখা আমার মাথার উপর। আর আমি অসহায়ভাবে ওর জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে শুরু করলাম। ছোট বোন স্বাগতার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে আমি কাতর কন্ঠে ওর কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। দেখ তোর দাদা তোর পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছে। আমাকে যা খুশি শাস্তি দে বোন, শুধু প্লিজ এবারের মতো আমাকে ক্ষমা করে দে। প্লিজ বোন, প্লিজ”।
আমি বোনের জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে যেতে লাগলাম। বোন তখনও মুখে কিছু বলল না, শুধু আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাতে লাগল।
( চলবে…)

Friday, 1 May 2020

* আমার প্রভু বোন রিমা* ( দিপ)...

* আমার প্রভু বোন রিমা* ( দিপ)...
আমার বয়স তখন ১৩ আর আমার ছোট বোন রিমার বয়স ১১। অন্য সব ভাই বোনেদের মতই আমাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। রিমা যতদিন যাচ্ছিল ক্রমে আরো সুন্দরী হয়ে উঠছিল, আর আমি অন্য দাদাদের মত ছোট বোনের সাথে ঝগড়া করলেও ওর প্রতি ক্রমে সাবমিসিভ ফিল করতে শুরু করেছিলাম। বোন ছোট থেকেই কিছুটা ডমিন্যান্ট ছিল, যেটা আমার খুব ভাল লাগত। কিন্তু ওকে আমি সেটা বুঝতে দিতাম না।
সেটা ছিল সেপ্টেম্বার মাসের এক বিকাল। বাবা মা অফিসে গিয়েছিল আর বোন স্কুলে। আমি স্কুলে যাইনি সেদিন, বাড়িতে একা ছিলাম। বিকাল ৩.৩০ এ বোন স্কুল থেকে ফিরল। আমি বসার ঘরের মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। আসলে কিছুদিন ধরে আমি ইচ্ছা করেই মেঝেতে শুচ্ছিলাম প্রায়ই এই আশায় যে আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা এই সুযোগে আমার গায়ে পা তুলে ডমিন্যাট করবে। এর আগে ২ দিন বোন সেটা করেছে। দুই দিনই সন্ধ্যা বেলায়, যখন মা পাশেই ছিল। একদিন ওর চটি পরা বাঁ পা আমার বুকে তুলে দাঁড়িয়েছিল বোন। আরেকদিন ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলায় আমার পেট আর ডান পায়ের তলায় আমার বুক মাড়িয়ে চলে গিয়েছিল বোন মায়ের সামনেই। আমার খুব ভাল লেগেছিল। আমি কোন কম্পলেন না করায় মা একটু অবাক হয়েছিল। মা নিজে থেকেই বোনকে বকা দিতে গেলে বোন বলেছিল " দাদা মেঝেতে শুয়েছে কেন? মেঝে কি শোয়ার যায়গা?" বোনের মুখের হাসি দেখে বুঝেছিলাম বোনও খুব এঞ্জয় করেছিল সেই ঘটনা।
বোন ঘরে ঢুকেই স্কুল ব্যাগটা সোফাতে রাখল। আমি সোফার ঠিক পাশেই মেঝেতে শুয়েছিলাম। বোন ব্যাগটা রেখেই আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আমার মুখের দিকে তাকালো একবার। তারপর ওর সুন্দর মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার বুকের উপরে তুলে দাঁড়ালো। বোনের হাত দুটো কোমরে রাখা। ও একদৃষ্টে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমার খুবই ভাল লাগছিল আমার উপরে আমার ছোট বোনের এই ডমিনেশন। কিন্তু ওকে সেটা সরাসরি বলার সাহস ছিল না আমার। আমি কোন প্রতিক্রিয়া ছাড়াই বোনকে এইভাবে প্রায় ১ মিনিট আমার বুকের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দিলাম কি করা উচিত বুঝতে না পেরে। আমার মন চাইছিল বোন ওর স্নিকার পরা বাঁ পা টাও আমার বুকে, গলায়, বা মুখের উপরে তুলে দিক। কিন্তু আশংকা হচ্ছিল বোন সেটা না করে হয়ত বোর হয়ে নিজের ঘরে চলে গেল।
কিন্তু এক মিনিট পরেও বোন এর কোনটাই করল না। ওর মুখে হাসি ফুটিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমি তখন রিমাকে বললাম, " আমার গায়ের উপর থেকে পা সরা বোন।"
রিমা হাসিমুখে বলল "সরাব না। কি করবি?"
আমি তখন দুই হাতে বোনের জুতো পরা ডান পা টা বুকের উপরে চেপে বললাম, " তাহলে দেখি কতক্ষন তুই এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারিস। তোর পা আর ছাড়ছি না তুই আর কখনো আমার গায়ে পা দিবি না কথা না দিলে।"
বোনের মুখের হাসি আরো চওড়া হল আমার কথা শুনে। তারপর ওর জুতো পরা বাঁ পাটাও আমার গলার উপরে রেখে ও সোফায় বসে পরে বলল " ঠিক আছে,দেখা যাক কে আগে ক্লান্ত হয়। যে আগে উঠবে সে হারবে। আর তুই পাপোষের মত মেঝেতে পরে থাকলে লোকে তো তোকে পাপোষের মত ইউজ করবেই। আমিও তাই করছি। এতে আমার কোন দোষ নেই।" এই বলে বোন ওর জুতো পরা পা দুটোর তলা আমার শার্টটার উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি দুই হাতে বোনের পা টা বুকে চেপে ধরে ছিলাম। এবার ইচ্ছা করেই গ্রিপ আলতো করে দিলাম যাতে বোন ভাল করে আমার শার্টে ওর স্কুল জুতোর তলা মুছতে পারে।
বোন আমার বুকে ওর জুতোর তলা বেশ ভাল করে মুছে বলল, " এমনিতে তো তুই কোন কাজে লাগিস না। বরং এইভাবে রোজ মেঝেতে শুয়ে থাকিস। আমি তোকে রোজ পাপোষ হিসাবে ইউজ করলেও তুই জগতের কোন কাজে অন্তত লাগবি।" এই বলে বোন আবার ভিশন হাসতে লাগল। আমার ভিশন ভাল লাগছিল, কিন্তু বোনের কথার সরাসরি সমর্থন দেওয়ার সাহস হচ্ছিল না।
এরপর বোন আমার বুকে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " আমার তো কিছুই করার নেই। দে, টিভির রিমোটটা আমাকে দে।"
আমি বললাম, " সে তো আমারও কিছু করার নেই। টিভি দেখব বলেই তো এখানে মেঝেয় শুয়ে আছি। তোকে রিমোট দিয়ে দিলে আমিই বা কি করব?"
বোন এবার ওর সাদা স্নিকার পরা বাঁ পায়ে আমার ঠোঁটের উপরে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " তুই আমার পায়ের তলাতেই যখন শুয়ে আছিস তখন মন দিয়ে আমার পা টেপ। আর আমাকে টিভি দেখতে দে। এই বলে বোন ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে ওর বাঁ পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরেই রেখে দিল।
আমাকে এই অদ্ভুত পজিশনে ফেলে বোন আমাকে কোনদিন ডমিনেট করবে সেটা আমি আগে শুধু স্বপ্নে ভেবেছি! আমি বাধা দেওয়ার সামান্য চিন্তাও না করে বোনের হাতে রিমোট দুটো তুলে দিয়ে আমার বুক আর মুখের উপরে রাখা বোনের জুতো পরা পা দুটো যত্ন করে টিপে দিতে লাগলাম।
২-৩ মিনিট পরেই বোন আবার ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল, " একটু উপরে উঠে শো, যাতে আমি আমার দুটো পাই তোর মুখের উপরে রাখতে পারি৷ "
বোনের এই অদ্ভুত কথায় বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আমি বোনের আদেশ পালন করলাম৷ বোন ওর জুতো পরা বাঁ পা টা আমার কপালের উপরে রেখে ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল৷ আমার নাকের উপরে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে একটা লাথি মেরে বোন বলল, " নে, আবার ভাল চাকরের মত আমার পা টিপে দে৷ "
বোন আমাকে যত অপমান করছিল তত ভিশন আনন্দে আমার বুক ভরে উঠছিল৷ আমি তো অনেক ছোট থেকেই রোজ স্বপ্ন দেখতাম বোন আমাকে এইভাবে ওর চাকরের মত ট্রিট করছে৷ কিন্তু সেটা যে কোনদিন সত্যি হবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি৷
আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপতে লাগলাম৷ আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা আমার মুখের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা দুটো রেখে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে এমনভাবে টিভি দেখতে লাগল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক!
আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ আর বোন আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে আমার মুখের উপরে ওর জুতোর তলার ময়লা ঘসে পরিস্কার করতে লাগল. যদিও আগেই ও আমার শার্টে জুতোর তলা মোছায় ওর জুতোর তলায় বেশি ময়লা ছিল না৷ তবু ওর জুতোর তলার কিছু ধুলো ময়লা আমার সারা মুখে লেগে যেতে লাগল আমাকে ভিশন খুশি করে৷
এইভাবে প্রায় ৩০ মিনিট আমি আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ এরপর বোন আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " যা, আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়৷ "
আমি চ্যালেঞ্জ ভুলে বোনের আদেশ পালন করার জন্য ওর পায়ের তলা থেকে উঠে ওর চটি আনার জন্য যেতে গেলাম৷ কিন্তু যেই আমি উঠতে গেলাম সাথে সাথে বোন ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের উপরে৷
" আমি তোর প্রভু হই৷ আমার আদেশ পালন করতে যাওয়ার আগে সবসময় আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিয়ে যাবি৷ "
বোন আমার সাথে যত নিষ্ঠুর ব্যবহার করছিল আমি তত বেশি খুশি হচ্ছিলাম৷ আমি বোনের জুতো পরা পায়ের উপরে নিচের মাথা ঠেকিয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে বললাম, " আমাকে দিয়ে চাকরের মত কাজ করানোর জন্য ধন্যবাদ প্রভু৷ আজ থেকে আমি তোমার চাকর আর তুমি আমার প্রভু৷ আজ থেকে তুমি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার কর সবার সামনে৷ আমাকে এইভাবে তোমার সেবা করতে দিও৷ আমি এরই যোগ্য৷ আর এতদিন তোমার সাথে বড় দাদার মত আচরন করায় আমাকে ক্ষমা করে দিও প্রভু৷ "
আমার কহা শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল৷ তারপর ওর জুতো পরা ডান পা আমার মাথার উপরে তুলে ওর জুতোর তলা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, " ঠিক আছে যা চাকর৷ তোকে এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম৷ কিন্তু মা বাবার সামনেও এইভাবে তোকে আমার সেবা করতে হবে কিন্তু৷ "
আমি বললাম, " সে তো আমার সৌভাগ্য প্রভু৷ "
এরপর বোন আমার মাথার উপর থেকে ওর জুতো পরা ডান পা সরাতে আমি উঠে বোনের চটি আনতে গেলাম৷ বোন বাবা মায়ের আদরের একমাত্র মেয়ে, ওর ঘরে পরার ৫-৬ জোড়া চটি আছে৷ আমি ওর লাল চটি জোড়া বুকের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে এলাম৷ তারপর প্রভু বোনের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার লাল চটিটা পরিয়ে দিলাম৷ বোন আমার মুখে চটি পরা বাঁ পায়ে লাথি মেরে বলল, " যা চাকর, আমার জন্য খাবার রেডি করে আন৷ আর গামলায় করে আমার পা ধোয়ার জল নিয়ে আয়৷ এই বলে বোন ড্রেস চেঞ্জ করতে চলে গেল৷
আমি উঠে ফ্রিজ থেকে বোনের টিফিন বার করে গরম করলাম, তারপর গামলায় জল আর গামছা নিয়ে এলাম৷
বোন লাল টপ আর সাদা লেগিন্স পরে ফিরে এসে সোফায় বসল ৫ মিনিট পরে৷ ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী রিমাকে রাজকন্যার মত লাগছিল৷ এত সুন্দর বোনের চাকর হতে পেরে গর্বে আমার বুক ভরে উঠতে লাগল৷
আমি বোনের হাতে টিফিন দিয়ে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে চটি খুলে ওর পা গামলায় ডুবিয়ে ভাল করে ধুয়ে দিলাম৷ তারপর গামছা দিয়ে যত্ন করে ওর পা মুছে পায়ে চটি পরিয়ে ওর পা দুটো দুই হাতের তালুতে রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম৷ তারপর ভক্তিভরে বোনের পা ধোয়া জলটা এক চুমুকে খেয়ে গামছা আর গামলা রেখে এসে আবার বোনের পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম যাতে আমার পরম আরাধ্যা প্রভু বোন আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা রেখে বসতে পারে৷ বোন আমার মুখে ওর লাল চটি পরা পা দুটো রেখে টিভি দেখতে দেখতে বলল, " আবার ভাল চাকরের মত মন দিয়ে প্রভুর পা টিপতে থাক৷ যতক্ষন বাবা মা এসে তোকে এইভাবে আমার সেবা করতে না দেখছে ততক্ষন আমার পা টিপবি এইভাবে৷"
এখন ৪.৩০ বাজে৷ বাবা মায়ের আসতে এখনো এক দেড় ঘন্টা দেরী আছে৷ বাবা মা এইভাবে আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে অবাক হবে, রেগে যাবে হয়ত৷ কিন্তু আমার আর বোন দুজনের কাছেই এটাই ঠিক৷ আমি চাকর আর বোন প্রভু, আমরা সবার সামনেই এইভাবে থাকতে চাই৷ আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা ১১ বছর বয়সী আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু বোন রিমার লাল চটি পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ভাবতে লাগলাম এইভাবে চাকরের মত আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে মা বাবার কি রিএকশন হতে পারে৷

Sunday, 1 March 2020

ফেমডম স্কুল শিক্ষা

ওয়েব ডেস্ক, আজকের খবর ; নিজস্ব প্রতিবেদন; সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রকে সহপাঠী ছাত্রীর পা ধোয়া জল খাওয়ালেন শিক্ষিকা! ঘটনাটি ঘটেছে জলগুড়ির মিঠাগুড়ি শহরের মিঠাগুড়ি জুনিয়ার হাই স্কুলে। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে ৭ম শ্রেণীর ছাত্র অমিত চিরকালই গনিতে কাঁচা। ফলে পঞ্চম শ্রেণী থেকেই শিক্ষিকা তিয়াশা গাঙ্গুলি তাকে তিরষ্কার করতেন। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেনীতে ওঠার পরীক্ষায় সে ফেল করায় তিয়াশা দেবী তাকে ওই ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল অন্মেষার পায়ের কাছে নিল ডাউন করিয়ে রাখতেন রোজ। এমনকি মেঝেতে মাথা রেখে নিল ডাউন হওয়া অমিতের মাথার উপর ক্লাসের মধ্যেই অন্মেষা প্রায়ই নিজের জুতো পরা পা তুলে দিলে তিনি বাধা না দিয়ে অন্মেষাকে উতসাহ দিতেন বলে জানা গেছে। বছরের প্রথম ক্লাস টেস্টে অমিত আগের থেকে উন্নতি করলেও যথেষ্ট ভাল ফল না করায় তিয়াষা দেবী তাকে নির্দেশ দেন ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল অন্মেষার পা ধুয়ে রোজ জল খেতে। জানা গেছে অমিত এরপর রোজ অন্মেষার পা ধুয়ে জল খেত। ষষ্ঠ শ্রেনীর বার্ষিক পরিক্ষায় সে অনেক উন্নতি করে গনিতে ৭০% পায়। এরপর তিয়াষা দেবী তার এই সাফল্যের কারন হিসাবে অন্মেষার চরনামৃত পানকে চিহ্নিত করে অমিতকে রোজ অন্মেষার জুতো চেটে জুতোর তলার ময়লা খাওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানা যায়। এবং অমিত এরপর সেই নির্দেশ পালন করতে শুরু করলে সেই খবর বাইরে ছড়িয়ে পরে ও কিছু অভিভাবক স্কুলে বিক্ষোভ দেখান বলে জানা যায়। এই প্রসঙ্গে তিয়াষা দেবীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন তিনি যা করেছেন অমিতের ভালর জন্যই করেছেন। অন্মেষার চরনামৃত পানে অমিতের উন্নতি হয়েছে এটা ওর রেজাল্টের উন্নতিতেই প্রমানিত। খারাপ ছেলেরা মেয়েদের পা ধোয়া জল বা মেয়েদের জুতোর তলার ময়লা চেটে খেলে, ও মেয়েদের ভক্তি ভরে সেবা করলে ছেলেদের উন্নতি হয় বলে মত দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। ক্লাসের অন্য ছেলে মেয়েরা জানায় অমিত স্বেচ্ছাতেই অন্মেষার সেবা করেছে চিরকাল। অন্মেষার পা ধোয়া জল বা জুতোর তলার ময়লা সে স্বেচ্ছাতেই চেটে খেত। এবং এর ফলে তার উন্নতি হয়েছে বলেই ক্লাসের অন্য ছেলে মেয়েরা মত দেয়। তিয়াসা দেবী ক্লাসের প্রতিটি ছেলেকেই মেয়েদের সেবা করতে উতসাহ দিত বলে তারা জানায়। অমিতের উন্নতিতে ক্লাসের অন্য ছেলেরাও আসতে আসতে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে মেয়েদের সেবা করা ছেলেদের উন্নতির জন্য জরুরি ও তারা ক্লাসের মেয়েদের ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভাবে সেবা করতে শুরু করেছে বলে জানা যায়। অমিতের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে অন্মেষাকে নিজের প্রভু, পুজোনীয় দেবী বলে চিহ্নিত করে বলে এটা তার সৌভাগ্য যে প্রভু অন্মেষা তাকে সুযোগ দিয়েছে সবার সামনে সেবা করার, প্রভুর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করার। অন্মেষার সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে ছেলেদের জায়গা মেয়েদের পায়ের তলায় অমিতের তার সেবা করার মাধ্যমে উন্নতি এটাই প্রমান করে। অমিতের মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে সে খুবই ভালবাসে বলে জানায়। সে জানায়, যারা এর বিরোধীতা করে বিক্ষোভ করছে তারা নারীবিরোধী, তারা ভয় পেয়েছে পুরুষের প্রকৃত স্থান নারীর পদতলে প্রমান হয়ে যাওয়ায়। কিন্তু তাদের ক্লাসের প্রতিটি ছেলে মেয়ে সহ ওই স্কুলের প্রতিটি মেয়ে ও ছেলে এতে উতসাহিত হয়েছে। অমিত যেভাবে তার সেবা করে সেইভাবেই স্কুলের প্রতিটি ছেলে স্কুলের মেয়েদের সেবা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে সে জানায়। ( নারীদিবস উপলক্ষে ফেমডম এন্টারটেইনমেন্টের জন্য লিখিত ১০০% মিথ্যা কাল্পনিক খবর)।