Saturday, 1 May 2021
তনুশ্রী আর দাদা
Thursday, 1 April 2021
মহাপ্রভু কলেজ
Monday, 1 March 2021
মিস্ট্রেস মারজানা ও গোলাম হাসিব
Monday, 1 February 2021
মায়াবী...
Friday, 1 January 2021
দিদির অত্যাচার
Sunday, 1 November 2020
ফেমডম স্কুল প্রকল্প
Tuesday, 1 September 2020
আদৃতা
১...
আজ এক দূর্দান্ত অভিজ্ঞতা হল। দুপুরে স্কুটি নিয়ে এক পাড়ার ফাঁকা গলি দিয়ে যাচ্ছিলাম। পাশের এক সরু গলি থেকে এক কিশোরী মেয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল, হঠাত নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সোজা আমাকে ধাক্কা মেরে উল্টে পরল, সম্ভবত বৃষ্টি ভেজা কংকৃটের গলিতে স্লিপ করে। তার সাইকেল গিয়ে পরল পাশের নর্দমায়, আর সে কোন রকমে ব্যালেন্স রক্ষা করতে পারলেও তার সাদা স্নিকার পরা দুই পা গিয়ে পরল রাস্তার ধারের কাদা ভর্তি জলে । তার জিন্স প্যান্টও কাদায় মাখামাখি হল।
মেয়েটি মুখে মাস্ক পরেছিল। ফর্শা, রোগা সুন্দর চেহারা, বয়স ১৫-১৬ হবে। সে নিজের দোষে উল্টে পরল, আমিও তার ধাক্কায় কোন রকমে স্কুটি সামলে দাড়িয়েছিলাম। অথচ আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি "দেখে চালাতে পারিস না?" বলে আমার দুই গালে পরপর দুটো সজোরে থাপ্পর মারল সম্পুর্ন অকারনে।
মাস ছয়েক আগে এরকম ভাবে এক ১৮-১৯ এর মেয়েকে অকারনে এক অটো চালকের গালে থাপ্পর মারতে দেখেছিলাম। কিন্তু রাস্তার মাঝে অচেনা,কোন মেয়ের হাতে এইভাবে থাপ্পর খাওয়া এই প্রথম। স্বভাবতই কোন দোষ না থাকলেও আমি মাথা নিচু করে মেয়েটিকে সরি বলে ক্ষমা চাইলাম। তারপরে স্কুটি থেকে নেমে তার সাইকেলটা নর্দমা থেকে তুলে দিতে এগোলাম।
আমার চেয়ে এত ছোট একটা অচেনা সুন্দরী মেয়ের হাতে খোলা রাস্তায় এইভাবে থাপ্পর খেয়ে আমার হৃতপিন্ড প্রবল উত্তেজনায় দ্বিগুণ বেগে ছুটছিল। খারাপ লাগা তো দূর,,কি করে ওর প্রতি আরো বেশি সাবমিসিভনেস দেখাতে পারি তাই ভেবে চলেছিলাম। সাইকেল তুলে আমার স্কুটি মোছার কাপড় দিয়ে মুছে দেব, মেয়েটির কাদা লাগা জুতোও মুছে দেব এইসব ভেবে সাইকেল তুলে দেখি সেটার সামনের চাকা বেঁকে গেছে ওইভাবে বেকায়দায় নর্দমায় পরার ফলে।
"আমি এক্সট্রিমলি সরি, পাশের সাইকেলের দোকান থেকে সারিয়ে দিচ্ছি এক্ষুনি ম্যাম" এইবলে মেয়েটির দিকে হাতজোড় করলাম। স্কুটিতে চাবি দিয়ে রাস্তার ধারে রেখে পাশের সাইকেলের দোকান অব্ধি আমিই হাঁটিয়ে নিয়ে গেলাম মেয়েটির সাইকেলটা। মেয়েটি আমার পাশেই হেটে এল কিছু না বলে।
কিন্তু হায়! দোকানের সামনে এসে দেখি দোকান বন্ধ। আমার তখন খেয়াল হল আজ বৃহস্পতিবার। এই রাস্তার আশে পাশে যতগুলো সাইকেলের দোকান আছে সবকটা বৃহস্পতিবার বিকালে বন্ধ থাকে।
২....
( এর আগের অংশটা সত্যি ছিল। পরের অংশটা কিছু সত্যি, অনেকটাই কল্পনা)।
আমি কি করব ভাবার সময় পেলাম না, তার আগেই মেয়েটি আবার আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মারল। মেয়েটির মুখে বেশ একটা রাগের ভাব ফুটে উঠেছে মনে হল ওর চোখ দুটো দেখে।
এর আগে মেয়েটি যেখানে আমাকে থাপ্পর মেরেছিল সেখানে রাস্থায় আর কেউ ছিল না। কিন্তু এখানে একটু দূরে ২-৩ জন লোক দেখতে পেলাম। তাদের একজন চলা থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল তামাশা দেখার জন্য।
" তুই আমার সাইকেলের এই দশা করেছিস,,এখন আমি বাড়ি ফিরব কি করে??"
আমি ভয়ে ভয়ে আবার সরি বলে জিজ্ঞাসা করলাম, " তোমার বাড়ি কি অনেকটা দূরে? দরকার হলে আমি স্কুটিতে করে বাড়ি পৌঁছে দিতে পারি তোমাকে।"
মেয়েটি কিছুক্ষন কি যেন ভাবল। তারপরে এবার ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ গালে একটা থাপ্পর মেরে বলল, " আমার সাইকেলটা কি হবে তাহলে?"
আমি বললাম, " ম্যাম, আমার বাড়ি একদম কাছেই। এই সাইকেল নিয়ে আপনি বাড়ি ফিরতে পারবেন না। আমি এখন আমার বাড়িতে রেখে দিই। পরে সারিয়ে আমি আপনার বাড়িতে দিয়ে,আসব কালকেই, কোন,চিন্তা করবেন না প্লিজ। আমি তো এখন আপনাকে আপনার বাড়িতে দিয়ে আসতে গেলে বাড়ি চেনা হয়েই যাবে।" মেয়েটিকে কখনো কখনো তুমি বলছিলাম,,আবার কখনো অজান্তেই আপনি আর ম্যাম সম্বোধন বেরিয়ে আসছিল। আর আমার অর্ধেক বয়সী মেয়েটি শুরু থেকে আমাকে তুই করে বলে চলেছিল!
মেয়েটি আবার আমার গালে একটা থাপ্পর কষিয়ে বলল, " তোকে চিনি না, জানি না। তুই তোর কাছে আমার সাইকেল রেখে দিবি, তারপরে ফেরত দিবি কি গ্যারান্টি আছে তার? তুই যে একটা ছোটলোক সেটা তোর স্কুটি চালানোর স্টাইল আর একটা মেয়েকে ধাক্কা মারা থেকেই বোঝা যায়।" এই বলে মেয়েটি আমার দুই গালে আরো দুটো থাপ্পর মারল পরপর। আর সেই দূরে দাঁড়িয়ে তামাশা দেখতে থাকা আধ বুড়ো লোকটা তখনো দাঁড়িয়ে দেখছে দেখলাম।
মেয়েটি আমাকে ছোটলোক বললেও সেটা আমাকে অপমান করে মজা নেওয়ার জন্যে বলছে মনে হল। নাহলে ছোটলোকের স্কুটিতে চড়ে বাড়ি ফিরতে রাজি হত না নিশ্চয়ই। আর ছোটলোকেরা কেউ অর্ধেক বয়সী মেয়ের হাতে অকারনে বারবার থাপ্পর খেয়ে তাদের ম্যাম সম্বোধন করে ক্ষমা চায় না নিশ্চয়ই!
আমি বললাম, " ম্যাম, আপনি তো এখন আমার বাড়ি চিনেই যাবেন। আর কোন সন্দেহ থাকলে আমি এখন সাইকেলের পুরো দাম আপনাকে দিয়ে রাখছি। যদি কোন কারনে সাইকেল ফেরত নাও পান, সেই টাকা দিয়ে আবার সাইকেল কিনে নিতে পারবেন। আর কাল আমি সত্যিই সাইকেল ফেরত দিতে গেলে তখন ইচ্ছা হলে টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন।" মেয়েটির হাতে অত্যধিক অপমানিত হওয়ার ফলে সে সাইকেল ফেরত পেলেও টাকা ফেরত দেবে কিনা সেটা তার হাতেই ছেড়ে দিতে চাইলাম!
মেয়েটি আমার প্রস্তাবে খুশি হয়ে হাসল। তারপরে বলল, "ঠিক আছে, এটাই ভাল। "
আমি মেয়েটিকে নিয়ে আমার ফ্ল্যাটে পৌছালাম। সিঁড়ি দিয়ে ফ্ল্যাটের দোতলায় আমি সাইকেলটা টেনে তুললাম, মেয়েটাও সাথে এল। এরপরে সাইকেলটা ঘরে ঢুকিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করলাম " কত টাকা দাম সাইকেলের প্লিজ একটু বলবে?"
মেয়েটি মাস্ক নামিয়ে দাঁড়িয়েছিল, দেখলাম মেয়েটির সম্পুর্ন মুখটা অসম্ভব সুন্দর। এত সুন্দরী আমার চেয়ে এত ছোট একটা মেয়ে এতক্ষন এইভাবে আমাকে মেরে আর অপমান করে চলেছে ভাবতেই কি এক তীব্র সুখবোধ ঘীরে ধরল আমাকে।
" ১০ হাজার টাকা", মেয়েটি সংক্ষেপে উত্তর দিল। মেয়েটির সাইকেলটা খুব নতুন না, এরকম নতুন সাইকেলের দামও ৫-৬ হাজারের বেশি হয়না।" কিন্তু অর্ধেক বয়সী এই মেয়েটি আমাকে ঠকাচ্ছে এই চিন্তা আমাকে খুব খুশি করল উল্টে। আমি " এক্ষুনি টাকা নিয়ে আসছি ম্যাম" বলে ঘরে ঢুকে গেলাম। তারপরে টাকা নিয়ে এসে মেয়েটির হাতে দিলাম।
কড়কড়ে ২০ টা ৫০০ টাকার নোট গুনে নিয়ে মেয়েটি জিন্সের পকেটে পুরল। তার চোখ মুখ দেখে স্পষ্টতই মনে হচ্ছিল সে বিশ্বাস করতে পারছে না যে এত সহজে আমি ওকে অকারনে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দিলাম।
আমি এবারে হাতজোড় করে বললাম, " ম্যাম, আপনার জুতোয় আমার দোষে অনেক কাদা লেগে গেছে। প্লিজ আমাকে একটু পরিস্কার করে দেওয়ার সুযোগ দেবেন?"
মেয়েটি মুচকি হেসে বলল, " হ্যাঁ, করে দে। আর একটা চেয়ার নিয়ে আয় বারান্দায়, আমি বসব। "
৩....
আমি ঘরের সবচেয়ে ভাল চেয়ারটা এনে দিলাম মেয়েটিকে বসার জন্য। তারপরে আমার নতুন কেনা একটা গেঞ্জি আর পরিস্কার জল নিয়ে এসে বারান্দায় মেয়েটির পায়ের কাছে হাটু গেড়ে বসলাম। বারান্দাটা খোলা হওয়ায় আসে পাশের কারো চোখে পরতেই পারে এই ঘটনা। কিন্তু অচেনা মেয়েটিকে ফাঁকা ঘরে ঢুকতে বলার সাহস হল না। বরং কেউ দেখলে দেখুক, ক্ষতি কি? আমার অর্ধেক বয়সী এত সুন্দরী একটা মেয়ের চাকর হতে পারা আমার কাছে শুধুই গর্বের বিষয়!
আমি মেয়েটির জুতোর উপর দিক দুটো ধীরে ধীরে পালিশ করে দিতে লাগলাম। মেয়েটি চেয়ারে বসে মোবাইল খুলে ঘাঁটতে লাগল। আমি সময় নিয়ে আসতে আসতে পালিশ করে দিতে লাগলাম আমার অর্ধেক বয়সী,সুন্দরী,এই মেয়েটির জুতো,যার নামও,আমি জানি না!
প্রথমে বাঁ জুতো,,তারপরে ডান জুতোর উপর দিক দুটো পালিশ করে চকচকে করতে অন্তত ১০ মিনিট সময় নিলাম আমি। আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ১০ মিনিট। তারপরে মেয়েটিকে বললাম, " ম্যাম, যদি একটু পা তোলেন, জুতোর তলাটা আমি পালিশ করে দিতাম তাহলে।"
মেয়েটি কি যেন ভাবল, " তারপরে বলল, না থাক। অত সময় নেই আমার।"
শুনে আমার একটু খারাপ লাগল।
মেয়েটি আরো ১৫-২০ সেকেন্ড ফোন ঘেটে ফোনটা,পকেটে পুরে উঠে বলল, " তুই শুয়ে পর বরং। তোর পরনের শার্টে জুতোর তলাটা মুছে নিই, তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।"
আমি উঠে দাঁড়ানো মেয়েটির পায়ের কাছে তখনো হাটুগেড়ে বসে। ওঠার আগে আমি মেয়েটির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, " ম্যাম, প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেবেন ধাক্কা মারার জন্য।"
মেয়েটি আমাকে প্রায় ৩০ সেকেন্ড ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাইতে দিল, তারপরে আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা রেখে বলল, " আচ্ছা যা, ক্ষমা করে দিলাম তোকে।"
মেয়েটি পা সরাতে আমি উঠে একটু দূরে মেঝেতে শুলাম।
মেয়েটি স্নিকার পরা পায়ে সোজা আমার বুকে উঠে দাঁড়াল। তারপরে হাসি মুখে আমার বুকের সাদা জামার উপরে ঘসে নিজের জুতোর তলা পরিস্কার করতে লাগল। মিনিট দুই পরে সে নিজের ডান জুতোর তলা আমার মুখের উপরে রাখল একবার। আমি কিছু বলব না নিশ্চিত হয়ে মনের সুখে এইবার দুই জুতোর তলাই পালা করে আমার মুখে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি একবার আলতো করে আমার জিভটা বার কিরে দিলাম মেয়েটির প্রতি প্রবল ভক্তি থেকে। সে সেটা বুঝতে পারল কিনা জানি না। কিন্তু না থেমে আমার জিভ আর মুখে জুতোর তলা মোছা চালিয়ে গেল সে।
প্রায় ১০ মিনিট সে আমার বুক আর মুখে এইভাবে জুতোর তলা মুছল, আমার মুখে জুতো পরা পায়ে দাড়িয়ে রইল জুতো পরা পায়ে। তারপরে আমার বুকে দাড়িয়ে জুতো পরা দুই পায়ে পরপর ১০-১২ টা লাথি মারল আমার মুখে। " এটা না দেখে স্কুটি চালিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সাইকেল ভাঙার শাস্তি" বলে লাথি মারা চালিয়ে গেল সে।
৪....
এরপরে সে নামতে আমি উঠে একবার ঘরে গেলাম চেয়ারটা ঢোকাতে। আয়নায় তাকিয়ে দেখি আমার সারা মুখ মেয়েটির জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, সাদা জামার উপরেও মেয়েটির স্নিকারের তলার ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে! ঘড়িতে দেখি বিকাল ৪.৩০ বাজে। আমি সেই অবস্থাতেই মুখ না ধুয়ে জামা না পাল্টে বেড়িয়ে এলাম। মেয়েটিকে স্কুটিতে তুলে ওর বাড়ি পৌছাতে ৫ মিনিটও লাগল না। মেয়েটির বাড়ি বেশ সুন্দর একতলা, গেটের গায়ে নেমপ্লেটে ৩ জনের নাম লেখা - আদিত্য চ্যাটার্জি, পিয়ালী বসু চ্যাটার্জি, আদৃতা চ্যাটার্জি। আন্দাজ করে নিলাম যে মেয়েটির নাম আদৃতা।
মেয়েটি বেল বাজাতে সম্ভবত ওর মা দরজা খুলে দিল। মেয়েটি ওর এক্সিডেন্টের কথা , সাইকেল ভাঙার কথা পুরোটা আমার ঘাড়ে সম্পুর্ন দোষ চাপিয়ে বলে গেল। আমিও আদৃতার কথায় একমত হয়ে ওর মায়ের সামনে আবার সরি বললাম। ওর মা একবার আমার দিকে ভাল করে তাকিয়ে মেয়েকে বলল, " তুই কি ওকে মেরেছিস নাকি?"
" হ্যাঁ মা, এরকম অপরাধ করলে মারব না?"
এতদিন অনেককে চড় মেরে ঝামেলা বাধিয়েছিস বহুবার। এখন কি লাথিও মারতে শুরু করলি তুই?"
" ওর কোন দোষ নেই, আমারই ভূল। আমার মার খাওয়ারই কথা।" এই বলে আমি তাড়াতাড়ি সামলালাম। তারপরে আমার কার্ড মেয়েটির মায়ের হাতে দিয়ে বললাম, " ওর সাইকেল তো এখন আমাদ কাছে আছে, সারিয়ে দিয়ে যাব। এতে আমার ফোন নাম্বার আছে। কোন দরকার হলে ফোন করবেন। আসছি।" এই বলে আমি চলে এলাম। আর ফেরার পর থেকেই মনে শুধু একটাই চিন্তা ঘুরতে লাগল, কোনভাবে কি প্রভু আদৃতার পার্মানেন্ট চাকর হয়ে ওঠা সম্ভব হবে আমার পক্ষে?
Wednesday, 1 July 2020
ছোট বোনের সেবক
নভেম্বারের এক সন্ধ্যা সেটা, টিভি রুমের ঘড়ির কাটা সন্ধ্যা ৬ টা ছুঁইছুঁই প্রায়। বাতাসে শীতের ছোয়া লেগেছে অল্প অল্প। তখন আমার ক্লাস ১১। বাবা মার অফিস থেকে ফিরতে তখনও ঘন্টা দুয়েক দেরী। বাড়িতে শুধু আমি আর আমার ক্লাস ৮ এ পড়া বোন স্বাগতা। আমার সুন্দরী ছোট বোন পায়ের উপর উপর পা তুলে চেয়ারে বসে টিভি দেখছে। স্কুল থেকে প্রায় দুই ঘন্টা আগে ফিরেছে ও, অথচ ওর পরনে এখনও স্কুলের সাদা জামা, সবুজ স্কার্ট, পায়ে সাদা মোজা ও জুতো। সকালে ওর কথা মতো পিজ্জা এনে ওকে টিফিনে দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, তাই রাগ করে আমার সঙ্গে বোন কথা বলছে না বাড়ি ফেরার পর থেকে। একটু পরে বাবা মা বাড়ি ফিরে যদি দেখে বোন আমার সঙ্গে ঝগড়া করে রাগ করে এখনও স্কুলের জামা- জুতো পরে বসে আছে, তাহলে আমি খুব বকা খাব। কারন বোনের পা থেকে জুতো খুলে দেওয়াটা সেই ছোটো থেকেই আমার ডিউটির মধ্যে পরে!
হ্যাঁ, ছোট থেকেই আমার আর বোনের সম্পর্ক এরকম । রোজ ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, পা থেকে জুতো খুলিয়ে দেওয়া, স্কুল থেকে ফেরার পর নিয়ম করে ওর পা টিপে দেওয়া, ওর জামা কাচা, ঘর ঝাট দেওয়া। ওর জন্য টিফিন বানানো, ওর জুতো পরিষ্কার সহ ওর হাজারটা কাজ রোজ আমাকে করতে হয়। আমি বোনের চেয়ে ৩ বছরের বড় হওয়া সত্বেও আমার সুন্দরী ছোট বোন ওর যা খুশি অর্ডার করে আমাকে। বাবা, মা চিরদিনই ওকে আমার চেয়ে অনেক বেশি ভালবাসে, বাবা মাও তাই বোনকে আমাকে অর্ডার করতে দেখে খুশি হয়, ওকে উতসাহিত করে আরও এই ব্যাপারে। আমারও কেন জানি চিরদিনই খারাপ তো লাগেই না, বরং কেমন যেন ভাল লাগে ছোট বোনের এই শাসন । আসলে ছোট্ট বোনটাকে আমি চিরদিনই বড্ড বেশি ভালবাসি।সেই ছোট্ট থেকেই রোজ বিকালে বোন স্কুল থেকে ফিরলে আমি প্রথমে ওর জন্য বানানো টিফিন প্লেটে করে ওর হাতে দিই। তারপর ও টিভি দেখতে দেখতে বা কম্পিউটারে গেম খেলতে খেলতে টিফিন খায়। আর আমি ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে প্রথমে যত্ন করে আমার সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার পা থেকে জুতো মোজা খুলে দিয়ে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিই। তারপর সারা বিকেল বোনের পায়ের কাছে ঠিক চাকরের মতো বসে ওর পা টিপে দিই। বোন প্রায় রোজ রাতেই একইভাবে বাবা মার সামনে আমাকে দিয়ে পা টেপায়। বাবা মা ওদের আদরের মেয়েকে আমাদের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রন করতে দেখে খুশি হয়।
অথচ আজ ও স্কুল থেকে ফেরার পর এতক্ষন হয়ে গেছে, এখনও ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি। নিজে জুতো পড়া পায়ে রান্না ঘরে গিয়ে আমার বানানো টিফিন প্লেটে নিয়ে টিফিন করেছে অবশ্য। কিন্তু আমার সাথে কথা বলেনি একবারও, আমাকে ওর জুতো খুলতেও দেয়নি। একবার আমি ওর পায়ের কাছে হাটুগেরে বসে ওকে বলেছিলাম, “ আমার ভুল হয়ে গেছে বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে। এবার তোর জুতো খুলতে দে প্লিজ”।
জবাবে বোন মুখে কিছু বলেনি, তবে আমার মুখে জুতো পড়া ডান পা দিয়ে আলতো করে একটা লাথি মেরে আমাকে সরিয়ে দিয়ে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে আবার টিভি দেখতে শুরু করেছিল।
আমার তখন আর কিছু বলার সাহস হয়নি। অথচ, বোনের রাগ আমাকে ভাঙ্গাতেই হবে। ওর জন্য পছন্দের টিফিন দিতে ভুলে গেছি, আমারই তো দোষ। তাছাড়া, বাবা মা ফিরে যদি বোনকে তখনও স্কুলের জামা-জুতো পড়া অবস্থায় দেখে, আর বোন আমার নামে অভিযোগ করে তাহলে আমি ভয়ানক বকা খাব।
আমি বুঝতে পারছিলাম যেভাবেই হোক আমাকে সুন্দরী ছোট বোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে । আমি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গিয়ে বোনের পায়ের কাছে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম। হাত জোড় করে বললাম, “ আমার ভুল হয়ে গিয়েছিল বোন। এরকম আর কোনোদিনও হবে না। তোর যা খুশি শাস্তি দিতে পারিস আমাকে। শুধু প্লিজ, ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ”।
আমি কাতর কন্ঠে বোনের কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম হাতজোড় করে। অথচ বোন আমার অনুরোধে পাত্তাও দিচ্ছে না এবার, ও আগের মতো টিভি দেখে যেতে লাগল মন দিয়ে। আমার খুব অসহায় লাগছিল, বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে আমার সুন্দরী ছোটবোন স্বাগতার কাছে ক্ষমা চাইলে ও আমাকে ক্ষমা করে দেবে। আমি অসহায় হয়ে অবশেষে বোনের সাদা স্নিকার পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম । বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষতে ঘষতে কাতর কন্ঠে ওকে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। প্লিজ বোন, এবারের মতো ক্ষমা করে দে আমাকে, প্লিজ বোন,প্লিজ”।
আমি অসহায় হয়ে বোনের জুতো পড়া দুই পায়ের উপর নিজের মাথাটা ঘষে যেতে লাগলাম। বোন মুখে কিছুই বলল না, আমাকে বাধাও দিল না। আগের মতো ট্রিভি দেখতে দেখতে মাঝে মাঝে আড়চোখে দেখতে লাগল কিভাবে ওর ৩ বছরের বড় দাদা অসহায় ভাবে ওর জুতো পড়া পায়ের উপর নিজের মাথা ঘষতে ঘষতে ক্ষমা চাইছে ওর কাছে।
প্রায় ১০-১৫ মিনিট আমি এইভাবে বোনের জুতো পড়া পায়ের উপর মাথা ঘষতে লাগলাম। তারপর হঠাত বোন ওর জুতো পড়া ডান পা টা তুলে নিল, তারপর জুতো পড়া পা টা তুলে আমার মাথার উপর রাখল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করব। বোনের জুতো পড়া ডান পা টা এখন রাখা আমার মাথার উপর। আর আমি অসহায়ভাবে ওর জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে শুরু করলাম। ছোট বোন স্বাগতার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপর একের পর এক চুম্বন করতে করতে আমি কাতর কন্ঠে ওর কাছে অনুরোধ করতে লাগলাম, “ আমি সরি বোন। দেখ তোর দাদা তোর পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইছে। আমাকে যা খুশি শাস্তি দে বোন, শুধু প্লিজ এবারের মতো আমাকে ক্ষমা করে দে। প্লিজ বোন, প্লিজ”।
আমি বোনের জুতো পড়া বাঁ পায়ের উপর চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে যেতে লাগলাম। বোন তখনও মুখে কিছু বলল না, শুধু আমার মাথার উপর ওর জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা বোলাতে লাগল।
( চলবে…)
Friday, 1 May 2020
* আমার প্রভু বোন রিমা* ( দিপ)...
আমার বয়স তখন ১৩ আর আমার ছোট বোন রিমার বয়স ১১। অন্য সব ভাই বোনেদের মতই আমাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। রিমা যতদিন যাচ্ছিল ক্রমে আরো সুন্দরী হয়ে উঠছিল, আর আমি অন্য দাদাদের মত ছোট বোনের সাথে ঝগড়া করলেও ওর প্রতি ক্রমে সাবমিসিভ ফিল করতে শুরু করেছিলাম। বোন ছোট থেকেই কিছুটা ডমিন্যান্ট ছিল, যেটা আমার খুব ভাল লাগত। কিন্তু ওকে আমি সেটা বুঝতে দিতাম না।
সেটা ছিল সেপ্টেম্বার মাসের এক বিকাল। বাবা মা অফিসে গিয়েছিল আর বোন স্কুলে। আমি স্কুলে যাইনি সেদিন, বাড়িতে একা ছিলাম। বিকাল ৩.৩০ এ বোন স্কুল থেকে ফিরল। আমি বসার ঘরের মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। আসলে কিছুদিন ধরে আমি ইচ্ছা করেই মেঝেতে শুচ্ছিলাম প্রায়ই এই আশায় যে আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা এই সুযোগে আমার গায়ে পা তুলে ডমিন্যাট করবে। এর আগে ২ দিন বোন সেটা করেছে। দুই দিনই সন্ধ্যা বেলায়, যখন মা পাশেই ছিল। একদিন ওর চটি পরা বাঁ পা আমার বুকে তুলে দাঁড়িয়েছিল বোন। আরেকদিন ওর চটি পরা বাঁ পায়ের তলায় আমার পেট আর ডান পায়ের তলায় আমার বুক মাড়িয়ে চলে গিয়েছিল বোন মায়ের সামনেই। আমার খুব ভাল লেগেছিল। আমি কোন কম্পলেন না করায় মা একটু অবাক হয়েছিল। মা নিজে থেকেই বোনকে বকা দিতে গেলে বোন বলেছিল " দাদা মেঝেতে শুয়েছে কেন? মেঝে কি শোয়ার যায়গা?" বোনের মুখের হাসি দেখে বুঝেছিলাম বোনও খুব এঞ্জয় করেছিল সেই ঘটনা।
বোন ঘরে ঢুকেই স্কুল ব্যাগটা সোফাতে রাখল। আমি সোফার ঠিক পাশেই মেঝেতে শুয়েছিলাম। বোন ব্যাগটা রেখেই আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়ে আমার মুখের দিকে তাকালো একবার। তারপর ওর সুন্দর মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটিয়ে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার বুকের উপরে তুলে দাঁড়ালো। বোনের হাত দুটো কোমরে রাখা। ও একদৃষ্টে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমার খুবই ভাল লাগছিল আমার উপরে আমার ছোট বোনের এই ডমিনেশন। কিন্তু ওকে সেটা সরাসরি বলার সাহস ছিল না আমার। আমি কোন প্রতিক্রিয়া ছাড়াই বোনকে এইভাবে প্রায় ১ মিনিট আমার বুকের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দিলাম কি করা উচিত বুঝতে না পেরে। আমার মন চাইছিল বোন ওর স্নিকার পরা বাঁ পা টাও আমার বুকে, গলায়, বা মুখের উপরে তুলে দিক। কিন্তু আশংকা হচ্ছিল বোন সেটা না করে হয়ত বোর হয়ে নিজের ঘরে চলে গেল।
কিন্তু এক মিনিট পরেও বোন এর কোনটাই করল না। ওর মুখে হাসি ফুটিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল আমার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য।
আমি তখন রিমাকে বললাম, " আমার গায়ের উপর থেকে পা সরা বোন।"
রিমা হাসিমুখে বলল "সরাব না। কি করবি?"
আমি তখন দুই হাতে বোনের জুতো পরা ডান পা টা বুকের উপরে চেপে বললাম, " তাহলে দেখি কতক্ষন তুই এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারিস। তোর পা আর ছাড়ছি না তুই আর কখনো আমার গায়ে পা দিবি না কথা না দিলে।"
বোনের মুখের হাসি আরো চওড়া হল আমার কথা শুনে। তারপর ওর জুতো পরা বাঁ পাটাও আমার গলার উপরে রেখে ও সোফায় বসে পরে বলল " ঠিক আছে,দেখা যাক কে আগে ক্লান্ত হয়। যে আগে উঠবে সে হারবে। আর তুই পাপোষের মত মেঝেতে পরে থাকলে লোকে তো তোকে পাপোষের মত ইউজ করবেই। আমিও তাই করছি। এতে আমার কোন দোষ নেই।" এই বলে বোন ওর জুতো পরা পা দুটোর তলা আমার শার্টটার উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আমি দুই হাতে বোনের পা টা বুকে চেপে ধরে ছিলাম। এবার ইচ্ছা করেই গ্রিপ আলতো করে দিলাম যাতে বোন ভাল করে আমার শার্টে ওর স্কুল জুতোর তলা মুছতে পারে।
বোন আমার বুকে ওর জুতোর তলা বেশ ভাল করে মুছে বলল, " এমনিতে তো তুই কোন কাজে লাগিস না। বরং এইভাবে রোজ মেঝেতে শুয়ে থাকিস। আমি তোকে রোজ পাপোষ হিসাবে ইউজ করলেও তুই জগতের কোন কাজে অন্তত লাগবি।" এই বলে বোন আবার ভিশন হাসতে লাগল। আমার ভিশন ভাল লাগছিল, কিন্তু বোনের কথার সরাসরি সমর্থন দেওয়ার সাহস হচ্ছিল না।
এরপর বোন আমার বুকে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " আমার তো কিছুই করার নেই। দে, টিভির রিমোটটা আমাকে দে।"
আমি বললাম, " সে তো আমারও কিছু করার নেই। টিভি দেখব বলেই তো এখানে মেঝেয় শুয়ে আছি। তোকে রিমোট দিয়ে দিলে আমিই বা কি করব?"
বোন এবার ওর সাদা স্নিকার পরা বাঁ পায়ে আমার ঠোঁটের উপরে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " তুই আমার পায়ের তলাতেই যখন শুয়ে আছিস তখন মন দিয়ে আমার পা টেপ। আর আমাকে টিভি দেখতে দে। এই বলে বোন ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে ওর বাঁ পা টা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরেই রেখে দিল।
আমাকে এই অদ্ভুত পজিশনে ফেলে বোন আমাকে কোনদিন ডমিনেট করবে সেটা আমি আগে শুধু স্বপ্নে ভেবেছি! আমি বাধা দেওয়ার সামান্য চিন্তাও না করে বোনের হাতে রিমোট দুটো তুলে দিয়ে আমার বুক আর মুখের উপরে রাখা বোনের জুতো পরা পা দুটো যত্ন করে টিপে দিতে লাগলাম।
২-৩ মিনিট পরেই বোন আবার ওর জুতো পরা বাঁ পায়ে আমার নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল, " একটু উপরে উঠে শো, যাতে আমি আমার দুটো পাই তোর মুখের উপরে রাখতে পারি৷ "
বোনের এই অদ্ভুত কথায় বিন্দুমাত্র আপত্তি না করে আমি বোনের আদেশ পালন করলাম৷ বোন ওর জুতো পরা বাঁ পা টা আমার কপালের উপরে রেখে ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল৷ আমার নাকের উপরে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ে একটা লাথি মেরে বোন বলল, " নে, আবার ভাল চাকরের মত আমার পা টিপে দে৷ "
বোন আমাকে যত অপমান করছিল তত ভিশন আনন্দে আমার বুক ভরে উঠছিল৷ আমি তো অনেক ছোট থেকেই রোজ স্বপ্ন দেখতাম বোন আমাকে এইভাবে ওর চাকরের মত ট্রিট করছে৷ কিন্তু সেটা যে কোনদিন সত্যি হবে তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি৷
আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপতে লাগলাম৷ আমার ফর্শা সুন্দরী বোন রিমা আমার মুখের উপরে ওর স্কুল জুতো পরা পা দুটো রেখে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে এমনভাবে টিভি দেখতে লাগল যেন এটা খুবই স্বাভাবিক!
আমি প্রবল ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ আর বোন আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে আমার মুখের উপরে ওর জুতোর তলার ময়লা ঘসে পরিস্কার করতে লাগল. যদিও আগেই ও আমার শার্টে জুতোর তলা মোছায় ওর জুতোর তলায় বেশি ময়লা ছিল না৷ তবু ওর জুতোর তলার কিছু ধুলো ময়লা আমার সারা মুখে লেগে যেতে লাগল আমাকে ভিশন খুশি করে৷
এইভাবে প্রায় ৩০ মিনিট আমি আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের জুতো পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম৷ এরপর বোন আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " যা, আমার ঘরে পরার একটা চটি নিয়ে আয়৷ "
আমি চ্যালেঞ্জ ভুলে বোনের আদেশ পালন করার জন্য ওর পায়ের তলা থেকে উঠে ওর চটি আনার জন্য যেতে গেলাম৷ কিন্তু যেই আমি উঠতে গেলাম সাথে সাথে বোন ওর জুতো পরা ডান পা দিয়ে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার নাকের উপরে৷
" আমি তোর প্রভু হই৷ আমার আদেশ পালন করতে যাওয়ার আগে সবসময় আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে আমাকে প্রনাম করে ধন্যবাদ দিয়ে যাবি৷ "
বোন আমার সাথে যত নিষ্ঠুর ব্যবহার করছিল আমি তত বেশি খুশি হচ্ছিলাম৷ আমি বোনের জুতো পরা পায়ের উপরে নিচের মাথা ঠেকিয়ে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে বললাম, " আমাকে দিয়ে চাকরের মত কাজ করানোর জন্য ধন্যবাদ প্রভু৷ আজ থেকে আমি তোমার চাকর আর তুমি আমার প্রভু৷ আজ থেকে তুমি আমার সাথে এরকমই ব্যবহার কর সবার সামনে৷ আমাকে এইভাবে তোমার সেবা করতে দিও৷ আমি এরই যোগ্য৷ আর এতদিন তোমার সাথে বড় দাদার মত আচরন করায় আমাকে ক্ষমা করে দিও প্রভু৷ "
আমার কহা শুনে বোন হো হো করে হাসতে লাগল৷ তারপর ওর জুতো পরা ডান পা আমার মাথার উপরে তুলে ওর জুতোর তলা আমার মাথায় ঘসতে ঘসতে বলল, " ঠিক আছে যা চাকর৷ তোকে এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম৷ কিন্তু মা বাবার সামনেও এইভাবে তোকে আমার সেবা করতে হবে কিন্তু৷ "
আমি বললাম, " সে তো আমার সৌভাগ্য প্রভু৷ "
এরপর বোন আমার মাথার উপর থেকে ওর জুতো পরা ডান পা সরাতে আমি উঠে বোনের চটি আনতে গেলাম৷ বোন বাবা মায়ের আদরের একমাত্র মেয়ে, ওর ঘরে পরার ৫-৬ জোড়া চটি আছে৷ আমি ওর লাল চটি জোড়া বুকের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে এলাম৷ তারপর প্রভু বোনের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে সাদা মোজা আর স্নিকার খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার লাল চটিটা পরিয়ে দিলাম৷ বোন আমার মুখে চটি পরা বাঁ পায়ে লাথি মেরে বলল, " যা চাকর, আমার জন্য খাবার রেডি করে আন৷ আর গামলায় করে আমার পা ধোয়ার জল নিয়ে আয়৷ এই বলে বোন ড্রেস চেঞ্জ করতে চলে গেল৷
আমি উঠে ফ্রিজ থেকে বোনের টিফিন বার করে গরম করলাম, তারপর গামলায় জল আর গামছা নিয়ে এলাম৷
বোন লাল টপ আর সাদা লেগিন্স পরে ফিরে এসে সোফায় বসল ৫ মিনিট পরে৷ ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী রিমাকে রাজকন্যার মত লাগছিল৷ এত সুন্দর বোনের চাকর হতে পেরে গর্বে আমার বুক ভরে উঠতে লাগল৷
আমি বোনের হাতে টিফিন দিয়ে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর পা থেকে চটি খুলে ওর পা গামলায় ডুবিয়ে ভাল করে ধুয়ে দিলাম৷ তারপর গামছা দিয়ে যত্ন করে ওর পা মুছে পায়ে চটি পরিয়ে ওর পা দুটো দুই হাতের তালুতে রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলাম৷ তারপর ভক্তিভরে বোনের পা ধোয়া জলটা এক চুমুকে খেয়ে গামছা আর গামলা রেখে এসে আবার বোনের পায়ের কাছে মাথা রেখে শুলাম যাতে আমার পরম আরাধ্যা প্রভু বোন আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা রেখে বসতে পারে৷ বোন আমার মুখে ওর লাল চটি পরা পা দুটো রেখে টিভি দেখতে দেখতে বলল, " আবার ভাল চাকরের মত মন দিয়ে প্রভুর পা টিপতে থাক৷ যতক্ষন বাবা মা এসে তোকে এইভাবে আমার সেবা করতে না দেখছে ততক্ষন আমার পা টিপবি এইভাবে৷"
এখন ৪.৩০ বাজে৷ বাবা মায়ের আসতে এখনো এক দেড় ঘন্টা দেরী আছে৷ বাবা মা এইভাবে আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে অবাক হবে, রেগে যাবে হয়ত৷ কিন্তু আমার আর বোন দুজনের কাছেই এটাই ঠিক৷ আমি চাকর আর বোন প্রভু, আমরা সবার সামনেই এইভাবে থাকতে চাই৷ আমি ভিশন খুশি মনে আমার মুখের উপরে রাখা ১১ বছর বয়সী আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু বোন রিমার লাল চটি পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ভাবতে লাগলাম এইভাবে চাকরের মত আমাকে বোনের সেবা করতে দেখে মা বাবার কি রিএকশন হতে পারে৷