Sunday, 25 October 2026
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৩ - ১০
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — ফেমডম পর্ব ৩
( written by - Guest Writer).
অফিসের ঘড়িতে তখন সবেমাত্র সাড়ে তিনটে বেজেছে। দিশার দেওয়া ডেডলাইনের আগে আমি কোনোমতে রিপোর্ট সাবমিট করে হাফ ছেড়ে বেঁচেছি বটে, কিন্তু আমার মনের অবস্থা তখন পুরোপুরি পরাধীন এক ভৃত্যের মতো। দিশা ও পৌলমী—দুজনেই বুঝে গেছে যে আমাকে মানসিকভাবে সম্পূর্ণ কব্জা করা কতখানি সহজ।
পরের দিন সোমবার সকালে অফিসে ঢোকার আগেই আমার নিয়তি নির্ধারিত হয়ে গেল। অফিস শুরুর ঠিক দশ মিনিট আগে রিসেপশনের সামনে দিশা আর পৌলমীর সাথে দেখা। দিশার পায়ে সেই পরিচিত কালোর উপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো স্নিকার।
আমাকে দেখেই দিশা মুচকি হেসে বলল, "কী রে অনিদা, উইকএন্ড কেমন কাটল? আমাদের কথা কি একটুও মনে পড়েছিল, নাকি শুধু নিজের ফ্রিডম এনজয় করেছ?"
আমি বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে সোজা ওদের দুজনের পায়ের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম। করিডোরের অন্য কলিগরা আসার আগেই আমি নিচু গলায় বললাম, "আপনাদের দুজনকে ছাড়া আমার উইকএন্ডে কোনো শান্তি ছিল না ম্যাডামরা। আপনাদের কথাই সারাক্ষণ মাথায় ঘুরছিল।"
পৌলমী পাশ থেকে একটু খিকিয়ে হেসে বলল, "বেশ ভালো বুঝেছিস তাহলে! আজ থেকে আমাদের দুজনের অফিশিয়াল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্ট তুই। আমাদের কেবিনের যেকোনো কাজ, ফাইল প্রিপারেশন থেকে শুরু করে আমাদের জুতো পলিশ করা—সব তোর রেসপন্সিবিলিটি। বুঝলি?"
"হ্যাঁ ম্যাডাম, একদম বুঝেছি," বলতে বলতে আমি দিশার ডান পায়ের স্নিকারের টো-র নিচে নিজের গালটা ছোঁয়ালাম। দিশা তখন অফিসের বাকিদের আড়ালে নিজের পা দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো হালকা করে একটু চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, "আজ লাঞ্চ টাইমে আমার আর পৌলমীর জন্য স্পেশাল কফি আর স্ন্যাকস আনতে হবে মিটিং রুমে। আর হ্যাঁ, আজ কোনো ভুল হলে কিন্তু তোর ওই সিনিয়র পজিশন বা রেপুটেশন কর্পোরেট ডাস্টিবিনে ছুড়ে ফেলে দেব, সো বেটার বি কেয়ারফুল!"
পৌলমীও তার পা আমার আরেক কাঁধে ছুঁইয়ে দিয়ে আদেশাল সুরে বলল, "আর লাঞ্চের সময় আমাদের দুজনকে জুতো খুলে পা ছড়িয়ে রিল্যাক্স করার সুযোগ করে দিবি। আমাদের দুয়ারে বসে আমাদের পা ম্যাসাজ করা তোর আজকের মূল ডিউটি।"
অফিসের সিনিয়র পদ, বয়স বা অভিজ্ঞতার সমস্ত অহংকার কোথায় যেন কর্পোরেট টয়লেটের ফ্লাশ হয়ে যাওয়া নোংরার মতো ভেসে গেছে। আমার নিজের মধ্যে তখন এক অদ্ভুত মাদকতা কাজ করছে—একজন সিনিয়র হয়ে দুজন ট্যালেন্টেড ও সুন্দরী জুনিয়র ফেমডম রানীর পায়ের নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দেওয়ার এক অসুস্থ অথচ চরম সুখের অনুভূতি!
"যেমন হুকুম আপনাদের," বলতে বলতে আমি দুহাতে ওদের জুতো পরা পা দুটো জড়িয়ে ধরে কপালে ঠেকিয়ে দিলাম।
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৪ (লাঞ্চ রুমের আজ্ঞাবহ ভৃত্য)
সোমবারে রিসেপশনের সামনে দিশা আর পৌলমীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর থেকেই আমার কর্পোরেট জীবনের ঘড়ি অন্য নিয়মে চলতে শুরু করেছিল। সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে অফিসে আমার একটা সম্মান ছিল ঠিকই, কিন্তু যখনই ঘড়ির কাঁটা দুপুর ১টার কাছাকাছি পৌঁছাত, আমার সমস্ত সিনিয়রিটি বা গাম্ভীর্য কর্পোরেট টয়লেটের ফ্লাশ হয়ে যাওয়া নোংরার মতো ভেসে যেত।
সকাল থেকেই মাথায় ঘুরছিল দিশার সেই কড়া নির্দেশ—"আজ লাঞ্চ টাইমে আমার আর পৌলমীর জন্য স্পেশাল কফি আর স্ন্যাকস আনতে হবে মিটিং রুমে। আর আমাদের পা ম্যাসাজ করার ডিউটি যেন ভুল না হয়!"
দুপুর তখন ঠিক ১টা বেজে ১০ মিনিট। অফিসের বাকি কর্মীরা সব ক্যান্টিনের দিকে ভিড় জমিয়েছে। ঠিক সেই সময়ে দিশার ফোন এল, "অনিদা, মিটিং রুমে জলদি এসো। কফি যেন বেশি ঠান্ডা না হয়, আর আসার সময় আমার জুতোর দিকে নজর রেখো, বাইরে একটু ধুলো লেগেছে।"
আমি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে ক্যাফেটেরিয়া থেকে স্পেশাল কফি এবং স্ন্যাকসের ট্রে হাতে সোজা মিটিং রুমের দিকে পা বাড়ালাম। রুমের দরজাটা ভেতর থেকে হালকা ভেজানো ছিল। আমি ট্রে-টা হাতে নিয়ে সাবধানে পা টিপে ভেতরে প্রবেশ করলাম।
মিটিং রুমের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে তখন দিশা আর পৌলমী দুজনে বেশ আরাম করে পা ছড়িয়ে বসে আছে। দিশার পায়ে সেই কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো স্নিকার।
আমি ট্রে-টা টেবিলের একপাশে রেখে সোজা ওদের দুটোর পায়ের সামনে মার্বেল ফ্লোরে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা আমার কোলের ওপর তুলে দিয়ে একটু আলস্যের সুরে বলল, "আজ কফি আনতে এত দেরি করলে কেন, অনিদা? আমাদের কি সারাদিন তোমার জন্য ওয়েট করতে হবে নাকি?"
আমি তাড়াতাড়ি হাতজোড় করে লজ্জিত গলায় বললাম, "সরি ম্যাডাম, ক্যান্টিনে ভিড় একটু বেশি ছিল তো, তাই আসতে দুই মিনিট দেরি হয়ে গেল। আর কফিটা যাতে গরম থাকে, তাই আমি নিজেই কফি মেশিন থেকে ফ্রেশ বানিয়ে নিয়ে এসেছি।"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা সোজা আমার কাঁধের ওপর তুলে দিয়ে ঠান্ডা ও শ্লেষাত্মক গলায় বলল, "কফি তো ঠিক আছে, কিন্তু তোমার আসল ডিউটি তো এখন বাকি! ভুলে গেছ, লাঞ্চের সময় আমাদের পা ম্যাসাজ করার কথা ছিল?"
"একদম ভুলিনি, ম্যাডাম," বলতে বলতে আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ না করে দিশার জুতোর ফিতে থেকে শুরু করে পায়ের পাতার নিচ পর্যন্ত আমার দুই হাত দিয়ে আলতো করে টিপতে শুরু করলাম।
পৌলমী নিজের পা টা আমার ঠিক মুখের সামনে একটু নামিয়ে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "বেশ! পা ম্যাসাজ করার ফাঁকে আমাদের কফি কাপটা খাইয়েও দাও। আর হ্যাঁ, গতকালের মতো জুতোয় যেন কোনো ধুলোর দাগ না থাকে, সেটা যেন কড়া নজরে থাকে।"
আমার দুই হাত তখন দুই রানীর পা ম্যাসাজে ব্যস্ত, আর আমার মুখ দিয়ে কফি কাপের চামচ তুলে দিচ্ছি ওদের মুখে। অফিসের কোনো সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার যে তার জুনিয়র দুই মেয়ের এমন নিখুঁত ও চরম দাসত্ব করতে পারে, তা বাইরের কেউ কল্পনাও করতে পারত না। কিন্তু আমার নিজের মধ্যে তখন এক অদ্ভুত, অসুস্থ অথচ নেশাগ্রস্ত পরাধীনতার সুখ কাজ করছিল।
দিশা কফি কাপে চুমুক দিয়ে আমার চিবুকটা নিজের জুতো পরা পায়ে হালকা করে চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল, "তুমি যতই বল না কেন অনিদা, আমাদের এই পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্টের রোলটা তোমার জন্য একদম পারফেক্ট! যতদিন এই অফিসে আছ, ততদিন আমাদের পদতলেই তোমার আসল স্থানাঙ্ক, বুঝলে?"
আমি দিশা আর পৌলমীর দুই জুতোর তলায় কপাল ঠেকিয়ে ভক্তিভরে বললাম, "আপনাদের এই পদতলের ভৃত্য হয়ে থাকাই আমার জীবনের একমাত্র পরম প্রাপ্তি, ম্যাডাম!"
মিটিং রুমের সেই গোপন চার দেওয়ালের অন্দরে আমাদের সেই পরাধীনতার খেলা আরও এক ধাপ গভীরে প্রবেশ করল—যেখানে সেনগুপ্ত স্যার বা অফিসের বাকি দুনিয়া সম্পূর্ণ অন্ধ, আর আমার পৃথিবী বলতে কেবল ওই দুই রানীর জুতোর তলার জায়গাটুকু!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৫ (কফি কাপের নিচে জুতো সাফাই ও নতুন অর্ডারের চাপ)
মিটিং রুমের সেই নিভৃতে দিশা আর পৌলমীর পা ম্যাসাজ করার কাজটা তখন পুরোদমে চলছে। কফি কাপে চুমুক দিতে দিতে দুই রানি নিজেদের মধ্যে অফিসের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে, আর আমি তাদের পায়ের কাছে মেঝেতে বসে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের জুতোর যত্ন নিচ্ছি।
হঠাৎ কফির কাপটা টেবিলে নামিয়ে রেখে পৌলমী আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে একটা আদেশ ছুড়ে দিল, "অনিদা! কফি তো খাওয়া হলো, কিন্তু কাপে একটু কফির ফোঁটা টেবিলের ওপর পড়ে গেছে তো!
টেবিলটা একটু পরিষ্কার করে দাও তো হাত দিয়ে।"
আমি বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ না করে আমার এক হাত দিয়ে টেবিলের ওপর পড়া কফির দাগটা মুছতে গেলাম। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে দিশা বাধা দিয়ে কড়া গলায় বলে উঠল, "আরে হাত দিয়ে মুছছ কেন? তোমার কি কোনো বুদ্ধি নেই নাকি? কফির দাগ পরিষ্কার করার জন্য তোমার কি জিভ বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যম নেই?"
আমার বুকটা একটা অদ্ভুত রোমাঞ্চে কেঁপে উঠল। আমি তৎক্ষণাৎ টেবিলের ওপর ঝুঁকে পড়ে আমার জিভ দিয়ে সেই কফির ফোঁটা চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম। টেবিলের ওপর লেগে থাকা কফির সুস্বাদু তিতকুটে স্বাদ আমার জিভে ছোঁয়া মাত্র দুই রানি খিলখিল করে হেসে উঠল।
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার ঠিক কাঁধের ওপর চেপে ধরে বলল, "বাহ্! ভৃত্যের কাজ এভাবেই নিখুঁত হতে হয়! আচ্ছা পৌলমী, কালকে তো আমাদের একটা বড় ক্লায়েন্ট মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ের প্রেজেন্টেশন ফাইলটা কি অনিদা রেডি করেছে?"
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা আমার কোলের ওপর আরও একটু নামিয়ে দিয়ে বলল, "ফাইলের কথা বলছিস? ওটা তো আজকেই সাবমিট করার কথা ছিল। দেখি, আমাদের এই পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম আন্ডার দ্য টেবিল সার্ভেন্ট আমাদের ফাইলটা কতটা পারফেক্ট বানিয়েছে।"
আমি তক্ষুনি আমার পকেট থেকে ল্যাপটপটা বের করে তাদের সামনে ধরলাম। স্ক্রিনে ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের প্রেজেন্টেশন ফাইলটা ওপেন করে ভয়ে ভয়ে বললাম, "এই দেখুন ম্যাডাম, ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের সমস্ত ডাটা, গ্রাফ আর চার্ট একদম নিখুঁতভাবে রেডি করে রেখেছি। সেনগুপ্ত স্যারও এটা একবার চেক করে গেছেন।"
পৌলমী ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে এক পলক দেখে নিয়ে মুচকি হেসে বলল, "হুম, কাজ তো মোটামুটি ঠিকঠাকই করেছ দেখছি। তবে কাজের মান যতই ভালো হোক না কেন, আমাদের সাথে সাবমিট করার এই অ্যাটিটিউডটা যেন সবসময় এমন বিনীত থাকে, বুঝলে?"
"একদম ম্যাডাম!" বলতে বলতে আমি দিশা আর পৌলমীর জুতোর তলায় পরপর দুটো গাঢ় চুম্বন এঁকে দিলাম।
ঠিক সেই মুহূর্তে বাইরে করিডোরে কার যেন জুতার আওয়াজ পাওয়া গেল। মনে হলো ডিপার্টমেন্টের হেড মিস্টার সেনগুপ্ত কিংবা অন্য কেউ ওই মিটিং রুমের কাছাকাছি আসছ। দিশা আর পৌলমী সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের পা দুটো সরিয়ে নেওয়ার ভঙ্গি করল, কিন্তু আমি নিজেই অতি উৎসাহে তাদের জুতোর টো-তে আমার ঠোঁট দুটো চেপে ধরে ফিসফিস করে বললাম, "কেউ আসছে মনে হচ্ছে, আমি কি টেবিলের নিচে চলে যাব?"
দিশা ঠান্ডা ও আত্মবিশ্বাসী হাসিতে মাথা নেড়ে বলল, "যাওয়ার কোনো দরকার নেই। সেনগুপ্ত এলে দেখবে কোম্পানির সিনিয়ার ডেপুটি ম্যানেজার আমাদের সামনে বসে ফাইল চেক করাচ্ছেন। সে কি আর স্বপ্নেও ভাবতে পারবে যে সেই সিনিয়ার অফিসার আসলে আমাদের জুতোর তলার একটা পোষা গোলাম?"
বাইরে সেনগুপ্ত স্যারের গলার আওয়াজ পেলেও আমার হৃদস্পন্দন তখন অন্য কারণে দ্রুত বইছিল—সেনগুপ্ত বা বাইরের দুনিয়া আমাকে যতই সম্মান করুক না কেন, আমার আসল ঠিকানা যে এখন ওই দুই রানীর জুতোর তলাতেই বাঁধা, সে বিষয়ে আমার মনে আর কোনো সংশয় ছিল না!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৬ (করিডোরের চোখ ও কেবিনের গোপন শাস্তি)
মিটিং রুমের বাইরে সেনগুপ্ত স্যারের গলার আওয়াজটা আস্তে আস্তে দূরে মিলিয়ে গেল। তিনি হয়তো অন্য কোনো কেবিনের দিকে কাজে চলে গেছেন। আমাদের সিক্রেট কেবিন বা মিটিং রুমের ভেতরে তখন এক অদ্ভুত ও থমথমে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে।
দিশা আর পৌলমী দুজনেই নিজেদের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে আরও একটু হেলান দিয়ে বসল। দিশার পায়ে সেই কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো শু।
পৌলমী আমার দিকে তাকিয়ে একটু বাঁকা হেসে বলল, "কী রে অনিদা? সেনগুপ্ত স্যারের নাম শুনতেই তো তোমার বুকটা কেঁপে উঠেছিল! একটু আগে যে বড় বড় কথা বলছিলে, সেই সাহসটা কোথায় গেল?"
আমি মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে হাতজোড় করে লজ্জিত গলায় বললাম, "সরি ম্যাডাম, আসলে বাইরে তো একটা কর্পোরেট প্রটোকল বজায় রাখতে হয়। সেনগুপ্ত স্যার যদি কোনোভাবে আমাদের এই সম্পর্কটার বিন্দুমাএ টের পেতেন, তাহলে তো অফিসে বড় একটা কেলেঙ্কারি হয়ে যেত।"
দিশা ঠান্ডা গলায় শ্লেষের সাথে বলল, "কেলেঙ্কারি তো দূরে থাক, সেনগুপ্তের কি সেই সাধ্য আছে যে আমাদের ব্যাপারে কিছু বলে? তবে হ্যাঁ, কাজের সময় একটু সাবধানে থাকা ভালো। আজ বিকেলেই ক্লায়েন্টের সাথে আমাদের মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে তুমি আমাদের পেছনে পেছনে থাকবে, আর আমাদের যেকোনো ছোটখাটো দরকার—যেমন ফাইল এগিয়ে দেওয়া বা নোট করা—সব তোমার রেসপন্সিবিলিটি।"
"যেমন হুকুম, ম্যাডাম," আমি মাথা নিচু করে বিনীতভাবে সম্মতি দিলাম।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল চারটে নাগাদ ক্লায়েন্ট মিটিং শুরু হলো। বিশাল কনফারেন্স রুমে কোম্পানির বড় বড় ডিরেক্টর, ক্লায়েন্ট এবং আমাদের ডিপার্টমেন্টের হেড মিস্টার সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন। মিটিংয়ের টেবিলে দিশা আর পৌলমী একপাশে বসল, আর আমি কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ও সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে ঠিক তাদের পাশেই একটা চেয়ারে বসলাম।
মিটিং চলাকালীন যখনই কোনো টেকনিক্যাল ডাটা বা প্রেজেন্টেশন স্লাইড বদলানোর দরকার হচ্ছিল, দিশা বা পৌলমী জাস্ট টেবিলের নিচে নিজেদের জুতো পরা পা দিয়ে আমার পায়ে বা জুতোর ওপর একটা হালকা চাপ দিচ্ছিল। ওটাই ছিল আমার জন্য সাইলেন্ট কমান্ড!
টেবিলে সবাই যখন গম্ভীর মুখে মিটিংয়ের আলোচনা শুনছে, তখন টেবিলের নিচে আমার অবস্হা ছিল দেখার মতো। দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারের টো দিয়ে আমার জুতোর ওপর ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছিল, যার মানে হলো—"তাড়াতাড়ি ওই এক্সেল শিটটা ওপেন করো!" আর পৌলমী নিজের কালো শু দিয়ে আমার পায়ের গোড়ালিটা আলতো করে টিপে ধরে আমাকে প্যানিক করার চেষ্টা করছিল।
মিটিংয়ের মাঝে একবার দিশা একটা ফাইল আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, "অনিদা, পেছনের পেজটা একটু চেক করো তো।"
আমি ফাইলটা হাতে নিয়ে পাতার উল্টো দিকে চোখ বুলাতে গিয়ে একটু নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে সেনগুপ্ত স্যার আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলে উঠলেন, "কী ব্যাপার অনিদা? ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের মাঝে একটু অমনোযোগাযোগী মনে হচ্ছে যে তোমাকে?"
আমার বুকটা তখন ছাৎ করে উঠেছে। আমি কোনোমতে সামলে নিয়ে বললাম, "না স্যার, আসলে ক্লায়েন্টের দেওয়া নতুন ডেটা পয়েন্টগুলো একটু ক্রস-চেক করছিলাম।"
সেনগুপ্ত স্যার সন্তুষ্ট হয়ে মাথা নাড়লেন। কিন্তু টেবিলের নিচে বসা দুই রানীর মুখে তখন জয়ের এক চতুর হাসি খেলছে! তারা খুব ভালো করেই জানত যে, রুমের ওই বড় বড় ডিরেক্টর বা সেনগুপ্ত স্যারের সামনে আমি যতই কুল এবং প্রফেশনাল ম্যানেজার সেজে থাকি না কেন, আমার পুরো মন এবং শরীরটা তখন ওই দুই জুনিয়র রানীর জুতোর নিচের ইশারার ওপর পুরোপুরি বন্দি হয়ে আছে।
মিটিং শেষ হওয়ার সাথে সাথেই সমস্ত ক্লায়েন্ট ও ডিরেক্টররা রুম ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। সেনগুপ্ত স্যারও যাওয়ার সময় আমার পিঠে হাত দিয়ে বললেন, "গুড জব, অনিদা! মিটিংটা ভালো হ্যান্ডেল করেছ।"
সেনগুপ্ত স্যার বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই কনফারেন্স রুমের ভারী দরজাটা ভেতর থেকে লক হয়ে গেল। দিশা আর পৌলমী নিজেদের চেয়ার থেকে উঠে সরাসরি আমার সামনে এসে দাঁড়াল।
পৌলমী নিজের কালো শু পরা পা টা সোজা আমার কোলের ওপর তুলে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "বেশ ভালোই তো কনফারেন্স রুমে বড় বড় অফিসারদের সামনে ম্যানেজার সেজে বসেছিলে, অনিদা! কিন্তু মিটিংয়ের সময় টেবিলের নিচে যে তোমার হাত-পা কাঁপছিল, সেটা তো আমরা খুব ভালো করেই টের পেয়েছি!"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার চিবুকের নিচে আলতো করে ছুঁইয়ে ফিসফিস করে বলল, "বাইরের দুনিয়ায় তুমি যতই কোম্পানির বড় অফিসার হও না কেন, আমাদের এই সিক্রেট ফেমডম সাম্রাজ্যের নিয়ম ভাঙার সাধ্য তোমার নেই। কনফারেন্স রুমে আমাদের ইশারা বুঝতে একটু দেরি করার অপরাধে আজকের শাস্তি হলো—আমাদের এই জুতো দুটো এখনই ভালো করে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতে হবে।"
আমি আর বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে কনফারেন্স রুমের সেই মার্বেল ফ্লোরে সোজা উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম। সেনগুপ্ত বা কোম্পানির বাকি দুনিয়া যতই আমাকে জেনারেল ম্যানেজার বা সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার ভাবুক না কেন, আমার আসল ও একমাত্র ঠিকানা যে ওই দুই রানীর জুতোর তলাই, তা আমার পরাধীন মন আরও একবার পরম সুখে মেনে নিল!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৭ (কনফারেন্স রুমের ফ্লোরে শেষ রাতের দাসত্ব)
কনফারেন্স রুমের ভারী দরজাটা ভেতর থেকে সিল করা। বড় বড় ডিরেক্টর আর সেনগুপ্ত স্যার অনেক আগেই যে যার বাড়ি চলে গেছেন। বিশাল ওই মিটিং হলের নিস্তব্ধতার মধ্যে তখন কেবল আমার হাঁপানোর শব্দ আর দিশা-পৌলমীর জুতোর হিল বা স্নিকারের মৃদু টকটক শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যাচ্ছিল না।
কনফারেন্স টেবিলের ঠিক কোণটায় আমি তখন মার্বেল ফ্লোরের ওপর সাষ্টাঙ্গে উপুড় হয়ে শুয়ে আছি। আমার দুই হাত সামনে ছড়ানো, আর চোখের পলক ফেলতেও বুক কাঁপছে।
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা ডান পা টা সোজা বাড়িয়ে দিয়ে আমার ঘাড়ের ঠিক ওপরে সজোরে চেপে ধরল। ও ঠান্ডা ও দাপুটে গলায় বলল, "কী হলো অনিদা? কনফারেন্স রুমে একটু নার্ভাস হয়ে যাওয়ার অপরাধে যে শাস্তি দিয়েছিলাম, সেটা কি এখনো শেষ হয়নি নাকি? জুতোর তলায় ধুলো লেগেছে অথচ তোমার জিভ এখনো ঠিকমতো কাজ করছে না কেন?"
পৌলমী নিজের স্লিক কালো শু পরা পা টা আমার কোমরের ওপর আলতো করে আলিয়ে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "ছোডো না দিশা! ওর তো আবার বড় অফিসার হওয়ার একটা বদভ্যাস আছে না? বাইরে জিএম বা ডেপুটি ম্যানেজার, আর আমাদের সামনে আসতেই একদম পোষা কুকুরের মতো অবস্থা! জুতোর তলা থেকে একটুও ময়লা যেন বাকি না থাকে, একদম কাঁচের মতো পরিষ্কার চাই।"
আমি দিশার পায়ের নিচে মাথাটা আরও একটু গুঁজে দিয়ে কাঁপাকাঁপা গলায় বললাম, "একদম পরিষ্কার করে দিচ্ছি, ম্যাডাম! আমার কোনো পরিচয় নেই, আমি কেবল আপনাদের এই জুতো চাটার জন্যই বেঁচে আছি।"
কথাটা শেষ করেই আমি আমার জিভ বের করে দিশার স্নিকারের তলাটা খুব ভালো করে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম। কনফারেন্স রুমের ঠাণ্ডা ফ্লোরে শুয়ে জুতো চাটার সেই অদ্ভুত ও চরম পরাধীনতার নেশা আমার সমস্ত রক্তে ছড়িয়ে পড়ছিল। সেনগুপ্ত বা কোম্পানির কেউ যদি কোনোভাবে এই দৃশ্য দেখতে পেত, তবে হয়তো হার্ট অ্যাটাক করে বসে থাকত। কিন্তু আমার কাছে তখন ওই দুই রানীর জুতোর তলার জায়গাটুকুই ছিল পৃথিবীর একমাত্র পবিত্র স্থান।
প্রায় আধঘণ্টা ধরে কনফারেন্স রুমের ফ্লোরে দিশা আর পৌলমীর জুতো জিভ দিয়ে ঘষে ঘষে একদম আয়নার মতো চকচকে করে তোলার পর আমি যখন মাথা তুললাম, তখন আমার মুখ দিয়ে আর কথা বের হচ্ছিল না।
দিশা নিজের পা টা আমার গাল থেকে সরিয়ে নিয়ে তৃপ্তির হাসি হেসে বলল, "বেশ! আজকের মতো তোমার এই দাসত্ব পর্ব এখানেই শেষ হলো। কাল সকালে অফিসে ঢোকার আগে আমাদের কেবিনের কফি আর ফাইল যেন একদম রেডি থাকে, বুঝলে?"
"হ্যাঁ ম্যাডাম, সব ঠিক থাকবে," আমি বিনীতভাবে মাথা নিচু করে বললাম।
ওরা দুজনে নিজেদের হ্যান্ডব্যাগ গুছিয়ে রুমের দরজা খুলে বেরিয়ে গেল। কনফারেন্স রুমের সেই ফাঁকা ঘরে আমি একা একা মেঝেতে বসে নিজের কাপড়ের ধুলো ঝাড়তে লাগলাম। বাইরে ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত আটটা বেজে গেছে। অফিস প্রায় ফাঁকা।
আমি যখন নিজের কেবিন থেকে ব্যাগ নিয়ে লিফটের দিকে যাচ্ছি, তখন করিডোরের শেষ মাথায় মিস্টার সেনগুপ্তের সাথে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল। তিনি সম্ভবত কোনো ফাইল নিতে আবার কেবিনে ফিরছিলেন।
আমাকে দেখে সেনগুপ্ত স্যার একটু অবাক হয়ে বললেন, "আরে অনিদা! তুমি এখনো অফিসেই আছো? এত রাত পর্যন্ত কাজ করছ? সত্যি, তোমার এই ডেডিকেশন দেখে আমি মুগ্ধ! এই প্রজন্মের এমপ্লয়িদের তোমার থেকে শেখা উচিত।"
সেনগুপ্ত স্যারের মুখে নিজের এই ভূয়া প্রশংসাবাক্য শুনে আমার ভেতরে ভেতরে এক অদ্ভুত হাসি পেল। তিনি কিচ্ছু জানেন না যে তাঁর এই 'ডেডিকেটেড ও লয়াল অফিসার' আসলে ঠিক কিছুক্ষণ আগেই জুনিয়র দুই মেয়ের জুতোর তলায় ফ্লোরে উপুড় হয়ে শুয়ে তাদের জুতো চাটছিল!
আমি কোনোমতে একটা পেশাদার হাসি টেনে এনে বললাম, "আসলে স্যার, কালকের ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের কিছু ফলো-আপ কাজ বাকি ছিল তো, তাই একটু লেট হয়ে গেল।"
"ঠিক আছে, বেশি রাত কোরো না, সাবধানে বাড়ি যেও," সেনগুপ্ত স্যার পিঠে হাত দিয়ে বিদায় নিলেন।
অফিসের মেইন গেট দিয়ে যখন রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম, তখন ঠান্ডা বাতাসে আমার গা জুড়িয়ে গেল। পকেট থেকে ফোনটা বের করতেই দিশার একটা নতুন মেসেজ স্ক্রিনে ভেসে উঠল—"কাল সকালে আসার সময় স্টারবাক্স থেকে আমাদের জন্য দুটো কোল্ড কফি নিয়ে আসবে। ভুলে গেলে কিন্তু কলার ধরে কেবিনে ঝুলিয়ে রাখব!"
আমি মেসেজটা দেখে মুচকি হাসলাম। কর্পোরেট দুনিয়ায় আমি যতই বড় পদ বা জেনারেল ম্যানেজারের সিটে বসি না কেন, আমার জীবন যে এখন সম্পূর্ণভাবে ওই দুই রানীর জুতোর তলার ইশারায় বাঁধা, সেকথা ভেবেই আমার বুকটা এক অজানা ও চরম পরাধীনতার সুখে ভরে উঠল!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৮ (সকালের স্টারবাক্স ও কেবিনের গোলামি)
পরদিন মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই আমার মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত রোমাঞ্চ কাজ করছিল। দিশার সেই রাতের মেসেজটা আমার মাথার মধ্যে বারবার ঘুরছিল—স্টারবাক্স থেকে কোল্ড কফি না আনলে কেবিনে ঝুলিয়ে রাখা হবে! কর্পোরেট দুনিয়ায় আমি একজন সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার বা জিএম হতে পারি, কিন্তু আমার ব্যক্তিগত রুটিন যে এখন পুরোপুরি দুই রানীর মর্জিমাফিক চলে, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলাম।
অফিসে ঢোকার ঠিক আধ ঘণ্টা আগে আমি শহরের একটা নামী স্টারবাক্স আউটলেট থেকে দিশা আর পৌলমীর পছন্দের ফ্লেভারের দুটো কোল্ড কফি প্যাক করিয়ে নিলাম। সাবধানে কফি দুটো ব্যাগে ভরে যখন অফিসে এসে পৌঁছলাম, তখন ঘড়িতে সবেমাত্র সকাল পৌনে নয়টা বেজেছে।
অফিসের বাকি স্টাফ ও জুনিয়ররা তখন সবেমাত্র এসে নিজেদের ডেস্কে বসছে। করিডোর দিয়ে হাঁটার সময় অনেকেই আমাকে দেখে সম্মান জানিয়ে বলল, "গুড মর্নিং, অনিদা স্যার!"
আমিও খুব পেশাদার ও গম্ভীর মুখে তাদের প্রতি-নমস্কার জানিয়ে সোজা আমাদের ডিপার্টমেন্টের দিকে এগিয়ে গেলাম। কিন্তু সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার বুকটা একবার কেঁপে উঠল। কারণ আমি জানি, এই ভদ্রলোক আমাকে কোম্পানির সবচেয়ে সৎ ও লয়াল অফিসার ভাবেন, আর তাঁর সেই 'লয়াল অফিসার' কি না একটু পরেই দুই জুনিয়র মেয়ের সামনে কফির কাপ হাতে হাঁটু গেড়ে বসবে!
দিশা আর পৌলমীর ব্যক্তিগত কেবিনের দরজায় মৃদু নক করে আমি ভেতরে প্রবেশ করলাম।
দরজাটা ভেতর থেকে লক হওয়ার সাথে সাথেই আমার সেই জেন্টলম্যান ডেপুটি ম্যানেজারের খোলসটা নিমেষের মধ্যে ধুলোয় মিশে গেল। কেবিনের মার্বেল ফ্লোরে পা রেখেই আমি সোজা হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
দিশা আর পৌলমী দুজনেই তখন নিজেদের এক্সিকিউটিভ চেয়ারে পা তুলে বেশ আরাম করে বসে আছে। দিশার পায়ে সেই চেনা কালোর ওপরে গোলাপি ডিজাইন করা স্নিকার, আর পৌলমীর পায়ে স্লিক কালো শু।
আমি হাত জোড় করে কফির ব্যাগটা ওদের টেবিলের ওপর রেখে বিনীত গলায় বললাম, "গুড মর্নিং, ম্যাডামরা। আপনাদের স্টারবাক্সের কোল্ড কফি নিয়ে এসেছি। একটুও গলে যায়নি, একদম পারফেক্ট আছে।"
পৌলমী কফির স্ট্র-তে একটা চুমুক দিয়ে তৃপ্তির হাসি হেসে বলল, "বাহ্! টাইমের আগেই তো কফি এসে গেছে দেখছি। আমাদের হুকুম পাল্টাতে এখন তোমার জুড়ি মেলা ভার, অনিদা!"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকার পরা পা টা আমার ঠিক মুখের সামনে এগিয়ে দিয়ে ঠান্ডা ও দাপুটে গলায় বলল, "কফি তো ঠিক সময়ে এনেছ, কিন্তু তোমার আসল ডিউটি কি ভুলে গেছ? গতকাল রাতে ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের আগে আমাদের জুতোয় একটু ধুলো লেগেছিল, আজ সকালে কেবিনে ঢোকার আগে সেগুলো চেক করেছ তো?"
আমি বিন্দুমাত্র কালবিলম্ব না করে সোজা দিশার পায়ের কাছে আরও একটু এগিয়ে গেলাম। তারপর আমার জিভ বের করে দিশার স্নিকারের টো থেকে শুরু করে তলা পর্যন্ত ভালো করে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম।
পৌলমী নিজের কালো শু পরা পা টা আমার অন্য কাঁধের ওপর তুলে দিয়ে মুচকি হেসে বলল, "আজ কিন্তু আমাদের আরও একটা ইম্পর্টেন্ট কাজ আছে। দুপুরের দিকে নতুন জুনিয়র শুভশ্রী অফিসে জয়েন করবে। দিশার ছোট বোন, বুঝতেই পারছ! আমাদের এই সিক্রেট ফেমডম সাম্রাজ্যের নতুন রানি হিসেবে ওকে কীভাবে ওয়েলকাম করতে হবে, তার একটা গ্র্যান্ড প্ল্যান আমাদের করতে হবে।"
শুভশ্রীর কথা শুনে আমার জিভটা এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। দিশার ছোট বোন মানে সেও যে আমাদের এই পরাধীনতার খেলায় সামিল হবে, তা বুঝতে আমার বাকি রইল না।
আমি দিশা ও পৌলমীর দুই জুতোর তলায় পরপর দুটো গাঢ় চুম্বন এঁকে দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বললাম, "যেমন হুকুম আপনাদের! শুভশ্রী ম্যাডাম আসলেও আমার এই দাসত্ব এবং জুতো চাটার সেবা আরও দ্বিগুণ হয়ে যাবে।"
দিশা তৃপ্তির হাসি হেসে আমার চিবুকটা নিজের জুতো পরা পায়ে হালকা করে চেপে ধরে বলল, "শাবাস অনিদা! আমাদের অনুগত ভৃত্য এভাবেই নিজের রানীদের সেবা করতে ভালোবাসે। যাও, এবার তোমার নিজের ডেস্কে গিয়ে অফিশিয়াল ফাইলগুলো রেডি করো। শুভশ্রী অফিসেই পৌঁছানোর সাথে সাথেই কিন্তু আমাদের আসল খেলা শুরু হবে!"
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ৯ (সংশোধিত: শুভশ্রীর জুতোর তলায় জিভের অভ্যর্থনা)
মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ আমাদের ডিপার্টমেন্টের সেই থমথমে অথচ উত্তেজনাকর পরিবেশটা আরও এক মাত্রা বেড়ে গেল। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সাড়ে বারোটা। করিডোরে জুনিয়র স্টাফদের ফিসফিসানি আর পায়ের শব্দ থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে কে যেন নতুন জয়েন করতে আসছে।
আমাদের কেবিনের দরজাটা হালকা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করল এক চঞ্চলা, ফর্সা ও দারুণ দেখতে তরুণী—দিশার নিজের ছোট বোন, শুভশ্রী।
আজকেই শুভশ্রীর কলেজে পড়া শেষ করে কর্পোরেট দুনিয়ায় প্রথম দিন। ওর পরনে একটা সুন্দর নীল রঙের ফরমাল টপ আর জিন্স, পায়ে একজোড়া চকচকে সাদা স্নিকার্স। দিশা আর পৌলমী আগেই ওদের চেয়ারে পা তুলে বসে ছিল। শুভশ্রীকে রুমে ঢুকতে দেখেই দুই রানীর মুখেই এক চতুর ও বিজয়ের হাসি ফুটে উঠল।
শুভশ্রী ঘরে ঢুকেই একটু লাজুক অথচ আত্মবিশ্বাসী গলায় বলল, "হাই দিদি! হাই পৌলমী দি! আমি তো এসে গেছি।"
দিশা নিজের এক্সিকিউটিভ চেয়ার থেকে সামান্য ঝুঁকে হাসিমুখে বলল, "আরে আয় আয় শুভশ্রী! তোকেই আমরা ওয়েলকাম করার জন্য ওয়েট করছিলাম। বোস, কেমন লাগছে তোর প্রথম অফিস?"
শুভশ্রী সোফায় নিজের হ্যান্ডব্যাগটা রেখে একটু চারপাশটা দেখে নিয়ে বলল, "বেশ ভালোই তো! আর এই যে ইনি কে? ইনিই কি সেই কোম্পানির সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার অনিদা স্যার?"
শুভশ্রী যখন ব্যঙ্গাত্মক গলায় "স্যার" কথাটা উচ্চারণ করল, তখন আমার বুকটা কেমন যেন কেঁপে উঠল। কারণ, সে তখনো পুরোপুরি জানত না যে এই কেবিনের ভেতরে সেই "স্যার" পদের আসল অবস্হা কী!
পৌলমী নিজের স্লিক কালো স্নিকার পরা পা টা টেবিলের ওপর থেকে নামাতে নামাতে মুচকি হেসে বলল, "স্যার আবার কী রে শুভশ্রী! উনি হলেন আমাদের এই কেবিনের এক্সক্লুসিভ পার্সোনাল প্রিজন-স্লুভ বা কমন গোলাম। আজ থেকে তুইও তো আমাদের এই টিমের পার্ট, তাই এই গোলামের ওপর তোরও পুরো অধিকার থাকবে!"
শুভশ্রী চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হয়ে বলল, "ওমা! তাই নাকি? কোম্পানির এত বড় সিনিয়ার অফিসার আমাদের কমন গোলাম?"
আমি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে, আমার সমস্ত সিনিয়রিটি বা ডেপুটি ম্যানেজার পদের গাম্ভীর্য দরজার বাইরে ফেলে এসে সোজা সেই মার্বেল ফ্লোরে দিশা, পৌলমী আর শুভশ্রীর ঠিক মাঝখানে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম।
আমি হাত জোড় করে বিনীত গলায় বললাম, "ওয়েলকাম টু দ্য অফিস, শুভশ্রী ম্যাডাম!"
আমার কথা শেষ হতে না হতেই শুভশ্রী খিলখিল করে হেসে উঠল। তারপর একটু বাঁকা ও অহংকারী সুরে তুই-তুকারি করে বলে উঠল, "আরে! কেবল মুখে ওয়েলকাম জানিয়ে পায়ে চুমু খেলে আমার কী লাভ হলো, রে কুকুরের বাচ্চা? এতে তো আমার জুতোও পরিষ্কার হলো না, আর আমার পায়ের তলাতেও কোনো কুতকুতি বা আরাম লাগল না! তুই যদি জুতায় আর পায়ে শুধু চুমু না দিয়ে তোর জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করতিস, তবেই না আমার জুতোও চকচক করত আর আমার পায়ে সুড়সুড়ি লেগে দারুণ আরামও পেতাম!"
শুভশ্রীর এই কথা শুনে দিশা আর পৌলমী দুজনেই উচ্চস্বরে হেসে উঠল। দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারটা আমার চোখের সামনে আরও একটু এগিয়ে দিয়ে বলল, "একদম ঠিক বলেছিস শুভশ্রী! নতুন রানি হয়েই তুই তো একদম আসল ফেমডম রুল ধরে ফেলেছিস! শোন অনিদা, ম্যাডামের জুতোর তলায় শুধু চুমু দিলে হবে না, জিভ দিয়ে চেটে সাফ করতে হবে!"
আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ না করে সোজা শুভশ্রীর সেই নতুন সাদা স্নিকারের সামনে উপুড় হয়ে গেলাম। আমার মুখ থেকে জিভ বের করে আমি শুভশ্রীর স্নিকারের তলাটা সজোরে চেটে পরিষ্কার করতে শুরু করলাম।
শুভশ্রী আমার জিভের ছোঁয়ায় পায়ের তলায় সুড়সুড়ি পেয়ে খিলখিল করে হেসে উঠে বলল, "ইসস! বেশ কুতকুতি হচ্ছে তো! এই তো ঠিক আছে! আজ থেকে তুই হচ্ছিস আমাদের সবার কমন পোষা কুকুরের বাচ্চা—যে আমাদের জুতো চাটার মাধ্যমেই আমাদের ওয়েলকাম করবে!"
বাইরের দুনিয়ার কাছে আমি তখনো কোম্পানির এক অত্যন্ত সম্মানিত সিনিয়র অফিসার, কিন্তু সেই কেবিনের চার দেওয়ালের ভেতরে আমি হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম দিশা, পৌলমী আর নতুন রানি শুভশ্রীর পদতলে চিরকালের মতো সঁপে দেওয়া এক পরাধীন ও অনুগত পোষা গোলাম!
দিশা ও পৌলমীর ছায়ায় — পর্ব ১০ (শুভশ্রীর জুতোয় কুতকুতি ও নতুন রানীর প্রথম হুকুম)
শুভশ্রীর সেই তীব্র ও ডমিনেন্ট কথায় আমার কর্পোরেট ইজ্জতের শেষ বিন্দুটুকুও চিরকালের জন্য ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। "কুকুরের বাচ্চা" সম্বোধন শোনার পরও আমার মধ্যে কোনো ক্ষোভ বা প্রতিবাদ কাজ করেনি; বরং একজন সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার হয়ে নতুন রানি শুভশ্রীর পায়ের তলায় জিভ দিয়ে জুতো চাটার মধ্যে আমি এক চরম ও অসুস্থ পরাধীনতার সুখ খুঁজে পাচ্ছিলাম।
শুভশ্রী নিজের সাদা স্নিকার পরা পা টা আমার মুখের সামনে আরও একটু চেপে ধরে খিলখিল করে হাসতে লাগল। আমার ভেজা জিভের ছোঁয়ায় ওর পায়ের তলায় দারুণ সুড়সুড়ি বা কুতকুতি লাগছিল, আর সেই অনুভূতিটাই ওকে আরও বেশি আনন্দ দিচ্ছিল।
শুভশ্রী নিজের পা টা সামান্য নাচিয়ে দুষ্টুমিভরা গলায় বলল, "ইসস, কুতকুতিটা বেশ লাগছে তো! এই তো একদম পারফেক্ট সার্ভিস! শোন অনিদা, তুই তো এখন থেকে আমাদের সবার কমন পোষা কুকুরের বাচ্চা। তা প্রথম দিন অফিসে জয়েন করেই আমার কিছু অফিশিয়াল কাজের দরকার আছে না?"
দিশা নিজের গোলাপি-নকশার স্নিকারের তলা থেকে আমার মাথাটা একটু তুলে ধরে বলল, "কী রে কুকুরের বাচ্চা? নতুন রানি প্রথম দিন অফিসে এসে তোকে কোনো কাজ করতে বললে তোকে তো নিমেষের মধ্যে সেটা করে দিতে হবে। বল, শুভশ্রীর কী কাজ বাকি আছে?"
শুভশ্রী নিজের ব্যাগ থেকে একটা ফাইল বের করে টেবিলের ওপর রেখে বলল, "আমার এই ফার্স্ট দিনের জয়েনিং রিপোর্ট আর ডিপার্টমেন্টাল সেটআপের ফাইলটা এখনো সেনগুপ্ত স্যারের সিগনেচারের জন্য বাকি আছে। তুই এক কাজ কর—এই ফাইলটা নিয়ে সোজা সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনে যা। আর যাওয়ার সময় আমার এই জুতো দুটো ভালো করে জিভ দিয়ে চেটে পরিষ্কার করে যা, যাতে স্যারের কেবিনে যাওয়ার আগে আমার জুতোর সুবাস তোর জিভে লেগে থাকে!"
পৌলমী সোফায় পা তুলে বসে হাসতে হাসতে যোগ করল, "দারুণ আইডিয়া! সেনগুপ্ত স্যারের সামনে আমাদের এই পোষা কুকুরের বাচ্চা ফাইল নিয়ে হাজির হবে, আর স্যারের কি সাধ্য আছে যে সে বুঝতে পারবে ওই অফিসারের মুখ থেকে আমাদের জুতো আর থুথুর গন্ধ বের হচ্ছে!"
আমার বুকটা ভয়ে আর উত্তেজনায় কাঁপতে লাগল। সেনগুপ্ত স্যার একটু কড়া স্বভাবের মানুষ, তিনি যদি বুঝতে পারেন যে আমি জুনিয়র মেয়েদের জুতো চেটে তাঁর সামনে দাঁড়াচ্ছি, তাহলে আস্ত কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। কিন্তু রানীদের হুকুম অমান্য করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
আমি তৎক্ষণাৎ শুভশ্রীর সেই সাদা স্নিকারের তলাটা আরও একবার আমার জিভ দিয়ে খুব ভালো করে চেটে পরিষ্কার করে দিলাম। শুভশ্রী পায়ের তলায় সুড়সুড়ি পেয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল।
আমি শুভশ্রীর সেই সাইনিং ফাইলটা হাতে তুলে নিয়ে বিনীত গলায় বললাম, "আপনার ফাইল আমি এখনই সেনগুপ্ত স্যারের কাছ থেকে সই করিয়ে নিয়ে আসছি, শুভশ্রী ম্যাডাম।"
দরজা খুলে যখন আমি সেনগুপ্ত স্যারের কেবিনের দিকে এগোচ্ছিলাম, তখন আমার মুখের ভেতর রানীদের জুতো চাটার সেই অদ্ভুত স্বাদ লেগে ছিল। বাইরে সবাই আমাকে কোম্পানির সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত অফিসার ভাবছিল, অথচ ভেতরে ভেতরে আমি ছিলাম সেই তিন রানীর এক অনুগত ও পদানত পোষা কুকুরের বাচ্চা!
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment