Sunday, 1 October 2023

নার্স মৌমিতা...

নার্স মৌমিতা... 1.... কয়েক বছর আগের কথা। bsc, msc ও b.ed complete করার পরে আমি যখন বুঝলাম স্কুলে আপাতত নিয়োগের রাস্তা বন্ধ তখন বাধ্য হয়ে অন্য ছোট কাজ খুঁজতে লাগলাম । তখন আমার বয়স ২৫। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে, তাই চাকরি পাওয়া খুব দরকার ছিল।অবশেষে প্রথম চাকরি পেলাম বাড়ি থেকে ২৫ কিমি দূরের এক ছোট শহরে। এক ছোট্ট নতুন খোলা health centre এ। কন্ট্রাকচুয়াল চাকরি। গ্রুপ ডি পোস্টে। সামান্য বেতন। সেন্টারে লোক বলতে আমিই প্রথম নিয়োগ পেলাম। আমার পরে আরো ৩ জনের নিয়োগ পাওয়ার কথা। একজন নার্স, একজন ফার্মাসিস্ট আর একজন mbbs ডাক্তার । সবাই কন্ট্রাকচুয়াল সেখানে, এক বছরের চুক্তি। আমি জয়েন করার ১ সপ্তাহ পরে মৌমিতা নামের GNM নার্স মেয়েটি জয়েন করতে এল। ওর বাবা লোকাল ক্ষমতাধর প্রোমোটার। ওর কাকু নেতা। ফলে নিজেদের বাড়ির ২১ বছরের প্রাইভেট থেকে পাশ করা সুন্দরী মেয়েকে নার্সের পোস্টে বিনা ইন্টারভিউতে চাকরিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে। যা হয় আর কি! এই পুরনো বিল্ডিং এ যে হাসপাতাল খুলেছে তাই এলাকার লোকে জানত না। ফলে আমাদের রোজ সকাল ১০ টায় আসা আর দুপুর ২ টোয় বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া কোন কাজ নেই। মৌমিতা ক্ষমতাবান পরিবারের , সে এইটুকুই বা করবে কেন? সে সপ্তাহে ৩ দিন আসে। তাও সে ঢোকে ১১ টায় আর ১ টায় বেরিয়ে যায়। ফর্শা সুন্দরী মৌমিতার কাজ কিছুই নেই তখন । কিন্তু কাজ হীন হাসপাতালেও গ্রুপ ডি আমার বেশ কিছু কাজ আছে। সকাল ১০ টায় এসে আমি রোজ গেট খুলে, ঘর ঝাঁট দিই। মৌমিতা সকাল ১১ টায় স্কুটি নিয়ে ঢুকছে দেখলে আমি বেরিয়ে গিয়ে ওর স্কুটি পার্ক করে দিই। ডাক্তারের বরাদ্দ ভাল চেয়ারটায় ও বসে। আমি নিজের টাকা দিয়েই রোজ ওকে পাশের দোকান থেকে চা বিস্কুট এনে খাওয়াই। নিজে চা বিস্কুট বয়ে এনে এমন ভাবে ওকে দিই যে কেউ দেখলে ভাববে আমি মৌমিতার ব্যক্তিগত চাকর । একদিন চায়ের দোকানদার জিজ্ঞাসাই করে ফেলল এখানে এটা কি খুলেছে। আমি বলল হাসপাতাল খোলা হবে। সে জিজ্ঞাসা করল আমি কি মৌমিতা ম্যাডামের এসিস্টেন্ট? কোন রকমে হ্যাঁ বলতে গিয়ে আমার লজ্জায় মুখ লাল হয়ে গেল। তবে আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট সুন্দরী নার্স মৌমিতাকে এইভাবে চাকরের মত সেবা করতে আমার ভালই লাগছিল। একদিন চায়ের কাপ ফেরত নিতে এসে চায়ের দোকানের লোকটা মৌমিতাকে জিজ্ঞাসা করে ফেলল " তুমি কি এখানকার অফিসার?" মৌমিতা হাসি মুখে বলল, " হ্যাঁ আর এ আমার এসিস্টেন্ট"! লোকটা কাপ নিয়ে চলে যেতে মৌমিতা বলল "এখানে বসে বোর হই তো। তাই একটু মজা করলাম এর সাথে।" " মজার কি আছে? আমি গ্রুপ ডি, তোমাদের ডাক্তার নার্সদের এসিস্টেন্টই তো আমি। চাকরের মতই। আমাকে তুমি যে কোন কাজ করতে বলতে পার।" আমার কথা শুনে মৌমিতা হেসে বলল ঠিক আছে। মৌমিতা এত সহজে সব পরিস্থিতি সহজ করে দিত যে আমি অবাক হয়ে যেতাম। ও চেয়ারে বসে মোবাইল ইউজ করত আর আমি ঘর ঝাঁট দিতাম, মুছতাম। এমনকি ঘর পরিস্কার করার সময়ে ওর জুতো পরা পা এক হাতে তুলে ধরে জুতোর তলার মেঝে ঝাঁট দিতাম বা মুছতাম। মৌমিতার রি একশান ছিল যেন এটা খুবই নর্মাল! অবশ্য অফিসে সাব অর্ডিনেট পোস্টের লোকে এ যুগে এসব করেই থাকে। যদিও আমি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়স দুটোতেই ওর চেয়ে বড়! ১ টা বাজলে ও আমাকে বলত " এই, আমি বেরোব।" আমি উঠে মৌমিতার ব্যাগ হাতে নিয়ে স্কুটিতে রাখতাম। মৌমিতা বেরোলে ওর থেকে চাবি নিয়ে স্কুটি গেটের বাইরে বার করে দিতাম। মৌমিতার চেয়ে শিক্ষা ও বয়সে বড় হয়েও চাকরির পোস্ট ও ওর সুন্দর চেহারার কারনে ওর প্রতি এরকম চাকরের মত ব্যবহার করতে আমার ভীষনই ভাল লাগত। বর্ষাকালে একদিন ও কিটো জুতো পরে অফিসে এসেছিল। ওর কিটোর একটা ফিতে ছিঁড়ে গিয়েছিল। মৌমিতা আমাকে বলল, " এই অর্ক , আমার জুতোর ফিতেটা ছিঁড়ে গিয়েছে। আমি হাঁটতে পারছি না। তুই বাজারে গিয়ে মুচিটাকে ডেকে আন না।" আমি " ওকে ম্যাডাম" বলে চলে গেলাম। আসলে মৌমিতার জন্য কোন হিউমিলিএটিং কাজ করতে হলে আমার মুখ থেকে ওর প্রতি অটোমেটিক ম্যাডাম সম্বোধন বেরিয়ে আসত। আর ও অফিসে আমার বস হওয়ায় সেটা দেখতে স্বাভাবিকই লাগত। আমি বাজারে গিয়ে মুচিকে বলতে সে বলল জুতো আমাদের নিয়ে আসতে হবে ওর কাছে। আমি একটু খুশি হয়েই ফিরে গেলাম। মৌমিতাকে গিয়ে বলতে ও মুখে মিষ্টি হাসি ঝুলিয়ে বলল, " অর্ক , প্লিজ তুই একটু সেলাই করে এনে দে জুতোটা।" আমি নিজে থেকে মৌমিতার পায়ের কাছে বসে পরে বললাম, " তুমি তো হাঁটতেই পারছ না। আমাকে জুতোটা নিয়ে যেতে হবে এটাই তো স্বাভাবিক। এতে আবার প্লিজ বলার কি আছে?" " ঠিক আছে। তবে আগে তুই আমার জন্য চা এনে দে।" আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট হলেও নার্স মৌমিতা আমার বস। আমাকে এটুকু অর্ডার তো করতেই পারে! আমাকে তুই করে বলে অর্ডার করছে বলে আমার ভীষনই ভাল লাগল। আমি "নিশ্চয়ই ম্যাম" বলে চা আনতে ছুটলাম। চা কেক আর বিস্কুট এনে ম্যাডামের সামনের টেবিলে রেখে আমি জুতো খুলতে মৌমিতার পায়ের কাছে বসলাম। আমার ভয়ে বুক ধুক পুক করছিল। নিজে হাতে ওর পা থেকে জুতো খুলে নিয়ে যাওয়া বেশি হয়ে যাচ্ছে না তো? আমাকে অবাক করে মৌমিতা বলল, " এই, আমার জুতোর তলায় কিন্তু প্রচুর কাদা লেগে। এই অবস্থায় নিয়ে গেলে আবার ফেরত পাঠিয়ে দেবে না তো?" আমি মৌমিতার কথা ধরে বললাম, " তাহলে আমি কাপড় দিয়ে মুছে নিয়ে যাচ্ছি। তাহলে আর ফেরত পাঠানোর চান্স থাকবে না। আমি উঠে কাপড় এনে আবার মৌমিতার পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসলাম। ও মোবাইল ইউজ করছে আর চা কেক খাচ্ছে। আর আমি ওর এসিস্টেন্ট বলে ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা থেকে জুতো খুলছি! ভাবতেই কি অদ্ভুত এক ভাল লাগা কাজ করল! আমি ওর কিটো জুতো পরা বাঁ পা টা দুই হাতে তুলতেই বুঝতে পারলাম বর্ষার পুরু কাদা ভর্তি জুতোর তলায়। আমি সাহস করে জিজ্ঞাসা করলাম "পায়ে পরা অবস্থাতেই কিটোটা মুছে পরিস্কার করে নেব?" মৌমিতা তেমন মনযোগ না দিয়ে উত্তর দিল " তোর যাতে সুবিধা। আমার জুতো সেলাই হলেই হল।" আমি খুশি মনে মৌমিতার পায়ে পরা জুতো সময় নিয়ে কাপড় দিয়ে পালিশ করতে লাগলাম। অফিসে আমার বস, কিন্তু আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট মেয়ের জুতো আমি কাপড় দিয়ে পালিশ করছি তার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ভাবতেই কি তীব্র আনন্দ হচ্ছিল আমার! আমি বোধহয় একটু বেশিই সময় নিয়ে ফেলেছিলাম। বাঁ কিটোটা পালিশ করার পরে যখন ডান কিটোটা করছি তখন চায়ের দোকানদার রামু এসে হাজির। ঘরে ঢুকে সে আমাকে এই অবস্থায় দেখে নিজের জর্দা খাওয়া কালচে দাঁত বের করে বলল, " তোমার এসিস্টেন্ট তো ভালই খেয়াল যত্ন করতেছে তোমার দেখতেছি।" মৌমিতা হাসি মুখে বলে " সে তো করবেই। ওটাই তো ওর কাজ!" রামু চলে যেতে আমি সাথে সাথে মৌমিতার দুই পা থেকে জুতো খুলতে লাগলাম। আমার দুই কান লজ্জায় গরম হয়ে গেছে তখন। মৌমিতা হাসতে হাসতে বলে, " এখন তো দারুন মজা হচ্ছে। কিন্তু যখন হাসপাতাল চালু হবে, তখন কোন সমস্যা হবে কিনা জানি না ।" আমি বললাম " হয়ত ভাববে তোমার বাবা কাকা নেতা, আর আমি তাই তোমাকে তেল দিয়ে খুশি রাখি চাকরিটা হাতে রাখতে।" মৌমিতা বলে " আমার কিন্তু তাই মনে হয়। নাহলে এভাবে আমাকে তেল দিবিই বা কেন তুই? আর কিই বা কারন থাকতে পারে? আর তুই তো গ্রুপ ডি, আমাদের এসিস্টেন্টই। তাই দরকার হলে জুতো পালিশের মত কাজ তোকে দিয়ে করানোই যায়!" এই বলে মৌমিতা হাসতে লাগল। ২১ বছরের মেয়ের ইনোসেন্ট হাসি। ও ডমিনেন্ট, কিন্তু মারত্মক নয়। ও ভাবছে আমি চাকরি হাতে রাখতে ওকে তেল দিচ্ছি, আর কিছু না। আর ও সেটাকে অল্প এঞ্জয় করছে মাত্র। আমি " সে তো সত্যিই ম্যাডাম" বলে মৌমিতার জুতো খুলে উঠতে যাব তখন ও বলল, " আরে,জুতো খুলে নিলি, পা রাখার কিছু একটা তো দে।" আমি সরি ম্যাডাম বলে নিজের পিঠের ব্যাগটা নামিয়ে দিলাম ওর পায়ের কাছে। মৌমিতা ইয়ার্কির ছলে বলল এতে তো একটা পা রাখব। আর অন্যটা?" আমি নিজের মাথার টুপিটা খুলে ওর পায়ের কাছে মেঝেতে নামিয়ে দিলাম। মৌমিতা ওর পা দুটো আমার মাথার টুপি আর পিঠের ব্যাগের উপরে রেখে বসে মোবাইল ইউজ করতে লাগল। বাইরে তখন তুমুল বর্ষার বৃষ্টি। রাস্তা ঘাট ফাঁকা। আমি এক হাতে মৌমিতার জুতো আর অন্য হাতে ছাতা ধরে বাজারে মুচির কাছে চললাম। একটু যেতে আমার মৌমিতার প্রতি সাবমিসিভনেস অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠল। আমি ছাতাটা নিচু করে নামিয়ে মুখ ঢেকে প্রকাশ্য রাস্তায় মৌমিতার দুটো জুতোর উপর আর তলা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগলাম। কয়েক বার জিভ বার করে চাটলাম প্রভু মৌমিতার লাল কালো কিটোর তলা। তারপর জুতো দুটো নিজের মাথার উপরে রেখে প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে বাজারের দিকে চললাম। নিজের টাকায় প্রভুর জুতো সেলাই করে আবার জুতো জোড়া মাথায় নিয়ে ফিরে এলাম। ফিরে এসে বারান্দায় আমি মৌমিতার জুতো মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে ছাতা বন্ধ করছি তখন মৌমিতা জানালা দিয়ে আমাকে এই অদ্ভুত পজিশানে দেখে হাসতে লাগল। ও হয়ত ভেবেছে আমি ওর জুতো মেঝেতে রাখার সাহস পাই নি। আর দুই হাত দিয়ে ছাতা বন্ধ করার প্রয়োজনে তাই ওর জুতো নিজের মাথায় রেখেছি! " ছাগল, বাইরে থেকে এসে ছাতা মেলে দিতে হয়। ও জুতো মাথায় নিয়ে ছাতা বন্ধ করছে!" মৌমিতা হাসিমুখে আমাকে বলল। ওর প্রতি আমার ভক্তি ও বেশ এঞ্জয় করছে বোঝা যাচ্ছে। "খুব হাওয়া দিচ্ছে ম্যাডাম। ছাতা এখানে খুলে রাখলে উড়ে যাবে।" " তাহলে ঘরের ভিতরেই মেলে দে। আর জুতোটা কেমন সেলাই করেছে দেখি।" আমি মৌমিতার পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে আমার মাথায় রাখা ওর কিটো জুতো জোড়া ওর পায়ে পরিয়ে দিলাম। মৌমিতা বলল, " বাহ, দুটো জুতোই পুরো সেলাই করে এনেছিস দেখছি। তুই একটু মাথা মোটা আর ভিতু হলেও কাজের আছিস দেখছি।" এরপর দিন থেকে ঘর পরিস্কারের সাথে সাথে আমার কাজের তালিকায় নতুন একটা কাজ যোগ হল। মৌমিতার জুতো পরিস্কার। রোজ মৌমিতার পায়ে পরা জুতো কাপড় দিয়ে ঘসে ঘসে পালিশ করে দিতাম আমি। আমার চাকরি জীবনের রোজকার এই ১০-১৫ মিনিট আমার কাছে স্বর্গসুখ বলে মনে হত। মাস ৪-৫ এভাবে কাটার পরে খবর পেলাম আমাদের হাসপাতাল চালু হতে চলেছে। এলাকায় প্রচার করা হবে। ওষুধ আসবে। আর ফার্মাসিস্টও নিয়োগ করা হবে। আমার ভয়ে বুক ধুক পুক করতে লাগল শুনে। হাসপাতালের অন্য স্টাফ আর রোগীদের সামনে আমি মৌমিতার জুতো পালিশ করে দিলে তাদের বা কি রি একশান হবে? অবশ্য আমি যেহেতু গ্রুপ ডি এসিস্টেন্ট তাই আশা করি কারো চোখে অস্বাভাবিক লাগবে না। অবশেষে একদিন হাসপাতালে সেই নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট ওষুধের গাড়িতে করে এসে হাজির। বান্ডিল বান্ডিল ওষুধ সব সাজিয়ে রাখা হল। তার নিয়োগ পত্র হাতে নিয়ে দেখি মেয়েটির নাম কমলা। ২৩ বছর বয়সী সদ্য পাশ করা ফার্মাসিস্ট। শ্যাম বর্না, সাধারন চেহারা। বাবা মারা যেতে অনেক নেতাকে ধরে টরে এই চাকরিটা নাকি পেয়েছে। এর সামনে কি আর আমি মৌমিতার জুতো পালিশ করতে পারব? উত্তেজনায় আমার বুক ধুক পুক করতে লাগল। 2.... নার্স মৌমিতা ২... আমি ভেবেছিলাম এক। আর হল আরেক জিনিস। কমলা মেয়েটা গরীব ঘরের, কিন্তু বেশ অপরিণত। সে মৌমিতাদের একই পাড়ায় থাকে। ছোট থেকেই হয়ত তার চেয়ে বয়সে ২ বছরের ছোট প্রতিবেশী ধনী পরিবারের সুন্দরী মেয়ে মৌমিতাকে সে একটু হিংসা করে। এখানে চাকরিতে জয়েন করে সে কিছুতেই মানতে পারছিল না বয়সে ছোট মৌমিতা এখানে তার বস হবে। জয়েন করার পরে প্রথম দিনেই সে আপত্তি তুলল মৌমিতা তার বস হবে কেন? সে তার কাজের রিপোর্ট কেন মৌমিতাকে করবে? বয়সে ছোট মৌমিতা অফিসেও কেন ওকে তুই করে বলবে? কমলা ফার্মাসিস্ট, মৌমিতা নার্স। কমলা গ্রাজুয়েট, মৌমিতা তাও নয়। বয়সেও মৌমিতা ছোট। তবে মৌমিতা কেন এই অফিসের বস হবে? আমি ওকে একদিন বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে মৌমিতা ক্ষমতাবান পরিবারের মেয়ে। আমরা গরীব সাধারন ক্ষমতাহীন পরিবারের সন্তান। আমাদের চাকরির খুবই দরকার। দেশে চাকরির খুবই অভাব এখন। যদি মৌমিতাকে বস বলে মেনে তার কথা মেনে চলি আমরা, তাহলে আমাদের এই চাকরি হারানোর ভয় থাকবে না। তাই আমাদের সেটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিন্তু না, আমার সংক্ষিপ্ত জ্ঞান কমলার ইগো কমাতে পারল না। ও কথায় কথায় মৌমিতার সাথে ঝগড়া করতে লাগল। মৌমিতা ওকে খুব পাত্তা দিত না। কিন্তু কমলা জয়েন করার ৪-৫ দিন পর সকালে কমলা অকারনে খুব ঝগড়া করল মৌমিতার সাথে। কমলার বক্তব্য একজন GNM nurse ওর সুপিরিওর রিপোর্টিং অথোরিটি হতে পারে না। ও গ্রাজুয়েট। মৌমিতা তাও না। তাই মৌমিতা ওকে রিপোর্ট দেবে। ও মৌমিতাকে নয়। মৌমিতা বলল " তুই শুধু গ্রাজুয়েট। আর অর্ক পোস্ট গ্রাজুয়েট। ও তো কোনদিন আমার অথোরিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। ও ঘর ঝাঁট দেয়। আমার জুতোও পালিশ করে দেয়।" কমলা খুব রাগী গলায় বলল, " অর্ক স্পাইনলেস, তাই করে"। শেষে কমলার ঝগড়া করার চেষ্টার জবাবে মৌমিতা খুব শান্ত গলায় ওকে বলল, " আর ৩ মাস তোর চাকরি আছে। পরের বছরের শুরুতে তোর চাকরি আর রিনিউ হবে না তুই আমার পায়ে ধরে ক্ষমা না চাইলে। এই কথা শুনে কমলা কিছু উত্তর দিতে পারল না। ও জানে মৌমিতার রাজনৈতিক ক্ষমতা কত। ২ মিনিট চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল ও। তারপরে ঘরের মেঝেতে বসে পরে হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল বাচ্চা মেয়ের মত। একটু পরে কাউকে কিছু না বলে ও সেদিনের মত বাড়ি চলে গেল। ওর ব্যবহার দেখে মৌমিতা খুব মজা পেয়ে শব্দ করে হাসছিল। ও চলে যেতে মৌমিতা বলল, " কমলা আস্ত জোকার একটা। " তারপর একটু থেমে বলল, "এই অর্ক, কাল থেকে রোজ কমলাকে দেখিয়ে দেখিয়ে আমার জুতো মন দিয়ে ভাল করে সময় নিয়ে পালিশ করবি তো। একদম আমার চাকরের মত ব্যাবহার করবি ওর সামনে। গ্রাজুয়েট হয়ে মনে হয় ও দুনিয়া জয় করে ফেলেছে এমন হাব ভাব করে। ও দেখুক, পোস্ট গ্রাজুয়েট ছেলেরও মাথায় একটু বুদ্ধি থাকলে সে আমার পায়ের নিচে পরে থাকবে।" ওদের ঝগড়ার এই পরিনতি আমার খুব ভাল লাগল। আমি "নিশ্চয়ই ম্যাডাম" বলে ঘর ঝাঁট দিতে লাগলাম। ঘর ঝাঁট দেওয়া হলে মৌমিতার পায়ের কাছে বসে ওর পায়ে পরা সাদা স্নিকার খুব মন দিয়ে পালিশ করতে লাগলাম কাপড় ও জল দিয়ে। আমি মৌমিতার বাঁ জুতোটা পালিশ করছিলাম। হঠাত মৌমিতা ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার কাঁধে তুলে দিয়ে বলল, " প্রিপেয়ার থাকিস। কমলার সামনে এভাবে তোর কাঁধে বা বুকে পা তুলে দিতে পারি ওকে দেখাতে যে তোদের মত পাতি গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্রাজুয়েটদের আমি আমার জুতোর নিচে রাখি। কমলার সাথে ঝগড়া মৌমিতাকে বেশ ডমিনেটিং করে তুলেছিল এটা আমার ভীষণ ভাল লাগছিল। আমি জবাবে নিজের মাথা নিচু করে মৌমিতার জুতো পরা দুটো পাই নিজের মাথার উপরে রেখে বললাম " তুমি ইচ্ছা করলে সবার সামনে এভাবে আমার মাথার উপরে তোমার জুতো পরা পা রাখতে পার। আমি কিচ্ছু মনে করব না ম্যাডাম। বরং এভাবে তোমার সেবা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করব।" আমার আচরন দেখে মৌমিতা হাত দিয়ে মুখ ঢেকে হাসতে লাগল। তারপর বলল, " সত্যি, তুই পারিসও বটে। নিজে থেকে আমার জুতো পরা পা মাথার উপরে তুলে নিচ্ছিস তুই চাকরির সিকিউরিটির জন্য। আর ছাগল কমলাটা অকারনে ঝগড়া করে ওর চাকরিটা হারাবে।" " তুমি কি সত্যিই কমলার চাকরির রিনিউ হওয়া আটকে দেবে ম্যাডাম?" মৌমিতা আমার মাথার উপর থেকে ওর জুতো পরা পা দুটো নামাতে আমি আবার মৌমিতার জুতো পালিশ করতে করতে জিজ্ঞাসা করলাম। "ও এরকম করলে তো আটকাবোই। তবে ও যদি তোর মত রোজ মন দিয়ে আমার জুতো পালিশ করা শুরু করে তাহলে ভেবে দেখতে পারি। তুই পারলে ওকে একটু বোঝা। আর ওর সামনে মন দিয়ে আমার সেবা কর। আমি ওর সামনে তোকে চাকরের মত ট্রিট করলে, বকলে বা মারলেও মেনে নিস খুশি হয়ে। আমি যা বলব অফিস তাই করবে জানিসই তো। তাই আমি খুশি থাকলে তোর চাকরি তো থাকবেই, কমলারটাও থাকতে পারে।" পরদিন সকাল ১০ টায় কমলা অফিসে ঢুকল যখন তখন আমার অফিস ঝাঁট দেওয়া শেষ। আমি ওর সাথে মিলে ওষুধ গোছাতে গোছাতে ওকে বোঝাতে লাগলাম এরকম করলে ওর চাকরিটা কয়েক মাস পরে আর থাকবে না। তখন এরচেয়েও বেশি অপমানজনক কাজ করতে হবে এই মার্কেটে ওকে পরের চাকরি পেতে। কমলা কোন উত্তর দিল না। চুপচাপ শুনল কিছুক্ষন। তারপরে বলল, " তাই বলে চাকরি রক্ষা করতে মৌমিতার পায়ে পরে থাকব তোমার মত?MSC করেছ, চাকরি পেয়েছ তো নিজের যোগ্যতায়। তারপরেও চাকরির জন্য এত নিচে নামতে তোমার লজ্জা করে না?" আমার বলতে ইচ্ছা করছিল মৌমিতার মত সুন্দরী মেয়ের পায়ে পরে থেকে দিন রাত ওর সেবা করার জন্য আমি সবচেয়ে ভাল চাকরির অফারও ছাড়তে পারি। কিন্তু বললাম না। বলতে হল, " চাকরির যা অবস্থা দেশে তাতে এটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তোমার তো বাবা মারা গেছে। ভাড়া বাড়িতে থাক। চাকরি গেলে পরিবার নিয়ে থাকবে কোথায়? রাস্তায় গিয়ে পরার চেয়ে তুমিও আমার মত মৌমিতাকে তেল দিয়ে চললেই বুদ্ধিমানের কাজ করবে।" মৌমিতা ঢুকল ১১ টায়। কয়েকজন পেশেন্ট ওষুধ নেবে বলে অপেক্ষা করছিল। মৌমিতার আদেশে ও যতক্ষন থাকবে না ততক্ষন কমলা ওষুধ দিতে পারবে না। মৌমিতা রোগীদের অসুবিধা শুনে ওষুধ দিয়ে বিদায় করল। তারপর আমাকে বলল, " এই অর্ক, আমার জন্য চা, কেক আর বিস্কুট নিয়ে আয় যা।' আমি "যাচ্ছি ম্যাডাম" বলে প্রায় ছুট দিলাম। পাশের দোকান থেকে চা ও সাথে "টা" এনে মৌমিতাকে সার্ভ করতে ও কমলাকেও শুনিয়ে বলল, " আমার জুতোটা পালিশ করা দরকার। তোরা কে করবি ঠিক করে কাজে লেগে পর। "আমি করছি ম্যাডাম" বলে আমি এবার কাপড় আর জল আনতে ছুটলাম। মগে জল আর পরিস্কার কাপড় এনে আমি মৌমিতার পায়ের কাছে বসলাম। মৌমিতা নিজে থেকেই আমার কাঁধে ওর জুতো পরা বাঁ পা টা তুলে দিল কমলার চোখের সামনে। আর আমি খুব মন দিয়ে মৌমিতার ডান জুতোটা পালিশ করতে লাগলাম। অন্য একজনের চোখের সামনে আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট অতি সুন্দরী মৌমিতাকে এভাবে সেবা করতে পেরে আমার মন আনন্দে আটখানা হয়ে গেল। কমলা নিজে থেকে কোন কমেন্ট করল না দেখে আমি একটু অবাকই হলাম। হয়ত চাকরি হারানোর ভয়টা ওর মধ্যে একটু হলেও ঢুকেছে আমি সকালে ওকে পরিবার নিয়ে রাস্তায় নামতে হওয়ার কথা বলার পরে। মৌমিতাও বোধহয় একটু অবাক হল কমলাকে চুপ দেখে। তারপরে বলল, " দেখ, পোস্ট গ্রাজুয়েট অর্ক কিভাবে আমার জুতো পরা একটা পা কাঁধে নিয়ে আমার অন্য জুতোটা পালিশ করছে।" কমলা একটুক্ষন চুপ হয়ে দেখল। তারপর কান্না ভেজা গলায় বলল, " হ্যাঁ, আমি আর অর্কদারা খুবই গরীব। তুই ক্ষমতাবান, বড়লোক। কিন্তু এইভাবে আমাদের অসহায়তার সুযোগ নিতে তোর কি একটুও খারাপ লাগে না?" " না, খারাপ লাগে না। এভাবে তোদের মুখে লাথি মারতেও খারাপ লাগে না। খুশি?" - এই বলে আমার হাত থেকে নিজের জুতো পরা ডান পা টা তুলে বেশ জোরেই আমার মুখে একটা লাথি মারল মৌমিতা। আমি এটা একদমই এক্সপেক্ট করি নি। মৌমিতার জুতো পরা বাঁ পা টার ভর আমার ডান কাঁধে না থাকলে হয়ত উল্টেই পরে যেতাম আমি। কমলা মৌমিতাকে আঘাত দিয়ে কথা বলার জন্যই হয়ত মৌমিতা এভাবে আমার মুখে লাথি মেরেছিল নিজেকে কেয়ারলেস দেখাতে। কিন্তু কমলা এতটা এক্সপেক্ট করেনি। ও কি বলবে ভেবে উঠতে পারছিল না। কিছুক্ষন বিড় বিড় করে কিছু বলার জন্য যখন মুখ খুলল তখন পাশের চায়ের দোকানের লোকটা কাপ প্লেট নিতে ঘরে ঢুকেছে। আমি বিনা দ্বিধায় তার চোখের সামনেই মৌমিতার জুতো পালিশ করতে লাগলাম আগের মতই। এর আগেও ও আমাকে মৌমিতার জুতো পালিশ করতে দেখেছে। পার্থক্য হল আজ মৌমিতার জুতো পরা একটা পা আমার কাঁধের উপরে রাখা। " দেখ রামুকাকা। তোমাদের প্রিয় নেতার বাড়ির মেয়ে কিভাবে গরীব মানুষকে ট্রিট করে নিজের চোখে দেখ।" কমলা চায়ের দোকানের রামুকাকার উদ্দেশ্যে বলল। উত্তরে রামুকাকা নিজের জর্দা খাওয়া কালচে দাঁত বের করে একগাল হেসে পরিস্থিতি যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে বলল, " তাতে কি হইছে মামনি? মৌ ম্যাডাম এখানে অফিসার, নিজের চাকররে দিয়া এট্টু জুতা পালিশ করিয়ে নিতে তো পারেই সে। এ আর এমন কি?" এই বলে সে তাড়াতাড়ি কাপ প্লেট নিয়ে চলে গেল। মৌমিতা নেতা পরিবারের মেয়ে। তাকে রাগিয়ে দেওয়া কিছু বললে যে এখানে চায়ের দোকান চালিয়ে আর খেতে পারবে না সেটা রামু খুব ভালই বোঝে বুঝতে পারলাম। বরং সবার সামনে এইভাবে মৌমিতার চাকরের মত সেবা করতে পেরে আমার ভীষণ ভাল লাগতে লাগল। আমি খুব মন দিয়ে মৌমিতার জুতো দুটো পালিশ করতে লাগলাম আবার। এর মাঝেই এক খুব বুড়ি পেশেন্ট এল। আমাকে দিয়ে জুতো পালিশ করাতে করাতেই মৌমিতা তাকে ওষুধ দিয়ে বিদায় করল। মুখে মৌমিতার জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে এত লোকের সামনে মৌমিতার জুতো পালিশ করতে পেরে আমি অতি খুশি মনে অনেক সময় নিয়ে মৌমিতার জুতো পালিশ করতে লাগলাম। রামু কাকা বা ওই বুড়ি কেউই আমার মৌমিতার জুতো পালিশ করা নিয়ে নিজে থেকে কোন মন্তব্য করল না দেখে কমলা একটু নিরাশ হল। আর সেই নিরাশা দেখে মৌমিতার মুখে বেশ চওড়া হাসি ফুটে উঠল। বুড়ি চলে যেতে মৌমিতা আমার বুকে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল " জুতোর শুধু উপরটা পালিশ করলে হবে? তলাটাও তো পালিশ করতে হবে!" আমি জবাবে মৌমিতার জুতো পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথা রেখে ক্ষমা চেয়ে বললাম " সরি ম্যাডাম"। চেয়ার বসা মৌমিতার জুতো পরা পা দুটো মেঝেতে রাখা। আর আমার মাথা ওর পায়ের উপরে রেখে আমি ওর কাছে ক্ষমা চাইছি। মৌমিতা ওর প্রতি আমার ভক্তিতে খুশি হয়ে বলল, " ঠিক আছে। আমিই পরিস্কার করে নিচ্ছি।" এই বলে প্রথমে বাঁ পা টা তুলে জুতোর তলাটা আমার মাথার চুলের উপরে ঘসে পরিষ্কার করতে লাগল। প্রায় ১ মিনিট পরে পা বদলে প্রভু মৌমিতা ওর বাঁ পা টা মেঝেতে রেখে ডান জুতোর তলা আমার মাথার উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আরো ১ মিনিট পরে মৌমিতা আলতো করে আমার মাথায় লাথি মেরে বলল, " দেখ তো, জুতোর তলাটা ঠিক ঠাক পরিস্কার হল কিনা?" আমি উঠে বসে মৌমিতার জুতো পরা পা দুটো দুহাতে উঁচু করে ধরে তার তলার দিকে তাকালাম। যদিও এত কাছ থেকে দেখে জুতোর তলায় কোন ময়লা তেমন চোখে পরল না তবু আমি বললাম, " একটু ময়লা আছে ম্যাডাম। তুমি চিন্তা কর না। আমি এক্ষুনি পরিষ্কার করে দিচ্ছি। এই বলে কমলার বিষ্মিত চোখের সামনে মৌমিতার জুতো পরা পা দুটো দুহাতে ধরে নিজের মুখের উপরে রাখলাম। তারপরে পাগলের মত নিজের মুখের উপরে ঘসতে লাগলাম মৌমিতার জুতোর তলা দুটো, আরো ভালভাবে জুতোর তলা পরিষ্কার করে দেওয়ার জন্যে। আমার আচরন দেখে কমলা বিষ্ময়ে প্রায় হাঁ করে আমার কান্ড দেখছিল। চাকরি রক্ষা করতে কেউ নিজের চেয়ে বয়সে ছোট বসের জুতোর তলা নিজের ইচ্ছায় নিজের মুখের উপরে ঘসে পরিষ্কার করতে পারে সেটা যেন সে তখনও বিশ্বাস করতে পারছিল না। কমলার ওই রিএকশানই বোধহয় ২১ বছর বয়সী সুন্দরী মৌমিতাকে আরো মজা দিচ্ছিল। তাই মৌমিতা আমার মুখে পরপর দুই পায়ে দুটো লাথি মেরে বলল, " এভাবে ঠিক হচ্ছে না। তুই নিচে শুয়ে পর। যাতে আমি পাপোশের মত করে তোর মুখে ঘসে আমার জুতোর তলা দুটো পরিষ্কার করতে পারি।" মুখে প্রভু মৌমিতার জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে আর তার কথা শুনে আনন্দে আমার হৃতপিন্ড লাফিয়ে প্রায় বুক ফেটে বেরিয়ে আসার উপক্রম হল। আমি প্রভুর পায়ের কাছে মাথা রেখে শুতে প্রভু নিজে থেকেই আমার মুখের উপরে নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে নিজের বাইরে পরার জুতোর তলা আমার মুখের উপরে ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। কমলা এতক্ষন বিস্ফারিত চোখে আমাদের দেখছিল। শেষে আর থাকতে না পেরে শ্লেষপূর্ন কন্ঠে বলল, " চাকরির জন্য এত নিচেই নামলে যখন তখন তোমার বসের জুতো চাটতেই বা বাকি রাখ কেন? বসের জুতো রোজ জিভ দিয়ে চেটেই পালিশ করো বরং। বসের জুতো চাটলে চাকরি সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত থাকে শুনেছি।" মৌমিতা কমলার শ্লেষপুর্ন কথায় মজা পেয়ে বলল, " বাহ, কমলাকে প্রথম কোন ভাল কথা বলতে শুনলাম। এই অর্ক, আমার জুতোর তলাটা তুই চেটেই পরিষ্কার কর বরং।" প্রভু মৌমিতার আদেশ শুনে আমি সাথে সাথে জিভ বার করে প্রভুর জুতোর তলা চাটতে লাগলাম। ওর ব্যাঙ্গাত্মক উক্তি যে শেষে বাস্তবে রূপ নিতে পারে এটা কমলা একদমই ভাবেনি। ও হতভম্ব হয়ে দেখতে লাগল আমি মৌমিতার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতে লাগলাম। প্রায় ১০ মিনিট ধরে আমি মৌমিতার দুটো জুতোর তলা চাটলাম। ওর দুই জুতোর তলায় কয়েকশো বার চুম্বন করলাম ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে টিপতে। " ছি:, একটা চাকরির জন্য তুই আর কত নিচে নামবি?" বলে কমলা শেষে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। আর আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে প্রভু মৌমিতা হাসিতে ফেটে পরল কমলার অসহায় আচরন দেখে। নার্স মৌমিতা ৩... পরদিন আমি যথারীতি সকাল সাড়ে ৯ টার মধ্যে হাসপাতালে ঢুকে সব ঘর ঝাঁট দিয়ে মুছে পরিস্কার করে ফেললাম। তার একটু পরে কমলা ঢুকল। আমাকে দেখে একটু রাগ ধরা গলায় বলল -" একটা সামান্য মাইনের চাকরির জন্য আর কত নিচে নামবে তুমি? মৌমিতা তোমার মুখে লাথি মারছে আর তুমি ওর জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করছ? ছি, লজ্জা করে না তোমার?" আমি খুব ঠান্ডা গলায় বললাম, "লজ্জার কিছু নেই কমলা। আমরা গরীব হয়ে জন্মেছি, কাউকে না কাউকে এভাবে তেল দিয়ে সেবা করেই চাকরি করতে হবে। আমি বরং গর্বিত যে সেই সেবাটা মৌমিতার মত কাউকে করতে পারছি। তুমি প্রতিবাদ করার আগে একটু ভেবে দেখ, সামনের বছরে চাকরিটা গেলে তুমি কি করে চালাবে? তোমাদেরও তো অবস্থা খুব খারাপ। দেশে চাকরি নেই। হয় এখানে তোমাকে মৌমিতার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে হবে নাহলে অন্য কোন অফিসে কাজ পেলেও অনেক বেশি ডিউটির সাথে হয়ত পুরুষ বসকে অন্যভাবে খুশি করতে হবে। দুনিয়াটা খুব খারাপ কমলা।" আমার কথা শুনে কমলা কিছুক্ষন চুপ করে রইল। তারপরে আবার ভেঙে পরে হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল " আমরা গরীব বলে কি মানুষ নই?" এইসব বলে। তখনই আমি গেটের কাছে স্কুটির আওয়াজ পেলাম। আমি সাথে সাথে ছুটে গিয়ে মৌমিতার স্কুটিটা ধরলাম। আমাকে অবাক করে দিয়ে গেটের সামনে রাস্তার উপরেই আমার বাঁ গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল " আমার স্কুটি ঢুকিয়ে রাখা বের করে দেওয়া তোর ডিউটি। আমাকে যেন এরপরে আর তোর জন্য এক সেকেন্ডও ওয়েট করতে না হয়। ওয়েট করতে হলে প্রতি সেকেন্ডের জন্য একটা করে থাপ্পর পরবে তোর গালে মনে রাখিস।" এই বলে আমি " সরি ম্যাডাম" বলতে না বলতেই মৌমিতা ভিতরে চলে গেল। ততক্ষনে ৭-৮ জন রোগী ওষুধ নিতে হাসপাতালের গেটের সামনে অপেক্ষা করছিল। তাদের সামনেই এইভাবে ভুয়ো কারন দেখিয়ে মৌমিতা আমাকে থাপ্পর মারায় আমার খুব ভাল লাগল। আমি মৌমিতার স্কুটি পার্ক করে ওর ব্যাগটা নিয়ে ভিতরে এসে দেখি মৌমিতা বড় ঘরের চেয়ারে বসে জানালা দিয়ে পেশেন্টদের সমস্যা শুনে ওষুধ দিচ্ছে। ও ওষুধ ছুঁড়ে সামনের টেবিলে ফেলছে আর রোগীরা জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে ওষুধ নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি ঘরে ঢুকতে মৌমিতা হাতের আঙুল দিয়ে ইশারা করে টেবিলের তলার দিকে দেখাল। ও ঠিক কি চাইছে বুঝতে না পারলেও আমি সোজা টেবিলের তলায় উপুড় হয়ে শুয়ে ওর জুতোর উপরে চুম্বন করে কিছুক্ষন ক্ষমা চাইলাম। তারপরে মৌমিতা আমার মাথায় লাথি মেরে অর্ডার করল সোজা হয়ে শো। আমি আমার প্রভু মৌমিতার আদেশ মেনে সোজা হয়ে শুলাম। আমি টেবিলের তলায় থাকায় আমাকে রোগীরা জানালা দিয়ে দেখতে পাচ্ছে না। কিন্তু একটু আগে আমি তো ওদের সামনে থাকা রোগীদের সামনেই টেবিলের তলায় ঢুকেছি। আর মৌমিতার আদেশও ওরা শুনল। ওরা কি বুঝতে পারছে টেবিলের নিচে কি হচ্ছে? মৌমিতা অবশ্য খুব ক্যাজুয়ালিই আমার মুখের উপরে ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে বলল " আমার পা টিপে দে এবার।" বাইরে থাকা রোগীরা কি ভাববে তাই নিয়ে ওর কোন কেয়ারই নেই! এর ৫ মিনিটের মধ্যেই অবশ্য সব রোগীর ওষুধ নেওয়া শেষ হয়ে গেল। পরের ২ ঘন্টায় আরো হয়ত ৮-১০ জন রোগী আসবে ওষুধ নিতে। বাকি আর কোন কাজ নেই এখানে। অবশ্য আমার আসল কাজ প্রভু মৌমিতার সেবা করার সবে শুরু এই! রোগীরা চলে যেতে মৌমিতা আমার ঠোঁটের উপরে ওর কালোর উপরে গোলাপী ডিজাইন করা স্নিকার দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল " আজ থেকে রোজ আমার পায়ে পরা জুতো জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দিবি কালকের মত। দারুন ফিলিং হয় এতে।" আমি প্রভু মৌমিতার লাথি খেয়ে তার জুতোর তলায় চুম্বন করে বললাম " আপনি যা বলবেন আমি তাই করব ম্যাডাম।" মৌমিতা খুশি হয়ে এবার আমার কপালে আরেকটা লাথি মেরে বলল " আমি লাথি মারলেই আমার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বা জুতোয় কিস করে থ্যাংক্স জানাবি আমাকে। বুঝলি?" আমি আবার মৌমিতার জুতোর তলায় কিস করে বললাম " হ্যাঁ প্রভু"। আমার মুখে প্রভু ডাক শুনে মৌমিতা হাসতে হাসতে বলল " কি বলে ডাকলি আমাকে চাকর?" আমি আবার ওর জুতোর তলায় চুম্বন করে বললাম " প্রভু বলে। আমি তোমার চাকর আর তুমি আমার প্রভু। তুমি দয়া করে আমার চাকরিটা টিকিয়ে রাখলে তবেই আমার আর আমার পরিবারের পেটে মোটা চালের ভাত জুটবে প্রভু।" আমার কথা শুনে মৌমিতা আবার হাসতে হাসতে বলল " আমি তোর বা কমলার জায়গায় থাকলে জানি না কি করতাম। কিন্তু তোর কি সত্যিই একটুও রাগ হয় না তুই যে জায়গায় আছিস বা আমি যেভাবে তোকে ইউজ করছি সেই জন্য?" আমি ততক্ষনে প্রভু মৌমিতার জুতোর তলা জিভ দিয়ে পালিশ করতে করতে আমার মুখের উপরে রাখা প্রভুর জুতো পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে শুরু করেছি। এইভাবে প্রভুর সেবা করতে করতে বললাম, " না প্রভু। এভাবে তোমার সেবা করার যোগ্যতাই হয়ত আমার নেই। তুমি আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছ, তোমার অধীনে আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছ সেই কারনে আমার নিজেকে ধন্য মনে হয়।" " চাকরি টিকিয়ে রাখার জন্য ও পাতালেও নামতে পারে। আমারও চাকরিটা খুব দরকার, কিন্তু আমি হয়ত মরে গেলেক কোনদিন নিজেকে এতটা নামাতে পারব না।" একটু আগে এই ঘরে ঢোকা কমলা বলল কথাটা। "তুই বরং অন্য প্রাইভেট অফিসে চাকরি নিয়ে মেল বসের সেক্সুয়াল নিড ফুলফিল করিস। আমার পায়ে মাথা রাখার মত নিচে তোকে নামতে হবে না।" - কমলাকে আবার ইচ্ছা করে খুঁচিয়ে বলল মৌমিতা। মৌমিতার কথা শুনে কমলা আবার ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। আর আমি মন দিয়ে মৌমিতার জুতোর তলা চাটতে চাটতে ওর পা টিপে দিতে লাগলাম। ২-৩ মিনিট পরে পাশের চায়ের দোকানের রামুকাকা এল চা দিতে। ঘরে এসে টেবিলে চা,,বিস্কুট আর কেক রেখে ও লক্ষ্য করল টেবিলের তলায় কি চলছে। মুখে একগাল হাসি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে ও বলল, " আপনি আপনার জুতো শুদ্ধু পা সোজা চাকরের মুখের উপরে রাখছেন দেখি ম্যাডাম?" " হ্যাঁ, তোর কোন অসুবিধা হচ্ছে?" মৌমিতা প্রশ্ন করল রামুকে। "না না ম্যাডাম। আমার অসুবিধা হবে কেন? আপনার চাকর, আপনার সেবা করতিছে, এ তো ভাল কথা। তবে এরকম বড় একটা দেখা যায় না তো, তাই একটু অবাক হই গেছিলাম আর কি!" " এখন থেকে রোজ এই জিনিস দেখবি, আর অবাক হোস না। বুঝলি?" রামু এক গাল হেসে বলল " আজ্ঞে ঠিক আছে ম্যাডাম।" তারপরে মেঝেতে বসে কেঁদে চলা কমলার দিকে তাকিয়ে বলল " আর তুমি কাঁদতেছ কেন কমলা?" মৌমিতা কমলার হয়ে উত্তর দিল " আর ১-২ মাস পরে ওর চাকরিটা আর থাকবে না, তাই।" রামু চাকরি না থাকার কারন কিছু না জেনেই বলল, " আপনি ম্যাডাম চাইলে অনেক কিছু করতি পারেন। পাড়ার মেয়ে, এট্টু দ্যাখেন! আর কমলা, তুমিও লজ্জা শরম না করে মৌমিতা ম্যাডাম যা বলেন তাই কর। ভুল ত্রুটি কিচহু হলে ক্ষমা চেয়ে নাও। চাকরি তো তোমার খুবই দরকার। আমাকে এই একটা চায়ের দোকান চালাতেই কত নিচে নামতে হয়। এই বাবুরেও দেখ, ম্যাডামের জুতো পরা পা মুখে রেখে পা টিপে সেবা করতেছে চাকরের কাজ রাখতে। গরীব মানুষ হয়ে জন্মালে বেঁচে থাকতে এরকম অনেক কিছুই করতি হয়।" আমার মুখের উপরে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে মৌমিতা বলল, " বাহ, তোর বয়সের সাথে সাথে কিছু জ্ঞানও হয়েছে দেখছি রামু। তোর কিরকম রিলেটিভ হয় না কমলা? ওকে একটু বোঝাস ভাল করে। হয়ত ওদের ফ্যামিলিটা বেঁচে যাবে ও বুঝলে।" " আজ্ঞে, আমার কাকাতো ভাই রতনের মেয়ে ও। ঠিক আছে। আমি ওরে পরে বোঝাব ম্যাডাম। এখন আসি। আপনি ভাল করে সেবা নেন চাকরের।" এই বলে রামু চলে গেল। আর আমি খুব মন দিয়ে আমার মুখের উপরে রাখা মৌমিতা ম্যাডামের পা টিপতে লাগলাম ওর জুতোর তলা চাটতে চাটতে। মৌমিতা আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে চা খেতে লাগল আরাম করে। ৫ মিনিট পরে এক বুড়ি তার ৭-৮ বছরের নাতনিকে নিয়ে ওষুধ নিতে সোজা ঘরের ভিতরে চলে এল। আমি তখনো প্রভু মৌমিতার পায়ের নিচে শুয়ে একই ভাবে তার সেবা করছি। বুড়ি এসে মৌমিতাকে সমস্যার কথা বলতে লাগল। তার নাতনি এদিক ওদিকে তাকাতে তাকাতে দেখতে পেল টেবিলের তলায় আমার মুখের উপরে মৌমিতার জুতো পরা পা দুটো রাখা! সে তার দিদাকে খুঁচিয়ে বলল, " দিদা, দেখ ডাক্তারটা জুতো পরা পা চাকরের মুখের উপরে রেখেছে!" ওর দিদা হয়ত আগেই দেখেছিল। কিন্তু " রাখুক, তুই চুপ কর" বলে সে আবার নিজের কাজের কথা বলতে লাগল। বাচ্চাটা অবাক চোখে আমাকে প্রভু মৌমিতার জুতো চাটতে আর পা টিপতে দেখল। তারপরে নিজের চটি পরা পা আমার বুকের উপরে একবার রেখে কেমন ফিল হয় একবার চেক করে দেখল। বুড়ি চলে যেতে কমলা বলল, " চুনি বুড়ির পেটে কোন কথা থাকে না। ও যা দেখে গেল তা এর পাশের ১০টা পাড়াতে ছড়িয়ে পরতে ১০ দিনও লাগবে না। " মৌমিতা খুব ক্যাজুয়ালি বলল " ছড়াক, ভালই তো। আমার মত মেয়েকে কিভাবে প্রপার রেস্পেক্ট দেওয়া,উচিত সেটা আরো অনেক বেশি লোকের জানা উচিত।" মৌমিতার কথাটা শুনে আমার যে কি ভাল লাগল বলার না। আমি মৌমিতার পা টিপে চললাম একই রকম ভক্তিভরে। ঠিক তখন মৌমিতার ফোনে একটা কল এল। মৌমিতা কিছুক্ষন কথা বলে ফোন রেখে বলল, " আমাদের সেন্টারে ডাক্তার জয়েন করল আজ। কাল থেকে সে সেন্টারে আসবে।" আমার কথাটা শুনে খুব খারাপ লাগল। আমি ইমেজিন করলাম কাল থেকে প্রভু মৌমিতার বদলে এই চেয়ারে এসে বসবে কোন বয়স্ক, টাক মাথা, ভুঁড়িওয়ালা ডাক্তার। আর তার সামনে নিশ্চয়ই আমি এইভাবে প্রভু মৌমিতার সেবা করতে পারব না। দীর্ঘ:শ্বাস ফেলে জীবনের শেষ সুখের দিন ভেবে প্রভু মৌমিতার জুতোর তলা চাটতে চাটতে তার পা টিপে চললাম আমি। আর মৌমিতা মোবাইলে গেম খেলতে খেলতে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে লাগল। আর উত্তেজনায় মাঝে মাঝে আমার মুখে লাথি মারতে লাগল ওর জুতো পরা দুই পা দিয়ে। নার্স মৌমিতা ৪.... পরের দিন অফিসে এসে পুরো অফিস ঝাঁট দিতে লাগলাম। একটু পরে কমলা এসে বলল " আজ নতুন ডাক্তার জয়েন করবে। তার সামনে মৌমিতা আশা করি তোমাকে ওইভাবে ট্রিট করার সাহস পাবে না।" আমার প্রায় কেঁদে দেওয়ার মত কষ্ট হল কথাটা শুনে। অনেক কষ্টে বললাম " দেখা যাক।" কমলা বলল " ডাক্তারকে ওষুধের স্টক মিলিয়ে দেখাতে হবে। আমাকে একটু হেল্প করবে?" " অবশ্যই" বলে আমি কমলার সাথে ওষুধ গোছাতে লাগলাম। তার একটু পরেই মৌমিতা এসে ঘরে ঢুকল। অন্য দিনের তুলনায় অনেকটাই আগে। আজ আর ও বাইরে থেকে ওর স্কুটি পার্কিং করতে ডাকেনি। ভিতরে এসেই ও সোজা আমার সামনে দাঁড়িয়ে ভীষণ জোরে আমার দুই গালে পরপর দুটো থাপ্পর মেরে বলল, " তোর দুজন ওষুধ গোছানোর নামে সরকারী ওষুধ চুরি করিস?" আমি হকচকিয়ে গেলাম এরকম অভিযোগে। বললাম - " না ম্যাডাম।" মৌমিতা এবারে কমলার কাছে গিয়ে ওর চুলের মুঠি ধরে ওর বাঁ গালে থাপ্পর মেরে বলল " তাহলে কি আমি মিথ্যা বলছি?" ওষুধ নিতে আসা ৩-৪ জন পেশেন্ট মৌমিতার চড়া গলা আর চড় মারার আওয়াজ শুনে ঘরের দরজার সামনে ভিড় করেছে দেখলাম। বাইরের এতজন লোক দেখে কমলা কি যেন বলতে গিয়েও চুপ করে গেল। আমি বললাম " না ম্যাডাম। তাই বলিনি। আপনার কিছু বুঝতে ভুল হচ্ছে। আমরা তো শুধু ওষুধ গুছিয়ে রাখছিলাম। " মৌমিতা কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল " তাই নাকি? তাহলে আমাকে প্রমান দিতেই হয়। পেশেন্টরাও দেখুক ওদের প্রাপ্য ওষুধ কোথায় যাচ্ছে।" এই বলে মৌমিতা ওর ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ কান ধরে টানতে টানতে পাশের ঘরে এনে একটা টেবিলের উপরে রাখা আমার আর কমলার ব্যাগের দিকে হাত দেখিয়ে বলল " এটা কি তাহলে?" আমি তাকিয়ে দেখলাম আমার আর কমলার ব্যাগের চেন খোলা। আর তার ভিতর থেকে অনেক ওষুধ উঁকি মারছে। কিন্তু একটু আগে আমি ব্যাগের চেন বন্ধই রেখে গিয়েছিলাম। কোন ওষুধও ছিল না ভিতরে। মৌমিতাই যে ইচ্ছা করে ব্যাগের চেন খুলে ওষুধ ঢুকিয়ে রেখেছে কিছু একটা উদ্দেশ্য নিয়ে বুঝতে আমার কোন অসুবিধা রইল না। " এগুলো আমরা রাখিনি। তুই রেখেছিস মৌ।" - কমলা বলল। এই ঘরে ততক্ষনে ১০ জনের বেশি পেশেন্ট ঢুকে এসেছে। কমলাকে ইগ্নোর করে মৌমিতা তাদের উদ্দেশ্যে বলল " তোমাদের প্রাপ্য সরকারী ওষুধ চুরি করে বাইরে বিক্রি করা এদের কঠিন শাস্তি পাওয়া উচিত কিনা তোমরাই বলো। আমি সন্দেহ করে আগে এসে না ধরলে এইভাবে সব ওষুধ ওরা চুরি করে বাইরে বেচে দিত।" রুগীরা একসাথে সবাই বলে উঠল " কড়া শাস্তি দরকার এদের।" মৌমিতা আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল " কি রে? শাস্তি আমার থেকে নিবি? নাকি সরকারকে জানিয়ে জরিমানা আর চাকরি যাওয়ার ব্যাবস্থা করব?" আমি এতজন বাইরের লোকের সামনেই মৌমিতার জুতো পরা পায়ের উপরে ঝাঁপিয়ে পরলাম। মৌমিতার সাদা স্নিকার দুটো চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে বললাম, " এগুলো আমি রাখিনি ম্যাম। কিন্তু তবু আপনি আমাকে যা খুশি শাস্তি দিতে পারেন। শুধু আমার চাকরি কেড়ে নেবেন না। আমার পুরো পরিবার না খেয়ে মরবে তাহলে ম্যাম। প্লিজ দয়া করুন।" এই বলতে বলতে আমি এতজন রুগীর সামনে মৌমিতার জুতোয় চুমু খেয়ে যেতে লাগলাম। মৌমিতা আমার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিয়ে বলল, " তোদের এমন অপমানজনক শাস্তি দেব যে তোরা সারাজীবন এরকম অপরাধ করার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারবি না।" এই বলে মৌমিতা কমলার দিকে তাকিয়ে বলল " তুই আমার থেকে শাস্তি নিবি নাকি অথরিটিকে জানাব?" কমলা জবাবে কিছু বলতে পারল না। মেঝেতে বসে পরে হাউ মাউ করে কাঁদতে লাগল ও। মৌমিতা এবার রুগীদের জিজ্ঞাসা করল "তোমরা বল ওদের কি শাস্তি দেওয়া উচিত?" কেউ বলল - চাকরি থেকে তাড়িয়ে দিন। কেউ বলল আপনার জুতো পরা পায়ে নাক খত দেওয়ান। কেউ বলল গাছে বেঁধে পেটাক সবাই মিলে। মৌমিতা বলল, " না। আমি ধরেছি। যা শাস্তি দেওয়ার আমিই দেব। এই অর্ক, আমার জুতোর উপরে নাক ঘসে ক্ষমা চা।" এতজন লোকের সামনে এইভাবে মৌমিতার হাতে ডমিনেটেড হতে আমার খুব ভাল লাগছিল। মৌমিতা আমাকে বিনা কারনে চোর বলে প্রমান করতে চাইছে সবার সামনে। কিন্তু তা নিয়ে আমার কোন রাগ ছিল না। মৌমিতা আমার প্রভু, স্বয়ং ভগবান। সে আমাকে চোর বললে আমি চোরই। আমি মৌমিতার পায়ে পরা জুতোর উপরে নাক ঘসতে ঘসতে বলতে লাগলাম -" আমাকে ক্ষমা করে দিন ম্যাম। আমি জীবনে আর কখনো চুরি করব না।" মৌমিতা আমার মাথার উপরে লাথি মেরে বলল, " চুরির অভিযোগ তুই স্বীকার করছিস তাহলে?" আমি প্রভু মৌমিতার জুতোয় নাক ঘসতে ঘসতেই বললাম " আপনি যখন বলেছেন আমি চোর তাহলে সেটাই সত্যি।" মৌমিতা এবার পাব্লিকের দিকে তাকিয়ে বলল, " ওকে এমন অপমানজনক শাস্তি দেব যে ও আর স্বপ্নেও চুরি করার সাহস পাবে না।" এই বলে আমার মাথায় একটা লাথি মেরে বলল " তুই আমার চেয়ারের ঠিক নিচে মাথা রেখে শুয়ে পর।" মৌমিতা পাব্লিকের সামনেই কি করতে চাইছে আমার বুঝতে অসুবিধা হল না। কাল ভেবেছিলাম আজ ডাক্তার জয়েন করবে। তাই নার্স মৌমিতা হয়ত আমাকে আর ডমিনেট করবে না। কিন্তু হল ঠিক তার উলটো। একটু বাদে পেশেন্টের মত ডাক্তার এসেও দেখবে যে নার্স চুরিতে অভিযুক্ত গ্রুপ ডির মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে পা টেপাচ্ছে আর পেশেন্টদের ওষুধ দিচ্ছে!" আমি গিয়ে শুতে মৌমিতা এসে চেয়ারে বসে সবার সামনেই আমার মুখের উপরে ওর সাদা স্নিকার পরা পা দুটো তুলে দিল। জুতোর তলার ময়লা আমার মুখে ঘসতে ঘসতে বলল " ওর মুখটাকে আমি পাপোষের মত ইউজ করছি। এটাই ওর প্রাপ্য শাস্তি। ঠিক কিনা?" উপস্থিত সবাই বলল " ঠিক, একদম ঠিক!" মৌমিতা আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " তুই আমার পা টিপতে থাক মন দিয়ে। এলাকার সবাই আজ ভিতরে এসে ওষুধ নেবে। সবাই দেখুক সরকারী জিনিস চুরির শাস্তি কি হয়।'' প্রভু মৌমিতার স্নিকার পরা পা দুটো আমি খুব মন দিয়ে টিপতে লাগলাম। পাব্লিকলি এইভাবে প্রভুর সেবা করতে আমার কি যে ভাল লাগছিল বলে বোঝানো সম্ভব নয়। আমি আমার মুখের উপরে রাখা প্রভু মৌমিতার জুতো পরা পা যত্ন করে টিপে দিচ্ছিলাম। আর প্রভু উপস্থিত প্রায় ২০ জন পেশেন্টের সামনে আমার মুখের উপরে ক্যাজুয়ালি নিজের জুতোর তলা ঘসছিল যেন আমার মুখটা আসলে পাপোষ! আর মাঝে মাঝেই প্রভু আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা দিয়ে লাথি মেরে বলছিল, " সবাই দেখো চুরির শাস্তি কেমন হয়" টাইপের কিছু! ১৫ মিনিট এইভাবে চলার পরে মৌমিতা আবার পেশেন্টদের বলল " সবাই আজ ভিতরে এসে ওষুধ নেবে। সবার দেখা উচিত সরকারী ওষুধ চুরির শাস্তি কিরকম হয়।" পেশেন্টরা মৌমিতার পাশে যেখানে দাঁড়িয়ে সমস্যা বলে ওষুধ নিচ্ছিল সেখান থেকে টেবিলের তলাটা পরিস্কার দেখা যায়। সবাই দেখতে পাচ্ছিল মৌমিতার জুতো পরা পা আমার মুখের উপরে রাখা আর আমি ওর পা টিপে দিচ্ছি! কমলা তখনো ঘরের কোনে বসে কেঁদে যাচ্ছিল। প্রায় ১৫ জন পেশেন্টকে টানা ওষুধ দিয়ে মৌমিতা থামল। কমলাকে বলল, " এই চোর! ন্যাকা কান্না থামিয়ে তোর রামু কাকার দোকান থেকে আমার জন্য চা বিস্কুট নিয়ে আয়।" কমলা বাধ্য মেয়ের মত আদেশ পালন করল। আর মৌমিতা উপস্তিত প্রায় ১০ জন পেশেন্টের সামনে আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " আমার জুতোর তলাটা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার কর।" কথাটা শুনে কয়েকজন পেশেন্ট হেসে ফেলল। কিন্তু আমার মনে সেই একই কথা প্রবল ভক্তি সঞ্চার করল প্রভু মৌমিতার প্রতি। মৌমিতার মত মেয়ে আমার মত একজন লুজার ছেলেকে সবার সামনে এইভাবে ট্রিট করবে এটাই তো স্বাভাবিক! আমি প্রবল ভক্তিভরে প্রভু মৌমিতার জুতোর তলা চাটতে লাগলাম সবার সামনে। কমলা নিজেই আজ মৌমিতার জন্য চা বিস্কুট কেক নিয়ে এল। মৌমিতা প্রায় ৩০ জন পেশেন্টদের ওষুধ দেওয়া সেরে আরাম করে চা বিস্কুট খেতে খেতে কমলাকে বলল, " কি রে? অথরিটিকে ফোন করব?" কমলা মাথা নিচু করে বলল, " প্লিজ না। চাকরিটা আমার খুব দরকার।" মৌমিতা হাত বাড়িয়ে কমলার চুলের মুঠি ধরল। তারপরে ওর গালে খুব জোরে থাপ্পর মারল অন্য হাত দিয়ে। কমলা বলল, " তুমিও জানো আমি চুরি করিনি। কেন আমাকে অকারনে শাস্তি দিচ্ছ? আমি কি ক্ষতি করেছি তোমার?" মৌমিতা হেসে বলল, " এই তো তুইয়ের বদলে তুমি করে বলছিস আমাকে। গালে থাপ্পর খেয়েও বাধা দিচ্ছিস না। আমি এটাই চাই। আমার কাছে তোর সাবমিশান। ঠিক যেভাবে অর্ক সাবমিট করেছে সেভাবে। " "তাই বলে চুরি না করেও সবার সামনে চোরের বদনাম শুনতে হবে আমাকে?" মৌমিতা একইসাথে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি আর কমলার গালে থাপ্পর মেরে বলল, " হ্যাঁ। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল ব্যাঁকাতে হয়।" ঠিক তখনই আমাদের হস্পিটালের সামনে একটা গাড়ি এসে দাঁড়াল। আমি আন্দাজ করলাম ডাক্তার। তবে ডাক্তার কিরকম হবে সেই আন্দাজ একদমই মিলল না। ভেবেছিলাম মাঝ বয়সী ভুঁড়ি আর টাক ওয়ালা কোন পুরুষ ডাক্তার হবে। যে এল সে মেয়ে, বয়স কোনভাবেই ২২-২৩ এর বেশি মনে হয় না দেখে। বোঝাই যায় পাশ করেই এখানে জয়েন করেছে। ফর্শা, অসাধারন সুন্দরী। তার পিছন পিছন তার হাত ব্যাগ নিয়ে ঘরে ঢুকল তার ড্রাইভার। ঘরে ঢুকে এরকম অদ্ভুত দৃশ্য দেখবে সে কল্পনা করেনি। মৌমিতার জুতো পরা পা দুটো মেঝেতে শোওয়া আমার মুখে রাখা। আর মেঝেতে নিল ডাউন হয়ে বসা কমলার চুলের মুঠি ধরা মৌমিতার বাঁ হাতে। ডাক্তার ঢুকেই অবাক হয়ে বলল, " এসব কি হচ্ছে রে মৌ? কি দেখছি এসব?" মৌমিতা কমলার বাঁ গালে ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মেরে বলল, " আর বলো না রিচাদি। এই দুটো এখানকার গ্রুপ ডি আর ফার্মাসিস্ট। আজ সকালে এসে দেখি দুজন মিলে হাসপাতালের ওষুধ চুরি করছে। তাই বাধ্য হয়ে শাস্তি দিচ্ছি যদি এরা শোধরায়। নাহলে তো অথরিটিকে জানিয়ে চাকরি খেতে হবে এদের।" ডক্টর রিচা মুচকি হেসে বলল, " আমি কাজিন হলেও তোর দিদি! তোকে ছোট থেকে চিনি। আমার কিন্তু তোর কথাটা একদম সত্যি বলে মনে হচ্ছে না।" মৌমিতা এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে নিশ্চিত হল বাইরের কেউ নেই। তারপরে বলল " হ্যাঁ, পুরোটাই বানানো। এই কমলাটাকে শায়েস্তা করার জন্য আমার প্লান। আর পাব্লিকের সামনে কাউকে এভাবে ট্রিট করাটাও হেব্বি মজার।" এই বলে মৌমিতা আবার একসাথে আমার মুখে লাথি আর কমলার গালে থাপ্পর মারল। " হ্যাঁ। মজা তো আছেই। তুই আর আমি ছোটবেলায় একসাথে কতজনকে এবিউজ করে মজা নিয়েছি বলত? এখন অফিসেও সেরকম মজা নেওয়া যাবে।" " এখানে শেষে তোকেই পোস্টিং দিল রিচা? এখন তোরা দুই বোন মিলে ছোটবেলার মত অকারনে আমাকে এবিউজ করবি এত বড় হয়েও? এতে কি মজা পাস তোরা? আমি যে চুরি করিনি সেটা তো শুনলি? কেন বিনা কারনে আমাদের শাস্তি দিচ্ছিস তোরা?" কমলা এক নিশ্বাসে বলে গেল কথাগুলো ডাক্তার রিচার উদ্দেশ্যে। এবার রিচা এগিয়ে এসে কমলার দুই গালে পরপর দুটো থাপ্পর মারল। তারপর হাঁটু দিয়ে খুব জোরে মারল কমলার পেটে। কমলা যন্ত্রনায় উলটে পরে যেতেই গোলাপি- কালো স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে কাত হয়ে শুয়ে থাকা কমলার গালে একটা লাথি মেরে জুতো পরা পায়ের তলায় কমলার মাথাটা চেপে ধরে রিচা বলল " আমাকে তুই করে বলার সাহস তোকে কে দিল?" কমলা রিচার জুতোর তলা থেকে বলল " তুই বলব না কেন? তুই ক্লাস ১ থেকে ১২ অবধি আমার ক্লাসমেট ছিলিস।" " তাতে কি তুই আর আমি সমান হয়ে গেলাম? তোর জায়গা আমাদের জুতোর নিচে। ঠিক যেখানে আছিস এখন তুই, সেখানে। আফশোষ, ছোট থেকে এত এবিউজ করেও তোকে এই সত্যিটা এখনো বোঝাতে পারিনি। কিন্তু এবার ঠিক বুঝিয়েই ছাড়ব আমি আর মৌ মিলে। এক বছর পরে তুই ঠিক অর্কর মতই আমাদের চাকরের মত আচরন করবি নিজের ইচ্ছাতেই। চ্যালেঞ্জ রইল আমার।" কমলা কিছু বলতে যাচ্ছিল। ঠিক তখন এক মহিলা তার ১২-১৩ বছরের মেয়েকে নিয়ে এসে গেটের সামনে থেকে বলল, " এখন ওষুধ পাওয়া যাবে?"

Friday, 1 September 2023

বিভূতি ও জয়তি

. বেতন চাওয়ায় কর্মীকে পায়ে পরার জুতো চাটালেন নারী ‘বস’! আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কলকাতা টাইমস ৩১ আগস্ট ২০২৩ , ১০:৪৬ অভিযুক্ত বিভূতি ও জয়তি পাল বেতন চাইতে যাওয়াটাই যেন অপরাধ হয়েছিল কর্মচারীর। মারধর, গালিগালাজ, বাদ গেল না কিছুই। শুধু তাই নয়, বস তথা সংস্থার দুই মালিক তার মুখের উপরে বুট জুতো পরা পা রেখে তার তলা চাটতে বাধ্যও করেন! সাথে মুখের উপরে বুট পরা পায়ের একের পর এক লাথি! হেনস্থা এতটাই চরম পর্যায়ে হয়েছে যে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে ওই কর্মীকে। এমনই অভিযোগ উঠেছে শিলিগুড়ির এক সংস্থার মালিকের বিরুদ্ধে। আহত ব্যক্তি তপন আঘাতের ফলে আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে প্রত্যক্ষদর্শী এক কর্মীর অভিযোগে তদন্ত করছে পুলিশ। সেই কর্মী পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পর বিভূতি ও জয়তি পাল নামে ওই দুই নারীর খোঁজ শুরু হয়েছিল । কিন্তু বাড়ি বা অফিস কোথাও তাকে পাওযা যাচ্ছিল না বলে জানিয়েছিল পুলিশ। অন্য এক সংস্থার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, শিলিগুড়িতে পিউ ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক সংস্থার গত ২ বছর ধরে মালিক পিউ পালের দুই মেয়ে, ২১ বছর বয়সী বিভূতি ও তার দিদি ২৩ বছর বয়সী জয়তি । গত অক্টোবর মাসে তার সংস্থায় তপন দাস নামে এক কর্মীকে নিযুক্ত করেন তারা । তপনের মাসে ১২ হাজার টাকা বেতন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই মাসেই তার চুক্তি আচমকা শেষ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মাত্র ১৬ দিন কাজ করেছিলেন নীলেশ। ওই কয়েকদিনের বেতন চাইলেও কোনো উত্তর দেয়নি সংস্থাটি। গত বুধবার ওই বকেয়া টাকা চাইতে এক প্রাক্তন সহকর্মীকে নিয়ে ওই সংস্থার অফিসে যান নীলেশ। এরপরই তাকে চরম হেনস্থার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে বিভূতি পালের দিদি জয়তি পাল নানাভাবে হেনস্থা করতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শী। এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ওই কর্মী তপনকে টেনে ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর শুরু হয় মারধর। লাথি, বেল্ট দিয়ে মার, ঘুষিও মারা হয়। জয়তির মার মুখ বুজে সহ্য করতে থাকে তপন বেতনের আশায়। এরপর সামনে আসেন বিভূতি। তিনি নিজের জুতা পরা পা ওই কর্মীর মুখের উপরে রেখে তাকে নিজের জুতা চাটতে বলেন। তপন বিনা প্রতিবাদে তার জুতো চাটতে থাকে। তখন দুই বোন পালা করে তপনের বুকে ক মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শী তপনকে উঠে চলে আসতে বললেও সে দুই বসের লাথি খেতে খেতে তাদের পায়ে পরা বুট জুতো জিভ দিয়ে চাটতে থাকে আর তাদের জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে অনুরোধ করতে থাকে তার প্রাপ্য ৬০০০ টাকা তাকে দিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তপনের অনুরোধে কান না দিয়ে দুই বোন তার বুকে ও মুখে টানা লাথি মারতে তাকে বুট পরা পায়ে। তপনকে দিয়ে নিজেদের বুটের তলা জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতে বাধ্য করে। তপনের বুকে বেল্ট দিয়ে আঘাতও করতে থাকে। তপন জ্ঞান হারানোর আগে পর্যন্ত তাকে এইভাবে মারতে থাকে তার দুই বস। ৩২ বছর বয়সী তপন তার দুই নারী বসের বুট পরা পায়ের লাথি খেতে খেতে শেষে জ্ঞান হারায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পিউ ইন্ডাস্ট্রির কর্মী রানা জানায় বয়সে ছোট দুই মেয়ে বসের লাথি খেয়ে তপনের নাক ফেটে রক্ত পরছিল তখন। সেই তখন তপনকে সেখান থেকে বের করে এনে এম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। অভিযোগে সে জানায় দুই বোন কোন তুকতাক করার ফলেই তপন বিনা বাধায় সব অত্যাচার সেই সময় মেনে নিচ্ছিল। এরকম ঘটনা এর আগেও আরো ৩-৪ জন কর্মীর সাথে করেছে এই দুই নারী বস। কোন এক অজানা অলৌকিক তুকতাকের কারনে কর্মীরা সেভাবে কোন বাধা দেয় না বলে দাবী রানার। জ্ঞান ফেরার পরে তপন অবশ্য এই ঘটনা সম্পুর্ন অস্বীকার করেছে। সে দাবী করে তার দুই বস অতি ভাল মানুষ ও চাওয়া মাত্র তার বেতন দিয়ে দিয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। যদিও হাসপাতালে ভর্তির সময়ে তার মুখ জোড়া বুট জুতো পরা পায়ের ছাপ ও জিভ ভর্তি কাদা থাকার কোন গ্রহনযোগ্য ব্যাখ্যা সে দিতে পারে নি। কিন্তু আহত ব্যক্তি নিজে অভিযোগ অস্বীকার করায় পুলিশ f.i.r. তুলে নিয়েছে। এবং তারপরেই বিভুতি ও জয়িতা নিজের বাসভবনে ফিরে আসে। তারা এই ঘটনা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। যদিও অন্তর্তদন্ত বলছে, দুই বোন সংস্থার মালিক হওয়ার পরে গত দুই বছরে এর আগেও অফিসের বিভিন্ন কর্মীকে মারধর ও অপমান করা, তাদের দিয়ে জুতো চাটানো বা বেতন না দেওয়ার মত বহু অভিযোগ দুই বোনের বিরুদ্ধে এর আগেও বহুবার এসেছে। কিন্তু কোন আশ্চর্য কারনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা প্রতিবারই অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে। এর পিছনে দুই বোনের কালাযাদুর কোন অলৌকিক ক্ষমতা আছে নাকি অন্য কোন অজানা কারন তা এখনও অজানা। রানার দাবী অফিসের বর্তমান ৩ কর্মীকে দিয়ে এই দুই নারী বস রোজ নিজেদের জুতো চাটিয়ে পরিস্কার করায় ও ইচ্ছামত তাদের চড়, লাথি, ঘুসি, চাবুক মারে। যেকোন কারনেই হোক তারা সেটা মেনে নেয় কোন অভিযোগ বা আপত্তি ছাড়াই। রানা দুই বসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় স্বভাবতই তাকে কম্পানি থেকে বরখাস্ত করেছে তার দুই বস। আর তপন নতুন এক চুক্তিতে অন্য এক পোস্টে কাজ পেয়েছে ওই কম্পানিতে। পুলিশ জানিয়েছে রানাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা বা তপনকে চাকরি দেওয়া কোনটাই অপরাধ নয়। এমনকি তপন বা অন্য কর্মচারীরা অভিযোগ না করলে তাদের দিয়ে জুতো চাটানো বা লাথি মারার ঘটনা ঘটলেও সেটা আইনের চোখে অপরাধ নয় এবং পুলিশ এই নিয়ে কোন তদন্ত করবে না আর। ( গুজরাটের এক বাস্তব ঘটনার ভিত্তিতে লেখা এক খবরকে এডিট করে লেখা)।

Tuesday, 1 August 2023

দিদির দাস

দিদির দাস.... সেই দিনটা ছিল দিদির মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর দুই দিন পর। আমার তখন ক্লাস ৯। আমার চেয়ে ২ বছরের বড় সুন্দরী দিদি অসাধারন ভাল রেজাল্ট করায় সবাই প্রশংসায় ভরিয়ে তুলেছিল দিদিকে। দিদির মেজাজ বেশ ভাল ছিল তাই। আমার উপর নিষ্ঠুর ব্যাবহার দিদির কাছে তখন স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। রেজাল্ট বেরনোর পরের কয়দিন দিদি কাছের বান্ধবিদের নিয়ে পার্টি করল। বাড়িতে করলে আমার কাজ ছিল চাকরের মত সার্ভ করা। দিদির রেজাল্ট বেরনোর দিন রেজাল্ট শুনে আমাদের বাড়িওয়ালী আমাকে দিদির সামনেই বলেছিল তোর উচিত দিদির পা ধুয়ে জল খাওয়া। দিদির খুব পছন্দ হয়েছিল কথাটা। সেই দিন থেকেই রোজ দুইবেলা আমাকে দিয়ে নিজের পা ধুইয়ে জল খাওয়াত দিদি। এরকম পার্টি করা , এত বেশি হই হুল্লোর করা দিদি আগে করত না। কিন্তু মাধ্যমিকের পরীক্ষা শেষের পরেই দিদি আসতে আসতে ওইদিকে ঘেঁসতে লাগল, সম্ভবত দিদির তখনকার বেস্টফ্রেন্ড অরুনিমাদি সহ আরো কয়েকজন বান্ধবীর এতে ভুমিকা ছিল। দিনের অনেকটা সময় দিদি বাইরে ঘুরত, এঞ্জয় করত বান্ধবীদের সাথে। ঘরের কোন কাজ করত না, সেগুলো আমার উপরে চাপিয়েছিল। সেগুলো আমি করি আর না করি দিদির হাতে মার ঠিকই খেতাম! আমার তাই নিয়ে কোন অভিযোগ ছিল না, দিদির আমার প্রতি এই ব্যাবহার আমার খুবই ভাল লাগত। দিদি সেদিন সকালে উঠেই অরুনিমাদিদের বাড়ি চলে গিয়েছিল। আমাকে ঘরের সব কাজ করে রাখার সাথে ওদের জন্য দুপুরে বাইরে থেকে কি খাবার আনতে হবে তাও বলে দিয়েছিল। আমি সব কাজ সেরে দুপুর ১.৩০ এর মধ্যে দিদিদের জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিয়ে এসে অপেক্ষা করছিলাম। দিদি অরুদিকে নিয়ে দুপুর ২.৩০ টায় ঢুকল। দিদি প্রায় সবসময় যেই দিক দিয়ে ঢোকে, আমাদের ঘরে ঢোকার পিছন দিক দিয়েই। দিদিরা ঘরে ঢুকেই সোফায় বসে পরল জুতো পরা পায়ে। আমি জুতো খুলতে দিদির পায়ের কাছে বসলে দিদি জুতো পরা পায়ে অরুদির সামনেই আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " জুতো পরে খুলবি। আমাদের খিদে পেয়েছে। আগে খাওয়ার ব্যাবস্থা কর।" আমি দিদির জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে তাই করলাম। রেস্টুরেন্ট থেকে আনা দারুন সব খাবার প্লেটে সাজিয়ে দিলাম, গ্লাসে জল আর কোল্ড ড্রিংক্স আনলাম। ওদের হাত ধোওয়ার জল এনে ওই ঘরেই হাত ধুয়ে দিলাম। খেতে খেতে অরুদি বলল, " এত্ত সুন্দর একটা মিলের পরে একটু সিগারেট না খেলে ঠিক জমবে না।" তাই শুনে দিদি আমাকে পাশের দোকান থেকে একটা দামী ব্রান্ডের ৫ টা সিগারেট আনতে পাঠাল। আমি এনে দিলাম। ওরা খেয়ে দেয়ে সোফায় আধ শোওয়া হয়ে সিগারেট টানতে টানতে গল্প করতে লাগল। বিকাল ৪ টের দিকে মা ঘুম ভেঙে পাশের ঘর থেকে সিগারেটের গন্ধ পেল। এ ঘরে এসে বলল, " ঘর থেকে সিগারেটের গন্ধ বেরোচ্ছে কেন? এই ঘরে কে সিগারেট খেল?" দিদি বলল, " আমিও গন্ধ পাচ্ছি। আমরা তো এই এলাম, এসে থেকেই গন্ধ পাচ্ছি। ভাই তুই খেয়েছিস?" আমি প্রথমে বুঝতে পারি নি কি বলব। ঘাড় নেড়ে না বললাম আর গিয়ে দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম। দিদি এবার খুব জোরে আমার দুই গালে দুটো থাপ্পর মারল। বলল " স্বীকার না করলে আরও বেশি মার খাবি। তারপর এদিক ওদিক চাওয়ার ভান করে আমার এনে দেওয়া সিগারেটের প্যাকেটটা তুলে নিয়ে বলল, " এই তো পেয়েছি।" সিগারেট খুলে দেখে বলল " বাপ রে, এটা তাও খুব দামী ব্রান্ড। ক্লাস ৯ এ শুধু ফুঁকছিস শুধু তাই না, তাও এত দামী সিগারেট? বাবা বাড়ি করার টাকা জমাতে গিয়ে কত কষ্ট করছে আর ছেলে এই বয়সে সেই টাকা সরিয়ে দামী সিগারেট ফুঁকছে। তবে আজ ধরা যখন পরেছিস তখন তুই শেষ। কি মার যে খাবি তুই কল্পনাও করতে পারছিস না।" আমি ততক্ষনে মাথা নিচু করে স্বীকার করে নিয়েছি যে সিগারেট আমিই খেয়েছি! দিদি এবার মার সামনেই জুতো পরা পায়ে আমার মুখে পরপর ৩-৪ টে লাথি মেরে বলল, " মা, চিন্তা কর না। আজ এটাকে পিটিয়ে সোজা করে দেব আমি। এমন পেটাব যে সিগারেট তো দূর, আমার অনুমতি না নিয়ে সারাজীবন এক ঢোঁক জল খাওয়ার সাহসও পাবে না।" অরুদি দিদির দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল, " মেরে সোজা না করলে এখন সিগারেট খাচ্ছে, দুই বছর পরে এ ছেলে রাস্তায় পকেটমারি করে সেই টাকায় মদ খাবে।" দিদি আর অরুনিমাদি ওদের অপরাধের শাস্তি এভাবে আমাকে দিতে পেরে খুবই আনন্দ পাচ্ছিল। কিন্তু মা ভাবছিল সত্যিই এটা আমার অপরাধ! দিদি অরুদির দিকে তাকিয়ে বলল, " চিন্তা নেই। দুজনে মিলে ওকে পিটিয়ে সোজা করব। চল, দুজনে এখন একসাথে লাথি মারি ওর মুখে।" মা তখনো ঘরের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। দিদি আর অরুদি মায়ের সামনেই স্নিকার পরা পা দিয়ে দুপাশ থেকে আমার মুখে লাথি মারা শুরু করল। ভিশন যন্ত্রনা হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু সাথে যে এক কি তীব্র ভাল লাগা কাজ করছিল বলে বোঝানো সম্ভব না! দিদিরা দুজনেই বোধহয় টানা ৫০ টার বেশি লাথি মারল আমার মুখে। যখন থামল, তাকিয়ে দেখি মা আর ঘরে নেই। এরপরে আমাকে মেঝেতে ফেলে দিদি কোমর থেকে চামড়ার বেল্ট খুলে সেটা দিয়ে আমাকে মারতে লাগল আমার মুখের উপরে জুতো পরা ডান পা টা রেখে। বেল্টের আঘাতে আমার খুব লাগছিল শুধু তাই না, কোথায় বেল্ট আছড়ে পরবে সেটাও দেখতে পাচ্ছিলাম না আমার চোখ দিদির জুতোর তলায় চাপা থাকায়। এরপরে দুই দিদি মিলে আবার লাথি মারা শুরু করল, এবার সারা দেহে। অন্তত ১০০ লাথি মেরে থামল। আমার খুব শারীরিক যন্ত্রনা হচ্ছিল, কিন্তু দুই দিদির মুখ চকচক করছিল আনন্দে। আমাকে কষ্ট দিয়ে আমার দুই দিদি আনন্দ পাচ্ছে ভেবে কি যে খুশি লাগছিল আমার! দিদিরা থেমে কিছুক্ষন দাঁড়াল, তারপরে একে একে দুজনে আমার মুখটাকে পাপোশের মত করে ইউজ করল। প্রথমে দিদি, তারপর অরুদি আমার মুখে জুতোর তলার ধুলো ময়লা ঘসে ঘসে মুছল, যেভাবে লোকে পাপোশে জুতো মোছে সেভাবে! দিদি তো এতেও খুশি হল না আমার মুখে লাথি মেরে জিভ বার করতে অর্ডার করল। আমি জিভ বার করে দিলে দিদি আমার বার করা জিভে নিজের দুই সাদা স্নিকারের তলাই ঘসে ঘসে একদম পরিস্কার করে ফেলল। তারপর আমাকে পায়ের তলায় শুইয়ে দুই দিদি সোফায় বসে টিভি দেখতে লাগল। আমার প্রভু দিদির জুতো পরা পা তখন আমার মুখে রাখা, আর অরুনিমাদির জুতো পরা পা আমার বুকে। আমি বাধ্য চাকরের মত দুই দিদির পা টিপে দিচ্ছিলাম। ওদের প্রতি কি তীব্র ভক্তি অনুভব করছিলাম বলে বোঝাতে পারব না। আমার উপরে অকারনে এইভাবে অত্যাচার করা দিদির পা টিপতে টিপতে দিদির জুতোর তলায় চুম্বন করে মনে মনে অসংখ্য বার দিদিকে ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম। দিদিরা এরপরে বিকালে আবার বেরোল আরো দুই বান্ধবীর সাথে। এবার দিদি একা ফিরল, জুতো খোলার আগে আবার আমাকে অনেক গুলো লাথি মারল। তারপরে আমার মুখ আর জিভকে পাপোশের মত ইউজ করল। আমি দিদির জুতো মোজা খুলে পা ধুয়ে পা ধোয়া জল খেলাম দিদির পায়ে চটি পরিয়ে দিয়ে। দিদি ড্রেস চেঞ্জ করে ফিরে সোফায় বসে টিভি দেখতে লাগল আমাকে পায়ের তলায় শুতে আদেশ করে। আমি তাই করলাম। বিকালের মত আমার মুখের উপরে রাখা দিদির চটি পরা পা ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম দিদির চটির তলায় চুম্বন করে মনে মনে দিদিকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিতে দিতে। সন্ধ্যা ৮ টার পরে বাবা যখন ফিরল তখন ও দিদি এইভাবে আমাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে টিভি দেখতে দেখতে। বাবা ঢুকে কিছু বলার আগেই দিদি আমার ভয়ানক 'অপরাধ' বাবার কাছে বর্ননা করল। আমি যে বাবার 'পকেট মেরে' ১৪ বছর বয়সে সিগারেট খেতে শিখেছি তাতে বাবার খুশি হওয়ার কথা না! তার উপরে মেয়ে যখন অত কনফিডেন্সের সাথে বলল, " এইভাবে চলতে থাকলে এই ছেলে দুই বছর পরই রাস্তায় মদ কেনার টাকা জোগাড় করার জন্য পকেট মারতে গিয়ে ধরা পরে গনধোলাই খাবে" তখন বাবা একটু চিন্তিত হল বটে! বিশেষ করে নিজে যখন খেয়াল রাখার একটুও সময় দিতে পারে না। মেয়ে যতই নিষ্ঠুর ভাবে মারুক রাস্তায় গনধোলাই খাওয়ার চেয়ে ভাল! বাবার সামনেই দিদি আমার মুখে বেশ কয়েকটা লাথি মারল চটি পরা পায়ে। উল্টে আমি উঠে দিদির পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাইলাম আমার দোষ স্বীকার করে! বাবা কি আর বলবে! সত্যিই তো, তার মেয়ে কত ভাল, এলাকায় মাধ্যমিকে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়েছে! আর ছেলেটা এইভাবে গোল্লায় যাচ্ছে!! সেই ভাল মেয়ে যদি তার ছোট ভাইকে একটু বেশি শাস্তি দিয়ে ঠিক রাস্তায় আনে তো খারাপ কি? সেই রাতে বাসন মাজা, জল তোলা সেরে আমাদের বিছানা করে আমি অন্য রাতের মতই খাটে দিদির পায়ের তলায় শুলাম। দিদি একটা গল্পের বই পড়তে লাগল খালি পা দুটো হাঁটু থেকে ভাঁজ করে আমার মুখে রেখে, আর আমি আবার মন দিয়ে দিদির পা টিপতে টিপতে ভাবতে লাগলাম আমি কত ভাগ্যবান, তাই এত ভাল একটা দিদি পেয়েছি! রাতে লাইট নিভিয়ে শোয়ার আগে দিদি আমার মুখে শেষ কয়েকটা লাথি মেরে বলল, " তৈরি থাকিস এখন থেকে। আমি সিগারেটই খাই, আর অন্য অপরাধই করি, সব দায় এভাবে তোকেই নিতে হবে আর তার শাস্তি আমার থেকেই তুই এইভাবে পাবি। কারন তুই ছেলে আর আমি মেয়ে। কোন মেয়ে অপরাধ করলে তার শাস্তি সেই মেয়ের থেকেই তার ভাই বা দাদাকে নিতে হয়। এটাই হল সবচেয়ে ভাল নিয়ম!!" সেই রাতে অত্যাধিক আবেগ আর প্রবল মার খাওয়ায় দৈহিক যন্ত্রনায় আমার প্রায় ঘুম হল না। সকালে মুখে দিদির লাথি খেয়ে ঘুম থেকে উঠে প্রবল মাথা যন্ত্রনা আর ঝিম লাগা ভাব! তাই নিয়েই ঘর ঝাঁট দেওয়া আর মোছা দিয়ে আমার দৈনন্দিন কাজ শুরু করলাম। যন্ত্রনা হচ্ছে তাতে কি? সব যন্ত্রনা কষ্টের নয়, কিছু যন্ত্রনা খুব আনন্দেরও হয়। যেমনটা আমি তখন পাচ্ছিলাম!!

Saturday, 1 July 2023

অন্যরকম জীবন

অন্যরকম জীবন... 1.... আমার জন্ম কলকাতা থেকে ৬০ কিমি দূরের এক শহরে, যৌথ পরিবারে। তখন পরিবারে দাদু,,ঠাকুমা, ছোট কাকু,,কাকিমা আর তাদের এক ছেলের সাথে থাকতাম আমি, দিদি, বাবা আর মা। বিভিন্ন কারনে পারিবারিক বাড়ি ছেড়ে কোলকাতার আরো কাছে চলে এসে একটা ভাড়া বাড়িতে উঠি। সেই কারনের মধ্যে বড় শহরে থাকার সুবিধা, বাবার অফিস কাছে হওয়া যেমন ছিল তেমনই ছিল দিদা বা কাকিমার সাথে মায়ের ঠিক মানিয়ে নিতে না পারা। তখন দিদি ক্লাস ২ তে উঠেছে, আর আমি তার পরের বছর ক্লাস ১ এ উঠব। দিদি আমার থেকে বয়সে দুই বছরের বড় ছিল, আর ২ক্লাস উঁচুতে পড়ত। এই সময় থেকেই দিদি আমাকে উদ্ভট যুক্তি দিয়ে 'উল্লু' বানাতে শুরু করে নিজের প্রয়োজনে। আসলে, এরফলে আমি দিদির কন্ট্রোলে থাকলে প্রয়োজন মত নিজের সব কাজ করিয়ে নিতে পারবে এটাই দিদির উদ্দেশ্য ছিল। আমার দিদি ছোট থেকেই একটু অন্যরকম ডমিনেটিং ছিল। একটা রাজকন্যা সূলভ হাবভাব ছিল দিদির মধ্যে, নিজের কোন কাজ কখনোই নিজে করা পছন্দ করত না। যেমন জল খেতে হলে কেউ এনে সেটা দিদির হাতে দেবে, চকোলেট খেতে ইচ্ছা হলে দিদি অর্ডার করবে। আর সেটাও ফ্রিজ থেকে বের করে কেউ দিদির হাতে দেবে। দিদি সেটা খেয়ে প্যাকেটটা মেঝেতে বা খাটেই ফেলে রাখবে, অন্য কেউ সেটা তুলে ফেলে দেবে। দিদি নিজে হাতে নিজের জুতো পরা, বা খোলাও পছন্দ করত না। ঘরে ঢোকার পরে কেউ জুতো খুলে দেওয়ার না থাকলে জুতো পরেই ঘরে ঢুকে যেত মেঝেতে জুতোর ছাপ ফেলে। এমনকি খাটেও উঠে যেত জুতো পরে। তখন দিদির বয়স ৮ হতে একটু বাকি, ফলে বেশ ছোটই। জয়েন্ট ফ্যামিলিতে থাকার সময়ে দিদি ঘর ময়লা করলে পরিস্কার করার লোক ছিল। আলাদা হওয়ার পরে মা মাঝে মাঝে দিদিকে বোঝাতো এইভাবে ঘর নোংরা করা ঠিক না। তখনই দিদি বুঝেছিল আমাকে কন্ট্রোল করে কাজ করাতে পারলে তার বেশ সুবিধা! কিভাবে আমাকে কন্ট্রোল করবে সেটা বিভিন্ন মেথোড ট্রাই করে দেখত। নিজের সুবিধার জন্যই মেয়েরা সুপিরিয়ার এটা আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করত দিদি। আর সেজন্য বাড়িতে টাঙ্গানো বিভিন্ন দেবী দূর্গা আর কালীর ছবি ব্যাবহার করত দিদি। আমাকে দেখাত দেবী দূর্গার পায়ের তলায় অসুর, কালীর পায়ের তলে শিব। আর দেখিয়ে বলত, দেখ মেয়েদের স্থান কত্ত উপরে। আমার এই এক্সপ্লেনেশানটা খুব ভাল লেগেছিল, সম্ভবত আমার মধ্যে সাবমিসিভ টেন্ডেন্সি থাকার জন্যই। আমি দিদির কথায় সায় দিলাম তাই নয়, এরপর থেকে দিদির কথাও শুনে চলতে লাগলাম। দিদি বিভিন্ন উপায়ে আমাকে কনট্রোল করার চেষ্টা করত। এই মেয়েরা সুপিরিয়ার থিওরি দেওয়ার পরে আমি কিভাবে দিদির প্রতি সাবমিসিভ হয়ে পরেছিলাম সেটা দিদি খেয়াল করেছিল। দিদি জল আনতে বললে চাকরের মত ছুটে এনে দিতাম, চিপ্স খেয়ে মেঝেতে প্যাকেট ফেললে আমি গিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে আসতাম। মা এই নিয়ে দিদিকে কিছু বললে আমি বলতাম আমি তো আছি ফেলার জন্য মা! তখন আমার মোটে ৫ বছর বয়স! এরপরে দিদি আমাকে দিয়ে জুতো পরানো, খোলাও শিখিয়ে দেয়৷ আর আমি সেটা বেশ খুশি মনেই করতে থাকি। দিদির পায়ে আমি বা বাবাই জুতো পরিয়ে দিত সবসময়,দিদি নিজে হাতে পরতে পছন্দ করত না রাজকন্যা সূলভ মানসিকতার কারনে। এমনকি দিদি জুতো পরে ঘরে ঢুকে গেলে ঘরের মেঝেতে পরা জুতোর ছাপও আমি মুছে দিতাম। তখন আমি অনেক ছোট, ফলে এর বাইরে খুব বেশি কাজ কিছু করতাম না। কিন্তু দিদি বুঝেছিল আমার মধ্যে ইনফিরিওরিটি বাড়িয়ে দেওয়া ওর পক্ষে সুবিধার। পরে ওর অনেক কাজই ও আমার ঘাড়ে চাপাতে পারবে। দিদি যে প্রাইমারি স্কুলে পড়ত আমি সেখানেই ক্লাস ১ এ ভর্তি হলাম। দিদির তখন ক্লাস ৪। দিদি আমাদের ক্লাসে গিয়ে কয়েকজন মেয়েকে একবার বলেছিল ভাই কোন বাঁদরামী করলে তোরা শাস্তি দিবি। নাহলে আমাকে বলবি, আমি দেখে নেব। দিদির হুমকিতেই হয়ত আমি ক্লাসের মেয়েদের প্রতিও কিছুটা সাবমিসিভ হয়ে পরেছিলাম। আমাদের ক্লাসে একটা গ্রুপ ছিল ছেলেদের একটা মেয়েদের। আর দুই গ্রুপে প্রায়ই ঝগড়া হত। আমি কখনোই ছেলেদের গ্রুপকে সাপোর্ট করার সাহস পেতাম না। এবং ক্রমে ক্লাসের মেয়েদের প্রতিও সাবমিসিভ হতে শুরু করি। বিশেষ করে সোনালির প্রতি। ক্লাসে ৪ এ কিছুদিন ওর সাথে কিছু ফেমডম এক্সপেরিয়েন্সও হয়। আমি ক্লাস ৩-৪ এ ওঠার পর থেকে ধীরে ধীরে বেশ কিছু বাড়ির কাজ আমার ঘাড়ে চাপতে থাকে। বিশেষ করে দিদির কাজ। দিদির ঘর পরিস্কার, বিছানা করা থেকে জামা কাচা, জুতো পালিশ সবই আমার উপরে চাপতে থাকে। দিদি আমাকে ভুল বোঝানো চালিয়ে যায় নানাভাবে, যে মেয়েরা সুপিরিয়ার, ছেলে হয়ে মেয়েদের কাজ করে দেওয়া উচিত। আমিও বেশ খুশি মনে দিদির কাজ করে দিতাম, দিদির মুখে এই কথা গুলো শুনলে ভাল লাগত,,সঠিক মনে হত। যতদিন যাচ্ছিল দিদির রাজকন্যা সূলভ হাবভাব আরো বাড়ছিল। দিদি খাওয়ার পরে প্লেট ধুয়ে রাখা তো দূর নিজে হাত ধুতেও উঠত না অনেকদিন। আমি মগে সাবান জল এগিয়ে দিতাম, তাতে হাত ডুবিয়ে হাত ধুত টিভি দেখতে ব্যস্ত দিদি, তারপরে গামছা এগিয়ে দিতাম। কিন্তু দিদি আমাকে কখনোই টিভি দেখতে দিত না বিভিন্ন অজুহাতে। দিদির এই স্বভাব মায়ের পছন্দ ছিল না। কিন্তু দিদি বলত ভাই তো নিজে থেকে করে দিচ্ছে, তোমার প্রব্লেম কি হচ্ছে? মায়ের বিশেষ কিছু বলার থাকত না আর। বাবা চিরদিনই সল্পভাষী ছিল, আর দিদির স্বভাব নিয়ে আপত্তিও করেনি কখনো। বরং আমি না থাকলে বাবাই দিদির পা থেকে জুতো খুলে শু রাকে রেখে দিত। মা এই নিয়ে কয়েকবার বাবাকে বোঝাতে গিয়েছিল যে এটা ঠিক হচ্ছে না, বাবা গায়ে মাখে নি। বাড়ির বাকি সবাই মেনে নেওয়ায় মাও এই নিয়ে আর কিছু বলত না। আমি ক্লাস ৬ আর দিদি ক্লাস ৮ এ ওঠার পরে মাও এই নিয়ে অভিযোগ করা ছেড়ে দিল। দিদি নিজের যাবতীয় কাজ দিব্বি আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিল রাজকন্যার মত। আর আমিও চাকরের মত খুশি মনে দিদির সব কাজ করে দিতাম। বাড়িওয়ালার মেয়ে অঙ্গনার সাথে খেলাচ্ছলে সামান্য ফেমডম অভিজ্ঞতা হয় এই সময়ে। ও আমার চেয়ে ৪ বছরের ছোট ছিল। পুলিশ-চোর, রাজকন্যা-চাকর, ভগবান-ভক্ত, এই টাইপের খেলার সময়ে ওর হাতে কিছু ডমিনেট হই। চড়, লাথি খাওয়া, জুতো পরা পায়ে ওর আমার বুকে উঠে দাঁড়ানো, এমনকি ভগবান- ভক্ত খেলার সময়ে ওর পায়ে ঠেকিয়ে বিস্কুট খাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়। দিদির শিক্ষার ফলেই হয়ত আমি পাবলিকলি এসব খেলতে লজ্জা পেতাম না। অন্য অনেকের মত দিদিও আমাকে এরকম খেলতে দেখেছিল। দিদি ক্লাস এইটে ওঠার পরে টেনিস খেলতে ক্লাবে ভর্তি হল. আর টেনিস খেলে পায়ে ব্যাথা হয় এই অজুহাতে দিদি প্রায় প্রতিদিনই প্রাক্টিশ থেকে ফিরে আমাকে দিয়ে পা টেপাতো. আমি না থাকলে যেমন বাবা দিদির পা থেকে জুতো খুলে দিত, তেমনই আমি বাইরে থাকায় প্রাক্টিশ থেকে ফিরে দিদি বাবাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে এমনও হয়েছে. সেটা বাবা দিদির প্রতি ভালবাসা থেকে টিপত, নাকি এতে দিদির খেলার উন্নতি করবে ভাবত, নাকি বাবার মধ্যেও সামান্য সাবমিসিভনেস আছে সেটা আমি জানি না. তবে আমাকে দিদি এক্সট্রিম ডমিনেট করছে দেখেও বাবা কখনো বাধা দেয়নি, বরং মা যখন আপত্তি করত তখন সেটাকে হালকা করারই চেষ্টা করত. অবশ্য এক্টিভলি দিদিকে যে এতে উতসাহ দিত তাও নয়. আর দিদিও বাবাকে সেইভাবে কখন কিছু অর্ডার করেনি, বা মা আমাকে ডমিনেট করতে বাধা দিলে বাবার সাহায্যও নেয়নি. বাবার পজিশান প্রায় সব দিক থেকেই মুলত নিউট্রালই ছিল. ঘটনা অন্য পর্যায়ে পৌঁছাল আমি ক্লাস ৮ এ ওঠার পরে এক ঘটনায়। কি খেয়াল হওয়ায় বছরের মাঝখানে বাড়িওয়ালার স্ত্রী হঠাত জানালো তার আরো ঘর লাগবে, সে আর ভাড়াতে রাখতে চায় না। আমাদের উঠে যেতে হবে। মা শুধু বলেছিল এই বছরে আমার মেয়ে মাধ্যমিক দেবে। বছরটা শেষ হলে ওর পরীক্ষার পরে আমরা বাড়ি ছেড়ে দেব। কিন্তু সে রাজি হয়নি। কিছু কথা কাটাকাটি হয়, আর যার ফলে মা অপমানিত বোধ করে। নভেম্বার মাসের দিকে আমরা নতুন বাসা ভাড়া নিয়ে চলে আসি। কিন্তু ততদিনে মায়ের মাথায় এক অদ্ভুত জিনিস ঢুকে গেছে। ভাড়া বাড়িতে সম্মান নিয়ে থাকা যায় না, তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজের বাড়ি করতে হবে। মা বেশ অযৌক্তিক ছিল,বাবাকে লোনের চেষ্টাও করতে না দিয়ে নিজে উলটে একটা চাকরি নিল প্রাইভেট স্কুলে,,সাথে টিউশানি। যেভাবে হোক তাড়াতাড়ি বাড়ি কম্পলিট করে নিজের বাড়িতে যেতে হবে। তাই রোজগার বাড়ানোর পাশাপাশি কম ভাড়ার বাসায় উঠেছিলাম বাড়িতে কাজের লোকও রাখা হয়নি। আবার মা চাকরি, টিউশান জমি কেনা ও পরে বাড়ি তৈরির দেখাশোনাতে ব্যস্ত হয়ে পরল। ফলে বাড়ির রান্না বা কাজের সেরকম সময় পেত না মা আর। বিশেষ করে দিদির মাধ্যমিক শেষ হওয়ার পরেই মা এই বিশ্বাসে সময় কম দিত বাড়িতে যে দিদি এখন ফ্রি, বাড়ির কাজ দিদি করতে পারবে। কিন্তু দিদির রাজকন্যার মত স্বভাবের কারনে দিদিকে দিয়ে একটা কাগজের টুকরো ডাস্টবিনে ফেলানোও সম্ভব ছিল না, অন্য কিছু তো দূর। আমি তখন ক্লাস ৮ এ উঠেছি। বয়সন্ধীর সময়, দিদির প্রতি সাবমিসিভ হওয়ার থেকেও বন্ধুদের সাথে ঘোরা, খেলা আমার বেশি ভাল লাগতে শুরু করে। নতুন পাড়ায় আমার স্কুলের ক্লাসমেট ২ জন বন্ধু ছিল, তাদের সাথে ভাব বাড়ে, তারা ডাকলেই খেলতে চলে যেতে ইচ্ছা করত। ফলে আমার স্বেচ্ছায় বাড়ির কাজ করার ইচ্ছা কমে গিয়েছিল, ওদিকে আমাদের বাড়ির কাজ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, আমি না করলে যেগুলো দিদির ঘাড়ে চাপার সম্ভাবনা ছিল। ফলে দিদি আমাকে আবার নতুন করে ' ব্রেইনওয়াশ' করার চিন্তা করছিল। এবং অল্প দিন পরেই তা হল। মে মাসে একদিন একটা A রেটিড বই আমার ব্যাগে ঢুকিয়ে দিয়েছিল এক বন্ধু। বইটা ঠিক পর্ন না হলেও মেয়েদের খোলামেলা পোষাক পরা ছবি যুক্ত একটু রগরগে গল্পের। নেট আসার আগের যুগে ওই বয়সে ওটাই অনেক বড় ব্যাপার ছিল। আমি নিতে চাইছিলাম না, মেয়েদের সম্পর্কে এরকম লেখা আমি তখনো মেনে নিতে পারতাম না। দিদি যেমন আমাকে শিখিয়েছিল মেয়েরা সুপিরিয়ার তেমনই আমার আরো কিছু ভুল ধারনা ছিল মাথায়। আসলে আমাকে রোমান্টিক সিনেমা, গান ও দেখতে দিত না দিদি। আর পেপারে রেপ, মেয়েদের উত্তক্ত করার খবর পরে আমি ভাবতাম বিয়ের বাইরে শারীরিক সব কিছুই মেয়েদের উপরে অত্যাচার। কিন্তু বন্ধুদের সামনে সে কথা বলতে না পেরে বইটা ব্যাগে নিয়ে ফিরেছিলাম। অবশ্য নিষিদ্ধ খারাপের হাতছানিও সামান্য ছিল। খারাপ কাজ জেনেও সেটা করার ইচ্ছাও ১% কাজ করছিল আমার মধ্যে। নতুন বাড়িতে আমার আলাদা ঘর ছিল না, আমি আর দিদি একই ঘরে শুতাম। এমনকি আমার জন্য খাটও ছিল না, দিদি খাটে আর আমি মেঝেতে শুতাম তখন ( মা তখন চুড়ান্ত কিপটেমি করে সব টাকা বাড়ি করার পিছনে খরচ করছিল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়ি কম্পলিট করে নিজের বাড়িতে ওঠার জন্য)। যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছিল. রাতে লুকিয়ে বইটা খুলতে গিয়ে দিদির কাছে ধরা পরলাম. দিদি আমাকে কান ধরে টেনে তুলে আমার দুই গালে খুব জোরে দুটো থাপ্পর মারল. তারপরে আমার চুলের মুঠি ধরে আমাকে বোঝাল এই বই গুলো কত খারাপ, এগুলো মেয়েদের পক্ষে কতটা অপমানজনক. দিদি জিজ্ঞাসা করায় আমি কে বই দিয়েছে সব বলে দিলাম. দিদি তখন খাটের উপরে বসে ছিল, আর আমি দিদির ঠিক পায়ের কাছে মেঝেতে, দিদির চটি পরা পা দুটো আমার কোলের উপরে রাখা আর আমার চুলের মুঠি দিদির হাতে ধরা. দিদি চুলের মুঠি ছাড়তে আমি দিদির চটি পরা পা দুটো দুই হাতে ধরে তার উপরে নিজের মাথা রেখে দিদির কাছে ক্ষমা চাইলাম, প্রতিজ্ঞা করলাম এরকম ভূল আর কখনো করব না. দিদি আমাকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করালো আমি এরকম ছেলেদের সাথে আর কখনো মিশবো না. সেই সাথে বলল ওরই ভুল হয়েছে আমাকে যথেষ্ট শাসনের মধ্যে না রাখাটা. জ্ঞান শেষে দিদি বইটা কুচিকুচি করে ছিঁড়ে ফেলে চটি পরা ডান পায়ে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল ছেঁড়া বইটা ঘরের এককোনে আমার কুকর্মের প্রমান হিসাবে প্লাস্টিকে ভরে রেখে শুয়ে পরতে. সেটাই আমার মুখে মারা দিদির প্রথম লাথি. তার আগে দিদির ওই আমাকে " উল্লু" বানানো এক্সপ্লেনেশান, আমার কান ধরে তোলা, থাপ্পর মারা সবই আমাকে ভিশন সাবমিসিভ করে তুলেছিল আবার. আমার মনে সত্যিই জেগে উঠেছিল কৃতকর্মের প্রতি অপরাধবোধ. সেই সাথে দিদিকে আমার নিজের রক্ষাকর্তা বলে মনে হচ্ছিল. দিদি আমাকে এইভাবে মারায় অবশ্য ভিশন ভাল লেগেছিল. মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম শুতে শুতে যে এইসব খারাপ ছেলেদের সাথে আর মিশবো না. দিদির কথায় উঠবো বসবো, দিদি যা বলবে সব কাজ করে দেব. সেটা যে এবার এত দূর যাবে সেটা অবশ্য আমার কল্পনাতেও আসেনি. আসলে বাড়ির কাজ তখন এতটাই বেড়ে গিয়েছিল আর সেগুলো করার জন্য মা দিদিকে এতটাই চাপ দিচ্ছিল যে দিদির আমাকে এক্সট্রিম কন্ট্রোল করে সব আমার ঘাড়ে চাপাতে চাইছিল আবার. আমার এই ভুল দিদিকে সেই সুযোগই করে দিয়েছিল. আমি শুতে যেতে দিদি বলল আজ রাতে বালিশের বদলে আমার পুরনো স্কুল স্নিকারটায় মাথা রেখে শো, তোর প্রায়শ্চিত্ত হবে এতে. আমি শু রাক থেকে দিদির পুরনো স্নিকারটা এনে আমার বিছানার উপরে সেটা উলটো করে রেখে তার উপরে মুখ গুজে উপুড় হয়ে শুলাম. দিদির জুতোর তলার ময়লা যত মুখে লাগছিল তত মনে হচ্ছিল যে পাপ করতে যাচ্ছিলাম তার থেকে মুক্ত হচ্ছি এর ফলে. সে এক অদ্ভুত ভাল লাগা. আর দিদির কাছে আমার এক্সট্রিম ডমিনেটেড হওয়ার সবে শুরু. আমি রাতে ঘুম আসার আগে বহুক্ষন দিদির নোংরা জুতোর তলায় নিজের মুখ ঘসেছিলাম, জুতোর তলায় আসতে আসতে চুম্বন করে দিদিকে বারবার ধন্যবাদ দিয়েছিলাম আমাকে পাপের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। সকালে ঘুম ভাংলো মাথার উপরে চাপ পরায়। কে যেন উপুড় হয়ে দিদির জুতোর তলায় মুখ রেখে শোয়া আমার মুখটা দিদির জুতোর তলায় চেপে ধরেছে। আমি চোখ খুলতে না পেরে প্রথমে হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেখলাম। আমার মাথার উপরে কার যেন চটি পরা পা! আমি আসতে আসতে ঘুরে উপুড় থেকে চিত হয়ে শুতে পা টা আমার মাথার পিছন থেকে মুখের উপরে চলে এল৷ দিদির পা। দিদি নীল চটি পরা ডান পা আমার ঠোঁট আর নাকের উপরে রেখে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমার মনে কিরকম অদ্ভুত ভক্তি জেগে উঠলো দিদিকে এইভাবে আমার মুখের উপরে পা রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। আমি দুই হাত দিয়ে দিদির চটি পরা ডান পা টা নিজের মুখের উপরে চেপে ধরে চটির গলায় বেশ কয়েকবার চুম্বন করলাম। দিদি প্রায় দুই মিনিট হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আমাকে ওর প্রতি ভক্তি দেখাতে দিল। তারপরে আমার মুখে চটি পরা ডান পায়ে একটা লাথি মেরে বলল, " যা, ঘরের কাজ করতে লেগে পর এবার। " তখন সকাল ৭ টা। আমি ফ্রেশ হয়ে ঘরের কাজে লেগে পরলাম। কাজের লোক ছিল না, তার উপরে কম ভাড়ার ওই বাসায় রানিং ওয়াটারও নেই। আমি প্রথমে সারাদিনের প্রয়োজনীয় জল টিউবয়েল থেকে ভরে রান্নাঘর, বাথরুমে রাখলাম। প্রায় ৪০ লিটার জল ওই বয়সে টিউবয়েল থেকে টেনে আনা বেশ কঠিন কাজ। এরপরে ঘর ঝাঁট দিতে শুরু করলাম। বাবা আর মা দুজনেই তখন পরপর কাজে বেড়িয়ে গেল। ঘর ঝাঁট দিয়ে আমি ঘর মুছলাম, তারপরে দিদি আর আমার জন্য টিফিন বানালাম। দিদিকে খাটে টিফিন আর চা সার্ভ করে নিজেও খেলাম। দিদির খাট থেকে খালি প্লেট তুলে রান্নাঘরে গিয়ে আগের দিনের জমা সব বাসন মাজলাম। এরপরে দিদি আর আমার কিছু কাপড় কেচে স্নান সারতে সারতে ১০ টা বেজে গেল। তাড়াতাড়ি ব্যাগ গুছিয়ে রেডি হয়ে স্কুলে গেলাম। মন যদিও প্রফুল্ল ছিল তবু অনভ্যস্ত শরীরে টানা ৩ ঘন্টার বেশি বাড়ির কাজ করে শারীরিক ভাবে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলাম। পরে যদিও স্পষ্টই বুঝেছিলাম দিদি বাড়ির এত কাজ নিজে না করে আমার ঘাড়ে চাপাতেই আমাকে ভুল বুঝিয়ে ডমিনেট করছে তখন সে কথা একবারের জন্যও মনে হয় নি। শুধু মনে হয়েছিল দিদি আমাকে পাপের হাত থেকে বাঁচাতে এসব করছে! স্কুলে সেই বন্ধু সেদিন জিজ্ঞাসা করেছিল ওউ বইটা পড়েছি কিনা। আমি পড়ছি পড়ব বলে এড়িয়ে গিয়েছিলাম। দিদি বইটা ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে আমাকে পাপেফ হাত থেকে বাঁচিয়েছে এটা বলতে চাইলেও সে সাহস আমার ছিল না। আমি স্কুল থেকে বিকালে যখন ফিরলাম তখন বাবার অফিস থেকে ফিরতে দেরী থাকলেও মা ফিরে এসেছে। দিদির তখন মাধ্যমিকের পরে স্কুল ছুটি, দিদি টেনিস প্রাক্টিশ থেকে ফিরে নিজের খাটে শুয়ে আছে। দিদি নিজে হাতে তখনো কোনদিন নিজের জুতো মোজা খোলেনি, আমি বা বাবা খুলে দিতাম। বাড়িতে বাবা বা আমি কেউ না থাকলে দিদি জুতো পরেই খাটে উঠে যেত । আমি বা বাবা ফিরলে দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে দিতাম। ফলে সেদিনও দিদি টেনিস খেলার সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরে খাটে শুয়ে ছিল, ওর পা দুটো ঠিক খাটের প্রান্তে রাখা। আমাকে দেখে দিদি একটু বিরক্তি নিয়ে বলল, " দেখ, তোর অপেক্ষায় আমাকে ৩০ মিনিট জুতো পরে ওয়েট করতে হচ্ছে। " দিদির প্রতি এক্সট্রিম সাবমিসিভনেসে আগের রাত থেকেই মন পরিপূর্ণ ছিল আমার। আমি " সরি দিদি" বলতে বলতে দিদির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে পরলাম। তারপরে পাশাপাশি রাখা দিদির সাদা স্নিকার পরা পা দুটো ধরে তাফ তলায় নিজের মুখটা গুঁজে দিলাম। দিদির জুতোর তলায় বেশ ধুলো লেগেছিল। আমি সেই ধুলো ভরা জুতোর তলায় নিজের মুখ ঘসতে ঘসতে বারবার এভাবে সরি বলতে লাগলাম দিদিকে যেন স্কুলে গিয়েও আমি অপরাধ করেছি! মন জুড়ে তখন এক অদ্ভুত শান্তি, এক অদ্ভুত আনন্দ। দিদি আমার চেয়ে অনেক সুপিরিয়ার, আমার প্রভু স্থানীয়, আমাকে দিদি পাপের হাত থেকে উদ্ধার করছে এসব যত ভাবছিলাম তত দিদির প্রতি আরো ভক্তি বাড়ছিল। আর যত দিদির প্রতি ভক্তি বাড়ছিল আর সেটা প্রকাশ করতে পারছিলাম, তত এক অজানা আনন্দ ঘিরে ধরছিল আমাকে। আমি প্রায় ৩-৪ মিনিট সরি বলতে বলতে দিদির জুতোর তলায় মুখ ঘসা চালিয়ে গেলাম। দিদি বাধা না দিয়ে বরং আমার মুখে জুতোর তলা চেপে ধরছিল, লাথিও মারছিল আমার মুখে মাঝে মাঝে। হঠাত পাশের ঘর থেকে মা এসে দাঁড়ালো, বোধহয় আমাদের এই অদ্ভুত অবস্থায় দেখতে পেয়েই। মা বেশ রাগী গলাতেই দিদিকে জিজ্ঞাসা করল আমাকে এরকম অপমানজনক শাস্তি দিচ্ছে কেন দিদি? মায়ের প্রশ্নে দিদি আমাকে কাল দিদির ছিঁড়ে দেওয়া বইটা নিয়ে এসে মাকে দেখাতে বলল। আমি খুব লজ্জা আর ভয় সত্ত্বেও উঠে গিয়ে প্লাস্টিকে রাখা ছেঁড়া বইটা এনে মাকে দিলাম। দিদি বললো দেখ, তোমার ছেলে কিসব বই পড়ছে এই বয়সে। কঠোর শাস্তি না দিলে ও খারাপ রাস্তায় যাবে, মেয়েদের সম্মান করবে না কোনদিন। মা বইটা দেখে থমকে গেল। বেশ কিছুক্ষন চুও করে রইল। আমি ততক্ষনে আবার দিদির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে মায়ের সামনেই আবার দিদির জুতোর তলায় নিজের মুখ ঘসতে লেগেছি। এই কাজটা যে খারাপ বা গোপন কিছু সেই বোধ আমার তখন ছিল না দিদির দেওয়া অদ্ভুত শিক্ষার ফলে। মা একটু পরে বলল এই বই পড়ে ও অপরাধ করেছে, ওর শাস্তি প্রাপ্য। কিন্তু তুই যা করছিস এরকম এক্সট্রিম শাস্তি কাউকেই দেওয়া যায় না, এই অপরাধে তো নাই। দিদি নিরুত্তাপ গলায় বলল, " তোমার যদি মনে হয় ও অন্য কোন শাস্তির যোগ্য তুমি তাই দিও। আমি আমার যেটা ঠিক মনে হয় সেই শাস্তি দেব। ছোট ভাইকে মানুষ করার একটা দায়িত্ব আমারও তো আছে।" মা রেগে গিয়ে বললো, " তুই কিন্তু বড্ড বাড়াবাড়ি করছিস। একে নিজে রাজকন্যার মত হাবভাব করিস, কোন কাজ করিস না। আর ভাইকে দিয়ে সেই কাজ করিয়ে নেওয়ার ইচ্ছায় উল্টোপালটা বুঝিয়ে যাস।" দিদিও রেগে বেশ চড়া গলায় বললো, " ভাইকে ভুল বুঝিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করলে বেশ করি। তোমার গুরু যখন তোমাকে ভুল বুঝিয়ে স্বার্থ হাসিল করে তখন আমি তোমাকে বাধা দিই? বাবা বাধা দেয়? আমি ভাইকে ভুল বোঝালেও তাই তোমাদের বলার কিছু নেই।" আমি অবশ্য এই কথা শুনেও ভেবেছিলাম এটা দিদি রাগের মাথাতেই বলেছে। আসলে দিদি আমাকে ইউজ করছে না, পাপের হাত থেকে বাঁচাচ্ছে! মা রেগে গিয়ে বলল " তোর বাবা ফিরলে আজ রাতে কিছু একটা শক্ত ডিশিসান নেওয়া দরকার। এভাবে তোকে চলতে দেওয়া যায় না।" মা রেগে গিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল আর আমি দিদির পা থেকে জুতো মোজা খুলে গামলায় জল এনে দিদির পা ধুয়ে গামছা দিয়ে মুছে পায়ে ঘরের নীল চটি পরিয়ে দিলাম। তারপরে দিদি আর আমার জন্য টিফিন এনে দিদিকে সার্ভ করে টিফিন খেতে খেতে চেয়ারে বসে টিভি দেখতে থাকা দিদির পায়ের কাছে বসে দিদির চটি পরা, টেনিস খেলে ক্লান্ত পা দুটো মন দিয়ে যত্ন করে টিপে দিতে লাগলাম। বাবা যখন ফিরল সন্ধ্যা ৬ টায় তখনো আমজ দিদির পায়ের কাছে বসে দিদির পা টিপে যাচ্ছি! 3... সেদিন সন্ধ্যায় বাবা যখন বাড়ি ফিরল তখনো আমি দিদির চটি পরা পা দুটো কোলের উপরে রেখে যত্ন করে টিপে যাচ্ছি। মা যথারীতি অভিযোগ করল বাবার কাছে যে দিদি আমাকে ভুল বুঝিয়ে ইউজ করছে। কি ভাবে,সেটাও বলল একটু রাগী ভাবে। বাবা সব শুনে শান্ত ভাবে বলল, রাতে এই নিয়ে কথা বলব। সেদিন রাতে খাওয়ার পরে দিদির আদেশে আমিই সব বাসন মাজতে গেলাম৷ মা রাগ করলেও নিজে মাজবে একথা বলেনি। আমি বাসন মেজে ফিরে দেখি মা আবার সেই কথা তুলেছে। দিদির ইশারায় আমি মা বাবার চোখের সামনেই দিদির চটি পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরলাম। তারপরে দিদির আদেশে আমার মুখের উপরে রাখা চটি পরা পা দুটো যত্ন করে টিপে দিতে লাগলাম বাবা মায়ের সামনে। বাবা আবার মায়ের সব অভিযোগ শুনল। তারপরে বলল, " তোমার শুনতে খারাপ লাগলেও এটা সত্যি যে তুমি যদি তোমার সব অদ্ভুত চাহিদা আর চিন্তার একটাকেও একটু এডজাস্ট করতে তো দিশা ( আমার দিদি) ওর ভাইকে এতটা ব্যাবহার করত না। তুমিই ঝগড়া করে পারিবারিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে, তুমিই আগের বাড়িওয়ালার সাথে ইগোর লড়াইয়ে পরে বাড়ি তৈরি নিয়ে হঠাত ঝড়ের গতিতে ছুটতে গিয়ে অন্য খরচ বাঁচানোর নামে বাড়ির কাজ বাড়ালে। কাজের লোক রাখতে দিলে না, বাড়ি লোন নিয়ে করব তাও হতে দিলে না। গুরুর পিছনে এদিকে অকারনে খরচ করে যাচ্ছ। নিজে চাকরির কাজে বিজি থাক বলে বাড়ির কাজ আরো বেশি। দিশার মত মেয়ে নিজে হাতে জল গড়িয়ে খাবে এটা আমারও ভাল লাগে না, এত কাজ করা তো দূর । ও রাজকন্যার মত জীবন কাটাবে সেটাই মানায় ওকে। আর খোকা যা করছে নিজের ইচ্ছায় করছে। দিশার মত দিদি পেলে তার এভাবে সেবা করতে চাওয়া খুবই স্বাভাবিক। এতে ওরা দুজনেই খুশি থাকছে। তুমি যদি এখনো নিজের একটা মতও চেঞ্জ কর, বাড়ির কাজ কমবে। দিশাও ভাইকে,এইভাবে ইউজ করবে না। নাহলে, ওদের ওদের মতই কাটাতে দাও।" মা একটু রাগ দেখিয়েছিল তখন। কিন্তু নিজের কোন চিন্তা চেঞ্জ করেনি। ফলে দিদির আর আমার সম্পর্কও একইরকম ভাবে এগিয়ে চলল। দিদি আমাকে ক্রমে আরো বেশি করে ডমিনেট করতে লাগল। মা ধীরে ধীরে আপত্তি করা বন্ধ করে দিল এই নিয়ে। দিদি বাইরের লোকের সামনেও আমাকে নির্দিধায় ডমিনেট করত। আমার একটুও খারাপ লাগত না, দিদিকে ক্রমে আমি প্রভু বলে ডাকা শুরু করলাম সবার সামনেই। আমার শুধু খারাপ লাগত আমার পাড়ার স্কুলের বন্ধুরা এই ঘটনা জেনে যাওয়ায়। কারন স্কুলে সবাই মিলে আমাকে ক্ষেপাতে পারে এই ভয় পেতাম। সেটা বলায় দিদি বলল দরকার নাহলে স্কুল যেতে হবে না। আমাদের স্কুলে এটেন্ডেন্স একদম না থাকলেও সে সময় কিছু বলত না। ফলে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিলাম। বাবা মাও কিছু বলল না এই নিয়ে। আমার সকাল থেকে রাত তখন সময় কাটত দিদির সেবা করে আর দিদির আদেশে বাড়ির সব কাজ করে। দিদি বাইরে থেকে ফিরলে জুতোর তলার ময়লা পাপোষের মত আমার মুখে ঘসে মুছত।আমার মুখের উপরে চটি বা জুতো পরা পা রেখে বসে পা টেপাতো সবার সামনে। আমার চোখে দিদি তখন সত্যিই দেবী, প্রভু। রাগ করা তো দূর, কি সুখ যে পেতাম ওই বয়সে ওইভাবে দিদির সেবা করে বলে বোঝানো সম্ভব না। আমার সাবমিসিভনেস বাড়াতে, দিদির প্রতি ভক্তি বাড়াতে দিদি রেগুলার আমাকে বিশেষ ভাবে ডমিনেট করত। আমার মুখে জুতো পরা পায়ে রোজ উঠে দাঁড়িয়ে থাকত কিছুক্ষণ। আমার গালে চড়, মুখে লাথি মারত জুতো পরা পায়ে। বাবা তো খুশি মনেই মেনে নিত, মাও আর কিছু বলত না দিদিকে। বাবাও এই সময়ে রোজ কিছুক্ষণ করে দিদির পা টিপে দেওয়া শুরু করে এই সময়ে। এর দুই মাস পরেই দিদির মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরলো। দিদি অসাধারন রেজাল্ট করল, শহরে হায়েস্ট পেল৷ আর এই অজুহাতে আমার প্রতি ডমিনেশান আর আমাকে ইউজ করাকে এক্সট্রিমে নিয়ে গেল দিদি।

Thursday, 1 June 2023

অরুপ ও অনুষ্কা ২...

অরুপ ও অনুষ্কা ২... শুক্রবার রাত। অফিসে হঠাত একটা জরুরি মিটিং পরে যাওয়ায় অফিস থেকে বেরোতে প্রায় ৮.৩০ টা বেজে গেল। অথচ আজ ঠিক ৮ টায় আমার ছোট বোন অনুষ্কাকে নিয়ে শপিং এ যাওয়ার কথা ছিল। বাড়ি ফিরে কি করে ওর কাছে ক্ষমা চাইব, আদৌ বোন ক্ষমা করবে কিনা ভাবতে ভাবতে ঘর্মাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরলাম প্রায় ৯.১৫ এ। বাড়ি ঢুকে স্নান সেরে সবে বসেছি তখন বেলের শব্দে বুঝলাম শপিং সেরে বোন আর মা বাড়ি ঢুকল। আমি ছুটে দরজা খুলতে গেলাম। বাইরের গেট খুলতেই বাইরে দাঁড়িয়েই আমার বোন মায়ের সামনেই ওর ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ গালে খুব জোরে একটা চড় মারল। "তোর কখন বাড়িতে ঢোকার কথা ছিল?" এই বলে বোন ওর শপিং এর ব্যাগ গুলো আমার হাতে ধরিয়ে দিল। আমি মায়ের হাত থেকেও শপিং এর ব্যাগ গুলো নিয়ে নিলাম। বোন ততক্ষনে ঘরে ঢুকে পরেছে। আমি আমার ক্লাস ১১ এ পরা বোনের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে সরি বললাম। " ব্যাগ গুলো রেখে আয় আগে" - আমার বোন অনু হুকুম করল আমাকে। আমি ব্যাগ গুলো ভিতরের ঘরে রেখে আসতে বাইরের ঘরে নরম সোফায় গা এলিয়ে বসা বোন হাত দিয়ে আমাকে ওর পায়ের কাছে দেখিয়ে বলল " বোস এখানে।" আমি আমার ৭ বছরের ছোট ফর্শা সুন্দরী বোনের পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসলাম। আর বসতেই বোনের দুই হাত একের পর এক আছড়ে পরতে লাগল আমার দুই গালে। অন্তত ১০ টা থাপ্পর মেরে বোন থামতে আমি আর কান্না থামাতে পারলাম না। ভেজা চোখে বোনের পায়ে পরা সাদা স্নিকার পরা পা দুটোর উপরে নিজের মাথা নামিয়ে দিলাম। বোনের জুতো পরা পায়ের উপরে মাথা ঘসতে ঘসতে সরি বলতে লাগলাম বারবার। বোন খুব রেগে গিয়েছিল বুঝতে পারলাম। আমার মাথার উপরে ও পরপর ৩-৪ টে লাথি মারল জুতো পরা পায়ে। তারপর বলল "মাঝে মাঝে মনে হয় তোর এই ফ্লাট ছেড়ে দেশের বাড়িতে ফিরে যাই। তুই তোর অফিস আর ফ্লাট নিয়ে একা আরামে থাক।" আমি যেই ভয়টা পাচ্ছিলাম সেটাই বোনের মুখ থেকে শুনে আর নিজেকে থামাতে পারলাম না। বাচ্চাদের মত আমার দুই চোখ থেকে জলের ধারা বইতে লাগল। আমি পাগলের মত বোনের দুই জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম। বোন কিছুক্ষন আমাকে ওর জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে দিল। তারপর আবার আমার মাথায় লাথি মেরে বলল " ক্ষমা চাওয়ার সাহস হয় কি করে তোর? বোনকে শপিং এ নিয়ে যাবি বললে যে কথা রাখতে হয় জানিস না? আমার দাদা হওয়ার, আমার সাথে এক ছাদের তলায় থাকার যোগ্যতা আছে তোর?" আমি কাঁদতে কাঁদতে বোনের জুতোয় চুম্বন করতে লাগলাম, আর সেই অবস্থাতেই বললাম " আমি জানি প্রভু তোমার দাস হওয়ার যোগ্যতাও আমার নেই। কিন্তু প্লিজ একটু দয়া করো আমার উপরে। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব তোমাকে খুশি রাখার। আজ অফিসে মিটিং পরে গেল তাই সময়ে বেরোতে পারি নি। প্লিজ ক্ষমা করে দাও প্রভু, প্লিজ!" "না, তোকে অনেক সুযোগ দিয়েছি। আমার সেবা করার যোগ্যতা তোর নেই। আমি কালকেই মাকে নিয়ে দেশের বাড়িতে ফিরে গিয়ে পুরনো স্কুলে ভর্তি হয়ে যাব। তুই একা থাক তোর টাকা অফিস আর ফ্লাট নিয়ে।" বোনের কথা শুনে আমার চোখের জল আর বাঁধ মানছিল না। আমি কাঁদতে কাঁদতে বোনের জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চেয়ে চলেছিলাম। মা পাশেই বসে দেখছিল। বোন আমাকে ডমিনেট করে এটা চিরকাল হয়ে আসছে। মা কখনোই তাতে বাধা দেয় না। আজ মা হাসতে হাসতেই বলল, " অনু, কেন দাদার পিছনে লাগছিস? তুই নিজেও জানিস এরকম দাদা কোটিতে একজন বোন পায়।" " থাম মা, আমি আজ সিরিয়াস। এরকম ফালতু দাদার আমার দরকার নেই।" এবার বোন আমার মাথার উপরে জুতো পরা বাঁ পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল "আর এই গাধা, আমাদের খাবার রেডি কর যা। আমার খিদে পেয়েছে। আজ জীবনে শেষবার আমার সেবা করার সুযোগ পাচ্ছিস, যেটার যোগ্যতা তোর নেই। তাই নিজেকে ধন্য করে নে শেষবারের মত।" " তোমার জুতো খুলে দেব না প্রভু?" আমি বোনের জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতেই জিজ্ঞাসা করলাম। " না, সেটা খাওয়ার পরে খুলবি।" আমি উঠে খাবার রেডি করতে গেলাম। বোন আর মা রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিয়ে এসেছে। তাই ওদের জন্য রেডি করে টেবিলে সাজাতে শুরু করতে মা এসে আমার সাথে হাত লাগাল। আর গলা নামিয়ে আমাকে বলল, " ওরু, তোকে অনু ভড়কাচ্ছে শুধু। ভয় পাস না।" আমি কি বলব বুঝতে পারলাম না। ভয় আর কান্নায় আমার গলা বুজে এসেছে তখন। আমি মা আর বোনকে সার্ভ করলাম আগে। ওরা খাওয়া শেষ করতে বোন বলল " আমার জন্য কোল্ড ড্রিংক্স নিয়ে আয় গ্লাসে করে।" আমি এনে বোনের পায়ের কাছে হাঁটু গেড়ে বসলাম। বোন আমার হাত থেকে গ্লাসটা নিল। মোবাইল স্ক্রল করতে করতে একটু কোল্ড ড্রিংক্সে চুমুক দিল। তারপরেই জুতো পরা ডান পা তুলে হঠাত এত জোরে আমার মুখে লাথি মারল যে আমি টাল সামলাতে না পেরে উলটে পরে গেলাম। বোন আমাকে ওঠার সুযোগ না দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ওর জুতো পরা ডান পা টা আমার মুখের উপরে তুলে দিল। আমার মুখের উপরে নিজের জুতোর তলার ময়লা ঘসল কিছুক্ষন। তারপর একের পর এক লাথি মারতে লাগল আমার মুখে। " তোর কি যোগ্যতা আছে বলতো আমার সেবা করার? তোর টাকায় আমি শপিং করি, তোর ফ্লাটে তোর সাথে এক ছাদের তলায় থাকি এতে তোর জীবন ধন্য হয়ে যাওয়া উচিত। আমার জুতোর তলার ময়লা মোছার পাপোশ হওয়ার যোগ্যতাও নেই তোর। অথচ তোর মধ্যে সামান্য কোন কৃতজ্ঞতা বোধ নেই। আমাকে একটা মেসেজ করে জানানো যেত না যে আসতে দেরী হবে তোর? জানোয়ার একটা!" বোন একের পর এক লাথি মারছিল আমার মুখে, ওর জুতো পরা পায়ে। আমার তাতে যতটা ব্যাথা লাগছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যাথা লাগছিল মনে। বোন কি সত্যিই আমাকে ছেড়ে চলে যাবে কাল? আমার সাথে আর সম্পর্ক রাখবে না? হায়, এ কি ভুল আমি করলাম! কিন্তু আমি কি করে বুঝব যে মিটিং ৭ টায় শেষ হওয়ার কথা সেটা ৮.৩০ টা অবধি চলবে? আর মিটিং রুমেও ছাই নেটওয়ার্ক থাকে না যে সেখানে বসে মা বা বোনকে একটা মেসেজ করে দেব। যদিও বোনকে আমি কালকেই বলেছিলাম "শনি আর রবিবার ছুটি থাকে আমার। তখন শপিং এ গেলে হয় না? আমার অফিসে যদি কোন কাজ পরে যায় কাল?" বোন তখন আমার গালে থাপ্পর মেরে বলেছিল "আমি কি তোর মত লুজার নাকি যে উইক এন্ডে আমার অন্য কোন প্লান থাকবে না? আমার স্থান তোর অফিস, তোর বস সবার অনেক উপরে। তোর অনেক সৌভাগ্য যে আমি তোর বোন হয়ে জন্মেছি আর তুই আমার সেবা করতে পারিস। আমার অর্ডার তোর কাছে শেষ কথা এটা মনে রাখিস। " কিন্তু অফিসের বস তো আর জানে না আমার আরাধ্যা দেবীকে আমি কথা দিয়ে রেখেছি আজ তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে তাকে শপিং এ নিয়ে যাব! তাই এই গন্ডগোল। কিন্তু এ যা হল আমি এতটা সত্যি ভাবিনি। আমার ভুল তো অবশ্যই। কিন্তু এর জন্য বোন কি সত্যি আমাকে আর সেবা করতে দেওয়া তো দূর, আর আমার সাথে সম্পর্কই রাখবে না? বোন আমার মুখে অন্তত ৩০ টা লাথি মারল বেশ জোরে জোরে। তারপর ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিয়ে বলল, " তোকে ২০ মিনিট সময় দিলাম। তোর জীবনের শেষ আনন্দের সময়। আমার পা টিপতে টিপতে আমার জুতো জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার কর। এটা তোর বাকি জীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে। কারন এরপর তুই না আর আমার সেবা করার সুযোগ পাবি না আমার মুখ দেখবি আর।" আমি কাঁদতে কাঁদতে বোনের জুতোয় চুম্বন করে ওর কাছে শেষ ক্ষমা ভিক্ষা করতে লাগলাম। আমার প্রভু বোনের পা দুটো ওর ক্রীতদাসের মত টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতে লাগলাম। আর ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলাম যেন তার অবতার আমার প্রভু বোন আমার উপরে দয়া করে, আর এক বার আমাকে ক্ষমা করে দেয়। ২০ মিনিট ধরে আমি বোনের পা টিপলাম আর বোনের জুতোর উপর ও তলা জিভ দিয়ে চেটে নতুনের মত চকচকে করে দিলাম। তারপরে বোনের আদেশে ওর পা থেকে জুতো মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার নীল চটি জোড়া পরিয়ে দিলাম। বোন আমার দুই গালে দুই থাপ্পর মেরে বলল, আমি ড্রেস চেঞ্জ করতে যাচ্ছি। তুই এই ফাঁকে পরে থাকা খাবার খেয়ে নে। আগে মুখ ধুয়ে নিস ভাল করে। আর খাওয়া হলে আমার ঘরে গিয়ে আমার বেড রেডি করে দিস। তারপর তোর সাথে শেষ কথা আছে। এই শেষ ১০ মিনিট। তারপর তোর এই বিচ্ছিরি থোবরা আমি আর জীবনে দেখতে চাই না।" বোন চলে যেতে আমি উঠে কাঁদতে কাঁদতে ওর আদেশ মেনে মুখ ধুলাম সাবান দিয়ে। তারপর পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করে খাবার নিয়ে বসলাম। মা হাসি মুখে বলল, " চাপ নিস না এত ওরু। বোন তোর পিছনে লাগবে সেটা শপিং এ বেরনোর আগেই প্লান করে রেখেছে।" আমার তবু বিশ্বাস হল না। এতই খারাপ লাগছিল আমার যে দামী রেস্টুরেন্টের ভাল খাবারও আমার মুখে বিস্বাদ লাগল। অবশ্য আমার প্রভু, আমার ঈশ্বর ছোট বোন অনুর জুতোর তলায় লেগে থাকা ময়লাই যেখানে আতংকের কারনে বিস্বাদ লাগছিল সেখানে এই খাবার আর এমন কি? আমি খেয়ে টেবিল সাফ করে বোনের ঘরে গেলাম। দেখি বোন টেবিলে বসে হাসিমুখে ল্যাপটপ ইউজ করছে। আমাকে দেখে হাসিমুখেই বলল, " যা ছাগল, আমার বেডটা রেডি করে দে। জীবনে শেষবারের মত।" এই বলে আমাকে চোখ মারল। আমার কাছে যা মৃত্যুদন্ডের চেয়েও ভয়ংকর শাস্তি সেটা নিয়ে বোন ইয়ার্কি মারছে ভেবে একটু খারাপই লাগল আমার। আমি বোনের বেড রেডি করে ওর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসলাম। তারপর ওর পায়ে মাথা রেখে বললাম " প্রভু জানি, আমি যে অপরাধ করেছি তাতে ক্ষমা পাওয়া উচিত না। তবু, যদি পার তাহলে আরেকবার এই অধমকে সুযোগ দিও। তোমার সেবা না করে আমি বাঁচব না প্রভু, প্লিজ।" এই বলতে বলতে আমি পাগলের মত বোনের চটি পরা পায়ে নিজের মাথা ঘসতে লাগলাম। "এই বুদ্ধু, মাথা তোল।" - বোনের গলাটা একইসাথে নরম আর খুশি। আমি বোনের পায়ের উপর থেকে মাথা তুলে ওর পায়ের কাছে বসে পরলাম । বোন ওর চটি পরা পা দুটো আমার কোলের উপরে রেখে ল্যাপটপ অফ করে আমার চোখের দিকে তাকাল। তারপর হাসিমুখে বলল, " তোকে তো আমি ভড়কাচ্ছিলাম শুধু একটু। কিসের জন্য ক্ষমা চাইছিস তুই গাধা?" এতক্ষন বোনের ওই আচরনের পরে ওর মুখে এই কথা শুনে আমি অবাক হয়ে গেলাম। তারপর ওর পা দুটো টিপতে টিপতে বললাম, " তোমাকে কথা দিয়েও শপিং এ নিয়ে যেতে না পারার জন্য প্রভু।" বোন আমার গাল টিপে দিয়ে নরম গলায় বলল, " তুমি ছেড়ে আমাকে তুই করে বলবি, নাকি থাপ্পর খাবি?" তারপর একটু থেমে বলল, " অদ্ভুত ছেলে তুই দাদা। তোর অফিসে মিটিং পরলে তুই সেটা করবি না তো কি করবি? তুই অফিসে এত কষ্ট করিস বলেই তো সেই টাকা দিয়ে আমি শপিং করছি, ইচ্ছা মত ঘুরছি, খাচ্ছি। আমারই তো কৃতজ্ঞ থাকা উচিত তোর মত ভাল দাদা পাওয়ার জন্য! আর সেখানে তুই উলটে এত্ত সিরিয়াস হয়ে আমার কাছে ক্ষমা চাইছিস!" " তুই সত্যিই আমার উপরে রাগ করিস নি অনু? তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না তাহলে? আমাকে তোর সেবা করতে দিবি?" " হ্যাঁ রে পাগল! আচ্ছা আমি যদি তোর ফ্লাট ছেড়ে চলে যাই তাহলে লস টা কার? আমার না তোর? তুই দিব্বি তোর ফ্লাটে থাকবি, চাকরি করবি, মোটা মাইনে পাবি। তোর তো কিছুই লস নেই। বরং আমি তোর যত টাকা ওড়াই সেটা বেঁচে যাবে তোর। আর আমাকে এত্ত ভাল ফ্লাট, ভাল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ছেড়ে দেশের বাড়িতে ফিরে যেতে হবে। বাবার দোকানের অবস্থাও তো আর ভাল না। খুব কষ্টে চলতে হবে। তুই আমাদের ফ্যামিলিকে বাঁচিয়ে দিয়েছিস দাদা। অথচ তোকে দেখে মনে হয় তুই আমার দয়ায় বেঁচে আছিস! আমি তোর টাকায় খাওয়া পরা ছোট বোন হয়ে বিনা কারনে মজা নিতে তোকে এত অপমান করলাম, এত চড় লাথি মারলাম, আর তুই উলটে আমার কাছে ক্ষমা চাইছিস! কোন দেশের পাগল তুই? " বোন এমন ভাবে আমার গাল টিপতে টিপতে কথা গুলো বলল যেন এক ১৬ বছর বয়সী দিদি তার চেয়ে ৭ বছরের ছোট ভাইয়ের গাল টিপছে! অথচ আমি ওর থেকে ঠিক ৭ বছরের বড়! " আমি তোর দয়াতেই বেঁচে আছি বোন। তুই যদি সত্যি এইভাবে কখনও সম্পর্ক ভেঙে চলে যাস আমি ৭ দিনও বাঁচব না। আমার কাছে তুই ভগবানের চেয়েও বড়। আসলে আমি বোকা না বোন, বোকা তুই! তাই তুই বুঝিস না যে তোর মত একটা বোনকে এইভাবে সেবা করতে পাওয়া আমার মত একজন দাদার পক্ষে কত বড় ব্যাপার। আমার কাছে তুই চিরদিন আমার প্রভু, আমার ভগবান। সে তুই যতই জোর করে আমাকে দিয়ে তোকে তুই করে বলাস না কেন!" " তুই কত সম্মান করিস আমাকে জানা আছে! একদিকে প্রভু বলছিস, অন্যদিকে সুযোগ পেয়েই বোকা বলতে তো ছাড়লি না!" বোন ওর দুই হাত দিয়ে আমার দুই কান ধরে বেশ জোরে পেঁচিয়ে মুলতে মুলতে বলল। আমি " সরি প্রভু" বলে জিভ কেটে বোনের হাতে কান মোলা খেতে খেতে ওর পা টিপতে লাগলাম। " চল দাদা, একসাথে একটা সিনেমা দেখি।" এই বলে বোন ওর ঘরের স্মার্ট টিভিতে একটা সিনেমা চালিয়ে দিল। তারপর নরম গদি মোড়া চেয়ারে হেলান দিয়ে সিনেমা দেখতে লাগল। আর আমি অনেক কাকুতি মিনতির পরে ওর পায়ের তলায় শুয়ে সিনেমা দেখার অনুমতি পেলাম। বোনের চটি পরা পা দুটো বুকের উপরে নিয়ে ওর পা টিপতে টিপতে ওর সাথে সিনেমা দেখতে লাগলাম আমি।

Monday, 1 May 2023

রাজু ও মিমি...

রাজু - extra part... ( রাজু গল্পের ৪ ও ৫ নং পার্টে যেখানে প্রভু আলিয়াকে বর্ননা করে রাজু বলছে তার মামাতো বোন মিমি তাকে কিভাবে স্লেভের মত ট্রিট করা শুরু করে, এটা তারই extended part. পরে গল্পটা এডিট করে এই অংশটা ওই পার্টের মধ্যে জুড়ে দেব। আর এই অংশে রাজুর পরিবারে একটি অতিরিক্ত চরিত্র যোগ করছি, রাজুর দিদা/ মিমির ঠাকুমা। অর্থাৎ রাজুর মা ও মামার মায়ের চরিত্র। এই চরিত্রটি যোগ করার আইডিয়া উজ্জ্বল দিয়েছে।) আমার বয়স যখন চার বছর মাত্র, তখন মা আমাকে নিয়ে পাকাপাকি মামাবাড়িতে চলে আসে। মামা তখন সদ্য মামিকে বাড়ি থেকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করে এনেছে। মামা, মামি ছাড়া তখন বাড়িতে থাকত আমার মামা ও মায়ের মা, অর্থাৎ আমার দিদা। মামা তখন ভ্যান চালাত। মামার বাড়ি ছিল বেড়ার, মাথার উপরে টালির চাল। মামির স্বাচ্ছন্দের কথা ভেবে মামা তাড়াতাড়ি দুটো ঘরের দেওয়াল পাকা করল, তারপর পাকা ছাদ দিল। একটা ঘরে তখন থাকে মামা আর মামি। অন্যটায় আমাদের দিদা। এছাড়া রান্নাঘর, বাথরুম ও ছোট্ট একটা ঠাকুর ঘরও ছিল বাড়িতে। এসব পাকা হলেও বাড়ির অপর ঘর তখনো বেড়ার, যেটায় আমি আর মা থাকি। মামা পরে সেটাও পাকা করতে চেয়েছিল। কিন্তু মামি বাধা দিয়ে বলে 'তোমাকে অত বোনের প্রতি দয়া দেখিয়ে টাকা নষ্ট করতে হবে না। ওর মত বস্তির মেয়েকে বেড়ার ঘরেই মানায়।" আশ্চর্য হল, আমার মা আর দিদাও এই কথায় মামিকেই সমর্থন করে বলে ওই ঘর পাকা করার দরকার নেই! শুধু তাই না, মা বা দিদা খুব গরম কালে ফ্যান চালালেও মামি এসে কথা শোনাত। বলত "বস্তির মেয়ে হয়ে জমিদারের মেয়ের মত হাবভাব শিখেছিস না? ফ্যান চালাচ্ছিস, এর বিল কি তোর মরা বাপ নরক থেকে নেমে এসে দিয়ে যাবে?" মা তার বৌদির এরকম কটু কথার উত্তরে তার চেয়ে বয়সে ৫ বছরের ছোট বৌদিকেই সরি বলে ক্ষমা চেয়ে নিত। যেন দোষ তারই! মামাকেও কখনো এসব কথা জানতে দেয় নি মা। অথচ মা কারখানায় কাজ করে বেশ কিছু টাকা রোজগার করত। যা দিয়ে গোটা ফ্যামিলির বিদ্যুৎ বিলই দেওয়া যায় দিব্বি। অথচ মা সে কথা কখনও না বলে মাসের শুরুতে নিজের মাইনের টাকা ফর্শা সুন্দরী মামির হাতে তুলে দিত। অতি গরমেও আমি আর মা বেড়ার ঘরে ফ্যান না চালিয়ে শুতাম। আর মামি নিজের পাকা ঘরে সিলিং ও টেবিল ডবল ফ্যান চালিয়ে আরামে শুত। মামি বাড়ির কোন কাজও করত না। মা কারখানায় কাজ করে এসে দিদার সাথে ঘরের কাজে হাত লাগাত। আর রাতে গরমে ঘামতে ঘামতে আক্ষেপ করত, " ইশ, বৌদি বড়লোকের মেয়ে। এসিতে থাকা অভ্যাস। আমাদের বাড়িতে এসে কত কষ্টেই না থাকতে হচ্ছে তাকে!" মা যদিও আমাকে খুবই ভালবাসত। নিজের কষ্টে কষ্ট না পেলেও আমার কষ্টে কষ্ট পেত মা। আমাকে বলত তুই এখন একটু কষ্ট করে পড়ালেখা কর। বড় হয়ে ভাল চাকরি পেলে আর তোকে এখানে এত কষ্ট করে থাকতে হবে না।" কিন্তু মা আর দিদার আচরন থেকে আমার মধ্যে এক অদ্ভুত সাবমিসিভ স্বভাবের জন্ম হয়েছিল। নিজেদের কষ্ট আর মামির আরাম আমাকে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিত! পরে মামির সাথে যোগ হয় তার মেয়ে মিমির আরামে থাকা, আমাদের কষ্টের বিনিময়ে। সে এক অদ্ভুত সাবমিসিভ সুখ! আমার দিদা ছিল গরীব ঘরের অল্প শিক্ষিত নিপাট ভাল ধার্মিক মহিলা। মা আর মামাকে খুবই ভালবাসত দিদা। সাথে খুবই ধার্মিক ছিল। প্রতি সকাল আর সন্ধ্যায় সে নিয়ম করে পুজোয় বসত ঠাকুরঘরে। কিন্তু সেই ঠাকুর ঘরেই মামি চটি পরে ঢুকে যেত দিদার সামনেই। না, দিদা এই নিয়ে কোন আপত্তি তো করেইনি, বরং বলত, " বৌমা হল এ ঘরের সাক্ষাত লক্ষ্মী। গায়ের দুধে আলতা রঙ আর মুখের সৌন্দর্য্য দেখেই বোঝা যায় ভগবান নিজে হাতে কত যত্ন নিয়ে ওকে বানিয়েছে। ও ঠাকুরঘরে চটি পরে ঢুকলে সমস্যা কিসের?" আমার যখন ৫ বছর ৩ মাস বয়স, তখন আমার মামাতো বোন মিমির জন্ম হয়। ও বড় হতে থাকে এই অদ্ভুত কালচার দেখে, যেখানে ওর মায়ের স্থান বাড়ির বাকি সবার অনেক উপরে। ক্রমে চেহারায় ও হয়ে উঠতে থাকে ওর মায়ের চেয়েও সুন্দরী। আর স্বাভাবিকভাবেই বাড়িতে ওর অধিকার ওর মায়ের চেয়েও কিছুটা বেশিই হয়ে ওঠে। বোনের ৫ বছরের জন্মদিনের দিন আমার দিদা তো মামা সহ বাড়ির সবার সামনেই মিমির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বলে, " আমার মনে হয় স্বয়ং মা লক্ষ্মী আমার পুজোয় সন্তুষ্ট হয়ে নিজে দেহ ধারন করে আমাদের বাড়িতে জন্ম নিয়েছে মিমির রূপ ধরে!" সেদিন মামা অনেক বুঝিয়েছিল তার মাকে যে ফর্শা আর অতি সুন্দরী বলে কাউকে ভগবান ভাবার কোন মানে হয়না। নিজের নাতনীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করা পাগলামী। কিন্তু দিদা মানতে নারাজ। তার দৃঢ় বিশ্বাস মিমি মা লক্ষ্মীর অবতার। নাহলে তার মত গরীব ঘরে এত সুন্দরী মেয়ে জন্মায়? সেদিন রাতে ১০ বছর বয়সী আমি মা কে জিজ্ঞাসা করি " মা, মিমি কি সত্যিই মা লক্ষ্মীর অবতার?" মা উত্তর দেয় " আমাদের তাই ভাবা উচিত। এটা ভাবলেই আমি বা তুই খুশি থাকব। ওদের মা আর মেয়ের সেবা করে আনন্দ পাব।" আমি আবার জিজ্ঞাসা করি মা কে, " তবে মামা ওরকম বলছিল কেন? যে ফর্শা দের অত সুপিরিয়ার ভাবার কিছু নেই। তুমি পাগলামি করছ। এগুলো কি ঠিক?" মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, " এখন তুই সব বুঝবি না। তোর দিদা যেমন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করে তেমন তোর মামা এক রকম রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করে। সেই মতে সব মানুষ সমান, কেউ বড় ছোট নয়। অথচ নিজে যদি তাই পুরোপুরি বিশ্বাস করত, তাহলে ফর্শা বৌদিকে দেখে এত প্রেমে পাগল হয়ে মিথ্যা বলে আর বুঝিয়ে তাকে নিয়ে পালাত না। আমাদের মত গরীব খেটে খাওয়া রোদে পুরে কালো হয়ে যাওয়া কোন মেয়েকেই ভালবাসত। কিন্তু সে নিজেও সেটা পারেনি। আমি গরীব খেটে খাওয়া ঘরের কম লেখাপড়া করা মেয়ে। অনেক কিছুই জানি না। তোর মামার রাজনৈতিক বিশ্বাস ঠিক না ভুল আমার কোন ধারনা নেই। শুধু এটুকু জানি কোন রোদে পোড়া কালো মেয়েকে ভালবেসে তোর মামা এত আনন্দ পেত না যতটা বড় ঘরের স্বার্থপর ফর্শা সুন্দরী বৌদিকে ভালবেসে পেয়েছে। এটা হওয়া উচিত না অনুচিত জানি না, কিন্তু এমন টাই বাস্তবে হয়। সেরকমই জীবনে কিছু না পাওয়া কালো রোদে পোড়া খেটে খাওয়া ঘরের আমার মত মেয়ে তোর মামির মত ফর্শা সুন্দরী কাউকে ভগবান বা তার অবতার বলে ভাবলে একরকম আনন্দ হয় অনেক সময়। আমাদের উপর হওয়া যাবতীয় অনাচারের জন্য তখন আর খারাপ লাগে না। সেই কষ্টের সুফল তোর মামি বা তার মেয়ের মত ভগবানের পায়ের তলায় বিলিয়ে দিচ্ছি ভেবে এক তীব্র আনন্দ জাগে। জীবনের সব কষ্টকে তখন আশির্বাদ বলে মনে হয়।" মায়ের সেদিনের কথা আমি সেই বয়সে হয়ত পুরো বুঝে উঠতে পারিনি। কিন্তু যে সুন্দরী প্রভু অকারনে তোমার উপরে তীব্র অত্যাচার করছে তার জুতোর নিচে আত্মসমর্পন করার মধ্যে যে তীব্র আনন্দ আছে সেটা সেদিন স্পষ্ট হয়েছিল আমার কাছে। বড় হতে হতে আমি দেখছিলাম আমাদের বাড়িতে মামি আর মিমির স্থান রানী আর রাজকন্যার মত। তারা দিদার সামনেই চটি পরা পায়ে ঠাকুর ঘরে ঢোকে। ইচ্ছা হলে তুচ্ছ কারনে আমার বা আমার মা বা দিদার গায়ে হাত তোলে, যত ইচ্ছা কটু কথা বলে। অথচ আমার মামি আর তার মেয়ে ভগবানের অবতার, ওরা নিজে আমাদের এবিউজ করছে এ আমাদের সৌভাগ্য ভেবে উলটে আমার আনন্দই হয়! বোন ক্লাস ৫ এ হাইস্কুলে উঠলে নতুন স্কুলের বন্ধুদের কাছে আমার পরিচয় দিত ওদের বাড়ির কাজের লোক বলে। বলত, আমি আর আমার মা ওদের বাড়ির কাজের লোক। ঘর মোছা থেকে ওদের জুতো পালিশ সব আমরা মা মেয়ে মিলে করি। নিজের টোটো চালক বাবাকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিতে ও লজ্জা পেত। পরে সেটা ওর বান্ধবীরা জানতে পেরে অবাক হয়ে যায় এক টোটো চালক কি করে নিজের বাড়িতে সর্বক্ষনের দুজন কাজের লোক রাখে! বোনের আমাদের কাজের লোক হিসাবে পরিচয় দেওয়াটা মামা জানত না। কিন্তু বাড়ির বাকি সবাই এটা দিবিব মেনে নিয়েছিল। বোন ওর বন্ধুদের সামনে ওর কথার সত্যতা প্রমান করতে আমাকে বা মাকে দিয়ে ওর পা থেকে জুতো খোলাত, জুতো পালিশ করাত। ওকে বন্ধুদের সামনে আমি আর মা ম্যাডাম বলে ডাকতাম। ওকে দেখলেই ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতাম। দিদা তো আগে থেকেই মামি আর মিমিকে ভগবানের অবতার বলে ভেবে প্রনাম করা শুরু করেছিল। ক্রমে আমি আর মাও তাই শুরু করি। যেদিন আমার মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরোল, সেদিন প্রথম আমি সাহস করে মামার সামনে বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করি। তখন আমার বয়স ১৫ আর বোনের ১০! যত দিন যেতে থাকে, আমাদের উপর অত্যাচার করায় বোন আরও বেশি সাহসী হয়ে উঠতে থাকে। আমাদের মত গরীব, কালো, খারাপ চেহারার মানুষকে ও নিজের আত্মীয় বলে পরিচয় দিয়ে নিজের সামাজিক সম্মান নষ্ট করতে চাইত না। তাই আমরা যে ওদের চাকর সেটা প্রমান করার জন্য ওর বান্ধবীদের সামনে তুচ্ছ কারনে আমাদের মা আর ছেলেকে অপমান করত আর মারত মিমি। যেমন ও ঘরে এসে ঢুকে সোফায় বসলেই আমাদের মা আর ছেলের কাজ ছিল ওদের পা থেকে জুতো খুলে পায়ে ঘরের চটি পরিয়ে দেওয়া আর ঠান্ডা জল এনে দেওয়া। মা কারখানায় থাকলে দুটোই আমাকে করতে হত। হয়ত আমি ওদের দেখেই জল আনতে ছুটলাম প্রথমে। ও আর ওর বান্ধবীর হাতে ঠান্ডা জল দিয়ে বোনের পায়ের কাছে বসতেই ও জুতো পরা পা তুলে আমার মুখে লাথি মারবে বেশ জোরে, আর বলবে " জানোয়ার, জুতো খুলতে এত সময় লাগে? এই কাজ করার জন্য তোদের মাইনে দিয়ে পুষছি আমরা?" অথচ সত্যিটা হল, মাইনে ওরা আমাদের দিত না। বরং আমার মা প্রতি মাসে কারখানায় কাজ করে পাওয়া ১০ হাজার টাকা ওর মায়ের হাতে তুলে দিত! মানে ওদের চাকর আর দাসত্ব করার জন্যই উলটে আমরা ওদের মা আর মেয়েকে টাকা দিতাম! আমাকে আর মাকে মারা আর অপমান করাটা মিমি বেশি করে শুরু করেছিল ওর বান্ধবীদের দেখানোর জন্য। ক্রমে এটাই ওর কাছে স্বাভাবিক আচরন হয়ে গেল। মামা না থাকলে উঠতে বসতে আমাকে আর মাকে মারত মিমি। একটা ১০ বছরের ফর্শা সুন্দরী বাচ্চা মেয়ে বিনা কারনে তার ৩৩ বছর বয়সী রোদে পোড়া কালো পিসির চুলের মুঠি ধরে তার গালে একের পর এক থাপ্পর মারছে দেখতেও কিরকম অদ্ভুত ভাল লাগত! মিমি আর ওর মা আরেকটা অদ্ভুত অভ্যাস করে ফেলল ক্রমে। যখন ওরা সোফায় বা চেয়ারে বসে টিভি দেখত তখন ওদের চটি পরা পা আমার, বা আমার মা বা দিদার মুখের উপরে রাখত। ওরা প্রভুর মত আমাদের মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে থাকত। আর আমরা দাসেরা ভক্তিভরে আমাদের প্রভুর সেবা করে যেতাম। আমাদের মুখের উপরে রাখা প্রভুর চটি পরা পা টিপতে টিপতে চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করে প্রভুকে ধন্যবাদ জানাতাম মনে মনে। আমার দিদা বলত দেবীদের এইভাবে সেবা করে মনে যে সুখ আসে তা মন্দিরে পুজো করেও পাওয়া যায় না। এটাই প্রমান করে তার বৌমা আর নাতনী স্বয়ং মা লক্ষ্মীর অবতার। আর মামা বলত বয়সের ভারে তার বুড়ি মায়ের ভিমরতি ধরেছে! মামি বা মিমি মামার সামনে আমাদের কটু কথা বলতে না ছাড়লেও তখনো ফিজিকালি আঘাত সাধারনত করত না। মুখে পা রেখে পা টেপানোও নয়। হয়ত বাড়ির গার্জিয়ান আর মূল রোজগারকারী মামাই ছিল বলে মামার সামনে এক্সট্রিম কিছু করতে চাইত না ওরা। হয়ত মনে একটু ভয় ছিল বলে। কিন্তু আমার দিদা তার ছেলেকে ভয় পাওয়ার পাত্র নয়। সে তার বৌমা আর নাতনীকে বলত "স্বয়ং দেবী হয়ে এক সামান্য টোটো চালককে এত ভয় কিসের প্রভু?" বয়সের সাথে সাথে দিদার চোখে ক্রমে ছানি পরে চোখ ঘোলাটে হয়ে গিয়েছিল। সে চোখে অস্পষ্ট দেখত। কিন্তু মামি তার ছানি অপারেশান করে পয়সা নষ্ট করতে রাজি ছিল না। তাই সে ঝাপসা দৃষ্টি নিয়েই সব কাজ করত। মিমি সে কারনে তার নাম দিয়েছিল ছানিবুড়ি। আমার যখন ক্লাস ১২ তখন স্ট্রোক হয়ে দিদার পায়ের জোর কমে যায়। দিদাকে হাতে লাঠি নিয়ে বা হামাগুড়ি দিয়ে চলতে হত। সেই অবস্থাতেও তার কোন কাজ করতে লেট হলে প্রভুরা কোন ছাড় দিত না। যেমন হয়ত বোন স্কুল থেকে একা ফিরেছে। আমি গেলাম ওর জন্য ঠান্ডা জল আনতে। দিদা ওর জুতো খোলার জন্য হামাগুড়ি দিয়ে ওর কাছে আসছে। একটু বেশি সময় লাগায় মিমি রেগে গিয়ে সোজা মেঝেতে হামাগুড়ি দেওয়া দিদার মুখে জুতো পরা পায়ে পরপর ৫-৬ টা জোরে জোরে লাথি মেরে বলত, " এটুকু আসতে ক ঘন্টা সময় লাগে তোর বুড়ি? কাজ ঠিক করে করতে না পারলে লাথি মারতে মারতে মেরে ফেলব তোকে ছানিবুড়ি।" আর মুখে নিজের নাতনীর জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে তার জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইত আমার দিদা। মিমি বা মামি ঘরে বসে থাকলে সব সময় তাদের চটি পরা পা আমার, মায়ের বা দিদার মুখের উপরে থাকত। আমরা প্রভুদের চটির তলায় চুমু খেতে খেতে প্রভুদের পা টিপে দিতাম। বোন তো মাঝে মাঝে বাইরে থেকে এসে বাইরের জুতো পরা পা আমাদের মুখের উপরে রেখে বসেই মোবাইল ঘাঁটত। ইচ্ছা হলে আমাদের জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করত নিজের নোংরা জুতোর তলা। আমরাও ভক্তিভরে গিলে খেতাম আমাদের প্রভুর জুতোর তলার ময়লা। আর ভক্তিভরে টিপে দিতাম আমার প্রভু মামাতো বোনের পা দুটো। এই ভাবে বোনের সেবা করার সৌভাগ্য আমারই বেশি হত বাড়িতে। মা আর দিদার ভাগ্যে এভাবে মামিকে সেবা করার সৌভাগ্য বেশি জুটত। মামি বা মিমি মামার সামনে এইভাবে আমাদের ইউজ করত না প্রথমে। যদিও দিদা সেটাতে খুব দুঃখ পেত। মামার সামনেই দিদা বোন বা মামির পায়ের তলায় শুয়ে পরে তাদের চটি পরা পা নিজের মুখের উপরে তুলে নিয়ে বলত, " প্রভু, আমার ছেলেকে এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তোমরা ওর সামনেও আমাদের দাসের মত ব্যাবহার কর প্লিজ।" ( চলবে).

Saturday, 1 April 2023

রাজু (৬-৯)....

রাজু ৬.... এই বলে আমার মুখে বুট পরা দুই পায়ে আরও কয়েকটা লাথি মারল আমার প্রভু আলিয়া। তারপরে আমার গলায় বাঁধা ডগ কলারটা হাতে ধরে পাশের ঘরের দিকে এগোতে লাগল। আমার স্বপ্নের আরাধ্যা দেবী আলিয়া আমার গলায় বাঁধা ডগ কলার ডান হাতে ধরে আমার সামনে হাঁটছে, আর আমি তার পিছনে পিছনে চার হাত পায়ে কুকুরের মত চলেছি তার কালো বুট পরা পায়ে চুম্বন করতে করতে। উফ, আমার সারাজীবনের সব স্বপ্ন যেন সত্যি হল আজ! শুধু যদি আমার প্রভু বোন মিমিকে পাঠানোর মত টাকার ব্যাবস্থা করতে পারতাম তাহলে আর কিছু চাওয়ার ছিল না এই জীবনে। এই একটাই দুঃখ রয়ে গেল জীবনে! " এই স্লেভ, তোর মন কোথায়? প্রভু আলিয়া তোকে দুইবার আদেশ দিল, তোর কানে ঢোকে না?" আমার মুখে মিশা ম্যামের খুব জোরে একটা লাথি আছড়ে পরতে আমি বাস্তবে ফিরে এলাম। সত্যিই তো, এখন আমার প্রভুদের সেবা করার সময়। আমি প্রভু মিশা আর আলিয়ার জুতো পরা পায়ে অনেকবার চুম্বন করে ক্ষমা চাইলাম। তারপর প্রভু আলিয়া আবার অর্ডার করল, "আমার টেবিলের নিচে শুয়ে পর।" প্রভুর আদেশ পালনের আগে তাকিয়ে দেখলাম এটা একটা বিশাল ডাইনিং রুম। ঘরের মাঝখানে দামী পাথরের তৈরি বিশাল এক ডাইনিং টেবিল, তার উপরে সোনা দিয়ে কাজ করা বিভিন্ন স্থানে। টেবিলের উপরে মোট কত রকমের পদ রাখা এক নজরে আমি গুনে শেষ করতে পারলাম না। ২৫-৩০ রকম পদ তো হবেই। সেগুলো সাজিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আলিয়া ম্যামের সদ্য নিয়োগ করা চার জন চাকর। তাহলে ওরাই সার্ভ করবে। আর টেবিলের নিচে অলরেডি দুই জন দুটো টেবিলের তলায় শুয়ে আছে। একজনের বয়স ৪৫ এর কাছাকাছি, বেশ শক্ত সমর্থ পুরুষ। অন্য জন বেশ বুড়ো, বয়স ৭০ এর কাছাকাছি হবে। আমি টেবিলের তলায় শোয়ার আগেই আলিয়া আর মিশা ম্যাম গিয়ে টেবিলে বসে পরল। মিশা ম্যাম বসল ওই ৪৫ বছর বয়সী স্লেভের মুখে জুতো পরা পা রেখে। আর প্রভু আলিয়া বসল ৭০ বছর বয়সী বুড়ো স্লেভের মুখের উপরে বুট পরা পা রেখে বসে। আমি টেবিলের তলায় শুয়ে ভাবতে লাগলাম আমার মুখে পা রেখে কে বসতে চলেছে? বেশি ভাবতে হল না। ঘর আলো করে ঘরে উপস্থিত হল প্রভু আলিয়ার ছোট বোন প্রভু জুলিয়া। প্রভু আলিয়ার বয়স ২০, আর তার ছোট বোন জুলিয়ার বয়স এখন ১২। এখনো বাচ্চা বাচ্চা চেহারা। পরনে গোলাপি টপ, কালো লেগিন্স, পায়ে গোলাপি স্নিকার্স। ফর্শা সুন্দরী মেয়েটিকে দেখলে ঠিক ৮ বছর আগের আলিয়া বলেই মনে হয়। জুলিয়া এসেই আমার মুখের উপরে ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিয়ে আমার মুখে দুই পায়ে একটা করে লাথি মেরে বলল " তুই আমাদের নতুন স্লেভ?" আমি আমার নতুন প্রভুর দুই জুতোর তলায় একবার করে ভক্তিভরে চুম্বন করে বললাম " হ্যা প্রভু।" " জুলিয়া, ওর নাম রাজু। আর রাজু কুত্তা, আমার জুতোর তলায় যে স্লেভটা আছে ওর নাম রামু। আর আলিয়া ম্যামের জুতোর তলায় ও হল কালু স্লেভ। ও বয়সে আলিয়া ম্যামের দিদার থেকেও ২ বছরের বড়। ও প্রথমে আলিয়া ম্যামের দিদার স্লেভ ছিল। তারপরে ওর মায়ের। এখন ও আলিয়া আর জুলিয়া ম্যামের স্লেভ।" জুলিয়া ম্যাম আমার মুখে অকারনে খুব জোরে জোরে লাথি মারতে মারতে মিশা ম্যামকে বলল, " মিশাদি, দিদি তোমাকে কতবার বলেছে বলতো ওকে বা আমাদের ম্যাম না বলতে? তুমি তো আমাদের দিদির মতই। নিজের বোনের মত দেখবে আমাদের। আমাদের ম্যাম, প্রভু, ভগবান এসব তো এই চাকর আর স্লেভ গুলো বলবে।" আমি দেখলাম বাকি দুই স্লেভ রামু আর কালু ওদের মুখের উপরে রাখা মিশা আর আলিয়া ম্যামের পা টিপতে শুরু করেছে। আমিও আমার মুখের উপরে রাখা ১২ বছর বয়সী বাচ্চা ম্যাম জুলিয়ার জুতো পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে শুরু করলাম। চাকরেরা ৩ ম্যামকে খাবার সার্ভ করতে লাগল। আর ম্যামেরা স্লেভেদের সেবা নিতে নিতে রাজকীয় সব পদ খেতে লাগল। জুলিয়া ম্যাম খেতে খেতে বিনা কারনে আমার মুখে জোরে জোরে লাথি মারছিল। আর প্রভু জুলিয়া আমাকে যত মারছিল আমি তত বেশি ভক্তিভরে প্রভু জুলিয়ার জুতো পরা পা টিপছিলাম। খাওয়া শেষ হতে প্রভু আলিয়া আর জুলিয়া উঠে পাশের সোফায় আরাম করে বসল পাশের টেবিলে জুতো পরা পা তুলে দিয়ে। মিশা ম্যাম বেরিয়ে কোথায় যেন গেল। চাকর আর রামু স্লেভ পরে থাকা খাবার তুলে টেবিল পরিস্কার করতে লাগল। কালু স্লেভ উঠে প্রভু জুলিয়ার জুতোর তলায় মুখ ঘসতে লাগল। জুলিয়া ম্যাম তার অন্তত ৬ গুন বয়সী কালু স্লেভের মুখের উপরে প্রায়ই খুব জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল। তাই দেখে আমিও উঠে একইভাবে আলিয়া ম্যামের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে প্রভু আলিয়ার কালো বুট পরা পায়ের তলায় নিজের মুখ ঘসতে লাগলাম প্রভুর পায়ের উপর দুই হাত রেখে। প্রভুরা দুই বোন গল্প করতে লাগল নিজেদের মধ্যে। মিশা ম্যাম ফিরে এল ৩ টে বিশাল চেহারার বিদেশী কুকুর নিয়ে। ঘরে ঢুকে বলল "এদের আজ সকাল থেকে খেতে দেওয়া হয়নি। এখন দেখা যাক, আমাদের উচ্ছিষ্ট রাতের খাবার কাদের পেটে যায়। কুকুরের না স্লেভের? " এই বলে মিশা ম্যাম আলিয়া আর জুলিয়া ম্যামের পাশে বসে কুকুর গুলোর গলার বেল্ট ছেড়ে দিল নিজের হাত থেকে। ম্যামেরা শুধু কুকুর বনাম স্লেভ লড়াই দেখে মজা নেবে বলে এটা করল বুঝতে অসুবিধা হয় না। আমি তাকিয়ে দেখতে লাগলাম কি হতে চলেছে। মেয়ে চাকর দুটো ততক্ষনে পাশের ঘরে গিয়ে ডাল রুটি খাচ্ছে। ছেলে চাকর দুটো প্রভুদের উচ্ছিস্ট ভাল ভাল সব খাবারের লোভে এখানেই আছে। কুকুর গুলো ছাড়া পেতেই সোজা গিয়ে খাবারের উপরে ঝাঁপিয়ে পরল। প্রভুরা যতটা মজা পাবে ভেবেছিল ততটা হল না। আসলে চাকরগুলো বিভিন্ন আমিশ ও নিরামিশ পদ আলাদা করে ফেলেছিল। হয়ত এরকম মিশা ম্যাম আগেও করেছে তাই মিশা ম্যামকে বাইরে যেতে দেখেই ওরা ব্যাপারটা আন্দাজ করেছিল। কুকুর গুলো সোজা গিয়ে আমিশ খাবারের উপরে হামলা করল। আর চাকর দুটোর সাথে মেঝেতে বসে প্রভুদের উচ্ছিস্ট নিরামিশ খাবার গুলো খেতে লাগল রামু স্লেভ। আলিয়া ম্যাম আমার মুখের উপরে লাথি মেরে বলল " তোরাও খেতে যা।" আমি আর কালু স্লেভ খাবারের দিকে যেতে যেতে শুনলাম মিশা ম্যাম বলছে, " স্লেভ গুলো খুব চালাক হয়ে গেছে।" আমি আর কালু স্লেভ বাকি ৩ জনের সাথে যোগ দিয়ে মেঝেতে বসে প্রভুদের উচ্ছিষ্ট নিরামিশ পদ গুলো তৃপ্তি করে খেতে লাগলাম। এরকম ভাল খাবার খাওয়া তো দূর, জীবনে আমি এদের নামও শুনিনি। মিনিট খানেক পরে ৩ প্রভুই এসে আমাদের সামনে দাঁড়াল। তারপর আমাদের চার দিকে গোল করে ঘুরতে লাগল ৩ প্রভু। আলিয়া ম্যাম হঠার জুতো পরা পায়ে এক চাকরের মুখে খুব জোরে লাথি মেরে বলল, " তোদের কি এগুলো খাওয়ার কথা নাকি ডাল রুটি?" মুখে প্রভু আলিয়ার লাথি খেয়ে চাকরটা সাথে সাথে প্রভুর জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে বলল, " সরি প্রভু। আমরা ভাবলাম, " এসব খাবার তো ফেলাই যাবে। নিরামিশ গুলো তো কুকুরেও খাবে না। তাই কুকুরের অধম আমরা এগুলো খেয়ে নিই। তাছাড়া আপনাদের উচ্ছিষ্ট খাবার লোভটাও সামলাতে পারি নি মালকিন।" এবার জুলিয়া ম্যাম ওই চাকরটার মুখে লাথি মেরে বলল, " খুব বেশি কথা শিখেছিস তুই। তোকে পরে শিক্ষা দিতে হবে।" এরপর আমরা যতক্ষন খাবার খেলাম ততক্ষন ৩ প্রভু আমাদের লাথি আর বেল্টের বারি মেরে গেল। আমাদের পাশে কুকুর গুলো কিন্তু নিশ্চিন্তে খাবার খেতে লাগল। হবে নাই বা কেন? আমরা স্লেভরা তো সম্মানে ওই কুকুর গুলোরও নিচে। আর একটু ভাল খাবারের লোভে ছেলে চাকর দুটোও স্বেচ্ছায় নিজেদের আমাদের স্লেভেদের লেভেলে নিয়ে এসেছে! খাওয়া শেষ হতে আমাদের ৩ স্লেভকে কিছু না বলে আমাদের গলার ডগ কলার ধরে ৩ প্রভু তাদের সাথে নিয়ে চলল। আমাকে সাথে নিল প্রভু আলিয়া, কালুকে নিল প্রভু মিশা, আর রামুকে প্রভু জুলিয়া। আমাকে নিয়ে প্রভু আলিয়া সোজা তার বেডরুমে এল। আমার মুখে লাথি মেরে প্রভু বলল তার পা থেকে বুট খুলে দিতে। আমি দিলাম। প্রভুর পা থেকে বুট আর মোজা খুলে প্রভুর পায়ে ঘরে পরার লাল চটি পরিয়ে প্রভুর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। এরপর ১৫ মিনিট প্রভু আলিয়া সোফায় বসে আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে মোবাইল ঘাঁটল আর আমি ভক্তিভরে প্রভুর পা টিপে তার সেবা করলাম। তারপর প্রভু আলিয়া আমার গলায় বাঁধা ডগ কলারটা খাটের সাথে বেঁধে শুয়ে পরল। লাইট ফ্যান এসি এসবই অটোমেটেড প্রভুর ঘরে । প্রভু মোবাইলে স্লিপ মোড অন করতেই ঘরের লাইট নিজে থেকে অফ হয়ে খুব হালকা একটা নাইট ল্যাম্প অন হয়ে গেল। আমি আগে ছিলাম স্বাধীন মানুষ, তখন আমার ঘরে মাথার উপরে ফ্যানও ছিল না। আজ প্রভু আলিয়া ম্যামের স্লেভ হয়ে আমি এসি ঘরে ঘুমাচ্ছি! সে যতই গলায় ডগ কলার বাঁধা থাকুক না কেন! আজ প্রভুদের উচ্ছিষ্ট যে খাবার আমি খেলাম তেমন আমি স্বপ্নেও কোনদিন খাইনি! প্রভু আলিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমি খাটের পাশে রাখা তার লাল চটি দুটো তুলে তার তলায় চুম্বন করতে লাগলাম। আর তখনই আমার মনে পরল আমার প্রথম প্রভু আমার মামাতো বোন মিমির কথা। আমি স্লেভ হয়ে আজ এসিতে ঘুমাচ্ছি, আর সে আমার প্রভু হয়ে এই গরমে সাধারন পাখার তলায় শুয়ে কষ্ট পাচ্ছে। তাকে সামান্য কিছু টাকা পাঠিয়ে স্বচ্ছল জীবন যাপন করতে সাহায্য করতে পারব কিনা সেটাও জানি না। প্রভুরা কি সত্যিই আমার এই কাতর আবেদন রাখবে না? যেখানে প্রভু আলিয়া নিজে বলেছে মিমিকে আমার প্রভু আর ওর বোন হিসাবেই ভাল মানায়? আশা তো করাই যায়। আমি বুকে আশা নিয়ে প্রভু আলিয়া ম্যামের চটি দুটো নিজের মুখের উপরে রেখে ঘুমিয়ে পরলাম। রাজু ৭.... এসির ঠান্ডা বাতাসে জীবনে প্রথমবার ঘুমালাম সেই রাতে। ফলে গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে ঘুম ভাঙল গলার উপরে খুব জোরে টান পরায়। চোখ খুলে দেখি আমার গলায় বাঁধা ডগ কলার হাতে ধরে খাটের ধারে পা ঝুলিয়ে বসে টানছে প্রভু আলিয়া। প্রভুর লাল চটি পরা বাঁ পা টা আমার কপালে রাখা আর ডান পা টা আমার বুকের উপরে। আমাকে চোখ খুলতে দেখে প্রভু আমার মুখে, ঠিক ঠোঁটের উপরে, চটি পরা ডান পা দিয়ে একটা লাথি মেরে বলল, " কেমন স্লেভ তুই? মনিব উঠে গেছে আর তুই এখনো ঘুমাচ্ছিস?" আমি প্রভুর চটি পরা ডান পা টা দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলাম নিজের ঠোঁটের উপরে। তারপর প্রভু আলিয়ার পায়ে পরা চটির তলায় গাঢ় চুম্বন করতে করতে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমার প্রভু, আমার আরাধ্যা দেবী আলিয়ার কাছে। প্রভু আলিয়া প্রায় ২ মিনিট এইভাবে আমাকে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে দিল। তারপর আমার নাকের উপর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে পরপর দুটো লাথি মেরে বলল, " এবার উঠে বিল্ডিংয়ের স্লেভ সেকশানে গিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে ফ্রেশ হয়ে নে। তারপর চাকরদের সাথে মিলে ডাইনিং রুমে আমাদের ব্রেকফাস্ট রেডি কর।" আমি প্রভু আলিয়া দুই চটির তলায় পরপর ৮-১০ বার চুম্বন করে উঠে পরলাম। ফ্রেশ হয়ে কিচেনে গিয়ে দেখি চাকরেরা ততক্ষনে প্রভুদের খাবার রেডি করে ফেলেছে। আমি প্রতিজ্ঞা করলাম এবার থেকে আমিও ভোর হওয়ার আগেই উঠে প্রভুদের সেবায় লেগে পরব। আজকেও আমাদের ৩ প্রভু আলিয়া, জুলিয়া আর মিশা ম্যাম আমাদের ৩ স্লেভের মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে ব্রেকফাস্ট করল। ব্রেকফাস্ট শেষ হওয়ার পরে প্রভু জুলিয়ার ইচ্ছা হল আমাদের টর্চার করবে। কিন্তু সেটা খেলাচ্ছলে। হাজার হোক, এখনো ১২ বছরের বাচ্চা ও। প্রভু আলিয়া ওর বোনকে বুদ্ধি দিল চোর পুলিশ খেলাচ্ছলে আমাদের উপরে টর্চার করবে প্রভুরা। প্রথমে ৩ প্রভুর পায়ে চামড়ার বুট পরিয়ে দিলাম আমরা স্লেভরা। তারপরে আমাদের একটা করে সোনার হার দিয়ে প্রভু জুলিয়া বলল, " এই খেলায় তোরা হলি চোর। এই সোনার হার চুরি করে তোরা বিল্ডিংয়ের যেখানে খুশি লুকিয়ে রাখবি। আমরা পুলিশ। আমরা তোদের ধরে মেরে মেরে চুরির মাল বার করব। যে সবচেয়ে বেশিক্ষন আমাদের টর্চার সহ্য করতে পারবে চুরি স্বীকার না করে সেই স্লেভ হবে চ্যাম্পিয়ান। শুধু সেই আজ সকালে ব্রেকফাস্ট আর দুপুরের লাঞ্চ পাবে। বাকি দুই স্লেভ রাত অবধি না খেয়ে থাকবি।" আমরা ৩ স্লেভ বিশাল বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন জায়গায় সোনার হার লুকিয়ে রাখলাম আমাদের বাচ্চা প্রভু জুলিয়ার আদেশে। এরপর ৩ জনে ডাইনিং রুমে ফিরে এলাম। প্রভুদের আদেশে মেঝেতে শুয়ে ঘুমানোর নাটক করলাম। ৩ প্রভু এগিয়ে এসে আমাদের গলার ডগ কলার হাতে ধরে নিজেদের বুট পরা পা আমাদের মুখের উপরে তুলে দিল। আমার মুখে পা রাখল মিশা ম্যাম। রামুর মুখে আলিয়া ম্যাম। আর কালু স্লেভের মুখে জুলিয়া ম্যাম। তারপরে বুট পরা পা দিয়ে আমাদের মুখে লাথি মারতে মারতে বলল, " চোরেদের দল! ভেবেছিলি চুরি করে আরামে ঘুমাবি! চল এবার থানায়, তোদের জামাই আদর করব!!" এই বলে আমাদের গলায় বাঁধা ডগ কলার ধরে টানতে টানতে পাশের একটা ঘরের দিকে নিয়ে চলল আলিয়া জুলিয়া আর মিশা ম্যাম। যেতে যেতে আলিয়া ম্যাম বলল, আমিও জুলিয়ার বয়সে স্লেভদের নিয়ে এরকম গেম খেলতাম। এতে বিভিন্ন ক্যারেক্টার প্লে করতে ফানও হয়। আবার অভিনয় করার অভ্যাসও হয়ে যায়।" পাশের রুমে পৌছাতে প্রভুরা আমাদের লাথি মেরে মেঝেতে ফেলে দিল। তারপর বুটপরা পায়ে মুখে, বুকে, পেটে লাথি মারতে লাগল আমাদের। চামড়ার শক্ত বুট পরা পায়ে লাথি মারলে যে কি ব্যাথা লাগে সে বলে বোঝানো সম্ভব না। নাকের উপরে একটা ওরকম লাথি খেলেই চোখে অন্ধকার দেখবে যে কেউ। আর প্রভুরা গায়ের জোরে বুট পরা পায়ে একের পর এক লাথি মেরে চলল আমাদের মুখে। আর জুলিয়া ম্যাম লাথি মারতে মারতে বলতে লাগল, " চোরের বাচ্চা! চুরির মাল কোথায় আছে বল। নাহলে আমাদের লাথি খেতে খেতেই মরতে হবে তোদের আজ।" মিশা ম্যাম বলল, " আলিয়া আর জুলিয়া ম্যামের পায়ে যেই বুট দুটো পরা সে দুটো কিন্তু মানুষের চামড়ায় তৈরি বুট। প্রভুদের এর আগে দুই স্লেভ ছিল কুরু আর ডুমু। একজন আফ্রিকান আরেকজন এদেশের গরীব আদিবাসী। এরকম ভাবে লাথি মেরে মেরেই দুই প্রভু ওদের মেরে ফেলে আগের বছর। তারপর ওদের গায়ের চামড়া দিয়ে বুট বানিয়ে পায়ে পরছে ওরা।" আমি শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম প্রথমে। তারপরে অবশ্য আমার কাছে ব্যাপারটা স্বাভাবিক লাগল! আজ যদি প্রভুদের লাথি খেতে খেতে আমি মরে যাই আর প্রভুরা আমার গায়ের চামড়া দিয়ে পায়ের জুতো বানিয়ে পরে সেটা কি সৌভাগ্যেরই না হবে আমার কাছে! প্রভু আলিয়া আমাদের লাথি আর চাবুকের বারি মারতে মারতে ওর ছোট বোন জুলিয়াকে বলল, " বোন, আমরা দুই বোন মানুষের চামড়ার তৈরি বুট জুতো পরেছি পায়ে। অথচ আমাদের দিদি মিশার পায়ে মানুষের চামড়ার বুট নেই। তাই চল, আজ লাথি মারতে মারতে একটা স্লেভকে মেরে ফেলি আমরা।" কথাটা শুনে প্রভু জুলিয়া খুব উতসাহ পেয়ে বলল, " ঠিক বলেছিস দিদি। এই কালু স্লেভটাকেই মারা যাক। ব্যাটা এমনিতেই বুড়ো হয়েছে। খালি রোগে ভোগে, ঠিক করে আমাদের সেবাও করতে পারে না সবসময়। আমাদের লাথি খেয়ে মরলে ও সোজা স্বর্গে যাবে।" এই বলে কালু স্লেভের গলার কলার ডান হাতে ধরে খুব উতসাহে দুই পা দিয়ে কালুর মুখে গায়ের জোরে একের পর এক লাথি মারতে লাগল প্রভু জুলিয়া। আর প্রভু আলিয়া জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়ালো কালুর গলার উপরে। দুই পা দিয়ে এমন জোরে গলা চেপে ধরল যে কালু স্লেভ অক্সিজেনের অভাবে ছটফট করতে লাগল। এরপরে প্রভু আলিয়ার হাত ধরে প্রভু জুলিয়া বুট পরা পায়ে কালু স্লেভের মুখের উপরে লাফাতে লাগল। প্রায় ২০ মিনিট এই প্রবল অত্যাচার সহ্য করল কালু স্লেভ। তারপর প্রায় ৭৫ বছর বয়সী স্লেভ তার ১২ ও ২০ বছর বয়সী দুই প্রভুর অত্যাচার আর সহ্য করতে পারল না। তার নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেল পুরো। মিশা ম্যাম আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " এই কুত্তা! দেখ তো স্লেভটা মরল কিনা?" আমি কালুর পালস চেক করে দেখি তখনো অতি ক্ষীন পালস পাওয়া যাচ্ছে। তার মানে, কালু স্লেভ অজ্ঞান হয়ে গেছে সম্ভবত। আমি সেকথা বলতে প্রভু জুলিয়া ওর দিদিকে বলল, " দিদি। এবার শেষটা তুই কর।" প্রভুরা দুই জন নিজেদের মধ্যে জায়গা বদল করল। প্রভু জুলিয়া কালুর গলার উপরে এসে দাঁড়াল। আর প্রভু আলিয়া নিজের বুট পরা বাঁ পা টা এমন ভাবে কালুর নাকের উপরে রেখে দাঁড়াল যাতে সে কিছুতেই একটুও নিশ্বাস নিতে না পারে। এই অবস্থায় প্রভু আলিয়া নিজের বুট পরা ডান পা দিয়ে ভিশন জোরে জোরে কালু স্লেভের মুখের উপরে লাথি মারতে লাগল। এইভাবে আরো ১০ মিনিট চলল। তারপর মিশা ম্যাম আবার আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে কালুর পালস চেক করতে বলল। না, এবার আর সামান্যও পালস পাওয়া গেল না। মানে দুই প্রভু আলিয়া আর জুলিয়া মুখে লাথি মারতে মারতে কালু স্লেভকে মেরে ফেলল। সত্যি, প্রভুদের কাছে এইভাবে গরীব তুচ্ছ মানুষকে মেরে ফেলা কত ক্যাজুয়াল ব্যাপার! কালু মরে গেছে শুনে জুলিয়া ওর দিদির দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, " অপারেশান সাকশেসফুল দি, হাইফাই! এবার মিশাদিও মানুষের চামড়ায় তৈরি বুট পরতে পারবে!" মিশাদি এবার রামু স্লেভের মুখে লাথি মেরে বলল, " এই জানোয়ার! যা গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে চিরু চামারকে নিয়ে আয়। বল, মানুষের চামড়া দিয়ে বুট বানাতে হবে। সব সরঞ্জাম নিয়ে তাড়াতাড়ি আসতে!" রামু চলে গেল। আর ৩ প্রভু আমাকে চড়,লাথি, আর চাবুক মারতে লাগল একসাথে। একটা মানুষ যে এভাবে মরে গেল সেটা তাদের খুব আনন্দ দিয়েছে বোঝাই যাচ্ছিল। সত্যিই তো, আমাদের মত তুচ্ছ মানুষ এইভাবে প্রভুদের মত সুপিরিয়ার মানুষদের আনন্দ দিয়ে মরতে পারলে এই জীবনে আর কিই বা চাইতে পারি! পরের ৪-৫ ঘন্টার মধ্যে চিরু চামার এসে কালু স্লেভের চামড়া ছাড়িয়ে মিশা ম্যামের জন্য এক চমৎকার কালো বুট জুতো বানিয়ে দিল। তারপর প্রভু আলিয়া বলল, " এই রামু আর রাজু স্লেভ। এই কালু স্লেভের লাশ টেনে নিচে নিয়ে যা। তারপর টুকরো টুকরো করে কেটে ডগ শেল্টারের কুকুর গুলোকে খেতে দে। তোদের চেয়ে কালু স্লেভ বেশি টর্চার সহ্য করেছে। তাই ওই খেলায় চ্যাম্পিয়ান হয়ে মরল। তোরা দুটো তাই রাতের আগে খাবার পাবি না। আর কাজ সেরে মুভি থিয়েটারে আসবি ছেলে চাকর দুটোকে নিয়ে। যা ভাগ।" এইবলে আমাদের লাথি মেরে নিজের ঘরে চলে গেল প্রভু। অত বড় আর ভারী ৩ টে সোনার গয়না আমরা কোথায় রেখেছি তা খোঁজও করল না প্রভুরা! কত লক্ষ টাকা দাম ওগুলোর কে জানে! সব মিলিয়ে ১০-২০ লাখ তো হবেই। সেটা প্রভুদের কাছে কতই না নগন্য! সত্যি কত বড়লোক প্রভুরা! ২০ লাখ টাকা তাদের কাছে হাতের ময়লা। তাদের সব কাজ স্লেভেরা করে। তারা পায়ে পরে মানুষের চামড়ায় তৈরি জুতো। স্লেভেদের লাথি মেরে খুন করে সেই লাশ নিজেদের পোষা কুকুরকে দিয়ে খাওয়ায় প্রভুরা। কি চমৎকার জীবন প্রভুদের! আমরা যে স্লেভ, এই নিয়ে আমার কোন দুঃখ নেই। এ বরং আমার কাছে খুব আনন্দের খবর। দুঃখ শুধু একটাই , আমার প্রভু বোন মিমি আর তার মা আমার মামিও যদি এরকম জীবন কাটাতে পারত কি ভালই না হত! আমরা দুই স্লেভ মিলে প্রভু আলিয়ার আদেশ মেনে কালু স্লেভের চামড়া ওপড়ানো নিস্প্রান দেহটা টেনে নিচে নিয়ে গেলাম। তারপর লাশটাকে টুকরো টুকরো করে কেটে ডগ শেল্টারে নিয়ে গিয়ে প্রভুদের পোষা বিভিন্ন বিদেশী জাতের কুকুরকে ভাগ করে খেতে দিলাম। তারা আমাদের সামনেই কালু স্লেভের লাশ চিবিয়ে খেতে লাগল। হয়ত একদিন আমিও দুই প্রভুর লাথি খেতে খেতে এভাবেই মরে যাব। আমার চামড়া দিয়ে বুট বানিয়ে কোন প্রভু নিজের পায়ে পরবে। আর আমার ছিন্ন ভিন্ন লাশ চিবিয়ে খাবে প্রভুদের পোষা কুকুর! উফ, ভাবতেই কি তীব্র আনন্দ হয়! আমি আর দিবাস্বপ্ন না দেখে চার চাকরকেই ডেকে সিনেমা থিয়েটারে এলাম। বাড়ির তিন তলার এই পার্সোনাল সিনেমা থিয়েটার যেকোন মাল্টিপ্লেক্সকে হার মানাবে হয়ত! সেখানে গিয়ে দেখি প্রভুদের বন্ধু সিনেমার নায়িকা অনন্যাও এসেছে। আমি প্রভু অনন্যাকে দেখেই তার পায়ে পরে গেলাম নিজে থেকে। তার পিংক স্নিকারে চুম্বন করতে করতে তার প্রতি ভক্তি প্রকাশ করতে লাগলাম। মুভি শুরু হল তারপর। কোন এক ইংলিশ মুভি। প্রভুরা চার জন বসল আমাদের মুখে পা রেখে। প্রভু অনন্যা বসল আমার মুখের উপরে পা রেখে। প্রভু মিশা পা রাখল রামুর মুখে। আর প্রভু আলিয়া আর জুলিয়া দুই ছেলে চাকরের মুখের উপরে বুট পরা পা রেখে বসল। দুই মেয়ে চাকর ওদের খাবার ড্রিংক্স এসব সাপ্লাই করা সহ বিভিন্ন ভাই ফরমাশ খাটতে লাগল। আর আমরা আমাদের মুখের উপরে রাখা প্রভুদের জুতো পরা পা টিপতে টিপতে তাদের জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করতে লাগলাম। প্রভুরা আমাদের সেবা নিতে নিতে আমাদের মুখে লাথি মারতে লাগল ইচ্ছামত। আর সাথে খাবার ও ড্রিংক্স সহযোগে মুভি দেখতে লাগল। রাজু ৮.... বাড়ি থেকে প্রায় ২০০০ কিমি দূরে প্রভু আলিয়ার ক্রীতদাস হিসাবে নতুন জীবন চলতে লাগল আমার। প্রভু আলিয়া, জুলিয়া আর মিশার লাথি খেয়ে আর জুতো চেটে তার বদলে ওদের উচ্ছিষ্ট পরে থাকা খাবার পেতাম শুধু । অন্য স্লেভরাও তাই পেত। প্রভুদের এই রাজপ্রাসাদে মোট ৫ জন স্লেভ ছিল। আমাদের ৩ প্রভুর প্রত্যেকের ব্যাক্তিগত ১ জন করে স্লেভ। আমি আর রামু হলাম প্রভুদের ৩ জনের কমোন স্লেভ। রামুর মূল দায়িত্ব ছিল প্রভুদের ড্রেস রেডি করা আর গাড়ি ধোয়া। আর আমার দায়িত্ব ছিল ৩ প্রভুর সব জুতো জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে রাখা। শুধু ৩ প্রভু নয়, তাদের সব বান্ধবী ও বলিউডের অন্যান্য নায়িকাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে তাদের ভক্তি দেখাতে হত। একমাসের মধ্যেই বলিউডের সব নায়িকাকেই দেখার সৌভাগ্য হয়ে গেল আমার। অনন্যা, দিপিকা, অনুষ্কা, জন্নত, সুহানা, কিয়ারা, শ্রদ্ধা, দিশা সহ সব বলিউডের নায়িকাই প্রায়ই প্রভু আলিয়ার বাড়িতে আসত পার্টি করতে। তাদের দেখামাত্রই আমি তাদের পায়ের উপর মাথা রেখে শুয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করতাম, তাদের জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে তাদের শ্রদ্ধা জানাতাম। প্রভু নায়িকারা হাসিমুখে আমার মুখে লাথি মারত এর জবাবে। আর আমি জিভ দিয়ে চেটে তাদের পায়ে পরা জুতো নতুনের মত চকচকে করে দিতাম। লকডাউনের ফলে সিনেমার শুটিং বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল। সিনেমার শুটিং করার আনন্দ বা রাস্তায় পাব্লিক তাদের দেখে যেই ভক্তিপূর্ন রিএকশান দেয় সেটা প্রভু নায়িকারা সবাই মিস করছিল। ফলে তাদের মেজাজ একটু খারাপ থাকত প্রায়ই। আর এর শোধ তারা তুলত আমাদের স্লেভদের উপরে। যখন খুশি চাবুক দিয়ে মারা, বা বুট পরা পায়ে গায়ের জোরে মুখে একের পর এক লাথি মারা প্রভুদের কাছে ছিল নর্মাল ব্যাপার। প্রভুরা প্রায়ই ততক্ষন ধরে স্লেভদের উপরে টর্চার করত যতক্ষন তারা অজ্ঞান না হয়ে যায়। প্রভুদের হাতে এভাবে চরম অত্যাচারিত হতে পারা আমার চরম সৌভাগ্যের বিষয় বলে মনে হত। শুধু একটা কারনেই মাঝে মাঝে খুব খারাপ লাগত। সেটা হল আমার মামি আর তার মেয়ে মিমি। ওদের সাথে কতদিন যোগাযোগ নেই। প্রভুরা কি ওদের সাথে কন্টাক্ট করেছে? সম্ভবত না, করলে নিশ্চয়ই আমাকে জানাত। আমি বোনকে কথা দিয়েছিলাম মুম্বাই এসে কাজ নিয়ে প্রতি মাসে ওকে টাকা পাঠাব। সেই টাকা দিয়ে ও কিছুটা হলেও ফুর্তি করতে পারবে। কিন্তু না, সেই সৌভাগ্য হয়ত আর এ জীবনে হবে না। আগস্টের ১৫ তারিখ প্রভুদের বাড়িতে স্বাধীনতা দিবসের বিশাল পার্টি ছিল। প্রভুরা সবাই সারা রাত পার্টি করল। আমরা স্লেভরা প্রভুদের খাবার আর ড্রিংক সার্ভ করলাম। প্রভুরা নেশাচ্ছন্ন হয়ে সবার সামনেই আমাদের মেঝেতে উপুড় করে ফেলে গালের উপরে বুট পরা পা রেখে পিঠের উপরে চাবুকের বারি মারতে লাগল। পার্টিতে উপস্থিত সব অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজকেরা তাই দেখে এমন ভাবে হাসতে লাগল যেন খুব মজার কোন জিনিস হচ্ছে! স্বাধীন দেশে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত পার্টিতে প্রকাশ্যে একজন মানুষ আরেকজনের মুখের উপরে বুট পরা পা রেখে তার পিঠে একের পর এক চাবুকের ঘা মেরে তার পিঠ রক্তাক্ত করে দিচ্ছে এ দেখে অনেকের হয়ত বিস্ময়কর লাগতে পারে, কিন্তু আমার ক্রীতদাসের চোখে এ অতি স্বাভাবিক ঘটনা বলেই মনে হতে শুরু করেছিল ততদিনে। পরের দিন আলিয়া, জুলিয়া আর মিশা ম্যাম এক বিখ্যাত পরিচালক আর প্রযোজকের সাথে মিটিং করতে বসল। সামনের মাসে তারা একসাথে এক নতুন হাই বাজেট মুভির শুটিং শুরু করবে। কোন সাস্পেন্স থ্রিলার মুভি। তাতে মূল চরিত্রে থাকবে দুই জোড়া বোন। আলিয়া আর জুলিয়া ম্যাম হবে একজোড়া বোন। আর অন্য জোড়া বোনের চরিত্রে থাকবে মিশা ম্যাম আর নতুন কোন এক কম বয়সী মেয়ে। জুলিয়া, মিশা ম্যাম আর সেই মেয়েটি এই মুভিতেই প্রথম অভিনয় করবে। আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে আলিয়া ম্যাম নতুন নায়িকার ফটো দেখাল প্রডিউসার আর ডিরেক্টরকে। তাদের খুব পছন্দ হল। সিনেমার সব কথা ফাইনাল হয়ে গেল। সেপ্টেম্বারের মাঝামাঝি শুটিং শুরু হবে ঠিক হল। প্রভুদের ৩ জনের সাথে হাত মিলিয়ে পরিচালক আর প্রযোজক যখন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল তখনো আমরা ৩ স্লেভ ৩ প্রভুর জুতো পরা পায়ের তলায় শুয়ে প্রভুদের পা টিপে চলেছি! " লকডাউনের পরের পৃথিবী আর আগের মত হবে না। তোদের মত স্লেভদের এরপর থেকে প্রকাশ্যেই স্লেভের মত ট্রিট করব আমরা। যেমন ২০০ বছর আগে নিগ্রো স্লেভদের করা হত ঠিক তেমন।" - আলিয়া ম্যামের এই কথা শুনে আমি ভিশন খুশি হয়ে ম্যামের জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম। পরের মাসের শুরুতে আমাকে এক সপ্তাহের জন্য প্রভু অনন্যার কাছে ধার দিল প্রভু আলিয়া। প্রভু অনন্যা তার প্রধান স্লেভের বুড়ো বাবার গায়ের চামড়া জ্যান্ত অবস্থায় ছাড়িয়ে নিয়ে সেটা দিয়ে বুট বানিয়েছিল। এই ভাবে কষ্ট দিয়ে বাবাকে মারা নাকি প্রধান স্লেভ মেনে নিতে পারে নি। আর প্রভু অনন্যা মেনে নিতে পারে নি তার নিজের পোষা স্লেভ তার কোন কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে। বাবার চামড়া দিয়ে বানানো বুট পরা পায়ে ছেলের মুখে লাথি মারতে মারতে তাকেও মেরে ফেলে প্রভু অনন্যা। সত্যি, মাত্র ১৭ বছর বয়সী নায়িকা অনন্যাকে সিনেমার পর্দায় দেখলে মনে হয় romantic movie এর cute নায়িকা! সে যে এত cruel হতে পারে না দেখলে বিশ্বাস করাই কঠিন! এই ৭ দিন প্রভু অনন্যা আমার উপরে যা অত্যাচার করল তার আগের ১০০ দিনে আমার ৩ প্রভু মিলেও আমার উপরে এত অত্যাচার করেনি। সিলিং থেকে উলটো করে ঝুলিয়ে পিঠে চাবুক আর মুখে বুট পরা পায়ের লাথি, পিঠে সিগারেট আর গরম রডের ছ্যাঁকা, ব্লেড দিয়ে চামড়া কেটে সেই কাটা জায়গায় নুনের ছিটে দেওয়া, কি নয়? দিন শেষে এত অত্যাচারে শরীর ভেঙে পরত আমার। তবে রাত হলে প্রভু বদলে যেত। তখন প্রভু লাইট মিউজিক চালিয়ে ওয়াইন খেতে খেতে কারও সাথে একটা ভিডিও চ্যাট করত। আর আমি প্রভু অনন্যার চটি পরা পা দুটো মুখের উপরে নিয়ে তার চটির তলা চাটতে চাটতে তার পা টিপে দিতাম ভক্তিভরে। আর প্রভু অনন্যার মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, এত সুন্দর এক প্রভুর সেবা করার জন্য সব কষ্ট সহ্য করা যায়! সেপ্টেম্বারের ৮ তারিখ প্রভু আলিয়ার কাছে ফিরে এলাম আবার। ৭ দিন পর প্রভুকে দেখে প্রভু ভক্ত কুকুরের মত তার পায়ে মাথা ঘসতে লাগলাম আমি। প্রভু বলল, " সেপ্টেম্বারের ১৫ তারিখ আমাদের নতুন মুভির শুটিং শুরু হবে। তুই শুটিং ফ্লোরে সবার সামনে আমাদের সেবা করবি। তবে সবচেয়ে বেশি সেবা করবি আমাদের নতুন নায়িকার। সে মুম্বাই আসবে এই মাসের ১১ তারিখ। আমি সেদিনই তোকে ওই নতুন প্রভুর কাছে দিয়ে দেব তার সেবা করার জন্য। সেই এরপর থেকে তোর নতুন প্রভু হবে।" আমার শুনে বেশ খারাপ লাগল। আমি বহুদিন ধরেই প্রভু আলিয়াকে ভগবানের চোখে দেখি। আর এখানে আসার পর থেকে আমার ৩ প্রভু, আলিয়া, জুলিয়া আর মিশা ম্যামকে ৩ মাস ধরে সেবা করে মনে তাদের প্রতি অত্যাধিক ভক্তির জন্ম হয়েছিল। এবার তাহলে পার্মানেন্টলি প্রভুদের ছেড়ে যেতে হবে ভেবে বেশ দুঃখ লাগল। তবে শেষ দিন ৩ দিন নিজের শেষ রক্ত বিন্দু নিংড়ে আমার ৩ প্রভুর সেবা করে গেলাম। লকডাউনের পরে তখনো পাব্লিক ফ্লাইট চালু হয়নি দেশে। সেপ্টেম্বারের ১১ তারিখ প্রডিউসারের প্রাইভেট প্লেনে মুম্বাই আসার কথা নতুন নায়িকার, যে আমার ভবিষ্যত প্রভু হতে চলেছে। আমি সেদিন দুপুরে ফ্লাইট আসার এক ঘন্টা আগে থেকে এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম। অবশেষে এল সেই কাঙখিত মুহুর্ত! আমার নতুন প্রভুকে নিয়ে প্লেন এসে ল্যান্ড করল মুম্বাইয়ের এয়ারপোর্টে। আমি প্লেনের সিঁড়ির সামনে হাঁটুগেড়ে বসে আমার নতুন প্রভুর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। অবশেষে দেখা পেলাম তার। পিংক টপ, কালো জিন্স আর পায়ে পিংক স্নিকার্স পরা আমার ফর্শা সুন্দরী প্রভু। বলিউডের নতুন ড্রিম গার্ল! প্রভু সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিল আর আমি অপলকে তাকিয়ে ছিলাম তার দিকে। কোভিডের জন্য মুখে মাস্ক আর গরমের দুপুরে চোখে কালো রোদচশমা থাকায় আমি প্রভুর মুখের প্রায় কোন অংশই দেখতে পাচ্ছিলাম না। শুধু বুঝতে পারছিলাম আমার নতুন প্রভু অপরুপা সুন্দরী! প্রভু নিচে এসে নামতেই আমি এয়ারপোর্টে সবার চোখের সামনেই প্রভুর জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে প্রনাম করলাম, তারপর তিন বার করে প্রভুর দুই জুতোর উপরে চুম্বন করে প্রভুর দিকে হাতজোড় করে বললাম " I am your new servant and slave mam". নতুন প্রভু আমার মুখে অবলীলায় একটা লাথি মেরে আমাকে একদিকে সরিয়ে দিয়ে বলল, " প্লেনের ভিতরে গিয়ে আমার লাগেজ গুলো নামিয়ে আন বুদ্ধু!" এ কি আমি ঠিক শুনলাম? এ যে আমার মামাতো বোন মিমির গলা!! প্রভু আলিয়া তার নতুন সিনেমার নায়িকার রোলে আমার বোনকে অভিনয় করার সুযোগ দিচ্ছে? আমি প্রভু আলিয়ার কাছে চেয়েছিলাম মাসে ১৫ হাজার টাকা বেতন, যাতে সেই টাকা পাঠিয়ে আমি আমার প্রভু মামাতো বোনকে কিছু হেল্প করতে পারি। আর ৩ মাস সেই প্রসঙ্গে একটা কথাও না বলে আজ প্রভুরা আমার সুন্দরী স্বার্থপর নিষ্ঠুর বোনকে সিনেমার নায়িকার রোল করার সুযোগ দিল! এখন বোনকে আর মাসে ১৫ হাজার দিয়ে চালাতে হবে না, প্রতি মাসে ১৫ লাখ টাকা সে খুব সহজেই ওড়াতে পারবে। সারা দেশের ড্রিম গার্ল হবে আমার মামাতো বোন। সারা দেশের কত অগুন্তি ভক্ত ছেলে ঘরের দেওয়ালে আমার বোনের ফটো টাঙিয়ে বোনের সেই ফটোকে প্রনাম করবে আমার মত! সত্যি, আমার মামাতো বোনের মত সুন্দরী,স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর মেয়েরা এরকম লাইফই ডিজার্ভ করে। আমি প্লেন থেকে প্রভু বোনের লাগেজ নামিয়ে তার জন্য পাঠানো বিশাল এসি গাড়িতে তুললাম। বোনকে এয়ারপোর্টে রিসিভ করতে এসেছিল মিশা ম্যাম। আমি লাগেজ গাড়িতে তুলে মিশা ম্যাম আর প্রভু বোনের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম প্রকাশ্য রাস্তায়। মিশা ম্যাম আমার মুখে লাথি মেরে মুচকি হেসে বলল -" তোর বোনকে নায়িকা হিসাবে দেখে কেমন লাগছে রাজু স্লেভ?" আমি বেশি কিছু বলতে পারলাম না। শুধু মিশা ম্যামের জুতোর উপরে বারবার ভক্তিভরে চুম্বন করতে করতে তাকে "thank you mam" বলতে লাগলাম।" তারপর আমার দুই প্রভু মিমি আর মিশা গাড়ির পিছনের সিটে পাশাপাশি বসল। আর আমি গাড়ির পিছনের সিটে বসা আমার বোন মিমির জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম। বোন ওর জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল আমার মুখের উপরে। আর মিশা ম্যাম ওর সাদা স্নিকার্স পরা পা দুটো রাখল আমার বুকে। ড্রাইভার গাড়ি চালাতে লাগল আর আমি আমার মুখ আর বুকের উপরে রাখা দুই প্রভু মিমি আর মিশার জুতো পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। আমার স্বার্থপর মামাতো বোন আমার নতুন প্রভু আর সে আমার সাহায্যেই আজ বলিউডের নায়িকা হতে চলেছে এটা জেনে যে কি খুশি লাগছিল আমি বলে বোঝাতে পারব না। আমার প্রভু মামাতো বোন মিমি আমার মুখের উপরে ঘসে নিজের জুতোর তলার ময়লা পরিস্কার করতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু বোন মিমির জুতো পরা পা দুটো টিপে চললাম, ঠিক যেভাবে রোজ বাড়িতে সবার সামনে ওর সেবা করতাম এক বছর আগে! রাজু ৯... দিনগুলো এরপর যেন স্বপ্নের মত কাটতে লাগল! আমার মামাতো বোন মিমিকে এক বিশাল এপার্টমেন্ট ও দুটো দামী গাড়ি দিয়েছিল সিনেমার প্রডিউসার। ও এখন বিগ বাজেট বলিউড মুভির নায়িকা। এটুকু তো ওর লাগবেই। সাথে বেশ অনেক চাকরও ছিল। আর আমি থাকলাম ঘোষিত ভাবে মিমির স্লেভ হয়ে। মামা ও মামিও কিছুদিন বাদে প্রডিউসারের প্লেনে করে মুম্বাই এল। মামি তার মেয়ের সাথে একই ফ্লাটে উঠল। দিন গুলো যেন আবার পুরনো দিনের মতই কাটতে লাগল আমার। সিনেমার শুটিং শুরুর আগে দিনের বেশিরভাগ সময়ই মিমি জুতো বা চটি পরা পা আমার মুখের উপরে রেখে বসে আমাকে দিয়ে পা টেপাত। কখনো মামি তার মেয়ের জায়গা নিয়ে আমার সেবা নিত। বাকি চাকরেরাও মন দিয়ে তাদের দুই মালকিনের সেবা করত। সত্যি, আমার স্বার্থপর মামি আর তার মেয়ে এরকম লাইফ স্টাইলই ডিজার্ভ করে! মামার ভাগ্যে লেখা ছিল এর সম্পুর্ন বিপরীত চিত্র। মামি আর মিমি মামার নাম করে বহুলোকের থেকে কয়েক বছর ধরে ধার নিয়ে আসছিল নিজেদের ফুর্তি করার টাকা জোটাতে । এরপর লকডাউনে মামার কাজ করা ও রোজগারও সম্পুর্ন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধার শোধ দেওয়ার কোন সুযোগই হয়নি মামার। মামার সামনে দুটো উপায় ছিল। হয় আত্মহত্যা করা নাহয় নিজেকে স্লেভের মত বিক্রি করে দেওয়া। আত্মহত্যা করলে তার দেনা তার বউ ও মেয়ের উপরে বর্তাবে এই চিন্তায় সে সেটাও করতে পারছিল না। উপায় শেষ অবধি তার মেয়ে মিমিই দেখায়। নিজের বাবাকে ৩০ লাখ টাকায় সম্পুর্ন স্লেভ হিসাবে বিক্রি করে দেয় আলিয়া ম্যামের কাছে। এখন মামার মেয়ে বলিউডের নায়িকা। আর মামা বলিউডের আরেক নায়িকা প্রভু আলিয়ার পারিবারিক স্লেভ! মামা এখন স্লেভ হয়ে আলিয়া, জুলিয়া আর মিশা ম্যামের সেবা করে সারাদিন, ঠিক যেভাবে আমি করতাম কয়েক দিন আগেও! অবশ্য শুনেছি মন থেকে মামা স্লেভারি মেনে না নেওয়ায় আর ধনী- গরিব, সাদা-কালো নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকারে বিশ্বাসী হওয়ায় প্রভুরা তার উপরে আরো অনেক বেশি অত্যাচার করত। শুধু প্রভু আলিয়ারাই নয়। মিমিও তার নিজের বাবার উপরে অত্যাচার করতে ছাড়েনি। মাঝে ৩ দিনের জন্য প্রভু মিমি নিজের বাবাকে স্লেভ হিসাবে নিজের এপার্টমেন্টে নিয়ে আসে। তারপর অকথ্য অত্যাচার করে ৩ দিন ধরে, নিজের বাবার উপরেই। মুখে বুট পরা পায়ে গায়ের জোরে লাথি, চাবুকের আঘাত, থাপ্পর, ঘুসি কি মারেনি? যে মামা তার মেয়েকে প্রানের চেয়েও বেশি ভালবাসত সে মেয়ের বুট পরা পায়ে মাথা রেখে কাতর কন্ঠে ক্ষমা চাইছিল মেয়ের কাছে আর তাকে থামতে বলছিল। কিন্তু মিমি তাতে থামেনি। দয়া, মায়া এসব কোনদিনই মিমি বা তার মায়ের মধ্যে ছিল না। তার বাবা যত অসহায়ের মত তার বুটের উপর চুম্বন করে ক্ষমা চাইছিল তত সে আরো বেশি জোরে বাবার মুখে লাথি মারছিল। মামিও অত্যাচার করছিল নিজের স্বামীর উপরে। আমার দেখে ভাল লাগছিল, আবার খারাপও লাগছিল মাঝে মাঝে। মামার মত নিপাট ভাল মানুষের কি এরকম ব্যাবহার পাওয়া উচিত? অবশ্য আমি জানি এটা এই পৃথিবীতে ব্যাতিক্রম কিছু না। এই পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ গোলামি করছে দেনার দায়ে পরে। আর সেটা লিগাল স্লেভারি। টাকা ধার নিয়ে শোধ দিতে না পেরে কোন পরিবার বংশ পরাক্রমে খেটে চলেছে "তার প্রভু"র বাড়িতে। কোন শিশু জন্ম থেকে রোদ জল ঝড়ে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছে ইঁটভাটায়, কারন ৫ পুরুষ আগে তার পূর্ব পুরুষ তার মালিকের পরিবারের থেকে ধার নিয়ে নাকি শোধ দেয়নি। সে ধার কত টাকা তার কোন লেখা ঝোকা নেই, তারা জানেও না। শুধু জানে, যে আইন হল তাদের বংশ পরম্পরায় এইভাবে গোলামী করতে হবে। নাহলে পুলিশ তুলে নিয়ে যাবে টাকা ধার নিয়ে শোধ না দেওয়ার অপরাধে। আর জেলের ভিতরে যা হবে তাদের সাথে তার চেয়ে বাইরের দুনিয়ার যেকোন শাস্তি অনেক ভাল। তবে মামার সাথে এদের পার্থক্য শুধু স্লেভারির ধরনে। মামাকে প্রভুরা স্লেভ করেছে তার গলায় মোটা লোহার শেকল পরিয়ে। যেমনটা ২০০-৩০০ বছর আগে আফ্রিকা থেকে কালো স্লেভ এনে বাজারে বিক্রির আগে সাদারা করত। তারপর সময় বদলেছে। wired telephone যেমন সময়ের সাথে বদলে wireless mobile হয়ে গেছে, মূলত একই জিনিস হলেও পার্থক্য শুধু চোখে দেখতে পাওয়া তারে, স্লেভারিতেও সময়ের সাথে বদল এসেছে। এ যুগের নিও-লিবারাল ইকোনমিতে স্লেভেদের গলার শিকল অদৃশ্য থাকে, wireless mobile এর মত। কিন্তু কাজের দিক থেকে wireless mobile যেমন পুরনো wired mobile এর চেয়েও বেশি effective, এ যুগের স্লেভারিও তাই। এ যুগে ক্ষমতাবান মানুষ, গরীব মানুষকে দিয়ে আরো effective ভাবে দাসত্ব করায়, নিও-লিবারাল যুগের তথাকথিত গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার নামাবলী গায়ে জড়িয়ে। আমার বা মামার মত খুব কম জনকেই সরাসরি স্লেভারি করার মত কাজ করতে হয়। প্রভু আলিয়া যেদিন মামাকে নিতে এল, সেদিন মিমির এপার্টমেন্টে যেন চাঁদের হাট বসে গেল। বলিউডের প্রায় সব নায়িকা এসে উপস্থিত। আমি একবার এর বুটে চুমু খাই তো পরক্ষনেই অন্য কারো জুতোয়! আর আমার বোন সবার সামনে নিজের বাবার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে কথা বলতে লাগল! প্রভু আলিয়া আমার বোনের খুব প্রশংসা করল সবার সামনে। তারপর বলল -"মিমির থেকে আমাদের একটা জিনিস শেখা উচিত। সেটা হল স্লেভারি জিনিসটা মানুষকে দিয়ে লুকিয়ে করানোর কোন মানে নেই। আমরা এটা করতাম এই ভুল ধারনা থেকে যে সত্যিটা বুঝতে পারলে গরীব কুশ্রী মানুষেরা বিদ্রোহ করবে। কিন্তু সেটা ঠিক নয় এটা মিমিকে দেখে আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছি। ওর মত কনফিডেন্টলি ট্রিট করলে রাজুর মত ৯০% লুজারই নিজের ইচ্ছায় আমাদের স্লেভ হবে। আমাদের সরাসরি সেবা করে সুখ পাবে। যেটা দূর থেকে ওদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিলে ওরা পায় না। আমরাও টর্চার করার আনন্দটা মিস করি। তাই পুরনো স্লেভারির যুগের মত আমাদের ডিরেক্ট স্লেভারিতেই ফিরে যাওয়া উচিত। যেখানে আমাদের মত উইনারেরা রাজুর মত লুজারদের প্রকাশ্যে আবার কেনা বেচা করবে। আমরা দাসেদের উপরে যত খুশি অত্যাচার করব। আর এর সপক্ষের আদর্শ আবার মিডিয়ায় প্রচার শুরু হবে, যেমনটা ২০০ বছর আগে হত। এটা আমাদের পক্ষে যতটা ভাল, দাসেদের পক্ষেও ভাল। আমাদের চাবুকের ঘা বা বুট পরা পায়ের লাথি খেয়ে আমাদের বুটে কিস করে ক্ষমা চাইতে পারলে দাসেরা যে আনন্দ পায় সেটা থেকে ওদের বঞ্চিত করার কোন মানে হয় না। আর যেটা প্রচার করা হয়, মানুষ তাতেই বিশ্বাস করে। ফলে সব মিডিয়া যদি আবার স্লেভারির আদর্শ প্রচার করে, আমাদের মত নায়িকারা যদি মিডিয়ায় সাক্ষাতকার দিই জুতো পরা পা স্লেভেদের মুখের উপরে রেখে বসে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি সবাই এটাকেই নর্মাল বলে মেনে নেবে। রাস্তায় গরীব মানুষ শুয়ে থাকবে, আমরা নায়িকারা তাদের মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে হেঁটে যাব, ইচ্ছা হলেই ওদের লাথি মারব। আমাদের নামে মন্দির বানিয়ে দেবী বলে পুজো করবে সাধারন গরীব জনতা। আমরাই হব ৯৫% লোকের পুজনীয় দেবী, মালিক ও প্রভু।" উপস্থিত সবাই হাততালি দিয়ে প্রভু আলিয়ার প্রস্তাবে সমর্থন দিল। ঠিক হল সিনেমার শুটিং শুরুর আগে যে প্রমোশান হবে সেখানে সিমেমার চার নায়িকা, প্রভু মিমি, মিশা, জুলিয়া আর আলিয়া সবাই প্রকাশ্যে জুতো পরা পা কোন স্লেভের মুখের উপরে রেখে পা টেপাতে টেপাতে কথা বলবে। আর সিনেমার গল্পের মাধ্যমেও স্লেভারির সপক্ষে প্রচার শুরু হবে! সেদিনই ঠিক হয়ে গেল যে আর ৩ দিন পরে প্রমোশান আর ৭ দিন পর থেকে সিনেমার শুটিং শুরু হবে। এটাই বলিউডের প্রথম মুভি যা স্লেভারিকে সাপোর্ট করে ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে!