Monday, 1 May 2017

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

ক্লাস ৫ এ উঠে আমি একটা কো এড হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। আমি একটু লাজুক ছিলাম বলে ক্লাস ৫ এ আমার তেমন কোন বন্ধু ছিল না। স্কুলে ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পরে একদিন টিফিন পিরিয়ড চলছিল। ক্লাসের ছেলেরা বাইরে মাঠে খেলছিল। আমার তেমন বন্ধু ছিল না বলে আমি টিফিন করে লাস্ট বেঞ্চে শুয়েছিলাম। আর মেয়েরা অনেকে ক্লাসের বেঞ্চে লাফালাফি করে ধরাধরি খেলছিল। আমি চোখ বন্ধ করে শুয়েছিলাম, হঠাত বুকের উপর চাপ পরায় চোখ খুলে দেখি প্রীতি নামে একটা মেয়ে আমার বুকটা ওর জুতোর তলায় মাড়িয়ে হাই বেঞ্চে পা দিয়ে পরের বেঞ্চে চলে গেল। আর তাকে যে মেয়েটা ফলো করছিল, অঙ্গনা নামে সেই মেয়েটা আমাকে শুয়ে থাকতে দেখে অন্যদিকের বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে এই বেঞ্চে আসতে গিয়েও থেমে গেল। তারপর ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে আমার মাথায় খোঁচা মেরে বলল- এই ছেলে, আমরা এখানে খেলছি দেখছিস না। বেঞ্চ থেকে ওঠ, নাহলে বেঞ্চের বদলে তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াব আমরা।
অঙ্গনা মেয়েটা খুব ফর্শা আর সুন্দরী। ওই ১০ বছর বয়সেই আমার ওকে দেখে কিরকম মন খারাপ করত মাঝে মাঝে, ওর সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করত। 
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম,- আমার শরীর খারাপ লাগছে, তাই শুয়ে আছি। তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না। 
অঙ্গনা ওর জুতো পরা পা দিয়ে আমার গালে এবার বেশ জোরে একটা খোঁচা মেরে বলল,- আমি দেখেছি রোজ টিফিনে তুই শুয়ে থাকিস বেঞ্চে। রোজ তোর শরীর খারাপ থাকে নাকি? এখনই ওঠ ভালয় ভালয়, নাহলে আমরা তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াতে বাধ্য হব । আর তোর জামায় আর মুখের উপর যদি আমাদের জুতোর তলার ছাপ পরে যায়, তখন কিন্তু আমাদের কোন দোষ থাকবে না।
উফ, এই অপমানজনক কথাতেও যে কেন আমার এত আনন্দ হচ্ছিল বুঝতে পারছিলাম না আমি ! আমি অনেক কষ্টে মনের উত্তেজনা আর আনন্দ চেপে রেখে বললাম, - তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না।
অঙ্গনা কথা বাড়ালো না, সাথে সাথে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার মুখের উপরে তুলে দিল। আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে রাখা ওর জুতো পরা ডান পায়ে ভর দিয়ে ও ওর বাঁ পা টা বেঞ্চ থেকে তুলে আমার বুকের উপরে রাখল। তারপর ওর ডান পা টা আমার মুখ থেকে তুলে হাই বেঞ্চে রেখে বাঁ পা টাও আমার বুক থেকে তুলে সামনের লো বেঞ্চে রাখল। এমন স্বাভাবিকভাবে ও আমাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে সামনের বেঞ্চে চলে গেল যেন আমার কোন অস্তিত্ব নেই, ও আগের মতই খালি বেঞ্চ মাড়িয়ে গেল!
ক্লাসে তখন মোট ১১-১২ টা মেয়ে ছিল, সবাই ধরাধরি খেলছিল। অঙ্গনাকে ওরকম স্বাভাবিকভাবে আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে যেতে দেখে মেয়েরা সবাই হো হো করে হাসতে লাগল। তাই দেখে অঙ্গনা বলল, - ও উঠবেনা যখন, তখন আমরা ও নেই ধরে নিয়েই বেঞ্চের উপর দিয়ে দোড়াব। ও শুয়ে আছে ভাবার দরকারই নেই। যখন ব্যথা পাবে ও নিজেই উঠে যাবে।
ক্লাসের মেয়েরা সবাই দারুন মজা পেয়ে গেল। সবাই দৌড়াতে দৌড়াতে বারবার আমার দিকেই আসতে লাগল। আর আমার মুখটাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে যেতে লাগল বারাবার। মাঝে মাঝেই ওরা জুতো পরা পায়ে ইচ্ছা করে দাঁড়িয়ে পরতে লাগল আমার মুখের উপরে। ওদের জুতো পরা পায়ের চাপে আমার মুখে যন্ত্রনা হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু এত আনন্দ হচ্ছিল যে তার কাছে ওই কষ্ট কিছুই না। অঙ্গনা, প্রীতি, রাই, পৃথা,মারিয়া, সুনন্দা, নিশা, লতিফা, অনামিকা, উপাসনারা বারবার ওদের জুতো পরা পায়ের তলায় আমার মুখ, বুক মাড়িয়ে চলে যাচ্ছিল, আর আবার ফিরে এসে আমাকে ওদের জুতোর তলায় মাড়াচ্ছিল। ওদের দৌড় দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, ওরা আর ছোঁয়াছুয়ি খেলছে না, আমাকে জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়াতেই ওদের উতসাহ বেশি। মাঝে মাঝেই ওরা ওদের জুতোর তলার ধুলো কাদা আমার মুখে ঘসে পরিষ্কার করছিল, মাঝে মাঝেই আমার মুখে লাথিও মারছিল ওদের জুতো পরা পায়ে। ওরা একটু অবাক হয়েছিল আমি কেন বাধা না দিয়ে ওদের আমার উপরে অত্যাচার করা চালিয়ে যেতে দিচ্ছি ভেবে। ওদের নিজেদের মধ্যের কথা থেকে বুঝতে পেরেছিলাম ওরা ভাবছে আমি দেখাতে চাইছি আমি কত বীর, আমার কত সহ্য ক্ষমতা। তাই ওরা আরো জোরে জুতো পরা পায়ে লাফিয়ে পরছিল আমার মুখে, আরো জোরে লাথি মারছিল আমার মুখে। আমার ভিশন ব্যথা লাগছিল, কিন্তু তা স্বত্তেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছিলাম। মনের মধ্যে কিরকম ভক্তি জেগে উঠছিল আমার উপর অত্যাচার করতে থাকা সুন্দরী ক্লাসমেটদের প্রতি। মনে মনে ভাবছিলাম ওরা যদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেরেও ফেলে তাও আমি ওদের বাধা দেব না।
ওরা আশা করেছিল একটু পরেই আমার বীরত্ব থেমে যাবে, আমি উঠে পরব সহ্য করতে না পেরে। কিন্তু ওদের কোন ধারনাই ছিল না ওদের হাতে অত্যাচারিত হতে কত ভাল লাগছে আমার। আমি চুপচাপ শুয়ে থেকে মেয়েদের আমাকে জুতো পরা পায়ে ট্রেম্পল করা আর লাথি মারা চালিয়ে যেতে দিলাম। সেদিন প্রায় ৩০ মিনিট ওরা আমাকে এইভাবে ট্রেম্পল করেছিল। 
সেই শুরু। এরপর রোজই টিফিন টাইমে ওরা আমাকে একইভাবে ট্রেম্পল করতে লাগল,জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল আমার মুখে। ক্রমে ওরা বুঝতে পারল ওদের প্রতি আমার ভক্তিটা। ওরা আমাকে মারলে আমি যে সেটা এঞ্জয় করি, ওদের সেবা করতে যে আমার ভাল লাগে সেটা ওরা ক্রমে ধরতে পারল। এরপর স্কুলে নির্দিধায় আমাকে হুকুম করত আমার ক্লাসের মেয়েরা। আর আমি দাসের মত উতসাহ নিয়ে পালন করতাম আমার প্রভু সুন্দরী ক্লাসমেটদের আদেশ। ক্রমে ওরা আমাকে মারার জন্য আর আমাকে দিয়ে সেবা করানোর জন্য আরো অনেক গেম বানিয়েছিল। সেগুলো যেমন আমার প্রভুরা এঞ্জয় করত, তেমনই আমিও করতাম। উফ, স্কুলের দিনগুলো সত্যিই কি দারুন ছিল!

Saturday, 1 April 2017

মায়া আর পৃথা

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

সকালবেলা আমি নিজের ঘরে বল নিয়ে খেলছিলাম । তখন আমার ক্লাস ১১ । সেদিন ঘরে বাবা , মা কেউ ছিল না । আমি ছিলাম , আর পাশের ঘরে বোন ওর বান্ধবী মায়ার সাথে খেলছিল । খেলতে খেলতে বল চলে গেল খাটের তলায় । বক্স খাটের তলায় বল আনতে ঢুকে আমার দেহ আটকে গেল । আমি কিছুতেই বেরতে পারছিলাম না । হঠাত ঘরে ঢুকল আমার ১৩ বছর বয়সী বোন পৃথা আর ওর বান্ধবী মায়া ।
আমাকে এই অবস্থায় দেখে ওরা হো হো করে হাসতে লাগল । মায়া বলল , ‘চল , ওকে নিয়ে মজা করি এই বলে মায়া উঠে দাঁড়াল আমার বুকে ।
মায়া আর পৃথা দুজনেরই পায়ে স্নিকার পরা । মায়া আমার বুকে উঠে দাড়াতে পৃথা আমার মাথার পাশে দাড়িয়ে জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর রেখে আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল ।
আমার ভীশন ভাল লাগতে লাগল । তবু মুখে বললাম , প্লিজ এরকম করিস না তোরা, আমাকে বের কর বাইরে 
বোন বলল , – বের করব , যদি আমরা যা বলব তাই করিস তবে ।
আমি নিজে থেকেই প্রিথার জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম  তোরা যা বলবি তাই করব । শুধু আমাকে বের কর এখান থেকে ।
আমার কথা শুনে পৃথা আমার মুখে জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে লাফাতে লাগল । আর মায়া লাফাতে লাগল আমার বুকে ।
তারপর পৃথা আমার মুখে জুতোর তলা চেপে ধরে বলল  আমার জুতোর তলায় চুমু খা ।
আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ।
তারপর পৃথা আমার মুখে লাথি মেরে বলল  এবার তোর জিভটা বার করে দে ।
আমি তাই করলাম । আমার বার করা জিভের উপর বোন প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
আমি জিভ টা মুখে ঢুকিয়ে বোনের জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে ফেললাম । তারপর মায়া উঠে দাড়াল আমার মুখে । ও একইভাবে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
মায়া এরপর জুতো খুলে ওর মোজা পরা পায়ে আমার মুখের উপর দাড়াল । আমি প্রাণভরে আমার প্রভু মায়ার মোজার গন্ধ শুঁকতে লাগলাম ।
মায়া এরপর ওর মজার তলা আমার ঠোঁটের উপর রেখে অর্ডার করল, “ চাট কুত্তা ”.
আমিও মন্ত্রমুগ্ধর মতো চাটতে লাগলাম। কতক্ষন চেটেছিলাম ঠিক জানিনা,অন্তত ২০ মিনিট । সম্বিত ফিরলো বোনের কথায়,’এবার আমার পালা   রাই ( মায়া) উঠে বোনকে সুযোগ দিল। বোন ওর জুতো মোজা খুলে খালি পায়ের তলা আমার মুখের উপর রেখে হুকুম করল, “ চাট দাদা ”.আমি হৃদয়ের সমস্থ ভালোবাসা উজাড় করে চাটতে লাগলাম বোনের খালি পায়ের তলা। ওর পায়ের তলার ধুলো আমার অমৃত মনে হচ্ছিলো। কতক্ষনও চাটাত জানিনা,তবে মিনিট পাঁচেক পরে গেটে  আওয়াজ হল,বোধহয় মা ফিরে এসেছে। মাকে আমার পরিত্রাতা মনে হলনা,মনে হল মা  এখন না এলেই ভাল হত। ওরা তাড়াতাড়ি আমাকে টেনে কিছুটা বার করল , তারপর  বাই বাই রনি বলে  ওরা দুজন  চলে গেল।আমি  কষ্ট করে বেরিয়ে এলাম খাটের তলা থেকে।

সেদিন সারা দুপুরটা যেন এক অদ্ভুত নেশায় কাটলো। মায়া আর পৃথা আমাকে সেই সুখ দিয়েছিল যা ছাড়া আমি আর কিছু চাইনি। আমার সারা জীবনের একমাত্র স্বপ্ন হল কোন মেয়ের হাতে  অপমানিত হয়ে  তাদের হুকুম তামিল করা। কোন মেয়ের জুতোর তলা কুকুরের মত চাটা আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল। আর আজ,আমি নিজের বোন আর তার বান্ধবীর হুকুমে পোশা কুকুরের মতো ওদের জুতোর তলা চাটলাম !
  বিকেলে মা আবার মার্কেট করতে বেরল।বোন সেই দুপুরে বেরিয়ে গেছিল মায়ার সাথে।বিকেল ৫  টায় ও ঘরে ঢুকল, একা। ও ওর চাবি দিয়ে গেট খুলে ঢুকেছিল,আমি উঠিনি। আমি বসার ঘরে মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম।  ও ফিরে এসে এই ঘরেই ঢুকল, আর, আমার মুখটা ডান পা দিয়ে মাড়িয়ে বাথরুম এ চলে গেল !! ওর জুতোর তলার ময়লা আমার মুখে লেগে গেছে,বেশ বুঝতে পারলাম। ফিরে এসে  ও একটা চেয়ার এনে আমার সামনে বসল,আমার হাত থেকে রিমোটটানিয়ে নিজের পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল তারপর,ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে তুলে দিল।প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে গেল।  বোন ওর ডান পা টা রেখেছিল আমার মুখের উপর,আর বা পা টা কপালে। ও ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘসতে লাগলো।
একটু পরে ও আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল পা টিপে দে আমার”.আমি নিজের বোনের পা টিপতে লাগলাম আর  ও নিজের দাদার সারা মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগলো।একটু পরে অ হুকুম করলও,’ জিভ বের কর  আমি জানতাম  ও কেন বলছে,আমি জিভ বার করে দিলাম। আর আমার বোন আমার বার করা জিভে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার করল,তারপর ডান জুতোর তলা । তারপরও  জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখে টিভি দেখে চলল।আমি আমার প্রভু,আমার দেবীর পা টিপে চললাম, যে জন্মসূত্রে আমার বোন হয় !!!! 
আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপে যাচ্ছিলাম। আমি ভীশন মন দিয়ে বোনের পা টিপছিলাম,  ওকে খুশি করা ছারা আর কিছু ভাবছিলাম না আমি। আমার বন্ধুরা সবাই মাঠে ফুটবল খেলছে এখন। আর আমি ঘরে বসে নিজের বোনের পা  টিপছি? বসেও না, শুয়ে ! আর আমার বোন ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখেছে ! যতই নিজের অবস্থা সম্পর্কে ভাবছিলাম, কি এক অদ্ভুত আনন্দে মন ভরে উঠছিল আমার। আর আমি আরো মন দিয়ে টিপছিলাম আমার বোন,আমার প্রভু, পৃথার পা দুটো । আর পৃথা টিভি দেখতে দেখতে আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘসে চলেছিল।
 ওর জুতোর তলা অবশ্য ও আমার মুখে আর জিভে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলেছিল । আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘষার ফলে বরং আমার মুখ থেকে ময়লা ওর জুতোর তলায় লেগে যাচ্চিলো। আমি মাঝে মাঝে তাই জিভ বার করে ওর জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিচ্ছিলাম। এভাবে কতক্ষনকেটেছিল হিসেব রাখিনি। ঘর ভাঙল কলিং বেল এর আওয়াজে । পৃথা আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, “যা, দরজা খুলে দিয়ে আয়। আমি অবাক হয়ে ওর দিকে চাইলাম।ওর পায়ের তলা থেকে উঠে বললাম, “কিন্তু আমার মুখ যে তোমার জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, মা সব বুঝে  যাবে যে?”  
পৃথা মিষ্টি হেসে বলল ,” সে আমি বুঝব কি বলতে হবে। আর আজ থেকে তুই আমার চাকর। আমার কোন হুকুম অমান্য করবি না যা মা বাইরে থেকে একবার দরজা খোলার জন্য তাড়া দিল। আমি বোনের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলাম একবার। তারপর উঠে গেলাম দরজা খুলতে। দরজাটাখুলেই আমি ভেতরের ঘরে চলে এলাম। আশা করেছিলাম মা আমার মুখ দেখার আগেই আমি মুখ ধুয়ে ফেলব।

কিন্তু মা দেখতে পেয়ে গেল। অবাক হয়ে বলল, “কি রে, তোর মুখে  এত ময়লা কেন? কি করছিলি?” আমি কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না,পাশ থেকে বোন বলল, “ ও খেলতে গিয়েছিল, এখুনি ফিরলো মা। আমি বোনের কথাটা ধরে নিয়ে বললাম,হাত পা ধুচ্ছিলাম, মুখ ধোয়ার আগেই তুমি চলে এলে। মা আমার দিকে তাকিয়ে রাগ মেশান গলায় বলল, “ মাধ্যমিক হয়ে গেছে বলে কি সারাদিন খেলে বেড়াবি? পরা শুরু করতে পারছিস না?” আমি মাথা নিচু করে বললাম, “সরিমা ”, তারপর মুখ ধুতে লাগলাম বেসিনে । মা বোনের দিকে ফিরে বলল, “আর তুই ঘরের মধ্যে জুতো পরে বসে আছিস কেন? ঘরে ঢোকার সময় জুতো খুলতে পারিস না?”
 বোন বলল, “ মা, জুতোর ফিতাটা খুলছে না, ফাস পরে গেছে। তাই ভাবলাম দাদা ফিরলে খুলিয়ে নেব। আর আমার জুতোর তলা একদম পরিষ্কার। দাদার মুখ বা জিভের থেকেও বেশি। বলে জুতো তুলে তলাটা দেখাল মাকে। আমার মুখ ধোয়া হয়ে গেলে বোন আমার দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, “দাদা, আমার জুতোর ফিতাটা খুলতে পারছিনা, ফাস লেগে গেছে। তুই একটু খুলে দিবি প্লিজ ?” আমি কিছু বললাম না মুখে ,বোনের পায়ের কাছে বসে ওর জুতো পরা পা দুটো কলে তুলে নিলাম। মা তখন এই ঘরেই খাটে বসে আমাদের দেখছে। আমার দারুন ভাল লাগছিল মার সামনে বোনের জুতো খুলে দেব ভাবতে। কিন্তু   এত সহজে জুতো খুলে দিতে ইচ্ছা করল না। আমি বোনের জুতোর ফিতেয় হাত দিয়ে এমন ভাব করতে লাগলাম যেন চেষ্টা করেও খুলতে পারছি না। চেষ্টা করার নামে বরং গিট ফেলে দিলাম ওর জুতোর ফিতেয়। তারপর মুখ উপরে তুলে বললাম, “খুলছে না তো রে বোন,কি করব ?” ও বলল ভাল করে চেষ্টা কর দাদা, ঠিক খুলবে।
আমি চেষ্টা করার নামে ওর জুতো পরা ডান পা তাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরেছিলাম এক হাত দিয়ে, আর অন্য হাত দিয়ে চেষ্টা করছিলাম ফিতে খোলার। কিছুক্ষন চেষ্টা করার ভাণ করে ওকে বললাম, “খুলছে না, ফিতাটা কেটে দেব?”

 বোন বলল, “না না, ফিতে কেটে দিলে জুতো পরব কি করে এরপর?” তারপর মিষ্টি হেসে বলল, “দাঁত দিয়ে একবার ট্রাই কর না, লক্ষ্মী দাদা আমার। আমি একবার মায়ের দিকে তাকালাম । মা আমাদের দেখছে , কিন্তু কিছু বলল না। বোন আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে ওর জুতো পরা ডান পাটা আমার কাঁধের উপর রাখলো। ওর জুতোর টো টা আমার বা কাঁধের উপর রাখলো ও, আর আমি ডান হাতটাওর জুতোর হিলের তলায় রেখে দাঁত দিয়ে ওর জুতোর ফিতে খোলার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমি ভাবতেই পারছিলাম না, মায়ের সামনে আমি নিজের বোনের জুতোর ফিতে দাঁত দিয়ে খুলছিলাম !! বেশ সময় নিলাম খুলতে আমি, ডান জুতোর ফিতে খুলে দিতে বোন বাঁ পা টাও তুলে দিল আমার ডান কাধে। আমি ওর বাঁ জুতোর ফিতেয় দাঁত দিয়ে খুলে দিলাম। বোন ওর সুন্দর মুখটা হাসিতে ভরিয়ে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউদাদা।”, তাঁরপর ওর পা দুটো আমার কোলের উপর নামিয়ে রাখলো। আমি ওর জুতো দুটো ওর পা থেকে খুলে দিলাম, তারপর মোজাও খুলে দিলাম। কয়েক সেকেন্ড এর জন্য ওর পা টিপে দিলাম। বোন আবার মিষ্টি হেসে নরম গলায় বলল,” দাদা, আমার জুতো দুটো রেখে আমার ঘরের পরার চটিটা এনে দিবি please? আমি খুব টায়ার্ড। আমি বিনা প্রতিবাদে বোনের আদেশ পালন করলাম।
বিকেলের টিফিনসেরে বোন ওর ঘরে ঢুকল। আমিও ওকে অনুসরন করলাম।ওর ঘরের দরজা ভিজিয়ে দিয়ে ওর চটি পরা পায়ের উপর উপুর হয়ে শুয়ে পড়লাম আমি। ওর চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের উপর রেখে পাগলের মত ওর দুই পায়ের উপর চুম্বন করে চললাম। ও উঠে দাড়াল আমার হাতের উপরে। আমার ব্যাথা লাগছিল হাতে, তবু আমি চুম্বন করা চালিয়ে গেলাম। ওর পায়ে একটা করে চুমু খাচ্ছিলাম, আর আমার মুখ থেকে ওর প্রতি  প্রভু, ঈশ্বর ,ভগবান ,দেবী এরকম একটা সম্ম্বোধন বেরিয়ে আসছিল, তাঁরপর আবার একই রকম আগ্রহে ওর অন্য পায়ে চুমু খাচ্ছিলাম। কিছুক্ষন পর বোন খাটে বসে পরলো আবার। ওর ডান পাটা তুলে আমার মাথার উপর ওর চটির তলাটা ঘসে আমাকে আদর করতে লাগল। আর আমি ওর বাঁ পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে ঘসতে একটানা বলে চললাম, “প্রভু, ঈশ্বর,ভগবান, দেবী ইত্যাদি। একটু পরে পৃথা বলল, “দাদা সোজা হয়ে শো। আমি সোজা হয়ে শুতে  বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপর রাখলো, ডান পাটা ঠোঁটের উপর, আর বাঁ পাটাকপালে। আমি ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। বোন হেসে বলল, “তুই খুব বাধ্য ছেলে হয়ে গেছিস দাদা।”. আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বললাম,” হ্যাঁ প্রভু। আজ থেকে তুমি আর মায়াই আমার প্রভু , আমার ভগবান । তোমরা যা বলবে তাই শুনব , তাই করব আমি প্রভু  




Wednesday, 1 March 2017

অমিত ( লেখক- পলাশ)

অমিত ( লেখক- পলাশ)
:...................আমি অমিত(২১)সবে মাত্র B.Sc পাস করে চাকরীর চেষ্টা করছি। আমি বাড়ীতে মা, বাবা আর দুই বোন এক সাথে থাকি।এছাড়া ও বাড়ীতে একটা মুসলিম কাজের মেয়ে ও থাকতো আমাদের বাড়ীতে।সবার পরিচয় করিয়ে দিই বাবা অজিত (৪৫) মা রেনুকা(৪২) বড় বোন অদিতি (১৭) ছোট বোন অনুশ্রী (১৪) কাজের মেয়ে লুনা (১৬)।
আমি কাজের জন্য অনেক আবেদন করছি কিন্তু চাকরী পাচ্ছিলাম না সব চাকরি গুলো মেয়েরাই পাচ্ছিল। আমি বিরক্ত হতাম আর মেয়েদের বলতাম তোরাই ভালো আছিস চেহারা দেখিয়ে চাকরী পাচ্ছিস না পেলে বিয়ে করে বরেকে বধ করে তোদের দিব্বি চলে যাবে যত ঝামেলা ছেলেদের।তাই আমি ভগবানের কাছে প্রাথনা করতাম সমাজ টা যদি উল্টো ভাবে চলতো খুব ভালো হতো। আমি মনে মনে রোজই ভগবানকে ডাকতাম আর বলতাম।
একদিন সকাল বেলায় আমার ঘরে এসে বাবা চিৎকার করছে জানোয়ার ছেলে এতো বেলায় ঘুমিয়ে আছিস লজ্জা করে না তাড়াতাড়ি রান্না ঘরে আয় তোর মা অফিস যাবে বোনেরা স্কুলে যাবে রান্না করে খেতে কে দিবে?
আমার তখন হুঁশ ফিরল ভগবানকে রোজ বলার জন্য সমাজ উল্টো হয়ে গিয়েছে।গোটা World এ Gynarchy Rule আমি মাথায় হাত দিয়ে ভাবতে লাগলাম আমি কি ভুল করেছি।
আমি চোখ কচলাতে কচলাতে বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম তখনই আমার ছোট বোন চিৎকার করলো অমিত অমিত বলে, আমি গেলাম তার কাছে আর বললাম কি রে চিৎকার করছিস কেন আর তুই আমার নাম ধরে ডাকছিস কেন? বোন বললো বেশী কথা না বলে আমার চপ্পল টা নিয়ে আয় কুত্তা।আমি বাধ্য হয়ে চপ্পলটা নিয়ে এলাম।বোন পা নারাতে নারাতে বললো পায়ে পরিয়ে দে।
আমি রেগে গিয়ে চিৎকার করতে লাগলাম তখনই বোন এক থাপ্পর মেরে বললো তোর এত বড় সাহস আমাকে না বলিস। চিৎকার শুনে মা চলে এল আর বললো বোন যা বলছে তাই কর।আমি বাধ্য হয়ে তাই করলাম।
তারপর রান্নাঘরে গিয়ে বাবাকে সাহায্য করতে লাগলাম।ঠিক ৯.৩০ মা আর বোনদের খাবার দিলাম তখন বড় বোন আমাকে হুকুম করলো যে তার পা চেটে দিবার জন্য আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না আমি অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকালাম মা আমাকে ধমক দিয়ে বলল কি বলছে শুনতে পাচ্ছিস না আমি ভয়ে table এর তলায় শুয়ে শুয়ে আমার বড় বোন অদিতির পা চাটতে লাগলাম। তাদের খাওয়া শেষ হলো তখন বাবা বোনদের আর মায়ের টিফিন প্যাক করে দিল। এরপর মা বলল তার এবং বনেদের পায়ে জুতা পরিয়ে দিবার জন্য।আমি তিন জনার জুতা নিয়ে এলাম তারপর মাকে মায়ের স্যান্ডেল পরিয়ে দিলাম তারপর বোনেদের স্কুল সু পরিয়ে দিলাম।
তারপর তারা স্কুল এবং অফিসের জন্য বেরিয়ে যাবার পর ঘর মুছলাম বাসন মাজলাম ও কাপড় কাচলাম।
এবার আরাম করে বসলাম শোফার উপরে আর ভাবতে লাগলাম আগামি কাল লুনা গ্রামের থেকে ফিরবে দুদিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ী গিয়েছিল। লুনা এলে এতো কাজ করতে হবে না আমাকে।
আজ শনিবার বোনদের স্কুল তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে যাবে তাই আমি আর বাবা খাওয়ার পর বাবা রান্নাঘরে গেল বোনেদের টিফিন বানাবার জন্য আমি খাওয়ার পর বাসন মাজা ধোয়া করলাম।
ঠিক ২.১০ নাগাদ বোনরা বাড়ি ফিরল।বাবা দরজা খুলে দিল আর বললো হাত পা ধুয়ে নাও, তোমাদের টিফিন দিচ্ছি ডাইনিং টেবিলে।বড় বোন অদিতি বললো আমার ভাল লাগছে না কিছু তখন ছোট বোন অনুশ্রী বললো বাবা হাত পা ধোয়ার জল একটা গামলায় করে নিয়ে এস আর টিফিনটাও এখানেই নিয়ে এস।
বাবা গামলাই করে জল আর টিফিন নিয়ে এলো ছোট বোন আমাকে ডেকে বললো নে দিদির পা ধুয়ে দে দিদি খুব ক্লান্ত আমি বড় বোনের পা ধুয়ে দিতে লাগলাম তখনি ছোট বোন বললো বাবাকে তুই হাঁ করে দারিয়ে কি দেখচ্ছিস আমার পাটা কে ধুবে রে গাধা।
বাবা কথা না বাড়িয়ে চুপচাপ মেয়ের পা ধুয়ে দিল আর ওরা মজা করে টিফিন খাচ্ছিল তখন।ওদের পা ধুয়ে মুছিয়ে দিলাম তখনি তারা আবার হুকুম করল তাদের পা টিপে দেওয়ার জন্য।
আমরা দুজনায় পা টিপতে লাগলাম ৪.২৫ বড় বোন আমাকে লাথি মেরে হটিয়ে দিয়ে দিল আর ছোট বোন ও উঠে গেল তারা মাঠে খেলতে যাবে বলে।তারা তাড়াতাড়ি করে change করে নিল আর বললো কুত্তা তারাতাড়ি আমাদের sports shoe পরিয়ে দে মাঠে যাব।
আমি বোনদেরকে তারাতারি করে sports shoe পরিয়ে দিলাম। ছোট বোন ইয়ার্কি ছলে বললো কি রে কুত্তা প্রভুকে প্রনাম করে আর্শিবাদ নিবি না? আমি ছোট বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওর আশির্বাদ নিলাম। তাই দেখে বড় বোন হাসতে হাসতে বললো ছোট বোনের আর্শবাদ নিচ্ছিস বড় বোনের নিবি না কুত্তা? আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বড় বোনের ও আর্শিবাদ নিলাম।তখন ছোট বোন গম্ভীর ভাবে বাবাকে বললো কি রে বুড়া কুত্তা তুই কি ভাবছিস তোকে কি নিমন্ত্রন করতে হবে? বাবা ভয়ে সষ্টাংগে প্রনাম করলো দুই বোনকে। তারা জুতা পরা পা মাথায় রেখে আর্শিবাদ করলো বাবাকে।
তারপর তারা বেরিয়ে গেল। আমিও change করলাম বেড়াবার জন্য কিন্তু বাবা বললো বাড়ির বাইরে বেড়াবি না, তোর মা না করে গিয়েছে। তোর মা জানতে পারলে কিন্তু তোকে আস্ত রাখবে না।আমি বললাম বোনরাও তো গেল তখন কিছু বললে না তো? ওরা মহিলা আর তুই পুরুষ বুঝলি? ওদের সংগে তুলনা করবি না।আমি বাবার কথা না শুনে আমিও বেরিয়ে গেলাম। বাড়ি থেকে কিছুটা যেতেই পাড়ার মেয়েরা tease করতে লাগলো নোংরা ভাষায়। আমি পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে গেলাম তখন আমাদের পাশের বাড়ির মেয়ে বর্নালী দি(২৩) আমার গায়ে হাত দিয়ে ইর্য়াকি করতে লাগলো। আমি তার থেকে ছিটকে যেতে লাগলাম আমার বন্ধু শুভর বাড়ির দিকে।
শুভর বাড়ি থেকে সন্ধ্যা ৮ টার সময় বাড়ি ফিরলাম। এদিকে বাড়িতে মা অফিস থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় ফিরেছে আমি বাড়িতে ছিলাম না দেখে মা খুব রেগে গিয়েছে।
আমি বাড়ি ঢোকা মাত্র ছোট বোন বললো আজ তোর হবে।
ওই গাধা বাপকে আজ যেমন দিয়েছে তোর আরো বেশি হবে।
আমি ভয় পেলাম কি যে আমার হবে এই ভেবে।
শুনলাম বাবাকে মা খুব মেরেছে চাবুক দিয়ে আমি বাইরে বেরিয়েছি বোলে।আর মা শুনেছে বর্নালী দি আমার সাথে গায়ে হাত দিয়ে কথা বলেছে সেটা আমার বড় বোন অদিতি দেখে মাকে বলেছে।
একটু পরে মা আমাকে drawing room এ ডেকে পাঠালো আমি ভয়ে কাপতে কাপতে drawing room এ আসলাম ওখানে দেখলাম মা আর আমার সুন্দরি দুই বোন শোফায় বসে আছে তারা খুব রেগেও আছে।আমি চুপচাপ মাথা নিচু করে তাদের সামনে দাড়িয়ে মা আপনি আমাকে ডেকেছেন?
আমি ভয়ে আবার বললাম মা ভুল হয়ে গিয়েছে ক্ষমা করে দাও প্লিজ আমি এবার মায়ের পায়ে পরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম প্লিজ মা ক্ষমা করে দিন।মা বললো তোকে শাস্তি পেতেই হবে আর তোকে শাস্তি দিবে তোর বোনেরা।আমি বড় বোন অদিতির পায়ে ধোরে ক্ষমা চাইতে লাগলাম ও আমাকে একটা লাথি মেরে ফেলে দিল।
তারপর বড় বোন মায়ের দিকে তাকিয়ে বললো এই কুত্তার সব জামা প্যান্ট কেরে নাও একে ল্যাংটা করে রাখ বাড়িতে তাহলেই দেখবে ও আর বাইরে বেরাতে পারবে না আর ও আজ থেকে বাড়ির ছেলে না ও আমাদের ক্রীতদাস হয়ে থাকবে যতদিন না ওর বিয়ে হচ্ছে। মা মাথা নারিয়ে বললো তুই ঠিকই বলেছিস।আমি ভয়ে জোরে জোরে কাঁদতে লাগলাম আর ক্ষমা চাইতে লাগলাম।এবার মা হুকুম দিল জামা প্যান্ট খোল কুত্তা আমি মাকে বললাম প্লিজ মা এবারের মতো ক্ষমা করে দিন প্লিজ এই কথা শুনে মা আমাকে সজোরে এক থাপ্পড় মারল আর বললো আমি তোর মা নয় আমি তোর মনিব আর তুই আমাদের ক্রীতদাস আমাকে প্রভু বলে ডাকবি বুখেছিস হারামজাদা।
নে এবার জামা প্যান্ট খুলে ফেল।কোন রাস্তা না দেখে অগত্যা আমি ল্যাংটা হয়ে গেলাম।আমাকে ল্যাংটা দেখে আমার ছোট বোন হাসিতে ফেটে পরল।
এবার মা বাবাকে বললো তোর রান্না করা হয়ে গিয়েছে? বাবা উত্তর দিল হ্যা প্রভু, মা বললো ঠিক আছে একটু পর ডিনার করব নে এখন আমার পা টা ভাল করে টিপে দে তো বাবা মেঝেতে বসে মায়ের পা টিপতে লাগলো তখনো আমি মাথা ল্যাংটা হয়ে মাথা নিচু করে দারিয়ে ছিলাম তাই দেখে বড় বোন বললো কি ল্যাংটা কুকুর তুই দারিয়ে মুখ দেখছিস কি আমার পা কি তোর হবু শ্বশুর টিপবে? আমি বললাম না প্রভু আমি টিপবো বোন তো টিপ। আমি মেঝেতে বসে বড় বোনের পা টিপছি এমন সময় আমার সুন্দরি ছোট বোন আমার পুরুষাঙ্গ তে পা রাখলো আর মিচকি হাসি হাসল।আমি মন দিয়ে পা টিপছি আর ছোট বোন আমার পুরুষাঙ্গ নিয়ে খেলতে লাগলো।
আমার পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত হলেই বোন আমার পুরুষাঙ্গ এ লাথি মারছিল।
এই ভাবে রাত্রি ১০ অবধি আমি বোনেদের সেবা করলাম।
১০ টার সময় আমার তিন প্রভু ডিনার করতে বসলো আমি আর বাবা তাদের কে খাবার পরিবেশন করলাম। তারপর বাবা খেতে বসল যখন তখন আমার ছোট বোন মানে ছোট প্রভু আমাকে তাদের বাচা এঠো খাবার মাটির মধ্যে দিয়ে বললো খা কুত্তা।
খাওয়া দাওয়ার পর আমি আর বাবা বাসন মাজলাম, রান্না ঘর পরিষ্কার করলাম তারপর যখন শুতে যাব দেখি আমার ছোট বোন আমার বিছানায় জল ঢেলে দিল আর বললো ক্রীতদাস আর কুত্তারা বিছানায় ঘুমাই না তারা মাটিতে ঘুমায় তখন আমি বললাম আমি আপনার দাদা হই এই শুনে সে আমাকে ঠাস করে এক চড় মারল আর বললো না ছিলিস এখন তুই ক্রীতদাস যতদিন না তোর বিয়ে হচ্ছে।
পরের দিন সকালে উঠে ঘরের সব কাজ সারলাম বাবা চা বানিয়ে তিন প্রভুকে সার্ভ করলো drawing roomএ তখন আমি পা টিপছিলাম মায়ের। সেই সময় লুনা ঘরে প্রবেশ করল, মা বললো বেরিয়ে এলি গ্রামের বাড়ি থেকে আর কটা দিন থাকলেই তো পাড়তিস। লুনা বললো না আপনাদের জন্য মন খারাপ করছিল তাই চলে এলাম।মা বললো তুই ভালো সময়ই এসেছিস শোন তোর নতুন কাজ টা বুঝিয়ে দিই।
মা আমাকে দেখিয়ে লুনাকে বললো এ আর আমার ছেলে না এ হলো আমাদের ক্রীতদাস। আর বাবাকে দেখিয়ে বললো ওই বুড়া টা আমাদের চাকর, আর তুই নতুন ম্যানেজার তোর কাজ হলো বাজার টাজার করা আর এরা ঠিক ঠাক কাজ করছে না কি তাই দেখা। তুই পারবি তো?
তারপর মা আমাকে বলল লুনা যা আদেশ করবে তুই তাই অক্ষরে অক্ষরে পালন করবি বুঝলি রে কুত্তা আমি মাথা নারিয়ে হ্যা বললাম তখন মা বলল লুনাকে প্রনাম কর। আমি লুনার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম তখন লুনা তার জুতা পরা পা দিয়ে আমার থুতনি তুলে একটা শয়তানি হাসি হাসলো।
আর বললো, তুই আমাকে মালকিন বলে ডাকবি। এই বলে আমার মুখে লাথি মারলো।
আজ রবিবার হলেও মা কে অফিসের কাজে দিল্লী জেতে হবে আর বোনেদের ক্যারাটে ক্লাস আছে তাই ব্রেকফাস্ট ৯ টার মধ্যে খেয়ে তিন জনায় বেড়িয়ে পরল।বোনেরা আসবে সেই সন্ধ্যাবেলায় আজ ওদের ক্যারাটে প্রদর্শনী আছে।
আর মা আসবে ৪ দিন পর।

Wednesday, 1 February 2017

আমার ছোট বোন সিমি…

আমার বোন সিমি

(লেখক১ম পার্ট; টোটা, ২য় পার্ট; খোকা)


১...

আমার বোন সিমি আমার থেকে প্রায় ৩ বছরের ছোট। ওকে দেখতে খুব সুন্দর বলে সবাই ওর প্রশংসা করত, যা ওর মধ্যে ছোটবেলাতেই সুপিরিয়রিটি কম্পলেক্স জন্ম দিয়েছিল। ও যা বলবে তাই দিতে হবে, সবাইকে তাই করতে হবে, বিশেষ করে আমাকে, এই ওর মনের ভাব দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। তখন বাড়িতে থাকতাম আমি, বোন আর মা। বাবা চাকরির জন্য বাইরে থাকত, সপ্তাহের শেষে এসে শুধু রবিবার থাকত বাড়িতে। মাও ছোট মেয়েকে খুব আদর করত। আমার সাথে বোনের ঝগড়া হলে বোনের পক্ষ নিয়ে বলত, - ছোট বোনের সাথে ঝগড়া করতে তোর লজ্জা করে না? কয়েকবার বোনের কাছে ক্ষমাও চাইয়েছিল মা। এখন নিরপেক্ষভাবে ভাবলেও মনে হয় ঝগড়া লাগত বোন অকারনে বেশি সুযোগ বা জিনিস দাবী করায়। আর মা বোনের পক্ষ নিত ও ছোট মেয়ে আর সুন্দরী বলে। আমি কিন্তু বেশিরভাগ সময়ে সেটাও মেনে নিতাম, তবে কখনো কখনো খুব রাগ হত। বোন যখন চাইবে ওকে টিভি বা কম্পিউটার ছেড়ে দিতে হবে, পুজোয় আমাকে দুটো জামা দিলে ওকে অন্তত পাঁচটা দিতে হবে, আমাকে টিফিনে ৫ টাকা দিলে ওকে অন্তত ১০-১৫ টাকা দিতে হবে। মা ওর সব দাবী মেনে নিত হাসিমুখে আর আমাকে বলত- ছোট বোনের সাথে কথায় কথায় ঝগড়া করার জন্য তোর লজ্জা হওয়া উচিত।
আমার যখন বয়স ১৪ আর বোনের ১১ তখন আমি একটা সাইকেল চেয়েছিলাম মায়ের কাছে। বোনের তখন একটা ছোট সাইকেল ছিল কয়েক বছর আগে কেনা, আমার ছিল না। কিন্তু বোন আবার চেয়ে বসল মায়ের কাছে। আর মা আমাকে না দিয়ে বোনকে আবার একটা দামী লেডিজ সাইকেল কিনে দিল। সেই সাথে ও অনেক জামা জুতো শপিং ও করল। আমাকেও হয়ত দিত কিন্তু বোন সরাসরি মাকে বলল,- দাদাকে সাইকেল দিও না মা, ও দূরে গিয়ে উলটো পালটা ছেলেদের সাথে মিশবে। মাও ওর কথা মেনে নিল। আমি বুঝতে পারলাম আমাকে ও ইচ্ছা করলেই কষ্ট দিতে পারে, এটা বোন খুব উপভোগ করছে। তাই ইচ্ছা করেই আমাকে কিছু কিনতে না দিয়ে আর নিজে আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে কিনে আনন্দ পাচ্ছে। আমার কিন্তু সেইবার বেশ রাগ হয়ে গেল। 
কিন্তু রাগ হলেও মুখে বলে রাগ দেখানোর সাহস হল না, মা তো সেই বোনের পক্ষে। মা যদিও বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে বলে মেয়েদের জামা কাপড় বেশি লাগে, ছোট্ট বোন একটু বেশি হাত খরচ নিলে তোর কি এত কষ্ট হয়, বা এই বয়সে ছেলেদের সাইকেল দেওয়া ঠিক না বলে দিই নি। কখনো বা বলে বোন তো ছোট ও কি ঘর গোছানো বা জামা কাচা, জুতো পালিশ এইসব নিজের কাজ করতে পারে এই বয়সে? যদিও আমি এসব ৭-বছর থেকে নিজেই করছি আর বোনের বয়স এখন ১১! আমাকে বোনের সব কাজই করে দিতে হয় এখনো, এমনকি আমাদের ঘরে একটা মাত্র খাট আর তাতে বোন শোয়। আমাকে নিচে মেঝেতে বিছানা করে শুতে হয়। সবেতেই আমাকে কম আর বোনকে বেশি সুবিধা দিয়ে রেখেছিল মা।
আমি তাই ঠিক করলাম বোনের সাথে কথা বন্ধ করে দেব। ওর কোন কথার জবাব দেব না এর প্রতিবাদে। মা বোনকে নিয়ে কোন কথা বলতে এলে তারও জবাব দেব না। প্রথমদিন ঠিকই চলল এইভাবে। পরের দিন রবিবার, বাবা বাড়িতে ছিল, ফলে আরেকটু সাহস পেয়েছিলাম সেদিন। সারাদিন কথা বললাম না বোনের সাথে, ওর কোন কাজও করে দিলাম না। রাতে খাওয়ার পর বোন বলল, - আমার বিছানা রেডি করে দে দাদা, আমি ঘুমাবো। আমি কোন উত্তর না দিয়ে টিভি দেখতে লাগলাম। বোন তিনবার বলল পরপর, আমি উত্তর দিলাম না। এমনকি মা পাশ থেকে - এটা তুই খুব খারাপ করছিস টোটা, বলার পরেও। এরপর বোন যেটা করল সেটার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। আমার গালে ডানহাত দিয়ে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল, - এমনি যাবি, না আরো মার খাবি? আমার ছোট বোন বাবা মায়ের সামনেই আমার গালে এত জোরে থাপ্পর মারল? আমার যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না তখনও। বাবা পাশ থেকে বকতে গেল বোনকে, আমাকে মারার জন্য। কিন্তু মা তার আগেই বাবাকে বলল, - তুমি বাইরে থাক, তাই জাননা। টোটা এক সপ্তাহ ধরে সিমির সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করছে। সিমি একটা বাচ্চা মেয়ে, কত সহ্য করবে? দাদাকে মেরে ঠিক করেছে ও। মা বোনকে সাপোর্ট করছে দেখে বাবা আর কিছুই বলল না ওকে। পরদিন ভোরে উঠে অফিসের জন্য চলে যেতে হবে বলে শুতে চলে গেল। আর আমি অবাক হয়ে, কিছুটা থতমত খেয়ে বোনের চড় খাওয়া গালে হাত বোলাতে বোলাতে ওর বিছানা রেডি করার জন্য উঠলাম।
আমাদের বাড়িতে তখন ২ টো বেডরুম ছিল, একটাতে বাবা মা শুতো। অন্য রুমটা আমার আর বোনের।আমাদের ঘরে একটা ডবল বেড আছে, আগে আমি আর বোন এতে একসাথে শুতাম। এক দেড় বছর আগে বোনের ১০ বছর বয়স হতে মা বলল, -তোরা বড় হচ্ছিস, এখন আলাদা শুবি। কিন্তু আমাদের বাড়িতে আর খাট নেই, অন্য বেডরুমও নেই আমার শোয়ার। ফলে বোনের ঘরেই ওর বেডের পাশে মেঝেতে বিছানা করে আমার শোয়ার ব্যবস্থা চলতে লাগল সেই থেকে। বোন নিজে দামী নরম বেডে শোবে আর ওর দাদা চাকরের মত মেঝেতে বিছানা পেতে শোবে, এতে ও খুব আনন্দ পেয়েছিল বুঝতে পেরেছিলাম।
আমি আমাদের ঘরে এসে বোনের খাটের চাদর পালটে বিছানা রেডি করে বোনকে টিভির ঘরে গিয়ে বলে এলাম ওর বেড রেডি। তারপর মেঝেতে নিজের বিছানা করতে লাগলাম। সবে সেটা শেষ করেছি, বোন এসে ঘরে ঢুকল। ওর চটি পরা পায়ে আমার বিছানা মাড়িয়ে আমার পাশে এসে দাঁড়াল বোন। তারপর আমার মাথা রাখার বালিশের উপর ওর চটি পরা ডান পা টা রেখে বোন আমার দিকে হাসিমুখে তাকিয়ে ডানহাত দিয়ে আমার গালদুটো এমনভাবে টিপে দিল যেন আমি ওর বাচ্চা ভাই! তারপর ডানহাত দিয়ে আমার বাঁ কানটা অকারনে মুলতে মুলতে বলল,- এরকম বাধ্য ছেলের মত আমার সব কথা শুনবি, তাহলে আর তোকে মার খেতে হবে না!
বোন আমার বিছানা আর মাথা রাখার বালিশের উপর চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে অকারনে আমার কান মুলে দিচ্ছে আর আমি সেটা বিনা প্রতিবাদে সহ্য করছি দেখে আমার নিজেরই অবাক লাগল। ১ মিনিট পর বোন আমার কান ছেড়ে আবার আমার গাল টিপে দিয়ে বলল, - এই তো আমার ভাল দাদা! তারপর ওর চটি দুটো আমার বালিশের পাশে বিছানার উপরেই খুলে রেখে ওর খাটে উঠে গেল!


২...

বোন খাটে উঠে একটা গল্পের বই পড়তে লাগল আর আমি নিচে মেঝেতে শুয়ে ভাবতে লাগলাম আমার অদ্ভুত আচরনের কথা আমার বোন অকারনে আমার থেকে অনেক বেশি সুযোগ সুবিধা আদায় করে, মার ওর প্রতি পক্ষপাতিত্বের কারনে মা সেটা সবসময় সমর্থন করে আর আজ তুচ্ছ কারনে বোন বাবা মায়ের সামনে অত জোরে আমার গালে থাপ্পর মারল, মা সেটা সমর্থন করল তারপর আমি বোনের বিছানা রেডি করে দেওয়ার পর ও আমার মেঝেতে পাতা বিছানা আর বালিশের উপর চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে আমার কান মুলে দিয়ে আমার বিছানার উপর চটি খুলে নিজের বেডে উঠে গেল! এরপরও আমি বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ না করে বোনের অত্যাচার সহ্য করে গেলাম? এমনকি আমার তো একটুও রাগও হচ্ছে না বোনের উপর? আমি কি বোন আমার থেকে সবকিছু অনেক বেশি পাবে, আমাকে ওর সব কাজ করে দিতে হবে, আর বোনের ইচ্ছা হলেই ও আমাকে অপমান করবে, আমার উপর  অত্যাচার করবে সেটাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিচ্ছি? আমার কি একটু একটু ভাল লাগতে শুরু করেছে বোনের কাছে এই অপমান? কি অদ্ভুত ব্যাপার!
ঘোর ভাঙল বোনের ডাকে
এই গাধা, আমার জন্য ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা জল আনতে বললাম না? কতবার বলতে হবে এক কথা?”
সরি বোন, এক্ষুনি আনছিবলে আমি  লাফ দিয়ে উঠলাম আমার মেঝের বিছানা থেকে ফ্রিজ থেকে একটা জলের বোতল হাতে নিয়ে আমাদের ঘরে ঢুকতে ঢুকতে মনে হল বোন আমাকে গাধা বলে ডেকে হুকুম করছে আর আমি প্রতিবাদ না করে বোনকে সরি বলে ওর হুকুম তামিল করতে ছুটছি? হল কি আমার?
ঘরে এসে জলের বোতলটা বোনের হাতে দিতে গিয়ে খেয়াল করলাম আমি কেন জানি না ওর বিছানার পাশে হাটুগেড়ে বসে বোনকে জলের বোতল দিচ্ছি!
বোনের প্রতি আমার চাকরের মতো আচরন দেখে বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল একবার তারপর বোতলটা হাতে নিয়েই বোন বাঁ হাত দিয়ে আমার ডান গালে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ জলের বোতল এনেছিস, আর একটা গ্লাস আনিস নি? এটাও কি শিখিয়ে দিতে হবে তোকে গাধা?”
সরি বোনবলে আমি গ্লাস আনতে ছুটলাম, যদিও বোনকে আগে কখনও গ্লাসে জল খেতে দেখিনি
গ্লাস এনে দেখি বোন জল খেয়ে আবার শুয়ে পরেছে আমাকে দেখে বলল, “ যা বোতলটা রেখে আয়, আর গ্লাস লাগবে না
আমি বোতলটা নিতে গেলে বোন শোয়া অবস্থাতেই আমার গালে ডান হাত দিয়ে একটা থাপ্পর মেরে বলল, “ এটা সময়ের কাজ সময়ে না করার শাস্তি
সরি ম্যাম, ভুল হয়ে গেছে এরকম আর কখনও হবে না এবারের মতো ক্ষমা করে দাও প্লিজ আমি বোনকে ম্যাম বলে ডেকে ক্ষমা চাইছি বলে আমি নিজেও অবাক হয়ে গেলাম আমার এত সাবমিসিভ আচরন দেখে আমার ১১ বছর বয়সী সুন্দরী বোন সিমির মুখে হাসি ফুটে উঠল
আমার পা ধরে ক্ষমা চা বোন হাসিমুখে আদেশ করল
আমি বিনা প্রতিবাদে বোনের খালি পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিলাম তারপর জলের বোতলটা মেঝেতে রেখে শুয়ে পড়লাম আমার মেঝের বিছানায় নিজের অদ্ভুত আচরনে নিজেই অবাক হয়ে আমার কি হচ্ছে ভাবতে লাগলাম
 মিনিট ১৫ পর বোন খাট থেকে উঠল আমার বিছানার উপর রাখা ওর নীল চটিটা পায়ে পরে  ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার বুকের উপরে তুলে দিল তারপর চটি পরা ডান পা টা আমার পেটের উপরে রেখে আমাকে নিজের চটি পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে পাশের ঘরে চলে গেল! এত অপমানেও আমার একটুও খারাপ লাগল না বোনের কাছে অপমান সত্যিই কোন অজানা কারনে আমার যেন ভাল লাগতে শুরু করেছে!
-২ মিনিট পরেই বোন ঘরে ফিরে এল চটি পরা পায়ে আমার বিছানায় উঠল ও প্রথমে, তারপর চটি পরা বাঁ পা টা আবার আমার বুকের উপরে তুলে দিয়ে আমার চোখে চোখ রেখে দাঁড়াল আমি বোনকে কোন বাধা না দিয়ে ওর চটি পরা বাঁ পা টা ডান হাত দিয়ে আলতো করে নিজের বুকেওর সাথে চেপে ধরে বোন এরপর কি করে তাই দেখার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে হল না ৩০ সেকেন্ড পরেই আমার সুন্দরী বোন সিমি খাটের স্ট্যান্ডটা ধরে ওর চটি পরা ডান পা টা সোজা আমার মুখের উপরে তুলে দিল  ওর চটি পরা বাঁ পা টা এখন আমার বুকের উপরে রাখা আর ওর চটি পরা ডান পা টা আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে! আমি বিন্দুমাত্র বাধা না দিয়ে দুই হাত দিয়ে বোনের চটি পরা ডান পা টা নিজের মুখের সাথে চেপে ধরে বোনের চটির তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করলাম আমি বোনের কাছে আত্মসমর্পন করছি, সারাজীবন ওর চাকরের মতো হয়ে ও যা বলবে বিনা প্রতিবাদে আমি তাই করব, ওর চটির তলায় এই চুম্বন তারই প্রকাশ
আমি চোখ তুলে বোনের দিকে চাইলাম একবার আমার বুক আর মুখের উপরে চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে বোন হাসিমুখে ওর কাছে আমার আত্মসমর্পন দেখছে! আমি একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম বোনের চটির তলায় বোনকে আমার কেন জানিনা আমার প্রভু, কোন স্বর্গীয় দেবী বলে মনে হতে লাগল তুচ্ছ কারনে বোনের সাথে ঝগড়া করেছি বলে নিজের উপরেই রাগ হতে লাগল আমার বোনের চটির তলায় বারবার গাঢ় চুম্বন করতে করতে নিঃশব্দে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম আমি
প্রায় ৫ মিনিট বোন এইভাবে আমাকে ওর চটির তলায় চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাওয়া চালিয়ে দিতে দিল আমাকে তারপর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে পরপর ৭-৮টা লাথি মারল বোন তারপরআজ থেকে তুই আমার চাকর, মনে থাকে যেন”, বলে চটি পরা পায়েই উঠে গেল ওর খাটে আমার যেন এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যা হল এটা কি সত্যি? নাকি আমি স্বপ্ন দেখছি?
বোন খাটে উঠেই আমাকে ডাকল, “ এই গাধা, খাটে উঠে আমার পায়ের তলায় শুয়ে আমার পা টিপে দে
আমি খাটে উঠে বোনের পায়ের তলায় শুতে যেতেই বোন ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে বেশ জোরে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বল, “ লাইটটা কে অফ করবে গাধা?”
জবাবে আমি বোনের চটিরে তলায় একটা চুম্বন করে বললাম, “ সরি প্রভু
বোনকে প্রভু বলে ডাকছি বলে আর অবাক লাগল না আমার কেন জানি না মনে হতে লাগল এত সুন্দরী ছোট বোনকে প্রভু বলে ডাকতে পেরে আমার জীবন ধন্য হল!
আমি লাইট অফ করে এসে খাটে বোনের পায়ের কাছে বোনের চটি পরা পায়ের তলায় মাথা রেখে শুয়ে পরলাম প্রথমে বোনের চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওকে ভক্তিভরে প্রনাম করলাম একবার তারপর ভক্তিভরে প্রভুজ্ঞানে আমার ১১ বছর বয়সী সুন্দরী ছোট বোন সিমির  চটি পরা পা দুটো টিপতে লাগলাম আর বোন মাঝে মাঝেই ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারতে মারতে আমার সেবা নিতে লাগল
একটু পরে বোন ওর চটি পরা পা দুটো একটু ভাজ করে আমার মুখের উপরে রেখে ঘুমিয়ে পরল আর আমি আমার মুখের উপরে রাখা আমার প্রভু বোনের পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম তারপর বোনের এবা করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পরেছি খেয়াল নেই রাতে মাঝে মাঝে আধো ঘুমের মধ্যে মুখে বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খাচ্ছিলাম বুঝতে পারছিলাম আর আধো ঘুমের মধ্যেই চেষ্টা করছিলাম আমার প্রভু বোনের পা টিপে ওর সেবা করা চালিয়ে যেতে
ভোরবেলা ঘুম ভাঙল মুখের উপরে বেশ জোরে বোনের চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে তাকিয়ে দেখি সকাল সাড়ে আটটা বাজে, আর মা আমাদের ডাকতে এসেছে বোন জেগে গিয়ে আমার মুখের উপর ওর চটির তলা দুটো ঘষছে হাসিমুখে আর মাঝে মাঝে চটি পরা পায়ে আমার মুখে লাথি মারছে আমার মুখে আমকে জাগানোর জন্য মা অবাক হয়ে দেখছে আমাদের 
বোনের প্রতি ভক্তিতে আবার মন ভরে গেল আমার আমি বোনের চটি পরা দুই পায়ের তলায় একবার করে চুম্বন করে ওর কাছে ক্ষমা চাইলাম মায়ের সামনেই, উঠতে দেরী হওয়ার জন্য
বোন জবাবে হাসিমুখে আমার মুখের উপরে আবার লাথি মেরে বলল, “ আমার পা টিপে কিভাবে সারারাত আমার সেবা করেছিস মা কে দেখা
আমি হাত বাড়িয়ে আমার মুখের উপরে রাখা বোনের চটি পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম মায়ের সামনেই  আর তাই দেখে মা বললো, “ বাহ, এই তো ভাল দাদার মতো ছোট বোনের সেবা করছিস এখন থেকে এইভাবেই ছোট বোনের সাথে ঝগড়া না করে ওর সেবা করবি
জবাবে বোন ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, “ ঝগড়া করা তো দূর, ঠিক করে সেবা না করলে লাথি মেরে গাধার মুখ ভেঙ্গে দেব আমি
জবাবে আমিনিশ্চয়ই প্রভু যখন খুশি আমার মুখে এভাবে লাথি মারতে পার তুমিবলে মায়ের সামনেই ছোট বোনের চটি পরা পায়ের তলায় চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ জানালাম তারপর আবার ভক্তিভরে আমার থেকে ৩ বছরের ছোট ১১ বছর বয়সী সুন্দরী ছোট বোন সিমির চটি পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম