Sunday, 1 October 2017

অসীম...

অসীম ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের প্রতি খুব সাবমিসিভ। কিন্তু ছোট থেকেই কিছু মেয়ে তার সুযোগ নিলেও তাদের সেবা করার সুযোগ দিত না।
প্রথমে কম বয়সে তার ৪ বছরের বড় দিদি তার থেকে হাতখরচ আদায় করে নিত, নিজের কাজ ওকে দিয়ে করাত। কিন্তু চাকরের মত দিদি তাকে সেবা করার সুযোগ দেয়নি। এরপর তার বিয়ে হবে তার চেয়ে ৫ বছরের ছোট শ্রেয়ার সাথে।
বউ তার সাবমিসিভনেসের সুযোগ নিয়ে তার রোজগারে ফুর্তি করত।
অসীম দেখবে বউ তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশছে আর তাকে কাছে ঘেসতে দিচ্ছে না, তবু সে ওদের বাধা দিতে পারবে না।
ক্রমে ওর বউ আর তার বয়ফ্রেন্ডের এক মেয়ে হবে। সে কিছুটা সাবমিসিভ হল বটে, কিন্তু ঠিক এরকম সে চায়নি। বউ তাকে কথায় কথায় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবে, অপমান করবে, কিন্তু বউ বা কোন মেয়ের কাছে যেরকম ডমিনেশন সে চেয়েছিল তা পাবে না।
তার জীবনে কষ্টকর চাকরি আর স্ত্রী ও তার একাধিক বয়ফ্রেন্ডের ঘনিষ্ঠতা দেখার কষ্টের জীবনে একমাত্র আনন্দ ছিল অনলাইনে ফেমডম গল্প পড়া, ভিডিও দেখা আর ফেমডম চ্যাট। ৪৫ বছর বয়সে পৌঁছে সেরকমই এক পুরনো ফেমডম লাভার বন্ধু বিকাশকে একদিন সে কথায় কথায় বলবে তার হতাশার কথা।
বউ তার রোজগারে ফুর্তি করে, একাধিক বয়ফ্রেন্ডের সাথে সম্পর্ক রাখে, তাকে কাছে ঘেঁসতে দেয় না এগুলোও সে হাসিমুখে মেনে নিয়ে উপভোগ করতে পারত যদি শ্রেয়া তাকে অতি সামান্য বুঝত। তার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে অসীমকে ব্যবহার করার সাথে সাথে যদি সে অসীমের মনের বাসনা মত তাকে সামান্য ডমিনেট করত, তাহলে অসীমের এই জীবনে আর চাওয়ার কিছু থাকত না। কিন্তু হায়, শ্রেয়া তাকে কখনও ব্যবহারকারী যন্ত্র ছাড়া কিছু মনে করে নি, কুত্তা বা ক্রীতদাসও না!
সে মেয়েদের কাছে অপমান চায়, তাচ্ছিল্য চায়, সেই সাথে চায় তাদের কাছে ভিশন মার খেতে ও সেই কষ্ট সহ্য করে ক্রীতদাসের মত তাদের সেবা করতে। তার মনের হতাশা যত বাড়ছে, তত তার ইচ্ছা বাড়ছে আরো ভয়ানকভাবে কোন সুন্দরী মেয়ের হাতে অত্যাচারিত হতে।
সেই বন্ধু জিজ্ঞাসা করবে সে ভয়ানক অত্যাচার সহ্য করতে পারবে কিনা মেয়েদের কাছে। সে বলবে "পারব"। সেই বন্ধু তখন ওকে প্রস্তাব দেবে ফেমডম এক সিনেমায় অভিনয় করা যেখানে সে কয়েকটি মেয়ের কাছে ভয়ানক অত্যাচারিত হবে।
অসীম সানন্দে রাজি হয়ে যাবে। ক্রমে সে জানতে পারবে বিকাশ আর তার এক অনলাইন বন্ধু মিলে এক্সট্রিম ফেমডম ভিডিও বানায় আর সেইগুলো সারা পৃথিবী জুড়ে এক্সট্রিম ফেমডম লাভারদের বিক্রী করে। কিন্তু তাদের কাছে আপাতত ফেমডম মুভি বানানোর টাকা নেই।
বেপরোয়া অসীম নিজেই প্রোডিউস করতে রাজি হয়ে যাবে। গল্পের মুল চরিত্রে অভিনয় করবে অসীম(৪৫) আর ইশা(২১)ও সৃজা(১৬) বলে দুটি মেয়ে। মেয়ে দুটির পারিশ্রমিক ৩ লাখ টাকা করে। অন্যান্য সব মিলিয়ে বাজেট প্রায় ১০ লাখ টাকা। অসীম এক কথায় এত টাকা খরচ করতে রাজি হয়ে যাবে। কেনই বা সে করবে না? তার জীবনে আছে টাই বা কি?
বিকাশ আর তার বন্ধু তাকে আগেই বুঝিয়ে বলবে সিনেমাটা এক্সট্রিম ভায়োলেন্ট হবে। গল্পে সে ক্রিমিনাল। সে একজন মধ্যবয়স্ক লম্পট, ক্ষমতাবান, মদ্যপ রাজনীতিক। সুযোগ পেলেই সে কিশোরী মেয়েদের টিজ করত। নিজের মেয়ের বয়সী সৃজাকেও সে সুযোগ পেয়ে টিজ করবে একদিন। দাপুটে পুলিশ অফিসার ইশা তাকে নিজের বাড়ি থেকে তুলে আনবে। তারপর লকাপে ভয়ানক অত্যাচার করবে। সেই অত্যাচারে ইশার সঙ্গী হবে সৃজা।
অত্যাচারের দৃশ্য এডিট করা যাবে না, কারন কাস্টোমারেরা রিয়াল ভায়োলেন্স চায়। অসীমকে চামড়ার চাবুক মারার দৃশ্য, তার মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মেরে মুখ ক্ষতবিক্ষত করার দৃশ্য সবই বাস্তবে শ্যুট করতে হবে। এমনকি, সিরিয়াস কোন আঘাত থেকে দুর্ঘটনাবশত তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে শ্যুটিং করতে গিয়ে।
অসীমের মন অসীম আনন্দে লাফিয়ে ওঠে এই কথা শুনে। ইশা আর সৃজার মত দুজন কমবয়সী, ফর্শা সুন্দরী মেয়ের কাছে এইভাবে অত্যাচারিত হওয়া আর তারবদলে ওদের পায়ের তলায় নিজের সব অর্থ বিলিয়ে দেওয়ার মত আনন্দের আর কিছুই হতে পারে না তার কাছে।

Friday, 1 September 2017

প্রকাশ

প্রকাশ নামের ২৮ বছরের একটা ছেলে ভাল চাকরি করে। কিন্তু তাকে দেখতে খারাপ, তাই কোনদিন কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি তার। মেয়েদের প্রতি সে খুব দূর্বল, নিজেকে সব মেয়ের থেকে ছোট ভাবে সম্মানে। তার এই দূর্বলতার সুযোগে তার দিদি তাকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করত ছোট থেকে। ছেলেটা তাতে বাধা দিত না। ছেলেটার অবস্থা বুঝে এর সুযোগ নেবে পাশের বাড়ির এক বিধবা মহিলা ও তার দুই টিন এজ মেয়ে। ছেলেটাকে দিয়ে চাকরের মত খাটাবে, তার টাকায় শপিং করবে। এমনকি ছোট খাট কারনে ছেলেটাকে মারবে। ছেলেটা বাধা দেওয়া তো দূর, এটাকে নিজের গর্ব ভেবে ঘুরবে। মেয়েরা তার সাথে কথা বলছে এই খুশিতে সে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করবে রোজ দুইবেলা। মহিলা আর তার দুই মেয়ে প্রকাশের মাইনের ৯০% নিজেদের ইচ্ছায় খরচ করে মনের সুখে দিন কাটাতে থাকবে।
ছেলেটার বাবা মা সব বুঝে চাইবে ছেলেটাকে বিয়ে দিয়ে এসব থেকে বার করতে। এই সময় ওর দিদিও এসে ওকে আরো গভীর দাসত্বের দিকে ঠেলে দেবে। সে চায় বাবা মায়ের প্রভুত সম্পত্তি একাই পেতে। তাই সব বুঝে সে ভাইকে পাশের বাড়ির মহিলা ও তার মেয়ের মত চাকরের মত ব্যবহার করতে থাকবে। অতি যোগ্যতা ও অর্থ থাকা সত্বেও খারাপ চেহারার ছেলেটি ৪ জন মেয়ের চাকর হয়ে দিন কাটাতে থাকবে।

Tuesday, 1 August 2017

কালীনগর

কালীনগর....
সৃজিতা ক্লাস ৭ এ পড়ে, বয়স ১২। স্কুলের হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষায় বেশ খারাপ রেজাল্ট করে ভয়ে ভয়ে বাড়ি ঢুকল। ওর বাবা ভিশন রাগী, বাবাকে কি জবাব দেবে তাই ভেবে অস্থির হচ্ছিল ও। বাবা বকবে, রেজাল্টে সই না করে দিলে সে কি করবে এইসব ভাবছিল। অথচ সে কি ভাবছিল আর বাড়ি এসে কি দেখল!
তার বাবা সরকারী চাকরি করে। তাদের বাড়িতে আছে সে, তার চেয়ে ৪ বছরের বড় দাদা, আর বাবা মা। ২ বছর আগে তারা উত্তরবঙ্গের ছোট শহর কালীনগরে এসেছে তার বাবার পোস্টিং এখানে হওয়ায়।
তার বাবা অমল সৎ সরকারী কর্মচারী না, মাঝে মাঝেই ঘুষ নেয়। এইভাবে বেশ অনেক টাকা জমিয়েছে সে। অথচ অমল নিজেও এই নিয়ে মানসিক টানাপোড়েনে ভোগে মাঝে মাঝে। অপরাধবোধ পীড়া দিলে মা কালীর মন্দিরে দক্ষিনা দিয়ে বা বলী দিয়ে অপরাধবোধ কাটায় সে। আর সেই উদ্বেগ কাটাতে সে বাড়িতে ছেলে-মেয়ে-বউয়ের উপরে বেশ হম্বিতম্বি করে, বিশেষ করে মেয়ের উপরে।
সৃজিতার সাথে বাড়িতে মায়ের সম্পর্ক সবচেয়ে ভাল, দাদার সাথে মোটামুটি। মাঝে সাঝে ঝগড়া হয়, আবার ভাব হয়ে যায়। আর বাবাকে সে চিরদিনই ভয় করে চলে। আজ বাড়িতে ফিরে সে দেখল মার মুড খুব ভাল, ভিশন হাসিখুশি, যেমনটা সে কোনদিন থাকে না। সে মা শর্মীকে রেজাল্টের কথা বলতেই মা ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, " তোর জীবন পুরো বদলে গেছে রে। তোকে আর কোনদিন কাউকে ভয় করে চলতে হবে না। অন্তত তোর বাবাকে তো নয়ই।"
" কেন মা কি হয়েছে?", সৃজিতা অবাক হয়ে মাকে জিজ্ঞাসা করল।
তোর বাবা কালীনগরের জাগ্রত কালীমন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিল আজ সকালে। আমিও গিয়েছিলাম। আর কিছু এখন বলব না। বাকিটা তোর বাবা এলেই বুঝবি। একটু সাস্পেন্স থাক। এই বলে ওর মা আদর করে ওর কপালে একটা চুম্বন এঁকে দিল।
কালীনগরের কালী জাগ্রত সে এখানে এসেই শুনেছে। তবে আরো এক প্রথা এখানে প্রায় ৫০০ বছর ধরে চলে আসছে। কোন পুরুষ যদি মনে করে সে কোন বড় অপরাধ করেছে তবে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য প্রতি অমাবস্যায় কালীমন্দিরে গিয়ে মায়ের পুজো করতে থাকে মায়ের দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে। যেদিন মা দয়া করেন সেদিন সে তার পরিচিত কোন কিশোরী মেয়েকে মা কালী রুপে দেখতে পায়। তারপর সেই পুরুষকে বাকি সারাজীবন সেই কিশোরী মেয়েকেই দেবীজ্ঞানে পুজো করতে হয় মায়ের ক্ষমা পাওয়ার জন্যে কারন মা শুধু সেই মেয়ের মাধ্যমেই নাকি পুজো নিতে চান ওই পুরুষের কাছ থেকে। প্রায় ৫০০ বছর আগে কালীনগরের রাজা যুদ্ধে এক শিশুহত্যা করে অপরাধবোধে ভুগে মা কালীর চরণে যখন আশ্রয় চেয়েছিল তখন মা নাকি তাকে দেখা দিয়ে বলেছিলেন তার ১১ বছর বয়সী কন্যার মাধ্যমেই শুধু তিনি পুজো গ্রহন করবেন। সেই থেকে সেই রাজা সারাজীবন নিজের মেয়েকে দেবীজ্ঞানে পুজো করে কাটিয়ে দিয়েছিলেন।
এই প্রথা এখনও এখানে প্রচলিত এবং কালীনগরের প্রতিটা মানুষই প্রায় এতে বিশ্বাস করে। এখন শুধু একজন জীবিত মানুষই মা কালীর পুজোর মাধ্যমে এভাবে স্বপ্নাদেশ পেয়েছে বলে শুনেছে সৃজিতা। সে পাশের এক কোয়েড স্কুলের টিচার, তার বাবার মতই গুরুগম্ভীর মানুষ ছিল। তার অত্যধিক শাসন সহ্য করতে না পেরে তার একমাত্র ছেলে আত্মহত্যা করে। সেই শোকে তার স্ত্রীও মারা যায়। প্রবল অপরাধবোধে সে তখন মা কালীর মন্দিরে গিয়ে মায়ের চরনে দিনের পর দিন মাথা কুটতে থাকে। অবশেষে মা তাকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে বলে তিনি ওর অপরাধ ক্ষমা করবেন যদি বাকি জীবনটা সে তার ছাত্রী সুনন্দাকে মা কালী ভেবে ভক্তিভরে পুজো করে কাটাতে পারে। মা শুধু সুনন্দার মাধ্যমেই পুজো নেবেন তার কাছ থেকে। তাকে বাকি জীবনটা সুনন্দার দাস হয়ে কাটাতে হবে। সুনন্দার প্রতিটা আদেশ যেভাবেই হোক পালন করতে হবে।
সুনন্দা এখন ক্লাস ১১ এ পড়ে। তার বোন সোহিনী ওদের মতই ক্লাস ৭ এ পড়ে। সৃজিতা শুনেছে কোয়েড স্কুলে ওই দুই বোন সবার সামনেই তাদের স্যার অমিয়র সাথে ক্রীতদাসের মত ব্যবহার করে, জবাবে অমিয় ভক্তিভরে দেবীজ্ঞানে সেবা করে দুই বোনের। কালীনগরের মানুষের কাছে এটা অতি স্বাভাবিক ঘটনা। মা কালী স্বয়ং চান অমিয় সুনন্দার মাধ্যমে তার পুজা করুক, আর সেই সুনন্দার আদেশ তার মত একই রকম ভক্তিভরে অমিয়কে তার বোন সোহিনীরও সেবা করতে হবে। অমিয় মাসের সম্পুর্ন মাইনে দুই ছাত্রীর হাতে তুলে দেয়। তারপরে নিজের খাওয়ার জন্য মাসে ২-৩ হাজার টাকার জন্য দুই বোনের জুতোয় চুম্বন করতে করতে অনুরোধ করতে থাকে। তার দুই ছাত্রী জবাবে স্যারের মাথায় জুতো পরা পায় লাথি মারে, সবার সামনে ক্রীতদাসের মত ব্যবহার করে স্যারকে। উফ, বন্ধু প্রিয়ার কাছে এই ঘটনা শুনে সৃজিতার বেশ হিংসা হয়েছিল। ইশ, তার ভাগ্যও যদি এরকম হত!
সে বাইরের ঘরের সোফায় বসে জুতো খুলতে গেলে মা বাধা দিয়ে বলল, " জুতো খুলতে হবে না। আয়, ভিতরের ঘরে জুতো পরেই আয়"। অথচ সে জানে ভুলেও জুতো পরে ভিতরের ঘরে গেলে বাবা ভিশন রেগে যায়। সে জুতো পরেই ভিতরের ঘরে গেল আর মার যত্ন করে বানানো টিফিন খেতে লাগল স্কুলের জামা জুতো পরেই। তার মনে তখন ভিশন কৌতুহল। ঘুষ নেওয়া থেকে বাবার অপরাধবোধ, তারপরে জাগ্রত মা কালীর মন্দিরে গিয়ে মায়ের ক্ষমা প্রার্থনা পর্যন্ত সে বুঝতে পারছিল। তারপরে কি হয়েছে? সে এসবে ঠিক বিশ্বাস করে না। মানসিক উতকন্ঠা ও বিশ্বাসের মিশ্রনে তার বাবাও কি শেষ পর্যন্ত অমিয়বাবুর মত মা কালীর দর্শন ও স্বপ্নাদেশ পেয়েছে? কোন কিশোরী মেয়েকে দেবী হিসাবে পুজো করার আদেশ পেয়েছে বাবা? নিজের মেয়েকেই নয়ত? উফ, সম্ভাবনাটার কথা ভাবতেই আনন্দে তার সারা শরীর দিয়ে বিদ্যুৎ স্রোত বয়ে গেল। আর তখনই সে খেয়াল করল, বাবা এসে গেছে। আর এসেই সোজা লুটিয়ে পরেছে তার স্কুল জুতো পরা পায়ের উপরে। প্রবল ভক্তিতে তার বাবা নিজেফ মেয়ের স্কুল জুতো পরা পায়ের উপরে নিজের কপাল ঘসছে আর মাঝে মাঝেই প্রবল ভক্তিভরে চুম্বন করছে তার স্কুল জুতোর উপরে। তার মা ঠিক তার পাশে বসে হাসিমুখে নিজের স্বামীর কর্মকান্ড দেখছে হাসিমুখে।
আনন্দে সৃজিতা প্রায় পাগল হয়ে যাবে ভাবছিল। উফ, সে এক ঘন্টা আগেও এই বাবার ভয়ে কম্পিত বুকে বাড়ি ফিরেছে! আর এখন সেই বাবাই তার জুতো পরা পায়ের উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাইছে তার কাছে! এর মানে বাবা সত্যিই নির্দেশ পেয়েছে তার মাধ্যমে মা কালীর পুজো করতে। বাবা সারাজীবনই এইভাবে তাকে দেবীর মত ভক্তি দেখাবে তার মানে! সৃজিতা বাবার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা বোলাল একটু। তার বাবা তখনো ভক্তিভরে তার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপরে চুম্বন করে যাচ্ছে। এরপরে সৃজিতা ডান পা টা তুলে বেশ জোরেই লাথি মারল নিজের বাবার মাথার উপরে। " এই অমল, উঠে আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বস।"
" জ্বী দেবী", বলে অমল নিজের মেয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল।
সৃজিতা সাথে সাথে জুতো পরা দুই পা দিয়ে পরপর দুটো লাথি মারল বাবার মুখে। অবাক হয়ে দেখল, জবাবে বাবা তার জুতো পরা দুই পায়ের উপরে পরপর দুবার চুম্বন করে বলল," ধন্যবাদ দেবী, আমার মুখে লাথি মারার জন্য"।
সৃজিতা আনন্দে পাশে বসা মাকে একবার জড়িয়ে ধরে বলল, " নিজের রাগী বাবার মুখের উপরে এইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারছি, ভাবতেই দারুন মজা মা"।
ওর মা জবাবে ওর মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, " বাকি সারাজীবনই বাবা তোর ভক্ত, দাস। তুই সারাজীবনই বাবাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারিস।"
সৃজিতা ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে থাকা বাবার দুই গালে পরপর কয়েকটা থাপ্পর মারল প্রথমে। তারপর আবার আগের মত বাবার মুখের উপরে জোরে জোরে সাদা স্নিকার পরা দুই পায়ে লাথি মারতে লাগল। আর অমল মেয়ের পায়ের কাছে ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মুখের সর্বত্র মেয়ের স্কুলজুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগল। নিজের ১২ বছর মেয়ে এখন তার কাছে মায়ের অবতার। তার পরম সৌভাগ্য যে মা তার অপরাধ দূর করতে এইভাবে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে তার মুখে!

Saturday, 1 July 2017

ক্লাস মনিটর স্মৃতি...

 ক্লাস মনিটর স্মৃতি.....
রাজনগর হাই স্কুলে প্রায় ১০ বছর আমি ক্লাস ৭ এর ক্লাস টিচার আছি। কিন্তু এরকম ফার্স্ট বা সেকেন্ড হওয়া স্টুডেন্ট আমি দেখিনি। ক্লাসের ফার্স্ট বয় রাকেশ চুপচাপ, শান্তশিষ্ট, গোবেচারা, দেখতে কালো,সাধারন। আর ক্লাসের সেকেন্ড গার্ল স্মৃতি ফর্শা, অসাধারন সুন্দরী, আউটগোইং, আর ক্লাস মনিটর। আমার শিক্ষক জীবনে কোন ক্লাস মনিটরকে বাকি ক্লাসের উপর এত হুকুম চালাতে আমি আগে দেখি নি। স্মৃতি বিশেষ করে ছেলেদের উপর যথেষ্ট হুকুম চালায়, এবং বেশিরভাগ ছেলেই কোন কারনে তা মেনে নেয়। তবে সবচেয়ে বেশি ও হুকুম করে ক্লাসের ফার্স্টবয় রাকেশের উপরে। নিজে রেজাল্টে রাকেশকে হারাতে না পারার শোধ বোধহয় এইভাবে তোলে স্মৃতি। ক্রমে আমি লক্ষ্য করি রাকেশকে ক্লাসে সবার সামনে তুচ্ছ কারনে রোজ কয়েকবার থাপ্পর মারে স্মৃতি। ক্লাসের মাঝে তো বটেই, এমনকি টিফিনের সময়ও রাকেশকে টয়লেটে যাওয়ার অনুমতিও দেয়না সে। অথচ ক্লাসমেট সুন্দরী মেয়ের এই অত্যাচার বিনা তর্কে কোন অভিযোগ ছাড়াই মেনে চলে রাকেশ। ব্যাপারটা জেনে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম। রাকেশ অন্তর্মুখী, তাই সে আমাদের কাছে অভিযোগ জানাতে ভয় পায়। অথচ ওকে ডেকে সরাসরি কথা বলে বুঝলাম ব্যাপার সেটা নয়। স্মৃতির ওর উপরে করা ভয়ানক অত্যাচার নিয়ে ওর কোন অভিযোগই নেই। বরং ও যেন বোঝাতে চাইছে, সুন্দরী স্মৃতির তুলনায় সে অতি তুচ্ছ। তাই স্মৃতি তার উপরে অত্যাচার করবে এটাই স্বাভাবিক! ব্যাপারটা শুনে ভিশন অবাক লেগেছিল প্রথমে, কিন্তু এই পৃথিবীতে ভয়ানক আশ্চর্য কত কিছুই তো ঘটে।
ক্রমে বুঝলাম এই ঘটনা স্মৃতি আর রাকেশ দুজনেই আসলে উপভোগ করে। তাই আমি ঠিক করলাম ক্লাস চলাকালীন আমিও রাকেশকে স্মৃতির তুলনায় ছোট দেখিয়ে অপমান করাব স্মৃতির কাছে। রোজ প্রথমে সোজা পড়া ধরতে লাগলাম স্মৃতিকে। স্মৃতি সঠিক উত্তর দিলে ভয়ানক কঠিন কোন প্রশ্ন করতাম রাকেশকে। রাকেশ জবাব দিতে না পারলে ওকে ফার্স্ট বেঞ্চে বসা স্মৃতির পায়ের কাছে কান ধরে নিল ডাউন হয়ে থাকতে বলতাম।
এবং রাকেশের মুখের ভাবে বুঝতে পারতাম ও এতে খুশিই হয়!
ব্যাপারটা আমাকে ভারি আশ্চর্য করে তুলেছিল। কি করে একজন স্বেচ্ছায় এইভাবে সবার সামনে ক্লাসমেট এক মেয়ের কাছে অপমানিত হতে ভালবাসতে পারে? তাও ক্লাসের ফার্স্ট বয় হয়ে? আমি ক্লাস থেকে বেরনোর সময়ে বলে যেতাম ক্লাস মনিটর স্মৃতি অনুমতি দিলে তবেই নিল ডাউন থেকে উঠতে পারবে রাকেশ। কৌতুহল বসত ওদের উপরে নজর রাখতাম ক্লাসের পরেও।
ক্রমে লক্ষ্য করলাম নিল ডাউন করালে রাকেশ কান ধরে নিজের মাথা ক্রমে নিচু করতে করতে স্মৃতির জুতো পরা পায়ের ঠিক কাছে মেঝেতে ঠেকিয়ে দিচ্ছে। আর ক্লাসের মধ্যেই খুব স্বাভাবিক ভাবেই মাঝে মাঝেই রাকেশের মাথার উপরে নিজের জুতো পরা পায়ের তলা বোলাচ্ছে স্মৃতি। আমার তরফ থেকে কোন বাধা না পেয়ে স্মৃতি কয়েকদিনের মধ্যেই নিজের জুতো পরা পা সোজা রাকেশের মাথার উপরে তুলে বসে ক্লাস করতে লাগল। ক্লাসের শুরুতেই পড়া না পারার অজুহাতে আমি রোজ রাকেশকে স্মৃতির পায়ের কাছে নিল ডাউন করে দিতে লাগলাম আর রাকেশ স্বেচ্ছায় কান ধরা অবস্থায় নিজের মাথা স্মৃতির ঠিক পায়ের কাছে মেঝেতে ঠেকিয়ে নিল ডাউন হয়ে বসে থাকতে লাগল। আর ক্লাসের সেকেন্ড গার্ল ফর্শা, সুন্দরী স্মৃতি ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কালো, খারাপ চেহারার রাকেশের মাথার উপরে নিজের জুতো পরা পা দুটো রেখে ক্লাস করতে লাগল ক্লাসের সবার সামনেই। এটা ক্রমে রোজকার রুটিনে পরিনত হল।
আমার খারাপ লাগত না আর এটা। যেখানে ওরা দুজনেই এটা উপভোগ করছে সেখানে খারাপ লাগার প্রশ্নই নেই। কিন্তু কৌতুহল হত। রাকেশ কেন নিজের অপমান উপভোগ করে? এরকম কি আরো অনেক ছেলে আছে যারা সুন্দরী মেয়েদের কাছে নিজের অপমান রাকেশের মতই উপভোগ করে? আর ওদের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে শেষ হবে? ক্রমে এই সব প্রশ্নেরই উত্তর পেলাম।

Thursday, 1 June 2017

দিপক...

দিপক...

আমার নাম দিপক, এখন বয়স ২৮, পেশায় একজন চিকিতসক। ছোট থেকেই আমার মেয়েদের কাছে অপমানিত হতে, মেয়েদের সেবা করার চিন্তা করতে কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভিশন ভাল লাগত। আমার বয়স যখন মাত্র ৭-৮, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম, তখন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতাম ক্লাসের সুন্দরী মেয়েরা আমাকে অর্ডার করছে, অপমান করছে,  আমাকে দিয়ে নিজেদের সেবা করাচ্ছে। কেন যে এই স্বপ্প দেখতে এত ভাল লাগত নিজেই জানতাম না। আমার এই স্বপ্ন যে বাকি দুনিয়ার কাছে অদ্ভুত, এটা স্বীকার করা লজ্জার  সেটা সেই বয়সেই অল্প বুঝতাম। ফলে নিজে থেকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়নি কখনো। কোন মেয়েও কখনো এগিয়ে এসে নিজে থেকে আমাকে অপমান করেনি। ফলে টিন এজ পার হওয়া পর্যন্ত আমার জীবনে কোন ফেমডমের অভিজ্ঞতাই হয়নি।
আমাদের বাড়ির পরিবেশ ছিল ঠিক আমার কল্পনার বিপরীত। মা ছিল ঠিক প্রচলিত চিন্তামতে আদর্শ গৃহবধুর মত। বাড়ির বাইরে কম যেত , বাবার কথা মত চলত। আমি ছিলাম বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান।  আমার বাবা ছিল ব্যবসায়ী, পুরনো পুরুষতান্ত্রিক ধ্যানধারনায় বিশ্বাসী। আমাদের কাপড়ের ব্যবসা কয়েক পুরুষ ধরে চলে আসছিল,  বাবা আর বাবার একমাত্র ভাই মিলে ব্যবসা সামলাত।
আমার যখন ১০ বছর বয়স তখন ছোট কাকু বিয়ে করল। বিয়ের আগে আমরা সবাই আমাদের বিশাল বাড়ির একতলায় থাকতাম। বিয়ের পর কাকু আর কাকিমা দুইতলায় আলাদা থাকতে শুরু করল। কাকিমার বয়স তখন ১৮-১৯ হবে। কাকিমা প্রথম থেকেই এই বাড়ির পুরুষতান্ত্রিক নিয়ম মানতে চাইত না। শাড়ি না পরে চুড়িদার পরা, বাজার বা যেকোন প্রয়োজনে যখন খুশি কাকিমার বাইরে যাওয়া প্রথমে বাবা বা কাকু মানতে চায়নি। কিন্তু কাকিমার জোরের কাছে শেষে হার স্বীকার করতে হয়েছিল। কিন্তু কাকিমাকেই আমাদের পরিবারের সাথে এডজাস্ট করে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বেশি স্যাক্রিফাইস করতে হয়েছিল। উচ্চমাধ্যমিকের পরে আর পড়তে পারেনি,  চাকরি করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সেই ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হয়েছিল।
কাকিমাকে আমার খুব ভাল লাগত এই বিদ্রোহী মনোভাবের জন্য। সমাজে কেন শুধু পুরুষেরা নিজেদের ইচ্ছামত বাঁচবে, আর তাদের জন্য মেয়েদের নিজেদের যাবতীয় ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে তার পিছনে কোন যুক্তি খুঁজে পেতাম না আমি। আর সেই সাথে ছিল আমার মনের সেই সুপ্ত বাসনা, যার উৎস নিয়ে তখন আমার কোন ধারনা ছিল না। শুধু মেয়েদের ডমিনেট করতে দেখলে আমার ভয়ানক ভাল লাগত।
সেই ১০ বছর বয়স থেকেই আমি আমার চেয়ে ৮-৯ বছরের বড় কাকিমাকে রোজ সকালে উঠে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করতাম। স্কুলে ছুটি থাকলেই সারা সকাল  কাকিমার পাশে ঘুরঘুর করতাম কাকিমা যদি  বাড়ির কোন কাজ আমাকে করতে অর্ডার করে সেই আশায়। যেহেতু কাকিমা আমার সম্পর্কে গুরুজন সেটা কাকিমা প্রায়ই করে থাকত।  কিন্তু এর বেশি কোন মেয়ের হাতে ডমিনেটেড হওয়ার স্বপ্ন আমার টিন এজ পর্যন্ত পুরন হয়নি।
আমি পড়াশোনায় চিরদিনই ভাল ছিলাম। ১৭ বছর বয়সেই আমি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ পেয়ে গেলাম। কলেজ জীবনে পড়ালেখায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেও বাড়িতে থাকলে চেষ্টা করতাম কাকিমাকে যেভাবে হোক সাহায্য করতে আর আশায় থাকতাম যদি কাকিমা ওর মেয়ের সামনেই হুকুম করে! আমার ব্যবহারে কাকিমা চিরদিনই খুব খুশি ছিল। কাকিমা বলত তুইই এই পরিবারের একমাত্র মেধাবী ছেলে, তাই তুই বুঝিস মেয়েদের কতটা অধিকার দেওয়া উচিত, কিভাবে তাদের সব কাজে সাহায্য করা উচিত!
কাকু- কাকিমার  একমাত্র মেয়ে দিশা আমার চেয়ে প্রায় ১২ বছরের ছোট। ও ছোট থেকেই দেখে আসছে আমি বাড়ির অন্য সকলের চেয়ে ওর মাকে বেশি সম্মান দিই, সব সময়ে তার কাজ স্বেচ্ছায় করে দিয়ে তাকে খুশি করার চেষ্টা করি।
কাকিমাকে আরো সেবা করার ইচ্ছা থাকলেও মুখ ফুটে বলার সাহস হত না। কিন্তু অন্য রকম ফেমডমের স্বাদ জীবনে প্রথম তবু বাড়িতেই পেলাম আমি, দিশার কাছে। ছোট থেকেই ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া,  জুতো খুলে দেওয়া, ওর জুতো পালিশ করে দেওয়া এসব কাজ আমি নিজে থেকেই করতাম বাড়ি থাকলে। যেহেতু ও তখন অনেক ছোট, আর আমি ওর থেকে ১২ বছরের বড় দাদা, তাই এটা সবার কাছেই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এগুলো করতে পেলে আমার মনে এক ভয়ানক সুখের অনুভুতি জাগত। মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ থাকার যে স্বপ্ন আমি সারাজীবন দেখতাম তারই কিছুটা পুরন হত এতে। মনে মনে স্বপ্ন দেখতাম যেভাবেই হোক দিশা বড় হলেও ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, জুতো পালিশ করে দেওয়া গুলো আমাকে চালিয়ে যেতেই হবে। অনেক ছোট আদরের বোনের জন্য কোন দাদা এগুলো করলে অতটা অস্বাভাবিক লাগবে না, ভেবে মনে মনে আস্বস্ত হতাম। আসলে তখন কোন ধারনাই ছিল না, দিশার সেবা করার পরিমান আর কয়েক বছরের মধ্যে বাড়তে বাড়তে কোথায় গিয়ে ঠেকবে!
দিশার ছোটবেলা থেকেই আমি বাড়িতে ফ্রি থাকলেই দিশা আমাকে ওর খেলার সঙ্গী করার চেষ্টা করত। ৫-৬ বছর বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে চাইল্ডিশ গেম খেলতে কোন ১৭-১৮ বছর বয়সী ছেলেরই ভাল লাগার কথা না। কিন্তু তবু দিশা যখনই ডাকত, আমি খুশি মনে গিয়ে ওর সাথে খেলতাম। সেই খেলায় প্রথমে ডমিনেশনের কিছুই ছিল না, তবুও। আসলে দিশার মায়ের কথা শুনে চলার অভ্যাস থেকেই কিভাবে যেন ছোট্ট বোনটার সব কথা মেনে চলার অভ্যাসটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল আমার মধ্যে।
 যখন দিশা আরেকটু বড় হল তখন প্রথম এমন একটা খেলা শুরু করল যাতে আমি নিজেকে ওর কাছে ডমিনেটেড হচ্ছি ভেবে সুখ পেতাম। সেটাও যদিও চাইল্ডিশ গেমই। আমাকে ঘোড়া সাজিয়ে ও পিঠে উঠে বসত, তারপর সারা ঘরে ওকে পিঠে নিয়ে ঘুরতে হত আমাকে ঘোড়ার মত। এটা একদমই শিশুসুলভ খেলা ছিল, ও আমাকে ডমিনেট করছে এরকমও কিছু ছিল না প্রথমে। তবু বোন যখন আমার পিঠে বসে "হ্যাট ঘোড়া হ্যাট" বলে সারা ঘরে ছোটাত ওর ছোট হাতের মুঠোয় আমার চুল মুঠো করে ধরে, আমার বড্ড ভাল লাগত। কাকু বেশিরভাগ সময়ই ব্যবসার কাজে বাইরে থাকত, ফলে সাধারনত শুধু কাকিমাই থাকত ওই ঘরে এই খেলার সময়ে। কাকিমা দেখে হাসত, আর বলত " অনেক ঘোড়া চড়েছিস, এবার দাদাকে ছাড়। ওর হাটুতে ব্যাথা করবে তো।" ঘরের শক্ত সিমেন্টের মেঝেতে হাটুতে ঘসা খেয়ে সত্যিই খুব ব্যাথা করতে শুরু করত ৫ মিনিট পর থেকেই। তবু আমি বোনকে বলতাম, " তোর যতক্ষন ইচ্ছা ঘোড়া চর বোন। আমার একটুও লাগছে না।" আসলে ছোট্ট বোনের কাছে ব্যাথা পাচ্ছি এই চিন্তা আমাকে ভিশন আনন্দ দিত। ক্রমে বোনকে শেখালাম 'ঘোড়া'র চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে আর 'ঘোড়া'র সামনের পায়ে লাথি মেরে কিভাবে দিকে নিয়ন্ত্রন করতে হয়। বোন শিশুর মত মজা পেয়ে তাই করত আর আমি আনন্দ পেতাম ছোট্ট বোন মায়ের সামনে আমাকে পোষা জন্তুর মত ব্যবহার করছে ভেবে!
তবু এর বেশি কিছু বোনকে করতে  উতসাহ দেওয়ার সাহস আমি পাচ্ছিলাম না কিছুতেই। কাকিমাকে প্রনাম করা, বোনের সাথে কাকিমারও জুতো পালিশ করে দেওয়া, বোনের পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া খুলে দেওয়া ছাড়া আর বেশি কিছু সেবা করার সুযোগ পেতাম না বলে কিছুটা খারাপ লাগত। বোন ওর বয়স ১০ এ পরার আগেই আমার পিঠে উঠে ঘোড়া চড়ার খেলাও পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল।
কাকিমা চাইত বোন পূর্ন অধিকার নিয়ে এই যুগের বাকি পাঁচটা মেয়ের মত বাঁচুক, আর আমার বাবা-কাকা তাদের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার জন্য তাতে বাধা দিতে চাইত। আমি তখন অনেক বড় হয়েছি, আমি কাকিমার পাশে গিয়ে দাড়াতাম দরকার হলেই। যাতে কাকিমার মত তার মেয়েকেও নিজের সব ইচ্ছা বিসর্জন দিয়ে কম বয়সে বিয়ে করে পরের সংসার টানতে না হয়।
১০ বছর বয়স হতেই বোনের ইচ্ছা হল নাচ শেখার। আমার আর কাকিমার সমর্থনে বোন ওয়েস্টার্ন ড্যান্স শিখতে ভর্তি হল। কয়েক মাস পরেই ওর সখ হল ক্যারাটে শেখার।বাবা- কাকু আবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল "মেয়েরা ক্যারাটে শিখে কি করবে?" বলে। মা কোন বিষয়েই প্রায় মত দিত না, মেয়েদের আলাদা মত থাকতে পারে সেটা বোধহয় ভুলেই গিয়েছিল এত বছর পুরুষতান্ত্রিক পরিবেশে থেকে। কিন্তু আমার আর কাকিমার সমর্থনে বোন নাচের পাশাপাশি ক্যারাটে শিখতেও ভর্তি হল।
কিন্তু কয়েক মাস পরই সমস্যা হল বোনের। ওয়েস্টার্ন ড্যান্স আর ক্যারাটে দুটোই বেশ ফিজিক্যালি ডিম্যান্ডিং।একসাথে দুটো ও চালাতে পারছিল না। টায়ার্ড হয়ে পরছিল। সেই সাথে পায়ে ব্যথা হতে শুরু করল  ওর খুব। অথচ দুটোর একটাও ও ছাড়তে চাইছিল না।
তখন আমি সদ্য ২৩ এ পরেছি, সবে ডাক্তারি পাশ করে তখন বাড়িতেই থাকছি। বোনের বয়স ১১ এ পরতে তখন ২ মাস বাকি। একদিন আমি সন্ধ্যাবেলায় দিশাকে ক্যারাটে ক্লাস থেকে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। ও বাড়িতে ঢুকেই সোফায় হেলান দিয়ে বসে বলল, " মা খুব টায়ার্ড লাগছে। পায়েও খুব ব্যথা করছে।"
কাকিমা চিন্তিত মুখে মেয়ের পাশে এসে বসল সোফায়। তারপর মেয়ের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলল, " তুই ক্যারাটে আর নাচ দুটো একসাথে চালাতে পারবি না। যেটা বেশি ভাল লাগে  সেটা বেছে অন্যটা বাদ দিয়ে দে। নাহলে তোর শরীর নিতে পারবে না এত চাপ।"
আমি তখন বোনের পায়ের কাছে বসে বোনের পা থেকে জুতো খুলে দিচ্ছিলাম। আমি ইচ্ছা করেই জুতো খোলার সময় বোনের জুতোর তলায় হাত রেখে হাত দিয়ে জুতোর তলাটা একটু মুছে দিতাম। বোন জোর করে এটা করাচ্ছে ভেবে আনন্দ লাগত।
আমি বোনের জুতো খুলতে খুলতে শুনলাম ও নিজের মাকে একটু রাগী গলায় বলছে, " তুমিও বাবা আর জেঠুর মত বলছ মা? তুমি জান না, দুটোই আমি কত ভালবাসি শিখতে?"
বোনের কথা আর পরিস্থিতি শুনে হঠাত কিরকম একটা আশার আলো জেগে উঠল মনে। একটা প্ল্যান খেলে গেল মাথায়। কিন্তু বলব কি? বলা উচিত হবে এটা? ভাবতে লাগলাম আমি।
বোনকে রাগতে দেখে কাকিমা আরো নরম গলায় বলল, " তোর মনে হয় আমি তোর বাবা আর জেঠুর মত? ওরা তো তোকে কিছুই শিখতে দিতে চাইত না।  কত কষ্ট করে আমি আর তোর দাদা মিলে ওদের রাজি করিয়েছি তুই তো জানিসই। আমি চাই তোর যা ইচ্ছা হয় তুই কর জীবনে। কেউ যেন তোকে বাধা না দেয়। কিন্তু তোর নিজের শরীর যদি এতটা না দিতে পারে কি করবি বল? জোর করে দুটোই চালাতে গেলে তো তুই একটাও শিখতে পারবি না ঠিক করে।"
" যেভাবেই হোক, আমি দুটোই শেখা চালিয়ে যাব" - আমার বোন দিশা দৃঢ় গলায় বলল।
" সেটা পারলে তো আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম রে। কিন্তু সেটা নেওয়া তো সম্ভব হচ্ছে না তোর শরীরের পক্ষে। দেখছিস তো গত দুইমাস ধরে তুই খুব টায়ার্ড হয়ে যাচ্ছিস আর পায়ের ব্যথায় ভুগছিস। এভাবে তো তুই একটাও শিখতে পারবি না। কষ্টও পাবি। পড়াশোনারও ক্ষতি হবে তোর।" কাকিমা আবার নরম গলায় বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করল বোনকে।
আমি ততক্ষনে বোনের পা থেকে স্নিকার আর মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিয়েছি। সেই সাথে আমার কি বলা উচিত সেটাও ঠিক করে ফেলেছি সব দ্বিধা কাটিয়ে। এতে আমার সারা জীবনের একটা স্বপ্ন সফল হবে! আর তার চেয়েও বড় কথা, এতে দিশারও ভাল হবে।
" উপায় আছে কাকিমা, বোন দুটোই একসাথে শেখা চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য যা যা করতে হবে সেটা যদি তুমি আর দিশা মেনে নাও তবে।"
" কি উপায়?" কাকিমা জিজ্ঞাসা করল।
" যাই হোক, আমি সেটাই করব। আমি দুটোই চালিয়ে যেতে চাই।" বোন আবার দৃঢ় গলায় বলল।
" ওয়েস্টার্ন ড্যান্স আর ক্যারাটে, দুটো শেখার জন্য বোনের শরীরের উপর বেশি চাপ পরছে। বোনের শরীরে নিউট্রিয়েন্টের অভাব হওয়ায় ও টায়ার্ড হয়ে পরছে। এরজন্য ওকে হোয়ে প্রোটিন,  মাল্টিভিটামিন সহ আরও কয়েকটা ফুড সাপ্লিমেন্ট রোজ খেতে হবে। এতে ওর নিউট্রিয়েন্টের অভাবে ক্লান্ত হয়ে পরা বন্ধ হবে। আর ওর পায়ের মাসল ওভারওয়ার্কের ফলে ক্লান্ত হয়ে পরছে। পায়ের মাসলে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমে যাচ্ছে, ব্লাড সার্কুলেশনেও প্রব্লেম হচ্ছে, বিশেষ করে অনেকক্ষন টানা নাচ বা ক্যারাটে প্রাক্টিশ করার পরে। এর ফলেই ওর পায়ে এত ব্যথা হচ্ছে। কিন্তু বোন যদি রোজ নাচ বা ক্যারাটে প্রাক্টিশের পর আধ থেকে একঘন্টা ফুট ম্যাসেজ নেয় তাহলে ওর পায়ের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে, বেশি অক্সিজেন যাওয়ার জন্য পায়ের মাসলের ল্যাকটিক আসিডও তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে যাবে। ফলে ওর পায়ের ব্যথাও কমে যাবে।"
" সত্যি যদি তাই হয় তাহলে তো ভালই। কিন্তু রোজ ওর ফুট ম্যাসেজ করে দেবে কে?" কাকিমা জিজ্ঞাসা করল আমাকে।
" সত্যিই হবে, তুমি দেখে নিও। এটুকু আমি বুঝি, আমি ডাক্তার তুমি ভুলে যেওনা। আর ওর পা সেই টিপে দেবে যে ছোট থেকে এখনো পর্যন্ত রোজ ওকে জুতো পরিয়ে দেয়। ছোট্ট বোনের সখ মেটাতে তার দাদা এটুকু করবে না?" - আমি হাসিমুখে বললাম কাকিমাকে।
" ঠিক আছে দাদা, এখন আমার পা টিপে দে তাহলে। দেখা যাক তোর কথা সত্যি কিনা।" বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার হাঁটুর কাছে খোঁচা মেরে বলল।
উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছিল আমার! জীবনে প্রথম কোন মেয়ের পা টিপে সেবা করতে চলেছি আমি! তাও নিজের ছোট্ট খুড়তুতো বোনের, ওর মায়ের সামনেই। প্রবল আনন্দ মনে চেপে আমি বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের কোলে তুলে নিলাম।  তারপর যত্ন করে ওর দুটো পাই পালা করে টিপতে লাগলাম। যেভাবেই হোক বোনের পায়ের ব্যথা কমিয়ে দিতে হবে যতটা সম্ভব। যাতে ও নাচ আর ক্যারাটে দুটোই শেখা চালিয়ে যেতে পারে। আর আমিও বোনের চাকরের মত রোজ ওর পায়ের কাছে বসে এভাবে ওর পা টিপে দিতে পারি!
বোন নরম সোফায় গা এলিয়ে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে একবার ওর মায়ের এনে দেওয়া টিফিন খেল, তারপর আবার নরম সোফায় গা এলিয়ে হাত গুটিয়ে বসে ১২ বছরের বড় দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর আরাম নিতে লাগল।কাকিমা বোনের পাশে বসে আমার বোনের পা টেপা দেখতে লাগল।
আমি বোনের দুই পায়ের কাফ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত পালা করে টিপতে লাগলাম। একটু পরে বোন আরামে চোখ বুজে ফেলল।  ৩০ মিনিট পর বোন একবার  চোখ খুলে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, " দাদা, পায়ের ব্যথা প্রায় পুরোই কমে গেছে । এখন থেকে রোজ সন্ধ্যায় প্রাক্টিশের পর এইভাবে আমার পা টিপে দিবি তুই।"
আমি আশা করেছিলাম বোন হয়ত এবার বলবে,  আজ আর পা টিপতে হবে না। ওঠ এবার। কিন্তু না। বোন ওইটুকু  বলেই আবার চোখ বন্ধ করে ফেলল। জীবনে প্রথমবার এইভাবে বোনের পা টিপে সেবা করার ফলে আমার মন ভিশন সাবমিসিভ হয়ে উঠেছিল ততক্ষনে।  আমি বোনের পা দুটো যত্ন করে টিপতে টিপতে বলে ফেললাম, " নিশ্চয়ই বোন। ছোট্ট বোনের সেবা করা তো দাদার দায়িত্ব। এখন থেকে রোজ এইভাবে  প্রাক্টিশের পর চাকরের মত তোর পা টিপে দেব আমি।"
বলেই আমার মনে হল হয়ত একটু বেশি বলে ফেলেছি। তাই বোন আর কাকিমার দিকে তাকিয়ে এমনভাবে একটু হাসলাম যাতে মনে হয় আমি মজা করে বলেছি ওটা।
কিন্তু সত্যিই চাকরের মত বোনের সেবা করতে পেরে আমি যে কি খুশি হয়েছিলাম সেটা বলে বোঝানো সম্ভব না। বোনের হাবভাব স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছিল সেও খুব এঞ্জয় করছে আমাকে দিয়ে পা টেপানো। হয়ত তার অনেকটাই নাচ ও ক্যারাটে দুটোই ও চালিয়ে যেতে পারবে নিশ্চিত হয়ে। সেই সাথে কিছুটা বড় দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর ক্ষমতা পেয়েও। আর কাকিমাও খুব স্বাভাবিকভাবে ঠিক বোনের পাশে বসে আমার বোনের পা টিপে দেওয়া দেখছে।
আরো প্রায় ৩০ মিনিট আমি ঠিক চাকরের মত বোনের পায়ের কাছে বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের কোলে নিয়ে বসে যত্ন করে ওর পা টেপা চালিয়ে গেলাম। তারপর কাকিমা বলল, " কি রে দিশা, পায়ের ব্যথা কমল তোর?"
দিশা চোখ খুলে বলল, " হ্যাঁ মা, কিন্তু আরেকটু পা টেপাই দাদাকে দিয়ে। খুব আরাম লাগছে।"
" কাকিমা হাসি মুখে বলল," আবার কাল পা টেপাস। দিপ প্রায় একঘন্টা ধরে তোর পা টিপছে। এবার ওকে ছাড়।"
" ঠিক আছে মা। বলে দিশা আমার কোল থেকে ওর চটি পরা পা দুটো তুলে মেঝেতে রেখে বলল, " ঠিক আছে দাদা। আজকের মত আর পা টিপতে হবে না। আবার কাল পা টিপে দিস আমার।" এই বলে আমার প্রায় ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী বোন দিশা আমার দিকে চেয়ে অর্থপূর্ন একটা হাসি দিল।
আমিও " নিশ্চয়ই বোন, এখন থেকে রোজ আমি এইভাবে তোর পা টিপে দেব যাতে তোর পায়ে ব্যথা না হয়", বলে উঠে দাঁড়ালাম।
কাকিমা বলল, " তুই এবার একটু বাজার থেকে ঘুরে আয় দিপ, এই নে লিস্ট করে রেখেছি কি লাগবে। আর বোনের জন্য সাপ্লিমেন্ট কি লাগবে বললি সেসবও নিয়ে আয়। আর টাকা নিয়ে যা" বলে নিজের মানিব্যাগ খুলতে গেল।
" টাকা আবার কিসের? তোমরা কি আমার পর নাকি যে বাজারে পাঠালে টাকা দেবে?" এইবলে আমি ঘরের বাইরে পা বাড়ালাম।
আমার মন কাকিমার সামনে এতক্ষন টানা বোনের পা টিপে সেবা করতে পারার আনন্দে উদ্ভাসিত তখন। নিজের কষ্টের রোজগারের টাকায় বোন আর কাকিমার জন্য শপিং করতে যাচ্ছি চিন্তা করতে সেই আনন্দ আরো বেড়ে গেল। আমি বাজারে গিয়ে নিজের টাকায় বোন,  কাকিমা আর ওদের সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস একে একে কিনতে লাগলাম।
( চলবে)....

Monday, 1 May 2017

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

ক্লাস ৫ এ উঠে আমি একটা কো এড হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। আমি একটু লাজুক ছিলাম বলে ক্লাস ৫ এ আমার তেমন কোন বন্ধু ছিল না। স্কুলে ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পরে একদিন টিফিন পিরিয়ড চলছিল। ক্লাসের ছেলেরা বাইরে মাঠে খেলছিল। আমার তেমন বন্ধু ছিল না বলে আমি টিফিন করে লাস্ট বেঞ্চে শুয়েছিলাম। আর মেয়েরা অনেকে ক্লাসের বেঞ্চে লাফালাফি করে ধরাধরি খেলছিল। আমি চোখ বন্ধ করে শুয়েছিলাম, হঠাত বুকের উপর চাপ পরায় চোখ খুলে দেখি প্রীতি নামে একটা মেয়ে আমার বুকটা ওর জুতোর তলায় মাড়িয়ে হাই বেঞ্চে পা দিয়ে পরের বেঞ্চে চলে গেল। আর তাকে যে মেয়েটা ফলো করছিল, অঙ্গনা নামে সেই মেয়েটা আমাকে শুয়ে থাকতে দেখে অন্যদিকের বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে এই বেঞ্চে আসতে গিয়েও থেমে গেল। তারপর ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে আমার মাথায় খোঁচা মেরে বলল- এই ছেলে, আমরা এখানে খেলছি দেখছিস না। বেঞ্চ থেকে ওঠ, নাহলে বেঞ্চের বদলে তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াব আমরা।
অঙ্গনা মেয়েটা খুব ফর্শা আর সুন্দরী। ওই ১০ বছর বয়সেই আমার ওকে দেখে কিরকম মন খারাপ করত মাঝে মাঝে, ওর সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করত। 
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম,- আমার শরীর খারাপ লাগছে, তাই শুয়ে আছি। তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না। 
অঙ্গনা ওর জুতো পরা পা দিয়ে আমার গালে এবার বেশ জোরে একটা খোঁচা মেরে বলল,- আমি দেখেছি রোজ টিফিনে তুই শুয়ে থাকিস বেঞ্চে। রোজ তোর শরীর খারাপ থাকে নাকি? এখনই ওঠ ভালয় ভালয়, নাহলে আমরা তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াতে বাধ্য হব । আর তোর জামায় আর মুখের উপর যদি আমাদের জুতোর তলার ছাপ পরে যায়, তখন কিন্তু আমাদের কোন দোষ থাকবে না।
উফ, এই অপমানজনক কথাতেও যে কেন আমার এত আনন্দ হচ্ছিল বুঝতে পারছিলাম না আমি ! আমি অনেক কষ্টে মনের উত্তেজনা আর আনন্দ চেপে রেখে বললাম, - তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না।
অঙ্গনা কথা বাড়ালো না, সাথে সাথে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার মুখের উপরে তুলে দিল। আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে রাখা ওর জুতো পরা ডান পায়ে ভর দিয়ে ও ওর বাঁ পা টা বেঞ্চ থেকে তুলে আমার বুকের উপরে রাখল। তারপর ওর ডান পা টা আমার মুখ থেকে তুলে হাই বেঞ্চে রেখে বাঁ পা টাও আমার বুক থেকে তুলে সামনের লো বেঞ্চে রাখল। এমন স্বাভাবিকভাবে ও আমাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে সামনের বেঞ্চে চলে গেল যেন আমার কোন অস্তিত্ব নেই, ও আগের মতই খালি বেঞ্চ মাড়িয়ে গেল!
ক্লাসে তখন মোট ১১-১২ টা মেয়ে ছিল, সবাই ধরাধরি খেলছিল। অঙ্গনাকে ওরকম স্বাভাবিকভাবে আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে যেতে দেখে মেয়েরা সবাই হো হো করে হাসতে লাগল। তাই দেখে অঙ্গনা বলল, - ও উঠবেনা যখন, তখন আমরা ও নেই ধরে নিয়েই বেঞ্চের উপর দিয়ে দোড়াব। ও শুয়ে আছে ভাবার দরকারই নেই। যখন ব্যথা পাবে ও নিজেই উঠে যাবে।
ক্লাসের মেয়েরা সবাই দারুন মজা পেয়ে গেল। সবাই দৌড়াতে দৌড়াতে বারবার আমার দিকেই আসতে লাগল। আর আমার মুখটাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে যেতে লাগল বারাবার। মাঝে মাঝেই ওরা জুতো পরা পায়ে ইচ্ছা করে দাঁড়িয়ে পরতে লাগল আমার মুখের উপরে। ওদের জুতো পরা পায়ের চাপে আমার মুখে যন্ত্রনা হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু এত আনন্দ হচ্ছিল যে তার কাছে ওই কষ্ট কিছুই না। অঙ্গনা, প্রীতি, রাই, পৃথা,মারিয়া, সুনন্দা, নিশা, লতিফা, অনামিকা, উপাসনারা বারবার ওদের জুতো পরা পায়ের তলায় আমার মুখ, বুক মাড়িয়ে চলে যাচ্ছিল, আর আবার ফিরে এসে আমাকে ওদের জুতোর তলায় মাড়াচ্ছিল। ওদের দৌড় দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, ওরা আর ছোঁয়াছুয়ি খেলছে না, আমাকে জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়াতেই ওদের উতসাহ বেশি। মাঝে মাঝেই ওরা ওদের জুতোর তলার ধুলো কাদা আমার মুখে ঘসে পরিষ্কার করছিল, মাঝে মাঝেই আমার মুখে লাথিও মারছিল ওদের জুতো পরা পায়ে। ওরা একটু অবাক হয়েছিল আমি কেন বাধা না দিয়ে ওদের আমার উপরে অত্যাচার করা চালিয়ে যেতে দিচ্ছি ভেবে। ওদের নিজেদের মধ্যের কথা থেকে বুঝতে পেরেছিলাম ওরা ভাবছে আমি দেখাতে চাইছি আমি কত বীর, আমার কত সহ্য ক্ষমতা। তাই ওরা আরো জোরে জুতো পরা পায়ে লাফিয়ে পরছিল আমার মুখে, আরো জোরে লাথি মারছিল আমার মুখে। আমার ভিশন ব্যথা লাগছিল, কিন্তু তা স্বত্তেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছিলাম। মনের মধ্যে কিরকম ভক্তি জেগে উঠছিল আমার উপর অত্যাচার করতে থাকা সুন্দরী ক্লাসমেটদের প্রতি। মনে মনে ভাবছিলাম ওরা যদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেরেও ফেলে তাও আমি ওদের বাধা দেব না।
ওরা আশা করেছিল একটু পরেই আমার বীরত্ব থেমে যাবে, আমি উঠে পরব সহ্য করতে না পেরে। কিন্তু ওদের কোন ধারনাই ছিল না ওদের হাতে অত্যাচারিত হতে কত ভাল লাগছে আমার। আমি চুপচাপ শুয়ে থেকে মেয়েদের আমাকে জুতো পরা পায়ে ট্রেম্পল করা আর লাথি মারা চালিয়ে যেতে দিলাম। সেদিন প্রায় ৩০ মিনিট ওরা আমাকে এইভাবে ট্রেম্পল করেছিল। 
সেই শুরু। এরপর রোজই টিফিন টাইমে ওরা আমাকে একইভাবে ট্রেম্পল করতে লাগল,জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল আমার মুখে। ক্রমে ওরা বুঝতে পারল ওদের প্রতি আমার ভক্তিটা। ওরা আমাকে মারলে আমি যে সেটা এঞ্জয় করি, ওদের সেবা করতে যে আমার ভাল লাগে সেটা ওরা ক্রমে ধরতে পারল। এরপর স্কুলে নির্দিধায় আমাকে হুকুম করত আমার ক্লাসের মেয়েরা। আর আমি দাসের মত উতসাহ নিয়ে পালন করতাম আমার প্রভু সুন্দরী ক্লাসমেটদের আদেশ। ক্রমে ওরা আমাকে মারার জন্য আর আমাকে দিয়ে সেবা করানোর জন্য আরো অনেক গেম বানিয়েছিল। সেগুলো যেমন আমার প্রভুরা এঞ্জয় করত, তেমনই আমিও করতাম। উফ, স্কুলের দিনগুলো সত্যিই কি দারুন ছিল!

Saturday, 1 April 2017

মায়া আর পৃথা

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

সকালবেলা আমি নিজের ঘরে বল নিয়ে খেলছিলাম । তখন আমার ক্লাস ১১ । সেদিন ঘরে বাবা , মা কেউ ছিল না । আমি ছিলাম , আর পাশের ঘরে বোন ওর বান্ধবী মায়ার সাথে খেলছিল । খেলতে খেলতে বল চলে গেল খাটের তলায় । বক্স খাটের তলায় বল আনতে ঢুকে আমার দেহ আটকে গেল । আমি কিছুতেই বেরতে পারছিলাম না । হঠাত ঘরে ঢুকল আমার ১৩ বছর বয়সী বোন পৃথা আর ওর বান্ধবী মায়া ।
আমাকে এই অবস্থায় দেখে ওরা হো হো করে হাসতে লাগল । মায়া বলল , ‘চল , ওকে নিয়ে মজা করি এই বলে মায়া উঠে দাঁড়াল আমার বুকে ।
মায়া আর পৃথা দুজনেরই পায়ে স্নিকার পরা । মায়া আমার বুকে উঠে দাড়াতে পৃথা আমার মাথার পাশে দাড়িয়ে জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর রেখে আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল ।
আমার ভীশন ভাল লাগতে লাগল । তবু মুখে বললাম , প্লিজ এরকম করিস না তোরা, আমাকে বের কর বাইরে 
বোন বলল , – বের করব , যদি আমরা যা বলব তাই করিস তবে ।
আমি নিজে থেকেই প্রিথার জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম  তোরা যা বলবি তাই করব । শুধু আমাকে বের কর এখান থেকে ।
আমার কথা শুনে পৃথা আমার মুখে জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে লাফাতে লাগল । আর মায়া লাফাতে লাগল আমার বুকে ।
তারপর পৃথা আমার মুখে জুতোর তলা চেপে ধরে বলল  আমার জুতোর তলায় চুমু খা ।
আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ।
তারপর পৃথা আমার মুখে লাথি মেরে বলল  এবার তোর জিভটা বার করে দে ।
আমি তাই করলাম । আমার বার করা জিভের উপর বোন প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
আমি জিভ টা মুখে ঢুকিয়ে বোনের জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে ফেললাম । তারপর মায়া উঠে দাড়াল আমার মুখে । ও একইভাবে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
মায়া এরপর জুতো খুলে ওর মোজা পরা পায়ে আমার মুখের উপর দাড়াল । আমি প্রাণভরে আমার প্রভু মায়ার মোজার গন্ধ শুঁকতে লাগলাম ।
মায়া এরপর ওর মজার তলা আমার ঠোঁটের উপর রেখে অর্ডার করল, “ চাট কুত্তা ”.
আমিও মন্ত্রমুগ্ধর মতো চাটতে লাগলাম। কতক্ষন চেটেছিলাম ঠিক জানিনা,অন্তত ২০ মিনিট । সম্বিত ফিরলো বোনের কথায়,’এবার আমার পালা   রাই ( মায়া) উঠে বোনকে সুযোগ দিল। বোন ওর জুতো মোজা খুলে খালি পায়ের তলা আমার মুখের উপর রেখে হুকুম করল, “ চাট দাদা ”.আমি হৃদয়ের সমস্থ ভালোবাসা উজাড় করে চাটতে লাগলাম বোনের খালি পায়ের তলা। ওর পায়ের তলার ধুলো আমার অমৃত মনে হচ্ছিলো। কতক্ষনও চাটাত জানিনা,তবে মিনিট পাঁচেক পরে গেটে  আওয়াজ হল,বোধহয় মা ফিরে এসেছে। মাকে আমার পরিত্রাতা মনে হলনা,মনে হল মা  এখন না এলেই ভাল হত। ওরা তাড়াতাড়ি আমাকে টেনে কিছুটা বার করল , তারপর  বাই বাই রনি বলে  ওরা দুজন  চলে গেল।আমি  কষ্ট করে বেরিয়ে এলাম খাটের তলা থেকে।

সেদিন সারা দুপুরটা যেন এক অদ্ভুত নেশায় কাটলো। মায়া আর পৃথা আমাকে সেই সুখ দিয়েছিল যা ছাড়া আমি আর কিছু চাইনি। আমার সারা জীবনের একমাত্র স্বপ্ন হল কোন মেয়ের হাতে  অপমানিত হয়ে  তাদের হুকুম তামিল করা। কোন মেয়ের জুতোর তলা কুকুরের মত চাটা আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল। আর আজ,আমি নিজের বোন আর তার বান্ধবীর হুকুমে পোশা কুকুরের মতো ওদের জুতোর তলা চাটলাম !
  বিকেলে মা আবার মার্কেট করতে বেরল।বোন সেই দুপুরে বেরিয়ে গেছিল মায়ার সাথে।বিকেল ৫  টায় ও ঘরে ঢুকল, একা। ও ওর চাবি দিয়ে গেট খুলে ঢুকেছিল,আমি উঠিনি। আমি বসার ঘরে মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম।  ও ফিরে এসে এই ঘরেই ঢুকল, আর, আমার মুখটা ডান পা দিয়ে মাড়িয়ে বাথরুম এ চলে গেল !! ওর জুতোর তলার ময়লা আমার মুখে লেগে গেছে,বেশ বুঝতে পারলাম। ফিরে এসে  ও একটা চেয়ার এনে আমার সামনে বসল,আমার হাত থেকে রিমোটটানিয়ে নিজের পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল তারপর,ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে তুলে দিল।প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে গেল।  বোন ওর ডান পা টা রেখেছিল আমার মুখের উপর,আর বা পা টা কপালে। ও ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘসতে লাগলো।
একটু পরে ও আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল পা টিপে দে আমার”.আমি নিজের বোনের পা টিপতে লাগলাম আর  ও নিজের দাদার সারা মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগলো।একটু পরে অ হুকুম করলও,’ জিভ বের কর  আমি জানতাম  ও কেন বলছে,আমি জিভ বার করে দিলাম। আর আমার বোন আমার বার করা জিভে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার করল,তারপর ডান জুতোর তলা । তারপরও  জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখে টিভি দেখে চলল।আমি আমার প্রভু,আমার দেবীর পা টিপে চললাম, যে জন্মসূত্রে আমার বোন হয় !!!! 
আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপে যাচ্ছিলাম। আমি ভীশন মন দিয়ে বোনের পা টিপছিলাম,  ওকে খুশি করা ছারা আর কিছু ভাবছিলাম না আমি। আমার বন্ধুরা সবাই মাঠে ফুটবল খেলছে এখন। আর আমি ঘরে বসে নিজের বোনের পা  টিপছি? বসেও না, শুয়ে ! আর আমার বোন ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখেছে ! যতই নিজের অবস্থা সম্পর্কে ভাবছিলাম, কি এক অদ্ভুত আনন্দে মন ভরে উঠছিল আমার। আর আমি আরো মন দিয়ে টিপছিলাম আমার বোন,আমার প্রভু, পৃথার পা দুটো । আর পৃথা টিভি দেখতে দেখতে আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘসে চলেছিল।
 ওর জুতোর তলা অবশ্য ও আমার মুখে আর জিভে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলেছিল । আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘষার ফলে বরং আমার মুখ থেকে ময়লা ওর জুতোর তলায় লেগে যাচ্চিলো। আমি মাঝে মাঝে তাই জিভ বার করে ওর জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিচ্ছিলাম। এভাবে কতক্ষনকেটেছিল হিসেব রাখিনি। ঘর ভাঙল কলিং বেল এর আওয়াজে । পৃথা আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, “যা, দরজা খুলে দিয়ে আয়। আমি অবাক হয়ে ওর দিকে চাইলাম।ওর পায়ের তলা থেকে উঠে বললাম, “কিন্তু আমার মুখ যে তোমার জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, মা সব বুঝে  যাবে যে?”  
পৃথা মিষ্টি হেসে বলল ,” সে আমি বুঝব কি বলতে হবে। আর আজ থেকে তুই আমার চাকর। আমার কোন হুকুম অমান্য করবি না যা মা বাইরে থেকে একবার দরজা খোলার জন্য তাড়া দিল। আমি বোনের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলাম একবার। তারপর উঠে গেলাম দরজা খুলতে। দরজাটাখুলেই আমি ভেতরের ঘরে চলে এলাম। আশা করেছিলাম মা আমার মুখ দেখার আগেই আমি মুখ ধুয়ে ফেলব।

কিন্তু মা দেখতে পেয়ে গেল। অবাক হয়ে বলল, “কি রে, তোর মুখে  এত ময়লা কেন? কি করছিলি?” আমি কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না,পাশ থেকে বোন বলল, “ ও খেলতে গিয়েছিল, এখুনি ফিরলো মা। আমি বোনের কথাটা ধরে নিয়ে বললাম,হাত পা ধুচ্ছিলাম, মুখ ধোয়ার আগেই তুমি চলে এলে। মা আমার দিকে তাকিয়ে রাগ মেশান গলায় বলল, “ মাধ্যমিক হয়ে গেছে বলে কি সারাদিন খেলে বেড়াবি? পরা শুরু করতে পারছিস না?” আমি মাথা নিচু করে বললাম, “সরিমা ”, তারপর মুখ ধুতে লাগলাম বেসিনে । মা বোনের দিকে ফিরে বলল, “আর তুই ঘরের মধ্যে জুতো পরে বসে আছিস কেন? ঘরে ঢোকার সময় জুতো খুলতে পারিস না?”
 বোন বলল, “ মা, জুতোর ফিতাটা খুলছে না, ফাস পরে গেছে। তাই ভাবলাম দাদা ফিরলে খুলিয়ে নেব। আর আমার জুতোর তলা একদম পরিষ্কার। দাদার মুখ বা জিভের থেকেও বেশি। বলে জুতো তুলে তলাটা দেখাল মাকে। আমার মুখ ধোয়া হয়ে গেলে বোন আমার দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, “দাদা, আমার জুতোর ফিতাটা খুলতে পারছিনা, ফাস লেগে গেছে। তুই একটু খুলে দিবি প্লিজ ?” আমি কিছু বললাম না মুখে ,বোনের পায়ের কাছে বসে ওর জুতো পরা পা দুটো কলে তুলে নিলাম। মা তখন এই ঘরেই খাটে বসে আমাদের দেখছে। আমার দারুন ভাল লাগছিল মার সামনে বোনের জুতো খুলে দেব ভাবতে। কিন্তু   এত সহজে জুতো খুলে দিতে ইচ্ছা করল না। আমি বোনের জুতোর ফিতেয় হাত দিয়ে এমন ভাব করতে লাগলাম যেন চেষ্টা করেও খুলতে পারছি না। চেষ্টা করার নামে বরং গিট ফেলে দিলাম ওর জুতোর ফিতেয়। তারপর মুখ উপরে তুলে বললাম, “খুলছে না তো রে বোন,কি করব ?” ও বলল ভাল করে চেষ্টা কর দাদা, ঠিক খুলবে।
আমি চেষ্টা করার নামে ওর জুতো পরা ডান পা তাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরেছিলাম এক হাত দিয়ে, আর অন্য হাত দিয়ে চেষ্টা করছিলাম ফিতে খোলার। কিছুক্ষন চেষ্টা করার ভাণ করে ওকে বললাম, “খুলছে না, ফিতাটা কেটে দেব?”

 বোন বলল, “না না, ফিতে কেটে দিলে জুতো পরব কি করে এরপর?” তারপর মিষ্টি হেসে বলল, “দাঁত দিয়ে একবার ট্রাই কর না, লক্ষ্মী দাদা আমার। আমি একবার মায়ের দিকে তাকালাম । মা আমাদের দেখছে , কিন্তু কিছু বলল না। বোন আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে ওর জুতো পরা ডান পাটা আমার কাঁধের উপর রাখলো। ওর জুতোর টো টা আমার বা কাঁধের উপর রাখলো ও, আর আমি ডান হাতটাওর জুতোর হিলের তলায় রেখে দাঁত দিয়ে ওর জুতোর ফিতে খোলার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমি ভাবতেই পারছিলাম না, মায়ের সামনে আমি নিজের বোনের জুতোর ফিতে দাঁত দিয়ে খুলছিলাম !! বেশ সময় নিলাম খুলতে আমি, ডান জুতোর ফিতে খুলে দিতে বোন বাঁ পা টাও তুলে দিল আমার ডান কাধে। আমি ওর বাঁ জুতোর ফিতেয় দাঁত দিয়ে খুলে দিলাম। বোন ওর সুন্দর মুখটা হাসিতে ভরিয়ে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউদাদা।”, তাঁরপর ওর পা দুটো আমার কোলের উপর নামিয়ে রাখলো। আমি ওর জুতো দুটো ওর পা থেকে খুলে দিলাম, তারপর মোজাও খুলে দিলাম। কয়েক সেকেন্ড এর জন্য ওর পা টিপে দিলাম। বোন আবার মিষ্টি হেসে নরম গলায় বলল,” দাদা, আমার জুতো দুটো রেখে আমার ঘরের পরার চটিটা এনে দিবি please? আমি খুব টায়ার্ড। আমি বিনা প্রতিবাদে বোনের আদেশ পালন করলাম।
বিকেলের টিফিনসেরে বোন ওর ঘরে ঢুকল। আমিও ওকে অনুসরন করলাম।ওর ঘরের দরজা ভিজিয়ে দিয়ে ওর চটি পরা পায়ের উপর উপুর হয়ে শুয়ে পড়লাম আমি। ওর চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের উপর রেখে পাগলের মত ওর দুই পায়ের উপর চুম্বন করে চললাম। ও উঠে দাড়াল আমার হাতের উপরে। আমার ব্যাথা লাগছিল হাতে, তবু আমি চুম্বন করা চালিয়ে গেলাম। ওর পায়ে একটা করে চুমু খাচ্ছিলাম, আর আমার মুখ থেকে ওর প্রতি  প্রভু, ঈশ্বর ,ভগবান ,দেবী এরকম একটা সম্ম্বোধন বেরিয়ে আসছিল, তাঁরপর আবার একই রকম আগ্রহে ওর অন্য পায়ে চুমু খাচ্ছিলাম। কিছুক্ষন পর বোন খাটে বসে পরলো আবার। ওর ডান পাটা তুলে আমার মাথার উপর ওর চটির তলাটা ঘসে আমাকে আদর করতে লাগল। আর আমি ওর বাঁ পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে ঘসতে একটানা বলে চললাম, “প্রভু, ঈশ্বর,ভগবান, দেবী ইত্যাদি। একটু পরে পৃথা বলল, “দাদা সোজা হয়ে শো। আমি সোজা হয়ে শুতে  বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপর রাখলো, ডান পাটা ঠোঁটের উপর, আর বাঁ পাটাকপালে। আমি ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। বোন হেসে বলল, “তুই খুব বাধ্য ছেলে হয়ে গেছিস দাদা।”. আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বললাম,” হ্যাঁ প্রভু। আজ থেকে তুমি আর মায়াই আমার প্রভু , আমার ভগবান । তোমরা যা বলবে তাই শুনব , তাই করব আমি প্রভু