Monday, 1 January 2018

দিদির ক্রীতদাস...

দিদির ক্রীতদাস...
গল্পের চরিত্র:
মূল চরিত্র ও তাদের বর্তমান বয়স:
১. লেখক - অনুপম (৩০)
২. অনুপমের দিদি, পৃথা(৩২)
৩. অনুপম ও পৃথার বাবা, অমল (৫৭)
৪. পৃথার মেয়ে, সৃজিতা (৯)
৫. পৃথা ও অনুপমের প্রতিবেশী বোন, স্মৃতি ( ১৬) ও তিয়াশা (১৫).
৬. পৃথা ও অনুপমের প্রাক্তন দ্বিতীয় বাড়িওয়ালার মেয়ে, অন্মেষা (২৫) ও নিধি (২৯)
কিছু গুরুত্বপুর্ন অন্য চরিত্র:
৭. অনুপমের প্রাক্তন ক্লাসমেট, সোহিনী (৩০)
৮. অনুপমদের প্রাক্তন প্রথম বাড়িওয়ালার মেয়ে অনামিকা (২৬)
৯. স্মৃতির মা, প্রীতি (৩৫)
আমি যখন খুব ছোট , মাত্র ৩ বছর বয়স তখন আমার মা মারা যায়। যখন আমার বয়স ৬ তখন বাবার বদলি হওয়ায় এক নতুন শহরে আসি।
বাবা চাকরির জন্য বাইরে থাকত । আমার দিনের বেশিরভাগ সময় কাটত দিদির সাথে।
দিদি আড়াই বছরের বড় হওয়ায় বাবা দিদির কথা শুনে চলতে বলত আমাকে ।
এই সময় প্রথম আমার মাথায় ফেমডম বা মেয়েরা সুপিরিয়ার এই চিন্তা ঢোকে দিদির কিছু কথায়। দিদি পাশের বাড়ির এক ওর বয়সী মেয়ের সাথে আড্ডা দিত । আড্ডা দিতে দিতে পুজোর আগে একদিন ছেলে বনাম মেয়ে নিয়ে কথা উঠেছিল কোন কারনে । দিদি বলল, মেয়েরা বেস্ট ভাই। দেখেছিস অসুর কিরকম দূর্গার কাছে হেরে দূর্গার পায়ের কাছে পরে থাকে। শিবও পরে থাকে কালীর পায়ের নিচে।
আমার অসহয়তা, আমার নিজের ইনফিরিয়রিটি আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসার প্রতিবর্ত প্রচেষ্টা সম্ভবত আমাকে ফেমডম লাইক করতে সাহায্য করেছিল। আমার সবচেয়ে অসহায় লাগত বাবা নতুন জায়গায় এসে আমার ঘর থেকে বেরনো বন্ধ করে দিয়েছিল পুরো। যেখানে দিদি বেরতো আর মেয়েদের সাথে মিশত । আমাকে মাঠে খেলতে যেতে দিত না বলে খুব অসহায় লাগত।
এখন বুঝি, সিংগল পেরেন্ট বাবার এছাড়া আর কিছু করার ছিল না। আমাদের এলাকাটা খারাপ ছিল। সমবয়সী ছেলেদের সাথে মিশে আমারও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেটা ঠেকাতেই বাবা এটা করত । যেমন আমাদের পাশের বাড়ির একটা ছেলে , নিজে হাতে খুন করেছিল । এদের থেকে বাচাতে আমার বাইরে বেরনো বন্ধ করেছিল বাবা। মেয়েদের নিয়ে এই হিংসা , মারামারির ভয় নেই বলে বাবা দিদির বাইরে বেরন নিয়ে কিছু বলত না।
কিন্তু দিদি ব্যাপারটা এভাবে বলত, মেয়েরা ভাল, ছেলেরা খারাপ। তাই বাবা ছেলেদের সাথে মিশতে বারন করে। এই ভুল ব্যাখ্যাও আমাকে মেয়েরা সুপিরিয়ার এই চিন্তা করতে বাধ্য করেছিল। আর আমার খেলতে না পারার কস্ট থেকে ডিফেন্স মেকানিসম আমাকে বাচাতে মেয়েরা সুপিরিয়ার এটা ভাবতে ও সেটা এঞ্জয় করাতে শুরু করে আসতে আসতে।
আমার প্রথম সামান্য অভিজ্ঞতা প্অন্মেষামারি স্কুলে। মেয়েটির নাম ছিল সোহিনী।খেলাচ্ছল
ে ওর হাতে সামান্য ডমিনেটেড হই কয়েকদিন।
এমনকি ছেলেরা বেঞ্চ ভাঙ্গায় শাস্তি স্বরুপ আন্টি এক সপ্তাহ সব ছেলেকে মেঝেতে বসতে বাধ্য করত । আর কোন ছেলেই ওই সপ্তাহে স্কুলে না গেলেও আমি রোজ স্কুল গিয়ে বেঞ্চে বসা সোহিনীর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে ক্লাস করেছিলাম।
আমি যখন ক্লাস ৫ এ উঠলাম, তার কিছুদিন আগে থেকে দিদির পায়ে ব্যাথা হত। তো নিউরোলজিস্ট দেখে ওষুধ দেওয়ার সাথে সাথে বলল রেগুলার ফুট মেসেজ নিলে ভাল হয়। আর কিছুদিন পর থেকে রেগুলার স্পোর্টস এক্টিভিটিতে যোগ দিলে।
দিদি সেই সুযোগে রোজ বিকেলে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে শুরু করল। আমাকে তো বিকেলে বাড়ি থেকে বেরোতেই দিত না । এই সময় থেকে রোজ বিকেলে দিদির পা টিপতে হত।
দিদি স্কুল থেকে ফিরলেই আমাকে দিদির জুতো মোজা খুলে দিয়ে চেয়ারে বসা দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে বসে দিদির পা টিপতে হত। দিদি ওর বান্ধবীদের সাথে গল্প করতে করতে বা টিভি দেখতে দেখতে আমাকে দিয়ে পা টেপাত রোজ।
ব্যাপারটা শুরু হওয়ার পর দিদি কখনো বলেনি ব্যাথা সেরে গেছে। আমিও সেভাবে বাধা দিইনি।
এই সময়ে ছুটির দিনে বাবাও দিদির পা টিপে দিয়েছে কয়েকদিন।
আমি সেভাবে কখনও বাধা দিইনি। আসলে আমি বাইরে খেলতে যেতে চাইতাম যেকোন বাচ্চার মতো। যেহেতু সেটা পারতাম না, মনে এক দারুন চাপ সৃষ্টি হত। মেয়েরা সুপিরিয়ার , দিদির সেবা করা আমার কর্তব্য, এই ধরনের চিন্তা সেই চাপ দূর করতে সাহায্য করত। একে বলে ডিফেন্স মেকানিজম।
এইভাবে চলতে লাগল। প্রথম বছর, মানে যখন আমি ৫ এ আর দিদি ৮ এ পরে, সেই পুরো বছরটাই প্রায় এভাবে চলল।
পরের বছর দিদি টেনিস ক্লাবে ভর্তি হল। এলাকায় অনেক ছেলে খেলা শিখতে যায়, কোন মেয়ে যায় না। আমাদের স্কুলেও অনেক ছেলে ক্রিকেট কোচিং নিত। আমিও বাবাকে বললাম আমিও শিখব।
কোন অজ্ঞাত কারনে বাবা দিদিকে টেনিসে ভর্তি করলেও আমাকে করল না। বোধহয় আমি পড়াশোনায় তখন দিদির চেয়ে অমনযোগী ছিলাম বলে। অবশ্য বাবা যে সত্যিই মেয়েদের ছেলেদের থেকে বেশি সুযোগ সুবিধা দেওয়ায় বিশ্বাসী সেটা অনেক পরে বুঝেছিলাম।
এটাও আমার মনে খুব চাপ সৃস্টি করে। এই বাড়িতে দিদি সব পায়, আমি কিছু পাই না।
তবে আশ্চর্যভাবে, আমার এতে দিদির প্রতি রাগ হওয়ার বদলে ভক্তি বেড়ে গেল। সেই ডিফেন্স মেকানিসমের খেলা, যে চাপ সহ্য করতে না পেরে এটা এঞ্জয় করতে শিখেছিল। দিদি আমার চেয়ে সুপিরিয়ার এটা ভেবে আরও আনন্দ পেতে লাগলাম । রোজ দিদির পা টেপার সময় আরও মন দিয়ে টিপতাম। নিজেকে দিদির চাকর ভেবেও আনন্দ পেতাম।
কিছুদিন পর দিদি বলল, ভাই বিকেলে বাড়ি থেকে কি করবে? আমার সাথে টেনিস ক্লাবে যাক। আমি আনন্দ পেলাম শুনে। গিয়ে বুঝলাম ওই কোর্টে শুধু মেয়েরা খেলে । দিদি আমাকে ওর ব্যাগ ক্যারি করা, তোয়ালে এগিয়ে দেওয়া এসবের জন্য নিয়ে গিয়েছিল।
দিদির আমাকে এভাবে অনেকটা চাকরের মতো ব্যবহার করাতেও আমি কিছু মনে করিনি। বরং বাড়ি ফিরে আরও মন দিয়ে দিদির জুতো খুলে পা টিপতাম। জুতো পালিশ করে দিতাম।
এভাবে আরও কিছুদিন কাটল। আমি ক্লাস ৮ এ উঠতে অন্মেষাদের বাড়ি ভাড়া নিয়ে গেলাম।
তবে এর মাঝে আরেকটা মেয়ের হাতে সামান্য ডমিনেট হয়েছি। সে আমাদের আগের বাড়িওয়ালার মেয়ে অনামিকা। তবে সেটা পুরোটাই খেলাচ্ছলে। ও পুলিশ হত, আমি চোর। ও আমাকে থানায় ধরে মারত। বা ও রানি হত , আমি চাকর। ওর অল্প সেবা করতাম, এই টাইপের চাইল্ডিশ গেম।
আমার বয়স তখন ১৩ । বুঝতেই পারছ বয়সন্ধি।
এই সময় ২ টো বিষয়ে খুব দুঃখ পাই। একটা খেলা, আমার খুব প্রিয় জিনিস। অন্যটা অন্মেষায়ের দিদিকে ভাল লাগা থেকে।
আমাদের স্কুল ফুটবল টিমের ট্রায়ালে ভাল খেলে আমি টিমে চান্স পাই। মেইন টুর্নামেন্টে বুট পরে খেলতে হবে । কিন্তু বাবা সেটা কিনে দিল না বলে আমি বাদ চলে যাই । ভয়ানক দুঃখ পেয়েছিলাম। বন্ধুদের সাথে বাইরে গিয়ে স্কুলের হয়ে খেলার সুযোগ আবার মিস হওয়ায়।
ওদিকে অন্মেষায়ের দিদিকে আমার একটু একটু ভাল লাগত।আমি ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াতে চাইতাম । কিন্তু ও এসে রোজই দেখত আমি দিদির পায়ের কাছে বসে দিদির চটি পরা পা দুটো কোলে নিয়ে মন দিয়ে দিদির পা টিপছি।
মাঝে মাঝে মনে হত দিদিকে বলি, অন্তত ওর সামনে পা টিপিওনা । কিন্তু সাহস হত না ।
আর দিদি কেন কে জানে, ওর সামনেই আমাকে বেশি হুকুম করে আনন্দ পেত।
দিদির কোন আদেশ আমি ছোট থেকেই প্রায় অমান্য করিনি। আর এমনিতে দিদি যা আদেশ করত তার চেয়ে অন্মেষা আর ওর দিদির সামনে অনেক বেশি করত।
অন্মেষা তখন অনেক ছোট। ৮ বছর বয়স । আর ও কোন কারনে মারতে ভাল বাসত। মাঝে মাঝেই আমাকে বা পাড়ার অন্য কয়েকজনকে চড় ঘুশি মারত। অন্যরা বাধা দিলেও আমি কোন বাধাই দিতাম না ওকে।
একদিন দিদির পা কোলে নিয়ে আমি দিদির পা টিপছি। অন্মেষায়ের দিদি নিধি পাশে আরেকটা চেয়ার নিয়ে বসে আছে । অন্মেষাও আরেকটা চেয়ার নিয়ে আমার পিছনে বসল। তারপর আমার কাধে ওর চটি পড়া পা দুটো তুলে দিল। আমার কি যে হল, একবারও বাধা দিলাম না। মন দিয়ে দিদির পা টিপে যেতে লাগলাম।
এরপর অন্মেষায়ের দিদির সাথে কি করে বন্ধুত্ব করি?
কিছুই হল না । কিছুদিন পর শুনি নিধি ওর চেয়ে অনেক বড় একটা ছেলের সাথেও কমিটেড।
অন্মেষা এরপরও আমাকে অনেক ডমিনেট করেছে । বেশিরভাগ অবশ্য যখন আর কেউ ঘরে ছিল না।
এসে সরাসরি বলত, দাদা আস, তোমাকে মারব। আমি গিয়ে মেঝেতে বসতে চড় থাপ্পর লাথি মারতে লাগত।
লাথিও মেরেছে অনেক। জীবনে প্রথম মুখের উপর জুতো পড়া পায়ের স্পর্শ পাই ওরই।
অন্মেষা তখন ক্লাস ৩ । অনেক ছোট। আমি তখন ক্লাস ৮।
এখনও ওর কাজিন দাদার কথার রিপ্লাইতে ওকে ফেবুতে লিখতে দেখি- দাদা, মারব কিন্তু!!
ওই বয়সে ওর কাছে অনেক মার খেয়েছি, অনেক। ও অত ছোট বলেই কেউ দেখলেও সিরিয়াসলি নিত না ।
ও ভয়ানক ডমিনেটিং ছিল, আর মারতে সেরকম ভালবাসত।
আর সেই সাথে ওকে সেই বছরই দূর্গা পুজার সময় কুমারী দেবী হিসাবে রামকৃষ্ণ মঠে পুজা করা হয়েছিল। এটা ও অনেক সুপিরিয়ার, দেবী ইত্যাদি ভাবতে বাধ্য করেছিল আমাকে।
ওদের বাড়িতে মোট দুই বছর ভাড়া ছিলাম । ওই ২ বছর অন্মেষায়ের হাতে অনেক মার খেয়েছি। অনেক।
এরপর আমরা নতুন বাসায় আসার পর ও ৩-৪ বার এসেছিল। আমি ৩০ বছরে পরার আগেশেষ ওর হাতে মার খাই যখন ওর বয়স ১২ আর আমার ১৭। তারপর আর সেভাবে দেখা বা কথাও হয়নি ওর সাথে।
অন্মেষা আর ওর দিদির সামনেই প্রথমবার দিদি আমার মুখে চটি পরা পা রেখেছিল। তার আগে অবশ্য বেশ কয়েকবছর ধরে রোজ কয়েক ঘন্টা আমাকে দিয়ে পা টেপাত দিদি।
আমার অল্প খারাপ লাগত ওদের সামনে অপমান। তবে ভালও লাগত কেন জানি। আমি খুব ভক্তিভরে দিদির পা টিপতাম ওদের সামনে। আর কেন জানি ওদের সামনে দিদি অনেক বেশি ডমিনেট করতে ভালবাসত।
প্রথমে একদিন আমি দিদির পায়ের কাছে বসে পা টিপছিলাম। পিছনে বসা অন্মেষা আমার কাঁধের উপর চটি পরা পা তুলে দিল।
দিদির ডমিনেশনের মাত্রা ছাড়াল সেইদিন যেদিন দিদিরর মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরল আর দিদি ভিশন ভাল রেজাল্ট করল।
২.....
দিদি রেজাল্ট নিয়ে ফিরতে বাবা রেজাল্ট দেখে খুব খুশি হল। আমি তখন দিদির পায়ের কাছে বসে দিদির জুতো খুলে দিচ্ছিলাম। বাবা বলল, দিদির রেজাল্ট দেখ। তোর উচিত দিদির পা ধুয়ে রোজ জল খাওয়া।
হতে পারে ওটা কথার কথা। লোকে বলে থাকে। কিন্তু দিদি বলল, হ্যা, আমার পা ধুয়ে রোজ জল খাবি। তোর উন্নতি হবে।
আমি একবারও বাধা না দিয়ে বাটি আর জল এনে সত্যিই দিদির পা ধুয়ে জল খেয়ে নিলাম। দিদি দেখে হাসছিল। আর বাবাও একবারও বারন করে নি।
আমার কেন জানি না ভয়ানক ভাল লেগেছিল। আরও বেশি সেবা করতে ইচ্ছা করছিল দিদির। মনে হচ্ছিল আমার দিদির তুলনায় আমি অতি তুচ্ছ। আমার থেকে আরও সেবা পাওয়ার যোগ্য দিদি।
সেইদিন বিকেলে দিদি পা টিপতে বললে আমি দিদির পায়ের কাছে না বসে নিজে থেকেই মেঝেতে শুয়ে পরলাম। আর বাবার সামনেই দিদি আমার বুকের উপর নীল চটি পরা পা দুটো রেখে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে লাগল।
একটু পরে অন্মেষা আর ওর দিদি এল আর আমাকে এইভাবে দিদির চটি পরা পা বুকে নিয়ে পা টিপতে দেখে মুখ টিপে হাসতে লাগল।
অন্মেষায়ের দিদি বলল তোমার মত রেজাল্ট করা মেয়ের এইটুকু সেবা তো প্রাপ্যই। আর একটু পরে অন্মেষা হঠাত ওর চটি পরা একটা পা আমার মুখের উপর রেখে দাড়াল।
আমি একটুও বাধা দিচ্ছি না দেখে অন্মেষা ওর চটির তলা আমার মুখের উপর একটু ঘসল। তারপর উঠে দাড়াল আমার মুখের উপর। ও প্রায় মিনিট দুয়েক আমার মুখে দাড়িয়েছিল হয়ত। ওর তখন বছর ৮ বয়স।
অন্মেষা নেমে দাড়াতেই দিদি কোন কথা না বলেই নিজের চটি পরা বাঁ পা টা আমার মুখের উপর তুলে দিল।
আমি কোন বাধা না দিয়ে আমার বুকের উপর রাখা দিদির ডান পা টা টিপতে লাগলাম। আর দিদি আমার ঠোঁটের উপর ওর বাঁ চটির তলা ঘসতে লাগল অন্মেষা, ওর দিদি আর আমাদের বাবার সামনেই।
একটু পরেই দিদি ওর চটি পরা ডান পা টাও আমার মুখের উপর তুলে দিল। আমার ঠোঁটের উপর ঘসতে লাগল নিজের ডান চটির তলা। আর কপালের উপর বাঁ চটির তলা। আমি বাধা দেওয়া তো দূর, দিদির পা টিপতে টিপতে সবার সামনেই দিদির ডান চটির তলায় চুম্বন করতে লাগলাম। মনে মনে দিদিকে নিজের প্রভু ভেবে এক অসাধারন আনন্দ পেতে লাগলাম সেদিন।
তার আগেও দিদি আমাকে দিয়ে ৫ বছর ধরে পা টিপিয়েছে। অথচ এইভাবে দিদি আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে আমাকে দিয়ে দিদি পা টেপাতে পারে তা আমি আগে স্বপ্নেও ভাবিনি।
আমার ভিশন অবাক লেগেছিল, আমাদের বাবা একবারও দিদিকে বাধা দেয়নি এইভাবে আমাকে ডমিনেট করতে।
সেদিন ওইভাবে প্রায় ৩ ঘন্টা দিদির পায়ের তলায় শুয়ে দিদির পা টিপেছিলাম।
আর সেইদিনের পর থেকে দিদি এইভাবে আমার মুখের উপর পা রেখে বসেই পা টেপায় আর দিদির সাহসও বেড়ে গেল সেই ঘটনার পর থেকে। আমাকে চাকরের মত হুকুম করত যা খুশি, সবার সামনেই। যখন খুশি চড়, লাথি মারতে লাগল।
তার কিছুদিন পরই স্কুল থেকে ফিরে প্রথম আমার জিভের উপর জুতোর তলার ময়লা ঘসে পরিস্কার করে দিদি। সেটাও বাবা, অন্মেষা আর ওর দিদির সামনেই। আর তারপর থেকে এটাও দিদি আমার সাথে রেগুলার করেছে।
দিদি আমার উপর সবার সামনে ক্ষমতা জাহির করতে ভিশন ভালবাসত। আর আমিও দিদিকে নিজের প্রভু ভেবে সেবা করে ভিশন আনন্দ পেতাম।
এরপর থেকে দিদি আমার সাথে সাথে বাবাকে দিয়েও নিয়মিত পা টেপাতে শুরু করল। বাবা দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে বসে দিদির চটি পরা পা দুটো কোলে নিয়ে দিদির পা টিপে দিত মন দিয়ে। বাবাকে ছোটখাট হুকুমও করতে শুরু করে দিদি। বাবা এটাও কোন আপত্তি ছাড়া হাসিমুখে মেনে নিয়েছিল। তবে দিদির সেবা করাদ মূল দায়িত্ব অবশ্যই ছিল আমার।
দিদি কলেজে ওঠার আগে অবদি রোজ এইভাবে দিদির সেবা করতে হত আমাকে।
দিদি সবসময় পড়তে বসত আমার মুখের উপর চটি বা জুতো পরা পা রেখে বসে।
ওই দুইবছরে একটাও দিন যায়নি যেদিন দিদি এই কাজ করেনি।
রোজ অন্তত দুই ঘন্টা আমাকে এইভাবে দিদির চটি পরা পা মুখের উপর নিয়ে পা টিপে দিতে হত। দিদি পরতে পরতে আমার মুখের উপরে চটির তলা ঘসত,। আমার বার করে রাখা জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করত নিজের চটির তলা। আমার মুখে ইচ্ছামত লাথি মারত চটি পরা পায়ে। জবাবে আমি দিদির চটি পরা পায়ের তলায় চুম্বন করে দিদিকে ধন্যবাদ দিয়ে আরো মন দিয়ে আমার প্রভু দিদি পৃথার পা টিপে দিতাম।
দিদি পরের দুই বছর আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই করত।
দিদি আমাকে ইউজ করতে লাইক করত। আর আমারও দারুন লাগত সেটা।
যখন খুশি যা খুশি হুকুম করা, অকারনে মারা। চড়, থাপ্পর লাথি যা খুশি। দিদি ইচ্ছা করে বাইরে থেকে জুতো ময়লা করে ফিরত আর আমাকে দিয়ে চাটিয়ে জুতোর তলা পরিস্কার করত।
আর দিদি এসব সবসময় কারও সামনে করতে ভালবাসত। বাবা বা অন্মেষারা তো বটেই, আমার আর দিদির বন্ধুদের সামনেও আমাকে এইভাবে ডমিনেট করতে দিদি ভিশন পছন্দ করত।
কলেজ থেকে পাশ করার পরই দিদি বিয়ে করে আর চাকরি নিয়ে আমেরিকায় চলে যায়। ৭-৮ বছর আমেরিকায় থেকে দুই বছর আগে দিদি আবার দেশে ফিরেছে। এখন দিদি ওর মেয়েকে নিয়ে আমাদের সাথেই বেশি থাকে।
৩......
দিদি দেশে ফেরার পর সেই আগের মত একইভাবে আমাকে ইউজ করছে।
এমনকি অচেনা কেউ এলেও দিদি সাধারনত এখন আর আমার মুখের উপর থেকে পা সরায় না। একইভাবে আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে পা টেপায়।
সবাই অবাক হয়। কেউ কেউ কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না। কেউ কেউ বলে এটা কি করছ? বা, ছি, কারও মুখের উপর এভাবে পা রাখে কেউ? দিদি খুব শান্ত স্বাভাবিকভাবে জবাব দেয়, ছোটভাইকে দিয়ে আমার সেবা করাচ্ছি। বা, আমার ঠোঁটের উপর চটির তলা ঘসতে ঘসতে দিদি বলে, যার মুখের উপর চটি পরা পা রেখেছি, তার কোন আপত্তি নেই, সে ভক্তিভরে আমার সেবা করছে। আর আপনার/তোমার এত অসুবিধা কেন হচ্ছে এতে??
দিদি এখন সবার সামনেই আমাকে ভিশন ডমিনেট করে, নিজের বাবাকেও অল্প ডমিনেট করে ইচ্ছা হলেই। যেমন, কাল অফিস থেকে ফিরে বুট জুতো পরা পায়ে আমার মুখে অনেক লাথি মেরেছে দিদি।
সেরকম কোন কারন নেই লাথি মারার। দিদি মুখে লাথি মারতে ভালবাসে, তাই মারে।
আমারও মুখে দিদির লাথি খেতে খুব ভাল লাগে। দিদি চামড়ার কালো বুট পরা পায়ে আমার মুখে ৩০-৪০ টা লাথি মারল, তারপর আমাকে পায়ের তলায় শুইয়ে দিদি আমার মুখের উপর জুতো পরা পা দুটো তুলে দেয়। আমি দিদির পা টিপি আর দিদি আমার জিভের উপর ঘসে জুতোর তলা পরিস্কার করে। আমাদের বাবা আর দিদির ৯ বছরের মেয়ের সামনেই।
এই পাড়ায় এখন প্রায় সবাই জানে দিদি আমার সাথে কিরকম ব্যবহার করে।
কতটা সেবা করি ডিটেইল সবাই না জানলেও কিছুটা জানে।
এখন আমি দিদি ছাড়াও পাশের বাড়ির একটা মেয়েরও সেবা করি, যে প্রায় ১৪ বছরের ছোট আমার থেকে। আমার দিদির মেয়েও আমাকে টুকুটাক হুকুম করা শুরু করেছে ইদানিং।
আমি সাবমিসিভ। মেয়েদের সামনে মাথা ঝোকানো, তাদের সেবা করার ইচ্ছা কিছুতেই দূর করতে পারি না।
দিদি আর ওই পাশের বাড়ির বোন স্মৃতিরও সেবা করতে ভালও লাগে ভিশন।
ওরাও এঞ্জয় করে ব্যাপারটা, আমিও।
আমি রোজ স্মৃতির পা টিপে দিই, ও যা বলে করি। ওর জন্য শপিং করি। ও আমার ল্যাপটপে চ্যাট করে বা গেম খেলে আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে। আর আমি ওর পা টিপে দিই চাকরের মত। আমি দিদিকেও একইভাবে সেবা করি।
খুব ভাল লাগে এইভাবে মেয়েদের সেবা করতে। ওদের সেবা না করে আমি একদিনও থাকতে পারব না।
চাকরের মত সেবা করি ওদের দুজনের। ওদের জুতোর তলা চাটি, ওরা চড়, লাথি মারলে ওদের পায়ে মাথা রেখে ধন্যবাদ দিই।
পাশের বাড়ির বোন আগে এত করত না। দিদি দুবছর আগে আমেরিকা থেকে বাড়ি ফেরার পর ও দিদির থেকে শিখছে।
দিদির মেয়েও ওদের দেখে ছেলেদের ডমিনেট করা শিখছে আসতে আসতে।
এখন ওর বয়স ৯। দিদি ওর সামনেই আমাকে ডমিনেট করে। ওই বোনও করে। আর আমার বাবার সামনেও করে।
দিদি অফিস থেকে ফিরে বিনা কারনে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারে আমার মুখে, বাবা আর ওর মেয়ের সামনেই। তারপর আমাকে পায়ের তলায় শুইয়ে জুতোর তলা দুটো আমার জিভের উপর ঘসে পরিস্কার করে আর আমি দিদির পা টিপে দিই। আমার ভিশন ভাললাগে এইভাবে দিদির সেবা করতে। আর এইভাবে দিদিকে আমাকে ডমিনেট করতে দেখে পাশের বাড়ির বোন স্মৃতিওশিখছে।
দিদির মেয়েও করবে হয়ত ভবিষ্যতে। আমাকে এইভাবে ডমিনেট করতে বাবা কোনদিন বাধা দেয়নি দিদিকে। বরং নিজেও ক্রমে নিজের মেয়ের সেবা করা শুরু করেছিল।
৪....
আমার কিন্তু এই নিয়ে কোন দু:খ নেই। ভালই লাগে।
যেমন কয়েকদিন আগে, দিদি অফিস থেকে ফিরতে আমি দিদির জুতো পরা পায়ের উপর মাথা ঠেকিয়ে প্রথমে দিদিকে প্রনাম করলাম। তারপর দিদি চেয়ারে বসতে দিদির পায়ের কাছে মেঝেতে হাটুগেড়ে বসলাম দিদির জুতো খুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তার আগেই দিদি জুতো পরা পায়ে আমার মুখে জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল। আমি চুপচাপ দিদির পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে দিদির লাথি খেতে লাগলাম। দিদির মেয়ে আর আমার বাবা দেখতে লাগল আমাদের, কিছু বলল না।
আমার মুখে অনেকগুলো লাথি মারার পর দিদি আমাকে ওর পায়ের তলায় শুয়ে পরতে বলল। আমি তাই করলাম। দিদি ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপর তুলে দিয়ে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে জিভ বার করতে আদেশ দিল। আমি তাই করলাম। দিদি তখন আমার বার করা জিভের উপর নিজের সাদা স্নিকারের তলা ঘসে পরিস্কার করতে লাগল।
দিদি ওর বাইরে পরার নোংরা জুতোর তলা আমার জিভের উপর ঘসে পরিস্কার করে ফেলল। এরপর আমি উঠে আবার দিদির পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। দিদির পা ধুয়ে দিয়ে দিদির পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম। দিদি আর ওর মেয়েকে ডিনার সার্ভ করলাম। তারপর ওদের বিছানা রেডি করলাম যাতে ওরা শুয়ে পরতে পারে। ওরা শুতে যাওয়ার আগে আবার দিদি আর ভাগ্নীর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ওদের ভক্তিভরে প্রনাম করলাম আমি।
পরদিন অফিস থেকে ফিরে আবার দিদি আমার মুখে খুব জোরে লাথি মেরেছে বুট পরা পায়ে, শুধুমাত্র মজা পাওয়ার জন্য, তাও স্মৃতির সামনেই। স্মৃতি সেটা দেখে শুধুই হাসল, আর পরের দিন বোন স্কুল থেকে ফিরে আমাকে দিয়ে জুতোর তলা চাটিয়েছে।
এই কয়েকদিনে স্মৃতি এটাকে রুটিন করে ফেলেছে। ও স্কুল থেকে আসার আগেই আমি অফিস থেকে ফিরে আসি। ও স্কুল থেকে ফিরেই আমাকে ডেকে ওদের বাড়িতে নিয়ে যায়। তখন ওদের বাড়িতে ওর বাবা থাকে না, থাকে শুধু ও আর ওর মা প্রীতি। মাঝে মাঝেই ও ওর পাশের বাড়ির বান্ধবী তিয়াশাকেও ডেকে আনে ঘরে ঢোকার আগে। আমাকে সেদিন স্মৃতির সাথে তিয়াশাও ওর স্কুল জুতোর তলা চাটিয়ে পরিস্কার করায়, জোরে জোরে জুতো পরা পায়ে লাথি মারে আমার মুখে আর গল্প করে নিজেরা।
স্মৃতির মা প্রীতি ওদের টিফিন খেতে দেয়, আর হাসিমুখে দেখতে থাকে আমার উপরে আমার অর্ধেক বয়সী স্মৃতি ও তিয়াশার অত্যাচার করা। আমি স্মৃতি আর তিয়াশার পা টিপে সেবা করি, ওদের ফোনে ব্যালেন্স ভরে দিই, ওরা যা অর্ডার করে কিনে দিই। স্মৃতিকে এখন বোনও বলি, প্রভুও বলি।এখন স্কুল থেকে ফিরে রোজই আমাকে দিয়ে জুতো চাটায় স্মৃতি। বেশিরভাগ দিন তিয়াশাও থাকে ওর সাথে। ২ ঘন্টা ওদের প্রভুজ্ঞানে সেবা করে স্মৃতি, তিয়াশা আর প্রীতি কাকিমার জুতো বা চটি পরা পায়ে মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনাম করে বাড়ি ফিরে আসি।
স্মৃতিও দিদির মতই ডমিনেটিং হয়ে যাচ্ছে আসতে আসতে। মুখে লাথি মারতে খুব ভালবাসে এখন ও।আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে আমার দেওয়া মোবাইলে, আমার ভরা ব্যালেন্সে বন্ধুদের সাথে গল্প করে আমাদের বাড়িতে এসে। আর আমার মুখে চটি পরা পায়ে লাথি মেরে বলে ওর পা টিপে দিতে।দিদির ট্রেনিংয়ে এখন জোরেই লাথি মারে আমার মুখে।
দিদির মেয়ে সৃজিতাও মাঝে মাঝে হুকুম করে, থাপ্পর মারে আমাকে। আমি জানি, অল্পদিনের মধ্যে সেও জুতো চাটাবে আমাকে দিয়ে।
৫.....
দিদি আর ওই বোন আমার মুখে দুই একবার থুতু দিয়েছে। প্রথমদিন তো দিদি শেখাচ্ছিল বোনকে । দিদি আমার মুখে থুতু মারল। মেরে বোনকে বলল ও এটারই যোগ্য। তুইও মার। বোনও হাসতে হাসতে আমার মুখে থুতু দিল।
এভাবেই দিদি বোনকে আমার মুখে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারা, আমাকে দিয়ে জুতোর তলা চাটানোও শিখিয়েছে।
এখন স্মৃতি নিজেই মারে মাঝে মাঝে।
আমি ওর পায়ের কাছে বসে পা টিপি। আর ও আমার মুখে চড় মারতে মারতে থুতু দেয়। মাঝে মাঝে পা তুলে মুখে লাথি মারে।
আমি বোনের সেবা করি আর দিদি তখন ঘরে থাকলে বাবার কোলের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে থাকে। বাবা বেশ ভক্তিভরে নিজের মেয়ের পা টিপে দেয়। আর দিদি নিজের বাবাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে আমার স্মৃতিকে সেবা করা দেখতে থাকে। দিদির ৯ বছর বয়সী মেয়ে দিদির পাশে বসে দাদুর কোলের উপর চটি পরা পা রেখে বসে দাদুর নিজের মেয়ের সেবা করা দেখতে থাকে।
দিদি আর বোন দুজনেরই সেবা করি এখন রোজ। পরশু যেমন, বোন স্মৃতি আমার মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে বসে লাথি মারছিল।আর দিদি আমাকে কয়েকটা লাথি মেরে পাশে বসে বাবাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিল।
স্মৃতি মাঝে মাঝে আমাকে বলে, তোর জায়গা আমার জুতোর তলায়। এটা ও দিদির থেকে শিখেছে। তবে বেশিরভাগ সময়ে আমাকে সম্পুর্ন ইগনোর করে মুখের উপর জুতো পরা পা রেখে বসে আমাকে দিয়ে পা টেপায় আর ফোনে গল্প করে।আমার খুব ভাল লাগে দিদি আর বোনের সেবা করতে। সেইসাথে ইচ্ছা করে একইভাবে ভাগ্নীর সেবা করা শুরু করতে।
পরশু স্মৃতির পরনে ছিল টপ- জিন্স। জিন্সটা কাফ অবদি। পায়ে কিটো জুতো।
আর দিদি চটি পরা পা বাবার কোলের উপরে রেখে বাবাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিল আর মাঝে মাঝে বাবার মুখে চটি পরা পায়ে দুই একটা লাথি মেরে নিজের মেয়েকে শেখাচ্ছিল কিভাবে ছেলেদের মুখে লাথি মেরে তাদের শাসন করতে হয়।
বোন আর আমি ছিলাম একঘরে, আর দিদিরা আরেক ঘরে। বোন আমার মুখে জুতো পরা পা রেখে বসে ফোনে কথা বলছিল আর আমি ওর পা টিপে দিচ্ছিলাম। হঠাত বোন আমার মুখে জোরে একটা লাথি মারল কিটো পরা পায়ে আর বলল, " এই ছাগল, ঘর থেকে বেরো।" ও কোন বন্ধুর সাথে এমন কিছু কথা বলছে যা আমার সামনে বলবে না। তাই ঘর থেকে বের করতে চাইছিল আমাকে।
আমার মুখে লাথি মেরে বোন বের হতে বলল আর আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে বেরিয়ে এলাম।
ও যে আমাকে হুকুম করে সেটা ওর মাও অনেকটা জানে।
আমি যে ওর পায়ের কাছে বসে পড়াই, পড়া বোঝাতে না পারলে ও উলটে আমার গালে থাপ্পর মারে, মুখে লাথি মারে সেটা ওর মা জানে, কিন্তু ওর বাবা জানে না।
আসলে, ওদের বাড়ি খুব কঞ্জারভেটিভ। মেয়েদের বেরনো, পোশাক, নিয়ে ওর বাবা কড়াকড়ি করে। ওর মা এসব সহ্য করতে পারে না। আমাদের বাড়ি তো পুরো উল্টো। ওর মা ইচ্ছা করেই তাই ওর মেয়ে আমাকে মারলে উতসাহ দেয়।মানে ওদের বাড়ির অসহ্য নিয়মের প্রতিশোধ নেয়।
ওর মা কে যে বাইরে বেশি বেরতে দেয় না, চাকরি করতে দেয়নি, তারই প্রতিশোধ নেয়।
মানে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়।
আমি ওর মার সামনেই স্মৃতিকে প্রভু, দেবী, বোন সবই বলে ডাকি।
ও যে রোজ স্কুল থেকে ফিরে আমাকে দিয়ে জুতোর তলা চাটায় সেটাও ওর মা জানে এখন।
আর ওর মার সামনে আমাকে ইউজ করতে এখন খুব ভালবাসে।
কান ধরে টানে, থাপ্পর মারে, জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারে আমার মুখে।
তো সেদিন ও ফোনে কথা বলে যাচ্ছে, আমি পাশের ঘরে বসে অপেক্ষা করছি আর ছোট ভাগ্নীর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে ওর পা টিপে দিচ্ছি। দিদিও বাবার কোলের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে বাবাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে আর বাবা ভক্তিভরে নিজের মেয়ের পা টিপছে।
হঠাত ওই বোনের মা ওকে ডাকতে এল। আমাদের বাড়ির মেয়েদের প্রভুজ্ঞানে সেবা করা কাকিমা খুবই এঞ্জয় করে চিরদিন। সে হাসিমুখে আমাদের কান্ড দেখতে লাগল। হঠাত পাশের ঘর থেকে বোন ডাকল আমাকে, " এই গাধা, এদিকে আয়"। আমি গেলাম, গিয়ে ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বললাম, " কি হয়েছে প্রভু?"
ওর মা প্রীতিও আমার সাথে এইঘরে এসেছিল। নিজের মায়ের চোখের সামনেই কিটো পরা পায়ে আমার মুখে খুব জোরে লাথি মারল বোন, " আমার ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায় কেন? তাড়াতাড়ি রিচার্জ কর। যতক্ষন রিচার্জ না হবে তোর মুখে লাথি মারব আমি"।
আমি পাশের ঘর থেকে মোবাইল আর ডেবিট কার্ড নিয়ে এসে আবার বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসলাম যাতে বোন আবার আমার মুখে লাথি মারা চালিয়ে যেতে পারে। ওর মা ওকে উতসাহ দিতে লাগল আমার মুখে লাথি মারতে আর আমি বোনের লাথি খেতে খেতে নেটে রিচার্জ করতে লাগলাম ওর মোবাইল। যতক্ষন রিচার্জ করা কম্পলিট না হল ততক্ষন বোন আমার মুখে কিটো জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল।
ওর মা থাকলে ও মাকে দেখিয়ে আরও জোরে জোরে লাথি মারে।ওর মা কিছুই বলে না ওকে, বরং উতসাহ দেয়।
আমার নাক থেকে অল্প রক্ত বেরিয়ে গিয়েছিল স্মৃতির লাথি খেয়ে। ও সেটা দেখেছে। রক্ত বেরনোর পরও স্মৃতি আরও লাথি মেরেছে আমার মুখে।
দিদির থেকেই ও নিষ্ঠুরতা শিখেছে। আমি তবু বোনকে একটুও বাধা দিইনি, কারন ও আমার প্রভু। ২ বছর আগে দিদি আসার আগে ও জোরে থাপ্পরও মারত না।
এখন তো স্মৃতি এইভাবেই জোরে জোরে লাথি আর থাপ্পর মারে আমার মুখে। জুতো চাটায়। পা টেপায়। থুতু ছেটায় মুখে। কান টানে। চুলের মুঠি ধরে থাপ্পর মারে গালে। আর আমার টাকায় শপিং করে।
বলে, এই ছেলে, আমাকে আজ একটা চুড়িদার কিনে দিবি। বা জুতো কিনে দিবি।
অনেক রকমই জুতো কিনে দিয়েছি ওকে। স্নিকার, স্কুল শু, কিটো, চটি। আজ যে কিটোটা পরে লাথি মারল আমার মুখে সেটাও আমার কিনে দেওয়া।
ওর দেখা দেখি আমাদের প্রতিবেশী স্মৃতির বান্ধবী তিয়াশাও একইভাবে আমাকে মারে, ডমিনেট করে। স্মৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে তিয়াশাও আমার গালে থাপ্পর, মুখে লাথি মারে। আমাকে দিয়ে নিজের জুতোর তলা চাটিয়ে পরিস্কার করায়। আমার টাকায় শপিং করে আর আমার সাথে চাকরের মত ব্যবহার করে। জবাবে আমি তিয়াশার জুতো পরা পায়ের উপরে চুম্বন করে ওকে ধন্যবাদ দিই।
আজ আমার ৩০ তম জন্মদিন। দিদি বলে রেখেছিল আজ আমাকে স্পেশাল কিছু উপহার দেবে। সকাল থেকে দিদির চটি পরা পায়ের তলায় শুয়ে পা টিপছিলাম আজ। ভাগ্নী দুপুরে স্কুল থেকে ফিরতে দিদি বলল আজ থেকে তোর ভাগ্নীও তোর প্রভু। নে প্রনাম কর ওকে ভক্তিভরে। আমি সাথে সাথে ভাগ্নীর স্কুল জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে ওকে প্রনাম করলাম। তারপর ৯ বছর বয়সী ভাগ্নী পরপর আমার মুখে লাথি মারতে লাগল জুতো পরা পায়ে। এরপর ও আমার মুখে জুতো পরা পা রেখে বসল আর আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দিলাম। দিদি বলল এখন থেকে এরকম ভক্তিভরে নিজের ভাগ্নীরও সেবা করবি। শুনে আমার খুব আনন্দ হল।
আনন্দ দ্বিগুন হল একটু পরেই। আমি আমার মুখের উপরে রাখা আমার ভাগ্নীর জুতো পরা পা দুটো টিপে দিতে থাকলাম আর দিদি চটি পরা পা আমার বুকের উপরে রেখে কাকে যেন ফোন করল। দিদির ফোনের কথা শুনে আনন্দে আমার বুক লাফিয়ে উঠল। দিদি অন্মেষাকে ফোন করেছিল। ওকে আর ওর দিদিকে নিমন্ত্রন করেছে আজ দিদি। অন্মেষা জিজ্ঞাসা করেছিল দিদিকে, এখনও আমাকে মারে কিনা। জবাবে দিদি বলল, নিজে এসেই দেখিস কতটা মারি। তুইও তো মারতে ভালবাসিস, তুইও ওকে মারিস যত খুশি। জবাবে অন্মেষা বলেছে, সত্যি দিদি, ছেলেদের মারতে আমার দারুন লাগে। অনেকদিন কোন ছেলেকে বেশি মারা হয় না। আজ দাদাকে সুযোগ পেলে পোষা গাধার মত মারব।
দিদি ফোন রাখার আগে বলল, ওকে তুই পোষা কুত্তার মত মারিস। ও শুধু আমারই না, তোরও পোষা কুত্তা!
এরপর দিদির আদেশে আমাকে উঠে অনেক খাবার অর্ডার করতে হল একটা ছোট পার্টির জন্য। এরপর দিদির পায়ে সাদা স্নিকার জুতো পরিয়ে দিলাম। তখন সন্ধ্যা ৬ টা। আমার প্রভু অন্মেষারা ১ ঘন্টা পরেই চলে আসবে।
এরপর দিদির আদেশে আমি দিদির জুতো পরা পায়ের তলায় শুলাম। দিদি আমার বার করা জিভে জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে বলল," দেখ ভাই, আমি চাই তুই সারাজীবন বিয়ে না করে এইভাবে পোষা কুত্তার মত আমার আর আমার মেয়ের সেবা করিস।"
আমি ভাবতেই পারছি না দিদি সরাসরি বলেছে এই কথা। দুঃখ পাওয়া তো দূর, আমি উলটে দিদির জুতোর তলায় বারবার চুম্বন করে দিদিকে ধন্যবাদ দিয়েছি। আমি জানি দিদির অনেক লাভ হবে এতে। সব সম্পত্তি একা পাবে। ফ্রিতে আমাকে চাকরও পাবে। আমি তো দিদির চাকর থাকব শুধু। কিন্তু আমি এতেই খুশি। দিদির সেবা করে, সবার সামনে দিদির কাছে অপমানিত হয়ে দারুন সুখ পাই। আমার আর কিছু চাই না। সেই প্রথম যেদিন দিদি আমার মুখের উপর চটি পরা পা রেখে বসে আমাকে দিয়ে পা টিপিয়েছিল অন্মেষা আর ওর দিদির সামনে .. সেদিন থেকে আমি আর কিছু চাই না।
কি যে ভাল লেগেছিল সেদিন... আমি আজও ভুলতে পারি না।
হঠাত কলিং বেলে বেজে উঠল। আমার ভাগ্নী গিয়ে দরজা খুলে দিল। অন্মেষা আর ওর দিদি এসেছে। সত্যি, কতদিন পরে ওদের দেখছি! ওদের সামনে আজও দিদি আমার বার করা জিভের উপর জুতোর তলা ঘসতে লাগল সেই ১৬-১৭ বছর আগের মত।
অন্মেষা আর ওর দিদি হাসিমুখে আমাদের সামনে এসে দাঁড়াল। অন্মেষা বলল, দাদা দেখি গাধা থেকে সত্যি পোষা কুত্তা হয়ে গেছে এখন।
দিদি একটু সরে আমার বুকের উপরে জুতো পরা পা দুটো রেখে বসল। সোফায় দিদির ডান দিকে বসল অন্মেষায়ের দিদি নিধি, আমার পেটের উপরে জুতো পরা পা রেখে। আর অন্মেষা বসল দিদির বাঁদিকে, আমার মুখের উপরে কালো স্নিকার পরা পা দুটো রেখে। আমি আর পারলাম না। ভক্তিভরে চুম্বন করলাম ওর ডান স্নিকারের তলায়। অন্মেষা ওর জুতো পরা দুই পা দিয়ে খুব জোরে জোরে অন্তত ৫০ টা লাথি মারল আমার মুখের সর্বত্র। তারপর আমার বার করা জিভের উপরে নিজের দুই জুতোর তলা পালা করে মুছতে মুছতে গল্প করতে লাগল আমার দিদি আর ভাগ্নীর সাথে।
ঠিক তখনই বেল বাজলো আবার। আমার আরো দুই প্রভু স্মৃতি আর তিয়াশাও চলে এসেছে, সেই সাথে স্মৃতির মা প্রীতিও।
দিদির আদেশে আমি একবার উঠে সব মেয়েকে কফি আর বিস্কুট দিলাম। তারপর একে একে দিদি, ভাগ্নী, নিধি, অন্মেষা, প্রীতি কাকিমা, স্মৃতি আর তিয়াশার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম ওদের সবাইকে। তারপর আবার মেঝেতে শুয়ে পরলাম আগের মত। আমার বার করা জিভের উপরে অন্মেষা, স্মৃতি, তিয়াশা, দিদি আর ভাগ্নী একের পর এক নিজেদের জুতো আর চটির তলা ঘসে পরিস্কার করতে লাগল। আর আমি বাধ্য কুত্তা, ক্রীতদাসের মত আমার প্রভু, আরাধ্যা দেবীদের জুতোর তলার ময়লা গিলে খেতে লাগলাম পরম ভক্তিভরে।

Friday, 1 December 2017

ভোম্বল আর রাজকন্যা...

ভোম্বল আর রাজকন্যা...
ভোম্বলের ভাল নাম অয়ন, বাবা মার দেওয়া ডাক নাম দিপ। তবু তার থেকে পাঁচ বছরের ছোট সুন্দরী মিষ্টি বোন তারর দাদাকে ছোট থেকেই ডাকে ভোম্বল বলে। নামটা শুনলেই কিরকম অপমানজনক লাগে দিপের। বোনের দেখাদেখি বোনের সমবয়সী বান্ধবীরাও তাকে ভোম্বল বলেই ডাকে। দিপ তবু বাধা দেয়না ছোট বোনকে। বোন তার চেয়ে পাঁচ বছরের ছোট, বড় আদরের। ছোটবোন অপমান করলেও তার কেন জানি খারাপ লাগার বদলে ভাল লাগে। দিপের ছোট বোনের ভাল নাম অন্মেষা, ডাকনাম রিয়া। কিন্তু রিয়া যেরকম দাদাকে ক্ষেপিয়ে অপমান করে ভোম্বল বলে ডাকে, জবাবে দিপ ছোট বোনকে আদর করে বেশি সম্মান দেখিয়ে ডাকে রাজকন্যা বলে।
ভোম্বল আর রাজকন্যার সম্পর্ক ভালই চলছিল ছোটবেলায়। সমস্যা হল ভোম্বল মাধ্যমিকে অসাধারন ভাল রেজাল্ট করায়। ওর ছোটবোন রিয়া তখন সবে ক্লাস ৬ এ উঠেছে, একটু ফাঁকিবাজ পড়াশোনায়। ওদের বাবা মা রিয়াকে তারপর থেকে মাঝেমাঝেই শোনাতে লাগল "দাদাকে দেখে শেখ কিছু"।
দিপ বারন করলেও ওর বাবা মা শুনত না, রিয়াকে বারাবার ওর সাথে তুলনা করত। রিয়ার রাগটা এসে দাদার উপরে পরত। ফলে বাবা মায়ের জন্যেই যেন ওদের সম্পর্ক একটু খারাপ হয়ে গেল। রিয়া দাদাকে মাঝে মাঝে এড়িয়ে যেত। মাঝে মাঝে একা পেলে দাদাকে কথা শোনাতেও ছাড়ত না। দিপ অবশ্য কোন আপত্তি ছাড়াই সেসব শুনত। আর কেন যেন ওর মনে হত, ইশ, ঘটনাটা যদি এর উলটো হত তো দারুন হত। যদি রিয়া পড়ায় ভাল হত আর ও খারাপ হত আর বাবা মা ওকে রিয়ার সাথে তুলনা করে অপমাম করত তো দারুন হত! সত্যি, কেন যে নিজেকে ছোট বোনের থেকে ছোট ভাবতে, বোনের কাছে অল্প অপমানিত হতে দিপের এত ভাল লাগে ও নিজেই জানে না!
দিপের জীবনে অদ্ভুত একটা সুখবর নিয়ে এল জুন মাসের একটা দিন। তখন ওর বয়স ১৮ এ পরতে আর এক মাস বাকি, আর ওর ছোটবোন "রাজকন্যা" সবে ১৩ এ পরেছে। প্রথমে মাধ্যমিকের মত উচ্চমাধ্যমিকেও দারুন রেজাল্ট করল দিপ। দিপের বাবা মা খুশি হল খুব। কিন্তু দাদাকে নিয়ে বাড়াবাড়িতে রিয়া মনে মনে বেশ ক্রুদ্ধ হল, আর বাবা মা দাদা তিন জনকেই যেন এড়িয়ে চলতে লাগল। দিপের বাবা খুব খুশি হয়ে বলে দিল, " ভগবানের কাছে শুধু একটাই প্রার্থনা তুই যেন মেডিকেলে পাশ। জীবনে শুধু একটাই চাওয়া এখন আমার, আমার ছেলে মেয়েরা কেউ ডাক্তার হোক। রিয়াকে দিয়ে তো কিছুই হবে না, পারলে তুইই পারবি আমার স্বপ্ন পুরন করতে। যদি তুই সত্যি চান্স পাস, ভগবানের নামে শপথ করে বলছি, আমার সাধ্যে হলে তুই যা চাইবি তাই দেব আমি।"
ঘটনাটা সত্যিই হল আর এক সপ্তাহ পরেই। দিপ শুধু চান্সই পেল না, খুব ভাল rank করল। ওর বাবা মা ভয়ানক খুশি হল। কিন্তু এত খুশির মধ্যেও বোনের রাগ ভোম্বলকে খুশি করতে পারছিল না। এত আনন্দের মধ্যেও তার মনে হচ্ছিল বোন তার জন্যই খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এরজন্য সেই দায়ী।
সারা সকাল বাবা মা তাকে নিয়ে অনেক লাফালাফি করল, একের পর এক ফোন করল আত্মীয়েরা। পাড়াপ্রতিবেশী এসে প্রশংসা করে গেল। শুধু দিপের বোন রিয়া তাকে সারা সকাল এড়িয়ে চলল। এমনকি তার রেজাল্ট উপলক্ষ্যে আনা লাঞ্চের স্পেশাল মেনুও সে স্পর্শও করল না। দিপের মনটা এত আনন্দের মধ্যেও খারাপ হয়ে গেল। মাঝে মাঝে তার উপরে বোন খুব রাগ করলে প্রথমে কথা বলে না, পরে অতিরিক্ত হুকুম করে রাগ পুষিয়ে নেয়। দিপ মনে মনে প্রার্থনা করতে লাগল আজও বোন যেন তাই করে ওর সাথে।
ওর প্রার্থনা সত্যি হল। দুপুরবেলা খাওয়ার পর ও এসে নিজের ঘরে সবে শুয়েছে। হঠাত ওর বোন 'রাজকন্যা' এসে ওকে একটা খোঁচা মেরে ঘুম ভাঙ্গাল।
" ওই ভোম্বল, অনেক ঘুমিয়েছিস, এবার ওঠ। স্টাডি রুমটার কি হাল করে রেখেছিস, তুই ঘর নোংরা করবি আর আমি গোছাব নাকি? যা, সব গুছিয়ে রাখ।
"সরি রাজকন্যা, আমার ভুল হয়ে গেছে", বলে পাঁচ বছরের ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চেয়ে দিপ স্টাডি রুমে এল। এসে দেখে ঘর পুরোই লন্ডভন্ড। এটা সে করেনি, তাকে নিয়ে বাবা মার অতিরিক্ত মাতামাতি আর তার সাথে বোনের তুলনা করে বোনকে বাবা মায়ের কিছুটা ছোট করার রাগ থেকে বোনই করেছে যাতে তাকে দিয়ে কাজ করিয়ে এর শোধ তুলতে পারে।
ভোম্বল একবারও এর প্রতিবাদ করল না। সে মনে প্রানে এটাই চাইছিল, বোন তাকে কিছু হুকুম করে শোধ তুলুক। ছোট্ট বোন রাজকন্যাকে সে সত্যিই খুব ভালবাসে। বোন তাকে অকারনে হুকুম করলেও তার বড্ড ভাল লাগে!
"সরি বোন, আমার ভুল হয়ে গেছে", আমি এখুনি গুছিয়ে রাখছি। এই বলে সে বিনা প্রতিবাদে ঘরে ডাঁই করা বিভিন্ন আবর্জনা পরিস্কার করল প্রথমে। তারপরে মেঝেতে ছড়িয়ে রাখা বইয়ের স্তুপ যত্ন করে গুছিয়ে সেল্ফে রাখতে লাগল। দাদা বিনা প্রতিবাদে তার করা কুকর্মের দায় নিজের ঘাড়ে তুলে নিল দেখে মুখে হাসি ফুটে উঠল রিয়ার।
প্রায় ১ ঘন্টা লাগল দিপের সব গুছিয়ে রাখতে। রিয়া পুরো সময়টা গদি মোড়া চেয়ারে বসে ৫ বছরের বড় দাদাকে হুকুম করতে লাগল কিভাবে গোছাতে হবে।
সব গুছিয়ে ১ ঘন্টার মধ্যে ঘর চকচকে করে ফেলল দিপ। তার মন খারাপ এরমধ্যেই অনেকটা কেটে গেছে ছোটবোনের হুকুমে কাজ করতে পেরে। সত্যি, ছোট বোন হুকুম করবে আর বড় দাদা চাকরের মত তার হুকুম পালন করবে ভাবতেই বড্ড ভাল লাগে তার।
ঘর গোছানো শেষ হতে রিয়া বলল, " হুম, বস এখন। দেখি গোছানো ঠিক হল কিনা।" দিপ লক্ষ্য করল পড়ার ঘরে একটাই চেয়ার, বাকিগুলো বোন অন্য কোথাও রেখেছে ইচ্ছা করে।
দিপ খুশি মনে ঠিক ছোট বোনের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে পরল। বোন একটু চারিদিকে নজর বুলিয়ে বলল, "হুম , ঠিকই গুছিয়েছিস। তবে মনে থাকে যেন, এরকমভাবে ঘর অগোছাল করে রাখলে পরেরবারে মার খাবি তুই।"
" সরি রাজকন্যা, আমার খুব বড় ভুল হয়ে গেছে। আমি তোবোকা ভোম্বল, তাই বারবার এরকম ভুল করে ফেলি। এরকম ভুল আবার করলে তুমি নিশ্চয়ই আমাকে মারতে পার। তুমি ইচ্ছা করলে আমাকে এখনও ইচ্ছা মত মারতে পার।"
রিয়ার মুখে হাসি ফুটে উঠল দিপের কথা শুনে। বাবা মা যতই দাদার সাথে তার তুলনা করে ওকে কথা শোনাক, রিয়া চিরদিনই জানে দাদা সেটা চায় না, তাকে চিরদিনই খুব ভালবাসে দাদা। সে দাদাকে ছোট করতে চাইলেই বরং দাদা খুশি হয়। কিন্তু সে দাদাকে মারার কথা বলতেও দাদা তাতে খুশি হয় প্রায় খুশি হয়ে মার খেতে চাইবে এতটা সে ভাবেওনি। তার সারাদিনের রাগ কেটে গেল দাদার এক কথায়।
পরীক্ষা করে দেখার জন্য সে দাদার দুই গালে পরপর দুটো থাপ্পর মারল, প্রথমে ডান হাত দিয়ে দাদার বাঁ গালে, তারপর বাঁ হাত দিয়ে দাদার ডানগালে।
" সত্যি তুই একটা বোকা ভোম্বল। রেগুলার রাজকন্যার হাতে মার না খেলে তোর উন্নতি হবে না।"
৫ বছরের বড় দাদা দুই গালে তার হাতে চড় খেয়ে যেটা করল সেটা রিয়াকে আরো অবাক করে দিল। রিয়ার লাল চটি পরা পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে থাকা দিপ বোনের চটি পরা পায়ের উপরে নিজের মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করল ছোট বোনকে। তারপর বলল, " থ্যাংক ইউ রাজকন্যা। এখন থেকে তোমার ইচ্ছা হলেই যখন খুশি তুমি আমাকে এইভাবে মারবে। শুধু চড় কেন, ইচ্ছা হলেই তুমি আমাকে লাথিও মারতে পার। তুমি হলে এই বাড়ির রাজকন্যা, আর আমি বোকা ভোম্বল। আমাকে যখন খুশি মারার অধিকার আছে তোমার।"
তার প্রতি দাদার উথলে ওঠা ভক্তি দেখে সত্যি দারুন ভাল লাগছিল রিয়ার। সে চাইছিল এইভাবে বাবা মায়ের সামনেও দাদাকে মেরে, শাসন করে তার চেয়ে দাদাকে বেশি ভালবাসার শোধ তুলতে। রিয়া বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে বসল প্রথমে, তারপরে সত্যিই চটি পরা ডান পা দিয়ে দাদার বুকে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, " ঠিক বলেছিস। তুই হলি একটা বোকা হাবা ভোম্বল আর আমি বাড়ির রাজকন্যা। তোর উচিত সবসময় রাজকন্যার সেবা করা। আমার স্থান তোর অনেক উপরে। কিন্তু এটা বাবা মা বুঝতেই চায় না। তোর দায়িত্ব বাবা মাকে এটা বুঝিয়ে বাবা মায়ের সামনেও আমার সেবা করা। কে রাজকন্যা আর কে বোকা ভোম্বল সেটা বাবা মা বুঝতেই চায় না।"
রিয়ার এটিচিউড দিপকে ভয়ানক আনন্দ দিচ্ছিল। তার ছোট্ট বোন চটি পরা পায়ে নিজে থেকে তার বুকে লাথি মারায় আনন্দে তার মন ভরে গিয়েছিল। সে দুই হাতে রিয়ার চটি পরা ডান পায়ের পাতাটা চেপে ধরে বলল, " নিশ্চয়ই রাজকন্যা। তুমি চিন্তা কর না। এই বাড়িতে তুমি রাজকন্যা আর আমি তোমার বোকা হাবা চাকর। এই সত্যিটা আমি বাবা মাকে আসতে আসতে বুঝিয়ে দেব। আর বাবা আমাকে কথা দিয়েছিল আমি মেডিক্যালে চান্স পেলে আমি যা চাইব তাই দেবে। আমি শুধু চাইব এই বাড়িতে তোমাকে রাজকন্যার স্থান দিতে আর আমাকে তোমার সেবা করে যেতে দিতে।"
" নে এখন আমার পা টিপে দে ভক্ত চাকরের মত। ভাল চাকরের মত পা টিপবি। টেপা খারাপ হলে মুখে লাথি খাবি কিন্তু।"
" নিশ্চয়ই রাজকন্যা। তোমার ইচ্ছা হলেই যখন খুশি আমার মুখে লাথি মারতে পার তুমি।"
এই বলে বোনের পায়ের কাছে বসে পরে বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের কোলের উপরে তুলে নিল দিপ। তারপর আসতে আসতে ছোট বোনের পা দুটো পালা করে টিপতে লাগল দিপ। ছোট বোনের ডমিনেটিং আচরনে সে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। সত্যিই, জীবনে এত আনন্দ কখনো পেতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেনি সে।"
সে বোনের দুটো পাই পালা করে টিপে চলল। তার ছোট বোন গদি মোড়া চেয়ারে আরাম করে হেলান দিয়ে একটা গল্পের বই পড়ছে। আর সে চাকরের মত বোনের পায়ের কাছে বসে তার কোলের উপরে রাখা বোনের চটি পরা পা দুটো পালা করে টিপে চলেছে।
রিয়া শুধু মাঝে একবার বইয়ের উপর থেকে চোখ তুলে হুকুম করল দিপকে," এই ভোম্বল, যতক্ষন বাবা বা মা এসে তোকে আমার পা টিপতে না দেখছে ততক্ষন তুই আমার পা টিপে যাবি এইভাবে। বাবা মা দেখলেও তার সামনে আমার সেবা চালিয়ে যাবি। তারপর তারা কিছু বললে কিভাবে সামলাবি সেটা তোর ব্যাপার। সত্যিটা হল, তুই একটা বোকা ভোম্বল আর আমি এই বাড়ির রাজকন্যা। এটা এই এই বাড়িতে সবাইকে বুঝিয়ে দিতে হবে।"
" নিশ্চয়ই রাজকন্যা। আমি এখন থেকে সবার সামনেই এইভাবে তোমার সেবা করব।" এই বলে আবার ছোট বোনের চটি পরা পায়ের উপরে মাথা রেখে ভক্তিভরে প্রনাম করল দিপ।
প্রায় ১ ঘন্টা ধরে একটানা ছোটবোনের পা টেপা চালিয়ে গেল দিপ। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় দিপ আর রিয়ার মা অনিমা দিপকে নিজের ঘরে না পেয়ে এই ঘরে খুঁজতে এল। দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকেই অনিমা থতমত খেয়ে অবাক চোখে তাকিয়ে রইল দিপ আর রিয়ার দিকে। এটা কি দেখছে সে? সদ্য ক্লাস এইটে ওঠা পড়াশোনায় সাধারন রিয়ার পায়ের কাছে বসে চাকরের মত তার মেধাবী মেডিক্যালে চান্স পাওয়া দাদা পা টিপে দিচ্ছে তার!
ছেলে আর মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে তাদের দিকে কিছুক্ষন ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে রইল অনিমা। সে কিছুতেই বুঝতে পারছিল না আজকের দিনে নিজের সাফল্য উভোগ না করে এইভাবে ছোট বোনের পায়ের কাছে বসে হঠাত তার পা টিপছে কেন দিপ?
সে প্রায় ২ মিনিট চুপ করে তাকিয়ে রইল তার ছেলে মেয়ের দিকে। রিয়ার মুখে মুচকি হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল সদ্য মেডিক্যালে চান্স পাওয়া দাদাকে দিয়ে এইভাবে নিজের পা টেপাতে পেরে খুব মজা পাচ্ছে সে। তার চটি পরা পা দুটো দাদার কোলের উপরে রাখা। ওর দাদা দিপ পালা করে টিপে চলেছে নিজের ছোট বোন রিয়ার পা দুটো।
রিয়া হঠাত নিজের চটি পরা ডান পা দিয়ে দাদার বুকে একটা ঠ্যালা মারল। " ঠিক হচ্ছে না রে ভোম্বল। পায়ের পাতাটা আরো ভাল করে টেপ।" কথাটা শেষ করে রিয়া নিজের বাঁ পায়ের উপরে ডান পা তুলে আড়চোখে মায়ের দিকে তাকালো। অনিমার মনে হল মেয়ে বোধহয় এটা ইচ্ছা করে করল তাকে দেখানোর জন্য। কিন্তু তার জবাবে ছেলের রিয়্যাকশনটা তাকে সত্যি অবাক করে দিল। বুকে ছোট বোনের চটি পরা পায়ের খোঁচা খেয়ে ছোট বোনের চটি পরা ডান পায়ের উপরে নিজের মাথাটা নামিয়ে দিল দিপ। বোনের পায়ের উপরে নিজের মাথাটা রেখে বলল, " সরি রাজকন্যা। আমি তো বোকা ভোম্বল। সব নিজে থেকে ধরতে পারি না। আমি ভুল করলে এইভাবে ধরিয়ে দিয় তুমি।" এই বলে ঠিক যেন রিয়ার চাকরের মত ওর পা টিপতে লাগল ওর ৫ বছরের বড় দাদা দিপ।
" কি ব্যাপার রে রিয়া? হঠাত তুই বড় দাদাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছিস কেন?" অনিমা অবশেষে জিজ্ঞাসা করল রিয়াকে।
" বা রে, আমার কি দোষ? আমি তো দাদাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এত্ত ভাল রেজাল্ট করার জন্য তুই কি গিফট চাস? তাতে দাদা বলল, গিফট তো বাবা মা দেবে, তোকে কিছু দিতে হবে না। শুধু চল ছোটবেলার মত আমরা রাজকন্যা আর বোকা চাকর ভোম্বল খেলাটা খেলি। তাই আমি ওর কথায় খেলা শুরু করলাম। প্রথমে ওকে অর্ডার করে ঘরটা পরিস্কার করালাম। তারপর অর্ডার দিলাম, আমার পা টিপে দেওয়ার জন্য। বিশ্বাস না হলে তুমি দাদাকেই জিজ্ঞাসা কর।"
এই বলে চটি পরা ডান পা দিয়ে আবার দাদার বুকে ঠ্যালা মারল রিয়া। " এই ভোম্বল, মা কে বল, আমার কথা ঠিক কিনা।"
" হ্যাঁ মা, রাজকন্যা ঠিকই বলছে। আমিই ওকে রিকোয়েস্ট করেছি ছোটবেলার মত এই গেমটা আজ খেলার জন্য।"
অনিমা ভুরু কুঁচকে ছেলের দিকে তাকাল। তখন নাহয় ছোট ছিলি। কিন্তু এখন এটা কেমন খেলা তোদের? তোর বোন তোকে খেলার ছলে অর্ডার করছে, তোর কোলের উপরে পা রেখে পা টেপাচ্ছে সেটা তোর ভাল লাগছে?"
দিপকে উত্তর দেওয়ার সুযোগ দিল না রিয়া। তার আগেই চটি পরা পা দুটো দাদার কোলের উপর থেকে তুলে দাদার কাঁধের উপরে রাখল সে। " দাদার কোলের উপরে পা রাখায় দাদার খারাপ লাগার কথা মা? সরি, তাহলে দাদার কাঁধের উপরে রাখছি পা দুটো।" রিয়ার হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছিল মায়ের সামনে দাদাকে এইভাবে ব্যবহার করতে পারার আনন্দ সে দারুন উপভোগ করছিল। বাবা- মায়ের কথায় কথায় তার সাথে দাদার স্বভাব ও পড়াশোনার তুলনা করে তাকে ছোট করার দারুন এক প্রতিশোধ নিচ্ছিল সে।"
" মা, রিয়া আমার আদরের ছোট্ট বোন। ও আমাকে একটু হুকুম করে আনন্দ পেলে এতে কি সমস্যা। ওকে খুশি দেখলে আমারও খুব ভাল লাগে।" মন দিয়ে ছোট বোন রিয়ার কাঁধে রাখা পা দুটো টিপতে টিপতে বলল দিপ।
" থাক, তোরা তোদের ইচ্ছামত খেলিস। তবে এখন খাওয়ার ঘরে এসে চা আর টিফিন খেয়ে যা আগে।" গলায় একটা হালছাড়া বিরক্তিভাব ফুটিয়ে বলল অনিমা।

ভোম্বল আর রাজকন্যা ( পার্ট ২)
অনিমার চোখের সামনেই এবার দাদার কাঁধের উপর থেকে চটি পরা ডান পা টা তুলে দাদার মুখটা চটির তলা দিয়ে আলতো করে ঠেলে রিয়া বলল, " চল দাদা, টিফিন খেতে খেতে আমার সেবা করবি।" এই বলে রিয়া দাদার কাঁধের উপর থেকে পা নামিয়ে মেঝেতে উঠে দাঁড়াল।
অনিমা স্পষ্ট দেখতে পেল দিপের ঠোঁট দুটো রিয়ার চটির তলায় ঘসা খেল। দিপ এতেও খুশি হয়ে মেঝেতে দাঁড়ানো পাঁচ বছরের ছোট বোনের চটি পরা পায়ের উপরে নিজের মাথা ঠেকিয়ে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করে বলল, " চলো রাজকন্যা।"
দিপের বাবা রমেশ তখন খাওয়ার ঘরের সোফায় বসে টিভি দেখছিল। রিয়া আর দিপকে একসাথে ঘরে ঢুকতে দেখে সে দিপকে কাছে ডেকে পাশে বসাল। রিয়ার দিকে ভ্রুক্ষেপও করল না।তার কোন ধারনাও নেই অবশ্য যে সন্তানকে সে আদর করে কাছে ডাকছে সেই "বোকা ভোম্বল" এতক্ষন তার অবহেলার পাত্র অপর সন্তান "রাজকন্যা"র কিভাবে সেবা করছিল! রিয়া একটু দূরে চেয়ারে গিয়ে বসল। অনিমা চা আনতে রান্নাঘরে চলে গেল।
অনিমা সবাইকে চা দিয়ে নিজেও একটা চেয়ার নিয়ে রিয়ার থেকে একটু দূরে বসে চা খেতে লাগল। রমেশ খুশি মনে দিপের সঙ্গে কিছুক্ষন কথা বলল প্রথমে। তার মন খুবই খুশি আজ। তার চিরকালের ইচ্ছা তার ছেলে বা মেয়ে ডাক্তার হোক। দিপ অবশেষে তার সেই স্বপ্ন পূরন করতে যাচ্ছে।
কিছুক্ষন পর রমেশ নিজে থেকেই জিজ্ঞাসা করল, " তোর তো আমার কাছে একটা দারুন গিফট পাওনা আছে। বল কি চাস?"
দিপ প্রথমে কি বলবে বুঝতে না পেরে লজ্জায় মুখ নিচু করল।
" লজ্জা পাস না, বল কি চাস।" রমেশ বলল।
" আমি কোন জিনিস চাই না, তবে অবশ্যই একটা জিনিস চাই। তবে আগে তোমাকে কথা দিতে হবে যা চাই তুমি দেবে। শোনার পর না করতে পারবে না।"
" আজ কি তোর কোন কথায় না করতে পারি আমি? বল কি চাস তুই।" রমেশ বলল।
" কথা দিচ্ছ কিন্তু বাবা, পরে না বলতে পারবে না।" দিপ নিশ্চিত হয়ে নিতে চাইল বলার আগে।
" নিশ্চয়ই। তুই নির্ভয়ে বল।" রমেশ বলল।
" আমি রিয়ার চেয়ে পড়াশোনায় একটু ভাল বলে তোমরা যেরকম কথায় কথায় আমার সাথে ওর তুলনা করে ওকে ছোট কর সেটা খুব খারাপ কর। এতদিনে অকারনে আমার ছোট্ট বোনটাকে তোমরা অনেক কষ্ট দিয়েছ। এর জন্য তুমি, মা দুজনেই অনেকটা দায়ী, তার চেয়েও বেশী দায়ী আমি। আমার জন্যই ওকে ছোট থেকে এত কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। এবার আমাদের সবারই প্রায়শ্চিত্তের পালা, বিশেষ করে আমার। তুমি কথা দাও এতদিন তোমরা যা করেছ ঠিক তার উল্টোটা করবে। রিয়ার ভাল দিক গুলো দেখার চেষ্টা করবে আর আমার খারাপ দিকগুলো খুঁজে বার করে রিয়ার তুলনায় আমাকে ছোট করবে। রিয়া এতদিন অনেক কষ্ট পেয়েছে আমাদের জন্য। এখন থেকে ও এই বাড়ির রাজকন্যার মত থাকবে। আর আমাকে ও যা খুশি হুকুম করবে, ইচ্ছা হলে মারতেও পারে। তোমরা রিয়াকে উতসাহ না দাও, অন্তত বাধা দেবে না এতে।"
দাদার কথা শুনে রিয়ার মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠল। অনিমা একবার রিয়ার দিকে তাকালো, তারপর অবাক চোখে দিপের দিকে চেয়ে রইল কিছুক্ষন। সত্যি, আজ যে কি হয়েছে ছেলেটার, আর কিই বা সে চাইছে সে কিছুই বুঝতে পারছে না। পরীক্ষায় দুর্দান্ত রেজাল্ট করে কেউ গিফট হিসাবে ছোট বোনের হুকুমে চলা আর তার হাতে মার খাওয়ার অধিকার চাইতে পারে তার যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না।
রমেশের অবস্থাও অনিমার মতই হল দিপের কথা শুনে। সে ভেবে রেখেছিল দিপ হয়ত দামি একটা মোবাইল, ল্যাপটপ বা এরকম কিছু গিফট হিসাবে চাইতে পারে। অথচ দিপের কথা শুনে সে যেন আকাশ থেকে পরল। প্রথমে কি বলবে তাই ভেবে পেল না। পরে তার মনে হল, হয়ত সত্যিই সে দিপের প্রতিভার প্রশংসা করতে গিয়ে রিয়াকে কিছুটা বঞ্চনা করে ফেলেছে। সেটা তার বা অনিমার অতটা চোখে না পরলেও দিপের চোখে পরেছে।
রমেশ কিছুক্ষন ভেবে ছেলেকে বলল, " ঠিক আছে, তুই যা বলছিস তাই হবে। সত্যিই হয়ত আমরা রিয়াকে কিছুটা দুঃখ- কষ্ট দিয়ে ফেলেছি না বুঝে, তোকে ওর থেকে কিছু বেশি প্রিভিলেজও দিয়ে ফেলেছি আমরা। তাই, তুই যা বললি সেরকমই হবে এখন থেকে। তবে সত্যিই কি তুই চাস তোদের সমান ভাবে ট্রিট না করে রিয়াকেই এখন থেকে প্রিভিলেজড চাইল্ড হিসাবে ট্রিট করি আমরা?"
" হ্যাঁ বাবা, আমি তাই চাই। রিয়াও তাই চায়। দেখ, এতে আমরা দুজনেই ভাল থাকব। তোমরা যা চাও, রিয়াও ভাল স্টুডেন্ট হোক, এইভাবে কিছুদিন চলার পর দেখ সেটাও হয়ে যাবে। তোমাদেরও এই ব্যাবস্থা ভাল লাগবে তখন।"
" ঠিক আছে, তাই হবে। তোর এই কথা মেনে নিলাম আমি। কিন্তু তবু আমি চাই গিফট হিসাবে তুই আমার থেকে একটা ভাল কোন জিনিস নে এর পাশাপাশি।"
" ঠিক আছে বাবা। তুমি যখন বলছ তখন সেটাও নেব।" এই বলে রিয়ার দিকে তাকাল দিপ।
" কি চাওয়া যায় বল তো রাজকন্যা?"
" একটা আই-প্যাড নিয়ে নে ভোম্বল। তবে মনে রাখবি, সেটা শুধু আমি ধরব। কখনো আমি পারমিশন দিলে তুই ধরতে পারিস। আমার পারমিশান ছাড়া ধরলে শুধু থাপ্পরই না, লাথিও খাবি মনে রাখিস।"
বাবা মার সামনে ছোট বোনের এই ভার্বাল ডমিনেশন সত্যিই অসাধারন ভাল লাগল দিপের। সে বলল, " নিশ্চয়ই রাজকন্যা। তাই হবে। আর এখন থেকে তুমি শুধু তোমার আই প্যাড ধরলে কেন, এমনিই যখন খুশি যে কারনে খুশি আমাকে থাপ্পর আর লাথি মারতে পার। এখন থেকে তুমি এই বাড়ির রাজকন্যা আর আমি তোমার বোকা ভোম্বল চাকর।"
দিপ তারপর বাবার দিকে তাকিয়ে বলল, " তাহলে একটা নতুন আইপ্যাডই কিনে দিও আমাকে।"
" ওই বোকা ভোম্বল, এবার এদিকে আয়। রাজকন্যার পায়ের কাছে বসে একটু পা টিপে দে।"
" নিশ্চয়ই রাজকন্যা। এখুনি যাচ্ছি", বলে দিপ গিয়ে বোনের পায়ের কাছে বসে পরল আবার। ছোট বোনের চটি পরা পা দুটো বাবা মায়ের সামনেই নিজের কোলে তুলে নিল। তারপর চাকরের মত যত্ন করে টিপে দিতে থাকল তার ছোট্ট বোন 'রাজকন্যা'র পা দুটো।
নিজের দেওয়া কথা রাখতে রমেশ বলে ফেলল," ঠিক আছে, কালই তোকে নতুন আই প্যাড কিনে দেব।"
তারপর অবাক চোখে দিপের ছোট বোনেদ সেবা করা দেখতে লাগল। সে অলৌকিকতায় বিশ্বাস করলে ভাবত রিয়া তার দাদাকে মন্ত্র তন্ত্র পরে বশ করেছে। নাহলে কিভাবে এতটা সম্ভব? দিপ নিজের গিফট হিসাবে প্রায় ছোট বোনের চাকর হতে চাইল যখন তখনও সে ভাবেনি আরেকটা গিফট দিতে চাইলে সেই দামী গিফটটাও সে ছোট বোনের হাতে তুলে দিতে চাইবে। আর রিয়া তার জবাবে দাদাকে যখন খুশি থাপ্পর আর লাথি মারার অধিকার আদায় করে দাদাকে দিয়ে বাবা মায়ের সামনে পা টেপাতে শুরু করবে প্রায় চাকরের মত। সত্যি, দুই ভাই বোনের হল কি? অবাক হয়ে ভাবতে ভাবতে দিপের চাকরের মত রিয়ার পা টিপে দেওয়ার দৃশ্য দেখতে লাগল রমেশ।
অনিমাও এক দৃষ্টিতে দেখে চলল দুই ভাই বোনের কান্ড। তার দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে যে কি চলছে অনেক ভেবেও তার কুল কিনারা করতে পারল না অনিমা।

Wednesday, 1 November 2017

হৃত্বিকা

তখন বিমলের ক্লাস ৮, সে হোস্টেলে থাকে। পুরনো রুমমেট চলে গেলে নতুন রুমমেট আসার কথা। তার বন্ধু রাজুর আসার কথা যেদিন হঠাত তার ৮-১০ দিন আগে হৃত্বিকা ঘর দেখতে এল। হৃত্বিকা ওর চেয়ে একবছরের জুনিয়ার, ক্লাস ৭ এ পড়ে। দেখতে অসাধারন সুন্দরী, কিন্তু অত্যন্ত সেল্ফিশ স্বভাবের। সে ঘর দেখতে এসে এক বছরের সিনিয়ার বিমলের সাথে বেশ খারাপ ব্যবহার করল, ঘুরিয়ে একবার বিমলের কালো, খারাপ চেহারা নিয়ে মজাও করল। ফরশা, সুন্দরী হৃত্বিকার কাছে সব অপমান কেন জানি ভিশন ভাল লাগতে শুরু করল বিমলের। তার প্রতি কথায় ফুটে উঠতে লাগল হৃত্বিকার চেয়ে সে কত তুচ্ছ। সে কালো বলে, সে ছেলে বলে। আর এই চিন্তা তাকে অদ্ভুত এক সুখ দিতে লাগল। আর হৃত্বিকার মুখেও ফুটে উঠল এক দারুন হাসি।
কয়েকদিনের মধ্যেই হৃত্বিকার সিনিয়ার দাদা থেকে তার ভৃত্য হয়ে উঠল বিমল। বিমলের টাকায় সে ইচ্ছামত ফুর্তি করতে লাগল, বিমলের সব দামী জিনিস নিজে নিয়ে সে বিমলকে বাধ্য করল চাকরের মত ঘরের এক কোনে মেঝেতে শুয়ে রাত কাটাতে।
বিমল চাকরের মত হৃত্বিকার সেবা করতে এতই ব্যস্ত ছিল সে রাজুকে এই খবরটা দিতেও ভুলে গেল যে তার রুম অন্য একজন দখল করে নিয়েছে। ফলে দিন দশেক পরে একদিন রাজু নিজের জিনিস নিয়ে হোস্টেলে বিমলের ঘরে ঢুকতে গেল। ঘরের দরজা খুলে অবাক হয়ে সে দেখল তার বন্ধু, তার মতই কালো, খারাপ চেহারার বিমল ঠান্ডা মেঝেতে শুয়ে আছে, ওর মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে ওদের স্কুলের ফরশা, সুন্দরী জুনিয়ার মেয়ে হৃত্ব্বিকা। ঠিক চাকরের মত হৃত্বিকার পা টিপে দিচ্ছে বিমল ওই অবস্থায়, আর তার বার করা জিভে জুতোর তলা মুচ্ছে হৃত্বিকা! বিমলের দামী ল্যাপটপে মুভি দেখতে দেখতে বিমলেরই টাকায় কেনা জিনিস দিয়ে বিমলেরই বানিয়ে দেওয়া ব্রেকফাস্ট খাচ্ছিল হৃত্বিকা। রাজুকে ঢুকতে দেখে সে একবার বিমলের দিকে তাকাল। রাজুকে দেখেও সে তার প্রভু হৃত্বিকার সেবা করা থামায়নি। সেটা দেখে হৃত্বিকা খুশি হল। সে যা চায় এবার সে সেটাও শুরু করতে পারে তাহলে। গোটা স্কুলের সামনেও সে যদি বিমলকে চাকরের মত ব্যবহার করে তাও যে সে বাধা দেবে না সেটা এখন হৃত্বিকার কাছে স্পষ্ট!
পুরো ঘটনা দেখে রাজুর খুব অস্বাভাবিক বা খারাপ কোনটাই লাগল না। তার বা বিমলের মত কালো, কুশ্রী চেহারার ছেলেরা হৃত্বিকার মত ফরশা, সুন্দরী মেয়েদের প্রভুজ্ঞানে সেবা করবে এটাই তো স্বাভাবিক! সে ঘরে ঢুকে অবহেলা ভরে নিজের জিনিস গুলো মেঝেতে ফেলে দিল। তারপর ঠিক হৃত্বিকার পায়ের সামনে হাটুগেড়ে হাতজোর করে বসে পরল।
বিমলের মুখে নিজের জুতোর তলা ঘসতে ঘসতে রাজুর দুই গালে পরপর দুটো থাপ্পর মারল হৃত্বিকা।
" আজ থেকে বিমলের মত তুইও আমার চাকর। আমাকে খুশি রাখাই তোদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। তোদের মত কেলোভুতেরা এরই যোগ্য।"
জবাবে বিমলের মুখের উপরে রাখা হৃত্বিকার জুতো পরা দুই পায়ের উপরে একবার করে চুম্বন করে রাজু বলল, " ধন্যবাদ প্রভু"।

Sunday, 1 October 2017

অসীম...

অসীম ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের প্রতি খুব সাবমিসিভ। কিন্তু ছোট থেকেই কিছু মেয়ে তার সুযোগ নিলেও তাদের সেবা করার সুযোগ দিত না।
প্রথমে কম বয়সে তার ৪ বছরের বড় দিদি তার থেকে হাতখরচ আদায় করে নিত, নিজের কাজ ওকে দিয়ে করাত। কিন্তু চাকরের মত দিদি তাকে সেবা করার সুযোগ দেয়নি। এরপর তার বিয়ে হবে তার চেয়ে ৫ বছরের ছোট শ্রেয়ার সাথে।
বউ তার সাবমিসিভনেসের সুযোগ নিয়ে তার রোজগারে ফুর্তি করত।
অসীম দেখবে বউ তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশছে আর তাকে কাছে ঘেসতে দিচ্ছে না, তবু সে ওদের বাধা দিতে পারবে না।
ক্রমে ওর বউ আর তার বয়ফ্রেন্ডের এক মেয়ে হবে। সে কিছুটা সাবমিসিভ হল বটে, কিন্তু ঠিক এরকম সে চায়নি। বউ তাকে কথায় কথায় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবে, অপমান করবে, কিন্তু বউ বা কোন মেয়ের কাছে যেরকম ডমিনেশন সে চেয়েছিল তা পাবে না।
তার জীবনে কষ্টকর চাকরি আর স্ত্রী ও তার একাধিক বয়ফ্রেন্ডের ঘনিষ্ঠতা দেখার কষ্টের জীবনে একমাত্র আনন্দ ছিল অনলাইনে ফেমডম গল্প পড়া, ভিডিও দেখা আর ফেমডম চ্যাট। ৪৫ বছর বয়সে পৌঁছে সেরকমই এক পুরনো ফেমডম লাভার বন্ধু বিকাশকে একদিন সে কথায় কথায় বলবে তার হতাশার কথা।
বউ তার রোজগারে ফুর্তি করে, একাধিক বয়ফ্রেন্ডের সাথে সম্পর্ক রাখে, তাকে কাছে ঘেঁসতে দেয় না এগুলোও সে হাসিমুখে মেনে নিয়ে উপভোগ করতে পারত যদি শ্রেয়া তাকে অতি সামান্য বুঝত। তার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে অসীমকে ব্যবহার করার সাথে সাথে যদি সে অসীমের মনের বাসনা মত তাকে সামান্য ডমিনেট করত, তাহলে অসীমের এই জীবনে আর চাওয়ার কিছু থাকত না। কিন্তু হায়, শ্রেয়া তাকে কখনও ব্যবহারকারী যন্ত্র ছাড়া কিছু মনে করে নি, কুত্তা বা ক্রীতদাসও না!
সে মেয়েদের কাছে অপমান চায়, তাচ্ছিল্য চায়, সেই সাথে চায় তাদের কাছে ভিশন মার খেতে ও সেই কষ্ট সহ্য করে ক্রীতদাসের মত তাদের সেবা করতে। তার মনের হতাশা যত বাড়ছে, তত তার ইচ্ছা বাড়ছে আরো ভয়ানকভাবে কোন সুন্দরী মেয়ের হাতে অত্যাচারিত হতে।
সেই বন্ধু জিজ্ঞাসা করবে সে ভয়ানক অত্যাচার সহ্য করতে পারবে কিনা মেয়েদের কাছে। সে বলবে "পারব"। সেই বন্ধু তখন ওকে প্রস্তাব দেবে ফেমডম এক সিনেমায় অভিনয় করা যেখানে সে কয়েকটি মেয়ের কাছে ভয়ানক অত্যাচারিত হবে।
অসীম সানন্দে রাজি হয়ে যাবে। ক্রমে সে জানতে পারবে বিকাশ আর তার এক অনলাইন বন্ধু মিলে এক্সট্রিম ফেমডম ভিডিও বানায় আর সেইগুলো সারা পৃথিবী জুড়ে এক্সট্রিম ফেমডম লাভারদের বিক্রী করে। কিন্তু তাদের কাছে আপাতত ফেমডম মুভি বানানোর টাকা নেই।
বেপরোয়া অসীম নিজেই প্রোডিউস করতে রাজি হয়ে যাবে। গল্পের মুল চরিত্রে অভিনয় করবে অসীম(৪৫) আর ইশা(২১)ও সৃজা(১৬) বলে দুটি মেয়ে। মেয়ে দুটির পারিশ্রমিক ৩ লাখ টাকা করে। অন্যান্য সব মিলিয়ে বাজেট প্রায় ১০ লাখ টাকা। অসীম এক কথায় এত টাকা খরচ করতে রাজি হয়ে যাবে। কেনই বা সে করবে না? তার জীবনে আছে টাই বা কি?
বিকাশ আর তার বন্ধু তাকে আগেই বুঝিয়ে বলবে সিনেমাটা এক্সট্রিম ভায়োলেন্ট হবে। গল্পে সে ক্রিমিনাল। সে একজন মধ্যবয়স্ক লম্পট, ক্ষমতাবান, মদ্যপ রাজনীতিক। সুযোগ পেলেই সে কিশোরী মেয়েদের টিজ করত। নিজের মেয়ের বয়সী সৃজাকেও সে সুযোগ পেয়ে টিজ করবে একদিন। দাপুটে পুলিশ অফিসার ইশা তাকে নিজের বাড়ি থেকে তুলে আনবে। তারপর লকাপে ভয়ানক অত্যাচার করবে। সেই অত্যাচারে ইশার সঙ্গী হবে সৃজা।
অত্যাচারের দৃশ্য এডিট করা যাবে না, কারন কাস্টোমারেরা রিয়াল ভায়োলেন্স চায়। অসীমকে চামড়ার চাবুক মারার দৃশ্য, তার মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মেরে মুখ ক্ষতবিক্ষত করার দৃশ্য সবই বাস্তবে শ্যুট করতে হবে। এমনকি, সিরিয়াস কোন আঘাত থেকে দুর্ঘটনাবশত তার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে শ্যুটিং করতে গিয়ে।
অসীমের মন অসীম আনন্দে লাফিয়ে ওঠে এই কথা শুনে। ইশা আর সৃজার মত দুজন কমবয়সী, ফর্শা সুন্দরী মেয়ের কাছে এইভাবে অত্যাচারিত হওয়া আর তারবদলে ওদের পায়ের তলায় নিজের সব অর্থ বিলিয়ে দেওয়ার মত আনন্দের আর কিছুই হতে পারে না তার কাছে।

Friday, 1 September 2017

প্রকাশ

প্রকাশ নামের ২৮ বছরের একটা ছেলে ভাল চাকরি করে। কিন্তু তাকে দেখতে খারাপ, তাই কোনদিন কোন মেয়ে বন্ধু হয়নি তার। মেয়েদের প্রতি সে খুব দূর্বল, নিজেকে সব মেয়ের থেকে ছোট ভাবে সম্মানে। তার এই দূর্বলতার সুযোগে তার দিদি তাকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করত ছোট থেকে। ছেলেটা তাতে বাধা দিত না। ছেলেটার অবস্থা বুঝে এর সুযোগ নেবে পাশের বাড়ির এক বিধবা মহিলা ও তার দুই টিন এজ মেয়ে। ছেলেটাকে দিয়ে চাকরের মত খাটাবে, তার টাকায় শপিং করবে। এমনকি ছোট খাট কারনে ছেলেটাকে মারবে। ছেলেটা বাধা দেওয়া তো দূর, এটাকে নিজের গর্ব ভেবে ঘুরবে। মেয়েরা তার সাথে কথা বলছে এই খুশিতে সে ওদের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করবে রোজ দুইবেলা। মহিলা আর তার দুই মেয়ে প্রকাশের মাইনের ৯০% নিজেদের ইচ্ছায় খরচ করে মনের সুখে দিন কাটাতে থাকবে।
ছেলেটার বাবা মা সব বুঝে চাইবে ছেলেটাকে বিয়ে দিয়ে এসব থেকে বার করতে। এই সময় ওর দিদিও এসে ওকে আরো গভীর দাসত্বের দিকে ঠেলে দেবে। সে চায় বাবা মায়ের প্রভুত সম্পত্তি একাই পেতে। তাই সব বুঝে সে ভাইকে পাশের বাড়ির মহিলা ও তার মেয়ের মত চাকরের মত ব্যবহার করতে থাকবে। অতি যোগ্যতা ও অর্থ থাকা সত্বেও খারাপ চেহারার ছেলেটি ৪ জন মেয়ের চাকর হয়ে দিন কাটাতে থাকবে।

Tuesday, 1 August 2017

কালীনগর

কালীনগর....
সৃজিতা ক্লাস ৭ এ পড়ে, বয়স ১২। স্কুলের হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষায় বেশ খারাপ রেজাল্ট করে ভয়ে ভয়ে বাড়ি ঢুকল। ওর বাবা ভিশন রাগী, বাবাকে কি জবাব দেবে তাই ভেবে অস্থির হচ্ছিল ও। বাবা বকবে, রেজাল্টে সই না করে দিলে সে কি করবে এইসব ভাবছিল। অথচ সে কি ভাবছিল আর বাড়ি এসে কি দেখল!
তার বাবা সরকারী চাকরি করে। তাদের বাড়িতে আছে সে, তার চেয়ে ৪ বছরের বড় দাদা, আর বাবা মা। ২ বছর আগে তারা উত্তরবঙ্গের ছোট শহর কালীনগরে এসেছে তার বাবার পোস্টিং এখানে হওয়ায়।
তার বাবা অমল সৎ সরকারী কর্মচারী না, মাঝে মাঝেই ঘুষ নেয়। এইভাবে বেশ অনেক টাকা জমিয়েছে সে। অথচ অমল নিজেও এই নিয়ে মানসিক টানাপোড়েনে ভোগে মাঝে মাঝে। অপরাধবোধ পীড়া দিলে মা কালীর মন্দিরে দক্ষিনা দিয়ে বা বলী দিয়ে অপরাধবোধ কাটায় সে। আর সেই উদ্বেগ কাটাতে সে বাড়িতে ছেলে-মেয়ে-বউয়ের উপরে বেশ হম্বিতম্বি করে, বিশেষ করে মেয়ের উপরে।
সৃজিতার সাথে বাড়িতে মায়ের সম্পর্ক সবচেয়ে ভাল, দাদার সাথে মোটামুটি। মাঝে সাঝে ঝগড়া হয়, আবার ভাব হয়ে যায়। আর বাবাকে সে চিরদিনই ভয় করে চলে। আজ বাড়িতে ফিরে সে দেখল মার মুড খুব ভাল, ভিশন হাসিখুশি, যেমনটা সে কোনদিন থাকে না। সে মা শর্মীকে রেজাল্টের কথা বলতেই মা ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, " তোর জীবন পুরো বদলে গেছে রে। তোকে আর কোনদিন কাউকে ভয় করে চলতে হবে না। অন্তত তোর বাবাকে তো নয়ই।"
" কেন মা কি হয়েছে?", সৃজিতা অবাক হয়ে মাকে জিজ্ঞাসা করল।
তোর বাবা কালীনগরের জাগ্রত কালীমন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিল আজ সকালে। আমিও গিয়েছিলাম। আর কিছু এখন বলব না। বাকিটা তোর বাবা এলেই বুঝবি। একটু সাস্পেন্স থাক। এই বলে ওর মা আদর করে ওর কপালে একটা চুম্বন এঁকে দিল।
কালীনগরের কালী জাগ্রত সে এখানে এসেই শুনেছে। তবে আরো এক প্রথা এখানে প্রায় ৫০০ বছর ধরে চলে আসছে। কোন পুরুষ যদি মনে করে সে কোন বড় অপরাধ করেছে তবে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য প্রতি অমাবস্যায় কালীমন্দিরে গিয়ে মায়ের পুজো করতে থাকে মায়ের দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে। যেদিন মা দয়া করেন সেদিন সে তার পরিচিত কোন কিশোরী মেয়েকে মা কালী রুপে দেখতে পায়। তারপর সেই পুরুষকে বাকি সারাজীবন সেই কিশোরী মেয়েকেই দেবীজ্ঞানে পুজো করতে হয় মায়ের ক্ষমা পাওয়ার জন্যে কারন মা শুধু সেই মেয়ের মাধ্যমেই নাকি পুজো নিতে চান ওই পুরুষের কাছ থেকে। প্রায় ৫০০ বছর আগে কালীনগরের রাজা যুদ্ধে এক শিশুহত্যা করে অপরাধবোধে ভুগে মা কালীর চরণে যখন আশ্রয় চেয়েছিল তখন মা নাকি তাকে দেখা দিয়ে বলেছিলেন তার ১১ বছর বয়সী কন্যার মাধ্যমেই শুধু তিনি পুজো গ্রহন করবেন। সেই থেকে সেই রাজা সারাজীবন নিজের মেয়েকে দেবীজ্ঞানে পুজো করে কাটিয়ে দিয়েছিলেন।
এই প্রথা এখনও এখানে প্রচলিত এবং কালীনগরের প্রতিটা মানুষই প্রায় এতে বিশ্বাস করে। এখন শুধু একজন জীবিত মানুষই মা কালীর পুজোর মাধ্যমে এভাবে স্বপ্নাদেশ পেয়েছে বলে শুনেছে সৃজিতা। সে পাশের এক কোয়েড স্কুলের টিচার, তার বাবার মতই গুরুগম্ভীর মানুষ ছিল। তার অত্যধিক শাসন সহ্য করতে না পেরে তার একমাত্র ছেলে আত্মহত্যা করে। সেই শোকে তার স্ত্রীও মারা যায়। প্রবল অপরাধবোধে সে তখন মা কালীর মন্দিরে গিয়ে মায়ের চরনে দিনের পর দিন মাথা কুটতে থাকে। অবশেষে মা তাকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে বলে তিনি ওর অপরাধ ক্ষমা করবেন যদি বাকি জীবনটা সে তার ছাত্রী সুনন্দাকে মা কালী ভেবে ভক্তিভরে পুজো করে কাটাতে পারে। মা শুধু সুনন্দার মাধ্যমেই পুজো নেবেন তার কাছ থেকে। তাকে বাকি জীবনটা সুনন্দার দাস হয়ে কাটাতে হবে। সুনন্দার প্রতিটা আদেশ যেভাবেই হোক পালন করতে হবে।
সুনন্দা এখন ক্লাস ১১ এ পড়ে। তার বোন সোহিনী ওদের মতই ক্লাস ৭ এ পড়ে। সৃজিতা শুনেছে কোয়েড স্কুলে ওই দুই বোন সবার সামনেই তাদের স্যার অমিয়র সাথে ক্রীতদাসের মত ব্যবহার করে, জবাবে অমিয় ভক্তিভরে দেবীজ্ঞানে সেবা করে দুই বোনের। কালীনগরের মানুষের কাছে এটা অতি স্বাভাবিক ঘটনা। মা কালী স্বয়ং চান অমিয় সুনন্দার মাধ্যমে তার পুজা করুক, আর সেই সুনন্দার আদেশ তার মত একই রকম ভক্তিভরে অমিয়কে তার বোন সোহিনীরও সেবা করতে হবে। অমিয় মাসের সম্পুর্ন মাইনে দুই ছাত্রীর হাতে তুলে দেয়। তারপরে নিজের খাওয়ার জন্য মাসে ২-৩ হাজার টাকার জন্য দুই বোনের জুতোয় চুম্বন করতে করতে অনুরোধ করতে থাকে। তার দুই ছাত্রী জবাবে স্যারের মাথায় জুতো পরা পায় লাথি মারে, সবার সামনে ক্রীতদাসের মত ব্যবহার করে স্যারকে। উফ, বন্ধু প্রিয়ার কাছে এই ঘটনা শুনে সৃজিতার বেশ হিংসা হয়েছিল। ইশ, তার ভাগ্যও যদি এরকম হত!
সে বাইরের ঘরের সোফায় বসে জুতো খুলতে গেলে মা বাধা দিয়ে বলল, " জুতো খুলতে হবে না। আয়, ভিতরের ঘরে জুতো পরেই আয়"। অথচ সে জানে ভুলেও জুতো পরে ভিতরের ঘরে গেলে বাবা ভিশন রেগে যায়। সে জুতো পরেই ভিতরের ঘরে গেল আর মার যত্ন করে বানানো টিফিন খেতে লাগল স্কুলের জামা জুতো পরেই। তার মনে তখন ভিশন কৌতুহল। ঘুষ নেওয়া থেকে বাবার অপরাধবোধ, তারপরে জাগ্রত মা কালীর মন্দিরে গিয়ে মায়ের ক্ষমা প্রার্থনা পর্যন্ত সে বুঝতে পারছিল। তারপরে কি হয়েছে? সে এসবে ঠিক বিশ্বাস করে না। মানসিক উতকন্ঠা ও বিশ্বাসের মিশ্রনে তার বাবাও কি শেষ পর্যন্ত অমিয়বাবুর মত মা কালীর দর্শন ও স্বপ্নাদেশ পেয়েছে? কোন কিশোরী মেয়েকে দেবী হিসাবে পুজো করার আদেশ পেয়েছে বাবা? নিজের মেয়েকেই নয়ত? উফ, সম্ভাবনাটার কথা ভাবতেই আনন্দে তার সারা শরীর দিয়ে বিদ্যুৎ স্রোত বয়ে গেল। আর তখনই সে খেয়াল করল, বাবা এসে গেছে। আর এসেই সোজা লুটিয়ে পরেছে তার স্কুল জুতো পরা পায়ের উপরে। প্রবল ভক্তিতে তার বাবা নিজেফ মেয়ের স্কুল জুতো পরা পায়ের উপরে নিজের কপাল ঘসছে আর মাঝে মাঝেই প্রবল ভক্তিভরে চুম্বন করছে তার স্কুল জুতোর উপরে। তার মা ঠিক তার পাশে বসে হাসিমুখে নিজের স্বামীর কর্মকান্ড দেখছে হাসিমুখে।
আনন্দে সৃজিতা প্রায় পাগল হয়ে যাবে ভাবছিল। উফ, সে এক ঘন্টা আগেও এই বাবার ভয়ে কম্পিত বুকে বাড়ি ফিরেছে! আর এখন সেই বাবাই তার জুতো পরা পায়ের উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চাইছে তার কাছে! এর মানে বাবা সত্যিই নির্দেশ পেয়েছে তার মাধ্যমে মা কালীর পুজো করতে। বাবা সারাজীবনই এইভাবে তাকে দেবীর মত ভক্তি দেখাবে তার মানে! সৃজিতা বাবার মাথার উপরে জুতো পরা ডান পা টা বোলাল একটু। তার বাবা তখনো ভক্তিভরে তার জুতো পরা বাঁ পায়ের উপরে চুম্বন করে যাচ্ছে। এরপরে সৃজিতা ডান পা টা তুলে বেশ জোরেই লাথি মারল নিজের বাবার মাথার উপরে। " এই অমল, উঠে আমার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বস।"
" জ্বী দেবী", বলে অমল নিজের মেয়ের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল।
সৃজিতা সাথে সাথে জুতো পরা দুই পা দিয়ে পরপর দুটো লাথি মারল বাবার মুখে। অবাক হয়ে দেখল, জবাবে বাবা তার জুতো পরা দুই পায়ের উপরে পরপর দুবার চুম্বন করে বলল," ধন্যবাদ দেবী, আমার মুখে লাথি মারার জন্য"।
সৃজিতা আনন্দে পাশে বসা মাকে একবার জড়িয়ে ধরে বলল, " নিজের রাগী বাবার মুখের উপরে এইভাবে জুতো পরা পায়ে লাথি মারছি, ভাবতেই দারুন মজা মা"।
ওর মা জবাবে ওর মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, " বাকি সারাজীবনই বাবা তোর ভক্ত, দাস। তুই সারাজীবনই বাবাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারিস।"
সৃজিতা ওর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে হাতজোড় করে বসে থাকা বাবার দুই গালে পরপর কয়েকটা থাপ্পর মারল প্রথমে। তারপর আবার আগের মত বাবার মুখের উপরে জোরে জোরে সাদা স্নিকার পরা দুই পায়ে লাথি মারতে লাগল। আর অমল মেয়ের পায়ের কাছে ভক্তিভরে হাতজোড় করে বসে মুখের সর্বত্র মেয়ের স্কুলজুতো পরা পায়ের লাথি খেতে লাগল। নিজের ১২ বছর মেয়ে এখন তার কাছে মায়ের অবতার। তার পরম সৌভাগ্য যে মা তার অপরাধ দূর করতে এইভাবে জুতো পরা পায়ে জোরে জোরে লাথি মারছে তার মুখে!

Saturday, 1 July 2017

ক্লাস মনিটর স্মৃতি...

 ক্লাস মনিটর স্মৃতি.....
রাজনগর হাই স্কুলে প্রায় ১০ বছর আমি ক্লাস ৭ এর ক্লাস টিচার আছি। কিন্তু এরকম ফার্স্ট বা সেকেন্ড হওয়া স্টুডেন্ট আমি দেখিনি। ক্লাসের ফার্স্ট বয় রাকেশ চুপচাপ, শান্তশিষ্ট, গোবেচারা, দেখতে কালো,সাধারন। আর ক্লাসের সেকেন্ড গার্ল স্মৃতি ফর্শা, অসাধারন সুন্দরী, আউটগোইং, আর ক্লাস মনিটর। আমার শিক্ষক জীবনে কোন ক্লাস মনিটরকে বাকি ক্লাসের উপর এত হুকুম চালাতে আমি আগে দেখি নি। স্মৃতি বিশেষ করে ছেলেদের উপর যথেষ্ট হুকুম চালায়, এবং বেশিরভাগ ছেলেই কোন কারনে তা মেনে নেয়। তবে সবচেয়ে বেশি ও হুকুম করে ক্লাসের ফার্স্টবয় রাকেশের উপরে। নিজে রেজাল্টে রাকেশকে হারাতে না পারার শোধ বোধহয় এইভাবে তোলে স্মৃতি। ক্রমে আমি লক্ষ্য করি রাকেশকে ক্লাসে সবার সামনে তুচ্ছ কারনে রোজ কয়েকবার থাপ্পর মারে স্মৃতি। ক্লাসের মাঝে তো বটেই, এমনকি টিফিনের সময়ও রাকেশকে টয়লেটে যাওয়ার অনুমতিও দেয়না সে। অথচ ক্লাসমেট সুন্দরী মেয়ের এই অত্যাচার বিনা তর্কে কোন অভিযোগ ছাড়াই মেনে চলে রাকেশ। ব্যাপারটা জেনে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম। রাকেশ অন্তর্মুখী, তাই সে আমাদের কাছে অভিযোগ জানাতে ভয় পায়। অথচ ওকে ডেকে সরাসরি কথা বলে বুঝলাম ব্যাপার সেটা নয়। স্মৃতির ওর উপরে করা ভয়ানক অত্যাচার নিয়ে ওর কোন অভিযোগই নেই। বরং ও যেন বোঝাতে চাইছে, সুন্দরী স্মৃতির তুলনায় সে অতি তুচ্ছ। তাই স্মৃতি তার উপরে অত্যাচার করবে এটাই স্বাভাবিক! ব্যাপারটা শুনে ভিশন অবাক লেগেছিল প্রথমে, কিন্তু এই পৃথিবীতে ভয়ানক আশ্চর্য কত কিছুই তো ঘটে।
ক্রমে বুঝলাম এই ঘটনা স্মৃতি আর রাকেশ দুজনেই আসলে উপভোগ করে। তাই আমি ঠিক করলাম ক্লাস চলাকালীন আমিও রাকেশকে স্মৃতির তুলনায় ছোট দেখিয়ে অপমান করাব স্মৃতির কাছে। রোজ প্রথমে সোজা পড়া ধরতে লাগলাম স্মৃতিকে। স্মৃতি সঠিক উত্তর দিলে ভয়ানক কঠিন কোন প্রশ্ন করতাম রাকেশকে। রাকেশ জবাব দিতে না পারলে ওকে ফার্স্ট বেঞ্চে বসা স্মৃতির পায়ের কাছে কান ধরে নিল ডাউন হয়ে থাকতে বলতাম।
এবং রাকেশের মুখের ভাবে বুঝতে পারতাম ও এতে খুশিই হয়!
ব্যাপারটা আমাকে ভারি আশ্চর্য করে তুলেছিল। কি করে একজন স্বেচ্ছায় এইভাবে সবার সামনে ক্লাসমেট এক মেয়ের কাছে অপমানিত হতে ভালবাসতে পারে? তাও ক্লাসের ফার্স্ট বয় হয়ে? আমি ক্লাস থেকে বেরনোর সময়ে বলে যেতাম ক্লাস মনিটর স্মৃতি অনুমতি দিলে তবেই নিল ডাউন থেকে উঠতে পারবে রাকেশ। কৌতুহল বসত ওদের উপরে নজর রাখতাম ক্লাসের পরেও।
ক্রমে লক্ষ্য করলাম নিল ডাউন করালে রাকেশ কান ধরে নিজের মাথা ক্রমে নিচু করতে করতে স্মৃতির জুতো পরা পায়ের ঠিক কাছে মেঝেতে ঠেকিয়ে দিচ্ছে। আর ক্লাসের মধ্যেই খুব স্বাভাবিক ভাবেই মাঝে মাঝেই রাকেশের মাথার উপরে নিজের জুতো পরা পায়ের তলা বোলাচ্ছে স্মৃতি। আমার তরফ থেকে কোন বাধা না পেয়ে স্মৃতি কয়েকদিনের মধ্যেই নিজের জুতো পরা পা সোজা রাকেশের মাথার উপরে তুলে বসে ক্লাস করতে লাগল। ক্লাসের শুরুতেই পড়া না পারার অজুহাতে আমি রোজ রাকেশকে স্মৃতির পায়ের কাছে নিল ডাউন করে দিতে লাগলাম আর রাকেশ স্বেচ্ছায় কান ধরা অবস্থায় নিজের মাথা স্মৃতির ঠিক পায়ের কাছে মেঝেতে ঠেকিয়ে নিল ডাউন হয়ে বসে থাকতে লাগল। আর ক্লাসের সেকেন্ড গার্ল ফর্শা, সুন্দরী স্মৃতি ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কালো, খারাপ চেহারার রাকেশের মাথার উপরে নিজের জুতো পরা পা দুটো রেখে ক্লাস করতে লাগল ক্লাসের সবার সামনেই। এটা ক্রমে রোজকার রুটিনে পরিনত হল।
আমার খারাপ লাগত না আর এটা। যেখানে ওরা দুজনেই এটা উপভোগ করছে সেখানে খারাপ লাগার প্রশ্নই নেই। কিন্তু কৌতুহল হত। রাকেশ কেন নিজের অপমান উপভোগ করে? এরকম কি আরো অনেক ছেলে আছে যারা সুন্দরী মেয়েদের কাছে নিজের অপমান রাকেশের মতই উপভোগ করে? আর ওদের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে শেষ হবে? ক্রমে এই সব প্রশ্নেরই উত্তর পেলাম।

Thursday, 1 June 2017

দিপক...

দিপক...

আমার নাম দিপক, এখন বয়স ২৮, পেশায় একজন চিকিতসক। ছোট থেকেই আমার মেয়েদের কাছে অপমানিত হতে, মেয়েদের সেবা করার চিন্তা করতে কোন এক অজ্ঞাত কারনে ভিশন ভাল লাগত। আমার বয়স যখন মাত্র ৭-৮, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম, তখন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতাম ক্লাসের সুন্দরী মেয়েরা আমাকে অর্ডার করছে, অপমান করছে,  আমাকে দিয়ে নিজেদের সেবা করাচ্ছে। কেন যে এই স্বপ্প দেখতে এত ভাল লাগত নিজেই জানতাম না। আমার এই স্বপ্ন যে বাকি দুনিয়ার কাছে অদ্ভুত, এটা স্বীকার করা লজ্জার  সেটা সেই বয়সেই অল্প বুঝতাম। ফলে নিজে থেকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়নি কখনো। কোন মেয়েও কখনো এগিয়ে এসে নিজে থেকে আমাকে অপমান করেনি। ফলে টিন এজ পার হওয়া পর্যন্ত আমার জীবনে কোন ফেমডমের অভিজ্ঞতাই হয়নি।
আমাদের বাড়ির পরিবেশ ছিল ঠিক আমার কল্পনার বিপরীত। মা ছিল ঠিক প্রচলিত চিন্তামতে আদর্শ গৃহবধুর মত। বাড়ির বাইরে কম যেত , বাবার কথা মত চলত। আমি ছিলাম বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান।  আমার বাবা ছিল ব্যবসায়ী, পুরনো পুরুষতান্ত্রিক ধ্যানধারনায় বিশ্বাসী। আমাদের কাপড়ের ব্যবসা কয়েক পুরুষ ধরে চলে আসছিল,  বাবা আর বাবার একমাত্র ভাই মিলে ব্যবসা সামলাত।
আমার যখন ১০ বছর বয়স তখন ছোট কাকু বিয়ে করল। বিয়ের আগে আমরা সবাই আমাদের বিশাল বাড়ির একতলায় থাকতাম। বিয়ের পর কাকু আর কাকিমা দুইতলায় আলাদা থাকতে শুরু করল। কাকিমার বয়স তখন ১৮-১৯ হবে। কাকিমা প্রথম থেকেই এই বাড়ির পুরুষতান্ত্রিক নিয়ম মানতে চাইত না। শাড়ি না পরে চুড়িদার পরা, বাজার বা যেকোন প্রয়োজনে যখন খুশি কাকিমার বাইরে যাওয়া প্রথমে বাবা বা কাকু মানতে চায়নি। কিন্তু কাকিমার জোরের কাছে শেষে হার স্বীকার করতে হয়েছিল। কিন্তু কাকিমাকেই আমাদের পরিবারের সাথে এডজাস্ট করে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বেশি স্যাক্রিফাইস করতে হয়েছিল। উচ্চমাধ্যমিকের পরে আর পড়তে পারেনি,  চাকরি করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সেই ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হয়েছিল।
কাকিমাকে আমার খুব ভাল লাগত এই বিদ্রোহী মনোভাবের জন্য। সমাজে কেন শুধু পুরুষেরা নিজেদের ইচ্ছামত বাঁচবে, আর তাদের জন্য মেয়েদের নিজেদের যাবতীয় ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হবে তার পিছনে কোন যুক্তি খুঁজে পেতাম না আমি। আর সেই সাথে ছিল আমার মনের সেই সুপ্ত বাসনা, যার উৎস নিয়ে তখন আমার কোন ধারনা ছিল না। শুধু মেয়েদের ডমিনেট করতে দেখলে আমার ভয়ানক ভাল লাগত।
সেই ১০ বছর বয়স থেকেই আমি আমার চেয়ে ৮-৯ বছরের বড় কাকিমাকে রোজ সকালে উঠে পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করতাম। স্কুলে ছুটি থাকলেই সারা সকাল  কাকিমার পাশে ঘুরঘুর করতাম কাকিমা যদি  বাড়ির কোন কাজ আমাকে করতে অর্ডার করে সেই আশায়। যেহেতু কাকিমা আমার সম্পর্কে গুরুজন সেটা কাকিমা প্রায়ই করে থাকত।  কিন্তু এর বেশি কোন মেয়ের হাতে ডমিনেটেড হওয়ার স্বপ্ন আমার টিন এজ পর্যন্ত পুরন হয়নি।
আমি পড়াশোনায় চিরদিনই ভাল ছিলাম। ১৭ বছর বয়সেই আমি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ পেয়ে গেলাম। কলেজ জীবনে পড়ালেখায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেও বাড়িতে থাকলে চেষ্টা করতাম কাকিমাকে যেভাবে হোক সাহায্য করতে আর আশায় থাকতাম যদি কাকিমা ওর মেয়ের সামনেই হুকুম করে! আমার ব্যবহারে কাকিমা চিরদিনই খুব খুশি ছিল। কাকিমা বলত তুইই এই পরিবারের একমাত্র মেধাবী ছেলে, তাই তুই বুঝিস মেয়েদের কতটা অধিকার দেওয়া উচিত, কিভাবে তাদের সব কাজে সাহায্য করা উচিত!
কাকু- কাকিমার  একমাত্র মেয়ে দিশা আমার চেয়ে প্রায় ১২ বছরের ছোট। ও ছোট থেকেই দেখে আসছে আমি বাড়ির অন্য সকলের চেয়ে ওর মাকে বেশি সম্মান দিই, সব সময়ে তার কাজ স্বেচ্ছায় করে দিয়ে তাকে খুশি করার চেষ্টা করি।
কাকিমাকে আরো সেবা করার ইচ্ছা থাকলেও মুখ ফুটে বলার সাহস হত না। কিন্তু অন্য রকম ফেমডমের স্বাদ জীবনে প্রথম তবু বাড়িতেই পেলাম আমি, দিশার কাছে। ছোট থেকেই ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া,  জুতো খুলে দেওয়া, ওর জুতো পালিশ করে দেওয়া এসব কাজ আমি নিজে থেকেই করতাম বাড়ি থাকলে। যেহেতু ও তখন অনেক ছোট, আর আমি ওর থেকে ১২ বছরের বড় দাদা, তাই এটা সবার কাছেই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু এগুলো করতে পেলে আমার মনে এক ভয়ানক সুখের অনুভুতি জাগত। মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ থাকার যে স্বপ্ন আমি সারাজীবন দেখতাম তারই কিছুটা পুরন হত এতে। মনে মনে স্বপ্ন দেখতাম যেভাবেই হোক দিশা বড় হলেও ওর পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া, জুতো পালিশ করে দেওয়া গুলো আমাকে চালিয়ে যেতেই হবে। অনেক ছোট আদরের বোনের জন্য কোন দাদা এগুলো করলে অতটা অস্বাভাবিক লাগবে না, ভেবে মনে মনে আস্বস্ত হতাম। আসলে তখন কোন ধারনাই ছিল না, দিশার সেবা করার পরিমান আর কয়েক বছরের মধ্যে বাড়তে বাড়তে কোথায় গিয়ে ঠেকবে!
দিশার ছোটবেলা থেকেই আমি বাড়িতে ফ্রি থাকলেই দিশা আমাকে ওর খেলার সঙ্গী করার চেষ্টা করত। ৫-৬ বছর বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে চাইল্ডিশ গেম খেলতে কোন ১৭-১৮ বছর বয়সী ছেলেরই ভাল লাগার কথা না। কিন্তু তবু দিশা যখনই ডাকত, আমি খুশি মনে গিয়ে ওর সাথে খেলতাম। সেই খেলায় প্রথমে ডমিনেশনের কিছুই ছিল না, তবুও। আসলে দিশার মায়ের কথা শুনে চলার অভ্যাস থেকেই কিভাবে যেন ছোট্ট বোনটার সব কথা মেনে চলার অভ্যাসটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল আমার মধ্যে।
 যখন দিশা আরেকটু বড় হল তখন প্রথম এমন একটা খেলা শুরু করল যাতে আমি নিজেকে ওর কাছে ডমিনেটেড হচ্ছি ভেবে সুখ পেতাম। সেটাও যদিও চাইল্ডিশ গেমই। আমাকে ঘোড়া সাজিয়ে ও পিঠে উঠে বসত, তারপর সারা ঘরে ওকে পিঠে নিয়ে ঘুরতে হত আমাকে ঘোড়ার মত। এটা একদমই শিশুসুলভ খেলা ছিল, ও আমাকে ডমিনেট করছে এরকমও কিছু ছিল না প্রথমে। তবু বোন যখন আমার পিঠে বসে "হ্যাট ঘোড়া হ্যাট" বলে সারা ঘরে ছোটাত ওর ছোট হাতের মুঠোয় আমার চুল মুঠো করে ধরে, আমার বড্ড ভাল লাগত। কাকু বেশিরভাগ সময়ই ব্যবসার কাজে বাইরে থাকত, ফলে সাধারনত শুধু কাকিমাই থাকত ওই ঘরে এই খেলার সময়ে। কাকিমা দেখে হাসত, আর বলত " অনেক ঘোড়া চড়েছিস, এবার দাদাকে ছাড়। ওর হাটুতে ব্যাথা করবে তো।" ঘরের শক্ত সিমেন্টের মেঝেতে হাটুতে ঘসা খেয়ে সত্যিই খুব ব্যাথা করতে শুরু করত ৫ মিনিট পর থেকেই। তবু আমি বোনকে বলতাম, " তোর যতক্ষন ইচ্ছা ঘোড়া চর বোন। আমার একটুও লাগছে না।" আসলে ছোট্ট বোনের কাছে ব্যাথা পাচ্ছি এই চিন্তা আমাকে ভিশন আনন্দ দিত। ক্রমে বোনকে শেখালাম 'ঘোড়া'র চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে আর 'ঘোড়া'র সামনের পায়ে লাথি মেরে কিভাবে দিকে নিয়ন্ত্রন করতে হয়। বোন শিশুর মত মজা পেয়ে তাই করত আর আমি আনন্দ পেতাম ছোট্ট বোন মায়ের সামনে আমাকে পোষা জন্তুর মত ব্যবহার করছে ভেবে!
তবু এর বেশি কিছু বোনকে করতে  উতসাহ দেওয়ার সাহস আমি পাচ্ছিলাম না কিছুতেই। কাকিমাকে প্রনাম করা, বোনের সাথে কাকিমারও জুতো পালিশ করে দেওয়া, বোনের পায়ে জুতো পরিয়ে দেওয়া খুলে দেওয়া ছাড়া আর বেশি কিছু সেবা করার সুযোগ পেতাম না বলে কিছুটা খারাপ লাগত। বোন ওর বয়স ১০ এ পরার আগেই আমার পিঠে উঠে ঘোড়া চড়ার খেলাও পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছিল।
কাকিমা চাইত বোন পূর্ন অধিকার নিয়ে এই যুগের বাকি পাঁচটা মেয়ের মত বাঁচুক, আর আমার বাবা-কাকা তাদের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার জন্য তাতে বাধা দিতে চাইত। আমি তখন অনেক বড় হয়েছি, আমি কাকিমার পাশে গিয়ে দাড়াতাম দরকার হলেই। যাতে কাকিমার মত তার মেয়েকেও নিজের সব ইচ্ছা বিসর্জন দিয়ে কম বয়সে বিয়ে করে পরের সংসার টানতে না হয়।
১০ বছর বয়স হতেই বোনের ইচ্ছা হল নাচ শেখার। আমার আর কাকিমার সমর্থনে বোন ওয়েস্টার্ন ড্যান্স শিখতে ভর্তি হল। কয়েক মাস পরেই ওর সখ হল ক্যারাটে শেখার।বাবা- কাকু আবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল "মেয়েরা ক্যারাটে শিখে কি করবে?" বলে। মা কোন বিষয়েই প্রায় মত দিত না, মেয়েদের আলাদা মত থাকতে পারে সেটা বোধহয় ভুলেই গিয়েছিল এত বছর পুরুষতান্ত্রিক পরিবেশে থেকে। কিন্তু আমার আর কাকিমার সমর্থনে বোন নাচের পাশাপাশি ক্যারাটে শিখতেও ভর্তি হল।
কিন্তু কয়েক মাস পরই সমস্যা হল বোনের। ওয়েস্টার্ন ড্যান্স আর ক্যারাটে দুটোই বেশ ফিজিক্যালি ডিম্যান্ডিং।একসাথে দুটো ও চালাতে পারছিল না। টায়ার্ড হয়ে পরছিল। সেই সাথে পায়ে ব্যথা হতে শুরু করল  ওর খুব। অথচ দুটোর একটাও ও ছাড়তে চাইছিল না।
তখন আমি সদ্য ২৩ এ পরেছি, সবে ডাক্তারি পাশ করে তখন বাড়িতেই থাকছি। বোনের বয়স ১১ এ পরতে তখন ২ মাস বাকি। একদিন আমি সন্ধ্যাবেলায় দিশাকে ক্যারাটে ক্লাস থেকে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। ও বাড়িতে ঢুকেই সোফায় হেলান দিয়ে বসে বলল, " মা খুব টায়ার্ড লাগছে। পায়েও খুব ব্যথা করছে।"
কাকিমা চিন্তিত মুখে মেয়ের পাশে এসে বসল সোফায়। তারপর মেয়ের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলল, " তুই ক্যারাটে আর নাচ দুটো একসাথে চালাতে পারবি না। যেটা বেশি ভাল লাগে  সেটা বেছে অন্যটা বাদ দিয়ে দে। নাহলে তোর শরীর নিতে পারবে না এত চাপ।"
আমি তখন বোনের পায়ের কাছে বসে বোনের পা থেকে জুতো খুলে দিচ্ছিলাম। আমি ইচ্ছা করেই জুতো খোলার সময় বোনের জুতোর তলায় হাত রেখে হাত দিয়ে জুতোর তলাটা একটু মুছে দিতাম। বোন জোর করে এটা করাচ্ছে ভেবে আনন্দ লাগত।
আমি বোনের জুতো খুলতে খুলতে শুনলাম ও নিজের মাকে একটু রাগী গলায় বলছে, " তুমিও বাবা আর জেঠুর মত বলছ মা? তুমি জান না, দুটোই আমি কত ভালবাসি শিখতে?"
বোনের কথা আর পরিস্থিতি শুনে হঠাত কিরকম একটা আশার আলো জেগে উঠল মনে। একটা প্ল্যান খেলে গেল মাথায়। কিন্তু বলব কি? বলা উচিত হবে এটা? ভাবতে লাগলাম আমি।
বোনকে রাগতে দেখে কাকিমা আরো নরম গলায় বলল, " তোর মনে হয় আমি তোর বাবা আর জেঠুর মত? ওরা তো তোকে কিছুই শিখতে দিতে চাইত না।  কত কষ্ট করে আমি আর তোর দাদা মিলে ওদের রাজি করিয়েছি তুই তো জানিসই। আমি চাই তোর যা ইচ্ছা হয় তুই কর জীবনে। কেউ যেন তোকে বাধা না দেয়। কিন্তু তোর নিজের শরীর যদি এতটা না দিতে পারে কি করবি বল? জোর করে দুটোই চালাতে গেলে তো তুই একটাও শিখতে পারবি না ঠিক করে।"
" যেভাবেই হোক, আমি দুটোই শেখা চালিয়ে যাব" - আমার বোন দিশা দৃঢ় গলায় বলল।
" সেটা পারলে তো আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম রে। কিন্তু সেটা নেওয়া তো সম্ভব হচ্ছে না তোর শরীরের পক্ষে। দেখছিস তো গত দুইমাস ধরে তুই খুব টায়ার্ড হয়ে যাচ্ছিস আর পায়ের ব্যথায় ভুগছিস। এভাবে তো তুই একটাও শিখতে পারবি না। কষ্টও পাবি। পড়াশোনারও ক্ষতি হবে তোর।" কাকিমা আবার নরম গলায় বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করল বোনকে।
আমি ততক্ষনে বোনের পা থেকে স্নিকার আর মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিয়েছি। সেই সাথে আমার কি বলা উচিত সেটাও ঠিক করে ফেলেছি সব দ্বিধা কাটিয়ে। এতে আমার সারা জীবনের একটা স্বপ্ন সফল হবে! আর তার চেয়েও বড় কথা, এতে দিশারও ভাল হবে।
" উপায় আছে কাকিমা, বোন দুটোই একসাথে শেখা চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য যা যা করতে হবে সেটা যদি তুমি আর দিশা মেনে নাও তবে।"
" কি উপায়?" কাকিমা জিজ্ঞাসা করল।
" যাই হোক, আমি সেটাই করব। আমি দুটোই চালিয়ে যেতে চাই।" বোন আবার দৃঢ় গলায় বলল।
" ওয়েস্টার্ন ড্যান্স আর ক্যারাটে, দুটো শেখার জন্য বোনের শরীরের উপর বেশি চাপ পরছে। বোনের শরীরে নিউট্রিয়েন্টের অভাব হওয়ায় ও টায়ার্ড হয়ে পরছে। এরজন্য ওকে হোয়ে প্রোটিন,  মাল্টিভিটামিন সহ আরও কয়েকটা ফুড সাপ্লিমেন্ট রোজ খেতে হবে। এতে ওর নিউট্রিয়েন্টের অভাবে ক্লান্ত হয়ে পরা বন্ধ হবে। আর ওর পায়ের মাসল ওভারওয়ার্কের ফলে ক্লান্ত হয়ে পরছে। পায়ের মাসলে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমে যাচ্ছে, ব্লাড সার্কুলেশনেও প্রব্লেম হচ্ছে, বিশেষ করে অনেকক্ষন টানা নাচ বা ক্যারাটে প্রাক্টিশ করার পরে। এর ফলেই ওর পায়ে এত ব্যথা হচ্ছে। কিন্তু বোন যদি রোজ নাচ বা ক্যারাটে প্রাক্টিশের পর আধ থেকে একঘন্টা ফুট ম্যাসেজ নেয় তাহলে ওর পায়ের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে, বেশি অক্সিজেন যাওয়ার জন্য পায়ের মাসলের ল্যাকটিক আসিডও তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে যাবে। ফলে ওর পায়ের ব্যথাও কমে যাবে।"
" সত্যি যদি তাই হয় তাহলে তো ভালই। কিন্তু রোজ ওর ফুট ম্যাসেজ করে দেবে কে?" কাকিমা জিজ্ঞাসা করল আমাকে।
" সত্যিই হবে, তুমি দেখে নিও। এটুকু আমি বুঝি, আমি ডাক্তার তুমি ভুলে যেওনা। আর ওর পা সেই টিপে দেবে যে ছোট থেকে এখনো পর্যন্ত রোজ ওকে জুতো পরিয়ে দেয়। ছোট্ট বোনের সখ মেটাতে তার দাদা এটুকু করবে না?" - আমি হাসিমুখে বললাম কাকিমাকে।
" ঠিক আছে দাদা, এখন আমার পা টিপে দে তাহলে। দেখা যাক তোর কথা সত্যি কিনা।" বোন ওর চটি পরা পা দিয়ে আমার হাঁটুর কাছে খোঁচা মেরে বলল।
উফ, কি যে আনন্দ হচ্ছিল আমার! জীবনে প্রথম কোন মেয়ের পা টিপে সেবা করতে চলেছি আমি! তাও নিজের ছোট্ট খুড়তুতো বোনের, ওর মায়ের সামনেই। প্রবল আনন্দ মনে চেপে আমি বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের কোলে তুলে নিলাম।  তারপর যত্ন করে ওর দুটো পাই পালা করে টিপতে লাগলাম। যেভাবেই হোক বোনের পায়ের ব্যথা কমিয়ে দিতে হবে যতটা সম্ভব। যাতে ও নাচ আর ক্যারাটে দুটোই শেখা চালিয়ে যেতে পারে। আর আমিও বোনের চাকরের মত রোজ ওর পায়ের কাছে বসে এভাবে ওর পা টিপে দিতে পারি!
বোন নরম সোফায় গা এলিয়ে আমাকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে একবার ওর মায়ের এনে দেওয়া টিফিন খেল, তারপর আবার নরম সোফায় গা এলিয়ে হাত গুটিয়ে বসে ১২ বছরের বড় দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর আরাম নিতে লাগল।কাকিমা বোনের পাশে বসে আমার বোনের পা টেপা দেখতে লাগল।
আমি বোনের দুই পায়ের কাফ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত পালা করে টিপতে লাগলাম। একটু পরে বোন আরামে চোখ বুজে ফেলল।  ৩০ মিনিট পর বোন একবার  চোখ খুলে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, " দাদা, পায়ের ব্যথা প্রায় পুরোই কমে গেছে । এখন থেকে রোজ সন্ধ্যায় প্রাক্টিশের পর এইভাবে আমার পা টিপে দিবি তুই।"
আমি আশা করেছিলাম বোন হয়ত এবার বলবে,  আজ আর পা টিপতে হবে না। ওঠ এবার। কিন্তু না। বোন ওইটুকু  বলেই আবার চোখ বন্ধ করে ফেলল। জীবনে প্রথমবার এইভাবে বোনের পা টিপে সেবা করার ফলে আমার মন ভিশন সাবমিসিভ হয়ে উঠেছিল ততক্ষনে।  আমি বোনের পা দুটো যত্ন করে টিপতে টিপতে বলে ফেললাম, " নিশ্চয়ই বোন। ছোট্ট বোনের সেবা করা তো দাদার দায়িত্ব। এখন থেকে রোজ এইভাবে  প্রাক্টিশের পর চাকরের মত তোর পা টিপে দেব আমি।"
বলেই আমার মনে হল হয়ত একটু বেশি বলে ফেলেছি। তাই বোন আর কাকিমার দিকে তাকিয়ে এমনভাবে একটু হাসলাম যাতে মনে হয় আমি মজা করে বলেছি ওটা।
কিন্তু সত্যিই চাকরের মত বোনের সেবা করতে পেরে আমি যে কি খুশি হয়েছিলাম সেটা বলে বোঝানো সম্ভব না। বোনের হাবভাব স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছিল সেও খুব এঞ্জয় করছে আমাকে দিয়ে পা টেপানো। হয়ত তার অনেকটাই নাচ ও ক্যারাটে দুটোই ও চালিয়ে যেতে পারবে নিশ্চিত হয়ে। সেই সাথে কিছুটা বড় দাদাকে দিয়ে পা টেপানোর ক্ষমতা পেয়েও। আর কাকিমাও খুব স্বাভাবিকভাবে ঠিক বোনের পাশে বসে আমার বোনের পা টিপে দেওয়া দেখছে।
আরো প্রায় ৩০ মিনিট আমি ঠিক চাকরের মত বোনের পায়ের কাছে বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের কোলে নিয়ে বসে যত্ন করে ওর পা টেপা চালিয়ে গেলাম। তারপর কাকিমা বলল, " কি রে দিশা, পায়ের ব্যথা কমল তোর?"
দিশা চোখ খুলে বলল, " হ্যাঁ মা, কিন্তু আরেকটু পা টেপাই দাদাকে দিয়ে। খুব আরাম লাগছে।"
" কাকিমা হাসি মুখে বলল," আবার কাল পা টেপাস। দিপ প্রায় একঘন্টা ধরে তোর পা টিপছে। এবার ওকে ছাড়।"
" ঠিক আছে মা। বলে দিশা আমার কোল থেকে ওর চটি পরা পা দুটো তুলে মেঝেতে রেখে বলল, " ঠিক আছে দাদা। আজকের মত আর পা টিপতে হবে না। আবার কাল পা টিপে দিস আমার।" এই বলে আমার প্রায় ১১ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দরী বোন দিশা আমার দিকে চেয়ে অর্থপূর্ন একটা হাসি দিল।
আমিও " নিশ্চয়ই বোন, এখন থেকে রোজ আমি এইভাবে তোর পা টিপে দেব যাতে তোর পায়ে ব্যথা না হয়", বলে উঠে দাঁড়ালাম।
কাকিমা বলল, " তুই এবার একটু বাজার থেকে ঘুরে আয় দিপ, এই নে লিস্ট করে রেখেছি কি লাগবে। আর বোনের জন্য সাপ্লিমেন্ট কি লাগবে বললি সেসবও নিয়ে আয়। আর টাকা নিয়ে যা" বলে নিজের মানিব্যাগ খুলতে গেল।
" টাকা আবার কিসের? তোমরা কি আমার পর নাকি যে বাজারে পাঠালে টাকা দেবে?" এইবলে আমি ঘরের বাইরে পা বাড়ালাম।
আমার মন কাকিমার সামনে এতক্ষন টানা বোনের পা টিপে সেবা করতে পারার আনন্দে উদ্ভাসিত তখন। নিজের কষ্টের রোজগারের টাকায় বোন আর কাকিমার জন্য শপিং করতে যাচ্ছি চিন্তা করতে সেই আনন্দ আরো বেড়ে গেল। আমি বাজারে গিয়ে নিজের টাকায় বোন,  কাকিমা আর ওদের সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিস একে একে কিনতে লাগলাম।
( চলবে)....

Monday, 1 May 2017

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

স্কুলের সেই দিনগুলি.... ( খোকা )

ক্লাস ৫ এ উঠে আমি একটা কো এড হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। আমি একটু লাজুক ছিলাম বলে ক্লাস ৫ এ আমার তেমন কোন বন্ধু ছিল না। স্কুলে ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পরে একদিন টিফিন পিরিয়ড চলছিল। ক্লাসের ছেলেরা বাইরে মাঠে খেলছিল। আমার তেমন বন্ধু ছিল না বলে আমি টিফিন করে লাস্ট বেঞ্চে শুয়েছিলাম। আর মেয়েরা অনেকে ক্লাসের বেঞ্চে লাফালাফি করে ধরাধরি খেলছিল। আমি চোখ বন্ধ করে শুয়েছিলাম, হঠাত বুকের উপর চাপ পরায় চোখ খুলে দেখি প্রীতি নামে একটা মেয়ে আমার বুকটা ওর জুতোর তলায় মাড়িয়ে হাই বেঞ্চে পা দিয়ে পরের বেঞ্চে চলে গেল। আর তাকে যে মেয়েটা ফলো করছিল, অঙ্গনা নামে সেই মেয়েটা আমাকে শুয়ে থাকতে দেখে অন্যদিকের বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে এই বেঞ্চে আসতে গিয়েও থেমে গেল। তারপর ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা দিয়ে আমার মাথায় খোঁচা মেরে বলল- এই ছেলে, আমরা এখানে খেলছি দেখছিস না। বেঞ্চ থেকে ওঠ, নাহলে বেঞ্চের বদলে তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াব আমরা।
অঙ্গনা মেয়েটা খুব ফর্শা আর সুন্দরী। ওই ১০ বছর বয়সেই আমার ওকে দেখে কিরকম মন খারাপ করত মাঝে মাঝে, ওর সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করত। 
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম,- আমার শরীর খারাপ লাগছে, তাই শুয়ে আছি। তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না। 
অঙ্গনা ওর জুতো পরা পা দিয়ে আমার গালে এবার বেশ জোরে একটা খোঁচা মেরে বলল,- আমি দেখেছি রোজ টিফিনে তুই শুয়ে থাকিস বেঞ্চে। রোজ তোর শরীর খারাপ থাকে নাকি? এখনই ওঠ ভালয় ভালয়, নাহলে আমরা তোর গায়ের উপর দিয়ে দৌড়াতে বাধ্য হব । আর তোর জামায় আর মুখের উপর যদি আমাদের জুতোর তলার ছাপ পরে যায়, তখন কিন্তু আমাদের কোন দোষ থাকবে না।
উফ, এই অপমানজনক কথাতেও যে কেন আমার এত আনন্দ হচ্ছিল বুঝতে পারছিলাম না আমি ! আমি অনেক কষ্টে মনের উত্তেজনা আর আনন্দ চেপে রেখে বললাম, - তোমাদের যা ইচ্ছা কর, আমি উঠব না।
অঙ্গনা কথা বাড়ালো না, সাথে সাথে ওর সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা আমার মুখের উপরে তুলে দিল। আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে রাখা ওর জুতো পরা ডান পায়ে ভর দিয়ে ও ওর বাঁ পা টা বেঞ্চ থেকে তুলে আমার বুকের উপরে রাখল। তারপর ওর ডান পা টা আমার মুখ থেকে তুলে হাই বেঞ্চে রেখে বাঁ পা টাও আমার বুক থেকে তুলে সামনের লো বেঞ্চে রাখল। এমন স্বাভাবিকভাবে ও আমাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে সামনের বেঞ্চে চলে গেল যেন আমার কোন অস্তিত্ব নেই, ও আগের মতই খালি বেঞ্চ মাড়িয়ে গেল!
ক্লাসে তখন মোট ১১-১২ টা মেয়ে ছিল, সবাই ধরাধরি খেলছিল। অঙ্গনাকে ওরকম স্বাভাবিকভাবে আমাকে পায়ের তলায় মাড়িয়ে যেতে দেখে মেয়েরা সবাই হো হো করে হাসতে লাগল। তাই দেখে অঙ্গনা বলল, - ও উঠবেনা যখন, তখন আমরা ও নেই ধরে নিয়েই বেঞ্চের উপর দিয়ে দোড়াব। ও শুয়ে আছে ভাবার দরকারই নেই। যখন ব্যথা পাবে ও নিজেই উঠে যাবে।
ক্লাসের মেয়েরা সবাই দারুন মজা পেয়ে গেল। সবাই দৌড়াতে দৌড়াতে বারবার আমার দিকেই আসতে লাগল। আর আমার মুখটাকে জুতোর তলায় মাড়িয়ে যেতে লাগল বারাবার। মাঝে মাঝেই ওরা জুতো পরা পায়ে ইচ্ছা করে দাঁড়িয়ে পরতে লাগল আমার মুখের উপরে। ওদের জুতো পরা পায়ের চাপে আমার মুখে যন্ত্রনা হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু এত আনন্দ হচ্ছিল যে তার কাছে ওই কষ্ট কিছুই না। অঙ্গনা, প্রীতি, রাই, পৃথা,মারিয়া, সুনন্দা, নিশা, লতিফা, অনামিকা, উপাসনারা বারবার ওদের জুতো পরা পায়ের তলায় আমার মুখ, বুক মাড়িয়ে চলে যাচ্ছিল, আর আবার ফিরে এসে আমাকে ওদের জুতোর তলায় মাড়াচ্ছিল। ওদের দৌড় দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, ওরা আর ছোঁয়াছুয়ি খেলছে না, আমাকে জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়াতেই ওদের উতসাহ বেশি। মাঝে মাঝেই ওরা ওদের জুতোর তলার ধুলো কাদা আমার মুখে ঘসে পরিষ্কার করছিল, মাঝে মাঝেই আমার মুখে লাথিও মারছিল ওদের জুতো পরা পায়ে। ওরা একটু অবাক হয়েছিল আমি কেন বাধা না দিয়ে ওদের আমার উপরে অত্যাচার করা চালিয়ে যেতে দিচ্ছি ভেবে। ওদের নিজেদের মধ্যের কথা থেকে বুঝতে পেরেছিলাম ওরা ভাবছে আমি দেখাতে চাইছি আমি কত বীর, আমার কত সহ্য ক্ষমতা। তাই ওরা আরো জোরে জুতো পরা পায়ে লাফিয়ে পরছিল আমার মুখে, আরো জোরে লাথি মারছিল আমার মুখে। আমার ভিশন ব্যথা লাগছিল, কিন্তু তা স্বত্তেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছিলাম। মনের মধ্যে কিরকম ভক্তি জেগে উঠছিল আমার উপর অত্যাচার করতে থাকা সুন্দরী ক্লাসমেটদের প্রতি। মনে মনে ভাবছিলাম ওরা যদি আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে আমাকে মেরেও ফেলে তাও আমি ওদের বাধা দেব না।
ওরা আশা করেছিল একটু পরেই আমার বীরত্ব থেমে যাবে, আমি উঠে পরব সহ্য করতে না পেরে। কিন্তু ওদের কোন ধারনাই ছিল না ওদের হাতে অত্যাচারিত হতে কত ভাল লাগছে আমার। আমি চুপচাপ শুয়ে থেকে মেয়েদের আমাকে জুতো পরা পায়ে ট্রেম্পল করা আর লাথি মারা চালিয়ে যেতে দিলাম। সেদিন প্রায় ৩০ মিনিট ওরা আমাকে এইভাবে ট্রেম্পল করেছিল। 
সেই শুরু। এরপর রোজই টিফিন টাইমে ওরা আমাকে একইভাবে ট্রেম্পল করতে লাগল,জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল আমার মুখে। ক্রমে ওরা বুঝতে পারল ওদের প্রতি আমার ভক্তিটা। ওরা আমাকে মারলে আমি যে সেটা এঞ্জয় করি, ওদের সেবা করতে যে আমার ভাল লাগে সেটা ওরা ক্রমে ধরতে পারল। এরপর স্কুলে নির্দিধায় আমাকে হুকুম করত আমার ক্লাসের মেয়েরা। আর আমি দাসের মত উতসাহ নিয়ে পালন করতাম আমার প্রভু সুন্দরী ক্লাসমেটদের আদেশ। ক্রমে ওরা আমাকে মারার জন্য আর আমাকে দিয়ে সেবা করানোর জন্য আরো অনেক গেম বানিয়েছিল। সেগুলো যেমন আমার প্রভুরা এঞ্জয় করত, তেমনই আমিও করতাম। উফ, স্কুলের দিনগুলো সত্যিই কি দারুন ছিল!

Saturday, 1 April 2017

মায়া আর পৃথা

( ভূমিকা না পরে কেউ ব্লগে ঢুকবেন না । সম্পুর্ন ভূমিকা পড়ে তবেই গল্প, কমেন্ট পড়বেন বা নিজে কমেন্ট করবেন । অন্যথায় , আপনার কোন ভুল ধারনার জন্য আমি/ আমরা দায়ী থাকব না । ) 

সকালবেলা আমি নিজের ঘরে বল নিয়ে খেলছিলাম । তখন আমার ক্লাস ১১ । সেদিন ঘরে বাবা , মা কেউ ছিল না । আমি ছিলাম , আর পাশের ঘরে বোন ওর বান্ধবী মায়ার সাথে খেলছিল । খেলতে খেলতে বল চলে গেল খাটের তলায় । বক্স খাটের তলায় বল আনতে ঢুকে আমার দেহ আটকে গেল । আমি কিছুতেই বেরতে পারছিলাম না । হঠাত ঘরে ঢুকল আমার ১৩ বছর বয়সী বোন পৃথা আর ওর বান্ধবী মায়া ।
আমাকে এই অবস্থায় দেখে ওরা হো হো করে হাসতে লাগল । মায়া বলল , ‘চল , ওকে নিয়ে মজা করি এই বলে মায়া উঠে দাঁড়াল আমার বুকে ।
মায়া আর পৃথা দুজনেরই পায়ে স্নিকার পরা । মায়া আমার বুকে উঠে দাড়াতে পৃথা আমার মাথার পাশে দাড়িয়ে জুতো পরা ডান পায়ের তলাটা আমার মুখের উপর রেখে আমার মুখটা জুতোর তলা দিয়ে ঘসতে লাগল ।
আমার ভীশন ভাল লাগতে লাগল । তবু মুখে বললাম , প্লিজ এরকম করিস না তোরা, আমাকে বের কর বাইরে 
বোন বলল , – বের করব , যদি আমরা যা বলব তাই করিস তবে ।
আমি নিজে থেকেই প্রিথার জুতোর তলায় চুমু খেয়ে বললাম  তোরা যা বলবি তাই করব । শুধু আমাকে বের কর এখান থেকে ।
আমার কথা শুনে পৃথা আমার মুখে জুতো পরা পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে লাফাতে লাগল । আর মায়া লাফাতে লাগল আমার বুকে ।
তারপর পৃথা আমার মুখে জুতোর তলা চেপে ধরে বলল  আমার জুতোর তলায় চুমু খা ।
আমি তাই করলাম । আমার ছোট বোনের জুতো পরা পায়ের তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে লাগলাম ।
তারপর পৃথা আমার মুখে লাথি মেরে বলল  এবার তোর জিভটা বার করে দে ।
আমি তাই করলাম । আমার বার করা জিভের উপর বোন প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
আমি জিভ টা মুখে ঢুকিয়ে বোনের জুতোর তলার সব ময়লা ভক্তিভরে গিলে ফেললাম । তারপর মায়া উঠে দাড়াল আমার মুখে । ও একইভাবে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা , তারপর ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিষ্কার করে ফেলল ।
মায়া এরপর জুতো খুলে ওর মোজা পরা পায়ে আমার মুখের উপর দাড়াল । আমি প্রাণভরে আমার প্রভু মায়ার মোজার গন্ধ শুঁকতে লাগলাম ।
মায়া এরপর ওর মজার তলা আমার ঠোঁটের উপর রেখে অর্ডার করল, “ চাট কুত্তা ”.
আমিও মন্ত্রমুগ্ধর মতো চাটতে লাগলাম। কতক্ষন চেটেছিলাম ঠিক জানিনা,অন্তত ২০ মিনিট । সম্বিত ফিরলো বোনের কথায়,’এবার আমার পালা   রাই ( মায়া) উঠে বোনকে সুযোগ দিল। বোন ওর জুতো মোজা খুলে খালি পায়ের তলা আমার মুখের উপর রেখে হুকুম করল, “ চাট দাদা ”.আমি হৃদয়ের সমস্থ ভালোবাসা উজাড় করে চাটতে লাগলাম বোনের খালি পায়ের তলা। ওর পায়ের তলার ধুলো আমার অমৃত মনে হচ্ছিলো। কতক্ষনও চাটাত জানিনা,তবে মিনিট পাঁচেক পরে গেটে  আওয়াজ হল,বোধহয় মা ফিরে এসেছে। মাকে আমার পরিত্রাতা মনে হলনা,মনে হল মা  এখন না এলেই ভাল হত। ওরা তাড়াতাড়ি আমাকে টেনে কিছুটা বার করল , তারপর  বাই বাই রনি বলে  ওরা দুজন  চলে গেল।আমি  কষ্ট করে বেরিয়ে এলাম খাটের তলা থেকে।

সেদিন সারা দুপুরটা যেন এক অদ্ভুত নেশায় কাটলো। মায়া আর পৃথা আমাকে সেই সুখ দিয়েছিল যা ছাড়া আমি আর কিছু চাইনি। আমার সারা জীবনের একমাত্র স্বপ্ন হল কোন মেয়ের হাতে  অপমানিত হয়ে  তাদের হুকুম তামিল করা। কোন মেয়ের জুতোর তলা কুকুরের মত চাটা আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল। আর আজ,আমি নিজের বোন আর তার বান্ধবীর হুকুমে পোশা কুকুরের মতো ওদের জুতোর তলা চাটলাম !
  বিকেলে মা আবার মার্কেট করতে বেরল।বোন সেই দুপুরে বেরিয়ে গেছিল মায়ার সাথে।বিকেল ৫  টায় ও ঘরে ঢুকল, একা। ও ওর চাবি দিয়ে গেট খুলে ঢুকেছিল,আমি উঠিনি। আমি বসার ঘরে মেঝেতে শুয়ে টিভি দেখছিলাম।  ও ফিরে এসে এই ঘরেই ঢুকল, আর, আমার মুখটা ডান পা দিয়ে মাড়িয়ে বাথরুম এ চলে গেল !! ওর জুতোর তলার ময়লা আমার মুখে লেগে গেছে,বেশ বুঝতে পারলাম। ফিরে এসে  ও একটা চেয়ার এনে আমার সামনে বসল,আমার হাত থেকে রিমোটটানিয়ে নিজের পছন্দের চ্যানেল চালিয়ে দিল তারপর,ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে তুলে দিল।প্রবল আনন্দে আমার মন ভরে গেল।  বোন ওর ডান পা টা রেখেছিল আমার মুখের উপর,আর বা পা টা কপালে। ও ওর জুতোর তলা আমার সারা মুখে ঘসতে লাগলো।
একটু পরে ও আমার মুখের উপর লাথি মেরে বলল পা টিপে দে আমার”.আমি নিজের বোনের পা টিপতে লাগলাম আর  ও নিজের দাদার সারা মুখে জুতোর তলা ঘসতে লাগলো।একটু পরে অ হুকুম করলও,’ জিভ বের কর  আমি জানতাম  ও কেন বলছে,আমি জিভ বার করে দিলাম। আর আমার বোন আমার বার করা জিভে প্রথমে বাঁ জুতোর তলা পরিষ্কার করল,তারপর ডান জুতোর তলা । তারপরও  জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখে টিভি দেখে চলল।আমি আমার প্রভু,আমার দেবীর পা টিপে চললাম, যে জন্মসূত্রে আমার বোন হয় !!!! 
আমি মন দিয়ে বোনের পা টিপে যাচ্ছিলাম। আমি ভীশন মন দিয়ে বোনের পা টিপছিলাম,  ওকে খুশি করা ছারা আর কিছু ভাবছিলাম না আমি। আমার বন্ধুরা সবাই মাঠে ফুটবল খেলছে এখন। আর আমি ঘরে বসে নিজের বোনের পা  টিপছি? বসেও না, শুয়ে ! আর আমার বোন ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখে রেখেছে ! যতই নিজের অবস্থা সম্পর্কে ভাবছিলাম, কি এক অদ্ভুত আনন্দে মন ভরে উঠছিল আমার। আর আমি আরো মন দিয়ে টিপছিলাম আমার বোন,আমার প্রভু, পৃথার পা দুটো । আর পৃথা টিভি দেখতে দেখতে আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘসে চলেছিল।
 ওর জুতোর তলা অবশ্য ও আমার মুখে আর জিভে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলেছিল । আমার মুখে জুতোর তলা দুটো ঘষার ফলে বরং আমার মুখ থেকে ময়লা ওর জুতোর তলায় লেগে যাচ্চিলো। আমি মাঝে মাঝে তাই জিভ বার করে ওর জুতোর তলা চেটে পরিষ্কার করে দিচ্ছিলাম। এভাবে কতক্ষনকেটেছিল হিসেব রাখিনি। ঘর ভাঙল কলিং বেল এর আওয়াজে । পৃথা আমার মুখে আলতো করে একটা লাথি মেরে বলল, “যা, দরজা খুলে দিয়ে আয়। আমি অবাক হয়ে ওর দিকে চাইলাম।ওর পায়ের তলা থেকে উঠে বললাম, “কিন্তু আমার মুখ যে তোমার জুতোর তলার ময়লায় ভর্তি, মা সব বুঝে  যাবে যে?”  
পৃথা মিষ্টি হেসে বলল ,” সে আমি বুঝব কি বলতে হবে। আর আজ থেকে তুই আমার চাকর। আমার কোন হুকুম অমান্য করবি না যা মা বাইরে থেকে একবার দরজা খোলার জন্য তাড়া দিল। আমি বোনের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে ওর জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করলাম একবার। তারপর উঠে গেলাম দরজা খুলতে। দরজাটাখুলেই আমি ভেতরের ঘরে চলে এলাম। আশা করেছিলাম মা আমার মুখ দেখার আগেই আমি মুখ ধুয়ে ফেলব।

কিন্তু মা দেখতে পেয়ে গেল। অবাক হয়ে বলল, “কি রে, তোর মুখে  এত ময়লা কেন? কি করছিলি?” আমি কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না,পাশ থেকে বোন বলল, “ ও খেলতে গিয়েছিল, এখুনি ফিরলো মা। আমি বোনের কথাটা ধরে নিয়ে বললাম,হাত পা ধুচ্ছিলাম, মুখ ধোয়ার আগেই তুমি চলে এলে। মা আমার দিকে তাকিয়ে রাগ মেশান গলায় বলল, “ মাধ্যমিক হয়ে গেছে বলে কি সারাদিন খেলে বেড়াবি? পরা শুরু করতে পারছিস না?” আমি মাথা নিচু করে বললাম, “সরিমা ”, তারপর মুখ ধুতে লাগলাম বেসিনে । মা বোনের দিকে ফিরে বলল, “আর তুই ঘরের মধ্যে জুতো পরে বসে আছিস কেন? ঘরে ঢোকার সময় জুতো খুলতে পারিস না?”
 বোন বলল, “ মা, জুতোর ফিতাটা খুলছে না, ফাস পরে গেছে। তাই ভাবলাম দাদা ফিরলে খুলিয়ে নেব। আর আমার জুতোর তলা একদম পরিষ্কার। দাদার মুখ বা জিভের থেকেও বেশি। বলে জুতো তুলে তলাটা দেখাল মাকে। আমার মুখ ধোয়া হয়ে গেলে বোন আমার দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, “দাদা, আমার জুতোর ফিতাটা খুলতে পারছিনা, ফাস লেগে গেছে। তুই একটু খুলে দিবি প্লিজ ?” আমি কিছু বললাম না মুখে ,বোনের পায়ের কাছে বসে ওর জুতো পরা পা দুটো কলে তুলে নিলাম। মা তখন এই ঘরেই খাটে বসে আমাদের দেখছে। আমার দারুন ভাল লাগছিল মার সামনে বোনের জুতো খুলে দেব ভাবতে। কিন্তু   এত সহজে জুতো খুলে দিতে ইচ্ছা করল না। আমি বোনের জুতোর ফিতেয় হাত দিয়ে এমন ভাব করতে লাগলাম যেন চেষ্টা করেও খুলতে পারছি না। চেষ্টা করার নামে বরং গিট ফেলে দিলাম ওর জুতোর ফিতেয়। তারপর মুখ উপরে তুলে বললাম, “খুলছে না তো রে বোন,কি করব ?” ও বলল ভাল করে চেষ্টা কর দাদা, ঠিক খুলবে।
আমি চেষ্টা করার নামে ওর জুতো পরা ডান পা তাকে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরেছিলাম এক হাত দিয়ে, আর অন্য হাত দিয়ে চেষ্টা করছিলাম ফিতে খোলার। কিছুক্ষন চেষ্টা করার ভাণ করে ওকে বললাম, “খুলছে না, ফিতাটা কেটে দেব?”

 বোন বলল, “না না, ফিতে কেটে দিলে জুতো পরব কি করে এরপর?” তারপর মিষ্টি হেসে বলল, “দাঁত দিয়ে একবার ট্রাই কর না, লক্ষ্মী দাদা আমার। আমি একবার মায়ের দিকে তাকালাম । মা আমাদের দেখছে , কিন্তু কিছু বলল না। বোন আমার উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে ওর জুতো পরা ডান পাটা আমার কাঁধের উপর রাখলো। ওর জুতোর টো টা আমার বা কাঁধের উপর রাখলো ও, আর আমি ডান হাতটাওর জুতোর হিলের তলায় রেখে দাঁত দিয়ে ওর জুতোর ফিতে খোলার চেষ্টা করতে লাগলাম। আমি ভাবতেই পারছিলাম না, মায়ের সামনে আমি নিজের বোনের জুতোর ফিতে দাঁত দিয়ে খুলছিলাম !! বেশ সময় নিলাম খুলতে আমি, ডান জুতোর ফিতে খুলে দিতে বোন বাঁ পা টাও তুলে দিল আমার ডান কাধে। আমি ওর বাঁ জুতোর ফিতেয় দাঁত দিয়ে খুলে দিলাম। বোন ওর সুন্দর মুখটা হাসিতে ভরিয়ে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউদাদা।”, তাঁরপর ওর পা দুটো আমার কোলের উপর নামিয়ে রাখলো। আমি ওর জুতো দুটো ওর পা থেকে খুলে দিলাম, তারপর মোজাও খুলে দিলাম। কয়েক সেকেন্ড এর জন্য ওর পা টিপে দিলাম। বোন আবার মিষ্টি হেসে নরম গলায় বলল,” দাদা, আমার জুতো দুটো রেখে আমার ঘরের পরার চটিটা এনে দিবি please? আমি খুব টায়ার্ড। আমি বিনা প্রতিবাদে বোনের আদেশ পালন করলাম।
বিকেলের টিফিনসেরে বোন ওর ঘরে ঢুকল। আমিও ওকে অনুসরন করলাম।ওর ঘরের দরজা ভিজিয়ে দিয়ে ওর চটি পরা পায়ের উপর উপুর হয়ে শুয়ে পড়লাম আমি। ওর চটি পরা পা দুটো নিজের দুই হাতের উপর রেখে পাগলের মত ওর দুই পায়ের উপর চুম্বন করে চললাম। ও উঠে দাড়াল আমার হাতের উপরে। আমার ব্যাথা লাগছিল হাতে, তবু আমি চুম্বন করা চালিয়ে গেলাম। ওর পায়ে একটা করে চুমু খাচ্ছিলাম, আর আমার মুখ থেকে ওর প্রতি  প্রভু, ঈশ্বর ,ভগবান ,দেবী এরকম একটা সম্ম্বোধন বেরিয়ে আসছিল, তাঁরপর আবার একই রকম আগ্রহে ওর অন্য পায়ে চুমু খাচ্ছিলাম। কিছুক্ষন পর বোন খাটে বসে পরলো আবার। ওর ডান পাটা তুলে আমার মাথার উপর ওর চটির তলাটা ঘসে আমাকে আদর করতে লাগল। আর আমি ওর বাঁ পায়ের উপর নিজের মাথা ঘসতে ঘসতে একটানা বলে চললাম, “প্রভু, ঈশ্বর,ভগবান, দেবী ইত্যাদি। একটু পরে পৃথা বলল, “দাদা সোজা হয়ে শো। আমি সোজা হয়ে শুতে  বোন ওর পা দুটো আমার মুখের উপর রাখলো, ডান পাটা ঠোঁটের উপর, আর বাঁ পাটাকপালে। আমি ওর পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। বোন হেসে বলল, “তুই খুব বাধ্য ছেলে হয়ে গেছিস দাদা।”. আমি ওর পা টিপতে টিপতে ওর চটির তলায় চুম্বন করে বললাম,” হ্যাঁ প্রভু। আজ থেকে তুমি আর মায়াই আমার প্রভু , আমার ভগবান । তোমরা যা বলবে তাই শুনব , তাই করব আমি প্রভু